Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রবন্ধ সংগ্রহ – অম্লান দত্ত

    Ek Pata Golpo এক পাতা গল্প1207 Mins Read0
    ⤶

    ৮.১০ “মানুষ! মানুষ!!”

    ৮.১০ “মানুষ! মানুষ!!”

    পরিশিষ্ট

    সমালোচকদের উত্তরে আমার দুয়েকটি কথা পুনরায় নিবেদন করি।

    (১) ইতিহাসের বস্তুবাদী ব্যাখ্যার সাধারণ শিক্ষা এই যে, ব্যক্তির স্বার্থ স্থানকালে তার অবস্থান দ্বারা নির্ধারিত হয়। যেহেতু মানুষ সমাজবদ্ধ জীব এবং সমাজ পরিবর্তনশীল, অতএব স্থানকালে ব্যক্তির অবস্থান বলতে শুধু তার ভৌগোলিক অবস্থান বোঝায় না, বরং বিশেষ সমাজে পারস্পরিক সম্পর্ক দ্বারা নির্ধারিত স্থানটিকেই বোঝায়।

    মার্ক্সবাদের বিশেষ শিক্ষা এই যে, ব্যক্তি শুধু সমাজের অংশই নয়, বরং আর্থিক বিচারে সে মূলত শ্রেণীবিশেষের অংশ এবং ব্যক্তিস্বার্থ শ্রেণীস্বার্থের অংশ হিসাবে ইতিহাসে সক্রিয়।

    মানুষ ভগবানের ইচ্ছা অথবা শয়তানের অভিসন্ধি দ্বারা চালিত হয় এই বিশ্বাসের ভিত্তিতে ইতিহাসের কোনো “বৈজ্ঞানিক” ব্যাখ্যা সম্ভব নয়। বরং মানুষ সামাজিক সম্পর্কসূত্রে নির্ধারিত বাস্তব স্বার্থ দ্বারা চালিত হয়, এই ধারণা ইতিহাসের যুক্তিনিষ্ঠ বিশ্লেষণের পক্ষে সহায়ক। এমনই সহায়ক যে প্রথম দৃষ্টিতে এই ধারণাকে সম্পূর্ণ সত্য মনে হওয়া অস্বাভাবিক নয়।

    কিন্তু স্বার্থবুদ্ধিও একপ্রকার বুদ্ধি, অর্থাৎ যুক্তির প্রকাশ। এক্ষেত্রে বলা প্রয়োজন যে ব্যক্তিগত অথবা শ্রেণীগত কোনো স্বার্থবুদ্ধি অথবা কোনোপ্রকার যুক্তি প্রবণতা দ্বারাই মানুষের আচরণের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা হয় না।

    আমাদের সচেতন মন স্বার্থবুদ্ধিটাকেই সহজে চেনে, কাজেই মানুষ স্বার্থবুদ্ধি দ্বারা পরিচালিত এই ব্যাখ্যাটাই আমাদের সচেতন মনের কাছে অবিলম্বে গ্রাহ্য। কিন্তু কুরুপাণ্ডবের যুদ্ধে যেমন পরিণামে কোনো দলেরই স্বার্থ পূর্ণ হয়নি, স্বার্থবুদ্ধি যেমন সেখানে গভীরতর হিংসা ও প্রেমের দ্যোতকমাত্র ছিল কিন্তু পরিচালক ছিল না, মানুষের দীর্ঘ ইতিহাসে তেমনই স্বার্থের ছলনাকে আশ্রয় করে অন্ধ অবগুণ্ঠিত প্রবৃত্তি নিজেকে। চরিতার্থ করেছে।

    আমাদের জীবনকালেও এর নিদর্শনের অভাব নেই। ভারত ও পাকিস্তানের বিদ্বেষের মূলে স্বার্থবুদ্ধি প্রধান নয়। বরং স্বার্থবুদ্ধি দ্বারা পরিচালিত হলে আমাদের ভিতর সহযোগিতাই প্রত্যাশিত ছিল।

    হিটলারের ইহুদী নিধন ও সীমাহীন বর্বরতার পিছ তীর্থবুদ্ধির ছলনা মাত্র ছিল।

    যে-যুদ্ধের পরিণামে জাপান নিশ্চিহ্ন হতে বসেছিল জাতীয় অথবা শ্রেণীগত স্বার্থের গণনাকে তার নিয়ন্তা মনে করা মানব প্রকৃতি সম্বন্ধে অজ্ঞতারই পরিচায়ক।

    চীন ও সোভিয়েত দেশের ভিতর বাস্তব স্বার্থের বিরোধ অবশ্য আছে; কিন্তু এটাই কি ঐ দুই দেশের দ্বন্দ্বের একমাত্র, এমন কি প্রধান কারণ? স্বীকার করতে বাধা কি যে মানুষে মানুষে, দেশে দেশে পারস্পরিক হিংসা যুক্তি অথবা প্রয়োজনের মাত্রা মেনে চলে না?

    যুদ্ধ ও বিপ্লব আমাদের যেমনভাবে টানে তাতে যুক্তির অতীত অন্ধ প্রকৃতির প্রভাব অস্বীকার করা যায় না। এ বিষয়ে আত্মসচেতনতা আখেরে পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ধীরে ধীরে সহায়ক হতে পারে।

    (২) সমাজের স্থায়ী উন্নতির জন্য সর্বোপরি প্রয়োজন শিক্ষা ও বিজ্ঞান। সোভিয়েত দেশ, জমানি ও সুইডেনের ভিতর অন্যান্য নানা পার্থক্য আছে; কিন্তু বিজ্ঞানচর্চা ও শিক্ষার সুব্যবস্থা তিনটি দেশেরই বৈশিষ্ট্য।

    বিজ্ঞানের সাহায্যে উৎপাদনপদ্ধতির উন্নতি ঘটাতে হলে সেই সঙ্গে সামাজিক সম্পর্ক এবং প্রতিষ্ঠানেরও পরিবর্তন প্রয়োজন। এজন্য আন্দোলন ও জনমত গঠন আবশ্যক।

    পরিবর্তন যদিও আবশ্যক তবু ভিন্ন ভিন্ন দেশে স্থানকালের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নানা বিকল্প পথে উন্নতি সম্ভব। সোভিয়েত দেশ, জার্মানি ও সুইডেনের ভিতর বিজ্ঞানচর্চার স্তরের পার্থক্য বেশী নয়। যদিও শেষোক্ত দেশটিতে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান এখনও প্রথমোক্ত দেশটির তুলনায় অনেকটা উঁচু তবু তিনটি দেশকেই শিল্পোন্নত দেশ বলে স্বীকার করা সমীচীন। অথচ তিনটি দেশের সামাজিক, আর্থিক ও রাজনীতিক ব্যবস্থায় পার্থক্য প্রচুর। অর্থাৎ, মোটামুটি সমস্তরে অধিষ্ঠিত বিভিন্ন দেশের ভিতরও বিজ্ঞানের সাহায্যে উৎপাদন ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য কোনো একটি সমাজব্যবস্থা অপরিহার্য নয়।

    সকল সমাজ ব্যবস্থাতেই শিক্ষার প্রসার ও শ্রমের উৎপাদিকা শক্তির বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শ্রমিকের জীবনযাত্রার দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন অপ্রতিরোধ্য। অপরপক্ষে উৎপাদিকা শক্তির বৃদ্ধি যাতে ব্যাহত হয় শ্রমিকের জীবনযাত্রার স্থায়ী উন্নতি তাতে সম্ভব নয়।

    একটি সমাজব্যবস্থা সব দেশের পক্ষে নির্বিশেষে শ্রেষ্ঠ এমন চিন্তা ভ্রান্ত। এ বিষয়ে গোঁড়ামি ত্যাগ করলে উন্নতির শান্তিপূর্ণ পথ খুঁজে পাওয়া অপেক্ষাকৃত সহজ হয়।

    (৩) মার্ক্স স্বপ্ন দেখেছিলেন সেই সাম্যবাদী সমাজের যেখানে শ্রম ও শ্রমিকের ভিতর বিচ্ছিন্নতাবোধ লুপ্ত, মানুষের মানুষে বিরোধ সমাপ্ত। এই আদর্শ সমাজের খুঁটিনাটি অবান্তর, মূল সুরটি ধরিয়ে দেওয়াই প্রধান কথা। তরুণ মার্ক্স এই মূল সুরটি সুন্দর ধরেছিলেন।

    পরে তিনি তৎকালীন সমাজের সুদীর্ঘ বিশ্লেষণ করেছিলেন আদর্শ সমাজে পৌঁছবার পথ নির্ণয়ের জন্য। সেই বিশ্লেষণও মূল্যবান।

    কিন্তু মার্ক্সবাদী যাকে “শোষণ” বলেন, আর্থিক বিবর্তনের বিশ্লেষণে তার মূল্য যাই হোক না কেন, শেষ বিচারে “বিচ্ছিন্নতাবোধের কারণ সেখান নয়, আরও গভীরে। এ প্রসঙ্গে সামান্য আলোচনা প্রয়োজন।

    উৎপাদন পদ্ধতির সঙ্গে সঙ্গে শ্রমবিভাগ ক্রমশ সম্প্রসারিত হয়েছে। এতে শ্রমিকের উৎপাদিকা শক্তি বেড়েছে। কিন্তু শ্রমবিভাগের ফলেই আবার স্পষ্ট হয়েছে শ্রম ও শ্রমিকের ভিতর বিচ্ছিন্নতাবোধ। তরুণ মার্ক্স লিখেছিলেন “As soon as labour is distributed, each man has a particular, exclusive sphere of activity, which is forced upon him and from which he cannot escape.” (The German Ideology) শ্রমবিভাগের ফলে উৎপাদন প্রক্রিয়ার একটি ক্ষুদ্র অংশে শ্রমিক আবদ্ধ হয়ে পড়েন। এই নিষ্প্রাণ খণ্ড কর্মে শ্রমিকের ব্যক্তিত্বের পূর্ণ বিকাশ সম্ভব নয়, আবার যেহেতু উৎপাদন। প্রক্রিয়ার এই খণ্ডীকরণ ব্যক্তিবিশেষের ইচ্ছা দ্বারা নির্ধারিত হয় না অতএব এ থেকে স্বেচ্ছায় শ্রমিকের মুক্তিও সম্ভব নয়।

    উৎপাদন প্রক্রিয়াকে বহু ভাগে বিভক্ত করবার পর এই বিভিন্ন খণ্ডের ভিতর পুত্থানুপঙ্খ যোগাযোগ রক্ষার জন্য নিয়মের প্রয়োজন হয় এবং এই নিয়মও শ্রমিকের উপর একটি বন্ধন হয়ে চেপে বসে। এখানে মনে রাখা আবশ্যক যে, উৎপাদন পদ্ধতির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে শুধু শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ভিতর শ্রমবিভাগ বেড়েছে তাই নয়, বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ভিতর পারস্পরিক নির্ভরতাও বেড়েছে। যেপরিমাণে এই পারস্পরিক নির্ভরতা বেড়েছে সে-পরিমাণে নিয়মের জটিলতা ও ব্যাপকতাও বৃদ্ধি পেয়েছে। এ যুগে আমলাতন্ত্রের উদ্ভবের পটভূমিকা এই। যন্ত্র, কর্মবিভাগ ও বৃহৎ প্রতিষ্ঠান যতদিন আছে আমলাতন্ত্রও ততদিন থাকবে। বস্তুর উপর মানুষের শাসন প্রকারান্তরে মানুষের উপর মানুষের শাসনই হবে। এবং আমলাতন্ত্রের উপার্জিত আয়কে যদি ধনতন্ত্রে “শোষণে”র অংশ বলে গণ্য। করা হয় তো সমাজতন্ত্রে তাকে ভিন্ন নাম দিলে চিন্তার বিভ্রমই সৃষ্টি হবে।

    নিয়ম যতই যুক্তিসঙ্গত হোক না কেন ব্যক্তিমানুষের কাছে সেটা বন্ধনই বোধ হয়, কারণ মানুষের মনের একটা দিক আছে যেটা কিছুতেই স্থির থাকতে চায় না, সব নিয়ম ভেঙ্গে বেরোতে চায়। যদি একের ইচ্ছা ও বহুর ইচ্ছার ভিতর কোনো সহজ সমন্বয়। থাকতো তা হলে তো নিয়মের প্রয়োজনই হত না। শিল্পপ্রতিষ্ঠান থেকে ব্যক্তিগত মালিকানা দূর হলেও ব্যক্তির ইচ্ছা ও অতিকায় প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনের ভিতর অন্তরের মিল স্থাপিত হয় না। অনিয়ম থেকে অবশ্য নিয়মই ভালো, কারণ অনিয়মের তর্জন। নিয়মের শাসন থেকেও ভয়াবহ। কিন্তু ধনতন্ত্রেই হোক আর সমাজতন্ত্রেই হোক, এ যুগে যান্ত্রিকতার বন্ধন থেকে মুক্তির সন্ধান আমরা এখনও জানি না। আদর্শ জীবনের ছবি আঁকতে গিয়ে মার্ক্স যখন একটি মনোরম দিবসের সকাল, দুপুর ও সন্ধ্যা শিকার, মাছ ধরা ও গোচারণে ভরে তোলেন তখন যন্ত্রের বন্ধন থেকে মুক্তির অবচেতন ইচ্ছাটাই কি তাতে প্রকাশ পায় না। কিন্তু যন্ত্রের দাপট তে বিপ্লব দিয়ে রোধ করা যায় না।

    কাজের দিনে আমরা যন্ত্রের দাস আর ছুটির দিনে আমরা পলাতক বালকের মতো মুক্ত, এভাবেও সমস্যার সম্পূর্ণ সমাধান মেলে না। শিল্প ও বিজ্ঞানের একটা ঝোঁক আছে, এই বস্তু জগৎকে সে একান্তভাবে ব্যবহারের সামগ্রী এমন কি ভোগ্যবস্তু হিসাবে ভাবতে শেখায়। শিল্পের প্রাধান্যের সঙ্গে সঙ্গে ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনকেই মানুষ পরম লক্ষ্য বলে গ্রহণ করে। ধীরে ধীরে ব্যক্তিকেও সে বস্তুরই মতো ব্যবহারের সামগ্রী হিসাবে ভাবতে অভ্যস্ত হয়। কাজ থেকে ছুটি নিলেও মনের এই অভ্যাস থেকে ছুটি পাওয়া কঠিন হয়। শুধু ছুটি বাড়িয়ে কিংবা চাঁদে পলায়ন করে মানুষে মানুষে বিচ্ছিন্নতাবোধ দূর করা যাবে না।

    আধুনিক সমাজের এই দুটি গভীর সমস্যা একদিকে বৃহৎ প্রতিষ্ঠান, ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ ও আমলাতন্ত্রের প্রাধান্য দুর্নিরোধ; অন্যদিকে ব্যক্তিমানুষ আপন অন্তরে নিঃসঙ্গতাবোধে ক্লিষ্ট। সাময়িক উত্তেজনায় এই বিচ্ছিন্নতাবোধকে আবৃত করা যায়, কিন্তু তাতে তার মূল উচ্ছেদ হয় না। হিংসার অস্ত্র তাকে ছেদন করতে পারে না। বিপ্লবের অগ্নি তাকে দগ্ধ করলেও সেই ভস্ম থেকে তার পুনর্জন্ম হয়।

    গান্ধী একবার বলেছিলেন “Nehru wants industrialization because he thinks that if it is socialized it would be free from the evils of capitalism. My own view is that the evils are inherent in industrialism and no amount of socialization can eradicate them.” শিল্পোন্নয়ন যদিও আমরা চাই তবু গান্ধীর ঐ উক্তিতে একটি কঠিন অথচ সুগভীর বাস্তববোধ অস্বীকার করা যায় না।

    (৪) বিপ্লবের পথে পৃথিবীতে হঠাৎ সাম্য, স্বাধীনতা ও ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা যায় না। প্রশ্ন এই নয় যে, হিংসার সাহায্যে কোনো ফললাভ সম্ভব কি না? কোনো সমান্য ফল বিপ্লবীর কাম্য নয়; যে-ফল তাঁর কাম্য তা হিংসার সাহায্যে লভ্য নয়।

    সুস্থ সমাজমাত্রই বহু পরিমাণে পারস্পরিক আস্থার উপর প্রতিষ্ঠিত। হিংসার ব্যাপক ব্যবহারে এই আস্থা ভেঙ্গে যায়। তখন স্বৈরাচার ও নগ্ন পশুশক্তিই সমাজকে সংহত রাখবার উপায় হিসাবে অবশিষ্ট থাকে। আধুনিক সমাজের অন্যান্য সমস্যার সঙ্গে যুক্ত হয়ে এতে এক ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। হিংসা দ্বারা রাষ্ট্রযন্ত্রের উচ্ছেদ সম্ভব নয়; বরং ভয় ও সন্দেহের পরিমণ্ডলে রাষ্ট্রশক্তি তথা আমলাতন্ত্রকে নিয়মের দ্বারা সংযত করা। আরও কঠিন হয়ে ওঠে। উদ্দেশ্য দ্বারা উপায়ের মূল্যায়নের কথা যাঁরা বলেন তাঁদের মনে রাখা উচিত যে, উদ্দেশ্য ও পরিণাম এক বস্তু নয়। পরিণামের দ্বারাই উপায়ের মূল্যায়ন হতে পারে। হিংসাত্মক বিপ্লবের বাস্তব পরিণাম এবং আদি উদ্দেশ্য অথবা কল্পিত ফলের ভিতর বিভেদ বিষম।

    ফরাসী বিপ্লব ও রাজহত্যা ইয়োরোপে শাসকগোষ্ঠীর ভিতর যে-ভীতি সৃষ্টি করে, উনিশ শতকে একাধিক দেশে উদারনীতির অভ্যুত্থান তাতে বাধা পায়। পরবর্তী যুগে রুশবিপ্লব ও স্তালিনী স্বৈরাচার জমানিতে নাৎসী আন্দোলনের পথ সুগম করেছে। ফরাসী বিপ্লব ও নেপোলিয়ন, বিসমার্ক, স্তালিন ও হিটলার, সব কিছুর ভিতর একটা ঐতিহাসিক যোগসূত্র আছে সন্দেহ নেই; কিন্তু এই রক্তাক্ত পথই প্রগতির একমাত্র পথ ভবিষ্যতের জন্য যদি আমরা এই শিক্ষাই গ্রহণ করি তবে বিপদ। শতাব্দী জোড়া এই বৈপ্লবিক রক্তক্ষয় থেকে সুইডেন, সুইজারল্যাণ্ড প্রভৃতি যেসব দেশ দূরে ছিল তাদের উন্নতি উল্লেখযোগ্য।

    শিক্ষার প্রসার, বিজ্ঞানের সাধনা, গঠনধর্মী কর্ম এবং গণতান্ত্রিক সংগঠন ও আন্দোলনের দ্বারা যা লাভ করা যায় হিংসাত্মক বিপ্লবের পথে তার বেশী কিছু লভ্য নয়। অথবা যদি লভ্য হয় তবে সেই বাড়তি বস্তু লাভের যোগ্য কিনা সন্দেহ। যদি কেউ বলেন যে, আগে বিপ্লবের সাহায্যে অন্যায়ের অবসান হবে তারপর শুরু হবে গঠনধর্মী কাজ, তবে তিনি ভুল বলেন। এটা অবাস্তব চিন্তা। উনিশ শতকের ইংল্যাণ্ড, বিশ শতকের জাপান অথবা স্তালিনী সোভিয়েত দেশে অন্যায় কম ছিল না। এরই ভিতর দেশ গড়বার কাজও এগিয়ে গেছে। গড়বার জন্য পরিশ্রম ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন একই সঙ্গে প্রয়োজন। বিপ্লবের দ্বারা অন্যায়ের অন্ত হয় না।

    (৫) মার্ক্স মানবতাবাদে বিশ্বাসী ছিলেন। অনুন্নত ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থার সমালোচনা ছিল উনিশ শতকে মানবতাবাদের ভিত্তিস্বরূপ। মার্ক্সবাদের বিশেষ রূপরেখা ঐ ভিত্তিতেই নিধারিত। এ যুগে মানুষের অগ্রগতির জন্য উন্নত ধনতন্ত্র এবং সাম্যবাদী সোভিয়েত সমাজব্যবস্থারও সমালোচনা প্রয়োজন। নতুন যুগের অভিজ্ঞতায় মানুষকে ও। অমানুষিকতাকে আমরা নতুন আলোয় চিনেছি। তাই মানবতাবাদের নব রূপরেখা ও ভাষা স্বতন্ত্র।

    সমাজ ও ইতিহাস (প্রথম প্রকাশ, ১৯৭০)

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআরজ আলী মাতুব্বর রচনাসমগ্র ১
    Next Article এবার ভিন্ন কিছু হোক – আরিফ আজাদ

    Related Articles

    Ek Pata Golpo

    সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম

    October 28, 2025
    Ek Pata Golpo মহালয়া

    মহালয়া: মহিষাসুরমর্দিনী (Mahalaya: Mahishasuramardini)

    September 10, 2025
    Ek Pata Golpo

    গাছের পাতা নীল – আশাপূর্ণা দেবী

    July 7, 2025
    Ek Pata Golpo

    লিঙ্গপুরাণ – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    June 3, 2025
    Ek Pata Golpo

    ৪. পড়ন্ত বিকেল

    April 5, 2025
    Ek Pata Golpo ছোটগল্প মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    পূজারির বউ

    March 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }