Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রস্থানপর্ব – মহাশ্বেতা দেবী

    মহাশ্বেতা দেবী এক পাতা গল্প94 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    প্রস্থানপর্ব – ৪

    চার – অলক দত্ত

    আমার কথা আমাকে বলতে দে—দেখছি বিনয় সব বলে রেখেছে। যা বলেনি, তাই বলি।

    বাবা আমার নাম অলক রাখেননি। নাম রেখেছিলেন গোবিন্দচন্দ্র। গোবিন্দচন্দ্র। গোবিন্দ, গোপাল, কানাই, মুরলীধর, যত সব সেকেলে নাম। তা, পাখা গজাতেই আমি এপিডেবিট করে করে নাম করলাম ‘অলক’। এই নামটাই কেন? তখন রবীন্দ্রনাথের গানের রেকর্ড ‘অলকে কুসুম না দিও’ শুনেছি। শুনেছিলাম বিশ্বকবি সকলকে সুন্দর নাম দেন। বন্ধুরা বলেছিল, লিখে দেখ না একবার।

    না, আমার সাহসে কুলোয়নি। আমি নিজেই বুদ্ধি খাটিয়ে নাম পালটে নিই। বউয়ের নামও কেতকী রাখতে চেয়েছিলাম, কিন্তু শান্তিলতা যদি কেতকী হতে না চায়, তবে আমি কি করব?

    ‘দত্ত অ্যানড সানস’—এর কথা বলেছে বিনয় ভায়া—এও আমার নিজের তৈরি। নইলে বাবার মশলার কারবারে ঢুকতে হতো। আমার সে পোষাত না।

    যারা লেখে—টেখে, তাদেরকে খুব শ্রদ্ধা করতাম। যে জন্যে অরুণবাবুর নামে মূর্ছা যেতাম। বিনয় ভায়া তাঁকে নারীবিদ্বেষী হেন তেন বলেছে। আমি অত বলি না। পাবলিক যা খায়, তাই তো খাওয়াতে হবে। তখনকার পাবলিক মদ্দামার্কা মেয়েছেলে দেখালে সে নাটক নিত না।

    সরসী তালুকদারকে আমি ‘দিদি’ বলেছিলাম। শরৎচন্দ্রর পড়লে দেখা যাবে, ছোট বোনটি আদরের হলে বড় দাদা হরদম তাকে ‘দিদি’ বলে। তিনি আমার দিদি ওই অর্থে।

    শেলী আর বিনয় যা হয়েছে, তাতে তো সবই বলা হয়েছে। নতুন করে আমি কি বলব? দিদিকে খুব কাছে পেয়েছি, অনেক বছর দেখেছি। আমাদের সকলের সঙ্গেই তার ভালবাসার সম্পর্ক কিন্তু সে ভালবাসায় কোনো ‘ইয়ে’ ছিল না। আমি বলি, দিদির দিক থেকে এ একটা বিরাট হেম্মতের কাজ। চারটে বেটাছেলের সঙ্গে এমন ওঠাবসা, খাওয়া—দাওয়া, গল্পগুজব,—অথচ তার নামে কেউ কোনোদিন একটা কথা বলতে পারেনি।

    কথা কি বলেনি? বলেছে, অনেকে বলেছে। দিদি কাদার পুতুল ছিল। আমি তা মনে করি না। অরুণবাবু তো দিদির কাছে ঠাকুরদেবতা ছিল। দিদির আমার দুটি ঠাকুর। একটি স্বামী, আরেকটি ছেলে। পাথরের দেবতা হলেও সে ঠাকুর সাড়া দিত। মানুষ ঠাকুররা দিদিকে বোঝেনি, সাড়াও দেয়নি।

    —তোমার তো তোমার লেফটেনাণ্টদের ওপর বেশি নির্ভর।

    এমন কথা দিদি অনেক শুনেছে।

    অরুণবাবুর মেজাজ অনুযায়ী আমাদের একেক রকম নাম হতো। কখনো লেফটেনাণ্ট, কখনো সোলজার, কখনো স্তাবক, কখনো পরামর্শদাদা, কখনো উজির—নাজির, কখনো আবার কুপরামর্শদাতা। বলতে পারে, সৃজনশীল লোক তো। নব নব নাম আবিষ্কার করতেই পারে।

    তখন আমার দিদির হেম্মত দেখেছি। হেসেই বলত, অবিশ্বাস করার মতো কোনো কাজ ওরা কোনোদিন করেনি। বিশ্বাসের মর‍্যাদাও ভাঙেনি। আমার কাছে আসে, আমাকে ভালবাসে বলে। আমিও ওদের ভালবাসি।

    দিদির হেম্মতটাকে আমি তো সেলাম করি। দিদি কতকগুলো লক্ষ্মণের গণ্ডী মেনে চলত। তার অরুণবাবুর ওপর যে ভালবাসা, তা নিয়ে মন্তব্য করতে দিত না। সে একটা লক্ষ্মণের গণ্ডী বটে।

    আমরা তার মর‍্যাদা রেখেছি। সে লোক ফিরবে না। হেন রে, তেন রে, অনেক কথা বলেছি অনেক বছর ধরে—কিন্তু এ কথাটা কখনো বলিনি ‘সে—আপনাকে—ভালবাসে না’।

    বলার এক্তিয়ার আমাদের ছিল না। স্বামী—স্ত্রী সম্পর্ক, অন্য কেউ বলাটা মানায় কি? আর দিদিও তো এমন মেয়েছেলে নয় যে বলে বেড়াবে, ওগো! সে আমায় ভালবাসে না।

    অনেক মেয়ে বলে। এককালে ধীরা আমায় বলেনি? বলেছে, স্বামী আমায় ভালবাসে না। ঘর কত্তে ইচ্ছে হয় না।

    আমি বলেছি, দেখ! সিনেমায় যেমন দেখ, তেমন প্রেম রোজকার জীবনে ঘটে না। ঘটলে কাজকারবার চৌপাট হয়ে যেত। তোমার স্বামী ভদ্দরলোক। ছোট দোকান চালায়, শান্ত মানুষ। আমি তো বলি সে মহান। তোমার বিষয়ে আমার মনে ‘ইয়ে’ আজ জেনেও মেনে নিয়েছে। গেলে বেজার হয় না। এ যথেষ্ট পাওনা ধীরা। উলটো—পালটা বকলে আমি মানব না। তুমি যদি আমার বাড়ি প্রত্যহ ‘কেমন আছ’ বলতে যেতে, আমার বউ তোমাকে ঝাঁটা মেরে বের করত।

    ব্যস, ধীরা চুপ। আর বলেনি।

    ভালবাসা নিয়ে হাঁইমাত্তোম আমার দুচোখের বিষ। দীপিকা আর রঞ্জন সিনেমায় নামল, বিয়ে করল। তা বাদে দীপিকা কেন ময়ূখবাবুর সঙ্গে ঘুরছে বলে রঞ্জন দীপিকার ওপর গুলিই চালিয়ে দিল?

    লাভটা কি হলো? মেয়েটা অকালে মরল, আর তুই আউট হয়ে গেলি।

    এর পালটাটাও দেখেছি। আমার পাশের বাড়ির ভদ্রলোকের ছেলে বিয়ে করল নিজের পছন্দে। বউয়ের বিরাট সন্দেহ বাতিক। ছেলে অতিষ্ঠ হয়েই গিয়েছিল। বউয়ের বান্ধবীর বাড়ি গিয়ে বসে থাকত। বেটার বউ তা নিয়ে এমন তাণ্ডব করল যে লজ্জায় ঘেন্নায় ছেলেটা আত্মঘাতী হলো।

    দিদি আমার এসব খুব জানত। আমাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব, বা দিদি যেটা ন্যায্য মনে করে, যেমন শেলীকে রাখা—এসব বিষয়ে অরুণবাবুর কোনো কথা মানত না। সেও এক লক্ষ্মণের গণ্ডী।

    অরুণবাবু দিদিকে তুচ্ছ—তাচ্ছিল্য কম করেনি, শেষ অবধি করেছে।

    দিদি করেনি। বড় বংশের মেয়ে, কালচার ওর ভেতরে ছিল।

    অনেকবার মুখে এসেছে, বলতে পারিনি, আজ বলছি।

    অরুণ তালুকদার নিজেকে ছাড়া কাউকে ভালবাসেনি, সে ক্ষমতাই ওর নেই। দিদির মর‍্যাদা করবে ও? সকল মানুষ যে কুকুর বেড়াল মনে করে?

    দিদির সর্বনাশ তো সে নানাভাবে করে গেল। দিদির বিষয়—বুদ্ধি ছিলই না, তাতে অরুণবাবু যখন হঠাৎ খবর দিল যে সোনারপুরে রেললাইনের পুবে, অনেকটা পথ গিয়ে এক বিঘা ধানী জমি আশী হাজার টাকায় পাওয়া যাবে—সে যে আগ্রহ করে বলেছে, তাতেই দিদি আহ্লাদে যেন আটখানা।

    আমি বললাম, নাচছেন তো খুব—আপনার বাড়ি আছে, জমি আছে, আর জমি দিয়ে করবেন কি?

    —কেন? সম্পত্তি একটা, ভবিষ্যৎ আছে না? কোনোদিন একটা ছোট্ট বাড়ি করতে পারি…বাগান থাকবে…

    —খবরটা আনল কে?

    —পিপুলের…বাবা…

    —তিনি বিষয়—সম্পত্তি বোঝেন না। আপনি বোঝেন না, চলুন দেখে আসি।

    —আপনি যাবেন সেখানে?

    —যাব? আমার শালাকে নিয়ে যাব। ও উকিলও বটে, জমিজমার মধ্যস্থতাও করে, কমিশন পায়। ওকে দিয়েই সার্চ করিয়ে দেব।

    —মানে…ও খবরটা দিল তো! আবার…

    —তবু যাব। সর্বদা আপনার অন্যায় কথাতেও ‘হ্যাঁ’ বলি, জমিজমার ব্যাপারে পারলাম না। আপনার নিজের কোনো উকিল আছে?

    —সে দিদমা আর মা থাকতে…ভবতারণবাবু ছিলেন। আমার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নেই। দিদিমার উইল আমাকে বুঝিয়ে দিয়ে বলেন, তোমার কোনো কাজে আমাকে ডেকো না। শুনেছি, দিদিমা ওঁকে দিয়েই বিষয়—সম্পত্তি বেচান, তারপর উনি মস্ত বাড়ি করেন লেকটাউনে।

    —স্বাভাবিক। তাহলে কাল যাচ্ছি।

    জমির ব্যাপারটা অবশ্য সাচ্চাই ছিল। যাঁর জমি, তিনি ওটা বেচে দুই মেয়ের বিয়ে দেবেন। দিদি আশী হাজারে ওটা কিনে নেয়।

    দিদিই বলেছে, আমি মধ্যস্থতা করেছিলাম বলে অরুণবাবু যথেষ্ট গালাগালি করেছে দিদিকে। পিপুল একটু একটু করে জমি উন্নয়ন ও বাড়ি তৈরিতে আগ্রহী হচ্ছে। দিল্লি থেকে আসা—যাওয়া করছে। হয়তো চাকরি ছেড়েই দেবে। এ কাজই করবে কলকাতায়। দিদি দত্তবাবুকে মাঝে রাখার ফলে বাপ ও ছেলে খুবই মনক্ষুণ্ণ।

    আমি বললাম, বাঃ বেশ তো শুভাকাঙ্ক্ষী উনি? ওঁকে বা পিপুলকে যদি জমি কিনতে হয়, সার্চ করাবে না? দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা খুব খতরনাক জায়গা, ওখানে জমির মামলা খুব হয়।

    দিদি তো চুপসে গেল। আর বাড়ি বা বাগানের কথা বলে না। আগে ক’দিন তো মুখে খই ফুটছিল।

    —যেমন বাংলো বাড়ি…চারপাশে শুধু ফুলের গাছ কামিনী, জবা, শিউলি…

    অরু বলল ক’শো করে বউদি? কত গাছ লাগালে এক বিঘা জায়গা ঢেকে যাবে?

    —সে তখন দেখব। শেয়ালদা থেকে গাছ কিনব…আর একটা ছাতিমগাছের বেদী বানাব…

    —আপনার ছাতিমতলা?

    —আমরা সবাই বসে বেশ গল্প করব…

    —আমি যাচ্ছি না। কেন্নো, কেঁচো, পিঁপড়ে, সাপ…

    —পাখি আসবে অনেক! আঃ অরু! একটু স্বপ্ন দেখতে দাও না।

    —দেব না, টাকা দিন।

    —কেন?

    —টেলিফোনের বিল দেব, সে তো চেক দেবেন। ইলেকট্রিক বিল…সাবান…

    —বাড়ির নাম দেব ‘করুণা’।

    —আমি চললাম।

    তা, সেই যে জমি…তা তখন অরুণদার কে ভক্ত বলল যে সে বাগানবাড়ি করবে—অরুণদা বউদিকে বলল, বেচে দাও। অবশ্য একে না বেচতেও পারো। পরামর্শদাতারা যা বলবে, তা করতেও পারো।

    বউদি আমাদের জানাইল না। বলল, তুমি লোক পাঠাও, আমি বেচব।

    এ লোক আবার এক দালাল জোটাল। তখন রাস্তাঘাট হচ্ছে—ওখানে পাগলের মতো জমি কিনছে মানুষ—দিদি আমার জমি কিনল চার হাজার টাকা কাঠা, বেচল সাড়ে ছ’হাজার করে কাঠা—কম করে দশ হাজার করে কাঠা বেচতে পারত।

    দিদি নিজেকে বাঁচাতে জানত না। এই যে অভিনয় ছেড়ে দিল দিদি, যখন ছাড়ল তখন তো নায়িকা হতে পারে না। কিন্তু একটু বয়স্কা মেয়েছেলের ভূমিকাতেই মাতিয়ে দিত। ছাড়ল তো ছাড়লই, আর অভিনয় করল না।

    সবই ফানুস, ফেটে যায় শুধু। যার জন্যে এত ত্যাগ, সে তো এল না। স্বচক্ষে দেখেছি, সে যে আসবে না সেটা মেনে নিতে কি কষ্টটা পাচ্ছে!

    অরু এসে না থাকলে, একটা সময় ঠিকমতো স্নানাহারও করত না মনে হয়।

    শেষ সময়টা, বোধ করি মরবে বলেই অমনধারা করল আমাদের সঙ্গে।

    দিদির জন্মদিনটা আমরাই করতাম। ওই চীনে খাবার আনলাম, ফুল আনলাম, গল্পগুজব হলো। ভুলেও বলতাম না এটা ওদের বিবাহবার্ষিকীও বটে, আবার বিনয়ের ক্যাসেটে শুনছি, পিপুলের জন্মও ওই তারিখেই। কি তালগোলের দুনিয়া বাবা! মাকে তো কম চড়ালাম না ফুল, দিদির কল্যাণ চেয়ে। প্রতি শনি—মঙ্গলে পাঁচ সিকের ফুল চড়বেই। সবই ফানুস! মা কিস্যু করল না দিদির জন্যে। শেষ সময়ে অযথা কষ্ট দিল, অযথা…

    তা সে জন্মদিনের আগেই আমরা জানি। ‘অগ্নিযুগের অগ্নিশিখা’—রাজনীতি + বিপ্লব + প্রেম ও আত্মত্যাগ ইত্যাদি ইত্যাদি যাত্রাপালার রচয়িতা অরুণ তালুকদারকে সংবর্ধনা দিচ্ছে একটা ক্লাব ধুমধাম করে, ‘অপরূপা’ রঙ্গমঞ্চে।

    দিদির নামে এক পেল্লায় কার্ড এসে হাজির। টেবিলে সে কার্ড রাখা, তা ছাড়া আমরা যা যা ভালবাসি সেইসব পকোড়া, পট্যাটো চিপস, চা সাজানো।

    তখনো ঘরে ঢোকেনি দিদি, কার্ডও দেখে নি।

    আমরা ভাবছি, কার্ড কে পাঠাল! দিদি ঢুকল, কার্ডটা খুলল ভুরু কুঁচকে, তারপর বসে পড়ল।

    —ও…আমাকে…ওর…সংবর্ধনায়…ডেকেছে বিনয়!

    আমরা নিশ্চুপ।

    —নিজের সংবর্ধনায় নিজে ডাকল কেন?

    দিদির চোখ জলে ঝাপসা, দিদি বসে পড়ল চেয়ারে।

    বিনয় বলল, শান্ত হন বউদি। বসুন। নিজে ডেকেছে…?

    —হ্যাঁ…দেখ…

    বিনয় বলল, বউদি! এ তো অরুণ তলাপাত্র! ক্লাবের সেক্রেটারি।

    দিদি চোখ মুছে ভালো করে দেখল। তারপর বলল, তালুকদার নয়! তলাপাত্র! আমার চোখে তো কিছু হয়নি?

    চাঁদু একটু হেসে, অবস্থা সহজ করার জন্যে বলল, তা আপনি শুধু ‘অরুণ তালুকদার’ নাম জপে যাবেন…তাই তলাপাত্রকে দেখেছেন তালুকদার? এটা অটো—সাজেশান বউদি, রেখে দিন!

    দিদি যেন জ্বলে উঠল। বলল, সবসময়ে তার নাম জপ করি? তাই ভুল দেখছি? এ কথা তুমি বলতে পারলে চাঁদু? তোমরা…তোমাদের আমি সবচেয়ে আপনজন ভাবি…কিসের জন্মদিন? কার জন্মদিন? তোমরা আমাকে নিয়ে হাসো?

    তারপরেই বলল, যাও যাও, যাও তোমরা! কাউকে চাইনা আমি…আমি একটা করুণার পাত্র হয়ে গেছি…যাও! যা—ও!

    বলেই বসে পড়ল মাটিতে, কাঁদতে শুরু করল।

    শেলী দৌড়ে এল। বিনয় বলল, আমরা যাচ্ছি শেলী, তুমি বউদিকে শান্ত করো। উনি…অসুস্থ…হয়ে পড়বেন।

    অরুও বেরিয়ে এসেছিল। ও ভুরু কুঁচকে হাঁটতে লাগল।

    খানিকক্ষণ বাদে বলল, এত রিঅ্যাকশন এই তো প্রথম, তাই না?

    চাঁদু হ্যাঁ…আমি অপরাধী হয়ে গেলাম।

    বিনয় বলল, ননসেনস। সেও তো অমানুষ, জন্মদিনে একটা ফোন করতেও…

    আমি বললাম, প্রতিবার তো করে, দিদি বলে যে আমাদের?

    অরু বলল, করে না। কয়েক বছরই তো দেখেছি। বউদি ভোরে নিজে ফোন করেন আর প্রখ্যাত অরুণ তালুকদার দু—এক কথায় সেরে দেন।

    আমি বললাম, তাহলে দিদি আজও নিশ্চয় ফোন করেছিল।

    —করেছিলেন, কেউ ধরেনি।

    বিনয় বলল, ছি ছি! নিষ্ঠুরতার একটা… না, শেষ নেই।

    অরু বলল, আমি ডাক্তার না হয়েও ডাক্তারের মতো বলছি—এটা কিন্তু ভালো নয়। এ ভাবে হিস্টিরিক হয়ে পড়া।

    বিনয় বলল, বহুদিন একটা কবজায় একটা দরজা ঝুলছে। দরজাটার অবলম্বন ওই কবজাটায়। কবজাটায় মরচে পড়বে, খসে পড়গে, এ থেকেই বুঝে নাও।

    অরু বলল, আপনারা যান, আমি ফিরে যাই। অবশ্য মনে হচ্ছে, সবাই ফিরে গেলে ভালোই হতো, নাকি, হতো না?

    আমি বললাম, কাঁদতে দাও দিদিকে…কেঁদে হালকা হোক…দিদি তো! কাল থেকেই ফোন করবে।

    চাঁদু বলল, সে—ই তো করে। অনুশোচনা করে, কাকুতি—মিনতি করে…বউদি ভেঙে যাচ্ছে ভেতরে ভেতরে।

    বিনয় মৃদু গলায় বলল, বাঁচতে যে চায় না, তাকে বাঁচাবে কি করে?

    এর পরেও গেছি আমরা, কিন্তু কোথায় যেন কি ঘটে গেল…দিদি যেন এতদিনে হাল ছেড়ে দিল, অরু চলে গেল…তেমন তাপ—উত্তাপ দেখলাম না…অরু বিয়ে করল…চাঁইবাসা গেল…অনেক আশীর্বাদ করল, দুম করে একটা নেকলেসই কিনে আনল বউয়ের জন্যে।

    অরু বলল, কোনো মানে হয়? ও তো পরবেই না…টাকাটা দিলে বউদি…

    দিদি বলল, টাকার লাভ তো তোমাদের নেই। রোজগারও করছ। এটুকু করতে দাও আমাকে। ‘বউদি’ বলো, ছেলেরই মতো তো!

    দিদির শেষ সময়টার কথাই ভাবতে পারি না।

    ঠাকুরপুকুরে, আমরা জানি ওরা যায়—আমরা তত যাই না।

    শুনি, সব খরচ ওরা করছে।

    অলকা আর মালিনী একদিন এল। বলল, যাবেন তো ওখানে। সরসীদি আপনাকে খুঁজছিল। খুব দরকার।

    আমি আর বিনয় গেলাম।

    টাকা তোলার কথা তো বিনয় বলেছে।

    যখন বুঝল আর থাকবে না, তখন বলল, বাড়ি যাব।

    —সেখানে কে আছে, দিদি?

    —সব আছে। স—ব।

    সুলতানাদিদির নার্সিংহোমে খবর দিয়ে দিদির শোবার ঘরটাই কেবিন করে ফেলা হয়। নার্স, আয়া, ডাক্তার গুহ, সব ব্যবস্থা হলো। বুধবার বাড়িতে আনার পর পিপুল এল। বলল, আমাকে জানানো উচিত ছিল না?

    —ফোনে তোমায় পাইনি। আর…দিদি বাড়ি আসতে চেয়েছিল।

    —আর কষ্ট করবেন না আপনারা…আমি থাকব।

    আমরা চলে এলাম।

    আর বলতে ভালো লাগছে না। তিন দিন জ্ঞান ছিল না, অজ্ঞান অবস্থাতেই চলে যায়, এটাই যা স্বস্তি।

    ক্যানসারের যন্ত্রণায় মানুষ উঃ করে না, ঠোঁট কামড়ে নীরবে কাঁদে?

    আগে থেকেই গাছের কাছে গিয়ে বসছিলাম। এখন আরোই বসব।

    হ্যাঁ, আমার বিশ্বাস আছে। দিদির নামে কালীঘাটে একদিন…

    কিছুতে হিসেব মেলাতে পারি না, চেষ্টাও করি না এখন।

    দিদি একটা গাছের নিচে বসতে চেয়েছিল, সেটা কি খুব বেশি চাওয়া?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআই. পি. সি. ৩৭৫ – মহাশ্বেতা দেবী
    Next Article মিলুর জন্য – মহাশ্বেতা দেবী

    Related Articles

    মহাশ্বেতা দেবী

    হাজার চুরাশির মা – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    মিলুর জন্য – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    আই. পি. সি. ৩৭৫ – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    প্রতি চুয়ান্ন মিনিটে – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    পারিবারিক – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    মুখ – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }