Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রিয় – ইমদাদুল হক মিলন

    ইমদাদুল হক মিলন এক পাতা গল্প219 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৬. উদাস চোখে সিলিংয়ের দিকে তাকিয়ে

    উদাস চোখে সিলিংয়ের দিকে তাকিয়ে আছে বর্ষা।

    মিনু এসে তার রুমে ঢুকলেন বর্ষা খেয়ালই করল না, যেমন তাকিয়ে ছিল তেমনি তাকিয়ে রইল।

    কয়েক পলক তাকিয়ে বর্ষাকে দেখলেন মিনু, তারপর তার পাশে বসলেন। এ সময় শুয়ে আছিস কেন?

    বর্ষা কথা বলল না, ফিরেও তাকাল না।

    মিনু বললেন, ওঠ। ঐ রুমে চল। বিকেলের নাস্তা দিয়েছে। তোর বাবা বসে আছেন, তুই গেলে নাস্তা খাবেন।

    এবারও মায়ের দিকে তাকাল না বর্ষা। ধীর গলায় বলল, আমি খাব না।

    কেন?

    খেতে ইচ্ছে করে না আমার।

    ইচ্ছে না করলেও খেতে হয় মা। না খেলে শরীর খারাপ হয়।

    হোক।

    বর্ষার মাথায় হাত দিলেন মা, এমন করে না। চল সামান্য কিছু হলেও মুখে দে।

    বর্ষা এবার মায়ের দিকে তাকাল, অসহায় গলায় বলল, খেতে আমার ভাল লাগে। না। শুধু বাদলের কথা মনে হয়। তারপর কেমন যেন দুঃখি হয়ে গেল বর্ষা। মা, তোমার মনে আছে শেষ দিকে খিদে খুব বেড়ে গিয়েছিল বাদলের। বারবার শুধু খেতে চাইত।

    বর্ষার কথা শুনে বুকটা মোচড় দিয়ে উঠল মিনুর। তবু নিজেকে সংযত করলেন তিনি। শান্ত গলায় বললেন, ডায়াবেটিক রোগীদের এমন হয়।

    আগের মতো করেই বর্ষা বলল, তুমি বাবা ভাইজান, তোমরা সবাই ওর ওপর খুব রেগে যেতে। তোমরা রেগে গেলে মুখটা এমন অসহায় দেখাত ওর, আমার যে তখন কী কষ্ট হতো! কিছুতেই কিছু খেতে পারতাম না আমি। আমার খুব কান্না পেত, মনে হতো ইচ্ছে করে বাদলকে তোমরা খেতে দিচ্ছ না।

    মিনু একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। না, এটা তোর ভুল ধারণা। সন্তানকে ইচ্ছে করে না খাইয়ে রাখতে পারে না কোনও মা বাবা।

    তোমরা তো রাখতে।

    ইচ্ছা করে রাখতাম না মা। ওর ভালর জন্য খাবারটা কন্ট্রোল করতাম।

    তারপর একটু থেমে বললেন, আমি, তোর বাবা, আমরা কি কম ভালবাসতাম বাদলকে? বল।

    এই কথাটা যেন শুনতেই পেল না বর্ষা। বলল, আমি কিন্তু চুপি চুপি খেতে দিয়ে আসতাম বাদলকে।

    সত্যি?

    হ্যাঁ, তোমরা কেউ যাতে দেখতে না পাও, পা টিপে টিপে খুব সাবধানে ওর ঘরে গিয়ে খাবার দিয়ে আসতাম। যেসব খাবার নিষিদ্ধ ছিল সেসব খাবারের দুএকটি পেলে মুখটা যে কী উজ্জ্বল হতো ওর!

    বর্ষার কথা শুনতে শুনতে জলে চোখ ভরে এল মায়ের। আঁচলে চোখ মুছতে মুছতে তিনি বললেন, এভাবে বলিস না মা, এভাবে বলিস না। আমি সহ্য করতে পারি না। আমার বুক ফেটে যায়।

    কিন্তু মায়ের কথা যেন শুনতেই পেল না বর্ষা। উদাস গলায় বলল, আমাদের ছেড়ে কোথায় চলে গেল বাদল? কেন চলে গেল?

    .

    বাড়ি থেকে বেরিয়েই শুভর মনে পড়েছিল নাহিদের কথা। নাহিদ কি এখন হোটেলে আছে? তাহলে নাহিদের ওখানে যাওয়াই ভাল। নাহিদের মা, বাবা, বর্ষা, সবাই মিলে অন্যরকম একটা পরিবেশ। ওদের কাছে ভালই লাগবে শুভর। যদিও বর্ষা একটু অন্য রকম, তাকে নিয়ে নানা রকমের জটিলতায় আছে তিনজন মানুষ, তবু তাদের কাছে। যেতে ভাল লাগে শুভর।

    কিন্তু হোটেলের লনে এসেই ভাল রকমের একটা হোঁচট খেল শুভ।

    রিকশা বিদায় করে রিসিপশানের দিকে যাচ্ছে শুভ, বর্ষা বেরিয়ে এল। এসে শুভর পাশ দিয়ে অচেনা মানুষের ভঙ্গিতে হেঁটে লনের দিকে চলে গেল। শুভকে সে চিনতেই পারল না।

    শুভ বেশ অবাক হল। তারপর বর্ষার পিছু কয়েক পা এসে ডাকল। শোন।

    বর্ষা থমকে দাঁড়াল। অচেনা মানুষের ভঙ্গিতে তাকাল শুভর মুখের দিকে। খানিক তাকিয়ে তাকে চেনার চেষ্টা করল, আপনি যেন কে?

    শুভ মৃদু হাসল, আমি বুঝেছিলাম।

    কী বুঝেছিলেন?

    তুমি আমাকে চিনতে পারনি।

    হ্যাঁ।

    আমি শুভ।

    ও।

    নাহিদ আছে?

    না।

    আগের মতোই নির্বিকার ভঙ্গিতে চলে যাওয়ার জন্য পা বাড়াল বর্ষা।

    শুভ বলল, কোথায় যাচ্ছ?

    বর্ষা আবার দাঁড়াল। কাল সকালে বাড়ি চলে যাব।

    শুভ হাসল। কাল সকালের কথা বলছি না। এখন কোথায় যাচ্ছ?

    কোথাও না।

    রিসিপশানের সোফা দেখাল শুভ। তাহলে চল ওখানে বসি।

    কেন?

    কথা বলি তোমার সঙ্গে। গল্প করি।

    সঙ্গে সঙ্গে মুখ উজ্জ্বল হল বর্ষার। বাদলের গল্প! চলুন। দ্রুত হেঁটে সোফার সামনে এল বর্ষা। নিজে একটি সোফায় বসে মুখোমুখি সোফাটি দেখাল শুভকে। বসুন।

    শুভ বসল।

    বর্ষা দূরাগত গলায় বলল, স্পাইনাল কর্ডে যখন টিবি হল, চার মাস ধরে চিৎ হয়ে শুয়ে আছে বাদল। অত শুয়ে থাকলে কি ঘুম আসে মানুষের? বাদলেরও ঘুম আসত না। আমি থাকতাম পাশের রুমে। গভীর রাতে আস্তে আস্তে বাদল আমাকে ডাকত। বর্ষা বর্ষা। জোরে ডাকত না, জানেন! একটুও জোরে ডাকত না। জোরে ডাকলে যদি অন্যদের ঘুম ভেঙে যায়! জানেন, একবার ডাকলেই আমি টের পেতাম। মাত্র একবার ডাকলেই। আসলে বাদলের জন্য আমি যেন সারারাতই জেগে আছি।

    বর্ষার কথা বলার ভঙ্গিতে মন খারাপ হলো শুভর। অবস্থাটা বদলাবার জন্য বলল, বাদলের কথা নয়, তুমি তোমার কথা বল।

    অপলক চোখে শুভর দিকে তাকাল বর্ষা। আমার কী কথা? আমার তো কোনও কথা। নেই। আমি আর বাদল, আমরা দুজন এক সঙ্গে পৃথিবীতে এসেছিলাম। এক সঙ্গে বড় হয়েছিলাম, এক সঙ্গে এসে, এক সঙ্গে থেকে একজন কী করে আরেকজনের আগে চলে। যায়? বাদলকে ছেড়ে আমি কেমন করে থাকি বলুন তো, একটু থামল বর্ষা। তারপর বলল, বাদল আমাকে বলত, আমার মনে মনে বলা কথাও সে শুনতে পায়। এই যে এখন আমি ওর কথা বলছি, ও কি আমার কথা শুনতে পাচ্ছে? বলুন না, শুনতে পাচ্ছে?

    শুভ বলল, না মৃত্যুর পর আর কিছুই থাকে না।

    কেন থাকে না? মৃত্যু এমন কেন? বলুন না মৃত্যু এমন কেন? বাদল কেন মরে গেল?

    বর্ষা হুহু করে কাঁদতে লাগল।

    .

    নিজের রুমে বসে সেতু যখন কাঁদছে, ড্রয়িংরুমে বসে সেতুর দুভাই তখন তাকে নিয়ে নানা রকমের চিন্তাভাবনা করছে। ভেতরে ভেতরে রাগে গজরাচ্ছিল স্বপন। দাঁতে দাঁত চেপে বলল, ওকে যখন কাঁদতে দেখি, আমার ইচ্ছে করে ওর গলা টিপে ধরি।

    মামুন বললেন, রিল্যাক্স। যতোই কান্নাকাটি করুক কোনও লাভ হবে না। শোন তোকে নিয়ে আমি একটু ঐ ছোকরার সঙ্গে দেখা করতে চাই।

    কোন ছোকরা?

    আরে ঐ যে, শুভ না কী যেন নাম!

    শুনে চোখ কপালে উঠে গেল স্বপনের। বল কী তুমি? ওর সঙ্গে আমরা কেন দেখা। করব?

    মামুন গম্ভীর গলায় বললেন, কারণ আছে।

    কী কারণ?

    যাওয়ার আগে সব বলব। তুই কি ওদের বাড়ি চিনিস?

    চিনি।

    তাহলে এখুনি চল।

    তারপরই গাড়ি নিয়ে বেরিয়েছে দুভাই। শুভদের বাড়ি এসেছে। কলিংবেল বাজাবার পর শুভই দরজা খুলে দিয়েছে। খুলে হতভম্ব হয়ে গেছে। আপনারা? আসুন, আসুন।

    শুভর পিছু পিছু ড্রয়িংরুমে এসে ঢুকেছে মামুন এবং স্বপন।

    বসুন।

    স্বপন বলল, তুমি কি আমাদেরকে চিনেছ?

    জ্বি। একটু বসুন, ভাবীকে ডেকে আনি।

    দরকার নেই।

    চা, চা খাবেন তো?

    এবার কথা বললেন মামুন। আমরা চা খেতে আসিনি, অন্য কারও সঙ্গে দেখা করতেও আসিনি। বরং অন্য কারও না থাকাই ভাল, আমরা তোমার সঙ্গে দুএকটা কথা বলব।

    শুভ একটা সোফায় বসল।

    সেতুর দুভাইকে দেখার পর থেকেই বুকটা ধুকধুক করছিল। গলাটা শুকিয়ে আসছিল। খুবই নার্ভাস লাগছিল তার। কোন ফাঁকে যেন সেই ভাবটা কেটে গেছে।

    সোফায় বসে খুবই স্বাভাবিক ভঙ্গিতে মামুন এবং স্বপনের দিকে তাকাল শুভ। ধীর শান্ত গলায় বলল, জ্বি বলুন। স্বপন বলল, ব্যাপারটা আমরা জেনেছি।

    সঙ্গে সঙ্গে আরও বললেন, খুবই দুঃখ এবং লজ্জাজনক ব্যাপার, বিশেষ করে আমাদের জন্য। আমার বোন এরকম একটা কাজ করবে এ আমরা কল্পনাও করিনি।

    স্বপন বলল, এবং এমন সময় ব্যাপারটা আমরা জেনেছি…। হাত তুলে স্বপনকে থামালেন মামুন। আমি বলছি। তারপর শুভর দিকে তাকালেন তিনি। যা হোক, যা হয়ে গেছে তা নিয়ে ভেবে লাভ নেই। যা করতে হবে তাই নিয়ে ভাবা উচিত। একটু থামলেন তিনি। তারপর বললেন, আমরা চাই ব্যাপারটা তোমার দিক থেকে শেষ হয়ে যাক।

    শুভ চমকালো। মানে?

    স্বপন বলল, মানে জানতে চাওয়ার দরকার নেই। মানেটা খুব পরিষ্কার। যা লাগে আমরা দিয়ে দেবো। কাজটা যেভাবে করেছ সেভাবেই গোপনে শেষ করে দেবে।

    মামুন বললেন, অত কিছুর দরকার নেই। আমাদের ল ইয়ার পেপারস রেডি করে নিয়ে আসবে, তুমি শুধু সই করে দেবে।

    ফ্যালফ্যাল করে মামুন এবং স্বপনের মুখের দিকে তাকাল শুভ। আপনাদের কথা আমি বুঝতে পারছি না। কীসের পেপারস? কীসের সই?

    স্বপন বলল, ডিভোর্সের।

    জ্বি?

    হ্যাঁ, সেতুকে তোমার ডিভোর্স করতে হবে।

    সঙ্গে সঙ্গে উঠে দাঁড়াল শুভ। দৃঢ় গলায় বলল, একথা বলার জন্য আমাদের বাড়িতে আসা আপনাদের ঠিক হয়নি। মরে গেলেও সেতুকে আমি কখনও ডিভোর্স করব না।

    .

    মা বললেন, কারা এসেছিল তোর কাছে?

    শুভ একটু থতমত খেল। তুমি চিনবে না।

    চিনিনি বলেই তো জিজ্ঞেস করছি। কারা?

    আমার পরিচিত।

    কেমন পরিচিত?

    বিশেষ পরিচিত।

    মা ভুরু কুঁচকালেন, বিশেষ পরিচিত?

    হ্যাঁ।

    কিন্তু তাদেরকে তো চা খাওয়াতে দেখলাম না।

    শুভ কথা বলল না।

    মা তীক্ষ্ণ চোখে শুভর দিকে তাকালেন। কেন এসেছিল?

    ওই একটা কাজ আর কি! তুমি বুঝবে না।

    তোর মতো মানুষের কাছে কী এমন কাজে গাড়ি নিয়ে সুট-টাই পরা লোকজনরা আসবে যা আমি বুঝব না?

    শুভ একটু বিরক্ত হল। তুমি আমাকে যা ভাব আমি তা নই মা। আমি বড় হয়েছি, আমার একটা সার্কেল তৈরি হয়েছে, কিছুদিনের মধ্যে দেখবে ভাল একটা চাকরিও পেয়ে গেছি। তখন আর যখন তখন আমাকে গালাগাল করতে পারবে না।

    মা কথা বললেন না। কী রকম সন্দেহের চোখে শুভর দিকে একবার তাকিয়ে শাহিন-সুরমার বেডরুমে এসে ঢুকলেন।

    সুরমা রুমেই ছিল। শাশুড়িকে দেখে চোখ তুলে তাকাল।

    মা বললেন, বউমা, তুমি আমাকে সত্য একটা কথা বলবে?

    সুরমা মৃদু হাসল। আমি আপনার সঙ্গে কখনও মিথ্যে বলি না।

    মা যেন একটু বিরক্ত হলেন। সব কথায় প্যাঁচ ধরো না। শুভর কাছে যারা এসেছিল তাদেরকে তুমি চেন?

    না। কারা এসেছিল?

    সে কথাই তো জিজ্ঞেস করছি। আমি মা, কিন্তু শুভ আমাকে সব কথা বলে না। তোমাকে বলে। কারা এসেছিল তোমাকে বলেনি?

    না। আমি কিছু জানিই না। বাড়িতে যে কেউ এসেছিল একথা এইমাত্র আপনার মুখে শুনলাম।

    আমার কী রকম যেন সন্দেহ হচ্ছে।

    কীসের সন্দেহ?

    আজকালকার এই বয়েসি ছেলেরা নানারকমভাবে বখে যায়। শুভর ব্যাপারটা কি তুমি একটু জানার চেষ্টা করবে?

    অবশ্যই করব। শুভর সঙ্গে কথা বলে আপনাকে জানাব।

    ঠিক আছে।

    মা বেরিয়ে গেলেন।

    সামান্য সময় কী ভাবল সুরমা তারপর শুভর রুমে এসে ঢুকল। কপালে আড়াআড়ি করে ডান হাত ফেলে শুয়ে আছে শুভ। সুরমার সাড়া পেয়ে কপাল থেকে হাত সরাল তারপর বিছানায় উঠে বসল। আমি জানি তুমি কেন এসেছ?

    শুভর খাটে বসল সুরমা। কেন বলতো?

    মা গিয়েছিলেন তোমার কাছে?

    হ্যাঁ। কারা এসেছিল তোর কাছে?

    সেতুর দুভাই।

    সুরমা চমকাল, কী?

    হ্যাঁ।

    হঠাৎ?

    আমি কল্পনাই করিনি ওঁরা এভাবে আমাদের বাড়িতে আসবেন।

    কিন্তু এসেছিলেন কেন?

    আশ্চর্য এক আবদার নিয়ে। আমি যেন সেতুকে ডিভোর্স করি।

    কী?

    হ্যাঁ।

    সুরমা ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে রইল শুভর দিকে।

    শুভ বলল, এভাবে এসে ওঁরা যে আমাকে ডিভোর্সের জন্য চাপ দেবেন আমি ভাবতেই পারিনি ভাবী।

    সুরমা একটু নড়েচড়ে উঠল। কিন্তু ওদের পলিসিটা আমি একদম বুঝতে পারছি। এসব ক্ষেত্রে নিজেদের মেয়েটিকেই সাধারণত প্রেসার দেয় সবাই। তা না করে, ওঁরা তোর কাছে এলেন কেন?

    সেতুকে যে প্রেসার দেয়নি তাই বা কী করে বলছ? হয়ত তাকে ম্যানেজ করতে পেরেই আমার কাছে এসেছে।

    হতে পারে। সেতুর ব্যাপারে তুই কতটা সিরিয়াস তা হয়ত ওঁরা দেখতে চাইলেন।

    শুভ কথা বলল না।

    সুরমা বলল, কিন্তু এদিকে কী করবি?

    চোখ তুলে সুরমার দিকে তাকাল শুভ। এদিকে মানে?

    সেতুর ভাইদেরকে দেখার পর থেকে মা কী রকম যেন সন্দেহ করছেন। তাঁকে ম্যানেজ করবি কী করে?

    কথাটা আমিও ভেবেছি। ভাবী, বিয়ের ব্যাপারটা কি আমাদের বাড়িতে জানিয়ে দেবে? দুদিন আগে পরে জানাতে তো হবেই।

    সুরমা কাতর গলায় বলল, আমার খুব ভয় করছে। মা যে রকম মেজাজি মানুষ! তুলকালাম করে ফেলবেন।

    শুভ শান্ত গলায় বলল, সেই ভয়ে কি বসে থাকা যাবে? তুমি একটা কাজ কর, ভাইয়াকে বল। ভাইয়া বলবে মাকে।

    তারপরই সুরমার একটা হাত ধরল শুভ। ভাবী, তুমি ছাড়া আমার পাশে এখন। কেউ নেই। জানি তোমার ওপর দিয়ে অনেক ধকল যাবে। তবু তোমাকে সব সামলাতে হবে।

    সুরমা চিন্তিত চোখে শুভর মুখের দিকে তাকিয়ে রইল। বিছানায় আধশোয়া হয়ে টিভি দেখছে শাহিন।

    সুরমা এসে ঢুকল কিন্তু শাহিন তার দিকে ফিরেও তাকাল না। কয়েক পলক স্বামীকে দেখে রিমোট টিপে টিভি অফ করল সুরমা। এতে শাহিন তেমন বিরক্ত হল না। হাসিমুখে স্ত্রীর দিকে তাকাল। অফ করলে কেন?

    সুরমা সঙ্গে সঙ্গে বলল, তোমার সঙ্গে কথা আছে।

    কী এমন কথা যে জন্য টিভি অফ করতে হবে?

    তারপরই তীক্ষ্ণ চোখে সুরমার মুখের দিকে তাকাল শাহিন। এ

    ত গম্ভীর হয়ে আছ কেন? মা কিছু বলেছেন?

    না।

    তাহলে?

    একেবারেই অন্যরকম ব্যাপার।

    বলে ফেল।

    কথাটা তুমি কীভাবে নেবে বুঝতে পারছি না।

    আমাকে কিছু বলতে এত দ্বিধা করার মানে নেই। সরাসরি বলে ফেল।

    শুভ চাকরি বাকরির কথা বলায় তুমি সেদিন যেমন চিন্তিত হয়েছিলে, আজ আমি বুঝেছি কেন সে ওসব কথা বলেছিল।

    কেন?

    আগে আমাকে তোমার একটা কথা দিতে হবে। উত্তেজিত হবে না, রেগে যাবে না।

    শাহিন গম্ভীর গলায় বলল, কী হয়েছে?

    আগে কথা দাও।

    এত ভণিতা করো না। ভাল লাগছে না। কী হয়েছে বল।

    সুরমা পরিষ্কার গলায় বলল, সেতু নামের খুব বড়লোক বাড়ির একটি মেয়ের সঙ্গে শুভর অ্যাফেয়ার।

    শাহিন বেশ একটা ধাক্কা খেল। তাই নাকি?

    হ্যাঁ।

    কই, তুমি তো আমাকে কখনও বলনি?

    ছোটভাই একটি মেয়ের সঙ্গে প্রেম করছে সে কথা বড়ভাইকে বলার কী আছে?

    তাহলে এখন বলছ কেন?

    বলতে চাইনি। বাধ্য হচ্ছি।

    কীসের বাধ্য?

    সেতুর সঙ্গে শুভর বিয়ে হয়ে গেছে।

    কথাটি যেন বুঝতে পারল না শাহিন। কী বলছ তুমি?

    সুরমা গম্ভীর গলায় বলল, হ্যাঁ।

    কবে? কোথায়? কীভাবে হল?

    ব্যাপারটা খুলে বলল সুরমা।

    শুনে শাহিন একেবারে স্তব্ধ হয়ে গেল।

    সুরমা বলল, এখন আসল কাজটা তোমাকে করতে হবে।

    আসল কাজ কোনটা?

    মাকে ম্যানেজ করতে হবে।

    মানে?

    ব্যাপারটা মাকে বলে তাঁকে তুমি ম্যানেজ করবে।

    কিন্তু কাজটা কি শুভ ভাল করেছে?

    এছাড়া ওদের কোনও উপায় ছিল না।

    তা বুঝলাম কিন্তু মাকে ম্যানেজ করা খুব কঠিন হবে। শুনেই চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করবে, রাগারাগি শুরু করবে।

    তাকে তুমি বোঝাবে সেতু খুব বড়ঘরের মেয়ে। শিক্ষিতা, সুন্দরী।

    যত যাই হোক, আমাদের দেশের মা বাবারা এই ধরনের খবর শুনলেই রেগে যান। ছেলেমেয়েদেরকে এই ধরনের স্বাধীনতা তাঁরা দিতেই চান না। তার ওপর মা যদি শোনে। সেতুর ভাইরা এসে ডিভোর্সের জন্য প্রেসার দিয়ে গেছে তাহলে একেবারে কেলেঙ্কারি করে ফেলবে।

    এই কথাটা মাকে বল না।

    কিন্তু আমি অন্য রকমের একটা ভয় পাচ্ছি।

    সেতুর ভাইয়েরা কোনও ঝামেলা করে কি না?

    হ্যাঁ।

    আমিও সেই ভয়টা পাচ্ছি। এত টাকা পয়সা ওদের। টাকা দিয়ে সব হয় আজকাল।

    তা ঠিক।

    একটু চুপ করে থেকে শাহিন বলল, এমনিতেই শুভর ওপর সবসময় রেগে আছে। মা, এসব শোনার পর যে কী হবে ভাবতেই পারছি না।

    স্বামীর কাঁধে হাত দিল সুরমা। মা তোমাকে খুব ভালবাসেন। আমার বিশ্বাস, তুমি তাঁকে ম্যানেজ করতে পারবে। যেমন করে হোক শুভকে তুমি সেভ কর।

    শাহিন একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। তাতো করতেই হবে। তবে আপাতত মাকে কিছুই জানাবার দরকার নেই।

    মানে?

    আর কিছুদিন যাক, এরপর জানাব।

    শাহিন থামল। হাসিমুখে সুরমার দিকে তাকাল। সেতুর একটা ছবি আমাকে দেখিও তো। দেখব মেয়েটা কেমন।

    সুরমা মুগ্ধ গলায় বলল, খুব সুন্দর মেয়ে।

    .

    টেলিফোন সেটটা খুবই যত্নে মুচছে মালা।

    এই একটি ব্যাপারে অপরিসীম যত্নবান সে। আর কাজটি করার সময় অন্যদিকে মনোযোগ প্রায় দেয়ই না।

    কিন্তু এখন একটু দিল।

    শুভ এসে অদূরে দাঁড়িয়েছে আড়চোখে তা দেখল মালা। দেখেই মুখটা গম্ভীর, শক্ত ধরনের করে ফেলল।

    অপরাধী ভঙ্গিতে শুভ এসে দাঁড়াল মালার পাশে। নরম গলায় বলল, আপা।

    অভিমানে গলা ভারি হল মালার, আমাকে আপা বলার দরকার কী?

    তাহলে কী বলব?

    নাম ধরে বল, তুই করে বল।

    শুভ মাথা নিচু করল, আমার মনটা সেদিন ভাল ছিল না।

    কেন?

    খুব টেনশন যাচ্ছে।

    মালা অবাক হল। কীসের টেনশন? কী হয়েছে তোর?

    এমন একটা ব্যাপার, কাউকে বলতেও পারছি না।

    শুভর কথা বলার ধরনে বুকটা কেমন মোচড় দিয়ে উঠল মালার, টেলিফোন রেখে শুভর মুখোমুখি দাঁড়াল। তোর কথা শুনে আমার ভয় লাগছে। কোথাও কোনও বিপদ হয়নি তো? মা বলল, কারা নাকি এসেছিল তোর কাছে?

    শুভ বলল, ভয় পাওয়ার মতো কিছু না। একেবারেই অন্যরকম একটা ব্যাপার।

    সঙ্গে সঙ্গে সেদিনের কথা ভুলে গেল মালা। যাবতীয় অভিমান ভুলে গেল। গভীর মমতায় ছোটভাইর কাঁধে হাত দিয়ে বলল, কী হয়েছে আমাকে বল।

    বলতে পারি, কিন্তু প্রমিজ কর এখুনি কাউকে বলবে না।

    অন্য হাত শুভর গালে চুঁইয়ে মালা বলল, প্রমিজ করলাম।

    তাহলে আমার রুমে এস, বলছি।

    শুভর পিছু পিছু তার রুমে এসে ঢুকল মালা। অনেকক্ষণ ধরে সেতুর ব্যাপারটা মালাকে বলল শুভ। শেষ পর্যন্ত সেতুর একটা ছবি বের করে দিল মালার হাতে।

    সেতুর ছবি দেখে মালা একেবারে দিশেহারা হয়ে গেল। ওমা, কী সুন্দর মেয়ে! জীবনে এত সুন্দর মেয়ে আমি দেখিনি।

    তারপরই শুভর দিকে তাকাল মালা। এই গাধা, তুই এত ভয় পাচ্ছিস কেন?

    শুভ ম্লান গলায় বলল, তোমাদের কাউকে ভয় পাচ্ছি না। ভয় পাচ্ছি শুধু মাকে।

    সেতুকে দেখে আমার চেয়েও বেশি মুগ্ধ হবে মা।

    কিন্তু আমাকে তো মা দেখতে পারে না।

    তোকে দেখতে পারে না ঠিকই কিন্তু সেতুকে খুব আদর করবে দেখিস।

    ওসব তো বাড়ির বউ হয়ে আসার পর। আগে সব ঠিকঠাক করতে হবে না?

    আমাদের বাড়ি নিয়ে তুই ভাবিস না। ভাইয়া দেখবি ঠিকই মাকে ম্যানেজ করে ফেলেছে। দরকার হলে ভাইয়ার সঙ্গে আমিও থাকব।

    তুই কিছু বলতে গেলে মা আরও রেগে যাবে।

    মালা ঠোঁট উল্টাল। ইস রেগে যাবে! আমরা তিনভাইবোন আর ভাবী যদি একদিকে থাকি, আমাদের বিরুদ্ধে গিয়ে কিছুই করতে পারবে না মা।

    শুভ কথা বলল না।

    .

    কোনও কোনও রাতে দুধভাত খাওয়ার খুব শখ হয় টুপলুর। সন্ধেবেলাই মাকে বলে, আম্মু আমি আজ দুধভাত খাব।

    আজও বলেছে।

    তারপরই প্লেটে দুধভাত নিয়ে চামচে করে মেয়েকে খাওয়াতে বসেছে রেখা। প্রথম প্রথম আস্তেধীরেই খাওয়াচ্ছিল। এখন খাওয়াবার গতি একটু দ্রুত হয়েছে। ব্যাপারটা খেয়াল করে টুপলু বলল, এত তাড়াতাড়ি খাওয়াচ্ছ কেন আম্মু?

    রেখা বলল, এমনি।

    আমি এত তাড়াতাড়ি খেতে পারি না।

    খাওয়া দাওয়ার জন্য বেশি সময় নষ্ট করতে হয় না।

    কেন?

    খেতে বসে বেশি সময় নষ্ট করলে পড়বে কখন?

    এখন আমার পড়া নেই। টিচার চলে গেছে।

    আমি এখনকার কথা বলিনি।

    তাহলে কখনকার কথা বলেছ?

    রেখা একটু রাগল। চুপ কর। তুমি খুব বেশি কথা বল।

    ঠিক তখুনি রুমে এসে ঢুকল স্বপন। কী যেন কী কারণে মেজাজ খিঁচড়ে আছে তার। রেখা টুপলুকে খাওয়াচ্ছে এই দৃশ্য দেখে খিচড়ানো মেজাজ আরও খিঁচড়ে গেল। খেকুড়ে গলায় টুপলুকে বলল, তুমি এখানে বসে খাচ্ছ কেন? এটা কি খাওয়ার জায়গা? যাও ডাইনিং টেবিলে যাও।

    বাবার এরকম আচরণে টুপলু নার্ভাস হয়ে গেল। মুখটা ফ্যাকাসে হয়ে গেল তার। ব্যাপারটা খেয়াল করে স্বামীর দিকে তাকাল রেখা। বাড়ি এসেই মেয়েটাকে ধমকাচ্ছ কেন?

    আগের ভঙ্গিতেই স্বপন বলল, এখানে বসে খাচ্ছে কেন?

    খেতে চায়নি, আমি নিয়ে এসেছি।

    এক চামচ দুধভাত টুপলুর মুখে দেয়ার চেষ্টা করল রেখা। টুপলু মুখ সরিয়ে নিল। কাঁদো কাঁদো গলায় বলল, আমি আর খাব না আম্মু।

    সঙ্গে সঙ্গে প্লেট সরিয়ে নিল রেখা। তুমি তাহলে মুন্নি আপুর রুমে যাও। টিভি দেখ গিয়ে।

    আচ্ছা।

    টুপলু বেরিয়ে গেল।

    তারপর স্বামীর দিকে তাকাল রেখা। গম্ভীর গলায় বলল, তোমার আচরণ সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

    আগের মতই রাগী ভঙ্গিতে স্বপন বলল, কী রকম?

    ভেবে দেখ। বউ বাচ্চার সঙ্গে এই ধরনের আচরণ কোন ভদ্রলোক করে না।

    বিছানার এক পাশে বসল স্বপন। সেতুর ব্যাপারে আমার মেজাজ খুব খারাপ হয়ে যাচ্ছে।

    তাতে আমাদের কী?

    মানে?

    যার জন্য মেজাজ খারাপ, রাগটা গিয়ে তাকে দেখাও। আমাদেরকে দেখাবে না। তোমার জন্য আমার মেয়েটি এখন খেতে পারল না। তোমার আল্লাদি বোনের জন্য আমাকে তুমি চড় মেরেছ। অন্যায়টা তো আমরা করিনি। করেছে তোমার বোন। তার জন্য আমরা কেন সাফার করব?

    একটু থামল রেখা। তারপর বলল, আর একদিন যদি দেখি তুমি আমাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছ, তাহলে টুপলুকে নিয়ে আমি আমাদের বাড়িতে চলে যাব। গিয়ে সবাইকে বলব তোমার বোন এই এই করেছে, তার রাগ তুমি আমাদের ওপর ঝাড়ছ, পায়ে ধরলেও এই বাড়িতে আমি আর ফিরব না।

    টুপলুর আধখাওয়া দুধভাতের প্লেট হাতে রাগী ভঙ্গিতে বেরিয়ে গেল রেখা। স্বপনের এখন খুবই অসহায় লাগছে। কাতর মুখে নিজের বিছানায় বসে রইল সে।

    .

    ঠিক স্বপনের মতো করেই নিজের বেডরুমে নিজের বিছানায় বসে আছে মামুন। তার সামনে দাঁড়িয়ে শিলা বলল, আমি তোমাকে আগেই বলেছিলাম শুভর কাছে গিয়ে কোনও লাভ হবে না। যে ছেলে এভাবে বিয়ে করতে পারে তার বুকের পাটা বেশ চওড়া। তোমাদের কথায় বউ সে ছেড়ে দেবে না।

    মামুন বলল, এটা যে আমিও না বুঝেছি তা নয়। তবু গেলাম। চেষ্টা একটু করে দেখলাম। ছোকরাটিকে আমার একটু বোঝার দরকার ছিল, বুঝলাম।

    কী বুঝলে?

    লোভে পড়ে কাজটা করেছে।

    তা আমারও মনে হয়েছে।

    লোভ হচ্ছে তিনটি। প্রথমত, সেতু আমাদের একমাত্র বোন। এত বড় ফ্যামিলির একমাত্র মেয়ে, তাকে যে বিয়ে করবে প্রচুর জায়গা সম্পত্তির মালিক হবে সে।

    সেতু দেখতে খুব সুন্দর এটাও একটা কারণ।

    এটা হচ্ছে তৃতীয় কারণ।

    দ্বিতীয় কারণটা কী?

    দ্বিতীয় কারণটি হল, ছোকরাটি খুবই উচ্চাকাঙ্ক্ষী। সেতুকে পাওয়া মানে, জাতে উঠে গেল সে।

    শিলা ঠোঁট উল্টে বলল, আমার মনে হয় না এতকিছু ভেবে কাজটা সে করেছে।

    মামুন বলল, আমার মনে হয় ভেবেই করেছে।

    কিন্তু এখন কী করবে?

    দেখি কী করা যায়!

    .

    বিষণ্ণ মুখে শুয়ে আছে সেতু।

    খুবই নরম ভঙ্গিতে তার রুমে এসে ঢুকল মুন্নি। দরজার সামনে দাঁড়িয়ে সেতুকে কয়েক পলক দেখল। তারপর তার পাশে এসে বসল। ফুপি, তোমার কি শরীর খারাপ?

    সেতু শান্ত গলায় বলল, না।

    তাহলে সারাক্ষণ শুয়ে থাক কেন? রুম থেকে বেরও না, কারও সঙ্গে কথা বল না। কী হয়েছে?

    কিছু না।

    তুমি কি কারও ওপর রাগ করেছ?

    না মা।

    হাত বাড়িয়ে মুন্নির একটা হাত ধরল সেতু। তুই এখন যা। কথা বলতে আমার ভাল লাগছে না।

    মুন্নি দেখতে পেল কথা বলতে বলতে জলে চোখ ভরে আসছে সেতুর। হয়ত চোখের জল লুকোবার জন্যই পাশ ফিরল সে।

    মুন্নি কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে রইল। তারপর মন খারাপ করে সেতুর রুম থেকে বেরিয়ে এল।

    .

    বাবলু বলল, পঞ্চাশটা টাকা দাও মা।

    আনমনা ভঙ্গিতে চেয়ারে বসে আছে শিলা। ছেলের কথা শুনে তার দিকে তাকাল। কেন?

    কম্পিউটার ডিস্ক কিনব।

    এখন হবে না। পরে।

    বাবলু অবাক হয়ে মায়ের দিকে তাকাল।

    শিলা বিরক্ত হল। বললাম তো পরে দেব। তারপরও দাঁড়িয়ে আছিস কেন?

    বাবলু চিন্তিত গলায় বলল, তোমাদের কী হয়েছে?

    কী হবে?

    সবাই কী রকম চেঞ্জ হয়ে গেছ। আমি টাকা চেয়েছি আর তুমি দাওনি এমন কখনও হয়নি।

    হয়নি, আজ হল। এসব নিয়ে কথা বলার কিছু নেই। যা এখান থেকে।

    বাবলু এবার একটু রাগল। এত বাজে বিহেভ করছ কেন? তুমি না বললেও যাব।

    চলে যাওয়ার জন্য পা বাড়াল বাবলু।

    শিলা বলল, শোন।

    বাবলু ঘুরে দাঁড়াল। বল।

    টাকা নিয়ে যা।

    শিলা উঠল।

    বাবলু বলল, লাগবে না।

    .

    রাতেরবেলা খেতে বসে টুপলু বলল, ফুপি এখন আমাদের সাথে খেতে বসে না কেন?

    এ বাড়ির নিয়ম হচ্ছে রাতেরবেলা সবাই এক সঙ্গে খেতে বসে। ডাইনিং রুমের বিশাল টেবিলে মামুন, শিলা, স্বপন, রেখা, সেতু এবং বাবলু মুন্নি টুপলু। কদিন ধরে সবাই থাকে শুধু সেতু থাকে না। তার চেয়ারটা খালি।

    আজ সেই চেয়ারের দিকে তাকিয়ে কথাটা বলল টুপলু।

    শুনে মেয়ের দিকে তাকাল রেখা। চুপ কর।

    সঙ্গে সঙ্গে টুপলুর পক্ষ নিল মুন্নি। কেন চুপ করবে? ঠিকই তো বলেছে। ফুপিকে তোমরা ডাকো না কেন?

    ব্যাপারটা সামাল দেয়ার চেষ্টা করল শিলা। সেতুর শরীর খারাপ। ডাকলেও সে আমাদের সঙ্গে খেতে আসে না। এজন্য ওর খাবার ওর রুমেই পাঠিয়ে দিই।

    বাবলু বলল, মিথ্যে কথা বলছ কেন? কে বলছে ফুপির শরীর খারাপ?

    বাবলুর কথা বলার ভঙ্গিতে রেগে গেল স্বপন। চোপ। মায়ের মুখে মুখে তর্ক করছ। তোর মা যা বলেছেন তাই ঠিক। কোনও কথা বলবি না। চুপচাপ খেয়ে নে।

    সেতুর কথা ওঠার পর থেকেই অন্যমনস্ক হয়ে গিয়েছিলেন মামুন। খাবার নাড়াচাড়া করছিলেন কিন্তু মুখে দিচ্ছিলেন না। এখন ব্যাপারটা খেয়াল করল শিলা। বলল, কী হল।

    মামুন মন খারাপ করা গলায় বলল, কী?

    খাচ্ছ না কেন?

    খেতে ইচ্ছে করছে না।

    প্লেট সরিয়ে উঠে দাঁড়াল মামুন। ডাইনিং রুম থেকে বেরিয়ে ড্রয়িংরুমে এসে ঢুকল।

    খানিক পর এই রুমে এসে ঢুকল স্বপন। মামুনের মুখোমুখি বসল। সঙ্গে সঙ্গে মাঝখান থেকে কথা বলতে শুরু করল মামুন। ওর মুখ দেখতে আমার ইচ্ছে করে না। এজন্য ওর সামনে আমি যাই না।

    স্বপন বলল, কিন্তু আমরা যেমন চুপচাপ বসে আছি, এভাবে বসে থাকলে সেতু ভাববে ব্যাপারটা আমরা মেনে নিচ্ছি।

    তা ভাববার কোনও কারণ নেই। মাথায় যদি ঘিলু থাকে তাহলে বুঝবে, বাড়িতে ওকে এক রকম বন্দি করে রাখা হয়েছে। উদ্দেশ্য ছাড়া কাজটা আমরা করিনি।

    সবকিছু মিলিয়ে আমার যে কী রাগ লাগছে ভাইয়া! বোন না হয়ে ও যদি আমার ছোট ভাই হত, ওকে এমন মারতাম আমি!

    একটু থামল স্বপন। মামুনের মুখের দিকে তাকাল। ভাইয়া, ওই বদমাশটাকে একটা মার দিয়ে দিই।

    মামুন গম্ভীর গলায় বলল, না না, মারামারি করা ঠিক হবে না।

    কেন ঠিক হবে না?

    এককান দুকান করে কথাটা ছড়িয়ে যাবে। আমি চাই না কিছুতেই এসব কথা বাইরের কেউ শুনুক। বাইরের কাউকে জানাতে চাইলে তোকে নিয়ে নিজেই ওদের বাড়িতে যেতাম না। অন্য কাউকে পাঠাতাম।

    স্বপন তার স্বভাব মতো রাগল। এখন তাহলে কী করব? হাত পা গুটিয়ে বসে থাকব?

    সঙ্গে সঙ্গে স্বপনকে ধমক দিল মামুন। চোপ। কোনও বাড়াবাড়ি করবি না। আমি যা বলব তাই হবে।

    স্বপন থতমত খেয়ে মাথা নিচু করল, সরি ভাইয়া।

    মামুন এবার নরম হল। মাথা গরম করে সব কাজ করা যায় না। নোংরা যত ঘাটবি ততো দুর্গন্ধ বেরুবে। কাজ করতে হবে অন্যভাবে। বোস, কী করতে হবে বলছি।

    .

    সকালবেলার আকাশের দিকে তাকিয়ে জানালার সামনে দাঁড়িয়ে আছে সেতু। ছোট্ট টেবিলে নাস্তা পড়ে আছে। সেতু ছুঁয়েও দেখেনি।

    সেতুর রুমে ঢুকে এই দৃশ্য দেখে অবাক হল রেখা। বলল, নাস্তা খাওনি কেন?

    সেতু কথা বলল না। যেমন আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিল, তাকিয়ে রইল।

    রেখা বলল, কাল রাতে ভাতও খাওনি শুনলাম। এভাবে চললে তো অসুখ হয়ে যাবে।

    গভীর অভিমানের গলায় সেতু বলল, আমি চাই আমার অসুখ হোক। আমি চাই আমি মরে যাই।

    এসব ছেলেমানুষির কোনও মানে নেই। এমনিতেই এমন ছেলেমানুষি করেছ, এত সুন্দর ফ্যামিলিটাকে বিপর্যস্ত করে ফেলেছ। নতুন করে আর কোনও ঝামেলা করো না।

    কথা বলতে বলতে সেতুর কাছে এসে দাঁড়িয়েছে রেখা। ব্যাপারটা পাত্তা দিল না সেতু। বলল, যা বলতে এসেছ তাই বল। অন্য কথা বলে কোনও লাভ নেই।

    রেখা একটু বিরক্ত হল। কোনও কথা বলতেই তোমার কাছে আমি আসতে চাইনি। তোমার ভাই আমাকে পাঠিয়েছেন।

    কেন?

    যা করে ফেলেছ তার একটা সমাধান তোমার ভাইরা করতে চান।

    একথায় মুখ উজ্জ্বল হয়ে গেল সেতুর। শুভকে তারা মেনে নেবে?

    না।

    উজ্জ্বল মুখ আগের মতো ম্লান হল সেতুর। তাহলে?

    শুভকে তোমার ছেড়ে দিতে হবে।

    মানে?

    ডিভোর্স করতে হবে তাকে।

    শ্লেষের হাসি হাসল সেতু। তাই নাকি! কিন্তু ভাইয়াদের ভাবনাটা ঠিক হয়নি। ডিভোর্স করার জন্য শুভকে আমি বিয়ে করিনি। ভালবেসে যাকে বিয়ে করেছি মৃত্যু ছাড়া তার কাছ থেকে আমাকে কেউ সরাতে পারবে না। কথাটা ভাইয়াদেরকে তুমি বলে দিও।

    অফিসে যাওয়ার আগে শিলার মুখে কথাগুলো শুনল মামুন। শুনে অবাক হল। তাই নাকি? একথা বলেছে?

    শিলা বলল, রেখা তো তাই বলল!

    রাগে আমার গা জ্বলে যাচ্ছে। ইচ্ছে করছে থাপড়ে ওর দাঁতগুলো ফেলে দিই।

    নিজের বোনটিকে যত সহজ তুমি মনে কর তত সহজ সে নয়।

    আমার ধারণা ছিল, সামান্য অ্যাফেয়ার ট্যাফেয়ার হওয়ার পর সেতু ফসকে যেতে পারে ভেবে ছোকরাটা ওকে পটিয়ে পাটিয়ে বিয়ে করে ফেলেছে। ছোকরাটার সঙ্গে কথা বলে আমার তাই মনে হয়েছে।

    ঠিক না।

    মানে?

    আমার ধারণা দুজনেই তখন সিরিয়াস ছিল। সেতু যে ধরনের মেয়ে, তাকে পটিয়ে বিয়ে করে ফেলা সম্ভব নয়। সবদিক ভেবেই কাণ্ডটা সে করেছে।

    মামুন দাঁতে দাঁত চেপে বলল, কিন্তু ডিভোর্স ওই ছোকরাকে সেতুর করতেই হবে। ওর কাছে সেতুকে আমরা কিছুতেই দেব না। রেখা কথা বলেছে, এখন বলবে তুমি। দেখা যাক কতদিন সে আমাদের কথা না শুনে পারে।

    কিন্তু শিলাকে দেখেই গম্ভীর হয়ে গেল সেতু। বলল, আমি জানি তুমি কী বলতে এসেছ।

    শিলা বলল, তুমি অনেক কিছুই জানো। আমার ধারণার চে’ তুমি অনেক বেশি চালাক। তোমার সঙ্গে কোনও কিছুতেই আমি কিংবা রেখা পারব না।

    পারবে না তো আস কেন?

    আসতে চাই না। তোমার ভাইরা আমাদেরকে বাধ্য করেন।

    উষ্ণ সুরে কথা বলতে বলতে হঠাৎ করেই নরম হল শিলা। সেতুর কাঁধে হাত দিল। আমরা কেউ তোমার খারাপ চাই না। রাজকন্যার মতো মানুষ হয়েছ তুমি। আমরা চাই সারাজীবন রাজকন্যা হয়েই থাক তুমি। জীবনটা সুখে আনন্দে কাটাও।

    যদি তাই চাও তাহলে শুভকে তোমরা মেনে নাও।

    তা আমরা নেব না। কারণ ওরা হতদরিদ্র।

    পৃথিবীর সবাই কি বড়লোক হয়ে জন্মাবে?

    না তা জন্মাবে না।

    তাহলে?

    ওদের সঙ্গে আমাদের স্ট্যাটাসেও মিলবে না।

    টাকা ছাড়া তোমাদের আবার স্ট্যাটাস কী?

    একথায় রেগে গেল শিলা। তর্ক করো না। ধরে নাও টাকাই আমাদের স্ট্যাটাস। আজকালকার দিনে টাকা ছাড়া কিছু হয় না। সামান্য চাকরি বাকরি করে ওই ছেলে তোমাকে নিয়ে চলতে পারবে না। এসব ছেলেমানুষি ছেড়ে দাও। সংসারে অভাব দেখা দিলে ভালবাসা থাকে না।

    সেতু মৃদু হাসল। এখন যদি আমাদের সংসারে অভাব দেখা দেয়, তুমি কি আমার ভাইয়াকে ছেড়ে চলে যাবে? তোমার ভালবাসা কি নষ্ট হয়ে যাবে?

    আমাদের সঙ্গে ওকে তুমি জড়াচ্ছ কেন?

    জড়াচ্ছি এজন্য, তুমি তোমার স্বামীকে যেমন ভালবাস, আমিও আমার স্বামীকে তেমন ভালবাসি। কোনও অবস্থাতেই ওকে আমি ছাড়ব না। বেঁচে থাকব ওর হাত ধরে, মরে যাব ওর হাত ধরে।

    সেতুর এসব কথা শুনে খুবই বিরক্ত হয়ে নিজের রুমে ফিরল শিলা। মামুন তখনও বেরুয়নি। শিলাকে দেখে বলল, কী হল?

    শিলা ঝাঁঝাল গলায় বলল, তোমার বোনের কাছে আমাকে আর কখনও পাঠাবে না।

    কেন? সেতু কি তোমার সঙ্গে কোনও দুর্ব্যবহার করেছে?

    দুর্ব্যবহার না। যুক্তি দিয়ে চটাং চটাং কথা বলেছে। ওসব কথার জবাব দেয়া মুশকিল। যার সঙ্গে কথায় পারব না তার কাছে আমি যেতে চাই না।

    সংসারে কোনও জটিলতা দেখা দিলে বড়দেরকেই সামলাতে হয়। তুমি বাড়ির বড় বউ, কিছু ঝক্কি ঝামেলা তোমাকে সামলাতেই হবে।

    এটা বোধহয় সামলানো যাবে না।

    কেন?

    সেতু খুব সিরিয়াস। কিছুতেই তোমাদের কথা সে শুনবে না।

    বল কী? তাহলে?

    শিলা গম্ভীর গলায় বলল, একটাই পথ আছে।

    কী?

    সে পথে চললে সমস্যাটা সহজেই মিটিয়ে ফেলা যায়।

    মামুন অধৈর্যের গলায় বলল, কিন্তু পথটা কী?

    শুভকে মেনে নাও।

    মামুন থতমত খেল। শিলার মুখের দিকে তাকিয়ে বলল, তোমার কথা শুনে খুবই রেগে যাওয়া উচিত আমার। কিন্তু আমি এখন রাগব না। শোন সেতুর জায়গায় যদি তোমার মুন্নি হতো তাহলে কি এত সহজে হাল ছেড়ে দিতে তুমি?

    একথায় আবার বিরক্ত হল শিলা। তুমি এবং সেতু একরকম। কথায় কথায় যুক্তি দাও। আমিও যুক্তি দিচ্ছি। মুন্নির ক্ষেত্রে এরকম হলে আমি কখনও হাল ছেড়ে দেব না। শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করে মেয়েকে ফিরিয়ে আনব। কারণ সে আমার মেয়ে আর সেতু হচ্ছে ননদ। মেয়ে আর ননদ এক নয়।

    শিলার মুখের দিকে খানিক তাকিয়ে তার কাঁধে হাত দিল মামুন। অনুরোধের গলায় বলল, আমার জন্য, শুধু আমার জন্য মুন্নি এবং সেতুকে তুমি এক ভাব। সেতুকে তুমি ফেরাও। আমি বেঁচে থাকতে ওর জীবনটা যেন নষ্ট না হয়।

    কথা বলতে বলতে কেঁদে ফেলল মামুন। স্বামীর চোখের জল দেখে মনটা অন্যরকম হয়ে গেল শিলার।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশ্রেষ্ঠ গল্প – ইমদাদুল হক মিলন
    Next Article দুই বাংলার দাম্পত্য কলহের শত কাহিনী – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ও ইমদাদুল হক মিলন সম্পাদিত

    Related Articles

    ইমদাদুল হক মিলন

    ইমদাদুল হক মিলনের বিবিধ রচনা

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    অন্তরে – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    এসো – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    প্রিয় হুমায়ূন আহমেদ – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    গোপনে – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    দুই বাংলার দাম্পত্য কলহের শত কাহিনী – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ও ইমদাদুল হক মিলন সম্পাদিত

    July 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }