Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রেত-প্রেয়সী – অদ্রীশ বর্ধন

    লেখক এক পাতা গল্প131 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    প্রেত-প্রেয়সী – ১.২

    (২)

    ঘাড়টা একটু ঘোরালেই চোখে পড়ে মহেন্দ্রকে। বক্সের কিনারায় দু-হাত ভাঁজ করে বসেছিল ও। ঠিক পিছনেই কস্তুরী। ছিপছিপে একহারা চেহারা, হাতির দাঁতের মতো ধবধবে মুখশ্রী। দূর থেকে চোখমুখ স্পষ্ট না দেখা গেলেও একটুকরো মিষ্টি রূপ যে সেখানে বসে রয়েছে, তা বুঝতে দেরি হয় না। একমাথা কালো চুলের মাঝে ফুরফুরে পাতলা মুখটি মেঘের বুকে বিদ্যুতের মতোই তীক্ষ্ণ, প্রদীপ্ত। আশ্চর্য, এমন গরিমা মাখানো আভিজাত্যে মোড়া রূপসী মেয়েকে বধূরূপে পেল কী করে মহেন্দ্র?

    শুরু হল ছবি, প্রাণ পেল রুপোলি পর্দা— আমার মন কিন্তু নিমেষে অন্তর্হিত হল সেই পুরোনো দিনগুলিতে। আমি আর মহেন্দ্র দু-জনেই ছিলাম টাকার এ-পিঠ আর ও-পিঠ। লাজুক আর আড়ষ্ট। সহপাঠিনীরা ঠাট্টা করত, মুখ বুজে সহ্য করতাম দু-জনে। কাছে সরে আসতে পেরেছিলাম বোধহয় সেই কারণেই!

    আর আজ?— আমি যা ছিলাম, তার চাইতে খারাপ অবস্থায় পৌঁছেছি। আর মহেন্দ্র…

    কিন্তু এত সাহস পেল কোত্থেকে ও? আর কস্তুরী? হঠাৎ সমবেদনায় মন ভরে ওঠে আমার। মনে হল, যেন একটা অদৃশ্য প্রাচীরের একদিকে রয়েছে মহেন্দ্র। অপরদিকে আমি আর কস্তুরী।

    আচ্ছা, সি ভিউ হোটেলে যদি মহেন্দ্রের বদলে আমার সঙ্গেই আলাপ হত কস্তুরীর? সারি সারি সুখময় কল্পনা ভেসে ওঠে মনের পটে… একসঙ্গে খাওয়া… বেড়ানো… হাত ধরাধরি করে সিঁড়ি দিয়ে ওঠা…

    চোখ খুলে নড়েচড়ে বসলাম কুশন-আঁটা চেয়ারে। হল ছেড়ে এখুনি বেরিয়ে পড়তে পারলে ভালো হত। কিন্তু সে সাহসও আমার নেই। এতগুলো লোককে বিরক্ত করে বেরোনোর চাইতে বরং… ঘাড় ফেরাতেও ভরসা পাচ্ছিলাম না। তাই চোখের কোণ দিয়ে দেখি, একইভাবে ক্যানভাসে আঁকা ছবির মতো স্থির হয়ে বসে রয়েছে কস্তুরী। আলো চমকাচ্ছে কান আর গলার রত্নখচিত আভরণে। বুঝি চোখেও। মাথা কাত করে নিষ্কম্প দেহে বসেছিল যেন পাথরের ভেনাস। ভারী খোঁপাটা রয়েছে একদিকে কাঁধের ওপর— পিঠের ওপর নয়। বিচিত্র ফ্যাশন!

    ঘাড়টা বোধ করি একটু বেশিই ঘুরিয়ে ফেলেছিলাম। পাশের ভদ্রলোক বিরক্ত মুখে তাকাতেই এতটুকু হয়ে গেলাম আমি। আর না, এবার বেরোতে পারলেই বাঁচি।

    আচ্ছা, যে মেয়ে বিয়ে করে অসুখী, সে যদি সুখের সন্ধানে অন্য প্রণয়ী খোঁজে তাতে দোষের কী? কস্তুরীর কাছেও হয়তো এটা একটা ব্যসন। তা-ই যদি হয়, তাহলে… ভাবতেই মনটা খুশি খুশি হয়ে ওঠে।

    আগের মতোই রোশনাই ছড়াচ্ছে কস্তুরীর রত্নখচিত ইয়ার রিং। যেন একটি অপরূপ সুন্দর ফোটোগ্রাফ। অভাব শুধু এককোণে একটি স্বাক্ষরের। মনের চোখে এবার সইটাকেও দেখতে পাই দুর্লভ সামন্ত।

    নাঃ, বড় বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু মনকে আমি বাঁধি কী করে? পেরেছি কি সেই ঢালু ছাদ, ভিজে টালি আর অনেক নীচে যানবাহনের গুমগুম ধ্বনিকে ভুলতে? অস্থির হয়ে ওঠে আঙুলগুলো— অনেকটা মহেন্দ্রের মতোই।…

    মনের অলিন্দে আনাগোনা করল আরও কত লাগামছেঁড়া উদ্ভট চিন্তা। তারপরেই দপ করে জ্বলে উঠল আলো। ছবি শেষ।

    ভিড়ের মধ্যে ভাসতে ভাসতে এসে পৌঁছলাম দরজার কাছে। সিঁড়িতে লোক জমে গেছে। বক্স থেকে বেরিয়ে এল সস্ত্রীক মহেন্দ্র। কস্তুরীর একদম গা ঘেঁষে এগিয়ে গেলাম আমি। খুব কাছ থেকে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখে নিলাম চোখ-মুখ-কান-নাক।

    ব্ল্যাক আউট রাত। যুদ্ধকালীন নিরাপত্তা। অন্ধকারের ঘোমটা নামিয়ে ভয়ার্ত নগরী অপেক্ষা করছে শত্রুপক্ষের বিমান বহরের। মাথা নিচু করে হেঁটে চললাম আমি।

    কস্তুরী— মৃগনাভির মতোই যার সৌরভ শত যোজন দূর থেকে আকুল করে তোলে সৌন্দর্যপিয়াসীর হিয়াকে। যার ভ্রমরকৃষ্ণ চাহনিতে মেঘ-মল্লারের সব মিড়গুলো আর্ত হয়ে ওঠে পথহারা— সেই কস্তুরী সত্যই কি মহেন্দ্রের স্থূল সাহচর্যে সুখী হতে পেরেছে? এমন মেয়ের পেছনে ফেউয়ের মতো না লেগে থেকে যদি পারতাম হাতে হাত দিয়ে—

    কিন্তু এ কী! আবার সেই চিন্তা! শেষে কি বিশ্বাসহন্তার মতো বন্ধুস্ত্রীর প্রেমে ডুবতে হবে!

    মন খারাপ হয়ে যায় বিরক্তি আর গ্লানিতে। দ্রুত পা চালাই ফ্ল্যাটের দিকে।

    নাঃ, কালকেই মহেন্দ্রকে ফোনে জানিয়ে দিতে হবে, এ কাজ আমার দ্বারা হবে না। পনেরো বছর যার সঙ্গে কোনও সম্পর্কই ছিল না, তার কাসুন্দি ঘাঁটতে গিয়ে খামোকা অশান্তি ডেকে আনতে আমি চাই না।

    ভালো ঘুম হল না রাত্রে। সকালে উঠেই মনে পড়ল আজ কস্তুরীর পিছু নিতে হবে। সঙ্গে সঙ্গে হালকা হয়ে যায় মনটা। এ কী বিপদ! কিছুতেই কি রেহাই নেই এই উটকো চিন্তার খপ্পর থেকে? জোর করে ঘুরিয়ে দিলাম রেডিয়োর নবটা। যুদ্ধের খবর। সারা পৃথিবীতে বাজছে রণদামামা। টুথব্রাশ নিয়ে ঢুকে পড়লাম বাথরুমে।

    দুপুরেই হাজির হলাম মহেন্দ্রের প্রাসাদপ্রতিম বাড়ির সামনে। ব্যাফেল ওয়ালের গা ঘেঁষে বেঞ্চি পেতে চা-রসের দোকান খুলেছিল এক উড়িয়ানন্দন। একটি ভাঁড়ের অর্ডার দিয়ে চোখের সামনে কাগজ মেলে বসে পড়লাম আমি।

    কিছুক্ষণ পরেই গাড়িবারান্দায় এসে দাঁড়াল কালো গাড়িটা। মহেন্দ্র নেই। এবার আসবে কস্তুরী।

    কিন্তু সে যে আজকে আসবেই, তা আমি জানছি কী করে? উত্তরে, মন বলে উঠল, হ্যাঁ, সে আসবে। আসবে শুধু আমার জন্যেই। সূর্যের আলোয় নীলার মতো জ্বলন্ত এই ঘাসপাতা মাড়িয়ে আসবে সে আমারই সামনে।

    তারপরেই, আচমকা দেখলাম তাকে। মার্বেলের সিঁড়ির ওপর মার্বেল সুন্দরীর মতোই দাঁড়িয়ে আছে সে। মরকতমণির মতো উজ্জ্বল একটা শাড়ি একান্ত ঘনিষ্ঠ হয়ে ঘিরে রয়েছে দেহবল্লরীকে।

    ইচ্ছে হল, তুলির কয়েক টানে ধরে রাখি সেই অপরূপ মূর্তি। কিন্তু হায়রে, সেখানেও আমি অক্ষম। প্রথম যৌবনে নিছক খেয়ালের বশে এঁকেছিলাম কয়েকটি ছবি। বন্ধুরা তা দেখে যা মন্তব্য করেছিল, তা জীবনে ভুলবার নয়।

    ছোট ছোট পা ফেলে নেমে এল কস্তুরী। খুট করে দরজা খুলে উঠে পড়ল স্টিয়ারিং হুইলের সামনে। গর্জে উঠল ইঞ্জিন।

    অদূরে দাঁড় করানো আমার মরিস মাইনরে উঠে বসলাম আমি। শুরু হল পিছু নেওয়া।

    কালো গাড়ির যেন কোনও তাড়াই নেই। ধীরে সুস্থে এসে পৌঁছল ময়দানের পাশে, সেখান থেকে মিউজিয়ামের সামনে।

    নেমে দাঁড়াল কস্তুরী। দরজা বন্ধ করে হেলান দিয়ে তাকিয়ে রইল প্রবেশ পথের দিকে। যেন দ্বিধায় পড়েছে সে, যাব কি যাব না। একবার এক-পা এগিয়ে আবার পিছিয়ে এল। বেশ কিছু দূরে গাড়ি থামিয়ে সকৌতুকে দেখতে লাগলাম মরকতমূর্তির দোনামোনা মনোভাব। তারপর মনস্থির করে ফেলল কস্তুরী। আবার স্টিয়ারিং হুইলের সামনে বসে স্টার্ট দিল গাড়িতে। নিশ্চয় মিউজিয়াম দেখার চাইতেও মূল্যবান কোনও অ্যাপয়েন্টমেন্ট মনে পড়েছে।

    অবাক হয়ে লক্ষ করলাম, আগের চাইতে দ্রুত ড্রাইভ করছে কস্তুরী। হঠাৎ যেন কীসের আকর্ষণে বেগবান হয়ে উঠেছে ওর মন, তাই আর তর সইছে না। সমান গতিতে পেছনে ছুটে চলল মরিস মাইনর।

    নগরীর সীমা ছাড়িয়ে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠল সামনের কালো গাড়িখানা।

    মিষ্টির দোকানের সাইনবোর্ড দেখেই জায়গাটার নাম জানলাম— ঘোষপাড়া।

    মহেন্দ্রের মুখে শোনা কাহিনিটা মনে পড়ে গেল। শুধু কাহিনি না বলে কিংবদন্তিই বলা উচিত। কর্তাভজা সম্প্রদায়ের প্রবর্তক আউলচাঁদের লীলাভূমি এই ঘোষপাড়া। যেখানকার হিমসাগর দিঘির মাটি ছুঁইয়ে ‘সতীমা’-কে আবার বাঁচিয়ে তুলেছিলেন তিনি, সেই পুণ্যভূমিতেই প্রবেশ করেছে কস্তুরীর প্রকাণ্ড কালো গাড়ি।

    গাড়ি ছেড়ে দিয়ে হাঁটতে শুরু করেছিল কস্তুরী। মরকত রঙের শাড়িখানা হাওয়ায় উড়ছিল অল্প অল্প। কাঁধের ওপর বিচিত্র কায়দায় হেলানো কবরী থেকে কয়েকটি চুল খুলে এসে উড়ছিল মুখের দু-পাশে। অনন্যমনা হয়ে হাঁটছিল ও। সহজ গতিতে ওর পথ চলার ধরন দেখে মনে হল যেন রাস্তায় প্রতিটি ধূলিকণা, প্রতিটি খোয়া আর গর্তের সঙ্গে ওর অনেক দিনের পরিচয়।

    গাছপালার ফাঁক দিয়ে হঠাৎ ঝিকমিক করে উঠল জলের ওপর সূর্যের রোশনাই। এক নক্ষত্র শত নক্ষত্র হয়ে জ্বলছে হিমসাগরের জলের আয়নায়। কস্তুরী কিন্তু দিঘির পাড়ে গেল না। এগিয়ে এল ঝোপঝাড় থেকে বিচ্ছিন্ন একটা কুঞ্জের দিকে।

    এককালে যা কুঞ্জ ছিল, আজ তা অযত্নে ঝোপেরই সামিল হয়ে উঠেছে। ফুলবনের সঙ্গে মিতালি পাতিয়েছে আগাছার জঙ্গল। এরই মধ্যে একটা ক্ষীণ পায়ে চলা পথ ধরে অদৃশ্য হয়ে গেল কস্তুরী।

    কখনও গাছের আড়ালে, কখনও ঝোপের আড়ালে থেকে একবারও চোখের আড়াল করিনি সামনের মূর্তিকে। দুর্নিবার হয়ে উঠেছিল কৌতূহল। শহরের মেয়ে শহর থেকে এত দূরে এসে এমন সহজ ভঙ্গিতে ঝোপের মধ্যে যখন অন্তর্হিত হয়েছে, তখন আমার অনুমানই ঠিক। প্রিয় মিলনেই এতদূর ছুটে এসেছে কস্তুরী।

    এ অবস্থায় দূরে দাঁড়িয়ে থাকাই উচিত। কিন্তু না, দেখে যেতে হবে, নিজের চোখে দেখে যেতে হবে মাকড়শার মতো কোন রহস্যের জাল বুনে চলেছে বন্ধুবরের রূপসী ভার্যা।

    সন্তর্পণে উঁকি দিলাম। ওই তো বসে রয়েছে কস্তুরী। একা, আর তো কেউ নেই কুঞ্জের মধ্যে। চারধারে বৃত্তাকারের ফুলঝোপের ঠিক কেন্দ্রে একটা জীর্ণ সমাধি। চুনবালির পলস্তারা খসে গিয়ে অনেক জায়গায় বেরিয়ে পড়ছে পাতলা পাতলা সেকেলে বাংলা ইটের গাঁথনি। মানুষ-প্রমাণ উঁচু এই প্রাচীন সমাধির ভেতরে একটা চ্যাটালো পাথরের ওপর বড় বড় অক্ষরে তেল-সিঁদুরে লেখা—

    উমা দেবী

    ঘাসের ওপর হাঁটু মুড়ে মাথা নিচু করে স্থির হয়ে বসেছিল কস্তুরী। দৃষ্টি ঘাসের ওপর। নিষ্পাপ সেই দেহের মধ্যে প্রাণ আছে বলে মনে হয় না।

    অনেক… অনেকক্ষণ এইভাবে বসে রইল কস্তুরী। তারপর একটা মস্ত দীর্ঘশ্বাস ফেলে চোখ তুলে তাকালে সামনের সমাধির পানে। হাতের মুঠি খুলে ঝোপ থেকে তুলে আনা কয়েকটি ফুল সমাধির প্রান্তে রেখে উঠে দাঁড়াল।

    সরে এলাম আমি। অভিভূতের মতো পালিয়ে এসে গা-ঢাকা দিলাম একটা জামগাছের আড়ালে। মহেন্দ্রের মুখে শোনা রোমাঞ্চকর কাহিনির পটভূমিকায় দেখা এই দৃশ্য যেন সাময়িকভাবে আমার চিন্তাশক্তিকেও অবশ করে তুলেছিল। অদ্ভুত ওর বসে থাকার ভঙ্গিমা। এ যেন প্রিয়জনের সমাধির সামনে বসে থাকা নয়, দীর্ঘদিন দূরে থাকার পর স্বগৃহে ফিরে এসে আত্মবিভোর হয়ে যাওয়া। সত্যই আশ্চর্য কোনও রহস্য লুকিয়ে আছে কস্তুরীর সৃষ্টিছাড়া ধরনধারণের মধ্যে।

    ওই তো বেরিয়ে আসছে কস্তুরী। হাতে একটা ফুল… রক্তগোলাপ… পাতাসমেত ফুলটাকে গালের কাছে ধরে মাটির দিক চোখ নামিয়ে পায়ে পায়ে এগিয়ে চলেছে হিমসাগর দিঘির দিকে। অল্প অল্প হাওয়ায় চূর্ণকুন্তল এলিয়ে পড়ছে কাশ্মীরি আপেলের মতো কপালে। যন্ত্রমানুষের মতোই দিঘির পাড়ে এসে দাঁড়াল কস্তুরী। কিছুক্ষণ আপন-মনে অত্যন্ত মন্থর চরণে পায়চারি করল… পাড়-বরাবর এদিক থেকে ওদিকে— আবার ওদিক থেকে এদিকে। তারপর নিশ্চল হয়ে দাঁড়িয়ে রইল জলের দিকে তাকিয়ে। ঘড়ি দেখলাম— পাঁচ মিনিট। সমাধির সামনেও এমনিভাবে পুরো বারো মিনিট বসে ছিল সে। হঠাৎ একটু ঝুঁকে পড়ল কস্তুরী। ক্লান্তি, না কারও প্রতীক্ষায় থাকার অসহিষ্ণুতা?… রক্তগোলাপটাকে চোখের সামনে ধরল… আবার তাকাল জলের পানে… লক্ষ সূর্য জ্বলছে দিঘির জলে… ঠিকরে পড়া আলো ঢেউয়ের পর ঢেউ তুলছে কস্তুরীর হাতির দাঁতের মতো ধবধবে সাদা মুখের ওপর… আঁটসাট পরিধেয়র মধ্যে দিয়ে উদ্ধত হয়ে উঠেছে ওর যৌবনশ্রী… রামধনুর মতো ঝলমল করছে মরকত শাড়ি… রক্তগোলাপের একটি একটি পাপড়ি ছিঁড়ে দিঘির জলে ভাসিয়ে দিচ্ছে কস্তুরী। নির্নিমেষ দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে দুলে দুলে ওঠা পাপড়িগুলোর দিকে। ভালো করে দেখার জন্যে এগিয়ে গেলাম… হাত দশেক দূরেই উড়ছে কস্তুরীর শাড়ির অঞ্চল। কিন্তু আশ্চর্য, তবুও তন্ময়তা ভাঙল না ভাববিহ্বল সেই নারী-মূর্তির। এবার পাতাগুলিও উড়ে গিয়ে পড়ল হিমসাগরের জলে… খুব কাছে দাঁড়িয়েছিলাম… তাই স্পষ্ট দেখতে পেলাম সুচারু অধরের প্রান্তে কুয়াশা-ঢাকা পঞ্চমীর চাঁদের মতো ম্লান হাসিটুকু।

    পিছিয়ে এলাম আমি। ফিরে আসছে কস্তুরী। একই রকম অলস চলনভঙ্গি। তাড়াহুড়োর লেশমাত্র নেই। আশ্চর্য এই ভাবের ধ্যান। এ-ধ্যানের রহস্য আমাকে জানতে হবেই।

    শ্যামবাজারের মোড়ে একটা রেস্তরাঁ থেকে ফোন করলাম মহেন্দ্রকে।

    ‘হ্যালো! মহেন্দ্র? দুর্লভ কথা বলছি— মিনিট খানেক সময় ব্যয় করবে আমার জন্যে?— না, না, আমিই যাচ্ছি তোমার অফিসে… কয়েকটা কথা জিজ্ঞেস করতে চাই… ঠিক আছে, এই এলাম বলে।’

    অফিস দেখে তাক লেগে গেল। একটা পেল্লায় বাড়ির পুরো একতলায় উগ্র সাহেবী কায়দায় সাজানো অফিস। আয়নার মতো ঝকঝকে ফ্লাশ-ডোরের ওদিকে ততোধিক চকচকে একটি প্রাণোচ্ছল তরুণ বসেছিল। মহেন্দ্রর খোঁজ করতেই বলে উঠল, ‘আপনাকে তো কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে— উনি এখন কনফারেন্সে।’

    সুসজ্জিত ওয়েটিংরুমে পালকের মতো নরম কুশনে গা এলিয়ে দিলাম। একটু পরে কাচের ভেতর দিয়ে দেখলাম, হোমরা-চোমরা কয়েকজন পুরুষকে নিয়ে দরজা পর্যন্ত এগিয়ে গেল মহেন্দ্র।

    ফিরে এল একটু পরেই। রিসেপসনিস্ট-এর সামনে উচ্ছ্বাস না দেখিয়ে গম্ভীর মুখে বললে, ‘এতক্ষণ বসিয়ে রাখার জন্যে দুঃখিত। বড় ব্যস্ত ছিলাম আজ। এসো, আমার কামরায়।’

    নিখুঁতভাবে মার্কিনি কায়দায় সাজানো মহেন্দ্রর ঘর। ফাইলিং, ক্যাবিনেট, ইস্পাতের নলচে-চেয়ার, ক্রোমিয়াম পেডেস্ট্যালের ওপর ছাইদানি আর ঘরের দেওয়ালে একটা প্রকাণ্ড ভারতবর্ষের ম্যাপ। পাশে বোর্ডের ওপর ব্যবসা বৃদ্ধির গ্রাফ।

    ‘দেখা হল কস্তুরীর সঙ্গে?’

    ‘পিছু নিয়েছিলাম।’

    ‘কী কী দেখলে?’

    ‘সমাধির সামনে গিয়ে বসেছিল।’

    ‘ঘোষপাড়া? যাঁর কথা তোমায় বলেছি, তাঁরই সমাধিতে…’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘দেখলে তো!… বলেছিলাম না তোমাকে?’

    অর্ধচন্দ্রাকৃতি টেবিলের একপ্রান্তে দুগ্ধধবল টেলিফোনের ঠিক প্রান্তেই রুপোর ফ্রেমে বাঁধানো কস্তুরীর ছবিটার পানে তাকিয়ে ছিলাম আমি। ছবির ওপর থেকে চোখ না সরিয়েই শুধোলাম, ‘সমাধির ওপর শুধু একটা নামই দেখলাম। পূর্বপুরুষরা—’

    ‘তাঁদের সমাধি ওই অঞ্চলেই আছে, তবে অন্যত্র। কী রকম মনে হল তোমার? ভাবগতিক দেখে অলৌকিক সন্দেহ হচ্ছে নাকি? তা ছাড়া ও জায়গায় যে ওর এই প্রথম যাওয়া নয়, তা নিশ্চয় বুঝেছ?’

    ‘রকমসকম দেখে তো তাই মনে হল। কাউকে পথঘাটের হদিশ জিজ্ঞেস না করেই যেতে দেখলাম। অন্যমনস্ক ছিল আগাগোড়া, তবুও কোথায় যেতে হবে সে-সম্বন্ধে জ্ঞানটা টনটনে ছিল বলেই মনে হল আমার।’

    ‘ঠিকই মনে হয়েছে তোমার। ওকে উমা দেবীতে পেয়েছে।’

    চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়ে একটু পায়চারি করে নিল মহেন্দ্র। চর্বির দলা ঠেলে উঠল কড়া ইস্ত্রি-করা কলারের ওপর। হঠাৎ টেলিফোন বেজে উঠতেই বিরক্ত হয়ে এক ঝটকায় রিসিভারটা তুলে নিয়ে হাত দিয়ে মাউথপিসটা চাপা দিয়ে বললে, ‘কস্তুরীর ধারণা ও নাকি উমা দেবী। কাজেই কেন আমার এত উদ্বেগ, তা নিশ্চয় বুঝতে পারবে এবার।’

    চাপা-গলা শোনা গেল ইয়ার ফোনে। চট করে মাউথপিসটা মুখের কাছে তুলে বললে মহেন্দ্র, ‘হ্যালো… স্পিকিং…’

    একদৃষ্টে আমি তাকিয়ে রইলাম কস্তুরীর ছবির পানে। পাথরের মূর্তির মতো মুখ, চোখের তারায় জীবনের রং আছে কি নেই, তা বোঝা ভার। দমাস করে রিসিভার রেখে দিল মহেন্দ্র। হঠাৎ মনটা খারাপ হয়ে গেল আমার— না এলেই ভালো হত। মনে হল, কস্তুরীর রহস্য শুধু কস্তুরীকে ঘিরে থাকলেই ভালো ছিল। মহেন্দ্র যেন আরও জলটা ঘুলিয়ে দিতে চাইছে। অদ্ভুত একটা আইডিয়া মাথায় আসে। ধরা যাক, উমা দেবীর আত্মা—

    রাগত সুরে বলে মহেন্দ্র, ‘মাথার ঘায়ে কুকুর পাগলের মতো মরছি, তার ওপর যত্ত ঝামেলা—’

    ‘বিয়ের আগে তোমার স্ত্রীর পদবী কী ছিল?’

    ‘সেন। কস্তুরী সেন। শ্বশুরমশাই কোটিপতি— এই সেদিন মারা গেলেন। অনেকগুলো পেপার মিলের মালিক ছিলেন। আদি ব্যবসা পত্তন করেছিলেন ওর ঠাকুরদা। উনি ঘোষপাড়া থেকেই এসেছিলেন বোম্বাইতে ভাগ্যান্বেষণে।’

    ‘কিন্তু তোমার স্ত্রী হোটেলে থাকতেন?’

    টেবিলের ওপর ব্লটার দিয়ে টরেটক্কা করতে করতে মহেন্দ্র বলল, ‘শখ হয়েছিল বলে… আমার শাশুড়ি কিন্তু একদিন চিতপুরে পাথুরিয়াঘাটার কাছে একটা পুরোনো বাড়ি দেখিয়ে বলেছিলেন, উমা দেবী নাকি এককালে এখানে থাকতেন… একতলায় একটা কিউরিও শপ আছে… যাকগে সে কথা, কস্তুরীকে আজ দেখে তোমার কী মনে হল বলো।’

    হাত উলটে দুর্লভ বলল, ‘বলার মতো কিছু নেই।’

    ‘কিন্তু ওর ধরনধারণ যে স্বাভাবিক নয়, তা তো মানো?’

    ‘মনে হয়… আচ্ছা, ছবি আঁকা কি উনি একেবারেই ছেড়ে দিয়েছেন?’

    ‘একদম। স্টুডিয়োর যা ছিরি হয়েছে, পা ফেলা যায় না।’

    ‘কেন?’

    ‘কী কেন?’

    ‘ছবি আঁকা ছাড়লেন কেন?’

    ‘কী করে তা বলি?… অবশ্য ওর মাথা আছে, ছবি আঁকা ছাড়াও আরও অনেক গুণ ভগবান ওকে দিয়েছেন… তা ছাড়া বিয়ের পর মেয়েদের মধ্যে একটা পরিবর্তন আসে তো—’

    উঠে দাঁড়ালাম। বললাম, ‘আর নয়, অনেকটা সময় নষ্ট করলে আমার জন্যে।’

    ‘না, না, সে কী কথা, অমনভাবে কথা বোলো না। কস্তুরীর এই অবস্থা, আর আমার সময়… আচ্ছা, অনেস্টলি বলো তো, কস্তুরীকে উন্মাদ বলে মনে হয় কি?’

    ‘মোটেই তা নয়। খুব পড়াশুনার বাই আছে কি ওঁর?’

    ‘না। তুমি যেরকম বলছ, সেরকম নয়। মাঝে মাঝে সময় কাটানোর জন্যে দু-চারটে হালকা পপুলার ম্যাগাজিন পড়ুয়া সব ঘরেই পাওয়া যায়।’

    ‘বিশেষ কোনও হবি?’

    ‘তেমন কিছু মনে পড়ছে না।’

    ‘ঠিক আছে। দেখি কী করতে পারি।’

    ‘মনে হচ্ছে, তোমার উৎসাহ কমে এসেছে?’

    ‘কেন জানি না, বারবার মনে হচ্ছে মিছিমিছি সময় নষ্ট করছি আমি।’

    আসল কথাটা চেপে গেলাম। মনে মনে যে হপ্তার পর হপ্তা কস্তুরীকে ধাওয়া করার সংকল্প গ্রহণ করেছি, তা আর মহেন্দ্রকে জানানো দরকার মনে করলাম না। এ রহস্যের কিনারা করা না পর্যন্ত শান্তি পাব না আমি, কিন্তু সেকথা বলে লাভ কী?

    মহেন্দ্র বলল, ‘এ ঝামেলায় তোমাকে টেনে আনার জন্যে আমি কুণ্ঠিত। কিন্তু দেখতেই পাচ্ছ, আমার অবস্থাটা। যাক, নতুন খবরটবর পেলে টেলিফোন কোরো।’

    ‘করব।’

    রাস্তায় বিকেল ছ-টায় ভিড় শুরু হয়েছে। হন্তদন্ত হয়ে কেরানিকুল ছুটেছে নিজের নিজের সুইট হোমের দিকে। হোম নেই শুধু আমার… হয়তো একটা আছে… কিন্তু তাকে সুইট বলা চলে না কোনওমতেই… কস্তুরী… কস্তুরী… কস্তুরী… একটা শরবতের দোকানে বসে পড়ে লস্যির অর্ডার দিলাম… উমা দেবীর সমাধির সামনে স্বপ্ন দেখছে কস্তুরী… বাড়ির জন্যে, মন কেমন করছে! বাড়ির জন্যে না, ওই সমাধির জন্যে! না, না, এসব কী অবাস্তব কথা ভাবছি আমি। কিন্তু কোনটা অসম্ভব, আর কোনটা সম্ভব, তা-ই বা সঠিক জানছে কে?

    ফ্ল্যাটে ফিরলাম অনেক রাতে। রগের দু-পাশে টিপটিপ করছে। খাওয়ার পাট হোটেলেই চুকিয়ে এসেছিলাম। তাই জুতোসুদ্ধই কিছুক্ষণ চিৎপাত হয়ে শুয়ে রইলাম বিছানায়। তারপর উঠে পড়ে জামাকাপড় পালটে অ্যাসপিরিনের বড়ি গিলে নিভিয়ে দিলাম আলোটা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশার্লক হোমস, প্রফেসর চ্যালেঞ্জার ও মঙ্গলগ্রহ – অদ্রীশ বর্ধন
    Next Article সেরা আশ্চর্য! সেরা ফ্যানট্যাসটিক (প্রথম পর্ব) – সম্পাদনা : অদ্রীশ বর্ধন

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }