Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রেত-প্রেয়সী – অদ্রীশ বর্ধন

    লেখক এক পাতা গল্প131 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    প্রেত-প্রেয়সী – ১.৩

    (৩)

    বর্ধমানের মহারাজার প্রাসাদ পেরিয়ে গেল কস্তুরী। বেয়নেটধারী ভোজপুরী দারোয়ান বারেক ফিরে তাকাল ওর সুঠাম দেহের দিকে। কস্তুরীর কিন্তু কোনও দিকে দৃষ্টি নেই। আজ কিন্তু গাড়িতে নয়, হেঁটে। অস্বাভাবিক দ্রুত হাঁটছিল ও। যেন জরুরি এনগেজমেন্ট রক্ষা করার জন্যেই বাড়ি থেকে বেরিয়েছে সে। কিন্তু এত তাড়াতাড়ি ও চলেছে কোথায়? আজকে একেবারেই অন্যভাবে সেজেছে কস্তুরী। আঁটসাট যৌবনোদ্ধত পোশাকের বদলে সাদাসিধে বাদামি রঙের একটা তাঁতের শাড়ি জড়িয়ে রয়েছে অঙ্গ। সাপের মতো বেণী এলিয়ে পড়েছে পিঠের ওপর।

    ট্যাক্সি স্ট্যান্ডে হঠাৎ দাঁড়িয়ে গেল কস্তুরী। মাথা নিচু করে কী ভাবলে। তিনটে ট্যাক্সি দাঁড়িয়েছিল সামনে। কোনও দ্বিধা না করে উঠে পড়ল সামনের ট্যাক্সিটায়।

    স্টার্ট দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঠিক পেছনের ট্যাক্সিটায় উঠে বসলাম আমি।

    চিতপুরের একটা বাড়ির সামনে এসে দাঁড়াল সামনের ট্যাক্সিটা। এই বাড়িটার কথাই মহেন্দ্র বলেছিল না? ওই তো একতলায় কিউরিও শপ রয়েছে। কোনওরকম ইতস্তত না করে সিধে ভেতরে ঢুকে গেল কস্তুরী। মহেন্দ্রর বর্ণনার সঙ্গে শুধু একটি জিনিস মিলল না। একতলা বাদে দোতলা থেকে ওপরতলা পর্যন্ত সবটাই একটা হোটেল। বড় বড় বাংলা অক্ষরে লেখা:

    ‘পরিবার বাসা’

    বাইরে থেকে দেখে যা মনে হল খানদশেকের বেশি ঘর নেই ‘পরিবার বাসা’-য়। অফিসে ঢুকে পড়ি আমি। থান পরনে একজন মোটাসোটা বিধবা মহিলা বসে উল বুনছিল।

    ভণিতা না করে বলে উঠি, ‘ঘর নিতে আসিনি। এইমাত্র যে ভদ্রমহিলাটি ভেতরে গেলেন, তাঁর নাম কী?’

    ‘কে আপনি?’

    পকেট থেকে একটা পুরোনো আইডেন্টিটি কার্ড বার করে এগিয়ে দিলাম। ডিটেকটিভ থাকাকালীন এই কার্ডটি যত কাজে না-লাগুক, এখন তা লাগল। পুরোনো পাইপ, কাগজ, বিলের সঙ্গে কার্ডটিও রেখে দিয়েছিলাম মানিব্যাগে। কোনও দরকারে আসবে না জেনেও কেন জানি এরকম বহু পুরোনো জিনিসকে ফেলে দিতে পারি না। কিন্তু এই নির্বোধ অভ্যাসই আজ অনেক সহজ করে তুললে আমার গোপন তদন্তকে।

    চোখ তুলে বললে বিধবা, ‘কস্তুরী কৌশিক।’

    ‘নিশ্চয় এই প্রথমবার দেখছেন না ওঁকে?’

    ‘প্রায়ই আসেন উনি।’

    ‘কারও সঙ্গে দেখা করতে আসেন কি?’

    ‘উনি ভদ্রঘরের মেয়ে।’

    ‘বন্ধু-বান্ধব, অথবা অন্য কেউই কি ওঁর সঙ্গে এখানে দেখা করতে আসেন না?’

    ‘না। আজ পর্যন্ত আপনি ছাড়া আর কেউ আসেনি।’

    ‘তাহলে এখানে উনি করেন কী?’

    ‘জানি না; ও কাজ আমার নয়।’

    ‘ওঁর ঘরের নাম্বার কত?’

    ‘উনিশ। তিনতলা।’

    ‘এ হোটেলের সব চাইতে ভালো ঘর নিশ্চয়?’

    ‘না; তবে ভালো ভালো ফার্নিচার আছে। বারো নম্বর ঘর দিতে চেয়েছিলাম, উনি নেননি। ওই ঘরটিই উনি চান।’

    ‘কেন?’

    ‘তা বলেননি। খুব সম্ভব ঘরটার বেশি রোদ্দুর পড়ে— তাই।’

    ‘পার্মানেন্টলি নিয়েছেন নিশ্চয়?’

    ‘একমাসের জন্য নিয়েছেন।’

    ‘কবে এসেছেন?’

    উলের কাঁটা টেবিলের ওপর রেখে রেজিস্টারের পাতা ওলটালে বিধবা মহিলা।

    ‘হপ্তা তিনেক হল বলেই তো মনে হয়। হ্যাঁ, এই তো ৬ এপ্রিল।’

    কতক্ষণ থাকেন ঘরের মধ্যে? অনেকক্ষণ নিশ্চয়?’

    ‘কখনও ঘণ্টাখাটেক, কখনও ঘণ্টাদুয়েক।’

    ‘সঙ্গে মালপত্র আছে তো?’

    ‘না, কোনও লাগেজ নেই।’

    ‘নিশ্চয়ই প্রতিদিন আসেন না, তা-ই না?’

    ‘না, হপ্তায় দু-দিন কি তিনদিন।’

    ‘ভদ্রমহিলার হাবভাব একটু অদ্ভুত নয় কি? এ সম্বন্ধে কিছু ভেবেছেন এর আগে?’

    কপালের ওপর সুতো বাঁধা চশমাটা ঠেলে তুলে দিয়ে প্রৌঢ়া চোখ রগড়াতে রগড়াতে বলল, ‘পাঁচরকম লোক এখানে আসছে তো, ওরকম খাপছাড়া স্বভাব সবারই একটু-আধটু থাকে। হোটেলে কাজ করলে এরকম প্রশ্ন করতেই পারতেন না।’

    ‘আপনাদের টেলিফোন আছে দেখছি। উনি ফোন করেন কাউকে?’

    ‘না।’

    ‘ফোন আসে না?’

    ‘না।’

    ‘কত বছর হল হোটেল বানানো হয়েছে এ-বাড়িতে, তা জানেন কি?’

    ‘জানি। বছর পঞ্চাশ হল।’

    ‘তার আগে?’

    ‘গেরস্থবাড়ি ছিল। অন্তত আমার তো তা-ই মনে হয়।’

    ‘উমা দেবী বলে কারও নাম শুনেছেন কি?’

    ‘না। রেজিস্টার দেখব কি?’

    ‘দরকার নেই।’

    ভাবলেশহীন মুখে আবার উলের কাঁটার দিকে চোখ নামাল বিধবা প্রৌঢ়া। আর আমি সঙের মতো দাঁড়িয়ে না থেকে বেরিয়ে এলাম বাইরে।

    তিনতলার এই বিশেষ ঘরটিতে কীসের সন্ধান পেয়েছে কস্তুরী? কী আছে ও-ঘরে? উমা দেবীর শোবার ঘর ছিল কি? কোন রহস্যময় আকর্ষণে এত দূরে এই বিশেষ বাড়ির বিশেষ ঘরটিতে এসে উঠেছে কস্তুরী কৌশিক? অনেক কথাই ভিড় করে এল মনে… অতীন্দ্রিয় শক্তি নয় তো?

    ফুটপাতের ভিড়ের মধ্যে আপন মনে পায়চারি করতে করতে হঠাৎ চমকে উঠলাম আমি। কস্তুরী নেমে এসেছে রাস্তায়। প্রায় আধঘণ্টার মতো হোটেলে ছিল ও। এদিক ওদিক তাকাচ্ছে। চোখে পড়ল একটা ট্যাক্সি। সঙ্গে সঙ্গে হাতের ইঙ্গিতে ট্যাক্সি থামিয়ে উঠে পড়ল ভেতরে।

    চিতপুরের মতো রাস্তায় চাইলেই তো আর ট্যাক্সি পাওয়া না। কিন্তু আমার কপাল ভালো। ঠিক পেছনেই আর একটা খালি ট্যাক্সি। হাঁপাতে হাঁপাতে উঠে বসলাম ভেতরে।

    ভাঙাচোরা লোহালক্কড়ের স্তূপের পাশে দাঁড়াল সামনের ট্যাক্সি। নেমে দাঁড়াল কস্তুরী। অলস মন্থর চরণে ধীরে ধীরে এগিয়ে গেল সামনে। স্তূপীকৃত মরচে-ধরা লোহা, পাইপ আর নোঙরের মধ্য দিয়ে পথ করে নিয়ে এমন এলোমেলোভাবে হাঁটতে লাগল যেন গন্তব্যস্থান কী, তা-ই সে জানে না। যেন নিছক বেড়ানোই উদ্দেশ্য— আর কিছু নয়। চিতপুরের জনবহুল অঞ্চলের হোটেল ‘পরিবার বাসা’ আর গঙ্গার ধারের এই জনবিরল অঞ্চলের মধ্যে যোগসূত্রটা যে কোথায়, তা-ই ভেবে পেলাম না। ইচ্ছে হল, কস্তুরীকে পেরিয়ে যাই। কোনও কথা নয়, আলাপ নয়, শুধু হেঁটে যাই পাশাপাশি। কথার দরকার কি, নদীর বুকে ভাসমান বয়াগুলোর ওপর চোখ রেখে পাশাপাশি হাঁটুক দুটি নির্বাক মূর্তি। কিন্তু না, তা সম্ভব নয়। কাজেই এগিয়ে যাওয়ার প্রলোভনকে সামাল দেওয়ার জন্যেই একেবারেই থমকে দাঁড়িয়ে গেলাম। অনেকখানি এগিয়ে গেছে কস্তুরী। মনে হল বাড়ি ফিরে যাই। কিন্তু পিছু নেওয়ার মধ্যে এমন একটা মাদকতা আছে, যা শুরু করলে আর শেষ করা যায় না। তাই পায়ে পায়ে এগিয়ে গেলাম আরও সামনে।

    কোথাও জড়ো করা রয়েছে দড়ির গাদা, কোথাও ভাঙা ইট। কোথাও খোয়া, কোথাও বালি, কোথাও পিপে, আবার কোথাও ভাঙা প্যাকিং কেস। মরচে ধরা রেললাইনও দেখা যাচ্ছে মাঝে মাঝে… ওদিকে মাথা উঁচু করে রয়েছে একটা ক্রেন… গঙ্গার ওপারে জুটমিলের চিমনি দেখা যাচ্ছে… বিষন্ন এই শহরতলীতে কীসের আকর্ষণে ছুটে এল কস্তুরী? আমরা দু-জন ছাড়া আর কেউ নেই এদিকে। কিছুই খেয়াল নেই কস্তুরীর— আপন মনে এঁকেবেঁকে এগিয়ে চলেছে তো চলেছেই। আমাকে লক্ষ করা তো দূরের কথা, আমার অস্তিত্ব সম্বন্ধে সজাগ থাকারও কোনও লক্ষণ দেখা গেল না ওর চলাফেরায়।

    একটু একটু করে একটা অস্পষ্ট ভয় ঘিরে ধরে আমাকে। নদীর ধারে হাওয়া খেতে আসেনি কস্তুরী। বিকৃত মস্তিষ্করা যেভাবে সব কিছুর সান্নিধ্য ত্যাগ করে পালিয়ে যেতে চায় অনেক দূরে— এ কি তবে তা-ই? না, নিছক স্মৃতিহীনতার ঘোর? আবার জোরে জোরে পা চালাই আমি।

    একটা নিরালা গুদোমের দিকে এগিয়ে চলেছে কস্তুরী। ইটের গাঁথনির ওপরে টিনের শেড… সামনে একটা ছোট ঘর, সম্ভবত দারোয়ানের আস্তানা। বড় বড় কতকগুলো প্যাকিং-কেস পড়েছিল সামনে। একটার ওপর বসে পড়ল কস্তুরী।

    একটু দূরে কয়েকটা বড় পিপের আড়ালে থেকে সজাগ দৃষ্টি মেলে রইলাম আমি। কী জানি কেন, এক মুহূর্তের জন্যেও ওই অদ্ভুত মেয়েটি ওপর থেকে নজর সরিয়ে আনার সাহস হল না আমার।

    হ্যান্ডব্যাগ থেকে একটা কাগজ বার করল কস্তুরী। হাতের উলটো পিঠ বুলিয়ে দেখে নিলে প্যাকিং-কেসের ওপরটা ভিজে কি শুকনো। তারপর ফাউন্টেন পেন বার করে ঝুঁকে পড়ল কাগজের ওপর। সামান্য আড়ষ্ট হয়ে উঠল সুঠাম দেহবল্লবী।

    ভাবলাম, এই হল প্রিয়তমের জন্য শবরীর প্রতীক্ষা।

    নিছক অনুমান। কতটুকুই বা তার মূল্য। দয়িতকে চিঠি লেখার দরকার হলে এত কাঠ-খড় পুড়িয়ে এতদূরে আসার কোনও প্রয়োজন আছে কি? এমন গোপনীয় চিঠি তো বাড়ির মধ্যেই পালঙ্কে শুয়ে শুয়ে লেখা যেত— গঙ্গার এই বিজন তীরে আসার দরকারটা কী?

    সমানে লিখে চলেছে কস্তুরী। মসৃণ গতিতে এগিয়ে চলেছে ঝরনা-কলম। সমস্ত চিঠিটাই যেন মনে মনে আগে থেকেই সাজিয়ে নিয়েছে ও; চিতপুরের হোটেলে আধঘণ্টা কেটেছে হয়তো এই চিঠির বিষয় ভাবতেই।

    আবার অনুমান! কী মুশকিল, অনুমান ছাড়া তো আঁকড়ে ধরার মতোও কিছু নেই। আচ্ছা, মহেন্দ্রের সঙ্গে সম্পর্ক-ছেদের সূচনা নয় তো? বিবাহ-বিচ্ছেদের প্রথম অধ্যায়?… তাহলে অবশ্য ওর এই অস্থির মনের একটা ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। কিন্তু পাওয়া যায় না উমা দেবীর সমাধি দর্শনের কোনও মোটিভ।

    দারোয়ানের ছোট্ট ঘর থেকে তখনও কেউ বাইরে এল না। হয়তো কেউ নেই ভেতরে— থাকলেও নিজের কাজ নিয়েই ব্যস্ত!

    চিঠিটা সন্তর্পণে ভাঁজ করল কস্তুরী; ধীরেসুস্থে খামের মধ্যে ভরে ফেলল। এবার কী করবে ও? যে-পথে এসেছে, সেই পথেই ফিরবে নিশ্চয়। খামের ওপর ঠিকানা লেখা হয়ে গেল ওর। জিভ বুলিয়ে মুখটা সেঁটে দিল ভালো করে। তারপর আশপাশে তাকিয়ে নিয়ে উঠে দাঁড়াল। সামান্য দ্বিধা ফুটে উঠল ভাবে ভঙ্গিমায়।

    দুর্নিবার হয়ে উঠল আমার কৌতূহল, খামের ওপর লেখা ওই নাম-ঠিকানায় একবারটি চোখ বোলাতে চাই— বিনিময়ে সর্বস্ব দিতেও রাজি আছি আমি।

    তখনও দ্বিধা কাটেনি কস্তুরীর। ফিরবে কি ফিরবে না, এমনি দোনামোনা ভাব নিয়ে আস্তে আস্তে এগিয়ে গেল ভাঙাচোরা পাটাতনের পাশে। অদূরেই পিপের গাদার আড়ালে ঘাপটি মেরে দাঁড়িয়েছিলাম আমি। এত কাছে এসে দাঁড়াল কস্তুরী যে, একটা অদ্ভুত সুবাস ঝোড়ো ঝাপটার মতোই এসে লাগল নাকে। অল্প অল্প বাতাস বইছে গঙ্গার দিক থেকে। শাড়িটা মৃদু শব্দ করে উড়ছে পেছনে। খুব, খুব শান্ত ওর মুখচ্ছবি, অন্তত পাশের দিকে থেকে যতটুকু দেখা যায়। কোনও তরঙ্গ নেই সেই মুখে, যদিও বা থাকে কিছু, তবে তা হতাশার অভিব্যক্তি ছাড়া আর কিছুই নয়। চোখ নামাল কস্তুরী, উলটে দেখল খামটা, তারপর আচমকা দু-টুকরো করে ছিঁড়ে ফেললে। চার টুকরো। আরও কুচি। আরও। আরও। শেষে ছোট ছোট কাগজের টুকরোগুলো উড়িয়ে দিলে বাতাসে। কিছু নদীর জলে পড়ল, কিছু ভাসতে ভাসতে এসে পড়ল ঘাসের ওপর। পাথরের মতো মুখে জলের ওপর ভাসমান কাগজগুলোর দিকে তাকিয়ে রইল ও। শূন্যগর্ভ দৃষ্টি। বাঁ হাতের বুড়ো আঙুলটা একবার রগড়ালে ডান হাতের চেটোয়— যেন কোনও অপ্রিয় অদৃশ্য বস্তুকে মুছে ফেলতে চাইছে তালু থেকে। জুতোর ডগা দিয়ে ঘাসের ওপর থেকে কয়েকটা কাগজের কুচিকে খুঁটে ঠেলে দিলে জলের দিকে। তারপর প্রশান্ত মুখে পা বাড়ালে সামনে।

    ঘাসের ওপরেও ছলকে উঠল খানিকটা জল।

    ‘কস্তুরী!’

    এক মুহূর্ত স্থাণুর মতো দাঁড়িয়ে রইলাম আমি। কয়েক টুকরো কাগজ ছাড়া বাকি সবই জলে পড়েছে। ছন্নছাড়া মতো উড়ে বেড়াচ্ছে এই কয়েকটা কুচো।

    ‘কস্তুরী!’

    বুশশার্টটা একটানে খুলে ফেলে ছুটে এলাম কিনারায়। বলয়াকারে ছড়িয়ে পড়ছে নদীর জল। সঙ্গে সঙ্গে ঝাঁপ দিলাম জলে। রুদ্ধ নিঃশ্বাসে ক্ষিপ্তের মতো হাতড়াতে লাগলাম সামনে। দেহের অণুপরমাণু থেকে কেবলমাত্র একটি নামই ক্রমাগত ঠেলে উঠে আসতে লাগল ঠোটের ডগায়: ‘কস্তুরী! কস্তুরী!’

    কিনারার কাছে নোংরা ঘোলাটে জলে খুব জোর সেকেন্ড দুয়েক রইলাম। পরক্ষণেই ভেসে উঠলাম ওপরে। স্রোতের টানে বেশ কয়েক গজ ভেসে গেছে কস্তুরী। চিত হয়ে ভাসছে ও, ডুবে যাওয়া মানুষের মতোই শিথিল সর্বাঙ্গ। কাছাকাছি পৌঁছতে না-পৌঁছতেই দেখি, একটু একটু করে ডুবে যাচ্ছে কস্তুরী। ঠিক যেন একতাল নরম ঠান্ডা মাংসের দলা— প্রাণের চিহ্ন নেই বললেই চলে। হাঁপাচ্ছিলাম আমি। কমজোরি হাপরের মতোই ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল ফুসফুস জোড়া। হাত-পাগুলো ভারী হয়ে উঠেছিল লোহার মতো। হাত বাড়িয়ে কস্তুরীর ঘাড়ের কাছটা আঁকড়ে ধরলাম। যেভাবেই হোক, মাথাকে তুলে রাখতে হবে জলের ওপর। অপর হাতে জল টেনে এগিয়ে চললাম তীরের দিকে। শক্তি খরচের অনুপাতে কাজ হল খুব অল্প। তীর অনেক দূরে। কী অসম্ভব ভারী কস্তুরী! এর মধ্যেই যেন গঙ্গার মাটির মধ্যে গেঁথে যেতে শুরু করেছে তনুলতা! বয়াগুলো বেগে বেরিয়ে যাচ্ছে পাশ দিয়ে, স্রোতের টানে হু-হু করে ভেসে চলেছি দু-জনে। আর বেশি দূর নেই। কিন্তু আর তো পারছি না আমি। ফুসফুসে আর জোর নেই। শরীরটাকে সুস্থ রাখার জন্যে কোনওদিন মাথা ঘামাইনি। হাঁ করে বুকভরা বাতাস নিতে গিয়ে বেশ খানিকটা গঙ্গাজল গিলে ফেলি এবার।

    কয়েকটা ধাপ… একটা ঘাট দেখা যাচ্ছে। পাশেই একটা নৌকো বাঁধা। ওই দড়িটা… ওই দড়িটা যেভাবেই হোক ধরতে হবে আমাকে। ধাপ ক-টায় একবার উঠে দাঁড়াতে পারলে… এসে গেছে… অনেকটা কাছে এসে গেছে… হাত বাড়িয়ে কোনওমতে দড়িটা ধরে ফেললাম… টেনে আনলাম নিজেকে… পাওয়া গেছে পায়ের তলায় সিঁড়ির ধাপ।

    এবার কস্তুরীকে তোলার পালা। এক-একটা ধাপ টেনে তুলে বেদম হয়ে হাঁপাতে থাকি কিছুক্ষণ। বৃষ্টির মতো জল ঝরে পড়ছে দু-জনের দেহ থেকে। জল থেকে ঠিক ওপরের ধাপটায় সংজ্ঞাহীন দেহটা তুলে এনে শুইয়ে দিলাম। এক মিনিট। জল একটু ঝরে গেলেই নিশ্চয় অনেকটা হালকা হয়ে যাবে কস্তুরী। একটু জিরিয়ে নিয়ে আবার নিচু হলাম আমি। খানিকটা তুলে ধরে, খানিকটা হিঁচড়ে টেনে পৌঁছলাম সিঁড়ির একদম ওপরের ধাপে। পরের মুহূর্তেই ভেঙে পড়লাম নিজে। শরীরের শেষ শক্তি-বিন্দুটুকুও গেছে ফুরিয়ে। কস্তুরীই সবার আগে নড়ে উঠল। কী করুণ সেই ছবি! গালের ওপর লেপটে রয়েছে কালো কুন্তল। গালের রক্তাভা জলের মধ্যেই মিলিয়ে গেছে। চোখের পাতা খোলা, বেদনাঘন দৃষ্টিজাল আকাশের পানে মেলে ধরে কী যেন চেনবার চেষ্টা করছে সে।

    ‘এখনও মরেননি আপনি।’ ছোট্ট করে বললাম আমি।

    চোখের মণিদুটো আস্তে আস্তে ঘুরে গিয়ে স্থির হয়ে রইল আমার পানে— যেন অন্য এক জগৎ থেকে এই পৃথিবীর মানুষের পানে অবাক চাহনি মেলে ধরেছে কস্তুরী কৌশিক। বলল ফিসফিস সুরে, ‘মরতে আমার ভালো লাগে।’

    ‘খুব হয়েছে, এবার দয়া করে উঠে বসুন।’

    কিন্তু তখনও উঠে বসার মতো অবস্থায় আসতে পারেনি কস্তুরী। মৃত্যুমুখ থেকে ফিরে আসার বিহ্বলতা তখনও পুরোপুরি কাটেনি, তাই আমিই ওকে পাঁজাকোলা করে তুলে নিলাম। দারোয়ানের ছোট্ট ঘরটা ঘাট থেকেই দেখা যাচ্ছিল; বেশি দূরে নয়। গুরুভার নিয়ে অবসন্ন পা-দুটোকে টানতে টানতে যেন একযুগ পরে এসে দাঁড়ালাম ঘরটার সামনে।

    ‘কৌন হ্যায়?’

    কোনও সাড়া নেই। চৌকাঠের ওপর পা রাখতেই ছেঁড়া চটের পর্দার আড়াল থেকে বেরিয়ে এল একজন হিন্দুস্থানী বউ; কোলে নবজাত শিশু। খুব সম্ভব রসুই নিয়ে ব্যস্ত ছিল।

    ভিজে কাকের মতো চেহারা দেখেই চমকে উঠল বউটি, ‘কেয়া হুয়া বাবুজী?’

    ‘বিপদ, ভারী বিপদ। ইনি জলে ডুবে গিয়েছিলেন; শুকনো কাপড়-চোপড় আছে?’

    ‘জরুর। আইয়ে, অন্দরমে আইয়ে।’ কোলের শিশু কেঁদে উঠল। বউটি তাড়াতাড়ি ঘরের কোণে খাটিয়ায় পাতা মলিন চাদরটা এক হাত দিয়ে ঝাড়তে ঝাড়তে বললে, ‘বৈঠিয়ে, হিঁয়া বৈঠিয়ে।’

    আমি আর বসলাম না। আলতো করে কস্তুরীকে শুইয়ে দিয়ে বেরিয়ে পড়লাম। পিপেগুলোর আড়ালে বুশশার্টটা ফেলে এসেছি, টাকাকড়িও রয়েছে শার্টের পকেটেই।

    যথাস্থানেই পড়েছিল শার্টটা। মানিব্যাগও খোয়া যায়নি।

    এইমাত্র যে ভয়ানক কাণ্ড ঘটে গেল, তার কোনও চিহ্ন ছিল না গঙ্গার ঘোলাজলে। অথচ কিছুতেই ভুলতে পারছিলাম না সেই দৃশ্য— কিনারা পেরিয়ে শূন্যে একটা পা এগিয়ে দিয়েছে কস্তুরী, শান্ত, সুন্দর মুখচ্ছবি… উদ্বেগের বিন্দুমাত্র ছায়া নেই সে-মুখে… জলে পড়েও ধীর স্থির তার দেহ। হাত-পা ছোড়া নেই, মৃত্যুর সিংহদরজা দেখেও শিউরে উঠে হাঁকপাঁক করা নেই— অচঞ্চল মুখে জলের মধ্যে তলিয়ে যাওয়ার সেই ভয়াবহ দৃশ্য কিছুতেই মন থেকে মুছে ফেলতে পারছিলাম না আমি। মৃত্যুর কোলে এমনি করে কি কেউ নিজেকে নিঃশেষে সঁপে দিতে পারে? না, না, এ মেয়েকে কিছুতেই চোখের আড়াল করা চলে না, কখনওই না। ছুটতে ছুটতে ফিরে আসি আমি। বর্তন থেকে দুটো গেলাসে গরম দুধ ঢালছিল হিন্দুস্থানী বউটি।

    ‘কোথায় গেলেন উনি?’

    ইঙ্গিতে পর্দার ওদিকে দেখিয়ে দিল মেয়েটি। আড়াল থেকে বেরিয়ে এল কস্তুরী। পরনে একটা সস্তার ফুলকাটা ছাপা শাড়ি। ভিজে চুলগুলো এলিয়ে পড়েছে সারা পিঠে। মুগ্ধ চোখে তাকিয়ে রইলাম। বিধাতা যাকে রূপ দেন, তাকে এমনি অকৃপণ হাতেই সাজিয়ে দেন। বসনে দরিদ্র হয়েও তাই অপরূপ মনে হল কস্তুরীকে।

    একটা ধুতি আর কামিজ এগিয়ে ধরেছিল বউটি। বেঢপ হলেই বা আর উপায় কী। গজগজ করতে করতে তা-ই নিয়ে পর্দার আড়ালে গিয়ে জামাকাপড় পালটে নিলাম। কামিজটা পরলাম না। বুশশার্টটা গায়ে দিলাম শুকনো ধুতির ওপর। দারুণ রাগ হয়ে গেল মহেন্দ্রের ওপর। দুটো দশ টাকার নোট বউটির হাতে গুঁজে দিয়ে হনহন করে বেরিয়ে এলাম বাইরে।

    দরজার ঠিক বাইরে বিচিত্র বেশে দাঁড়িয়েছিল কস্তুরী। কোলে দিগম্বর শিশুটি। ‘চলুন, যাওয়া যাক।’ রুক্ষ স্বরে বলি আমি।

    ‘চুপ,’ ঠোঁটে আঙুল দিয়ে ফিসফিসিয়ে উঠল কস্তুরী। ‘ঘুম ভেঙে যাবে।’ বলে, সন্তর্পণে শিশুটিকে তুলে দিলে মায়ের কোলে। ভিজে পোশাকগুলো দলা পাকিয়ে হাতে তুলে দিল বউটি।

    যেতে যেতে নিরুত্তাপ স্বরে শুধালাম, ‘কোথায় পৌঁছে দেব আপনাকে?’

    ‘প্রথমে আপনার বাড়িতেই যাওয়া যাক। ময়লা ধুতিটা না ছাড়া পর্যন্ত আপনার মেজাজ ঠান্ডা হবে না, তা-ই না?’

    ‘কোথায় থাকেন আপনি?’

    ‘নিউ আলিপুরে… আমার নাম কস্তুরী কৌশিক… স্বামী মহেন্দ্র কৌশিক… নিমতায় কারখানা আছে।’

    ‘আমি দুর্লভ সামন্ত। পেশায় ব্যবহারজীবী, অর্থাৎ উকিল।’

    একটু চুপ। তারপর, ‘আপনি আমার ওপর ভীষণ রেগেছেন,’ বলল কস্তুরী, ‘কিন্তু কী হয়েছে বলুন তো? বিশ্বাস করুন, আমি কিছুই জানি না।’

    ‘আত্মহত্যা করতে গেছিলেন আপনি।’

    আশা করেছিলাম এবার কিছু বলবে কস্তুরী। কিন্তু নির্বিকার মুখে কোনও ভাব-পরিবর্তন না দেখে আবার বললাম, ‘আপনি আমার ওপর ভরসা রাখতে পারেন… জানি আপনার অনেক দুঃখ… কোনও শক যদি পেয়ে থাকেন…’

    ‘না,’ মৃদু স্বরে বলল কস্তুরী, ‘যা ভাবছেন, তা নয়।’

    সঙ্গে সঙ্গে ঘোষপাড়ার দেখা কস্তুরী ফিরে এল আমার পাশে, হুবহু সেই রহস্যময় ভাবতন্ময়তা ফুটে উঠল কুচকুচে কালো চাহনিতে।

    বলল, ‘গঙ্গার বুকে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম ঠিকই, কিন্তু কেন, তা জানি না।’

    ‘বটে। তাহলে চিঠিটা কার নামে শুনি?’

    লাল হয়ে উঠল কস্তুরী।

    ‘স্বামীকে লিখেছিলাম। কিন্তু যা বোঝাতে চেয়েছিলাম চিঠির মধ্যে, তা এমনই অস্বাভাবিক যে শেষকালে—’ বলে, মুখ তুলে হাতের ওপর হাত রেখে শুধোল, ‘আবার বেঁচে থাকা কি সম্ভব হবে আমার পক্ষে?… মানে… মৃত্যুর… পর… আর কেউ হয়ে বেঁচে থাকা কি সম্ভব?… আপনিও এড়িয়ে যাচ্ছেন, উত্তর দিতে চাইছেন না। ভাবছেন, আমি পাগল।’

    ‘শুনুন—’

    ‘আমি পাগল নই, বিশ্বাস করুন, আমি পাগল নই… কিন্তু আমার অতীত যে অনেক, অনেক দূর ছড়িয়ে আছে, ছেলেবেলার স্মৃতিরও অনেক ওপারে— এই অনুভূতিটাকে আমি কিছুতেই ঝেড়ে ফেলতে পারি না মন থেকে। মনে পড়ে, ছোট্ট থাকার আগেও আমার একটা জীবন আছে। মানে— ছিল, আস্তে আস্তে তার সবকিছুই আমার মনে পড়ছে… কিন্তু এসব কথা আপনাকে বলছি কেন, বুঝছি না।’

    ‘বলুন, বলে যান।’

    ‘যেসব জিনিস কোনওদিন দেখিনি, তাও মনে করতে পারি আমি। মাঝে মাঝে মনে পড়ে অনেক মুখ— কখনও দৃশ্যের পর দৃশ্য। মধ্যে মধ্যে সমস্ত অন্তর দিয়ে উপলব্ধি করি, আমি তরুণী নয়, বুড়ি, অনেক বেশি আমার বয়স।’

    আচ্ছন্নের মতো কথা বলে চলেছিল কস্তুরী। গাঢ় হয়ে এসেছিল স্বর। দ্রুত নয়, থেমে থেমে প্রতিটি শব্দ স্পষ্ট অথচ ফিসফিসিয়ে উচ্চারণ করে চলেছিল সে। আড়ষ্ট হয়ে শুনতে লাগলাম আমি।

    দীর্ঘশ্বাস ফেলল কস্তুরী, ‘নিশ্চয় কোনও অসুখে ভুগছি আমি। যদি তা-ই হয়, তাহলে যা কিছু আমার মনে পড়ে, সবই অস্পষ্ট, আবছা হওয়াই উচিত ছিল, নয় কি? এত স্পষ্ট হবে কেন মুখগুলো?’

    ‘কিন্তু আজ আপনি ঝোঁকের মাথায় যে কাজটা করলেন, তা কি আগে থেকে মোটেই ভাবেননি?’

    ‘মনে তো হয় ভেবেচিন্তেই করেছি। দিনে দিনে একটা অনুভূতি জোরাল হয়ে উঠছে আমার মধ্যে। আমি এখানে আগন্তুক, আমার প্রকৃত জীবন রয়েছে আমার পেছনে। যদি তা-ই হয়, এই মেকি জীবনকে টেনে নিয়ে গিয়ে লাভ কী?… সবার কাছেই… জীবন হল মৃত্যুর ঠিক বিপরীত… আর, আমার কাছে…’

    ‘এ ভাবে কথা বলাটা ঠিক নয়। স্বামীর কথা ভাবুন।’

    ‘বেচারা! ও যদি জানতে পারে—’

    ‘না, উনি জানবেন না। আমাদের দু-জনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকুক আপনার জীবনের এই রহস্য।’

    শেষের দিকে আপনা হতেই কোমল হয়ে এসেছিল আমার স্বর। চোখ তুলে হাসল কস্তুরী। যেন সোনালি আভা দেখা দিল ছেঁড়া মেঘের আড়ালে।

    ‘ঠিক বলেছেন। এ রহস্য সিক্রেট হয়েই থাকুক আমাদের মধ্যে। আমার কপাল ভালো, এই সময়ে এখানে হাজির ছিলেন আপনি।’

    ‘তা ছিলাম। এই যে ট্যাক্সি— ট্যাক্সি।’ আচমকা চেঁচিয়ে উঠি আমি। এ অঞ্চলে এ সময়ে ট্যাক্সি পাওয়া আর ভগবান পাওয়া একই জিনিস।

    উঠে বসি দু-জনে। টপ গিয়ারে উড়ে চলে ট্যাক্সি। হাওয়ায় উড়তে থাকে ভিজে চুল। খাদে স্বর নামিয়ে আপন মনেই বলে কস্তুরী, ‘এতক্ষণে মরে ভূত হয়ে যেতাম আমি।’

    ট্যাক্সি থামে।

    দরজা খুলে দিই আমি, ‘আসুন, ঘরে আসুন। আমি ব্যাচেলর, কাজেই ঘরটাও তত ঝকঝকে নয়, তাহলেও এখানে দাঁড়িয়ে থাকাটা ভালো দেখায় না।’

    ভাগ্য ভালো, হলঘরে বা সিঁড়িতে কারও সঙ্গে মুখোমুখি হলাম না। এই রকম পোশাক পরা অবস্থায় সুন্দরী যুবতীকে নিয়ে ব্যাচেলরকে বাড়ি ফিরতে দেখলেই গুজব ছুটবে হাওয়ার আগে। দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে ভেসে এল টেলিফোনের শব্দ। সোফাসেটে কস্তুরীকে বসিয়ে দৌড়ে গেলাম পাশের ঘরে। ‘হ্যালো!’

    মহেন্দ্রর স্বর। ‘এর আগে দু-দু-বার ফোন করেও পাইনি তোমায়। একটা জিনিস হঠাৎ মনে পড়ে গেল আমার, তোমাকে তা বলাই হয়নি… উমা দেবীর আত্মহত্যার ব্যাপারটা… জলে ডুবে আত্মহত্যা করেছিলেন উনি। জানি না, খবরটা তোমার কোনও কাজে আসবে কি না। তোমার রিপোর্ট কী? খবর আছে?’

    ‘দেখা হলে বলব। এখন ছাড়ছি। মক্কেল রয়েছে।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশার্লক হোমস, প্রফেসর চ্যালেঞ্জার ও মঙ্গলগ্রহ – অদ্রীশ বর্ধন
    Next Article সেরা আশ্চর্য! সেরা ফ্যানট্যাসটিক (প্রথম পর্ব) – সম্পাদনা : অদ্রীশ বর্ধন

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }