Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রেমিক – অভীক দত্ত

    লেখক এক পাতা গল্প137 Mins Read0
    ⤶

    প্রেমিক – ৪৫

    ৪৫

    রাত্রি ছটফট করছিল।

    তনয়া বললেন, “এরকম করিস না মা। তোর কি কিছু হয়েছে? নাসিমেরও কিছু হবে না। সবাই ঠিক হয়ে যাবে”।

    রাত্রি বলল, “তুমি দেখো, দিন নেই, রাত নেই, এদিক সেদিক ঘুরে বেড়াচ্ছে। কোন ঠিক আছে এর? কী হবে কে জানে”।

    তনয়া বললেন, “ঠিক হয়ে যাবে। তুই টেনশন করিস না”।

    রাত্রি বালিশে মুখ গুঁজে শুয়ে রইল।

    তনয়া বাইরের ঘরে এসে দেখলেন প্রণয় টিভি দেখছেন। তাকে দেখে বললেন, “কাটার বাচ্চাটার জ্বর হয়েছে না? গরু খায় তো, ঠিক সেরে যাবে”।

    প্রণয় কথাটা তীক্ষ্ণভাবে বলতে চাইলেও তনয়া বুঝলেন কথাটা বলেও প্রণয়ের গলা কেঁপে গেছে। বললেন, “সারলেই ভাল”।

    প্রণয় বললেন, “কোন মানে হয় বল তো? ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়িয়ে বেড়ায়। গাধা কোথাকার! পড়াশুনা কর, ব্যবসা কর, নইলে দেশ ছেড়ে গিয়ে আইসিস জয়েন কর, তোদের তো এটাই করার কথা, মোল্লা কোথাকার! তোরা কেন মানুষের কাজ করতে যাবি?”

    তনয়ার চোখ ভিজে উঠল। বললেন, “এত কিছু বললে, এত কিছু করলে, তাও দেখো, আমি ফোন করা মাত্র চলে এসেছিল। যেন এটাই ওদের কাজ। কোন চাওয়া পাওয়ার ব্যাপার নেই, হাসিমুখে দিন রাত এক করে কাজ করে যাচ্ছে”।

    তনয়ার ফোনে মেসেজ টোন এল।

    তনয়া ফোন দেখে বললেন, “উফ… শান্তি। মেয়ের কোভিড নেগেটিভ। উফ…”

    প্রণয় বললেন, “যাক। এবার ছেলেটা সুস্থ হলেই…”

    তনয়া প্রণয়ের দিকে তাকালেন।

    বললেন, “ডাক্তারবাবুকে ফোন করতে হবে। জিজ্ঞেস করে নিই একই ওষুধ চলবে নাকি”।

    প্রণয় বললেন, “হ্যাঁ। আমিই বরং যাই বুঝলে? টোটোওয়ালার নাম্বার আছে না? ওকে ফোন কর, আমি জিজ্ঞেস করে আসি ডাক্তারবাবুকে। তুমি আমাকে প্রেসক্রিপশন দাও”।

    তনয়া রাত্রির ঘরে গিয়ে রাত্রির গালে আদর করে বললেন, “তোর কোভিড হয় নি। ওই গোমূত্র খাওয়া টাওয়ার জন্য শক নিতে না পেরে জ্বর এসে গেছিল। বাবা যাচ্ছে ডাক্তারবাবুর সঙ্গে কথা বলতে। যাক বাবা। শান্তি”।

    রাত্রি বলল, “নাসিম ঠিক হয়ে যাবে তো মা?”

    তনয়া বললেন, “নিশ্চয়ই হবে। ভাবিস না”।

    তিনি প্রেসক্রিপশনটা নিয়ে প্রণয়কে দিলেন।

    #

    আধঘন্টা পরের কথা।

    রাকিব বাড়ির বাইরে পায়চারি করছিলেন।

    একটা টোটো এসে দাঁড়াল।

    প্রণয় টোটো থেকে নেমে বললেন, “নাসিম কেমন আছে?”

    রাকিব বিস্মিত চোখে প্রণয়ের দিকে কয়েক সেকেন্ড তাকিয়ে থেকে বললেন, “জ্বরে বেহুঁশ হয়ে পড়ে আছে। ওদের ছেলেরা আসবে। সম্ভবত হসপিটালাইজ করতে হবে”।

    প্রণয় বললেন, “আমি দেখতে পারি একবার?”

    রাকিব বললেন, “না না, আপনি দূরে থাকুন। এগুলো ছড়িয়ে পড়ার চান্স খুব বেশি। রাত্রি ভাল আছে তো?”

    প্রণয় বললেন, “হ্যাঁ। ওর কোভিড নেগেটিভ এসেছে”।

    রাকিব বললেন, “যাক। শান্তি”।

    প্রণয় বললেন, “কীসের শান্তি মশাই? আর আপনিই বা কেমন বাবা মা? ছেলেটার নাওয়া নেই, খাওয়া নেই, যখন তখন যেখানে সেখানে চলে যাচ্ছে, বকতে পারেন না? বারণ করতে পারেন না? কী দরকার ছিল এসবের?”

    রাকিব প্রণয়ের দিকে তাকিয়ে বললেন, “এই যে আপনাকে দেখছি। আপনার এই পরিবর্তনটা দেখছি। এইটুকুরই দরকার ছিল। ছেলেটা একটু হলেও তো আপনাকে ভাবাচ্ছে। আপনাদের ভাবাচ্ছে। এটুকুই দরকার ছিল। আপনি বাড়ি যান। আপনার নিজেরও তো শরীর খুব একটা ভাল না। আমি খবর দেব”।

    প্রণয় পকেট থেকে দশ হাজার টাকা বের করে রাকিবের হাতে ধরিয়ে দিয়ে বললেন, “এই টাকাটা রাখুন। কোন দরকার হলে খরচ করবেন। না করবেন না, পরে দিয়ে দেবেন। এখন ভাল ডাক্তার দেখাতে হবে। কোথায় ওদের ভলেন্টিয়াররা? কখন আসবে বলুন তো?”

    রাকিব বললেন, “আপনি অস্থির হবেন না। সব ঠিক হয়ে যাবে। রোগটাকে সময় দিতে হয় তো”।

    প্রণয় রেগে গেলেন, “আজব বাবা তো আপনি! আপনার চিন্তা হয় না?”

    রাকিব বললেন, “হয় তো। কিন্তু এই কঠিন সময়ে শান্ত থাকতে হবে। মাথা ঠান্ডা করুন”।

    প্রণয় বললেন, “জ্বরে বেহুঁশ হওয়া ভাল ব্যাপার না। অক্সিজেন দেখতে হবে। আপনারা এই গ্রামে ফেলে রাখবেন না। দরকার হলে কলকাতা পাঠাবেন। বুঝলেন?”

    রাকিব বললেন, “ঠিক আছে, তাই করব”।

    প্রণয় অস্থির হয়ে বললেন, “অদ্ভুত সব ছেলেপিলে। কোথায় ধান্দাবাজ হবে, অফিস করবে, ব্যবসা করবে, নিজেদের ঘর সামলাবে, তা না, এদের ভলান্টিয়ার হতে হবে! হুহ। মানুষের কাজ করবে! যত্তসব! নে, এবার উল্টে পড়ে থাক! কী দরকার ছিল? সবাই আছে তো। তোদের কোন দরকার ছিল না”।

    ঋপণরা দুটো বাইকে করে এল। একজন ডাক্তারবাবুকে নিয়ে আসা হয়েছে। প্রণয় উৎকণ্ঠিত হয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন বাইরে।

    রাকিব বললেন, “দেখুন তো, কী অবাক কাণ্ড! আমরা হিন্দু না মুসলমান করে মরলাম, আর রোগটা এসব কিছুই দেখল না। মানুষের রোগই মনে হয় সব থেকে বড় সেকুলার জিনিস, তাই না?”

    প্রণয় কিছু বললেন না। চুপ করে রইলেন।

    ৪৬

    জ্বর বাড়ছে। কেমন দম আটকে আসছে। সঙ্গে কাশিও।

    নাসিম চোখ খুলল।

    দরজার বাইরে থেকে প্রণয়ের গলা শোনা যাচ্ছে, “কীসের রেড ভলান্টিয়ার তোমরা? এত বছর ক্ষমতায় ছিলে, একটা বেড জোগাড় করতে পারছো না এখন?”

    ঋপণ প্রণয়কে বোঝানোর চেষ্টা করতে করতে বিভিন্ন জায়গায় ফোন করে প্রাণপণ চেষ্টা করে যাচ্ছে।

    শায়লা আর নীপা ঘরে ঢুকতে যাচ্ছিল, রাকিব আটকালেন, “যেও না। ওরা দেখছে”।

    শায়লা কাঁদছিলেন।

    অক্সিজেন বিরানব্বই।

    ঋপণ সিলিন্ডার নিয়ে এসেছিল। দেওয়া হল।

    রাকিবকে বলল, “কাকাবাবু, সরকারি হাসপাতালে বেড পাওয়া অসম্ভব। বেসরকারি হাসপাতালের একটায় পাওয়া গেছে। কী করব?”

    রাকিব কিছু বলার আগে প্রণয় বললেন, “টাকা নিয়ে ভেবো না। নিয়ে চল”।

    রাকিব বললেন, “হ্যাঁ। নিয়ে চল”।

    অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা হল। ঋপণ আর একজন ভলান্টিয়ার নাসিমকে নিয়ে চলে গেল।

    প্রণয় যেতে চেয়েছিলেন। রাকিব বহু কষ্টে আটকালেন।

    অ্যাম্বুলেন্স বেরিয়ে গেলে প্রণয় একটা চেয়ার টেনে বসে বললেন, “আমি দায়ী সব কিছুর জন্য। ও আমার টেস্ট করাতে নিয়ে গেল। ওখান থেকেই হয়েছে”।

    রাকিব বললেন, “নাহ। কেউ দায়ী নয়। এটা তো একটা ঝড়। একদিন ঠিক থেমে যাবে। ভাববেন না”।

    শায়লা কাঁদছিলেন।

    নীপা তার ঘরে চলে গেছে।

    প্রণয় বললেন, “এই ছোট ছোট ছেলেগুলোকে এভাবে কেউ সামনে ঠেলে দেয়? ছি ছি। লিডারগুলো সব ঘরে বসে আছে, আর বাচ্চাগুলো মরছে”।

    রাকিব বললেন, “ওভাবে না ভেবে অন্যভাবেও ভাবতে পারেন। নতুন প্রজন্ম ব্যাটন হাতে নিয়েছে। তারা এগিয়ে আসছে”।

    প্রণয় বললেন, “এগিয়ে এসে কী হল? এখন নাসিমের যদি কিছু হয়? রাত নেই, দিন নেই, সকাল নেই, বিকেল নেই, যখন পারছে চলে যাচ্ছে। এদের কিছু হলে এরপরের বারে কী হবে? আবার যখন কোন প্যান্ডেমিক আসবে?”

    রাকিব বললেন, “কঠিন সময়েই তো মানুষের আসল রূপটা বেরিয়ে আসে, তাই না? ভালটাই জিতবে। আজ এই প্যান্ডেমিকটা হয়েছিল বলেই তো কতগুলো ছেলে, যাদের আমরা ভাবতাম শুধু ঝান্ডা ধরে ঝামেলা করতে পারে, তাদের নতুন করে চিনতে পারলাম। আপনি বুঝলেন, হিন্দু মুসলিমের থেকেও মনুষ্যত্ব অনেক উপরে থাকে। এটা কি কম পাওনা বলুন তো?”

    প্রণয় বললেন, “আমি জানি না। ওই ঋপণ ছেলেটাকে বলবেন নাসিমের খোঁজ রাখে যেন। দিদি, আমাকে একটু জল দেবেন?”

    শায়লা গ্লাসে করে প্রণয়ের জন্য জল নিয়ে এলেন।

    রাকিব হাসলেন, “আমাদের ঘরে জল খাবেন তো”?

    প্রণয় গ্লাসটা খালি করে দিয়ে বললেন, “আর লজ্জা দেবেন না। ছেলেটা ভাল হয়ে ফিরুক, তাহলেই হবে। দেশের ঘরে ঘরে নাসিমরা জন্মাক। আমাদের মত লোকগুলোকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিক, ধর্মের থেকেও অনেক বড় কিছু আছে জীবনে। ছি, ছি, ছি, আমি কী হয়ে গেছিলাম”।

    রাকিব বললেন, “রাত্রিও তাই বলেছিল। বারবার আমাদের বলত ওর বাবা এরকম নন”।

    প্রণয়ের চোখে জল এসে গেল। বললেন, “কী হয়ে যাই আমরা? এরকম কেন হয়ে যাই? কত কিছু করে ফেললাম?”

    রাকিব বললেন, “সমস্যাটা আপনার একার না। স্বয়ং রবীন্দ্রনাথই বলে গেছিলেন, আমাদের সমস্যা হল, দীর্ঘদিন কাছাকাছি থেকেও আমরা কোনদিন এক হতে পারলাম না। বাইরের লোকের আর দোষ কী বলুন? দেশটাই ভাগ হয়ে গেল। যাক গে, আপনাকে ঠিক সুস্থ লাগছে না। আমার ঘরে একটু রেস্ট নিয়ে যান”।

    প্রণয় বললেন, “ঠিক আছে। তাই করি। কোনটা আপনার ঘর”?

    রাকিব বললেন, “আসুন”।

    রাকিব দেখিয়ে দিলেন। প্রণয় রাকিবের খাটে বসলেন। আলমারিভর্তি বই। দেওয়ালে রবীন্দ্রনাথের ছবি। প্রণয় সব কিছু দেখে নিজের মনেই বলে চললেন, “আমি কী করছিলাম, ছিঃ”।

    রাকিব বললেন, “আপনি কি চা খাবেন?”

    প্রণয় বললেন, “না না। কিছু করতে হবে না। আর আপনি এত শান্ত থাকছেন কী করে বলুন তো? আমারই তো কেমন অস্থির লাগছে। আপনি না বাবা?”

    রাকিব বললেন, “বাড়ির মাথাও তো। আমি শান্ত না থাকলে সবাই অস্থির হয়ে পড়বে যে। আপনি বসুন। আমি বেশ ভাল চা করতে পারি। খেয়ে দেখুন”।

    প্রণয় অবাক চোখে রাকিবের দিকে তাকালেন।

    ৪৭

    রাত্রি চুপ করে সোফার নিচে বসেছিল।

    তনয়া সোফায় বসে মেয়ের চুল বেঁধে দিচ্ছিলেন। বললেন, “ট্রমা থেকে এরকম জ্বর আগেও অনেকের আসত। সমস্যা হল এখন চারদিকে এমনভাবে কোভিড কোভিড করছে সবাই, সবাই ভেবে নিচ্ছে কোভিডই হয়েছে। নাসিমের যেন কোভিড না হয় ঠাকুর”।

    রাত্রির অনেক কষ্টে কান্না চেপে রাখছিল। এ ক’টা দিন ঝড়ের মত গেল। বাবা এসব না করলে হয়ত এত কিছু হতই না। আর এখন সব থেকে বেশি কষ্ট হচ্ছে নাসিমের জন্য।

    প্রণয় এলেন কিছুক্ষণ পরে। রাত্রির দিকে তাকিয়ে বললেন, “নাসিমকে কলকাতা নিয়ে গেছে। বলছে অক্সিজেন ফল করে গেছে। কী ভয়ংকর রোগ ভাবো, ভিতরে ভিতরে রোগটা থাকলেও কেউ বুঝতে পারে না তার হয়ে গেছে। কারো কারো হলেও তাড়াতাড়ি সেরে যাচ্ছে, আর যারা একদম ফ্রন্টলাইনে আছে, তাদের শরীরে মারাত্মকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে”।

    তনয়া বললেন, “গরম জল করে রেখেছি। ভাল করে হাত পা ধুয়ে এসো”।

    প্রণয় বাথরুম থেকে বেরিয়ে চেঞ্জ করে এসে চুপ করে বসে রইলেন।

    তনয়া বললেন, “তুমি ওদের বাড়ি গিয়ে ঠিক কী কী করলে?”

    প্রণয় বললেন, “চা খেলাম, নাসিমের বাবা খুব ভাল চা করেন। আদা দিয়ে আমাকে চা করে দিলেন। প্রচুর পড়াশুনা ওর, কত বই পড়েন সারাদিন। ওর মধ্যেও আমাকে মুড়ি মাখা খাওয়ালো”।

    তনয়া প্রণয়ের দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে বললেন, “তুমি খেলে সে মুড়ি? বমি পেল না?”

    প্রণয় বিরক্ত গলায় বললেন, “বমি পাবে কেন খামোখা? কত ভাল ফ্যামিলি! রাকিব আমারই বয়সী হবেন, অথচ কী শান্ত একজন মানুষ! অনেক কিছু শেখার আছে। এমন বাড়ির ছেলে খারাপ হতেই পারে না”।

    তনয়া বললেন, “আর কী করছিলে তুমি বল?”

    প্রণয় বললেন, “যা হয়েছে হয়েছে। ছাড়ো। আমার ব্যাংকের পাশবইটা দাও দেখি”।

    তনয়া বললেন, “কেন? কী হয়েছে?”

    প্রণয় বললেন, “রাকিবদের কাছে কত টাকা আছে জানি না। আমার পক্ষে যতটা করা সম্ভব করব”।

    তনয়া বললেন, “অনেক খরচ হবে, বল?”

    প্রণয় বললেন, “বেসরকারি মানেই তো মাথায় বাঁশ। কিন্তু কিছু করারও তো নেই। সরকার থেকে তো ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো পাবলিকদের জন্য আলাদা কোটা করবে না। বাড়িতে বাড়িতে রোগ। সব বেড ভর্তি হয়ে গেছে। একটা মাত্র বেড পেয়েছে বলল। তাও জানি না কলকাতায় গিয়ে কী হবে। অক্সিজেন কমে যাচ্ছে নাকি। এই টুকু ছেলে, তার যদি অক্সিজেন কমে যায়…” প্রণয় থেমে গেলেন রাত্রির থমথমে মুখ দেখে।

    রাত্রি উঠে নিজের ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করে খাটে বসল। ভীষণ কান্না পাচ্ছে। মনে হচ্ছে এক ছুটে গিয়ে দেখে আসে ছেলেটাকে। ওই জানলা দিয়েই তো দেখা যেত, কেমন ক্যাবলারামের মত হাসত। কী করবে সে? কিচ্ছু করার নেই।

    তনয়া কিছুক্ষণ পর এসে দরজায় নক করলেন।

    রাত্রি দরজা খুলল।

    তনয়া মেয়েকে দেখে বললেন, “তোর বাবাকে দেখেছিস কেমন পাগল লোক? যখন মাথায় ভূত ঢুকেছিল, তখন একরকম পাগলামি শুরু করেছিল, এখন যেই ভূত বেরিয়েছে, ঠিক উলটো পাগলামি শুরু করেছে”।

    রাত্রি মার হাত ধরে বলল, “করোনায় অনেক লোক মারা যাচ্ছে বল মা?”

    তনয়া বললেন, “তুই ভাবিস না। যতজন মারা যাচ্ছে, তার অনেক বেশি মানুষ সেরেও উঠছে”।

    রাত্রি বলল, “অক্সিজেন কমে যাবে কেন বল তো? এ আবার কী? কী হয় অক্সিজেন কমে গেলে?”

    তনয়া বললেন, “কিছু হবে না। তুই শো। তোর শরীর ঠিক হয় নি। তুই শো, আমি তোর মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছি। আয়”।

    রাত্রি কাঁদতে কাঁদতে শুয়ে পড়ল।

    তনয়া অনেক চেষ্টা করেও রাত্রিকে কিছু খাওয়াতে পারলেন না।

    ভোরের দিকে প্রণয়ের ফোনে রাকিবের ফোন এল।

    যে নার্সিং হোমের ভরসায় ওরা কলকাতা গিয়েছিল, গিয়ে দেখেছে সিট ভর্তি হয়ে গেছে।

    সারারাত এক নার্সিং হোম থেকে অন্য নার্সিং হোম ঘুরে বেরিয়েছে ঋপণরা।

    এক নার্সিং হোমে অনেক জায়গা থেকে ফোন করে জায়গার ব্যবস্থা করে নাসিমকে নিতে গিয়ে ঋপণরা দেখল নাসিম নিথর হয়ে পড়ে আছে…

    ৪৮

    “আছে দুঃখ, আছে মৃত্যু, বিরহদহন লাগে।

    তবুও শান্তি, তবু আনন্দ, তবু অনন্ত জাগে ॥

    তবু প্রাণ নিত্যধারা, হাসে সূর্য চন্দ্র তারা,

    বসন্ত নিকুঞ্জে আসে বিচিত্র রাগে ॥

    তরঙ্গ মিলায়ে যায় তরঙ্গ উঠে,

    কুসুম ঝরিয়া পড়ে কুসুম ফুটে।

    নাহি ক্ষয়, নাহি শেষ, নাহি নাহি দৈন্যলেশ–

    সেই পূর্ণতার পায়ে মন স্থান মাগে”॥

    “জীবনের মূল্য… কথাটা বড় আপেক্ষিক। প্রথম বিশ্বের দেশ আর তত নিচের বিশ্বের দেশে প্রাণের মূল্য এক নয়। এই সৌরজগতের পৃথিবী নামের গ্রহটাতেই এখন অবধি মানুষের সন্ধান পাওয়া গেছে। তবে শুধু মানুষ নয়, মানুষের সঙ্গে অনেক প্রাণীই আছে। মানুষ তার মেধাশক্তি আর বুদ্ধিবৃত্তির জোরে সর্বশ্রেষ্ঠ হয়েছে। কিন্তু তাতে সে সন্তুষ্ট হল না। বিষয়টা অনেকটা মেগা সিরিয়ালের মত কিংবা আমরা তুলনা করতে পারি চুইং গামের মত। ক্রিম পার্টটা শেষ হয়ে যাবার পর যেটা শুরু হয়, সেটা শুধুই চিবিয়ে যাওয়া।

    সভ্যতার ক্রমবিবর্তনে মানুষ লড়াই করে বাঁচল বটে, কিন্তু তারপরে তারা ঠিক করে নিল তারা নিজেরাই নিজেদের শত্রু। তারা ভূ খণ্ড ভাগ করা শুরু করল। ধর্ম তৈরী হল। এক একটা ধর্ম এসেছিল মানুষের নিজের প্রয়োজনে, কিন্তু মানুষ সে ধর্মকে নিজের হাতিয়ার বানিয়ে ফেলল। ক্রুসেড হল, ধর্মে ধর্মে লড়াই শুরু হল, বছরের পর বছর ধরে সভ্যতার নামে চলল মানুষেরই তাণ্ডবলীলা। এল হিরোশিমা নাগাসাকি… মানুষের ইতিহাসের কলঙ্কজনক অধ্যায়, এল ওসামা বিন লাদেনের মত সন্ত্রাসবাদী, একটার পর একটা সন্ত্রাসবাদী সংগঠন। মানুষ পাল্টাল না।

    পৃথিবী মানুষের থেকে অনেক কিছুই আশা করেছিল। পৃথিবী ছিল সেই স্নেহশীল বাবা মায়ের মত, যারা সন্তানকে সবটুকু উজার করে দিয়েছিল। পরিবর্তে সেই সন্তান কী করল? তার মাকে ক্ষতবিক্ষত করে দিল। পৃথিবীর তো রাগ হয়, তাই না?

    সে প্যান্ডেমিক দিল। মানুষকে বুঝিয়ে দিল, সে কত ক্ষুদ্র। কত নীচু। প্রতিটা ক্ষেত্রে কোথাও অক্সিজেন নেই, কোথাও ওষুধ নেই, কোথাও অ্যাম্বুলেন্স যাবে না… আমাদের মত তৃতীয় বিশ্বেই শুধু নয়, প্রথম বিশ্বকেও নাস্তানাবুদ করে দিল। দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া পৃথিবী দেখতে চেয়েছিল, মানুষ কি সত্যিই পারবে? যাদের কথা ছিল হাতে হাত ধরে নিজেদের পাশে দাঁড়ানো, তারা কি কঠিন সময়ে পারবে ফিরে আসতে? লড়াই করতে?

    আজ, এই সময়ে দাঁড়িয়ে, দ্বিতীয় ওয়েভ যখন কমতে শুরু করেছে, তখন আমরা গর্বের সঙ্গে বলতে পারি, আমরা কিছুটা হলেও পেরেছি। আমরা পেরেছি সব প্রতিকূলতা পেরিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াতে। আমাদের মত দেশে, আমরা রাজনীতি দেখি নি, ধর্ম দেখি নি, মানুষ দেখেছি।

    আমরা দেখেছি তাদের, যারা প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছে, নিজেদের সীমিত সামর্থ্যের মধ্যে থেকেও সেফ হোম বানিয়েছে। রাত বিরেতে অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে।

    আমার ছেলে নাসিম তাদের মধ্যে ছিল। নাসিমকে আমরা কখনও আটকাই নি। ওর মা চিন্তা করেছে, কান্নাকাটি করেছে। আমার কাছেও নালিশ করেছে, কেন ছেলে ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়াচ্ছে। একটা শূন্য পাওয়া দলের না হওয়া পার্টি মেম্বার, যার নেতারা বাড়িতে বসে শুধু বুলি কপচিয়ে যাচ্ছে, সেই দলের ব্যানারে নাসিম কাজ করেছে।

    নাসিম প্রেমিক ছিল, বাকি ভলান্টিয়াররাও তাই। তারা সেই বিরল প্রজাতির প্রেমিক, যারা কিছু পাওয়ার আশায় প্রেম করে নি। সমাজকে পাল্টানোর বিরাট কোন আশা তাদের মধ্যে ছিল না। রেজাল্ট বেরনোর দিন মার্কশিটে শূন্য দেখেও যারা গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পিপিই পরে অক্সিজেন নিয়ে ছুটেছিল।

    নাসিম বিশ্বাস পারিবারিক সূত্রে মুসলমান। তার মৃতদেহের পৃথিবীর মাটি পাওয়ার কথা ছিল না হয়ত। হয়ত ধাপার মাঠে তার মৃতদেহ দাহ করা হত। অন্য কোন রাজ্যে থাকলে নদীর তীরে কাপড়ে জড়ানো অবস্থায় তার মৃতদেহ খুঁজে পাওয়া যেত। তার বন্ধুরা সেটা হতে দেয় নি। নাসিমের দেহকে পরম যত্নে তারা কবর দিতে পেরেছে। আমি আমার পরিবারকে বলে গেছি, আমার মৃত্যুর পর আমার দেহ যেন কলকাতা মেডিকাল কলেজে দিয়ে যাওয়া হয়।

    আমরা এটুকুই পারি। আমি এবং আমার স্ত্রী তাদের প্রিয়তম ছেলেকে হারিয়েছি। আমার মেয়ে তার প্রিয় দাদাকে। তবু আমি বলব, আমরা পেরেছি। দিনের শেষে আমি গর্বিত আমার ছেলের জন্য। নাসিমদের মতন প্রেমিক তৈরী হোক এই বাংলার ঘরে ঘরে, যারা বিন্দুমাত্র কিছু পাওয়ার আশা না করে যে কোন সময়ে মানুষের জন্য এগিয়ে যাবে।

    মানুষ নইলে কোনদিন জিততে পারবে না। মানুষকে যদি জিততে হয়, তাদের এভাবেই জিততে হবে।

    সংখ্যালঘু হোক হিংসাশ্রয়ীরা, নিশ্চিহ্ন হোক তারা। মনুষ্যত্ব জিতুক।

    নাসিম, তোকে লাল সেলাম জানাই। আমার শ্রদ্ধা নিস তুই”।

    রাকিব থামলেন।

    পরিবারের তরফে একটা ছোট স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছিল। চারপাশের এলাকার প্রচুর মানুষ এসেছেন, দল মত নির্বিশেষে। রাকিবের বক্তব্যে হাততালি পড়ল না। সবাই নির্বাক, নিস্তব্ধ হয়ে রইলেন।

    রাত্রি নীপার পাশে চুপ করে বসে ছিল। শায়লাকে সামলাচ্ছেন তনয়া।

    প্রণয় প্রস্তুত হলেন।

    তাকেও বলতে হবে। অনেক কথা বলতে হবে।

    ছেলেটা সব কিছুকে কেমন অবলীলায় মিলিয়ে দিয়ে চলে গেল…

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিছুক্ষণ – অভীক দত্ত
    Next Article যেখানে দেখিবে ছাই – অভীক দত্ত

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }