Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রেমিক – অভীক দত্ত

    লেখক এক পাতা গল্প137 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    প্রেমিক – ৫

    ৫

    প্রণয় রাত করে বাড়ি ফিরলেন।

    ঘরে ঢুকে রাত্রির ঘরের সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে বললেন, “তোর ফোনটা আমি কিনে দিয়েছি। আমার কেনা ফোন দিয়ে আমি এসব করা বরদাস্ত করব না”।

    রাত্রি শুয়েছিল। সোজা হয়ে বসে বলল, “কী বরদাস্ত করবে না তুমি?”

    প্রণয় বললেন, “এই মুসলমানের সঙ্গে কোন রকম সম্পর্কে থাকলে আমি কিছুতেই মেনে নেব না”।

    রাত্রি বলল, “তোমার কী হয়েছে বাবা? এরকম পাগল পাগল হয়ে যাচ্ছো কেন তুমি? এই সময়ে দাঁড়িয়ে কী করে হিন্দু মুসলমান মাথায় আসছে তোমার?”

    প্রণয় কয়েক সেকেন্ড গম্ভীর হয়ে দাঁড়িয়ে বললেন, “আমি তোর বিয়ে দিয়ে দেব। চল্লিশ পঞ্চাশ জন নিমন্ত্রিত থাকবে। এর মধ্যেই বিয়ে হোক। দরকার নেই এসব মেয়ে বাড়িতে রাখার। বিয়ে আমার ইচ্ছায় হবে। মানলে এই বাড়িতে থাকবি, না মানলে বেরিয়ে যা, যেখানে ইচ্ছে যে কোন মোল্লার বাড়ি গিয়ে থাক, আমি কিছু বলব না। তুই যে কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারিস, কিন্তু কোন মোল্লার সঙ্গে বিয়ে করলে আমি তোকে নিজের মেয়ে বলেই কোন দিন স্বীকৃতি দেবো না, এটা জেনে রাখ”।

    রাত্রি বলল, “কার সঙ্গে বিয়ে দেবে?”

    প্রণয় বললেন, “দেখছি। কাল সকালের মধ্যে জেনে যাবি”।

    রাত্রি বলল, “বিয়ের পর যদি কোন মুসলমানের সঙ্গে এক্সট্রা ম্যারিটাল করি?”

    প্রণয় বললেন “ওই বাড়ি থেকে তো তোকে বের করে দেবে। আমিও আর ঢুকতে দেবো না। কিছুতেই ঢুকতে দেব না। মোল্লাদের কাজ কী? হিন্দু মেয়েদের সঙ্গে শুয়ে তাদের শরীরে মুসলমান বানানো। এটাই ওদের কাজ”।

    রাত্রির কান মাথা ব্যথা করছিল। এই বাবাকে সে চেনে না। ইনি একজন মৌলবাদীতে পরিণত হয়েছেন। যে মৌলবাদী প্যারিসে নাস্তিক কার্টুনিস্টদের খুন করে, তার সঙ্গে তার বাবার বিন্দুমাত্র কোন তফাৎ নেই শুধু ধর্মটা ছাড়া। একটা ধর্ম বিদ্বেষের জন্য মানুষ তার নিজের মেয়েকে পর্যন্ত এত বড় কথা বলে ফেলছে! সে কয়েক সেকেন্ড চুপ করে বসে থেকে বলল, “ঠিক আছে। আমি তাহলে বাড়ি ছাড়ছি। তোমাকে আর কিছু করতে হবে না। আর কোন দিন বাড়িতে ফিরবো না তো? বেশ, তাই হবে”।

    প্রণয় চিৎকার শুরু করলেন। রাত্রির মা ছুটে এল। রাত্রি দরজা বন্ধ করে চেঞ্জ করে নিল। কয়েক মিনিট পরে ঘর থেকে বেরোল। মা তাকে আটকাতে গেলেন। রাত্রি মাকে জোর করে ছাড়িয়ে দিল। প্রণয় চিৎকার করলেন, “হবেই তো, মোল্লাদের সঙ্গে মিশে ও মেয়ে এখন মোল্লা হয়ে গেছে। বেরিয়ে যাক। দরকার নেই এই কুলাঙ্গার মেয়ে আমার”।

    রাত্রি বাড়ি থেকে বেরোল। তার সঙ্গে সঙ্গে তার মা বেরোতে যাচ্ছিলেন। প্রণয় আটকালেন। দরজা বন্ধ করে দিলেন।

    রাত্রি সোজা তার বাড়ি থেকে বেরিয়ে স্থানীয় পার্টি অফিসে গিয়ে ঢুকল। চার পাঁচজন বয়স্ক মানুষ মিটিং করছেন।

    রাত্রির মাথা কাজ করছিল না। সে কোন মতে বলল, “আপনাদের একজন রেড ভলান্টিয়ার আছে। নাসিম নাম। তার ফোন নাম্বার দিতে পারবেন?”

    বাকিরা খানিকটা অবাক হলেন। রাত্রি বলল, “ভীষণ দরকার। একটা ব্যক্তিগত সমস্যায় পড়েছি। দেওয়া যাবে?”

    কিছুক্ষণের মধ্যে পার্টি অফিস থেকে একজন নাসিমকে ফোন করে রাত্রিকে তার ফোনটা দিলেন। রাত্রি ফোন ধরে বলল, “আমি এই অঞ্চলের পার্টি অফিসে আছি। তুমি আসতে পারবে?”

    নাসিম একটুও না ভেবে বলল, “আসছি”।

    ফোন রেখে রাত্রি পার্টি অফিসের বাইরে গেল। প্রবল কান্না আসছিল। সামান্য একটা সন্দেহ থেকে কত বড় কিছু হয়ে গেল বাড়িতে? একজন ভদ্রলোক বেরিয়ে এসে বললেন, “নাসিম গ্রামের ছেলে। কোন সমস্যা হলে আমাদের বলতে পারো”।

    রাত্রি মাথা নাড়ল, “না না। ব্যক্তিগত ব্যাপার কাকু। সেরকম কিছু না”।

    ভদ্রলোক আর কথা না বাড়িয়ে পার্টি অফিসে চলে গেলেন।

    কিছুক্ষণের মধ্যে নাসিম এল। তাকে দেখে অবাক চোখে বলল, “কী হয়েছে?”

    রাত্রি বলল, “কোন প্রশ্ন না করে আমাকে তোমার বাড়ি নিয়ে যাবে”?

    নাসিম অবাক হয়ে রাত্রির দিকে তাকিয়ে রইল।

    ৬

    অনেকদিন পর রাকিব রবীন্দ্রনাথ পড়ছিলেন। রবীন্দ্রনাথ পড়ার জন্য একটা আলাদা পরিবেশ তৈরী করেন রাকিব। বাড়িতে সবাইকে বলে দেওয়া হয়, কেউ যেন তাকে বিরক্ত না করেন। এই দিন তিনি তার লাইব্রেরী থেকে সন্ধ্যের পর থেকে আর বেরোন না। রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্প রাকিবকে মুগ্ধ করে ঠিকই, তবে তিনি মনে করেন কবিতাগুলো আরো বেশি মনোযোগ দাবী করে।

    একটা পদ্য থেকে, একটা শব্দও এদিক ওদিক করা সম্ভব না। রবীন্দ্রনাথ তাকে মুগ্ধ করে। বেঁচে থাকতে শেখায়।

    রাত হয়েছিল। রাকিব গীতাঞ্জলী পড়তে শুরু করেছিলেন, হঠাৎ লাইব্রেরীর দরজায় কেউ নক করল।

    রাকিব বিরক্ত হলেন। এটা তো হবার কথা নয়। বাড়িতে সবাইকে বলা থাকে এই সময় কেউ যেন বিরক্ত না করে। তবু এইভাবে নক করছে!

    উঠে বইটা টেবিলের উপর রাখলেন। রাকিব তার প্রতিটা বইয়ের প্রতিটা পাতা যত্ন করে রাখেন। কেউ বই ধার নিলে বিরক্ত হন। দিতে চান না। ভদ্রতাবশত দিতে হলে সে বই ফিরে এলে যদি দেখেন পাতা মুড়ে রেখেছে, ভীষণ বিরক্ত হয়ে পড়েন। নিজের মনেই বলে, এর থেকে খুন করে যেতে পারত।

    রাকিব দরজা খুললেন। নীপা দাঁড়িয়ে আছে চিন্তিত মুখে। নীপা রাকিবের ছোট মেয়ে। নাসিমের বোন। নীপা কখনো চিন্তিত হয় না। সব সময় হাসিমুখে থাকে। নীপা চিন্তিত থাকা মানে বাড়িতে সত্যি কোন সমস্যা হয়েছে। রাকিব সেটা বুঝে বললেন, “কী হয়েছে?”

    নীপা বলল, “তুমি একটু মাথা ঠান্ডা কর বাবা”।

    রাকিব বললেন, “মাথা ঠান্ডাই আছে। কী বলবি বল”।

    নীপা বলল, “বাইরের ঘরে এসো”।

    রাকিব বললেন, “এখন? এখন আমি রবীন্দ্রনাথ পড়ছি তো”।

    নীপা বলল, “এসো একটু”।

    রাকিব বিরক্ত হয়ে বাইরের ঘরে এসে দেখলেন নাসিম দাঁড়িয়ে আছে। একটা মেয়ে সোফায় বসে আছে। তিনি নাসিমের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “কী হল? নীপা ডেকে নিয়ে এল! কী ব্যাপার?”

    নাসিম বলল, “বাবা ওর নাম রাত্রি। ওকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে”।

    রাকিব রাত্রির দিকে তাকালেন। মেয়েটা মাথা নিচু করে বসে আছে। কাঁদছে সম্ভবত তবে কান্না দেখা যাচ্ছে না। তিনি বললেন, “বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে কেন তোমাকে?”

    রাত্রি বলল, “বাবার ধারণা আমি নাসিমকে ভালবাসি। বাবা মুসলমানদের ঘেন্না করে”।

    রাকিব বললেন, “ওহ। তাহলে তুমি নাসিমকে ভালোবাসো না?”

    নীপা এবার হেসে ফেলল, “বাবা, তুমি এই সময় এই প্রশ্নটা কী করে করলে?”

    নাসিম বলল, “আমি বাইরে থেকে আসছি”।

    রাকিব বললেন, “দাঁড়া দাঁড়া। আমি কিছুই বুঝতে পারছি না। তুই তো রেড ভলান্টিয়ার হলি। এ বাড়ি সে বাড়ি অক্সিজেন দিয়ে আসতিস। হঠাৎ করে এসব কবে শুরু করলি?”

    নাসিম বলল, “শুরু করি নি। ওদের পাড়ায় গেছিলাম…”

    নাসিম চুপ করে গেল।

    রাকিব বললেন, “বুঝেছি। রাত্রি, তুমি আমাকে বল দেখি তুমি কী চাও?”

    রাত্রি কয়েক সেকেন্ড সময় নিয়ে বলল, “আমি নিজেও জানি না আমি কী চাই। বাবা হঠাৎ করে এমন হয়ে গেল কেন তাও জানি না”।

    রাকিব নীপার দিকে তাকালেন, “ওকে জল দে। তোর ঘরে নিয়ে যা। সুস্থির হোক। তোর মা ফিরেছে?”

    নীপা বলল, “ফিরবে খানিকক্ষণ পরে”।

    রাকিব নাসিমকে বললেন, “প্রেম ট্রেম না, তাই তো?”

    নাসিম জোরে জোরে মাথা নাড়াল, “একবারেই না। কী যে বল!!”

    রাকিব বললেন, “রাত্রির থেকে ওর বাড়ির নাম্বার নে। আমি ওর বাবাকে ফোন করছি”।

    রাত্রি বলল, “আমি ও বাড়ি যাবো না”।

    রাকিব বললেন, “ওরকম বলে না মা। বাবা মা চিন্তা করবেন। ভেবো না। আমি কথা বলছি। তুমি নীপার ঘরে গিয়ে রেস্ট কর। আমি গিয়ে তোমাকে বাড়িতে দিয়ে আসবো”।

    নীপা রাত্রির হাত ধরল, “চল, আমার ঘরে”।

    রাত্রি উঠে নীপার ঘরে গেল।

    রাকিব নাসিমকে বললেন, “তুই মেয়েটাকে কত দিন ধরে চিনিস?”

    নাসিম বলল, “এই ক’দিন হল”।

    রাকিব বললেন, “নাম্বারটা নে। ফোন করছি। ওর বাবা কী বলেন দেখি। আমরা গিয়ে ওকে দিয়ে আসব। কী যে করিস তোরা, কী সুন্দর রবীন্দ্রনাথ পড়ছিলাম!”

    নাসিম হাসল।

    বাবা এবং রবীন্দ্রনাথের মাঝে এখনো কিছু এলে আগের মতই রেগে যান…

    ৭

    রাত্রিকে খাটে বসিয়ে নীপা এক গ্লাস জল এনে দিল। রাত্রি জল খেয়ে নীপার ঘরটা দেখছিল খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে। খাটের পাশে বেশ কয়েকটা পুতুল, গল্পের বই। দেওয়াল আলমারিতে বই সাজানো। নীপা বলল, “তোমার কি একটু ভাল লাগছে?”

    রাত্রি বলল, “হ্যাঁ”।

    নীপা বলল, “তুমি কি সত্যি দাদার সঙ্গে…”

    রাত্রি নীপার দিকে তাকাল। কী মিষ্টি মেয়েটা। ঠোঁটের কোণে সব সময় একটা হাসি লেগে আছে। সে বলল, “তুমি কোন ক্লাসে পড়?”

    নীপা বলল, “টুয়েলভ। উচ্চ মাধ্যমিক দেওয়ার কথা ছিল। সব ভেস্তে গেল। কবে কী হবে জানি না। জানো আমার এক বন্ধু আছে, ও পরীক্ষা হবে না শুনে এমন লাফ দিয়েছিল যে পড়ে গিয়ে হাত ভেঙে গেছে”।

    কথাটা বলে হাসতে হাসতে গড়িয়ে পড়ল নীপা। রাত্রিও হাসল। মেয়েটা খুব তাড়াতাড়ি আপন করে নিতে পারে। সে একইসঙ্গে অবাকও হচ্ছিল। তার ধারণা ছিল নাসিমদের বাড়িটা পুরো ক্যাটক্যাটে সবুজ রঙের হবে। ঘরে ঘরে শুধু মক্কা মদিনার ছবি থাকবে। ওরা খাটে পা তুলে খাওয়া দাওয়া করবে। ঘরে ঘরে বাচ্চা কিলবিল করবে। সেরকম কিছুই নেই। একবারে তাদের মতই বাড়ি। নাসিমের বাবার মধ্যেও কী অসাধারণ প্রজ্ঞা!

    এতদিন কি সে ভুল জানত? রোজ খেতে বসলেই খাবার টেবিলে বাবা মুসলমানদের নামে কত কিছু বলে যায়। এরা জন্ম থেকেই জিহাদ করতে যায়, এদের মনের ভিতর নাকি সবসময় বিদ্বেষ থাকে, কোথায়? নীপাকে তো নিজের বোনের মতই মনে হচ্ছে। মজা করতে ভালবাসে, কথা বেশি বলে, কথা বলতে বলতে খিলখিল করে হেসে ফেলে… তারই মত তো মানুষ! হোয়াটস অ্যাপে বর্ণিত ভয়াবহ প্রাণীদের মত তো মনে হচ্ছে না কাউকেই।

    নীপা বলল, “এই দিদি, তুমি বললে না তো, আমার গাধা দাদাটার সঙ্গে তুমি কি সত্যি প্রেম কর?”

    রাত্রি হেসে ফেলল, “নাসিমকে গাধা বললে?”

    নীপা বলল, “হু? খারাপ লাগল বুঝি? বাপরে! সরি সরি”।

    আবার হেসে গড়িয়ে পড়ল নীপা।

    রাত্রি নীপাকে সবটা বলল।

    নীপা গালে হাত দিয়ে বলল, “বাপরে, ইনি তোমার বাবা না অমরেশ পুরী? এমন কেন ভদ্রলোক?”

    রাত্রি বলল, “হোয়াটস অ্যাপ! আবার কী?”

    নীপা বলল, “সে তো বুঝতেই পারছি। তবে ভেবো না শুধু তোমার বাবাই এরকম। আমার এক বন্ধুর বাড়িতে আগে আমি খুব যেতাম। করোনার প্রথম লকডাউনের কয়েক মাস আগে আমাকে সে বন্ধু স্পষ্টই বলে দিয়েছিল ওদের বাড়ি না যেতে। আমাদের এগুলো অভ্যাস হয়ে গেছে। বাবাকে বললে বাবা অবশ্য বলে কেউ বন্ধু না থাকলে বইকে বন্ধু করে নিতে। জানো, আমার বাবা আমাকে একদিন ডেকে জিজ্ঞেস করল, খুব শান্ত গলায় প্রশ্ন করল। মা, তুই কি স্মার্ট ফোন নিবি? তুই চাইলে আমি কিনে দেব। তবে আমার মতে যতদিন এই যন্ত্রটা ছাড়া থাকবি, ততদিন ভাল থাকবি। আমি বললাম, থাক বাবা। আমাকে কী প্যাড ওয়ালা ফোনই দাও। ওটা নেই বলেই হয়ত এখনো পড়াশুনো করতে পারছি”।

    রাত্রি অবাক হল, “তোমার স্মার্ট ফোন নেই? ফেসবুকে অ্যাকাউন্ট?”

    নীপা মাথা নাড়ল, “না। আমিও বই পড়ি। এখন কী পড়ছি জানো? পরশুরামের মহাভারত। একসময় উপেন্দ্রকিশোরের ছোটদের মহাভারত পড়ে পড়ে বইটাকে পাপড়ভাজা করে দিয়েছিলাম। ইলেভেনে উঠলে বাবা আমাকে একটা পরশুরামের মহাভারত দিল। বাপরে, কী চাপের! মহাভারতের ছোটবড় হয়!”

    রাত্রি ইতস্তত করে বলল, “তুমি কোরাণ পড় না?”

    নীপা বড় করে মাথা নাড়ল, “তাও পড়েছি। কোরাণ পড়েছি, বাইবেল পড়েছি। কিন্তু মহাভারত আলাদা ব্যাপার। আর আমার বাবার কাছে মহাভারতের থেকেও আলাদা ব্যাপার রবীন্দ্রনাথের কবিতা। আমার বাবার সব কাব্যগ্রন্থের সব ক’টা কবিতা মুখস্ত। তবু পড়বে। বলে প্রতিদিন নতুন নতুন করে মানে বেরোয় নাকি! আমার কিন্তু কবিতা ভাল লাগে না। আমার গদ্য। তাও কার বল তো? সুনীলের”।

    রাত্রি বলল, “আর তোমার দাদার কী পছন্দ?”

    নীপা বলল, “দাদা হল সাইলেন্ট লাভার মানুষ। ওই তোমাকে যেমন ঝাড়ি মারত, তুমি না এগোলে জীবনেও আর কথা বলত না। তার ওই সাইলেন্ট প্রেমের লেখা ভাল লাগে”।

    রাত্রি মজা পেল, বলল, “যেমন?”

    নীপা চোখ নাচাল, “সেটা দাদাকেই জিজ্ঞেস করবে। আমি কেন বলব? তোমার মনে হয় বাড়ি যাওয়ার ব্যবস্থা হচ্ছে। ঈশ, তুমি এখানে থাকলে ভারি মজা হত। আমরা সারারাত আড্ডা মারতাম। আচ্ছা, তুমি সত্যিই দাদাকে একটুও ভালবাসো না? ফাইভ পারসেন্টও না? এই এট্টুসখানি?”

    নীপা কেমন বাচ্চাদের মত প্রশ্ন করল।

    রাত্রি হি হি করে হেসে ফেলল। শেষ কবে সে এত মজা পেয়েছে, নিজেই মনে করতে পারছিল না।

    ৮

    রাত্রি চলে যাওয়ার পর প্রণয় নিজেও বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেছিলেন। রাত্রির মা কেঁদে কেঁদে চোখ ফুলিয়ে ফেলেছেন।

    রাতের দিকে বাড়ি ফিরে প্রণয় থম মেরে অনেকক্ষণ বসে রইলেন। স্ত্রী তখনো কাঁদছিলেন। প্রণয় বিরক্ত গলায় বললেন, “একদম কোন যোগাযোগ রাখবে না। তোমার মেয়ে লাভ জিহাদের শিকার হয়েছে। তুমি বুঝতে পারছো না এটা কত বড় ষড়যন্ত্র। ওরা হিন্দু মেয়েদের টেনে নিয়ে গিয়ে কনভার্ট করে দেয়। এতক্ষণে তোমার মেয়ে মোল্লা হয়ে গেছে”।

    রাত্রির মা তনয়া বললেন, “তা বলে এভাবে মেয়েকে পর করে দেবে তুমি? আটকানো যেত না?”

    প্রণয় বললেন, “তুমি জানো না, আটকে কোন লাভ নেই। তারপরে ঠিক একদিন পালিয়ে যাবে। দেখো না, এই হোয়াটস অ্যাপ মেসেজটা দেখো…”

    প্রণয় ফোনটা তনয়ার দিকে এগিয়ে দিলেন। একটা মেসেজ। কীভাবে হিন্দু মেয়েদের বাড়ি থেকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে মুসলমানেরা ধর্মান্তরিত করছে, কীভাবে এর প্রতিরোধ করা উচিত, তা নিয়ে অনেক বড় লেখা। খানিকটা পড়ে তনয়া কেঁদে ফেললেন, “আমার কিছু ভাল লাগছে না। একটা মাত্র মেয়ে, সারাদিন ঘরে কাটাচ্ছে। এর মধ্যে কখন এসব হয়ে গেল?”

    প্রণয় বললেন, “ওটাই তো। এখন সাইবার ক্রাইমের যুগ। ওরা সব পারে। হয়ে গেল বুঝলে, এই দিনটাই দেখার ছিল আমার। আমি ঠিক ব্যবস্থা নেব দাঁড়াও। আমারও লোক আছে। যে বাড়িতে বিয়ে করেছে, সে বাড়ির সবাইকে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারব। ছাড়ব না”।

    তনয়া শিউরে উঠে বললেন, “একী বলছো তুমি? তোমার কি মাথা খারাপ হয়ে গেছে?”

    প্রণয় বললেন, “পাকিস্তানের চাল এগুলো, বুঝতে পারছো? সৌদি আরব থেকে পেট্রো ডলার আসছে, পাকিস্তানের টাকা ঢুকছে, সব হিন্দু মেয়েগুলোকে ওরা মোল্লা করে ওদের গর্ভে নিজেদের সন্তান…”

    কলিং বেল বেজে উঠল।

    প্রণয় বললেন, “দেখো কে এসেছে”।

    তনয়া ছুটে দরজা খুললেন। একজন সৌম্য ভদ্রলোক দাঁড়িয়ে আছেন।

    তনয়া বললেন, “বলুন”।

    ভদ্রলোক বললেন, “প্রণয়বাবু আছেন?”

    তনয়া চোখের জল লুকিয়ে বললেন, “আসুন”।

    ভদ্রলোক ঘরের ভিতরে প্রবেশ না করে বললেন, “আমি ভিতরে গেলে আপনাদের অসুবিধে হতে পারে। প্রণয়বাবুকে ডাকুন”।

    তনয়া বুঝলেন না। অবাক হয়ে বললেন, “কেন অসুবিধা হবে বলুন তো?”

    ভদ্রলোক বললেন, “আমার নাম আব্দুর রাকিব বিশ্বাস। আপনাদের মেয়ে এখন আমাদের বাড়িতে আছে। আমি সে ব্যাপারে প্রণয়বাবুর সঙ্গে কথা বলতে এসেছি”।

    তনয়া বিহ্বল চোখে রাকিবের দিকে তাকিয়ে রইলেন, বললেন, “ও ঠিক আছে তো?”

    রাকিব হাসলেন, “নিশ্চয়ই ঠিক আছে। তবে বাবাকে খুব ভয় পায় তো। তাই…”

    তনয়া বললেন, “ঠিক আছে। আমি ডাকছি ওর বাবাকে”।

    তনয়া ঘরের ভিতরে গিয়ে বললেন, “তোমাকে ডাকছেন একজন”।

    প্রণয় বাইরে বেরিয়ে বললেন, “বলুন। ভিতরে আসেন নি কেন?”

    রাকিব বললেন, “আমি মুসলমান। আপনাদের অসুবিধা করতে চাই না এত রাতে”।

    প্রণয় অবাক হয়ে রাকিবের দিকে তাকিয়ে বললেন, “আপনি মুসলমান? টুপি কোথায়? দাড়ি কোথায়? লুঙ্গি? আপনাকে তো বাঙালিদের মতই লাগছে!”

    রাকিব হাসলেন, “আমি অবশ্যই বাঙালি। ভয় পাবেন না। আমি কোন টাইম বোমা নিয়ে আপনাদের বাড়ি আসি নি। আপনার মেয়ে আমাদের বাড়িতে আছে। আমার ছেলের সঙ্গে ওর কোন রকম কোন সম্পর্ক হয় নি। ও আপনার সঙ্গে প্রবল তর্ক করেছে। তারপরে রাগের মাথায় বেরিয়ে আমাদের বাড়িতে চলে গেছে। রাত্রি এখন টোটোতে বসে আছে বাইরে। আপনি অনুমতি দিলে আমি ওকে আপনাদের কাছে রেখে বাড়ি ফিরব”।

    প্রণয় থতমত খেয়ে গেলেন, “ভালবাসে না?”

    রাকিব বললেন, “না বোধহয়”।

    প্রণয় বললেন, “এখনো মুসলমান করেন নি আপনারা ওকে?”

    রাকিব বললেন, “না। নিজেরা আগে ভাল মানুষ হই, তারপরে না হয় হিন্দু মুসলমান হওয়া যাবে! মেয়েকে ডাকব?”

    প্রণয় রাকিবকে দেখে কিছুতেই হিসেব মেলাতে পারছিলেন না। একটু ভেবে বললেন, “আমি পড়েছি বটে, মুসলমানেরা হিন্দুদের মত ছদ্মবেশে ঘুরে বেড়ায়। আপনি সেরকম নন তো?”

    রাকিব বললেন, “আপনার সঙ্গে এই ব্যাপারে একদিন বিস্তারিত আলোচনা করা যাবে, যদি আপনি অনুমতি দেন তবে। আপাতত নিজের মেয়েকে ডেকে নিন। বেচারি ভারি ভয় পেয়ে আছে”।

    প্রণয় তনয়ার দিকে তাকিয়ে বললেন, “নিয়ে এসো। ঘরের বাইরে দাঁড় করিয়ে রেখো। আগুন ছুঁয়ে ঘরে ঢুকিও”।

    রাকিব বললেন, “অসংখ্য ধন্যবাদ। আমি আসি। অনেক উপকার করলেন আমার। সবে গীতাঞ্জলী শুরু করেছিলাম সন্ধ্যেয়”।

    প্রণয় বললেন, “গীতাঞ্জলী মানে? সেটা কী?”

    রাকিব হাসলেন, “যার সৃষ্টি ভুলে গিয়ে আজ বাঙালির এই দুর্দশা হচ্ছে। তার লেখা। ভদ্রলোক এককালে নোবেল পেয়েছিলেন। এখন বিস্মৃতপ্রায় মনে হয়… যাই হোক, ভাল থাকুন”।

    রাকিব হাত জোড় করলেন।

    ৯

    রাকিব দাঁড়িয়ে ছিলেন। ঠিক করেছিলেন রাত্রি ঘরে ঢোকার পরে বেরোবেন। রাত্রি গেটের কাছে আসতেই প্রণয়বাবু হাঁ হাঁ করে তেড়ে উঠলেন, “স্নান করে ঘরে ঢোক। তুই ওখানেই দাঁড়া। মা বালতিতে জল দিচ্ছে। সে জলে স্নান কর। মোল্লাদের বাড়ি থেকে এ বাড়িতে এভাবে ঢুকবি না”।

    বাবার কথাটা কানে যেতে রাত্রি সিঁটিয়ে গেল।

    রাকিব বললেন, “এত রাতে স্নান করবে বাড়ির বাইরে?”

    প্রণয় রাকিবের দিকে কড়া চোখে তাকিয়ে বললেন, “আপনি আসতে পারেন। এটা আমাদের বাড়ির ভিতরের ব্যাপার। বাইরের লোকের মতামত নেওয়ার কোন রকম প্রয়োজন বোধ করি না”।

    রাকিব স্থির চোখে প্রণয়ের দিকে কয়েক সেকেন্ড তাকিয়ে রাত্রির দিকে তাকিয়ে বললেন, “আমি ভুল করেছিলাম। আমি বুঝতে পারি নি এই ভয়াবহ বিদ্বেষের পরিবেশে তোমাকে থাকতে হচ্ছে মা। তুমি চাইলে আমাদের বাড়ি গিয়ে থাকতে পারো। কী করবে জানাও। আমি টোটোতে গিয়ে বসছি”।

    রাত্রি বলল, “আমি এ বাড়িতে থাকব না কাকু”।

    প্রণয়বাবু চিৎকার শুরু করলেন। রাকিব কোন কথা না বলে টোটোতে গিয়ে বসলেন। রাত্রি তার সামনে বসল।

    প্রণয় বললেন, “আমি থানায় ফোন করছি”।

    রাকিব টোটোচালককে বললেন, “চল”।

    তনয়া নিঃশব্দে কাঁদছিলেন। রাত হয়েছিল বলে পাড়ার লোক জড়ো হতে হতে টোটো চলে গেছিল।

    পাড়ার তিন চারজন এল। একজন বলল, “কী হয়েছে?”

    প্রণয় বললেন, “আমার মেয়েকে এক মোল্লা ফুসলিয়ে নিয়ে গেছে। আমি ছাড়ব না। শেষ দেখে ছাড়ব”।

    তনয়া বললেন, “বাজে কথা। কেউ ফুসলায়নি। মেয়ে নিজের ইচ্ছেয় গেছে”।

    স্বামী স্ত্রীর মধ্যে এই দ্বিমত দেখে পাড়ার লোকজনের মধ্যে ফিসফাস শুরু হল।

    তনয়া কাঁদতে কাঁদতে চিৎকার করছিলেন, “মেয়েটাকে ঘরের মধ্যে এক ঘরে করে রেখে দিয়েছে। সারাক্ষণ পাগলের মত মোবাইলে উলটো পালটা পড়ে যাচ্ছে। আমার আর ভাল লাগে না কিছু। কাল সকাল হোক, আমিও বাপের বাড়ি চলে যাব”।

    প্রণয় কড়া গলায় বললেন, “তুমি ঘরের ভিতরে যাও। আপনারাও যান। আমার বাড়ির ব্যাপার। আমি বুঝব”।

    পাড়াতে এমনিতেই প্রণয়ের খুব একটা সুনাম নেই বলে ভিড় হালকা হয়ে গেল।

    প্রণয় ঘরের ভিতর গুম হয়ে বসে রইলেন কিছুক্ষণ। তনয়া সোফায় কাঁদছিলেন।

    প্রণয় বললেন, “আমি আগেই বলেছিলাম আমার মেয়ে মরে গেছে। অকারণ ন্যাকামিটা হল। যাই হোক, তুমি বাপের বাড়ি যাবে তো? চলে যেও। কোন অসুবিধা নেই। তবে তোমার কোন ভাই তোমায় খাওয়াবে, সেটা আমার খুব দেখার ইচ্ছা আছে”।

    তনয়া উত্তর দিলেন না।

    প্রণয় ফোন নিয়ে তার হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপে লিখলেন নাসিম কীভাবে তার মেয়েকে ফুসলিয়ে নিয়ে গেছে। গ্রুপে হাহাকার পড়ে গেল।

    কেন একজন হিন্দুর মেয়েকে নিয়ে চলে গেছে মুসলিম, এই নিয়ে গ্রুপে কমেন্টের ঝড় উঠতে শুরু করল।

    মিনিট দশেক বাদে ফেসবুকে পোস্ট পড়ল। শেয়ার হতে শুরু করল।

    প্রণয়ের মাথায় আগুন লেগে গেছিল। তিনি বাথরুমে জামা কাপড় পরা অবস্থাতেই মাথায় জল দিলেন। বাথরুম থেকে বেরিয়ে ঘরের বাইরে ভেজা গায়ে হাঁটাহাঁটি করতে শুরু করলেন। রাত একটার দিকে তার ফোন বাজতে শুরু করল। বিভিন্ন জায়গা থেকে ফোন আসতে শুরু করল কীভাবে নাসিম তার মেয়েকে নিয়ে চলে গেছে।

    কয়েকটা ফোন অ্যাটেন্ড করে প্রণয় ফোন অফ করে সোফায় বসে রইলেন। কোন মতে রাত কাটতে সকাল সাতটাতেই প্রণয় থানায় গেলেন। ওসি প্রসেনজিত বর্মণ অফিসেই ছিলেন। প্রণয় গিয়ে বললেন, “আমার মেয়েকে মোল্লারা তুলে নিয়ে গেছে। লাভ জিহাদ করছে”।

    প্রসেনজিত চা খাচ্ছিলেন। বললেন, “আপনার মেয়ে অ্যাডাল্ট?”

    প্রণয় বললেন, “অ্যাডাল্ট তো কী হয়েছে? আমি জানি আপনি এই প্রশ্ন করবেন। অ্যাডাল্ট হলেই বা কী? কী করে একটা হিন্দু কান্ট্রিতে একটা মোল্লা এভাবে হিন্দু মেয়ে তুলে নিয়ে যেতে পারে?”

    প্রসেনজিত বললেন, “হিন্দু কান্ট্রি কোনটা?”

    প্রণয় বললেন, “আপনিও সেকু নাকি? আমি এদেশের কথা বলছি, এদেশে সব হিন্দু। আপনি আমাকে হেল্প করুন, ওদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব”।

    প্রসেনজিত বিরক্ত মুখে প্রণয়ের দিকে তাকালেন, “আপনি ডাক্তার দেখান”।

    প্রণয় লাফ ঝাঁপ দিতে শুরু করলেন, “আমি বুঝে নেব। ফেসবুকে পোস্ট ভাইরাল হয়ে গেছে। কেউ ছেড়ে দেবে না”।

    প্রসেনজিত প্রণয়ের দিকে তাকিয়ে বুঝলেন প্রণয় ঠিক অবস্থায় নেই। তিনি চুপ করে বসে প্রণয়ের লাফ ঝাঁপ দেখতে লাগলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিছুক্ষণ – অভীক দত্ত
    Next Article যেখানে দেখিবে ছাই – অভীক দত্ত

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }