Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রেমিক – অভীক দত্ত

    লেখক এক পাতা গল্প137 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    প্রেমিক – ১০

    ১০

    নাসিম তার ঘরে মোবাইল ঘাঁটছিল।

    নীপা নাসিমের ঘরে ঢুকে বলল, “এই দাদা। মন খারাপ নাকি?”

    নাসিম নীপার দিকে না তাকিয়ে বলল, “মন খারাপ কেন হতে যাবে?”

    নীপা বলল, “না মানে বউদি এসেও চলে গেল। তাই আর কী”।

    নাসিম বলল, “তুই কিন্তু চড় খাবি। তোর চড় খাওয়ার সময় এসে গেছে, বুঝতে পারছিস?”

    নীপা বলল, “তুই ঝাড়ি মারছিলি? ঈস, তুই আবার কবে থেকে ঝাড়ি মারিস?”

    নাসিম এবার ফোন রেখে নীপার দিকে তাকিয়ে বলল, “পুরোটাই ঝোঁকের মাথায় হয়েছে। ব্যাপারটা এত তাড়াতাড়ি এত দূর চলে যাবে বুঝি নি। বাবা তো মেয়েটাকে দিয়েই আসবে। এই সব নিয়ে আর বেশি ঘাঁটাঘাঁটি করিস না। হিন্দু মুসলমান এখন বিরাট ইস্যু হয়ে গেছে। কিছু হলেই দাঙ্গা লাগবে। মিটে যাক ব্যাপারটা”।

    নীপা বুঝল দাদার হৃদয় বেদনাহত। সে ফিক করে হেসে টিভি দেখতে গেল।

    কলিং বেল বাজল। নীপা দরজা খুলে দেখল তার মা এসেছেন। নীপা বলল, “এত রাত অবধি খালার বাড়িতে ছিলে? এদিকে তো বিরাট কান্ড হয়ে গেল”।

    শায়েলা অবাক হলেন, “কী হয়েছে?”

    নীপা বলল, “ঘরে এসো বলছি”।

    শায়েলা ঘরে ঢুকতে নীপা গড়গড় করে সব বলে ফেলল।

    শায়েলা গালে হাত দিয়ে বললেন, “হায় আল্লা। নাসিম এসব করেছে?”

    নীপা হাসল, “তার উপর বাবার আজকে রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে ডেট ছিল”।

    শায়েলা বললেন, “ঐ রবীন্দ্রনাথ শুনেই আমি সাজিয়ার বাড়ি গেলাম। যাতে আমি কথা বলতে গেলে তোর বাবা রেগে না যায়। আজ নাসিমের খবর আছে। দাঁড়া, আমি হাত মুখ ধুয়ে নি”।

    শায়েলা বাথরুম থেকে বেরিয়ে নাসিমের ঘরে গেলেন।

    নাসিম মাকে দেখে বলল, “নিশ্চয়ই আমাদের সি এন এন নিউজ তোমাকে সব খবর দিয়ে দিয়েছে?”

    শায়েলা বসলেন, “আমি তোকে রুহানার কথা বলায় এই জন্য তুই এড়িয়ে যাচ্ছিলি? তোর হিন্দু মেয়ে পছন্দ?”

    নাসিম চোয়াল শক্ত করল, “আমি হিন্দু মুসলিম দেখে যাই নি। তাছাড়া নিজের খালা ফুপুর মেয়েকে বিয়ে করায় আমার আপত্তি আছে। এককালে নিয়ম ছিল, এখন মনে হয় যাদের সঙ্গে বড় হলাম, বোনের মত দেখলাম, তাকে বিয়ে করলে ভাল দেখাবে? আমাদের নিয়ে সবাই মজা করে মা”।

    শায়েলা বললেন, “মজা করে, আমাদের এই দেশের নাগরিক বলেই অনেকে ভাবে না। তাতে কী হয়? আমরা আমাদের মত। তা বলে এমন কোন মেয়েকে পছন্দ করতে হবে যাকে বিয়ে করলে অশান্তি হতে পারে?”

    নাসিম বলল, “জানি তো। আমরা সংখ্যালঘু। আমরা নাকি টেরোরিস্ট। রোজই তো শুনি মা। যাই হোক, চিন্তা কোর না। ও মেয়ে তো আর আসবে না। তবে এটুকু জেনো, নিজের আত্মীয় স্বজনের মধ্যে আমি…”

    কলিং বেল বেজে উঠল। শায়েলা বললেন, “তোর বাবা এল বোধ হয়। আমি দেখছি। তুই জেদ করে থাক, আমি কিছু বলব না। কিন্তু ভাল মেয়ে না পাওয়া গেলে আমার ভোট রুহানার দিকেই থাকবে, এ কথা মনে রাখবি”।

    শায়েলা নাসিমের ঘর থেকে বেরিয়ে দেখলেন নীপা দরজা খুলেছে। রাকিব একটি মেয়েকে নিয়ে এসেছেন। তাকে দেখে বললেন, “শায়েলা, ও রাত্রি। আজ থেকে এ বাড়িতেই থাকবে”।

    নীপা আনন্দে রাত্রিকে জড়িয়ে ধরল। রাত্রি কাঁদছিল। শায়েলা বললেন, “কী হয়েছে আমি কি জানতে পারি?”

    রাকিব বললেন, “তোমার আরেকটা মেয়ে হয়েছে আজ। আর কিছু না। তুমি খাবার দাও। রাত্রিও খাবে আমাদের সঙ্গে”।

    শায়েলা রাত্রির দিকে তাকালেন। ভারি মিষ্টি মুখটা। তবু মায়ের মন। তার বুকটা ধড়ফড় করছিল। নীপাকে বললেন রাত্রিকে তার ঘরে নিয়ে যেতে। ওরা বেরোলে তিনি রাকিবকে বললেন, “তুমি মেয়েটাকে দিতে গেছিলে। এখন আবার কী হল?”

    রাকিব সবটা বললেন।

    শায়েলা সোফায় চিন্তিত মুখে বসে বললেন, “এটা নিয়ে খুব ঝামেলা হবে। সব দিকের লোকজন জল ঘোলা করবে। কী হবে?”

    রাকিব বললেন, “খাও। খেয়ে দেয়ে ঘুমাও। যা হবে কাল দেখা যাবে”।

    শায়েলা উঠলেন না। তার মাথা দপদপ করতে শুরু করল।

    মাইগ্রেনের ব্যথাটা আসছে আবার ঝড়ের মত…

    ১১

    রাকিব লাইব্রেরীতে আবার ঢুকে গেছেন। লাইব্রেরী রুমে একটা তক্তপোষ আছে। তিনি সেখানেই ঘুমিয়ে পড়বেন বই পড়তে পড়তে। রাত্রি নীপার সঙ্গে শুয়েছে।

    শায়লার ঘুম আসছিল না। মাথা ব্যথা বাড়লে তার ঘুম আসে না।

    প্রচন্ড চিন্তা হচ্ছিল। কিছুক্ষণ পর উঠে তিনি নাসিমের ঘরে গেলেন।

    নাসিম শুয়ে ফোন ঘাঁটছিল।

    তাকে দেখে বলল, “ঘুমাওনি?”

    শায়লা বসলেন, “এটা কী হল বল তো? তোরা যেটা করলি সেটা ভাল করলি?”

    নাসিম অবাক হল, “কী করলাম? আর তোরা মানে কাদের কথা বলছো?”

    শায়লা বললেন, “তুই আর মেয়েটা! কত বড় বিপদ তুই বাড়ি বয়ে এনেছিস বুঝতে পারছিস? কতদিন ধরে এসব করছিস তুই?”

    নাসিম বলল, “শোন মা, আমি কিছুই করি নি। ব্যাপারটা কিছু করার আগেই এত দূর গড়িয়ে গেছে”।

    শায়লা বললেন, “কীভাবে গড়াল? এটা সম্ভব? বিশ্বাসযোগ্য? তোদের মধ্যে কোন বোঝাপড়া নেই বলছিস?”

    নাসিম বলল, “সত্যি কোন বোঝাপড়া নেই। আমি তো ভাবতেই পারি নি এত কিছু হয়ে যাবে বিকেলের পর থেকে”।

    শায়লা মাথা নাড়লেন, “আমি জানি না তুই কী করতে চাইছিস। এখন এ দেশের অবস্থা সম্পর্কে বিন্দুমাত্র ধারণা আছে তোর? এই কিছুদিন আগেও ভোটের সময় আমাদের এন আর সি করে বাংলাদেশ পাঠিয়ে দেওয়া হবে বলে হুমকি শুনতে হয়েছে। এত ভাল একজন শিক্ষক তোর বাবা, তাকেও রাস্তাঘাটে বেরোলে লোকে দুধেল গাই বলে ডাকে। কেন ডাকে বুঝতে পারিস না? সব কিছু তো আগের মত নেই। কোভিডের জন্য হয়ত কমিউনাল টেনশনটা কমেছে, একটু থিতু হলেই দেখবি আবার শুরু হয়ে গেছে। তোর বাবা না হয় সারাক্ষণ ভাবের ঘোরে থাকে, তুই তো সেটা থাকিস না। এদিক সেদিক যাস, তোদের পার্টিতেও কি সবাই মুসলমানদের সমানভাবে দেখে?”

    নাসিম বলল, “দেখে। কেন, তোমায় কে কী বলেছে?”

    শায়লা চিন্তিত গলায় বললেন, “জানি না, আমার আজকাল সবকিছুতেই সন্দেহ হয়। মাঝরাতে ঘুম ভেঙে যায়। তার মধ্যে তুই যে এটা কী করলি…”

    নাসিম বলল, “আমি কিছু করি নি মা। বাবা সব ম্যানেজ করে দেবে দেখবে। কালকের মধ্যে মেয়েটাকে ওদের বাড়িতে দিয়ে আসবে”।

    শায়লা বললেন, “ব্যাপারটা এত সোজা বলে তোর মনে হচ্ছে? তুইও দেখছি তোর বাবার মত কল্পনার জগতে ঘুরে বেড়াচ্ছিস আজকাল। যদি ওর বাড়িতে ওকে অ্যাক্সেপ্ট করত, তাহলে আজকেই করত। এবার এটা নিয়ে জল ঘোলা হতে শুরু করবে। সব পক্ষ জড়াবে, পলিটিসাইজ করবে। উফ”।

    শায়লা কপালে হাত রাখলেন।

    নাসিম বলল, “তুমি ঘুমিয়ে পড় মা। চিন্তা কোর না। যা হবে দেখা যাবে”।

    শায়লা বললেন, “তুই আমাকে কথা দে, তুই ওই মেয়েকে বিয়ে করবি না। সত্যি করে বল তো, কিছু নেই তো তোদের মধ্যে?”

    নাসিম বলল, “না না। কিচ্ছু নেই। তুমি নিশ্চিন্তে ঘুমোও। চিন্তা কোর না”।

    শায়লা বললেন, “আমি পারি না বিশ্বাস কর। সব সময়, সব জায়গায় মোল্লা মোল্লা শুনে মাথা খারাপ হয়ে যায়। কমনরুমে উত্তমদা, পারমিতারা আমাকে নিয়ে কথা বলে আমি বুঝতে পারি। আমি ঢুকলেই ওদের কথা বন্ধ হয়ে যায়।সারজিকাল স্ট্রাইকের দিন হঠাৎ করে অহনাদি আমাকে বলে বসল খারাপ লাগছে তোমার? যেন আমি পাকিস্তানী। এ দেশটা আমার না! এবার থেকে শুনতে হবে আমার ছেলে লাভ জিহাদ করেছে”।

    শায়লা ভেঙে পড়লেন। নাসিম মায়ের মাথায় হাত বুলিয়ে দিল, “তুমি ঘুমোও গিয়ে। আমার কাছে ঘুমোবে মা? মাথায় হাত বুলিয়ে ঘুম পাড়িয়ে দিই তোমায়”।

    শায়লা বললেন, “আমার মাঝে মাঝে তোর বাবাকে একবারে সহ্য হয় না। বিড়াল পার করতে গিয়ে কেউ এভাবে বিড়াল বাড়ি নিয়ে আসে বল? মেয়েটার বাড়িতে অশান্তি হত, ঠিকও হয়ে যেত। এবার ঝামেলা বাড়তে থাকবে”।

    নাসিম চুপ করে বসে রইল।

    রাত্রি কি তাকে ভালবাসে? সবটাই কি ঝোঁকের বশে করল?

    ১২

    ঘুমনোর আগে নীপা একটা বই নিয়ে বসল।

    রাত্রি বলল, “তুমি বই পড়তে পড়তে ঘুমোও?”

    নীপা হাসল, “বাবা এই অভ্যাস তৈরী করেছিল। এখন এটাই ঘুমের ওষুধ। বই না পড়লে ঘুমই আসবে না। বই পড়ারও আমার এক একটা ফেজ আসে। এই যে, এখন যেমন পড়ছি নীললোহিত। পড়েছো?”

    রাত্রি বলল, “বেশি না। কয়েকটা পড়েছি। বাবা একদিন হঠাৎ বলে বসল সুনীল সেকুদের লেখক। সে মাকু। আর কিনে দিল না”।

    নীপা অবাক হল, “মাকু আর সেকু মানে?”

    রাত্রি বলল, “মার্ক্সিস্ট আর সেকুলার। মার্ক্সিস্টরা ধর্ম মানে না। সুনীলও মানতেন না। সেটা নিয়ে সুনীলের লেখা নিয়ে হিন্দুত্বপন্থীরা এখন খুব রাগ করে”।

    নীপা বলল, “ওহ মার্ক্সিস্ট। তাদের উপর সবারই কম বেশি রাগ আছে। আবার তুমি যদি তার বাইরে গিয়ে ভাবো, বাংলাদেশে অভিজিৎ রায় বলে একজন ব্লগার ছিলেন। তিনি বিভিন্ন ধর্মের বিরুদ্ধে ব্লগ লিখতেন। বাংলাদেশ বইমেলায় যখন এসেছিলেন, তখন ইসলামিক এক্সট্রিমিস্টরা তাকে খুন করে দিয়েছিল। যে কোন লেখক যখন সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে তার মত ব্যক্ত করবে, তখন তার উপরে সবার রাগ হবে। এটাই স্বাভাবিক। মানুষ একসঙ্গে সবাইকে খুশি করতে পারে না”।

    রাত্রি বলল, “তোমার সুনীল ভাল লাগে?”

    নীপা বলল, “আমার সবার লেখা ভাল লাগে। তসলিমা নাসরিনেরও। তসলিমা তার লেখায় একটা মত ব্যক্ত করেছেন। তার জন্য তাকে দেশ ছাড়া কেন হতে হবে? এই রাজ্যেও তো কমিউনিস্ট শাসন ছিল। তাদের আমলেও তসলিমাকে দেশ ছাড়তে হয়েছিল। আমরা আসলে কেউই নিজেদের স্বার্থ বাদ দিয়ে তোমার ঐ মাকু বা সেকু হতে পারি নি”।

    রাত্রি চমৎকৃত হল। এইটুকু মেয়ে, অথচ কী গভীর কথা! সে বলল, “তুমি খুব পড়তে ভালবাসো বল? আচ্ছা তোমার যদি কোন কনজারভেটিভ পরিবারে বিয়ে হয়, তারা বই পড়তে না দেয়, তখন কী করবে?”

    নীপা বলল, “বাবা আমাকে পড়াবে। আমি তাড়াতাড়ি বিয়ে করতে যাবো কেন খামোখা? আমার অনেক পড়ার ইচ্ছে”।

    দরজায় ঠক ঠক হল।

    নীপা উঠে দরজা খুলে দেখল নাসিম দাঁড়িয়ে আছে। সে চোখ পাকাল, “কী রে, এত রাতে?”

    নাসিম বলল, “সব ঠিক আছে তো?”

    রাত্রি উঠে বসেছে দেখে নীপা বলল, “আয়”।

    নাসিম বলল, “না না ঠিক আছে”।

    নীপা বললে, “আয়, আয়। বুঝেছি তোর চাপ হয়ে যাচ্ছে”।

    নাসিম ঘরে ঢুকে বলল, “চাপ না ঠিক। মা চিন্তা করছে একটু”।

    রাত্রি বলল, “খুব অসুবিধা করে দিলাম আমি এসে?”

    নীপা বলল, “ধ্যাত। চুপ কর তো। বাবা আছে তো। দেখবে সব ঠিক হয়ে যাবে”।

    নাসিম বলল, “ঠিক আছে, আমি যাই?”

    নীপা বলল, “যাবি? তোর কি রাত্রিদিকে কিছু বলার আছে?”

    নাসিম বলল, “না, ঠিক আছে। আমি আর কী বলব? আমার কিছু বলার নেই”।

    রাত্রি হঠাৎ করে বলল, “আচ্ছা নাসিম তোমার নীললোহিত ভাল লাগে?”

    নাসিম থতমত খেয়ে বলল, “হ্যাঁ, তবে বেশি পড়ি নি। কাকাবাবু আর সেই সময় পড়েছি। প্রথম আলো পড়ব পড়ব করেও পড়া হয় নি”।

    নীপা বলল, “কী করে হবে, এখন সারাদিন পার্টি লিটারেচার পড়ে। বাপরে, আমি বুঝতেই পারি না অর্ধেক। কীসব ভাষা, পুঁজিবাদী সমাজ, প্রলেতারিয়েত, উফফ!”

    নাসিম রেগে গেল, “গাট্টা খাবি। তোকে বলেছি না বুঝলে বুঝিয়ে দেব, বাজে বকবি না”।

    নীপা ফিক করে হেসে বলল, “এই তুই তার মানে মাকু। তোকে আমি মার্ক্সীয় সাহিত্য না কী সব পড়তে দেখেছি”।

    নাসিম বলল, “এটা আবার কে শেখালো?”

    নীপা বলল, “এই তো রাত্রিদি বলছিল। ওর বাবা সুনীলকে সেকু মাকু বলেছেন”।

    নাসিম বলল, “এটা ওদের দেশ। এখন ওরাই যা বলবে তাই হবে”।

    রাত্রি বলল, “কেন? সেটা কে ঠিক করল? সংবিধান কি পাল্টে গেছে?”

    নাসিম বলল, “পাল্টে দেবে। তোমার বাবার মত শিক্ষিত মানুষদের যারা ঘৃণার নামে পাল্টে দিতে পারছে, সংবিধান পাল্টাতে আর কতদিন লাগবে?”

    রাত্রি মন মরা হল, “আমার বাবা হঠাৎ করে পাল্টে গেল। এরকম ছিল না। হোয়াটস অ্যাপ ফেসবুক যেদিন থেকে শুরু করল, সেদিন থেকেই। কী বাজে রোগ। মোবাইলের স্ক্রিণে যা থাকবে, তাই বিশ্বাস করবে”।

    নাসিম বলল, “মোবাইলটা শুধু একপক্ষকে আঘাত করে নি। আরেকপক্ষকেও সমান ভাবে করছে। শুধু তুমি অপরপক্ষটা দেখতে পাচ্ছো না, এই আর কী”!

    রাত্রি বলল, “মানে?”

    নাসিম বলল, “আমার অনেক চেনা জানা মুসলমানও এখন অকারণ হিন্দুবিরোধী আক্রোশে ভুগছে এই মোবাইলের কল্যাণে। এক পক্ষের ঘৃণা, অপর পক্ষের ঘৃণাকেও জাগাতে সাহায্য করছে”।

    নীপা বলল, “দাদা, তুই কেমন জনৈক জ্ঞানী ব্যক্তির মত কথা বলছিস, এটা কি রাত্রি এফেক্ট?”

    নাসিম এবার রেগে মেগে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল।

    নীপা হাসতে হাসতে বলল, “লজ্জা পেয়ে গেছে”।

    ১৩

    রবীন্দ্রনাথে মজে ছিলেন অনেক রাত অবধি। রাকিবের ঘুম ভাঙল সকাল ন’টার দিকে।

    উঠে দেখলেন নাসিম লাইব্রেরীতে ঢুকে চুপ করে বসে আছে।

    রাকিব বললেন, “কী ব্যাপার?”

    নাসিম বলল, “সকালে বেরিয়েছিলাম। গ্রামে অনেকেই ব্যাপারটা জেনেছে। হানিফ চাচা একগাদা কথা বলল। আমরা মসজিদে যাই না, ধর্মাচরণ মন দিয়ে করি না এসব তো বললই, তারপরে আরো একগাদা কথা বলল। আসবে বলল দশটার দিকে”।

    রাকিব চুপচাপ শুনে বললেন, “বেশ তো। আসুক। তোর কী সমস্যা?”

    নাসিম বলল, “মাও খুব চিন্তায় আছে। কাল রাতে বলছিল ব্যাপারটায় ঝামেলা হতে পারে”।

    রাকিব বললেন, “ঠিক আছে। আমায় অনলাইন ক্লাস নিতে হবে এগারোটার দিকে। মুখ টুখ ধুই, তারপর দেখছি”।

    নাসিম চুপ চাপ ঘর থেকে বেরিয়ে গেল।

    রাকিব হাত মুখ ধুয়ে বাথরুম সেরে ড্রইংরুমে বসতেই হানিফ এলেন। হানিফ স্থানীয় পঞ্চায়েতের কোন এক পদে আছেন। রাকিব বললেন, “তুমি নাকি নাসিমকে কীসব বলেছো?”

    হানিফ বসে বললেন, “আমি কী বলব? যা বলার তাই বলেছি। মেয়েটা যখন যেচে তোমাদের বাড়িতে এসেছে, তখন বিয়ে দিয়ে দাও। কাজি বিয়ে পড়িয়ে দিক। আর বাকিটা…”

    রাকিব গালে হাত দিয়ে তীক্ষ্ণ চোখে হানিফের দিকে তাকিয়ে বললেন, “ধর্ম বাদ দিয়ে বাকি পৃথিবীটা দেখেছো কখনো? অনেক কিছু আছে, দেখেছো?”

    হানিফ জিভ কাটলেন, “তওবা তওবা, তুমি কি নাস্তিক হলে নাকি? এসব কী বলছ? ধর্ম বাদ দিয়ে কিছু হয় নাকি?”

    রাকিব বললেন, “হয়, আবার হয়ও না। আমার হাতে সময় কম আছে। এখনই তর্ক করতে পারবো না, তবে এই মেয়েকে কনভার্ট করার কোন প্ল্যান আমার নেই। মেয়েটির বাবা তোমাদের মতই একজন ধর্মোন্মাদ মানুষ, আপাতত তাকে বুঝিয়ে মেয়েটিকে তার বাড়িতে ফেরানোই আমার লক্ষ্য”।

    হানিফ রাগী গলায় বললেন, “দুটো বই পড়ে বেশি জ্ঞানী হয়ে যাওয়া ভাল না। আল্লাহকে ভয় কর রাকিব মিয়াঁ। উনি চেয়েছেন বলেই মেয়েটা এ বাড়িতে এসেছে”।

    রাকিব বললেন, “তুমি এখন এসো। আমার অনেক কাজ আছে। ক্লাস করানো আছে, অনেক কাজও আছে। এসব নিয়ে আমরা পরে কথা বলব, কেমন?”

    হানিফ বললেন, “গেরুয়া পার্টি এলে কে বাঁচাবে তোমায় দেখব”।

    রাকিব হাসলেন, “তুমি এসো। পরে কথা হবে। বললাম তো”।

    হানিফ রেগে মেগে বেরিয়ে গেলেন।

    রাকিব ল্যাপটপে ক্লাসের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, শায়লা এসে বসলেন। রাকিব বললেন, “বল, তোমার কিছু বলার আছে?”

    শায়লা বললেন, “আমরা এখন ঠিক কী করব?”

    রাকিব বললেন, “আমার কলেজের ক্লাস করানো আছে। তুমি কী করবে বল?”

    শায়লা বিরক্ত মুখে বললেন, “আমি সেটা বলি নি। তুমি নিজেও জানো আমি কী ব্যাপারে কথা বলতে চাইছি”।

    রাকিব বললেন, “রাত্রির ব্যাপারে বলবে তাই তো? মিটে যাবে। চিন্তা কোর না”।

    শায়লা বললেন, “কীভাবে মিটবে?”

    রাকিব বললেন, “আমি ওর বাবার সঙ্গে কথা বলব। ভদ্রলোক একটু ঠান্ডা হোন। কথা বললে আশা করি বুঝবেন উনি”।

    শায়লা বললেন, “তুমি নিশ্চিত জানো ওদের দুজনের পরস্পরের প্রতি কোন ফিলিংস নেই? যদি থাকে, তাহলে রাত্রিকে ওদের বাড়িতে পাঠিয়ে দিলেও কিন্তু ভবিষ্যতে সমস্যা তৈরী হতে পারে”।

    রাকিব এবার চিন্তায় পড়লেন, “এটা তো ভেবে দেখি নি! এরকম হতে পারে? তাই তো! তখন কী করবে?”

    শায়লা রেগে গেলেন, “তুমি ভেবে দেখো দয়া করে। এই জন্য তোমাকে আমার মাঝে মাঝে অসহ্য মনে হয়”।

    রাকিব উঠলেন। ডাইনিং টেবিলে রাত্রি আর নীপা গল্প করছে। আরেকটু দূরে খাটের উপর বসে নাসিম মোবাইল ঘাঁটছে। রাকিব বললেন, “আমার রাত্রি আর নাসিমের কাছে একটা প্রশ্ন আছে। বাই এনি চান্স, তোমরা কি দুজন দুজনকে সত্যিই ভালবাসো? বিয়ে করতে চাও?”

    নাসিমের হাত থেকে মোবাইলটা পড়ে গেল।

    রাত্রি কাশতে শুরু করল।

    শায়লা রাকিবের পিছনেই ছিলেন। তিনি চিৎকার করলেন, “এই, তুমি ক্লাস করাও গিয়ে। যাও। তোমাকে কোন সমস্যার সমাধান করতে হবে না”।

    রাকিব শায়লার দিকে তাকালেন, “ভুল কিছু বলে ফেলেছি?”

    শায়লা রাগে কাঁপছিলেন, বললেন, “তুমি নিজের কাজ কর দয়া করে। যাও”।

    রাকিব বললেন, “তাই ভাল। আজ আবার আলোর গতিপথ পড়াতে হবে। কঠিন সাবজেক্ট। তুমি তাহলে দেখো ওরা কী চায়”।

    রাকিব আর দেরী না করে লাইব্রেরীতে ঢুকে গেলেন।

    ১৪

    ‘স্বদেশীযুগে আমরা দেশের মুসলমানদের কিছু অস্বাভাবিক উচ্চস্বরে আত্মীয় বলিয়া, ভাই বলিয়া ডাকাডাকি শুরু করিয়াছিলাম। সেই স্নেহের ডাকে যখন তারা অশ্রু গদগদ কন্ঠে সাড়া দিল না তখন আমরা তাহাদের উপর ভারী রাগ করিয়াছিলাম। ভাবিয়াছিলাম এটা নিতান্তই ওদের শয়তানি। একদিনের জন্যও ভাবি নাই, আমাদের ডাকের মধ্যে গরজ ছিল কিন্তু সত্য ছিল না…। বাংলার মুসলমান যে এই বেদনায় আমাদের সাথে সাথে এক হয় নাই তাহার কারণ তাদের সাথে আমরা কোনোদিন হৃদয়কে এক হইতে দিই নাই।’

    -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    নীপা রাত্রিকে তার ঘরে নিয়ে গিয়ে বলল, “বাবার কথায় কিছু মনে কর নি তো? বাবা এমনিতে খুব যুক্তিবাদী মানুষ, কিন্তু এসব ব্যাপারে ছড়িয়ে লাট করে ফেলে”।

    বলে নীপা হেসে ফেলল।

    রাত্রি বলল, “কিন্তু কাকুর অ্যাপ্রোচটাকে আমার অনেস্ট মনে হয়েছে। যে সব মানুষ বেশি রাখ ঢাক করে কথা বলে, তাদের আমার অত ভাল লাগে না। কাজে এক আর মুখে আরেক করলেই বরং বিশ্বাসযোগ্যতার সমস্যা দেখা যায়। ঠিকই তো, আমি নাসিমকে ভালবাসি নাকি বা নাসিম আমাকে, সেটা না জানলে অনেক প্রশ্নের উত্তরই তো পাওয়া যাবে না”।

    নীপা চোখ নাচাল, “তুমি দাদাকে ভালবাসো বুঝি? সত্যি?”

    রাত্রি হেসে ফেলল, “ব্যাপারটা অত দূর কোন কালেই যায় নি। তবে আমি যেদিন থেকে ব্যাপারটা নিয়ে ভেবেছি, আমার ভাল লেগেছে। সেভাবে কোন ছেলে তো আমার জন্য প্যান্ডেমিকের সময় এরকম বাইক নিয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ঝাড়ি মারার ব্যর্থ চেষ্টা করে নি! অবশ্য প্যান্ডেমিকই বা হল কোথায়?”

    নীপা বলল, “জানো তো, আমার মনে হয় প্যান্ডেমিকটা হয়ে একদিকে ভাল হয়েছে”।

    রাত্রি অবাক হল, “এত লোক মারা গেল, তুমি ভাল বলছ কেন?”

    নীপা বলল, “আমরা খুব ভয় পাচ্ছিলাম। শুধু এ দিক সেদিক থেকে কমিউনাল টেনশনের কথা শুনতে পারছিলাম। এ ভয়টা যে ঠিক কতটা ভয়, সেটা তুমি বুঝবে না”।

    রাত্রি বলল, “অনেকটা বুঝব না হয়ত, তবে কিছুটা বুঝব। সারাক্ষণ ঘেন্নার চাষ হতে হতে মানুষের মধ্যে একটা চাপা রাগ তৈরী হয়। মানুষের কাজ নেই, জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে, রাজনীতিকরা আর কী করবে? এসবের উস্কানিতে মেরুকরণ হয়, ভোটের সমীকরণটাই পাল্টে যায়। আমরা যেটা বুঝতে পারি, দুঃখের ব্যাপার হল বড়রা অনেকেই বুঝতে পারে না। আমার হোয়াটস অ্যাপ ইউনিভার্সিটিওয়ালা ফোনটা থাকার আগের বাবা আর পরের বাবার মধ্যে অনেক তফাৎ। সারাক্ষণ শুধু আমরা ওরা করে চলেছে। এখন এসব করে কি সত্যিই কোন লাভ আছে”?

    নীপা বলল, “ভয় না থাকুক, তবে আমাদের ওরা ভয় পাইয়ে দিতে পেরেছে। আমরা সব সময় আতঙ্কে থাকি। যখনই পক্ষ তৈরী হয়ে যাচ্ছে, আমাদেরও আতঙ্ক শুরু হয়ে যাচ্ছে”।

    কলিং বেল বাজল। শায়লা গিয়ে দরজা খুললেন। দেখলেন পুলিশের গাড়ি এসেছে। একজন ইন্সপেক্টর তার দিকে তাকিয়ে হাত জোড় করলেন, “নমস্কার, আমি থানা থেকে আসছি। এ বাড়িতে…”

    শায়লা বললেন, “ভিতরে এসে বসুন”।

    প্রসেনজিতকে ড্রইং রুমে বসিয়ে শায়লা রাকিবের লাইব্রেরীতে ঢুকে বললেন, “পুলিশ এসেছে। এবার তুমি সামলাও”।

    রাকিব ক্লাস করাচ্ছিলেন।

    শায়লার কথা শুনে বললেন, “ওহ। ঠিক আছে। যাও। আমি আসছি”।

    শায়লা নিজের ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করলেন। ঠিক যে যে দুঃস্বপ্নগুলো তিনি দেখেন, সেগুলোই যেন এক এক করে শুরু হয়ে গেল।

    ছাত্রদের পরে ক্লাস নেবেন বলে ক্লাস শেষ করে রাকিব ড্রইং রুমে গেলেন। প্রসেনজিতকে দেখে বললেন, “রাত্রির জন্য এসেছেন?”

    প্রসেনজিত বললেন, “হ্যাঁ। মেয়েটির বাবা মিসিং ডায়েরী করেছে। আমি খানিকটা মধ্যস্থতা করার জন্যই এসেছি। ভদ্রলোক থানায় গিয়ে এমন শুরু করেছেন যে না আসা ছাড়া উপায় ছিল না”।

    রাকিব হেসে ফেললেন, “সেসব না করে কাল যখন ওর মেয়েকে দিয়ে আসতে গেছিলাম, তখন বেশি ঝামেলা না করে নিয়ে নিলেই পারতেন”।

    প্রসেনজিত অবাক হলেন, “সেকী?”

    রাকিব গোটা ব্যাপারটা বললেন। প্রসেনজিত বললেন, “অদ্ভুত তো, ভদ্রলোক কী চান? বাই দ্য ওয়ে, আপনার ছেলের সঙ্গে কি মেয়েটার সম্পর্ক আছে?”

    রাকিব বললেন, “আমি এ ব্যাপারে একবারেই অন্ধকারে অফিসার। নিজেও জানি না ঠিক কী অবস্থায় আছে ব্যাপারটা। আপনি কি মেয়েটাকে নিয়ে যেতে এসেছেন?”

    প্রসেনজিত বললেন, “মেয়েটি যেতে চাইলে আমি নিয়ে যেতে পারি। কোন অসুবিধা নেই”।

    রাকিব নীপার ঘরে গিয়ে রাত্রিকে ডেকে আনলেন। রাত্রি বাইরে বেরিয়ে পুলিশ দেখে খানিকটা ঘাবড়ে গেল।

    রাকিব বললেন, “তোমার বাবা থানায় গিয়েছিলেন। তুমি চাইলে ওর সঙ্গে বাড়ি ফিরতে পারো। উনি মধ্যস্থতা করছেন”।

    রাত্রি প্রসেনজিতের দিকে তাকিয়ে বলল, “আমি একটু ভেবে নি? পরে জানাই?”

    প্রসেনজিত বললেন, “নিশ্চয়ই। আমার নাম্বার রেখে যাচ্ছি। কোন অসুবিধা হলে জানাবেন”।

    রাত্রি ঘাড় নাড়ল, “আচ্ছা”।

    বাড়ির বাইরে ভিড় জমে গেছে।

    প্রসেনজিত রাকিবকে বললেন, “আপনার সঙ্গে আলাদা করে একটু কথা বলব স্যার”।

    রাকিব বললেন, “নিশ্চয়ই”।

    রাকিব প্রসেনজিতকে লাইব্রেরীতে নিয়ে গেলেন।

    প্রসেনজিত বসে বললেন, “মেয়েটির বাবা একটু বেশিই সক্রিয়। কমিউনাল টেনশন হতে পারে। আমি ব্যাপারটা দেখছি, তবে রাজনীতি ঢুকলে ব্যাপারটা কিন্তু জটিল হতে পারে। একটু সাবধানে থাকবেন”।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিছুক্ষণ – অভীক দত্ত
    Next Article যেখানে দেখিবে ছাই – অভীক দত্ত

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }