Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রেমিক – অভীক দত্ত

    লেখক এক পাতা গল্প137 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    প্রেমিক – ১৫

    ১৫

    স্থানীয় নেতার বাড়িতে এই প্যান্ডেমিকের সময়েও বেশ ভিড়। প্রণয়কে অনেকক্ষণ বসে থাকতে হল। নেতাদের চামচ, হাতা, অনেক লোক থাকে। নেতা অনুপম প্রামাণিকের সামনে যখন বলার সুযোগ পেলেন, তখন ঘর ভর্তি লোক তার দিকে তাকিয়ে।

    প্রণয় বললেন, “একটু প্রাইভেসী পাওয়া যাবে?”

    অনুপম মুখে একটা পান ভরে বললেন, “পৃথিবীতে সবাই সবার জন্য দাদা। প্রাইভেসী বলে সত্যিই কি কিছু আছে? পায়খানা আর সেক্স বাদ দিয়ে কোন কিছুর প্রাইভেসী লাগে না। বলুন সবার সামনেই বলুন। আমরা সবাই মিলে ঝাঁপিয়ে পড়ব আপনার জন্য। সেবার জন্যই তো আমরা বসে আছি দাদা”।

    প্রণয় বললেন, “আমার মেয়েকে মুসলিম ছেলে প্রেম করেছে। লাভ জিহাদ। আমার বিচার চাই”।

    অনুপম বললেন, “আপনার মেয়ের অমতে?”

    প্রণয় বিরক্ত হয়ে বললেন, “আজব তো! অমতে কেন? ফুসলিয়ে বিয়ে করলে কি অমতে হয় নাকি? ফুসলানো মানে হচ্ছে ওকে ভুল বুঝিয়ে নিয়ে পালিয়েছে। আর দেখুন, আপনারা পারলে বলুন, নইলে আমি গেরুয়া পার্টির কাছে যাব”।

    অনুপম বললেন, “আপনার মেয়ের বয়স আঠেরো পেরিয়েছে?”

    প্রণয় বললেন, “হু”।

    অনুপম বললেন, “তাহলে আপনি গেরুয়া পার্টির কাছেই যান”।

    প্রণয় বললেন, “কেন? আপনারা দুধেল গাইদের কিছু বলবেন না?”

    অনুপম পানের পিক ফেলে ফেসে বললেন, “আপনি যদি তাই মনে করেন, তবে তাই। তবে গেরুয়া পার্টি হোক, আর যে পার্টিই হোক, আপনার মেয়ে যদি নিজের ইচ্ছায় বিয়ে করে থাকে, তাহলে মোদিবাবু এসেও কিছু করতে পারবেন না”।

    প্রণয় বললেন, “কেন পারবে না? এই মোল্লাদের জ্বালায় আমাদের একটা দেশ থেকে চলে আসতে হল। এখন এপারে এসেও এদের অত্যাচার সহ্য করতে হবে কেন?”

    ঘরে বসে থাকা একজন বলল, “ও দাদা, আমিও মুসলমান। কী অত্যাচার করেছি আপনাকে? যা নয় তাই বলে গেলেই হল নাকি?”

    অনুপম বললেন, “আপনি আসুন দাদা। এখানে উলটো পালটা বকলে ঝামেলা বাড়বে। তবে আমি একটা কথা আপনাকে খুব সিরিয়াসলি বলি, আগেও বলেছি, আরেকবার বলছি, আপনার মেয়ে যদি স্বেচ্ছায় কাউকে ভালবেসে থাকে, তবে আমাদের কিছু করার নেই, হ্যাঁ, আপনি বলুন”।

    অনুপম পরের জনের দিকে তাকালেন।

    প্রণয় রেগে মেগে অনুপমের অফিস থেকে বেরিয়ে স্থানীয় গেরুয়া পার্টির অফিসে গেলেন। পুরনো লোক বেশি কেউ নেই, সব বর্তমান শাসকদলের বিক্ষুব্ধ, নয়ত লাল পার্টির প্রাক্তন। ভোটে হেরে বিমর্ষ মুখে মুড়ি খাচ্ছিল। প্রণয়কে দেখে একজন বলল, “বলুন”।

    প্রণয় বললেন, “আমার মেয়েকে মোল্লারা ফুসলিয়ে বিয়ে করেছে। লাভ জিহাদ। কিছু ব্যবস্থা করুন”।

    সবাই সোজা হয়ে বসল। একজন বলল, “পাকিস্তানে পাচার করে দিয়েছে?”

    প্রণয় বললেন, “না না। এখানেই আছে। আপনারা ব্যবস্থা করুন”।

    একজন বলল, “আপনি ঠিকানা ফোন নাম্বার দিয়ে যান। জানেনই তো, এ রাজ্যে এদেরই দৌরাত্ম্য বেশি এখন। উত্তরপ্রদেশ কিংবা গুজরাট হলে আপনার মেয়েকে তুলে নিয়ে চলে আসতাম”।

    প্রণয় বললেন, “আমি একজন দেশপ্রেমী। পি এম থালা বাজাতে বলেছিলেন বলে আমি থালা নিয়ে গোটা পাড়ায় ঘুরেছিলাম। নোট বাতিল হবার সঙ্গে সঙ্গে বাতিল নোট নিয়ে পাল্টাতে ছুটেছিলাম। ডিজেল পেট্রোল রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ে, আমি হাসিমুখে সে দাম দিয়ে সব কিনি। কারণ দাদানে কিয়া হোগা তো আচ্ছা হি হোগা। যে কোন সময় ডাকলে আমি বর্ডারে গিয়ে দশটা পাকিস্তানী মেরে আসতে পারি। আপনারা আমার মেয়েকে নিয়ে আসুন, আপনাদের কেনা গোলাম হয়ে থাকব”।

    একজন হাঁ করে প্রণয়ের দিকে তাকিয়ে বলল, “আপনি কি ঠাট্টা করছেন না সত্যি বলছেন?”

    প্রণয় বললেন, “সত্যি বলছি। আপনাদের হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপেও আছি। যা যা আসে, সব ফরোয়ার্ড করি আমার বন্ধুদের”।

    একজন বয়স্ক লোক বলল, “আমি এ অঞ্চলের দলীয় সভাপতি। আমার তো মনে হচ্ছে আমার থেকে আপনি বেশ ভালবাসেন দলটাকে। আনন্দে আমার চোখে জল এসে গেল। আপনি বাড়ি যান। আমরা দেখছি কী করতে পারি। তবে মোল্লারা খুব ডেঞ্জার জানেন তো, সব সময় অস্ত্র নিয়ে ঘোরে। নিরাপত্তার ব্যাপারটাও তো দেখতে হবে বলুন”।

    প্রণয় বললেন, “যা পারেন করুন, আমার বিচার চাই”।

    ১৬

    পার্টি অফিসে অক্সিজেন সিলিন্ডার এসেছে। ভলান্টিয়াররা একে একে জড়ো হয়েছে।

    ঋপণ কাজ দেখছিল।

    নাসিমকে ঢুকতে দেখে আলাদা করে ডেকে নিয়ে বলল, “কী রে, তুই নাকি কিসব কেচ্ছা করেছিস?”

    নাসিম সবটা বলল। ঋপণ বলল, “মরেছে। তুই এসব কবে করলি?”

    নাসিম হতাশ গলায় বলল, “আরে তুমিও দেখি বাবা মার মত শুরু করলে! আমি কেন করতে যাব? ব্যাপারটা পুরোটাই কাকতালীয়ভাবে হয়ে চলেছে”।

    ঋপণ বলল, “তোর বাবা যখন আছেন, অতটা চিন্তা করছি না যদিও। তবে সাবধানে থাকিস। দিনকাল ভাল না। আমরা এখন শূন্য, পাওয়ারে নেই। লোকজন এন জি ও বলে ডাকছে, একটা জিনিস বুঝে নে ভাই, আমরা যতই যাই করি, লোকে আমাদের থেকে হেল্প নেওয়ার পরে দেখবি ঠিক মুখ মুছে ফেলবে। এদের ধর্মই এটা। যখন তুই জিতবি, তখন তোর সব ঠিক, যা ডিসিশন নিবি, সেটাই মাস্টারস্ট্রোক, আর যখন তুই হারবি, ঠিক কাজ করলেও সেটাই দেখবি ভুল করেছিলি। ব্যাপারটা মিটিয়ে ফেল। তাছাড়া এত কম বয়েসে নিশ্চয়ই বিয়ে টিয়ের কথা ভাবছিস না?”

    নাসিম লাজুক হাসল, “ধুস! কী যে বল!”

    ঋপণ বলল, “ঠিক আছে। বাদ দে। তুই আমার সঙ্গে চল তো। পূর্ব পল্লীতে এক বাড়িতে এক বয়স্ক লোকের কোভিড হয়েছে। বাড়ির লোকেরা নাকি খেতেও দিচ্ছে না। অক্সিজেন মেপে কেসটা দেখে আসি চল। তুই পিপিই পরে নে”।

    নাসিম বলল, “পিপিই পরার কী দরকার? আমি গ্লাভস আর মাস্ক পরে নিচ্ছি”।

    ঋপণ ঘাড় নাড়ল, “একবারেই না। পরে নে। কোন রকম রিস্ক নিবি না। দুজন রেড ভলান্টিয়ার এর মধ্যেই মারা গেছে। মাঝে মাঝে মনে হয়, যা করছি ভুল করছি। কী দরকার ছিল, মানুষ তো ছুঁড়ে ফেলেই দিয়েছে। তার পর মনে হয় এভাবে পড়ে থাকবে মানুষ আর আমরা দেখে যাব তাও তো হয় না”।

    ঋপণকে হতাশ দেখাচ্ছিল।

    দুজনে পূর্ব পল্লী যখন পৌঁছল তখন দুপুর একটা বাজে। বাড়ির কলিং বেল বাজানোর পর একজন ভদ্রমহিলা দরজা খুলে তাদের দেখে বললেন, “পিছনের দরজা দিয়ে যাও ভাই। ওই ঘরে আছেন উনি”।

    ঋপণ নাসিমকে বলল, “তাই চল”।

    দুজনে পিছনের দরজা দিয়ে বাড়িটায় ঢুকল। ভদ্রলোক শুয়ে আছেন। চোখ মুখ বসে গেছে। ঋপণ থার্মাল গান দিয়ে ভদ্রলোকের শরীরের তাপমাত্রা নিয়ে নাসিমকে বলল, “একশো দুই। অক্সিমিটারটা দে”।

    নাসিম পকেট থেকে বের করে অক্সিমিটার দিল।

    ঋপণ অক্সিমিটার দিয়ে ভদ্রলোকের অক্সিজেন মেপে বলল, “বিরাশি। কাকীমা, ও কাকীমা”।

    ভদ্রমহিলা বাইরে থেকে সাড়া দিলেন, “বল”।

    ঋপণ বলল, “কাকুকে হাসপাতালে দিতে হবে। অক্সিজেনের অবস্থা ভাল না। আপনারা কেউই কি কাছে আসছেন না?”

    ভদ্রমহিলা কাঁদতে শুরু করলেন।

    স্থানীয় হাসপাতালে একটাও বেড ছিল না। সব ব্যবস্থা করে কুড়ি কিলোমিটার দূরের হাসপাতালে ভদ্রলোককে ভর্তি করে ঋপণ আর নাসিমের বাড়ি ফিরতে ফিরতে সন্ধ্যে হয়ে গেল।

    নাসিম বাড়ি ফিরে বাইরের টিউবওয়েলে স্নান করল। নীপা বারান্দা থেকে তাকে দেখে বলল, “রাজপুত্তুরের এত দেরী হল যে? রাজকন্যা তো চিন্তায় পাগল হয়ে যাচ্ছে”।

    নাসিম বালতি থেকে মগের জল মাথায় ঢালতে ঢালতে বলল, “এই ব্যাপারটা নিয়ে একদম ইয়ার্কি করিস না। ব্যাপারটা এত সোজা না”।

    নীপা বলল, “কঠিনও তো না”।

    নাসিম বলল, “কিছুই না। জল অনেক দূর গড়াবে। মেয়েটার বাবা এত সহজে ছেড়ে দেবে না”।

    নীপা বলল, “সে তো প্রথম থেকেই বলে এলি। অথচ ঝাড়িও মেরেছিস”।

    রাত্রি নীপার পিছন পিছন চলে এসেছিল।

    নাসিমকে খালি গায়ে স্নান করতে দেখে সে পালিয়ে গেল।

    নাসিম লজ্জা পেল, “তুই দরজাটা বন্ধ করবি না গাধা?”

    রাত্রি হি হি করে হাসতে হাসতে ঘরের ভিতর চলে গেল।

    স্নান করে জামা কাপড় পাল্টে বসার ঘরে গিয়ে নাসিম দেখল রাত্রি তার দিকে তাকিয়ে মিটিমিটি হাসছে। সে বলল, “হাসির কিছু নেই। তোমার বাবা খুব ঝামেলা করছে। শুনলাম অনেক দূর যাবেন”।

    রাত্রি বলল, “আমার খুব মজা লাগছে। সিরিয়াসলি। আর তুমি এক কথা বার বার বলছ কেন? বাবা কত দূর যাবে? মিয়াঁ বিবি রাজি তো ক্যা করেগা কাজি?”

    নাসিম বলল, “মজা লাগার কিছু নেই। তুমি ফিরে যাও বরং। অনেক ঝামেলা বাড়বে নইলে। আর মিয়াঁ বিবি রাজি মানে কী? আমি রাজি টাজি না”।

    রাত্রি বলল, “তাহলে বল তুমি আমায় ঝাড়ি মারতে দাঁড়াতে কেন?”

    নাসিম গম্ভীর হয়ে বলল, “বাড়িতে অন্যরা আছে। এসব বোল না। বাবা মা শুনলে খারাপ ভাববে”।

    রাত্রি বলল, “ওরা দুজনেই তো কোথায় বেরোলেন। নীপাও অন্য ঘরে। আচ্ছা শোন, একটা গান মনে পড়ে গেল”।

    নাসিম বলল, “কী?”

    রাত্রি বলল, “এই, তুমি কি আমায় ভালবাসো? যদি না বাসো, তবে পরোয়া করি না”।

    নাসিম বলল, “পরোয়া কর না? আচ্ছা তুমি কি পাগল? কী ঘটনা, কতদূর চলে গেল বল তো?”

    রাত্রি বলল, “আমার ভাল লাগছে। চল আমরা বিয়ে করে নি”।

    নাসিম হতভম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে পড়ল।

    ১৭

    রাকিব এবং শায়লা ফিরলেন কিছুক্ষণ পরে। ওষুধ আনতে গেছিলেন দুজনে।

    শায়লা তার ঘরে গিয়ে নীপাকে ডেকে পাঠালেন।

    নীপা মার খাটে বসে বলল, “বল মা। কী হল?”

    শায়লা বললেন, “তোর দাদার সঙ্গে কি সত্যি মেয়েটার কিছু আছে?”

    নীপা বলল, “কেন বল তো মা? কী হয়েছে?”

    শায়লা বললেন, “বাড়ির বাইরে থেকে শুনছিলাম তোরা খুব হাসাহাসি করছিলি। আমাকে সত্যি করে বল নীপা, তোরা কি আমার কাছ থেকে কিছু লুকোচ্ছিস?”

    নীপা ফিক করে হেসে বলল, “লুকোতে পারলেই ভাল হত। রাত্রিদি খুব ভাল বৌদি হবে”।

    শায়লা বললেন, “আমাকে স্পষ্ট করে বল। আমি কিছুই বুঝতে পারছি না। সত্যিই কি কিছু আছে বুঝতে পারছিস?”

    নীপা বলল, “আগে ছিল না। এখন হতেই পারে। হলে বাধা দিও না মা”।

    শায়লা বললেন, “তুই থাম। তুইও হয়েছিস তোর বাবার মতন। বাস্তব বোধের বড্ড অভাব”।

    নীপা বলল, “কোন কিছুর অভাব নেই মা। রাত্রিদি যদি ওর ধর্ম পালন করতে চায় করবে, আমরা আমাদের মত করে চলব। তাতে অসুবিধার কী আছে?”

    শায়লা মাথা নাড়লেন, “তোদের কাউকেই বুঝিয়ে উঠতে পারছি না”।

    নীপা বলল, “বুঝতে পারছিও না”।

    বাড়ির বাইরে বাইকের হর্ন বাজার শব্দ হল। নীপা পর্দা সরিয়ে দেখল ঋপণ দাঁড়িয়ে আছে। শায়লা রাগী গলায় বললেন, “ওই দেখ, কৃষ্ণের বাঁশি বেজে উঠল। তার মানে তোর নাসিম এখন দৌড়বে। ক’টা বাজে দেখ”।

    নীপা দেখল রাত ন’টা বাজে। বলল, “এই তো ফিরল”।

    শায়লা বললেন, “ভোটের নামে দেখা নেই, এখন এক এই নতুন নাটক শুরু হয়েছে। সরকার কী করছে? যাদের ভোট দিয়েছে তারা কি কিছু করছে না? কোন দরকার ছিল না এসব করার। ছেলেটার যদি এখন কোভিড হয়, এরা দায়িত্ব নেবে? বুড়ো বুড়ো নেতাগুলো নিজেরা উপর মহলে আপোষ করে চলবে, আর ছোট ছেলেগুলো মার খেয়ে মরবে। আমি এর পরে নাসিমকে আর বেরোতে দেবো না। দেখ”।

    নীপা বলল, “দাদাকে এসব বোল না মা। বাস্তবটা তুমি বুঝতে পারো হয়ত, কিন্তু দাদার মধ্যে যে ডেডিকেশনটা আছে, সেটা ভীষণ অনেস্ট। সেটাকে আঘাত কোর না”।

    শায়লা ক্লান্ত গলায় বললেন, “আমার আর ভাল লাগে না কিছু”।

    রাত্রি দরজায় নক করল।

    নীপা বলল, “এসো এসো। খিদে পেয়েছে?”

    রাত্রি শায়লার ঘরে ঢুকল।

    নীপা রাত্রির হাত ধরে তাকে খাটে বসাল। নীপা বলল, “বললে না, খিদে পেয়েছে?”

    রাত্রি বলল, “না না, ঠিক আছে”।

    শায়লা বললেন, “নাসিম বেরিয়ে গেল?”

    রাত্রি বলল, “হ্যাঁ, চলে গেল দেখলাম”।

    শায়লা নীপাকে বললেন, “কখন ফিরবে দেখ। রাতে ফিরলে গরম জল করে দিস। হিন্দু বাড়িগুলো এখন মুসলমান ছেলেদের ঢুকতে দিচ্ছে রে? নাসিম মুসলমান জানলে যদি রেগে যায়?”

    নীপা বলল, “আহ মা। এসব কী বলছো?”

    রাত্রি বলল, “আমার বাবা জানলে বলত করোনায় মরে যাব তাও ভাল, মুসলমান যেন না ছোঁয়”।

    বলে রাত্রি ফিক করে হেসে ফেলল। নীপাও হেসে উঠল।

    শায়লা বললেন, “তোমার বাবা বুঝি মুসলমানদের দেখতে পারেন না?”

    রাত্রি বলল, “আগে ছিল না। এখন হয়েছে। তবে বাবা যেমন কট্টর হিন্দু, এরকম কট্টর মুসলিমও আছে নাকি শুনেছি”।

    শায়লা বললেন, “তা আছে। সব দিকেই কট্টর লোক আছে। তোমার মাও কি তোমার বাবার মতই?”

    রাত্রি মাথা নাড়ল, “একবারেই না। আমার মা ওসব নিয়ে অতো ভাবে না”।

    শায়লা বললেন, “কী আশ্চর্য না, একই দেশে এত বছর ধরে দুটো ধর্মের মানুষ আছে, অথচ এখনো পরস্পরকে কত অবিশ্বাস, এখনো কত আমরা ওরা”!

    নীপা বলল, “এই রাত্রিদি, মা জানতে চাইছিল তোমাদের মধ্যে সত্যিই কিছু আছে নাকি?”

    শায়লা রেগে গেলেন, “এই বাঁদর মেয়ে”।

    নীপা হাসতে হাসতে ঘর থেকে পালিয়ে গেল।

    রাত্রি হঠাৎ লজ্জা পেয়ে ঘর থেকে নীপার পিছন পিছন চলে গেল।

    শায়লা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। এই মেয়ে নাসিমকে ভালবাসে। চোখ কখনো মিথ্যা হতে পারে না।

    আরো চিন্তায় পড়লেন তিনি।

    ১৮

    রাত সাড়ে এগারোটা। নাসিম ফেরে নি।

    শায়লা খাবার ঢাকা দিয়ে রেখে শুয়েছেন। রাকিব লাইব্রেরীতে পড়তে বসেছেন।

    নীপা আর রাত্রিও শুয়েছে।

    নীপা বই পড়ছে। “কাউন্ট অফ মন্টিক্রিষ্টো”। আগে পড়া। তবু বার বার পড়তে ভাল লাগে।

    রাত্রি চোখ খুলে ছাদের দিকে তাকিয়ে ভাবছিল। তার খারাপ লাগার কথা। খারাপ লাগছে না। দিব্যি লাগছে। বাড়িতে বাবা সারাক্ষণ বিদ্বেষের কথা বলে যায়। একটা অদ্ভুত জগতে চলে গেছে বাবা। লকডাউনের ফলে বাড়িতে থেকে থেকে তার চিন্তাভাবনা আটকে গেছিল যেন। বই যে একটা অনেক বড় জানলা হতে পারে, সে ভুলতে বসেছিল। ঠিকই তো, ফোন কেন লাগবে? ওয়েব সিরিজ কেন লাগবে? বইয়ের থেকে বড় বন্ধু আর কে আছে? অথচ এই ব্যাপারটাই তো সে ভুলে গিয়েছিল!

    নীপা তাকে একটা বই দিয়েছে। হুমায়ূন আহমেদের “আজ আমি কোথাও যাব না”। দুপুরে পড়ে ফেলেছে বইটা। কেমন মায়াবী লেখা। পড়তে পড়তে কান্না চলে এসেছিল। বাবাকে বললে হয়ত বলত মোল্লাদের লেখা। দেখ প্রোপাগান্ডা লেখা। কে যে কখন কোন প্রোপাগান্ডায় জড়িয়ে পড়েছে, মানুষ নিজেই বুঝতে পারছে না আর।

    সে বলল, “নীপা”।

    নীপা বলল, “হু”।

    রাত্রি বলল, “তোমার দাদা কখন ফিরবে?”

    নীপা বলল, “কে জানে। নাও ফিরতে পারে”।

    রাত্রি বলল, “তোমার বাবা কিছু বলেন না?”

    নীপা বলল, “বাবা তো ইন্সপায়ার করে দাদাকে। সেটা দেখে মা আরো রেগে যায়। বাবা বলে, এখন আমাদের পরীক্ষা দেওয়ার সময় আমরা মানুষ তো? পৃথিবীতে অনেক জীব জন্তু এসেছিল, সময়ের সঙ্গে তারা বিলুপ্ত হয়ে গেছে। এরকম কোন রোগেই হয়ত। মানুষ যদি মানুষের পাশে না দাঁড়াবে তো কে দাঁড়াবে? আমারও ইচ্ছা করে যেতে। বাবা বাধা দিত না। তবে মা এমন কড়া চোখে তাকাল, আমি আর যাই নি”। হেসে ফেলল নীপা।

    রাত্রি বলল, “আচ্ছা”।

    নীপা বলল, “জানো তো, দাদাকে আমিও অনেক খেপিয়েছি। তোরা শূন্য, কেন এসব করছিস। পাবলিক তোদের আর পাত্তাই দেয় না। দাদা বলে দলটা তো একটা মাধ্যম। কাজটা তো করা দরকার। কত মানুষের স্টিগমা ছিল গত বছর। কত মানুষের বাড়ির লোকই খেতে দেয় নি। এক ঘরে করে রেখে দিয়েছিল। এরা সেই সব কিছুকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়েছে। দাদাকে যে নিতে এসেছিল, ঋপণদা, ও কিন্তু ছাত্র হিসেবে খুবই ভাল। ওর মাথাতেও একই পোকা। পাগলের মত এদিক সেদিক ছুটে বেড়ায়। ওদের আবার একটা হেল্পলাইন খুলেছে। কে কোথায় খেতে পাচ্ছে না, কার অক্সিজেন দরকার, কাকে হাসপাতালে নিতে হবে, এক ফোনে ছুটে যাচ্ছে। হেরে গেছে তো কী হয়েছে বল, মানুষগুলো তো আমাদের দেশেরই। কেন যাবে না?”

    রাত্রি বলল, “এরকম মহান ভাবনা ভাবা মানুষের আমায় ঝাড়ি মারতে দাঁড়াতে হল কেন তাই বুঝছি না”।

    নীপা হেসে বলল, “আমি ছেলে হলে আমিও দাঁড়াতাম। তুমি ভারি মিষ্টি মেয়ে। পাগলীও আছো। কেমন নিশ্চিন্ত আছো, কান্নাকাটিও করছো না! আমি হলে তো দুঃখে পাগল হয়ে যেতাম!”

    রাত্রি বলল, “তোমাদের বাড়ির পরিবেশটাই এমন, যে কেউ ঘরকুনো হয়ে যাবে। আচ্ছা, কাকীমার আমাকে পছন্দ না, তাই না?”

    নীপা বলল, “মা চিন্তা বেশি করে। সব সময় মানুষের থেকে মুসলমান বলে হ্যাটাটা মেনে নিতে পারে না। কতবার আমাদের শুনতে হয়েছে ওহ, তোমরা মুসলমান? কথা শুনে তো বাঙালি বলে মনে হয়! ভাবখানা এমন, যে এখনই বোম টোম নিয়ে মানুষ মারতে বেরিয়ে যাব। লোকসভা ভোটের আগে যখন পুলওয়ামা কান্ড হল, আমাদের বাড়ির সামনে একটা দল এসে কী কুৎসিত কথা বার্তা শুরু করেছিল। তার উপর আমার দাদা লাল পার্টি করে। আমাদের চিনের দালাল, পাকিস্তানী, কত কিছু বলে গেল। দাদা মন খারাপ করেছিল। বাবা শুধু একটা কথাই বলেছিল। এরা যারা এই অসভ্যতাটা করে গেল, আমরা তাদের থেকে অনেক বেশি ভারতীয়”।

    বাইকের শব্দ পাওয়া গেল। নীপা বলল, “দাদা এসছে বোধ হয়। চল দেখি। গরম জল করে দি। স্নান করবে এখন”।

    রাত্রি সঙ্গে সঙ্গে উঠে পড়ল।

    ১৯

    নাসিম স্নান করছে।

    নীপা গরম জল দিয়েছে।

    রাত্রি বারান্দায় যেতেই নাসিম নীপাকে বলল, “ওকে ঘরে যেতে বল”।

    নীপা বলল, “থাক না। কী হয়েছে?”

    নাসিম খিচিয়ে উঠল, “কী হয়েছে বুঝিস না? যেতে বল”।

    নীপা বলল, “রাত্রিদি, দাদা তোমাকে ঘরে যেতে বলছে”।

    রাত্রি বলল, “যাবো তো। তোমার দাদা কোথায় গেছিল জিজ্ঞেস করলে?”

    নাসিম বলল, “কালকে বলব। এখন এই অবস্থায় বলা যাবে না”।

    রাত্রি হাসতে হাসতে ঘরে চলে গেল।

    নীপা বলল, “দাদা, রাত্রিদি তোর উপর পুরো লাট্টুরে। পুরো প্রেম কাহিনী হবে মনে হচ্ছে”।

    নাসিম গা মুছতে মুছতে বলল, “তুই পড়াশুনা না করে এখন এসব শুরু করেছিস তো? আমি মাকে বলছি দাঁড়া”।

    নীপা ঘাবড়ে গিয়ে তার ঘরে চলে গেল।

    রাত্রি খাটে বসে পা দোলাচ্ছিল। নীপাকে দেখে বলল, “তোমার দাদা পুরো দেশোদ্ধার করে ফিরছে দেখছি”।

    নীপা বলল, “হ্যাঁ, জিজ্ঞেস করলেই দেখবে কত ফিরিস্তি দিয়ে দেবে”।

    রাত্রি বলল, “সময় ভাল না। মাস্ক আর স্যানিটাইজার ঠিক ঠাক ইউজ করতে বোল। যখন কিছু হবে তখন কেউ দেখবে না। সবাই বলবে কেন গেছিল। মানুষ উপকার নিতে জানে, তার পরিবর্তে নিন্দা ছাড়া কিছু করতে জানে না”।

    নীপা বলল, “খুব চিন্তা হচ্ছে বল তোমার দাদার জন্য?”

    রাত্রি হাসল, “তা হচ্ছে। সব ভলান্টিয়ারদের জন্যই হচ্ছে। সত্যি ওরা অসাধ্যসাধন করছে। ওরা না থাকলে যে কী হত, কে জানে!”

    নাসিম দরজা নক করল।

    নীপা বলল, “আয় দাদা”।

    নাসিম ঘরে ঢুকল।

    রাত্রি বলল, “এলাকাতেই ছিলে না দূরে?”

    নাসিম বলল, “এক পেশেন্টকে হাসপাতালে ভর্তি নিচ্ছিল না। সেফ হোমে ছিল এতদিন। হঠাৎ করে অক্সিজেন ফল করতে শুরু করেছে। বাড়ির লোক কান্নাকাটি করছিল। হাসপাতালে একটা ব্যবস্থা করা গেছে। অ্যাম্বুলেন্সে করে পৌঁছে দিয়ে এলাম”।

    রাত্রি বলল, “মানুষ কখনো তোমার সামনে মারা গেছে?”

    নাসিম বলল, “দুজন। কলকাতা নিয়ে যেতে গিয়ে তার মধ্যে একজন। তার বাড়ির লোক ছিল না গাড়িতে। শ্বাস কষ্ট হতে হতে গাড়িতেই মারা গেলেন”।

    রাত্রি বলল, “হিন্দু না মুসলমান?”

    নাসিম ম্লান হাসল, “হিন্দু। আর যে মানুষ অন্য সময়ে অচ্ছুৎ থাকে, রুগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় সেই অচ্ছুৎরাই নিয়ে যায়। এই দেখো না, আমি মুসলমান জানলে কত বাড়িতে ঢুকতেই দিত না, সেসব বাড়িতেও রুগীকে অক্সিজেন দিয়ে এসেছি। তখন আর অচ্ছুৎ থাকি নি”।

    নীপা বলল, “বেশ করেছে। অচ্ছুৎ করে রাখাই ভাল তোকে। কোন কাজে আসিস না। একটা ঠিক করে প্রেমও করতে পারলি না এদ্দিনে”।

    নাসিম চোখ পাকাল।

    রাত্রি নাসিমকে বলল, “ওহ, তুমি এতদিনে একটাও প্রেম করতে পারো নি?”

    নাসিম বলল, “নীপা ছোট। ওর সামনে এসব কথা বলবে না”।

    নীপা বলল, “বেশ তো, আমি অন্য ঘরে চলে যাচ্ছি। তোরা কথা বল”।

    নাসিম বলল, “কোন দরকার নেই। তোর সময় ঘনিয়েছে। খুব মার খাবি তুই”।

    রাত্রি নীপার হাত ধরে বলল, “কেন, ও মার খাবে কেন? তুমি ওকে মারো নাকি?”

    নীপা বলল, “ধুস, ও মারতে পারে নাকি? ও খালি ভয় দেখায়। আর মাঝে মাঝে চকলেট খাওয়ায়”।

    রাত্রি বলল, “চকলেট খাওয়ায়? কোই, আমায় খাওয়ালো না তো?”

    নীপা বলল, “কী রে দাদা, তোর তো উচিত ছিল রাত্রিদির জন্য চকলেট আনা। আনিস নি কেন?”

    নাসিম বলল, “মাঝরাতে তোর রাত্রিদির জন্য তো সব দোকান খুলে রেখেছে। এমন সব কথা বলিস না!”

    শায়লা ঘরে ঢুকলেন। নীপা সঙ্গে সঙ্গে খাটে শুয়ে পড়ল। শায়লা নাসিমকে বললেন, “এত রাতে এসে হাসি ঠাট্টা করছিস কেন? গিয়ে ঘুমিয়ে পড়”।

    নাসিম বলল, “হ্যাঁ যাচ্ছি”।

    শায়লা রাত্রির দিকে তাকালেন, “তুমি ঘুমিয়ে পড়। এত রাতে জাগতে নেই”।

    রাত্রি ঘাড় নাড়ল, “আচ্ছা”।

    শায়লা নাসিমের দিকে কয়েক সেকেন্ড তাকিয়ে নিজের ঘরে চলে গেলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিছুক্ষণ – অভীক দত্ত
    Next Article যেখানে দেখিবে ছাই – অভীক দত্ত

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }