Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রেমিক – অভীক দত্ত

    লেখক এক পাতা গল্প137 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    প্রেমিক – ২০

    ২০

    প্রণয়কে তনয়া ঠিক চিনতে পারেন না আজকাল। অন্ধ মুসলিম বিদ্বেষী কথাবার্তা বলা শুরু করেছিলেন বেশ কিছুদিন আগে থেকেই। কিন্তু রাত্রি চলে যাওয়ার পর থেকে কেমন পাগলের মত করছেন। এক জায়গা থেকে ঘামতে ঘামতে এসে আরেক জায়গায় ছুটছেন।

    তনয়ার দিদি রুমা খবর পেয়ে ফোন করেছিলেন, “কী হয়েছে বল তো আমায়”?

    তনয়া সবটা বললেন।

    রুমা বললেন, “সে কী? এত কিছু হয়ে গেছে, অথচ তুই আমায় এখন জানাচ্ছিস?”

    তনয়া ধরা গলায় বললেন, “কী জানাবো বল তো? এটা জানানোর ব্যাপার? তার উপরে ওর বাবা যা শুরু করেছে, আমি আরো পাগল হয়ে যাবো”।

    রুমা বললেন, “ছেলেটার সঙ্গে রাত্রির প্রেম আছে? রাত্রি তো সারাদিন ঘরেই থাকে দেখেছি। এটা সেটা রান্না করছে, ফেসবুকে ছবি দিচ্ছে, সে এসব করে ফেলল? অথচ আজকালকার দিনের ছেলে মেয়েরা কখন কী করছে, কিছুই বোঝা সম্ভব না, তবু আমার কিছুতেই মাথায় ঢুকছে না রাত্রি জড়িয়ে পড়ল কী করে। তোদের ওদিকে মুসলমান আছে নাকি?”

    তনয়া বললেন, “আমি কিছু জানি না”।

    রুমা বললেন, “বিয়ে হয়ে গেছে?”

    তনয়া বললেন, “জানি না”।

    রুমা বিরক্ত হয়ে বললেন, “জানি না বললে কী করে হবে? মেয়েটা তোর। তোর অনেক আগে জানানো উচিত ছিল। নাকি সারাদিন কেঁদেই মরছিস?”

    তনয়া বললেন, “তুই যদি প্রণয়কে দেখতিস, তাহলে বুঝতিস আমি কেন কাউকে কিছু বলছি না। একাই যা শুরু করেছে…”

    রুমা বললেন, “তা তো করারই কথা। মেয়ে পালিয়ে গেলে বাবা মা করবে না?”

    তনয়া বললেন, “টেকনিকালি পালিয়ে গেছে বলা যাবে না হয়ত। ওর বাবা যা শুরু করেছে, মেয়ে এক প্রকার বাধ্য হয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেছে। ওরা তো দিতেও এসেছিল রাত্রিকে। ওর বাবা আবার ভ্যানতাড়া শুরু করল”।

    রুমা বললেন, “আমি এখন উত্তরপাড়া থেকে কী করে যাই বল তো? ট্রেন বাস সব বন্ধ”।

    তনয়া বললেন, “ফোনে খবর দেবো। আসার দরকার নেই। যা সর্বনাশ হবার, আমার মনে হয় হয়েই গেছে”।

    রুমা বললেন, “রাত্রি ফোন করে নি? কান্না কাটি করে না তোর জন্য? বলে না, মেয়ে কখনো আপন হয় না?”

    তনয়া থমকে গিয়ে বললেন, “রাখছি এখন। পরে কথা বলব”।

    ফোন কেটে দিলেন তনয়া। বাইরের ঘরে প্রণয় কাকে চেঁচিয়ে চেঁচিয়ে ফোন করছেন।

    কিছুক্ষণ পর তার ঘরে এসে বললেন, “এবার বুঝবে। আমি অনেক উপর মহলে খবর দিয়েছি। এরা পাতি বাঙালি না। একদম অবাঙালি ভেজ খাওয়া হিন্দু। মোল্লাদের দাপট বের করে দেবে দেখবে। কাল ভোরেই আসবে সব”।

    তনয়া বললেন, “অবাঙালি ভেজ খাওয়া হিন্দু গুন্ডা?”

    প্রণয় বললেন, “একদম গুণ্ডা বলবে না। গুণ্ডা আবার কী? ধর্ম রক্ষা করছে। এরকম লোকেদেরই তো দরকার ছিল। ছ্যা ছ্যা, লোকাল যারা আছে, তারা একবারে অপদার্থ। আমি বললাম আপনাদের এত এত লোক সাপোর্টার আছে, চলুন, তাদের নিয়ে গিয়ে একবারে শিক্ষা দিয়ে আসি। আমায় বলে কী না, ওদের এক হাজার সাপোর্টার হলে ন’শো নাকি ফেক প্রোফাইল। একটা লোক ন’টা প্রোফাইল চালায়। আর বেশিরভাগই কেউ বাংলাদেশে থাকে, কেউ বা বিদেশে। এভাবে এরা ধর্ম রক্ষা করতে নেমেছে। ছি। তারপরে অনেক কিছু ঘেঁটে এক্কেবারে হেড অফিসে ফোন করলাম। এবার ব্যাটারা বুঝবে কত ধানে কত চাল। হু! লাভ জিহাদ করবে! আমার মেয়েকে ফুসলিয়ে বিয়ে করে নিয়ে যাবে! দেখিয়ে দিচ্ছি”।

    তনয়া ভয় পেলেন, “তুমি কি গুণ্ডা ভাড়া করেছো?”

    প্রণয় বললেন, “তুমি দেখে নিও কী ভাড়া করেছি”।

    তনয়া আর কিছু বললেন। রাতে খেলেন না। মেয়ে যাবার পরে খাওয়া ত্যাগ করেছেন। তবে প্রণয় সেটা বোঝেন নি। তিনি সারাক্ষণ লাফ ঝাঁপ দিয়ে যাচ্ছেন।

    রাতটা দুঃস্বপ্ন দেখে কাটল তনয়ার।

    সকাল আটটা নাগাদ দেখলেন বাড়ির সামনে একটা টাটা সুমো দাঁড়াল।

    সে গাড়ি থেকে সাত আটজন তিলক কাটা লোক তাদের বাড়িতে এসে কলিং বেল বাজালো।

    প্রণয় লাফাতে লাফাতে দরজা খুলতে ছুটলেন।

    ২১

    রাত্রির ভোরবেলা ঘুম ভেঙে গেল।

    হঠাৎ করে বাবা মার জন্য মন কেমন করছে তার। নীপা শুয়েছিল।

    ডাকল না। সে চুপ করে শুয়ে থাকল।

    বাবা যেমনই হোক, তারই তো বাবা। চোখের সামনে লোকটা পাল্টে গেল। ছোট থাকতে বাবার গলা জড়িয়ে ধরে কিছু চাইলে বাবা কখনো না করতে পারতো না। রাত্রির ইচ্ছে হচ্ছিল এক ছুটে বাড়িতে গিয়ে বাবার গলা জড়িয়ে ধরে।

    এভাবে তাকে পর করে দিতে পারবে না নিশ্চয়ই।

    আর তার মা কী করছে এখন? নিশ্চয়ই ঘুমোয় নি!

    রাত্রির মাকে ফোন করতে ইচ্ছা করছিল।

    ঠিক করল দশটার দিকে ফোন করে নেবে।

    অজান্তেই তার দু চোখ কখন অশ্রুসজল হয়ে উঠেছিল বুঝতে পারে নি সে।

    আবার চোখ বুজতে ঘুম চলে এল।

    ভাঙল প্রবল চিৎকারে।

    ধড়মড় করে উঠে বসে দেখল ঘরে কেউ নেই।

    জানলার পর্দা সরিয়ে দেখল বাইরে একটা গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে। তার বাবার চিৎকার ভেসে আসছে।

    রাত্রি বেরোল।

    দেখল বেশ কয়েকজন লোক এসে জড়ো হয়েছে। প্রণয় চিৎকার করছেন, “আমি বুঝে নেব। সব ক’টাকে পাকিস্তানে পাঠিয়ে দেব। বুঝে নেব”।

    রাকিব চুপ করে দাঁড়িয়ে আছেন। শায়লা ফ্যাকাসে মুখে একটা চেয়ারে বসে আছেন। তার হাত পা কাঁপছে। নীপা এক কোণে দাঁড়িয়ে প্রবল ভাবে হাসি চাপার চেষ্টা করে যাচ্ছে। সিরিয়াস সময়ে হাসি পাওয়ার রোগ তার বরাবরের। পাড়ার লোক জড়ো হচ্ছে। এ পাড়া মুসলমান প্রধান। প্রণয়ের সঙ্গে গাড়িতে আসা লোকগুলোর হাব ভাব রাত্রির মোটেও সুবিধার লাগল না। বাবার আচরণে সে লজ্জায় মাটিতে মিশে যাচ্ছিল।

    সে তাড়াতাড়ি প্রণয়ের কাছে গিয়ে বলল, “বাবা! তুমি বাড়ি যাও”।

    প্রণয় থমকে গেলেন। তার দিকে থতমত হয়ে তাকিয়ে রইলেন।

    রাত্রি বলল, “এরা কারা? কাদের নিয়ে এসেছো?”

    প্রণয় বললেন, “তোকে ওরা জিন দিয়ে বশ করেছে। তুই জানিস না। মোল্লারা জিন পোষে”।

    রাত্রি বলল, “তোমার মাস্ক কোথায় বাবা?”

    প্রণয় বললেন, “তুই গাড়িতে ওঠ। তোকে গঙ্গা স্নান করিয়ে ঘরে তুলব। তোর শুদ্ধিকরণ হবে। এখনো কিছু শেষ হয়ে যায় নি”।

    একজন টাক মাথা গেরুয়াধারী বলল, “সব হো জায়েগা। ও কোই বাত নেহী। চলো বেটি”।

    রাত্রি বলল, “আমি কোথাও যাব না। তুমি ঠিক না হলে আমি আর বাড়িও ফিরব না বাবা। কে জানে কাদের নিয়ে এসেছো, এদের গাড়ি চড়ে এসেছো তুমি? কারো ভিতরে যদি ভাইরাস থাকে?”

    দশ বারো জন লোক ভিড় ঠেলে এসে বলল, “কী হচ্ছে এখানে? এ পাড়ায় গুন্ডামি করতে এলে ঠ্যাঙ ভেঙে দেব”।

    রাকিব বললেন, “এটা আমার ব্যাপার। পাড়ার লোক আসবেন না কেউ দয়া করে”।

    রাত্রি বলল, “তুমি যাও বাবা। এখানে থেকো না। যাদের নিয়ে এসেছো তাদের নিয়ে চলে যাও”।

    রাকিবের বারণ সত্ত্বেও পরিস্থিতি গরম হয়ে উঠল। গাড়ির থেকে লাঠিসোটা বেরোতে শুরু করল।

    প্রণয় রাকিবের দিকে ছুটে গেলেন, “কী করেছিস আমার মেয়েকে তোরা? কী খাইয়েছিস? মোল্লা কাটার বাচ্চা, তোদের পাকিস্তানে না পাঠানো পর্যন্ত শান্তি নেই আমার”।

    রাত্রি বুঝল প্রণয় যা শুরু করেছেন, তাতে সে যতক্ষণ না গাড়িতে উঠবে, এলাকা তত উত্তপ্ত হতে শুরু করবে। নাসিমদের পরিবারের উপরে তত চাপ বাড়তে থাকবে।

    রাত্রি বাবার হাত ধরল, “কী চাও তুমি? আমি বাড়ি গেলেই হবে তো? চল”।

    প্রণয় বললেন, “গাড়িতে ওঠ”।

    রাত্রি রাকিবের দিকে একবার তাকিয়ে গাড়িতে ড্রাইভারের পাশে গিয়ে বসল।

    প্রণয় আরো এক দফা চিৎকার করে গাড়িতে উঠলেন।

    গাড়ি স্টার্ট দিতেই গাড়িতে বসারা বাকিরা চিৎকার করে স্লোগান দিতে শুরু করল।

    রাত্রি দেখল রাকিব নিশ্চুপ হয়ে তাদের চলে যাওয়াটা দেখছেন।

    একজন ড্রাইভারকে হিন্দিতে বলল গ্রাম পেরিয়ে কোন ফাঁকা জায়গায় দাঁড়াতে। শুদ্ধিকরণ করতে হবে রাত্রির।

    রাত্রি কিছু বলল না। তার চোখ ফেটে জল আসছিল।

    ২২

    মফস্বল আর গ্রামের মধ্যে একটা বড় মাঠের ব্যবধান। মাঠের কোণে একটা বড় পুকুর।

    পুকুরের পাড়ে গাড়ি দাঁড় করানো হল।

    প্রণয় রাত্রিকে বললেন, “যা, স্নান করে আয়। পূজারীজি পুজোর আয়োজন করছেন। তোকে শুদ্ধ করে ঘরে তোলা হবে”।

    রাত্রি পাথর হয়ে বসে থাকল। প্রণয় বললেন, “কী হল? কানে যাচ্ছে না কথা? যা বলছি কর”।

    রাত্রি বলল, “আমাকে বাড়ি নিয়ে গেলে চল। রাস্তাঘাটে কোন রকম নাটক আমি করতে পারবো না”।

    প্রণয় গম্ভীর গলায় বললেন, “নাটক না। যা করতে বলছি কর”।

    রাত্রি বলল, “পারব না”।

    একজন গাড়ির বাইরে থেকে হিন্দিতে বলল, “বাইরে এসো বেটি। স্নান করে গো মূত্র আর গোময় দিয়ে তোমাকে শোধন করে দেব আমরা”।

    রাত্রি বলল, “মরে গেলেও আমি গোবর খেতে পারব না”।

    প্রণয় বললেন, “খেতে পারবি না মানে কী? মোল্লাদের বাড়ির ভাত যখন খেতে পেরেছিস, গো মূত্রও খেতে পারবি। তুই কি জানিস গো মূত্র কত পবিত্র?”

    রাত্রি ঘেন্নায় নাক মুখ কুঁচকে বসে রইল।

    প্রণয় বললেন, “তুই যদি এখন এখানে বসে থাকিস, তাহলে আমার থেকে খারাপ আর কেউ হবে না”।

    রাত্রি বলল, “তোমার থেকে খারাপ আমি আর কাউকে দেখছিও না বাবা। এমন কি এই যাদের নিয়ে এসেছো, তাদেরও তোমার থেকে ভাল লাগছে। কী করবে তুমি? মেরে ফেলবে? মেরে ফেললে মেরে ফেলো”।

    প্রণয় ভুল হিন্দীতে বাকিদের বলল, “আমার মেয়েকো তুকতাক করা হ্যায়। জিন উঠা বসা হ্যায় মেরে মেয়েকা আন্দর। ইসে বাচাও”।

    একজন পুকুর থেকে জল নিয়ে এসে রাত্রির গায়ে ছুঁড়ে মারল।

    রাত্রি গাড়ি থেকে নামতে গেলে সবাই জোর করে গাড়ির দরজা ধরে দাঁড়াল। প্রণয় রাত্রির দু হাত শক্ত করে ধরলে একজন চামচ করে গোবর আর গোমূত্র খাইয়ে দিল রাত্রিকে।

    রাত্রি গন্ধের চোটে বমি করে ফেলল।

    একজন মন্ত্র পড়ে প্রণয়কে বলল মেয়ের শুদ্ধিকরণ হয়ে গেছে।

    প্রণয় ভারি খুশি হয়ে গেলেন।

    কিছুক্ষণ পর তাদের বাড়ির সামনে রাত্রি যখন নামল, পাড়ার লোকেরা দেখল জামায় বমি নিয়ে কাঁদতে কাঁদতে রাত্রি বাড়ির ভিতরে ঢুকল।

    যে সব লোকজনেরা এসেছিল, তাদের প্রণয় একপ্রকার জোর করে টাকা দিলেন। তারা স্লোগান দিতে দিতে গাড়ি নিয়ে বিদায় নিল।

    তনয়া চুপ করে বসার ঘরে বসে ছিলেন এতক্ষণ। রাত্রির অবস্থা থেকে শিউরে উঠলেন। দৌড়ে গিয়ে মেয়েকে ধরলেন।

    রাত্রি মরা মাছের চোখ নিয়ে মাকে দেখে চোখ নামিয়ে নিল।

    তনয়া মেয়েকে জড়িয়ে ধরে বললেন, “বাথরুমে যা”।

    রাত্রি ধীর পায়ে বাথরুমে গেল।

    তনয়া প্রণয়কে বললেন, “এটা কী করেছো তুমি?”

    প্রণয় আলেকজান্ডারের মত হাব ভাব করে বললেন, “কী করলাম বুঝলে না? বিধর্মীদের হাত থেকে নিজের মেয়েকে বাঁচিয়ে নিয়ে এলাম। এ যে কত বড় কাজ করলাম, তা তুমি কী করে বুঝবে? আমি দেখি নি, মেয়েটাকে কী শিখিয়েছো কে জানে? মোল্লাদের বাড়ি থাকতে চলে গেছে নাকি! ছি ছি ছি! লজ্জার ব্যাপার!”

    রাত্রি বাথরুমে শাওয়ার ছেড়ে বসে রইল।

    গা ঘিন ঘিন করছে। যত বার তার মনে পড়তে লাগল সে গো মূত্র আর গোবর খেয়েছে, তার বমি হতে লাগল। বার বার বমি করতে শুরু করতে করতে সে অজ্ঞান হয়ে গেল।

    তনয়া সাত তাড়াতাড়ি মেয়ের জন্য রান্না বসিয়েছিলেন। মেয়ে বাথরুম থেকে বেরোচ্ছে না দেখে তনয়া দরজা ধাক্কালেন।

    দরজা খুলল না। রাত্রির সাড়াও পাওয়া গেল না। তনয়া একটুও অপেক্ষা না করে পাড়ার লোকজনকে ডেকে বাথরুমের দরজা ভাঙার ব্যবস্থা করলেন।

    রাত্রিকে যখন তুলে ঘরে নিয়ে আসা হল, ততক্ষণে রাত্রির তুমুল জ্বর এসে গেছে।

    “ও বাবা, আমাকে ওসব খাইও না বাবা, আমি গোবর খাব না”, রাত্রি ক্রমাগত এই কথাটাই বলে যেতে থাকল। প্রণয় ছাদে উঠে বিভিন্ন জায়গায় হোয়াটস অ্যাপ করে তার বিজয় সংবাদ দিচ্ছিলেন। ছাদ থেকে নেমে যখন দেখলেন পাড়ার অনেক লোক তার বাড়িতে এসেছে, তখন তার টনক নড়ল। ঘরে এসে রাত্রিকে শুয়ে থাকতে দেখে তনয়াকে বললেন, “কী হচ্ছে বল তো?”

    তনয়া বললেন, “বুঝতে পারছো না কী হয়েছে? নিজের মেয়েকে বুঝতে পারছো না? ওকে না, তুমি বরং নিজেকে জিজ্ঞেস কর, তোমার কী হয়েছে?”

    তনয়া ভীষণ চিৎকার চ্যাঁচামেচি শুরু করায় প্রণয় বেগতিক বুঝে বাড়ি থেকে পালালেন।

    পাড়ার কয়েকজন মহিলা থেকে গেলেন তনয়ার সঙ্গে। জলের ঝাপটা দিয়ে অনেক কষ্টে রাত্রিকে সামলানো গেল। একজন বমির ওষুধ খাইয়ে দিলেন।

    রাত্রি কাঠের মত খাটে শুয়ে থাকল। তার সমস্ত প্রাণশক্তি কে যেন শুষে নিয়ে গেছে…

    ২৩

    নাসিমকে ভোর বেলায় ডেকে নিয়ে গেছিল ঋপণ। পর পর তিনটে বাড়িতে অক্সিজেন সিলিন্ডার পৌঁছে দেওয়ার কাজ ছিল। পিপিই পরে অক্সিজেন সিলিন্ডার বয়ে নেওয়া খুব পরিশ্রমের কাজ। মাস্ক খুলতে একবারে বারণ করে দিয়েছেন ডাক্তারবাবুরা। তারা জানিয়েছেন, এই ভাইরাসের আগ্রাসন এতটাই ভয়ংকর, মাস্ক খোলার সঙ্গে সঙ্গে এটা শরীরে প্রবেশ করে ফেলবে। ফোন অফ করে পকেটে রাখা ছিল।

    শেষ বাড়িটায় অক্সিজেন দিয়ে এসে পার্টি অফিসে এসে পিপিই খুলে হাত মুখ ধুল সে। ঋপণ বলল, “চল তোকে বাড়ি দিয়ে আসি। আবার ডাকলে তুলে নেবো। কাল রাতেও তো সেভাবে ঘুমোতে পারিস নি”।

    নাসিম বলল, “হ্যাঁ। দিয়ে এসো”।

    সে খানিকটা উতলাও হয়ে যাচ্ছিল। ভেতরে ভেতরে রাত্রিকে দেখতে ইচ্ছে করছিল। ভাল লাগা তৈরী হয়ে গেলে সেটা ডালপালা মেলতে বেশি সময় নেয় না। শত কাজের মধ্যেও রাত্রির মুখটা সঞ্জীবনীর মত কাজ করছিল।

    ঋপণ বাইক স্টার্ট দিয়ে বলল, “তোর লাভ স্টোরি কত দূর?”

    নাসিম হাসল, “ধুস, কী যে বল। লাভ স্টোরির কিছু নেই”।

    ঋপণ বলল, “শোন ভাই, কমিউনিস্ট হয়েছিস, বুক বাজিয়ে বলবি, হ্যাঁ ভালবাসি। কিছু ভুল ভাল পাবলিক কমিউনিজম শেখানোর নামে মামণিদের ফাঁকা ফ্ল্যাটে নিয়ে গিয়ে একবারে বদনাম করে ছেড়ে দিল মাইরি। একটা মেয়েকে ঠিক করে প্রপোজও করতে পারলাম না এই ভয়ে। কে কখন কী বলে দেবে”।

    নাসিম বলল, “ফাঁকা ফ্ল্যাটে লেনিন। হা হা”।

    দুজনে হাসতে লাগল। ঋপণ বলল, “সব থেকে মজার ব্যাপার হল, লোকের ধারণা লাল পতাকা থাকলেই আমাদের পার্টি। অসংখ্য পাবলিক আছে, আর কিছু আঁতেল অতিবিপ্লবী অতি বামপন্থীও আছে যারা মাঝে মাঝেই অ্যান্টি ইন্ডিয়ান কথা বলে। সমস্যা হল, এইগুলোর বিল আমাদের নামেই কাটা হয়”।

    নাসিম বলল, “আর প্রতি বছর দেখবে মরিচঝাপির মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকে। হোক, শূন্য হয়েছে। ভোটও শূন্য হোক। আমরা একবারে শুরু থেকে শুরু করি। সেটাই দরকার”।

    ঋপণ বলল, “হ্যাঁ। অনেক খেটেছি ভোটে ভাই। ভোটের পরেও দেখছি। পাবলিক আমাদের ওই এন জি ওই ভাবছে। কেউ কেউ বলছে যা যা পাপ করেছে তোদের সিনিয়ররা, এখন মানুষের কাজ করে সেগুলোর প্রায়শ্চিত্ত কর। মাইরি, কী মজা লাগে। চোর চিটিংবাজদের মাথায় তুলে নাচবে, রেপিস্টদের হিরো বানাবে, আর সব দোষ নাকি আমাদের ছিল। আসলে কী হয়েছিল বল তো, ক্ষমতায় থাকার সময় পার্টি থেকে অসংখ্য অযোগ্য লোককে চাকরি দিয়েছিল। এরা সব সুবিধা নিয়ে নিয়েছে। এখন দেখছি এক জায়গা থেকে তো সব পেয়ে গেছি, এবার পাল্টি মেরে দেখি অন্য জায়গা থেকে কী কী পাওয়া যায়। দিন সবার ফুরোয় একদিন”।

    নাসিম বলল, “ধুস, তুমি ফ্রাস্ট্রু হয়ে যাচ্ছো। এক কাজ কর তাহলে। ভলান্টিয়ারগিরিটাই বন্ধ করে দাও। কেন করছো?”

    ঋপণ হাসল, “কেন করছি? অ্যায়সে হি, সেক্সি লাগ রহা হে। শহরের মানুষ বুঝবে না, আমাদের গ্রামগুলোতে রেড ভলান্টিয়াররা না থাকলে কত সমস্যা তৈরী হত। আমার বাবাকেই দেখ, বাড়ি গেলেই গজগজ শুরু করে, কেন ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়াচ্ছি। নিজে এদিকে পার্টির দয়ায় চাকরি পেয়েছিল। সবাই কি আর রাকিবকাকুর মত হয়? এই সব মিটলে রাকিবকাকাকে বলব আমাদের ক্লাস নিতে। শিক্ষাটা ভীষণ দরকার। আগে নাকি ক্লাস হত, রীতিমত সব ধরণের লিটারেচার পড়তে হত। কেন এখনো সাম্যের কথা বলা উচিত, মানুষকে না বোঝালে মানুষ কেন বুঝতে যাবে? একটা ছোট ছোট শহরে এখন কোন বড় রিটেল কোম্পানি ডিপার্টমেন্টাল স্টোর খুললে দেখবি লোকে কীভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ে লাইন দিচ্ছে। ছোট ছোট দোকান বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। কোভিডের ফলে অসংখ্য মানুষের চাকরি চলে যাচ্ছে। এক সময় তো এই মানুষগুলোর কথা কমিউনিস্ট পার্টিই বলতো। এখন কেন বলছে না? শুধু ইলেকশনের সময় জোট করে লাফঝাপ করলেই হবে?”

    নাসিমদের বাড়ির সামনে ঋপণ বাইক নিয়ে দাঁড়াল। বাড়ির সামনে পাড়ার লোকজন ভর্তি। ঋপণ বলল, “কী হল আবার?”

    নাসিম দেখল রাকিব পাড়ার মানুষদের কিছু বোঝাচ্ছেন। সে নীপাকে দেখে বলল, “কী হয়েছে রে?”

    নীপা বলল, “রাত্রিদিকে ওর বাবা এসে নিয়ে গেছে। গাড়ি ভর্তি করে লোকজন নিয়ে এসেছিল”।

    নাসিমের মন খারাপ হয়ে গেল।

    ২৪

    “বিয়ে হয়ে গেছে নাকি দিদি?”

    পাশের বাড়ির এক মহিলা তনয়াকে জিজ্ঞেস করলেন। রাত্রিকে শুইয়ে দিয়ে বাইরের ঘরে এসে বসেছেন তনয়া। পাড়ার মহিলারা ছেঁকে ধরেছেন তাকে। করোনার জন্য এতদিন বাইরে বেরনো হয় নি। এখন একটা মশলাদার কেচ্ছা পাওয়া গেছে। স্থির জলে ঢিল পড়ার মত সবাই ঝাঁপিয়ে পড়েছে।

    তনয়া মহিলাটির দিকে তাকিয়ে বললেন, “না”।

    পেছন থেকে কে ফিসফিস করে বলল, “ওরকম তো এখন বলতেই হবে। এবার চেনা জানার মধ্যে বিয়ে দিলে চলবে না। বাইরের ছেলে খুঁজতে হবে। জানলেই তো চিত্তির”।

    তনয়া ক্লান্ত গলায় বললেন, “তোমরা বরং এখন যাও। আমার কাজ আছে”।

    ফিসফিস করতে গিয়ে সবাই বেরোল।

    তনয়া বাইরের দরজা বন্ধ করে এসে মেয়ের কাছে গিয়ে বসলেন।

    কপালে হাত দিলেন। জ্বর এসেছে। আলতো স্বরে ডাকলেন, “মা। ভাল লাগছে এখন?”

    রাত্রি কেঁপে উঠল একবার।

    তনয়া মেয়ের মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে লাগলেন।

    কিছুক্ষণ পর রাত্রি ঘুমিয়ে পড়ল।

    তনয়া ভাত বসালেন। মেয়েটাকে খাওয়াতে হবে। খালি পেটে থাকলে সমস্যা আরো বাড়বে।

    বাড়ির বাইরে লোক নেই দেখে প্রণয় ঢুকলেন কিছুক্ষণ পরে। তনয়া দরজা খুললে তাকে দেখে জিজ্ঞেস করলেন, “কোথায় সে?”

    তনয়া উত্তর না দিয়ে রান্না ঘরে চলে গেলেন।

    প্রণয় রান্নাঘরের দরজার বাইরে ঘুর ঘুর করতে করতে বললেন, “ঠিক হয়েছে এখন?”

    তনয়া উত্তর দিলেন না।

    প্রণয় কিছুক্ষণ নিজের মনে বিড়বিড় করে টিভি চালিয়ে বসলেন।

    তনয়া রান্না করে রাত্রির কাছে নিয়ে গেলেন।

    ভাল জ্বর এসে গেছে রাত্রির। তনয়া রাত্রিকে কোন মতে তুলে খাওয়াতে গেলেন। খানিকটা খেয়ে হড় হড় করে বমি করে দিল রাত্রি।

    তনয়া রাত্রির বমিটা থালায় নিয়ে এসে ড্রইং রুমের টেবিলে রেখে প্রণয়কে বললেন, “এ নাও। মেয়ে বমি করছে। জ্বর এসেছে। কী করবে কর”।

    প্রণয় বললেন, “কী করব মানে? আমি কী করব? ডাক্তার ডাকছি, এসে দেখে যাক”।

    তনয়া বললেন, “তুমি ওকে গোমূত্র আর গোবর খাইয়েছো? এটা করলে সব দোষ চলে যাবে? কে শিখিয়েছে তোমায়? কে বলে দিয়েছে এগুলো করলেই সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে?”

    প্রণয় কোন দিন তনয়াকে এভাবে কথা বলতে দেখেন নি। খানিকটা ঘাবড়ে গিয়েও সামলালেন নিজেকে, “কে বলেছে মানেটা কী? শুদ্ধিকরণ করতে হয় না? মোল্লাদের বাড়িতে থেকেছে, খেয়েছে, একবারে প্রায়শ্চিত্ত করিয়ে ঘরে ঢুকিয়েছি। এবার আর কেউ কিছু বলতে পারবে না”।

    তনয়া বললেন, “কেউ কিছু মানে? কেউটা কে? আমার তো মনে হয় এই কেউ সব থেকে বেশি তুমি! পাগলের মত কাজ করে মেয়েটাকে বাড়ি থেকে তাড়ালে। তারপর কতগুলো গুণ্ডা জড়ো করে মেয়েটাকে নিয়ে চলে এলে। এবার মেয়ের যদি কিছু হয়, আমি তোমাকে ছাড়ব না”।

    প্রণয় বললেন, “গুণ্ডা কাদের বললে? ওরা ধর্ম রক্ষা করতে এসেছে। ওরা ধর্ম যোদ্ধা”।

    তনয়া বললেন, “উফ! ধর্ম, ধর্ম ধর্ম করে মাথা খারাপ করে দিলে। তোমার ধর্ম তোমার কাছে রাখো। মেয়েটা তোমার না? এত যন্ত্রণা দিলে কেন? যাও এবার ওকে সুস্থ কর। ও যদি সুস্থ না হয়, এ বাড়িতে আমি একটা অন্নও মুখে তুলব না”।

    প্রণয় উঠলেন, “ঠিক আছে, আমি দেখছি। বিরাট বড় কাজ করেছি, ক’দিন পরে তুমি নিজেই বলবে এটা দারুণ কাজ করেছি”।

    তনয়া কিছু বললেন না।

    প্রণয় রাত্রির কাছে গিয়ে ডাকলেন, “কী রে? কী হয়েছে?”

    রাত্রি বলল, “আমাকে নাসিমদের বাড়িতে রেখে এসো। আমি এখানে থাকব না”।

    প্রণয় বললেন, “আজে বাজে কথা বলিস না মা। তোকে কত কষ্ট করে নিয়ে এলাম”।

    রাত্রি বলল, “আমি এখানে থাকব না। কিছুতেই থাকব না”।

    প্রণয় ঘর থেকে বেরিয়ে তনয়াকে বললেন, “পান পোড়া দাও। আমি খোঁজ নিচ্ছি। ওরা জাদু টোনা করেছে। দরকার হলে ওঝা ডেকে এনে ছাড়াতে হবে। বুঝলে?”

    তনয়া রাগী চোখে প্রণয়ের দিকে তাকিয়ে রইলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিছুক্ষণ – অভীক দত্ত
    Next Article যেখানে দেখিবে ছাই – অভীক দত্ত

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }