Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রেমিক – অভীক দত্ত

    লেখক এক পাতা গল্প137 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    প্রেমিক – ২৫

    ২৫

    গুরু ক’ন, তুই করেছিস শুরু তলোয়ার দিয়ে দাড়ি চাঁছা!

    প্রতি শনিবারী চিঠিতে প্রেয়সী গালি দেন, ‘তুমি হাঁড়িচাঁচা!’

    আমি বলি, ‘প্রিয়ে, হাটে ভাঙি হাঁড়ি!’

    অমনি বন্ধ চিঠি তাড়াতাড়ি।

    সব ছেড়ে দিয়ে করিলাম বিয়ে, হিন্দুরা ক’ন, আড়ি চাচা!’

    যবন না আমি কাফের ভাবিয়া খুঁজি টিকি দাড়ি, নাড়ি কাছা!

    মৌ-লোভী যত মৌলবী আর ‘ মোল্‌-লা’রা ক’ন হাত নেড়ে’,

    ‘দেব-দেবী নাম মুখে আনে, সবে দাও পাজিটার জাত মেরে!

    ফতোয়া দিলাম- কাফের কাজী ও,

    যদিও শহীদ হইতে রাজী ও!

    ‘আমপারা’-পড়া হাম-বড়া মোরা এখনো বেড়াই ভাত মেরে!

    হিন্দুরা ভাবে,‘ পার্শী-শব্দে কবিতা লেখে, ও পা’ত-নেড়ে!’

    আনকোরা যত নন্‌ভায়োলেন্ট নন্‌-কো’র দলও নন্‌ খুশী।

    ‘ভায়োরেন্সের ভায়োলিন্‌’ নাকি আমি, বিপ্লবী-মন তুষি!

    ‘এটা অহিংস’, বিপ্লবী ভাবে,

    ‘নয় চর্‌কার গান কেন গা’বে?’

    গোঁড়া-রাম ভাবে নাস্তিক আমি, পাতি-রাম ভাবে কন্‌ফুসি!

    স্বরাজীরা ভাবে নারাজী, নারাজীরা ভাবে তাহাদের আঙ্কুশি!

    -কাজী নজরুল ইসলাম

    নাসিম স্নান করে তার ঘরে গিয়ে বসল। শায়লা ঘরে ঢুকে বললেন, “ভাল হয়েছে যা হয়েছে। দীর্ঘকালীন অপমানের থেকে এরকম হওয়াই ভাল। তুই মন খারাপ করিস না। আজ বিরিয়ানি করব। খাবি তো?”

    নাসিম বলল, “হ্যাঁ কর”।

    শায়লা নাসিমের পাশে বসে বললেন, “তেলে জলে মিশ খায় না। ভালবাসিস বা না বাসিস, সেটা বড় কথা না। একটা দেশে সংখ্যালঘু হয়ে থাকার অনেক জ্বালা। যে সে সংখ্যালঘু না, মুসলিম সংখ্যালঘু। তোর বাবা যতই পড়াশুনা করে থাকুক, ওর বাস্তববোধের অভাব আছে। যেখানে মেয়ের বাবা এতটা অ্যাক্টিভ হয়ে পড়েছে, মেয়ে নিজেও জানে না আদৌ তোকে ভালবাসে কি না, সেখানে দাঁড়িয়ে আমি বলব, যেটা হয়েছে, ঠিক হয়েছে। তোর সামনে গোটা ভবিষ্যৎ পড়ে আছে বাবু, এসব মাথায় নিস না”।

    নাসিম বলল, “হ্যাঁ, হ্যাঁ। তুমি ঠিকই বলেছো। চিন্তা কোর না, আমি ঠিক আছি”।

    শায়লা কয়েক সেকেন্ড নাসিমের দিকে তাকিয়ে চলে গেলেন।

    নীপা এল। নাসিমের পাশে বসে বলল, “দাদা, রাত্রিদিকে ফোন কর না। কী বলছে দেখ”।

    নাসিম বলল, “আমার কাছে ওর নাম্বার নেই”।

    নীপা বলল, “সত্যি?”

    নাসিম বলল, “হ্যাঁ। তাছাড়া যা হয়েছে ভালর জন্যই হয়েছে। মা ঠিক বলেছে। তেলে জলে কখনো মিল হয় না”।

    নীপা বলল, “তেলে জলের কী আছে? রিলেশনশিপে রিলিজিয়ন কবে দেখা হয় রে? কমিউনিস্ট পার্টি করছিস কেন তাহলে?”

    নাসিম বলল, “কমিউনিস্ট পার্টি করে তো ঈদ পালন করি। ঋপণদাও পুজো করে। শনি মন্দিরের সামনে মাথা নোয়ায়। আমরা ঠিক কমিউনিস্ট না। ধর্মকে অস্বীকার করতে পেরেছি কোথায়? আমরা কিচ্ছু পারি নি। ফেল করে গেছি বুঝলি”?

    নীপা বলল, “কিচ্ছু ফেল করিস নি। ফেলটা তখন করবি, যদি রাত্রিদিকে সত্যি ভালবেসেও শুধু ধর্ম আলাদা হবার জন্য বলতে না পারিস। ধর্ম কেন বাধা হবে দুজনের মধ্যে? রাত্রিদি তো কখনো ধর্মকে মাঝখানে আনে নি। ও হিন্দু বাড়ির মেয়ে হয়েও দিব্যি আমাদের সাথে মিশে গেছিল। তোর কী সমস্যা?”

    নাসিম বলল, “তুই বক্তৃতা না দিয়ে পড়তে যা। তোকে কিছু বলতে হবে না”।

    নীপা বলল, “কেন বলতে হবে না? তুইই বলিস না, মার্ক্স প্রশ্ন করতে শিখিয়েছেন? আমি প্রশ্ন করছি তোকে, কেন হবে না তোদের রিলেশনটা? যদি না হয়, তাহলে তুই এই সব করা ছেড়ে দে। মানুষের জন্য কাজ করবি না। ঘরে বসে থাক, পড়াশুনা কর, চাকরি কর। ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়াতে হবে না তোকে”।

    নাসিম বলল, “তুই যা। আমাকে একটু শুয়ে থাকতে দে। রাতে ঘুমাতে পারি নি। আবার সকালেও দৌড়লাম। ভাল্লাগছে না। যা তুই”।

    নীপা রেগে মেগে শব্দ করে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল।

    নাসিম চুপ করে শুয়ে রইল।

    রাত্রি যখন ছিল, একটা ভাললাগা ছিল। এখন নেই, কষ্ট হচ্ছে শুধু। তার অনুভূতি প্রথমে আসে না। ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। রাত্রিকে সে ভালবাসে বলে আগে অতটা ভাবে নি। এখন যে কষ্ট হচ্ছে, সেটা বুঝিয়ে দিচ্ছে, সে রাত্রিকে ভালবাসে। দেশভাগের পরও দুটো সম্প্রদায়ের মধ্যে একটা বড় দেওয়াল রয়ে গেছে। এই দেওয়াল একদিনে তৈরী হয় নি। বছরের পর বছর ধরে এই দেওয়াল তৈরী হয়েছে। এর দায় দুটো সম্প্রদায়েরই।

    ঘরে অসহ্য লাগছে। নাসিম উঠে বসল।

    ঘুরে আসা যাক বাইক নিয়ে।

    সে বেরোল।

    রাকিব ডাইনিং টেবিলে বসে ছিলেন।

    তাকে দেখে বললেন, “কোথায় যাচ্ছিস? রাত্রিদের বাড়ি?”

    শায়লা সেটা শুনে চলে এলেন, “তুমি ছেলেকে তাতাচ্ছো কেন? তুমি চাও ও যাক?”

    নাসিম মার দিকে তাকাল, “না না, আমি যাচ্ছি না। পার্টি অফিসে যাব”।

    রাকিব বললেন, “নীপাকে কী বলেছিস? রেগে গেছে মনে হল?”

    নাসিম বলল, “কিছু না”।

    শায়লা বললেন, “তুই ঘুরে আয়। আমার মাথা ধরার ওষুধটা শেষ হয়ে গেছে। নিয়ে আসিস এক পাতা”।

    নাসিম বলল, “ঠিক আছে”।

    রাকিব বললেন, “মেয়েটাকে ওর বাড়ির লোক অত্যাচার করতে পারে। আমার চিন্তা হচ্ছে”।

    শায়লা বললেন, “যা খুশি করুক। তুমি ভেবো না”।

    রাকিব নাসিমের দিকে তাকালেন।

    নাসিমের চোখ মুখ থম থম করছে।

    ২৬

    রাত্রিকে কোনমতে ঘুম পাড়াতে পেরেছেন তনয়া।

    বিজয়োল্লাসে ঘরের মধ্যে বসে চারদিকে জয়ের খবর হোয়াটস অ্যাপ করছেন প্রণয়।

    তনয়া রাত্রির ঘর থেকে বেরোতে প্রণয় বললেন, “একটা সুখবর আছে”।

    তনয়া ক্লান্ত গলায় বসলেন, “বলে ফেলো”।

    প্রণয় বললেন, “রাত্রি কুমারী। এটা ওর কথা শুনে যারা এসেছিল তারা বুঝেছে। ওরা হেড অফিসে জানিয়েছে। রাত্রির জন্য এবার একজন হিন্দু সুপাত্র দেখেছে ওরা”।

    তনয়া বললেন, “বাঙালি না অবাঙালি?”

    প্রণয় বললেন, “অবাঙালি। তাতে কী হয়েছে? বিহারে বাড়ি। কোন বাঙালি তোমার মেয়ের সব পাস্ট জেনে বিয়ে করবে হে?”

    তনয়ার মাথা ঝাঁ ঝাঁ করছিল। একটু থমকে বললেন, “এখন কম্প্যাটিবিলিটি ফ্যাক্টর কাজ করবে না? বাঙালি বিহারীতে বিয়ে হতে পারে, আর হিন্দু মুসলমানে বিয়ে হলেই সমস্যা?”

    প্রণয় বললেন, “তুমি কি চাও, ওই জেহাদীদের বাড়ি আমি মেয়ের বিয়ে দিই?”

    তনয়া বললেন, “মেয়ের বিয়ে দিতেই হবে এটা কোথায় লেখা আছে? মেয়েটা বিয়ে ছাড়াও তো ভাল থাকতে পারে, তাই না? না জেনে শুনে কোথাকার কোন ছেলের গলায় মেয়েকে ঝোলাতে যাবোই বা কেন? আমাদের মেয়ে কি বোঝা?”

    প্রণয় বললেন, “তোমাকে অত বোঝাতে পারবো না। আমার গ্রুপের যারা আছে, তারা সবাই বলছে রাত্রির এখন হিন্দু সুপাত্র দেখে বিয়ে দিয়ে দেওয়াই মঙ্গল। নইলে ওই ছেলে আবার চলে আসবে”।

    তনয়া বললেন, “যদি জোর করে কিছু কর, তখন ওই বিহারীর সঙ্গে বিয়ের পর তোমার মেয়ে যদি মুসলমান ছেলের সঙ্গে পালিয়ে যায়, তখন তোমার মুখ রক্ষা হবে তো?”

    প্রণয় বললেন, “এসব কথা তোমার মাথায় কে ঢুকিয়েছে? রাত্রি বলেছে ওই কাটার বাচ্চা মোল্লার সঙ্গে ও পালাবে?”

    তনয়া বললেন, “যদি নাও বা পালাত, তুমি যেমন যাত্রা দলের রাবণের মত শুরু করেছো, তাতে আমার মনে হচ্ছে ও সত্যি সত্যিই পালিয়ে যাবে”।

    প্রণয় চিৎকার করতে যাচ্ছিলেন। তনয়া ঠোঁটে আঙুল দিয়ে বললেন, “একদম কথা বলবে না। চিৎকার করবে না। তুমি যদি বাড়িতে সীন ক্রিয়েট কর, আমি মেয়েকে নিয়ে বাড়ি ছেড়ে চলে যাব। দরকার হলে রাস্তায় থাকব, কিন্তু এ বাড়িতে ফিরব না। মেয়েটা সবে ঘুমিয়েছে। যদি জেগে যায়, তাহলে তোমার একদিন কি আমার একদিন”।

    প্রণয় গুম হয়ে বসে রইলেন।

    কিছুক্ষণ পর বললেন, “খিদে পেয়েছে”।

    তনয়া বললেন, “নিজে ভাত বসিয়ে খাও। খুব বুকনি মারছিলে না মোল্লারা মেয়েদের স্বাধীনতা দেয় না বলে। তুমি এক কাজ কর, আজ থেকে আমায় স্বাধীন করে দাও। নিজে রান্না করবে, নিজে খাবে। বাথরুম পরিষ্কার করবে, ঘর ঝাঁট দেবে, বাসন মাজবে, কাপড় কাচবে, ঘর মুছবে, সব নিজে নিজে করবে”।

    প্রণয় বললেন, “খুব রাগ মনে হচ্ছে তোমার মেয়েটাকে কাটা বাড়িতে বিয়ে দিই নি বলে?”

    তনয়া বললেন, “আমার রাগ নিয়ে তোমাকে ভাবতে হবে না। তুমি নিজে রেঁধে খাও। আমাকে বলতে আসবে না”।

    প্রণয় উঠে রান্নাঘরে গেলেন। ভাতের হাঁড়ি দেখলেন। সামান্য ভাত পড়ে আছে।

    আবার বসার ঘরে এসে বললেন, “তুমি আমার ভাত কর নি?”

    তনয়া বললেন, “না। করি নি। আজ থেকে করব না। ওই মোবাইলটা যতদিন তোমার হাতে থাকবে, আমি তোমার কোন ফাইফরমাশ খাটব না। মোবাইলটা ফেলে দাও, তারপরে দেখছি”।

    প্রণয় বললেন, “তাহলে আমি সবার সঙ্গে যোগাযোগ করব কী করে?”

    তনয়া বললেন, “করবে না। যেখান থেকে ক্রমাগত বিষ আসছে, সেটা বন্ধ হয়ে গেলে ভাল হবে। কারো কোন ক্ষতি হবে না। তুমিও সুস্থ হবে”।

    প্রণয় রেগে গেলেন, “আমি অসুস্থ?”

    তনয়া বললেন, “নিজেকে আয়নায় দেখো। বুঝে যাবে তুমি ঠিক কী? আজ থেকে পাঁচ বছর আগে কী ছিলে, আর এখন কী অবস্থা হয়েছে তোমার? সারাক্ষণ ছায়ার সঙ্গে যুদ্ধ করে চলেছো”।

    বাড়ির সামনে একটা গাড়ি এসে দাঁড়াল। তনয়া দেখলেন তার দিদি, জামাইবাবু সব গাড়ি থেকে নামছেন।

    তনয়া বললেন, “হয়ে গেল। যাও বাজার নিয়ে এসো। বাড়িতে এবার সার্কাস শুরু হবে। খবর পেয়ে এই লকডাউনের মধ্যে গাড়ি ভাড়া করে চলে এসেছে। পারেও বটে!”

    ২৭

    শায়লা রান্না বসিয়েছেন।

    রাকিব ক্লাস করাচ্ছেন। নীপা তার ঘরে গিয়ে বইতে মুখ গুঁজেছে।

    নাসিম বেরোল। এ পাড়া সে পাড়া বাইক নিয়ে ঘুরে দেখল আরো অসহ্য লাগছে। মায়ের ওষুধ নিয়ে এসে নিজের ঘরে চুপ করে শুয়ে পড়ল।

    ঋপণের বাইকের হর্ন শুনেও উঠল না।

    নীপা তার ঘরে এসে বলল, “ঋপণদা এসেছে। যাবি না?”

    নাসিম বলল, “ভাল লাগছে না”।

    নীপা বাড়ির বাইরে গেল। ঋপণদাকে তার ভারি ভাল লাগে। বলতে পারে নি। একে দাদার কমরেড। তার উপরে ভীষণ গম্ভীর মানুষ। তাকে দেখলে কেমন দাদাগিরি করতে শুরু করে। অথচ ভাল করে সেটা করতে পারে না। নীপার হাসি পেয়ে যায়।

    নীপাকে দেখে ঋপণ বলল, “কোথায় গেল নাসিম? ডাক। এখনই বেরোতে হবে”।

    নীপা বলল, “দাদা শুয়ে আছে। আসবে না মনে হয়”।

    ঋপণ বলল, “কেন রে? মেয়েটা চলে গেছে বলে”?

    নীপা বলল, “তা হবে”।

    ঋপণ বলল, “মহা জ্বালা হল তো। আমি একা অক্সিজেন সিলিন্ডার বইব না বাইক চালাবো?”

    নীপা বলল, “তুমি গিয়ে বল। দেখো যদি যায়”।

    ঋপণ বাইক স্ট্যান্ড করে বলল, “অগত্যা…”

    নাসিম শুয়েই ছিল। ঋপণ বলল, “কী রে? এরকম নেতিয়ে গেলি কেন?”

    নাসিম বলল, “আজকের দিনটা ম্যানেজ দাও প্লিজ। ভাল লাগছে না”।

    ঋপণ বলল, “সেটা তো খুব ভাল করে বুঝেছি। কিন্তু এভাবে শুয়ে থাকলে কি খারাপ লাগাটা কমবে? কী মনে হয় তোর?”

    নীপা উঁকি মারল, “চা খাবে ঋপণদা?”

    ঋপণ বলল, “না রে। রুগী মরণাপন্ন। সেফ হাউজে নিয়ে যেতে হবে। তোর দাদা এভাবে শুয়ে থাকলে কী হবে কে জানে”।

    নাসিম উঠে জামা পরে বলল, “চল”।

    ঋপণ খুশি হল, “এই তো। সোনা ছেলে। চল চল”।

    নাসিম বেরোল।

    ঋপণ বাইকের কাছে এসে বাইক স্টার্ট দিল।

    নাসিম ঋপণের পিছনে বসল।

    খানিকটা রাস্তা যাওয়ার পর ঋপণ বাইক থামিয়ে বলল, “তুই মেয়েটাকে ভালবাসিস। এটা বুঝে গেছিস। কোন কনফিউশন নেই আর। এবার মেয়েটাকে বলে দে”।

    নাসিম মাথা নাড়ল, “ধুস। অনেক অশান্তি। মা ভয় পাচ্ছে। গেরুয়া পার্টি ইনভলভ হয়ে গেছে। গ্রামের কয়েকজন আবার বলছে ওকে কনভার্ট করাতে হবে। সব মিলিয়ে ঘেঁটে যাবে ব্যাপারটা। ছেড়ে দাও”।

    ঋপণ বলল, “মামাবাড়ি আর কী! এটা কি ইয়ার্কি হচ্ছে? তোরা যদি ঠিক থাকিস, কোন হনু কিছু করতে পারে নি। দেশটা এখনো গুজরাট বা আফগানিস্তান হয়ে যায় নি”।

    নাসিম ঋপণের দিকে তাকিয়ে ম্লান হাসল, “এই জন্যই আমরা জনবিচ্ছিন্ন হয়ে গেছি বুঝলে? তুমি বোঝো না এখনো? মানুষ অনেক পাল্টে গেছে। এরা আমাদের থেকে সাহায্য নেবে ঠিকই। তবে এরা আমাদের নয়। অনেক কিছুই পাল্টে গেছে কমরেড। চিনি না, জানি না, এমন লোকেদের নিয়ে ওর বাবা আমাদের বাড়ি চলে এল। তারা বাঙালিও নয়। কোথাকার লোক কে জানে। যাক গে, চল। যাই”।

    ঋপণ বলল, “জনবিচ্ছিন্ন হয়েছি নাকি জানি না। তবে আমার আজকাল মনে হয় আমাদের পার্টি দিন দিন মরে যাচ্ছে। জনগণতান্ত্রিক বিপ্লব আনতে হলে কী দরকার জানিস? মার দরকার। পার্টি এখন সেই লাইনে চলে না। সারাক্ষণ শুধু সম্মেলন আর শান্তির জল ছিটিয়ে যাচ্ছে। ইচ্ছা করে সব ছেড়েছুড়ে দিই। কিন্তু কোথায় যাব? মানতে পারি না কোন কিছুই। শাসকের আস্ফালন একদিকে, অন্যদিকে জাতের নামে বজ্জাতি। এই কোভিডের সময় পেরিয়ে গেলে আমরা কী করব? যারা এখন ঘরে চুপ করে বসে আছে, তারা পিল পিল করে বেরিয়ে নেতাগিরি শুরু করে দেবে, আর আমরা তখনও কিছু করব না। আর কারো সঙ্গেই তো মেলে না আমাদের, যাদের সঙ্গে মেলে, তারাও যদি এরকম ভুল ভাল কাজ করতে শুরু করে, আমরা কোথায় যাই বল?

    নাসিম বলল, “মানুষ আমাদের আর ভোট দেবে না বল?”

    ঋপণ বাইক স্টার্ট দিল, “না দিলেই বা কী? চল। দেরী হয়ে গেল”।

    ২৮

    বৃষ্টি শুরু হয়েছে। খানিকক্ষণ আগেই রোদ ছিল।

    পাড়ার কৌতূহলী মহিলারা ঠেক বসিয়েছিল। তনয়া স্বস্তির শ্বাস ছাড়লেন। ভাগ্যিস বৃষ্টি হল। নিশ্চয়ই রাত্রিকে নিয়েই আলোচনা হচ্ছিল। অনেক দিন পরে একটা ভাল বিষয় পেয়েছে পাড়ার মানুষ। এই কোভিডের সময়েও সবাই জড়ো হয়ে গেছিল।

    রসালো আলোচনা করবে।

    রুমা বার বার রাত্রির ঘরে যাবার চেষ্টা করেছেন। তনয়া অত্যন্ত কড়া হাতে নিজের দিদিকে সামলাচ্ছেন। ঠিকই করেছেন রাত্রির ঘুম কিছুতেই ভাঙাতে দেবেন না।

    জামাইবাবু বিজন এসে প্রণয়ের সঙ্গে উত্তেজিত কথা বার্তা বলছেন। মাংস ভাত হবার প্ল্যান পর্যন্ত হয়ে গেছে।

    এত বড় জয় পাওয়া গেছে। কম কথা না।

    সন্ধ্যা নামলে রাত্রির ঘরে ঢুকে তনয়া দেখলেন রাত্রি সিঁটিয়ে শুয়ে আছে।

    আলো জ্বালিয়ে রাত্রিকে ডাকলেন।

    রাত্রি চোখ খুলল।

    তনয়া বললেন, “এখন একটু ভাল লাগছে? মাসী মেসো সব এসেছে। পারবি বাইরের ঘরে যেতে?”

    রাত্রি ভাঙা গলায় বলল, “কেন এসেছে?”

    তনয়া বললেন, “তোকে দেখতে”।

    রাত্রি বলল, “আমি বাইরে যাবো না। ভাল লাগছে না”।

    তনয়া বললেন, “ঠিক আছে। তুই শুয়ে থাক”।

    রাত্রি বলল, “মাথা ধরেছে খুব। কোন ওষুধ থাকলে দিও”।

    তনয়া রাত্রির কপালে হাত দিলেন। জ্বর আছে। বললেন, “আর সব ঠিক আছে তো?”

    রাত্রি বলল, “ভীষণ গায়ে হাত পায়ে ব্যথা করছে”।

    তনয়া চিন্তিত মুখে বললেন, “তুই শো। আমি দেখছি”।

    ড্রইং রুমে প্রণয় আর বিজন গল্প করছিলেন।

    তনয়া বললেন, “মেয়ের জ্বর এসেছে। মাথা ব্যথা। গা হাত পাও ব্যথা। কী করবে, ঠিক কর। বাইরের কতগুলো অচেনা অজানা লোকের সঙ্গে গাড়িতে উঠেছো। দেখো এবার কী হুয়”।

    তনয়ার কথা শুনে সঙ্গে সঙ্গে বিজন উঠে দাঁড়ালেন, “সে কী? জ্বর এসেছে মানে? আমি তো গাড়িও ছেড়ে দিলাম”।

    তনয়া হাসলেন, “আমি তো আপনাকে নেমন্তন্ন করে আনি নি জামাইবাবু। এই মহামারীর সময়ে আপনি এসেছেন, কিন্তু যদি আমার মেয়ের থেকে আপনাদের কিছু হয়, আমাকে দোষ দিতে পারবেন না”।

    প্রণয় বললেন, “অজানা লোকের গাড়ি আবার কী? ও মোল্লা বাড়িতে গেছিল। ওদের কোন মানা মানি আছে নাকি? ওখান থেকেই নির্ঘাত রোগ বাঁধিয়েছে”।

    তনয়া ঠান্ডা গলায় বললেন, “তোমার মেয়ে। তুমি নিজে লোক জন জড়ো করে নিয়ে এসেছো। এবার কিছু হোক না হোক, টেস্ট করাও। ডাক্তার দেখাও”।

    প্রণয় হতবুদ্ধি হয়ে মোবাইল নিয়ে ঝড়ের গতিতে বেরিয়ে গেলেন।

    বিজন বিড় বিড় করতে শুরু করলেন, “মহা জ্বালা হল তো! আমার সুগার আছে। এবার কী হবে? রুমা আমাকে নিয়ে এল”।

    পকেট থেকে একটা ছোট স্যানিটাইজারের বোতল বের করে বিজন হাতে গাদা গুচ্ছের স্যানিটাইজার বের করে মেখে ফেললেন। রুমাকে চিৎকার করে ডাকতে শুরু করলেন।

    রুমা ছুটে এলেন, “কী হল?”

    বিজন বললেন, “তুমি জোর করে নিয়ে এলে। মেয়ের এখন নাকি জ্বর। মাথা ব্যথা। সবই তো কোভিডের সিম্পটম। এবার কী হবে?”

    রুমা চোখ বড় বড় করে তনয়ার দিকে তাকিয়ে বললেন, “তুই আমাকে বলবি না? তোর জামাইবাবুর যদি কিছু হয়?”

    তনয়া মাথা ঠান্ডা রাখতে পারলেন না আর। বললেন, “কী বলতে হবে তোকে? আর কী বলার আছে বল তো? আমাকে জিজ্ঞেস করে এসেছিস তোরা? আর আমি কি জানতাম প্রণয় ওই বাড়ি থেকে মেয়েকে নিয়ে চলে আসবে?”

    রুমা কাঁদো কাঁদো চোখে বিজনের দিকে তাকালেন।

    প্রণয় ঘরে ঢুকে বললেন, “কাল সকালে লোকাল হাসপাতালে লাইন দিতে হবে। আগে সোয়াব টেস্ট করুক। ডাক্তার দেখানোই ভাল। রতনদাকে ফোন করেছিলাম। উনি বললেন একটু অপেক্ষা করতে হবে, কিন্তু টেস্ট করে দেবে। দুদিন পরে রেজাল্ট পাওয়া যাবে। এটা ওই মোল্লা বাড়ি থেকে এসেছে। আমার মেয়ের কিছু হলে আমি কাউকে ছাড়ব না। সবাইকে এক এক করে দেখে নেব”।

    লাফাতে শুরু করলেন প্রণয়। তনয়া দেখলেন বিজন আবার স্যানিটাইজার বের করে কনুইতে মাখছেন।

    ২৯

    রাকিব বই পড়ছিলেন।

    ক্লাস নেই।

    শায়লা এলেন।

    রাকিব শায়লার দিকে তাকিয়ে বললেন, “নাসিম কি বেরিয়েছে?”

    শায়লা চেয়ার টেনে বসে বললেন, “হ্যাঁ। ঋপণ এসে নিয়ে গেল। তুমি এবার নাসিমকে বোঝাও। ও অহেতুক মন খারাপ করছে”।

    রাকিব বইটা টেবিলের ওপর রেখে বললেন, “কী বোঝাবো?”

    শায়লা বললেন, “তেলে জলে মিশ খায় না, সেটা বোঝাও। আবার কী বোঝাবে? এটাও তোমাকে খুলে বলতে হবে?”

    রাকিব বললেন, “আমি তো সেটা বোঝাবো না”।

    শায়লা অবাক হলেন, “মানে?”

    রাকিব বললেন, “আমি বোঝাবো, যদি ওরা দুজন দুজনকে সত্যিই ভালবাসে, তাহলে বাকি সব কিছু ভুলে যাওয়াই ভাল”।

    শায়লা রেগে গেলেন, “তোমার কি মাথা খারাপ হয়ে গেছে?”

    রাকিব বললেন, “না। একবারেই মাথা খারাপ হয় নি। তবে যেখানে কোন পাপ নেই, সেখানে আমার ছেলেকে অহেতুক দোষী ভাবতে আমার সমস্যা আছে। সংখ্যাগুরুর আস্ফালন এখানে বসে সহ্য করবই বা কেন? তুমি তোমার ধর্ম পালন করেছো, সব কিছু মেনে চলেছো, আমি কিছু বলি নি। আমাকে ইমাম থেকে শুরু করে সবাই বার বার বলেও জোর করে ধর্ম পালন করাতে পারে নি। আমি আমার মত চলেছি। সেই আমি কি করে আমার ছেলেকে ভুল শিক্ষা দিতে যাব? কী আনন্দে?”

    শায়লা বললেন, “তোমাকে কিছু বলাটাই ভুল হয়েছে আমার”।

    রাকিব বললেন, “ঠিক আর ভুল যতক্ষণ না আমরা আলাদা করে চিহ্নিত করতে পারবো, ততদিন এটাই হয়ে চলবে। কাউকে ভালবাসতে হলে যদি মানুষকে তার জাত, পাত, ধর্ম, সব আলাদা করে ভেবে তারপর ভালবাসতে হয়, তবে সেটা ভালোবাসা হয় কী করে?”

    শায়লা বললেন, “ভালবাসতে হবে না। দরকার নেই ভালবাসার। যে ভালবাসায় আমাদের বাড়িতে যে কোন সময় অচেনা অজানা লোকেরা এসে হামলা করতে পারে, সেরকম ভালবাসায় দরকার নেই। তুমি জানো সকালে আমি কতটা ভয় পেয়ে গেছিলাম। কেন, তুমি ভয় পাও নি?”

    রাকিব বললেন, “কেন ভয় পাবো? আমরা চুরি করেছি না ডাকাতি করেছি?”

    শায়লা বললেন, “তা না। আমাদের বাড়ির ব্যাপারটা নিয়ে দাঙ্গা লেগে যেতে পারে। ওরা তো এসে আমাকে বলেও গেলে, প্রয়োজনে রাত্রির বাড়ি গিয়ে রাত্রিকে তুলে নিয়ে আসবে। অনেক কষ্টে আটকাতে পেরেছি সেটা”।

    রাকিব বললেন, “সেটা তুমি ঠিকই করেছো। কিন্তু নাসিমের কোন দোষ নেই। তাই ওকে বোঝানোরও ব্যাপার নেই”।

    শায়লা বললেন, “আমি তোমাদের জ্বালায় একদিন পাগল হয়ে যাবো, জানো তো? এতদিন শুনে এসেছি তোমার বর নামাজ পড়ে না কেন, রোজা রাখে না কেন, এখন শুনতে হবে হিন্দু বাড়ির মেয়েকে আমার ছেলে তুলে নিয়ে এসেছে”।

    রাকিব হেসে ফেললেন, “তুমি ওভার থিংক করছো। স্টপ ওভার থিংকিং। বেশি ভাবলে কাজের কাজ কিছু হয় না। সময় দাও, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সব ঠিক হয়ে যাবে। ফেসবুকে দেখছিলাম কয়েকটা প্রোফাইল থেকে ক্রমাগত হিন্দু মুসলিম করে যায়। ওরা আমরা। কী সব বিষমাখা তীর একে অপরের দিকে মেরে যাচ্ছে সারাক্ষণ ধরে। এই ফাঁদে যেন নাসিম না পড়ে সেটা দেখো। এ রাজ্যের কমিউনিস্ট পার্টির অনেক দোষ আছে। গুণটা হল এরা ধর্ম সম্পর্কে মানুষকে উদাসীন বানিয়ে রাখতে পেরেছিল। এ রাজ্যে কখনো ভাবতে হয়নি দিল্লি থেকে নেতা এসে দলিতের বাড়িতে ভাত খাবে। আমরা দলিত ব্যাপারটা নিয়েও তো ভাবতাম না কোন কালে। রাজনীতিতে যখন ধর্ম মুখ্য হয়ে দাঁড়ায়, তখন বুঝতে হয় রাজনীতিকদের ক্ষমতা শেষ হয়ে গেছে। তারা আসলে রাজ্যের ভাল চায় না। ধর্মের বিষ ছড়িয়ে ভোট পাওয়ার ধান্দা করছে। ব্রিটিশরা শুধু ধর্মে ধর্মে আগুন লাগিয়ে এত বছর ক্ষমতায় থেকে গেল”।

    শায়লা বললেন, “উফ, এত জ্ঞান না দিয়ে তুমি আমাকে বল তো আমি কী করব?”

    রাকিব বললেন, “কিচ্ছু করবে না। চুপ করে দেখে যাও আমাদের ছেলে কী করে। বুঝলে?”

    শায়লা মুখ কালো করে বললেন, “আমার তোমার কাছে আসাটাই ভুল হয়েছে। একটা ঠিক ঠাক বুদ্ধি যদি দিতে পারো তুমি”।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিছুক্ষণ – অভীক দত্ত
    Next Article যেখানে দেখিবে ছাই – অভীক দত্ত

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }