Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রেমিক – অভীক দত্ত

    লেখক এক পাতা গল্প137 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    প্রেমিক – ৩৫

    ৩৫

    চেম্বারেও কম ভিড় ছিল না। নাসিম আগে থেকে বলে রেখেছিল বলে বেশিক্ষণ সময় লাগল না।

    লক্ষণ দেখে ডাক্তার বরাট ওষুধ লিখে দিলেন।

    ওষুধ কিনে বাড়ি ফেরার সময় তনয়া দেখলেন নাসিম দূরে দাঁড়িয়ে আছে। আর ডাকলেন না। কষ্ট হচ্ছিল ছেলেটার জন্য।

    রাত্রি বাড়ি এসে শুয়ে পড়ল। কিছু খাইয়ে জ্বরের ওষুধ খাওয়াতে বলেছিলেন ডাক্তার। তনয়া অনেক মিনতি করে খুব সামান্য কিছু খাওয়াতে পারলেন।

    প্রণয় বাড়ির ভেতরে লুঙ্গি পরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। মাঝে মাঝেই থার্মাল গান নিজের মাথায় তাক করে টেম্পারেচার দেখছেন।

    তনয়াকে বললেন, “কী বলল ডাক্তার? করোনা হয়েছে?”

    তনয়া বললেন, “নিজে গিয়ে জিজ্ঞেস করে আসতে পারতে। এখন আমাকে জিজ্ঞেস করছো কেন?”

    প্রণয় বললেন, “আমি গুরুজীকে বলেছি বুঝলে। উনি বললেন খুব ভোরে উঠে কোন কামধনুর পিওর গো মূত্র যদি খাওয়ানো যায়, তাহলে করোনা হবে না। আমি তো ভাবছি কাল নিজেই খেয়ে আসব। রাত্রির জন্যও নিয়ে আসব”।

    তনয়া অনেক কষ্টে নিজেকে সামলে বললেন, “একদম না। তুমি নিজেও খাবে না। মেয়েকেও এসব আমি খাওয়াতে দেব না। আর দেখো, অনেক যন্ত্রণা দিয়েছো, আর বেশি যন্ত্রণা দিলে তোমার ওই ফোনটা আমি একদম আগুনে পুড়িয়ে দেব। যদি না করেছি তাহলে তোমার একদিন কি আমারই একদিন”।

    প্রণয় বললেন, “বশীকরণ করেছে তোমায় ওই মোল্লা ফ্যামিলিটা। তোমাকেও করেছে। রাত্রিকেও করেছে। কিছু খাইয়ে দিয়েছে নিশ্চয়ই ভাতের সঙ্গে। ওদের মধ্যেও অনেক গুণীন আছে। তুমি জানো না”।

    তনয়া বললেন, “তুমি এগুলোও বিশ্বাস করা শুরু করেছো? দিন দিন তো তোমার খুব উন্নতি হচ্ছে! শেষে তোমার জন্য আমাকে এসবও বিশ্বাস করতে হবে নাকি?”

    প্রণয় বললেন, “গুরুজী বললেন তো, ত্রিকালদর্শী উনি। একসঙ্গে সব কাল দেখতে পারেন”।

    তনয়া বললেন, “সব ভণ্ড। এদের কাজ হল মানুষে মানুষে দাঙ্গা লাগানো। শোন, তোমার এই গুরুজী, বাবাজী বা যা যা আছে, হ্যাঁ, ওই গোমূত্র, গোবর ধরেই বলছি, এই সব কিছু আমার মেয়ের সুস্থ হওয়া অবধি যেন এ বাড়িতে না ঢোকে। যদি ঢোকে, তাহলে আমি সব জ্বালিয়ে দেব। তোমার এসব অনেক সহ্য করেছি। আজ তো ওই ছেলেটার সঙ্গেও দেখা হল। ওই ডাক্তার বরাটের সঙ্গে কথা বলিয়ে দিল। অত্যন্ত ভদ্র ছেলে”।

    প্রণয় হতভম্ব হয়ে তনয়ার দিকে তাকিয়ে বললেন, “তুমি ওই ছেলের সঙ্গে কথা বলেছো? তোমার এত সাহস? আমার বাড়িতে থেকে তুমি ওই মোল্লাদের সঙ্গে কথা বললে?”

    তনয়া বললেন, “তোমার বাড়ি? উদয়াস্ত পরিশ্রম করে রান্না করে ঘর সাজিয়ে সব আমি করব, আর তোমার বাড়ি হয়ে গেল? তোমাকে বললাম তো, এই নিয়ে তোমার সঙ্গে আমি কোন কথা বলব না। শুধু জেনে রেখো, আমার কাছে সবার আগে আমার মেয়ে। তারপরে তুমি”।

    প্রণয় বললেন, “ওই ছেলে যদি এ বাড়ির ধারে কাছে আসে, মনে রাখবে আমি গুণ্ডা দিয়ে ওর হাত পা ভেঙে দেব”।

    তনয়া বললেন, “নাসিমের বয়েই গেছে এ বাড়িতে আসতে। ও না থাকলে লাইনটা কে দিত শুনি? নিজে তো বাড়িতে বসে নাটক করে যাচ্ছো। স্বার্থপর অপদার্থ একটা লোক”।

    প্রণয় লাফাতে শুরু করলেন, “মোল্লা বশ করেছে তোমায়। আমি এবার গুরুজীর সঙ্গে কথা বলবই”।

    প্রণয় ফোন নিতে গেলেন।

    তনয়া এবার প্রণয়ের হাত থেকে ফোনটা নিয়ে সজোরে দেওয়ালে ছুঁড়ে মারলেন। ফোনের স্ক্রিণটা ভেঙে গেল।

    প্রণয় তনয়ার দিকে একবার তাকিয়ে আর ভেঙে যাওয়া ফোনের দিকে তাকিয়ে বাড়ি থেকে বেরোতে যাচ্ছিলেন।

    বাড়ির বাইরে কতগুলো ছেলে আড্ডা মারছিল। তনয়া তাদের বলল, “এই ছেলেরা, আমাদের বাড়িতে করোনা হয়েছে। তোমাদের কাকু দেখো করোনা নিয়ে বাড়ির বাইরে বেরোতে যাচ্ছে”।

    ছেলেগুলো হৈ হৈ করে উঠল।

    প্রণয় তনয়ার দিকে হতভম্ব হয়ে তাকিয়ে বললেন, “এটা তুমি কী করলে? পাড়ার লোক এবার আমাদের একঘরে করবে”।

    তনয়া বললেন, “বেশ করবে। তোমার মত উন্মাদ লোকের ওষুধ এটাই”।

    ৩৬

    নাসিম স্নান করে ঘরে ঢুকে চুপ করে বসে ছিল।

    নীপা নাসিমের ঘরে ঢুকে বলল, “কী রে দাদা? তুই এত চুপ করে গেলি কেন? মুড ঠিক আছে তোর?”

    নাসিম বলল, “হ্যাঁ ঠিক আছে। কোন সমস্যা নেই”।

    নীপা বলল, “রাত্রিদির সঙ্গে কথা হয়েছে?”

    নাসিম বলল, “না না, কথা হবে কী! ওর জ্বর হয়েছে। কোভিড টেস্ট করালো”।

    নীপা চমকে উঠে বলল, “সেকী রে! এসব কখন হল? কালকেই তো এখান থেকে গেল”।

    নাসিম বলল, “জানি না। কাল এখান থেকে গিয়ে জ্বরে পড়েছে বোধ হয়। শুনলাম, খুব মাথা ধরে আছে”।

    নীপা বলল, “এত তাড়াতাড়ি কি কোভিড হয় নাকি? এখান থেকে যাওয়ার সময় অবধি তো ঠিকই ছিল”।

    নাসিম বলল, “এখান থেকে যাবার পর কী কী ফেস করতে হয়েছে ওকে, সেসব তো জানি না। আর কোভিড হয়েছে নাকি সেটা তো কনফার্ম না, জাস্ট সন্দেহ। তবে আজকাল যা অবস্থা, ওই টেস্ট করতে গেলেও মানুষের সংক্রমণ হয়ে যাচ্ছে। আমি ওর হয়ে লাইন দিয়ে এলাম। আমার থেকে দূরেই থাক এখন”।

    নীপা বলল, “তুই লাইন দিলি? বলিস কী? ওর বাবা কিছু বলল না?”

    নাসিম বলল, “ওর বাবা ছিল না। থাকলে বলত নিশ্চয়ই”।

    নীপা বলল, “ওর বাবাটা কেমন যেন বল?”

    নাসিম বলল, “সবাই কেমন যেন? সিস্টেমটাই কেমন যেন। ওসব নিয়ে ভাবিস না তুই। ঘরে যা”।

    নীপা বলল, “তোর কোন অস্বস্তি হচ্ছে না তো? চা করে দেব?”

    নাসিম বলল, “সে দে। আমি ক’টা দিন বাইরের ঘরে থাকি”।

    নীপা বলল, “থাক। আর শোন, এমনি জ্বরও হতে পারে। এখন সাধারণ জ্বরকেও লোকে কোভিড ভেবে নিচ্ছে”।

    নাসিম বলল, “এখন সাধারণ জ্বর হলে লোকের ইমিউনিটি কমে যাচ্ছে। কিন্তু কোন গ্যাদারিং থেকে জিনিসটা শরীরে এসে যাচ্ছে”।

    নীপা বলল, “হতেই পারে। কাল ওর বাবা যাদের নিয়ে এসেছিল, লোকগুলো কেমন যেন। একজনেরও মাস্ক ছিল না”।

    নাসিম বলল, “সব কিছু থেকেই রোগটা হবার চান্স আছে। যাক গে, তুই চা করলে দিস। আমি শুই কিছুক্ষণ”।

    নীপা রান্নাঘরে গেল। শায়লা রান্না করছিলেন।

    নীপাকে দেখে বললেন, “কী হল? দাদা কী বলছে?”

    নীপা বলল, “রাত্রিদির শরীর ভাল না”।

    শায়লা বললেন, “নাসিম কী করে জানল?”

    নীপা বলল, “কোভিড টেস্ট করাতে গেছিল রাত্রিদি। ওখানে দেখা হয়েছে”।

    শায়লা বললেন, “আমার আর ভাল লাগে না। পারলে তোদের সবক’টাকে ছেড়ে যদি কোথাও চলে যাওয়া যেত, আমি যেতাম। তুই কালকে দেখলি ওর বাবা কী করল এখানে এসে, এখন নাসিম হ্যাংলার মত আবার চলে গেল?”

    নীপা বলল, “ওর বাবা ছিল না। আর দাদা তো রেড ভলান্টিয়ার। কারো কোন সমস্যা হলে যাবে না কেন?”

    শায়লা বললেন, “যাবার দরকার নেই। কোথাও যেতে হবে না। এই রেড ভলান্টিয়ারগিরিও করতে হবে না। ঘরের খেয়ে বোনের মোষ তাড়াবে, তারপর লোকে জিরো জিরো বলে খ্যাপাবে। সব লোক ধান্দাবাজ। নিজের ছাড়া কেউ কিচ্ছু বোঝে না। আমাদের যখন বিপদ হবে, দেখবি কেউ আসবে না। ওই পার্টির লোকও আসবে না”।

    নীপা বলল, “বিপদ মানে? কী বিপদের কথা বলছ?”

    শায়লা দাঁড়িয়ে পড়লেন, “কী বিপদ? কী বিপদ হতে পারে তোর কোন ধারণা আছে? চেনা জানা মানুষেরাই কীভাবে পাল্টাতে পারে তুই জানিস? গুজরাটে কী হয়েছিল? একজন গর্ভবতী মেয়ের পেটে ওরা তলোয়ার চালিয়ে দিয়েছিল”।

    শায়লা চোখ বন্ধ করে দাঁড়িয়ে রইলেন।

    নীপা বলল, “খামোখা চিন্তা করছ মা। এসব কিছু হবে না এখানে”।

    শায়লা বললেন, “পৃথিবীর কোন জায়গাই কোন বাবা মায়ের কাছে তার সন্তানের জন্য আর নিরাপদ না। সেটা এ দেশ হল বা ইউরোপ আমেরিকা হোক। আমি তোদের বার বার বলেছি, আমি চাই না, নাসিম এটায় জড়িয়ে পড়ুক। আসলে কিন্তু ও পুরোপুরি জড়িয়ে গেছে। তোর বাবাকে তো বুঝিয়ে উঠতে পারি না, উনি যতই পড়াশুনা করুন, অন্য লোকেদের কাছে মুসলমান মানেই টেরোরিস্ট”।

    নীপা বলল, “আহ। তুমি ভীষণ স্যাডিস্ট”।

    শায়লা বললেন, “বাধ্য হয়ে হয়েছি। দেখছি তো চারপাশটা। যাক গে, রাত্রি মেয়েটার জন্যও তো খারাপ লাগছে। তাও সেটাতেও ভয় লাগে। শুনছিলি তো ওর বাবা কী বলছিল?”

    নীপা বলল, “বলুক না। তাতে কী হয় মা? তোমার খারাপ লাগছে সেটা শুনে বরং আমার ভাল লাগল”।

    শায়লা বললেন, “চুপ কর। পাকা মেয়ে কোথাকার”।

    নীপা হেসে ফেলল।

    ৩৭

    “বউ কথা না শুনলে বা বেয়াদবি না করলে তালিবানরা কী করে জানো? মাথায় গুলি করে দাও। তোমার কপাল ভাল তুমি হিন্দু ঘরে বিয়ে করেছো”।

    রাত্রিকে সবে ঘরে শুইয়ে দিয়ে এসে তনয়া বসার ঘরে এসে কথাগুলো শুনলেন।

    থমকে দাঁড়িয়ে বললেন, “এক কালে বর মরলে হিন্দুরা বউকে চিতায় চড়িয়ে দিত। সেটা বন্ধ হয়েছে। তা বলে কি সেটাকে ভাল বলব? কোন ধর্ম এগিয়েছে, কোন ধর্মের একটা অংশ এগোয় নি। তা বলে কিছু না জেনে, না বুঝে তোমার মত অসভ্যতা করতে হবে?”

    প্রণয় বললেন, “তুমি আমার ফোন ভেঙে দিলে। আমি গুরুজীর সঙ্গে যোগাযোগ করব কীভাবে?”

    তনয়া বললেন, “বেশ করেছি তোমার ফোন ভেঙে দিয়েছি। চেষ্টা কর এবার স্বাভাবিক হবার। নিজে বুঝতে পারছো না তুমি কী করছো?”

    প্রণয় বললেন, “তুমি বুঝতে পারছো না তুমি কী করছো। একটা মোল্লা ছেলের সঙ্গে মেয়ের যোগাযোগ থাকা মানে কী ভয়ানক তুমি বোঝো? যদি ছেলেটা টেরোরিস্ট হয়?”

    তনয়া বললেন, “টেরোরিস্টই বটে। লোকের বাড়ির লোক ফেলে রেখে যাচ্ছে, আর ছেলেগুলো নাওয়া খাওয়া ভুলে অক্সিজেন নিয়ে দৌড়চ্ছে। টেরোরিস্টই। ঠিকই তো। লোকগুলো মরলে দেশের জনসংখ্যা কমে যেত। তাহলেই ভাল হত”।

    প্রণয় বললেন, “ধান্দায় করছে। সব ধান্দায়”।

    তনয়া বললেন, “ভাল তো। ধান্দাতেই করুক না। কতজন ধান্দায় মানুষের পাশে দাঁড়ায় বল তো? ভোটে হেরে যাবার পর তো ঘরে বসে যেতে পারত। করে নি। করে যাচ্ছে তো”।

    প্রণয় বললেন, “তুমি থামো। সারাক্ষণ ঘরে বসে থাকো। মেয়েছেলে, তুমি কী বুঝবে?”

    তনয়া হেসে ফেললেন, “দেখলে তো? সেই মেয়েছেলে বলে কোণঠাসা করেই দিলে! তোমার আর একজন মুসলিম মৌলবাদীর মধ্যে কী পার্থক্য আছে? দুজনেই তো মেয়েদের মানুষ বলেই মনে কর না”।

    প্রণয় বললেন, “আমি অনেক ভাল। ওরা হলে এতক্ষণে গুলি করে দিত”।

    তনয়া বললেন, “তোমার কাছে এখন বন্দুক থাকলে তুমি গুলি করতে না বলছো? আমার মনে হচ্ছে না। ওরা ব্রেইনওয়াশড ক্রিমিনাল। তুমিও কোথাকার সব হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপে থেকে ব্রেইন ওয়াশড হয়ে গেছো। তোমার গুরুজী যদি তোমাকে হাতে একটা বন্দুক ধরিয়ে দিয়ে বলে নে বউ মেয়েকে গুলি করে মেরে দে, তুমিও তাই করবে। তোমরা হিন্দু হও বা মুসলমানই হও, তোমরা তো নিজেদের বুদ্ধিতে চলবে না। চলবে পরের বুদ্ধিতে। কেউ চলবে ইমামের কথায়, আর কেউ কোন গুরুজী ধরবে। পড়াশুনা করেছো তো, ভালমন্দের বিচার নিজেই তো করতে পারো। অন্য লোক কেন ঠিক করে দেবে তুমি কী করবে? তোমার মেয়ে কার সঙ্গে মিশবে বাকিরা কেন ঠিক করবে?”

    প্রণয় কিছু বলতে গিয়ে কাশতে শুরু করলেন। কেশে নিয়ে বললেন, “তুমি ওই ছেলেটার ধান্দাটা বুঝতে পারছো না। ওরা এভাবেই এখন হিন্দু বাড়ির মেয়েকে ফুসলিয়ে বিয়ে করবে। তারপরে মুসলিম বানিয়ে দেবে”।

    তনয়া বললেন, “মানুষ কি তুমি শুধু একা চেনো? আমি চিনি না?”

    প্রণয় থার্মাল গান আবার নিজের মাথায় দিলেন। বললেন, “ও বাবা। একশো জ্বর উঠে গেল তো। এবার আমি কী করব?”

    তনয়া বললেন, “কাল সকালে টেস্ট করাও। বাধিয়েছো আর কী! আমিও অপেক্ষা করে থাকি। আমারও নিশ্চয়ই হবে। তুমি এক কাজ কর না, যারা এসেছিল তাদের নাম্বার জোগাড় কর। তোমার পক্ষে খুব কঠিন হবে না। তাদের বল তোমার কোভিড হয়েছে। টেস্ট করাতে হবে। দেখো তো, আসে নাকি। ধর্ম রক্ষা করতে তো ঝাঁক বেঁধে চলে এসেছিল। এখন দেখি আসে কি না”।

    প্রণয় বললেন, “আসবে তো। কেন আসবে না?”

    তনয়া বললেন, “কর তবে”।

    প্রণয় বললেন, “তোমার ফোন দাও”।

    তনয়া তার ফোন এনে দিলেন। প্রণয় বললেন, “গুগলেই নাম্বার থাকবে। দেখছি”।

    মিনিট খানেকের মধ্যেই নাম্বার জোগাড় হল।

    কিছুক্ষণ পর ফোনে যোগাযোগ করা গেল।

    কথা হলে তনয়ার দিকে তাকিয়ে বললেন, “ওরা কাল থাকবে না। দুটো দিন পরে এসে নিয়ে যাবে। দেখলে, কেমন কথা শুনল?”

    তনয়া বললেন, “এই দুটো দিনে যদি তোমার কিছু হয়ে যায়? কাল টেস্ট করা দরকার আর দুটো দিন পরে আসবে? সত্যিই আসবে নাকি দেখার জন্য আমি রইলাম তো। দেখব”।

    প্রণয় বললেন, “আসবে না কেন? ঠিক আসবে”।

    তনয়া হাসলেন, “আসবে না। দাঙ্গা করার লোক মানুষ বাঁচাতে আসে না। দেখে নিও”।

    প্রণয় থমথমে মুখে বসে রইলেন।

    ৩৮

    রাকিব ক্লাসের জন্য নোটস তৈরী করছিলেন।

    নীপা দরজায় নক করল, “বাবা, আসব?”

    রাকিব বললেন, “আয়”।

    নীপা ঘরে ঢুকে বলল, “রাত্রিদির শরীর খারাপ। কোভিড টেস্ট করিয়েছে। দাদা গেছিল”।

    রাকিব চমকে বললেন, “সেকী! কেমন শরীর খারাপ?”

    নীপা বলল, “দাদা বলল, জ্বর আছে। দাদা টেস্ট করানোর ওখানে লাইন দিয়েছিল বলল তো”।

    রাকিব চিন্তিত হলেন। বললেন, “কী পরিস্থিতিতে মেয়েটা আছে কে জানে। এবার চিন্তা হচ্ছে”।

    নীপা বলল, “সেই তো। এখানেই ভাল ছিল। কেন গেল বল তো”!

    রাকিব বললেন, “ওর বাবা যাতে আমাদের বেশি আর অপমান করতে না পারেন, তাই চলে গেল। মেয়েটা ভীষণ সেন্সিটিভ”।

    নীপা বলল, “ভাল লাগছে না শোনার পর থেকে। আমরা কি কিছুই করতে পারি না”?

    রাকিব কয়েক সেকেন্ড চুপ করে থেকে বললেন, “বিভেদের অবক্ষয় এত বেশি হয়ে যাবে কোনদিন, ভাবতে পারি নি। সামনের দিনগুলো এরকমই আসবে হয়তো”।

    নীপা বলল, “মা খুব ভয় পায় বাবা। মাকে বোঝাতে পারো না, এত ভয়ের তো কিছু নেই”।

    রাকিব বললেন, “তোর মা প্র্যাক্টিকাল মানুষ। হয়ত ভয়ের কারণ আছে বলেই ভয় পায়। আমি যখন মসজিদে যেতাম না, তখন আমার উপরেও কম চাপ আসে নি। অনেক মুরুব্বিরা এসে বুঝিয়েছে। আমার বাবাকেও বোঝাতেন ওরা। বছরের পর বছর মানুষের মনে জমে থাকা অন্ধবিশ্বাসকে হারানো খুব কঠিন কাজ। তোর মা যখন বলেছিল নাসিম মসজিদে যাক, আমি বাধা দিই নি। দেখতে চেয়েছি নাসিম কী চায়। ও নিষ্ঠার সঙ্গেই করে। করুক। যেদিন মনে হবে করবে না, আমি চাই, সেদিন কোন বাইরের লোক এসে যেন ওকে বোঝাতে না যায় ও যা করছে, সেটা ঠিক না। এটুকু স্বাধীনতা প্রতিটা মানুষের থাকা উচিত। তোর মাকে কী করে বোঝাই বল তো ভয়ের কিছু নেই? তোর ভয় লাগে না?”

    নীপা বলল, “আমার ভয় লাগে না। কেন ভয় লাগবে? আমরা স্বাধীন দেশের নাগরিক। কে না কে কী বলে যাবে, সব কিছু শুনবই বা কেন এত?”

    রাকিব হাসলেন, “তুই আমার মত হয়েছিস। যুক্তিবোধ আর মুক্তমন এতটাই প্রবল হোক, কোন অন্ধবিশ্বাস যেন তাকে হারাতে না পারে। মানুষের বিবর্তনের পথে ধর্ম এসেছে। সময়ের সঙ্গে অনেক ধর্মই নিজেকে পাল্টাতে পেরেছে। যারা পাল্টাতে পেরেছে, তারা উন্নতি করেছে। যারা পারে নি, তারা সমস্যায় পড়েছে। অনেকটা উইন্ডোজ নাইন্টি এইটে এখনকার কোন গেম খেলার মত। বুঝতে পারছিস? সময়টা এগিয়েছে, মানসিকতা এদের মধ্যযুগে পড়ে আছে। মেয়েরা বেরোবে না, তোমরা এখানে যাবে না, সেখানে যাবে না, অন্য ধর্মে বিয়ে করা তো দূর, নিজের পছন্দেই বিয়ে করতে পারবে না, এ সবই সময়ের সঙ্গে নিজেকে আপডেট করতে না পারার সমস্যা। হিন্দু ধর্মেও তো সমস্যাগুলো ছিল, গোঁড়ামি ছিল। নবজাগরণ এসেছিল। রাজা রামমোহন রায় কিংবা বিদ্যাসাগরের মত মানুষেরা ছিলেন যারা গোটা সমাজের বিরুদ্ধে যেতে পেরেছিলেন। আমাদের ক্ষেত্রে সমস্যাটা হল, এক শ্রেণীর মানুষের বিপথে যাওয়া থেকে রক্ষা করতে যে ধর্মটা তৈরী করা হল, সে ধর্মটার সেভাবে আপডেট হল না। মধ্যযুগেই পড়ে রইল বেশিরভাগ মানুষ। সময় পাল্টাচ্ছে, পরিবর্তিত সময়ের সঙ্গে সব কিছু পালটানো অবশ্যই দরকার। মেয়েরা শুধুমাত্র সন্তান উৎপাদনের যন্ত্র নয়, তাদের কথা বলতে দিতে হবে, প্রয়োজনে অত বছর আগে যা বলা হয়েছে, তা পাল্টাতে হবে। নইলে জাত হিসেবে কিছুতেই এগনো সম্ভব হবে না। সর্বক্ষণ শুধু এটা কোর না, ওটা কোর না, এর সঙ্গে মিশো না, তার সঙ্গে মিশো না না বলে বলুক না সবাই মিলে পৃথিবীটাকে ঠিক করি! এত ক্ষত তৈরী হচ্ছে, কীভাবে সারবে কে জানে”।

    রাকিব দীর্ঘশ্বাস ফেললেন।

    নীপা বলল, “আমাদের বাড়ির ব্যাপারটা নিয়ে দাঙ্গা লাগতে পারতো, বল বাবা?”

    রাকিব বললেন, “কেন লাগবে? দাঙ্গা কি এতই সহজ নাকি? মেয়েটার খোঁজটা নেওয়া বড্ড দরকার। কাল সকালে যাব ভাবছি একবার”।

    নীপা চমকে উঠে বলল, “যেও না বাবা। অপমান করে যদি”।

    রাকিব বললেন, “খোঁজটা তো নিতে হবে। ঠিক আছে, নাসিমকে বলছি, খোঁজটা নিক”।

    নীপা বলল, “তাই ঠিক হবে”।

    রাকিব বললেন, “একবার নাসিমকে পাঠিয়ে দিস তো”।

    নীপা মাথা নাড়ল, “ঠিক আছে”।

    ৩৯

    বমি ভাব প্রবল হবার জন্য রাতে রাত্রি সেভাবে খেতেই পারল না। যতটা সম্ভব খাইয়ে তনয়া দেখলেন প্রণয় পাংশু মুখে বসে আছেন। বললেন, “জ্বর এসেছে। কী করব?”

    তনয়া বললেন, “খেয়ে ঘুমাও। আর কী করবে? কাল ডাক্তার দেখিও”।

    প্রণয় বললেন, “লাস্ট কবে প্রেশার সুগার মাপিয়েছি ভুলে গেছি”।

    তনয়া বললেন, “সেটাই তো স্বাভাবিক। সারাক্ষণ বাংলাদেশের হিন্দুরা কী করছে, ইন্দোনেশিয়ার মুসলিমরা কী করছে হোয়াটস অ্যাপ মেসেজ পড়ে যাচ্ছো, নিজে কেমন আছো সেটাই দেখো নি। দেখো এবার”।

    প্রণয় বললেন, “রাত্রিকে কী ওষুধ দিয়েছে আমাকেও দাও। আমিও খেতে শুরু করি”।

    তনয়া বললেন, “সেটা তো খাওয়া ঠিক হবে না, আপাতত জ্বরের ওষুধ খাও খেয়ে নিয়ে। তারপর দেখা যাবে”।

    প্রণয় বললেন, “ঠিক আছে। আর কাল সকালে কি একবার খাটালের দিকে যাব? যদি গোমূত্র পাওয়া যায়? মানে গুরুজী বলছিলেন…”

    তনয়া রাগী চোখে প্রণয়ের দিকে তাকিয়ে বললেন, “একদম খেয়ে ঘুমাবে। একটা বাজে কথা বললে তোমার কপালে দুঃখ আছে”।

    প্রণয়ের তেজ কমেছে। তিনি বেশি কথা না বলে খেতে বসে গেলেন। তার চোখে মুখে একটা ভীত ভাব দেখতে পেলেন তনয়া। খেয়ে নিয়ে জ্বরের ওষুধ খেয়ে প্রণয় শুলেন।

    তনয়া খেয়ে হাতের কাজ সেরে বললেন, “আমি অন্য ঘরে শুচ্ছি। কোন দরকার পড়লে ডাকবে”।

    প্রণয় বললেন, “ঠিক আছে”।

    তনয়া ঠাকুরঘরের ছোট খাটে গিয়ে শুলেন।

    ঘুম আসছিল না। বেশ কয়েকদিন ধরে একে এই করোনার বাড় বাড়ন্ত প্রকোপ, তারপর পরিবর্তিত প্রণয় তাকে ঘুমাতে দিচ্ছিল না। মানুষের মনে কী করে যে এত ঘৃণা ছড়াতে পারছে মানুষ, হাজার ভেবেও কূল কিনারা পাচ্ছিলেন না তিনি। প্রণয় তো এরকম ছিলেন না। বিয়ের পরে কত রোম্যান্টিক ছিলেন। রাত্রি হবার পরেও ভাল ভাল বই পড়তেন। হঠাৎ করে এরকম হয়ে গেলেন।

    মানুষের মনে ভালোবাসা ছড়ানোর থেকে অনেক সহজ বোধহয় ঘেন্না ছড়ানো। অবদমিত হতাশা, দিনের পর দিন ঘরে বসে থেকে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য মোবাইলে পড়ে পড়ে আজকে এই জায়গায় এসে উপস্থিত হয়েছেন।

    ভাবতে ভাবতে চোখ বুজে এসেছিল তনয়ার, ঘুম ভাঙল প্রণয়ের ডাকে, “শোন না। আমার বুকটা কেমন করছে”।

    তনয়া উঠে বসলেন। প্রণয় দরদর করে ঘামছেন।

    তনয়া হতবুদ্ধি হয়ে পড়লেন। কী করবেন মাথায় কিছুই এল না। প্রণয়কে তাড়াতাড়ি বসিয়ে জল খাওয়ালেন। প্রণয় বললেন, “বুকে হঠাৎ করে ব্যথা হচ্ছে। হার্ট অ্যাটাক হল নাকি বল তো”।

    তনয়া কোন কিছু না ভেবে নাসিমকে ফোন করলেন।

    দুবার রিং হতেই নাসিম ধরল, “হ্যাঁ, বলুন কাকীমা”।

    তনয়া বললেন, “রাত্রির বাবা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছে। বুকে ব্যথা। কিছু করা যাবে? আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না”।

    নাসিম বলল, “আমি যাচ্ছি। চিন্তা করবেন না। কুড়ি মিনিট মত সময় দিন”।

    তনয়া বললেন, “ঠিক আছে”।

    ফোন রাখলেন তনয়া।

    প্রণয় হাঁফাচ্ছিলেন। বললেন, “কাকে ফোন করলে?”

    তনয়া বললেন “নাসিমকে”।

    প্রণয় বললেন, “কেন ডাকতে গেলে? আর কিছু ছিল না? পাড়ার লোকদের ডাকো”।

    তনয়া বললেন, “কোন পাড়ার লোক করোনা সাসপেক্টের বাড়িতে এখন আসবে? আর কাকে চিনবো আমি? তুমি সোফায় শুয়ে পড়। দেখছি আমি”।

    তনয়া তৈরী হয়ে নিলেন। রাত্রিকে আর ডাকলেন না।

    কিছুক্ষণের মধ্যে একটা অ্যাম্বুলেন্স জোগাড় করে নাসিম আর ঋপণ চলে এল। রাত সাড়ে বারোটা বাজে। তনয়া দরজা খুলে দিলেন।

    নাসিম বলল, “ঋপণদা গিয়ে কাকুকে নিয়ে আসুক। আমি বরং বাইরে দাঁড়াচ্ছি”।

    তনয়া বুঝলেন নাসিম কেন আসতে চাইছে না। তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বললেন, “তুমি এসো। আমি বলছি, এসো”।

    নাসিম ঋপণকে নিয়ে ঘরে ঢুকল। ঋপণ বলল, “আমি তপনদার সঙ্গে কথা বলেছি। একবার দেখিয়ে আনছি। উনি বললেন হসপিটালাইজড করে দিচ্ছি। চলুন”।

    নাসিম আর ঋপণ প্রণয়কে তুলল।

    প্রণয়ের চোখ বন্ধ। দুজনের ঘাড়ে ভর দিয়ে কাতর স্বরে তনয়াকে বললেন, “তুমি যাবে না?”

    তনয়া বললেন, “যাচ্ছি তো। চল”।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিছুক্ষণ – অভীক দত্ত
    Next Article যেখানে দেখিবে ছাই – অভীক দত্ত

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }