Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রেমিক – অভীক দত্ত

    লেখক এক পাতা গল্প137 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    প্রেমিক – ৪০

    ৪০

    হাসপাতালের এমারজেন্সীতে ডাক্তারবাবু প্রণয়কে দেখছিলেন। তনয়া তার সঙ্গে আছেন।

    একটু দূরে নাসিম দাঁড়িয়ে ঋপনের সঙ্গে।

    ঋপণ বলল, “যেন সব ঠিক ঠাক থাকে। যা শুনলাম হাসপাতালে একটাও সিট নেই”।

    নাসিম বলল, “ঠিক না থাকা মানে কী হতে পারে?”

    ঋপণ বলল, “কিছু না। তুই চিন্তা করিস না। আমি আছি তো”।

    নাসিম বলল, “শান্তদাকে বললে হেল্প করবে না?”

    ঋপণ বলল, “পার্টির উপরমহলের সঙ্গে কথা বলে নেব দরকার হলে। বললাম তো ভাবিস না। আচ্ছা, যদি কলকাতা যেতে হয়, তাহলে কি ওই রাত্রি মেয়েটা কী করবে?”

    নাসিম বলল, “জানি না, ওর মা কী বলেন দেখি”।

    তনয়া প্রণয়কে বসিয়ে রেখে তাদের দিকে এগিয়ে এসে নাসিমকে বললেন, “ডাক্তারবাবু বলছেন অবজারভেশনে রাখতে হবে। কয়েকটা টেস্ট দিয়েছেন। ওষুধ দিয়েছেন। ইসিজি করানো যাবে এখন?”

    নাসিম ঋপনের দিকে তাকিয়ে বলল, “পালিতদাকে বলবে একবার?”

    ঋপণ বলল, “দেখছি”।

    ঋপণ ফোন করল। খানিকক্ষণ কথা বলে বলল, “চলুন। বাড়িতেই আছে। ইসিজি করিয়ে নি”।

    প্রণয়কে নিয়ে তনয়া এম্বুলেন্সে উঠলেন। কিছুক্ষণের মধ্যে পালিতবাবুর বাড়িতে পৌঁছল তারা।

    ইসিজি করা হল। পালিতবাবু রিপোর্ট দেখে হাসপাতালের ডাক্তারবাবুর সঙ্গে কথা বলে তনয়াকে বললেন, “রিপোর্ট ঠিক আছে। তাও কাল বাকি টেস্টগুলো করিয়ে নেবেন। গ্যাস ফর্ম করেই হয়েছে সম্ভবত”। তনয়া হাঁফ ছাড়লেন।

    প্রণয় গম্ভীর হয়ে বসে ছিলেন। তাদের এম্বুলেন্সে করে বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হল।

    তনয়া নাসিম আর ঋপণকে অসংখ্য ধন্যবাদ দিলেন। নাসিম বলল, “যে কোন দরকারে আমাকে ফোন করবেন। কোন দ্বিধা করবেন না”।

    তনয়া বললেন, “দ্বিধা আসে নি বলেই তো তোমাকে ফোন করেছিলাম”।

    নাসিম বলল, “কাল সকালে টেস্টে করার ছেলেটাকে পাঠিয়ে দিচ্ছি। রিপোর্ট এলে আরেকবার ডাক্তার দেখিয়ে নেবেন”।

    তনয়া বললেন, “ঠিক আছে। ভিতরে এসো তোমরা। চা খাও। এত রাতে এভাবে দৌড়ঝাঁপ করছ, ভাবা যায় না”।

    নাসিম প্রণয়ের দিকে একবার তাকিয়ে নিয়ে বলল, “না না, আমরা এখন আসি। ফোন করবেন”।

    ঋপণকে প্রায় জোর করেই নাসিম প্রণয়ের বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেল।

    তনয়া ওদের চলে যাওয়াটা দেখে শ্বাস ছাড়লেন। বুঝলেন প্রণয়ের দুর্ব্যবহারের ভয়ে নাসিম আর ঢুকল না।

    প্রণয় সোফায় চুপ করে বসে ছিলেন।

    তনয়া বললেন, “ছেলেগুলো ঘরে এলে ভালো লাগত”।

    প্রণয় বললেন, “গঙ্গাজল থাকলে ঘরের বাইরেটা গঙ্গাজল দিয়ে ছিটিয়ে দাও”।

    তনয়া প্রণয়ের দিকে বিস্মিতভাবে তাকিয়ে বললেন, “এটা তুমি বলতে পারলে? এত কিছুর পরেও?”

    প্রণয় বললেন, “এগুলো ওদের পলিটিকাল প্রোপাগান্ডা। এসব করে ভাবছে ভোট পাবে। আর মোল্লাটা কেন এসব করছে তুমি বুঝতে পারছ না? হিন্দু মেয়ে বিয়ে করবে, তাই আমাকে হাতে রাখতে চাইছে এভাবে”।

    তনয়া বললেন, “বিয়ে করতে চাইলে তোমার মত ফালতু লোককে হাতে রাখার দিকে যাবেই বা কেন? আমার মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক, ওরা চাইলে বিয়ে করতেই পারে, তাতে তোমাকে হাতে রাখার তো কিছু নেই”।

    প্রণয় মাথা নাড়লেন, “তুমি বুঝবে না। হাতে এখনো রাখতে হবে। আমি যে ওদের বাড়িতে অত লোক নিয়ে গেলাম, ওরা বুঝে গেছে যে আমার পিছনে লোক আছে। ভয় পাচ্ছে বুঝছ না?”

    তনয়া বললেন, “আমি সব বুঝতে পারছি। শুধু এটা বুঝতে পারছি না তোমার চোখে যে মোটা একটা নোংরা চশমা লেগে আছে, সেটা ঠিক কবে নামবে।”

    প্রণয় তনয়ার দিকে তাকিয়ে বললেন, “তাহলে কী করতে বলছ? ওই মোল্লাছেলেটার সঙ্গে মেয়েটার বিয়ে দিয়ে দেব? তাই তো?”

    তনয়া বললেন, “তোমার মেয়ের যদি সত্যিই করোনা হয়ে থাকে, তাহলে বিয়ে, মোল্লা, হিন্দু, জাত পাত, এসব পরে আসবে। সবার আগে মেয়েটাকে বাঁচতে হবে, তাই না?”

    প্রণয় বললেন, “আর মোল্লাটার সঙ্গে বিয়ে হলে আমি বাঁচবো না”।

    তনয়া বললেন, “আমি তোমার সঙ্গে এসব ব্যাপারে যত কম কথা বলব, ততো ভাল। তুমি গিয়ে শোও। যাও”। প্রণয় বললেন, “তুমি যাবে না?”

    তনয়া বললেন, “আমাকে শান্তিতে ঘুমোতে দিচ্ছো তুমি? একটা না একটা ঝামেলা করেই যাচ্ছো। তুমি যাও। আমি পরে যাচ্ছি, একবার মেয়েকে দেখে আসি”।

    প্রণয় বললেন, “আমি আমার পরিচিতদের খবর দিচ্ছি। কাল ওরা আসুক। এই রেড ভলান্টিয়ার আর মোল্লারা কাল যেন এখানে না আসে”।

    তনয়া রেগে গিয়ে বললেন, “যাকে খুশি ডাকো, আমি কিছু জানি না”।

    ৪১

    নাসিম স্নান সেরে ঘরে ঢুকে দেখল রাকিব জেগে আছেন। তাকে দেখে বললেন, “ঠিক আছিস তো?”

    নাসিম অবাক হল, “হ্যাঁ। কেন বল তো?”

    রাকিব বললেন, “সময়টা এত খারাপ হয়ে গেছে, আজ সন্ধ্যেতেই দেখলাম কোথায় এক রেড ভলান্টিয়ারকে সাহায্যের নামে ডেকে নিয়ে গিয়ে মারধোর করেছে”।

    নাসিম হাসল, “না না, সেসব কিছু না। করবে হয়ত মারধোর, কাজ ফুরোলেই পাজি হয়ে যায় মানুষ। এটা তো দেখতেই পাচ্ছি। রাত্রির বাবার বুকে ব্যথা উঠেছিল। ওখানে গেছিলাম”।

    রাকিব থমকে গিয়ে বললেন, “ভাল করেছিস। কিছু বলে নি তো?”

    নাসিম বলল, “বলে নি। সেরে গেলে বলবেন নিশ্চয়ই”।

    রাকিব নাসিমের পিঠে হাত দিয়ে বললেন, “নেতাদের ডিগ্রেডেশন তখনই শুরু হয়, যখন থেকে মানুষের ডিগ্রেডেশন হয়। লাইক পিপল, লাইক গভর্নমেন্ট। ঘৃণার চাষ হচ্ছে, এত কিছুর পরে ডিজে, গিমিক জিতছে, দেখা ছাড়া তো উপায় নেই আমাদের”।

    নাসিম বলল, “কী হয়েছে বাবা? তুমি আজ এসব বলছো?”

    রাকিব বললেন, “কিছু না, তুই ঘুমো গিয়ে। সারাদিন যা দৌড় ঝাঁপ চলছে, অসুস্থ হয়ে পড়বি”।

    নাসিম বলল, “আমি কোয়ারান্টাইনে থাকব ভাবছি। রোজই তো কোন না কোন কোভিড পেশেন্টের কাছে যাই। তোমাদের হয়ে গেলে বিপদ”।

    রাকিব বললেন, “হলে হবে। যা হবে দেখা যাবে। অত ভাবিস না। রোগের থেকেও রোগের ভয় বড় হয়ে গেলে বিপদ। মন শক্ত থাকলে মানুষ ক্যান্সারকে হারাতে পারে, কোভিড কোন ছার। আর শোন, যাই হোক, মার কাছে গিয়ে মাঝে মাঝে বসিস। তোর মা তোকে নিয়ে ভয়ে থাকে বুঝতে পারি। রেগে যায়, বলে ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়াচ্ছিস। ভিতরে ভিতরে গর্বিত হয় বুঝতে পারি। ঘরে নিরাপদ আশ্রয়ে না থেকে মানুষের জন্য এভাবে কতজন কাজ করতে পারে? এ সবার কম্মো নয়। জানিস তো, ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিপ্লবকে অনেকেই মন থেকে সমর্থন করতেন। রবীন্দ্রনাথও করতেন। ভাল ভাল বাড়ির ছেলেগুলো মোস্ট ওয়ান্টেড হয়ে গেল। দেশের মানুষের জন্যই তো। সময় পাল্টাচ্ছে, মানুষ উপকার পাবার পর পাল্টে যেতেই পারে, কাজটা থাকুক। কাজটা থাকার বড্ড দরকার আছে। রাত্রির বাবা এত কিছু করার পরও তুই ওদের বাড়ি গেছিস, মনের ভিতর রাগকে ঘর বাঁধতে দিস নি, এটা যে কত বড় পরিণতিবোধ, সেটা তুই নিজেও কল্পনা করতে পারবি না। আরো বেশি করে পড়াশোনা কর। মার্ক্স পড়, কেন শ্রমিক শ্রেণী, কৃষক শ্রেণীর কথা বেশি করে ভাবা দরকার বুঝতে চেষ্টা কর। এই দেখ, এত বড় লকডাউন করে দিল, একবারও দেশের নেতারা ভাবল না গরীব মানুষের কী হবে। বিকল্প কী। তারা কী খাবে। পরিযায়ী শ্রমিকরা কী করবে। এটা কেন করতে পারল? বামপন্থীরা শক্তিশালী নেই বলে। বামপন্থা শক্তিশালী না হলে এটা হবেই। ভারতবর্ষের বামপন্থাকে দরকার ছিল”।

    রাকিব দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, “অনেক বাজে লেকচার দিয়ে ফেললাম। তুই ঘুমো”।

    নাসিম বলল, “না না। বল। তুমি তো বেশি বল না কারেন্ট এফেয়ারস নিয়ে। শুনতে ভাল লাগছিল”।

    রাকিব বললেন, “একটা কথা মনে রাখিস, পার্টি থাকুক বা না থাকুক, মানুষের সঙ্গে মিশে থাকার চেষ্টা করিস। ঠিক সময়ে মানুষকে জাগতেই হবে একদিন। ক্যাপিটালিজমের সমস্ত জারিজুরি এই ধরণের প্যান্ডেমিকে শেষ হয়ে যাবে। মানুষের পাশে সেই মানুষকেই দাঁড়াতে হবে। সমাজ পাল্টাবে, মানুষের মূল্যবোধ বদলে যাবে, কিছু বেসিক ব্যাপার কোন দিন পাল্টাবে না। যে লোকটাকে তার নিজের বাড়ির লোক একঘরে করে দিত কোভিড হয়েছে বলে, অ্যাম্বুলেন্স চালক গাড়িতে তুলতে পর্যন্ত অস্বীকার করত, রেড ভলান্টিয়াররা আসার পরে সে দৃশ্যের আমূল পরিবর্তন হয়েছে। হ্যাঁ। তুই নিশ্চিন্ত থাক, যাদের জন্য করেছিস, তারা তোদের নিশ্চয়ই ভুলে যাবে। তা বলে তোদের ভুললে চলবে না। পার্টির বেসিকটা ওখানেই। আবার যদি মানুষের দরকার পড়ে, আবার যাবি। বারবার যাবি। যত প্রতিকূলতাই আসুক”।

    নাসিম বলল, “যাব। নিশ্চয়ই যাব”।

    রাকিব বললেন, “রাত্রি কেমন আছে?”

    নাসিম যন্ত্রণাক্লিষ্ট চোখে বাবার দিকে তাকাল।

    ৪২

    সারারাত ছটফট করে শেষ রাতের দিকে ঘুমোতে পেরেছিলেন তনয়া। ঘড়িতে অ্যালার্ম দিয়ে রেখেছিলেন।

    সকাল সাতটা হওয়া মাত্র উঠে রাত্রির ঘরে গেলেন। ডাক্তারবাবু মাস্ক পরে থাকতে বলেছেন।

    একটা না। দুটো মাস্ক।

    তনয়া দুটো মাস্ক পরে রাত্রির ঘরে গিয়ে দেখলেন রাত্রি কাশছে। বললেন, “কখন উঠেছিস?”

    রাত্রি বলল, “সেই ভোর পাঁচটা থেকে উঠে বসে আছি। খুকখুকে কাশি হচ্ছে শুধু”।

    তনয়া বললেন, “তোর বাবার তো বুকে ব্যথা ট্যাথা উঠে একাকার। সেই নাসিমকেই ডাকতে হল। ওরা এসে হাসপাতালে নিয়ে গেল”।

    রাত্রি বলল, “বাবার কি তাতে বিন্দুমাত্র অনুশোচনা হয়েছে?”

    তনয়া হাসলেন, “নাহ। বলছে ওগুলো ইচ্ছা করে করছে। ইমপ্রেস করার জন্য করছে”।

    রাত্রি জানলা দিয়ে বাইরের দিকে তাকিয়ে বলল, “মা, নাসিম ওখানে দাঁড়িয়ে আছে কেন”?

    তনয়া জানলার বাইরে নাসিমকে দেখে চমকে উঠে বললেন, “দাঁড়া। কথা বলি। চিন্তা করছে ছেলেটা। সারারাত জেগেছিল। কী ভাল ছেলেরে”।

    রাত্রি কিছু বলল না।

    তনয়া বাইরে গিয়ে নাসিমকে ডাকলেন।

    নাসিম বলল, “কাকুর টেস্ট করাতে আসতে বলেছি ল্যাবের লোককে। একটু পরে আসবে”।

    তনয়া বুঝলেন নাসিম আসলে রাত্রির খবর জানতে চাইছে। বললেন, “রাত্রির কাশি আছে। শরীর ঠিক নেই। রেজাল্ট তাও কখন আসবে?”

    নাসিম বলল, “কোন ঠিক নেই। এত এত টেস্ট হচ্ছে, রেজাল্ট আসতে আসতে আজ রাত বা কাল সকাল। কখনো চার পাঁচ দিনও লেগে যাচ্ছে”।

    তনয়া বললেন “গোমূত্র খাইয়েছে। কোত্থেকে কতগুলো লোক এসে এসব করে দিল। তোমরা পিটিয়ে দিতে পারলে না?”

    নাসিম ম্লান হাসল, “সেটা কী করে হয় কাকীমা? আমরা না বহিরাগত? ভয়াবহ ব্যাপার হয়ে যায় তো তাহলে”।

    তনয়া বললেন, “মারা উচিত ছিল। তোমরা বহিরাগত নও। ওরা বহিরাগত। অহিংসা কখনোই সব কিছুর সমাধান হয় না”।

    প্রণয় বাইরে এসে নাসিমকে দেখে গম্ভীর হয়ে গেলেন।

    নাসিম বলল, “আমি আসি তাহলে কাকীমা। কোন দরকার হলে বলবেন”।

    তনয়া বুঝলেন প্রণয়কে দেখে নাসিম সংকুচিত হয়ে পড়েছে। তিনি প্রণয়ের দিকে তাকিয়ে বললেন, “তুমি সুস্থ হয়েছো? তাহলে নাসিমকে চলে যেতে বলব। অসুস্থ হলে তো ওকে দরকার পড়বে। হয়েছো সুস্থ?”

    প্রণয় হাঁ করে তনয়ার দিকে তাকালেন।

    নাসিম বলল, “আমি আসি কাকীমা”।

    তনয়া বললেন, “তুমি কি অক্সিমিটার নিয়ে এসেছো? রাত্রির অক্সিজেনটা দেখা দরকার ছিল”।

    নাসিম প্রণয়ের দিকে তাকিয়ে বলল, “এখন তো আনি নি। নিয়ে আসব পরে”।

    তনয়া মাথা নাড়লেন, “ঠিক আছে”।

    নাসিম যেতেই প্রণয় গম্ভীর মুখে ঘরের ভিতর গিয়ে বসলেন।

    তনয়া ঘরে ঢুকতে প্রণয় বললেন, “ছেলেটা সকাল সকাল চলে এসেছে? বাহ বাহ। বেশ”।

    প্রণয়ের গলায় শ্লেষের ছোঁয়া।

    তনয়া বললেন, “তোমার ওই হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপের লোকজনকে তো দেখলাম না। বিপদে ছেলেটাই এল। আমি কী করব বল? বলে গেল তোমার টেস্ট করার লোক ঠিক করেছে। আসবে কিছুক্ষণ বাদে। সে হিন্দুই”।

    প্রণয় গম্ভীর হয়ে বসে রইলেন।

    তনয়া বললেন, “কী হল? এবার কী হয়েছে?”

    প্রণয় বললেন, “ছেলেটার সঙ্গে কী শলা করছিলে? মেয়েটাকে কীভাবে মুসলমান করবে?”

    তনয়া প্রণয়ের দিকে তাকিয়ে থেকে বললেন, “তোমার মেয়েটা অসুস্থ। এখনো তোমার মাথায় এগুলো কাজ করে চলেছে? তুমি ধন্য”।

    প্রণয় বললেন, “বাংলাদেশের হিন্দু পরিবারগুলো তোমায় ক্ষমা করবে না”।

    তনয়া বললেন, “না করলে না করবে। আমার মেয়ের জন্য কে ভাল সেটা অন্য লোকে ঠিক করে দেবে কেন? আর আমি এসব কথা শুনবই না এখন। কত কত মানুষ মারা যাচ্ছে, শ্বাসকষ্ট হচ্ছে, অক্সিজেন নেই, এই সময়ে দাঁড়িয়ে আমি তোমার লেকচার শুনতে পারব না”।

    প্রণয় কাশতে শুরু করলেন।

    তনয়া বললেন, “তোমারও কাশি হচ্ছে? আজকেই কোভিড টেস্ট করাতে হবে। নাসিমকে বলি”।

    প্রণয় বললেন, “আমি একবার চেষ্টা করি। আমাদের গুরুজীকে ফোন করব। তোমার ফোনটা দাও। আজকে আসতে পারেন। বলেছিলেন”।

    তনয়া ফোন এনে দিলেন। প্রণয় ফোন করলেন। তিনি কোভিড সাসপেক্ট জানালেন।

    কয়েক সেকেন্ড কথা বলে ফোন রেখে বললেন, “উনি জানালেন এই উইকে বিজি আছেন। নেক্সট উইকে দেখছেন”।

    তনয়া বললেন “নাসিমকে বলছি। ব্লাড স্যাম্পেল দিয়ে টেস্ট করিয়ে এসো। ও থাকলে অসুবিধা হবে না। দয়া করে টেস্টটা করাও তেজ না দেখিয়ে”।

    প্রণয় বললেন, “দরকার নেই। আমি একাই যাব”।

    বলে আবার কাশতে শুরু করলেন।

    তনয়া বললেন, “যেমন তোমার ইচ্ছা”।

    #

    সকাল দশটা নাগাদ দেখা গেল প্রণয়কে নিয়ে নাসিম টেস্ট করাতে লাইন দিয়েছে।

    ৪৩

    “তুমি নামাজ পড়?”

    প্রণয় নাসিমের বাইকে ওঠার আগে প্রশ্ন করলেন। খানিকক্ষণ আগে তার স্যাম্পেল নেওয়া হয়েছে।

    নাসিম বলল, “হ্যাঁ”।

    প্রণয় গম্ভীর মুখে বললেন, “বীফ খাও?”

    নাসিম বলল, “হ্যাঁ। খাই”।

    প্রণয় নাক মুখ কুঁচকে বললেন, “আজ যদি গুরুজী লোক পাঠাতেন, আমি কিছুতেই তোমার সঙ্গে যেতাম না”।

    নাসিম বলল, “টোটো ডেকে দেব?”

    প্রণয় বললেন, “থাক। ডাকতে হবে না। তোমার কী মনে হয়? আমার হার্টে প্রবলেম আছে?”

    নাসিম বলল, “না বোধ হয়। ডাক্তারবাবু বলছিলেন অবেলায় খাওয়া দাওয়ার জন্য গ্যাস হয়েছিল, আর অ্যাংজাইটি তো আছে”।

    প্রণয় বললেন, “তোমাকে দেখে তো শিক্ষিত বলে মনে হয়। রেড ভলান্টিয়ার হলে কেন?”

    নাসিম বলল, “ওই জন্যই তো হয়েছি”।

    প্রণয় বললেন, “যত্তসব। ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো। চল আমাকে নামিয়ে দিয়ে এসো”।

    নাসিম বাইকে বসল। প্রণয় তার পিছনে।

    কিছুক্ষণ পরে প্রণয়ের বাড়ির সামনে দাঁড়াল নাসিমের বাইক। প্রণয় বললেন, “যদিও তুমি পিপিই পরে আছো, তবু গিয়ে স্নান কোর”।

    নাসিম বলল, “রোজই করি”।

    প্রণয় বললেন, “অক্সিমিটার এনেছো? রাত্রি আর আমার অক্সিজেনটাও দেখে যাও”।

    নাসিম বলল, “ঠিক আছে”।

    তনয়া এসেছিলেন। প্রণয়কে শান্ত মুখে ঘরের ভিতর ঢুকতে দেখে অবাক হলেন।

    রাত্রি ঘরে শুয়েছিল।

    নাসিম রাত্রির অক্সিজেন মেপে বলল, “আটানব্বই। ঠিক আছে। জ্বরের ওষুধ ডাক্তারবাবুর কথা শুনে খেয়ে যেতে হবে”।

    রাত্রি নাসিমের দিকে তাকিয়ে বলল, “তোমাকে বাবা ঘরে ঢুকতে দিল?”

    তনয়া বললেন, “তোর বাবাকে নিয়ে টেস্ট করিয়ে এসেছে ছোকরা”।

    রাত্রি অবাক হয়ে তনয়ার দিকে তাকাল।

    তনয়া বললেন, “অবাক হচ্ছিস? আমি অবাক হই নি। কেউ আসে নি কোভিড সাসপেক্ট শুনে। আর তোর বাবার ওই বিষ ফোনটা আমি ভেঙে দিয়েছি। কাজেই মগজ ধোলাইটা বন্ধ আছে এখন”।

    রাত্রি হেসে ফেলল। নাসিমও।

    নাসিম বলল, “আমি আসি তাহলে। দরকার হলে ফোন করবেন”।

    তনয়া বললেন, “দরকার ছাড়াও ফোন করব”।

    নাসিম হাসল, “নিশ্চয়ই”।

    তনয়া বললেন, “এই পিপিই পরে থাকাটা বড় কষ্টকর। তোমাকে আটকে রাখাটা ঠিক হচ্ছে না”।

    নাসিম বলল, “না না, ঠিক আছি”।

    রাত্রি বলল, “নীপা ঠিক আছে?”

    নাসিম বলল, “হ্যাঁ। সবাই ঠিক। আমি আসি”।

    রাত্রি বলল, “সাবধানে যেও”।

    নাসিম বলল, “সেরে ওঠো’।

    রাত্রি বলল, “দেখা যাক”।

    নাসিম ঘরের বাইরে বেরোল। ড্রইং রুমে প্রণয় বসে আছেন চুপ করে। তাকে দেখে বললেন, “রাত বিরেতে এদিক সেদিক যেতে হয়, সাবধানে বাইক চালাবে”।

    তনয়া অবাক হয়ে প্রণয়ের দিকে তাকালেন। তিনি ভাবতেই পারেন নি প্রণয় এই কথাটা বলবেন।

    প্রণয় সেটা বুঝে বললেন, “কাজ করছে, সাবধান হওয়া উচিত”।

    তনয়া বললেন, “তা হোক না। মোল্লা তো। ওকে নিয়ে ভাবছো কেন?”

    অনেকদিন পরে তনয়া প্রণয়ের মুখে লজ্জা দেখতে পেলেন। প্রণয় বললেন, “কিছু না। সাবধানে যায় যেন। বলে দাও”।

    নাসিম বেরোল।

    তনয়া প্রণয়ের সামনে বসে বললেন, “তোমার মাথা থেকে একটা ভূত নেমেছে মনে হচ্ছে। মাথাটা হালকা লাগছে?”

    প্রণয় বললেন, “কীসের ভূত? কিচ্ছু না। সব ঠিক আছে”।

    তনয়া বললেন, “তাহলে এত ভাল ভাল কথা বলছ মোল্লাটাকে নিয়ে?”

    প্রণয় তনয়ার দিকে তাকিয়ে বললেন, “বাজে বোকো না তো। আমি কোথায় ভাল ভাল কথা বলছি? নর্মাল কথা বলছি”।

    তনয়া হাসলেন, “ও। ঠিক আছে”।

    প্রণয় রেগে গিয়ে অন্য ঘরে চলে গেলেন।

    তনয়া রাত্রির কাছে গিয়ে বসলেন।

    রাত্রি বলল, “বাবার কী হয়েছে মা? আমি তো ভাবতেই পারছি না নাসিম এখানে এসেছিল”।

    তনয়া বললেন, “আমিও না। এত এত ঝাল ঝাল মেসেজ, এত মোল্লাবিরোধী লোক, বাপরে, আজ আবার কী হল কে জানে”।

    রাত্রি হাসল, “অসুখটা সারছে বোধহয়”।

    তনয়া বললেন, “কোভিড? সেরে গেছে তোর?”

    রাত্রি মাথা নাড়ল, “না মা। কোভিডের থেকেও ভয়ংকর যে অসুখ, সেটা। কোভিড তো কোন অসুখই না। তার থেকে অনেক কঠিন অসুখে ভুগছে অনেকে বাবার মত। সে অসুখটা সারা বেশি জরুরি”।

    তনয়া বললেন, “আমার বাচ্চাটা বড় হয়ে গেছে”।

    রাত্রি হাসল।

    ৪৪

    নাসিম স্নান করতে গিয়ে বুঝতে পারল তার জ্বর আসছে।

    গলার কাছে কিছু একটা ঘোরাফেরা করছে।

    নীপা বলল, “এই দাদা, রাত্রিদির কী খবর রে?”

    নাসিম বলল, “তুই ঘরে যা। আমার জ্বর আসছে মনে হচ্ছে। ধারে কাছে থাকিস না”।

    নীপা বলল, “কথা তো বলতে পারি। যথেষ্ট দূরত্ব আছে”।

    নাসিম বলল, “খবর ঠিক আছে। অক্সিজেন তো ঠিকই দেখলাম”।

    নীপা বলল, “তোর জ্বর আসছে কেন মনে হচ্ছে?”

    নাসিম বলল, “গা ছ্যাঁক ছ্যাঁক করছে”।

    নীপা বলল, “মা শুনলে রণক্ষেত্র করবে। তুই ছবি হয়ে যাবি। বলবে বার বার বলেছিলাম, কেন যাস?”

    নাসিমের স্নান হয়ে গেছিল। গামছা দিয়ে মাথা মুছছিল।

    নীপা বলল, “এ কী রে দাদা, তোর চোখও তো লাল মনে হচ্ছে”।

    নাসিম বলল, “আমি বাইরের ঘরে থাকছি। তুই থার্মোমিটারটা দিয়ে যা”।

    নীপা বলল, “ঠিক আছে। আমি তোর জামা কাপড় দিয়ে যাচ্ছি”।

    নাসিম বাইরের ঘরের খাটে গিয়ে শুল।

    নীপা থার্মোমিটার দিল টুলের উপর।

    নাসিম টেম্পারেচার নিয়ে বলল, “শুরুতেই সেঞ্চুরি করে দিয়েছি। ফাটাফাটি”।

    নীপা ফ্যাকাসে মুখে বলল, “এবার কী হবে?”

    নাসিম বলল, “ও কিছু হবে না। চিন্তা করিস না। তুই এখানে থাকিস না। দূরে থাক। আর স্যানিটাইজ কর বাইরেটা। যা”।

    নীপা ছটফট করতে করতে ঘরের ভিতরে গিয়ে শায়লাকে খবর দিল।

    শায়লা সঙ্গে সঙ্গে এলেন। বললেন, “বার বার বলেছিলাম। কেন যাস? ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো আর ভাল লাগে না আমার”।

    নাসিম হেসে ফেলল, “জাস্ট এই কথাগুলোই নীপা বলছিল, তুমি এগুলো বলবে বলে”।

    শায়লা বললেন, “এটা হাসির সময়? এবার কী হবে?”

    নাসিম বলল, “ঠিক হয়ে যাবে। ভেবো না। রেস্ট নিতে হবে। ঋপণদাকে ডেকে ডাক্তার দেখিয়ে আসব। কোন চাপ নেই”।

    শায়লা বললেন, “আমার ঠিক এই ভয়টাই হচ্ছিল”।

    শায়লাকে অস্থির হতে দেখে নাসিম বলল, “তুমি অত ভেবো না মা। তুমি এখানে থেকো না। দূরে থাকো। এই রোগে আর কিচ্ছু ম্যাটার করে না। ক’দিন কোয়ারান্টাইনে থাকব, ওষুধ খাব, সব ঠিক হয়ে যাবে”।

    শায়লা রেগে গেলেন, “বিরাট বড় বোদ্ধা হয়ে গেছিস তুই, তাই না? সব জেনে গেছিস? যারা সকাল বিকাল গালাগাল দিচ্ছে, খ্যাপাচ্ছে, তাদের জন্য প্রাণ কেঁদে উঠল একবারে। নে এবার কী করবি”।

    নাসিম চুপ করে গেল।

    শায়লা গজগজ করতে করতে ঘরে চলে গেলেন।

    #

    সন্ধ্যের দিকে নাসিমের একশো দুইয়ের বেশি জ্বর চলে এল। গায়ে হাত পায়ে প্রবল ব্যথা।

    তার ফোন বাজছিল।

    নাসিম কোন মতে ফোন ধরল, রাত্রির গলা ভেসে এল, “কী খবর?”

    নাসিম হাসার চেষ্টা করল, “এই তো। বাড়িতে। তুমি কেমন আছো?”

    রাত্রি বলল, “জ্বর কম কম লাগছে। এ যাত্রায় বেঁচে যাবো মনে হচ্ছে। তুমি তো যাতা কাণ্ড করে দিয়েছো। একবারে বাবার ডিফেন্স ভেদ করে দিয়েছো। বাবার সেই অ্যাগ্রেসিভ ভাবটাই সকাল থেকে গায়েব দেখতে পারছি”।

    নাসিম বলল, “খুব ভাল”।

    রাত্রি বলল, “বিকেলের দিকে জানলার বাইরে তাকিয়ে ছিলাম জানো। ভাবছিলাম তুমি আসবে বোধ হয়। এলে না কেন? কোথাও গেছিলে?”

    নাসিম বলল, “হ্যাঁ, ব্যস্ত ছিলাম আর কী”।

    রাত্রি বলল, “তোমার কথা বলতে ইচ্ছে করছে না? একটু সুস্থ হয়েই তোমাকে ফোন করলাম, আর এরকম করে কথা বলছো কেন? কী হয়েছে?”

    নাসিম বলল, “কোই, কিছু না তো”!

    রাত্রি বলল, “হু। নীপা ঠিক আছে? কাকু, কাকীমা?”

    নাসিম বলল, “হ্যাঁ। ঠিক আছে”।

    রাত্রি বলল, “নীপার নাম্বারটা দেবে? কথা বলব”।

    নাসিম বলল, “ঠিক আছে পাঠাচ্ছি”।

    ফোন রেখে রাত্রিকে নীপার নাম্বার পাঠাল নাসিম।

    মিনিট পাঁচেকের মধ্যেই তার ফোন বেজে উঠল, রাত্রি থমথমে গলায় বলল, “তুমি আমাকে বলবে না, তোমার জ্বর এসেছে?”

    নাসিম বলল, “বলতাম। ভুলে গেছি বলতে। ভেবো না। ঠিক আছি”।

    রাত্রি বলল, “এবার কী করবে? তোমাদের ভলান্টিয়ারদের বলবে? অক্সিজেন দেখেছো?”

    নাসিম বলল, “দেখছি। ভেবো না”।

    রাত্রি বক বক করে যেতে লাগল।

    নাসিমের হঠাৎ বমি পেল।

    সে ফোন রেখে বাইরের বাথরুমে গিয়ে বমি করে দিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিছুক্ষণ – অভীক দত্ত
    Next Article যেখানে দেখিবে ছাই – অভীক দত্ত

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }