Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রেয়সী – নিমাই ভট্টাচার্য

    নিমাই ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প174 Mins Read0
    ⤷

    ০১. ভারতী দেবী প্রায় ছুটতে ছুটতে

    প্রেয়সী – উপন্যাস – নিমাই ভট্টাচার্য

    ভারতী দেবী প্রায় ছুটতে ছুটতে ঘরে ঢুকেই খুশির হাসি হেসে বলেন, জানিস শিবানী, আজ নির্মলাদির ওখানে একটা দারুণ ব্যাপার ঘটেছে?

    দারুণ ব্যাপার মানে সারাদিন খুব ভাল কাটিয়েছিস তো?

    হ্যাঁ, সারাদিন খুব আনন্দে কাটিয়েছি।

    নিমালাদির অনেক বন্ধু এসেছিল?

    না, না, শুধু জন কয়েক পুরনো ছাত্রী এসেছিল।…

    হঠাৎ পুরনো ছাত্রীরা এলো কেন?

    নির্মলাদি ইউনিভার্সিটিতে প্রফেসর হয়ে যাচ্ছে, তাই ওরা ওকে ফেলিসিটেড করতে এসেছিল।

    ভাল।

    ভারতী দেবী হাসতে হাসতেই বলেন, ভাল মানে দারুণ ভাল ব্যাপার করেছিল। মেয়েরা। ওরাই বাড়ি থেকে নানা রকম খাবার-দাবার এনেছিল, নির্মলাদিকে খুব সুন্দর একটা বালুচরী শাড়ি ছাড়াও নির্মলাদির স্বামীর জন্য ফিনলের ধুতি-গরদের পাঞ্জাবি আর চন্দন কাঠের সুন্দর লাঠি দিয়েছে।

    বাঃ।

    শিবানী দেবী একটু হেসে বলেন, মেয়েরা তো ভালই উপহার দিয়েছে।

    মেয়েরা আরো অনেক কাণ্ড করেছে।

    আবার কি করলো?

    আবৃত্তি, ক্যারিকেচার আর…

    ক্যারিকেচার?

    হ্যাঁ, হ্যাঁ, ক্যারিকেচার।

    ভারতী দেবী মুহূর্তের জন্য থেমে বলেন, ক্যারিকেচার করলো নির্মলাদিকে নিয়েই।

    সেকি?

    একটা মেয়ে দেখালো, উনি কি করে ক্লাসে পড়ান আর অন্য একটি মেয়ে দখালো, কলেজের করিডর দিয়ে যাতায়াতের সময় নির্মলাদি কি করে ছাত্রী আর অধ্যাপিকাঁদের সঙ্গে…

    আচ্ছা!

    তাই দেখে নির্মলাদি, ওর স্বামী আর আমরা হাসতে হাসতে পাগল হবার উপক্রম।

    ভারতী দেবী একটু থেমে চাপা হাসি হেসে বলেন, এই সব ছাড়াও আরো একটা দারুণ কাণ্ড হয়েছে।

    কি আবার দারুণ কাণ্ড ঘটলো?

    তোকে কি বলব শিবানী, নির্মলাদির এক পুরনো ছাত্রীকে দেখে আমি চোখের পলক ফেলতে পারি না।

    মেয়েটি বুঝি খুব সুন্দরী?

    মেয়েটির রঙ খুব ফর্সা না, একটু চাপা কিন্তু তুই বিশ্বাস কর, ওকে দেখে মনে হলো যেন স্বয়ং বিশ্বকর্মা নিজের হাতে খোদাই করে ওকে তৈরি করেছেন।

    খুব সুন্দর গড়ন বুঝি?

    ওর চোখ-মুখ-নাক আর সুন্দর গড়ন দেখে আমি অবাক হয়ে গেছি।

    শিবানী দেবী একটু হাসেন।

    ভারতী দেবী একটা চাপা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলেন, তুই বিশ্বাস কর,একে অত সুন্দর দেখতে, তার উপর ওর গান শুনে একেবারে মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে গেছি।

    উনি না থেমেই বলেন, ওকে আমি কিছুতেই হাত ছাড়া করব না।

    শিবানী দেবী চাপা হাসি হেসে বলেন, তুই মনে মনে ঠিক করেও ফেলেছিস ওর সঙ্গে বাবাই-এর বিয়ে দিবি?

    মেয়েটি যদি তোরও পছন্দ হয়, তাহলে নিশ্চয়ই…

    মেয়েটির নাম কি?

    দুর্বা।

    বাঃ! বেশ সুন্দর নাম।

    ভারতী দেবী থামতে পারে না। বলেন, বল, তুই কবে দুর্বাকে দেখতে যাবি?

    তুই ওর বাবার নাম, ঠিকানা…

    সব লিখে নিয়েছি। তুই বললেই আমি ওদের বাড়ি টেলিফোন করব। বলব, গান শুনতে আসছি।

    তুই বোধহয় তোর মনের কথা মেয়েটিকে বলেই দিয়েছিস, তাই না?

    না, না, তাই কি বলতে পারি? তোর পছন্দ হবার পরই বলব।

    শুধু তোর-আমার পছন্দ হলেই তো হলো না মেয়েটিকে দেখে দাদারও তো পছন্দ হওয়া চাই।

    ভারতী দেবী একটু হেসে বলেন, আমি যদি বলি, আমাদের কাজের মেয়েটাকে শিবানীর পছন্দ হয়েছে, তাহলেও আমার ভোলানাথ স্বামী বলবে, হ্যাঁ, হ্যাঁ, খুব ভাল কথা। সরলা মেয়েটি সত্যি খুব ভদ্র সভ্য। সরলাকে বিয়ে করে বাবাই ঠিক সুখী…।

    শিবানী দেবী আর হাসি চেপে রাখতে পারেন না। বলেন, তুই দাদাকে কি ভাবিস বলতো?

    কি আবার ভাবব? ভাবি, আমার ভোলানাথকে তুই বা আমি যা বলব, উনি বিন্দুমাত্র চিন্তা-ভাবনা না করেই মত দেবে। কোন ব্যাপারেই ও সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।

    বাজে বকিস না।

    শিবানী দেবী না থেমেই বলেন, দাদা তো সংসারের ব্যাপারে তোর উপরই সব দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছেন বলে কোন ব্যাপারেই নাক গলান না।

    সেটা কি খুব বাহাদুরীর ব্যাপার?

    একশ বার বাহাদুরীর ব্যাপার। স্ত্রীরা যত শিক্ষিতা, যত বুদ্ধিমতীই হোক, তাদের উপর ক’জন স্বামী আস্থা রাখে? সংসারের সব ব্যাপারে নাক না গলালে পুরুষরা স্বামীত্ব ফলাবে কী করে?

    তুই তো দাদার ঢোল বাজাবিই।

    বাজাবই তো।

    শিবানী দেবী ওর একটা হাত ধরে বলেন, দাদার মত স্বামী পেয়েছিস বলেই। তুই এতগুলো বছর কেমন হাসি মুখে কাটিয়ে দিলি বলতো!

    ভারতী দেবী উঠে দাঁড়িয়ে বলেন,আর বসব না। এখনও আমি বাড়িতে ঢুকিনি।

    সেকি?

    .

    ক’দিন ধরেই কলেজ যাতায়াতের পথে ভারতী সব সময় একই কথা বলেন শিবানীকে।

    বিশ্বাস কর শিবানী, আজকাল সব সময় শুধু দুর্বার কথাই মনে হয়। খুব ইচ্ছে করে ওকে দেখতে, ওর গান শুনতে।

    এত যখন ইচ্ছে করছে, তখন ওকে ফোন করছিস না কেন?

    ভাবছি, এত তাড়াতাড়ি কি ফোন করা ঠিক হবে?

    হ্যাঁ, আরো কয়েকটা দিন যাক, তারপর ফোন করিস।

    তাই করব কিন্তু ওর সঙ্গে একটু কথা বলতে এত ইচ্ছে করছে যে কি বলব!

    দু’একদিন পর কলেজ থেকে ফেরার পথে শিবানী বলেন, আচ্ছা ভারতী, তুই তো এত বছর ধরে বেথুন কলেজে পড়াচ্ছিস; কলেজের কোন মেয়েকে দেখেই তোর এত ভাল লাগেনি?

    হ্যাঁ, অনেক মেয়েকেই ভাল লেগেছে। তাদের অনেকের কথাই এখনও মনে হয় কিন্তু আগে তো বাবাইয়ের বিয়ের কথা ভাবতাম না।

    তা ঠিক।

    এখন বাবাই এম. টেক পাশ করে ভাল চাকরি করছে তাছাড়া বিয়েরও বয়স হয়েছে। তাই…

    বুঝেছি।

    আরো একটা সপ্তাহ এইভাবে কেটে গেল।

    ভারতী আর ধৈর্য ধরতে পারেন না।

    শিবানীর ঘরে ঢুকেই ভারতী বলেন, হারে, আজ এখুনি তোর এখান থেকে দুর্বাকে ফোন করব। আর দেরি করতে পারছি না।

    শিবানী এক গাল হেসে বলেন, হ্যাঁ, হ্যাঁ, কর। আর তোকে দেরি করতে হবে না।

    .

    হ্যালো, আমি ভারতী সরকার কথা বলছি।

    হ্যাঁ, হ্যাঁ, মাসীমা, বলুন। আমি দুর্বা।

    তাই বলি, এত মিষ্টি কণ্ঠস্বর কার।

    দুর্বা একটু হাসে। বলে, আপনি এতদিন পর ফোন করলেন কেন? আমি তো কবে থেকে ভাবছি আপনার টেলিফোন আসবে।

    ভাবছিলাম, তোমাকে বেশি বিরক্ত করা ঠিক হবে না।

    প্লীজ মাসীমা, ওকথা বলবেন না। আপনি রোজ দু’বেলা ফোন করলে আমি। খুশি হবো।

    মা, অত লোভ দেখিও না। আমি কিন্তু সত্যি সত্যি দু’বেলা ফোন করা শুরু করে দেব।

    হ্যান্ড-ফ্রী সেট। তাই রিসিভার হাতে তুলে নিতে হয়নি ভারতী দেবীর। উনি কথা বলছেন, শুনছেন হাত গুটিয়ে বসে থেকেই। শিবানী দেবী ওদের দুজনের কথাই শুনছেন আর হাসছেন।

    মাসীমা, আপনি ফোন করলে সত্যি আমি খুশি হবো।

    হ্যাঁ, নিশ্চয়ই ফোন করব কিন্তু কবে তোমার গান শুনতে আসব?

    আপনি কাল এলে কালই শোনাবো। কাল না এলে, যেদিন ইচ্ছে আসুন। গান গাইতে, গান শোনাতে আমার ভালই লাগে।

    ঠিক আছে, আমি দু’চার দিনের মধ্যেই আসছি।

    হ্যাঁ, হ্যাঁ, আসুন।

    তবে আমি একলা আসব না। আমি আমার সব চাইতে ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও বোন শিবানীকে সঙ্গে নিয়েই আসব।

    হ্যাঁ, হ্যাঁ, শিবানী মাসীমাকেও নিয়ে আসবেন।

    এবার ভারতী বলেন, দুর্বা, তোমার মা কি কাছাকাছি আছেন?

    মা তো এখন বাড়ি নেই। সামনের বাড়ির ঠাকুমার শরীর খারাপ, তাই মা ঠাকুমাকে দেখতে গিয়েছেন।

    ও!

    উনি মুহূর্তের জন্যে থেমে বলেন, তাহলে মাকে বলল, আমি ফোন করেছিলাম।

    সে তো বলবই।

    তাহলে এখন রাখি?

    হ্যাঁ, রাখুন তবে তাড়াতাড়ি আসবেন।

    হ্যাঁ, মা, তাড়াতাড়িই আসব।

    ওদের দুজনের কথা শেষ হতেই শিবানী বলেন, দুর্বা তো ভারী সুন্দর কথা বলে।

    দুর্বার কথাবার্তার মধ্যে বেশ একটা আন্তরিক ভাব আছে, তাই না?

    হ্যাঁ, ঠিকই বলেছিস।

    হাজার হোক সল্টলেক থেকে কক্সবা; দীর্ঘ পথ। সুতরাং ভারতী ঠিক করলেন, রবিবার বিকেলে যাবেন। সে খবর জেনে দুর্বা আর ওর মা–দুজনেই খুশি।

    ওদের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেই ভারতী হাজির শিবানীর কাছে।

    হ্যাঁরে শিবানী, একটু আগেই আমি দুর্বা আর ওর মা-কে বললাম, রবিবার বিকেলে আসছি।

    রবিবার কেন? আমি তো ভেবেছিলাম, তুই কাল-পরশুই যাবি।

    দ্যাখ শিবানী, হাজার হোক বর্ষা কাল। দু’একদিন বৃষ্টি হচ্ছে না ঠিকই কিন্তু যখন-তখন তো বৃষ্টি হতে পারে।

    তা তো পারেই।

    রবিবার তো তোর দাদার অফিস নেই। সুতরাং গাড়িটা পাওয়া যাবে।

    তা ঠিক।

    তাছাড়া আমাদের এখান থেকে কসবা অনেকটা পথ। টাক্সি পাব কি পাবো না, তার তো ঠিক নেই। তাই…

    এমনি দিনে পাওয়া গেলেও একটু-আধটু বৃষ্টি হলেই ট্যাক্সি পাওয়া সত্যি…

    হ্যাঁ, হ্যাঁ, সেই জন্যেই তো রবিবার যাবো।

    ঠিক আছে।

    আমরা চারটে নাগাদ স্টার্ট করব তাহলে পাঁচটা নাগাদ দুর্বাদের ওখানে পৌঁছব। তারপর সুবিধে মতন…

    শিবানী একটু হেসে বলে, হ্যাঁ, সেই ভাল।

    শুক্রবার।

    হারে শিবানী, তুই বল তো কি হাতে করে দুর্বাদের বাড়ি যাব।

    দু’জনেই মিষ্টি নেব না।

    হ্যাঁ, শুধু মিষ্টি নিয়ে যাওয়ার চাইতে দু’রকম জিনিষ নিয়ে যাওয়াই ভাল।

    ভারতী সঙ্গে সঙ্গেই বলেন, বলতে কি কি নিয়ে যাওয়া যায়।

    শিবানী একটু ভেবেই বলেন, আচ্ছা ভারতী, যদি আমরা কে. সি. দাশ থেকে কিছু ভাল মিষ্টি নেওয়া ছাড়া পার্ক স্ট্রীটের কোয়ালিটি বা ওয়েসিস থেকে কিছু ভাল কাবাব-টিক্কা-চিকেন পাকৌড়ার মতো কিছু নিয়ে যাই…

    খুব ভাল আইডিয়া।

    .

    দরজা খুলে মধ্যবয়সী ভদ্রমহিলাকে দেখেই ভারতী হাত জোড় করে বলেন, নমস্কার! আমি ভারতী সরকার আর…

    ভদ্রমহিলা একটু হেসে বলেন, উনি নিশ্চয়ই শিবানীদি?

    হ্যাঁ, ঠিকই বলেছেন।

    আপনারা ভিতরে আসুন।

    ভারতী আর শিবানী বারান্দায় উঠতে না উঠতেই দুর্বা লাফাতে লাফাতে এসে হাজির। দুজনকেই পায় হাত দিয়ে প্রণাম করে। সঙ্গে সঙ্গে এক গাল হেসে বলে, আপনারা এসেছেন বলে আমার খুব ভাল লাগছে।

    ড্রইংরুমে পা দিয়েই শিবানী ওয়েসিসের প্যাকেটটা দুর্বার হাতে দিয়ে একটু হেসে বলেন, শিল্পী, এই নাও।

    ভারতী কে. সি. দাশের প্যাকেটটা তুলে দেন দুর্বার মা-র হাতে। উনি বলেন, কি করেছেন বলুন তো আপনারা! এত কিছু…

    দুর্বা বলে, ও মা! মনোরমা মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের দই-মিষ্টি আর সিঙাড়া খেয়ে খেয়ে মুখে আরুচি ধরে গেছে। মাসীমারা কে. সি. দাশ-ওয়েসিসের খাবার দাবার এনে ভালই করেছেন।

    ওর কথা শুনে ভারতী আর শিবানী হাসেন।

    দুর্বার মা ওদের বলেন, দেখছেন, আমার মেয়ে কি অসভ্য।

    দুর্বা সঙ্গে সঙ্গে বলে, মা, কি অসভ্যতার মত কথা বলেছি? সত্যি করে বলল তো, মনোরমার দই-মিষ্টি-নোনতা খাবার খেতে তোমার ভাল লাগে?

    ও মুহূর্তের জন্য থেমে বলে, মাসীমারা কি ইনকাম ট্যাক্স অফিসার যে ওদের কাছ থেকে সত্যি কথাটা লুকোতে হবে?

    ওর কথা শুনে ভারতী আর শিবানী না হেসে পারেন না।

    যাইহোক টুকটাক কথাবার্তা গল্পগুজব করতে করতে চা-টা খাওয়া শেষ হতেই শিবানী দুর্বার দিকে তাকিয়ে বলেন, শিল্পী…

    দুর্বা হো হো করে হেসে উঠে বলে, আপনি কি সত্যি আমাকে শিল্পী বলে ডাকবেন?

    ভারতীর কাছে তোমার গানের যে প্রশংসা শুনেছি, তারপর তোমাকে শিল্পী বলে না উপায় নেই।

    ভারতী ওকে বলেন, মা, গান শোনাবে না?

    দুর্বার মা সুনন্দা দেবী বলেন, গান শোনাতে ময়না সব সময় রাজি। ও তো দিনরাত গান গায়। এমন কি খেতে বসেও…

    ভারতী আর শিবানী প্রায় একই সঙ্গে বলেন, ও খেতে বসেও গান গায়?

    আমাদের মায়া যখনই ওর সামনে ভাতের থালা আর ডালের বাটি রাখবে, তখনই ও গেয়ে উঠবে…

    দুর্বা সঙ্গে সঙ্গে শুরু করে–

    কত কাল রবে
    বল ভারত রে,
    শুধু ডাল ভাত জল
    পথ্য করে।
    দেশে অন্নজলের হল ঘোর অনটন–
    ধর হুইস্কী-সোডা
    আর মুর্গি-মটন।…

    ভারতী আর শিবানী হো হো করে হেসে ওঠেন।

    দুর্বা ওদের দিকে তাকিয়ে বলে, সত্যি, আমি যখন-তখন যেখানে-সেখানে হঠাৎ গান না গেয়ে থাকতে পারি না। এইতো পরশু দিনই ইউনিভার্সিটি গিয়েছিলাম। হঠাৎ দেখি, আমার, তিন-চারটে বন্ধু একটা গাছের ছায়ায় বসে খুব ফিসফিস করছে।

    ও হঠাৎ ডান হাতে তুড়ি দিয়েই বলল, ব্যস! আমি হঠাৎ ওদের সামনে হাজির হয়েই গেয়ে উঠি

    ওলো সই, ওলো সই
    আমার ইচ্ছা করে তোদের মতো
    মনের কথা কই।
    ছড়িয়ে দিয়ে পা দুখানি
    কোনে বসে কানাকানি,
    কভু হেসে কভু কেঁদে
    চেয়ে বসে রই।
    ওলো সই, ওলো সই।
    তোদের আছে মনের কথা,
    আমার আছে কই।
    আমি কী বলিব, কার কথা,
    কোন্ সুখ, কোন ব্যথা–
    নাই কথা, তবু সাধ
    শত কথা কই।
    ওলো সই, ওলো সই…

    দুর্বার গান শেষ হতেই শিবানী বন্ধুর দিকে তাকিয়ে একটু হেসে বলেন, ইন্টারেস্টিং মেয়ে শিল্পী।

    হ্যাঁ, তাইতো দেখছি।

    ভারতী সঙ্গে সঙ্গেই দুর্বাকে বলেন, এবার হামোনিয়াম বাজিয়ে ভাল করে গান শোনাও।

    এবার চলুন আমার ঘরে।

    সুনন্দা দেবী বলেন, হ্যাঁ, দিদি, আপনারা ওর ঘরে যান। আপনারা ময়নার গান শুনুন। আমি একটু দোকান থেকে ঘুরে আসি।

    দুর্বার ঘরে ঢুকে একবার দৃষ্টি ঘুরিয়ে নিয়েই শিবানী বলেন, হ্যাঁ, শিল্পীর ঘর এই রকমই হওয়া উচিত।

    হ্যাঁ, শিবানী, তুই ঠিকই বলেছিস। ভারী সুন্দর রুচিসম্পন্ন করে সাজানো।

    মাসীমারা, আপনারা আগে বসুন। অত প্রশংসা করার মতো ঘর আমার না। নিছক একটু পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার চেষ্টা করি।

    হ্যাঁ, ওরা দুজনে দুটো বেতের চেয়ারে পাশাপাশি বসতেই দুর্বা হারমোনিয়াম নিয়ে ওর খাটে বসে। বলে, আপনারা বলুন, কি ধরনের গান শুনতে চান।

    দুর্বা সঙ্গে সঙ্গে বলে, আমি কিন্তু শুধু রবীন্দ্রনাথের গানই গাইতে পারি।

    সকাল থেকেই মেঘ করেছে। দু’এক পশলা বৃষ্টিও ইতিমধ্যে হয়েছে। এখন আবার মেঘ ডাকতে শুরু করেছে। তাই জানলা দিয়ে একবার আকাশের দিকে তাকিয়েই দুর্বা গেয়ে ওঠে।

    এসো হে এসো সজল ঘন
    বাদল বরিষনে–
    বিপুল তব শ্যামল স্নেহে
    এসো হে এ জীবনে।
    এসো হে গিরিশিখর চুমি,
    ছায়ায়ঘিরি কানন ভূমি
    গগন ছেয়েএসো হে তুমি
    গভীর গরজনে।…

    ভারতী বা শিবানী কোন মন্তব্য করার আগেই দুর্বা আবার শুরু করে–

    চিত্ত আমার হারালো আজ
    মেঘের মাঝখানে–
    কোথায় ছুটে চলেছে সে
    কোথায়কে জানে।
    বিজুলিতার বীণার তারে
    আঘাত করে বারে বারে,
    বুকের মাঝে বজ্র বাজে
    কী মহাতানে।
    চিত্ত আমার হারালো আজ
    মেঘের মাঝখানে…

    গান শেষ হতেই দুর্বা মুখ তুলে ওদের দুজনের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করে, আপনাদের ভাল লাগছে তো?

    ভারতী বলেন, অপূর্ব।

    শিবানী বলেন, সাধে কী তোমার নাম রেখেছি শিল্পী।

    দুর্বা বলে, এবার কি পূজা বা প্রেম পর্যায়ের গান গাইব?

    শিবানী বলেন, তুমি এবার প্রেম পর্যায়ের গান শোনাও।

    ব্যস! দুর্বা গেয়ে ওঠে–

    আকাশে আজ কোন্ চরণের
    যাওয়া-আসা।
    বাতাসে আজ কোন্ পরশের
    লাগে হাওয়া ॥…
    ঐ গান শেষ হতেই দূর্বা আবার শুরু করে–
    আসা-যাওয়ার পথের ধারে
    গান গেয়ে মোর কেটেছে দিন।
    যাবার বেলায় দেব কারে
    বুকের কাছে বাজল যে বীণ।।
    সুরগুলি তার নানা ভাগে
    রেখে যাব পুষ্পরাগে,
    মীড়গুলি তার মেঘের রেখায়
    স্বর্ণলেখায় করব বিলীন।।
    আসা-যাওয়ার পথের ধারে,
    গান গেয়ে মোর কেটেছে দিন…

    গান শেষ হতে না হতেই সুনন্দা ঘরে ঢুকলেন। জিজ্ঞেস করেন, ময়নার গান আপনাদের কেমন লাগছে?

    ভারতী বলেন, আপনার ময়নার গান শোনার লোভেই তো সল্টলেক থেকে কসবা এলাম।

    শিবানী বলেন, আমি তো ভাবছি, আপনার মেয়েকে তুলে নিয়ে যাই।

    সুনন্দা একটু হেসে বলেন, হ্যাঁ, স্বচ্ছন্দে তুলে নিয়ে যান কিন্তু একটা ভাল ছেলের সঙ্গে ওকে সাতপাক ঘুরিয়ে দিতে হবে।

    ভারতী প্রশ্ন করেন, সত্যি কি মেয়ের বিয়ে দিতে চান?

    একশ বার চাই।

    উনি মুহূর্তের জন্য থেমে বলেন, মেয়ের এম. এ. পড়া হয়ে গেল এবার তো মেয়ের বিয়ে দিতেই হবে।

    আপনারা পাত্র দেখছেন না?

    আসল কথা হচ্ছে, ময়নার বাবাকে কলকাতার একটা আর ফরিদাবাদ হায়দ্রাবাদের দুটো ফ্যাক্টরি দেখতে হয়। উনি মাসে দশ-বারো দিনের বেশি কলকাতাতেই থাকতে পারেন না। তাছাড়া…

    তাছাড়া আবার কি?

    ময়নার কোন কাকা-জ্যেঠা বা পিসীও নেই যে তারা ওর পাত্রের খোঁজ…

    বুঝেছি।

    শিবানী সঙ্গে সঙ্গে একটু হেসে বলেন, সুনন্দাদি, আমি কিন্তু ভাল ঘটকালি করতে পারি।

    সুনন্দাও হেসে বলেন, ময়নার জন্য ভাল পাত্র দেখে না দিলে কী করে বুঝব আপনি…

    ভারতী হাসতে হাসতে বলেন, সুনন্দাদি, ওকে খেপিয়ে দেবেন না। ও হয়তো কালই পাত্র নিয়ে হাজির হবে।

    ওনার কথায় সুনন্দা না হেসে পারেন না।

    দুর্বা হাসতে হাসতে শিবানীকে বলে, মাসীমা, আপনি কোন ছেলের হয়ে আমাকে দেখতে বা পরীক্ষা নিতে আসেন নি তো?

    এইসব গোপনকথা তোমাকে বলব কেন?

    যাইহোক আরো প্রায় ঘণ্টা দুয়েক গল্পগুজব, হাসি ঠাট্টা, খাওয়া-দাওয়ার পর—

    সুনন্দা, তুমি ময়নাকে নিয়ে কবে আমাদের ওখানে আসছো?

    ভারতীদি, এখন ময়না একদিন তোমাদের ওখান থেকে ঘুরে আসুক। ময়নার বাবা ফিরলে আমি নিশ্চয়ই যাব।

    ঠিক তো?

    হ্যাঁ, ভারতীদি, সত্যি আমি যাব।

    শিবানী বলেন, ভারতী, তোমার মেয়েকে কিন্তু আমাদের ওখানে সারাদিন কাটাতে হবে। সন্ধ্যের পর আমরাই ওকে পৌঁছে দিয়ে যাব।

    না, না, তার দরকার হবে না।

    দুর্বা একটু হেসে বলে, মাসীমা, আমার দুই বন্ধু সল্টলেকে থাকে। আমি তো একলাই ওদের ওখানে যাতায়াত করি।

    ভারতী বলেন, দুর্বা, তুমি কবে যাবে আমাদের ওখানে?

    আমি তো এখন বেকার। যেদিন বলবেন, সেইদিনই যেতে পারি কিন্তু উইক ডে-তে তো আপনাদের কলেজ আছে।

    সে চিন্তা তোমাকে করতে হবে না। তুমি পরশু যেতে পারবে?

    হ্যাঁ, পারবো।

    তাহলে ঠিক ন’টার মধ্যে আমি বা শিবানী এসে তোমাকে নিয়ে যাব।

    মাসীমা, প্লীজ, আপনাদের কাউকে…

    প্লীজ ডোন্ট আর্গু দুর্বা! আমি বা শিবানী এসে তোমাকে নিয়ে যাব, দ্যাটস ফাইন্যাল।

    দুর্বা শুধু হাসে।

    ওরা দুজনেই সুনন্দার দুটি হাত ধরে বলেন, তোমাদের কাছে এসে সত্যি খুব আনন্দ পেলাম।

    তোমাদেরও আমার খুব ভাল লেগেছে।

    দুর্বাকে দু’জনেই বুকের মধ্যে টেনে নিয়ে আদর করলেন, স্নেহচুম্বন দিলেন কপালে।

    দুর্বাও ওদের প্রণাম করে।

    গাড়ি স্টার্ট দিয়ে একটু এগুতে না এগুতেই ভারতী এক গাল হেসে বলেন, হ্যাঁরে শিবানী, কেমন লাগলো দুর্বাকে?

    এত ভাল লেগেছে যে মুখে বলতে পারব না। তুই ঠিকই বলেছিলি; সত্যি মনে হলো, ঈশ্বর যেন নিজের হাতে খোদাই করে ওকে গড়েছেন।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাঙালী-টোলা – নিমাই ভট্টাচার্য
    Next Article প্রেমের গল্প – নিমাই ভট্টাচার্য

    Related Articles

    নিমাই ভট্টাচার্য

    মেমসাহেব – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    এ-ডি-সি – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    আকাশ-ভরা সূর্য-তারা – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    ডিপ্লোম্যাট – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    প্রিয়বরেষু – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    প্রেমের গল্প – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }