Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ফাঁস – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প48 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ফাঁস – ৫

    পাঁচ

    অনেক রাত, কল্যাণবাবুর বাড়িতে পুরো পরিবার থম মেরে বসে আছে। মোহন বসে আসে একটা টুলে। কল্যাণবাবু খাটে শুয়ে আছেন। কল্যাণবাবু বলছেন—

    কল্যাণবাবু।। এ পাড়া তাহলে ছাড়তে হবে মোহন?

    মোহন।। কেন?

    কল্যাণবাবু।। কলঙ্ক।

    মোহন।। ও সেকালের কাঁসার বাসনে পড়ত। একালে সব স্টেনলেস স্টিল।

    কল্যাণবাবু।। ব্যাপারটা যে ক্লিন একটা চক্রান্ত সেটা বুঝলে। মাঝখান থেকে মাধুরী হয়ে গেল কলগার্ল।

    মোহন।। এই প্রপার্টি নিয়ে খুড়তুতো ভাইদের সঙ্গে মামলাটা কতদিন চলছে?

    কল্যাণবাবু।। লাস্ট টেন ইয়ার্স।

    মোহন।। কী অবস্থায় আছে?

    কল্যাণবাবু।। ওরা নো হোয়্যার হয়ে যাবে।

    মোহন।। মাধুরী, তোকে বারান্দা থেকে কে ডেকেছিল?

    মাধুরী।। রেবাদি।

    মোহন।। তুই রেবার কেচ্ছা শুনিসনি?

    মাধুরী।। শুনেছি। বিশ্বাস করিনি। রেবাদির মেয়ে আমার সঙ্গে পড়ত।

    মোহন।। রেবার মেয়ে পড়লেই রেবা ধোয়া তুলসীপাতা।

    মাধুরী।। আগে কতবারই তো ওদের বাড়ি গেছি।

    মোহন।। তখন কি ওর স্বামী নিরুদ্দেশ হয়ে গিয়েছিল?

    মাধুরী।। না।

    মোহন।। ওর স্বামীকে খুন করেছে। ডেডবডি পাওয়া যায়নি।

    মাধুরী।। কোনো কেস হয়নি আজও।

    মোহন।। তাতে কী! কানেকশান থাকলে একটা কেন, দশটা মার্ডার করা যায়। মাধুরী, এত সরল হলে এই জটিল যুগে পদে পদে বিপদ। তুই জানিস না, তোদের এক শত্রু আত্মীয় রেবার ব্যাবসার পার্টনার। তোর একটুও সন্দেহ হল না, একটা মেয়েমানুষের এত পয়সা হল কী করে? তোকে ডাকার কারণ?

    মাধুরী।। বিউটি পারলার খুলবে। খুব ভালোভাবেই কথা বলছিল। তোদের এই অবস্থা, একটা ইনকাম না থাকলে কী করে চলবে। তখন যে ভেতরের ঘরে ওইসব হচ্ছিল, কী করে জানব।

    মোহন।। পুলিশ রেড না হলে তোর কী অবস্থা হত বুঝতে পারছিস? আমাদের ও.সি. অত্যন্ত ভালো লোক। মুখ দেখলে মানুষ চিনতে পারেন।

    মাধুরী।। আমার কী হবে মোহনদা। কাল সকালে রাস্তায় বেরোব কী করে?

    মোহন।। সেইজন্যেই বসে আছি। ভোর হলেই হাওড়া।

    মাধুরী।। হাওড়া কেন?

    মোহন।। হাওড়া থেকে হাওয়া।

    মাধুরী।। কোথায়?

    মোহন।। জামশেদপুরে। আমার পিসেমশাই ডাক্তার। নাম—করা।

    মাধুরী।। তারপর?

    মোহন মাধুরীর কথাটি শেষ হওয়া মাত্রই হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের বিখ্যাত সেই গানের একটি লাইন ‘তার আর পর নেই, নেই কোনো ঠিকানা’ উদাত্ত গলায় গেয়ে উঠল। মোহন থামামাত্রই কল্যাণবাবু বললেন—আহা, কী গলা। এ ছেলেটা গান গেয়েই মাৎ করে দিতে পারে। কেন যে করে না! মোহনের ক্লাসিক্যাল আমি শুনেছি আসরে। মনে আছে তোমার?

    মোহন।। সব মনে আছে কাকাবাবু। এতবড়ো দুঃসাহস, অত বড়ো বড়ো ওস্তাদের সামনে দরবারি কানাড়া গেয়েছিলুম।

    কল্যাণবাবু।। সেই গান আজও আমার কানে। জানো তো মোহন, এ বাড়িতেও গানবাজনার যথেষ্ট চর্চা ছিল। আবদুল করিম, ফয়েজ খান, মহিষাদল রাজ এস্টেটের পুলিনবিহারী। বেহাগে সিদ্ধ ছিলেন, আসরে আমাদের বাস্তুসাপ ঢুকে পড়েছিল। গল্পকথা নয়, চোখে দেখা, তখন আমি টেন ক্লাসের ছাত্তর। তারপর, ভাগ্য আর কপাল। জীবনটাকে কিছুতেই বাগে আনতে পারলুম না। লাগামছাড়া ঘোড়া। যতবার চেপে বসি, ছিটকে ফেলে দেয়।

    মোহন।। একটা ব্যাবসা তো করেছিলেন। কীসের ব্যাবসা? ম্যানুফ্যাকচারিং?

    কল্যাণবাবু।। না সেলিং।

    মোহন।। কী সেল করতেন?

    কল্যাণবাবু।। পেটারনাল প্রপারটি। বিষয়—সম্পত্তি, স্থাবর, অস্থাবর সব বেচে বেচে বছর কুড়ি খুব লপচপানি। তারপর একে একে নিবিল দেউটি। দিনগুলি মোর রইল না, সোনার খাঁচায় রইল না, নানা রঙের দিনগুলি। দারিদ্র্য, নোনাধরা দেয়াল, ঝুরঝুর বালি। একটা শাস্ত্রবাক্য শোনো মোহনলাল,

    বরং বনং ব্যাঘ্রগজেন্দ্রসেবিতং

    দ্রুমালয়ঃ পত্রফলাম্বুভোজনম।

    তৃণানি শয্যা বসনঞ্চ বল্কলং

    ন বন্ধুমধ্যে ধনহীন জীবনম।।

    গৃহত্যাগ করে বনে গিয়ে বাঘ—হাতির সঙ্গে বাস করা ভালো। পাতা, ফল, জল খাও। ঘাসের বিছানা। পরনে বল্কল। আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধবদের মধ্যে ধনহীন—দরিদ্র মানুষের জীবন অপমান আর অবহেলায় অসহ্য, দুর্বিষহ। যাও, হাই উঠছে সব। দুটো বাজল, শুয়ে পড়। আবার কাল। লড়াই, লড়াই, এ লড়াই মরার লড়াই, লড়াই করে মরতে হবে।

    ছয়

    কল্যাণবাবুদের বাড়ির বারান্দায় একটা বেতের আরাম চেয়ারে টান টান হয়ে শুয়ে আছে মোহন। বাইরে ল্যাম্পপোস্টের আলোর একটা ঝলক এসে পড়ছে মোহনের মুখে। ঘুরে ঢুকল মাধুরী। মোহনকে ওইভাবে শুয়ে থাকতে দেখে জিজ্ঞাসা করল, একটা কিছু পেতে দি না মোহনদা। তোশক, মশারি সব আছে।

    মোহন।। অকারণে কাজ বাড়িয়ো না। আমি কোথায় কোথায় শুয়ে ঘুম পাকিয়েছি জানিস— ইস্টিশানের বিছানায়। সেটা কী? কাঠের বেঞ্চি। মাঠের ঘাস, বাড়ির খড়ের চাল, পার্কের পাঁচিল, কলকাতার ফুটপাথ, গঙ্গার ঘাট, নৌকোর পাটাতন, গাছের মগডাল, শ্মশানের বটতলা, ভাঙা মন্দিরের দালান, চলন্ত ট্রাক, হাসপাতালের খাট, ঝুপড়ির খাটিয়া।

    মাধুরী।। আজ না হয় বিছানা।

    মোহন।। কেন অমন করছিস মাধু। খাতির আমার অসহ্য লাগে। পথেই জীবন পথেই মরণ আমাদের। ফুটে যা তো। একা একটু ঝিমোতে দে।

    মোহন শরীরটাকে আরও একটু এলিয়ে দিল। ঘুমিয়ে পড়েছে মোহন। দূর থেকে ভেসে আসছে হরিধ্বনি। ঘোলাটে অতীত স্বপ্ন হয়ে আসছে। গানের আসর, অজস্র শ্রোতা, মোহন দরবারি কানাড়ায় আলাপ করছে। ভোরের ঘোলাটে অন্ধকার, হাততালির শব্দ। একটা ঝাড়লন্ঠন ঝপ করে নিভে গেল। পাকিয়ে পাকিয়ে উঠছে নীল ধোঁয়া। বেতের চেয়ারে আধশোয়া মোহন হাততালির শব্দে সোজা হয়ে বসল। স্বপ্নের অতীত বর্তমানে এসে মিলিয়ে গেল। মোহন আপন মনেই হা—হা করে হাসছে। মোহনের হাসির শব্দে মাধুরী ছুটে এসেছে।

    মাধুরী।। কী হল? হা—হা করে কংসের মতো হাসছ? এখনও ভালো করে ভোরই হল না।

    মোহন।। হাসব না কেন! আমার অতীত যদি স্বপ্ন হয়ে আসে তাহলে আমার বর্তমান কেন হাসবে না।

    মাধুরী।। এইটুকু সময়ের মধ্যে কী স্বপ্ন আবার দেখলে?

    মোহন।। দেখলুম, বিরাট এক আসর। অজস্র শ্রোতা আর ওস্তাদ, আমি মঞ্চে বসে দরবারি কানাড়ায় গান গাইছি। গান শেষ হতেই হাততালি আর হাততালি। আর বড়ে গোলাম আলি আমাকে জড়িয়ে ধরে গালে চুমু খাচ্ছেন আর বলছেন, কেয়াবাত, কেয়াবাত।

    মাধুরী।। একদিন তো তাই হয়েছিল।

    মোহন।। একদিন, একদিন, বহুদিন, দিনের পর দিন চলে গেল। পড়ে রইল, মোহন দি অ্যান্টিসোশ্যাল। কথা শেষ করেই মোহন উঠে দাঁড়িয়ে, শরীরের দু’পাশে হাত দুটো টান টান করে ছড়িয়ে দিল।

    মাধুরী।। শোন, তোমাকে একটা কথা জিজ্ঞাসা করি। তুমি যে বললে, জামশেদপুরে পালাবে, আমাকে তোমার পিসিমার কাছে রেখে আসবে। আমি বলছি, পালাব কেন, কেন পালাব?

    অবাক বিস্ময়ে মাধুরীর দিকে তাকিয়ে কথা শুনছিল মোহন। কথা শেষ হওয়া মাত্রই মোহন উত্তেজনায় মাধুরীর দুটো কাঁধ ধরে ঝাঁকুনি মেরে বলল— আমি তো সেই কথাই বলতে চাইছি। মাধুরী, পালাবি কেন? রুখে দাঁড়া, দেখ, লেখাপড়া আমি তেমন করিনি, কিন্তু রবীন্দ্রনাথের এই লাইনটা আমার বেঁচে থাকার মন্ত্র—

    অন্যায় যে করে, আর অন্যায় যে সহে

    তব ঘৃণা তারে যেন তৃণসম দহে।

    মোহন আর মাধুরী পরস্পরের দিকে তাকিয়ে আছে। হঠাৎই মাধুরী বলল, পালাতেই যদি হয় তবে একজনের সঙ্গেই পালাব।

    মোহন।। মানে, এ আবার কী কথা? সে কে?

    মাধুরী মোহনের ডান গালে তর্জনী দিয়ে টোকা মারতে মারতে বলল, তুমি, তুমি, তুমি।

    ঠিক সেই সময় রাস্তা দিয়ে কর্পোরেশনের সাইলেন্সার ফাটা ময়লার গাড়ি বিকট শব্দ করতে করতে চলে গেল। দূরে একজন লোক বাজখাঁই গলায় ব্রঙ্কাইটিসের কাশি কাশতে নিজেকেই গালাগাল দিচ্ছে—শালার কাশি লাংস দুটো ফেঁড়ে ফেঁড়ে ফেলে দেবে। এই ভদ্রলোকের পল্লিকে কাশি বানিয়ে ছেড়ে দিলে। কাশি আর যেতে হবে না।

    মোহন।। নাও, ভোর হতে না হতেই শুরু হল গদাইদার কপচানি। জানিস মাধুরী, আমরা যখন ছোটো ছিলাম তখন এই পাড়ায় ভোরবেলায় সংকীর্তনের দল বেরোত। গাইতে গাইতে যেত—

    আর ঘুমায়ো না মন, মায়াঘোরে।

    কতদিন আর রবে অচেতন।

    তা তুই এ—কথাটা কী বললি?

    মাধুরী।। কোন কথাটা?

    মোহন।। আমার সঙ্গে পালাবি? আমার মতো একটা র‍্যাজাটে ছেলে যার কোনো চালচুলো নেই।

    মাধুরী।। ষাঁড়ের মতো চেল্লাচ্ছ কেন? এ তো তোমার সঙ্গে আমার কথা। পলিটিক্যাল বক্তৃতা দিতে দিতে তুমি সবকিছুই বলো বক্তৃতার ঢঙে। তা মহাদেবের কী ছিল? দালানকোঠা ছেড়ে দিয়ে শ্মশানে বৈঠকখানা। পার্বতী সেই মহাদেবকে পাবার জন্যই তপস্যা করেছিলেন।

    মোহন।। ওইসব সাহিত্যমার্কা ন্যাকান্যাকা কথা বলিসনি তো। লায়লা—মজনু, হীর—রণঝা, শাহজাহান—তাজমহল এসব ইলেকট্রিকের আলো আর স্যাটেলাইটের যুগের আগের কথা। এ যুগ হল কম্পিউটার, এ যুগ হল কেরিয়ারের। এ যুগ হল P3—র।

    মাধুরী।। P3?

    মোহন।। কিছুই জানিস না। ধেড়ে হয়ে বসে আছিস। শোন তিনটে পি হল, পপুলেশন, পলিউশন, পলিটিক্স।

    মাধুরী।। তোমাকে ভালোবাসি। পরিষ্কার সোজা কথা তোমাকে আমি ভালোবাসি। তোমার চোখে দেখেছি আমি আমার সর্বনাশের ইশারা।

    মোহন।। শোন, সভ্য মানুষের জীবনে একটা ইংরেজি আছে, সেটাকে বলে গুড মর্নিং। সেটা কী জানিস?

    মাধুরী।। কী?

    মোহন।। ভাঙা কাপে, কালচে রঙের তিনটে পিঁপড়ে ভাসা এককাপ তেতো চা। সেটার আশা কী আছে? না, আশার আশা ভবের আশা, আশা মাত্র হল সার। কাল সারারাত তোদের বারান্দার ব্লাডব্যাঙ্কে তা প্রায় আধবোতল রক্ত দিয়েছি, এখন একটু পুষ্টিকর চা না হলে এই চাতাল যে ভোরের কা—কা—র বদলে চা চা করবে।

    অস্পষ্ট একটা কোলাহলের শব্দ দূর থেকে ভেসে এল। মোহন কান খাড়া করে বললে,

    —সাতসকালে কী আবার হল!

    মাধুরী।। যাই হোক, তোমার মাথা ঘামাবার দরকার নেই।

    মোহন।। তুই কি আমাকে রিফর্ম করতে চাস! ফুল ফুটলে ভ্রমর ছুটবেই।

    মাধুরী।। আর আমি যদি শ্যামল মিত্রের সেই বিখ্যাত গান গেয়ে বলি, ফুলের বনে মধু নিতে অনেক কাঁটার জ্বালা। ভ্রমরা যাসনে সেখানে।

    মোহন।। সে হল তোর বাংলা ফুল। আমি হলুম, ইংরিজি Fool। আমার মাস্টারমশাই বলতেন— Fools tread where angles dare to step in. যেতে আমাকে হবেই। গোলমালটা আসছে খেলার মাঠের দিক থেকে।

    সাত

    খেলার মাঠে গোলপোস্টের পেছন দিকে কৌতূহলী এক দল মানুষের জটলা। মোহন দ্রুত এগিয়ে গেল সেইদিকে। মোহন দূর থেকেই জিজ্ঞাসা করছে—কী হয়েছে রে, কী হয়েছে?

    মোহন এ পাড়ার অভিভাবক। সকলেই আশ্বস্ত হল। নেতা এসে গেছে। আর ভয় নেই। ভিড়ের মধ্যে থেকেই একটি ছেলে বললে, এই দ্যাখো মোহনদা, একটা লাশ পড়ে আছে।

    গোলপোস্টের পেছনদিকে ঝোপঝাড় আগাছার মধ্যে থেকে বেরিয়ে এসেছে এক জোড়া পা। এক পায়ে জুতো, আর এক পা খালি। দেহের ঊর্ধ্বভাগ ঝোপের অন্তরালে। যে পারছে সেই একবার করে উঁকি মারছে। ঠোঁটে ঠোঁটে প্রশ্ন ফিরছে—লোকটা কে? মোহন ভিড় ঠেলে এগিয়ে গেল। এগোতে এগোতে বলছে, এতে এত হইচই করার কী আছে! মানুষ তো আজকাল কুকুরেরও অধম। মরে গেলেই হল। লাশটা কার?

    কে একজন বললে, দেখে মনে হচ্ছে সমীরদার।

    —সমীর? কোন সমীর? এ পাড়ায় সাতটা সমীর আছে।

    —আরে, শেয়ারের দালাল সমীর। তুমিতো চেনো।

    মোহনের গলায় বিস্ময়—সমীর সরকার! যাঃ, ওকে ঝেড়ে দিলে! আমি জানতুম ও হড়কাবে। ধর্মের কল বাতাসেই নড়বে।

    কিছুক্ষণের মধ্যেই চলে এল পুলিশের ধধধড়ে জিপ। জিপটাকে আসতে দেখেই ভিড় হাওয়া। গোলপোস্টের সামনে গোলকিপারের মতো একা দাঁড়িয়ে মোহন। পুলিশ অফিসারের সঙ্গে বেজারমুখো দু’জন সেপাই। পুলিশের বড়োবাবু আসতে আসতে দূর থেকেই বলছেন,

    —কী হে মোহনলাল, আবার একটা নামিয়েছ?

    —স্যার! এতকাল ক্রিমিন্যালদের চরিয়ে এ—কথা বললেন কী করে! খুনি কখনো খুনের জায়গায় থাকে? আর বডিটা দেখলেই মালুম হবে, কাঁচা হাতের কাজ।

    —খুনি খুনের জায়গায় থাকে না ঠিকই, তবে আমাদের শাস্ত্র কী বলে জানো—খুনি খুনের জায়গায় ফিরে আসবেই।

    —জানি স্যার। তবে এত তাড়াতাড়ি নয়।

    অফিসার সিপাইদের হুকুম দিলেন, সাবধানে ডেডবডি স্পর্শ না করে ঝোপটাকে একটু পরিষ্কার করতে। সিপাই দুজন সাবধানে কচুঘেঁচুর ঝোপ সরিয়ে মৃতদেহটাকে, দৃশ্যমান করল। অফিসার মোহনকে প্রশ্ন করলেন,

    —চেনো?

    —চিনি স্যার! সমীর সরকার। লোকে বলে, সমীর শেয়ার।

    অফিসার।। এই আর এক উপসর্গ ঢুকেছে শেয়ার। কিছুদিন হল, চিটফান্ড। এখন রসখ্যাপা বাঙালিকে ধরেছে শেয়ারে। শেয়ারের ট্যাক্সি, শেয়ারের অটো, বাকি রয়েছে শেয়ারে বিয়ে করাটা।

    মোহন।। বিয়ে জিনিসটা উঠে যাবে স্যার। এখন, এসে গেছে লিভ টুগেদার, ধরো আর ছাড়ো আবার ছাড়ো আর ধরো। (চিৎকার করে) জাগো বাঙালি। ডলার ছাড়াই আমেরিকান। খালি পেটে বুলি ঝেড়ে আর বুলি শুনে স্বাধীনতার ফিফটি ইয়ারস। আমি তাহলে আসি স্যার।

    অফিসার।। আসবে মানে?

    মোহন।। মানে আমি যাই।

    অফিসার।। তুমি তো আমার সঙ্গে যাবে। হাতের কাছে এমন একটা জিনিস থাকতে খুনিকে আমি কোথায় খুঁজে বেড়াব? লাশ আর কিলার একসঙ্গেই পাঠিয়ে দেব।

    মোহন।। আগে শনাক্ত করুন, তারপর তো ধরবেন। নাহলে তো এদিক দিয়ে ঢুকে ওদিক দিয়ে বেরিয়ে যাব।

    অফিসার।। কাজের সময় ইয়ার্কি নয়। আবার তোমাকে দেখলেই দুটো রসের কথা বলতে ইচ্ছা করে। জানো তো পুলিশের সবথেকে বড়ো বন্ধু হচ্ছে ক্রিমিন্যাল। কেসটা কী বলো তো?

    মোহন।। কেসটা বললে—আমার খুব একজন স্নেহভাজন ফেঁসে যাবে। সেটা আমি চাই না স্যার।

    অফিসার।। এই তো বলেই বিপদ করলে। তুমি যখন জানো তখন না বললে আমাদের বলানোর মেথড তো তোমার জানাই আছে মোহন।

    মোহন।। এই আপনাদের দোষ স্যার। থেকে থেকে পালটে যান। পুলিশ কী কখনোই মানুষ হবে না।

    অফিসার।। ব্যাপারটা রেসিপ্রোকাল। তোমরা মানুষ হলে পুলিশও মানুষ হয়ে যাবে।

    অফিসার মোহনের কাঁধে হাত রাখলেন। অন্তরঙ্গতা দেখলে মনে হবে যেন কতকালের বন্ধু দুজন প্রাণের কথা বলতে বলতে যাচ্ছেন। এই সময় আর একটা জিপ, বেশ ঝকঝকে, রাশভারী, ঝাঁ করে ঘটনাস্থলে এসে দাঁড়াল। দুজন অফিসার নামলেন। গটগট করে এগিয়ে গেলেন ঘটনাস্থলের দিকে। ফরেনসিক ডিপার্টমেন্টের বিশেষজ্ঞ। এইবার মাপজোকের ফিতে বেরোবে। লেনস, ক্যামেরা। ছাপ তোলা হবে। আরও কত কী! আপাতত স্থানীয় থানার আর কিছু করার নেই।

    আট

    নিত্যানন্দের ফ্ল্যাটে নিত্যানন্দ, মালিনী, পূর্ণা। চিন্তিত মুখ। রাতে ঘুম নেই কারও চোখে। মোহন বসে আছে একটা মোড়ায়। হাঁটুর ওপর হাত দুটো টানটান। মোহনের বসার ধরনটা যোগীর মতো। কখনো সামনে ঝোঁকে না। মুখ তুলে মোহন প্রশ্ন করল,

    —খোকা কোথায়?

    নিত্যানন্দ।। কাল থেকে সেই যে হাওয়া হয়ে গেছে, কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

    মোহন।। আপনাদের মতো ইডিয়েট…। আমার মাঝে মাঝে ইচ্ছে করে…। প্রায় আটচল্লিশ ঘণ্টা হয়ে গেল, ছেলেটাকে পাওয়া যাচ্ছে না। থানায় একটা ডায়েরি করতে পারতেন তো!

    মালিনী।। না, আমরা ভাবছিলুম, দেখি না, ফিরে আসে কি না!

    মোহন একটা আক্ষেপের শব্দ করে মাথা ঝাঁকিয়ে বললে,

    —এ কী বেড়াল যে ফিরে আসবে! মানুষের ছানা! আপনাদের মতো ক্যাবলাদের সংসার করাটাই উচিত হয়নি। এখন কী হবে।

    পূর্ণা প্রশ্ন করে উদবেগটা আরও বাড়িয়ে দিল—এখন কী হবে মোহনদা!

    মোহন কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললে—কেস খুব সিরিয়াস। সমীরের কাছ থেকে খোকা শেয়ার কিনেছিল, সেই শেয়ার জাল। ট্রান্সফার করাতে গিয়ে ধরা পড়ল জাল সই। খোকার লাখ দুই লাখ টাকা চোট। সমীরের ডেডবডি গোলপোস্টের পেছনে। একটু পরেই পুলিশ কুকুর আনবে। সেই কুকুর যদি শুঁকতে শুঁকতে এই বাড়িতে আসে তাহলে কী হবে?

    পূর্ণা।। এই বাড়িতে আসবে কেন?

    মোহন।। মাথামোটা! এই খুনের পেছনে খোকা যদি থাকে কিছু অন্যায় হবে।

    পূর্ণা।। দাদা থাকবে কেন?

    মোহন।। এই কারণে থাকবে, দাদার টাকা চৌপাট হয়ে গেছে। টাকার শোক তো ভোলা যায় না। সেই শোকে খোকা যদি ঝেড়ে দিয়ে থাকে।

    পূর্ণা।। দাদা খুনের এবিসি জানে না। ওরকম নরম মনের মানুষ জলজ্যান্ত একটা মানুষকে মেরে ফেলবে?

    মোহন।। বাবা, টাকা কী বস্তু জানো না! টাকার জন্য বাপ ছেলেকে, ছেলে বাপকে খুন করতে পারে। এটা স্বর্গ নয়, নরক পৃথিবী। এই সত্যটি ভুলো না কখনও।

    নিত্যানন্দ।। আমার প্যালপিটেশান হচ্ছে।

    মোহন।। হলেও কিছু করার নেই। শোন পূর্ণা, তোর দাদা খুন না করলেও আর একজন কেউ খুন করে তোর দাদার ঘাড়ে দায়টা চাপিয়ে দিতে পারে। প্রফেশনাল খুনিরা অনেক আটঘাট বেঁধে কাজ করে। পুলিশ যখন জাল ফেলবে তখন সেই জালে রুই, কাতলা, চুনোপুঁটি সব উঠবে। খুন না করলেও হ্যারাসমেন্টটা যাবে কোথায়!

    মোহন উঠে দাঁড়াল। দাঁড়িয়ে এদিক—ওদিক তাকিয়ে বললে—যেভাবেই হোক খোকাকে খুঁজে বের করতেই হবে। পূর্ণা, তুই বাবার জিভের তলায় একটা সরব্রিটেট দিয়ে দে।

    মোহন একটা গানের দুটো কলি গাইতে গাইতে বেরিয়ে গেল,

    এই দুনিয়ায় ভাই সবই হয় সব সত্যি।

    ঘুরিয়ে এই দুনিয়ার লাট্টু, ভগবান,

    তুমি হারিয়েছো লেত্তি।

    নয়

    গুপীর চায়ের দোকানে জোর গুলতানি। পাড়ার সব বিশেষজ্ঞের জমায়েত! যত না চা উড়ছে, তার চেয়ে বেশি ছুটছে কথা। আলাদা করে বক্তাদের চেনার চেষ্টা না করাই ভালো। স্বরক্ষেপের দিকে কান রাখা যাক :

    ।। কণ্ঠস্বর।।

    ১। এর পেছনে রাজপরিবারের হাত আছে। ডেফিনিট।

    ২। ধুস, চার্লস একেবারে ভেঙে পড়েছে। ফ্র্যাকচারড। দশ বছর বয়েস বেড়ে গেছে এক ঝটকায়। বউকে ভালোবাসত। যে যাই বল, প্রেম মরে না। ও হল বটের শেকড়।

    ৩। ভাই, এই তো জীবন, হেসে নাও দু’দিন বই তো নয়/কার যে কখন সন্ধে হয়। এই তো সমীর! কী লপচপানি। চলে গেল লাশকাটা ঘরে। কাল সেলাইফোঁড়াই হয়ে শ্মশানে, দেড় কেজি ছাই!

    ৪। আমি দেখছি, অনেকেরই পয়সা সহ্য হয় না। ডায়ানা, ডোডি কম বড়োলোক। হিরের আংটিটার দাম এক লাখ বিশ হাজার পাউন্ড।

    ৫। শেয়ার সমীর জাস্ট তিন দিন আগে গাড়ি কিনেছে। লে হালুয়া।

    ৬। কার কাজ বল তো, অমাবস্যার রাতে ঝড়াকসে নামিয়ে দিল মাইরি!

    ৭। ওই ডায়ানার মার্সিডিজ। ফাস্ট দৌড়লেই ক্র্যাশ। সমীর ফাস্ট রান করছিল। পাঁচ বছর আগেও গুপীদার ধারের খদ্দের। পাঁচ বছর পরে তাজে ডিনার।

    ৮। বাঙালির এই এক রোগ। কেউ মরলেই হল, অমনি ফিলজফি। আরে বাবা বাঁচতে এসেছিস, যেভাবেই হোক বেঁচে থেকে একদিন ফুটে যা। ইলিশ খা, ঢেঁড়স খা, রোল খা, মোগলাই খা, প্রেম কর, ঝগড়া কর, ভাব কর।

    ৯। লাও, শুরু হল ভাদ্দরের পচা তাল, ভড়ড় ভড়ড়।

    এই কথার গজর বজরে মোহন দমকা বাতাসের মতো দোকানে ঢুকল। ঢোকা মাত্রই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সোফিয়ার ঝাঁঝ। চায়ে চিনি গুলছিল। চাপা গলায় মোহনকে বললে,— কবে তুমি ভদ্দরলোক হবে?

    —ভদ্দরলোক তো হয়েই আছি।

    —যার কথার ঠিক নেই সে আবার ভদ্দরলোক।

    —এই লাও, কিছুই জানো না, সাঁই করে একটা কথা বলে বসলে। ভদ্দরলোকের লক্ষণই হল, তার কথার ঠিক থাকবে না। বলবে এক, করবে আর এক। এত ভদ্দরলোক চারপাশে থইথই করছে। দেখলেই তো শেখা যায়। লোনা না হলে সমুদ্রের জল হয়। ঝাল না হলে লংকা হয়!

    ——এটা দেখি কথার ঝুড়ি।

    ——ওটাও তোমার ভদ্দরলোকের লক্ষণ।

    —যাও, তোমার সঙ্গে কথা বলব না, অসভ্য। তোমার জন্যে কাল রাতে আমার খাওয়াই হল না। কত কী রাঁধলুম।

    —রাগ করে না। অবশ্য রাগলে তোমাকে আরও সুন্দর দেখায়।

    —থাক থাক, খুব হয়েছে। আমি চা—উলী, চা—উলীই থাকব।

    —আমি বেওয়ারিশ মাল বেওয়ারিশই থাকব। মরলে মুখ কেউ জলও দেবে না, শ্রাদ্ধও করবে না।

    হঠাৎ সোফিয়ার কানের কাছে মুখ নিয়ে গিয়ে ফিসফিস করে জিজ্ঞেস করলে—খোকনকে দেখেছ? কাল থেকে একবারও?

    সোফিয়া বললে—না তো!

    মোহন নিজের মনেই বলে উঠল—আশ্চর্য! ছেলেটি ভ্যানিশ হয়ে গেল!

    সোফিয়া বললে, তাতে তোমার কী?

    —এই দ্যাখো, ভদ্দরলোকের মতো কথা বললে। আমি ভদ্দরলোক হলে আমার কিছুই হত না। ছোটোলোক হয়েই বিপদ পড়েছি। ছেলেটার খুব বিপদ। যেভাবেই হোক, ওকে বাঁচাতে হবে।

    ——ওর আবার কী হল, ম্যালেরিয়া, না জন্ডিস!

    —দুটোই। এক গেলাস কড়া ছাড়।

    —রাতে কিছু জুটেছিল?

    —না।

    —সেই কাল দুপুরে খেয়েছিলে, এখন বেলা এগারোটা। আমি যদি তোমার কেউ হতুম, তাহলে তোমার মতো ছেলেকে কীভাবে টাইট দিতে হয় দেখিয়ে দিতুম।

    —তুমি যে আমার কে তুমি না জানলেও আমি জানি। কিন্তু সেই জানাটা তোমার অজানাই থেকে যাবে।

    মোহন সোফিয়াকে ছেড়ে দোকানের ভেতর গুলতানিতে বেঞ্চের একপাশে বসল। মোহনকে দেখে সবাই সমস্বরে বলে উঠল—গুরু অনেকদিন বাদে মিইয়ে যাওয়া পাড়াটা আবার তেতে উঠল।

    সোফিয়া মোহনের হাতে চায়ের গেলাসটা ধরাচ্ছে, মোহন সকলকে শুনিয়ে সোফিয়াকে বললে,

    —সোফিয়া শুনলে, এরাই হল ভদ্রলোক। কারওর সর্বনাশ কারওর পোষ মাস।

    দোকানের বয় কিশোর। বাইরে বসে কাপডিশ ধুচ্ছিল। হঠাৎ তিন লাফে দোকানে—

    —পুলিশ কুকুর ছেড়েছে, শুঁকতে শুঁকতে এইদিকেই আসছে।

    দোকানে যারা বসেছিল, পেছনের দরজা দিয়ে নিমেষে সব হাওয়া। ওদিকে আবর্জনা ভরা একফালি পোড়ো জমি। অন্য সময় হলে যেত না। মোহন একটা পা বেঞ্চের ওপর ছড়াতে ছড়াতে বললে,

    —যাঃ, সব ব্যাটা হাওয়া!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Article৫০টি প্রেমের গল্প – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article লোটাকম্বল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }