Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ফাঁস – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প48 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ফাঁস – ১০

    দশ

    কলকাতার লাল আলোর এলাকার একটি কুঠি। তার তিনতলার চিলেকোঠার ঘরে খোকন বসে আছে খাটে। একগাল দাড়ি। বিধ্বস্ত চেহারা। ড্রেসিং টেবিলের আয়নার সামনে একটি মেয়ে পিঠ পর্যন্ত ছড়িয়ে থাকা ঘন কালো চুলে চিরুনি চালাচ্ছে। অদ্ভুত একটা শব্দ হচ্ছে, যেন ঝাউয়ের পাতায় বাতাসের দীর্ঘশ্বাস। মেয়েটি সুন্দরী। দেহের খাঁজে খাঁজে, ভাঁজে ভাঁজে পাগল করা আকর্ষণ। মেয়েটির সঠিক নাম হারিয়ে গেছে। এ পাড়ায় তার নাম ডলি। খোকন আয়নার প্রতিচ্ছবির দিকে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে আছে। খোকনের জ্বর হয়েছে। ডলি আয়নায় খোকনের মুখ দেখতে পাচ্ছে। ডলি বলছে,

    —তোমাকে দূর করে দিইনি এই তোমার বাপের ভাগ্যি। কবে কোন জন্মে চুটকি মারতে এসেছিল সেই অধিকারে ঠাঠা দুপুরে ফুর্তি করতে চলে এলে। দেখে তো মনে হচ্ছে ভদ্দরঘরের ছেলে। একেবারে নাদান। মুখটা দেখে মায়াই হচ্ছে। রাতের বাবুরা সকাল হলেই আমাদের মেয়েমানুষ বলে। তা বলুক—আসলে তো আমরা মায়ের জাত। শয়তানরা টেনে বের করে এনে মাকে মাগি বানায়। গর্ভে ছেলে এলে বাংলায় বলবে জারজ, ইংরেজিতে বাস্টার্ড, হিন্দিতে বলবে হারামি। বউয়ের পেটের ছেলে—সন্তান, আমার পেটে সেই একই বাপের ছেলে—হারামি! কী বিচার মাইরি তোমাদের!

    ডলি আয়নার সামনে থেকে উঠে এসে বেশ আয়েস করে খোকনের পাশে বিছানায় আধশোয়া হল। কথা শেষ হয়নি। খোকনের ঊরুতে হাত রেখে বললে—দেখে মনে হচ্ছে, কিছু একটা বাধিয়ে এসেছ। খুনখারাপি করার সাহস তোমার হবে না, তবে এমন একটা কিছু দেখে ফেলেছ যাতে তুমি নিজেই খুন হয়ে যাবে।

    —কী করে বুঝলে বলো তো! খোকন অবাক হয়ে প্রশ্ন করল। ডলির শিক্ষিত হাত যেখানে সেখানে ভ্রমণ করছে। খোকনের সারা শরীর শিরশির করছে।

    ডলি বললে—এই বয়েসেই হাজারখানেক লোক চরিয়েছি। মানুষের ভেতরটা দেখতে পাই। এখানে এসেছ কেন?

    খোকন অসহায়ের মতো বললে—জানি না, কে যেন আমাকে টেনে নিয়ে এল। সেই কবে একবার দুর্গাপুজোর রাতে তোমার কাছে এসেছিলুম। সিদ্ধির ঘোরে মনে হয়েছিল, তুমিই মা দুর্গা। কিছু করতে পারিনি বলে আমাকে ক্যাঁত ক্যাঁত করে লাথি মেরেছিলে।

    —খুব তেল মারতে পারো মাইরি! কী মতলবে এসেছ বলো তো। ঘাপটি মেরে থাকবে কিছু দিন। এই একটা জায়গা। আমরা যেন পাপের আড়তদার! আমার রেট জানো। পকেটে কত টাকা আছে গুরু?

    —একটা টাকাও নেই।

    ——ওরে আমার ফোতো কাপতেন রে। এসব জায়গায় আসতে গেলে ট্যাঁকের জোর থাকা চাই।

    —তাহলে আমি চলেই যাই।

    খোকন উঠে দরজার দিকে এগোচ্ছে। বাইরে ঝাঁ—ঝাঁ রোদের কলকাতা। ডলি খাট ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়েছে। মজা দেখতে। ভীরু একটা ছেলে উদভ্রান্তের মতো চলে যাচ্ছে। কোথায় কী করে এসেছে কে জানে। ডলি বললে, এই যে দাঁড়াও, তোমাদের তো আবার নাম থাকে না, আমাদেরও অবশ্য থাকে না। এটা নামহীনদের পাড়া।

    খোকন ছাতে বেরিয়ে এসেছিল। দাঁড়াও—আদেশ শুনে দাঁড়িয়ে পড়েছে স্ট্যাচুর মতো। ডলি খোকনের সামনে মুখোমুখি। ঝাঁঝালো গলায় বললে—যেতে বলতেই সুড়সুড় করে চলে যাচ্ছ যে! আগের জন্মে ট্রেনিং নেওয়া বিলিতি কুকুর ছিলে বুঝি।

    খোকন কিছু বুঝতে না পেরে অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল মেয়েটির মুখের দিকে।

    ডলি আঙুল উঁচিয়ে কড়া গলায় বললে—ভেতরে চলো। ক’দিন খাওনি। মুখটা তো শুকনো আমের মতো হয়ে গেছে।

    খোকন ভয়ে ভয়ে ঘরে ঢুকল আবার। মেয়েটা পাকা মাছুড়ের মতো খোকনকে খেলাচ্ছে। কতই বা বয়েস! খোকনের বয়সিই হবে। খোকনের মায়ের কথা, বোনের কথা মনে পড়ছে। তুলনা আসছে। এও মেয়ে তারাও মেয়ে। কত তফাত। ডলি কোলে একটা তাকিয়া নিয়ে খাটের ওপর বাবু হয়ে বসল। খোকন ভ্যাবা গঙ্গারামের মতো সামনে দাঁড়িয়ে। কী করবে বুঝতে পারছে না।

    ডলি পান চিবোতে চিবোতে বললে—সঙের মতো দাঁড়িয়ে না থেকে দরজাটা ভেজিয়ে দিয়ে এসো। দরজাটা বন্ধ করতেই ঘরের ঝনঝনে আলো বেশ নরম হল। খোকন দাঁড়িয়ে আছে খাড়া।

    ডলি মুচকি হেসে বললে—এইবার কী হবে বলো তো!

    —কী হবে?

    —পয়সাকড়ি নেই তো?

    —না। গোটা কুড়ি টাকা আছে।

    —ওতে কী হবে। আমি রাত বিক্রি করি, দু’হাজার তিন হাজারে। দিন বিক্রি করি ঘণ্টা—মিটারে। পাঁচশো, হাজার। আমি এখন শোবো, তুমি আমার পা টিপবে। বিলিতি সাবান মেখে চান করেছি। চুলে করেছি এলো খোঁপা। পেটে পড়েছে বিরিয়ানি, চাঁপ। মুখে ঠুসেছি জর্দা পান। আর সামনে দাঁড়িয়ে আছো তুমি উপোসী। তোমার কেসটা এবার শোনা যাক। বেশ মজা লাগছে। তোমার সেই হরিদাসের গুপ্তকথা। নিশ্চয় একটা মেয়ে আছে। একটা ছেলে একটা মেয়ে—পৃথিবীর যত গল্পের শুরু।

    ডলি সুর পালটে এক ধমক লাগাল—চাকরের মতো দাঁড়িয়ে না থেকে বলতে পারছ না। মেড়া কোথাকার।

    খোকন বসতে গিয়ে খাট আর নিজের পেছনের দূরত্ব অনুমান করতে না পেরে মেঝেতে পড়ে যেতে যেতে নিজেকে কোনোরকমে সামলে নিল। ডলি খিল খিল করে হাসতে হাসতে বললে—ভয় পেয়ে মানুষ কীরকম ভেড়া হয়ে যায় মাইরি।

    কথা শেষ করেই ডলি চিৎ হয়ে শুয়ে পড়ল। পা দুটো তুলে দিল খোকনের কোলে— পা দুটো আগে দ্যাখো। এর নাম শ্রীচরণ। কেষ্টঠাকুর শ্রীরাধিকার শ্রীচরণ সেবার পর শ্রীফল পেতেন। এইরকম পা দেখেছ? কী, এইতেই মরে গেলে, গলা শুকিয়ে কাঠ। এখনও যে অনেক বাকি মিঞা। কুঞ্জকানন অনেক দূর। আমার মুখের পান চিবনো খাবে? বেশ রসেছে। বহুত প্রেম। ঠোঁট দুটো আমার ঠোঁটের কাছে নিয়ে এসো। পান খাও, পান করো। কত সুধা পৃথিবীতে। বোতল সুধা, অধর সুধা, দেহ সুধা। কত সুধা!

    খোকন অবাক হয়ে পা দুটো দেখছে। মানবীর পা এত সুন্দর হয়! হাঁটু পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে। বস্ত্রের অন্তরালে আরও বিস্ময়। হিসেব করে, শাস্ত্র মেনে বাঁচতে গেলে জীবনের কিছুই দর্শন হয় না। সব বিসর্জন দিলে তবেই অর্জন হয়।

     এগারো

    ফুটবল খেলার মাঠ। মাঝমাঠে বল। দু’দিকে দুই স্কুল টিম। সবই ছড়িয়ে—ছিটিয়ে আছে। হাত—পা নাড়ছে। গজর গজর কথা হচ্ছে। দুজন প্রবীণ মানুষ অসহায়ের মতো দাঁড়িয়ে। কোনো একটা সমস্যা। যার সমাধান এই দুজন প্রবীণ মানুষের দ্বারা সম্ভব হচ্ছে না। এমন সময় দেখা গেল, মোটর সাইকেলে চেপে মোহন আসছে। সাদা শার্ট, সাদা ট্রাউজার একেবারে টিপটপ।

    দুই প্রবীণ একসঙ্গে চিৎকার করে উঠলেন—মোহন, মোহন!

    মোটর বাইক কান্নিক মেরে রাস্তার বাঁ পাশে মাঠের ধারে চলে এল। মোহনের একটা পা মাটিতে। বাইকের চাপা গর্জন। মোহন গলা চড়িয়ে জিজ্ঞেস করল—কী হল স্যার!

    প্রবীণদের একজন বললেন—একবার এসো না বাবা।

    মোহন বাইকটাকে রাস্তার পাশে রেখে একলাফে মাঠে পড়ে ছুটতে ছুটতে দূর থেকে বললে—শরীরটা এখনও ফিট আছে, বলুন স্যার?

    মোহনের পায়ের কাছেই ফুটবল। সটান লাথি মারার লোভনীয় একটা জিনিস। মাঠের ঘাসে পা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মোহনের শৈশব ফিরে আসছিল। বলটা দেখার পর সেই অনুভূতি আরও তীব্র হল। ধাঁই করে এক শট। বলটা উড়ে গেল গোলের দিকে। সেখানে কেউ নেই, অথচ অদৃশ্য কোনো গোলকিপার বলটাকে যেন পাঞ্চ করে ফিরিয়ে দিল।

    মোহনের মুখ দিয়ে বেরিয়ে গেল—যাস শালা।

    সঙ্গে সঙ্গে বললে—সরি স্যার। তাজ্জব ব্যাপার।

    মাস্টারমশাইদের একজন বললেন—সেইজন্যেই তোমাকে ডেকেছি বাবা। তখন থেকে এইরকমই হচ্ছে। কী ব্যাপার বলো তো!

    মোহন বললে—আজকে খেলাটা বন্ধ রাখলেই পারতেন। সকালে এতবড়ো একটা কেলোর কীর্তি হয়ে গেল।

    —কী করব! আমাদের টুর্নামেন্ট চলছে যে!

    রেফারি কিছুক্ষণ চিন্তা করে রায় দিলেন—খেলা আজ বন্ধ থাক স্যার। যে—কোনো কারণেই হোক, মাঠের আবহাওয়া আজ ভালো নয়। মনে হয়, হাওয়ার জন্যেই আজ এইরকম হচ্ছে। বল ঠেলে বের করে দিচ্ছে।

    শিক্ষকমশাই বললেন—কী যে বলো! হাওয়াই নেই তো হাওয়া! গাছের একটা পাতাও কি নড়ছে!

    রেফারি বললেন—এ হাওয়া সে হাওয়া নয়। এই যে বলে, আবহাওয়া বার্তা, তাতে হাওয়া আছে?

    —ঝোড়ো হাওয়া আছে।

    —যে হাওয়ায় গাছে পাতা নড়ে সে হাওয়া আছে কি? নেই। সে হাওয়ায় আমাদের শ্বাস—প্রশ্বাসের হাওয়াও নেই।

    কিছুক্ষণ ভ্যাজোর ভ্যাজোর করে মাঠ ফাঁকা করে সবাই চলে গেল। দাঁড়িয়ে রইল একা মোহন। মোহন গোলপোস্টের দিকে এগিয়ে গেল আবার। প্রশ্নটা থেকেই গেল। ঘটনাটা লৌকিক না অলৌকিক। বিজ্ঞানের যুগে ভূতের অস্তিত্ব কেউ বিশ্বাস করবে! গোল—পোস্ট। পেছনে ঝোপঝাড়। ঝোপঝাড় সামান্য বিধ্বস্ত। কোথাও কোনো অস্বাভাবিকতা নেই। তাহলে?

    মোহন আরও কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে ফিরে গেল বাইকের কাছে। স্টার্ট নিয়ে চলে গেল যেদিকে যাচ্ছিল সেই দিকে। পড়ন্ত বেলার রোদ। মোহনের বাইক দূর থেকে দূরে অদৃশ্য হয়ে গেল। মাঠটা পড়ে রইল শুনশান।

    বারো

    সুচন্দ্রা লাল পাড়ার এখন টপ বারবধূ। পাঁচ হাজারের কমে কথা বলে না। নামি—দামি লোক আসে, বসে, ফুর্তি করে, চলে যায়। আর আসে সবচেয়ে কুখ্যাত মানুষরা। যারা হাসতে হাসতে খুন করে। ভীষণ সাজানো—গোছানো একটি ঘর দোতলায়। যমদূতের মতো বসে আছে দুটো লোক। মদের বোতল, গেলাস, সোডা ওয়াটারের খালি বোতল। তিনটে প্লেটে মাংসের হাড়। সুচন্দ্রা প্রায় আউট। লোক দুটো নেশায় টান টান। পাপের জগতে এদের একজনের নাম পীরু, আর একজনের নাম জগা।

    জগা পীরুকে বলছে—ব্যাটা ষণ্ড। মাথামোটা। তোকে বললে চমকে দিতে, আর তুই পাঠিয়ে দিলি মায়ের ভোগে।

    পীরু— আরে, বুরবাকের মতো কথা বলিস না তো! খুন তো করিসনি কোনোদিন। কারও গলা টিপে ধরলে আরও টিপতে ইচ্ছে করে। তা দম বন্ধ হয়ে গেলে আমি কি করব। শালা নেতিয়ে পড়ল।

    জগা— তা লাশটা পাড়ায় না ফেলে বেপাড়ায় ফেলতে পারতিস তো!

    পীরু— তোর দয়ামায়া কিস্যু নেই। মাল খেয়ে খেয়ে সব লোপাট চৌপাট হয়ে গেছে। পাড়ার জিনিস পাড়াতেই রইল। শালার বাড়ির লোকের লেবার কমে গেল। একছুটে এসে মড়া দেখে মরাকান্না জুড়ে দেবে।

    জগা— ভালোই করেছিস মাথামোটা। এইবার দু’সাইডের ধোলাই খাবে। পুলিশের হাত থেকে বাঁচলেও মোহন শালা কি ছাড়বে? ব্যাটা যমদূত।

    পীরু— ছাড়বে ছাড়বে। দুই আর দুইয়ে চার হয় সোনা। গব্বর সিং—এর মতো গতরটাই বাগিয়েছিস। মাথায় আছে ছাই। গোবর থাকলে তবু সার হত। হিসেবটা বোঝার চেষ্টা কর।

    জগা— এর মধ্যে আবার হিসেব কী! তোর হাফ আমার হাফ।

    পীরু— ওরে আমার মানিক রে! পুরো কেসটা নামালুম আমি, অপারেশন আমার। এক কোপে খতম। ঘ্যাঁক করে গলাটা চেপে ধরে তিনটে ঝটকা। আর তুমি মেরে দেবে হাফ। শোন নেপো, এই দইয়ের এক ছিটেও তুমি মারতে পারবে না।

    জগা— যাঃ, তুই আমায় এত পেয়ার করিস, প্রসাদ না দিলে তোর দিলে লাগবে রে। তোকে তো আমি জানি। মানুষের চেহারা হলে কী হয়, আসলে একটা হাতি। যাকে ভালোবাসিস তাকে শুঁড়ে তুলে পিঠে চড়াস। আর যার ওপর রেগে যাস তাকে থেঁতো করিস। তুই আর ব্যাংক তো এক রে। যতদিন থাকবে মাল সুদে বাড়বে। এইবার তোর সেই হিসেবটা বল মাইরি।

    পীরু এক চুমুকে আধ গেলাস সাবড়ে জগাকে হিসেব বোঝাচ্ছে—

    —শোন, মোহন খোকনকে ভালোবাসে। খোকনকে কেন ভালোবাসে। বল, কেন বাসে! দেখি তোর নেশা হয়েছে কী হয়নি।

    জগা একটু ভেবে বললে— খোকনের বোন পূর্ণা।

    পীরু— ইয়া, মার দিয়া কেল্লা। ধরেছিস ঠিক। ষাঁড়ের কালিয়া। হুইস্কি খেলে সায়েবদের মতো বুদ্ধি হয়, কী বলো বেগম সাহেবা। তুমি যে বাবা এরই মধ্যে চেত্তা খেয়ে গেলে।

    জগা— ওকে ছাড় এখন। তুই আটকে গেছিস, আগে বাড়ো।

    পীরু— কী যেন হচ্ছিল?

    জগা— হিসেব।

    পীরু— হিসেব করে কী হবে! ওসব করবে ওই কেরানিরা। আমাদের হল জিয়ো, পিয়ো। কেউ মনে রাখবে না আমাদের। একদিন আদর করে নিজের মেয়ের গায়ে হাত দিয়েছি, চিৎকার—বাপ হয়ে মেয়েকে রেপ করতে চাইছ! আমাদের ক্যারেকটার বলে আর কিছু নেই রে জগু।

    জগা—লে হালুয়া! শেষ পর্যন্ত তোরই নেশা হয়ে গেল। আরে ব্যাটাচ্ছেলে ওই হিসেব—মোহন ভালোবাসে খোকনকে, আসলে ভালোবাসে পূর্ণাকে, তাহলে? তাহলে কী?

    পীরু—অ, তুই ওই হিসেবটা বলছিস? খোকনের দু’লাখ টাকা চোট হয়েছে, তাহলে সমীরকে খতম করার কথা ছিল মোহনের, তার আগে আমরাই ওকে শুইয়ে দিয়েছি। সমীর অনেকের টাকা মেরেছে। ব্যাটা পাপী। পাপীরা কোথায় যায়?

    জগা—নরকে।

    পীরু—উসকো হাম নরকমে ভেজ দিয়া। হামার কোতো, কোতো পুণ্য হল। সো লোকের ভি কোতো আনন্দ হল। এইবার বাজি পোড়াবে, পটকা ফাটাবে। আভি তুমহার হিসাব ছোড়ো দোস্ত, এক রাউন্ড নাচা—গানা হো যায়। পীরু কোনোরকমে উঠে দাঁড়িয়ে নাচার চেষ্টা করল। পিয়া ঘর আয়া, আহা, আহা। শরীরের ভারসাম্য হারিয়ে টলে পড়ে গেল। সেন্টার টেবল, মোড়া সব ছিটকে উলটে একটা কেলেঙ্কারি কাণ্ড। পীরুর নাচ দেখে জগা খাটের ওপর উঠে দাঁড়িয়েছে। পীরুকে বলছে—ব্যাটার লিভারে কিছু নেই, ছিবড়ে হয়ে গেছে। এই দ্যাখ, আমি স্টেজে দাঁড়িয়ে কেমন নাচি।

    জগা, পীরুর কাণ্ড দেখে সুচন্দ্রা দু’হাত তুলে আতঙ্কের গলায় বলছে—উতার যাও, উতার যাও, খাট ভাঙ যায়েগা।

    তেরো

    ওই পাড়ারই ডলির ঘরে তখন অন্য দৃশ্য। খোকন দাড়ি কামিয়েছে, চান করেছে। নীচের, নীচের ফ্ল্যাটে গুলজার। খদ্দের ঢুকছে, বেরোচ্ছে। ঘরে ঘরে প্রেম উপচে পড়ছে। কচি কলাপাতায় মোড়া বেলফুলের মালা। কারও কারও খোঁপায় জুঁইফুলের গোড়ের মালা। ফুল আর মদের গন্ধে বাতাস ভারী। ডলির ঘর সেই তুলনায় শান্ত। ছাদের নিরালায় এক টেরে। খোকনের সামনে একটা টেবিল। তার ওপর বড়ো প্লেটে কচুরি আর আলুর দম।

    ডলি—তাড়াতাড়ি খেয়ে নাও। আমি মাসিকে বলে আসি ঘরে লোক আছে। একটাই সমস্যা আজ আর কামাই হবে না। টাকাটা আমার গ্যাঁট থেকে যাবে।

    খোকন—কত টাকা?

    ডলি—তা ধরো পাঁচশো।

    খোকন—তুমি আমার জন্যে এতটা করবে স্বপ্নেও ভাবিনি। ভগবান দিন দিলে পাঁচশো কেন, তোমাকে আমি পাঁচ লাখ দেবো।

    ডলি—গাছে কাঁঠাল, গোঁফে তেল। আগে নিজে বাঁচো। আমার যদ্দিন যৌবন আছে তদ্দিন রোজগার আছে। তোমার তো কিছুই নেই।

    খোকন—খুনটা দেখে ফেলেই বিপদ করেছি। আমার মোহনদাকে একবার ধরতে পারলে এখুনি একটা রাস্তা বেরোয়। ওরা আমাকে মারবেই, কারণ এই খুনের আমিই তো একমাত্র সাক্ষী।

    ডলি—ওই ছোট্ট মাথায় অত দুশ্চিন্তা আর ঢুকিয়ো না। রাতটা আমার খাটের তলায় কাটিয়ে দাও; কারণ মাঝরাতে আমার এক বাঁধা খদ্দের আছে। চুর হয়ে ঢোকে, একটু হাতটাত বুলিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। সকাল হলে তোমাকে পাচার করে দোবো।

    খোকন—কোথায় পাচার করবে?

    ডলি—আরে দেশে কী জায়গার অভাব আছে? আমি যেভাবে পাচার হয়েছি, তুমিও সেইভাবেই পাচার হবে।

    খোকন—তুমি আমার জন্য এত করছ কেন?

    ডলি—ন্যাকামি করো না। কেন—র কোনো জবাব নেই। ঝপ করে মেরে দাও, আমি বাইরে থেকে দরজায় তালা মেরে দিয়ে যাচ্ছি।

    চোদ্দ

    কালীবাড়ি। মা খুবই জাগ্রত। প্রায় তিনশো বছরের প্রাচীন মন্দির। আরতি হচ্ছে মহা সমারোহে। মালিনী আর পূর্ণা বসে আছে হাতজোড় করে। এধারে, ওধারে আরও দু’চারজন ভক্ত। আরতি শেষ হল। সৌম্যদর্শন পূজারি হাতে হাতে চরণামৃত দিচ্ছেন।

    মালিনী চাপা স্বরে বললে— ঠাকুরমশাই! আপনার সঙ্গে আমার একটু কথা আছে।

    ঠাকুরমশাই—দাঁড়াও মা, একটু ব্যস্ত আছি। একটু পরে সব শুনব।

    ঠাকুরমশাই তরতর করে সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে উচ্চকণ্ঠে এক সুবেশ তরুণকে ডাকছেন, শোনো বাপি, শোনো বাপি।

    যুবকটি ডাক শুনে মন্দিরের সামনের জমিতে উঠে এল রাস্তা থেকে। পূজারিকে প্রণাম করে বললে,

    —ভালো আছেন জ্যাঠামশাই? বাবা আজ সকালেই আপনার কথাই বলছিলেন। আপনি কিন্তু অনেকদিন আমাদের বাড়িতে যাননি। একদিন আসুন না। একটু জ্যোতিষ—টোতিস হবে।

    —যাবো, যাবো, তোমার বাবার সঙ্গে আমার খুব দরকার।

    —আমাকে বলতে পারেন।

    —না, না, সে—কথা তোমাকে বলা যায় না। আমি রবিবার সকাল নটায় যাব। বাবাকে বলে রেখো।

    ছেলেটি মন্দিরে মাকে প্রণাম করে চলে গেল। পূজারি সিল্কের উত্তরীয় সামলাতে সামলাতে মন্দিরের দালানে উঠে বিশ্বত্রাতার ভঙ্গিতে দাঁড়ালেন। ঢুলু ঢুলু চোখে মালিনীকে বললেন,

    —বলো মা, তুমি যা বলবে সব আমি জানি। এই পনেরো তারিখ পর্যন্ত গ্রহগুলো সব তেড়েবেঁকে আছে। সে তোমরা বুঝবে না, মহাকাশে এক মহাচক্রান্ত। এখন কেউ ভালো নেই, কেউ ভালো থাকতে পারে না। এই দ্যাখো না, চোদ্দো বছর পর আমার বাত আবার ফিরে এসেছে। বসলে উঠতে পারি না, উঠলে বসতে পারি না। অথচ এই পা দুটো এই শরীরটাকে কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারিকা কম ঘোরান ঘুরিয়েছে। তীর্থ থেকে তীর্থে। গোমুখ, গঙ্গোত্রী একসময় আমার কাছে ছিল এপাড়া—ওপাড়া। সব ওই বেটির খেলা, হাসছে দ্যাখো। খিল খিল করে হাসছে। আমি মাঝে মাঝে জিভটা টেনে নিই। আদর, বুঝলে আদর। যা চাইবার ওই বেটির কাছে চাও, মানুষের কোনো ক্ষমতা নেই। তোমাদের ধোয়া কাপড়?

    মালিনী—আজ্ঞে হ্যাঁ।

    ঠাকুরমশাই—তাহলে যাও, ভেতরে যাও। মায়ের পা দুটো জড়িয়ে তিনবার কপাল ঠোকো। এই কথার পিঠে বাইরে থেকে একটা কণ্ঠস্বর ভেসে এল— কপাল লিখিতং ধাতা কোন শালা কিং করিষ্যতি।

    ঠাকুরমশাই—কে, কোন অর্বাচীন?

    —আজ্ঞে, অর্বাচীন মোহন।

    —তুই বাপি, এই সময় কোথা থেকে জ্বালাতে এলি। তোর তো এখন অন্য জায়গায় থাকার কথা বাপি!

    —আজ্ঞে, শক্তিসাধনার পীঠস্থানেই তো এসেছি। শক্তির তো দুটো রূপ ঠাকুরমশাই, একটা সলিড, একটা লিকুইড। আচ্ছা, বলুন তো কত রকমের লবণ আছে?

    —এ আবার কী অর্বাচীন প্রশ্ন বাপি! এ প্রশ্নের কোনো উত্তর হয়!

    —এত শাস্ত্র পড়লেন, এত যজমানকে খলখলে করলেন, এই উত্তরটা জানেন না? এ হচ্ছে গোলাপি রেউড়ির মতো গোলাপি ধাঁধা। শুনুন তাহলে, লবণ, সৈন্ধব লবণ, ভাস্কর লবণ। একই লবণ, প্রথমটা সংসারীর ভোগে লাগে, দ্বিতীয়টা দেবভোগে, তৃতীয়টা অম্বলের রোগীর হজমে। শক্তিও সেইরকম ঠাকুরমশাই।

    —শোন বাপি। সাড়ে তিনশো বছরের এই কালীমন্দিরে এসে আজেবাজে কথা নাই বা বললি।

    —ঠাকুরমশাই, সবই মায়ের ইচ্ছা। ছিল সিমেন্টের খরখরে মেঝে, হয়ে গেল পাথরের। দেয়ালে পিঁপড়ে পিছলে যাচ্ছে, আর পিঠ লাগলে নুনছাল উঠে যেত। আর নিজে হয়েছেন ফ্রিজ থেকে সদ্য বের করা একটি কুলফিমালাই।

    —বাপি, হাত জোড় করছি।

    —আমার দিকে নয়, ওই মায়ের দিকে ঘুরে দাঁড়ান। বলুন, মা ভবতারিণী, আমাকে চৈতন্য দাও মা, আমার অহংকার কিঞ্চিৎ ছেঁটে দাও মা। আজ আছি কাল নেই মা, মরে গেলে কোনো নাম নেই মা।

    মন্দিরের পেছন দিক থেকে পাজামা—পাঞ্জাবি পরা ঝুমকো চুলো একটা ছেলে সিঁড়ি দিয়ে দু’ধাপ নেমেছে কি নামেনি মোহন বাঘের মতো তার ঘাড়ে ঝাঁপিয়ে পড়ল। পাঞ্জাবির সামনেটা খামচে ধরে দু’বার ঝাঁকানি মেরে মোহন গর্জে উঠল,

    —শুয়োরের বাচ্চা, হারামি, তোকে এইবার কোন জগদম্বা বাঁচাবে। মায়ের পায়ের লাল জবা এক ঝুড়ি চিবিয়ে খেলেও এই হাঁড়িকাঠেই তোর শেষ গতি।

    ছেলেটির নাম পরেশ। ভয়ে সিঁটিয়ে গেছে। তোতলাতে তোতলাতে বলছে,

    —মোহনদা আমি কী করেছি?

    ঠাকুরমশাই ভয়ে জড়োসড়ো হয়ে বলছেন—বাপি, এটা মায়ের মন্দির। এখানে এসব করে না বাপি।

    মোহনের হাতের মুঠো এতটুকু আলগা হল না। পরেশের পাঞ্জাবি সেই একই কায়দায় ধরে আছে। আর একটা ঝাঁকানি মেরে বললে— ঠাকুরমশাই, সাড়ে তিনশো বছর আগে এখানে নরবলি হত। সাড়ে তিনশো বছর পরে এই নরছাগলটাকে পাওয়া গেছে। আপনি শুধু এর গলাটা আর খাঁড়াটাকে একটু পুজো করে দিন। এক কোপে নামিয়ে দি।

    মোহনের এবার অন্য চেহারা, কেশর ফোলানো সিংহের মতো। একটা হুঙ্কার ছেড়ে বললে—মা, অনেকদিন নিরামিষ খেয়ে আছিস মা, আজ তোর আমিষ ভোগ।

    পূর্ণা এতক্ষণ থম মেরে বসেছিল। সে তরতর করে নেমে এসে মোহনের হাত ধরল,

    —কী করছ মোহনদা?

    —এই শুয়োরটা একটু আগে মাধুরীকে বলে এসেছে, ইজ্জত যখন একবার গেছেই তখন শরীরটাকে কাজে লাগিয়ে দু’পয়সা ইনকাম কর না। আমার হাতে ভালো ভালো খদ্দের আছে।

    মোহন পরেশকে সপাটে একটা থাপ্পড় হাঁকাল। পরেশ ঠিকরে হাঁড়িকাঠের ওপর। মোহন দু’কোমরে হাত রেখে বললে—খাঁড়াটাকে আর অপবিত্র করব না ঠাকুরমশাই। এই পায়রাটার জন্যে ছোটো একটা দানাই যথেষ্ট। আমার কোমরের খাপে এই মেশিনটা অনেক দিন উপোস করে আছে।

    পরেশ—গুরু, বুঝতে পারিনি, সেমসাইড হয়ে গেছে।

    সঙ্গে সঙ্গে মোহনের এক লাথি। পরেশ কোঁক করে উঠল।

    মোহন—আমার পায়ে ধরে কী হবে। আমার এলাকায় মেয়েদের অসম্মান চলবে না। তোকে সবার সামনে মাধুরীর পায়ে ধরে ক্ষমা চাইতে হবে।

    পরেশ—বেইজ্জত তো আগেই হয়ে গেছে মোহনদা।

    মোহনের মার শুরু হল। ঠাকুরমশাই ভয়ে মন্দিরের ঝোলা ঘণ্টাটাকে জোরে জোরে বাজাতে লাগলেন। আর গাঁক গাঁক করে চিৎকার করতে লাগলেন—জয় মা জয় মা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Article৫০টি প্রেমের গল্প – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article লোটাকম্বল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }