Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ফাঁস – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প48 Mins Read0
    ⤶

    ফাঁস – ১৫

    পনেরো

    একটা পুরনো বাড়ির ভাঙা ভাঙা ঘর। রাত গভীর। মোহন মদে চুর। একপাশে গুম মেরে বসে আছে। গুপীদাও অল্পবিস্তর খেয়েছে। মুখটা টকটকে লাল। সোফিয়া টগবগ করছে। যত রাত বাড়ছে ততই তার জেল্লা বাড়ছে।

    মোহন গুপীকে বলছে—তুমি কি আমাকে চরিত্রহীন ভাবো?

    গুপী—ঠিক উলটো ভাবি। তোমার মতো চরিত্রবান ছেলে এপাড়ায় ক’জন আছে! তুমি শেয়াল নও, তুমি বাঘ। সোফিয়ার বয়েস আমার অর্ধেক। আমি ওর বাপের বয়সি। দুটো জীবন অ্যায়সি মিলে গেছে। সোফিয়া তোমাকে ভালোবাসে, তা আমি জানি; কিন্তু তুমি জানো, সোফিয়া গুপী ঢ্যামনার বউ। এই অবস্থায় হিন্দি ছবি হলে কী হত? সোফিয়া আর তুমি আমাকে হাপিস করে ম্যানহোলে ফেলে আসতে। কই তা তো তুমি করোনি মোহন। তোমার কোমরে তো সবসময় মেশিন থাকে। ছোট্ট একটা দানা, ছোট্ট একটু শব্দ। একটা কুত্তার মৃত্যু, একটা লেংটি খতম। তার বদলে তুমি কী করলে! এই শালাকে গুপীদা বলে সম্মান করলে, আগলে রাখলে। তা না হলে এই গুপীদা কবে খতম হয়ে যেত। তুমি এই খাতির কী সোফিয়ার জন্যে করো? না। গুপীর একটা অতীত আছে। পড়তি জমিদার বংশের মুকখু ছেলে। যৌবনে দু’হাতে উড়িয়েছি। সোফিয়াকে ওর দাদুর কাছ থেকে ছিনিয়ে এনে গোটা ভারতে ফ্যা ফ্যা করে ঘুরেছি। আমি জানি, তুমি আমাকে ভালোবাস, কেন বাস মোহন?

    মোহন— তুমি একটা মানুষ, সেন্ট পারসেন্ট খাঁটি মানুষ। তুমি আমার মায়ের কথারই উজ্জ্বল উদাহরণ। আমার মা কে বলো তো গুপীদা?

    গুপী— তোমার মা তো তোমার চার বছর বয়সেই চলে গেছেন।

    মোহন— গর্ভধারিণী নয় গো। আমার জীবনদায়িনী, শক্তিদায়িনী মা সারদা, ওই যে তাঁর ছবি। ওই মা বলেছিলেন, শোন মোহন, যখন যেমন তখন তেমন, যার কাছে যেমন তার কাছে তেমন, যেখানে যেমন, সেখানে তেমন। তুমি কেঁচোর মতো বড়োলোকি চাল নিয়ে গর্তে ঢুকে মরতে চাওনি। তুমিই হলে একালের জ্যান্ত স্লোগান—লড়াই, লড়াই, লড়াই চাই।

    রয়াল এনফিল্ড মোটর বাইকের বিকট শব্দে মোহনের গলা চাপা পড়ে গেল। সোফিয়া উৎকণ্ঠায় টানটান—

    —সেই শুয়োরের বাচ্চা। মোহনদা, আসছে সে।

    ষোলো

    অন্ধকার রাত। সামনে অমাবস্যা। কালো ঘুটঘুটে নির্মেঘ আকাশ। তারার ঝাঁক ফুল ভোল্টেজে ধক ধক করে জ্বলছে। সেই অন্ধকারে বিশাল মোটর সাইকেল থেকে নামছে কালোয়ারের ছেলে সূরয। সবাই বলে কালা সূরয, গেরোন লাগা সূর্য। দুটো ‘ম’ নিয়ে পড়ে আছে। পাতি সাপ্লাই দেয় মালকোঁচা মারা সেকেলে বাপ। শিবের ভক্ত। বাড়িটাই শিবমন্দির। কালা সূরয চোরাই অস্ত্রের ব্যাবসা করে। বম্বের মাফিয়াদের সঙ্গে কানেকশান। কালা সূরয গুপীর বাড়িতে ঢুকছে। কাঁধে একটা বড়ো ব্যাগ। সূরয সামনের দরজা দিয়ে ঢুকছে। মোহন আর গুপী সুট করে বেরিয়ে গেল পেছনের দরজা দিয়ে। মোহন পাশের একটা গলিতে মোটরসাইকেল রেখেছিল। মোহন বেরিয়ে যাওয়ার সময় সোফিয়াকে বলেছিল—শিকারটাকে আচ্ছাসে খেলাও। আজকের রাতই ওর শেষ রাত হবে। অন্ধকার গলি ধরে মোহন ছুটছে ‘রতন স্টুডিয়ো’—র দিকে।

    এদিকে সূরয ঢুকছে। বড়ি চমকিলি রাত।

    —মেরি দুলাড়ি। বুঢঢাটা কোথায়? গন্ধী মাল।

    সোফিয়া যেন কতই প্রেমিকা। মায়া মেশানো গলা তার—সেটাকে আউট করে দিয়েছি।

    —তাহলে?

    —তাহলে আবার কী! তুমি আমার, আমি তোমার। পুজোর সময় চম্পট। সোজা বোম্বাই। তুমি আমাকে ‘সিল্কি স্মিতা’ করে দেবে। লাখ লাখ টাকা, গাড়ি, বাড়ি, হিরের গয়না।

    সূরয খুব খুশি—এই তো, এই তো লাইনে এসেছ। তোমার যা ফিগার মাইরি। একটু মেকআপ মেরে নামিয়ে দিলে সব আউট। রাস্তা ঝাড়ু দেবে। খালি একটু নাচাগানা শিখতে হবে।

    —আরে ইয়ার সে তো আমি জানি। বিলকুল জানি।

    —তাহলে আমাদের ডানকুনির বাগানে এই শনিবার।

    —হয়ে যাক। আমার সিল্কের শাড়ি আছে, নকলি সোনার গয়না আছে।

    —আরে আসলি পরবে, আসলি। আমার নাম সূরয, তুমি আমার চন্দা।

    ওদিকে রতন স্টুডিয়োর সামনে মোহন। ডাকছে—এই রতন, রতনা।

    স্টুডিয়োর রোলিং—শাটার অর্ধেক নামানো। তলা দিয়ে গলে বেরোতে বেরোতে রতন বলছে,

    —গুরু! তুমি এত রাতে!

    —শিকার পড়েছে। তোর পোলারাইজটা নিয়ে শিগগির আয়। একটুও দেরি চলবে না।

    —এক সেকেন্ড, মালটা লোড করে নি।

    —ফ্লপ করে না যেন।

    —না রে বাবা, জার্মানির এক নম্বর মাল। শিয়োর শট। অন্ধকারে শেয়ালের চোখ।

    এদের দুজনকে রেখে আবার আমরা সোফিয়ার ঘরে যাই। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দু’হাত তুলে খোঁপা ঠিক করতে করতে সোফিয়া সূরযকে বলছে—কেমন দেখছ?

    লোভে সূরযের চোখ দুটো জ্বলছে। সূরয সোফিয়ার ঘাড়ে ঠোঁট ঠেকিয়ে বলছে—

    পাগল হয়ে যাব। শিউজির ষাঁড় আমি।

    —ষাঁড় নয়, ভাদ্দর মাসের কুকুর।

    —যাঃ, নিজেকে কুকুর বলতে ইচ্ছে করে!

    —আগে আলোটা নেবাও।

    আলো নিবল। মোহন আর রতন নিঃশব্দে পেছনের খিড়কি দিয়ে ঢুকছে। ডানপাশে একটা উঁচু মতো জায়গায় বসে আছে গুপী। বিড়ির আগুন বড়ো হচ্ছে, ছোটো হচ্ছে।

    মোহন গুপীকে ফিসফিস করে—বিড়ি ফেলে দাও। হাওয়া ওইদিকে বইছে। গন্ধ যাবে। সব ঠিক আছে তো!

    গুপী বিড়ি ফেলে দিয়ে চাপা গলায় বললে, এইমাত্র আলো নিবেছে।

    মোহন আর রতন নিঃশব্দে বেড়ালের মতো ভেতরে চলে গেল। গুপী বাইরেই বসে রইল। অন্ধকারে দুটো সিল্যুয়েটের নড়াচড়া। মোহন রতনের কানে কানে জিজ্ঞেস করলে—শাটারের শব্দ হবে না তো?

    —না। ক্যামেরাটা কম্পিউটারাইজড।

    —সাবাস বিজ্ঞান।

    সূরয ইতিমধ্যে অন্ধকারে বেশ কিছুদূর এগিয়েছে। সেমিফাইনাল থেকে ফাইনাল যাবে, এমন সময় দপ করে আলো জ্বলে উঠল, সূরয চমকে উঠেছে। ঠিক দরজার সামনে দীর্ঘকায় মোহন, পাশে রতন পালোয়ান।

    মোহন বরফ শীতল গলায় বললে,—সূরযবাবু, ইঁদুরকলে পড়েছ। বেশি রং নেবার চেষ্টা করো না। এই যে দেখছ যন্তরটা, পোলারাইজড ক্যামেরা। এর ভেতর আছে তোমার মৃত্যুবাণ।

    সূরয চাদর জড়ানো অবস্থায় ঘরের এক কোণে উজবুকের মতো দাঁড়িয়ে আছে। কাঁপা কাঁপা গলায় বললে—মোহনবাবু, আপনি এই সময় এখানে?

    মোহনেরও সেই একই প্রশ্ন—সূরযবাবু, আপনি এইসময় এখানে? ব্যাগে কত মাল আছে?

    —কেন মোহনবাবু?

    —আজ রাতে পঁচিশ হাজার ক্যাশ। এরপরে মাসে মাসে এক লাখ।

    —আমার সঙ্গে দিল্লাগি করছেন?

    —তাহলে এই তিরিশখানা ছবি আপনার বাবার কাছে, বউয়ের কাছে, আপনার শ্বশুর, শাশুড়ির কাছে পাঠিয়ে দিই।

    —আপনার মতো লোক আমাকে ব্ল্যাকমেল করছেন।

    —ওসব ঢঙের কথা খুব হয়েছে, যা বলছি তাই কর। তা না হলে আমি যা বলেছি তাই হবে।

    —এতে তো সোফিয়ার ভি ক্ষোতি হোবে।

    —সেজন্যে তো আমি আছি।

    —দেখুন, মোহনবাবু, আমাকে ভয় দেখিয়ে কোনো কাম হোবে না, বোরোং আপনার ক্ষোতি হোবে।

    —আমার যে ক্ষতি করতে পারে সে এখনও জন্মায়নি রে শালা। এইবার আমি তোর কী হালত করি দ্যাখ।

    মোহন রতনের দিকে ফিরে বললে—এই তোর কাছে লাইটার আছে?

    —আছে।

    —একটা কাজ কর। এই শালার গন্ধী শার্ট, ট্রাউজার, জাঙ্গিয়া—সব বাইরের বাগানে একটা খোলা জায়গায় নিয়ে গিয়ে লাইটার মেরে দে। ছাই করে দিয়ে চলে আয়।

    সূরয একটা হুংকার ছাড়ল—রতন, তুমি মোহন নও।

    মোহন বললে—রতন, তুই আমার ছাতার তলায় আছিস। তোর টিকি কেউ ছুঁতে পারবে না।

    —জানি গুরু, রতন তিনবার মরতে মরতে বেঁচেছে। আমি মরতে ভয় পাই না। সূরযবাবু আজ তুমি নাঙ্গা হয়ে বাড়ি ফিরবে। কেমন লাগবে। তোমার ছেলে দেখবে, মেয়ে দেখবে।

    মোহন বললে—তোমার ওপর আরও একটু কাজ হবে। কপালে একটা উল্কি করে দেবো। জীবনে উঠবে না, আর শব্দটা এতই অশ্লীল যে নিজের মুণ্ডু নিজেকেই না কাটতে হয়।

    মোহন কথা বলতে বলতে ক্রমশই ভয়ংকর হয়ে উঠছে। এ মোহন সেই মোহন, যে সবকিছু গুঁড়িয়ে দিতে পারে। দু’হাত তুলে অদ্ভুত একটা গলায় বললে—আজ, চতুর্দশী। ওর সভ্যতার খোলস পুড়িয়ে ছাই করে ঘাড় ধরে রাস্তার চৌমাথায় নিয়ে গিয়ে ল্যাম্প—পোস্টে বেঁধে রাখ। ভাবছে, ওই চাদরটা লজ্জা নিবারণ করবে। ওটাও খুলে নেওয়া হবে টান মেরে। সূর্যকুমার! সামনের ইলেকশানে বিধানের পার্টি না কী টিকিট দিচ্ছে তোমাকে? ভেতরের খবরটা বলে দি—পার্টির ভেতরের কোঁদলে বিধান আউট হয়ে যাচ্ছে। এই ছবিগুলো পার্টিরও কাজে লাগবে। রতনে রতন চেনে। দুই মালই আউট। খামে ভরব আর ভেজে দোব।

    সূরয—আমার কাছে এখন অত টাকা নেই।

    মোহন—কত আছে?

    সূরয—দশ, পনেরো হবে। দুটো বিলিতির বোতল আছে।

    মোহন—রতনা, ব্যাগটা সার্চ কর।

    সূরয বাধা দেবার চেষ্টা করতেই মোহন মারল এক ঝটকা। সূরয পিংপিং বলের মতো ঠিকরে গেল। মোহন হাসছে—

    —বেটার অবস্থা দ্যাখ রতন! বেহালার মতো করুণ!

    রতন—বেহালা! জায়গা না বাজনা!

    মোহন—বাজনা রে বাজনা। আজ পর্যন্ত বেহালায় করুণ সুর ছাড়া কিছু বাজতে শুনেছিস। বেহালা হল ভারতীয় নারী। কান্নার জন্যেই তার জন্ম।

    রতন ব্যাগ থেকে প্লাস্টিকে মোড়া ছোটো একটা পুরিয়া বের করে মোহনকে দেখাল—

    মোহনদা, মালটা কী?

    মোহন—একবার থানায় ফোন কর। বুঝতে পারবে মালটা কী! নারকোটিক্স। দেশের যুবশক্তিকে গোল্লায় পাঠাবার সাদা গুঁড়ো। ভালো মাল পেয়েছিস রতন। ওইতেই বছর দশেক ঘানি ঘোরাবে। মামাদের আদরে ভাগনে ভালোই থাকবে। জরিমানাও হবে যথেষ্ট।

    সূরয—উলটোটাও হতে পারে মোহনবাবু। মালটা এখন তোমার হাতে। আমি অস্বীকার করব। পুলিশ তোমাকেও চেনে। আমার চেয়ে ভালো চেনে।

    মোহন—চেনা কাকে বলে, জানো তুমি সূরয। দু’রকম চেনা আছে রে মর্কট। প্রকৃত চেনা আর ওপর ওপর চেনা। তবু তোমাকে যাতে চিনতে ভুল না হয়, সে ব্যবস্থা আমি করব কালাচাঁদ। রতন তোর ব্যাগ থেকে একটুকরো কাগজ আর ডটপেনটা বের কর। সূরযবাবু এইবার আমি একটা জিনিস বের করি।

    মোহন কোমরের কাছ থেকে একটা রিভালবার বের করল, দু’পা পেছিয়ে গিয়ে একটা টুলে বসল। নলে একটা ফুঁ মেরে সূরযের দিকে তাক করে বললে—যা বলছি, ওই কাগজটায় লেখ—আমি সূরয সিং, আমার নাম মহাবীর সিং। ঠিকানা, ছ’নম্বর নবকৃষ্ণ নন্দী লেন। আমি হেরোইনের চোরা চালানদার। আমার এই ব্যাগ থেকে মোহনলাল যে প্যাকেটটা বের করেছে তার মালিক আমি। হয়েছে লেখা?

    সূরয—আমি বাংলা লিখতে জানি না।

    মোহন—একটি থাপ্পড়ে তোমার বদন ঘুরিয়ে দেবো রাসকেল। যা বলছি লেখ—শালা, বরাহনন্দন।

    সূরয—তুমি আমায় গুলি করতে পারবে না। গুলির শব্দে লোক ছুটে আসবে। আমি মরে গেলে তোমাকে পুলিশে ধরবে। তোমার ফাঁসি হবে। এটা হিন্দি সিনেমা নয় মোহনলালবাবু!

    মোহন সিলিং ফ্যানটার দিকে তাকিয়ে রতনকে বললে—

    ওর গায়ের চাদরটা খুলে নিয়ে পাকিয়ে পাখার হুকে বাঁধ। একটা ফাঁস তৈরি কর। বহুত ভ্যানতাড়া হয়েছে। চল, ঝুলিয়ে দিয়ে থানায় যাই। একটা এফ আই আর করে আসি। সোফিয়াকে রেপ করছিল, আমরা দেখে ফেলায়, ব্যাটা পেটাইয়ের ভয়ে ঝুলে পড়েছে।

    সূরয বললে—কেন অত ঝামেলা করছ মোহনলাল। তোমার অনেক ক্ষমতা, অনেক খুন করেছ তুমি, সব আমি জানি। তবু আমি তোমাকে খুব পছন্দ করি। আমি জানি, তুমি ইচ্ছে করলে আমাকে ছারপোকার মতো টিপে মেরে ফেলতে পারো। আমার অনেক পাপ। এখানে আসা আমার উচিত হয়নি। আমার অন্যায় হয়েছে। এইবার তোমার যা ইচ্ছে হয় আমাকে করো। তোমার কাছে সারেন্ডার করলে তুমি অপরাধীকে ক্ষমা করো, তা আমি জানি। আমি এমন কাজ আর কখনও করব না মোহনলাল। আজ থেকে তোমার সঙ্গে আমার কোনো শত্রুতা রইল না। আজ থেকে আমি তোমার বন্ধু। তুমি আমাকে ভালো হওয়ার সুযোগ দাও।

    মোহন—সত্যিই তুমি আমার বন্ধু হতে চাও?

    সূরয—জরুর! আমার জবানের দাম আছে।

    মোহন—তাহলে বলো, এই সাদা গুঁড়োর পেছনে কে কে আছে?

    সূরয—আমি তোমাকে বলব, তবে আজ নয়। আমাকে আরও একটু জানতে হবে। আমি ছুটকোগুলোকে জানি, আসল রাজা কে জানতে পারিনি। তোমার মতো আমিও জানতে চাই, খতম করে দিতে চাই। আমার ব্যাগে পঁচিশ হাজার আছে, সোফিয়াকে দিয়ে দাও। আজ থেকে সোফিয়া আমার বন্ধু। ছবিগুলো তোমার কাছেই থাক, তাতে তোমার কাছে আমার টিকি বাঁধা থাকবে। আমি তোমার দুশমন না দোস্ত, আগে প্রমাণ করি। তুমি মনে রেখো, ওই ছবিতে সোফিয়া ভি আছে। এইবার তুমি আমার লজ্জা ফেরত দাও।

    মোহন—রতন। ওর জামা, প্যান্ট ফেরত দে।

    রতন—গুরু। তুমি বিশ্বাস করে বিপদে পড়বে!

    সূরয তার ব্যক্তিত্ব ক্রমশই ফিরে পাচ্ছে। যতই হোক, সূরযেরও পাওয়ার আছে। টাকা আছে। নেতাদের টাকা খাওয়ায়। একগাদা গুন্ডা পোষে। ব্যঙ্গের গলায় রতনকে বললে—

    —আরে এই ফোটোওয়ালা, রাজায় রাজায় কথা হচ্ছে দোস্ত। তুমি একটু চুপ থাকো। এ তোমার অন্ধকারে তসবির খ্যাঁচা নয়। এ ইস্যুটা অনেক বড়ো, ইন্টারন্যাশনাল।

    সতেরো

    ক্লান্ত মোহনলাল মাধুরীদের বাড়ির সামনে বাইক থেকে যখন নামল, তখন গভীর রাত। হাওয়া ঘুরে গেছে। তারাদের স্থান পরিবর্তন হয়েছে। হেডলাইটের আলোয় ফাঁকা রাস্তা একঝলক দেখা গেল। মাধুরীদের বাড়ির ভেতর থেকে সেতারের মিহি আলাপ ভেসে আসছে। মোহন অন্ধকারে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে রইল কিছুক্ষণ। তারপরে আস্তে আস্তে এগিয়ে গিয়ে, তিন ধাপ সিঁড়ি ভেঙে কলিংবেল টিপল। সেতার আর বেল একসঙ্গে বাজছে। সেতার থেমে গেল। দরজা খুলল মাধুরী।

    মাধুরী—এ কী! এত রাতে তুমি কোথা থেকে এলে?

    মোহন—তোকে বড়ো দেখতে ইচ্ছে হল।

    মাধুরী—দেখে তো মনে হচ্ছে একেবারে বিধ্বস্ত।

    মোহন—সারাজীবন ছ্যাঁচড়ামি করতে করতে আমি ছিবড়ে হয়ে গেলুম। কিছু খেতে দিবি রে!

    মাধুরী—তুমি হাত—মুখ ধোবে তো।

    মোহন—আরে ধুস। আমি এই বারান্দায় আমার বেতের চেয়ারটায় বসছি। তুই কুড়িয়েবাড়িয়ে যা পাস নিয়ে আয়। পেটে আগুন জ্বলছে।

    মাধুরী—ও শোনো, ভাগ্যিস মনে পড়ল—একটা উটকো ছেলে এসে তোমার নামে একটা চিঠি দিয়ে গেছে।

    মোহন—এখানে?

    মাধুরী—হ্যাঁ, এখানে।

    মোহন—তার মানে সকলেই জেনে গেছে, এইটেই আমার বাড়ি। যাব্বাবা! যার কোনো চালচুলো নেই, দালান—কোঠা ফেলে দিয়ে যার শ্মশানে বৈঠকখানা, পাবলিক তার মাথার ওপর ছাত তৈরি করে দিলে! দে, দে, চিঠিটা দে। নিশ্চয় জরুরি। তুই খুলে দেখিসনি?

    মাধুরী—তোমার চিঠি, তোমার অনুমতি ছাড়া পড়বো কেন?

    মোহন—সবাই ঘুমিয়ে পড়েছে?

    মাধুরী—পড়বে না! রাত কত হল বলো তো!

    মোহন—তুই কেন জেগে আছিস?

    মাধুরী—যদি বলি তোমার জন্যে!

    মোহন—শোন, তুই আর আমাকে দুর্বল করে দিস না। যা, চিঠিটা নিয়ে আয়।

    মাধুরী—এই বারান্দাতেই থাকবে? ভেতরে আমার ঘরে আসবে না?

    মোহন—তুই একটা আইবুড়ো মেয়ে, আমি একটা আইবুড়ো ছেলে। এই গভীর রাত, সবাই ঘুমুচ্ছে, রাস্তায় দাঁড়িয়েই কথা বলা উচিত ছিল। বারান্দা পর্যন্ত এসেছি, এইটাই তো যথেষ্ট দুঃসাহস।

    মাধুরী—যাকে দেখে পাড়ার সমস্ত লোক কাঁপে, সে নিজে এত ভীতু! তুমি যখনই কলিং বেল বাজিয়েছো, জেনে রাখো, বিছানা না ছাড়লেও সবাই জেগে আছে।

    মোহন—শোন বাঘকে সবাই ভয় পায়; কিন্তু তুই যদি বাঘের সামনে ভটাস করে একটা ছাতা খুলিস, বাঘ ভয়ে পালাবে। আমি মানুষকে মেরে চৌপাট করে দিতে ভয় পাই না; কিন্তু মেয়েদের প্রেমকে ভয় পাই। ওর চেয়ে ভয়ংকর ফাঁস পৃথিবীতে আর কিছু নেই।

    মাধুরী—যে এত ভালো গান গায়, তার ভেতরে প্রেম নেই, এ—কথা কেউ বিশ্বাস করবে!

    মোহন করুণ গলায়—ভীষণ খিদে পেয়েছে রে।

    মাধুরী ভেতরে চলে গেল। বারান্দার আলো—আঁধারিতে বসে আছে মোহন। হুকে হুকে ঝুলছে অর্কিডের টব। মোহনের পাশে একটা সেন্টার টেবল, অ্যাশট্রে। কে একজন সামনের পথ দিয়ে যেতে যেতে কাশছে।

    মোহন জিজ্ঞেস করলে—কে যায়?

    পথিক জড়ানো গলায়—কে কয়?

    মোহন গলা শুনে চিনতে পেরেছে—আরে হারুদা।

    হারু জড়ানো গলায় বললে—এই তো রতনে রতন চেনে, ভাল্লুকে চেনে শাঁকালু। এত রাতে এই ঠেকে কী করছ বাওয়া! এটা কী তোমার কাফেটেরিয়া?

    মোহন গলা নকল করে—বিরিয়ানি খাচ্ছি বাওয়া।

    হারু—যার যেমন বরাত! তুমি খাচ্ছ বিরিয়ানি, আমি খাচ্ছি বিড়ি।

    মোহন—কতটা চড়িয়েছ?

    হারু—রোজ যা চড়াই।

    মোহন—মাতাল হয়ে গেছ, বাড়ি যাও।

    হারু—বাড়ি, বাড়ি, বাড়ি।

    হারু সুন্দর সুরেলা গলায় গান ধরল—ভালোবাসা মোরে ভিকিরি করেছে, তোমারে করেছে বাড়িউলী। ঢুকলেই মুড়ো ঝ্যাঁটা, সারারাত চুলোচুলি।

    মোহন—হারুদা, বাড়ি যাও প্লিজ।

    হারু—দ্যাখ মাইরি। ইংরিজি বলে অত খাতির করিসনি। বলো—এই শালা হারু বাড়ি যা। হ্যাঁগা, তুমি কে?

    মোহন—তোমার মতোই এক পথহারা পথিক।

    হারু—তা পথে নেমে এসো ভাই, গলা জড়াজড়ি করে গান গাই।

    হারু গান গাইতে গাইতে অন্ধকার থেকে আরও অন্ধকারে চলে গেল। মাধুরী সেন্টার টেবিলে প্লেট, চামচ রাখছে। সামান্য টুং টাং শব্দ। মোহন মাধুরীকে দেখছে। মায়া আসছে, ভালোবাসা জাগছে। শক্ত, উন্মত্ত পৃথিবী ক্রমশ নরম হচ্ছে। মাধুরীকে স্পর্শ করার, আদর করার বাসনা হচ্ছে। কোথাও, কোনোখানে নতুন একটা জীবন শুরু করার ইচ্ছে।

    মাধুরী বললে—এই নাও সেই চিঠি।

    মোহন—তুই পড়। আমি ততক্ষণ খাই।

    মাধুরী আলোর দিকে সরে গিয়ে চিঠি পড়ছে,

    ‘মোহনদা, আমি খোকন। কাদের বক্স লেনের সাত নম্বর বাড়ির চিলেকোঠায় লুকিয়ে আছি। এ পাড়ায় মেয়েটার নাম ডলি। তুমি কাল দুপুরে একবার যদি আসো। তোমাকে সব কথা বলে হালকা হতে চাই। দয়া করে আশ্রয় দিয়েছে দেবীর মতো এই মেয়েটি। তুমি অবশ্যই আসবে। খোকন।’

    মাধুরী বললে—খোকনের চিঠি। বেঁচে আছে। যাক বাবা।

    মোহন বললে—কতদিন বাঁচবে! যাক, কাল যা হয় হবে। কী রেঁধেছিস মাধুরী! আগের জন্মে সিয়োর তুই দ্রৌপদী ছিলিস।

    মাধুরী—খিধের মুখে সবই ভালো।

    মোহন—তুই সব তুলে নিয়ে যা। এইখানটায় আমি একটু আরাম করি।

    মোহন বেতের চেয়ারে শরীরটাকে সামনে ঠেলে দিয়ে ঘাড়টাকে বাঁদিকে হেলিয়ে তার সেই বিচিত্র ভঙ্গিতে নিমেষে চলে গেল ঘুমের জগতে। স্বপ্ন দেখছে। সেই একই স্বপ্ন। রোজ আসে। বিরাট এক বটগাছের আড়ালে দাঁড়িয়ে আছেন তার মা। পেছনে একটা নৌকো ঢেউয়ের দোলায় দুলছে।

    মোহন—মা, তুমি কখন এলে?

    মা—দেখতে এলুম, তুই কেমন পিকনিক করছিস?

    মোহন—এই দেখ না মা, উনুন ধরছে না, বারে বারে নিবে যাচ্ছে।

    মা—দাঁড়া, ওটা তোর কাজ নয়। আমি সূর্যের কাছ থেকে আগুন আনি।

    মোহন—সে তো অনেক দূরে মা, তুমি কাছে গেলে ছাই হয়ে যাবে।

    মা—আমি তো ছাই হয়েই গেছি।

    ঘাট থেকে নৌকো খুলে গেল। মা ভেসে যাচ্ছেন মাঝ—নদীর দিকে।

    মোহন চিৎকার করে বলছে—মা, আমাকে নিয়ে যাও। এ জীবন আমার ভালো লাগছে না।

    মা দূর থেকে বলছেন—তোর এখনও সময় হয়নি। অনেক বাকি। পথটা দেখে রাখ, সময় হলে চলে আসিস চিনে চিনে।

    নদী, ঢেউ, দিগন্ত, জনপ্রাণীহীন বিস্তার। বাস্তবে মোহন অন্যকে কাঁদায়, স্বপ্নে সে নিজে কাঁদে।

    ⤶
    1 2 3 4
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Article৫০টি প্রেমের গল্প – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article লোটাকম্বল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }