Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ফাউন্ডেশন অব ইসলাম – বেঞ্জামিন ওয়াকার

    বেঞ্জামিন ওয়াকার এক পাতা গল্প666 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৫। ইসলামের উভয় সঙ্কট

    ১৫. ইসলামের উভয়-সঙ্কট

    শতাব্দির প্রথম দিকে ইসলাম ও পশ্চিমা যোগাযোগে এটাই প্রমাণিত হয়েছিল যে মুসলিমরা নিঃসন্দেহে পশ্চিমা দেশবাসীর চেয়ে অধিক উন্নত ছিল। তাদের বিস্ময়ের দিনগুলো এমন পর্যায়ে ছিল যে তারা সে সময়ের পৃথিবীর অর্ধেকের মালিক ছিল; তারা সব কিছুরই ঊর্ধ্বে ছিল, কি শিক্ষায়, বিজ্ঞান, সংস্কৃতি ও চারুকলায় সকলের শ্রেষ্ঠ ছিল। অন্যান্য বিষয়েও মুসলিমদের সমতুল্য কেউ ছিল না। তারা ইউরোপের দক্ষিণ- পূর্ব দিকে বিশাল অংশের অধিপতি ছিল এবং পশ্চিমাদের শিক্ষা গুরু ছিল।

    তখন পশ্চিমা লোকজন অনুন্নত ছিল, সভ্যতার আঁচ তখনো গায়ে লাগেনি, সামাজিক ব্যবহারে অনভ্যস্ত ছিল, আতিথেয়তার নিয়মকানুন সম্বন্ধে সম্পূর্ণরূপে অনভিজ্ঞ। পরিবার সম্বন্ধে, সন্তানদের সম্বন্ধে প্রায় উদাসীন, ধর্ম সম্বন্ধে অশ্রদ্ধা। পশ্চিমারা ছিল রুক্ষ, অভব্য, আচার ব্যবহারে অশিষ্ট। এক কথায় বলতে গেলে বলতে হয়- “They were among the most stupid, rude and brutish of the nation of mankind.”

    কিন্তু ইয়োরোপিয়ান শিক্ষা নিতে বা শিখতে শুথ ছিল না এবং ঐ শতাব্দিগুলোর মধ্যে যখন ইসলাম গৌরবের উচ্চ শিখরে তখন তারা মাত্র শিক্ষা ও সভ্যতার স্বাদ পেতে শুরু করেছে।

    ১৫.১ ইউরোপীয় জাতি

    প্রথমে ইউরোপীয় জাতি শুরু করে ব্যবসা। তাদের কোনো দিগ্বিজয়ের আকাঙ্ক্ষা ছিল না এবং খ্রিস্টানিটিতে ধর্মান্তরও আরম্ভ করেনি। মুসলিমদের সাথে তাদের প্রথম সংঘর্ষ হয় ক্রুসেডের সময় যখন পবিত্র ভূমি প্রবেশ নিয়ে গোলযোগ বাধে, যদিও বলা হয় যে ১১৮২ খ্রিস্টাব্দে ফ্র্যাঙ্কিশ নাইটের মধ্যে একজন রেনাল্ড অব শাটিলন একদল সৈন্য নিয়ে মদিনা আক্রমণ করতে যান। তিনি মদিনা বন্দর ইয়েনবো অবতরণ করে মদিনাভিমুখে যাত্রা করলে সালাহুদ্দিনের ভাইপো কর্তৃক বিতাড়িত হন।

    ভূমধ্যসাগরের তীরে মুসলিম রাষ্ট্র উন্নতি লাভ করে যখন তাদের সেই অঞ্চলে কর্তৃত্ব ছিল। মরক্কো থেকে ত্রিপোলিটানিয়া (লিবিয়া) পর্যন্ত বার্বার উপকূল এবং মিসরের সুলতানরা বিদেশী জাহাজের পণ্যের ওপর অতিরিক্ত কর বসাত তার পর তাদের পণ্যদ্রব্য ঐ সব অঞ্চল থেকে ছাড় পেত।

     

     

    পঞ্চদশ শতাব্দির শেষ থেকে ইউরোপিয়ান শক্তিগুলো মাথা চাড়া দিয়ে উঠল ১৪৯২ সালে স্পেন থেকে মুরদের বিতাড়ন করা হলো। এটা হলো জানুয়ারি মাসে। ঐ বছর অক্টোবর মাসে কলম্বাস নতুন পৃথিবী আবিষ্কার করলেন। এর সাথে একটা নতুন চ্যাপ্টার পশ্চিম দেশের ইতিহাসে শুরু হলো। ১৪৯৮ সালে ভাস্কোদা-গামা কেপ অব গুড হোপ হয়ে ভারতের রাস্তা আবিষ্কার করলেন- এই রূপে ভারতের ও দূর প্রাচ্যের সাথে বাণিজ্যে একটি বিকল্প রাস্তা বের হলো।

    এখন ইউরোপিয়ানরা তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য পূর্বাঞ্চলীয় দেশের সাথে বর্ধিত করল এবং তাদের কর্তৃত্ব সেখানে ফলাতে শুরু করল—প্রায়ই জলদস্যুদের সহায়তায়। স্পেনের মতো পর্তুগিজরা জাহাজ তৈরি স্পেনের সাথে ব্যবসার প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমে বাণিজ্য শুরু করল। তারা ভূমধ্যসাগরের জলদস্যুদের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে সময় সময় মিসরের শাসকদের কর দেয়া বন্ধ করল।

     

     

    ষোড়শ শতাব্দির মধ্যে ইউরোপীয়রা পারস্য উপসাগরে ঢুকে পড়ল এবং মাস্কাট অধিকার করে হোরমুজের পাশে কয়েকটি দুর্গ গড়ে তুলল। এর সাথে লোহিত সাগরের তীরেও দুর্গ নির্মাণ করে তাদের ট্রেডিং স্থাপনা গার্ড দেয়া আরম্ভ করল। পরে তারা বাইরে শত্রুদের আক্রমণ প্রতিহত করতে সমর্থ হলো। ১৫১৫ খ্রিস্টাব্দে, পর্তুগিজ ভারতের ভাইসরয়, আলফেন্সো আলবুকার্ক পরিকল্পনা করলেন কিন্তু মক্কা আক্রমণ করতে সমর্থ হননি এবং ১৫১৭ সালে লোপো সোরেস ডি আলবারগারিয়া শুধু হুমকি দিলেন কিন্তু জেদ্দা আক্রমণ করলেন না।

    কয়েক দশক পরে তুর্কিরা বল্কান ও পশ্চিম ইউরোপ দখল করে এগিয়ে যেতে অস্ট্রিয়ার ডন জন সুলতান দ্বিতীয় সেলিমের তুর্কি নৌবহর ধ্বংস করে দেন ১৫৭১ খ্রিস্টাব্দে লিওপান্টোর যুদ্ধে। পরে জন সোরেস্কি ভিয়েনার ফটকের কাছে তুর্কি সেনাদের পরাজিত করেন (১৬৮৩)। ছোটখাটো সংঘর্ষ ও বড় যুদ্ধ চলতে থাকল মুসলিম সৈন্য ও ইউরোপীয় সেনাদের মধ্যে এখানে-সেখানে, যাতে আস্তে আস্তে তুর্কি অঞ্চল হাতছাড়া হতে থাকে।

     

     

    যখন নেপোলিয়ান বোনাপার্টে অটোম্যান মধ্যপ্রাচ্য আক্রমণ করে ১৭৯৮ সালে মিসর আক্রমণ করেন, তখন দেখেন যে ধর্মীয় প্রভাব শিক্ষা ব্যবস্থার অনেক ক্ষতি করে ফেলেছে। সেখানে উপযুক্ত আরবি ভাষা জানা লোক খুঁজে পেলেন না যার হাতে স্থানীয় শাসনভার দেয়া যায়। বাধ্য হয়ে তিনি তুর্ক, আলবেনিয়া ও অন্য বিদেশী দিয়ে তার পোস্টগুলো ফিল আপ করলেন। তিনি তাঁর সাথে বৈজ্ঞানিক, ইঞ্জিনিয়ার, আর্কোলজিস্ট ও স্কলার এবং আরবি টাইপের প্রিন্টিং মেশিনও আনেন- এতে প্রিন্টিং প্রেস দিয়ে তিনি ঘোষণাপত্র প্রকাশ করেন এবং কাজে লাগিয়ে দেন।

    ইউরোপীয়রা আসার পর বাণিজ্যপথ এবং শিপিং লাইনের নিরাপত্তা বেড়ে যায়- বিশেষ করে ফরাসি আসার পর এবং বোম্বে উপকূলে জলদস্যুদের উৎপাত বন্ধ হওয়ার পর। তখন ১৮৩০ সাল। কিন্তু ফরাসি ইঞ্জিনিয়ার ফার্দিনান্দ ডি লেসেপস্ ১৮৬৯ সালে সুয়েজ খাল তৈরি করার পর ভূমধ্যসাগরের মুসলিম ভূমিগুলোর গুরুত্ব বেড়ে যায়।

     

     

    তারপর থেকে পূর্বাঞ্চলীয় এলাকায় ইউরোপীয়দের বাণিজ্য তৎপরতা আরো বেড়ে যায় এবং বাণিজ্য কেন্দ্র থেকে এসব দেশে রাজ্য বিস্তারের স্বপ্ন দেখতেও আরম্ভ করে। মুসলিম সাম্রাজ্যে নৈতিক চরিত্রের অবনতি, প্রশাসনিক দুর্নীতি এবং সামরিক দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ইউরোপীয় ডিসিপ্লিন্ড সেনাদলের হয়ে আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত মুসলিম রাজ্যগুলো দখল করতে খুব বেগ পেতে হয়নি।

    ঊনবিংশ শতাব্দির মাঝামাঝি, ব্রিটেন, ফরাসি, স্পেন, পর্তুগাল, হল্যান্ড ও রাশিয়া জয় করেছিল, কলোনি তৈরি করেছিল, দখল করেছিল, কর্তৃত্বে রেখেছিল (Put up protection) বা অন্যভাবে শাসন করেছে মুসলিম বিশ্বের দেশগুলোকে। শুধু সৌদি আরব, তুরস্ক, ইরান ও আফগানিস্তান– এই গুটি কয়েক মুসলিম দেশ টিম টিম করে তাদের নিজস্ব শাসন কোনো প্রকারে বজায় রেখেছিল- কারণ এগুলো পশ্চিমা জাতির উদ্দেশ্যে ‘নিউট্রাল রাজার রাজ্য’ হিসাবে টিকে ছিল।

     

     

    যখন ইসলামী বিশ্বে ইউরোপীয়দের ঢল নামল মনে হলো যেন মুসলিম জাতি পৃথিবীর ইতিহাসের অগ্রস্রোত থেকে সরে পিছনে স্থির হয়ে গেল। পৃথিবীর যেখানে যেখানে মুসলিম রাজ্য ছিল সব যেন নেতিয়ে পড়ল। জার্মান দার্শনিক জি.ডাব্লিউ.এফ. হেগেন (মৃ. ১৮৩১) এতদূর পর্যন্ত লিখেছেন যে, ইসলাম ইতিহাস থেকে অনেক আগেই হারিয়ে গেছে এবং প্রাচ্য দেশীয় আরামে বিশ্রাম নিচ্ছে। ক্ষমতার শীর্ষে থাকার সময় ইসলাম যা নেবার অন্যদের কাছ থেকে নিয়েছে এবং যখন আর কিছু পায়নি, তখন আর কিছু না পেরে এখন প্রায় পাঁচ শতাব্দিকাল ধরে ঘুমে ঘুমাচ্ছে। এর গৌরবের সময় এসেছিল আর চলে গেছে এবং মধ্যযুগ থেকে ইসলামের আর সাড়াশব্দ নেই।

    ইসলাম ধর্ম তার আধ্যাত্মিক শক্তি হারিয়ে ফেলেছে। কোরান বলছে, ইসলাম আল্লাহর মনোনীত ধর্ম (সিবগা)। এখন ইসলাম মনে হয় মানুষের বহিরাবরণ মাত্র; রুটিন বিষয়— নামাজ, রোজা, হজ, জাকাতে সীমাবদ্ধ, আর ‘ওয়াইন’ ও ‘সোয়াইন’ এই দুটো বস্তু হারাম।

     

     

    বহির্জগতে মুসলিম যেন মরা জাতি, কেতাব বন্ধ করে বসে আছে। আর তাদের ইচ্ছা নেই বইটা খুলে পড়তে। অনেক দিন আগে থেকে তারা প্রফেটের শিক্ষা ভুলে গেছে। তিনি বলেছেন, জ্ঞান আহরণ করতে চীন পর্যন্ত যাও। ইসলামের বুদ্ধিমত্তায় খিঁচ (rigor mortis) ধরে গেছে। ফরাসি লেখক আর্নেস্ট রেনন বলেছেন- ওরিয়েন্ট ও আফ্রিকাতে ‘বিশ্বাসী’দের মস্তকে ‘লৌহবলয়’ লেগে গেছে, তাদের মস্তকে নতুন কোনো ধারণা বা আইডিয়া ঢুকছে না।

    পশ্চিমের পর্যটক, প্রত্নতত্ত্ববিদ ইত্যাদি আরবের প্রত্যন্ত অঞ্চলে নিজেদের জীবন বিপন্ন করে চলে যাচ্ছে এবং তারা উদ্ধার করছে হারিয়ে যাওয়া সব প্রস্তরলিপি যা হাজার বছর ধরে ভুলে গেছে মানুষে। আর এই সব লিপি উদ্ধার করে প্রাক-ইসলামী যুগে অতীতের সাথে আরবের বর্তমান অবস্থা তুলনা করছে।

    আরবি পুস্তক প্রথমে ইউরোপে ছাপা হয় এবং মুসলিম দেশগুলোতে বিলি করা হয়। তার মধ্য দিয়ে মানুষ জানতে পারছে, বিগত দিনগুলোতে আরব কত উন্নত ছিল। অর্ধ-বিস্মৃত আরবি ক্লাসিক, পুনআবির্ভাব হয়ে নতুনভাবে সম্পাদিত হচ্ছে ইউরোপিয়ান স্কলার দ্বারা এবং এই এডিশনে আরবের প্রাথমিক লেখাগুলো নতুন আলোপ্রাপ্ত হচ্ছে।…

     

     

    মুসলিম স্কলার নতুন স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিড় জমাচ্ছে এবং আরব ইতিহাস ও সাহিত্য সম্বন্ধে পশ্চিমা স্কলার লিখিত পুস্তকগুলো অধ্যয়ন করছে কিংবা আরবি ভাষায় লিখিত অনুবাদ পড়ার সুযোগ পাচ্ছে। যারা পারছে, তারা ইউরোপে যাচ্ছে উচ্চ শিক্ষার জন্য, ইঞ্জিনিয়ারিং ও প্রযুক্তি বিদ্যায় জ্ঞান লাভ করার জন্য। আরব লেখকগণ সংবাদপত্র ও সাময়িকী বের করে তাদের মতামত প্রকাশ করছে, সংবাদ সরবরাহ করছে এবং প্রাচীন বিশ্বাস ও প্র্যাকটিস সম্বন্ধে প্রশ্ন করছে মুক্ত চিন্তা নিয়ে।

    দখলকৃত ভূমিতে ইউরোপীয় শক্তি সরকারি প্রশাসনে ওয়েস্টার্ন প্রথায় নতুন পরিবর্তন আনছে। তার বিচার পদ্ধতিকে আধুনিকীকরণ করছে এবং অনেক মুসলিম সেই পরিবর্তিত সিস্টেম চালু রাখছে। রাজনৈতিকভাবে, নতুন নতুন আইডিয়া যেমন- গণতন্ত্র, কনস্টিটিউশনাল সরকার নির্বাচনের মাধ্যমে প্রবর্তিত হচ্ছে। বলতে গেলে, ইসলাম পুনর্জাগরণ হচ্ছে এই সব নতুন সিস্টেমের কারণে। তাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের পেছনে ইউরোপিয়ান উৎসাহ বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।

     

     

    ইন্ডিয়া ১৮৫৭ সালে সিপাহি বিদ্রোহের পর মোগল সাম্রাজ্যের পতন দেখেছে। তারপর ব্রিটিশ ভারতের শাসনভার হাতে তুলে নিয়েছে। ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত শাসন করেছে। মালয়েশিয়া দখল করেছিল পরপর পর্তুগিজরা (১৫১১), ডাচরা, (১৬৪১) এবং ব্রিটিশরা ১৮২৪ সালে। এ দেশ স্বাধীন হয় ১৯৬৩ সালে। ইন্দোনেশিয়ায় ১৯৪৫ পর্যন্ত ডাচরা শাসন করছে। ব্রুনেই (বোর্নিও) ১৯৪৩ পর্যন্ত ব্রিটিশ প্রটেকটরেট ছিল।

    উত্তর আফ্রিকা, মোরিতানিয়া, মরক্কো, আলজেরিয়া, তিউনিশিয়া এবং লিবিয়া স্বাধীনতা পেয়েছিল ১৯৫২ থেকে ১৯৬২ সালের মধ্যে; সিরিয়া ও লেবানন স্বাধীন হয় ১৯৪৬ সালে; মিশর ১৯৩৬ পর্যন্ত ব্রিটিশ প্রটেকটরেটে ছিল; ইরাক ছিল ১৯৩২ পর্যন্ত, জর্ডন ১৯৪৬ পর্যন্ত; প্যালেস্টাইন ১৯৪৮ পর্যন্ত।

    মধ্য ও পূর্ব আফ্রিকায়, মালি, চাদ, সেনেগাল, গাম্বিয়া, নিজার এবং গিনিয়া ১৯৬০ সাল পর্যন্ত ফরাসির অধীনে ছিল। সুদান ছিল ব্রিটিশদের অধীনে ১৯৫৬ পর্যন্ত তারপর স্বাধীন হয়েছে। এডেন (দক্ষিণ ইয়েমেন) ছিল ব্রিটিশ ক্রাউন কলোনি ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত। সোমালিয়া ঊনবিংশ শতাব্দির শেষে ব্রিটিশ, ফরাসি ও ইতালির মধ্যে ভাগ হয়ে যায়; সোমালিয়া স্বাধীন হয় ১৯৬০ সালে। পারস্য উপসাগরের সব ছোট ছোট রাজ্য ব্রিটিশ প্রটেকটোরেট; কুয়েত স্বাধীন হলো ১৯৬১ সালে; তারপর বাহরাইন, কাতার ও অন্যান্য রাজ্য।

     

     

    ১৮৮১ সালের মধ্যে রাশিয়া দখল করে নেয় মধ্য এশিয়ায় তুর্কিস্তানের সমস্ত অঞ্চল। এরপর বিভক্ত হয় খানেট-এ, যেমন কাজাকাস্তান, কিরঘিজিয়া, তাজাকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান ও উজবেকিস্তান এই সব খানেট স্বাধীন হয় ১৯৯০-এ।

    ১৫.২ মৌলবাদী

    মুসলিম দেশগুলোর ওপর ওয়েস্টের বিস্তৃত প্রভাব মোলবাদী ইসলামের মধ্যে প্রবল প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করল। এই প্রতিক্রিয়ার পুরোভাগে ছিলেন মুসলিম মোল্লারা, ইমাম, আয়াতুল্লাহ, উলেমা আর মুফতি। তারা ওয়েস্টার্ন আইডিয়াকে প্রতিহত করতে চাইল কারণ এগুলো পরিবর্তনের দ্বার খুলে দিচ্ছে এবং মুসলিমদের মনে নতুন এক প্রকার বিদেশী ধারণা দিচ্ছে, যা তারা বুঝতে ও নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। ওয়েস্টের এই ক্ষমতা ইসলামে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে যা তাদের জীবনযাত্রার প্রতি হুমকি স্বরূপ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

     

     

    আধুনিকীকরণ, ধর্মনিরপেক্ষতা ও উদার আন্দোলনকে মোল্লারা ও গোঁড়াবাদীরা নাস্তিকতার উল্টো দিক মনে করে। এরা শুধু অধার্মিক নয়, ধর্মবিরুদ্ধ। ওয়েস্টার্ন জীবনযাত্রার কতকগুলো বিষয়কে মোল্লারা শয়তানি কারবার মনে করে, কারণ, এসব আন্দোলন শতাব্দিকাল ধরে গ্রথিত ইসলামী ধারাকে উৎখাত করতে চাচ্ছে। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, তারা মেয়েদের উৎসাহিত করছে স্বাধীনতা আদায় করতে যা ইসলামী আইনে অনুমতি দেয় না। অন্য দিকে ওয়েস্ট সিভিল স্বাধীনতার ওকালতি করে, যা মুসলিম কর্তৃত্বকে দুর্বল করবে এবং গণতন্ত্রকে উৎসাহ দিচ্ছে, যা মুসলিম সরকারের ক্ষতি করবে। ইসলামে স্বৈরাচারী শাসন চিরকাল চলে আসছে এবং গ্রহণীয় কারণ এটা ট্র্যাডিশনের মূলধারাকে মজবুত করে।

    ইসলামের মূলনীতি সম্বন্ধে কোনো তদন্ত বা এর সত্যতা সম্বন্ধে প্রশ্ন তোলা যাবে না, কারণ ইসলামের মৌল আদর্শকে মুখ বুজে মেনে নিতে হবে, ট্যাঙ্কু চলবে না। কোরানে আধুনিককালের সব সমস্যার সমাধান আছে এবং প্রত্যেক অবস্থায় কোরানের গাইডনেস যথেষ্ট এবং যেহেতু আল্লাহর বাণী আক্ষরিকভাবে অবতীর্ণ। সেই রূপ আক্ষরিকভাবে এর ব্যাখ্যা করতে হবে, কোনো সংস্কারকদের অন্য প্রকার ব্যাখ্যা চলবে না।

     

     

    মৌলবাদীরা জিদ ধরেছেন, শরিয়তে যেসব আইন-কানুন বিধৃত আছে তার পুনর্বহাল একান্ত প্রয়োজন হয়ে পড়েছে, শরিয়া আইনের কোনো কিছু পরিবর্তন চলবে না এবং একেই বর্তমান যুগের সাথে মিলিয়ে চলতে হবে, দরকার হলে ‘ফতোয়া’ তো আছেই। আর প্রতিষ্ঠা করতে হবে শরিয়া আদালত যার মাধ্যমে শরিয়া আইন প্ৰয়োগ করা হয় এবং সেই আদিকালের বাসি শাস্তিগুলো ইমপোজ করা হয়।

    এই সব মোল্লা-আয়াতুল্লাহর দল ইসলামের সেই স্বর্ণ-যুগের স্বপ্নে বিভোর হয়ে আছেন, ‘নস্টালজিয়ায়’ বাগদাদ, কাইরো আর কর্ডোভার ঢেঁকুর তুলছেন। তাছাড়া মদিনার সেই চার খলিফার ‘most Purest and perfect’ শাসন, সেই বিজয়ের দিনগুলো যখন ইসলাম-গৌরব সারা দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছিল।

    মুসলিম গোঁড়াবাদীদের যে গোঁড়ামি তার নড়ন চড়ন হবে না এবং তাদের সন্দেহ ও ভয়ের কারণে তারা এখন জঙ্গিভাবাপন্ন, একটা যুদ্ধংদেহি ভাব। র‍্যাডিকাল অ্যাক্টিভিস্টরা বিশ্বাস করে বোমা মেরে আচমকা আক্রমণ করে ভয় দেখালেই কাজ হয়ে যাবে। গুপ্ত-হত্যা, জিম্মি-বন্দি করলেই বোধ হয় কেল্লা ফতে হয়ে যাবে। সত্যি বলতে কি, আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদে ইসলামী মৌলবাদীরা বিশ্বাস করে তারা বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাস সৃষ্টি করে সপ্তম শতাব্দিতে ফিরে যাবার চেষ্টা করছে (তাহেরি, ১৯৮৭; HMT আহমদ, ১৯৮৯); তারা বিশ্বাস করে এই সন্ত্রাসবাদ অনন্তকাল জিহাদের শামিল। এই ডকট্রিন অব আন-এনডিং জিহাদ’ মৌলবাদীদের তরণী একদিন তীরে ভিড়িয়ে দিবে। এই চরমপন্থীরা সেই দিনের আশায় বসে আছে কখন তাদের ইসলামিক নুক্লিয়ার বোম’ আবিষ্কৃত হবে এবং সারা বিশ্ব জয় করে বিশ্ববাসীদের খাৎনা করে ছাড়বে।

    ১৫.৩ সংস্কারকগণ

    সংস্কারের যারা প্রবক্তা তারা বলেন, মৌলবাদীদের ধারণা আলোকিত মুসলিম চিন্তাবিদদের যুক্তিযুক্ত ধারণার অনেক পিছে। মৌলবাদীদের বিজয়-অর্থ স্বেচ্ছাচারী সরকার, দমনকারী মোল্লা, যারা এতদিন অজ্ঞ, অশিক্ষিত, সরল ও ধার্মিক জনগণকে ঠকিয়েছে, তাদের দানে, উপঢৌকনে, খেলাতে সম্পদের পাহাড় গড়েছে।

    পিছনে তাকিয়ে গৌরবের দিনগুলির গিলিত চর্বণ করে শরীরে পুষ্টি জোগায় না, গোবর-ঘাসি হয়ে যায়। এটা তো হারিয়ে গেছে, ফিরে পাওয়ার জো আছে কি? সে রামও নেই, অযোধ্যাও নেই। এটা মায়া ভ্রান্তি এই ক্রান্তি কালে; সে তো সোনার হরিণ যাকে ধরা যায় না, ছোঁয়াও যায় না। ইসলামের কোনো দিন স্বর্ণ-যুগ ছিল না। শুরু থেকেই (প্রফেটের মৃত্যুর পর) ইসলাম শত ফিরকায় ছিন্নভিন্ন। মুসলিম রাষ্ট্রগুলো সব সময়েই ভায়োলেন্সে পরিপূর্ণ এবং ইসলামী সাম্রাজ্য একটা না একটার সাথে ইতিহাস জুড়ে, যুদ্ধে ক্ষতবিক্ষত হয়েছে।

    ইসলামে এখনো ঐক্য নেই, কেবলমাত্র, সম্ভবত ইসরাইলের ব্যাপারে একমত (তবু ও কয়েক মুসলিম দেশ তার সাথে বৈদেশিক সূত্র গড়েছে); একমত এই কারণে যে ইসলামী বিশ্বের অন্তরে ওয়েস্ট, ইসরাইলের মাধ্যমে জেঁকে বসেছে। ‘জিওনিজমের’ বিরুদ্ধে যে জেহাদ, মিসর, জর্ডান, সিরিয়া ও ইরাকের যৌথ শক্তি আরম্ভ করেছিল তা ছয় দিনের যুদ্ধে (৫-১০ জুন ১৯৬৭) লজ্জাজনক পরাজয়ে পরিণত হয়েছে, ইসরাইলের হাতে মার খেয়ে। ‘ইসলামিক নুক্লিয়ার বোম’ তৈরি করে ইসলামের হৃত গৌরব পুনরুদ্ধার করা পাগলের প্রলাপ ছাড়া আর কী হতে পারে। এ যেন ঢাল নেই, তলোয়ার নেই নিধিরাম সর্দার।

    বাস্তব কথা হচ্ছে, কোরান ও শরিয়া আইন কড়াকড়িভাবে পালন করে একেবারে পিউরিটান হয়ে যাওয়া, আজকের দুনিয়ায়, মুসলিমদের পরবর্তী জীবনযাত্রায় সেই সপ্তম শতাব্দির বেদুইন জীবনযাত্রা চিন্তা করাও যেন স্বপ্নাতীত। এর অর্থ এই হবে যে, এতদিন যে-সব সেক্যুলার মিউজিক ও খেলাধুলা ও অন্যান্য উপকরণকে বিসর্জন দেওয়া; এর অর্থ হবে যে, ছবি-সম্বলিত, বই-পুস্তক, মেগাজিন, পোস্টার এবং সবার ওপরে ফটোগ্রাফি, সিনেমা, টেলিভিশন সবই নিষিদ্ধ হয়ে যাবে। কোরানের আইন কড়াকড়িভাবে প্রয়োগের অর্থ হবে, মেয়েদের ঘরে আবদ্ধ রাখা, সেই ক্রীতদাস-দাসী ও একাধিক উপপত্নী, জনসম্মুখে কোড়া মারা পদ্ধতির পুনঃপ্রবর্তন, শরীরের অঙ্গচ্ছেদ, শিরশ্ছেদ, ক্রুসিফিকেশন, পাথর মেরে হত্যা এবং বিধর্মীদের যেখানে পাও কতল করা। এই সমস্ত এবং আরো অনেক ‘প্রহিবিশন ও অবলিগেশন’ কোরান বা শরিয়া আইন দাবি করবে।

    বর্তমান যুগে আমাদেরকে বাস্তব দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে মৌলবাদী আক্ষরিক ইন্টারপ্রিটেশের সম্মুখীন হতে হবে। যত মৌলবাদিত্বের দিকে আমরা ঝুঁকে পড়ব, ততই আমাদের আধুনিক জীবনযাত্রা অবাস্তব হয়ে অচল হবে এবং এই দুই মেরুতে বাস করা ইসলামকে বর্তমান যুগে একটা সমঝোতায় আসতে হবে যুগোপযোগী হয়ে, নিছক গোঁড়ামি করে ইসলামের নামে অশান্তি সৃষ্টি করা ইসলামের মর্মকথা নয়।

    উদারপন্থীরা বলেন, জীবনের প্রত্যেক ক্ষেত্রে বেঁচে থাকার পূর্ব শর্ত হয় যুগের সাথে মানিয়ে চলা- ‘অ্যাডাপশন ও কম্প্রোমাইজ’। মুসলিমদের জানতে হবে এই নিয়ম পৃথিবীতে অনেকেই মেনে নিয়েছে। ওয়েস্টার্ন প্রভাবের মাধ্যমে বর্তমানে অনেক পরিবর্তন হয়েছে— যে প্রভাবকে বাদ দিয়ে চলা যায় না। ইসলামী বিশ্ব সাধারণ সমস্যা ভাগ করে নিয়েছে বাকি মানব জাতির সাথে এবং ওয়েস্টের সাথে যোগ দিয়ে আগামী শতাব্দির পৃথিবী যে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হবে তাকে মোকাবেলা করতে হবে।

    সংস্কারকগণ মনে করেন, যে ওয়েস্টার্নাইজেশনকে অগ্রাহ্য করা বোকামি ও অসাধুও বটে, যখন প্রতিনিয়ত ইসলামী বিশ্বের লোকজন আজকে নির্ভর করেছে ওয়েস্টের প্রডাক্ট, মালামাল, আবিষ্কৃত বস্তু, এচিভমেন্ট ইত্যাদির ওপর, তাদের জীবনযাত্রা, ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনোদন, আরাম-আয়াস, তাদের প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা, যোগাযোগ স্বাস্থ্য ও কল্যাণ পরিচালন ও পালনের জন্য।

    ওয়েস্টের সাথে যোগাযোগের পর ইসলাম রেনেসাঁর অভিজ্ঞতা লাভ করেছে, কিন্তু এখন একটি রিফরমেশনের দরকার। যারা বহির্জগত থেকে এই সংস্কারের আপত্তি করে সংস্কারকরা বলেন যে, তাদের জন্য ওয়েস্টের গাইডেন্স দরকার নেই, এই সংস্কারের অন্বেষণে। শতাব্দি ধরে মুসলিম চিন্তাবিদরা ইসলামের ব্যবহারিক জীবনের রাজনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয় প্রতিটি ক্ষেত্রে চুলচেরা বিচার করে দেখেছে এবং অনেকে আজও দেখছে মৌলবাদীদের দাঁত খিঁচুনির প্রতিরোধ।

    যারা কোরানের কাঠামোর বাইরে সংস্কারের আপত্তি ওঠায়, সংস্কারকগণ যুক্তি দেন যে, কোরানের, অন্যান্য ধর্ম পুস্তকের মতো, একটা ছাড়া বহু তাৎপর্য আছে, যেমন মেটাফোরিক্যাল, মেটাফিজিক্যাল, এলিগোরিক্যাল, সিম্বলিক এবং মুসলিমদের এগিয়ে চলা উচিত কোরানের অনেক উদার ও মডারেট অর্থ যুগের সাথে সমন্বিত করে খুঁজে বের করা; আক্ষরিক অনুবাদ ও অর্থকে একপাশে সরিয়ে রেখে।

    ধর্মীয় ও স্বৈরাচারী রাজ্য চিন্তাশীল মুসলিমদের জন্য আর গ্রহণীয় নয়। এখন অত্যন্ত প্রয়োজন হয়ে পড়েছে রাষ্ট্রকে ধর্ম থেকে আলাদা করা নতুবা ইসলাম আবার সেই গোঁড়া মৌলবাদীদের মৃত-হস্তের ষড়যন্ত্রের পুতুল হয়ে যাবে, আর মুসলিম জীবনের তাজা গোলাপটি মরুভূমির তপ্ত বাতাসে শুকিয়ে শক্ত হয়ে বিকৃত রঙ ধারণ করবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহুমায়ূন আহমেদের শেষ দিনগুলো – বিশ্বজিত সাহা
    Next Article দৌড় – বাণী বসু
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }