Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ফিজিক্স অব দ্য ফিউচার – মিশিও কাকু

    মিচিও কাকু এক পাতা গল্প564 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নিকট ভবিষ্যৎ (বর্তমান – ২০৩০)

    প্রযুক্তির চারটি ধাপ বা পর্যায়

    সামাজিক অবস্থা ও চারটি বলকে আয়ত্তে নেওয়ার সমন্বয়ে ইউরোপ বিশ্বের সম্মুখ সারির জাতিতে পরিণত হয়। কিন্তু প্রযুক্তি চলমান সময়ের সাথে পরিবর্তিত হয়। এদের সৃষ্টি হয়, ব্যবহার হয় এবং উত্থান ও পতন ঘটে। নিকট ভবিষ্যৎ কে কী কী প্রযুক্তি পরিবর্তন করে দেবে, তাই কীভাবে প্রযুক্তি বিবর্তনের কিছু সূত্র মেনে চলে তা জানা উচিত।

    গণপ্রযুক্তি সাধারণত চারটি প্রাথমিক ধাপে বিকশিত হয়। এই কাগজের বিবর্তন, চলমান পানি, বিদ্যুৎ ও কম্পিউটার। প্রথম পর্যায়ে, প্রযুক্তির মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্যগুলোর দাম বেশি হয় যা দ্রব্যগুলোকে স্থির করে রাখে। যখন প্রাচীন মিশরীয়দের দ্বারা কাগজ আবিষ্কৃত হয়েছিল পেপিরাস থেকে, এবং তারপরে হাজার বছর পূর্বে চীনাদের দ্বারা আবিষ্কৃত পেপিরাস বেশ কয়েকজন পুরোহিত দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়েছিল। এই প্রযুক্তির বিকাশ প্রচীন সভ্যতাকে গতিময় করেছিল।

    ১৪৫০ সালে কাগজ দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রবেশ করে যখন গুটেনবার্গ প্রিন্টিং প্রেস আবিষ্কার করে চলমান টাইপিংয়ের মাধ্যমে এই ব্যাখ্যাগত বই প্রকাশকে শুরু করে, যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি কয়েকশ ধরনের জ্ঞানকে বইয়ের মাধ্যমে ধারণ করতে পারত। গুটেনবার্গের আগে সমগ্র ইউরোপে মাত্র ৩০০০ বই ছিল, ১৫০০ সালের দিকে ৯ মিলিয়ন বই ছিল, যা বুদ্ধিগত আলোড়ন তোলে তীব্রভাবে এবং নবজাগরণকে উদ্দীপ্ত করে।

    কিন্তু ১৯৩০ সালের দিকে, কাগজ তৃতীয় পর্যায়ে পৌঁছায় যখন প্রতিটি পৃষ্ঠার দাম মাত্র ১ পয়সায় গিয়ে দাঁড়ায়। এটি ব্যক্তিগত গ্রন্থাগার সৃষ্টি করেছে যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি শত শত বই রাখতে পারেন। কাগজ একটি সাধারণ পণ্যে পরিণত হয়, টনকে টন বিক্রি হয়। এখন সর্বত্র কাগজ বিদ্যমান দৃশ্যমান বা অদৃশ্য রাখে। এখন আমরা চতুর্থ পর্যায়ে, যেখানে ফ্যাশন হিসেবেও কাগজ রয়েছে। আমরা নানা ধরনের রঙিন কাগজ, বিভিন্ন আকার আকৃতির কাগজ দ্বারা সজ্জিত। শহরের সবচেয়ে বড় বর্জ্য কাগজ। তাই কাগজ একটি সংরক্ষিত পণ্যে থেকে বর্জ্য পণ্যের মতো বিকশিত হয়েছে।

    একই ঘটনা ঘটেছে চলমান পানির ক্ষেত্রে। প্রাচীন কালে, প্রথম পর্যায়ে, পানি খুবই মূল্যবান ছিলো- একটি কূপ পুরো গ্রামের সবাই ব্যবহার করত। এটি প্রায় হাজার হাজার বছর ধরে এমন চলেছে, ১৯০০ সালের শুরুর আগ পর্যন্ত। যখন আমাদের ব্যক্তিগত কূপ ছিলো এই দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রবেশ করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর, চলমান পানি, তৃতীয় পর্যায়ে প্রবেশ করে। এটি সস্তায় পরিণত হয়। মধ্যবিত্তের হাতের নাগালে আসে। আজ চলমান পানি, চতুর্থ ধাপে, রয়েছে এটি ফ্যাশন প্রক্রিয়ার মতো, অসংখ্যভাবে বিভিন্ন আকার ও আকৃতিসহ এবং বহুমুখী ব্যবহার রয়েছে। আমরা পানি দ্বারা ঝর্ণা নির্মাণ করি, সজ্জিত করে প্রদর্শিত করি এখন।

    আরও দেখুন
    কম্পিউটার
    বিজ্ঞানের
    বিজ্ঞান
    কম্পিউটারের
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বইয়ের
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    গ্রন্থাগার
    বাংলা সাহিত্য

     

    বিদ্যুৎ ও ঠিক একইভাবে ধাপসমূহ অতিক্রম করেছে। থমাস আলভা এডিসন ও অন্যদের অগ্রণী কাজের মাধ্যমে এটি পর্যায়। এটা ছিলো যখন একটি কারখানায় একটি মাত্র লাইট ও ইলেকট্রিক মটর ছিলো। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে আমরা দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রবেশ করি যখন ব্যক্তিগতভাবে লাইট বাল্ব ও মটর ছিলো। আজ বিদ্যুৎ শব্দটি ইংরেজি ভাষা থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেছে—এটি সর্বত্র আছে বা কোথা নেই। এমনকি বিদ্যুৎ শব্দটি ইংরেজি ভাষা থেকেও হারিয়ে যাচ্ছে। ক্রিসমাসে আমরা আমাদের গাড়িগুলোকে শত শত জ্বলজ্বলকারী আলোক দ্বারা সজ্জিত করি। আমরা ধরে নিই বিদ্যুৎ আমাদের প্রাচীরসমূহের মধ্যে লুকিয়ে আছে, সর্বত্র ছড়িয়ে আছে। এটি এখন ট্রেন্ডের মতো রাস্তাঘাটসহ পুরো পৃথিবীকে সজ্জিত করে রেখেছে।

    চতুর্থ পর্যায়ে, পানি ও বিদ্যুৎ দুটোই ব্যবহার্য পণ্য বা উপযোগে পরিণত হয়েছে এগুলো এতই সস্তা হয়েছে আমরা এগুলোর প্রচুর ব্যবহার করি। আমরা আমাদের বাড়িতে পানি ও বিদ্যুৎ পরিমাপের জন্য মিটার ব্যবহার করি।

    কম্পিউটার একইভাবে পর্যায়সমূহ অনুসরণ করেছে। যেসব প্রতিষ্ঠান এটি বুঝতে পেরেছে তারা সমৃদ্ধ এবং উন্নত হয়েছে। যারা বুঝতে পারেনি তারা ছিটকে পড়েছে। IBM প্রথম পর্যায়টি নিয়ন্ত্রণ করে ১৯৫০ সালের দিকে একটি মেইনফ্রেম কম্পিউটার দ্বারা। একটি মেইনফ্রেম কম্পিউটার এতটা দামি ছিলো যে কয়েকজন বিজ্ঞানী প্রকৌশলী একসাথে ব্যবহার করেছেন। যাহোক আইবিএম এর ব্যবস্থাপকেরা মুরের সূত্রকে অনুধাবন করতে ব্যর্থ হয় এবং মোটামুটি দেউলিয়া হয়ে যায় যখন আমরা ১৯৮০ দিকে ব্যক্তিগত কম্পিউটার আবিষ্কারের ফলে দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রবেশ করি।

    আরও দেখুন
    কম্পিউটার
    কম্পিউটারের
    বিজ্ঞান
    বিজ্ঞানের
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা ভাষা
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ
    বাংলা উপন্যাস
    বই পড়ুন
    বাংলা শিশু সাহিত্য

     

    কিন্তু যখন ব্যক্তিগত কম্পিউটার উৎপাদনকারীরা সন্তুষ্টিতে ভোগেন। তারা কল্পনা করেছিলেন প্রতিটি ডেসকে একটি করে কম্পিউটার থাকবে। তারা একজন পাহারাদারের মতো ছিলেন তৃতীয় পর্যায়ের পূর্বে। কিন্তু তৃতীয় পর্যায়ে একটি কম্পিউটার ইন্টারনেটের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ কম্পিউটারের সাথে যুক্ত হয়ে গড়েছে। আজ একটি একক কম্পিউটার পাবেন শুধু জাদুঘরে।

    সুতরাং, কম্পিউটারও অবশেষে চতুর্থ পর্যায়ে প্রবেশ করবে যেখানে এটি বিলুপ্ত হয়ে যাবে এবং ফ্যাশনের মতো হয়ে পুনরায় সৃষ্টি হবে। আমরা আমাদের পৃথিবীকে কম্পিউটার দ্বারা সাজাব। খুব পরিচিত ‘কম্পিউটার’ শব্দটি ইংরেজি ভাষা থেকে হারিয়ে যাবে। ভবিষ্যতে শহরে এলাকায় মূল বর্জ্য হবে চিপস্‌, কাগজ নয়। কম্পিউটারের ভবিষ্যৎ হবে এটি বিলুপ্ত হয়ে যাবে এবং একটি উপযোগে পরিণত হবে, বিদ্যুৎ ও পানির মতো বিক্রি হবে। কম্পিউটার চিপসও অদৃশ্য হয়ে যাবে “ক্লাউড” কম্পিউটিংয়ের কারণে।

    সুতরাং কম্পিউটারের বিবর্তন কোনো রহস্য নয়। বিদ্যুৎ, কাগজ ও পানির মতো পথ অনুসরণ করে এগিয়ে যাচ্ছে।

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞানের
    বিজ্ঞান
    কম্পিউটারের
    কম্পিউটার
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    ই-বই ডাউনলোড

     

    কিন্তু কম্পিউটার ও ইন্টারনেট এখন বিবর্তনের ধারায় রয়েছে। অর্থনীতিবিদ জন স্টিলি গর্ডন বলেছিলেন এই বিপ্লব যখন শেষ হয়ে যাবে তখন “স্বর্গ এসে যাবে, না। এটি শত শত বছর পিছনে নিয়ে যাবে যে সময়ে- তা ছিল স্টিম ইঞ্জিনের মতো। আমরা তখন এমন এক জায়গায় অবস্থান করছি সেটি ছিলো ১৮৫০ এর মতো রেলওয়ের রাস্তার। এটি কেবল শুরু মাত্র।”

    সমস্ত প্রযুক্তির ক্ষেত্রে নয়, আমাদের একটি বিষয় উল্লেখ করতে হয় তা হলো এখনো তৃতীয় ও চতুর্থ পর্যায়ে রয়েছে। উদাহরণস্বরূপে, পরিবহন সেক্টরের কথা ধরা যাক।

    ১৮০০ সালের শুরুর দিকে স্টিম ইঞ্জিনের আবিষ্কারের ফলে যান্ত্রিক পরিবহন ব্যবস্থার প্রযুক্তিগুলো প্রথম পর্যায়ে প্রবেশ করেছিলো। শত শত মানুষ একটি পরিবহন ব্যবহার করত। ব্যক্তিগত গাড়ির মাধ্যমে আমরা দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রবেশ করেছি যা প্রাইভেট গাড়ি হিসেবে পরিচিত ১৯০০ সালের শুরুতে। কিন্তু অন্যান্য পরিবহন এবং গাড়ি একই রকম রেলের বগি বা চাকা—গত কয়েক দশকে খুব একটা পরিবর্তিত হয়নি। যে পরিবর্তনটি হয়েছে তা শুধু নতুন সংস্করণ যেমন এর শক্তি বৃদ্ধি এবং ইঞ্জিনের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি এবং সাথে সাথে এর বুদ্ধিমত্তা বৃদ্ধি। সুতরাং ঐ সমস্ত প্রযুক্তি যা তৃতীয় ও চতুর্থ পর্যায়ে প্রবেশ করবে না তা হারিয়ে যাবে। উদাহরণ স্বরূপে আমরা এগুলোর মাঝে চিপস স্থাপন করতে পারি। এগুলো বুদ্ধিমান করলে কিছু প্রযুক্তি চতুর্থ পর্যায়ে বিবর্তিত হবে, বিদ্যুৎ কম্পিউটার, কাগজ এবং পানির মতো। অন্যগুলো তার পূর্বের পর্যায়ে থেকে যাবে কিন্তু তাদের বিবর্তন প্রক্রিয়া চলবে তাদের উন্নয়নের মাধ্যমে যেমন চিপস্ স্থাপন ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি করে।

    কেন উত্থান ও পতন?

    কিন্তু বর্তমানে, ২০০৮ সালের বিশাল মন্দার পরে অনেকে বলতে শুরু করেছেন-এসব অগ্রগতি একটি মরিচীকার মতো আমাদের সাধারণতর জীবনে ফিরিয়ে নেয় যেখানে পদ্ধতিগত মৌলিক কোনো ত্রুটি বিদ্যমান।

    আরও দেখুন
    কম্পিউটার
    বিজ্ঞান
    কম্পিউটারের
    বিজ্ঞানের
    বুক শেল্ফ
    বই পড়ুন
    PDF
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা সাহিত্য
    বইয়ের

     

    দীর্ঘকালীন ইতিহাসের দৃষ্টিতে, এটি সহজে বোঝায় যায় এই অপ্রত্যাশিত মন্দাটি যা বিদ্যমান অগ্রগতির পরে হঠাৎ বিপর্যয় যার উৎস নির্ধারণ করা যায় না। এটি এলামেলো বিষয় যা মানুষের ভাগ্যের বিপর্যয় এবং বোকামির উপজাত। ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদরা ২০০৮ সালের বিপর্যয়কে বিভিন্ন কারণ, বিশ্লেষণ করে বোঝার চেষ্টা করেছেন— যেমন মানুষের চরিত্র, লোভ, দুর্নীতি, আইনের অভাব, দূরদৃষ্টি, সম্পর্ক, দুর্বলতা ইত্যাদি।

    যাহোক, বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এই মহামন্দাকে আমি ভিন্নভাবে দেখি দীর্ঘমেয়াদি, দ্য অক্সফোর্ড এনসাইক্লোপেডিয়া অব ইকোনমিক হিস্টোরিতে উল্লেখ করা হয়েছে—

    ১৭৮০ সালের পরে ইংল্যান্ড এবং আমেরিকার আয়ের বৃদ্ধির ৯০ শতাংশ হারে প্রযুক্তিগত উত্থানের জন্য, সম্পদ আহরণের মাধ্যমে নয়। বিজ্ঞান ছাড়া আমরা হাজার বছর পিছনে অন্ধকার অতীতে নিক্ষিপ্ত হব। কিন্তু বিজ্ঞান সবসময় একই রকম থাকে না, এটি তরঙ্গের মতো আসে। একই সময়গত ব্রেক থ্রু (উদাহরণস্বরূপ, স্টিম ইঞ্জিন, লাইট বাল্ব, ট্রানজিস্টর) প্রায়ই দ্বিতীয় কোন উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করে যা পরবর্তীতে উদ্ভাবন এবং অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত করে। যেহেতু এসব উদ্ভাবন প্রচুর সম্পদ সৃষ্টি করে তার দোলা অর্থনীতিতে প্রতিফলিত হয়।

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞানের
    কম্পিউটার
    বিজ্ঞান
    কম্পিউটারের
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বই
    ই-বই ডাউনলোড
    Library

     

    প্রথম বড় তরঙ্গটি হলো বাষ্পীয় শক্তি যা মূলত পরিবহন ব্যবস্থার সৃষ্টি করেছে। বাষ্পীয় শক্তি শিল্পবিপ্লবকে অনুরণিত করেছে, যা সমাজকে পুরো উল্টে দিয়েছে। প্রচণ্ড পরিমাণে সম্পদ সৃষ্টি হয় বাষ্পীয় শক্তির করণে। কিন্তু পুঁজিবাদের সূত্রানুসারে সম্পদ কখনো স্থির থাকে না। সম্পদ স্থানান্তরিত হয়। পুঁজিবাদীরা সবসময় অতীত অতিক্রম করতে চায় সম্পদ বৃদ্ধি করতে নতুন প্রজেক্টে বিনিয়োগ করে যা অনেক সময় বিপর্যয় ঘটায়।

    ১৮০০ শতকের শুরুর দিকে, বাষ্পীয় শক্তি ও শিল্প বিপ্লবের করণে প্রচুর সম্পদ সৃষ্টি হয় যা লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ স্থানান্তরিত হয়। প্রকৃতপক্ষে, বুদবুদটি এখানেই সৃষ্টি হয় বেশকিছু অটোমোবাইল কোম্পানি লন্ডন এক্সচেঞ্জ হাউজে বিনিয়োগ করে। ভার্জিনিয়া পোস্ট্রেল, নিউইয়র্ক টাইমসের বাণিজ্য বিষয়ক লেখক লিখেছিলেন—”এক শতাব্দী আগে রেলগাড়ি নির্মাতা কোম্পানিগুলো নিউইয়র্ক স্টক একচেঞ্জের অর্ধেক সিকিরিটিজের মালিক ছিলো।” যেহেতু অটোমাবাইল কোম্পানিগুলো এখন কল্পনাবিলাসী, বুদবুদটিও তাই টেকসই নয় এবং শেষমেষ ফেটে গিয়ে ১৮৫০ সালে একটি পতন ঘটায় যা পুঁজিবাদের ইতিহাসে অন্যতম বড় বিপর্যয়। এটি আরও ছোট ছোট বিপর্যয় সৃষ্টি করে প্রায় প্রতি দশকে। যা শিল্প বিপ্লবের কারণে সৃষ্ট সম্পদের ছোট ছোট দেউলিয়াত্ব।

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞানের
    কম্পিউটার
    বিজ্ঞান
    কম্পিউটারের
    বাংলা অডিওবুক
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বইয়ের
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ

     

    কিন্তু ব্যতিক্রমটি হলো : ১৮৮০ দশক থেকে ১৮৯০ এর দশক ছিলো রেলপথের কোম্পানিগুলোর জন্য শুরুর সময়। সুতরাং ১৮৫০ যে বিপর্যয় ঘটেছিলো তা বিজ্ঞানের মাধ্যমে সৃষ্ট উৎসাহ ও সম্পদের কারণে। কিন্তু এর ফলে পৃথিবীকে রেল সমৃদ্ধ করতে বেশ কয়েক দশক সময় লাগে।

    থমাস ফ্রিডম্যান লিখেছেন- ঊনবিংশ শতাব্দীর আমেরিকায় একটি রেল কোম্পানিদের দ্বারা বুদবুদ সৃষ্টি হয় শুরুতে এবং বিস্ফোরিত হয়- কিন্তু তখন বুদবুদটি বিস্ফোরিত হয় এটি ব্যতিক্রমিকভাবে আমেরিকার তখন রেলপথ নির্মিত হয় আন্তঃমহাদেশ ভ্রমণ এবং পরিবহন আরও সহজ এবং সস্তা হয়।

    পুঁজিবাদীরা এই শিক্ষাটি না নেওয়ার কারণে দ্রুত আরেকটি ধাক্কা আসে। এডিসন এবং ফোর্ড এর মাধ্যমে বৈদ্যুতিক এবং অটোমোবাইল প্রযুক্তির উন্নয়নের দ্বিতীয় ধাক্কাটি আসে। ফ্যাক্টরিসমূহ, ঘরবাড়ি বিদ্যুতায়িত হয় এবং মডেলটি এর প্রসারে, আবার একটি বিশাল সম্পদ সৃষ্টি হয়। সব সময়ই, অতিরিক্ত সম্পদ অন্য কোথাও স্থানারিত হয়। এই ক্ষেত্রে, এটি ইউএস স্টক এক্সচেঞ্জে বিনিয়োগ হয়, একইটি ব্যবহার্য পণ্য ও অটোমোবাইলের বুদবুদরূপে। মানুষ ১৮৫০ সালের শিক্ষাটি ভুলে গিয়েছিলো। যেহেতু এটি আশি বছরের পুরোনো ঘটনা। ১৯০০ থেকে ১৯২৫ সালের মধ্যে অটোমোবাইল কোম্পানি ৩০০০ টি হয়ে যায়, যা বাজারের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ ছিলো না। এই কারণসহ অন্যান্য কারণে ১৯২৯ সালে বুদবুদটি বিস্ফোরিত হয় একটি বড় অটোমোবাইল মন্দা সৃষ্টি করে।

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞান
    কম্পিউটার
    বিজ্ঞানের
    কম্পিউটারের
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বইয়ের
    Library
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা অডিওবুক

     

    কিন্তু ব্যতিক্রম হিসেবে এটি আমেরিকা এবং ইউরোপ বিদ্যুয়নের পথে হাটে নি বরং ১৯৫০ এবং ১৯৬০ দশক পর্যন্ত এই সময় নেয়।

    অতি সম্প্রতি, আমাদের বিজ্ঞানের তৃতীয় আরেকটি ধাক্কা সৃষ্টি হতে যাচ্ছে, হাইটেক এর উন্নয়নে কম্পিউটার, লেজার, মহাকাশ স্যাটেলাইট, ইন্টারনেট এবং ইলেকট্রনিক এসবের। প্রচুর পরিমাণ সম্পদ সৃষ্টি করছে এই হাইটেক প্রযুক্তি যেখানে যায় সেখানেই। এক্ষেত্রে, এটি রিয়েল এস্টেট, যা প্রচুর বড় বুদবুদ সৃষ্টি করছে। রিয়েল এস্টেট এর ব্যাপক সম্ভাবনা দেখে মানুষ ধার দেনা করতে শুরু করছে তাদের এই সম্পদের বিপরীতে ব্যাংক থেকে যা বুদ বুদকে আরও ত্বরান্বিত করে। অবিবেচক ব্যাংকাররা তাদের বাড়িঘর বন্ধক রেখে ঋণ প্রদান করে বুদবুদ তৈরিতে আরও পানি সরবরাহ করছে। পুনরায়, মানুষ ১৮৫০ এবং ১৯২৯ এর ঘটনা দুটোকে ১৬০ এবং ৮০ বছর আগে ঘটেছিলো তা ভুলে যায়। যার ফলস্বরূপ নতুন বুদবুদটিও টেকসই হতে ব্যর্থ হয় এবং ২০০৮ সালে বিশাল অর্থনৈতিক মন্দা সৃষ্টি করে।

    থমাস ফ্রিডম্যান লিখেছেন, একবিংশ শতাব্দীর শুরুতে একটি অর্থনৈতিক বুম, বুদবুদ দেখা যায় এবং এটি বিস্ফোরণ হওয়ার দ্বারপ্রান্তে কিন্তু আমি ভয় পাই যে কারণ এটির পেছনে একটি ফাঁকা ফ্লোরিডা কনডস রয়েছে যা কখনো পুনরায় নির্মিত হবে না, ব্যক্তিগত জেট বিমান ব্যবহারকারীরা সম্পদশালী থাকবে না এবং মানুষকে অসহায় থাকতে হবে যা কেউই বুঝতে পারছে না।”

    আরও দেখুন
    কম্পিউটার
    বিজ্ঞানের
    বিজ্ঞান
    কম্পিউটারের
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বইয়ের
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ

     

    কিন্তু সাম্প্রতিক মন্দা নিয়ে ছোটখাটো এসব ভুল আমলে না নিয়ে বরং ব্যতিক্রমী হলো ২০০৮ সালের পরে সংযুক্তকরণ এবং নেটওয়ার্কিং এর পথ প্রশস্ত হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তির আরও সুসময় এখনও অনেক বাকি আছে।

    এটি আরেকটি প্রশ্নের জন্ম দেয় চতুর্থ ধাক্কটি কী? কেউ নিশ্চিত নয়। এটি সম্ভবত, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ন্যানো টেকনোলজি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং ব্যায়ো টেকনোলজি। এটি পূর্বের ধাক্কাগুলোর সাথে, এটি আরও আশি বছর হয়তো সময় নেবে প্রচুর সম্পদের তরঙ্গ সৃষ্টি করতে। ২০৯০ সালের দিকে, আশা করি, মানুষ তার পূর্বের আশি বছরের ঘটনাকে উপেক্ষা করবে পুনরায়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিশ্বের শ্রেষ্ঠ ১০০ মনীষীর জীবনী – মাইকেল এইচ. হার্ট
    Next Article দ্য গড ইকুয়েশন : থিওরি অব এভরিথিংয়ের খোঁজে – মিচিও কাকু

    Related Articles

    মিচিও কাকু

    ফিজিকস অব দ্য ইমপসিবল – মিচিও কাকু

    November 10, 2025
    মিচিও কাকু

    প্যারালাল ওয়ার্ল্ডস : বিকল্প মহাবিশ্বের বিজ্ঞান ও আমাদের ভবিষ্যৎ – মিচিও কাকু

    November 10, 2025
    মিচিও কাকু

    দ্য গড ইকুয়েশন : থিওরি অব এভরিথিংয়ের খোঁজে – মিচিও কাকু

    November 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }