Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ফিজিক্স অব দ্য ফিউচার – মিশিও কাকু

    মিচিও কাকু এক পাতা গল্প564 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অষ্টম অধ্যায় – মানবতার ভবিষ্যৎ : গ্রহকেন্দ্রিক সভ্যতা

    পুরানে, দেবতারা স্বর্গীয় ঐশ্বর্য্য নিয়ে বাস করতেন, নিছক মৃত্যুর মতো তুচ্ছ ঘটনা অতিক্রম করে। গ্রিক দেবতারা মাউন্ট অলিম্পাসের স্বর্গীয় অঞ্চলে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলো তখন নর্স দেবতারা যারা সম্মান এবং চিরন্তন গৌরব অর্জনের জন্য লড়াই করেছিলেন তারা বালাল্গার পর্বতে বা মৃত যোদ্ধাদের আত্মার স্মরণে ভোজের আয়োজন করতেন। কিন্তু আমাদের লক্ষ্য এই শতাব্দীর শেষে, যদি দেবতাদের মতো শক্তি অর্জন করি তাহলে ২১০০ সালে আমাদের সভ্যতার চেহারা কেমন হবে? এসব নতুন প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন আমাদের সভ্যতাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে?

    এসব তথ্যপ্রযুক্তিগত বিপ্লব একটিমাত্র বিষয়কে মুখ্য করে ব্যাখ্যা করে : একটি গ্রহকেন্দ্রিক সভ্যতার সৃষ্টি। মানব ইতিহাসে এটিই সম্ভবত বড় রূপান্তর হবে। প্রকৃতপক্ষে, বর্তমান যুগের মানুষই গুরুত্ব নির্ধারণ করবে আমরা গ্রহের পৃষ্ঠে চলাফেরা করতে পারব কিনা বা সেহেতু তারা নির্ধারণ করবে আমরা লক্ষ্য পৌছাতে পারব নাকি। বিশৃঙ্খল পরিবেশের দিকে নিম্নগমন করব। সম্ভবত ৫০০০ মানুষের প্রজন্ম পৃথিবীর পৃষ্ঠে চলাফেরা করেছে সেই ১০০০০০ বছর বা তারও আগে যখন আমরা আফ্রিকাতে প্রথম যাত্রা শুরু করেছিলাম এবং তাদের মধ্যে মাত্র একটি প্রজন্ম এই শতাব্দীতে বাস করছে যারাই আমাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।

    যদি কোনো প্রাকৃতিক বিপর্যয় বা কোনো ভুলের দুর্বিপাক না ঘটে, এটি উপেক্ষা করার সুযোগ নেই আমরা একটি সমন্বিত ইতিহাসে অধ্যায়ে প্রবেশ করব। শক্তির ইতিহাস বিশ্লেষণ করে এটি আমরা স্পষ্ট দেখতে পারি।

    সভ্যতাসমূহের র‍্যাংকিং

    যখন অভিজ্ঞ ইতিহাসবিদ ইতিহাস রচনা করেন তারা মানুষের অভিজ্ঞতা এবং ত্রুটির আলোকে দেখেন, তা হলো-রাজা বা রানিদের বিশ্লেষণ, সামাজিক আন্দোলনের উত্থান এবং ধারণাসমূহের বিস্তার। অপরপক্ষে, পদার্থবিদরা ইতিহাসকে সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে দেখেন

    পদার্থবিদরা সবকিছুকে এমনকি সভ্যতাকেও র‍্যাংকিং করে কী পরিমাণ শক্তি এটি ব্যবহার করে তার উপর ভিত্তি করে। যখন এটি মানব ইতিহাসের উপরে প্রয়োগ করা হয় দেখা যায় শত বছরের পরে আমাদের মোট ব্যবহৃত শক্তি ১/৫ হর্স পাওয়ার এর মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিলো, আমাদের খালি হাতের শক্তি এবং ক্ষুদ্রা যাযাবর জীবন অতিবাহিত করেছি, উপজাতিদের মতো ঘুরে বেড়িয়েছি, খাদ্যের জন্য কঠিন কর্ম সাধন করেছি, শত্রুতার পরিবেশে। ঐ সময়ের জন্য আমরা নেকড়ে থেকে অভিন্ন ছিলাম।

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞান
    গণিত
    ফাইন্যান্সিয়াল সফ্টওয়্যার
    মাঠ
    যোগাযোগের
    লেখা
    লিখন
    কম্পিউটার
    বিজ্ঞানের
    বৈজ্ঞানিক

    কোনো লিখিত দলিল ছিল না। শুধু নিঃসঙ্গ তাঁবুর আলোতেই সঞ্চালিত হয়েছে গল্পগুলো এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মের কাছে। জীবন সংক্ষিপ্ত এবং রুক্ষ ছিলো, কাঙ্ক্ষিত গড় আয়ু ছিলো আঠারো থেকে বিশ বছর। তখন তোমার সমস্ত সম্পদ এতটুকুই ছিলো যা তুমি নিজের কাঁধে করে বহন করতে পারতে। তোমার জীবনের বেশিরভাগ সময় ছিলো ক্ষুধা এবং বেদনায় পরিপূর্ণ। তোমার মৃত্যুর পর কোনো চিহ্ন থাকত না যে তুমি এক সময় এখানে বাস করতে।

    কিন্তু ১০০০০ বছর আগে, এটি অভিনব ঘটনা ঘটে যা সভ্যতাকে একটি গতিতে নিয়ে আসে। বরফ যুগের অবসান।

    যে কারণে আমরা এখনো বুঝি না হাজার হাজার বছর আগে বরফযুগের শেষটি। এটি কৃষিকাজের পথকে ‘সূচনা করেছিলো। ঘোড়া এবং গরু দ্রুত গৃহপালিত প্রাণীতে রূপান্তরিত হলো যার কারণে হর্স পাওয়ার শক্তিতে উন্নতি হয়। এখন একজন ব্যক্তির কয়েক একর জমি চাষাবাদের শক্তি আছে, দ্রুত বর্ধনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য প্রয়োজনীয় শক্তির আধিক্য বিদ্যমান। প্রাণীদের গৃহপালনের মাধ্যমে মানুষের আর প্রাণী শিকার করার প্রয়োজন পড়ে না খাদ্যের জন্য এবং প্রথম স্থির গ্রাম ও শহর সৃষ্টি হয় যা জঙ্গল থেকে সমতলে বিস্তার লাভ করে।

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞানের
    বৈজ্ঞানিক
    যোগাযোগ
    লেখা
    ফাইন্যান্সিয়াল সফ্টওয়্যার
    লিখন
    কম্পিউটারের
    মাঠ
    মুদিখানা
    যোগাযোগের

     

    কৃষি বিপ্লব থেকে প্রাপ্ত অতিরিক্ত সম্পদ নতুন এবং বুদ্ধিদীপ্ত পথ তৈরি করে তাদের সম্পদ সংরক্ষণ এবং বৃদ্ধি করার জন্য। গণিত এবং লিখন প্রক্রিয়া সম্পদ গণনার জন্য সৃষ্টি হয়। ক্যালেন্ডারের প্রয়োজন পড়ে ফসল রোপণ এবং কাটার জন্য এবং অনুলেখক ও হিসাব রক্ষকের প্রয়োজন হয় অতিরিক্ত সম্পদের খোঁজ রাখার এবং ট্যাক্স দেওয়ার জন্য। এটি অতিরিক্ত সম্পদই মূলত সেনাবাহিনী, রাজ্য, রাজসভা, দাসপ্রথা এবং আদিম সভ্যতার উত্থানে ভূমিকা রাখে।

    তার পরবর্তী বিপ্লবটি ঘটে ৩০০০ বছর আগে যা হলো-শিল্প বিপ্লব। হঠাৎ করে, একজনের মোট সম্পদ তার হাত এবং ঘোড়ার মাধ্যমে উৎপাদিত সম্পদ নয় বরং যান্ত্রিক শক্তির মাধ্যমে উৎপাদিত যা প্রচুর সম্পদ এবং উৎপাদন সৃষ্টি করে।

    স্টিম ইঞ্জিন শক্তিশালী যন্ত্রপাতি এবং পরিবহন সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখে যাতে করে ফ্যাক্টরি, কলকারখানা থেকে ও খনি থেকে সম্পদ সৃষ্টি করা হয় শুধু জমি থেকে নয়। কৃষকেরা পর্যায়ক্রমিক দুর্ভিক্ষ এবং জমিতে মেরুদণ্ড ক্ষয়ে যাওয়া পরিশ্রম থেকে মুক্তি পায়।

    আরও দেখুন
    যোগাযোগ
    মুদিখানা
    ফাইন্যান্সিয়াল সফ্টওয়্যার
    বৈজ্ঞানিক
    বিজ্ঞানের
    বিজ্ঞান
    লিখন
    যোগাযোগের
    লেখা
    কম্পিউটার

     

    শহরের দিকে উড়াল দেয়। শ্রমিক শ্রেণি তৈরি করে কামারের এবং জায়গা অটোমেটিক শ্রমিক দ্বারা দখল নেয়। অভ্যন্তরীণ জ্বালানি মেশিন আসার পরে একজন মানুষ শত শত হর্স পাওয়ারের কাজ একটি নির্দেশে সম্পন্ন করতে পারে। কাঙ্ক্ষিত আয়ু বাড়তে থাকে। ১৯০০ সালের দিকে তা চুরানব্বই বছর পর্যন্ত স্পর্শ করেছে।

    পরিশেষে, আমরা এখন তৃতীয় তরঙ্গে আছি। যেখানে তথ্যের ব্যবহারের মাধ্যমে সম্পদ সৃষ্টি হচ্ছে। এখন একটি জাতির সম্পদ ফাইবার অপটিক ক্যাবল এবং স্যাটেলাইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত ইলেকট্রন দ্বারা পরিমাপ করা হয় যা মূলত ওয়াল স্ট্রিট এবং অন্যান্য অর্থনৈতিক রাজধানীর কম্পিউটার স্ক্রিমগুলোতে নৃত্যরত। বিজ্ঞান, বাণিজ্য এবং প্রমোদ ভ্রমন আলোর গতিতে সম্পন্ন হয়, যা আমাদের যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গায় সীমাহীন তথ্যের যোগান দেয়।

    টাইপ i, ii এবং iii সভ্যতা

    কীভাবে এই শতাব্দি পর্যন্ত বা সহস্রাব্দ পর্যন্ত শক্তির জ্যামিতিক বৃদ্ধি হলো? যখন পদার্থবিদরা সভ্যতাসমূহকে বিশ্লেষণ করেন, শক্তির ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে র‍্যাংকিং করা হয়। এই র‍্যাংকিং ১৯৬৪ সালে প্রথম শুরু করেন রাশিয়ান মহাকাশবিদ নিকোলাই কার্দাশেভ। যিনি রাতের আকাশ থেকে কোন উন্নত সভ্যতার সিগন্যাল পাওয়া যায় কিনা তা নিয়ে আগ্রহী গবেষক ছিলেন।

    আরও দেখুন
    লেখা
    বিজ্ঞানের
    কম্পিউটারের
    যোগাযোগ
    মুদিখানা
    কম্পিউটার
    মাঠ
    বিজ্ঞান
    গণিত
    বৈজ্ঞানিক

     

    তিনি ঝাপসা এবং দুর্বলভাবে সংজ্ঞায়িত ‘বুদ্ধিমান এলিয়েন সভ্যতা’ নিয়ে স্পষ্ট ছিলেন না তাই তিনি একটি পরিমাণগত মাপকাঠির সূচনা করেন নভোচারীদের জন্য। তিনি বুঝতে পারেন এলিয়েন সভ্যতা সম্ভবত তাদের সংস্কৃতি, সমাজ, সরকার ইত্যাদির উপর ভিত্তি করে পার্থক্য নির্ধারণ করে কিন্তু এখানে একটি বিষয় আছে যা তাদের অবশ্যই মানতে হবে। তা হলো পদার্থবিজ্ঞানের সূত্র এবং পৃথিবী থেকে, একটি মাত্র বিষয় আছে। যেটি পর্যবেক্ষণ করে এসব সভ্যতাকে বিভিন্ন শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায় তাদের ব্যবহৃত শক্তির পরিমাণ।

    তাই তিনি তিনটি তাত্ত্বিক সভ্যতার প্রস্তাব পেশ করেন : টাইপ I সভ্যতা যেটি তাদের গৃহের পৃষ্ঠে পতিত সূর্যালোকের লম্বা ফালি ব্যবহার করে অথবা ১০^১৭ ওয়াট শক্তি। টাইপ II সভ্যতা হলো নাক্ষত্রিক সভ্যতা যা তাদের সূর্যের বিকিরণ শক্তি ব্যবহার করে বা ১০^২৭ ওয়াট শক্তি, টাইপ III সভ্যতা হলো ছায়াপথ সভ্যতা যা বিলিয়ন বিলিয়ন তারকার শক্তি ব্যবহার করে বা ১০^৩৭ ওয়াট শক্তি

    এই শ্রেণি বিন্যাসের সুবিধা হলো আমরা প্রতিটি সভ্যতাকে একটি মানদণ্ডে ফেলতে পারি ঝাপসা ও অগোছালো সাধারণীকরণ না করে তাদের প্রতিটি সভ্যতার শক্তির উপর ভিত্তি করে। সেহেতু আমরা এসব স্বর্গীয় বস্তুসমূহের শক্তির বহিঃনির্গমন জানি তাই আমরা একটি বিশেষ সংখ্যাতাত্ত্বিক সীমাবদ্ধতা নির্ণয় করতে পারি যার মাধ্যমে আমরা আকাশকে স্ক্যান করতে পারি।

    আরও দেখুন
    মুদিখানা
    যোগাযোগ
    বৈজ্ঞানিক
    গণিত
    মাঠ
    যোগাযোগের
    কম্পিউটার
    লিখন
    ফাইন্যান্সিয়াল সফ্টওয়্যার
    বিজ্ঞান

     

    প্রতিটি সভ্যতাকে একটি ধ্রুবক ১০ বিলিয়ন দ্বারা পার্থক্য নির্ধারণ করা যায় : টাইপ III সভ্যতা ১০ বিলিয়ন গুণ বেশি শক্তি ব্যবহার করে টাইপ II সভ্যতার থেকে (কারণ মোটামুটিভাবে একটি ছায়াপথে ১০ বিলিয়ন বা তার বেশি তারা থাকে) যেটি টাইপ I সভ্যতার থেকে ১০ বিলিয়ন শক্তি ব্যবহার করে।

    এই শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী আমাদের বর্তমান সভ্যতা টাইপ O সভ্যতা। আমরা এই স্কেলে এখনো র‍্যাংকিং করতে পারিনি কারণ আমরা মৃত গাছ, তেল এবং কয়লা থেকে শক্তি পাই। (কার্ল সাগান এই শ্রেণিবিন্যাসকে সাধারণীকরণ করতে চেষ্টা করেছেন একটি সংক্ষিপ্ত পরিমাপ নির্ধারণ করতে যেখানে আমরা এই মহাজাগতিক স্কেলে র‍্যাংকিং করতে পারি। তার হিসাবায়ন অনুসারে আমরা মূলত একটি ০.৭ টাইপ সভ্যতা।)

    এই স্কেলে, আমরা বিভিন্ন বিজ্ঞান কল্পকাহিনিতে যেসব সভ্যতা দেখি সেটা থেকে র‍্যাংকিং করতে পারি। একটি সাধারণ টাইপ I সভ্যতা হলো বাক রজার্স বা ফ্ল্যাক্স গর্ডন যেখানে গ্রহের সব শক্তির উন্নত ব্যবহার হয়েছে। তারা শক্তির গ্রহকেন্দ্রিক সব উৎসকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে তাই তারা তাদের আবহাওয়াকে তাদের ইচ্ছানুযায়ী পরিবর্তন করতে পারে। হ্যারিকেনের আর্দ্রতা কমাতে পারে বা তাদের সমুদ্রের তলদেশে শহর আছে। যদিও তারা রকেটের মধ্যেই স্বর্গ নির্মাণ করে, তবে তাদের শক্তির বহিঃনির্গমন এখনো একটি গ্রহের মধ্যে সীমাবদ্ধ।

    আরও দেখুন
    কম্পিউটারের
    মাঠ
    যোগাযোগ
    ফাইন্যান্সিয়াল সফ্টওয়্যার
    মুদিখানা
    কম্পিউটার
    যোগাযোগের
    বৈজ্ঞানিক
    লিখন
    বিজ্ঞান

     

    একটি টাইপ II সভ্যতা হলো স্টার ট্রেক্স, যা কয়েকটি গ্রহের ফেডারেশন (কোনো খসড়া উদ্যোগ ছাড়া)। ১০০টির মতো গ্রহের কলোনি তৈরি করতে পেরেছে। তাদের প্রযুক্তি একটি গ্রহের শক্তির বহির্গমনকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে ইচ্ছে মতো।

    একটি টাইপ III সভ্যতা হবে সম্ভবত স্টার ওয়ার কাহিনির সাম্রাজের মতো বা স্টার ট্রেকস-এর দ্য বোর্গ, উভয়েরই একটি গ্যালাক্সির বিশাল অংশের কলোনি আছে। যা বিলিয়ন বিলিয়ন তারকা জগৎকে আবদ্ধ করে। তারা ইচ্ছে করে ছায়াপথ লেন তৈরি করতে পারে মহাকাশে।

    যদিও কার্দাশেভ গ্রহ, নক্ষত্র, ছায়াপথের উপর ভিত্তি করে তার শ্রেণিবিন্যাস করেন। আমাদের উচিত টাইপ IV সভ্যতার সম্ভাব্যতা খুঁজে দেখা। যার শক্তির উৎস হবে বহিঃছায়াপথের কোনো উৎস। আমাদের ছায়াপথের বাইরে জানা একমাত্র শক্তির উৎস হলো ডার্ক এনার্জি যা ৭৩% বস্তু ও শক্তির মাধ্যমে সৃষ্টি আমাদের জানা এই মহাবিশ্বের যেখানে নক্ষত্র ও ছায়াপথ মিলে মাত্র মহাবিশ্বের ৪% সৃষ্টি হয়। একটি টাইপ IV সভ্যতার প্রার্থী হতে পরে ঈশ্বরের মতো Q যা স্টার ট্রেক সিরিজে দেখানো হয়েছে যার শক্তির উৎস হলো বহিঃ ছায়াপথ।

    আরও দেখুন
    লিখন
    লেখা
    বিজ্ঞান
    কম্পিউটারের
    ফাইন্যান্সিয়াল সফ্টওয়্যার
    গণিত
    যোগাযোগের
    মুদিখানা
    বিজ্ঞানের
    কম্পিউটার

     

    আমরা এই শ্রেণিবিন্যাস ব্যবহার করতে পারব যখন আমরা এর যেকোনো একটি টাইপের সভ্যতায় প্রবেশ করব। ধরা হয় ১ শতাংশ হারে বিশ্বের সভ্যতার বিকাশ ঘটে এটি মোট জিডিপি ভিত্তিতে। এটি একটি যৌক্তিক ধারণা কতটি শতকের চেয়ে আমাদের গড় বেশি। এই ধারণা অনুসারে প্রায় ২৫০০ বছর লাগে একটি সভ্যতা থেকে অন্য সভ্যতায় প্রবেশ করতে। ২ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেলে এই রূপান্তরে সময় লাগে ১২০০ বছরের মত। কিন্তু এছাড়াও আমরা এটি হিসাব করতে পারি টাইপ ও সভ্যতায় পৌঁছাতে কত সময় লাগবে। অর্থনৈতিক মন্দা বা প্রবৃদ্ধি, অগ্রগতি কম অথবা বেশি এর পরিবর্তে আমরা গাণিতিকভাবে নির্ধারণ করতে পারি ১০০ বছরের মধ্যে আমরা টাইপ I স্টাটাস পাব যা আমাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গড় হিসাব অনুযায়ী।

    টাইপ O থেকে টাইপ I সভ্যতা

    যখন পত্রিকার পৃষ্ঠাগুলোতে আমরা প্রতিনিয়ত টাইপ O থেকে টাইপ I সভ্যতায় প্রবেশের পথে এগিয়ে যাওয়ার প্রমাণ পাই। অনেক শিরোনামই টাইপ I সভ্যতার জন্মের চিহ্ন প্রকাশ করে আমাদের চোখের সামনে।

    • টাইপ I সভ্যতার টেলিফোনিক সিস্টেমের শুরু হলো ইন্টারনেট। ইতিহাসের এই প্রথম এক মহাদেশের একজন ব্যক্তি পরিশ্রম ছাড়াই অন্য মহাদেশের একজন ব্যক্তির সাথে অসীম তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে। প্রকৃতপক্ষে, অনেক মানুষই ইতোমধ্যে অনুভব করতে শুরু করেছে তারা পৃথিবীর বাইরের কোনো পরবর্তী প্রতিবেশীর মতো একই রকম হবে। এই প্রক্রিয়া একটি জাতিকে আরও ফাইবার অপটিস এবং যোগাযোগ স্যাটেলাইট স্থাপনকে ত্বরান্বিত করছে। এই প্রক্রিয়া থামার নয়। এমনকি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট যদি ইন্টারনেট বাতিল করতে চান তা শুধু হাসির খোরাকই হবে। কমপক্ষে যা এক বিলিয়ন ব্যক্তিগত কম্পিউটার আছে সারা বিশ্বে এবং মোটামুটি মানবজাতির একচতুর্থাংশ একবার হলেও ইন্টারনেট ব্যবহার করছে।
    • একটি সহজ ভাষা মাধ্যম, ইংরেজি নেতৃত্বদানকারী, চীনাদের দ্বারা অসনুসরণ করা, যা দ্রুত টাইপ I সভ্যতায় পৌঁছে দেওয়ার ভাষা হবে। ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে ২৯ শতাংশ মানুষ ইংরেজি ভাষার মাধ্যমে লগ ইন করে, ২২ শতাংশ চীনা ভাষা অনুসরণ করে, ৮ শতাংশ স্প্যানিশ, ৬ শতাংশ জাপানিজ এবং ৫ শতাংশ ফ্রেঞ্চ। স্বাভাবিকভাবেই ইংরেজি এই গ্রহের বিজ্ঞান, অর্থনীতি, বাণিজ্য ও বিনোদনের ভাষা। ইংরেজি হলো নাম্বার ওয়ান দ্বিতীয় ভাষা এই গ্রহের। আমরা যেখানেই ভ্রমণ করি না কেন ইংরেজিকে মৌলিক ভাষা হিসেবে পাওয়া যায়। এশিয়াতে, উদাহরণ স্বরূপ যখন ভিয়েতনাম, জাপানিজ এবং চীনারা কোনো মিটিং মিলিত হয় তারা ইংরেজিকে যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে। বর্তমানে প্রায় ৬০০০ ভাষা আছে পৃথিবীতে মানুষ ব্যবহার করে এবং ৯০ শতাংশ ভাষাই আসছে দশকে বিলুপ্ত হয়ে যাবে। মাইকেল ই ক্রাস এর মতে, যিনি আলাক্স বিশ্ববিদ্যালয়ের নেটিভ ল্যাংগুয়েজ সেন্টারের সাবেক অধ্যাপক তার মতে যোগাযোগ প্রযুক্তির বিপ্লব এই প্রক্রিয়াকে আরও ত্বরান্বিত করেছে, যা এমনকি প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছেও ইংরেজি ভাষাকে পৌঁছে দিয়েছে। এছাড়াও এটি তাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করেছে যার মাধ্যমে তাদের সমাজ বৈশ্বিক অর্থনীতির সাথে মিশতে পেরেছে। এভাবে তাদের জীবনমান এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের উত্থান ঘটছে। কিছু মানুষ বিমর্ষ হয়েছেন যে আদি ভাষাগুলো আর ব্যবহৃত হবে না। কিন্তু অন্যদিকে কম্পিউটার বিপ্লব এই ভাষাগুলো হারিয়ে না যাওয়ার গ্যারান্টি দেয়। নেটিভ ব্যক্তিরা তাদের ভাষা তাদের সংস্কৃতি ইন্টারনেটে যুক্ত করতে পারে যার মাধ্যমে তারা চিরকাল থাকবে।
    • আমরা গ্রহকেন্দ্রিক সভ্যতার অর্থনীতি জন্মকে অবলোকন করছি। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক জোট সৃষ্টি টাইপ I অর্থনীতির শুরুকে উপস্থাপন করে। ঐতিহাসিকভাবে, ইউরোপর মানুষজন তাদের প্রতিবেশীর সাথে হাজার বছর ধরে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে লিপ্ত ছিল। এমনকি রোমান সাম্রাজ্যের পতনের পর, এই গোষ্ঠী একজন আরেকজনকে হত্যা করত এবং ইউরোপের যুদ্ধবাজ জাতিতে পরিণত হয়। এখন এই বিদ্রোহী গোষ্ঠীটা একত্রিত হয়ে ইউরোপের ইউনিয়নে যুক্ত হয়। যাকে বিশ্বের সর্ববৃহৎ অর্থনৈতিক কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করে এই গ্রহের। এর কারণ হলো এই জাতিসমূহ নর্থ আমেরিকান ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট (নাফটা) এর মতো পৃথক অর্থনৈতিক শক্তির সাথে প্রতিযোগিতা করে। ভবিষ্যতে আমরা আরও অর্থনৈতিক জোট সৃষ্টি হতে দেখব কারণ জাতিসমূহ অনুধাবন করছে তারা এই ধরনের লাভজনক অর্থনৈতিক জোট গঠন ছাড়া প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারবে না।
      আমরা ২০১৮ সালের অর্থনৈতিক মন্দার তথ্য চিত্র বিশ্লেষণ করে প্রমাণ পাই ওয়াল স্ট্রিট থেকে যে বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছিলো তা লন্ডন, টোকিও, হংকং এবং সিঙ্গাপুরের অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো ছাড়িয়ে পড়েছিলো। বর্তমানে একটি একক জাতির অর্থনীতি বোঝা অসম্ভব পুরো পৃথিবীর অর্থনীতির প্রভাব না বুঝে আমরা গ্রহকেন্দ্রিক সভ্যতার মধ্যবিত্ত শ্রেণির উত্থান লক্ষ্য করছি। চীন, ভারত এবং অন্যান্য অঞ্চলের শত শত মিলিয়ন মানুষ তাদের উন্নয়নে প্রবেশ করছে যা গত অর্ধ শতাব্দীর সবচেয়ে বড় সামাজিক পরিবর্তন। এই গ্রহের এই গ্রুপটি বিশ্বের সংস্কৃতি, শিল্প, এবং অর্থনীতির ট্রেন্ডের উপর প্রভাব ফেলছে। এই মধ্যবিত্ত গ্রুপটির মূল চিন্তা যুদ্ধ, ধর্ম বা নৈতিক বিষয় নয়। বরং রাজনৈতিক এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং ভোগ্যপণ্য বিপণন। তাদের আদর্শিক ও গোত্রগত অনুভূতি তাদের কাছে মুখ্য নয়, বরং তাদের লক্ষ শহরতলিতে একটি বাড়ি এবং দুটো গাড়ি। যেখানে তাদের পূর্বপুরুষেরা তার সন্তান যখন যুদ্ধে যেত তা উদযাপন করত। এখন তাদের মূল উদ্বেগ হলো একটি ভালো কলেজে তার সন্তানকে পড়ানো। এবং ঐ লোকজন যারা অন্য লোকজনের উত্থানকে ঈর্ষার চোখে দেখে। তারা অপেক্ষা করে কখন তাদের সেই উত্থানের সময় আসবে। কে নিচি ওইম, এম কিনাস অ্যান্ড কোম্পানির একজন সাবেক পার্টনার, লেখেন মানুষ তার চারপাশ দেখতে শুরু করেছে এবং জিজ্ঞেস করছে অন্যদের যা আছে তা কেন তাদের নেই। সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কেন তারা অতীতেই এটি অর্জন করতে পারেনি এটি জিজ্ঞেস করছে নিজেকে।“
    • যুদ্ধাস্ত্র নয়, অর্থনীতিই হবে সুপার পাওয়ার হবার নতুন শর্ত। ইইউ এবং নাফটার উত্থান একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে স্পষ্ট করে স্নায়ু বা শীতল যুদ্ধের শেষে, এটি স্পষ্ট একটি পরাশক্তি তার অবস্থান অর্থনীতির মাধ্যমে টিকিয়ে রাখতে পারে। পারমাণবিক যুদ্ধ করা বেশ কঠিন তাই অর্থনীতি জাতিগুলোর শেষ নির্ধারণ করবে। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে পড়ার অন্যতম কারণ হলো অর্থনৈতিক বিপর্যয় বিপর্যয় আমেরিকার সাথে সামরিকভাবে প্রতিযোগিতা করার ক্ষেত্রে (প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগানের উপদেষ্টারা একদা মন্তব্য করেছিলেন আমেরিকার কৌশল হলো রাশিয়াকে মন্দার ভিতরে রাখা যাতে সামরিক ব্যয় বাড়ানো সম্ভব হবে রাশিয়াকে আমেরিকার অর্ধেক অর্থনৈতিক শক্তিতে থেকে নতুবা তাদের জনগণকে না খেয়ে থাকতে হবে।) ভবিষ্যতে এটি স্পষ্ট একটি পরাশক্তির কেবল তার অবস্থান অর্থনীতির মাধ্যমে টিকিয়ে রাখতে সম্ভব হবে এবং তা বিজ্ঞান প্রযুক্তির মাধ্যমেই সম্ভব হবে।
    • একটি গ্রহকেন্দ্রিক সংস্কৃতি সৃষ্টি হয়েছে যার ভিত্তি হলো যুব সংস্কৃতি বা রক অ্যান্ড রোল এবং যুব ফ্যাশন) মুভি (হলিউড ব্লক বাস্টার) উচ্চ ফ্যাশন (লাক্সারী পণ্য) এবং খাদ্য (সাধারণ বাজারে ফাস্ট ফুড চেইন)। তুমি যেথায়ই ভ্রমণ করো তুমি একই ধরনের সংস্কৃতির ট্রেন্ড দেখবে সঙ্গীত, শিল্প এবং ফ্যাশনের ক্ষেত্রে। উদাহরণস্বরূপ হলিউড সতর্কভাবে বৈশ্বিক আবেদন সৃষ্টি করার কথা চিন্তা করে ব্লক বাস্টার সিনেমা নির্মাণ করে। মুভিগুলো বিভিন্ন সাংস্কৃতিক মিলনে (যেমন-একশন ও রোমান্স) সৃষ্টি করা হয়, আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিতি সেলিব্রেটি দিয়ে অভিনয় করানো হয়। এটিই হলো হলিউডের বিশাল টাকার বাজার যা একটি গ্রহকেন্দ্রিক সংস্কৃতি সৃষ্টির হওয়ার প্রমাণক।
      দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর দেখেছি মানব ইতিহাসের ইতিহাসে তরুণদের একটি পুরো প্রজন্ম উল্লেখ করার মতো আয় করছে প্রচলিত সংস্কৃতিকে পরিবর্তিতভাবে উপস্থাপন করে। পূর্বে শিশুরা পিতামাতার সাথে মাঠে। গিয়ে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিত যা তাদের ব্যক্তিত্বে আঘাত করে। এটিই হলো মধ্যযুগে গ্রীষ্মকালীন ছুটি শুরু হওয়ার উৎস কারণ হলো শিশুদের এই সময়ে মাঠে গিয়ে হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করতে হতো তাদের বয়স একটু বাড়লেই। কিন্তু উন্নয়ন অগ্রগতির সাথে সাথে মাঠ ছেড়ে শিশুরা রাস্তায় নেমেছে। আজও আমরা একই দৃশ্য দেখি বিভিন্ন দেশে যেহেতু অর্থনৈতিক উন্নয়ন তরুণ ও যুবকদের ক্ষমতায়ন করেছে উল্লেখযোগ্য আয় করার সুযোগ প্রদানের মাধ্যমে। এভাবে পৃথিবীতে বেশিরভাগ মানুষ মধ্যবৃত্ত শ্রেণিতে প্রবেশ করছে। এই আয় বৃদ্ধি তাদের তারুণ্যকে বদলে দিচ্ছে এবং গ্রহকেন্দ্রিক যুব সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিচ্ছে।
      রক অ্যান্ড রোল, হলিউডের সিনেমা ইত্যাদি প্রকৃতপক্ষে কীভাবে বুদ্ধিভিত্তিক পুঁজিবাদরূপে পণ্যভিত্তিক পুঁজিবাদকে অতিক্রম করছে। রোবট আগামী দশকে আন্তর্জাতিক দশকের শ্রোতার জন্য মিউজিক ও সিনেমা তৈরি করতে সক্ষম হবে। কিন্তু গ্রহকেন্দ্রিক সংস্কৃতির উদ্ভব মানে এই নয় যে, এটি স্থানীয় সংস্কৃতি বা আচার প্রথাকে উপড়ে ফেলবে। বরং মানুষ দ্বিসাংস্কৃতিক হবে। এক দিকে তারা তাদের স্থানীয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ধরে রাখবে (এবং ইন্টারনেট সেই নিশ্চয়তা দিচ্ছে যে তাদের স্থানীয় বা আঞ্চলিক আচার প্রথা বেঁচে থাকবে।)
      উন্নত সাংস্কৃতি বৈচিত্র্যময় বিশ্ব-ভবিষ্যৎকে সমৃদ্ধ করবে। প্রকৃতপক্ষে হারিয়ে যাওয়া আঞ্চলিক সংস্কৃতি ইন্টারনেটের কারণে বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে। সারা বিশ্বে তাদের শ্রোতা দর্শক সৃষ্টি করবে। অন্যদিকে বৈশ্বিক সংস্কৃতির কারণে মানুষ দ্রুত তাদের ট্রেন্ড বদলে ফেলবে। যখন মানুষ ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করবে তা তারা বৈশ্বিক সংস্কৃতি দিয়ে করবে। এটি ইতোমধ্যে সংঘটিত হয়েছে এই গ্রহের এলিট শ্রেণিদের মধ্যে : তার তাদের আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলে তাদের আঞ্চলিক আচার-প্রথাকে মেনে চলে কিন্তু যখন অন্য দেশের লোকজনের সাথে চলাফেরা করে তখন তারা ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করে এবং আন্তর্জাতিক আচার-প্রথা মেনে চলে। এটি হলো আসছে টাইপ I সভ্যতার মডেল। আঞ্চলিক সংহতি বৈশ্বিক সংস্কৃতির সাথে সাথে উন্নত হবে। সহাবস্থান করবে।
    • সংবাদ মাধ্যম ও গ্রহকেন্দ্রিক সভ্যতায় প্রবেশ করবে। স্যাটেলাইট টেলিভিশন, মোবাইল ফোন, ইন্টারনেট ইত্যাদি একটি জাতির জন্য তাদের নিজস্ব সংবাদ নিয়ন্ত্রণ এবং ফিল্টারিং করা অসম্ভব করে দিয়েছে। পৃথিবীর যে প্রান্তের সংবাদ হোক সেন্সরকে অতিক্রম করে যাচ্ছে। যখন যুদ্ধ বা বিপ্লব ঘটে সাথে সাথে তার তাৎক্ষণিক সম্প্রচার হয় বিশ্বজুড়ে। অতীতে, ঊনবিংশ শতাব্দীতে এটি সহজ ছিলো পরাশক্তিগুলোর পক্ষে তাদের ক্ষমতা এবং সংবাদকে নিয়ন্ত্রণ করা। আজও এটি সম্ভব তবে তথ্যপ্রযুক্তির অগ্রগতির কারণে তা কিছুটা কমেছে।। এরপরও শিক্ষার সম্প্রসারণের ফলে বিশ্ব সংবাদের শ্রোতা দর্শক বেড়েছে। রাজনীতিবিদেরা তাদের কর্মকাণ্ড পরিচালনার ক্ষেত্রে বিশ্ব মতামত বিবেচনা করছে।
    • খেলাধুলা যা অতীতে একটি গোত্রকে উপস্থাপন করত, যাতে এর জাতীয় রূপ নেয়। আর এখন তা পুরো গ্রহের বিষয়। সসার এবং অলিম্পিক হলো গ্রহকেন্দ্রিক ক্রীড়ার উদ্ভবকে নিয়ন্ত্রণ করছে। উদাহরণস্বরূপ ২০০৮ সালের অলিম্পিকে, চীন বেশ সুনাম কুড়িয়েছে। যারা যুগ যুগ ধরে তাদের সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডল বিচ্ছিন্নতায় আবদ্ধ রেখেছে। এটি কেইভ ম্যান প্রিন্সিপালে এরও একটি উদাহরণ, যেহেতু খেলাধুলা “হাই টেক” থেকে “হাই টাচ” প্রবেশ করেছে।
    • পরিবেশের ঝুঁকিও গ্রহকেন্দ্রিক স্কেল বিবেচনায় আলোচিত হচ্ছে। জাতিসমূহ বুঝতে পারছে তারা যে দূষণ করছে তা তাদের সীমানা পেরিয়ে যাচ্ছে এবং সে কারণে তারা আন্তর্জাতিক এই সমস্যাকে মোকাবেলা করতে অংশগ্রহণ করতে চান। আমরা প্রথম এটি লক্ষ্য করেছি যখন ওজোনস্তরে বৃহৎ একটি ছিদ্র দেখা যায় দক্ষিণ মেরুতে। কারণ ওজোনস্তর ক্ষতিকর অতিবেগুনি, রশ্মি এবং এক্সরে যা সূর্য থেকে বিকিরিত হয়ে ভূ-পৃষ্ঠে আসতে বাধা দেয়। জাতিসমূহ তাই একত্রে ক্লোরোফ্লোরো কার্বন নির্গমনকারী ফ্রিজ বা যন্ত্রপাতির উৎপাদন কমাতে ও ব্যবহার কমাতে উদ্যোগী হয়েছে। মন্ট্রিল প্রটোকল যা ১৯৮৭ সালে স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং ওজোনস্তরের জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক নির্গমন সাফল্যের সাথে কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে চুক্তিটি। এই আন্তর্জাতিক আন্তর্জাতিক সাফল্যের ধারাবাহিকতায় জাতিসমূহ ১৯৯৭ সালে কিয়োটা প্রটোকল স্বাক্ষর করে বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ কল্পে যা অন্যতম বড় পরিবেশ ঝুঁকি এই গ্রহের জন্য।
    • পর্যটন এই গ্রহের অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল একটি শিল্প। মানব ইতিহাসের ক্ষেত্রে এটি নৈমিত্তিক ঘটনা মানুষের জন্য তারা চায় তারা যেখানে জন্মগ্রহণ করেছে সেখান থেকে কিছুটা দূরে কোথাও বেড়িয়ে আসতে। এটি এক সময় উদ্ধৃত নেতাদের পক্ষে তাদের তেমন জনগণকে নিয়ন্ত্রণ করা সহজ ছিলো- যাদের কারও সাথে কোনো যোগাযোগ ছিলো না। কিন্তু এখন, মোটামুটি খরচেই একজন ব্যক্তি পৃথিবীর যেকোনো জায়গায় যেতে পারে। পিছনে ঝোলাব্যাগ সহ আজকের তরুণ যারা হোস্টেলে স্বল্প বাজেটে জীবন যাপন করে তারা আগামী দিনের নেতা হচ্ছে।
      কিছু মানুষ একটি বিষয় উল্লেখ করে নেগেটিভ চিন্তা করে যে পর্যটকদের খুব কমই বুঝতে চেষ্টা করেন স্থানীয় সংস্কৃতি, ইতিহাস এবং রাজনীতি নিয়ে। কিন্তু আমাদের অতীতকে অতিক্রম করতে হবে— যখন দূরবর্তী কোনো সংস্কৃতির সাথে সংযোগ স্থাপন যার বেশিরভাগ অস্তিত্বহীন, যুদ্ধের সময় ছাড়া অন্য সময়েও এমন সম্পর্ক করুণ ফল প্রকাশ করে।
    • একইরূপে, আন্তঃমহাদেশ ভ্রমণের খরচ কমে যাওয়া বিভিন্ন ধরনের মানুষের সাথে যোগাযোগের সুযোগ করে দিয়েছে- যা যুদ্ধকে কঠিন করে দিয়েছে জীবিকার চেয়ে এবং গণতান্ত্রিক আদর্শকে ছাড়িয়ে দিয়েছে। অন্যতম একটি প্রভাবক হলো বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতার উদ্ভব সাধারণত ভুল বোঝাবুঝি থেকে হয়। সাধারণত, এটি বেশ কঠিন একটি জাতির পক্ষে যুদ্ধ করা যে জাতির সাথে তুমি নিবিড়ভাবে পরিচিত।
      যুদ্ধে চরিত্র পরিবর্তিত হওয়াটি নিজেই একটি নতুন বাস্তবতা প্রকাশ করে। ইতিহাস বলে দুটো গণতান্ত্রিক জাতির মধ্যে যুদ্ধ সংঘটিত হতে পারে না বললেই চলে। দেখা যায় অতীতের প্রায় সব যুদ্ধ অগণতান্ত্রিক রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে সংঘটিত হয়েছে অথবা গণতান্ত্রিক ও অগণতান্ত্রিক জাতিসমূহের মধ্যে। সাধারণত, যুদ্ধ জ্বর সহজেই ভ্রান্ত নেতাদের মাধ্যমে শুরু হয় যারা শত্রুদের ভয় দেখাতে চায়। কিন্তু গণতন্ত্রে সংবাদ মাধ্যমের সজাগ দৃষ্টি, বিরোধী দলসমূহ, এবং শান্তিপ্রিয় মধ্যবিত্ত জনগোষ্ঠী যারা যুদ্ধ হলে সব হারিয়ে ফেলতে পারে, ওদের কারণে যুদ্ধ করার চিন্তা কঠিন হয়ে যায়। এটি তখনই কঠিন হয় যুদ্ধকে দূর করা- যখন সংবাদপত্রগুলো বিভ্রান্ত থাকা এবং যখন কোনো মা চায় তার সন্তানেরা যুদ্ধে যাক।
      তবুও ভবিষ্যতে যুদ্ধ থাকবে। একজন পার্সিয়ান সামরিক তাত্ত্বিক কার্ল ভন ক্লাসোভিজ এক সময় বলেছিলেন, “যুদ্ধ আসলে রাজনীতি যাই বলা হোক।” যদিও আমরা এখনও যুদ্ধ দেখছি তবে সেগুলোর প্রকৃতি গণতন্ত্রের বিকাশের সাথে সাথে পরিবর্তিত হবে বিশ্বজুড়েই।
      (এখানে আরেকটি কারণ আছে যার জন্য যুদ্ধ এখন কঠিন বিষয় কারণ মানুষের হাতে এখন অনেক সম্পদ, তারা সেগুলো হারাতে চায় না। রাজনীতিক তাত্ত্বিক এডওয়ার্ড লুতওয়ার্ক লিখেছেন যে- যুদ্ধ এখন খুবই কঠিন একটি বিষয় কারণ পরিবারগুলোর আকার ছোট। অতীতে, গড়ে এক পরিবারে দশজন বা কম-বেশি লোকজন ছিলো, বড়জনে বংশগতভাবে সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হতো তখন বাকি ভাই বোনরা চার্চ, বা সেনাবাহিনী বা অন্য কোথাও তাদের ভাগ্যের খোঁজে বের হতো। এখন, সাধারণ একটি পরিবারে, গড়ে ১.৫০ সন্তান রয়েছে। সন্তানের আধিক্য নেই যে তারা সেনাবাহিনী বা ব্রহ্মচর্য বেছে নেবে। তাই যুদ্ধ বেশ কঠিন বিষয় হয়ে পড়ছে বিশেষ করে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও তৃতীয় বিশ্বের গেরিলা যোদ্ধাদের জন্য।
    • জাতিগুলো দুর্বল হয়েছে ঠিক, তবে ২১০০ সালে কি অস্তিত্ব থাকবে? আইন প্রণয়ন এবং স্থানীয় সমস্যাগুলো মেটাতে এখনও তাদের প্রয়োজন রয়েছে। যা হোক, তাদের শত্রু ও প্রভাব বিশালভাবে দুর্বল হয়ে পড়বে ধীরে ধীরে যেহেতু অর্থনীতির গতি এখন আঞ্চলিক থেকে বৈশ্বিকমুখী। উদাহরণস্বরূপ, ১৭০০ সালের শেষের দশকে এবং ১৮০০ সালের দশকে পুঁজিবাদের উত্থানের সাথে সাথে জাতিগুলোকে যৌথভাবে একক মুদ্রা, একটি ভাষায় সমন্বয় করতে হয়েছে, কর আইন সমূহ এবং ব্যবসা পরিচালনার নীতি সমূহ এবং সত্ত্বসমূহকেও সমন্বয় করতে হয়েছে। গোত্রকেন্দ্রিক আইন ও ঐতিহ্য যা মুক্ত বাণিজ্য মুক্ত বাজার অর্থনীতি দ্বারা বাধাগ্রস্ত হয়েছে জাতীয় সরকারসমূহের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। সাধারণত, এই প্রক্রিয়া এক শতক সময় নিয়েছে বা কম বেশি, কিন্তু আমরা দেখেছি এটির উন্নত সংস্করণ অটো বন বিসমার্ক, আয়রন চ্যান্সেলর, আধুনিক জার্মান রাষ্ট্রকে ১৮৭১ সালে সৃষ্টি করেছে।
      একইভাবে, টাইপ I সভ্যতার দিকে এই গতি পুঁজিবাদের প্রকৃতিকে পরিবর্তিত করে দিবে এবং অর্থনৈতিক শক্তি ক্রমাগত জাতীয় সরকারের কাছ থেকে অর্থনৈতিক শক্তি ও ব্লকসমূহের হাতে যাচ্ছে।
      এটির মানে এই নয় একটি মাত্র সরকার থাকবে বিশ্বব্যাপী- এক বিশ্ব সরকার। নানাভাবে একটি গ্রহকেন্দ্রিক সভ্যতা বিরাজ করতে পারে। এটি স্পষ্ট, জাতীয় সরকারসমূহ তাদের ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে হারাবে কিন্তু এই সাম্যতা কী দ্বারা পূরণ হবে তা বিভিন্ন ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও জাতীয় ট্রেন্ডের উপর নির্ভর করে যা পূর্ব ধারণা করা কঠিন।
    • রোগ নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম গ্রহকেন্দ্রিকভাবে হবে। আদিম অতীতে, ভয়ঙ্কর রোগসমূহ প্রকৃতপক্ষে অতটা ক্ষতিকর ছিলো না, কারণ তখন জনসংখ্যা খুব কম ছিলো। উদাহরণস্বরূপ অনিরাময় যোগ্য ইবোলা ভাইরাস সম্ভবত একটি আদিম রোগ যা কয়েকটি গ্রামে আক্রমণ করেছিলো কয়েক হাজার বছর আগে। কিন্তু সভ্যতার দ্রুত সম্প্রসারণের ফলে পূর্বের আবাসযোগ্য অঞ্চলসমূহে শহরগুলো গড়ে ওঠে যার মানে হলো ইবোলার মতো ভাইরাসকে সতর্কভাবে মনিটরিং করতে হবে।
      যখন শহরের জনগোষ্ঠীর কয়েক হাজার লোক এক মিলিয়ন হবে, রোগসমূহ দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং অতিকার মহামারীর রূপ নিতে পারে। প্রকৃতপক্ষে কালো প্লেগ সম্ভবত প্রায় অর্ধেক ইউরোপীয়ান জনগোষ্ঠীকে মেরে ফেলেছিলো, বিপরীত তথ্য হলো, জনসংখ্যা প্রচণ্ড ঘনবসতিপূর্ণ হয়েছে যা মহামারি বা শিপিং রূপের কারণে পৃথিবীর সমস্ত আদিম শহরগুলোর সাথে মুক্ত হয়ে পড়েছে।
      সম্প্রতি H1N1 ফ্লু এর ছড়িয়ে পড়া আমাদের অগ্রগতিকে পরিমাপ করে। সম্ভবত মেক্সিকোতে শহর থেকে এই ফ্লু উৎপত্তি লাভ করে জেট বিমান ভ্রমণের কারণে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছিলো। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এটি মাত্র কয়েক মাসে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মানুষের কাছে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসটির জিন সিকোয়েন্স তৈরি করে টিকা আবিষ্কৃত হয় এবং টিকাটি কয়েক মিলিয়ন মানুষের হাতের নাগালে চলে আসে।

    সন্ত্রাসবাদ এবং একনায়কতন্ত্র

    একটি গোষ্ঠী আছে যারা টাইপ I গ্রহকেন্দ্রিক সভ্যতার পথে স্পষ্ট বাধা, কারণ তারা জানে এটি একটি প্রগতিশীল, মুক্ত, বিজ্ঞানসম্মত, উন্নত এবং শিক্ষিত সভ্যতা। এই গোষ্ঠী বা শক্তিগুলো হয়তো সচেতন নয় এই বাস্তবতা নিয়ে বা এটিকে সমন্বিত করতে পারে না কিন্তু তারা টাইপ I সভ্যতার বিপক্ষে লড়ে যেতে ভূমিকা রাখছে। এগুলো হলো :

    • ইসলামিক সন্ত্রাসবাদী যারা এক শতাব্দী পিছিয়ে যেতে চায়। একাদশ শতাব্দীতে, একবিংশ শতাব্দীতে বাস করার চেয়ে। তারা বর্তমান হালচালের সাথে সমন্বয় করতে পারে না কিন্তু আবার বিচার করে নিজেদের তথ্য দিয়ে, তারা ধর্মতন্ত্রে বাস করতে পছন্দ করে যেখানে বিজ্ঞান জাতিগত সম্পর্ক এবং রাজনীতি সবকিছুই ধর্মীয় কঠোর বিধিনিষেধ দ্বারা পরিচালিত। (তারা ভুলে যায়, ঐতিহাসিকভাবে, ইসলামিক সভ্যতা কেবলমাত্র মহৎ এবং বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত শক্তির সাথে মানানসই নতুন আইডিয়াসমূহের প্রতি সহিষ্ণুতা প্রদর্শনের মাধ্যমে। এই সন্ত্রাসীরা সত্যিকার অর্থে জানে না অতীতের ইসলামের শিখরে পৌঁছানোর মূল উৎস কী ছিলো?)
    • একনায়কতন্ত্র যা মূলত তাদের জনগণকে পৃথিবীর সম্পদ ও উন্নয়ন সম্পর্কে অজ্ঞ রাখার উপর টিকে থাকে। একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো ২০০৯ সালে ইরানে যে গণবিদ্রোহ হয়েছিলো, তখন ইরানের সরকার তাদের জনগণকে টুইটার ও ইউটিউবের মাধ্যমে যাতে বার্তা প্রদান বা ভিডিও না প্রদর্শন করতে পারে তার জন্য কড়াকড়ি আরোপ করেছিলো।
      অতীতে, মানুষ বলত,- তরবারির চেয়ে কলম শক্তিশালী ভবিষ্যতে বলবে, চিপ তরবারির চেয়ে শক্তিশালী।
      অন্যতম একটি কারণ হলো— উভয় কোরিয়ার জনগণ খুবই দারিদ্র্যপীড়িত জনগোষ্ঠী। কোনো বিদ্রোহ নেই কারণ তারা বিশ্বের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন- তাদের জনগণ বিশ্বাস করে তারা না খেয়ে থাকবে। এছাড়া তারা তাদের ভাগ্যকে মেনে নেয়াকে বুঝতে পারে না- ভয়ঙ্কর রকম ধৈর্য্যের মধ্য দিয়ে

    টাইপ II সভ্যতা

    যখন সমাজ টাইপ II সভ্যতায় পৌঁছাবে হাজার হাজার বছর চলে যাবে-এটি অমর সভ্যতার মতো। বিজ্ঞানের কিছুই জানা নেই টাইপ || সভ্যতাকে ধ্বংস করার। যেহেতু এটির থাকবে দীর্ঘকালীন দক্ষ সম্পদশালীতা, বরফ যুগ এড়িয়ে যাওয়া বা পরিবর্তন করার ক্ষমতা। উল্কা বা ধূমকেতুর পথকে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে। এমনকি যদি তাদের সূর্য সুপার নোভায় পরিণত হয়, তখন তাদের জনগণ অন্য সৌরজগতে প্রবেশ করবে এবং সম্ভবত তাদের গ্রহকে বিস্ফোরণ প্রতিহত করবে। (উদাহরণস্বরূপ যদি তাদের সূর্য রক্তিম দৈত্যে পরিণত হয় তারা এস্টেরয়েড ঘুরিয়ে দেবে তাদের গ্রহের চারপাশে একটি নিক্ষেপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে সূর্য থেকে তাদের গ্রহকে দূরে সরিয়ে রাখবে।

    এই উপায়ে টাইপ II সভ্যতা তাদের প্রয়োজনীয় শক্তি যোগ্যতা একটি তারার বহিঃনির্গমন শক্তি ব্যবহার করে এক দৈত্যাকার গোলক বানিয়ে নিয়ে সব সূর্যালোক শোষণ করার জন্য। এটিকে বলা হয় ডাইসন গোলক।

    একটি টাইপ II সভ্যতা সম্ভবত নিজেই শক্তিময় হবে। যেহেতু মহাশূন্য ভ্রমণ কঠিন কাজ, এটি টাইপ I সভ্যতায় থাকবে কয়েক শতাব্দী ধরে। প্রচুর সময় থাকবে তাদের সভ্যতাকে সমাজে বিভক্ত করতে। এই সময়ের মধ্যে টাইপ I সভ্যতা টাইপ II সভ্যতায় পৌঁছে যাবে তারা তাদের নিজস্ব সৌরজগতের কলোনিই থাকবে না বরং পাশের গ্রহসমূহে, সম্ভবত যার দূরত্ব হবে কয়েকশত আলোকবর্ষ কিন্তু তার বেশি নয়। তারা আলোর বেগকেও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে।

    টাইপ III সভ্যতা

    যখন একটি সভ্যতা টাইপ III সভ্যতায় পৌঁছাবে, তখন গ্যালাক্সির বেশিরভাগই জানা থাকবে। শত শত বিলিয়ন গ্রহে ভ্রমণ করা সম্ভব হবে স্বপ্রতিবিম্ব রোবট পাঠানোর মাধ্যমে যা পুরো গ্যালাক্সিটিকে খুঁজে দেখবে। একটি ভন নিউম্যান প্রোব একটি রোবট যেটি নিজেই অসংখ্য প্রতিলিপি তৈরি করতে সক্ষম। এটি চন্দ্রে অবস্থান করবে (যেহেতু রোবটটি মরিচা বা ক্ষয় হওয়া থেকে মুক্ত) এবং এটি চাঁদের ময়লা দিয়ে একটি ফ্যাক্টরি তৈরি করবে যা এটি নিজেই হাজার হাজার কপি করবে। প্রতি কপি রকেট দূরের অন্য তারকা জগতে প্রবেশ করবে এবং আরও হাজার হাজার কপি সৃষ্টি করবে। এমন একটি প্রোব শুরু করার মাধ্যমে, আমরা দ্রুত ট্রিলিয়ন গোলকের তৈরি করতে পারব এই স্বপ্রতিলিপি যেগুলো আলোর গতির কাছাকাছি হবে। পুরো মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিকে ১,০০,০০০ বছরে নকশা করে ফেলবে। যেহেতু মহাবিশ্ব ১৩.৭ বিলিয়ন বছরের পুরনো তাই এই সভ্যতায় প্রচুর সময় থাকবে তার উত্থানের বা পতনের। (এই দ্রুত, জ্যামিতিক বৃদ্ধি তেমন কলাকৌশল যেমন করে আমাদের শরীরে ভাইরাসগুলো ছড়িয়ে পড়ে।)

    আরও দেখুন
    লিখন
    লেখা
    মুদিখানা
    যোগাযোগের
    বিজ্ঞানের
    মাঠ
    ফাইন্যান্সিয়াল সফ্টওয়্যার
    বিজ্ঞান
    যোগাযোগ
    কম্পিউটার

    এখানে অন্য একটি সম্ভাবনা আছে, যাহোক, যে সময়টিতে একটি সভ্যতা টাইপ III তে পৌঁছে যাবে। তাদের জনগণের প্রচুর শক্তির উৎস থাকবে- যেমন “প্ল্যাংক শক্তি” অথবা ১০১৯ বিলিয়ন ইলেকট্রন ভোল্ট, যা সেই পরিমাণ শক্তি যাতে স্থান-কাল অনিমেই অস্থিতিশীল হয়ে যায়। (প্ল্যাংক শক্তি হলো জেনেভার নিকটে অবস্থিত আমাদের সর্ববৃহৎ পারমাণবিক চুল্লি থেকে উৎপাদিত শক্তির চেয়ে এক কোয়াড্রিলিয়ন গুণ বেশি। এটি ঐ পরিমাণ শক্তি যে কারণে আইনস্টাইনের মহাকর্ষ সূত্র ভেঙ্গে পড়ে। এই শক্তিতে তত্ত্বগতভাবে স্থান-কাল ধ্বংস হয়ে যায় খুব ক্ষুদ্র পোর্টাল তৈরি করে যা অন্য মহাবিশ্বের স্থানান্তরের কারণ বা স্থান-কালের অন্য কোনো জায়গায়।) এই শক্তিকে নিয়ন্ত্রণ করতে মহাকার যন্ত্রের দরকার যা অকল্পনীয় স্কেলের কিন্তু যদি সফল হওয়া যায় তবে তারা সম্ভাব্য শর্টকাট তৈরি করবে স্থান-কালের, হয় স্থানকে সংকুচিত করে বা ওয়ার্ম হোলের ভিতর দিয়ে গমন করে। ধারণা করা হয়, তার একগুচ্ছ ঔধ্বত্যপূর্ণ তত্ত্বগত ও বাস্তব বাধা অতিক্রম করবে (যেমন যথেষ্ট পরিমাণ ধনাত্বক এবং ঋণাত্বক শক্তি বশ করা এবং অস্থিতিশীলতা দূর করা) এটি ধারণা করা হয় যে তারা পুরো গ্যালাক্সি জুড়ে তাদের কলোনি স্থাপন করতে সক্ষম হবে।

    এটি মানুষের মধ্যে প্রশ্ন জাগায় তারা কেন আমাদের গ্রহে ভিজিট করতে আসল। তারা কোথায়? সমালোচকের জিজ্ঞেস করে থাকেন।

    আরও দেখুন
    যোগাযোগ
    ফাইন্যান্সিয়াল সফ্টওয়্যার
    লিখন
    বৈজ্ঞানিক
    মুদিখানা
    গণিত
    লেখা
    বিজ্ঞান
    কম্পিউটার
    কম্পিউটারের

    একটি উত্তর হতে পারে- তারা ইতোমধ্যে বিদ্যমান তবে আমরা দেখতে অসমর্থ। স্বপ্রতিলিপি কারক ভন নিউমান প্রোব সম্ভবত সবচেয়ে ভালো বাস্তব উপায় গ্যালাক্সির সন্ধান করতে। এবং তারা খুব বেশি পরিমাণ নেই। তারা সম্ভবত কয়েক ইঞ্চি হবে দৈর্ঘ্যে ন্যানো টেনলজির অগ্রগতির কারণে। তার সম্ভব সমতল আকারের হবে কিন্তু আমরা শনাক্ত করতে সক্ষম নই কারণ আমরা ভুল জিনিস খুঁজে বেড়াচ্ছি। আশা করছি একটি বিশাল স্পেস শিপ নিয়ে এলিয়েন চলাফেরা করে দূর আকাশে। এছাড়াও এমনও হতে পারে, প্রোবটি পুরোপুরি স্বয়ংক্রিয়, আংশিক জৈবিক এবং আংশিক ইলেকট্রনিক এবং আদৌ কোন এলিয়েন ধারণ করে না। এবং যখন আমরা মহাকাশের এলিয়েনের সাথে সাক্ষাৎ করব আমরা আশ্চর্য হয়ে যাব কারণ তারা পূর্বেই তাদের জৈবিক অবস্থা পরিবর্তন করে ফেলেছে রোবোটিস ন্যানোটেকনোলজি বা বায়োটেকনোলজির মাধ্যমে।

    অন্য সম্ভাবনাটি হলো— তারা নিজেরাই আত্মবিনাশী। যেভাবে আমরা উল্লেখ করেছি টাইপ O থেকে টাইপ I সভ্যাতায় পৌঁছানো বেশ ভয়ঙ্কর ব্যাপার। যেহেতু আমাদের এখনও বর্বরতা, মৌলবাদ, বর্ণবাদ এবং ইত্যাদি আছে যেমন অতীতে ছিলো। এটি একদিন সম্ভব যখন আমরা বিভিন্ন গ্রহে ভ্রমণ করব। আমরা টাইপ O থেকে টাইপ I সভ্যতায় পৌছানোর ব্যর্থতার কারণ বা প্রমাণ খুঁজে পাব উদাহরণস্বরূপ, তাদের আবহাওয়ায় সম্ভব খুব উত্তপ্ত হবে না খুবই তেজস্ক্রিয়তা সম্পন্ন হবে যা জীবনকে সমর্থন করে।

    এস ই টি আই (পৃথিবীর বাইরে বুদ্ধিমত্তার খোঁজে)

    বর্তমান সময়ে পৃথিবীর মানুষ টাইপ I সভ্যতার যাত্রা করা সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে সচেতন নয়। এখানে কোনো সমন্বিত ব্যক্তিক সচেতনতা নেই এই পরিবর্তনের ইতিহাস সম্পর্কে। যদি তুমি জরিপ করো কিছু মানুষ বর্তমান বিশ্বায়ন নিয়ে হয়তো সচেতন কিন্তু এর বাইরে কোনো ধারণা নেই যে নির্দিষ্ট গন্তব্যের দিকে আমরা অগ্রসর হচ্ছি তা নিয়ে।

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞানের
    গণিত
    লিখন
    যোগাযোগ
    বিজ্ঞান
    মাঠ
    লেখা
    কম্পিউটার
    যোগাযোগের
    বৈজ্ঞানিক

    এসবই হঠাৎ পরিবর্তন হয়ে যাবে যদি আমরা আমাদের বাইরে কোথাও বুদ্ধিমান প্রাণীর খোঁজ পাই। আর আমরা তাৎক্ষণিক প্রযুক্তিগত স্তর নিয়ে সচেতন হয়ে পড়ব এলিয়েনদের সভ্যতার সাথে তুলনা করে। কিছু বিজ্ঞানী অবশ্য বেশ আগ্রহী এলিয়েনারা কোন ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাদের সভ্যতাকে আয়ত্তে নিয়েছে। যদিও কেউ নিশ্চিত করে জানাত না, সম্ভবত এই শতাব্দীতে আমরা মহাকাশে এমন একটি উন্নত সভ্যতার সন্ধান পেতে পারি, যা আমাদের প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির কারণে।

    দুটি ট্রেন্ড এটিকে সম্ভব করতে পারে। প্রথমটি হলো এমন বিশেষ স্যাটেলাইট তৈরি করা যা ক্ষুদ্র, সৌরজগতের বাইরের গ্রহ, করোট এবং কেপনার স্যাটেলাইট খুঁজবে। কেপলার ধারণা করেছেন ৬০০ ছোট, পৃথিবীর মতো গ্রহ শনাক্ত করা সম্ভব এই মহাকাশে। এক সময় এই গ্রহগুলো শনাক্তকরণ করা হবে, তার পরবর্তী ধাপ হবে এগুলোর মধ্যে কোনো বুদ্ধিমান বিকিরণ হয় কিনা এই গ্রহগুলো থেকে।

    ২০০১ সালে, মাইক্রোসফট এর বিলিয়নিয়ার পল এলেন একটি অনুদান প্রদান শুরু করেন যা বর্তমানে ৩০ মিলিয়ন ডলারের বেশি, SETI প্রোগ্রাম চালু করার জন্য। এটি সান ফ্রানসিসকো শহরের একটু দূরে (হাই ক্রিক ইনসটালেশান) যা প্রচুর তেজস্ক্রিয় টেলিস্কোপ বৃদ্ধি করেছে। এলেন টেলিস্কোপ অ্যারে যাখন পুরোপুরি কাজ করতে শুরু করবে তখন ৩৫০টি তেজস্ক্রিয় টেলিস্কোপ থাকবে। এই বিশ্বে বেশ উন্নত রেডিও টেলিস্কোপ তৈরি করাকে সহজ করে দেবে। যেমন অতীতে মহাকাশ বিজ্ঞানীরা ১০০০ থেকে কয়েক মিলিয়ন গুণ গ্রহকে স্ক্যান করতে পারবেন।

    যদিও বিজ্ঞানীরা প্রায় পঞ্চাশ বছর ধরে উন্নত সভ্যতার সিগনালব্যস অনুসন্ধান করেছেন, সম্প্রতি মাত্র দুটি অগ্রগতি যা SETI প্রোগ্রামকে ত্বরান্বিত করতে প্রয়োজন হবে। অনেক মহাকাশ বিজ্ঞানী মনে করেন এই গ্রহটির জন্য খুব কমই শক্তি ব্যয় করা হয় বা খুব কম তথ্য-উপাত্ত রয়েছে। এই নতুন তথ্য উপাত্ত এবং নতুন সামর্থ্য SETI প্রোগ্রামকে একটি সিরিয়াস বৈজ্ঞানিক প্রজেক্টে রূপ দেবে।

    এটি বোঝা যায়, এই শতাব্দীতে আমরা মহাকাশে অন্য গ্রহ থেকে কোনো বুদ্ধিমান সভ্যতার সিগন্যাল খুঁজে পাব। (সিথ শোসটাক, যিনি SETI এর যে এরিয়ার পরিচালক, আমাকে বলেছিলেন বিশ বছরের মধ্যে তিনি এমন একটি সভ্যতার সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে সক্ষম হবেন। এটি খুবই আশাবাদী চিন্তা, কিন্তু এটি বলা নিরাপদ এই শতাব্দীতে যদি আমরা বহিঃ আকাশে কোনো বুদ্ধিমান সভ্যতা খুঁজে না পাই তা বেশ অদ্ভুত মনে হবে।)

    যদি সিগনাল খুঁজে পাওয়া যায় কোনো উন্নত সভ্যতা থেকে। এটি মানব ইতিহাসের অন্যতম মাইলফলক হবে। হলিউডের মুভিগুলো এই ক্ষেত্রে বিশৃঙ্খলা প্রদর্শন করতে পছন্দ করে এই বলে যে এই ঘটনা বা প্ৰকল্প কখনো শেষ হবে না। ভবিষ্যদ্বাণী করে এর শেষ কাছেই আছে। বিভিন্ন উগ্র ধর্মীয় গোত্রের সময় শেষ, ইত্যাদি, ইত্যাদি।

    যাহোক, বাস্তবতা কিন্তু খুবই সাধারণ। এত তাড়াতাড়ি আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই যেহেতু এই ধরনের সভ্যতা এখনো জানে না যে আমরা তাদের কথোপকথন শোনার জন্য কান পেতে আছি। এবং যদি তা হয় তবে তাদের এবং আমাদের সরাসরি কথোপকথন বেশ কঠিন হবে। তাদের থেকে আমাদের বিশাল দূরত্ব রয়েছে। প্রথমত, এটি সম্ভবত কয়েক মাস থেকে কয়েক বছর লাগবে পুরোপুরি তাদের বার্তার মানে উদ্ধার করতে। এবং তারপর তাদের সভ্যতার প্রযুক্তিগত র‍্যাংকিং করতে হবে। এটি কার্দশেভ এর শ্রেণিবিন্যাসের সাথে খাপ খায় কিনা? দ্বিতীয়ত, তাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ সম্ভবত সহজ হবে না, যেহেতু তাদের এই সভ্যতা কয়েক আলোকবর্ষ দূরে। এতটাই দূরে সরাসরি কোনো কথোপকথন সম্ভব নয়। সুতরাং আমরা কেবল তাদের সভ্যতাকে পর্যবেক্ষণ করতে সক্ষম হব তাদের সাথে কোনো কথোপকখন ছাড়া। এখানে একটি কাজ করা যেতে পারে বিশাল একটি রেডিও ট্রান্সমিটার স্থাপন করে যা এলিয়েনদের কাছে ফেরত বার্তা পাঠাবে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে, এটি কয়েক শতাব্দী সময় নেবে এই ধরনের সভ্যতার সাথে দ্বিমাত্রিক মুখোমুখি যোগাযোগ স্থাপন করতে।

    নতুন শ্রেণিবিন্যাস

    ১৯৬০ এর দিকে কার্দাশেভ এর শ্রেণিবিন্যাসের সূচনা হয়। যখন পদার্থ বিজ্ঞানীরা শক্তির উৎপাদন নিয়ে বেশ চিন্তিত ছিলেন। যা হোক, কম্পিউটার শক্তির উত্থান তথ্যপ্রযুক্তির বিপ্লবের দিকে নজর চলে যায়, যখন সভ্যতার প্রয়োগকৃত বিশেষ সংখ্যার সাথে তার শক্তি উৎপাদন সম্পর্কিত।

    উদাহরণস্বরূপ একজন কল্পনা করতে পারেন- একটি এলিয়েন সভ্যতায় একটি গ্রহের যেখানে কম্পিউটার কার্যকর থাকা অসম্ভব কারণ তাদের আবহাওয়া মণ্ডল তড়িৎবাহী। এই ক্ষেত্রে, যেকোনো একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস সহজে শর্ট সার্কিটে পরিণত হতে পারে, স্পার্ক সৃষ্টি করতে পারে তাই একমাত্র আদিম ইলেকট্রনিক প্রযুক্তিগুলো ব্যবহার সম্ভব।

    একটি বৃহৎ আকারে ডাইনামো বা কম্পিউটার দ্রুত পুড়ে যাবে। আমরা এমন একটি সভ্যতা কল্পনা করতে পারি যারা জীবাশ্ম জ্বালানি বা আণবিক শক্তি ব্যবহার করতে শিখেছে কিন্তু তাদের সমাজ বিশাল তথ্য প্রক্রিয়াজাত করতে অক্ষম। এটি তাদের জন্য কঠিন-ইন্টারনেট তৈরি বা একটি গ্রহকেন্দ্রিক তথ্যযোগাযোগ ব্যবস্থা। তাই তাদের অর্থনীতি বা বিজ্ঞানের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হবে। যদিও তারা কার্দাশেভ এর স্কেলে পৌঁছাতে পারে, কম্পিউটার ছাড়া এটি ধীর গতি ও কষ্টকর হবে।

    তাই কার্ল সাগান অন্য একটি স্কেল সূচনা করেন যার ভিত্তি হলো তথ্য প্রক্রিয়াকরণ। তিনি একটি সিস্টেম উদ্ভাবন করেন যা কিছু অক্ষর দিয়ে সাজানো এ থেকে জেড পর্যন্ত তথ্যপ্রযুক্তির সাথে সম্পর্কিত। একটি এ টাইপ সভ্যতা হলো- যা এক মিলিয়ন তথ্যকে প্রক্রিয়া করতে পারে যা এমন এটি সভ্যতাকে উপস্থাপন করে যার মৌখিক ভাষা আছে কিন্তু কোনো লিখিত ভাষা নেই। যদি আমরা আদিম গ্রিক থেকে বেঁচে থাকা সব তথ্যকে সংকলিত করতে পারি যা একটি লিখিত ভাষাকে এবং সাহিত্যকে জন্ম দিয়েছে— এটি তথ্যের এক বিলিয়ন বিট হবে—যা একটি টাইপ সি সভ্যতা। এই স্কেলের উপরের দিকে পৌঁছে আমরা আমাদের সভ্যতার দ্বারা প্রক্রিয়াজাত তথ্যের পরিমাণ জানতে পারি। একজন শিক্ষিত মানুষ আমাদেরকে টাইপ এইচ সভ্যতায় অনুমান করতে পারেন। তাই, শক্তি এবং তথ্যপ্রযুক্তি মিলে আমাদের সভ্যতার র‍্যাংকিং ০.৭ এইচ সভ্যতা।

    সম্প্রতি বছরগুলোতে আরেকটি চিন্তার উদ্রেক করেছে- দূষণ এবং বর্জ্য। শক্তি এবং তথ্যপ্রযুক্তি একটি সভ্যতার র‍্যাংকিংয়ের জন্য যথেষ্ট নয়। প্রকৃতপক্ষে, একটি সভ্যতা যত বেশি শক্তি ব্যবহার করে এবং যত বেশি তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে-তা তত বেশি দূষণ এবং আবর্জনা সৃষ্টি করে। এটি কোনো অ্যাকাডেমিক প্রশ্ন নয়, যেহেতু টাইপ। অথবা টাইপ। সভ্যতা থেকে সৃষ্ট আবর্জনা যথেষ্ট এটিকে ধ্বংস করে দিতে।

    একটি টাইপ। সভ্যতা, উদাহরণস্বরূপ, একটি তারা থেকে উৎপাদিত সমস্ত শক্তি ব্যবহার করে। বলা যেতে পারে যদি এটির ব্যবহৃত যন্ত্ৰসমূহ ৫০ শতাংশ দক্ষ হয়, এর মানে হলো এর অর্ধেক বর্জ্য তাপ হিসেবে নির্গত হবে। এটি একটি সম্ভাব্য বিপর্যয়, কারণ এর মানে হলো গ্রহটির তাপমাত্রা বাড়তেই থাকবে যতক্ষণ না গ্রহটির গলিত রূপ নেয়। বিলিয়ন বিলিয়ন কয়লা তাপ বিদ্যুৎ উৎপন্ন কেন্দ্র চিন্তা করা যেতে পারে এখন একটি গ্রহে, যা প্রচুর পরিমাণে তাপ ও গ্যাস নির্গমন করে যা গ্রহটিতে কোনো জীবন বেঁচে থাকাকে অসম্ভব করে তোলে।

    ফ্রিমান ডাইসন, প্রকৃতপক্ষে, এক সময় মহাকাশে একটি টাইপ। সভ্যতা সন্ধান করতে গিয়ে প্রথমত অবলোহিত রশ্মির বিকিরণ অনুসন্ধান করেন, এক্সরে বা দৃশ্যমান আলো অনুসন্ধান করার পরিবর্তে। এর কারণ হলো টাইপ সভ্যতা যদি তাদের উপস্থিতিকে তার সন্ধানকারী লোকজনের থেকে লুকাতে চায় তবে তারা তাদের চারপাশে একটি গোলক বৃত্ত সৃষ্টি করতে পারে— যা তাদের তাপ বর্জ্য যথেষ্ট উৎপাদনের কারণ হতে পারে এবং অবলোহিত রশ্মির বিকিরণ সৃষ্টি হতে পারে। তাই তিনি মহাকাশ বিজ্ঞানীদেরকে গ্রহগুলো সন্ধানে অবলোহিত বিকিরণ খুঁজতে পরামর্শ দিয়েছেন (যা হোক, এমন কোনো কিছু পাওয়া যায়নি

    এটি যেকোনো সভ্যতার আশঙ্কার উদ্রেক ঘটায় যদি এটি অনিয়ন্ত্রিত শক্তি উৎপাদন করে যা আত্মহত্যার শামিল। তাই আমরা দেখি, শক্তি এবং তথ্য একটি সভ্যতার টিকে থাকা বা উচ্চতর স্কেলে পৌঁছানো নিশ্চিত করে না। আমাদের নতুন স্কেল দরকার যা- যান্ত্রিক কর্মদক্ষতা, তাপ বর্জ্য ও দূষণকে আমলে নেবে। একটি নতুন স্কেল আছে যা এনট্রপি ধারণার উপর প্রতিষ্ঠিত।

    এনট্রপির মাধ্যমে সভ্যতার র‍্যাংকিং

    আদর্শগতভাবে, আমরা এমন একটি সভ্যতা চাই যেখানে তার শক্তির উৎপাদন বাড়বে, তথ্যপ্রবাহ বাড়বে কিন্তু তা বেশ বুদ্ধির সাথেই সম্পাদিত হবে যাতে করে গ্রহটি অসহনীয় তাপ বা বর্জ্য পরিপূর্ণ হবে না।

    এটি ডিজনে মুভির ‘ওয়াল-ই’-তে চিত্রগতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। যেখানে দূর ভবিষ্যতে আমাদের এতই দূষিত ও নিম্নমানের পৃথিবী থাকবে যা আমাদের এই ধ্বংসস্তূপ ছেড়ে একটি নিজস্ব জীবনযাপনের জন্য মহাকাশে অভিজাত ক্রুশীপ ব্যবহার করতে হবে।

    এখন তাপগতি বিদ্যার সূত্র বেশ গুরুত্বপূর্ণ। তাপগতি বিদ্যায় প্রথম সূত্র সাধারণভাবে বোঝায় তুমি কোনো কিছু ছাড়া কোনো কিছুই পেতে পার না। মানে হলো-ফ্রি দুপুরের খাবার বলে কিছুই নেই। অন্যভাবে মহাবিশ্বের মোট বস্তু এবং শক্তি ধ্রুবক বা অপরিবর্তিত।

    কিন্তু তৃতীয় অধ্যায় দেখেছি, তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্রটি বেশ কৌতূহলপূর্ণ এবং প্রকৃতপক্ষে, এটিই সম্ভবত একটি উন্নত সভ্যতার ভাগ্য নির্ধারণ করবে। সাধারণত, তাপ গতির দ্বিতীয় সূত্র বলে এনট্রপির (বিশৃঙ্খলা বা নৈরাজ্য) পরিমাণ সর্বদা বেড়ে চলে। এটির মানে হলো সব বস্তু এক সময় নষ্ট হয়, ক্ষয় হয়, মরিচা ধরে, বয়স বাড়ে অথবা ভেঙ্গে পড়ে। (আমরা কখনো এনট্রপির হ্রাস দেখিনি। উদাহরণস্বরূপ, আমরা কখনো ফ্রাইপ্যানের ভাজা ডিমকে কখনো তাকে ফেরত যেতে দেখিনি। আমরা কখনো দেখিনি চিনির দ্রাবণ কফির কাপে হঠাৎ মিশ্রণ থেকে চিনির দানায় পরিণত হবে এবং চামচে ফিরে আসতে। অবিমিশ্রত এই শব্দটি খুবই কম শোনা যায়— তাই এই শব্দটি ইংরেজি কিংবা অন্য ভাষায় কোনো ডিকশনারিতে নেই।)

    সুতরাং, যদি সভ্যতাসমূহ ভবিষ্যতে অন্ধভাবে শক্তি উৎপাদন শুরু করে টাইপ। সভ্যতা থেকে টাইপ। সভ্যতায় প্রবেশ করার জন্য, তবে তারা প্রচুর পরিমাণ বর্জ্য ও তাপ উৎপাদন করবে যা প্রকৃতপক্ষে তা তাদের গ্রহকে বসবাস অযোগ্য করে ফেলবে।

    এনট্রপি যখন তাপবর্জ্য, বিশৃঙ্খলা এবং দূষণ রূপে বিস্তার লাভ করবে তখন তা সঙ্গত কারণেই তাদের সভ্যতাকে ধ্বংস করে দিবে। একইভাবে, যদি তারা তাদের বনাঞ্চল কেটে এবং পাহাড়সম বর্জ্য কাগজ উৎপাদনের মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তি সৃষ্টি করে তবে তা তাদের সভ্যতার কবর রচনা করবে।

    সুতরাং, আমাদের আরও একটি স্কেল প্রয়োজন সভ্যতার র‍্যাংকিং করতে। আমাদের দুটো সভ্যতার সূচনা করতে হবে। প্রথমটি হলো— “এনট্রপি সংরক্ষণশীলতা” সভ্যতা যা এমন একটি সভ্যতা যেকোনোভাবে এটি তাদের অতিরিক্ত বর্জ্য ও তাপ ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করে। যেহেতু এটির শক্তি উৎপাদন দ্রুত জ্যামিতিকভাবে বৃদ্ধির প্রয়োজন। তবে এটি অনুধাবন করে তাদের শক্তির ব্যবহার গ্রহের পরিবেশ পরিবর্তন করতে পারে, জীবনের বাঁচার জন্য অসম্ভব করে তুলতে পারে। একটি উন্নত সভ্যতার থেকে মোট উৎপাদিত এনট্রপি বা বিশৃঙ্খলা বেড়ে চলবে এটা এড়ানো অসম্ভব।

    কিন্তু স্থানীয় এনট্রপি কমাতে পারে যদি তারা ন্যানো টেকনোলোজি এবং নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার করে তাদের বর্জ্য ও অদক্ষতা দূর করতে।

    দ্বিতীয় সভ্যতাকে বলা হয় “এনট্রপি ওয়েস্ট ফুল” সভ্যতা। যা শক্তির উৎপাদন বাড়িয়ে চলে কোনো সীমানা ছাড়া। এভাবে যদি তাদের নিজস্ব গ্রহ বসবাস অযোগ্য হয় এই সভ্যতাটি তখন অন্য গ্রহে বসতি স্থাপন করে। কিন্তু মহাকাশের অন্য কোথাও কলোনি স্থাপনের পরিশ্রম তাদের প্রসারকে সীমাবদ্ধ করে দেবে। যদি এটির এনট্রপি এর অন্য গ্রহে বসতি স্থাপনের সামর্থ্যের চেয়ে বেশি হারে বাড়ে তখন তারা বিপর্যয়ের মুখোমুখি হবে।

    প্রকৃতির প্রভু হওয়া থেকে প্রকৃতি রক্ষক হওয়া

    আমরা পূর্বেই উল্লেখ করেছি, আদিম যুগে, আমরা প্রকৃতির খেলার নীরব দর্শক ছিলাম, আমাদের চারপাশে রহস্যময়তা দেখে অবাক হতাম। আজ, আমরা প্রকৃতির সেই নিচে কোরিওগ্রাফার। বলসমূহকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করতে পারি। এবং ২১০০ সালের দিকে, আমরা প্রকৃতির প্রভু হবো, বস্তু সমূহকে আমাদের মনের ইচ্ছে অনুযায়ী স্থানান্তরিত করতে পারব। জীবন ও মৃত্যুকে নিয়ন্ত্রণ করব এবং তারা ছোঁয়ার জন্য যাত্রা করব।

    কিন্তু যদি আমরা প্রকৃতির প্রভু হই সাথে সাথে আমাদের প্রকৃতির রক্ষকও হতে হবে। যদি আমরা এনট্রপিকে সীমানাহীন ভাবে বৃদ্ধি করতে দিই আমরা তাপগতি বিদ্যায় দ্বিতীয় সূত্র অনুসারে শক্তি পাব— যা এড়ানো অসম্ভব। এটি টাইপ। সভ্যতা। সংজ্ঞানুসারে, একটি তারার মোট শক্তির চেয়ে বেশি শক্তি ব্যবহার করে এবং এভাবে গ্রহের ভূ-পৃষ্ঠে তাপমাত্রা বেড়ে যায় উষ্ণতা বেড়ে যায় যদি এটি এনট্রপিকে নিয়ন্ত্রণ না করে বৃদ্ধি করে। কিন্তু এখানে এনট্রপিকে নিয়ন্ত্রণের নানা উপায় আছে।

    উদাহরণস্বরূপ, যখন আমরা জাদুঘরে ভ্রমণে যাই এবং আমরা দেখি প্রচুর পরিমাণ উনিশ শতকের স্টিম ইঞ্জিন যা বড় বয়লার কয়লার পাত্র। আমরা দেখি কতটা অদক্ষ ছিলো এসব। শক্তির অপচয় করত প্রচুর তাপ ও দূষণ সৃষ্টি করত। যদি এগুলো আমরা নীরব, ইলেকট্রিক ট্রেনের সাথে তুলনা করি আমরা দেখি কত দক্ষতার সাথে শক্তি ব্যবহার করছি আমরা। একটি তাপ শক্তি কেন্দ্রের জন্য বিশাল পাত্র দরকার, প্রচুর পরিমাণে তাপবর্জ্য সৃষ্টি হয় এবং বায়ুকে দূষিত করে— এসব কমিয়ে আনা যায় যদি মানুষের ব্যবহার্য শক্তি নবায়নযোগ্য শক্তি দ্বারা এবং ক্ষুদ্রকায় করে দেখা যায়। ন্যানো টেকনোলজি আমাদের সেই সুযোগ দেয়- তাপবর্জ্য কমাতে এবং যন্ত্রপাতিগুলোকে পারমাণবিক স্কেলে ক্ষুদ্রকায় প্রদান করতে।

    এছাড়া যদি রুমের তাপমাত্রার অর্ধ-পরিবাহী পাওয়া যায় এই শতাব্দীতে, এর মানে একটি পুরোপুরি সক্ষমতা আমাদের শক্তির প্রয়োজনীয়তার ক্ষেত্রে তাপবর্জ্য, যা ঘর্ষণের কারণে সৃষ্টি হয় তা বেশ কমানো যায় আমাদের যন্ত্রপাতির দক্ষতা বৃদ্ধি করে। যেভাবে আমরা উল্লেখ করেছি, আমাদের বেশিরভাগ শক্তির ব্যবহার হলো পরিবহন সেক্টরে যা ঘর্ষণ বলকে হ্রাস করতে যাচ্ছে। যে কারণে আমরা গ্যাসোলিন ব্যবহার করি আমাদের গ্যাস ট্যাংকিতে, এমনকি এটি ক্যালিফোর্নিয়া থেকে নিউইয়র্ক পর্যন্ত পৌঁছাতে তেমন শক্তির ব্যয় করে না কারণ ঘর্ষণের বাধা যদি না থাকে। একজন অবশ্য কল্পনা করতে পারেন আগামী উন্নত সভ্যতায় এটি আরও কম শক্তি ব্যয় কার্য সম্পাদন করা সম্ভব হবে যে পরিমাণ শক্তি এখন আমরা ব্যবহার করি তার চেয়ে। এর মানে হলো আমরা এনট্রপি উৎপাদনের ক্ষেত্রে সংখ্যাগত সীমানা স্থাপন করতে পারব একটি উন্নত অগ্রগামী সভ্যতায়।

    সবচেয়ে ভয়ঙ্কর রূপান্তর

    আমাদের বর্তমান টাইপ O সভ্যতাকে ভবিষ্যৎ টাইপ। সভ্যতায় রূপান্তর সম্ভব ইতিহাসের সবচেয়ে বড় রূপান্তর। এটি নির্ধারণ করবে আমরা বেঁচে থাকব বা উন্নত হব নাকি আমাদের ভুলের কারণে ধ্বংস হয়ে যাব। এই রূপান্তরটি বেশ ভয়ঙ্কর কারণ আমাদের মধ্যে এখনও বর্বরতা আছে আমাদের জলাভূমি থেকে কষ্টকর উন্নয়ন ম্লান করে দিতে পারে। সভ্যতার পাতলা আবরণের খোসায় ফিরে আসবে এবং আমরা এখনো মৌলবাদী, গোষ্ঠীতান্ত্রিকতা, বর্ণবাদ, অসহিষ্ণুতা ইত্যাদি দেখছি কার্যকর আছে। ১০০০০০ বছরেও মানুষের প্রকৃতির পরিবর্তন হয়নি যদিও এখন আমাদের নিউক্লিয়ার, রাসায়নিক এবং জৈব অস্ত্র আছে যা পিছনে নিয়ে যাওয়ার কারণ।

    যাহোক, যদি আমরা একবার টাইপ। সভ্যতায় রূপান্তরিত হই, আমাদের হাতে কয়েক শতাব্দী সময় থাকবে এই পার্থক্য নিরসন করতে।

    আমরা আগের অধ্যায়গুলোতে দেখেছি, মহাকাশে কলোনি স্থাপন বেশ ব্যয়বহুল হবে ভবিষ্যতে। সুতরাং এটি বিশ্বের জনগণের মধ্যে শ্রেণি বৈষম্য সৃষ্টি করবে যারা মঙ্গল অথবা অন্য কোনো উল্কার বন্ধনীতে বাস করবে তাদের মাঝে। যদি খুব দ্রুত নতুন ধরনের রকেট তৈরি করার মাধ্যমে ব্যয় কমানো যায় অথবা স্পেস এলিভেটর না তৈরি হয়, মহাকাশ ভ্রমণ তখন সরকারসমূহের ও ধনীদের অঙ্গরাজ্য পরিণত হবে। এর মানে হলো তারা এই গ্রহেই থাকবে যদিও আমরা টাইপ I স্ট্যাটাসে পৌঁছাই। এটির আরেকটি অর্থ হলো আমাদের কয়েক শতাব্দী কাজ করতে হবে টাইপ I সভ্যতায় পৌঁছানোর কারণে সৃষ্ট বৈষম্য নিরসন করতে।

    জ্ঞানের খোঁজে

    আমরা বেশ উদ্দীপ্ত সময়ে বাস করছি। বিজ্ঞান প্রযুক্তির কারণে আমাদের সামনে এক সময় যেমন পৃথিবীর স্বপ্ন দেখতাম তা প্রমাণিত হচ্ছে। ভবিষ্যৎ বিজ্ঞানের দিকে তাকালে আমাদের চ্যালেঞ্জ এবং ভয় দুটোই আছে।

    তবুও আমি সত্যিকার আশা দেখতে পাই। আমরা পৃথিবীর অনেক কিছু আবিষ্কার করব আসছে দশকগুলোতে অতীতের দীর্ঘ সময়কালের মানবের সকল ইতিহাসের চেয়ে বেশি।

    কিন্তু এটি সবসময় ঐভাবে নয়-

    ধরো, বৈজ্ঞানিক ফ্রাঙ্কলিনের কথাগুলো, যখন তিনি আমেরিকার শেষ বড় বিজ্ঞানী বা ভবিষ্যদ্বাণী দাতা তিনি পরবর্তী শতাব্দীই শুধু নয় পরবর্তী সহস্রাব্দের অনুমানে করেছিলেন। ১৭৮০ সালে, তিনি দুঃখের সাথে উল্লেখ করেছিলেন মানুষ প্রায়ই নেকড়ের মতো ব্যবহৃত করে অন্য মানুষের সাথে এর মূল কারণ কঠিন পৃথিবীতে বেঁচে থাকার বোঝার কারণে হয়রান হয়ে থাকে।

    তিনি লেখেন :

    এটি কল্পনা করা অসম্ভব কতটা উচ্চতায় পৌঁছানো সম্ভব, এক হাজার বছরে, বস্তুর উপরে মানুষের প্রভুত্ব কায়েম করতে। আমরা সম্ভবত শিখব বড় বস্তুসমূহের মহাকর্ষ টান থেকে মুক্ত করতে, তাদের পুরোপুরি শূন্যতা বা মুক্ত দিয়ে ভাসাতে, সহজ পরিবহন ব্যবহার জন্য। কৃষিকাজে দৈহিক শ্রম কমবে বা এর উৎপাদন দ্বিগুণ হবে, সমস্ত রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকার করা সম্ভব হবে, শুধু এই নয় বার্ধক্য ঠেকানো যাবে এবং আমাদের জীবন কাল দীর্ঘ হবে, আনন্দময় হবে—অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে।

    তিনি এমন সময় এসব লিখেছেন যখন কৃষকের একটি বিরক্তিকর কষ্ট করত মাঠে, গরু গাড়ি দিয়ে পঁচা জিনিসপত্র বাজারে নিয়ে আসত, তখন প্লেগ এবং দারিদ্র্য ছিলো জীবনের বাস্তবতা এবং চল্লিশ বছরের বেশি বাঁচা ছিলো ভাগ্যের ব্যাপার। (১৭৫০ সালে লন্ডনে, দুই-তৃতীয়াংশ শিশু যার পাঁচ বছর বয়সের আগেই মারা গিয়েছিলো।) ফ্রাঙ্কলিন ঐ সময়ের মানুষ যখন বার্ধক্যজনিত সমস্যাগুলো সমাধান ছিলো আশাতীত। অথবা থমাস হবস্ ১৬৫১ সালে যেমন লিখেছিলেন জীবন হলো ‘একাকী, দারিদ্র, খারাপ, রূঢ় এবং সংক্ষিপ্ত।”

    কিন্তু আজ, ফ্রাঙ্কলিনের হাজার বছরের চিন্তা, তার ধারণা সত্য হয়ে অতীত হতে চলেছে।

    এই বিশ্বাস এই কারণে, বিজ্ঞান ও বুদ্ধিমত্তা একদিন আমাদের অতীতের নিঃগৃহ থেকে মুক্তি দেবে-যা প্রতিধ্বনিত হয়েছে ১৭৯৫ সালে মারকুইস ডা কনডোর্সেট এর লেখা” স্কেচ সমর এ হিস্টোরিকাল পিকচার অব দি প্রগ্রেস অব দি মাইন্ড” যেখানে লেখা হয়েছে ভবিষ্যৎ নিয়ে যা পূর্ব ধারণা তার প্রায়ই ইতোমধ্যে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। তিনি অনেক বৈচিত্র্যময় পূর্ব ধারণাসমূহ লিপিবদ্ধ করেছেন, যার বেশির ভাগ মনে হয়েছিলো প্রথা বিরোধী কিন্তু বেশির ভাগ সত্য হয়েছে। তিনি ধারণা করেছিলেন তৎকালীন বর্তমান নতুন বিশ্বে ইউরোপের কলোনিসমূহ মুক্ত হবে এবং দ্রুত অগ্রগতির পথে হাঁটবে ইউরোপের প্রযুক্তির কল্যাণে। তিনি ভবিষ্যৎ বাণী করেছিলেন পৃথিবীর সবজায়গা থেকে দাস প্রথা বিলুপ্ত হবে। তিনি ধারণা করেছিলেন- কৃষি ফার্মগুলো প্রতি একরে উন্নত মানের মোট পরিমাণে ফসল উৎপাদন করবে। তিনি পূর্ব ধারণা করেছিলেন বিজ্ঞানের দ্রুত অগ্রগতি হবে এবং তাতে মানুষের কল্যাণ হবে। তিনি ধারণা করেছিলেন সারা দিন কর্মব্যস্ত থাকতে হবে না আমাদের এবং আমাদের আরও বেশি অবসর সময় থাকবে। তিনি ধারণা করেছিলেন জন্ম নিয়ন্ত্রণ একদিন সর্বত্র ছড়িয়ে পড়বে।

    ১৭৯৫ সালে যা ছিলো আশাতীত, অথচ আজ অনেক পূর্ব ধারণাই বাস্তবায়িত হয়েছে।

    বৈজ্ঞানিক ফ্রাংকলিন এবং মারকুইস ডা কনডোর্সট এমন একটি সময়ে বাস করতেন যখন জীবন খুব ছোট ও রূঢ় ছিলো এবং বিজ্ঞান এখনো কল্পনাময়ী। এই সব পূর্বানুমান দেখে, আমরা বিজ্ঞানের অগ্রগতি ও প্রযুক্তির উন্নয়কে পুরোপুরি অভিবাদন জানাতে পারি অতীতের অসংখ্য নিষ্ঠুরতা বর্বরতা থেকে মুক্তি দিয়ে প্রচুর সম্পদ এবং সুযোগ সৃষ্টি করার মাধ্যমে। ফ্রাংকলিন এবং কনডোসার্ট এর পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে দেখা যায়, আমরা বলতে পারি বিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারগুলোই মানবতার জন্য ভালো আবিষ্কার। বিজ্ঞান আমাদের গভীর জলাশয় থেকে তারা ছোঁয়ার শিখরে নিয়ে গেছে। কিন্তু বিজ্ঞান থেমে থাকেনি। আমরা পূর্বে উল্লেখ করেছি, ২১০০ সালে, মিথের ঈশ্বরদের মতো আমাদের শক্তি থাকবে যাদের একসময় আমরা পূজা ও ভয় করতাম।

    বিশেষকরে, কম্পিউটার বিপ্লবের কারণে মনের ইচ্ছামতো বস্তুগুলোকে আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারব, বায়োটেকনোলজির বিপ্লব আমাদের জীবন সৃষ্টি করতে এবং জীবনের আয়ুও বাড়তে সাহায্য করবে এবং ন্যানোটেকনোলজির বিপ্লব আমাদের বস্তুর রূপের পরিবর্তন করতে দিবে এবং এমনকি শূন্য থেকে বস্তু সৃষ্টি করতে দেবে। এইসব বিষয় আমাদেরকে টাইপ | সভ্যতায় পৌঁছাতে সহায়তা করবে। সুতরাং বর্তমান প্রজন্ম যারা পৃথিবীতে আছে যারা পৃথিবীর বুকে হেঁটে বেড়াচ্ছে তারা নির্ধারণ করবে আমরা টাইপ। সভ্যতা পৌঁছাব নাকি গভীর খাদে পড়ে যাব।

    কিন্তু বিজ্ঞান নিজেই নিরপেক্ষ। বিজ্ঞান দুপাশে ধারালো তরবারির মতো। এক পাশের অংশ দারিদ্র্য, রোগ এবং অজ্ঞতা কেটে দূর করে। কিন্তু অন্য পাশ মানুষের বিপরীতে কাজ করে। এটি কীভাবে কোন পাশ শক্তিশালী হবে তা ব্যবহারকারীর বুদ্ধিমত্তার উপর নির্ভর করে।

    একদা আইনস্টাইন বলেছিলেন- বিজ্ঞান কেবল কী সেটাকে চিনিয়ে দেয়। কিন্তু কী উচিত বা অনুচিত তা নয়। এবং এটির রাজত্ব, মূল্যমান বিচার অনির্ধারিত থেকে যায়।” বিজ্ঞান সমস্যার সমাধান করে শুধু অন্য সমস্যা সৃষ্টির জন্য এবং সেগুলো হয় আরও উচ্চমাত্রার সমস্যা।

    আমরা প্রথম এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বিজ্ঞানের খারাপ দিকটি দেখেছিল যা ছিলো ধ্বংসাত্মক। বিশ্ব অবাক হয়েছে বিজ্ঞান কীভাবে ধ্বংস ও বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে যা পূর্বে দেখা যায়নি, যেমন- বিষাক্ত গ্যাস, মেশিনগান, পুরো শহর জুড়ে বোমা নিক্ষেপ, এবং পারমাণবিক বোমা। বিশ শতকের বর্বরতার মতো অনিয়ন্ত্রিত সহিংসতা যা অনুধাবনেরও বাইরে হতে পারে বিজ্ঞানের কারণে।

    কিন্তু বিজ্ঞান মানবতাকে পুনর্গঠিত করে যুদ্ধের ধ্বংসকে অতিক্রম করে, বিশাল জনগোষ্ঠীর জন্য শান্তি ও সমৃদ্ধি সৃষ্টি করে। সুতরাং, বিজ্ঞানের প্রকৃত শক্তি যা আমাদের সক্ষমতা বাড়ায়, ক্ষমতায়ন বাড়ায় আমাদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করে। বিজ্ঞান উদ্ভবনতা, সৃষ্টিশীলতা এবং মানবতার চিন্তাকে প্রবর্ধিত করে এবং আমাদের অভাবকে চিহ্নিত করে।

    জ্ঞান ভবিষ্যতের চাবিকাঠি

    জ্ঞান তাই, এই চাবিকাঠির জন্য, এখানের অনুসন্ধান জরুরি যা বিজ্ঞানের তরবারিকে শাসন করবে। ইমানুয়েলকেই একদা বলেছিলেন, “বিজ্ঞান জ্ঞানকে সংগঠিত করছে, জ্ঞান জীবনকে সংগঠিত করছে।” আমার মতে জ্ঞানের সমতা আছে আমাদের এই সময়ের রূঢ় ইস্যুগুলো শনাক্ত করার বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিতে বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা আছে, এবং যার মাধ্যমে একজন নতুন লক্ষ্য ও নীতি নির্ধারণ করতে পারে।

    আমাদের সমাজে জ্ঞানের খুব অভাব। একদা আইজাক এসি মন্ড বলেছিলেন, “বর্তমানে সমাজের দুঃখজনক অভিজ্ঞতা হলো বিজ্ঞান দ্রুত তথ্য সমন্বিত করছে সমাজের জ্ঞান সমন্বয়ের চেয়ে। তথ্যের মতো ইন্টারনেট বা ব্লগের মাধ্যমে জ্ঞানকে ছড়িয়ে দেওয়া যায় না। যেহেতু আমরা একটি তথ্যের সাগর নির্মাণ করেছি, সবচেয়ে আধুনিক সমাজে মূল্যবান পণ্য হলো জ্ঞান। জ্ঞান ও উপলব্ধি ছাড়া, আমরা লক্ষ্যহীন ও উদ্দেশ্যহীনভাবে সাগরে ভাসমান বস্তুর মতো, শূন্যতায় ভরা, ফাঁকা অনুভূতি সম্পন্ন যদিও প্রচুর তথ্য সীমাহীন জানাশোনা আছে আমাদের।

    কিন্তু জ্ঞান কোথা থেকে আসে? কিছু অংশ জ্ঞান আসে যৌক্তিক তথ্যবহুল গণতান্ত্রিক বিতর্ক থেকে ভিন্নমতের সাথে আলোচনায়। এই বিতর্ক অনেক সময় প্রায়ই নোংরা, অসুন্দর এবং ককর্ষ কিন্তু বজ্রপাত ও ধোয়া এসবের পরে সত্যিকার অন্তর্দৃষ্টির সন্ধান মেলে। আমাদের সমাজে এই বিতর্ক হয় গণতান্ত্রিক। উইনস্টন চার্চিল একদা পর্যবেক্ষণ করেছিলেন, বলেছিলেন “গণতন্ত্র হলো সবচেয়ে খারাপ শাসন ব্যবস্থা, অন্যসব থেকে এক সময়ে সময়ে এটি পুনগঠিত বা সিদ্ধান্ত নিতে হয়।” সুতরাং, গণতন্ত্র খুব সহজ বিষয় নয়। এটি নিয়ে তোমাকে কাজ করতে হবে। জর্জ বার্নাড শ একসময় বলেছিলেন, “গণতন্ত্র এমন একটি ডিভাইস যা আমাদের নিশ্চিত করে আমরা যতটুকু ডিজার্ভ করি ততটুকুর বেশি নয়।”

    আজ, ইন্টারনেটের দোষ বা সুবিধাসহ এটি গণতান্ত্রিক স্বাধীনতায় অভিভাবক হিসেবে কাজ করে। দরজা বন্ধ করে এক সময় যেসব ইস্যু আলোচিত হতো এখন তা হাজার হাজার ওয়েব সাইটের মাধ্যমে ব্যবচ্ছেদ ও বিশ্লেষণ করা হয়।

    একনায়কেরা ইন্টারনেটের ভয়ে থাকে, আতঙ্কিত থাকে যখন তাদের জনগণ তাদের বিরুদ্ধে থেকে উঠবে। তাই আজকাল, ১৯৮৪ সালের দুঃস্বপ্ন বিদায় হয়েছে, ইন্টারনেট সন্ত্রাসীদের যন্ত্রে থেকে গণতান্ত্রিক যন্ত্রে পরিবর্তিত হয়েছে।

    বির্তকের কর্ষতা থেকে জ্ঞানের উদ্ভব হয়। কিন্তু শক্তিশালী ও গণতান্ত্রিক বিতর্ক নিশ্চিত করে শিক্ষা। একমাত্র শিক্ষিত জনপ্রতিনিধি প্রযুক্তিগত সিদ্ধান্ত নিতে পারে যা আমাদের সভ্যতার ভাগ্য নির্ধারণ করে। সত্যিকার অর্থে, জনগণ তাদের নিজের জন্য নির্ধারণ করবে এই প্রযুক্তি কত দূর যাবে এবং কীভাবে এটি উন্নত হবে কিন্তু শুধু একটি সচেতন, শিক্ষিত জনপ্রতিনিধি সিদ্ধান্তসমূহ বিজ্ঞতার সাথে নিতে পারে।

    দুর্ভাগজনক, আমাদের অনেকেই অজ্ঞ ভবিষ্যতে আমাদের কী কী চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। আমরা কীভাবে নতুন শিল্প কারখানা স্থাপন করব পুরাতনগুলো প্রতিস্থাপন করে। আমরা কীভাবে আমাদের তরুণদের চাকরির বাজারের জন্য প্রস্তুত করব? কত দূর পর্যন্ত জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংকে মানুষের জন্য আমরা মেনে নিব?

    কীভাবে, একটি নিম্নমুখী, অকার্যকর শিক্ষাব্যবস্থাকে পুনরুজীবিত করব? বৈশ্বিক উষ্ণতা এবং তার মানবিক দূষণকে কীভাবে সমন্বিত করব?

    গণতন্ত্রের চাবিকাঠি হলো, তথ্য সচেতন জনপ্রতিনিধি যিনি যৌক্তিক এবং আবেগহীনভাবে বর্তমান ইস্যুগুলো আলোচনা করবে। এই বইটির উদ্দেশ্য হলো সেই সব বিতর্ককে গুরু করে দেওয়া যা বর্তমান শতাব্দীকে উন্মোচিত করবে।

    ভবিষ্যৎ একটি পণ্যবাহী ট্রেন

    সারাংশে বলা যায়— ভবিষ্যৎ আমাদের সৃষ্টি করতে হবে। কোনো কিছু পাথরে খোদাই করে লেখা নেই। শেক্সপিয়র ‘জুলিয়াস সিজার’ বইটিতে লিখেছিলেন-”ভুলটি হলো, প্রিয় ব্রুটস, আমাদের তারকাদের নয় বরং আমাদের।” অথবা হেনরি ফোর্ড বলেছিলেন, সম্ভবত কম শ্রুত “ইতিহাস কমবেশি পালাতে চায়। এটির ঐতিহ্য হলো আমরা কোনো ঐতিহ্য চাই না, আমরা শুধু বর্তমানে ব্যক্ত করতে চাই এবং একমাত্র ইতিহাস যা একজন চিন্তাবিদের বাধা হলো-যে ইতিহাসটি আজ আমরা সৃষ্টি করছি।”

    সুতরাং, ভবিষ্যৎ একটি বিশাল পণ্যবাহী ট্রেন যা আমাদের দিকে আসছে পথের ট্রাকসমূহ ভেঙ্গে। এই ট্রেনের পিছনে মিষ্টি এবং হাজার হাজার বিজ্ঞানী যারা ল্যাবে ভবিষ্যৎ তৈরি করছেন। তুমি ট্রেনটির হুইসেল শুনতে পাচ্ছ। এটি বলছে— বায়োটেকনোলজি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ন্যানো টেকনোলজি, যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পর্কে। যাহোক, কিছু মানুষ এর প্রতিক্রিয়ায় বলছে “আমি খুবই বৃদ্ধ। আমি কি এসব শিখতে পারব, আমি শুধু শুয়ে থাকতে পারবো এবং ট্রেনের সাথে যেতে পারব।” তরুণের যারা শক্তি সম্পন্ন, উচ্চাকাঙ্ক্ষী তারা প্রতিক্রিয়ায় বলতে আমাকে ট্রেনে উঠতে দাও। এই ট্রেনটি আমার ভবিষ্যৎ প্রদর্শক করছে। এটি আমার লক্ষ্য। আমাকে ড্রাইভারের আসনে বসতে দাও।”

    আমরা আশা করতে পারি এই শতাব্দীতে বিজ্ঞানের গাড়িটি বিজ্ঞতার সাথে এবং দরদ দিয়ে পরিচালনা করবে।

    কিন্তু সম্ভবত ভালো ধারণা হবে কীভাবে আমরা একটি গ্রহকেন্দ্ৰিক সভ্যতায় বাস করব, এটি ২১০০ সালের একজন মানুষের জীবন আলোচনার মাধ্যমে ধারণা পাওয়া যাবে যে কীভাবে এইসব প্রযুক্তি ব্যবহার এবং প্রতিক্রিয়া আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ও আমাদের ক্যারিয়ারে এবং আমাদের আশা ও স্বপ্নকে উপস্থাপন করে।

    “এরিস্টটল থেকে থমাস একুইনাস পর্যন্ত, পরিপূর্ণতা মানে হলো জ্ঞান যখন অভিজ্ঞতার ও বন্ধনের মাধ্যমে নৈতিক জীবনের উদাহরণসমূহসহ জানা যায়। আমাদের পরিপূর্ণতা জিনের বর্ধন এর সাথে নিহিত নয় বরং আমাদের চরিত্রের বর্ধনের উপর নির্ভর করে।”

    – স্টিভেন পোস্ট।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিশ্বের শ্রেষ্ঠ ১০০ মনীষীর জীবনী – মাইকেল এইচ. হার্ট
    Next Article দ্য গড ইকুয়েশন : থিওরি অব এভরিথিংয়ের খোঁজে – মিচিও কাকু

    Related Articles

    মিচিও কাকু

    ফিজিকস অব দ্য ইমপসিবল – মিচিও কাকু

    November 10, 2025
    মিচিও কাকু

    প্যারালাল ওয়ার্ল্ডস : বিকল্প মহাবিশ্বের বিজ্ঞান ও আমাদের ভবিষ্যৎ – মিচিও কাকু

    November 10, 2025
    মিচিও কাকু

    দ্য গড ইকুয়েশন : থিওরি অব এভরিথিংয়ের খোঁজে – মিচিও কাকু

    November 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }