Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বকুলকথা – আশাপূর্ণা দেবী

    আশাপূর্ণা দেবী এক পাতা গল্প547 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২২. মাধুরী বৌ বললো

    মাধুরী বৌ বললো, কী যে বলো ভাই! তুমি ইচ্ছে করে আমাকে ভুলে গেছো, এই রুপ ভাববো আমি? জানি তুমি কতো ব্যস্ত মানুষ?

    তারপর সেহে বললো, তুমি আমাদের মেয়েদের গৌরব। কতো নামডাক তোমার, কত ভক্ত তোমার। তার মধ্যে আমিও একজন।

    বকুল ওর নিরাভরণ এক হাত মুঠোয় চেপে চুপ করে বসেছিল, আস্তে তাতে একটু চাপ দিয়ে বললো, অনেকের মধ্যে একজন মাত্র, এই কথাটা তোমার সম্পর্কে বোল না।

    মাধুরী চুপ করে রইল।

    বকুল তাকিয়ে দেখল ঘরটার দিকে। আশ্চর্য, বকূলের ছেলেবেলায় বকুল এই ঘরটার যা সাজসজ্জা দেখেছে, এখনো অবিকল তাই রয়েছে। সেই একদিকের দেয়ালে দুদিকে দুটো থামের মতো মেহগনি পালিশের স্ট্যাণ্ডের ওপর লম্বা একখানা আরশি দাঁড় করানো। সেই ঘরে ঢুকেই সামনের দেয়ালের উঁচুতে একটা হরিণের শিঙের ব্র্যাকেটের ওপর পেতলের লক্ষ্মীমূর্তি, সেই সারা দেওয়াল জুড়ে ফটোর মালা, সেই আরশির স্ট্যাণ্ডটার মতই মোটা মোটা বাজুদার উঁচু পালঙ্ক, তার ওধারে মাথাভরা উঁচু আলনা, তার কোলে একটা সরু-সরু পায়া ছোট্ট টেবিলে দু’চারটে বই, এধারের দেয়ালে টানা লম্বা বেঞ্চের ওপর সারি সারি ট্রাঙ্ক, বাক্স, হাতৰাষ্ট্র।

    শুধু সব কিছুতে সময়ের ধুলোয় ধূসর বিবর্ণ ছাপ।

    আরশির কাঁচে গোল গোল কালো দাগ, ফটোগুলি মলিন হলুদ, ট্রাঙ্ক বাক্সর ঢাকনিগুলো জীর্ণ, আর দেয়ালগুলো বালি-ঝরা স্যাৎসেঁতে বোবা-বোবা।

    চোখে পড়ার মতো পরিবর্তন শুধু আলনাটার। তখন ওই আলনার গায়ে ঝোলানো থাকতো চওড়া-চওড়া পাড়ের হাতে কোচানো শাড়ি, আর লম্বা লম্বা সেমিজ। এখন সে আলনায় কুলছে পাট করা ধোয়া থান, আর সাদা ফর্সা সায়া ব্লাউজ।

    এ ঘরটা নির্মলের মার ঘর ছিল। বাড়ির মধ্যে এই ঘরটাতেই বকুলের অবারিত অধিকার ছিল। নির্মলের মা পশম বুনতেন। বকুল বসে বসে দেখতো আর বলতো, বাবাঃ, ওই সরু সরু দুটো কাঠি দিয়ে এইটুকুন এইটুকুন ঘর তুলে বড়ো বড়ো জিনিস তৈরী! দেখলেই আমার মাথা ঝিমঝিম করে, তার শিখবো কি!

    নির্মলের মা হাসতেন। বলতেন, শিখলে দেখবি নেশা লেগে যাবে।

    তাহলে বাবা শিখেই কাজ নেই আমার।

    নির্মলের মা বলতেন, না শিখলে বিয়ে হবে না। মিষ্টি হাসি, মিষ্টি কথা, মিষ্টি মানুষ।

    বড়ো জায়ের ভয়ে সদা সন্ত্রস্ত। সুবিধে পেলেই এই ঘরটির মধ্যেই যেন আত্মগোপন করে থাকতেন।

    মাধুরী-বৌও কি তিনতলার এই ঘরটা নিজের জন্যে বেছে নিয়েছে পৃথিবী থেকে আত্মগোপন করে থাকবার জন্যে? কিন্তু আজকের পৃথিবী কি কাউকে নিজের মধ্যে নিমগ্ন থাকতে দেয়? লুকিয়ে থাকা নিজস্ব কোটর যদি কোথাও থাকে, তার ওপর আঘাত হেনে হেনে। পেড়ে না ফেলে ছাড়ে?

    বকুল যেন অবাক হয়ে ঘরটার পুরনো চেহারাটা দেখছিল। বকুলদের বাড়িতে ঘর-দালান গলা-দরজাগুলো ছাড়া আর কোথাও কিছু আছে যাতে বকুলের মার হাতের স্পর্শ আছে!

    আস্তে বললো, ঘরটার কোনোখানে কিছু বদলাওনি, নড়াওনি! অবিকল রয়েছে সব! কী আশ্চর্য!

    মাধুরী বিষণ্ণ একটু হেসে বললো, জিনিসপত্র নাড়িয়ে আর কী নতুনত্ব আনবো ভাই, জীবনটাই যখন অনড় হয়ে বসে আছে!

    বকুল ঘাড় নীচু করে বসেছিল।

    বকুল এবার সোজা হয়ে বসে বললো, অনড় হয়ে থাকতে পারছো কই! জীবনের মূল শেকড় ধরে তো নাড়া দিচ্ছে আজকের যুগ!

    তা দিচ্ছে বটে–মাধুরী বললো, শুনেছো তাহলে?

    শুনলাম  ছোড়দার মুখে, বকুল বললো, শুনে বিশ্বাস করতে দেরি লাগলো। ছেলেটার। বয়েস হিসেব করতে গিয়ে সব কিছু গুলিয়ে যাচ্ছিল।

    তোমার কি, আমারই গুলিয়ে যাচ্ছে! মনে হচ্ছে, সত্যিই কি ওর তের বছর বয়েস!

    বকুল একটু চুপ করে থাকে বলে, এখন আছে কেমন?

    ডাক্তার তো বলছে সারতে সময় লাগবে। আর চিরকালের মতই অকর্মণ্য হয়ে গেল। ডান হাত তো উড়েই গেছে। গলাটা বুজে গেল বলেই বোধ করি চুপ করে গেল মাধুরী।

    কোনো কথা খুঁজে না পেয়েই বোধ করি বকুল বললো, দেখতে যাও?

    মাধুরী জানলার বাইর চোখ ফেলেছিল, বললো, একদিনই দেখতে যেতে দিয়েছিল। পুলিসের হেপাজতে তো? ওর মা-বাপও তাই! একদিনের জন্য এসেই চলে গেল। বললো, দেখতেই যখন দেবে না! আর

    কেমন একটু হেসে থেমে বললো মাধুরী, আর বললো, সেরে উঠে যাবজ্জীবন জেল খাটুক এই আমাদের প্রার্থনা।

    বকুল মাধুরীর মুখের দিকে চেয়ে দেখল।

    কেউ যদি এখন মাধুরীকে দেখিয়ে বলে, একদা এ স্বর্ণ-গৌরাঙ্গী সুন্দরী ছিল, এর হাসি দেখলে মনে হতে মাধুরী নাম সার্থক, তাহলে লোকে হেসে উঠবে। অতো ফর্সা রং যে এতো কালো হয়ে যেতে পারে চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা শক্ত। পুড়ে যাওয়ার মত সেই জ্বলে যাওয়া রঙের মুখের দিকে তাকিয়েই থাকে বকুল। মাধুরীর সামনের চুলে কালোর চেয়ে সাদার ভাগ বেশী। মাধুরীর শীর্ণ গালে পেশীর রেখা।

    অথচ বকুল প্রায় ঠিকঠাকই আছে।

    বকুলের নিজের মেজদিই বলে গেছে-থাকবে না কেন বাবা! শশুরবাড়ির গঞ্জনা খেতে হয়নি, সংসার-জ্বালা পোহাতে হয়নি, আমাদের মতন দু’বছর অন্তর আঁতুড়ঘরে ঢুকতে হয়নি, যেমন ঝিউড়ি মেয়ে ছিল তেমনিই রয়ে গেছে। নইলে বকুলই মার পেটের মধ্যে নিরেস ছিল।

    তার মানে বুকুলের মার পেটের সরেস চেহারার সন্তানরা ওই সব জ্বালায় বদলে গেছে। কিন্তু মাধুরী-বৌ?

    মাধুরী-বৌয়ের তো ওসব কিছু না।

    মাধুরী-বৌ বরের সঙ্গে বাসায়-বাসায় ঘুরেছে, শ্বশুরবাড়ির গঞ্জনা কাকে বলে জানেনি। মাধুরী সেই কোন্ অতীতকালে দু’বার আঁতুড়ঘরে গিয়েছিল, আর যায়নি, তবে?

    যখন মাঝে মাঝে ছুটিছাটায় আসতো নির্মল, তখন মাধুরী কেমন দেখতে ছিল মনে আনতে চেষ্টা করে বকুল।

    কিন্তু তখন কি মাধুরীর দিকে চোখ থাকতো বকুলের?

    তবু ভেবে মনে আনলো, সেই স্বর্ণচাপা রংটাই মনে পড়লো, অথচ এখন রংজ্বলা মাধুরীকে বকুলের থেকে ময়লা লাগছে।

    বকুল মনে মনে বললো, আমি তোমার কাছে মাথা হেঁট করছি। তোমার ভালবাসায় সর্বস্ব সমর্পণ ছিল।

    বকুল ওই ক্ষুব্ধ হাসির ছাপ লাগা মলিন মুখটার দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে বললো, মাও বললো এই কথা?

    মা-ই বেশী করে বললো। তার সঙ্গে অবশ্য আমাকেও অনেক কিছু বললো। মাধুরী শীর্ণ মুখে আর একবার তেমনি হেসে বললো, বলতেই পারে। বিশ্বাস করে আমার কাছে ছেলে রেখে দিয়েছিল–

    আর একটু চুপ করে থেকে বললো, ভগবানের সহস্র নামের মধ্যে দর্পহারী নামটাই প্রধান নাম, বুঝলে বকুল! মনে মনে দর্প ছিল বৈকি। দর্প করেই তো ভেবেছিলাম, ঘুষখোর বাবা তার লোভী মার কাছে থেকে ছেলেটা খারাপ হয়ে যাবে। আমার কাছে নিয়ে গিয়ে রাখি ওদের আওতামুক্ত করে। ধারণা ছিল না জগৎ-সংসারে আরো কতো আওতা আছে!

    কিন্তু শেষের কথাগুলো কি চমকে-ওঠা বকুলের কানে ঢুকেছিল?

    ঘুষখোর বাবা এই শব্দটুকুই যেন বকুলের অনুভূতিটাকে ঝাঁপসা করে দিয়েছিল। ঘুষখোর! নির্মলের ছেলে ঘুষখোর!

    বকুল একটু পরে বলে, তোমার ছোট ছেলে?

    ছোট? সে তো অনেকদিনই নিজেকে সকলের আওতামুক্ত করে স্বাধীনতার সুখের স্বাদ নিচ্ছে। ময়ূরভঞ্জে চাকরি করে, সেখানেই বিয়ে-টিয়ে করেছে, আসে না–

    মাধুরী-বৌয়ের ছেলেরা এমন উল্টোপাল্টা হলো কেন?

    মনে মনেই প্রশ্ন করেছিল বকুল! তবু মাধুরী উত্তরটা দিলো, বললো, আমাদের অক্ষমতা। ছেলেদের ঠিকমত বুঝতে পারিনি। লেখাপড়া শেখানোটাই মানুষ করার একমাত্র উপায় বলে ভেবেছি। সেই ভাবনাটা যে ঠিক হয়নি সে-কথা যখন বুঝতে পারলাম তখন আর চারা নেই। ..তোমার নির্মলদা মানুষটা ছিলেন বড়ো বেশী ভালোমানুষ, আর আমি?

    মাধুরী আবার একটু ব্যঙ্গমাধানো ক্ষুব্ধ হাসি হাসলো, আমি একেবারে স্রেফ হিন্দু নারী। পতি ছাড়া অন্য চিন্তা নেই–অতএব চোখ-কান বন্ধ করে শুধু চুপ করে গেল।

    বকুল কিন্তু ওই জীবনে বিধ্বস্ত মুখটার মধ্য থেকেও একটা আশ্চর্য উজ্জ্বল আলোর আভাস দেখতে পেলো। বকুলের মনে হলো বিধ্বস্ত, কিন্তু ব্যর্থ নয়।

    মাধুরী তারপর বললো, কিন্তু ওসব তো সাধারণ ঘটনা, জানা জগতের কথা–এই তেরো বছরের ছেলেটাই আমায় তাজ্জব করে দিয়েছে। বড়ো বড়ো কথা বলত ইদানীং। জেঠিমার যে ওই ভাইপোরা আছেন সারা বাড়িটা জুড়ে, তাদেরই কার একজনের ছেলের সঙ্গে খুব মেলামেশা ছিল। দুজনে খুব কথাবার্তা বলতো, কানে আসতো। ছেলেমানুষের মুখে পাকা কথা শুনে হাসি পেতে। বলতো, এই বুর্জোয়া সমাজের মৃত্যুদিন আসছে, ওরা নিজেরাই নিজেদের কবর রচনা করেছে, নিজেদের চিতা বানিয়েছে।…বলতো, বিপ্লব আসছে, তাকে রোখবার ক্ষমতা অতিবড় শাসকেরও নেই। আরো কত কী-ই বলতো ভাই দুজনে ওদের দালানে বসে। চোখে ঠুলি বেঁধে বসে থাকলেই কড়া রোদকে অস্বীকার করা যায় না, রোদ তার নিজের কাজ করে, চামড়া পোড়ায়। জেঠিমার ভাইপোর ছেলেটা তো কত বড়ো, তবু বুবুন যেন তার সমান সমান এইভাবে আড্ডা দিতো…আমি ভাবতাম বুবুন ওই শোনা কথাগুলো আওড়াচ্ছে, হাসি পেতো। বলতাম, বুবুন, বুর্জোয়া বানান জানিস? বলতাম, বুবুন, দেশে বিপ্লবের রক্তগঙ্গা বওয়াবার ভারটা তাহলে তোরাই নিয়েছিস? তুই আর তোর ওই পন্টুদা?…ও এই ঠাট্টায় লজ্জা পেত না, কেমন একরকম অবজ্ঞার দৃষ্টিতে তাকাতে।…ক্রমে ক্রমে সেই চোখে ফুটে উঠতে দেখলাম অবজ্ঞা, ঘৃণা, বিদ্বেষ আর নিষ্ঠুরতা। তবু তখনো তার গুরুত্ব বুঝতে পারিনি ভাই। বরং মাঝে মাঝেই বলেছি, তোর ওই পন্টুদার সঙ্গে মেশাটা কমা দিকি! ও তোর বয়সী নাকি? যতো রাজ্যের পাকা কথা তোর মাথায় ভরছে!…ক্রমশ দেখলাম ওদের। সেই আড্ডা-আলোচনাটা কমে গেল, পন্টুকে তো বাড়িতে দেখতেই পাওয়া যায় না। বুবুনও যথাসময়ে খেয়ে ইস্কুলে যায়। ইস্কুল থেকে ফিরতে অবশ্য দেরি হতো বিস্তর, রাগ করলে বলতো, কাজ ছিলো।…যদি রেগে বলতাম, তুই এতোটুকু ছেলে, তোর আবার কাজ কি? অবজ্ঞার দৃষ্টি হেনে বলতো, বোঝবার ক্ষমতা নেই। জানো তো শুধু সুশীল সুবোধ বালকদের খাইয়ে খাইয়ে মোটা করতে! তবু তোমায় বলবো কি বকুল, ধারণা করতে পারিনি বুবুন ইস্কুলে যায় না, ইস্কুলের মাইনেটা নিয়ে পার্টিকে চাদা দেয়,.বোমা তৈরীতে যোগ দেয়। বরং ভেবেছিলুম পন্টুর প্রভাবমুক্ত হয়েছে বোধ হয়! কে ভেবেছে পন্টু ওকে গ্রাস করেছে!…

    থামলো মাধুরী! নিরাভরণ হাতটা তুলে কপালে উড়ে আসা একটা মাছি তাড়ালো।

    তারপর আস্তে বললো, শুধু আমার বুবুনই নয় বকুল, দেশ জুড়ে হাজার হাজার বুবুন এইভাবে প্রতিনিয়ত গ্রাসিত হচ্ছে। কিন্তু এর মূলে হয়তো আরো গভীর কারণ আছে। আজকের ছেলেমেয়েদের সব চেয়ে বড়ো যন্ত্রণা তারা শ্রদ্ধা করবার মত লোক পাচ্ছে না। ওদের মনের নাগাল পায়, এমন মা-বাপ পাচ্ছে না। ওদেরকে ভালবাসার বন্ধনে বাঁধতে পারে, এমন ভালবাসার দেখা পাচ্ছে না। আমরা আমাদের নিজের মনের মত করে ভালবাসতে জানি, ওদের মনের মত করে নয়।.. হয়তো আগের যুগ ওতেই সন্তুষ্ট থাকতো, এ যুগের মন-মেজাজ দৃষ্টিভঙ্গী আলাদা, কারণ যে কারণেই হোক এদের চোখ কান বড় অল্প বয়সেই খুলে গেছে। এরা তাই “লোভ”কে লোভ বলে বুঝতে শিখেছে, দুর্নীতিকে দুর্নীতি বলে চিনতে শিখেছে। তাই এদের সবচেয়ে নিকটজনদের ওপরই সব চেয়ে ঘৃণা।

    তুমি তো খুব ভাবো, আস্তে বলে বকুল।

    মাধুরী বোধ করি এতোক্ষণ একটা আবেগের ভরেই এতগুলো কথা বলে চলছিল, হঠাৎ লজ্জা পায়। লজ্জার হাসি হেসেই বলে, এতো কাল এতো সব কিছুই ভাবিনি বকুল। যেদিন বুবুনের বোমা বানানোর খবর পেলাম, খবর পেলাম চিরদিনের মতো অকর্মণ্য হয়ে যাওয়ার, তখন থেকে ভাবতে শিখেছি। ভাবতে ভাবতেই যেন চোখ খুলে যাচ্ছে আস্তে আস্তে। বুঝতে পারছি–ওদের মধ্যেকার ভালোবাসতে না পারার ভার, শ্রদ্ধা করতে না পারার ভার, চোখ খুলে যাওয়া মনের জ্বালার ভার ওদের মধ্যে সব কিছু ধ্বংস করবার আগুন জ্বালিয়েছে। নইলে অতটুকু একটা ছেলের মধ্যে এতো ঘৃণা এতো অবজ্ঞা আসে কোথা থেকে? যেদিন দেখতে গিয়েছিলাম, বলো কী জানো?–কী দেখতে এলে? যেমন কর্ম তেমনি ফল? ভাবো, তবু জেনে রাখো যে হাতটা আস্ত আছে, সেই হাতটা দিয়েই আবার ওই কাজই করবো দেখো। সেই অবধি ভেবেই চলেছি। আর ভাবছি আমাদের বুদ্ধিহীনতা, আমাদের অন্ধতা, আর আমাদের আপাত-জীবনের প্রতি লোভই আমাদের এই ভাঙনের পথে ঠেলে নিয়ে যাচ্ছে। মাধুরীবৌ আবার একটু লজ্জার হাসি হাসলো, বললো, এই দ্যাখো থামবো ভেবেও আবার বড়ো বড়ো কথা বলে চলেছি। আসল কথা, এমন একটি বড়োসড়ো লেখিকাকে দেখেই জিভ খুলে গেছে। সত্যি ভাই, কথা বলতে পাওয়াও যে একটা বড়ো পাওয়া, সেটা যত দিন যাচ্ছে তো টের পাচ্ছি। তোমার সঙ্গে কথা কয়ে অনেকদিন পরে যেন বাচলাম।

    বকুলের বার বার ইচ্ছে হচ্ছিল একবার জিজ্ঞেস করে, কী হয়েছিল নির্মলদার? কিন্তু কিছুতেই ওই নামটা উচ্চারণ করতে পারলো না।

    যেন ওই উচ্চারণের সঙ্গে সঙ্গে একটি পবিত্র বস্তুর শুচিতা নষ্ট হয়ে যাবে, যেন একটি গভীর গম্ভীর সঙ্গীত হালকা হয়ে যাবে।

    মাধুরী বললো, এতোক্ষণ শুধু নিজের কথাই সাতকাহন করলাম, তোমার কথা একটু বলল শুনি।

    আমার আবার কথা কী? বকুল ঈষৎ হেসে বলে, আমার তো আর ছেলে বৌ নাতি নাতনী নেই যে তাদের নিয়ে কিছু কথা জমে আছে!

    তোমার তো শত শত ছেলেমেয়ে, তাদের সুখদুঃখ ভাঙাগড়ার সংসারটি নিয়ে তুমি তো সদা ব্যস্ত বাবা!

    তা বটে।

    এত অদ্ভুত ভালো লেখো কী করে বল তো? মাধুরী হাসে, আমি তো ভেবেই পাই না, কী করে এমন করে ঠিক মনের কথাটি বুঝতে পারো। তোমার লেখার এমন গুণ যেন প্রত্যেকটি মানুষের জীবনের সঙ্গে চিন্তার সঙ্গে মিলে যায়। পড়লে মনে হয় যেন আমার কথা। ভেবেই লিখেছে। এতে প্লটই যে কোথায় পাও বাবা, ভেবে অবাক লাগে।

    এ কথার আর উত্তর কি? চুপ করে থাকে বকুল।

    কেমন করে বোঝাবে লেখার মধ্যে প্লটটাই সর্বাপেক্ষা গৌণ। ওটার মধ্যে আশ্চর্যের কিছু নেই। তবু কেউ যখন বলে ভাল লাগে, তখনই একটা চরিতার্থতার স্বাদ না এসে পারে না। অনেক শুনেছে বকুল এ কথা। সব সময়ই শোনে তবুনতুন করে একটা সার্থকতার সুখ পেলো। আস্তে বললো, পড়োটড়ো?

    ও বাবা! পড়বো না? ওই নিয়েই তো বেঁচে আছি। মাঝে মাঝে তাই মনে হয়, যদি বই জিনিসটা না থাকতো, কী উপায়ে দিনগুলো কাটাতাম।

    এই সামান্য কথাটুকুর মধ্য দিয়েই একটা শূন্য হৃদয়ের দুঃসহ ধরা পড়লো। নিজের উপর ধিক্কার এলো বকুলের।

    বকুলের এতো কাছাকাছি থেকে এইভাবে দুঃসহ শূন্যতার বোঝা নিয়ে পড়ে আছে মাধুরী, অথচ বকুল কোনোদিন তার সন্ধান নেয়নি। বকুল ভালবেসে নিজের দু’খানা বই নিয়ে এসে বলেনি, মাধুরী-বৌ, তুমি গল্পের বই ভালেবাসো

    তবু বর্তমানের সমস্যাটা ওই শূন্যতার থেকে অনেক বাস্তব।

    বুবুনের ব্যাপারে কী ভাবছে মাধুরী সেটাই জিজ্ঞেস করতে যাচ্ছিল বকুল, বাড়ি থেকে ওদের ঝি এলো ডাকতে, পিসিমা, আপনাকে একজন মেয়ে এসে খুঁজছে।

    মুল বিরক্ত গলায় বলে, আশ্চর্য! একটু এসেছি, এর মধ্যেই– কী নাম? কোথা থেকে এসেছ?

    ঝি সুবাসিনী বললো, কী জানি বাবা, কী যেন বললো!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসুবর্ণলতা – আশাপূর্ণা দেবী
    Next Article প্রথম প্রতিশ্রুতি – আশাপূর্ণা দেবী

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    বিবাগী পাখি – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    কুমিরের হাঁ – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    ঠিকানা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    ততোধিক – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    ১. খবরটা এনেছিল মাধব

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    নতুন প্রহসন – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }