Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বর্ন আইডেন্টিটি – রবার্ট লুডলাম

    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন এক পাতা গল্প722 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বর্ন আইডেন্টিটি – ১১

    অধ্যায় ১১

    বার্ন বিমান বন্দরের কাস্টমস্ আর ইমিগ্রেশন পার হবার সময় জেসন দূর থেকে মেরিকে দেখতে লাগলো। এয়ার ফ্রান্সের ডিপার্চার এলাকায় আশেপাশে কেউ আছে কিনা সেই ইশারা পাবার জন্যে অপেক্ষা করছে সে। বিকেল চারটা বাজে, প্যারিসের ফ্লাইটে ব্যস্ততম সময় এটা। গেট পার হবার সময় মেরি তার দিকে তাকালে সে মাথা নেড়ে সায় দিলো। তার চলে যাওয়ার আগ পর্যন্ত অপেক্ষা করলো সে। তারপর পা বাড়ালো সুইস এয়ার লাউঞ্জের দিকে। জর্জ বি. ওয়াশবার্নের জন্যে অরলির প্লেনে ৪টা ৩০ মিনিটে একটা রিজার্ভেশন রাখা হয়েছে।

    পরে তারা একটা ক্যাফেতে দেখা করবে। জায়গাটা মেরি অক্সফোর্ডে থাকার সময় থেকেই চেনে। এটাকে বলা হয় অউ কোঁয়ে দ্য ক্লানি, সরবোন থেকে কয়েক ব্লক দূরে সেন মিশেল বুলেভাদে অবস্থিত সেটা। যদি কোনো কারণে সেখানে তাকে না পায় তবে ক্লানি জাদুঘরে রাত ন’টা বাজে দেখা হবে তাদের।

    বর্নের দেরি হবে। ইউরোপের সবচাইতে বড় লাইব্রেরিটা সরবোনে আছে। সেই লাইব্রেরিতে পুরনো সংবাদপত্র পাওয়া যায়। সরকারী কর্মচারীরা ওয়ার্কিং আওয়ারে বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরি ব্যবহার করতে পারে না। ছাত্রছাত্রিরা সেটা রাতের বেলায় ব্যবহার করে। প্যারিসে পৌঁছে সেও তাই করবে। কিছু একটা তাকে জানতেই হবে।

    প্রতিদিন আমি সংবাদপত্র পড়ি। তিনটি ভাষায়। ছয় মাস আগে এক লোক খুন হয়েছিলো। সেইসব পত্রিকার প্রথম পৃষ্ঠায় খবরটা ছিলো। জুরিখে মোটাসোটা লোক এ কথা বলেছিলো।

    .

    সে লাইব্রেরির চেকরুমে তার সুটকেসটা রেখে তৃতীয় তলায় চলে গেলো। সেখানে বড় একটা পড়ারঘর আছে; সল দ্য লেকচার এই ভবনেই অবস্থিত। সংবাদপত্রগুলো সারি সারি তাকে সাজিয়ে রাখা হয়েছে।

    ছয়মাস আগের প্রথম দশ সপ্তাহের পত্রিকাগুলো তুলে নিয়ে কাছের একটা টেবিলে গিয়ে এক এক ক’রে পত্রিকাগুলো ঘাটতে শুরু করলো বর্ন।

    মহান সব মানুষেরা নিজেদের বিছানায় মারা গেছে আর অন্যেরা সেই মৃত্যুর খবর ঘোষণা করেছে। ডলারের মূল্যপতন হয়েছে, স্বর্ণের দাম গেছে বেড়ে। সরকার অনেকটা ধীরগতির হয়ে পড়েছে। কিন্তু গুপ্তহত্যার কোনো খবর সেখানে পাওয়া গেলো না—কোনো খবরই নেই।

    জেসন আবার তাকগুলোর কাছে ফিরে গেলো। দুই সপ্তাহ, বারো সপ্তাহ, বিশ সপ্তাহ। প্রায় আট মাস ধরে কিছুই হয় নি।

    তারপরই ব্যাপারটা তার মাথায় ঢুকলো। সে ছয় মাস আগের পত্রিকা দেখেছে, তারপরের কোনো পত্রিকা নয়। কয়েকটা দিন অথবা দু’য়েক সপ্তাহের মধ্যেও তো হতে পারে। এবার তাক থেকে চার এবং পাঁচ মাস আগের পত্রিকাগুলো তুলে নিলো সে। একে একে দেখতে লাগলো সব। পাওয়া যাচ্ছে না। তবে কি জুরিখের মোটা লোকটা মিথ্যে বলেছে? সবটাই মিথ্যে? সে কি এমন একটা দুঃস্বপ্নের মধ্যে আছে যাতে ক’রে…

    অ্যাম্বাসেডর লিল্যান্ড মার্সেই’তে নিহত!

    বড়বড় অক্ষরে লেখা শিরোনামটা চোখে পড়ার মতোই। তার মাথায় চিন চিন ক’রে একটা ব্যথা শুরু হয়ে গেলে শ্বাসপ্রশ্বাসও বন্ধ হয়ে গেলো। লিল্যান্ড নামটাতে তার চোখ আঁটকে রইলো। এটা সে চেনে। লোকটার মুখ স্মরণ করতে পারলো। প্রশ্বস্ত কপালের নিচে পুরু ভ্রূ জোড়া। খাড়া নাক, গালের হাড় দুটো বেশ উঁচু। ধূসর গোঁফের নিচে পাতলা ঠোঁট। সে চেহারাটা চেনে। লোকটাকে চেনে। আর লোকটাকে ওয়াটারফ্রন্টের জানালা থেকে শক্তিশালী একটা রাইফেলের একটি গুলিতে হত্যা করা হয়েছে। অ্যাম্বাসেডর হাওয়ার্ড লিল্যান্ড মার্সেই’র ডকে সেই বিকেল পাঁচটায় হেঁটে যাচ্ছিলো। তার মাথাটা গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

    বর্ন দ্বিতীয় অনুচ্ছেদটা পড়লো না, যাতে লেখা আছে হাওয়ার্ড লিল্যান্ড ছিলো আমেরিকান নেভির এ্যাডমিরাল এইচ. আর লিল্যান্ড। ওখান থেকে তাকে প্যারিসের আমেরিকান দূতাবাসের অ্যাম্বাসেডর ক’রে একটি অন্তবর্তীকালীন পদে পাঠানো হয়। লেখাটার যে জায়গায় হত্যার আসল কারণ সম্পর্কে অনুমান করা হয়েছে সেটাও সে পড়লো না। সে এসব জানে। লিল্যান্ডের আসল কাজ ছিলো ফরাসি সরকারকে আফ্রিকা আর মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধজাহাজ, মিরেজ ফাইটার প্লেনসহ যুদ্ধাস্ত্র বিক্রি করা থেকে বিরত রাখা।

    এ কাজে বেশ সফল হলেও এজন্যে মধ্যপ্রাচ্যের অনেককে ক্ষুব্ধও করেছিলো সে। ধারণা করা হচ্ছে তাকে এসব লোকই খুন ক’রে থাকতে পারে একটা শাস্তি দেবার আশায়, যাতে বাকিরা সাবধান হয়ে যায়। তাকে যারা বা যে-ই খুন করেছে তাকে প্রচুর টাকা দেয়া হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে কোনো আলামতই পাওয়া যায় নি।

    জুরিখ। পা-বিহীন এক লোকের কাছে একজন মেসেঞ্জার। আরেকজন ফকেনস্ট্রাস রেস্তোরার মোটা লোকটার কাছে।

    জুরিখ।

    মার্সেই।

    জেসন তার চোখ দুটো বন্ধ করলো। যন্ত্রটা এখন অসহ্য ঠেকছে। তাকে সমুদ্র থেকে পাঁচ মাস আগে উদ্ধার করা হয়েছিলো। ধারণা করা হয়েছিলো সে মার্সেই থেকেই এসেছে। যদি মার্সেই হয়ে থাকে তবে ওয়াটারফ্রন্ট ছিলো তার পালানোর রুট। একটা বোট ভাড়া ক’রে তাকে বিশাল ভূমধ্যসাগরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো। সবই বেশ ভালোভাবে মিলে যাচ্ছে। যদি মার্সেই’র কোনো জানালা থেকে কাউকে সে খুন না ক’রে থাকে তবে কি ক’রে এসব জানতে পারলো?

    চোখ খুললো সে, তীব্র যন্ত্রণা তার চিন্তাভাবনাকে ধীরগতির ক’রে ফেলছে। তবে সব চিন্তাভাবনাকে নয়। তার সীমিত স্মৃতিতে একটা সিদ্ধান্ত বেশ পরিস্কার। প্যারিসে মেরি সেন জ্যাকের সাথে কোনো দেখা সাক্ষাত হবে না।

    হয়তো একদিন সে তার কাছে চিঠি লিখবে। এখন যা বলতে পারছে না তা জানাবে। যদি সে বেঁচে থাকে এবং চিঠি লিখতে পারে তো। এখন সে কিছুই লিখতে পারবে না। ধন্যবাদ অথবা ভালোবাসার কোনো কথা এখন লেখা যাবে না। মেয়েটা তার জন্যে অপেক্ষা করবে কিন্তু তার কাছে সে যাবে না। তার সাথে দূরত্ব বাড়াতে হবে। মেয়েটাকে কোনো ভাড়াটে খুনির সাথে জড়ানো ঠিক হবে না। মেয়েটার ধারণা ভুল। তার ধারণাই ঠিক I

    হায় ঈশ্বর। সে হাওয়ার্ড লিল্যান্ডের চেহারাটা দেখতে পাচ্ছে। অথচ তার সামনে লোকটার কোনো ছবি নেই। প্রথম পাতার শিরোনামটাই তাকে সব কিছু স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে। দিনটি বৃহস্পতিবার, আগস্ট ২৬। মার্সেই। এই দিনটি সে মনে রাখবে, তার এই জটিল জীবনের শেষদিন পর্যন্ত এটা তার মনে থাকবে।

    বৃহস্পতিবার, ২৬শে আগস্ট….

    একটা ভুল হয়ে গেছে। সেটা কি? বৃহস্পতিবার?….বৃহস্পতি তার কাছে কোনো অর্থই বহন করে না। আগস্টে ছাব্বিশ তারিখ?… ছাব্বিশ? এটা ছাব্বিশ হতে পারে না! ছাব্বিশ তারিখটা ভুল! সে এ কথাটা বার বার শুনেছে। ওয়াশবার্নের ডায়রিতে—তার রোগীদের জার্নালে।

    তোমাকে আমার এখানে নিয়ে আসা হয়েছিলো আগস্টের চব্বিশ তারিখের সোমবার সকালে। ঠিক সকাল আটটা বিশ মিনিটে। তোমার অবস্থা ছিলো খুবই…

    সোমবার, চব্বিশে আগস্ট।

    চব্বিশে আগস্ট।

    ছাব্বিশ তারিখে সে মার্সেই’তে ছিলো না! সে কোনো লোককে ওয়াটারফ্রন্টের জানালা থেকে গুলি করতে পারে না। হাওয়ার্ড লিল্যান্ডকে সে খুন করে নি!

    ছয় মাস আগে এক লোক খুন হয়েছে…তবে এটা ছয় মাস আগে নয়। এটা ছয় মাসের কাছাকাছি, একেবারে ছয় মাস নয়। সে ঐ লোকটাকে খুন করে নি। সে তখন পোর্ত নোয়ে’র মদ্যপ এক ডাক্তারের ঘরে প্রায় মৃত একজন।

    কুয়াশা কাটছে। যন্ত্রণাটা তিরোহিত হচ্ছে। তার মধ্যে একরকম উচ্ছ্বাস জেঁকে বসলো। অকাট্য একটা মিথ্যে খুঁজে পেয়েছে সে! এরকম একটা ঘটনা যদি মিথ্যে হয় তো অন্যগুলোও হতে পারে!

    বর্ন তার হাত ঘড়ি দেখলো, সোয়া ন’টা বাজে। মেরি ক্যাফে থেকে চলে গেছে। সে এখন অপেক্ষা করছে ক্লানি জাদুঘরের সামনে। পত্রিকাগুলো রেখে দরজা দিয়ে বের হয়ে গেলো সে। তাকে এখন এমন একজনের কাছে যেতে হবে যাকে সে বলবে, এখনও আশা আছে। সে যা ভেবেছে আসলে হয়তো সে তা নয়। মেয়েটার কথাই হয়তো ঠিক।

    জাদুঘরের সামনে মেরিকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলো সে। ঠাণ্ডাবাতাসের কারণে দু’হাত বুকের কাছে রেখে কুঁকড়ে আছে সে। প্রথমে জেসনকে দেখতে পায় নি, তার চোখ সারি সারি বৃক্ষ সমৃদ্ধ রাস্তাটার দিকে। সে অস্থির হয়ে আছে। উদ্বিগ্ন আর অধৈর্য এক মেয়ে আশংকা করছে যার জন্যে অপেক্ষা করছে তাকে হয়তো সে আর দেখতে পাবে না। এ নিয়ে আতঙ্কিত হয়ে আছে মেয়েটা।

    দশ মিনিট আগেও এখানে আসার কথা ভাবে নি সে।

    তাকে দেখতে পেলো মেরি! সঙ্গে সঙ্গে মুখটা উজ্জ্বল হয়ে উঠলো। দু’ঠোঁটে হাসির দেখা মিললো। এগিয়ে এলো তার দিকে। কাছাকাছি হলেও দু’জনের কেউই কিছুক্ষণের জন্যে কোনো কথা বললো না। সেন্ট মিশেলে তারা এখন একা।

    “আমি কতোক্ষণ ধরে অপেক্ষা করছি,” দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলে বললো সে। “আমি ঘাবড়ে গিয়েছিলাম। কিছু হয়েছে নাকি? তুমি ঠিক আছো তো?”

    “ঠিক আছি। আগের চেয়ে অনেক ভালো আছি।”

    “কি?”

    সে তার দু’কাঁধ ধরলো। “ছয় মাস আগে এক লোক খুন হয়েছিলো…মনে আছে?”

    তার চোখমুখ থেকে আনন্দের ছটা হারিয়ে গেলো। “হ্যা, মনে আছে।”

    “আমি তাকে খুন করি নি,” জেসন বর্ন বললো। “আমি সেটা করতে পারি নি।”

    .

    জনাকীর্ণ বুলেভার্ড মতোপারোয়ায় একটা ছোট্ট ঘর তারা খুঁজে পেলো। লবি আর ঘরগুলো জরাজীর্ণ। তবে জায়গাটা খুব শান্ত আর কোলাহলমুক্ত।

    জেসন দরজা বন্ধ করার সময় সাদা চুলের বেল ক্যাপ্টেনের দিকে তাকিয়ে মাথা নাড়লো। একটু আগে জেসন তাকে বিশ ফ্রাঁ বখশিস দিলে লোকটার নির্বিকার ভাব মুহূর্তেই বদলে গদগদ হয়ে গেছে।

    “সে তো তোমাকে একজন প্রাদেশিক ডিকন মনে করছে,” বললো মেরি। “আমি আশা করি তুমি খেয়াল করেছো আমি সোজা বিছানায় চলে এসছি।”

    “তার নাম হার্ভে, সে আমাদের দরকারে কাজে লাগবে। সম্পদে ভাগ বসানোর কোনো উদ্দেশ্য তার নেই।” তাকে দু’হাতে জড়িয়ে ধরলো সে। “আমাকে বাঁচানোর জন্যে ধন্যবাদ,” বললো সে।

    মেরিও তার মুখটা দু’হাতে ধরলো। “তবে আমাকে এভাবে অপেক্ষায় রেখো না আর। আমি পাগল হয়ে যাচ্ছিলাম। আমি কেবল ভাবছিলাম কেউ বুঝি আমাকে দেখে চিনে ফেলবে…হয়তো ভীষণ খারাপ কিছু ঘটে গেছে তোমার।”

    “তুমি ভুলে গেছো আমি দেখতে কি রকম সেটা কেউ জানে না।”

    “এটাকে হিসেবের মধ্যে রেখো না, কথাটা সত্যি নয়। স্টেপডেকস্ট্রাসে চারজন আছে আর গুইসান কুয়ে’তে আছে ঐ বানচোতটা। তারা এখনও বেঁচে আছে, জেসন। তারা তোমাকে দেখেছে।”

    “এটা ঠিক সত্যি নয়। তারা একজন কালো চুলের, ঘাড়ে-মাথায় ব্যান্ডেজ করা লোককে দেখেছে। যে আবার খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাটে। কেবল দু’জন আমার কাছাকাছি এসেছিলো। তৃতীয় তলার ঐ লোকটা আর গুইসানের শুয়োরটা। প্রথম জন কিছু দিনের জন্যে জুরিখ ছাড়তে পারবে না। হাটতে পারবে না সে, তার হাতের অবস্থাও ভালো নয়। দ্বিতীয় জন চোখে টর্চলাইটের আলোর কারণে আমাকে ঠিক মতো দেখতে পারে নি। ধরে নাও, তারা আমাকে দেখে নি।”

    মেয়েটা তাকে ছেড়ে দিয়ে চোখ বড় বড় ক’রে তার দিকে তাকালো। “তুমি নিশ্চিত হতে পারো না। তারা তোমাকে দেখেছে।”

    তোমার চুল বদলে ফেলো…তাহলে বদলে যাবে তোমার মুখটা। পোর্ত নোয়ের ডক্টর জিওফ্রে ওয়াশবার্ন।

    “আমি আবারো বলছি, তারা অন্ধকারে একজন কালো চুলের লোককে দেখেছে। চুল ডাই করার ব্যাপারে তুমি কি কিছু জানো?”

    “আমি সেটা কখনও ব্যবহার করি নি।”

    “তাহলে সকালে একটা দেকান থেকে কিনে আনতে হবে। এখানে ওসব ভালোই পাওয়া যাবে। যারা সোনালী চুলের তারা বেশি ফূর্তি করতে পারে, এটাই তো সবাই বলে, তাই না?”

    মেরি তার মুখের দিকে ভালো ক’রে তাকালো। “আমি কল্পনা করার চেষ্টা করছি তোমাকে কি রকম দেখাবে।”

    “অন্যরকম। খুব বেশি নয়, তবে সেটাই যথেষ্ট।”

    “তোমার কথাই হয়তো ঠিক, আশা করি সেটাই যেনো সত্যি হয়।” জেসনের গালে চুমু খেলো সে। তার আলোচনার সূচনা এটি। “এবার আমাকে বলো কি হয়েছে? এ ব্যাপারে তুমি কি জানলে…ছয় মাস আগের ঘটনাটা?”

    “এটা ছয় মাস আগের নয়, আর সেজন্যেই আমি তাকে খুন করি নি।” সে তাকে সবটাই খুলে বললো কেবল ক্ষণিকের জন্যে তাকে ছেড়ে চলে যাবার ভাবনাটি বাদে। তাকে এটা বলার দরকারও ছিলো না। মেরি নিজেই সেটা বললো।

    “দিন তারিখটা যদি তোমার কাছে এভাবে পরিস্কার না হোতো তবে তুমি আমার কাছে ফিরে আসতে না, আসতে কি?”

    সে মাথা নাড়লো। “সম্ভবত আসতাম না।”

    “অপেক্ষা করার সময় আমিও এটা আন্দাজ করেছিলাম। আমার দম বন্ধ হয়ে আসছিলো তখন। তুমি কি বিশ্বাস করতে পারো?”

    “আমি বিশ্বাস করতে চাই না।”

    “আমিও না, তবে এটাই ঘটেছিলো।”

    তারা পাশাপাশি ব’সে আছে। মেরি বিছানায়, আর জেসন পাশেই একটা চেয়ারে। সে মেরির হাতটা ধরলো। “আমি এখনও নিশ্চিত নই, আমি ওখানে ছিলাম না…আমি লোকটাকে চিনি, তার মুখ আমি দেখেছি। তার খুন হবার আটচল্লিশ ঘণ্টা আগে আমি মার্সেই’তে ছিলাম।”

    “কিন্তু তুমি তাকে খুন করো নি।”

    “তাহলে আমি কেন ওখানে ছিলাম? কেন লোকে মনে করে কাজটা আমি করেছি? হায় ঈশ্বর, আমি তো পাগল হয়ে যাবো!” সে চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়ালো। তার চোখে যন্ত্রণাটা আবার ফিরে এলো। “কিন্তু আমি পাগল নই, তাই না? কারণ, আমি ভুলে গেছি…ভুলে গেছি আমার আগের সব অতীত।”

    “সব প্রশ্নের জবাব তুমি পাবে।”

    “সেটা হয়তো সম্ভব নয়। ওয়াশবার্ন বলেছিলো, এটা হলো ইটগুলোকে আবারো নতুন ক’রে সাজানোর মতো, অন্য কোনো সুড়ঙ্গ…অন্য কোনো জানালা।” জেসন জানালার কাছে গিয়ে নিচে শহরের বাড়িগুলো দেখলো। “দৃশ্যগুলো একরকম নয়। কোথাও না কোথাও লোকজন আমাকে চেনে, আমি তাদেরকে চিনি। ওহ্ ঈশ্বর, হয়তো বউ-বাচ্চাও আছে—আমি জানি না। আমি বাতাসে ভাসছি, আর যখনই মাটিতে নেমে আসছি সঙ্গে সঙ্গে আমাকে শূন্যে ছুড়ে ফেলা হচ্ছে আবার।”

    “আকাশে?” মেরি জানতে চাইলো।

    “হ্যা।”

    “তুমি একটা প্লেন থেকে ঝাঁপ দিয়েছো,” সে বললো। প্রশ্ন নয়, যেনো এমনিতেই।

    বর্ন ঘুরে তাকালো। “আমি তোমাকে এ কথা কখনও বলি নি।”

    “অন্য এক রাতে ঘুমের মধ্যে তুমি বলেছিলো। তোমার শরীর ঘেমে মুখটা লাল হয়ে যাচ্ছিলো। তোয়ালে দিয়ে আমি তোমার মুছে দিয়েছিলাম তখন।”

    “তুমি কেন কিছু বলো নি?”

    “বলেছি, অন্যভাবে। আমি জানতে চেয়েছিলাম, তুমি কি একজন পাইলট ছিলে? অথবা আকাশে উড়তে তোমার কি অস্বস্তি লাগে। বিশেষ ক’রে রাতের বেলায়।”

    “আমি জানি না তুমি কি বলছো। তুমি আমাকে চাপাচাপি করো নি কেন?”

    “আমি ভয়ে ছিলাম। তুমি তখন হিস্টিরিয়গ্রস্ত ছিলে। এরকম কাউকে কিভাবে সামলাতে হয় আমি জানি না। আমি তোমাকে স্মরণ করার ব্যাপারে সাহায্য করতে পারি, তবে আমি তোমার অচেতন অবস্থার ব্যাপারে কিছু করতে পারি না। আমার মনে হয় না ডাক্তার ছাড়া এটা কেউ করতে পারবে।”

    “ডাক্তার? আমি প্রায় ছয় মাস একজন ডাক্তারের সাথেই ছিলাম।”

    “তার সম্পর্কে তুমি আমাকে যা বলেছো তাতে আমার মনে হচ্ছে অন্য আরেকজনকে দেখানো দরকার।”

    “দেখাবো না!” একটু রেগেই বললো। কিন্তু নিজের রাগের কারণটা নিজেই বুঝতে পারলো না সে।

    “কেন দেখাবে না?” মেরি বিছানা থেকে উঠে দাঁড়ালো। “তোমার সাহায্যের দরকার, ডার্লিং। হয়তো একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ – “

    “না!” সে চিৎকার ক’রে বললো। যেনো ঘাবড়ে গেছে। “আমি সেটা করবো না। আমি পারবো না।”

    “আমাকে বলবে কি, কেন?” শান্ত কণ্ঠে জানতে চাইলো সে।

    “আমি…আমি এটা করতে পারবো না।”

    “খালি বলো কেন, আর কিছু না।”

    বর্ন তার দিকে চেয়ে রইলো। তারপর মুখটা সরিয়ে বাইরের দৃশ্য দেখতে লাগলো জানালা দিয়ে। “কারণ আমি ভয় পাচ্ছি। কেউ মিথ্যে বলেছে। আর সেজন্যে আমি কৃতজ্ঞ। কিন্তু ধরো কোনো মিথ্যে বলা হয় নি, সবটাই সত্যি। তখন আমি কি করবো?”

    “তুমি কি বলতে চাচ্ছো, তুমি খুঁজে বের করতে চাচ্ছো না?”

    “ঠিক সেটা নয়!” সে উঠে দাঁড়িয়ে জানালার পাশে দাঁড়ালো। তার চোখ এখনও বাইরের দিকে। “আমাকে বোঝার চেষ্টা করো,” বললো সে। “আমাকে কিছু জিনিস জানতে হবে…সিদ্ধান্ত নেবার জন্যে যতোটুকু দরকার…তবে, হয়তো সবকিছু নয়। কিছু অংশ জানলেই চলবে। আমার কোনো স্মৃতি নেই। যে লোকের কোনো স্মৃতি নেই তার অস্তিত্বও নেই…অন্তত তার কাছে।” মেরির দিকে ফিরে তাকালো বর্ন।

    “আমি তোমাকে যেটা বলার চেষ্টা করছি তাহলো, হয়তো এভাবেই এটা ভালো হয়ে যাবে।”

    “তুমি আলামত চাও, কোনো প্রমাণ চাও না। এটাই কি তুমি বলছো?”

    “আমি চাই একটা তীর এদিকে নয়তো ওদিকে নির্দেশ করা আছে, আমাকে বলবে আমি দৌড়াবো নাকি দৌড়াবো না।”

    “তোমাকে বলবে। আমাদের ব্যাপারটার কি হবে?”

    “সেটার জবাব তীরটার সাথেই পাওয়া যাবে। তাই না? তুমিও সেটা জানো।”

    “তাহলে চলো খুঁজে বের করি,” মেরি জবাবে বললো।

    “সাবধান। সত্যটা কি সেটার সাথে হয়তো খাপ খাওয়াতে পারবে না।”

    “আমি তোমার সাথে থাকতে পারবো। আমি আসলেই পারবো।” সে তার কাছে এসে তার মুখটা ধরলো। “আসো। এখন অনটারিও’তে পাঁচটা বাজে। পিটারকে অফিসেই পাওয়া যাবে। সে ট্রেডস্টোনের খোঁজ শুরু করতে পারবে… এখানকার অ্যাম্বাসির একজনের নামও সে দিতে পারবে, যে আমাদেরকে দরকারে সাহায্য করতে পারবে।”

    “তুমি পিটারকে বলবে তুমি প্যারিসে আছো?”

    “না বললেও অপারেটরের কাছ থেকে সে এটা জেনে নিতে পারবে। তবে কলটা ট্রেস করে এই হোটেলের সন্ধান করা যাবে না। তাই এ নিয়ে ভাববে না। আমি সব কথাই গোপন রাখবো। আমি কয়েক দিনের জন্যে প্যারিসে এসেছি কারণ লিঁও’তে আমার আত্মীয়-স্বজনেরা একেবারেই বিরক্তিকর লাগছে, সে এটা বিশ্বাস করবে।”

    “সে কি এখানকার অ্যাম্বাসির কাউকে চিনবে?”

    “পিটারের সব জায়গাতেই পরিচিত লোকজন রয়েছে। এটা তার সবচাইতে কার্যকরী তবে কম আকর্ষণীয় দিক।”

    “কথা শুনে মনে হচ্ছে তার পরিচিত লোক আছে।” বর্ন তাদের দু’জনের কোটটা হাতে তুলে নিলো। “তুমি কল করার পরই আমরা ডিনার করবো। মনে হয় আমাদের দু’জনের একটু ড্রিংক করা দরকার।”

    “চলো রুই মেদেলিনের ব্যাঙ্কে যাই। একটা জিনিস দেখতে চাই আমি।”

    “রাতের বেলায় তুমি কি দেখতে পাবে?”

    “একটা টেলিফোন বুথ। আশা করি ব্যাংকের কাছেই ওরকম একটা আছে।”

    “আছে। ঢোকার মুখেই আছে।”

    .

    টরটয়েজ-শেল চশমা পরা লম্বা সোনালী চুলের লোকটা রুই মেদেলিনের রোদের মধ্যে দাঁড়িয়ে হাত ঘড়িটা দেখলো। পেভমেন্টটা জনাকীর্ণ। পথঘাটের যানবাহনের আধিক্য একেবারে প্যারিসের মতোই। টেলিফোন বুথে ঢুকেই ফোনটা তুলে নিলো সে। ফোনটা ক্রেডল থেকে নামানো ছিলো ব’লে লাইনটা বন্ধ ছিলো। এটা অন্য কোনো ব্যবহারকারীকে বলে দিয়েছে ফোনটা খালি নেই। বুথটা দখল হবার সম্ভাবনাকে এটা কমিয়ে দিয়েছে। কাজ হয়েছে এতে।

    আবারো তার ঘড়ির দিকে তাকালো সে। সময় শুরু হয়ে গেছে। মেরি আছে ব্যাঙ্কের ভেতরে, পাঁচ মিনিটের মধ্যেই ফোন করবে সে। তার কাছে থাকা কয়েকটা কয়েন ফোনের পাশে রেখে দিলো। তার চোখ রাস্তার ওপারে ব্যাঙ্কের দিকে। মেঘের কারণে রোদটা ম্রিয়মান হয়ে গেলে বুথের কাঁচে সে নিজের প্রতিবিম্ব দেখতে পেলো। মতোপারোয়ার হেয়ারড্রেসার তার চুল সোনালী রঙ ক’রে দিয়েছে। আয়নায় সেটা আবার দেখে সন্তুষ্ট হলো সে। মেঘ সরে গিয়ে রোদ উঁকি মারতেই ফোনটা বেজে উঠলো।

    “তুমি? মেরি সেন জ্যাক বললো।

    “হ্যা, আমি,” বললো বর্ন।

    “নাম আর অফিসের অবস্থানটি নিশ্চিত কোরো যাতে সে বুঝতে পারে তুমি একজন আমেরিকান। তুমি বলবে তুমি প্যারিসের ফোনের ব্যপারে অভ্যস্ত নও। তারপর যেটা যেটা করতে হবে করবে। আমি ঠিক পাঁচ মিনিট পরে আবার ফোন করবো।”

    “ঠিক আছে।”

    “ও.কে…গুডলাক।”

    “ধন্যবাদ।” জেসন লাইনটা কেটে দিয়ে স্মৃতি থেকে আরেকটা নাম্বার ডায়াল করলো।

    “লা ব্যাঙ্ক দ্য ভালোয়া। বজুখ।”

    “আমার একটু সাহায্য লাগবে,” বর্ন বললো। “কিছুদিন আগে আমি সুইজারল্যান্ড থেকে বেশ মোটা অংকের টাকা ট্রান্সফার করেছি। আমি জানতে চাচ্ছি টাকাগুলো জমা হয়েছে কিনা।”

    “এটা আমাদের ফরেন সার্ভিস ডিপার্টমেন্ট দেখে, স্যার। আমি আপনাকে সেখানে কানেক্ট করে দিচ্ছি।”

    একটা ক্লিক্ হবার পর আরেকটা মেয়ে বললো, “ফরেন সার্ভিস।”

    জেসন তার অনুরোধটি আবারো জানালো।

    “আপনার নামটা বলবেন কি?”

    “এটা বলার আগে আমি ব্যাঙ্কের একজন অফিসারের সঙ্গে কথা বলাটাই বেশি পছন্দ করবো।”

    “বেশ, তবে আমি আপনাকে ভাইস প্রেসিডেন্টের লাইনে সংযোগ দিয়ে দিচ্ছি।”

    ভাইস প্রেসিডেন্ট মঁসিয়ে দামাকোর্তের সেক্রেটারি একটু কম সাহায্যকারী বলেই মনে হলো। ব্যাঙ্ক অফিসারের স্ক্রিনিং প্রসেসটা চালু হয়ে গেছে, যেমনটি মেরি অনুমান করেছিলো। তাই বর্ন আরেকবার মেরির কথাগুলো ব্যবহার করলো। “আমি জুরিখ থেকে একটি ট্রান্সফারের ব্যাপারে জানতে চাচ্ছি। ব্যানহফস্ট্রাসের গেইমেনশেফট ব্যাংক থেকে করা হয়েছিলো। টাকার অঙ্কটা সাত সংখ্যার। মঁসিয়ে দামাকোর্ত, দয়া ক’রে একটু তাড়াতাড়ি করুন। আমার হাতে সময় কম।”

    আর বেশি দেরি করাটা সেক্রেটারির পক্ষে সম্ভব হলো না। হতভম্ব ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্টের কণ্ঠটা লাইলে শোনা গেলো।

    “আমি কি আপনাকে সাহায্য করতে পারি?”

    “আপনি কি দামাকোর্ত?” জেসন জানতে চাইলো।

    “আমি আঁতোয়া দামাকোর্ত বলছি। আপনি কে বলছেন?”

    “বেশ! জুরিখেই আপনার নামটা আমার দেয়া উচিত ছিলো। পরের বার আমি অবশ্যই ভুল করবো না,” বর্ন বললো। তার বাচনভঙ্গীতে আমেরিকান টান।

    “ক্ষমা করবেন, বুঝতে পারলাম না? আপনি কি ইংরেজিতে কথা বলতে বেশি স্বস্তিবোধ করবেন, মঁসিয়ে?”

    “হ্যা,” জবাব দিলো জেসন। “এই শালার ফোনটা নিয়ে আমি বেশ সমস্যায় পড়ে গেছি।” ঘড়ির দিকে তাকালো সে। তার হাতে দু’মিনিটেরও কম সময় আছে। “আমার নাম বর্ন, জেসন বর্ন। আট দিন আগে আমি সাড়ে চার মিলিয়ন ফ্রাঁ জুরিখের গেইমেনশেফট ব্যাংক থেকে ট্রান্সফার করেছিলাম। তারা আমাকে আশ্বস্ত করেছিলো এই লেনদেনটা গোপন থাকবে।”

    “সব ধরণের লেনদেনই গোপন থাকে, স্যার।”

    “দারুণ। আমি জানতে চাচ্ছি, সব কি ঠিক আছে?”

    “আমাকে একটু খুলে বলতে হবে,” ব্যাঙ্ক অফিসার বলতে লাগলো। “টেলিফোনে এইরকম লেনদেনের ব্যাপারে কথা বলাটা ঠিক হবে না।”

    মেরি ঠিকই বলেছিলো। তার যুক্তিটা জেসনের কাছে পরিস্কার হলো এখন।

    “আমিও তাই আশা করি, তবে আমি আপনার সেক্রেটারিকে তো বলেছিই, আমার খুব তাড়া আছে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আমি প্যারিস ছাড়ছি। আমাকে সবকিছু ঠিক ক’রে যেতে হবে।”

    “তাহলে আমি আপনাকে ব্যাঙ্কে আসতে বলবো, স্যার।”

    “আমি জানি সেটা,” বর্ন সন্তুষ্ট হয়ে বললো। কারণ মেরি যেমনটি বলেছিলো কথাবার্তা সেদিকেই যাচ্ছে। “আমি কেবল এসে সবকিছু প্রস্তুত দেখতে চাই। আপনার অফিসটা কোথায়?”

    “মেইন ফ্লোরেই, মঁসিয়ে। গেটটা পেরিয়ে পেছন দিকে। মাঝখানের দরজাটা। একজন রিসেপশনিস্ট আছে ওখানে।”

    “আমি কেবল আপনার সাথেই কথা বলবো, ঠিক আছে?”

    “আপনি যেমনটি চান, যদিও অন্য অফিসার—”

    “দেখুন মিস্টার,” কর্কশ আমেরিকানটি বললো, “আমরা সাড়ে চার মিলিয়ন ফ্রাঁ নিয়ে কথা বলছি।”

    “ঠিক আছে। কেবল আমার সাথেই, মঁসিয়ে বর্ন।”

    “চমৎকার,” জেসন ক্রেডলে হাত রেখে বললো। পনেরো সেকেন্ড রয়েছে তার। “দেখুন, এখন ২টা ৩৫ বাজে—” সে লিভারে দু’বার চাপ দিয়ে লাইনটা বিঘ্ন সৃষ্টি করলো তবে বিচ্ছিন্ন করলো না।

    “হ্যালো? হ্যালো?”

    “এই তো আমি, মঁসিয়ে।”

    “বালের ফোন! শুনুন, আমি—” সে আবারো চাপ দিয়ে বিঘ্ন সৃষ্টি করলো। এবার পরপর তিনবার। “হ্যালো? হ্যালো?”

    “মঁসিয়ে, প্লিজ—আপনি যদি আপনার ফোন নাম্বারটা আমাকে দিতেন?”

    “অপারেটর? অপারেটর?”

    “মঁসিয়ে বর্ন, প্লিজ—

    “আমি আপনার কথা শুনতে পাচ্ছি না!” চার সেকেন্ড, তিন সেকেন্ড, দুই সেকেন্ড। “একটু দাঁড়ান। আপনাকে আমি পরে ফোন করছি।” সে ফোনটা রেখে দিলো। তিন সেকেন্ড পরে ফোনটা আবার বেজে উঠলে তুলে নিলো সে। “তার নাম দামাকোর্ত, মেইন ফ্লোরে তার অফিস, পেছনের দিকে। মাঝখানের দরজাটা।”

    “ঠিক আছে,” কথাটা বলেই মেরি ফোনটা রেখে দিলো।

    বর্ন আবারো ব্যাঙ্কে ফোন করলো।

    “জো পারলে আভেক, মঁসিয়ে দামকোর্ত, কোয়ানন্দ অন মা ক্যু…”

    “জো রিগরেও, মঁসিয়ে।”

    “মঁসিয়ে বর্ন?”

    “দামাকোর্ত?”

    “হ্যা—আপনার এ রকম সমস্যা হচ্ছে ব’লে আমি খুবই দুঃখিত। আপনি বলছিলেন, সময়ের ব্যাপারে?”

    “ওহ্, হ্যা। এখন প্রায় ২টা ৩০ বাজে। আমি ৩টার মধ্যে পৌঁছে যাবো।”

    “আপনার অপেক্ষায় থাকবো আমি, মঁসিয়ে।”

    জেসন ফোনটা ঝুলিয়ে রেখে বুথ থেকে বের হয়ে দ্রুত হাটতে লাগলো জনাকীর্ণ সামনের দোকানগুলোর দিকে। ঘুরে দেখলো সে। অপেক্ষা করলো। তার চোখ রাস্তার ওপারে ব্যাঙ্কের দকে। সামনের বিশ মিনিট বলে দেবে মেরির কথা ঠিক না বেঠিক। তার কথা সত্যি হলে রুই মেদেলিনে কোনো সাইরেন বাজবে না।

    .

    হালকা পাতলা মেয়েটি, বড়সড় টুপির কারণে যার মুখের অনেকটা অংশ ঢেকে আছে, সে ব্যাংকের প্রবেশপথের পাশে পাবলিক ফোন বুথে ঢুকলো। পার্স থেকে একটা বাক্স বের ক’রে মেকআপটা চেক ক’রে পার্সটা বন্ধ ক’রে বুথ থেকে আবার বের হয়ে ব্যাংকের মেইন ফ্লোরের দিকে পা বাড়ালো সে। মাঝখানের কাউন্টারে এসে একটা বল পয়েন্ট কলম তুলে নিয়ে ওখান থেকে একটা ফর্মে অর্থহীন কিছু সংখ্যা লিখতে শুরু করলো। দশ ফিট দূরে একটা ছোট্ট পিতলের দরজা। দরজার ওপাশে একটা ডেস্ক। সেখানে হিসাবরক্ষক আর কতিপয় লোক ব’সে আছে। তাদের পেছনে রয়েছে সেক্রেটারিদের ডেস্কগুলো—সব মিলিয়ে পাঁচটি—পেছনের পাঁচটি দরজার সামনে।

    মাঝখানের দরজার উপরে সোনালী রঙের অক্ষরগুলোর দিকে তাকালো মেরি।

    এম.এ. আর. দামাকোর্ত
    ভাইস প্রেসিডেন্ট
    কমতে অ্য লেতরোগা অত্‌ দিভাইসে

    যেকোনো সময় এটা হবে—তার কথা যদি ঠিক হয়ে থাকে। আর তার কথা ঠিক হলে তাকে জানতে হবে মঁসিয়ে এম. এ.আর দামাকোর্ত দেখতে কেমন। ঐ লোকের কাছেই জেসন যাবে। তার কাছে যাও, কথা বলো। তবে ব্যাংকে নয়।

    এটা ঘটলো। হিসেব মতোই সব হচ্ছে। দামাকোর্তের অফিসের সামনে বসা সেক্রেটারি মেয়েটা তাড়াহুড়া ক’রে নোটপ্যাড হাতে ভেতরে ঢুকলো। ত্রিশ সেকেন্ড পরে আবার বের হয়ে এসে ফোনটা তুলে নিলো সে। তিনটি নাম্বার ডায়াল করলো সে—ইন্টারকম নাম্বার—নিজের প্যাড থেকে দেখে কথা বললো।

    দুই মিনিট পার হয়ে গেলো এভাবে। দামাকোর্তের অফিসের দরজা খুলে গেলে দেখা গেলো ভাইস প্রেসিডেন্ট কাজে দেরি হবার জন্যে তাড়া দিচ্ছে। সে মধ্যবয়সী এক লোক, কিন্তু মুখটা বয়সের তুলনায় বেশি বয়স্ক। তবে হাটাচলা দেখে কম বয়সী ব’লে মনে হয়। তার মাথার পাতলা চুল সুন্দর ক’রে আঁচড়ানো। টাক অংশটা ঢেকে রাখা হয়েছে। তার চোখ দুটো ছোটো ছোটো। প্রচুর ভালো মদ খাওয়ার কারণে আরো ছোটো হয়ে গেছে। তবে চোখ দুটোতে কর্তৃত্বের বর্হিপ্রকাশ রয়েছে। সে তার সেক্রেটারিকে উচ্চস্বরে কী যেনো বললে মেয়েটা নিজের চেয়ারে ব’সে দ্রুত কম্পোজ করার চেষ্টা করতে লাগলো।

    দামাকোর্ত তার অফিসের দরজা বন্ধ না করেই ফিরে গেলো নিজের অফিসে। রাগী বেড়ালটার খাঁচা খোলা থাকলো। পার হলো আরেক মিনিট। সেক্রেটারি বার বার তার ডান দিকে তাকাচ্ছে। কিছু একটার দিকে তাকাচ্ছে সে। যখন সে ওটা দেখতে পেলো স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে চোখ দুটো বন্ধ করলো।

    দূরের বাম দিকের দেয়ালে একটা সবুজ বাতি আচম্‌কা জ্বলে উঠেছে। একটা লিফট ব্যবহার করা হচ্ছে। কিছুক্ষণ পরে দরজা খুলে গেলে বয়স্ক আর অভিজাত দেখতে এক লোক বের হয়ে এলো। তার হাতে ছোট্ট একটা কালো কেস্। মেরি সেটার দিকে দিকে তাকালো। সন্তুষ্ট আর ভীতি একসঙ্গে অনুভব করছে সে। তার অনুমানই ঠিক। কালো কেস্‌টা থেকে একটা কনফিডেনশিয়াল ফাইল সরানো হয়েছে গার্ডরুমের ভেতর থেকেই। আর সেটা ছেড়ে দেয়া হয়েছে এমন একজন লোকের মাধ্যমে যে সমালোচনা অথবা প্রলুব্ধের ঊর্ধে—বয়স্ক লোকটা দামাকোর্তের অফিসের দিকে পা বাড়ালো।

    সেক্রেটারি তাকে দেখেই চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়ে অভ্যর্থনা জানিয়ে দামাকোর্তের অফিসে নিয়ে গেলো তাকে। ঘরে পৌঁছে দিয়েই সে বের হয়ে এসে দরজাটা বন্ধ ক’রে দিলো।

    মেরি এক পলকে তার হাত ঘড়িটা দেখে নিলো। আরেক টুকরো আলামত চাইছে সে। যদি এটা ঘটে, তো খুব জলদিই ঘটবে।

    মেরি গেটের কাছে গিয়ে তার পার্সটা খুলে রিসেপশনিস্টের দিকে তাকিয়ে বোকার মতো হেসে ফেললো। মেয়েটা ফোনে কথা বলছে। মেয়েটার কাছে দামাকোর্তের নাম বলে গেটের কাছে গিয়ে দরজাটা খুলে খুব দ্রুত ভেতরে ঢুকে পড়লো সে।

    “ক্ষমা করবেন, মাদাম- রিসেপশনিস্ট ফোনে হাত চাপা দিয়ে ফরাসিতে বললো, “আমি আপনাকে কি সাহায্য করতে পারি?”

    মেরি আবারো নামটা বললো – এখন একজন ভদ্র ক্লায়েন্ট সে, অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্যে দেরি ক’রে ফেলেছে, আর ব্যস্ত কোনো কর্মচারীর জন্যে আরো দেরি হোক সেটা কোনোমতেই সে চাইছে না। “মঁসিয়ে দামাকোর্ত! আমার আশংকা আমার দেরি হয়ে গেছে। আমি তার সেক্রেটারির সাথে দেখা করবো।” বলতে বলতে সেক্রেটারির ডেস্কের দিকে এগোলো সে।

    “প্লিজ মাদাম,” রিসেপনশনিস্ট পেছন থেকে ডাকলো তাকে। “আমি— ইলেক্ট্রক টাইপরাইটার আর মানুষের চাপা কণ্ঠস্বরের আড়ালে হারিয়ে গেলো কথাটা। মেরি হতভম্ব সেক্রেটারির দিকে এগোলো, সেও রিসেপশনিস্টের মতোই বিস্মিত।

    “হ্যা? আমি আপনাকে কি সাহায্য করতে পারি?”

    “মঁসিয়ে দামাকোর্ত, প্লিজ।”

    “উনি তো কনফারেন্সে আছেন, মাদাম। আপনার কি অ্যাপয়েন্টমেন্ট আছে?”

    “ওহ্ হ্যা, অবশ্যই,” নিজের পার্সটা আবারো খুলে বললো মেরি। সেক্রেটারি তার ডেস্কে টাইপ করা শিডিউলটার দিকে তাকালো। “আমি দুঃখিত, এই সময়ে তালিকায় কারো দেখা করার উল্লেখ নেই।”

    “ওহ্, কী আজব দুনিয়া!” ভালোয়াঁ ব্যাঙ্কের হতাশ ক্লায়েন্ট অবাক হয়ে বললো। “এইমাত্র খেয়াল করলাম। অ্যাপয়েন্টমেন্টটা আসলে আগামীকালকে। আজকে নয়। আমি দুঃখিত।”

    ঘুরে আবারো গেটের দিকে ফিরে গেলো সে। তার যা দেখার সেটা সে দেখে ফেলেছে। আলামতের শেষ অংশটা। দামাকোর্তের টেলিফোনের একটা বাতি জ্বলে উঠলো। সেক্রেটারির কাছে সেটা বাইপাস ক’রে দিয়ে বাইরে একটা কল করলো সে। জেসন বর্নের একাউন্টটার সাথে নির্দিষ্ট এবং গোপন নির্দেশ সংযুক্ত করা আছে। যা একাউন্ট হোল্ডারের কাছে প্রকাশ করা হবে না।

    একটা দোকানের ছাউনীর নিচে দাঁড়িয়ে বর্ন তার হাত ঘড়িটার দিকে তাকালো। ২টা ৪৯ বাজে। ব্যাঙ্কের সামনের টেলিফোন বুথে ফিরে আসবে মেরি। পরের কয়েক মিনিটই তাদেরকে প্রশ্নের জবাব দিয়ে দেবে। সম্ভবত মেয়েটা ইতিমধ্যেই সেটা জেনে গেছে।

    সে দোকানটার বাম দিকের জানালার সামনে এসে দাঁড়ালো ব্যাঙ্কের দিকে চোখ রেখেই। একজন ক্লার্ক তার দিকে চেয়ে হাসলে তার মনে পড়ে গেলো সব ধরণের মনোযোগ এড়িয়ে যেতে হবে। সিগারেটের প্যাকেট বের ক’রে একটা সিগারেট ধরালো সে। নিজের ঘড়ির দিকে আবারো তাকালো। তিনটা বাজতে আট মিনিট বাকি।

    এরপরই তাকে দেখতে পেলো সে। তাকে। তিনজন কেতাদূরস্ত পোশাক পরা লোক রুই মেদেলিনের দিকে একসঙ্গে হেটে আসছে। একে অন্যের সঙ্গে কথা বলছে তারা। তাদের চোখ সরাসরি সামনের দিকে। তারা তাদের সামনে ধীরেসুস্থে হাটতে থাকা লোকজনকে অতিক্রম ক’রে এগিয়ে আসছে। ‘এক্সকিউজ মি’ বলে সৌজন্যতা দেখাচ্ছে তারা, যা প্যারিসিয়ান ব’লে মনে হচ্ছে না। জেসন মাঝখানের লোকটার দিকে মনোযোগ দিলো। লোকটার নাম জোহান। এটাই সে-ই লোক।

    জোহানকে ভেতরে যাবার ইশারা করা হলো। আমরা তাদের জন্যে ফিরে আসবো। একজন লম্বা আর শক্তসামর্থ্য লোক গোল্ডরিম চশমা পরে আছে। সেই লোকটা স্টেপডেকস্ট্রাসে কথা বলেছিলো। জোহান। তারা তাকে জুরিখ থেকে এখানে পাঠিয়েছে। সে জেসন বর্নকে দেখে ফেললো। আর এটাই তাকে কিছু একটা বললো : কোনো ছবি মনের পর্দায় ভেসে উঠলো না এবার।

    তিনজন লোক প্রবেশপথের কাছে পৌঁছে গেলে জোহান এবং তার ডান পাশে লোকটা ভেতরে ঢুকে গেলো; তৃতীয় লোকটা থাকলো দরজার বাইরে।

    বর্ন টেলিফোন বুথের দিকে পা বাড়ালো। তাকে আরো চার মিনিট অপেক্ষা করতে হবে, তারপর তার শেষ কলটা করতে হবে আঁতোয়া দামাকোর্তকে।

    সিগারেটটা বুথের বাইরে ফেলে পা দিয়ে পিষে দরজাটা খুললো সে।

    “মঁসিয়ে,” পেছন থেকে একজন বললো। জেসন ঘুরে তাকাতেই তার দম বন্ধ হবার জোগার। একলোক দাঁড়িয়ে আছে। কিন্তু তাকে চেনা চেনা লাগছে না।

    “লো তেলিফোনে ইন লো মার্শে পা। রিগার্দেজ লা ফোর্সে।

    “মাখসি, বুঁয়ো। জো ভে ইসায়ে কোয়ান্দ মেমে।”

    লোকটা কাঁধ ঝাঁকিয়ে চলে গেলে বর্ন ভেতরে ঢুকে পড়লো। চার মিনিট পার হয়ে গেছে। পকেট থেকে কয়েন বের ক’রে ডায়াল করলো সে।

    “লা ব্যাঙ্ক দা ভালোয়াঁ। বখ।”

    দশ সেকেন্ড পরে দামাকোর্ত ফোনে এলো। তার কণ্ঠটা ফ্যাসফ্যাসে শোনাচ্ছে। “আপনি বলছেন, মঁসিয়ে বর্ন? আমার মনে হয় আপনি বলেছিলেন আপনি আমার অফিসে আসছেন।”

    “পরিকল্পনায় একটু রদবদল হয়ে গেছে। আমি আপনাকে আগামীকাল ফোন করবো।” বুথের কাঁচ দিয়ে বর্ন দেখতে পেলো আচমকা একটা গাড়ি ব্যাংকের সামনে এসে থামলো। তৃতীয় যে লোকটা বাইরের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে আছে গাড়ির ড্রাইভারকে মাথা নেড়ে ইশারা করলো সে।

    “—আমি কি করতে পারি?” দামাকোর্ত জানতে চাইলো।

    “কি বললেন?”

    “না, মানে জানতে চাইছিলাম, আমি কি আপনাকে কোনো সাহায্য করতে পারি? আমার কাছে আপনার একাউন্টটা আছে। সব কিছু আপনার জন্যে প্রস্তুত ক’রে রাখা হয়েছে।”

    আমিও সে ব্যাপারে নিশ্চিত, বর্ন ভাবলো। কৌশলটাতে কাজ হয়েছে। “দেখুন, আমাকে আজ বিকেলেই লন্ডনে যেতে হবে। আমি আগামীকাল ফিরে আসছি একটা শাটল ফ্লাইটে ক’রে। সব প্রস্তুত ক’রে রাখুন, ঠিক আছে?”

    “লন্ডনে, মঁসিয়ে?”

    “আমি আপনাকে আগামীকাল ফোন করবো। আমাকে অরলিতে যাবার জন্যে একটা ক্যাব খুঁজতে হবে।” ফোনটা রেখে ব্যাঙ্কের প্রবেশপথের দিকে তাকালো সে। আধ মিনিটেরও কম সময়ের মধ্যে জোহান আর তার সঙ্গী দৌড়ে ব্যাংক থেকে বাইরে চলে এলো। তারা তৃতীয় লোকটার সাথে কথা বলছে, তারপর অপেক্ষারত গাড়িতে উঠে বসলো সবাই।

    খুনিদের গাড়ির গন্তব্য এখন অরলি বিমানবন্দর। জেসন গাড়ির নাম্বার প্লেটটা দেখে নাম্বারগুলো মুখস্ত ক’রে রাখলো। এরপর দ্বিতীয় ফোনটা করলো সে। ব্যাঙ্কের পে-ফোনটা যদি ব্যবহৃত না থাকে তবে রিং হতেই মেরি ফোন তুলে নেবে। তাই হলো।

    “হ্যা?”

    “কিছু দেখেছো?”

    “অনেক। দামাকোর্ত হলো তোমার সেই লোক।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্বপ্নবাসবদত্তা – ভাস
    Next Article কন্ট্রোল (বেগ-বাস্টার্ড ৭) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    Related Articles

    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    দ্য দা ভিঞ্চি কোড – ড্যান ব্রাউন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    অরিজিন – ড্যান ব্রাউন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    নেমেসিস (বেগ-বাস্টার্ড – ১) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    কন্ট্রাক্ট (বেগ-বাস্টার্ড ২) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    নেক্সাস (বেগ-বাস্টার্ড ৩) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }