Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বর্ন আইডেন্টিটি – রবার্ট লুডলাম

    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন এক পাতা গল্প722 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বর্ন আইডেন্টিটি – ১৬

    অধ্যায় ১৬

    নিরবতাটি ঠিক পাঁচ সেকেন্ড ক্ষণস্থায়ী হলো, সেই সময়ে চোখগুলো ঘুরে বেড়ালো একে অন্যের উপর। কয়েকজন গলা খাকারি দিলো, কিন্তু কেউ চেয়ার থেকে নড়লো না। এটা এমন, যেনো কোনো রকম আলোচনা ছাড়াই একটা সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে। টেনিসির পাহাড় থেকে নেমে আসা কংগ্রেসম্যান এফরেম ওয়াল্টার্সকে খুব সহজে এড়িয়ে যাওয়া গেলো না। আজেবাজে জিনিসগুলো বেরিয়ে পড়লো ঠিকই।

    তার পাইপটা টেবিলে নামিয়ে রাখলো ডেভিড অ্যাবোট। “কেইনের মতো লোক সম্পর্কে জনগণ যতো কম জানবে আমাদের ততোই মঙ্গল।”

    “এটা তো আমার প্রশ্নের জবাব হলো না,” ওয়াল্টার্স বললো। “তবে আমি ধারণা করছি এটা কেবল প্রশ্নের উত্তরটার শুরু।”

    “সেটাই। সে একজন পেশাদার গুপ্তঘাতক—খুবই প্রশিক্ষিত—জীবনসংহার করার পদ্ধতি জানা একজন বিশেষজ্ঞ। এই অভিজ্ঞতা আর বিশেষ জ্ঞানটি বিক্রির জন্যে; কোনো রাজনৈতিক অথবা ব্যক্তিগত অনুরক্ত নিয়ে মাথা ঘামায় না সে। তার একমাত্র কাজ হলো মুনাফা করা—আর তার মুনাফা সরাসরি তার সুনামের সাথে আনুপাতিক হারে বাড়ে।”

    কংগ্রেসম্যান মাথা নেড়ে সায় দিলো। “তাহলে এই সুনামটি চেপে রেখে আপনারা মুক্ত প্রচার আর বিজ্ঞাপনকে রোধ ক’রে রেখেছেন।”

    “ঠিক। পৃথিবীতে অনেক ম্যানিয়াক আছে যাদের সত্যিকার অথবা কল্পিত শত্ৰু রয়েছে, তারা যদি তার সম্পর্কে জানতে পারে তবে খুব সহজেই কেইনের দ্বারস্থ হবে। দুর্ভাগ্যবশত, সেটা হয়েও গেছে। আজ পর্যন্ত সরাসরি আটত্রিশটি খুন করেছে কেইন, আর বারো থেকে পনেরোটির ব্যাপারে তাকে সন্দেহ করা হয়।”

    “এটা হলো তার ‘কর্ম সম্পাদনের’ তালিকা?”

    “হ্যা। আর আমরা যুদ্ধে হেরে যাচ্ছি। প্রত্যেকটি নতুন খুন তার সুনামকে আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে।”

    “কিছুদিনের জন্যে লুকিয়ে ছিলো সে। একেবারে নিষ্প্রভ ছিলো,” সিআইএ’র নোলটন বললো। “তখন আমরা ভেবেছি সে বুঝি মারাই গেছে। খুনিরা অনেক ক্ষেত্রে আত্মহত্যাও ক’রে থাকে। ভেবেছিলাম সে হয়তো তাই করেছে।”

    “যেমন?” ওয়াল্টার্স জানতে চাইলো।

    “মাদ্রিদের একজন ব্যাংকার যে আফ্রিকায় সরকারী ক্রয় সংক্রান্ত কাজে ইউরোপোলিটান কর্পোরেশনের পক্ষে ঘুষের টাকা দিতো, তাকে পসিয়ো দ্য লা কাস্তেলানা’য় এক চলন্ত গাড়ি থেকে গুলি করা হয়। এক ড্রাইভার কাম দেহরক্ষী তাকে এবং খুনি, উভয়কেই গুলি ক’রে হত্যা করে। কিছুদিন আমরা বিশ্বাস করেছিলাম খুনটা কেইন করেছে।”

    “ঘটনাটা আমার মনে আছে। এর জন্যে কে টাকা দিয়েছিলো?”

    “যেকোনো কোম্পানি হতে পারে,” জিলেট জবাব দিলো। “যারা গোল্ডপ্লেটেড গাড়ি আর ইনডোর সরঞ্জাম স্বৈরাচারদের কাছে বিক্রি করতে চায়।”

    “আর কি? আর কারা?”

    “ওমানের শেখ মুস্তাফা কালিগ,” কর্নেল ম্যানিং বললো। “সে একটা ব্যর্থ ক্যু’য়ে নিহত হয়।”

    “তা নয়,” অফিসার বললো। “কোনো ক্যু প্রচেষ্টা ছিলো না, জি-টু ইনফর্মাররা সেটা নিশ্চিত করেছে। কালিগ মোটেও জনপ্রিয় ছিলো না, তবে অন্য শেখেরা বোকা নয়। ক্যু’য়ের গল্পটা আসলে গুপ্তহত্যাকে আড়াল করার জন্যে বলা হয়েছে, যা অন্য পেশাদার খুনিদেরকে প্রলুব্ধ করেছে। এজন্যে তিনজন ছোটোখাটো অফিসারকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। কিছুদিন আমরা ভেবেছি তাদের একজন ছিলো কেইন। ঐসময়ে কেইনের সাথে সব রকম যোগাযোগ বন্ধ ছিলো।”

    “কালিগকে খুন করার জন্যে কে টাকা দিয়েছিলো?”

    “এটা আমরা নিজেদেরকে অসংখ্যবার জিজ্ঞেস করেছি,” বললো ম্যানিং। “একমাত্র যে সম্ভাব্য জবাবটা এসেছে সেটা অবশ্য এক সোর্সের দাবি, তবে সেটা খতিয়ে দেখার কোনো উপায় ছিলো না। সে বলেছে কেইন এটা করেছে, এটা প্রমাণ করার জন্যে যে, এরকম একটা কাজ সে করতে পারে। মনে রাখবেন, তেল ব্যবসায়ী শেখেরা খুব কড়া নিরাপত্তা নিয়ে ঘুরে বেড়ায়।”

    “আরো কয়েক ডজন ঘটনা আছে,” নোলটন জানালো। “সেগুলোও ঐ একই রকম, খুবই সুরক্ষিত ব্যক্তিবর্গ খুন হয় আর সোর্স আগ বাড়িয়ে জানায় যে, কাজটা কেইন করেছে।’

    “আচ্ছা,” কংগ্রেসম্যান জুরিখের রিপোর্টটা হাতে তুলে নিলো। “তবে আমার কাছে যা আছে তাতে বোঝা যাচ্ছে আপনারা জানেন না সে কে?”

    “না, দুটো বর্ণনা একই রকম,” বাঁধা দিয়ে বললো সন্ন্যাসী। “বোঝা যাচ্ছে কেইন ছদ্মবেশ নিতে খুব দক্ষ। এ বিষয়ে তার প্রতিভা রয়েছে।”

    “তারপরও লোকে তাকে দেখেছে, কথা বলেছে। আপনার জুরিখের সোস, সে তো তার ব্যাপারে কিছু বলছে না। তবে আপনি তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন। কিছু একটা তো নিশ্চিতে ক’রে জানতেই হবে।”

    “আমাদের কাছে প্রচুর তথ্য রয়েছে,” সন্ন্যাসী জবাব দিলো। “তবে বর্ণনার ধারাবাহিকতা তাতে নেই। কেইন কখনও নিজেকে দিনের আলোয় প্রদর্শন করে না। সে রাতের বেলায় মিটিং করে। অন্ধকার ঘরে অথবা সংকীর্ণ কোনো গলিতে। সে কখনও একের অধিক ব্যক্তির সাথে একই সময়ে দেখা করেছে ব’লে আমাদের কাছে কোনো তথ্য নেই। আমাদেরকে বলা হয়েছে সে কখনও দাঁড়ানো অবস্থায় থাকে না, সব সময়ই ব’সে থাকে—কোনো স্বল্প আলোর রেস্তোরাঁয়, অথবা পার্ক করা গাড়িতে। কখনও সে কালো সানগ্লাস ব্যবহার করে। কখনও কোনো কিছুই না। একবার তাকে দেখা গেছে কালো চুলে। আরেকবার সাদা, লাল অথবা মাথায় টুপি পরা অবস্থায়।”

    “ভাষা?”

    “এখানে আমরা একটু বেশি নিশ্চিত,” সিআইএ’র ডিরেক্টর বললো। “ইংরেজি এবং ফরাসিতে অনর্গল বলতে পারে, এছাড়াও কয়েকটি প্রাচ্যদেশীয় ভাষা সে জানে।”

    “কোন্ কোন্ ভাষা?”

    “যেমন ভিয়েতনামী?”

    “ভিয়েত—” ওয়াল্টার একটু সামনে ঝুঁকে এসে বললো। “আমার কেন মনে হচ্ছে আমি এমন কিছু জানেত চাই যা আপনি আমাকে বলতে চাচ্ছেন না?”

    “এর কারণ, আপনি হয়তো ক্রশ এক্সামিনের ব্যাপারে খুব বেশি স্মার্ট, কাউন্সেলার।” অ্যাবোট নিজের পাইপটা দেয়াশলাই দিয়ে ধরিয়ে বললো।

    “সম্ভবত বেশি সতর্ক,” কংগ্রেসম্যান একমত হয়ে বললো। “এবার বলুন সেটা কি?”

    “কেইন,” বললো জিলেট। তার চোখ অনেকটা উদ্দেশ্যমূলকভাবেই ডেভিড এ্যাবোটের দিকে ঘুরলো। “সে কোত্থেকে এসেছে তা আমরা জানি।”

    “কোত্থেকে?”

    “দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে,” ম্যানিং জবাব দিলো। যেনো ধারালো কোনো ছুরি দিয়ে তাকে আঘাত করা হয়েছে এমন ভঙ্গী করলো সে। “আমাদের কাছে যে তথ্য আছে, তাতে মনে হচ্ছে সে কম্বোডিয়া আর লাওসের সীমান্ত এলাকার কোনো পার্বত্য অঞ্চলের লোক। সেটা ভিয়েতনামের গ্রামীণ এলাকাও বটে। আমরা এই তথ্যটা মেনে নিয়েছি। এটা খাপ খেয়ে যায়।”

    “কোনটার সাথে?”

    “অপারেশন মেডুসার সাথে,” কর্নেল তার পাশ থেকে একটা ম্যানিলা এনভেলপ হাতে তুলে নিয়ে সামনে রাখলো। “এটা হলো কেইনের ফাইল,” মাথা নেড়ে ইনভেলপটার দিকে চেয়ে বললো সে। “এটা মেডুসা সংক্রান্ত কাগজপত্র। এটার সাথে কেইনের সম্পর্ক আছে।”

    টেনিসির লোকটা চেয়ারে হেলান দিয়ে বাঁকা হাসি হাসলো। “আপনারা জানেন, আপনারা আপনাদের বড় বড় টাইটেল দিয়ে আমাকে জবাই করছেন। ঘটনাচক্রে এটা খুবই দারুণ; এটা খুবই জঘন্য, খুবই অশুভ। আমার মনে হয়, আপনারা এরকম কোনো কোর্সে ভীতি হলেই ভালো হয়। বলে যান কর্নেল। মেডুসা জিনিসটা কি?”

    ম্যানিং ডেভিডন অ্যাবোটের দিকে চেয়ে বললো, “এটা সার্চ এ্যান্ড ডেস্ট্রয় মতবাদের একটি গোপন বিষয়। ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় শত্রুপক্ষের ভেতরে ঢুকে কাজ করার উদ্দেশ্যে এটা ডিজাইন করা হয়েছিলো। ষাটের শেষ আর সত্তর দশকের শুরুতে আমেরিকান, ফ্রেঞ্চ, বৃটিশ, অস্ট্রেলিয়ান এবং স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীদেরকে নিয়ে এ দলটি গঠন করা হয় উত্তর ভিয়েতনামের দখলকৃত এলাকায় অপারেশন চালানোর জন্যে। তাদের প্রধান কাজ ছিলো শত্রুপক্ষের যোগাযোগ ব্যবস্থা আর সরবরাহ লাইন ধ্বংস করা, বন্দীশিবিরগুলো চিহ্নিত করা এবং কমিউনিস্টদের সঙ্গে সহযোগীতা করছে এরকম গ্রামীণ নেতাদেরকে গুপ্তহত্যার মাধ্যমে শেষ ক’রে ফেলা। সম্ভব হলে শত্রুপক্ষের কমান্ডারদেরকেও।”

    “এটা হলো যুদ্ধের ভেতর যুদ্ধ,” নোলটন বললো। “দুর্ভাগ্যের ব্যাপার হলো জাতিগত, বাহ্যিক বেশভূষা আর ভাষার বিভিন্নতার ফলে তাদের সমন্বয় করাটা দুরূহ হয়ে ওঠে। সেখানে ছিলো জার্মান, ডাচ আন্ডারগ্রাউন্ড, কিংবা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ফরাসি প্রতিরোধ যোদ্ধারা। সেজন্যে পশ্চিম ইউরোপের নিয়োগগুলোর বেলায় সবসময় যেরকমটি বাছবিচার করার কথা ছিলো তেমনটি হয় নি।”

    “সেখানে এরকম কয়েক ডজন টিম ছিলো,” কর্নেল আবার বলতে শুরু করলো। “তবে একমাত্র আশা ছিলো আমেরিকার জয়লাভ। ওখানে অস্ট্রেলিয়ান এবং বৃটিশ ভবঘুরে ছিলো যারা অনেক বছর ধরে বসবাস ক’রে আসছিলো, আরো ছিলো খুবই মটিভেটেড আমেরিকান সৈনিক আর সিভিলিয়ান ইন্টেলিজেন্স ক্যারিয়ার অফিসার। এবং অবধারিতভাবেই বড়সড় অপরাধীদের একটি চক্র। নেতৃত্বে ছিলো চোরাকারবারিরা সমগ্র দক্ষিণ চায়না সাগর এলাকা জুড়ে তারা অস্ত্র, মাদক, স্বর্ন আর হীরা-পাচার করতো। তারা রাতের বেলায় আর জঙ্গলের মধ্য দিয়ে চলাফেরা করতো। আমাদের অনেক রিক্রুট করা কর্মী ছিলো যুক্তরাষ্ট্র থেকে পালিয়ে আসা দাগী আসামী। তাদের মধ্যে অনেকে উচ্চশিক্ষিতও ছিলো। এ সবই বেশ কার্যকরী ছিলো। তাদের অভিজ্ঞতার দরকার ছিলো আমাদের।”

    “এটা ছিলো স্বেচ্ছাসেবীদের একটা অংশ,” কংগ্রেসম্যান বললো। “পুরনো লাইনের নেভি আর আর্মি; বৃটিশ এবং অস্ট্রেলিয়ান ভবঘুরের দল, ফরাসি ঔপনিবেশিক এবং চোর বাটপারের দল। আপনারা তাদেরকে এক সঙ্গে কাজ করাতে পারলেন কিভাবে?”

    “প্রত্যেককে লোভ দেখিয়ে,” জিলেট বললো।

    “প্রতিশ্রুতি,” কর্নেল বেশ জোরে বললো কথাটা। “র‍্যাংকের নিশ্চয়তা, পদোন্নতি, ক্ষমত্রা। একেবারে নগদ বোনাস, আর কয়েকটি ক্ষেত্রে বিরোধীদের কাছ থেকে চুরি করা তহবিল হাতিয়ে নেবার সুযোগ। বুঝলেন, তারা সবাই একেবারে পাগল হয়ে গেলো। আমরাও সেটা বুঝি। তাদেরকে গোপনে প্রশিক্ষণ দিলাম, কোড ব্যবহার করা, বিভিন্ন ধরণের পরিবহন ব্যবহার করতে শেখা, ফাঁদ পাতা আর খুনের পদ্ধতিগুলোও শেখানো হলে—এমনকি সায়গনের উইপেন কমান্ড এ সম্পর্কে কিছুই জানতো না। পিটার যেমনটি বলেছেন, ঝুঁকিটা ছিলো অবিশ্বাস্য—–ধরা পড়লে অত্যাচার, নির্যাতন আর হত্যা। মূল্যটা ছিলো খুব চড়া আর তারা সেটা চুকিয়েছেও। বেশিরভাগ লোক তাদেরকে মানসিকভাবে অসুস্থ হিসেবেই ভাবতো। তবে তারা খুবই প্রতিভাবান ছিলো। অস্থিরতা তৈরি করা আর খুন-খারাবি ছিলো তাদের প্রধান দায়িত্ব। বিশেষ ক’রে গুপ্তহত্যা।”

    “মূল্যটা কি ছিলো?”

    “অপারেশন মেডুসা নব্বই পার্সেন্ট হতাহতের করুণ পরিণতি বরণ করে। তবে যারা আর কখনও ফিরে আসে নি তাদেরকেও ধরা হয়েছিলো এরমধ্যে।”

    “ঐসব চোরবাটপার আর ফেরারীদের অংশটা?”

    “হ্যা। মেডুসা থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা চুরি করে কেউ কেউ। আমরা মনে করি কেইন ছিলো তাদের মধ্যে একজন।”

    “কেন?”

    “তার মোদাস ওপারেন্দি, মানে পদ্ধতিটা। সে খুনের কাজে যেরকম কোড, ফাঁদ, পদ্ধতি ব্যবহার করেছে সেগুলো আমরা মেডুসায় তাকে প্রশিক্ষণ দিয়ে ছিলাম।”

    “হায় ঈশ্বর! তাহলে তো আপনরা তার পরিচয়টা জানেন,” ওয়াল্টার্স বললো। “সেগুলো কোথায় লুকিয়ে রাখা হয়েছে সেটা আমি পরোয়া করি না—আর আমি এও নিশ্চিত আপনারা চান না তাদের ব্যাপারটা জনসম্মুখে জানাজানি হোক, তবে আমার ধারণা তাদের সম্পর্কে সব কিছুই রেকর্ড করা আছে।”

    “তা আছে, তবে আমরা সেগুলো গোপন অর্কাইভ থেকে সরিয়ে ফেলেছি। তার মধ্যে এটাও আছে।” অফিসার তার সামনের ফাইলটার টোকা মারলো। “আমরা তথ্যগুলো কম্পিউটারে ঢুকিয়ে সব কিছু খতিয়ে দেখেছি, একেবারে মাইক্রোস্কোপের নিচে রেখে—যতোটুকু সম্ভব দেখেছি। তবে শুরুতে যা বলেছি তার চেয়ে বেশি আমরা কিছু পাই নি।”

    “এটা তো অবিশ্বাস্য,” কংগ্রেসম্যান বললো। “অথবা বলা যায় অবিশ্বাস্যরকমের অযোগ্যতা।”

    “ঠিক তা নয়,” দ্বিমত পোষণ ক’রে বললো ম্যানিং। “লোকটার দিকে তাকান। আমরা তার সাথে কি কাজ করেছি ভাবুন। যুদ্ধের পর পূর্ব-এশিয়া জুড়ে কেইনের সুনাম ছড়িয়ে পড়ে; টোকিও থেকে ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, হংকং কম্বোডিয়া, লাওস এবং কলকাতা। আমাদের এশিয়ান স্টেশন আর অ্যাম্বাসিতে আড়াই বছর আগে থেকে খবর আসতে শুরু করে একজন মারাত্মক নির্মম গুপ্তঘাতক আছে। ভাড়ায় খুন করে সে। যতো বড়সড় খুন হয় তাতে কেইনের নাম জড়িয়ে পড়ে। সোর্সরা সব সময় খবর দিতো কেইনের ব্যাপারে। কেইন। কেইন আর কেইন। টোকিতে একটা হত্যা, হংকংয়ে গাড়িবোমা; মাদকদ্রব্য বোঝাই কারাভান গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গালে অ্যাম্বুসের শিকার হয় তো কলকাতায় এক ব্যাংকার গুলিবিদ্ধ হয়। মউলমেইনে একজন অ্যাম্বাসেডরের খুন, সাংহাইর পথে রাশিয়ান টেকনিশিয়ান অথবা আমেরিকান ব্যবসায়ীর খুন। সর্বত্রই কেইন। সব গোয়েন্দা সংস্থায় তার নাম উচ্চারিত হতে লাগলো। তারপরেও সমগ্র প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে একজন লোকও তাকে চেনে বা তার পরিচয় জানে ব’লে দাবি করতে এগিয়ে এলো না। আমরা কোত্থেকে শুরু করবো?”

    “কিন্তু আপনিই না বললেন, সে মেডুসার সাথে ছিলো?” টেনেসির লোকটা বললো।

    “হ্যা, অবশ্যই।”

    “তাহলে মেডুসার ডোসিয়ারেই তো তার সম্পর্কে তথ্য রয়েছে!”

    কেইনের ফাইলটা ফোল্ডার থেকে বের করলো কর্নেল। “এ হলো হতাহতের তালিকা। শ্বেতাঙ্গ পশ্চিম ইউরোপিয়ানদের তালিকা, যারা অপারেশন মেডুসায় উধাও হয়ে গিয়েছিলো—আর আমি যখন বলবো উধাও হয়ে গেছে, বুঝতে হবে তারা কোনোরকম চিহ্ন না রেখেই অদৃশ্য হয়ে গেছে—এই নিন। তিয়াত্তর জন আমেরিকান, ছেচল্লিশজন ফরাসি, চব্বিশজন অস্ট্রেলিয়ান আর বৃটিশ, এবং আরো পঞ্চাশজন শ্বেতাঙ্গ, যাদেরকে হ্যানয় থেকে রিক্রুট ক’রে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছিলো—তাদের বেশির ভাগকেই আমরা চিনি না। দুশ’ ত্রিশ জনের মতো লোক। কতোগুলো অন্ধ গলি? কে বেঁচে আছে? কে মরেছে? এমনকি বেঁচে যাওয়া প্রত্যেকের ব্যাপারে যদি আমরা জানতামও তারপরেও প্রশ্ন থেকে যায়, সে এখন কোথায় আছে? সে কে? আমরা এমনকি কেইনের জাতীয়তার ব্যাপারেও নিশ্চিত নই। আমরা মনে করি সে আমেরিকান। তবে আমাদের কাছে কোনো প্রমাণ নেই।”

    “এমআইএ-দের খুঁজে বের করার ব্যাপারে হ্যানয়কে আমরা যে তাড়া দিয়েছিলাম তাতে কেইনের ব্যাপারটা একটা সাইড ইসু ছিলো,” নোলটন জানালো। “আমরা এইসব নাম ডিভিশনের তালিকায় রেখেছি।

    “এখানেও একটা ঘটনা আছে,” আর্মি অফিসার যোগ করলো। “হ্যানয়ের কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স বাহিনী অনেক মেডুসা সদস্যকে হত্যা করেছিলো। তারা এই অপারেশনের ব্যাপারটা জানতো। আর আমাদের মধ্যে তাদের অনুপ্রবেশের সম্ভাবনাটা একদম বাতিল ক’রে দিতে পারি না। হ্যানয় জানতো মেডসার সদস্যরা কোনো কমব্যাট বাহিনী নয়। তারা কোনো ইউনিফর্ম পরে না। তাই তাদেরকে হত্যা করলে জবাবদিহিতাও করতে হবে না।”

    ওয়াল্টার্স হাত বাড়িয়ে বললো, “আমি কি দেখতে পারি?” ফাইলটার দিকে ইশারা করলো সে।

    “নিশ্চয়!” অফিসার কংগ্রেসম্যানকে সেটা দিয়ে দিলো। “আপনি অবশ্যই বোঝেন, এই নামগুলো খুবই গোপনীয়, ঠিক মেডুসা অপারেশনটার মতোই।”

    “এই সিদ্ধান্তটি কে নিয়েছিলো?”

    “জয়েন্ট চিফ অব স্টাফের রেকমেন্ডশনের উপর ভিত্তি ক’রে পরপর কয়েকজন প্রেসিডেন্ট এই নির্বাহী আদেশটি বহাল রেখেছিলেন। এটা সিনেটের আর্মি সার্ভিস কমিটি কর্তৃকও সমর্থিত হয়েছিলো।”

    “তাহলে তো এটাকে ফায়ার পাওয়ার বলা যেতে পারে, পারে না?”

    “এটা আমাদের জাতীয় স্বার্থের পক্ষে যাবে ব’লে মনে করা হয়েছিলো, “ সিআইএ’র লোকটা বললো।

    “এক্ষেত্রে আর্মি কোনো প্রশ্ন তুলবো না,” ওয়াল্টার্স একমত পোষণ করলো। “তবে আমরা তো কোনো গুপ্তঘাতককে প্রশিক্ষণ দেই না। অথচ এখানে দেখতে পাচ্ছি একজন খুনিকে প্রশিক্ষিত ক’রে মাঠে ছেড়ে দিয়ে আমরা আর তাকে খুঁজে পাচ্ছি না।”

    “আমরা সেটা বিশ্বাস করি,” বললো কর্নেল।

    “আপনি বলেছেন সে এশিয়াতে তার সুনাম প্রতিষ্ঠা করেছে, তবে পরে ইউরোপে চলে এসেছে। কখন?”

    “প্রায় একবছর আগে।”

    “কেন? কোনো ধারণা আছে?”

    “অবশ্যই,” পিটার- নোলটন বললো। “অনেক বেশি বাড়াবাড়ি করে ফেলেছে। কিছু একটা ভুল হয়ে গেছে আর সে খুব নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। হুমকী বোধ করেছে। প্রাচ্যদেশীয় লোকেদের মাঝে একজন শ্বেতাঙ্গ খুনি, খুবই বিপজ্জনক ব্যাপার। সেজন্যে সে ইউরোপে চলে এসেছে। ঈশ্বর জানে, তার সুনাম বেশ ছড়িয়েছে। ইউরোপে তার কাজের কোনো অভাব হবে না।”

    ডেভিড অ্যাবোট গলাটা খাকারি দিয়ে পরিস্কার ক’রে নিলো। “কিছুক্ষণ আগে বলা আলফ্রেডের কথার সূত্র ধরে আমি আরেকটা সম্ভাবনার কথা বলতে পারি।” অ্যাবোট একটু থেমে জিলেটের দিকে তাকালো। “তিনি বলেছিলেন আমরা দত্তবিহীন হাঙরের পিছু নিতে বাধ্য হয়েছি, যেখানে কিনা ‘হিংস্র হাঙরটা মুক্তভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে,’ আমি বিশ্বাস করি এটাই হলো আসল কথা, যদিও আমার ধারণাটা ভুলও হতে পারে।”

    “হ্যা,” এনএসসি’র লোকটা বললো। “আমি কার্লোসের কথাই বুঝিয়েছিলাম। কেইনের পেছনে ছোটা আমাদের উচিত হবে না। আমাদের মাথা ঘামাতে হবে কার্লোসকে নিয়ে।”

    “অবশ্যই। কার্লোস। আধুনিক ইতিহাসে সবচাইতে পরাক্রমশালী খুনি। সে আমাদের সময়কালে অসংখ্য এবং বড় বড় ট্র্যাজিক হত্যার নায়ক। আপনি ঠিকই বলেছেন, আলফ্রেড। কার্লোসকে আমরা ভুলে যেতে পারি না।”

    “ধন্যবাদ,” বললো জিলেট। “বক্তব্যটা বোঝাতে পেরেছি বলে আমি খুশি।”

    “তা পেরেছেন। তবে আপনি আমাকে ভাবিয়েছেনও। আপনার কথা শুনে আমার একটা কথা মনে হলো। কেইনের মতো মানুষের জন্যে প্রলুব্ধের ব্যাপারটা কি কল্পনা করতে পারেন, যে কিনা একটা ভয়ংকর জায়গাতে, আবদ্ধ পরিবেশে ভবঘুরে আর ফেরারীদের সাথে দুনীর্তিবাজ সরকারের হয়ে কাজ করেছে? সে কার্লোসকে অবশ্যই ঈর্ষা করবে। সে দ্রুতগতির, উজ্জ্বল আর লাক্সারি ইউরোপকেও হিংসা করবে। সে নিজেকে না জানি কতোবার বলেছে ‘আমি কার্লোসের চেয়ে সেরা।’ এইসব লোকের খুব অহংবোধ থাকে। আমার ধারণা সে ইউরোপে গেছে ভালো আর আরামদায়ক এক দুনিয়ার খোঁজে…এবং অবশ্যই কার্লোসকে উৎখাত করতে। যাদের টাইটেল নেই তারা টাইটেলটা পেতে চায়, স্যার। সে চ্যাম্পিয়ন হতে চায়।”

    জিলেট অ্যাবোটের দিকে চেয়ে রইলো। “তত্ত্বটা কৌতুহলোদ্দীপক।”

    “তাহলে আপনার কথার সূত্র ধরেই বলছি,” কংগ্রেসম্যান বললো। “কেইনকে অনুসরণ ক’রে আমরা কার্লোস পর্যন্ত পৌঁছাতে পারবো।”

    “ঠিক।”

    “ব্যাপারটা বুঝেছি কিনা সেব্যাপারে আমি নিশ্চিত নই,” একটু উদ্বিগ্ন আর বিরক্ত হয়ে বললো সিআইএ’র ডিরেক্টর। “কেন?”

    “এক ঢিলে দুটো পাখি মারা,” ওয়াল্টার্স জবাব দিলো। “তারা একে অন্যের সাথে জড়িয়ে আছে।”

    “একজন চ্যাম্পিয়ন স্বেচ্ছায় তার শিরোপা ছেড়ে দেবে না,” অ্যাবোট পাইপটা তুলে নিয়ে বললো। “সে নিজের অবস্থান ধরে রাখার জন্যে প্রাণপণে লড়বে। কংগ্রেসম্যান যেমনটি বলেছেন, আমরা কেইনকে খোঁজা অব্যাহত রাখবো। তবে আমাদেরকে বনের অন্য প্রাণীদের দিকেও তীক্ষ্ণ নজর রাখতে হবে। আর আমরা যদি কেইনকে খুঁজে পাই, তখন হয়তো আমরা লাগাম টেনে ধরবো। অপেক্ষা করবো তার পিছু পিছু কার্লোসের আসার জন্যে।”

    “তখন দু’জনকেই কব্জায় নেয়া যাবে,” মিলিটারি অফিসার বললো।

    “খুবই বুদ্ধিদীপ্ত,” বললো জিলেট।

    .

    মিটিংটা শেষ হয়ে গেলে সবাই চলে গেলো। কিন্তু সন্ন্যাসী হিসেবে পরিচিত ডেভিড অ্যাবোট দাঁড়িয়ে থাকলো পেন্টাগনের কর্নেলের পাশে, যেকিনা মেডুসার কাগজপত্রগুলো ফোল্ডারে ভরে নিচ্ছে। হতাহতের তালিকাটা যখন ঢোকাতে যাবে সে অ্যাবোট তখন তাকে বললো।

    “আমি কি একটু দেখতে পারি? আমাদের কাছে কোনো কপি নেই।”

    “এগুলো আমাদের ইন্সট্রাকশন,” কাগজটা বৃদ্ধের হাত দিয়ে অফিসার জবাব দিলো। “আমি ভেবেছিলাম এগুলো আপনাদের কাছ থেকেই এসেছে। মাত্র তিনটি কপি আছে। এখানে, এজেন্সিতে এবং কাউন্সিলে।”

    “এগুলো আমার কাছ থেকেই এসেছে,” অ্যাবোট নিরবে হাসলো। “শহরের যে অংশে আমি থাকি সেখানে অনেক বেশি সিভিলিয়ান থাকে।”

    টেনিসির কংগ্রেসম্যানের প্রশ্নের জবাবটা না শুনেই কর্নেল ঘুরে তালিকার নামগুলোর দিকে নজর বোলাতে বোলাতে চলে গেলো। একটা নাম বাদ দেয়া হয়েছে দেখে সে চমকে উঠলো। একটা নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। জবাবদিহিতা হলো এমন একটা জিনিস যা তারা করে না। কখন। কোথায় সেটা? এই ঘরে সেই হলো একমাত্র লোক যে নামটা জানে। শেষ পৃষ্ঠায় যেতেই সে নিজের হৃদস্পন্দনটার শব্দ শুনতে পেলো। নামটা আছে এখানে।

    বর্ন, জেসন সি— শেষ স্টেশন : তাম কুয়ান। আরে, এসব কি?

    .

    রেনে বারগোঁয়া তার ডেস্কের ফোনটা আছাড় দিয়ে রেখে দিলো। “সবগুলো ক্যাফেতেই আমরা চেষ্টা করেছি, সে যেসব রেস্তোরাঁয় যায় সেখানেও!”

    “প্যারিসে এমন কোনো হোটেল নেই যেখানে সে রেজিস্টার করেছে,” সুইচবোর্ডের ধূসর চুলের লোকটা বললো। পাশেই আরেকটা ফোন নিয়ে ব’সে আছে সে। “দুই ঘণ্টা হয়ে গেছে, এরমধ্যে হয়তো সে মরেই গেছে। যদি সে মরে গিয়ে না থাকে তো তার এখন ইচ্ছে করছে সে যেনো মরে যায়।”

    “সে তাকে খুব বেশি কিছু বলতে পারবে না,” বারগোঁয়া বললো। “আমাদের চেয়েও কম বলতে পারবে। বুড়ো লোকটার ব্যাপারে সে কিছুই জানে না।”

    “সে যথেষ্ট জানে। পার্ক মশিউতে ফোন করেছিলো।”

    “সে কেবল মেসেজটা রিলে করেছে। নিশ্চিত ক’রে জানতো না কার কাছে সেটা দিচ্ছে।”

    “কিন্তু সে জানে কেন দিচ্ছে।”

    “কেইনও তা জানে। আমি তোমাকে আশ্বস্ত করতে পারি। সে পার্ক মশিউতে বিরাট একটা ভুল ক’রে ফেলেছে,” ডিজাইনার সামনে ঝুঁকে বললো। “আমাকে আবার বলো, যতোটুকু তোমার মনে পড়ে, সবটুকু। তুমি কেন এতোটা নিশ্চিত হলে যে, সে-ই বর্ন?”

    “আমি সেটা জানি না। আমি বলেছি সে হচ্ছে কেইন। আমি যদি তার মেথডগুলো নিখুঁতভাবে বর্ননা করতে পারতাম, তাহলে বুঝতেন সে-ই কেইন।”

    “বর্ন হলো কেইন। আমরা তাকে মেডুসা রেকর্ডে আগাগোড়াই পেয়েছি। এজন্যেই তোমাকে ভাড়া করা হয়েছে।”

    “তাহলে সে-ই বর্ন, তবে এই নামটা সে ব্যবহার করে না। অবশ্য মেডুসা-তে অনেক লোক আছে যারা নিজেদের সত্যিকারের নাম ব্যবহার করতো না। তাদের জন্যে ভুয়া পরিচয়টাই বেশি নিরাপদ ছিলো। তাদের অপরাধের রেকর্ড আছে। সে ঐইসব লোকেদেরই একজন হবে।”

    “কেন সে? অন্যেরাও তো উধাও হয়েছে। তুমি হয়েছো।”

    “কারণ সে এখানে এসেছে, আর এটাই যথেষ্ট। তবে আরো আছে। আমি তাকে কাজ করতে দেখেছি। তার কমান্ডে এক মিশনে আমাকে নিযুক্ত করা হয়েছিলো। এই অভিজ্ঞতাটা ভুলে যাওয়ার মতো নয়। সে তা ভুলে যায় নি। সে-ই কেইন হতে পারে—আপনার কেইন।”

    “আমাকে বলো।”

    “আমরা তাম কুয়ান’র একটা সেক্টরে এক রাতে প্যারাসুট দিয়ে নামলাম। আমাদের উদ্দেশ্য ছিলো ওয়েব নামের এক আমেরিকানকে উদ্ধার করা। সে ভিয়েত কংদের হাতে বন্দী ছিলো। আমরা সেটা জানতাম না। তবে আমাদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ছিলো খুব ক্ষীণ। এমনকি সায়গন থেকে আমাদের ফ্লাইটটাও ছিলো খুবই বিপজ্জনক। বিমানটা বাতাসের ঝাপটায় এমনভাবে কাঁপছিলো যেনো সেটা ভেঙে পড়বে। তারপরও সে আমাদেরকে জাম্প করার আদেশ করলো।”

    “আর তোমরা তাই করলে?”

    “তার অস্ত্রটা আমাদের মাথার দিকে তাক্ করা ছিলো। আমরা হয়তো নিচে বাঁচতে পারবো, কিন্তু সামনের বুলেটের হাত থেকে একদমই পারবো না।”

    “তোমরা সেখানে কয়জন ছিলে?”

    “দশজন।”

    “তাহলে তোমরা তো তাকে ঘায়েল করতে পারতে।”

    “আপনি তাকে চেনেন না।”

    “বলে যাও,” বারগোঁয়া বললো।

    “আমাদের মধ্যে আটজন মাটিতে নেমে পুণরায় যোগ দিতে পেরেছিলো। বাকি দু’জন বোধহয় জাম্প ক’রে নিচে ঠিকমতো নামতে পারে নি। মরে গিয়েছিলো। আমি ছিলাম সবচাইতে বয়োজ্যেষ্ঠ, তবে আমি সেই এলাকাটা চিনতাম, সেজন্যে তারা আমাকে পাঠিয়েছিলো।” ধূসর চুলের লোকটা একটু থামলো। “এক ঘণ্টা পরেই আমরা বুঝতে পারলাম এটা একটা ফাঁদ। আমরা জঙ্গল দিয়ে প্রাণপণে দৌড়ালাম। আর রাতের বেলায় সে একাই মর্টার এবং গ্রেনেড নিয়ে নেমে পড়লো হত্যা করতে। ভোরের আগে ফিরে এসে আমাদেরকে বেইজ-ক্যাম্পের কাছাকাছি যাবার জন্যে বাধ্য করলো। এক সময় আমি আত্মহত্যা করার কথাও ভেবেছিলাম।”

    “তুমি কেন এটা করলে? সে হয়তো তোমাদেরকে একটা কারণ বলেছিলো, তোমরা মেডুসার সদস্য ছিলে, কোনো সৈনিক তো ছিলে না।”

    “সে বলেছিলো এটাই জীবিত হয়ে বের হয়ে আসার একমাত্র পথ। আর তাতে যুক্তিও ছিলো। আমরা শত্রুপক্ষের একেবারে ভেতরে ছিলাম। সরবরাহ পাওয়ার জন্যে আমাদেরকে বেইজ ক্যাম্পটা খুঁজে বের করার দরকার ছিলো—যদি আমরা সেটা নিতে পারি তো। সে বলেছিলো আমাদেরকে নিতেই হবে। আমাদের এছাড়া আর কোনো পথ নেই। কেউ এ নিয়ে তর্ক করলে সে একটা বুলেট খরচ করতে দ্বিধা করতো না—এটা আমরা জানতাম। তৃতীয় রাতে আমরা ক্যাম্পটা খুঁজে পেলে সেটা দখলে নিয়ে নিতে সক্ষম হই। আর সেখান থেকে ওয়েব নামের লোকটাকেও খুঁজে পাই, তবে একেবারে মৃতপ্রায়। ওখান থেকে আমরা আমাদের দলের আরো দু’জন সদস্যকেও জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করি, কিন্তু যা দেখতে পেয়েছিলাম তাতে খুবই হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম আমরা। এক শ্বেতাঙ্গ আর এক ভিয়েতনামী। আমাদেরকে ফাঁদে ফেলার জন্যে ভিয়েতকংরা তাদেরকে টাকা দিয়ে ছিলো—আমার ধারণা মূলত তাকে ফাঁদে ফেলার জন্যেই।”

    “কেইনকে?”

    “হ্যা।”

    “ভিয়েতনামিটা আমাদেরকে প্রথমে দেখে ফেলে পালিয়ে যায়। কেইন নির্বিকারভাবে শ্বেতাঙ্গ লোকটার মাথা গুলি ক’রে মাথাটা গুঁড়িয়ে দেয়।”

    “সে শত্রুপক্ষের কাছ থেকে তোমাকে ফিরিয়ে এনেছিলো?”

    “আমাদের চারজন এবং ওয়েব নামের লোকটাকে। পাঁচজন খুন হয়েছিলো। সেই ভয়ংকর ভ্রমণ থেকে ফিরে আমি বুঝতে পারলাম কেন মেডুসার সবচাইতে বেশি পারিশ্রমিক পাওয়া ব্যক্তি।”

    “কোন্ দিক থেকে?

    “আমার দেখা সবচাইতে ঠাণ্ডা মাথার লোক সে, খুবই বিপজ্জনক, একেবারেই অনুনমেয়। একসময় আমি ভেবেছিলাম তার জন্যে যুদ্ধটা খুবই অদ্ভুত একটি ব্যাপার। তার কোনো ধর্মীয় নীতি ছিলো না, কেবল নিজের অদ্ভুত নৈতিকতা ছাড়া। সব মানুষই তার শত্রু—বিশেষ ক’রে নেতারা, সে দু’পক্ষের কাউকেই পরোয়া করতো না।” লোকটা আবারো থামলো। “মনে রাখবেন, মেডুসা’তে বিপথগামী আর বেপরোয়া লোকজনে ছিলো প্রচুর। অনেকেই ছিলো যারা কমিউনিস্টদেরকে প্রচণ্ড ঘৃণা করতো। একেবারে বাতিকগ্রস্ত ছিলো তারা। একজন কমিউনিস্টকে খুন করলে জিশু খুশি হবে —খৃস্ট্রিয় শিক্ষার অদ্ভুত এক উদাহরণ। অন্যেরা—যেমন আমার—ভাগ্য খুব ভালো ছিলো যে ভিয়েতমিনরা আমাদেরকে চুরি করেছিলো। একমাত্র সান্ত্বনা হোতো যদি আমেরিকানরা যুদ্ধে জিততো। ফ্রান্স আমাদের দিয়েবুফু’তে পরিত্যাগ করেছিলো। তবে কয়েক ডজন লোক তখনও মেডুসাতে ভাগ্য গড়ে নেবার সুযোগ দেখতে পাচ্ছিলো। পকেটে প্রায়শই থাকতো পঞ্চাশ থেকে সত্তর হাজার ডলার। এক কুরিয়ার অবসরে গিয়ে সিঙ্গাপুর অথবা কুয়ালামপুরে নিজের মাদক ব্যবসা খুলে বসতে পারলো। ট্রায়াঙ্গালে। সেই গ্রুপেই আমি ঐ অদ্ভুত লোকটাকে স্থান ক’রে দিলাম। বলতে পারেন, সে আধুনিক যুগের একজন পাইরেট।”

    বারগোঁয়া এবার মুখ খুললো। “দাঁড়াও, তুমি একটু আগে বললে একটা মিশনের কমান্ড ছিলো। মেডুসাতে সেনাবাহিনীর লোক ছিলো, তুমি কি নিশ্চিত সে আমেরিকান সেনাবাহিনীর কোনো অফিসার নয়?”

    “আমেরিকান, এটা নিশ্চিত, তবে আর্মির নয়।”

    “কেন?”

    “সে মিলিটারির সব কিছুই ঘৃণা করতো। সে মনে করতো আর্মির লোকেরা বোকা আর অযোগ্য। তাই সে নিজেই নিজের মতো চলাতো। এক সময় তাম কুয়ানে আমাদের কাছে ওয়্যারলেসের মাধ্যমে অর্ডারগুলো আসতো। সে ট্রান্সমিশন ভেদ ক’রে একজন রেজিমেন্টাল জেনারেলকে বলেছিলো তার পোঙ মারবে সে—মানে, তার কথা মানবে না। কোনো আর্মি অফিসার এ কাজ করবে না।”

    “যদি না সে তার নিজের পেশাটা ছেড়ে দেয়,” ডিজাইনার বললো। “প্যারিস তোমাদের ছেড়ে গেলে তোমরা নিজেরা যতোটুকু করার করেছো, মেডুসা থেকে চুরি করেছো, নিজেদের তথাকথিত দেশপ্রেমিক কর্মকাণ্ড নিজেরাই ঠিক ক’রে নিয়েছো।”

    “রেনে, আমার দেশ আমার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, তার সাথে আমি বিশ্বাসঘাতকতা করারও আগে।”

    “কেইনে ফিরে আসি আবার। তুমি বলেছো বর্ন নামটা সে ব্যবহার করতো না। সেটা কি?”

    “আমি মনে করতে পারছি না। যেমনটি আমি বলেছি, অনেকের জন্যে পদবীটা প্রাসঙ্গিক নয়। সে আমার কাছে কেবল ‘ডেল্টা’ হিসেবেই ছিলো।”

    “মেকং ব-দ্বীপ?”

    “না, গৃক বর্ণমালাটার কথা বলছি।”

    “আলফা, ব্রাভো, চার্লি…ডেল্টা,” বারগোঁয়া ইংরেজিতে বললো নির্বিকারভাবে। “কিন্তু অনেক অপারেশনে কোড ‘চার্লি’র বদলে ‘কেইন’ ব্যবহার করা হোতো, কারণ, ‘চার্লি’র সাথে কং-এর সাদৃশ্য আছে যা ভিয়েত কং’দের সংক্ষিপ্ত রূপ। তাই ‘চার্লি’ হয়ে গেলো ‘কেইন।”

    “একদম সত্য। তাই বর্ন হয়ে গেলো ‘কেইন’। সে ‘ইকো’ অথবা ‘ফক্সট্রট’ কিংবা ‘জুলু’ ব্যবহার করতে পারতো। কোনো পার্থক্য নেই। তোমার বক্তব্যটা কি, বলো?”

    “সে কেইন নামটা ইচ্ছাকৃতভাবে বেছে নিয়েছে। এটা প্রতীকি। সে শুরু থেকেই এটা পরিস্কার ক’রে নিতে চেয়েছিলো।”

    “কি চেয়েছিলো?”

    “কেইন নামটা কার্লোসকে প্রতিস্থাপিত করবে। ভাবুন। চার্লসের স্পেনিশ হলো কার্লোস—চার্লি। ‘কেইন’ ছদ্মনামটা ‘চার্লি’র বিকল্প—মানে কার্লোসের। শুরু থেকেই তার এই উদ্দেশ্য ছিলো। কেইন কার্লোসকে প্রতিস্থাপিত করবে। আর সে চেয়েছিলো এটা কার্লোস জানুক।”

    “কার্লোস কি জেনেছিলো?”

    “অবশ্যই। খবরটা আমস্টারডাম, বার্লিন, জেনেভা, লিবসন, আর এই প্যারিসে ছড়িয়ে পড়েছিলো। কেইনকে খুব সহজেই পাওয়া যায়। যোগাযোগ করা যায়। তার পারিশ্রমিকও কার্লোসের চেয়ে কম। একেবারে জেঁকে বসলো সে! ক্রমাগতভাবেই কার্লোসের অবস্থানকে গ্রাস করতে শুরু করলো।”

    “দু’জন ম্যাটাডোর একই মাঠে। কেবল একজনই থাকতে পারবে সেখানে।”

    “সেটা হবে কার্লোস। আমরা বড়সড় চড়ুইটাকে ফাঁদে ফেললাম। সে সেন অনরে থেকে দু’ঘণ্টার দূরত্বে কোথাও থাকে।

    “কিন্তু কোথায়?”

    “কোনো ব্যাপার না। আমরা তাকে খুঁজে বের করবোই। হাজার হোক সে আমাদের খুঁজে বের করেছে। সে ফিরে আসবে। তার অহং এটা করবে। তখনই ঈগলটা উড়ে এসে চড়ুইটাকে ধরে ফেলবে। কার্লোস তাকে খুন করবে।”

    .

    বৃদ্ধলোকটা তার বাম হাতের নিচে থাকা সিঙ্গেল ক্রাচটা পাশে রেখে কালো পর্দাটা ফাঁক ক’রে কনফেশনাল বুথে প্রবেশ করলো। খুব একটা ভালো নেই সে। তার চোখেমুখ ফ্যাকাশে। মৃত্যু ভয় জেঁকে বসেছে। পর্দার ওপর পাশের অবয়বটা তার এই অবস্থাটা দেখতে পাচ্ছে না ব’লে সে খুশি হলো। তাকে যদি খুব বিধ্বস্ত দেখায় তবে গুপ্তঘাতক আর তাকে হয়তো কোনো কাজ দেবে না। তার দরকার এখন কাজ। কেবল একটা সপ্তাহ বাকি আছে, আর তার দায়দায়িত্বও রয়েছে। সে কথা বললো।

    “অ্যাঙ্গেলাস দোমিনি।”

    “অ্যাঙ্গেলাস দোমিনি, ঈশ্বরের পুত্র,” পর্দার ওপাশ থেকে নিচু কণ্ঠস্বরটা বললো। “আপনার দিনকাল কি ভালো যাচ্ছে?”

    “দিন ফুরিয়ে আসছে আমার, তবে ভালোই যাচ্ছে।”

    “হ্যা। আমার মনে হয় আমার জন্যে এটা আপনার শেষ কাজ। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনার পারিশ্রমিকও পাঁচগুন বেড়ে যাবে। আমি আশা করি এটা আপনাকে খুব সাহায্য করবে।”

    “ধন্যবাদ কার্লোস, তুমি তাহলে জানো।”

    “জানি। এটা এমন কিছু যা আপনাকে অবশ্যই করতে হবে। আর খবরটা আমৃত্যু গোপন রাখবেন। ভুল করার কোনো সুযোগ নেই।”

    “আমি সব সময়ই সঠিক আর নিখুঁত ছিলাম। আমি আমৃত্যু তাই করবো।”

    “শান্তিতে করুন, পুরনো বন্ধু। এটা খুবই সহজ…আপনি ভিয়েতনামি অ্যাম্বাসিতে যাবেন, ফান লক্ নামের একজন অ্যাটাশিকে চাইবেন। যখন আপনি একা থাকবেন তখন এই কথাগুলো বলবেন : ‘১৯৬৮’র মার্চে মেডুসায়, তাম কুয়ান সেক্টর। কেইন ছিলো। আরেকজনও ছিলো। বুঝেছেন?”

    “১৯৬৮’র মার্চে মেডুসায়। তাম কুয়ান সেক্টর। কেইন ছিলো। আরেকজনও ছিলো?”

    “হ্যা। সে আপনাকে বলবে কখন ফিরে আসতে হবে। সেটা এক ঘণ্টার মধ্যেই হবে।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্বপ্নবাসবদত্তা – ভাস
    Next Article কন্ট্রোল (বেগ-বাস্টার্ড ৭) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    Related Articles

    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    দ্য দা ভিঞ্চি কোড – ড্যান ব্রাউন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    অরিজিন – ড্যান ব্রাউন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    নেমেসিস (বেগ-বাস্টার্ড – ১) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    কন্ট্রাক্ট (বেগ-বাস্টার্ড ২) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    নেক্সাস (বেগ-বাস্টার্ড ৩) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }