Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বর্ন আইডেন্টিটি – রবার্ট লুডলাম

    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন এক পাতা গল্প722 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বর্ন আইডেন্টিটি – ২৩

    অধ্যায় ২৩

    রাত তিনটা বাজার দশ মিনিট আগে বর্ন অবার্জদু কোঁয়ের ফ্রন্টডেস্কে গেলেও মেরি প্রবেশদ্বারের দিকেই চলে গেলো। কাউন্টারে কোনো সংবাদপত্র নেই দেখে বর্ন একটু স্বস্তি পেলো। তবে পেছনে বসা লেটনাইট ক্লার্ক ঠিক প্যারিসের ঐ লোকটার মতোই। টেকো মাথার, গাট্টাগোট্টা ধরণের। চোখ দুটো বোজা বোজা। চেয়ারে হেলান দিয়ে ঝিমুচ্ছে সে। তবে এই রাতটা সে অনেক দিনই মনে রাখবে, বর্ন ভাবলো—উপর তলার ঘরটার ক্ষয়ক্ষতি বাদেই, যেটা সকালে আবিষ্কার করা হবে। একজন নাইট ক্লার্কের নিশ্চয় কোনো গাড়ি আছে।

    “আমি এইমাত্র কুঁয়ে’তে ফোন করেছি,” জেসন বললো। তার হাতটা কাউন্টারের উপরে। একজন ক্ষিপ্ত লোক সে, নিজের ব্যক্তিগত জীবনে এক ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটে গেছে। “আমাকে এক্ষুণি হোটেল ছাড়তে হবে, এক্ষুণি একটা ভাড়া করা গাড়ি দরকার আমার।”

    “কেন নয়?” লোকটা চেয়ার ছেড়ে উঠে বললো। “আপনি কোন্‌টা পছন্দ করবেন, মঁসিয়ে? একটা সোনার রথ অথবা জাদুর কার্পেট?”

    “কি বললেন?”

    “আমরা ঘর ভাড়া দেই, গাড়ি ভাড়া দেই না।”

    “আমাকে সকালের আগেই কুঁয়ে’তে পৌঁছাতে হবে।”

    “অসম্ভব। যদি না কোনো পাগল ট্যাক্সিচালক আপনাকে এই রাতবিরাতে নিয়ে যেতে রাজি হয়।”

    “আমার মনে হয় না আপনি বুঝতে পারছেন। আটটার মধ্যে আমি আমার অফিসে হাজির থাকতে না পারলে বিশাল ক্ষতি হয়ে যাবে। খুবই সমস্যায় পড়ে যাবো। এজন্যে আপনাকে টাকা দিতেও রাজি আছি।”

    “আপনি সমস্যায় প’ড়ে গেছেন, মঁসিয়ে।”

    “অবশ্যই। এখানে নিশ্চয় এমন কেউ আছে যে তার নিজের গাড়িটা আমাকে ধার দেবে, ধরুণ…এক হাজার, পনেরোশ’ ফ্রাঁ।”

    “এক হাজার…পনেরোশ’, মঁসিয়ে?” লোকটার অর্ধনির্মিলিত চোখ দুটো গোল গোল হয়ে গেলো এবার। “নগদ, মঁসিয়ে?”

    “স্বাভাবিকভাবেই। আমার সঙ্গী গাড়িটা আগামীকালকেই ফেরত দিয়ে যাবে।”

    “তাড়াহুড়ার কিছু নেই, মঁসিয়ে।”

    “গোপনীয়তার জন্যে টাকা দেয়া হবে।

    “আমি জানবো না গাড়িটা কোথায় যাচ্ছে,” ক্লার্ক বাঁধা দিয়ে বললো। “সত্যি কথা বলতে কি আমার রেনল্ট গাড়িটা খুব বেশি নতুন নয়। সম্ভবত সেটা সবচাইতে দ্রুতগতির গাড়িও নয়। তবে কাজ চলবে।”

    বহুরূপী তার রঙটা আবারো বদলালো। সে সম্পুর্ন অন্য একজন লোকের মতো আচরণ করছে এখন। কিন্তু এখন সে জানে সে কে আর সে সেটা বুঝতেও পারছে।

    .

    সকাল বেলা। গ্রামের পান্থ নিবাসে কোনো উষ্ণ ঘর নেই। জানালা দিয়ে কোনো রোদ এসেও ঢুকে না। পাশেই আছে সেন-জার্মেইন-এনলায়ে। তারা ব’সে আছে ছোট্ট পার্কিং এলাকায়, জায়গাটা ফাঁকা একটা রাস্তার পেছনে। গাড়ির খোলা জানালা দিয়ে সিগারেটের ধোঁয়া কুণ্ডলী পাকিয়ে বের হচ্ছে।

    আমার জীবন শুরু হয়েছে ছয় মাস আগে, ছোট্ট একটা ভূমধ্যসাগরীয় দ্বীপে, যার নাম ইল দ্য পোর্ত নোয়ে…এ কথা দিয়ে শুরু করলো।

    নিরব একটা ঘোষণা দিয়ে শুরু করলো : আমি কেইন নামে পরিচিত।

    সে সবটাই বললো, তার মনে পড়ে এরকম কোনো কিছুই বাদ দিলো না। আর্জেনতুইল-এর মোমবাতিপূর্ণ রেস্তোরাঁয় ব’সে জ্যাকুলিন লাভিয়ার বলা কথাটা শুনে তার মনের পর্দায় যে ছবি ভেসে উঠেছিলো সেটাও বাদ দিলো না। নামগুলো, ঘটনাসমূহ, শহরগুলো…হত্যাকাণ্ডগুলো।

    “সবই খাপ খেয়ে যায়। এমন কিছু নেই যা আমি জানি না। আমার মাথায় এমন কিছু নেই যেটা বের করার চেষ্টা করতে পারি। এটাই সত্য ভুল?”

    “এটাই সত্য,” মেরি প্রতিধ্বনি করলো।

    জেসন তাকে খুব কাছ থেকে দেখলো। “তুমি কি দেখছো না, আমাদের ধারণা ভুল?”

    “হতে পারে। তবে ঠিকও হতে পারে, তোমারটা ঠিক, আমারটা ঠিক।”

    “কিসের ব্যাপারে?”

    “তোমার ব্যাপারে। আমাকে এটা আবারো বলতে হচ্ছে, শান্তভাবে, যৌক্তিকভাবে। তুমি আমাকে ভালো ক’রে চেনার আগেই আমার জন্যে তোমার নিজের জীবন বিপন্ন করেছিলো। তুমি যেরকম লোকের বর্ননা দিচ্ছো, এটা তো সেরকম কোনো লোকের কাজ হতে পারে না। যদি সেই লোকটার অস্তিত্ব থেকে থাকে, তাহলে সে আর ঐ মানুষটি নেই।” মেরির চোখে আকুলতা। যদিও তার কণ্ঠটা নিয়ন্ত্রিত “তুমি নিজেই এটা বলেছো, জেসন। ‘যে মানুষের স্মৃতি নেই, তার কাছে তার অস্তিত্বও নেই। হয়তো এটাই তুমি মুখোমুখি হচ্ছো। তুমি কি এ থেকে পালাতে পারো?”

    বর্ন মাথা নাড়লো। ভয়ংকর মুহূর্তটা এসে গেছে। “হ্যা,” সে বললো। “তবে একা। তোমাকে নিয়ে নয়।”

    মেরি সিগারেটে টান দিয়ে তাকে ভালো ক’রে দেখলো, তার হাত কাঁপছে। “বুঝলাম। তাহলে এটাই তোমার সিদ্ধান্ত?”

    “সেটাই তো হওয়া উচিত।”

    “তুমি বীরেচিতভাবে উধাও হয়ে যাবে যাতে আমার কোনো ক্ষতি না হয়।”

    “সেটাই।”

    “তোমাকে অনেক ধন্যবাদ, তুমি নিজেকে কি মনে করো, অ্যাঁ?”

    “কি?”

    “তুমি নিজেকে কি ভাবো?”

    “আমি এমন একজন লোক যাকে তারা কেইন ব’লে ডাকে। অনেক সরকার আমাকে চায়, তাদের কাছে আমি দাগী আসামী—এশিয়া থেকে ইউরোপ পর্যন্ত। ওয়াশিংটনের লোকেরা আমাকে খুন করতে চায় কারণ তারা মনে করছে আমি মেডুসার ব্যাপারে জানি; কার্লোস নামের এক গুপ্তঘাতক আমাকে গলায় গুলি ক’রে খুন করতে চাচ্ছে, কারণ আমি তার অনেক ক্ষতি করেছি। এটা একটু ভাবো। আমি কতোক্ষণ এইসব লোকদের হাত থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখতে পারবো ব’লে তুমি মনে করো? এভাবে কি তুমি তোমার জীবনটা শেষ করতে চাও?”

    “মোটেই না!” চিৎকার ক’রে মেরি বললো। তার বিশ্লেষণী মাথায় কিছু একটা ঘুরপাক খাচ্ছে নিশ্চিত। “আমি জুরিখে যা করি নি তার জন্যে সুইস কারাগারে পঞ্চাশ বছর ধরে পচতে অথবা ফাঁসিতে ঝুলবো।”

    “জুরিখের ব্যাপারটা সামলানোর একটা পথ রয়েছে। আমি এটা নিয়ে ভেবেছি আমি এটা করতে পারবো।”

    “কিভাবে?” সে সিগারেটটা এসট্রেতে ফেলে দিলো।

    “ঈশ্বরের দোহাই, তাতে কি আসে যায়? একটা স্বীকারোক্তি। আমি নিজেকে ধরা দেবো। পরে আবার জবানবন্দীটা অস্বীকার করবো!”

    “না, সেভাবে নয়।”

    “কেন নয়?”

    মেরি তার মুখটা ধরলো। তার কণ্ঠটা এখন আরো নরম আর শান্ত। “কারণ আমি আমার ধারণাটা আবারো প্রমাণ করতে পেরেছি। অপরাধীরাও তার অপরাধের ব্যাপারে নিশ্চিত থাকে। তুমি যা করার কথা বললে সেটা কেইন নামের লোকটা কখনও করবে না। যে কারোর জন্যেই হোক না কেন, সে এটা করবে না।”

    “আমিই কেইন!”

    “আমি যদি জোর করেও তোমার সাথে এ বিষয়ে একমত হই, তারপরও তুমি তা নও।”

    “অনিবার্য পুনর্বাসন? মস্তিষ্ক-বিকৃত একজনের? সব স্মৃতি হারানো একজনের? সেটা সত্যই। কিন্তু আমাকে যারা খুঁজছে, তাতে তো আর তারা থেমে যাবে না। টুগার টানতেও বাঁধা দেবে না।”

    “সেটা হবে খুবই খারাপ, আর সেটা আমি মেনে নিতে প্রস্তুত ন‍ই।”

    “তাহলে তুমি সত্যের অন্বেষণ করছো না।”

    “আমি দুটো সত্য খুঁজছি, মনে তুমি সেটা বুঝতে পারছো না। আমি এগুলোর সাথে বাকি জীবনটা কাটিয়ে দেবো কারণ আমি দায়ি। দু’জন লোক নৃশংসভাবে খুন হয়েছে কারণ তারা তোমার এবং তোমার কাছে পাঠানো একটা মেসেজের মধ্যে এসে পড়েছিলো। আর সেটা হয়েছে আমার মাধ্যমেই।”

    “তুমি করবেলিয়া’র মেসেজটা দেখেছো। কতোগুলো বুলেটের ছিদ্র রয়েছে তাতে? দশটি, পনেরোটি?”

    “তাহলে তাকে ব্যবহার করা হয়েছে! তুমি ফোনে তার কথা শুনেছো, আমিও শুনেছি। সে মিথ্যে বলে নি, সে আমাদেরকে সাহায্য করার চেষ্টা করছে। তোমার জন্যে যদি নাও হয়, তো আমার জন্যে।”

    “এটা…সম্ভব।”

    “যেকোনো কিছুই সম্ভব। আমার কাছে কোনো জবাব নেই, কেবল পার্থক্য হলো, ব্যাপারগুলো কখনও ব্যাখ্যা করা যাবে না—অথচ ব্যাখ্যা করা উচিত। তুমি নিজের সম্পর্কে যা বলেছো, তা হয়তো তুমি নও।”

    “আমিই সেই লোক।”

    “আমার কথা শোনো-। তুমি আমার খুবই প্রিয়, ডার্লিং। এটা আমাকে অন্ধ ক’রে দিতে পারে, আমি সেটা জানি। তবে আমি আমার নিজের সম্পর্কেও কিছু জানি। আমি কোনো বাচ্চা মেয়ে নই। এ পৃথিবীর একটা বড় অংশ আমি দেখেছি 1 আর আমাকে যারা আকর্ষণ করে তাদেরকে খুব ভালোভাবে, ঘনিষ্ঠভাবে দেখেছি।” সে একটু থেমে তার কাছ থেকে সরে গেলো। “আমি একজন লোককে নির্যাতিত হতে দেখেছি—নিজের দ্বারা, অন্যের দ্বারা—আর সে চিৎকার ক’রে কাঁদতেও পারে না। তবে তুমি সেগুলোকে অন্যের উপর চাপিয়ে দাও নি, কেবল নিজে নিজে বয়ে বেরিয়েছো। বরং তুমি নিজেকে খুঁড়ে খুঁড়ে রক্তাক্ত করো, বোঝার ষ্টো করো, এটা কোনো ঠাণ্ডা মাথার খুনির মনমানসিকতা হতে পারে না। তুমি আমার জন্যে যা করেছো, যা করতে চাও, সেটার সাথেও এটা খাপ খায় না। আমি জানি না তুমি এর আগে কি ছিলে, অথবা কি অপরাধ তুমি করেছো, তবে তুমি তা নয়, যা তুমি বিশ্বাস করো। আমি এমন মানুষকে ভালোবাসি যাকে ভালো করেই জানি, চিনি। তুমি কেবল সেটা আবারো নিশ্চিত করলে। কোনো খুনি এমন প্রস্তাব করবে না, যা তুমি এইমাত্র করলে। আর সেই প্রস্তাবটা, স্যার, আমি সবিনয়ে প্রত্যাখ্যান করছি।”

    “তুমি একটা বোকা মেয়ে!” জেসন চটে গেলো। “আমি তোমাকে সাহায্য করতে পারি; তুমি আমাকে সাহায্য করতে পারো না! ঈশ্বরের দোহাই, আমাকে কিছু একটা করতে দাও!”

    “আমি সেটা করতে পারি না! এভাবে তো নয়ই…” আচম্‌কা মেরি ভেঙে পড়লো। তার ঠোঁট দুটো কাঁপতে লাগলো। “আমার মনে হয় আমি এইমাত্র সেটা করেছি।” সে ফিফিস্ ক’রে বললো।

    “কি করেছো?” বর্ন রেগেমেগে বললো।

    “আমাদের দু’জনকে কিছু একটা দাও,” তার দিকে ফিরলো সে। “আমি সেটা এইমাত্র বলেছি। এটা দীর্ঘদিন ধরেই আছে। ‘অন্যেরা তোমাকে যা বিশ্বাস করাতে চায়…’

    “তুমি কি বলছো এসব?”

    “তোমার অপরাধগুলো…অন্যেরা তোমাকে যা বিশ্বাস করাতে চায়।”

    “ওগুলো আমিই করেছি, ওগুলো আমার নিজস্ব অপরাধ।”

    “দাঁড়াও। হয়তো ওগুলো সংঘটিত হয়েছে, তবে তোমার দ্বারা নয়? হয়তো আলামতগুলো সাজানো—জুরিখে আমাকে যেভাবে ফাঁসানো হয়েছে, সাজানো হয়েছে সব—ওগুলো অন্য কারোর অপরাধ। জেসন —তুমি জানো না কখন তুমি তোমার স্মৃতি হারিয়েছো।”

    “পোর্ত নোয়ে’তে।”

    “না, সেখানে তুমি তোমার স্মৃতি হারাও নি। ওখান থেকে তোমার শুরু হয়েছে। পোর্ত নোয়ে’র আগের কথা বলছি। এটা অনেক কিছুই ব্যাখ্যা করতে পারে। এটা তোমাকে, আর লোকে তোমাকে যা ভাবে, সবই ব্যাখ্যা করতে পারবে।”

    “তুমি ভুল করছো। যে স্মৃতি, যে ছবি আমার মাঝে ফিরে আসে সেটা কোনো কিছুই ব্যাখ্যা করতে পারে না।”

    “হতে পারে তোমাকে যা বলা হয়েছে, তুমি কেবল সেটাই মনে করতে পারছো,” মেরি বললো। “বারবার, অজস্রবার তোমাকে সেটা বলা হয়েছে। যতোক্ষণ না অন্য কিছু তোমার মধ্যে থাকে। ফটোগ্রাফ, রেকর্ডিং, দৃশ্যগত এবং শব্দগত উদ্দীপনা।”

    “তুমি একজন চলতে ফিরতে পারা, কাজ করতে সক্ষম কুমড়াপটাশের কথা বলছো যাকে ব্রেইনওয়াশ করা হয়েছে। সেটা আমি নই।”

    মেরি তার দিকে তাকালো, নরম ক’রে বললো, “আমি একজন বুদ্ধিমান, এবং প্রচণ্ড অসুস্থ এক লোকের কথা বলছি। যার ব্র্যাকগ্রাউন্ড অন্যলোকের চিন্তাভাবনা সাথে খাপ খেয়ে যায়। তুমি কি জানো এরকম লোকজন কতো সহজে পাওয়া যায়? তারা সব হাসপাতালে, প্রাইভেট মানসিক আশ্রমে আর মিলিটারি ওয়ার্ডে আছে।” সে একটু থেমে আবার বলতে শুরু করলো। “ঐ সংবাদপত্রের আর্টিকেলটায় অন্য আরেকটা সত্যের কথা বলছে। আমি কম্পিউটারের উপরে বেশ দক্ষ। আমি যদি কোনো বিকৃত উদাহরণ খুঁজি যা বিচ্ছিন্ন ফ্যাক্টরগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করে, তাহলে আমি জানবো সেটা কিভাবে করা হয়েছে। পক্ষান্তরে, কেউ এমন একজন লোককে খুঁজছে যে স্মৃতিভ্রষ্ট, যার ব্যাকগ্রাউন্ডে রয়েছে সুনির্দিষ্ট কিছু দক্ষতা, ভাষা, জাতিগত বৈশিষ্ট্য, তাহলে মেডিকেল ডাটা ব্যাংক সে রকম কারোর খোঁজ দিতে পারবে। ঈশ্বর জানে, তোমার মতো কেস খুব বেশি নেই; হয়তো খুবই কম। হতে পারে কেবলমাত্র একটিই। তবে একজনকেই তারা খুঁজছে। যা তাদের দরকার।”

    গ্রামীণ এলাকাটার দিকে তাকালো বর্ন, নিজের মনের লৌহ দরজাটা খুলে উঁকি মারার চেষ্টা করলো। মেরি যে আশার কথা বলছে সেটার সাযুজ্য খোঁজার চেষ্টা করলো সে। “তুমি কি বলতে চাচ্ছো আমি একটা পুণরুৎপাদিত হওয়া বিভ্রান্তি,” সে কথাটা নির্বিকারভাবে বললো।

    “এটা হলো শেষ ফলাফল, তবে আমি তা বলছি না। আমি বলছি, এটা সম্ভব যে, তোমাকে ম্যানিপুলেট করা হয়েছে, মানে তোমার মস্তিষ্কের উপর কিছু একটা করা হয়েছে কোনো উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার জন্যে। এটা অনেক কিছুই ব্যাখ্যা করবে।” সে বর্নের হাতটা স্পর্শ করলো। “তুমি আমাকে বলো, অনেক সময় নাকি তোমার ভেতর থেকে কিছু বের হয়ে আসতে চায়—তোমার মাথাটা ফাটিয়ে দিতে চায়।”

    “কথাবার্তা—–বিভিন্ন জায়গার দৃশ্য, নাম—তারা অনেক কিছু উস্কে দেয়।”

    “জেসন এটা কি সম্ভব নয় যে, তারা ভূয়া কিছু উসকে দিচ্ছে, যা তোমাকে বলা হয়েছে? কিন্তু তুমি মুক্তি পাচ্ছো না। তুমি সেগুলো স্পষ্টভাবে দেখতেও পাও না। কারণ সেগুলো তোমার নয়।”

    “আমার তাতে সন্দেহ আছে। আমি কি করতে পারি সেটা আমি দেখেছি। আমি সেগুলো আগেও করেছি।”

    “তুমি সেগুলো অন্য কারণেও করতে পারো।…তোমার নিকুচি করি, আমি আমার জীবন নিয়ে শংকিত! আমাদের দু’জনের জীবন নিয়েই।…ঠিক আছে। তুমি ভাবতে পারো, অনুভব করতে পারো। এখন অনুভব করো, ভাবো! আমার দিকে তাকাও, বলো তুমি তোমার ভেতরটা দেখেছো, তোমার ভেতরকার ভাবনা আর অনুভূতিগুলো, আর তুমি কোনো সন্দেহ ছাড়াই জানো যে, তুমি কেইন নামের একজন খুনি! তুমি যদি তা করতে পারো—তবে আমাকে জুরিখে নিয়ে যাও। সব দোষ নিজের ঘাড়ে নিয়ে নাও। আমার জীবন থেকে বের হয়ে যাও! আর সেটা যদি না পারো, তাহলে আমার সাথেই থাকো, আমাকে সাহায্য করতে দাও। আর ঈশ্বরের দোহাই, আমাকে ভালোবাসো। ভালোবাসা, জেসন।”

    বর্ন তার হাতটা ধরলো। যেনো এক রাগী বাচ্চা ছেলে শক্ত ক’রে ধরে রেখেছে তার হাতটা। “এটা ভাবার অথবা অনুভবের প্রশ্ন নয়। আমি গেইমেনশেফটের একাউন্টটা দেখেছি। এন্ট্রিগুলো অনেকদিন আগের। সেগুলোর সাথে আমি যা জানি, সবই খাপ খেয়ে যায়।”

    “কিন্তু সেই একাউন্টটা আর ঐসব এন্ট্রি গতকালকে অথবা গত সপ্তাহে, কিংবা ছয় মাস আগেও তৈরি করা হতে পারে। তুমি তোমার সম্পর্কে যা পড়েছো, যা শুনেছো সবই ঐ সব লোকের সাজানো হতে পারে, যারা তোমাকে কেইনের জায়গায় দেখতে চায়। তুমি কেইন নও। তবে তারা তোমাকে সেরকমই ভাবাতে চায়। তবে এমন কেউও আছে যারা জানে তুমি কেইন নও। আর তারা সেটাই তোমাকে বলার চেষ্টা করছে। আমার কাছেও প্রমাণ রয়েছে। আমার প্রেমিক বেঁচে আছে, কিন্তু দু’জন বন্ধু মারা গেছে, কারণ তারা তোমার এবং যে তোমাকে মেসেজটা পাঠিয়েছে তার মাঝখানে এসে পড়েছিলো। তারা তোমার জীবন বাঁচানোর চেষ্টা করছে। তারা মারা গেছে ঐসব লোকের হাতে যারা তোমাকে কার্লোসের কাছে কেইনের বদলে বলি দিতে চায়। তুমি বলছো সবই খাপ খেয়ে যায়। আসলে খাপ খায় না, জেসন, তবে আমারটা খাপ খায়। এটা তোমার অনেক কিছুই ব্যাখ্যা করে।”

    “বারুদবিহীন একটা ফাঁপা শ্নেল, যার এমন কি নিজের স্মৃতিও নেই, সে মনে করে তার সেটা আছে? যার ভেতরের শয়তানগুলো বের হয়ে আসবার জন্যে ছটফট করছে? এটা তো খুব সুখকর সম্ভাবনা নয়।”

    “ওগুলো শয়তান নয়, মাই ডার্লিং। ওগুলো তোমারই অংশ—রাগ, ভয়, চিৎকার করছে বের হয়ে আসার জন্যে, কারণ তারা তোমার নয়, যা তুমি শেলের ভেতরে ঢুকিয়েছো।”

    “আমি যদি সেই শ্নেলটা ভেঙে ফেলি, আমি কি খুঁজে পাবো?”

    “অনেক কিছু। কিছু ভালো কিছু খারাপ। আর প্রচুর সংখ্যক থাকবে ক্ষত। তবে কেইন ওখানে থাকবে না, সেটা আমি তোমাকে বলতে পারি। আমি তোমাকে বিশ্বাস করি, ডার্লিং। দয়া ক’রে হাল ছেড়ে দিও না।”

    সে দূরত্ব বজায় রাখলো, একটা কাঁচের দেয়াল তাদের দু’জনের মাঝখানে। “কিন্তু আমাদের ধারণা যদি ভুল হয়ে থাকে? তাহলে কি হবে?”

    “সঙ্গে সঙ্গে আমাকে ছেড়ে চলে যাবে। অথবা খুন করবে। আমি পরোয়া করবো না।”

    “আমি তোমাকে ভালোবাসি।”

    “জানি। এজন্যেই আমি ভয় পাই না।”

    “আমি লাভিয়ার অফিস থেকে দুটো ফোন নাম্বার খুঁজে পেয়েছি। প্রথমটি জুরিখের, দ্বিতীয়টি প্যারিসের। ভাগ্য ভালো থাকলে ওগুলো আমাকে আমার দরকারী একটা নাম্বারের সন্ধান দিতে পারবে।”

    “নিউইয়র্ক? ট্রেডস্টোন?”

    “হ্যা, জবাবটা ওখানেই আছে। আমি যদি কেইন না হই, তবে ঐ নাম্বারের কেউ না কেউ জানে আমি কে।”

    .

    তারা এই ভেবে গাড়িতে ক’রে প্যারিসে ফিরে এলো যে, নিরিবিলি গ্রামীণ এলাকা থেকে প্যারিসের জনাকীর্ণ এলাকাটাই বেশি নিরাপদ হবে। সোনালী চুলের এক মেয়ে, চশমা পরা, খুবই আকর্ষণীয় এবং দৃঢ়চেতা এক নারী, মেকআপ আর চুল বাঁধার ধরণ পাল্টে ফেলে সে হয়ে গেছে সরবোনের কোনো ছাত্রি। এই মতঁমার্ত্রে- তে এরকম ছাত্রি সচরাচর দেখা যায়। তারা রুই দ্য মায়েস্তের টেরাসে একটা ঘর নিলো, ব্রাসেসের এক বিবাহিত দম্পতি হিসেবে তারা রেজিস্টার্ড হলো।

    ঘরে ঢুকে তারা কিছুক্ষণ নির্বাক দাঁড়িয়ে রইলো। তারা যা দেখছে আর টের পাচ্ছে তাতে কথা বলার কোনো দরকার নেই। তারা একত্রে জড়িয়ে পড়েছে অষ্টেপৃষ্ঠে। একটা গভীর খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে আছে। একজন পড়লে, আরেকজনও তার সাথে পড়ে যাবে। অতল গহ্বরে।

    বর্ন তার চুলের রঙ বদলাতে পারে নি সময়ের অভাবে। “আমাদেরকে একটু বিশ্রাম নিতে হবে,” বললো সে। “একটু ঘুমাতে হবে। অনেক কাজ করতে হবে আজ।”

    তারা মিলিত হলো। বেশ শান্তভাবে, ধীরে ধীরে আর পরিপূর্ণভাবেই। দু’জনেই বিছানায় বেশ ছন্দময় ভঙ্গীতে ব্যাকুল হয়ে উঠলো একে অন্যেকে পেতে। এক সময় একটা আসন ঠিক করার সময় যখন এলো দু’জনেই হেসে ফেললো। প্ৰথমে বিব্রতকর হাসি, তারপর নিজেদের বোকামীর কথা ভেবে হেসে উঠলো তারা। যতো সময় গড়ালো একে অন্যকে আরো বেশি তীব্রভাবে জড়িয়ে ধরলো। একে অন্যের মাঝে ব্যাকুলভাবে হারিয়ে যেতে চাইলো, যেনো যে অন্ধকার আর ঝড়ো বাতাস তাদেরকে জাপটে ধরে রেখেছে চারপাশ থেকে, সেটা থেকে তারা এভাবেই পরিত্রাণ পাবে। আচমকা তারা বাস্তব জগৎ ছেড়ে এমন একটা জগতে প্রবেশ করলো যা অসাধারণ সৌন্দর্য নিয়ে তাদের সামনে উদ্ভাসিত হচ্ছে। চমৎকার রৌদ্রোজ্জ্বল দিন আর নীল রঙের জলরাশি অন্ধকারকে প্রতিস্থাপিত করলো। অবশেষে এরকম একটা জগৎ খুঁজে পেলো তারা।

    নিঃশেষ হয়ে দু’জনেই ঢলে পড়লো ঘুমে। ঘুমের মধ্যেও একে অন্যের হাত ধ’রে রাখলো তারা।

    নিচের রাস্তার যানবাহনের হর্ন আর হৈ হল্লা টের পেয়ে বর্নই আগে জেগে উঠে হাত ঘড়িতে সময় দেখলো। একটা বেজে দশ মিনিট বেজে গেছে। দুপুর। তারা প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ঘুমিয়েছে। সম্ভবত তাদের দরকারের চেয়েও কম সেটা। তবে যথেষ্টই বলা চলে। দিনটা হবে খুবই দীর্ঘ, অনেক কাজ করতে হবে, তবে কি করবে সে ব্যাপারে সে নিশ্চিত নয়। সে কেবল জানে তার কাছে দুটো ফোন নাম্বার আছে যা তাকে তৃতীয় আরেকটা নাম্বারের সন্ধান দেবে। নিউইয়র্কের

    মেরি তার পাশে শুয়ে গভীর নিঃশ্বাস নিচ্ছে, সে তার দিকে ফিরলো। মেরির ঠোঁট জোড়া একটু ফাঁক হয়ে আছে। কী চমৎকার লাগছে তাকে। বর্ন তার ঠোঁটে চুমু খেলো। চোখ দুটো বন্ধ থাকলেও মেরি সাড়া দিলো গভীর চুম্বনের সাথে।

    “তুমি হলে একটা ব্যাঙ, আমি তোমাকে রাজকুমার বানাবো,” সে ঘুমঘুম কণ্ঠে বললো। “নাকি অন্য কোনো পথ আছে?”

    “আমার বর্তমান আকৃতি ব্যাঙের মতো নয়।”

    “তাহলে তুমি ব্যাঙই থাকো। লাকিয়ে বেড়াও ছোট্ট ব্যাঙ। কিভাবে লাফাও সেটা আমাকে দেখাও তো।”

    “কোনো প্রলোভনে নয়, আমি কেবল মাছি ধ’রে খাওয়ার জন্যেই লাফাই।”

    “ব্যাঙেরা মাছি খায় নাকি? মনে হয় খায়। ঘোৎ ঘোৎ ক’রে তারা কাঁপে। কি বিচ্ছিরি।”

    “আসো, চোখ খেলো। আমাদের দু’জনকেই এখন লাফাতে শুরু করতে হবে। আমাদেরকে শিকারে বের হতে হবে।”

    মেরি চোখ দুটো পিটপিট ক’রে খুলে বললো, “শিকার, কার জন্যে?”

    “আমার জন্যে,” সে বললো।

    .

    রুই লাফায়েতের একটা ফোনবুথ থেকে মিঃ বৃগস্ নামের একজন জুরিখের একটা নাম্বারের ফোন করলো। বর্ন জানে জ্যাকুলিন লাভিয়া ঐ নামটা জানাতে কোনো সময় নষ্ট করবে না। জুরিখে এটা ইতিমধ্যেই পৌঁছে গেছে।

    রিংয়ের শব্দ হতেই জেসন ফোনটা মেরির হাতে ধরিয়ে দিলো। মেরি জানে তাকে কি বলতে হবে। এটা না বলে তার আর কোনো উপায় নেই। ইন্টারন্যাশনাল অপারেটরের কণ্ঠটা লাইনে শোনা গেলো।

    “আমি দুঃখিত, যে নাম্বারটাতে আপনি ফোন করেছেন সেটা আর সচল নেই।”

    “এটা খুবই জরুরি, অপারেটর। আপনার কাছে কি অন্য কোনো নাম্বার আছে?”

    “টেলিফোনটা সচল নেই, মাদাম। অন্য কোনো বিকল্প নাম্বারও নেই।”

    “হয়তো ভুল কোনো নাম্বার দেয়া হয়েছে। এটা খুবই জরুরি। এই নাম্বারটা যার বা যাদের, সেই নামটা কি আপনি দিতে পারবেন?”

    “এটা সম্ভব নয়।”

    “বললাম না, খুবই জরুরি। আমি কি আপনার পদস্থ কর্মকর্তার সাথে কথা বলতে পারি?”

    “টনি আপনাকে কোনো সাহায্য করতে পারবে না। এই নাম্বারটা তালিকায় অপ্রকাশিত একটি নাম্বার। গুড আফটারনুন, মাদাম।”

    লাইনটা কেটে গেলো। “লাইন কেটে গেছে,” মেরি বললো।

    “এটা খুঁজে বের করতে অনেক সময় লাগবে,” রাস্তার এদিক-ওদিক চেয়ে বর্ন জবাব দিলো। “চলো, এখান থেকে।”

    “তুমি মনে করছো তারা এটা ট্রেস্ করতে পারবে? প্যারিসে? একটা পাবলিক ফোনে?”

    “তিন মিনিটেই একটা এক্সচেঞ্জ ডিস্টিক্টটা বের করতে পারবে, চার মিনিটে ব্লকগুলো।”

    “তুমি কি ক’রে জানো?”

    “বলতে পারলে তো বলতামই। এবার চলো।”

    “জেসন। একটু দূরে গিয়ে দেখি না কেন? লুকিয়ে লুকিয়ে?”

    “কারণ আমি জানি না কিসের জন্যে দেখবো, আর তারাই বা কি করবে। তাদের কাছে একটা ছবি আছে। তারা এই এলাকার সবখানে লোকজন ছড়িয়ে দিতে পারে।”

    “আমাকে তো পত্রিকার ছবিগুলোর মতো দেখাচ্ছে না।”

    “তোমাকে না। আমাকে দেখাচ্ছে। চলো।”

    তারা লোকজনের ভীড় ঠেলে দশব্লক দূরে বুলেভার্দ মলেশার্বের আরেকটা ফোন বুথের কাছে চলে এলো। এবার আর কোনো অপারেটরের মাধ্যমে নয়। এটা প্যারিসের একটা নাম্বার। মেরি কয়েন ঢুকিয়ে ডায়াল করলো।

    কিন্তু লাইনের কথাটা দারুণ অবাক করলো মেরিকে :

    “লা রেসিদেন্স দু জেনেরাল ভিলিয়ে। বর্জুখ?… আলো? আলো?”

    কয়েক মুহূর্তের জন্যে মেরি কথা বলতে পারলো না। সে কেবল ফোনটার দিকে চেয়ে রইলো। “জেমেক্সিউজ,” ফিফিস্ ক’রে বললো সে। “উনে এরেওয়ে।” সে ফোনটা রেখে দিলো।

    “ব্যাপার কি?” কাঁচের দরজাটা খুলে বর্ন জিজ্ঞেস করলো। “কি হয়েছে? কে সে?”

    “কিছুই বুঝতে পারছি না,” মেরি বললো। “আমি ফ্রান্সের সবচাইতে সম্মানিত এবং ক্ষমতাধর এক ব্যক্তির বাড়িতে ফোন করেছি।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্বপ্নবাসবদত্তা – ভাস
    Next Article কন্ট্রোল (বেগ-বাস্টার্ড ৭) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    Related Articles

    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    দ্য দা ভিঞ্চি কোড – ড্যান ব্রাউন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    অরিজিন – ড্যান ব্রাউন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    নেমেসিস (বেগ-বাস্টার্ড – ১) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    কন্ট্রাক্ট (বেগ-বাস্টার্ড ২) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    নেক্সাস (বেগ-বাস্টার্ড ৩) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }