Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বর্ন আইডেন্টিটি – রবার্ট লুডলাম

    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন এক পাতা গল্প722 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বর্ন আইডেন্টিটি – ২৬

    অধ্যায় ২৬

    যুবকটির পাশে পাশে জ্যোৎস্না প্লাবিত রোয়ে দ্য বুলোয়ার পথ ধরে হাটছে বৃদ্ধ সৈনিক। যেহেতু অনেক কথাই বলা হয়ে গেছে তাই কেউই কোনো কথা বলছে না—স্বীকার, চ্যালেঞ্জ, অস্বীকার, আর পুণরায় আশ্বস্ত করা হয়েছে। ভিলিয়ার্সকে বিশ্লেষণ করতে হচ্ছে, মানতে হচ্ছে, আবার বর্জনও করতে হচ্ছে। মাঝে মাঝে সে ক্ষেপেও যাচ্ছে—সে যে সব কথা শুনেছে তা যদি মিথ্যে হয় তবেই তার জীবনে স্বাভাবিকতা ফিরে আসবে। কিন্তু সে কিছুই করলো না। সে একজন সৈনিক, হাল ছেড়ে দেয়া তার কাজ নয়।

    এই তরুণটির কথায় অনেক সত্যতা আছে। এটা তার চোখ, তার কণ্ঠ শুনলেই বোঝা যায়। নামহীন লোকটা মিথ্যে বলছে না। অনিবার্য বেঈমানটা ভিলিয়ার্সের বাড়িতেই আছে। এটা এমন অনেক কিছুকে ব্যাখ্যা করছে যা এর আগে সে প্রশ্ন করতেও সাহস করে নি। একজন বুড়ো প্রাণ খুলে কাঁদতে চাচ্ছে এখন।

    স্মৃতিহীন লোকটার মধ্যে অবশ্য তেমন একটা পরিবর্তন অথবা নতুন কিছু জানার ব্যাপার নেই। বহুরূপী কোনো অনুরোধ করছে না। তার গল্পটা খুবই বিশ্বাসযোগ্য, কারণ সেটা সত্যের উপর ভিত্তি ক’রে দাঁড়িয়ে আছে। কার্লোসকে তার খুঁজে বের করতেই হবে। গুপ্তঘাতক যা জানে সেটা তাকে জানতে হবে। ব্যর্থ হলে তার কোনো জীবন থাকবে না। এর বাইরে সে আর কিছুই বলছে না। সেন মেরি অথবা পোর্ত নোরেয় কথা বলা হলো না।

    তার বদলে কার্লোস সে যা জানে সব কিছু স্মরণ করলো। এই ব্যাপারে তার জ্ঞান এতো ব্যাপক যে, ভিলিয়ার্সকে যখন কথাগুলো বললো বুড়ো জেনারেল তখন বিস্ময়ে চেয়ে রইলো। বুঝতে পেরেছিলো তথ্যগুলো খুবই গোপনীয়। বিদ্যমান অনেক তত্ত্বকে সেটা নাড়িয়ে দিলেও জেনারেলের মনে হয়েছে কথাগুলো সত্য। কারণ সেও এসব কিছু কিছু আগে থেকেই জানতো। তার ছেলের কারণে জেনারেলকে কার্লোসের উপর তার দেশের সবচাইতে গোপন ফাইলগুলো দেখার সুযোগ দেয়া হয়েছিলো। তবে স্মৃতিহীন লোকটার কথার সাথে সেই ফাইলের অনেক কথারই মিল নেই।

    “যে মেয়েটার সাথে তুমি আর্জেনতুইলে কথা বলেছো, যে আমার বাড়িতে ফোন ক’রে থাকে, যে তোমার কাছে সব স্বীকার করেছে সে একজন অনুচর…”

    “লাভিয়া,” বর্ন কথার মাঝখানে বললো।

    জেনারেল থেমে গেলো। “ধন্যবাদ। সে তোমার ছবি তুলেছে।”

    “হ্যা।”

    “তাদের কাছে আগে কোনো ছবি ছিলো না?”

    “না।”

    “তাহলে তুমি যেমন কার্লোসকে পাকড়াও করতে চাচ্ছো তেমনি কার্লোসও তোমাকে পাকড়াও করতে চাইছে। অথচ তোমার কাছে তার কোনো ছবি নেই। তুমি কেবল দু’জন কুরিয়ারকে চেনো। যার মধ্যে একজন আমার বাড়িতে আছে।”

    “হ্যা।”

    বুড়ো মুখটা সরিয়ে নিলে আবারো নিরবতা নেমে এলো।

    .

    পথের শেষপ্রান্তে এসে পড়লো তারা, যেখানে একটা ছোটোখাটো হ্রদ আছে। হ্রদের চারপাশ কংক্রিটের ওরাকওয়ে দিয়ে বাঁধানো। ওয়াকওয়ের পাশে অনেকগুলো বেঞ্চ আছে বসার জন্যে। তারা নিরবে দ্বিতীয় বেঞ্চটার দিকে এগোলো। ভিলিয়ার্সই আগে মুখ খুললো।

    “একটু বসি, এই বয়সে এতো শক্তি আমার নেই। এটা আমাকে মাঝে মাঝে বিব্রত করে।”

    “আপনার ব্রিবত হওয়া উচিত না,” বর্ন তার পাশে বসতে বসতে বললো।

    জেনারেল বর্নের দিকে তাকিয়ে বললো। “উচিত না জানি। তবে হই।” একটু চুপ থেকে জেনারেল আবার বললো, “বিশেষ ক’রে আমার বউয়ের সঙ্গে যখন থাকি।”

    “সেটা অবশ্য খুব একটা গুরুত্বপূর্ন নয়,” জেসন বললো।

    “তুমি ভুল করছো,” বুড়ো বললো। “আমি বিছানার কথা বলছি না। কখনও কখনও আমি আমার কাজকর্ম কমিয়ে ফেলে কয়েক সপ্তাহের জন্যে উধাও হয়ে যাই—মেডিটেরিনিয়ানে কাটিয়ে আসি।”

    “বুঝতে পারছি না।”

    “আমি আর আমার বউ প্রায়ই আলাদা থাকি। অনেক দিক থেকেই আমরা আলাদা আলাদাভাবে বসবাস করি। আনন্দ লাভ করি, একে অন্যের মতো ক’রে।”

    “আমি এখনও বুঝতে পারছি না।”

    “আমি নিজেকে আরো বিব্রত করবো কি?” ভিলিয়ার্স বললো। “যখন এক বৃদ্ধলোক কোনো আকর্ষণীয়া নারীর সাথে বসবাস করার ব্যাপারে অনীহা দেখায়, কয়েকটা বিষয় তখন বোধগম্য হয়ে ওঠে। অবশ্যই অর্থনৈতিক নিশ্চয়তা আছে, আমার ক্ষেত্রে পাবলিক এক্সপোজারও রয়েছে। বড় বড় বাড়িতে প্রবেশ, সেলিবৃটিদের সাথে সহজেই বন্ধুত্ব করা।” বুড়ো একটু বিরতি দিলো। “সে কি কোনো প্রেমিক জুটিয়ে নিয়েছে?” জেনারেল নরম কণ্ঠে বলতে লাগলো আবার। “সে কি তরুণ আর শক্ত সামর্থ্য কারোর জন্যে মুখিয়ে আছে? যদি সে সেটা ক’রে থাকে, তবে সেটা মেনে নিতেই হয়—স্বস্তি লাভের জন্যে হলেও—কেবল আশা করি যে তার যেনো বুদ্ধিসুদ্ধি ঠিক থাকে। একজন নিবীর্য আর স্ত্রৈণ রাজনীতিক মাতাল রাজনীতিকের চেয়েও বেশি দ্রুত জনপ্রিয়তা হারায়। তার মানে ঐ রাজনীতিক একদম নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। উদ্বিগ্ন হবার আরো কিছু আছে। মেয়েটা কি আমার নাম ব্যবহার করছে?”

    “তাহলে আপনি অনুভব করতে পারছিলেন?” শান্তকণ্ঠে বললো জেসন।

    “অনুভব করা আর বাস্তবতা এক জিনিস নয়!” বুড়ো জেনারেল পাল্টা বললো।

    “মাঠ পর্যবেক্ষণে এসবের কোনো স্থান নেই।”

    “তাহলে আপনি আমাকে কেন এসব বলছেন?”

    “আজরাতে আমরা দু’জন যা দেখেছি তার একটা সরল ব্যাখ্যা করা যেতে পারে। আমি প্রার্থনা করি সেটাই যেনো ঠিক হয়। তবে আমার মন বলছে তা হবে না। আমি সেটা জানি, যখন তুমি আমাকে লো ক্লাসিকের কথা বললে, তখনই আমার মধ্যে কিছু যন্ত্রণাদায়ক ব্যাপার উদয় হয়েছিলো। গত দু’ঘণ্টা ধরে আমি নিজের সাথে লড়াই করেছি। সেটা করার আর কোনো মানে হয় না। এই মহিলার আগে আমার নিজের সন্তানের অবস্থান।”

    “কিন্তু আপনি বলেছিলেন, আপনি তার বিচারবুদ্ধির উপর আস্থা রাখেন। সে আপনাকে অনেক সাহায্য করে।”

    “সত্য। আমি তাকে পাগলের মতো বিশ্বাস করতে চাই। দুনিয়ায় সবচাইতে সহজ কাজ হলো নিজেকে বোঝানো যে, তুমিই ঠিক। বুড়োদের বেলায়ও এটা প্রযোজ্য।”

    “আপনি তাহলে বুঝতে পরেন নি?”

    “যে সাহায্য সে আমাকে করে, যে বিশ্বাস আমি তাকে করি তাতে তো আমি এরকমটি করতে পারি না,” জেসনের দিকে তাকালো সে। “কার্লোসের ব্যাপারে তোমার অসাধারণ জ্ঞান রয়েছে। আমি নিজের হাতে তাকে গুলি করতে চাই। কিন্তু লোকটা সম্পর্কে আমি ফাইলে যা পড়েছি তার সাথে তোমার কথার খুব কম মিলই রয়েছে। তারপরও বলতে হয় তোমার মনোযোগ তার দক্ষতা, তার পদ্ধতি আর খুন করার ধরনের ওপরই বেশি। তুমি কার্লোসের অন্য দিকটা এড়িয়ে গেছো। সে কোনো অস্ত্র বিক্রি করে না, সে বিক্রি করে একটি দেশের গোপনীয়তা।”

    “আমি সেটা জানি,” বর্ন বললো। “এটা সেই দিক নয়—”

    “উদাহরণ হিসেবে বলতে পারি,” জেনারেল আবার বলতে লাগলো যেনো জেসনের কথাটা সে শুনতে পায় নি। “আমি ফ্রান্সের মিলিটারি এবং নিউক্লিয়ার সিকিউরিটি সংক্রান্ত গোপন দলিলগুলো দেখেছি—সম্ভব আরো পাঁচজন লোক দেখেছে, যারা খুবই আস্থাভাজন। আমরা দেখেছি মস্কো এটা জানে, ওয়াশিংটন ওটা জানে, পিকিং জানে অন্য কিছু।”

    “আপনি এইসব বিষয় নিয়ে আপনার বউয়ের সঙ্গে কথা বলেছেন?” বর্ন অবাক হয়ে জানতে চাইলো।

    “অবশ্যই না। ঐসব পেপার যখন বাড়িতে নিয়ে আসলে একটা সিন্দুকে সেগুলো রাখতাম। আমি ছাড়া আর কেউ ঐ সিন্দুকটা খুলতে পারে না। তবে এটার আরেকটা চাবি আছে আমার বউয়ের কাছে। অন্য কেউ যদি এসব জানে তো সেটা আমার বউই জানে।”

    “আমার মনে হয় সেটা হোতো খুবই বিপজ্জনক। চাবি আর তথ্য, দুটোই আপনার বউয়ের কাছ থেকে জোর ক’রে আদায় করা যেতে পারে।”

    “এর অবশ্য কারণও আছে। আমি যে বয়সে এসে পৌঁছেছি তাতে যেকোনো দিন শেষ সময় ঘনিয়ে আসতে পারে। আমার যদি কিছু হয় তো তাকে বলা আছে সে মিলিটারি কনসিলারকে ফোন ক’রে জানাবে। আমার অফিসে গিয়ে নিরাপত্তারক্ষীরা না আসা পর্যন্ত সেখানেই অপেক্ষা করবে।”

    “সে কি দরজার পাশে থাকতে পারে না, একেবারে সিন্দুকের পাশেই থাকতে হবে?”

    “আমার বয়সী লোকেরা নিজের ডেস্কেই বেশি মৃত্যুনরণ ক’রে থাকে।” ভিলিয়ার্স দু’চোখ বন্ধ করলো। “সে আমার নিজের স্ত্রী। একটা বাড়িতে, একটা জায়গায় থাকি, সে এরকম কিছু করবে সেটা কেউই বিশ্বাস করবে না।”

    “আপনি নিশ্চিত?”

    “অনেকটা। সে-ই আমাকে বিয়ে করার জন্যে চাপ দিয়েছিলো। আমি বার বার আমাদের বয়সের পার্থক্যকার কথা বলেছি, তবে সে মানে নি। সে একটা প্রস্তাব দেয়, আমার কোনো সম্পত্তি দাবি করবে না ব’লে একটা কাগজে স্বাক্ষর করার কথা বলে। অবশ্য আমি তাকে দিয়ে সেই স্বাক্ষরটা করাই নি। আমার কাছে মুখে বলাটাই যথেষ্ট ছিলো। প্রবাদের কথাই ঠিক : বৃদ্ধলোক হলো বোকার হদ্দ। তারপরও সব সময়ই সন্দেহ থাকতো, সেগুলো ভ্রমণ আর অপ্রত্যাশিতভাবে আলাদা থাকার সময় হোতো।”

    “অপ্রত্যাশিত?”

    “তার অনেক বিষয়ে আগ্রহ ছিলো। আজ গ্রেনোবেলে একটা ফ্রাঙ্কো-সুইস জাদুঘর তো কাল আর্মস্টারডামের ফাইন আর্টসের একটা গ্যালারি, পরশু আবার মার্সেই’তে কোনো সমুদ্রবিজ্ঞানের উপর কনফারেন্স। এসব নিয়ে আমাদের মধ্যে উত্তপ্তবাক্য বিনিময় হোতো। আমি চাইতাম সে প্যারিসেই থাকুক। আমার সাথে কোনো কূটনৈতিক অনুষ্ঠানে যাক। আমি চাইতাম সে অবশ্যই যাবে। সে যেতো না। অন্য কোথাও চলে যেতো। যেনো কেউ তাকে অর্ডার দিয়েছে নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট জায়গাতে হাজির থাকতে হবে।”

    গ্রোনোবেল—সুইস সীমান্ত সংলগ্ন একটি অঞ্চল, জুরিখ থেকে এক ঘণ্টার পথ। বুলোয়া-সরমে-চ্যানেলের তীরে অবস্থিত, লন্ডনে থেকে এক ঘণ্টার পথ। মার্সেই…কার্লোস।

    “মার্সেই’র কনফারেন্সটা কবে হয়েছিলো?” জেসন জানতে চাইলো।

    “মনে হয় গত আগস্টে। মাসের শেষের দিকে।”

    “২৬শে আগস্ট, বিকেল পাঁচটায়। এ্যাম্বাসের হাওয়ার্ড লিল্যান্ড মার্সেই’র ওয়াটারফ্রন্টে নিহত হন।”

    “হ্যা, আমি জানি,” ভিলিয়ার্স বললো। “তুমি এটা আগেও বলেছো। আমি লোকটার মৃত্যুতে দুঃখিত, তবে তার বিচার বুদ্ধির উপর আমার আস্থা ছিলো না।” বুড়ো সৈনিক থেমে বর্নের দিকে তাকালো। “মাই গড,” সে বিড়বিড় ক’রে বললো। “সে তাহলে তার সাথেই ছিলো। কার্লোস তাকে ডেকে পাঠিয়েছিলো। সে তার কাছে গিয়েছিলো। অক্ষরে অক্ষরে তার আদেশ পালন করেছে!”

    “আমি অবশ্য এতোটা ভাবি নি,” জেসন বললো। “আমি কেবল ভেবেছিলাম সে একজন তথ্যদাতা, মানে তথ্য রিলে ক’রে থাকে—-একজন অন্ধ রিলে। আমি এতোটা ভাবি নি।”

    আচমকা বৃদ্ধলোকটি চিৎকার ক’রে উঠলো। তার চিৎকারে আছে সুগভীর মর্ম যাতনা। দু’হাতে নিজের মুখটা ঢেকে ফেললো সে।

    বর্ন কিছুই করলো না। কিছু করারও নেই। “আমি দুঃখিত,” সে কেবল এটাই বললো।

    জেনারেল নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করে বললো, “আমিও। আমার ব্যবহারের জন্যে ক্ষমা চাচ্ছি।”

    “তার কোনো দরকার নেই।”

    “আমার মনে হয় এ নিয়ে আর কথা বলার কোনো প্রয়োজন নেই। যা করতে হবে আমি তাই করবো।”

    “কি করবেন?”

    জেনারেল উঠে দাঁড়ালো। তার চোয়ালটা খুব দৃঢ়। “তুমি কি সেটা জিজ্ঞেস করতে পারো?”

    “আমাকে সেটা জিজ্ঞেস করতেই হবে।”

    “সে যা করেছে তার জন্যে একটাই শাস্তি আছে। আমার ছেলের হত্যাকারীর সাথেই কেবল তার সংযোগ নেই সে এখন দেশের বিরুদ্ধে কাজ করছে। যে দেশের জন্যে সারাজীবন আমি লড়াই করেছি, সেবা করেছি।”

    “আপনি তাকে খুন করবেন?”

    “আমি তাকে খুন করবো। সে আমাকে সত্য কথাটা বলবে এবং সে মরবে।”

    “সে সব কিছু অস্বীকার করবে।”

    “আমার তাতে সন্দেহ রয়েছে।”

    “এটা তো পাগলামী!”

    “শোনো, আমি অর্ধশতাব্দী ধরে ফ্রান্সের শত্রুদের সাথে লড়াই ক’রে আসছি। তাদের মধ্যে ফরাসিও আছে। সত্যটা আমাকে শুনতেই হবে।”

    “সে কি করবে ব’লে আপনি মনে করেন? আপনি বলবেন আর ঠাণ্ডা মাথায় সে সব স্বীকার করে নেবে?”

    “সে কোনো কিছুই ঠাণ্ডা মাথায় করবে না। তবে সে রাজি হবে। সে এটা বলবেই।”

    “কেন বলবে?”

    “কারণ তাকে আমি যখন অভিযুক্ত করবো, সে আমাকে খুন করার সুযোগ পেয়ে যাবে। আর যখনই সে ঐ চেষ্টাটা করবে, আমি আমার ব্যাখ্যা পেয়ে যাবো। পাবো না?”

    “আপনি সেই ঝুঁকিটা নেবেন?”

    “আমাকে যে নিতেই হবে।”

    “ধরুণ সে আপনাকে খুন করার কোনো চেষ্টা করলো না?”

    “এটা হবে না। আমরা দু’জনেই সেটা জানি। আমি তোমার চেয়ে অনেক বেশি পরিস্কার জানি।”

    “আমার কথা শোনেন,” জেসন বললো। “আপনি বলেছিলেন আগে আপনার ছেলে, তার কথাটা ভাবুন! খুনির পিছু নিন। তার অনুচরের নয়। ঐ মহিলা আপনার জন্যে বড় একটা ক্ষত। কিন্তু কার্লোস তার চেয়েও বড়। আপনার ছেলেকে যে খুন করেছে তাকে আগে ধরুন! তাহলে দু’জনকেই ধরতে পারবেন। বউকে এখন কিছু করবেন না। কার্লোস সম্পর্কে যা জানেন সেটা ব্যবহার করুন। আমার সাথে মিলে শিকার করুন তাকে। এ পর্যন্ত কেউ তার এতো কাছে আসতে পারে নি।”

    “তুমি এমন কিছু চাইছো যা আমি দিতে পারবো কিনা সন্দেহ আছে,” বুড়ো জেনারেল বললো।

    “যদি আপনি আপনার ছেলের কথা না ভাবেন, যদি নিজের কথাই শুধু ভাবেন, তাহলে ঠিক আছে।”

    “তুমি খুবই রুক্ষ্মভাবে বলছো, মঁসিয়ে।”

    “আমি ঠিকই বলছি, আর আপনিও সেটা জানেন।”

    “হ্যা, তোমার কথাই ঠিক,” সে বললো। “খুবই রূঢ় কিন্তু ঠিক। খুনিটাকে ধরতে হবে, ঐ খানকিটাকে নয়। আমরা কিভাবে একসাথে কাজ করবো? শিকার করবো একত্রে?”

    বর্ন স্বস্তিবোধ ক’রে চোখ দুটো কয়েক মুহূর্তের জন্যে বন্ধ করলো। “কিছু করবেন না। কার্লোস আমাকে সারা প্যারিস তন্ন তন্ন ক’রে খুঁজে বেড়াচ্ছে। আমি তার লোকদেরকে হত্যা করেছি। তার অনুচরদের প্রকাশ ক’রে ফেলেছি। একটা কনটাক্ট খুঁজে বের করেছি। আমি তার খুব কাছে এসে পড়েছি। আমরা যদি ভুল না করি, আপনার টেলিফোনটা খুব ব্যস্ত হয়ে উঠবে। এটা আমি নিশ্চিত করতে পারি।”

    “কিভাবে?”

    “আমি লো ক্লাসিকের আধডজন কর্মচারীকে পাকড়াও করবো। কয়েকজন কেরাণী, লাভিয়া, বারগোঁয়া এবং অবশ্যই সুইচবোর্ডের লোকটাকে। তারা মুখ খুলবে। আমিও মুখ খুলবো। তারপর আপনার ফোনটা খুব ব্যস্ত হয়ে উঠবে।”

    “কিন্তু আমি কি করবো?”

    “বাড়িতে থাকুন, বলবেন আপনার শরীর খারপ। আর যখনই ঐ ফোনটা বাজবে, যে-ই জবাব দিক না কেন, আশেপাশে থাকবেন। কথাগুলো শুনবেন। কোডগুলো ধরার চেষ্টা করবেন। চাকর-বাকরদের প্রশ্ন করবেন তারা তাদেরকে কি বলেছে। আপনি নিজেও শুনতে পারেন। আপনি যদি কিছু শুনতে পান ভালো, তবে আপনি শুনতে পাবেন না হয়তো। লাইনে যে-ই থাকুক না কেন সে জানবে আপনি আছেন। তারপরও আপনি এই রিলেটাকে বিভ্রান্ত ক’রে দেবেন। সেটা নির্ভর করছে আপনার বউ কোথায় আছে তার উপর—”

    “ঐ বেশ্যাটা?” সৈনিকটি ক্ষিপ্ত হয়ে বললো।

    “—কার্লোসকে তার বুহ্য থেকে আমরা বের হয়ে আসতে বাধ্য করবো।”

    “কিভাবে?”

    “তার যোগাযোগের লাইনগুলোতে বিঘ্ন ঘটাবো। তার নিরাপদ এবং অচিন্তনীয় রিলেগুলোতে বিঘ্ন সৃষ্টি করবো, ফলে সে আপনার স্ত্রীর সাথে একটা মিটিং করতে চাইবে।”

    “সে তার নিজের অবস্থানের কথা একটুও জানাবে না।”

    “আপনার স্ত্রীকে তার বলতেই হবে।”

    বর্ন থামলো। আরেকটা ভাবনা তার মাথায় এলো। “যদি খুব বেশি বিঘ্ন সৃষ্টি করা হয়, তবে একটা ফোন কল আসবে, অথবা এমন একজন লোক আপনার বাড়িতে আসবে যাকে আপনি চেনেন না। আর তখনই আপনার বউ তাকে বলে দেবে অন্য কোথায় দেখা করবে। যখন এটা ঘটবে তখন তার কাছ থেকে চাপাচাপি ক’রে একটা নাম্বার নিয়ে নেবেন যাতে তাকে পাওয়া যায়। এ ব্যাপারে বেশ সতর্ক থাকবেন। আপনি তাকে যেতে বাঁধা দেবেন না। তবে দরকার হলে তাকে যেনো পান সে ব্যাপারটা নিশ্চিত করবেন। তাকে বলবেন খুবই স্পর্শকাতর মিলিটারি এক ব্যাপারে তার সঙ্গে আপনার কিছু কথা বলার দরকার হতে পারে। সেজন্যে একটা ফোন নাম্বার যেনো দিয়ে যায়, যাতে করে তার সাথে প্রয়োজনে আপনি যোগাযোগ করতে পরেন। এতে হয়তো সে খুবই আগ্রহী উঠবে।”

    “এতে কি ফল পাওয়া যাবে?”

    “সে কোথায় যাচ্ছে সেটা বলবে। হয়তো কার্লোসের ওখানেই সে যাবে। যদি কার্লোস নাও হয়, তার ঘনিষ্ঠ কেউ হবে। তারপর সেই খবরটা আপনি আমাকে জানিয়ে দেবেন। আমি আপনাকে একটা হোটেল আর রুম নাম্বার দেবো। রেজিস্ট্রির নামটা ভূয়া, সেটা নিয়ে মাথা ঘামাবেন না।”

    “তুমি তোমার আসল নামটা কেন আমাকে বলছো না?”

    “কারণ সচেতন বা অসচেতনভাবে যদি সেটা কখনও উল্লেখ করেন—আপনি মারা যাবেন?”

    “আমি কোনো জরাগ্রস্তবৃদ্ধ নই।”

    “না, আপনি তা নন। কিন্তু আপনি বেশ আহত বোধ করছেন। অনেক কষ্ট পেয়েছেন জীবনে। আপনি হয়তো আপনার জীবন নিয়ে ঝুঁকি নিতে পারেন। আমি সেটা করতে পারি না।”

    “তুমি খুবই অদ্ভুত মানুষ, মঁসিয়ে।”

    “হ্যা। আর শুনুন, আমাকে ফোন ক’রে যদি দেখেন একটা মেয়ে ধরেছে তবে ঘাবড়াবেন না। সে জানবে আমি কোথায় আছি। আমরা মেসেজটার জন্য সময় ঠিক করে রাখবো।”

    “একটা মেয়ে?” জেনারেল একটু অবাক হলো। “তুমি কোনো মেয়ে বা অন্যকারো সম্পর্কে তো কিছু বলো নি!”

    “আর কেউ নেই। তাকে ছাড়া আমি বাঁচতাম না। কার্লোস আমাদের দু’জনকেই খুঁজে বেড়াচ্ছে। সে আমাদের দু’জনকে খুন করার চেষ্টা করছে।”

    “সে কি আমার ব্যাপারে কিছু জানে?”

    “হ্যা। সে-ই আমাকে বলেছিলো আপনার সাথে কার্লোসের সম্পর্কটা সে বিশ্বাস করতে পারছে না। আমি ভেবেছিলাম আপনি কার্লোসের লোক।”

    “হয়তো তার সাথে আমি দেখা করবো।”

    “কার্লোসকে শেষ করার আগে নয়—যদি তাকে শেষ করতে পারি– আপনি হযতো আমাদের দু’জনকে আর দেখতে পাবেন না। এরপর—যদি এরপর কিছু থাকে—আপনি হয়তো নিজেই আমাদের সঙ্গে দেখা করতে চাইবেন না। আমি আপনার সাথে কোনো অসততা করছি না।”

    “বুঝেছি। আমি কার্লোসের সাথে জড়িত নই, এটা ভাবার জন্যে ঐ মেয়েটাকে আমার হয়ে ধন্যবাদ দিয়ে দিও।”

    বর্ন মাথা নেড়ে সায় দিলো। “আপনি কি নিশ্চিত হতে পারবেন যে, আপনার প্রাইভেট লাইনটাতে আঁড়িপাতা হচ্ছে না?”

    “অবশ্যই। এটা নিয়মিতই চেক্ করা হয়।

    “যখনই আপনি আমার কাছ থেকে ফোন আশা করবেন ফোনে হ্যালো বলেই দু’বার গলা খাকারি দেবেন। তাহলে আমি জানবো ফোনটা আপনিই ধরেছেন। যদি কোনো কারণে আপনি কথা বলতে না পারেন, আমাকে বলবেন সকালে যেনো আমি আপনার সেক্রেটারিকে ফোন করি। আমি আপনাকে দশ মিনিট বাদেই ফোন করবো। নাম্বারটা এবার বলুন?”

    ভিলিয়ার্স নাম্বারটা দিলো। “তোমার হোটেল?” সে জানতে চাইলো।

    “টেরাস। রুই দ্য মায়েস্ত্রো। যঁতমাত্রে। রুম ৪২০।”

    “কখন তুমি শুরু করবে?”

    “যতো শীঘ্র সম্ভব। আজকের বিকেলে।”

    “একেবারে নেকড়ের মতো হয়ে যাও,” বৃদ্ধ সৈনিক বললো। এমন ভাবে সামনে এগিয়ে এলো যেনো কোনো কমান্ডার তার অফিসারকে নির্দেশ দিচ্ছে।

    “দ্রুত আঘাত হানো।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্বপ্নবাসবদত্তা – ভাস
    Next Article কন্ট্রোল (বেগ-বাস্টার্ড ৭) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    Related Articles

    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    দ্য দা ভিঞ্চি কোড – ড্যান ব্রাউন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    অরিজিন – ড্যান ব্রাউন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    নেমেসিস (বেগ-বাস্টার্ড – ১) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    কন্ট্রাক্ট (বেগ-বাস্টার্ড ২) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    নেক্সাস (বেগ-বাস্টার্ড ৩) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }