Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বাংলার মাতৃসাধনা – পৃথ্বীরাজ সেন

    পৃথ্বীরাজ সেন এক পাতা গল্প194 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শক্তিতত্ত্বের ইতিহাস

    বিশ্বের বিভিন্ন প্রাচীন ধর্মমত সম্পর্কে আলোচনা করলে আমরা দেখতে পাই যে সমস্ত ধর্মের আধ্যাত্মিক অন্বেষণে মাতৃশক্তি একটি বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। ভাবতে ভালো লাগে, যে মায়ের গর্ভে সন্তানের জন্ম, যে জননী অনেক পরিশ্রম, দুঃখ—কষ্ট স্বীকার করে সন্তানকে বড় করে তোলেন আমরা কিন্তু তাঁদের সদাসর্বদা স্মরণে রেখেছি। ভারতের প্রাচীন মহেঞ্জোদারো এবং হরপ্পা সভ্যতাতে অসংখ্য মৃন্ময়ী মূর্তি আবিষ্কৃত হয়েছে। শুধু ভারত নয়, পারস্য, মেসোপটেমিয়া, ফ্রান্স, কাসপেসিয়ান সভ্যতা, এশিয়া, সিরিয়া, প্যালেস্তাইন, সাইপ্রাস, গ্রিস, বলকান উপদ্বীপ এবং ঈজিপ্টেও এই জাতীয় মৃন্ময়ী মূর্তি পাওয়া গেছে। কিন্তু ভারতবর্ষে মাতৃকা মূর্তির পুজো যেমন প্রাচীন ও সর্বব্যাপী, পৃথিবীর অন্যত্র বোধহয় তেমনটি দেখা যায় না।

    এই প্রসঙ্গে আমরা স্বামী প্রজ্ঞানানন্দের লেখা ‘তন্ত্রতত্ত্ব প্রবেশিকা’ গ্রন্থটির কথা বলব। ওই মহান প্রবন্ধকার বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মাতৃপূজার একটি তুলনামূলক আলোচনা করেছেন। তিনি দেখিয়েছেন যে, বিশ্বের প্রায় সমস্ত মানব সভ্যতায় মাতৃপূজার প্রবণতা দৃশ্যমান। তবে এক এক দেশে নারীশক্তি এবং মাতৃপূজাকে এক একভাবে বিশ্লেষিত করা হয়েছে। প্রাচীন মানব সভ্যতায় তার উপস্থিতি তাই ভিন্ন ভিন্ন ভাবে উপস্থাপিত হয়েছে।

    প্রাচীন মেক্সিকোতে মাতৃদেবী ছিলেন চন্দ্র দেবী, তিনি পৃথিবীকে আলোকদান করেন। আর কোনও কোনও প্রাচীন মেক্সিকো পুঁথিতে তাঁকে পৃথিবীর সাথে একাত্ম করে তোলা হয়েছে। বলা হয়েছে যে, মাতৃদেবী এবং পৃথ্বিদেবীর মধ্যে কোনও তফাৎ নেই।

    জার্মানদের নেপথাস দেবীও ছিলেন পৃথ্বীমাতা। তিনি সমস্ত পৃথিবীকে রক্ষা করছেন বিপদ এবং বিপর্যয়ের হাত থেকে। প্রাচীন গ্রীক মাতৃদেবী রথী ছিলেন পৃথিবীর দেবী। রোমান দেবী সিঞ্চিলিকে আমরা বসুন্ধরার দ্যোতক হিসেবে কল্পনা করেছি। অর্থাৎ পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশে বসুন্ধরার সঙ্গে মাতৃশক্তির একাত্মতা সূচিত হয়েছে। এর কারণ কি? মনে হয় মাতা যেমন সর্বংসহা, তিনি যেমন তাঁর সন্তান—সন্ততিদের জন্য জীবন পর্যন্ত উৎসর্গ করতে পারেন, বসুন্ধরার মধ্যেও সেই জাতীয় গুণাবলীও বিদ্যমান।

    সৌরজগতের সমস্ত গ্রহের মধ্যে একমাত্র পৃথিবীতেই প্রাণের স্পন্দন আছে। তাই আমরা সদাসর্বদা আমাদের পৃথ্বীমাতার কাছে আমাদের অপরিমাপ্য ঋণ স্বীকার করি।

    ‘ভারতের শক্তিসাধনা ও শাক্তসাহিত্য’ শীর্ষক গ্রন্থের লেখক শশীভূষণ দাশগুপ্ত এই প্রসঙ্গে একটি সুন্দর মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, পৃথিবীর প্রাচীন মাতৃপূজার ইতিহাস আলোচনা করলে দেখা যায়, ভূমধ্যসাগরের উপকূলবর্তী বহু দেশে প্রাচীনকালে মাতৃদেবী ও তার পূজার প্রচলন ছিল। গ্রিসে রুহি দেবী, এশিয়া মাইনরে সিবিলি, ঈজিপ্টে ইস্থার, আইসিস প্রভৃতি প্রাচীন মাতৃদেবীর উল্লেখ করা যেতে পারে। ভূমধ্যসাগরের ক্রিট দ্বীপে একসময় সিংহবাহিনী পার্বতী বা পর্বতবাসিনী দেবীর পূজা প্রচলিত ছিল তার নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। ভূমধ্যসাগরের এই সকল অঞ্চলে বহু খননের ফলে বহু প্রাচীন নারীমূর্তিও আবিষ্কৃত হয়েছে। এই নারীমূর্তির প্রাধান্য মাতৃপূজার জনপ্রিয়তার চিহ্ণ।

    তাঁর এই মন্তব্যের মধ্যে সব থেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল গ্রিস দেবীর মাতৃদেবী পর্বতবাসিনী। আবার আমাদের শাস্ত্রে মাতৃদেবীকে পার্বতী বা গিরিরাজের কন্যা হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। এর কারণ কি? সমাজবিদরা বলে থাকেন, পার্বত্য অঞ্চলের নারীরা অনেক বেশি শক্তিশালী হয়ে থাকেন। যে—কোনও সময়ে তাঁরা দুর্বৃত্ত পুরুষের প্রতিস্পর্ধী হয়ে উঠতে পারেন। এই গুণটি—ই বোধহয় সেকালের মানুষকে আকৃষ্ট করেছিল।

    এবার আমরা ভারতবর্ষের ওপর আলোকপাত করব। ভারতবর্ষেও যে মাতৃদেবীর মূর্তি পাওয়া গেছে সেখানেও মাতাকে পৃথিবীর দ্যোতক হিসেবে কল্পনা করা হয়েছে। ভারতবর্ষে যখন অনার্য সভ্যতা বিস্তার লাভ করেছিল তখন মাতৃদেবীকে শস্য এবং প্রজনন শক্তির প্রতীক হিসেবে ধরা হতো। নৃতত্ত্ববিদেরা গবেষণা করে এই তথ্য আমাদের হাতে তুলে দিয়েছেন। অস্ট্রিক এবং দ্রাবিড় গোষ্ঠীর মানুষ মাতৃ উপাসক ছিলেন। মোঙ্গল জাতিগোষ্ঠীর মানুষও মাতৃ উপাসনা করতে ভালোবাসতেন। অনার্য জাতিগোষ্ঠীর দ্বারাই যে ভারতবর্ষে মাতৃপূজার সূচনা হয়েছে, সেটি হলো এক ঐতিহাসিক সত্য। পরবর্তীকালে ভারতবর্ষের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বিভিন্ন জাতির আগমন ঘটে। একটি জাতির আঞ্চলিক সভ্যতা ও সংস্কৃতির সাথে অন্য একটি জাতের সভ্যতা ও সংস্কৃতির মিলন ও মিশ্রণ ঘটে যায়। এর ফলে মাতৃপূজা আরও বিচিত্রতর হয়ে ওঠে। অবশ্য কোনও কোনও ক্ষেত্রে মাতৃপূজার প্রচলন কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    আমরা আগেই আলোচনা করেছি যে আর্যসমাজ পুরষকেন্দ্রিক হওয়াতে তখন পুরুষ দেবতার প্রচলন ছিল অনেক বেশি। সে—যুগে ইন্দ্র, সূর্য, মরুৎ, দৌ, বরুণ এবং অগ্নি পূজা পেতেন। তা সত্ত্বেও বৈদিক সাহিত্যে মাতৃদেবীকে কল্পনা করা হয়েছে এবং তাঁর প্রশস্তিসূচক বেশ কিছু সুক্তও রচিত হয়েছে। বৈদিক সাহিত্যে বলা হয়েছে যে মাতা হলেন পৃথিবীর মতোই প্রাণদায়িনী, অন্নদায়িনী এবং স্তনদায়িনী। ঋকবেদেও পৃথিবীমাতার বন্দনা—স্তোত্র দেখতে পাওয়া যায়। এই ঋকবেদে পৃথিবীকে সন্তানবৎসলা রূপে কল্পনা করে পূজা করা হয়েছে।

    ঋকবেদে নারীশক্তিকে পৃথিবীর মতো মহতী হিসেবে কল্পনা করা হয়েছে। অথর্ববেদে তাঁকে বিকশিতা এক মহীমময়ী রমণী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অথর্ববেদে আমরা এমন কিছু শ্লোক পেয়ে থাকি যেখানে নারীকে পৃথিবীর মতো সন্তানবৎসলা রূপে তুলে ধরা হয়েছে। ঐতরেয় ব্রাহ্মণে পৃথিবী এবং নারীর সাযুজ্য কল্পনা করা হয়েছে। বিভিন্ন পুরাণে বারে বারে রমণীকে পৃথিবীর সমতুল্যা হিসাবে গণ্য করা হয়েছে। যেমন কালিকা পুরাণে বলা হয়েছে পৃথিবীর দেবী হলেন জগদ্ধাত্রী। মার্কণ্ডেয় পুরাণে চণ্ডী এবং পৃথিবীর মধ্যে ঐক্য স্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে। বেদান্ত ও সাংখ্যদর্শনে আমরা মায়াতত্ত্ব এবং প্রকৃতিতত্ত্বের গূঢ় আলোচনা দেখেছি। এই তত্ত্ব অনুসারে বসুন্ধরা ও নারীর মধ্যে ঐক্য বিদ্যমান। উপনিষদেগুলিতেও মাতৃকাশক্তির কথা বারবার উল্লিখিত হয়েছে। একাধিক উপনিষদে আমরা কালী, করালি, উমা, হৈমবতী, ভদ্রকালি প্রভৃতি শক্তির নাম পেয়েছি।

    এবার আমরা ভারতীয় অধ্যাত্মসাধনার আর এক গুরুত্বপূর্ণ পর্ব তন্ত্রশাস্ত্রের কথা বলব। তন্ত্রশাস্ত্রে মাতৃকাশক্তিকে বারবার উপাসনা করা হয়েছে। তন্ত্র হল আমাদের দার্শনিক অনুসন্ধিৎসার এমন একটি শাখা যেখানে আর্য এবং আর্যেতর ভাবধারার সংমিশ্রণ ঘটে গেছে। তন্ত্রের মধ্যে মন্ত্রের প্রাধান্য পরিলক্ষিত হয়। একাক্ষরী বীজমন্ত্রের বারবার উচ্চারণের মাধ্যমে তান্ত্রিক সাধক এক অসামান্য শক্তি অর্জন করেন। এই একাক্ষরী বীজমন্ত্রগুলির মধ্যে প্রথমে প্রণব বা ওঁ মন্ত্রের কথা বলতে হয়। এটি বৈদিক মন্ত্র এ—বিষয়ে সন্দেহের কোনও অবকাশ নেই। অন্য মন্ত্রগুলি বৈদিক বলে মনে হয় না। এই তালিকাতে আছে ত্রিং, ওইং ইত্যাদি।

    তন্ত্রে আচার—বিচারের ওপর অধিকতর দৃষ্টি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই সমস্ত আচার নারীশক্তিকে কেন্দ্র করে আবর্তিত। তন্ত্রের মধ্যে ধ্যান, স্তব, স্তুতি, যজ্ঞ, হোম প্রভৃতি ক্রিয়া সম্পাদনের নানা পদ্ধতি আলোচিত হয়েছে। প্রতিটি প্রক্রিয়ার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নারীশক্তি জড়িত আছে।

    এক সময়ে বৌদ্ধধর্ম ভারতে তন্ত্রশাস্ত্রের দ্বারা বিশেষভাবে প্রভাবিত হয়েছিল। বৌদ্ধধর্মে তন্ত্রসাধনার নানা ব্যাখ্যা প্রযুক্ত হয়েছে। এই ব্যাখ্যাগুলি পড়লে আমরা বুঝতে পারি যে সেখানেও নারীশক্তিকে অসামান্য শক্তির প্রতিভূ স্বরূপ ধরা হয়েছে।

    একদা অবিভক্ত বঙ্গদেশে বৌদ্ধধর্মের ব্যাপক প্রচার ও প্রসার ঘটে গিয়েছিল। কিন্তু এই বৌদ্ধধর্ম গৌতম বুদ্ধ প্রবর্তিত ধর্ম নয়, এই ধর্মের মধ্যে তন্ত্রসাধনা এবং তন্ত্রশাস্ত্রের প্রভাব পরিলক্ষিত হয়েছে। খ্রীষ্টীয় সপ্তদশ শতক থেকে বাংলাদেশের শক্তিসাধনা এবং মাতৃপূজা একটি নতুন ধারা অবলম্বন করে। এই ধারাটির ভেতর অনেক নব্য মতবাদ চলে এসেছিল। এর অন্তরালে ছিল বৌদ্ধ ধর্মাশ্রিত তন্ত্রের প্রভাব। অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতক পর্যন্ত অবিভক্ত বঙ্গদেশে মহাযান বৌদ্ধধর্ম যথেষ্ট জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল। এছাড়া বজ্রযান ও সহজযান তন্ত্র ঘেঁষা ভাবধারা বৌদ্ধধর্মে পরিলক্ষিত হয়। বাংলাদেশে যেসব হিন্দুতন্ত্র প্রচলিত আছে তাদের উদ্ভবের সময়সীমা খ্রীষ্টীয় দ্বাদশ শতক থেকে খ্রীষ্টীয় পঞ্চদশ শতকের মধ্যে সীমাবদ্ধ। এই হিন্দুতন্ত্র সংক্রান্ত সাধনাতেও নারীজাতিকে যথাযোগ্য সম্মান প্রদর্শন করা হয়েছে। বলা হয়েছে যে, রমণী হল সকল ধর্মের আধার। হিন্দুরা বারবার নারীশক্তির সাধনা করে একথা প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন যে, সন্তান কখনও তাঁর জননীকে ভুলে যেতে পারেন না।

    মাতৃকা উপাসনার বিভিন্ন ধারা আমাদের আধ্যাত্মিক শাস্ত্রকে মহিমান্বিত করে তুলেছে। মঙ্গলকাব্য, শিবায়ন, কালিকামঙ্গল, অনুবাদিত রামায়ণ, মহাভারত, ভাগবত প্রভৃতির মাধ্যমে একদিকে যেমন শক্তিগীতি ও শাক্ত পদাবলীর জয়যাত্রা সূচিত হয়েছে, অন্যদিকে আগমনি এবং বিজয়ার গান শোনা গেছে। এই দুই জাতীয় রচনা আমাদের মাতৃ সাধনাকে বিশেষভাবে প্রভাবিত এবং গৌরবান্বিত করে তুলেছে।

    তন্ত্রসাধনার উদ্ভব ও ক্রমবিকাশ

    এক সময় কাশ্মীর থেকে শুরু করে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত এক বিস্তৃত ভূখণ্ড ছিল তান্ত্রিক সাধনার কেন্দ্রভূমি। তবে বিশিষ্ট পণ্ডিতবর্গ বিশ্বাস করেন যে, ভারত নয়, চীন হল তন্ত্রের আদি উৎসভূমি। খ্রীষ্টীয় সপ্তম শতকের আগে ভারতবর্ষে কোনও তান্ত্রিক ছিলেন বলে জানা যায় না। চীনা পরিব্রাজক অন্যান্য সাধকদের কথা উল্লেখ করেছেন, কিন্তু তান্ত্রিকদের কথা বলেননি। এমনকি দ্বাদশ শতকের আগে বাংলাদেশে তন্ত্র সম্বন্ধীয় কোনও গ্রন্থ রচিত হয়নি। তাই পণ্ডিতরা ও ঐতিহাসিকেরা মনে করেন যে, খ্রীষ্টীয় অষ্টম থেকে পঞ্চদশ শতকে ভারতের বিস্তীর্ণ ভূখণ্ডে তন্ত্রসাধনা যথেষ্ট জনপ্রিয়তা এবং গ্রহণযোগ্যতা লাভ করে। কাশ্মীর থেকে শুরু করে ভূটান, নেপাল, সিকিম, বাংলাদেশ, অসম পর্যন্ত অঞ্চলে তন্ত্রসাধনার ব্যাপক বিস্তৃতি ঘটেছিল। এর কারণ কি? এর অন্তরালে আছে একটি ঐতিহাসিক সত্য। একসময় ভারতবর্ষের অনেক রাজণ্যবর্গ বৌদ্ধধর্মকে রাজকীয় ধর্ম হিসাবে স্বীকার করেছিলেন। যেহেতু তখন ভারতবর্ষের রাজতন্ত্র সুপ্রতিষ্ঠিত ছিল তাই ওইসব রাজ্যের প্রজারা বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। পরবর্তীকালে আবার ভারতের বিশাল ভূখণ্ডে শৈবধর্মের অভ্যুত্থান সূচিত হয়। বৌদ্ধধর্মের প্রভাব ক্রমশ ক্ষীণ হয়ে আসে। এই প্রভাবকে আবার পুনরুজ্জীবিত করার জন্য বৌদ্ধ সাধকেরা তাঁদের উপাস্য ধর্মতত্ত্বের সাথে হিন্দু দেবদেবীর সদৃশতা আনতে চেয়েছিলেন। কিন্তু অনেক হিন্দু সাধক তন্ত্রসাধন পদ্ধতির ঘোরতর বিরোধী ছিলেন। এই প্রসঙ্গে আমরা প্রেমের ঠাকুর শ্রীশ্রীচৈতন্যদেবের নাম বলতে পারি। তখন তাঁর সমসাময়িক পণ্ডিত রঘুনন্দন তন্ত্রকে প্রামাণ্য বলে মনে করতেন। আবার চৈতন্যের সময়েই নবদ্বীপের বিশিষ্ট পণ্ডিত কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশ তন্ত্রসার লিখেছিলেন। এই গ্রন্থটিকে আমরা তন্ত্রশাস্ত্রের মহাভারত হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছি।

    তন্ত্র মতে শিব এবং শক্তি দুইয়ের প্রভাব অপরিসীম। শিব নিষ্ক্রিয় এবং শক্তি গতিময়ী। শিব ও শক্তি সংযুক্ত না হলে কোনও পূজা বা আরতি শেষ পর্যন্ত অর্থ পায় না। অন্বয় শক্তির এই দুটি রূপ মিথুন রূপে এক হয়ে থাকেন। সাধকের কাম্যবস্তু হল শিব এবং শক্তির মধ্যে মিলিত অবস্থান উত্থাপন করা। আবার বলা যেতে পারে যে, প্রবৃত্তি হল শক্তি এবং নিবৃত্তি হল শিব। কিভাবে শক্তি ও শিবের কাঙ্ক্ষিত মিলন ঘটানো সম্ভব, তন্ত্রশাস্ত্রে তার বিবিধ পদ্ধতির কথা আলোচিত হয়েছে।

    তন্ত্রসাধনার গতিপ্রকৃতি জানতে হলে বিভিন্ন তান্ত্রিক শব্দের সাথে পরিচিতি অর্জন করতে হবে। আমরা একে একে তন্ত্রসাধনার সাথে অঙ্গাঙ্গীভাবে যুক্ত শব্দ, আচার, অষ্টপাশ, ভাবত্রয়, পঞ্চ ম—কার, ইন্দ্রধ্বনি শক্তি, কুণ্ডলিনী যোগ ও তার ক্রিয়া—প্রকৃতি বিষয়ে আলোচনা করব। এর পাশাপাশি আমরা ষটচক্রের রহস্য তন্ময়তা জানতে চেষ্টা করব। নাড়ী, বায়ু, সহস্রার, পদ্ম প্রভৃতি বিষয় সম্পর্কেও আলোকপাত করা হবে।

    তন্ত্রী বা তনত্রি শব্দ থেকে তন্ত্র শব্দের উৎপত্তি। এর অর্থ হচ্ছে উৎপাদন বা জ্ঞান। তন্ত্র শব্দের অন্তে ‘ত্র’ ত্রাণ বা মুক্তির নির্দেশ দেয়। তন্ত্রশাস্ত্র বলতে কি বোঝায়? পণ্ডিত শশীভূষণ দাশগুপ্ত মন্তব্য করেছেন—যাহা তত্ত্ব ও মন্ত্রের সমন্বয়ে ত্রাণ সাধিত করে তাহাই তন্ত্র নামে পরিচিত। আবার ইংরাজি ভাষায় বলা হয়েছে—The regular order of ceremonies and rights and systems frame work ritual হল তন্ত্র। তন্ত্র শব্দটির আভিধানিক অর্থ হল পন্থা, মতবাদ বা বিধি।

    স্বামী প্রজ্ঞানানন্দ তাঁর The Cultural Heritage of India গ্রন্থে তন্ত্র শব্দটির ব্যুৎপত্তিগত এবং ব্যবহারিক অর্থ নিরূপণ করেছেন এইভাবে— “The word ‘tantra’ which is sometimes derived from the root ‘tan’, to spread, means a system, a method, a discipline. It is a system of acts on the physical, vital and mental planes by which centre of being can render itself an apparatus efficient for the purpose of encompassing the two ford end of abhyudaya (progress of uplift) (অভ্যুদয়) and nihsreyasa (নিঃশ্রেয়স) (the supreme good).

    ভারতীয় সাধনার ক্ষেত্রে অবশ্য তন্ত্র শব্দটিকে এই অর্থে গ্রহণ করা হয়নি। এখানে তন্ত্র শব্দটিকে একটু রহস্যাবৃত করে তোলা হয়েছে। যেহেতু তান্ত্রিক সাধনা একটি দুরূহ সাধন পদ্ধতি, তাই তন্ত্র শব্দটির সঙ্গে ওই রহস্যজনক উপাসনা পদ্ধতিটির এককত্ব নিরূপিত হয়েছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যায় যে, বাঙালি শাক্তপদীদের অনেকেই ছিলেন তন্ত্রোপাসক। তাঁরা নানাভাবে তন্ত্রসাধনা করেছেন। কখনও সেই সাধনার মধ্যে সাধনশক্তির বহিঃপ্রকাশ চিহ্নিত হয়েছে। কখনও বা সেখানে দেখা গেছে ভক্তের আকুতি। এই কটি কথা মনে রেখে আমরা এবার তন্ত্রসাধনার সাথে যুক্ত বিষয়গুলির ওপর আলোকপাত করব।

    তন্ত্রসাধনার সপ্ত আচার

    প্রথমেই আমরা সপ্ত আচারের কথা বলব। তন্ত্রে যে সপ্ত আচারের কথা বলা হয়েছে সেগুলি হল যথাক্রমে—বেদাচার, বৈষ্ণব আচার, শৈবাচার, দক্ষিণাচার, বামাচার, সিদ্ধান্তাচার এবং কুলাচার। এছাড়া আছে সময়াচার। যাঁরা সময়াচারী তাঁরা বাহ্য পূজা অনুষ্ঠানে বিশ্বাস করেন না। তাঁরা অন্তরের ভক্তি ও বিনম্র প্রণামের দ্বারাই তন্ত্রোপাসনা করে থাকেন।

    যে সাতটি তন্ত্রাচারের কথা বলা হল তার মধ্যে বেদাচার হল সাধারণ। বেদাচার পুরাণ, স্মৃতি প্রভৃতি বিধিকে মেনে চলে। দক্ষিণাচার বেদাচারের মতোই শাস্ত্রবিধিকে অনুসরণ করে। সময়াচার হল একটি পবিত্র আচার। আবার বীরাচারে গুরু, মন্ত্র, দেবতা, বর্ণ ও ধ্যান এই পাঁচটি তন্ত্রকে ব্যবহার করা হয়। বামাচারী সাধকেরা পঞ্চ ম—কারের সাধনা করে থাকেন। বামাচার এবং বীরাচারকে আমরা পিচ্ছিল এবং বিপজ্জনক পথ বলে থাকি। বামাচার, সিদ্ধান্তাচার এবং কৌলাচারে যথেষ্ট পরিমাণে মদ্য, মৎস্য, মাংস প্রভৃতি ব্যবহার করা হয়।

    সপ্তআচার অনুসারে গুরুই হলেন আসল শক্তি। গুরু যদি তাঁর শিষ্য বা সাধককে ঠিক পথে পরিচালিত করেন তাহলে সাধক কখনও লক্ষ্যচ্যুত হবেন না। কিন্তু সঠিক গুরু পাওয়া খুব একটা সহজ নয়। এছাড়া সঠিক গুরুর কাছে গিয়ে তন্ত্র শিখতে হলে সাধক বা শিক্ষার্থীকে যথেষ্ট পরিশ্রম করতে হবে। এই পরিশ্রমে কিছু ভুল—ত্রুটি দেখা দিলে ওই সাধক আর তার সাধনায় সফল হবেন না।

    তন্ত্রসাধনার ভাবত্রয়

    তন্ত্রের সাথে তিনটি ভাব অঙ্গাঙ্গীভাবে যুক্ত—(১) পশুভাব, (২) বীরভাব এবং (৩) দিব্যভাব। যে সমস্ত মানুষের মধ্যে তমোগুণের আধিক্য তাঁরা পশুভাবে আবিষ্ট হবেন। যাঁদের মধ্যে রজোগুণ আছে তারা বীরভাব গ্রহণ করবেন এবং যাঁর মধ্যে সত্ত্বগুণ আছে তাঁর জন্য আছে দিব্যভাব।

    পশুভাবে, পশু অর্থে জীবকে বোঝানো হয়েছে। তন্ত্রমতে যে সকল জীব জৈব প্রবৃত্তিকে অতিক্রম করতে পারে না। তারাই শেষ পর্যন্ত পশু অবস্থায় থেকে যায়। যে আচারে অনুকল্পের বিধানে পঞ্চ ম—কার তত্ত্বের সাধনা করা হয় তাকে পশুভাবের উপাসনা বলে। এই ভাবের মধ্যে আছে বৈদিক, বৈষ্ণব, শৈব ও দক্ষিণ আচার।

    বীরভাবে, বীর শব্দের অন্তর্নিহিত অর্থ শক্তিশালী ব্যক্তি নয়, যিনি জৈবিক প্রকৃতির তাড়নাকে প্রতিহত করতে পারেন, তিনিই হলেন বীর। এই জাতীয় সাধনার মধ্যে আছে বামাচার ও সিদ্ধান্ত আচার।

    দিব্যভাবকে পরম শক্তিভাব বলা হয়। এই ভাবকল্পে সাধক সঠিক দিব্যজ্ঞান অর্জন করেন। তাঁর দেহ হয় পবিত্র এবং হৃদয় হয় নির্মল। তাঁর দৃষ্টি স্বচ্ছ হয়ে ওঠে এবং তিনি তৃতীয় নয়নের অধিকারী হন। এই ভাবের অন্তর্গত হল কৌলাচার।

    তন্ত্রের পঞ্চ ম—কার

    পঞ্চ ম—কার বলতে মদ্য, মাংস, মৎস্য, মুদ্রা ও মৈথুনকে বোঝায়। এখানে প্রত্যেকটি শব্দের বাহ্যিক এবং অন্তর্নিহিত অর্থ আছে।

    পঞ্চতত্ত্বের প্রথমটি হল মদ্য। যে অমৃতধারা ব্রহ্মরন্ধ্র থেকে ক্ষরিত হয় এবং যা পালন করলে মানুষের মন অনাস্বাদি আনন্দে পরিপ্লাবিত হয়, সেই তরলকে বলা হয় মদ্য।

    মা শব্দে রসনাকে বোঝানো হয়েছে। বাক্য হল রসনার অংশ। যে ব্যক্তি সর্বদা বাক্য ভক্ষণ করেন, অর্থাৎ মৌনী অবস্থায় থাকেন, তিনিই হলেন মৎস্যসাধক। এখানে দুটি মৎস্যের কথা বলা হয়েছে। এরা হল ঈড়া ও পিঙ্গলা নাড়ির দ্যোতক। আবার শ্বাস ও প্রশ্বাসকে দুটি মৎস্য বল হয়। যিনি উপযুক্ত প্রাণায়ামের দ্বারা শ্বাস ও প্রশ্বাসকে নিয়ন্ত্রিত করতে পারেন তিনিই হলেন আদর্শ মৎস্যসাধক।

    আমরা জানি আত্মার অবস্থান শিরস্থিত সহস্রদল পদ্মে শোভিত কর্ণিকার মধ্যে। ইনি তেজে কোটি সূর্যের অনুরূপ আবার কমনীয়তায় কোটি চন্দ্রের সমান। যিনি এই আত্মার স্বরূপ উপলব্ধিতে সমর্থ হয়েছেন, তিনিই হলেন মুদ্রা সাধক।

    মূলাধারে কুণ্ডলিনী শক্তির অবস্থান। আর পরম শিব আছেন কর্ণিকার কেন্দ্রস্থ বিন্দুতে। আমরা যে জটিল এবং ধারাবাহিক পদ্ধতির মাধ্যমে কুণ্ডলিনী শক্তির সঙ্গে পরম শিবকে সংযুক্ত করতে পারি, তাকেই মৈথুন বলে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসিডনি সেলডন রচনাসমগ্র ১ – ভাষান্তর : পৃথ্বীরাজ সেন
    Next Article জেমস বন্ড সমগ্র – ইয়ান ফ্লেমিং

    Related Articles

    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৪ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    অষ্টাদশ পুরাণ সমগ্র – পৃথ্বীরাজ সেন সম্পাদিত

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    জেমস বন্ড সমগ্র – ইয়ান ফ্লেমিং

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    সিডনি সেলডন রচনাসমগ্র ১ – ভাষান্তর : পৃথ্বীরাজ সেন

    September 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }