Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বাংলার মাতৃসাধনা – পৃথ্বীরাজ সেন

    পৃথ্বীরাজ সেন এক পাতা গল্প194 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুণ্ডলিনী শক্তির রহস্য

    সকল শক্তির অন্তরালে যে শক্তির ক্রিয়া পরিলক্ষিত হয় তাকে সংক্ষেপে আমরা কুণ্ডলিনী শক্তি বলতে পারি। তন্ত্র সাধকদের কাছে এই শক্তি হলো সকল শক্তির উৎস বা মূলাধার। এই শক্তি কখনও কখনও প্রাণশক্তি হিসাবে উপস্থাপিত হয়। আবার কুণ্ডলিনী শক্তির সঙ্গে অনেকে চৈতন্য শক্তির সাযুজ্য নিরূপণ করেন। কুণ্ডলিনী মূলাধারে আদ্যাশক্তি হিসাবে বিরাজ করে থাকেন। তিনি যোগীদের হৃদয়ে নৃত্যশীলা এবং স্পন্দনশীলা। কুণ্ডলিনী শক্তি মূলাধারে অবস্থিতা, প্রসুপ্ত, ভূজগ, কারা এবং সার্দ্ধ ত্রিবলয়ান্বিতা। অর্থাৎ এটি নিদ্রিত সাপের মতো আকার বিশিষ্ট। সাড়ে তিন বেষ্টনে কুণ্ডলীকৃত। কখনও কখনও এই শক্তি মৃণালতন্ত্রীর মতো সূক্ষ্ম হয়ে থাকে। কুণ্ডলিনী শক্তির মাধ্যমে যে আলোক উৎসারণ চোখে পড়ে তা কোটি কোটি বিদ্যুতের প্রভায় উদ্ভাসিত। কুণ্ডলিনী শক্তি অব্যক্তরূপিণী, শব্দ বা বাক্য দ্বারা তাকে বিশ্লেষণ করা যায় না। তিনি দিব্যা ও ধ্যানমগ্না। ত্রিপুরাশঙ্কর সেন শাস্ত্রী তাঁর শাক্তপদাবলী গ্রন্থে কুণ্ডলিনী শক্তির এই বর্ণনা করেছেন।

    কুণ্ডলিনী যোগ এবং তার ক্রিয়া

    যে কোনও তন্ত্রসাধনার অন্যতম প্রধান বিষয় হল কুণ্ডলিনী যোগ। দেহসাধনার সঙ্গে এই যোগক্রিয়া অঙ্গাঙ্গীভাবে যুক্ত হয়ে আছে। প্রত্যেক মানুষের মধ্যে যে বিপুল পরিমাণ অধ্যাত্ম শক্তি অব্যক্ত অবস্থায় থাকে তাকেই আমরা কুণ্ডলিনী বলে থাকি। কুণ্ডলিনী শক্তিকে জাগ্রত করার জন্য তন্ত্র সাধকেরা বিভিন্ন বিধিমতে তন্ত্রসাধনা করে থাকেন। কিন্তু শুধুমাত্র এই শক্তিকে জাগ্রত করলেই চলবে না, এই শক্তি যাতে মানুষকে সমাজের ইতিবাচক কাজে উদ্বুদ্ধ করতে পারে সেদিকে নজর দিতে হবে। তাই শক্তিকে দেহের কোষ থেকে কোষান্তরে চালিত করতে হয়। তান্ত্রিক সাধকের সাধনার উদ্দেশ্য হল কুণ্ডলিনী শক্তির সঙ্গে আত্মিক শক্তির সংযুক্তিকরণ। এর জন্য নির্জন সাধনপীঠের দরকার। কেউ কেউ আবার পঞ্চবটি নির্মাণ করে সাধনা করেন। এই পঞ্চবটির মধ্যে যে পঞ্চবৃক্ষ আছে সেগুলি হল অশ্বত্থ, অশোক, নিম, বেল এবং চাঁপা। এছাড়া পঞ্চমুণ্ডির প্রয়োজন, যেমন চণ্ডালমুণ্ড দুটি, শৃগাল মুণ্ড ১টি, বামন মুণ্ড ১টি, সর্প মুণ্ড একটি।

    সাধনার উপযোগী স্থান নির্বাচন করার পর তন্ত্রসাধক ধ্যানমগ্ন অবস্থায় বসেন। তখন তিনি তাঁর পঞ্চ জ্ঞানেন্দ্রিয়, পঞ্চ কর্মেন্দ্রিয় এবং মন ও বুদ্ধির আধার স্বরূপ জীবাত্মাকে অনাহত পদ্ম থেকে মূলাধার পদ্মে আনার চেষ্টা করেন। তারপর ওঁম মন্ত্র উচ্চারণ করতে থাকেন। এসময়ে তাঁকে নাসিকার বায়ু আকর্ষণ করতে হবে। এই বাতাসকে মূলাধারের দিকে চালিত করতে হবে। অত্যন্ত কঠিন এই প্রক্রিয়া। ধাপে ধাপে এই প্রক্রিয়া পরিচালিত করতে হয়। যখন ওই বায়ু মূলাধারের দিকে চালিত হবে তখন মূলাধার কামবহ্নিতে প্রজ্জ্বলিত হবে। আর এভাবে নিদ্রিত বা সুপ্তিমগ্ন কুণ্ডলিনী শক্তি জাগ্রত হবেন। তখন মেরুদণ্ডের মধ্যে এমন এক শিহরণ জাগবে যা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব হয় না। কাম বহ্নির দ্বারা উত্তেজিত এবং উদ্বেলিত হলে কুণ্ডলিনী ঊর্ধ্বমুখে উঠে যান। তখন হংস মন্ত্র উচ্চারণ করে গুহ্যদেশ সঙ্কুচিত করতে হয়। এই সময়ে যোগী যে আসনটি করবেন তাকে বলে কুম্ভক। কুণ্ডলিনী একবার জাগ্রত হলে একটির পর একটি অভূতপূর্ব ঘটনা ঘটতে থাকে। প্রথমেই আধার কমলের চতুর্দল প্রস্ফুটিত হয়। আর তখন কুণ্ডলিনী শক্তি স্বাধিষ্ঠানের দিকে অগ্রসর হয়। ধীরে ধীরে দক্ষিণাবর্ত আর কমলের দলে ভুক্ত হয়। একে একে এই আধার কমলের পৃথ্বিতত্ত্বকে পরিক্রমণ করে। পৃথ্বিতত্ত্বের মধ্যে আছে ক্ষিতি, গন্ধ, নাসা, ঘ্রাণ।

    এবার কুণ্ডলিনীর পূর্বমুখ কণ্ঠদেশে পৌঁছে যায়। সেখানে পদ্মের অবস্থান। এই পদ্ম বিশুদ্ধ। পদ্মটিকে দলে দলে ঊর্ধ্বমুখে তুলে দেয়। বিশুদ্ধ পদ্মের প্রকাশে তার অন্তর্নিহিত সমস্ত বৈশিষ্ট্য এবং বৃত্তি প্রস্ফুটিত হয়। অনাহতের দেবদেবী কুণ্ডলিনীর দেহে বিলীন হন।

    পরবর্তী পর্যায় কুণ্ডলিনী আজ্ঞাচক্রে এসে উপস্থিত হয়। ভ্রূ—মধ্যস্থ দ্বি—দলপদ্ম সমস্ত বৃত্তিসহ বিকশিত হয়ে ওঠে। অধ্যাত্ম শক্তির স্পর্শে মনের ভেতর এমন এক অনাস্বাদিত আনন্দের স্ফুরণ হয় যা ভাষায় বর্ণনা করা সম্ভব নয়। এইভাবে সাধকের মানস জাগরণ ঘটে থাকে। বিশুদ্ধ পদ্মের দল এবং বৃত্তিশক্তি এবং বর্ণ কুণ্ডলিনীর মধ্যে বিলুপ্ত হয়ে যায়।

    আজ্ঞাচক্র থেকে কুণ্ডলিনী ঊর্ধ্ব দিকে উঠতে থাকে। তখন অহঙ্কার, বুদ্ধি প্রভৃতি সম্পর্ক আর থাকে না। এই সময় সাধক অমৃত পথের পথিক হয়ে যান। তার সমগ্র সত্তা জুড়ে তখন এক অলৌকিক স্পন্দন অনুভূত হয়। সাধক দীর্ঘদিন ধরে যে কাজে ব্রতী ছিলেন, সেই আরাধ্য কাজ এবার তার কাঙ্ক্ষিত সমাপ্তির পথে এগিয়ে চলেছে। কুণ্ডলিনী শক্তি শিবের সঙ্গে সংযোজিত হয়েছে। শিব শবরূপে অবস্থান করছেন। এখানে এসে দেবী রূপবতী কাম উল্লাসিনী হয়ে ওঠেন। নিরীহ শিব জাগ্রত হন। দেবী তখন শিবের মুখপদ্ম চুম্বন করেন। অবশেষে দেবীর কণ্ঠ থেকে উচ্চারিত হয় সেই মহামন্ত্র—

    অমৃতং জায়তে দেবি! তৎক্ষণাৎ পরমেশ্বরী

    তদুদ্ভবামূতং দেবি! লাক্ষারসম সমারূণম্।

    সাধক এই অমৃতের দ্বারা আবেগে আপ্লুত হয়ে যান। দেবতা এই অমৃত পান করে তুষ্ট ও পরিতুষ্ট হন। আর এভাবেই সাধকের মুক্তির পথ উন্মুক্ত হয়।

    কুণ্ডলিনী আবার বিপরীতক্রমে শিবপুর থেকে সমস্ত পদ্ম অতিক্রম করে মূলাধারে চলে আসে। এই বিপরীত ক্রিয়াতেও ক্ষণে—বিক্ষণে নানা ধরনের আবেগ ও অনুভূতির সঞ্চালন ঘটে থাকে। এই আবেগকে ভাষার দ্বারা প্রকাশ করা সম্ভব নয়। সাধক ইতিমধ্যে দিব্যজীবনে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। কুণ্ডলিনীর এই বিপরীত পথ পরিক্রমাতেও তিনি তাঁর স্বধর্ম থেকে বিচ্যুত হন না। দীর্ঘ সাধনালব্ধ অনুভূতি এবং উপলব্ধি সাধককে আরও চিন্তামগ্ন করে তোলে। সাধক তখন নিত্য আনন্দ, নিত্য চৈতন্য অবস্থায় পৌঁছে যান।

    জাহ্নবীকুমার চক্রবর্তী তার ‘শাক্ত পদাবলী ও শক্তিসাধনা’ গ্রন্থে কুণ্ডলিনী শক্তির এই পথ পরিক্রমার একটি সুন্দর বিবরণ লিপিবব্ধ করেছেন।

    ষটচক্রের রহস্য

    পরবর্তী পর্যায়ে আমরা ষট্চক্রের কথা বলব। যাঁরা তন্ত্রশাস্ত্রে বিশ্বাস করেন, তাঁরা জানেন যে ষট্চক্র আমাদের দেহের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত। যে ষট্চক্র আমাদের দেহে আছে সেগুলি হলো গুহ্য, লিঙ্গমূল, নাভি, হৃদয়, কণ্ঠ, মস্তিষ্ক ও ললাট। এই ছ’টি অংশ যথাক্রমে মূলাধার, স্বাধিষ্ঠান, মণিপুর, অনাহত, বিশুদ্ধ ও আজ্ঞা এই ছয়টি চক্রে প্রতিষ্ঠিত আছে।

    প্রতিটি চক্রের মধ্যে একটি আলাদা দ্যোতনা বা প্রতীতি লুকিয়ে আছে। আমরা একে একে সেই প্রতীতিগুলির কথা উল্লেখ করব।

    মূলাধারকে আমরা Organ of Generation বা Region of Earth বলতে পারি। মূলাধারের সঙ্গে প্রজনন বিষয়টি অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। আবার যেহেতু পৃথিবী হল উর্বরা, তাই এই অংশটির সাথে বসুন্ধরার একাত্মতা ঘোষণা করা হয়েছে।

    দ্বিতীয় পর্যায়ে আছে স্বাধিষ্ঠান। একে above the previous one বলা হয়ে থাকে। একে বলে Region of water। স্বাধিষ্ঠানের অবস্থান মূলাধারের ওপর। এই অংশটির সাথে জলের সাযুজ্য কল্পনা করা হয়েছে। তাই স্বাধিষ্ঠান হল জলচক্রের প্রতীক।

    তৃতীয় পর্যায়ে আছে মণিপুর। একে in the spinal cord বলে। এর অবস্থান আমাদের স্নায়ু বা স্পাইনাল কর্ডের মধ্যে। একে আমরা অগ্নির কেন্দ্র বা অগ্নি প্রতিষ্ঠিত পথ বলতে পারি।

    চতুর্থ অবস্থায় আছে অনাহত, একে Opposite of the heart বলা হয়ে থাকে। এর সাথে বাতাস বা পবনের সম্পর্ক আছে বলে একে বাতাসের ক্ষেত্র বলা হয়।

    পঞ্চম স্থানে আছে বিশুদ্ধচক্র, বিশুদ্ধচক্রকে বলা হয় Opposite of base of the throat, একে Region of Ether বলা হয়েছে।

    ষষ্ঠ পর্যায়ে আছে আজ্ঞা, একে বলে Opposite of the junction of the Eyebrows, একে Region of the psychic vision বলা হয়ে থাকে। স্বাধিষ্ঠান চক্রের ঊর্ধ্বে নাভিমূলে দশ দল যুক্ত মেঘের ন্যায় নীলবর্ণ বিশিষ্ট মণিপুর পদ্মের অবস্থান। এটি তেজতত্ত্বের স্থান। এখানে শক্তিরূপে লাকিনীদেবী অবস্থান করছেন।

    সহস্রার পদ্ম আছে, অধোমুখী অবস্থায়। এখনে সহস্রদল পদ্মের উপস্থিতি দেখা যায়। গুহ্য ও লিঙ্গদেশের মধ্যে সুষুম্না নাড়ীর মুখে ষোলো বর্ণ আছে। চারটি দলযুক্ত পদ্মের নাম আধার পদ্ম। এখানে ‘ব’, ‘শ’, ‘ষ’ এবং ‘স’ এই চারটি মাত্রা বর্ণের উপস্থিতি। মূলাধার এবং পৃথিবী তত্ত্বের স্থান হিসেবে এটিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই অঞ্চলে ডাকিনী শক্তি বিরাজিতা। সুষুম্না নাড়ীর অগ্রভাগের নাম ব্রহ্মদ্বার। এই ব্রহ্মদ্বার আচ্ছাদন করে সাপের মতো ত্রিবৃত্তাকৃতি জগন্মোহিনী কুণ্ডলিনী শক্তি বিদ্যমান। এটি রক্তবর্ণা। এখানে ছয়টি মাতৃকাবর্ণ দেখতে পাওয়া যায়—’ব’, ‘ভ’, ‘ম’, ‘য’, ‘র’, ‘ল’। এখানে যে মাতৃকাশক্তির অবস্থান তাকে রাকিনী বলা হয়।

    জীবের হৃদয় দেশে আছে অনাহত পদ্ম। এই পদ্মে বারোটি দল আছে। এখানে যে সব মাত্রিকা বর্ণ উপস্থিত হয়েছে সেগুলি হল—ক, খ, গ, ঘ, ঙ, চ, ছ, জ, ঝ, ঞ, ট এবং ঠ। এর সাথে বাতাসের সাযুজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এখানে কাকিনী দেবীর অবস্থান।

    কণ্ঠ দেশে আছে নির্মল বিশুদ্ধ পদ্ম। এই পদ্ম ষোড়শ দল বিশিষ্ট। এর বর্ণগুলি হল—অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, ৯, এ, ঐ, ও, ঔ এবং অং ও অঃ। এখানে শাকিনী নামে শক্তিদেবী বিরাজ করছেন। এই অঞ্চলটির সাথে আকাশতত্ত্ব সংযুক্ত হয়েছে।

    ভ্রূ—মধ্যে প্রণব আজ্ঞাচক্র স্থাপিত। এই পদ্মে দুটি দল আছে। এখানে হ এবং ক্ষ এই দুটি মাতৃকা বর্ণ দেখতে পাওয়া যায় মাতৃশক্তি হ্লাদিনী।

    নাড়ী—মানবদেহ বিশ্লেষণ করে তান্ত্রিকরা অসংখ্য নাড়ীর সন্ধান পেয়েছেন। তারা মোটামুটি ভাবে ৩ লক্ষ নাড়ীকে চিহ্নিত করেছেন। এর মধ্যে ইড়া, পিঙ্গলা এবং সুষুম্না প্রধান। ইড়ার অবস্থান মেরুদণ্ডের বামদিকে। দক্ষিণদিকে পিঙ্গলা আছে এবং মধ্যে আছে সুষুম্না। ইড়া ব্যবহারে চন্দ্ররূপিণী, পিঙ্গলা সূর্যরূপিণী আর সুষুম্না অগ্নিরূপিণী।

    এই তিনটি নাড়ীর মধ্যে সুষুম্না হল প্রধান। এটি স্কন্দমূলের শিরোদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত। গুহ্যদেশ হল এই নাড়ীর ব্রহ্মদ্বার।

    এই তিনটি নাড়ীকে আমরা গঙ্গা—যমুনা—সরস্বতী নামেও অভিহিত করে থাকি। গুহ্য দেশে এবং মস্তকে এই তিটি নাড়ী মিলিত হয়েছে, ওই দুটি অঞ্চলকে ত্রিবেণী বলা হয়।

    বায়ু—তন্ত্রমতে মানবদেশের মোট দশ রকম বায়ু আছে—বাণ, প্রাণ, অপান, সমান, উদান, ব্যান, নার্গ, কুর্ম, উজ্জ্বল, দেবদত্ত, ধনঞ্জয়। তবে এতগুলি বায়ুর মধ্যে প্রাণ এবং অপান বায়ুর প্রভাব সব থেকে বেশি।

    সহস্রার পদ্ম—জীবদেহের মস্তকে সহস্রার পদ্মের অবস্থান। এই পদ্ম সহস্র নাদবিন্দু সমন্বিত। এর একদিকে সগুণ ব্রহ্মা শিবের অবস্থান অন্যদিকে নির্বাণ শিবের মধ্যস্থ ব্রহ্মরূপ পরাশিব উপস্থিত আছেন।

    তন্ত্রসাধনার সাথে এই শব্দগুলি এবং এই বিষয়গুলি অঙ্গাঙ্গীভাবে যুক্ত। তাই তন্ত্রসাধনা সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করতে হলে এই বিষয়গুলি সম্বন্ধে সম্যক জ্ঞান থাকা বিশেষ দরকার।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসিডনি সেলডন রচনাসমগ্র ১ – ভাষান্তর : পৃথ্বীরাজ সেন
    Next Article জেমস বন্ড সমগ্র – ইয়ান ফ্লেমিং

    Related Articles

    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৪ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    অষ্টাদশ পুরাণ সমগ্র – পৃথ্বীরাজ সেন সম্পাদিত

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    জেমস বন্ড সমগ্র – ইয়ান ফ্লেমিং

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    সিডনি সেলডন রচনাসমগ্র ১ – ভাষান্তর : পৃথ্বীরাজ সেন

    September 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }