Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বাইবেল : সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – ক্যারেন আর্মস্ট্রং

    ক্যারেন আর্মস্ট্রং এক পাতা গল্প247 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৯. উপসংহার

    কী হবে সামনের পদক্ষেপ? সংক্ষিপ্ত এই ইতিহাস স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে বাইবেল সম্পর্কে বহু আধুনিক অনুমান ভ্রান্ত। বাইবেল দাসত্বমূলক সমরূপতা উৎসাহিত করেনি। বিশেষ করে ইহুহি ট্র্যাডিশনে, আর. এলিয়েযারের গল্পের ক্ষেত্রে যেমন দেখেছি আমরা। এমনকি ঈশ্বরের কণ্ঠস্বরও একজন ব্যাখ্যাকারকে অন্যের ব্যাখ্যা মেনে নিতে বাধ্য করতে পারেনি। প্রথম থেকেই বাইবেলিয় লেখকগণ পরস্পরের বিরোধিতা করেছেন, তাঁদের বিরোধী দৃষ্টিভঙ্গি চূড়ান্ত টেক্সটের সম্পাদকগণ সংযুক্ত করেছেন। তালমুদ ছিল একটি মিথষ্ক্রিয়ামূলক টেক্সট, সঠিকভাবে শিক্ষা দেওয়া হলে একজন ছাত্রকে তা নিজস্ব উত্তর খুঁজে পেতে বাধ্য করত। হান্স ফ্রেই ঠিকই বলেছেন: বাইবেল ছিল বিদ্রোহী দলিল, আমোস ও হোসিয়ার আমল থেকেই অর্থডক্সিকে সন্দেহের চোখে দেখেছে।

    নীতি ও সিদ্ধান্তকে বৈধ করার লক্ষ্যে প্রুফ টেক্সট উদ্ধৃত করার আধুনিক অভ্যাস ব্যাখ্যামূলক ঐতিহ্যর পরিপন্থী। উইলফ্রেড ক্যান্টওয়েল স্মিথ যেমন ব্যাখ্যা করেছেন, ঐশীগ্রন্থসমূহ আসলে কোনও টেক্সট নয়, এগুলো কর্মকাণ্ড, এক আধ্যাত্মিক প্রক্রিয়া যা হাজার হাজার লোককে দুয়ের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে। বাইবেলকে বিভিন্ন মতবাদ ও বিশ্বাসের পক্ষে ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে, কিন্তু তবে এটা এর প্রধান কাজ নয়। আক্ষরিক অর্থের উপর মৌলবাদীদের জোর আধুনিক চেতনা তুলে ধরে, কিন্তু এটা ট্র্যাডিশনের লঙ্ঘন, যা সাধারণত কোনও কোনও সংখ্যাতাত্ত্বিক বা তথ্যমূলক ব্যাখ্যা পছন্দ করে। উদাহরণ স্বরূপ, বাইবেলে কোনও একক সৃষ্টিতত্ত্ব নেই, জেনেসিসের প্রথম অধ্যায় বিরল ক্ষেত্রে বিশ্বসৃষ্টির বাস্তব বর্ণনা হিসাবে পাঠ করা হয়ে থাকে। ডারউইনবাদের বিরোধী অনেক ক্রিশ্চানই আজ কালভিনিস্ট, কিন্তু কালভিন জোর দিয়ে বলেছিলেন যে বাইবেল বৈজ্ঞানিক দলিল নয়, যার জ্যোতির্বিজ্ঞান বা সৃষ্টিতত্ত্ব সম্পর্কে শিখতে চায় তাদের অন্যত্র সন্ধান করা উচিত।

    আমরা দেখেছি, বিভিন্ন টেক্সট সম্পূর্ণ পরস্পর বিরোধী কর্মসূচি সমর্থনের উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়েছে। আথানাসিয়াস ও আরিয়াস ক্রাইস্টের ঐশ্বরিকতা সম্পর্কে তাঁদের বিশ্বাস প্রমাণ করতে উদ্ধৃতি বের করতে পারতেন। এই বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর মতো কোনও সুনির্দিষ্ট নিশ্চয়তা না পাওয়ায় ফাদাররা ধর্মতাত্ত্বিক সমাধান সন্ধান করেছেন যার সাথে বাইবেলের মিল সামান্যই। দাস মালিকরা একভাবে বাইবেল ব্যাখ্যা করেছে, দাসরা সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে। নারীদের পুরোহিত পেশায় অন্তর্ভুক্ত করার ব্যাপারে এখন যে বিতর্ক চলছে তার বেলায়ও একই কথা খাটে। সকল আদি প্রাক-আধুনিক দলিলের মতো বাইবেল একটি পুরুষতান্ত্রিক টেক্সট। নারীবাদও নারী পৌরহিত্যের বিরোধীরা তাদের যুক্তি প্রমাণের লক্ষ্যে অসংখ্য বাইবেলিয় টেক্সট খুঁজে বের করতে পারবে, কিন্তু নিউ টেস্টামেন্টের কোনও কোনও লেখকের সম্পূর্ণ ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি ছিল, ক্রাইস্টে নারী বা পুরুষ কিছুই ছিল না প্রমাণ করার মতো উদ্ধৃতিও দেওয়া যাবে এবং দেখানো যাবে যে নারীরা ‘সহকর্মী’ ও ‘সহ- সহচর’ হিসাবে আদি চার্চে কাজ করেছেন। যুক্তি হিসাবে টেক্সট ছোঁড়াছুঁড়ি একটি অর্থহীন কাজ। ঐশীগ্রন্থ এই ধরনের প্রশ্নের ক্ষেত্রে নিশ্চয়তা যোগাতে পারে না।

    ঐশীগ্রন্থীয় সহিংসতার বেলায়ও একই কথা। বাইবেলে সত্যিই বহু সহিংসতার ঘটনা রয়েছে-কুর’আনের চেয়ে ঢের বেশি। এবং সন্দেহাতীতভাবে সত্যি যে, গোটা ইতিহাস জুড়ে মানুষ নিষ্ঠুর কর্মকাণ্ডকে ন্যায্য প্রমাণ করতে বাইবেল ব্যবহার করেছে। ক্যান্টওয়েল স্মিথ যেমন পর্যবেক্ষণ করেছেন, বাইবেল ও এর ব্যাখ্যাসমূহকে অবশ্যই ঐতিহাসিক পরিপ্রেক্ষিতে দেখতে হবে। পৃথিবী বরাবরই সহিংস স্থান ছিল, ঐশীগ্রন্থ ও এর ব্যাখ্যা প্রায়শই সমসাময়িক আগ্রাসনের শিকারে পরিণত হয়েছে। ডিউটেরোনমিস্টদের তুলে ধরা জোশুয়া একজন অসিরিয় জেনারেলের মহাশক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করছেন। ক্রুসেডাররা জেসাসের শান্তিবাদী শিক্ষা বিস্মৃত হয়ে পবিত্র ভূমিতে অভিযানের জন্যে চুক্তিতে নিয়োজিত হয়েছে, কারণ তারা ছিল সৈনিক, একটা উগ্র ধর্ম পেতে চেয়েছে এবং তাদের সম্পূর্ণ সামন্ত রেওয়াজ বাইবেলের প্রয়োগ করেছে। আমাদের নিজস্ব কালেও একথা সত্যি। আধুনিক কাল এক নজীরবিহীন মাত্রায় সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ড প্রত্যক্ষ করেছে; এটা বিস্ময়কর নয় যে, কোনও কোনও মানুষের বাইবেল পাঠের ধারাকে তা প্রভাবিত করেছে।

    কিন্তু ঐশীগ্রন্থ যেহেতু এমনি যাচ্ছেতাইভাবে অপব্যবহার করা হয়েছে, সুতরাং ইহুদি, মুসলিম ও ক্রিশ্চানদের দায়িত্ব রয়েছে একটা পাল্টা বয়ান প্রতিষ্ঠা করা যা তাদের ব্যাখ্যামূলক ঐতিহ্যের উদার বৈশিষ্ট্যগুলোকে গুরুত্ব দেবে। আন্তধর্ম সমঝোতা ও সহযোগিতা এখন আমাদের টিকে থাকার পক্ষে জরুরি হয়ে পড়েছে: তিনটি একেশ্বরবাদী ধর্মের সদস্যদের সম্ভবত একটি সাধারণ হারমেনেউটিক্স গড়ে তুলতে একসাথে কাজ করা উচিত। এটা খোদ সমস্যাসঙ্কুল টেক্সসমূহের স্থিতিশীল সমালোচনামূলক, নৈতিক ও আধ্যাত্মিক নিরীক্ষা ধারণ করবে, যেভাবে ইতিহাস জুড়ে এগুলোকে ব্যাখ্যা করে আসা হয়েছে, এবং সেইসব লোকের ব্যাখ্যার গভীর পরীক্ষা যারা আজ সেগুলোকে ব্যবহার করছে। ট্র্যাডিশনে তাদের সামগ্রিক গুরুত্বও স্পষ্ট করে সংজ্ঞায়িত করতে হবে।

    মাইকেল ফিশবেন-এর পরামর্শ হচ্ছে, আমাদের ‘অনুশাসনের ভেতরে অনুশাসন’ সৃষ্টি করতে হবে, যাতে ধর্মীয়ভাবে বিরোধী প্রকাশিত ঘৃণাকে কোমল করা যেতে পারে। বাইবেল আসলেই ক্রুদ্ধ অর্থডক্সির বিপদের প্রমাণ-এবং আমাদের নিজস্ব কালে এসব অর্থডক্সিই ধর্মীয় নয়। এক ধরনের ‘সেক্যুলার মৌলবাদ’ রয়েছে, যা সেক্যুলারিজমের বাইবেল ভিত্তিক যেকোনও মৌলবাদী ধারণার মতোই উগ্র, পক্ষপাতদুষ্ট ও ভ্রান্ত। কাব্বালিস্টরা তোরাহর ভ্রান্তি সম্পর্কে তীব্রভাবে সজাগ ছিল, তারা দিনের কর্কশ প্রাধান্য হ্রাস করতে উদ্ভাবনী উপায় বের করেছে। খোদ বাইবেলেও একই রকম বিতর্ক রয়েছে। পেন্টাটিউকে ‘P’র সমন্বয়ের বাণী ডিউটেরোনমির কঠোরতার বিরোধিতা করেছে। নিউ টেস্টামেন্টে রেভেলেশনের যুদ্ধসমূহ সারমন অন দ্য মাউন্টের শান্তিবাদের পাশাপাশি স্থাপিত হয়েছে। পঞ্চম শতাব্দীর গোড়ার দিকে জেরোমে ধর্মতাত্ত্বিক বিরোধীদের বিরুদ্ধে ভয়ঙ্করভাবে রুখে দাঁড়িয়েছেন। অন্যদিকে অগাস্তিন বাইবেলিয় বিতর্কে দয়া ও বিনয়ের আবেদন জানিয়েছেন, ঠিক পরবর্তী সময়ের কালভিন যেমন লুথার ও যিউইংলির যুক্তিমূলক আক্রমণে ভীত বোধ করেছেন। বাইবেলিয় আগ্রাসনের পক্ষে উৎসাহকে ঠেকাতে বেছে নেওয়া অনুশাসনকে, ফিশবেন যেমন পরামর্শ দিয়েছেন, এই বিকল্প বাণীকে আমাদের বিভাজিত বিশ্বে আরও শ্রবণযোগ্য করে তুলতে হবে। বুবের, রোজেনভিগ ও ফ্রেই যুক্তি দেখিয়েছেন যে, বাইবেলের পাঠ পণ্ডিতদের আইভরি টাওয়ারে সীমিত থাকা উচিত হবে না, বরং সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে প্রবলভাবে প্রয়োগ করতে হবে। মিদ্রাশ ও ব্যাখ্যাসমূহ সবসময়ই সময়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গের সাথে সম্পর্কিত হবে ধরে নেওয়া হয়েছে। মৌলবাদীদের কেবল এই প্রয়াস পাওয়া একমাত্র গোষ্ঠী হতে দেওয়া যাবে না।

    বুবের ও রোজেনভিগ, দুজনই বাইবেল শ্রবণের গুরুত্বের প্রতি জোর দিয়েছেন। গোটা জীবনী জুড়ে আমরা ইহুদি-ক্রিশ্চানরা ঐশীগ্রন্থ উপলব্ধি করার লক্ষ্যে যে গ্রাহী, স্বজ্ঞা প্রক্রিয়া চর্চা করার প্রয়াস পেয়ে এসেছে তার বিভিন্ন পথ বিবেচনা করেছি। আজকের দিনে এটা কঠিন। আমাদের সমাজ মুখর ও মতামতমুখী, সব সময় শুনতে আগ্রহী নয়। রাজনীতি, প্রচারমাধ্যম ও একাঁদেমের ডিসকোর্স আবিশ্যিকভাবেই বৈরী। গণতন্ত্রের বেলায় এটা নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ হলেও তা বোঝাতে পারে যে, সাধারণ মানুষ আসলে বিরোধী দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণে ইচ্ছুক নয়। পার্লামেন্টারি বিতর্ক বা টেলিভিশনে প্যানেল আলোচনার সময় এটা প্রায়ই স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, প্রতিপক্ষ কথা বলার সময় অংশগ্রহণকারীরা স্রেফ তারা এরপরে যে চতুর কথাটি বলতে যাচ্ছে সেটাই ভাবতে থাকে। বাইবেলিয় ডিসকোর্স প্রায়শই ঠিক একই সংঘাতময় চেতনায় পরিচালিত হয়ে থাকে, হাসিদিক নেতা দোভ বারের প্রস্তাবিত ‘শ্রোতা কান’ থেকে একেবারেই ভিন্ন। আমরা জটিল জিজ্ঞাসার চট জলদি জবাবও আশা করি। শোরগোলই সব। বাইবেলিয় আমলে কোনও কোনও লোক লিখিত ঐশীগ্রন্থ চালাক, উপরিতলের ‘জ্ঞান’ উৎসাহিত করবে বলে ভয় পেত। ইলেক্ট্রনিক যুগে এটা আরও বড় ধরনের বিপদে পরিণত হয়েছে, লোকে যখন মাউস ক্লিক করেই সত্য আবিষ্কারে অভ্যস্ত হয়ে গেছে।

    এতে করে বাইবেলের সত্যিকারের আধ্যাত্মিক পাঠ কঠিন হয়ে গেছে। ঐতিহাসিক সমালোচনামূলক পদ্ধতির সাফল্য ছিল অসাধারণ, এটা আমাদের বাইবেল সম্পর্কে নজীরবিহীন জ্ঞান যুগিয়েছে, কিন্তু এখন পর্যন্ত আধ্যাত্মিকতার যোগান দেয়নি। ফিশবেন ঠিকই বলেছিলেন: অতীতের হোরোয ও পেশার ব্যাখ্যাসমূহ এখন আর কোনও পছন্দ নয়। কিংবা অরিগেনের বিস্তারিত অ্যালেগোরিও নয়, যিনি হিব্রু ঐশীগ্রন্থের প্রত্যেক শব্দে একটা না একটা গস্পেল মিকরার দেখা পেতেন। এই ধরনের সংখ্যাতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা আদি টেক্সটের অখণ্ডতা লঙ্ঘন করে বলে আধুনিক একাডেমিক অনুভূতিকে আহত করে। তবে অ্যালেগোরিয়ায় এক ধরনের ঔদার্য ছিল আধুনিক ডিসকোর্সে যার অভাব রয়েছে। ফিলো ও অরিগেন বিতৃষ্ণার সাথে বাইবেলিয় টেক্সটসমূহকে বাতিল করে দেননি, বরং সেগুলোকে সন্দেহাবসর দিয়ছেন। ভাষার আধুনিক দার্শনিকগণ যুক্তি দেখিয়েছেন যে যে কোনও ধরনের যোগাযোগের ক্ষেত্রে ‘দয়ার নীতি’ খুবই জরুরি। আমরা যদি সত্যিই একে অপরকে বুঝতে চাই, তাহলে ধরে নিতে হবে যে, বক্তা সত্যি কথাই বলছেন। অ্যালেগোরিয়া ছিল বর্বরোচিত ও অস্পষ্ট বোধ হওয়া টেক্সটে সত্যি খুঁজে নিয়ে তাকে অধিকতর আন্তরিক পরিভাষায় প্রকাশ করার প্রয়াস।’ যুক্তিবাদী এন. এল. উইলসন যুক্তি তুলে ধরেছেন যে, কোনও অচেনা টেক্সটের মুখোমুখি হওয়া একজন সমালোচককে অবশ্যই ‘দয়ার নীতিমালা’ প্রয়োগ করতে হবে। তাকে অবশ্যই একে ‘সেটা সত্যি সম্পর্কে কতখানি জানে, তাকে সংকলনের বিভিন্ন বাক্যের ভেতর সত্যিকে সর্বোচ্চ করবে।” ভাষাতাত্ত্বিক ডোনাল্ড ডেভিডসন বলেছেন, ‘অন্যের উচ্চারণ ও আচরণের ভেতর অর্থ খুঁজে পাওয়া, এমনকি সবচেয়ে ব্যতিক্রমী আচরণের অর্থ বের করার জন্যে আপনার প্রয়োজন হবে সেগুলোর ভেতর বিপুল পরিমাণ সত্যি ও যুক্তি খুঁজে পাওয়া।” এমনকি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি আপনার চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন হলেও, ‘আপনাকে ধরে নিতে হবে যে আগন্তুক আপনার মতোই একই প্রকৃতির,’ নইলে আপনি তাদের মানবিকতা অস্বীকার করার বিপদে পড়ে যাবেন। ‘দয়া আমাদের উপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে, ‘ উপসংহার টেনেছেন ডেভিডসন, ‘আমরা পছন্দ করি বা না করি, অন্যদের বুঝতে চাইলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই আমাদের ধরে নিতে হবে যে তারা সঠিক।” অবশ্য জনগণের এলাকায় লোকজনকে প্রায়শই তাদের কথা সত্যি প্রমাণিত হওয়ার আগেই ভুল ধরে নেওয়া হয়, এটাই শেষ পর্যন্ত বাইবেলের উপলব্ধির ক্ষেত্রকে প্রভাবিত করেছে।

    ‘দয়ার নীতি’ অন্যের সাথে ‘একাত্ম’ বোধ করার দায়িত্ব ‘সহানুভূতির’ ধর্মীয় আদর্শের সাথে মিলে যায়। অতীতের কোনও কোনও মহান ব্যাখ্যাকার-হিল্লেল, জেসাস, পল, ইয়োহানান বেন যাক্কাই, আকিবা ও অগাস্তিন- জোর দিয়ে বলে গেছেন, দয়া ও প্রেমময় ভালোবাসা বাইবেলিয় ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে আবশ্যিক। আমাদের এই বিপজ্জনক রকম মেরুকৃত বিশ্বে ধার্মিকদের একটি সাধারণ হারমেনিউটিক্স নিশ্চিতভাবে এই ট্র্যাডিশনের উপর গুরুত্ব আরোপ করে। ইহুদি, ক্রিশ্চান ও মুসলিমদের অবশ্যই তাদের নিজস্ব ঐশীগ্রন্থের ঘাটতিগুলোকে আগে যাচাই করতে হবে, কেবল তারপরেই বিনয়, ঔদার্য ও দয়ার মানসিকতা নিয়ে অন্যদের ব্যাখ্যা শুনতে হবে।

    গোটা বাইবেলকে স্বর্ণবিধির ‘ধারাভাষ্য’ হিসাবে ব্যাখ্যা করার কী মানে দাঁড়াবে? এর জন্যে সবার আগে অন্যদের ঐশীগ্রন্থ উপলব্ধির দাবি করবে। আর. মেয়ার বলেছেন, ঘৃণার সঞ্চার করে ও অন্যদের অপদস্থ করতে পারে এমন যেকোনও ব্যাখ্যাই বেআইনী। আজকের দিনে ‘অন্য’ এই ‘সাধু’দের ভেতর মুহাম্মদ, বুদ্ধ ও ঋগবেদের ঋষিদেরও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। মিকা’র কোডা পাঠ করার ক্ষেত্রে মাইকেল ফিশবেনের চেতনানুসারে ক্রিশ্চানদের অবশ্যই তানাখকে কেবল ক্রিশ্চান ধর্মের সামান্য উপক্রমনিকা বিবেচনা করা থেকে বিরত থাকতে হবে ও র‍্যাবাইদের অন্তর্দৃষ্টিকে মূল্য দিতে শিখতে হবে। ইহুদিদের জেসাস ও পলের ইহুদিসত্তা স্বীকার করে নিতে হবে এবং ফাদারস অভ দ্য চার্চ-কে বুঝতে হবে।

    অগাস্তিন দাবি করেছেন, ঐশীগ্রন্থ দায়া ছাড়া ভিন্ন কিছুই শেখায় না। তাহলে আমরা কেমন করে জোশুয়ার হত্যাকাণ্ড, ফারিজিদের উপর গস্পেলের খিস্তিখেউড় আর রেভেলেশনের যুদ্ধগুলোকে ব্যাখ্যা করব? অগাস্তিন যেমন পরামর্শ দিয়েছেন, এইসব ঘটনাকে আগে তাদের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে স্থাপন করতে হবে, তারপর আমরা ইতিমধ্যে যেমনটি উল্লেখ করেছি সেভাবে পাঠ করতে হবে। অতীতে কীভাবে এগুলোকে ব্যাখ্যা করা হয়েছিল? এগুলো কি আধুনিক কালের রাজনৈতিক দৃশ্যপট ও সমসাময়িক ডিসকোর্সের দয়ার ঘাটতির উপর কোনও আলোকপাত করে?

    আজকের দিনে আমরা ধর্মীয় ও সেক্যুলার উভয় এলাকাতেই বড় বেশি কঠোর নিশ্চয়তা লক্ষ করি। সমকামী, উদারপন্থী বা নারী যাজকদের অপদস্থ করার উদ্দেশ্যে বাইবেল থেকে উদ্ধৃতি দানের বদলে আমরা অগাস্তিনের বিশ্বাসের বিধির কথা স্মরণ করতে পারি: একজন ব্যাখ্যাকারকে অবশ্যই সব সময়ই কোনও টেক্সটের সবচেয়ে উদার ব্যাখ্যা খুঁজে বের করতে হবে। অতীতের অর্থডক্সিকে সমর্থন করার জন্যে কোনও বাইবেলিয় টেক্সট ব্যবহার না করে আধুনিক হারমেনেউটিক্সদের মিদ্রাশের মূল অর্থ মনে রাখা উচিত হবে : ‘অনুসন্ধানের অগ্রসর হওয়া।’ নতুন কিছুর সন্ধান করাই ব্যাখ্যা। বুবের বলেছেন, প্রত্যেক পাঠককে এমনভাবে বাইবেলের সামনে দাঁড়াতে হবে যেভাবে মোজেস জ্বলন্ত ঝোঁপের সামনে দাঁড়িয়েছিলেন, মনোযোগের সাথে ঐশী বাণীর অপেক্ষায় থাকতে হবে যা তাকে সাবেক ধারণা একপাশে সরিয়ে রাখতে বাধ্য করবে। এটা যদি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে আঘাত দেয়, আমরা বালতাসারের সাথে তাদের মনে করিয়ে দিতে পারি, কর্তৃপক্ষও ঐশীগ্রন্থের মিকরার কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য।

    সব প্রধান ধর্মই জোর দিয়ে বলে যে, দৈনিক, ঘণ্টাপ্রতি সহানুভূতির অনুশীলন আমাদের ঈশ্বর, নির্বানা ও দাও-এর কাছে পৌঁছে দেবে। ‘দয়ার নীতি’ ভিত্তিক ব্যাখ্যা হবে এক আধ্যাত্মিক অনুশীলন, আমাদের এই বিভক্ত, বিচ্ছিন্ন বিশ্বে যার খুবই প্রয়োজন। বাইবেল মৃত অপ্রাসঙ্গিক কতগুলো বর্ণমালায় পরিণত হওয়ার বিপদে রয়েছে। এর আক্ষরিক অভ্রান্ততার দাবির কারণে বিকৃত হয়েছে, সেকুল্যার মৌলবাদীদের হাতে-প্রায়শই অন্যায়ভাবে- পরিহাসের শিকার হয়েছে। এটা ঘৃণা ও বন্ধ্যা যুক্তির ভাণ্ডারকে ইন্ধন যোগানো বিষাক্ত অস্ত্রে পরিণত হতে চলেছে। অধিকতর সহানুভূতিশীল হারমেনেউটিক্স আমাদের এই ছন্দহীন বিশ্বে গুরুত্বপূর্ণ পাল্টা বিবরণের যোগান দিতে পারে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য এইট – ক্যাথারিন নেভিল
    Next Article দ্য গ্রেট ট্রান্সফর্মেশন : আমাদের ধর্মীয় ঐতিহ্যের সূচনা – ক্যারেন আর্মস্ট্রং

    Related Articles

    ক্যারেন আর্মস্ট্রং

    আ হিস্ট্রি অফ গড – ক্যারেন আর্মস্ট্রং

    August 4, 2025
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং

    ইসলাম : সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – ক্যারেন আর্মস্ট্রং

    August 4, 2025
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং

    পুরাণ : সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – ক্যারেন আর্মস্ট্রং

    August 4, 2025
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং

    বুদ্ধ – ক্যারেন আর্মস্ট্রং

    August 4, 2025
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং

    স্রষ্টার জন্য লড়াই : মৌলবাদের ইতিহাস – ক্যারেন আর্মস্ট্রং

    August 4, 2025
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং

    জেরুসালেম : ওয়ান সিটি থ্রি ফেইস – ক্যারেন আর্মস্ট্রং

    August 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }