Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বাঙলা ও বাঙালীর বিবর্তন – অতুল সুর

    লেখক এক পাতা গল্প428 Mins Read0
    ⤷

    বাঙলার নামের উদ্ভব ও বিবর্তন

    ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে দেশবিভাগের পূর্ব পর্যন্ত বাঙালীর আবাসভূমিকে বলা হত ‘বঙ্গদেশ’। ইংরেজিতে বলা হত ‘বেঙ্গল’। ‘বেঙ্গল’ নামটা দিয়েছিল ইংরেজরা। তারা এটা নিয়েছিল পর্তুগীজদের দেওয়া ‘বেঙ্গালা’ শব্দ থেকে। ‘বেঙ্গালা’ শব্দটি মুসলমানদের দেওয়া ‘বঙ্গালহ’ শব্দের রূপান্তর মাত্র। ১৫২৮ খ্রিস্টাব্দে নাগাদ পাঠান সুলতানরাই ‘বঙ্গালহ’ শব্দের ব্যবহার শুরু করে। তবে তার আগেই ত্রয়োদশ শতাব্দীর দুজন বৈদেশিক পর্যটক মার্কো পোলো ও রশিদুদ্দিন তাঁদের ভ্রমণকাহিনীতে ‘বঙ্গাল’ নামটা ব্যবহার করেছিলেন। ১৫৭৬ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট আকবর যখন বাঙলা অধিকার করেন তখন থেকে ‘বঙ্গাল’ শব্দটা আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়। প্রাক্-মুসলমান যুগে ‘বঙ্গাল’ বলতে পূর্ববঙ্গের দক্ষিণাংশের এক অঞ্চল-বিশেষকে বোঝাত মাত্র। এটা ‘বঙ্গ’ শব্দের ঠিক সমার্থবোধক ছিল না। কেননা, একই সময়ে আমরা ‘বঙ্গ’ ও ‘বঙ্গাল’— এই দুই ভিন্ন অংশের বিদ্যমানতা লক্ষ্য করি। ‘বঙ্গ’ শব্দ দ্বারা বাঙলার এক ব্যাপক অংশকে বোঝাত, যার অবস্থিতি ছিল ভাগীরথীর পূর্বদিকে। ভাগীরথীর পশ্চিমাংশকে বলা হত রাঢ়দেশ। রাঢ়ের উত্তর-পশ্চিমাংশে ছিল অঙ্গ দেশ ও দক্ষিণে কলিঙ্গ। ‘বঙ্গ’ কোন্ ভাষার শব্দ তা আমরা জানি না। অনেকে মনে করেন যে, অঙ্গ, বঙ্গ, কলিঙ্গ, গঙ্গা প্রভৃতি শব্দ প্রাগার্য তিব্বতীয় উৎস থেকে উদ্ভুত। অনেকে আবার ‘বঙ্গ’ শব্দটি মুণ্ডারী ভাষার শব্দে বলে মনে করেন। এখানে উল্লেখনীয় যে বঙ্গ, বঙ্গাল, ও বঙ্গালী শব্দগুলি চর্যাগীতে আছে।

    প্রথমে ‘বঙ্গ’ শব্দটি ছিল এক কৌমগোষ্ঠীর নাম। পরে এটা ভৌগোলিক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছিল। কৌমগোষ্ঠীর নাম হিসাবে ‘বঙ্গ’ নামটির সঙ্গে বৈদিক যুগের আর্যরাও পরিচিত ছিল। ঐতরেয় ব্রাহ্মণে আমরা বঙ্গের নাম প্রথম পাই। সেখানে বঙ্গবাসীদের ‘বয়াংসি’ বা পক্ষিজাতীয় বলে বর্ণনা করা হয়েছে। বোধ হয় পক্ষিবিশেষ তাদের ‘টোটেম’ ছিল। আরও যাদের নাম আমরা বৈদিক সাহিত্যে পাই তারা হচ্ছে ‘পুন্ড্র। ঐতরেয় ব্রাহ্মণে পুন্ড্রদের ‘দস্যু’ বলে অভিহিত করা হয়েছে। মোট কথা, বৈদিক সাহিত্যে আমরা বাঙলাদেশের অধিবাসীদের প্রতি ঘৃণা ও বিদ্বেষ লক্ষ্য করি। এমনকি, বৌধায়ন, ধর্মসূত্রের যুগ পর্যন্ত আমরা এ বিদ্বেষ অব্যাহত দেখি। বৌধায়ন ধর্মসূত্র অনুযায়ী পুন্ড্রদের অবস্থিতি ছিল উত্তরবঙ্গে, আর বঙ্গদের মধ্যপূর্ববঙ্গে। বৌধায়ন ধর্মসূত্রে তাদের আর্যাবর্তের বাইরের লোক বলা হয়েছে। তার মানে, তাদের ধর্ম ও সংস্কৃতি আর্যদের ধর্ম ও সংস্কৃতি থেকে পৃথক ছিল। তবে তাদের দেবতাগণকে কেন্দ্র করে বাঙলাদেশে অনেক তীর্থস্থান ছিল, এবং এই সকল তীর্থস্থান আর্যরাও দর্শন করতে আসত। তার আভাস আমরা বৌধায়ন ধর্মসূত্রে পাই।

    দুই

    কিন্তু রামায়ণ-মহাভারত রচনার যুগে আমরা বাঙলাদেশের লোকদের প্রতি আর্যদের বিদ্বেষভাব আর লক্ষ্য করি না। মহাভারত রচনার যুগে আমরা বঙ্গ, কর্বট, সুহ্ম প্রভৃতি জনপদের নাম পাই। জৈনদের প্রাচীনতম ধর্মপুস্তক আচারাঙ্গ সূত্রে আমরা ‘লাঢ়’ বা ‘রাঢ়’ দেশের নামেরও উল্লেখ পাই। সেখানে রাঢ়দেশের দুই বিভাগের কথা বলা হয়েছে— বজ্জভূমি (বজ্রভূমি) ও সুব্বভূমি (সুহ্মভূমি)। বৌদ্ধ জাতক গ্রন্থসমূহেও আমরা সুহ্মদের উল্লেখ পাই। তাছাড়া, প্রাক্-বৌদ্ধ যুগেই দুই জনপদের নাম পাই— শিবি ও চেত।

    আলেকজান্ডার যখন ভারত আক্রমণ করেন তখন তিনি গঙ্গার মোহনায় অবস্থিত ‘গঙ্গারিড’ বা ‘গঙ্গারাঢ়’ দেশের লোকদের শৌর্যবীর্যের কথা শুনেই বিপাশা নদীর তীর থেকে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করতে বাধ্য হয়েছিলেন। প্লিনি, টলেমি ও অন্যান্য গ্রীসদেশীয় লেখকগণও গঙ্গারাঢ় দেশের উল্লেখ করেছেন। সঙ্গে সঙ্গে আমরা ‘প্রাসাই’ বা প্রাচ্যদেশের কথা শুনতে পাই। প্রাচদেশের কথা পাণিনিও উল্লেখ করে গেছেন। টলেমি বাঙলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত গঙ্গানদীর পাঁচটি শাখার কথাও উল্লেখ করেছেন। এই গঙ্গানদীর ওপর অবস্থিত ‘গঙ্গা’ নামে এক বাণিজ্যকেন্দ্রেরও উল্লেখ পাই। এ নামটা ‘পেরিপ্লাস অভ্ দি ইরিথ্রিয়ান সী নামক গ্রন্থেও উল্লিখিত হয়েছে।

    তিন

    সুতরাং দেখা যাচ্ছে, পরবর্তীকালে যেটা বাঙালীর আবাসভূমি ‘বঙ্গদেশ’ নামে অভিহিত হত, সেটা প্রাচীনকালে বহু জনগোষ্ঠীর আবাসস্থান হয়ে বহু জনপদে বিভক্ত ছিল। অন্তর্বর্তীকালে এদের অনেক নাম ছিল, যথা— গৌড় বঙ্গ, সমতট, চন্দ্রদ্বীপ, বঙ্গাল, পুন্ড্র, বরেন্দ্র, রাঢ়, তাম্রলিপ্ত, বারক, কঙ্কগ্রাম, বর্ধমান, কজঙ্গল, দণ্ডভুক্তি, খাড়ি, নাব্য ইত্যাদি। এদের ভৌগোলিক সীমারেখা বিভিন্ন যুগে বিভিন্ন ছিল। ভাগীরথীকে সীমারেখা ধরলে তার পশ্চিমে অবস্থিত ছিল, কজঙ্গল, রাঢ়, কঙ্কগ্রাম, কর্বট, সুক্ষ্ম, তাম্রলিপ্ত ও দণ্ডভুক্তি। আর ওর পূর্ব-উত্তরে অবস্থিত ছিল পুন্ড্র, গৌড় ও বরেন্দ্র; মধ্যভাগে বঙ্গ ও দক্ষিণে হরিকেল, সমতট, বঙ্গাল, খাড়ি ও নাব্য। শেষোক্ত অঞ্চলগুলি পূর্ববাঙলার দক্ষিণাংশের উপকূলবর্তী দেশ ছিল।

    খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দীতেই উত্তরবঙ্গ মৌর্যসাম্রাজ্যভুক্ত হয়েছিল। এর সপক্ষে যে প্রমাণ আছে তা হচ্ছে উত্তরবঙ্গের বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ে প্রাপ্ত মৌর্য-যুগের ব্রাহ্মী অক্ষরে লিখিত ও প্রাকৃত ভাষায় রচিত এক লিপি। তবে সমগ্র বাঙলাদেশ যে মৌর্যসাম্রাজ্যভুক্ত হয়েছিল, তার সপক্ষে কোন সুনিশ্চিত প্রমাণ নেই। (তুলনীয় নোয়াখালি জেলার শিলুয়ায় প্রাপ্ত ব্ৰাহ্মী অক্ষরে ও প্রাকৃত ভাষায় লিখিত এক মূর্তিলেখ)। সম্ভবত গুপ্তসম্রাট দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের সময়েই সমগ্র বাঙলাদেশ গুপ্তসাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল, এবং সংস্কৃত ভাষার প্রচলন হয়েছিল। তবে তখনও বাংলাদেশের অংশবিশেষ, যথা— ‘সমতট’ যে প্রত্যন্ত রাজ্যভুক্ত ছিল তার প্রমাণ আমরা আলাহাবাদের স্তম্ভলিপিতে পাই। কিন্তু যদিও গুপ্তসম্রাটগণের আমলে বাঙলাদেশের অধিকাংশ অঞ্চলই একত্রিত হয়েছিল, তথাপি গুপ্তসম্রাট স্কন্দগুপ্তের পর যখন গুপ্তসাম্রাজ্যের ভাঙন ঘটল, তখন বাঙলাদেশের বিভিন্ন অংশে স্বতন্ত্র রাজ্য গড়ে উঠল। খ্রিস্টীয় ষষ্ঠ শতাব্দীর প্রথম দিকে দক্ষিণ ও পূর্ববঙ্গে একটি স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়। সাতখানা তাম্রশাসন থেকে এই রাজ্যের তিনজন ‘মহারাজাধিরাজ’ উপাধিধারী রাজার নাম পাওয়া যায়। তাঁরা হচ্ছেন ধর্মাদিত্য, গোপচন্দ্র ও সমাচারদেব। তাঁদের এলাকাভুক্ত ছিল কৰ্ণ- সুবর্ণ (বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলা)। এটাই তখনকার দিনের বঙ্গরাজ্য ছিল। বোধ হয়, একেই কেন্দ্র করে খ্রিস্টীয় সপ্তম শতাব্দীতে মহারাজ শশাঙ্ক গৌড়সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। শশাঙ্কের মৃত্যুর পর বাঙলাদেশে মাৎস্যকন্যায়-এর প্রাদুর্ভাব ঘটে। আর অরাজকতার হাত থেকে বাঙলাদেশেকে উদ্ধার করেন খ্রিস্টীয় অষ্টম শতাব্দীর মধ্যভাগে (৭৫০) ‘প্রকৃতিপুঞ্জ’ কর্তৃক মনোনীত পালসাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা গোপাল। নবম ও দশম শতাব্দীর লিপিসমূহ থেকে আমরা জানতে পারি যে, পালযুগের শেষভাগে বঙ্গদেশে উত্তর ও অনুত্তর, এই দুই ভাগে বিভক্ত ছিল। খ্রিস্টীয় দশম শতাব্দীতে দক্ষিণ বাঙলায় চন্দ্রদ্বীপ (বাখরগঞ্জ জেলায়) নামেও এক রাজা ছিল। এই রাজ্যের তাম্রশাসন থেকে আমরা লডহচন্দ্র ও গোবিন্দচন্দ্ৰ নাম দুই রাজার নাম পাই।

    সেনরাজগণের আমলেও বঙ্গদেশে দুই ভাগে বিভক্ত ছিল, যথা-বিক্রমপুর ভাগ ও নাব্য। একাদশ শতাব্দীর লিপিসমূহেই আমরা প্রথম ‘বঙ্গাল’ দেশের উল্লেখ পাই। এই ‘বঙ্গাল’ শব্দই মুসলমান যুগে বঙ্গদেশকে ‘বঙ্গাল’ নামে অভিহিত করতে সহায়তা করে। মুঘলসাম্রাজ্যের এটা ছিল পূর্বতম সুবা এবং এর বিস্তৃতি ছিল ভাগীরথীর পূর্বপ্রান্ত থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত। রাজস্ব আদায়ের জন্য তোডরমল কর্তৃক ১৫৮২ খ্রিস্টাব্দে প্রণীত ‘আসল-ই-জাম-তুমার’ নামক তালিকা অনুযায়ী সম্রাট আকবরের সময় বাঙলাদেশ ১৯টি সরকারে বিভক্ত ছিল। তার অন্তর্ভুক্ত ছিল ৬৮৯টি মহাল। বাঙলাদেশ থেকে দিল্লীর মুঘলদরবারে প্রেরিত রাজস্বের পরিমাণ ছিল, ১,০৬,৯৩,০৬৭ আকবরশাহী টাকা। সম্রাট ঔরঙ্গজেবের সময় নূতন নূতন অঞ্চল জয়ের পর ওই তালিকা সংশোধিত হয়। তখন বাঙলার অন্তর্ভুক্ত হয় হিজলি, মেদিনীপুর, জলেশ্বর, কোচবিহারের অংশবিশেষ, পশ্চিম আসাম, ত্রিপুরা, ছোটনাগপুরের অংশবিশেষ ও সুন্দরবন। এই পরিবর্ধিত তালিকায় আমরা বাঙলাদেশকে ৩৪টি সরকারে বিভক্ত দেখতে পাই। তখন এর অন্তর্ভুক্ত ছিল ১৩৫০টি মহাল এবং রাজস্বের পরিমাণ দাঁড়িয়েছিল ১,৩১,১৫,৯০৭ টাকা। পরে কি দাঁড়িয়েছিল সেটা বলবার আগে আমরা গৌড়ের ইতিহাস সম্পর্কে কিছু বলে নিতে চাই।

    চার

    গৌড় নামটিও বেশ প্রাচীন। পণ্ডিতমহল মনে করেন যে, এক সময় বাঙলাদেশে প্রচুর পরিমাণে ইক্ষুর চাষ হত ও তা থেকে গুড় উৎপাদন হত এবং এই গুড় থেকেই ‘গৌড়’ নামে উৎপত্তি। কৌটিল্যের ‘অর্থশাস্ত্র’-এ আমরা গৌড়দেশের পণ্যের উল্লেখ পাই। বাৎস্যায়নের ‘কামসূত্র’-এও গৌড় রাজ্যের উল্লেখ আছে। কিন্তু ইতিহাসে গৌড়ের প্রথম অভ্যুত্থান ঘটে গুপ্তসাম্রাজ্যের পতনের কিছু পূর্বে। খ্রিস্টীয় ষষ্ঠ শতাব্দীতে বরাহমিহির তাঁর ‘বৃহৎসংহিতা’ গ্রন্থে গৌড়কে বাঙলার অংশবিশেষ বলে বর্ণনা করে গেছেন। বাঙলার অপর অংশগুলির তিনি যে নাম করে গেছেন সেগুলি হচ্ছে গৌড়ক, পুণ্ড্র, তাম্রলিপ্তিক, বঙ্গ, সমতট ও বর্ধমান। এই ষষ্ট শতাব্দীতে মৌখরীরাজ ঈশানবর্মার হরাহা শিলালেখে সমুদ্রযাত্রায় পারদর্শী গৌড়গণের সঙ্গে তাঁর বিবাদের কথা আছে। ভবিষ্যপুরাণে গৌড়দেশকে বর্ধমানের উত্তরে ও পদ্মার দক্ষিণে অবস্থিত বলা হয়েছে। অষ্টম শতাব্দীর শেষ ভাগে ‘অনর্ঘ-রাঘব’-এর লেখক মুরারি মিশ্র লিখে গেছেন যে, গৌড়ের রাজধানী ছিল চম্পায়। অনেকের মতে মদারণ সরকারের অন্তর্ভুক্ত চম্পানগরী ও চম্পা অভিন্ন। এর অবস্থিতি ছিল দামোদর নদের তীরে বর্ধমানের উত্তর পশ্চিমে।

    ইতিহাস যখন গৌড়ের অভ্যুত্থান হয় তখন গৌড়দেশ বলতে পশ্চিম- বাঙলার মালদহ-মুর্শিদাবাদ অঞ্চলকেই বুঝাত। বস্তুত খ্রিস্টীয় ষষ্ঠ শতাব্দীতে গুপ্তসাম্রাজ্যের অধঃপতনের সুযোগে মুর্শিদাবাদ জেলায় অন্তৰ্গত (বহরমপুরের নিকট ভাগীরথীতীরস্থ) প্রাচীন কর্ণসুবর্ণ নগরকে কেন্দ্র করে স্বাধীন গৌড়রাজ্যের উদ্ভব হয়েছিল। খ্রিস্টীয় সপ্তম শতাব্দীতে রাজা শশাঙ্ক গৌড়ের সিংহাসনে অধিষ্ঠিত ছিলেন। তিনি মধ্য ও দক্ষিণ-পশ্চিম বাঙলা ও ওড়িশার কিছু অংশ স্বীয় রাজ্যভুক্ত করে গৌড়ের মর্যাদা বৃদ্ধি করেন। তিনি মগধও অধিকার করেছিলেন। এই সময় শশাঙ্ক মালবের উত্তরকালীন গুপ্তরাজগণের সহিত মিত্রতাসূত্রে আবদ্ধ হন। তিনি মালবরাজ দেবগুপ্তের সহায়তায় মৌখরিরাজ গ্রহবর্মাকে পরাজিত ও নিহত করে কান্যকুব্জ জয় করেন। এর আগে মালবরাজের সহায়তা শশাঙ্ক কামরূপের সুস্থিতবর্মা ও তাঁর পুত্রদের পরাজিত করে কামরূপও অধিকার করেছিলেন। কিন্তু শীঘ্রই গ্রহবর্মার শ্যালক থানেশ্বরাধিপতি হর্ষবর্ধন কামরূপরাজ ভাস্করবর্মার সহিত মিত্রতাবদ্ধ হয়ে উত্তরপ্রদেশ ও বিহারে আধিপত্য স্থাপন করেন। তখন কিছুকালের জন্য গৌড়রাজ এদের কাছে নতিস্বীকার করতে বাধ্য হয়েছিলেন। কিন্তু হর্ষবর্ধন ও ভাস্করবর্মার মৃত্যুর পর গৌড়রাজ আবার নিজের আধিপত্য বিস্তার করতে সমর্থ হয়েছিলেন। এর ফলে গৌড়রাজ্যের সংজ্ঞারও পরিবর্তন ঘটে। বিস্তৃত স্বাধীন রাজ্য স্থাপনের ফলে গৌড় নূতন মর্যাদা লাভ করে। তার ফলে ওই সময় গৌড়ীয় ভাষা ও কাব্যরচনা রীতির প্রসিদ্ধি ভারতের সর্বত্র ব্যাপ্ত হয়।

    অষ্টম শতাব্দীর দ্বিতীয় পাদ পর্যন্ত ‘মগধেশ্বর’ উপাধি বহন করতেন। কান্যকুব্জরাজ যশোবর্মা ‘মগধেশ্বর’ গৌড়রাজকে পরাজিত ও নিহত করেন। এরপর বাঙলায় অরাজকতা দেখা দেয় এবং পরে পালরাজগণের অভ্যুত্থান ঘটে। পালরাজগণকে গৌড়, বঙ্গ ও বঙ্গালদেশের (আবুল ফজলের মতে বঙ্গ + আল = বঙ্গাল) অধীশ্বর বলা হত। দ্বিতীয় পালরাজ ধর্মপাল উত্তরপ্রদেশ পর্যন্ত তাঁর আধিপত্য বিস্তার করেন। লক্ষ্মণসেনকে পরাজিত করে মুসলমানরা যখন বাঙলাদেশ অধিকার করে, তখন তারা নিজেদের ‘গৌড়রাজ’ বলে অভিহিত করত। ১৫৭৬ খ্রিস্টাব্দে মুঘলসম্রাট আকবর বাঙলাদেশ অধিকার করেন এবং সেই সঙ্গেই গৌড়ের রাজনৈতিক সত্তা বিলুপ্ত হয়। তখন থেকেই সমগ্র বাঙলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘বঙ্গাল’ নাম ধারণ করে। বাঙলা তখন মুঘলসাম্রাজ্যের একটি সুবায় পরিণত হয়। পরবর্তী ২০০ বৎসর ‘বাঙলা’ মুঘল সম্রাটগণের অধীনে থাকে।

    পাঁচ

    ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে পলাশীর যুদ্ধের পর বাঙলা ইংলণ্ডের ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হাতে চলে যায়। ১৮৫৮ খ্রিস্টাব্দে বাঙলাদেশ সরাসরি ব্রিটিশ সরকারের অধীন হয়। মুঘলদের দেওয়া নামের অনুকরণে পর্তুগীজরা বাঙলাদেশকে Bengala নামে অভিহিত করত। ইংরেজদের হাতে যাবার পর এর নাম হয় Bengal। ইংরেজ শাসনাধীনে নানা সময় এর আয়তন ও সীমারেখার পরিবর্তন ঘটে।

    ১৮৬৭ খ্রিস্টাব্দে ভারত সরকারের ১৭৫৮নং আদেশ দৃষ্টে প্রতীয়মান হয় যে, তখন ইংরেজ সরকারের অধীনস্থ ভারত ১২টি বিভিন্ন শাসন- বিভাগে বিভক্ত ছিল, যথা— (১) বেঙ্গল, (২) বোম্বে, (৩) মাদ্রাজ, (৪) উত্তর-পশ্চিম প্রদেশ (৫) পঞ্জাব, (৬) আসাম (ইহা ১৮৬৭ খ্রিস্টাব্দে বাঙলার অন্তর্ভুক্ত হয়), (৭) মধ্যপ্রদেশ, (৮) ব্রিটিশ ব্রহ্ম (৯) বেরার’, (১০) মহীশূর ও কুর্গ, (১১) রাজপুতানা এবং (১২) মধ্যভারত। সুতরাং ১৮৬৭ খ্রিস্টাব্দে পর্যন্ত বাঙলার আয়তন ছিল পঞ্জাবের পূর্বসীমান্ত থেকে ব্রিটিশ-ব্রহ্মের সীমান্ত পর্যন্ত। তার মানে, ১৮৬৭ খ্রিস্টাব্দে যুক্তপ্রদেশ, বিহার ও ওড়িশা এবং আসাম বাঙলারই অন্তর্ভুক্ত ছিল। কিন্তু নানা রকম রাজনৈতিক কারণে ব্রিটিশ সরকার বাঙলাদেশকে খর্ব করবার অপচেষ্টায় প্রবৃত্ত হয়েছিল। তাকে ক্রমশ ছোট করে আনা হয়েছিল বঙ্গ, আসাম, বিহার, ওড়িশা ও ছোটনাগপুরে। তারপর আসাম প্রদেশকেও পৃথক করে একজন চী, কমিশনারের শাসনাধীনে ন্যস্ত করা হয়। ১৯০৩ খ্রিস্টাব্দে মধ্যপ্রদেশের চীফ্ কমিশনার স্যার এনডু ফ্রেজার প্রস্তাব করেন যে, বাঙলাদেশকে দু’খন্ডে বিভক্ত করা হোক। এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী প্রচণ্ড আন্দোলন চলে। কিন্তু তা সত্ত্বেও ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দের ১৭ অক্টোবর তারিখে বাঙলাদেশকে দ্বিখন্ডিত করা হয়। আসাম, ঢাকা-বিভাগ, চট্টগ্রাম- বিভাগ, পার্বত্যত্রিপুরা, দার্জিলিং ও সমগ্র রাজশাহী বিভাগ একত্রিত করে পূর্ববঙ্গ ও আসাম নামে এক নূতন প্রদেশে গঠিত হয়। কিন্তু দেশব্যাপী ক্ষোভ প্রশমিত না হওয়ায় সম্রাট পঞ্চম জর্জ স্বয়ং ১৯১১ খ্রিস্টাব্দের ১২ ডিসেম্বর দিল্লী দরবারে ঘোষণার দ্বারা বঙ্গভঙ্গ রহিত করেন। এর ফলে দার্জিলিং, ঢাকা-বিভাগ, চট্টগ্রাম-বিভাগ ও রাজশাহী-বিভাগসমূহকে পুনরায় বাঙলার সহিত যুক্তি করে দেওয়া হয়। কিন্তু বিহার ও ওড়িশার স্বতন্ত্র প্রদেশে পরিণত হয় ও ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লীতে স্থানান্তরিত করা হয়। ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে স্বাধীনতালাভের শর্ত হিসাবে বাঙলাকে আবার দ্বিখন্ডিত করা হয়-পশ্চিমবঙ্গ ও পূর্ব-পাকিস্তান। ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে পূর্ব- পাকিস্তান স্বাধীনতা অর্জন করে ‘বাংলাদেশ’ নামে পরিচিত হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে আছে ১৬টি জেলা, যথা—কোচবিচার, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, পশ্চিম দিনাজপুর, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, নদীয়া, চব্বিশ পরগণা (মার্চ ১৯৮৬ হতে উত্তর ও দক্ষিণ), কলিকাতা, হাওড়া হুগলী, মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, বর্ধমান ও বীরভূম। আর বাংলাদেশে আছে ২১টি জেলা, যথা— দিনাজপুর, রংপুর, বগুড়া, রাজশাহী, পাবনা, টাঙ্গাইল, মৈমনসিং, জামালপুর, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোহর খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালি, সিলেট, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম পার্বত্য এলাকা ও বান্দরবন। বাংলাদেশের বর্তমান আয়তন ৫৫,৫৯৮ বর্গমাইল। ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে স্বাধীনতালাভের পূর্বে বাঙলার মোট আয়তন ছিল ৭৭,৫২১ বর্গমাইল। স্বাধীনতালাভের পরে পশ্চিমবঙ্গের মোট আয়তন দাঁড়ায় ৩৩,৯২৮ বর্গমাইল। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ সরকার ‘বঙ্গ’ নাম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, কিন্তু তা কার্যকর হয়নি।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাঙালির নৃতাত্ত্বিক পরিচয় – অতুল সুর
    Next Article প্রমীলা প্রসঙ্গ – অতুল সুর

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }