Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বাঙলা ও বাঙালীর বিবর্তন – অতুল সুর

    লেখক এক পাতা গল্প428 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বাঙলার রাষ্ট্রীয় ইতিহাস

    অতি প্রাচীন বাঙলার রাষ্ট্রীয় ইতিহাসের উপাদান হচ্ছে কিংবদন্তী। এই সকল কিংবদন্তী নিবদ্ধ আছে নানা গ্রন্থে-দেশীয় ও বিদেশীয়। শ্রীলঙ্কার ‘দীপবংশ’ ও ‘মহাবংশ’ নামে দুইটি প্রাচীন ইতিহাস গ্রন্থ থেকে জানা যায় যে, বুদ্ধদেবের আবির্ভাবের পূর্বে বঙ্গদেশের বঙ্গনগরে এক রাজা ছিলেন। তিনি কলিঙ্গদেশের রাজকন্যাকে বিবাহ করেছিলেন। তাঁদের এক অতি সুশ্রী কন্যা হয়; কিন্তু সে অত্যন্ত দুষ্টা ছিল। সে একবার পালিয়ে গিয়ে মগধ-যাত্রী এক বণিকের দলে ঢুকে যায়। তারা যখন বাঙলার সীমানায় উপস্থিত হয়, তখন এক সিংহ তাদের আক্রমণ করে। বণিকেরা ভয়ে পালিয়ে যায়। কিন্তু রাজকন্যা সিংহকে তুষ্ট করে তাকে বিবাহ করে। (মনে হয়, এখানে আক্ষরিক অর্থে ‘সিংহ’ না ধরে সিংভূম জেলার ‘সিংহ’ উপাধিকারী কোন উপজাতীয়কে ধরে নিলে, এর অর্থ খুব সরল হয়ে যায়)। ওই সিংহের ঔরসে তার গর্ভে সিংহবাহু নমে এক পুত্র এবং এক কন্যা জন্মে। সিংহবাহু বড় হয়ে সিংহকে হত্যা করে ও নিজ ভগ্নীকে বিবাহ করে। (প্রাচীন ভারতে ভগ্নী-বিবাহ সম্বন্ধে লেখকের ‘ভারতের বিবাহের ইতিহাস’ ও ‘হিন্দু সভ্যতার নৃতাত্ত্বিক ভাষ্য, গ্রন্থদ্বয় দেখুন)। পরে রাঢ়দেশে সে এক রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে। সিংহবাহুর অনেকগুলি পুত্রসন্তান হয়। প্রথম দুটির নাম বিজয় ও সুমিত্র। বিজয় দুর্বিনীত ও অত্যাচারী ছিল। তার দুর্ব্যবহারে রাঢ়বাসিগণ অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে। বাধ্য হয়ে রাজা সাত শত অনুচরের সঙ্গে বিজয়কে এক নৌকা করে সমুদ্রে পাঠিয়ে দেন। বিজয় প্রথমে সুপ্পরাক নগরে (আধুনিক ভারতের পশ্চিম উপকূলস্থ সোপারা নগরী) যায়, কিন্তু সেখানে অত্যাচার শুরু করলে সেখানকার লোকেরা তাকে তাড়া করে। তখন বিজয় নৌকাযোগে লঙ্কাদ্বীপে এসে উপস্থিত হয় এবং কুবেণী নামে এক যক্ষিণীকে বিবাহ করে শ্রীলঙ্কায় এক রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে। যে দিন বিজয় লঙ্কাদ্বীপে এসে উপস্থিত হয়, সেদিনই কুশীনগরে ভগবান বুদ্ধ মহাপরিনির্বাণ লাভ করেন। বুদ্ধের মহানির্বাণ ঘটেছিল ৪৮৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দে। সুতরাং সেটাই বিজয়ের শ্রীলঙ্কায় অবতরণের তারিখ।

    প্রাক্-বৌদ্ধ যুগের আরও দুটি রাজ্যের কথা আমরা জাতক গ্রন্থসমূহে পাই। এ দুটি হচ্ছে শিবি ও চেতরাষ্ট্র। ডাক্তার অশ্বিনীকুমার চৌধুরী মহাশয় দেখিয়েছেন যে, শিবিরাজ্য ছিল বর্ধমান বিভাগে। তার রাজধানী ছিল জেতুত্তরনগরে (বর্তমানে মঙ্গলকোট)। তখন দামোদর নদের নাম ছিল কন্টিমার নদী। রূপনারায়ণের নাম ছিল কেতুমতী নদী। কেতুমতীর দক্ষিণে অবস্থিত ছিল চেতরাজ্য (বর্তমান ঘাটাল মহকুমার চেতুয়া পরগনা)। তার রাজধানী ছিল চেতা। চেতরাজ্যের পশ্চিমে ছিল বনদ্বার ও পূর্বে ছিল, ‘প্রত্যন্ত’ প্রদেশ দুর্নিভত্ত। এর দক্ষিণে ছিল কলিঙ্গ রাজ্য, বর্তমান মেদিনীপুর পর্যন্ত বিস্তৃত। শিবি ও চেতরাজ্যের পূর্বসীমায় ছিল ভাগীরথী। বৌদ্ধ ও জৈন গ্রন্থ সমূহে শিবি এবং চেতরাষ্ট্রদ্বয়কে ‘মহাজনপদ’ বলে অভিহিত করা হয়েছে। সুতরাং এ দুটি রাষ্ট্র যে তৎকালীন ইতিহাসে খুব গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করত সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই।

    আরও যে সকল দেশীয় গ্রন্থে প্রাচীন বাঙলার রাষ্ট্রীয় ইতিহাস সম্পর্কে কিংবদন্তী নিবদ্ধ আছে, তাদের অন্যতম হচ্ছে রামায়ণ, মহাভারত, পুরাণ প্রভৃতি। এই সকল গ্রন্থের রচনাকালে সম্বন্ধে পণ্ডিতগণের মধ্যে যথেষ্ট মতভেদ আছে। তবে সে সময়েই রচিত হোক না কেন, এগুলির মধ্যে নিবদ্ধ কাহিনীসমূহ যে, এগুলির রচনাকালের বহুপূর্বেই প্রচলিত ছিল, সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। (এখানে স্মরণীয় যে, মহাভারতের শান্তিপর্বে ‘অত্রাপ্যুদাহরান্তামমিতিহাসং পুরাতনং বাক্যটি আছে)। আমরা অসুর-রাজা বলির কথা আগেই বলেছি। তাঁর ক্ষেত্রজ সন্তানসমূহ থেকেই উদ্ভূত হয়েছিল অঙ্গ, বঙ্গ, কলিঙ্গ, পৌন্ড্র, সুহ্ম জাতিসমূহ। মহাভারত থেকেই আমরা আরও জানতে পারি বাঙলার তিনজন রাজার কথা। তাঁরা হচ্ছেন পুণ্ডের রাজা বাসুদেব। (ইনি কিরাতদেশেরও রাজা ছিলেন), বঙ্গের রাজা সমুদ্রসেন ও সুহ্মের এক অনামী রাজা।

    আলেকজাণ্ডার (৩২৫-৩২৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) গঙ্গারিডি রাজ্যের কথা শুনেছিলেন। তার মানে আলেকজাণ্ডারের সময় পর্যন্ত বাঙলা স্বাধীন ছিল। এর অনতিকাল পরেই বাঙলা তার স্বাধীনতা হারায়। কেননা, মহাস্থানগড়ের এক শিলালিপি থেকে আমরা জানতে পারি যে, উত্তরবাঙলা মৌর্যসাম্রাজ্যে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল, কারণ মৌর্যসম্রাট চন্দ্ৰগুপ্ত পুন্ড্রবর্ধন নগরে এক কর্মচারীকে অধিষ্ঠিত করেছিলেন। মনে হয়, এই সময় থেকেই আর্যসংস্কৃতির অনুপ্রবেশ বাঙলাদেশে ঘটেছিল। ‘মনুসংহিতা’ রচনকালে (২০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে ২০০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে) বাঙলাদেশ আর্যাবর্তের অন্তর্ভুক্ত বলে পরিগণিত হত। কুশাণসম্রাটগণের মুদ্রাও বাঙলার অনেক জায়গায় পাওয়া গিয়েছে। খ্রিস্টীয় চতুর্থ শতকে বাঙলাদেশ গুপ্তসাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়।

    শুশুনিয়া পাহাড়ের অভিলেখ থেকে আমরা জানি যে এ সময় পুষ্করণায় (বাঁকুড়া জেলায়) চন্দ্রবর্মা (আনুমানিক ৩৪০-৩৫৯ খ্রিস্টাব্দে) নামে একজন রাজা রাজত্ব করতেন। পরে সমুদ্রগুপ্ত কর্তৃক এই অঞ্চল সাম্রাজভুক্ত হয়। খ্রিস্টীয় ষষ্ঠ শতাব্দীর গোড়ার দিক পর্যন্ত বাঙলা গুপ্তরাজগণের অধীন ছিল।

    ষষ্ঠ শতাব্দীর প্রথমার্থে বাঙলাদেশ আবার স্বাধীনতা লাভ করে। কোটালিপাড়ার পাঁচখানা ও বর্ধমানের মল্লসারুলে প্রাপ্ত একখানা তাম্রশাসন থেকে জানা যায় যে এই সময় গোপচন্দ্র, ধর্মাদিত্য ও সমাচারদের নামে তিনজন স্বাধীন রাজা ‘মহারাজাধিরাজ’ উপাধি গ্রহণ করেন। গোপচন্দ্র ওড়িশারও এক অংশ অধিকার করেন। তাঁরা শক্তিশালী রাজা ছিলেন। দক্ষিণ পূর্ব ও পশ্চিমবঙ্গ তাঁদের অধীন ছিল। এর অনতিকাল পরে বাঙলাদেশের রাজা শশাঙ্ক (৬০৬-৬৩৭ খ্রিস্টাব্দ) পশ্চিমে কান্যকুব্জ ও দক্ষিণে গঞ্জাম পর্যন্ত বিস্তৃত সাম্রাজ্যের অধীশ্বর হন। তিনি কামরূপ রাজাকে পরাজিত করেছিলেন ও উত্তরপ্রদেশের মৌখরিদের দমন করেছিলেন। কর্ণসুবর্ণ (মুর্শিদাবাদ) তাঁর রাজধানী ছিল। উয়াং চুয়াং পরিদৃষ্ট রক্তমৃত্তিকা বিহার এখানেই অবস্থিত ছিল।

    ‘মঞ্জুশ্রীমূলকল্প’ থেকে আমরা জানতে পারি যে, শশাঙ্কের মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র মানব মাত্র আটমাস পাঁচদিন সিংহাসনে আরূঢ় ছিলেন। ৬৩৮ খ্রিস্টাব্দে উয়াং চুয়াঙ এদেশে আসেন। তখন তিনি বাঙলা পাঁচটি রাজ্যে বিভক্ত দেখেছিলেন, যথা কজঙ্গল পুণ্ড্রবর্ধনভুক্তি, কর্ণসুবর্ণ, তাম্রলিপ্তি ও সমতট। এ থেকে মনে হয় যে শশাঙ্কের মৃত্যুর পর বাঙলা খণ্ডবিখণ্ডিত হয়ে গিয়েছিল এবং নানা স্বাধীন নৃপতির অভ্যুত্থান ঘটেছিল। মনে হয় এই সময় গৌড়ে জয়নাগ নামে একজন নৃপতি এবং সমতটে রাজভট (খড়্গাবংশীয়?) নামে আর একজন নৃপতি রাজত্ব করতেন। তবে শ্রীধারণরাতের কইলাণ তাম্রশাসন থেকে আমরা জানতে পারি যে ৬৪০ থেকে ৬৭০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে সমতটে জীবধারণ ও তাঁর পুত্র শ্রীধারণ নামে রাতবংশীয় দুজন রাজা রাজত্ব করতেন। ঢাকা অঞ্চলের খড়্গঙ্গবংশীয় রাজারা রাতবংশ উচ্ছেদ করে সমতটে রাজ্যবিস্তার করেন। পাঁচখানা তাম্রশাসন এবং একটি মূর্তিলেখ থেকে খড়্গাবংশের পাঁচজন রাজার নাম আমাদের জানা আছে, যথা খড়্গেঙ্গাদ্যম (৬২৫-৪০) জাতখড়া (৬৪০-৫৮), দেবখড়া (৬৫৮-৭৩), রাজভট্ট, (৬৭৩-৯০) ও বলভট্ট (৬৯০-৭০৫)। তবে তারিখগুলো সবই আনুমানিক।

    তারপর বাঙলা বৈদেশিক আক্রমণ দ্বারা বিধ্বস্ত হয়। রঘোলি অভিলেখ থেকে আমরা জানতে পারি যে শৈলবংশীয় রাজা দ্বিতীয় জয়বর্ধনের পিতামহের জ্যেষ্ঠতাত বাঙলা আক্রমণ করে পুন্ড্রবর্ধনের রাজাকে পরাজিত ও নিহত করেন। ৭৩০ খ্রিস্টাব্দ নাগাদ কান্যকুব্জরাজ যশোবর্মণ বাঙলাদেশে অধিকার করেন। তারপর কাশ্মীররাজ ললিতাদিত্য, কামরূপরাজ, হর্ষদেব প্রমুখদের দ্বারা বাঙলা বিধ্বস্ত হয়। এই সকল যুদ্ধবিগ্রহের সময় বাঙলায় ঘোর বিশৃঙ্খলা প্রকাশ পায় ও মাৎস্যন্যায়ের উদ্ভব হয়।

    দুই

    অরাজকতা ও মাৎস্যন্যায়ের হাত থেকে বাঙলাদেশকে রক্ষা করেন পালবংশের প্রতিষ্ঠাতা গোপাল। অষ্টম শতাব্দীর মধ্যভাগ গোপালের সময় থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর তৃতীয় পাদে মদনপালের সময় পর্যন্ত পালবংশই বাঙলার সিংহাসন অধিষ্ঠিত ছিল। একই রাজবংশের ক্রমান্বয়ে চারশ বছর রাজত্ব করা ভারতের ইতিহাসে এক অসাধারণ ঘটনা।

    পালরাজবংশের বংশতালিকা এইরূপ—প্রকৃতিপুঞ্জ কর্তৃক নির্বাচিত গোপাল (৭৫০-৭৭০)। ধর্ম পাল (৭৭০-৮০৭)। দেবপাল (৮০৭- ৮৪২)। মহেন্দ্রপাল (৮৪২-৮৫০)। প্রথম শূরপাল (৮৫১-৮৬২)। প্রথম বিগ্রহপাল (৮৬২-৮৬৩)। নারায়ণ

    নারায়ণ পাল (৮৬৩-৯১৭)। রাজ্যপাল (৯১৭-৯৫২)। দ্বিতীয় গোপাল (৯৫২-৯৭২)। দ্বিতীয় বিগ্রহপাল (৯৭২-৯৭৭)।

    দ্বিতীয় পাল সাম্রাজ্য : প্রথম মহীপাল (৯৭৭-১০২৭)। নয়পাল (১০২৭-৪৩)। তৃতীয় বিগ্রহপল (১০৪৩-৭০)। দ্বিতীয় মহীপাল (১০৭০- ৭১), কৈবর্তরাজ দিব্যোক ও রুদ্রক কর্তৃক অধিকারচ্যুত। দ্বিতীয় শূরপাল (১০৭১-১০৭২)।

    তৃতীয় পালসাম্রাজ্য : রামপাল (১০৭২-১১২৬)। কুমারপাল (১১২৬- ২৮)। তৃতীয় গোপাল (১১২৮-৪৩) মদনপাল (১১৪৩-১১৬১)। সেনবংশীয় বিজয়সেন কর্তৃক বাঙলা অধিকৃত। গোবিন্দপাল (১১৬১-৬৫)। পলপাল (১১৬৫-১২০০)।

    বরেন্দ্রভূমের কোন একস্থানে সিংহাসনের আরোহণ করে পালবংশের প্রতিষ্ঠাতা গোপাল অচিরে দেশমধ্যে শান্তি ও শৃঙ্খলা স্থাপন করতে সমর্থ হয়েছিলেন। তিনি মগধ পর্যন্ত নিজ রাজ্য বিস্তার করেছিলেন। তাঁর পুত্র ধর্মপাল নিজ রাজ্য বিস্তার করেছিলেন দক্ষিণে সমুদ্র পর্যন্ত। ধর্মপালের পুত্র দেবপাল দিগবিজয়ে বেরিয়ে গান্ধার পর্যন্ত সমস্ত উত্তর ভারত জয় করেছিলেন। বস্তুত পালরাজগণের রাজত্বকালই বাঙলার ইতিহাসের গৌরবময় যুগ। সামরিক অভিযানে পালরাজগণকে বিশেষভাবে সাহায্য করতেন তাঁদের বিজ্ঞ মন্ত্রীরা তাঁদের কৌশলী মন্ত্রণা দিয়ে।

    পালরাজগণ নিজেরা বৌদ্ধ হলেও, ব্রাহ্মণ্যধর্মের পোষকতা করতেন। দৃষ্টান্ত স্বরূপ উল্লেখ করা যেতে পারে যে, প্রথম শূরপাল (৮৫১-৬২) তাঁর মাতা শিবভক্তা মাহটাদেবীর অনুরোধে বারাণসীর সন্নিকটে চারখানা গ্রামে শিবমন্দির প্রতিষ্ঠা এবং ওই কার্যের ভারপ্রাপ্ত পাশুপত আচার্যপর্ষদের সকল প্রকার ব্যয় নির্বাহার্থ দান করেছিলেন।

    আমরা পালযুগের রাজমহিষীদের কথা কিছু বলি। গোপালের মহিষী ছিলেন দেদ্দদেবী। ধর্মপালের মহিষী ছিলেন রাষ্ট্রকুটরাজ পরবলের কন্যা রন্নাদেবী ও দেবপালের মহিষী দুর্লভরাজতনয়া মাহটাদেবী। বিগ্রহপালের মহিষী ছিলেন হৈহয় বা কলচুরি বংশীয় রাজকন্যা লজ্জাদেবী। রাজ্যপালের মহিষী ছিলেন রাষ্ট্রকূটরাজ তুঙ্গের মেয়ে ভাগ্যদেবী। তৃতীয় বিগ্রহপালের দুই মহিষী ছিলেন— একজন কলচুরিরাজ কর্ণের মেয়ে যৌবনশ্রী ও অপরজন রাষ্ট্রকূটবংশীয়া এক রাজকন্যা। রামপালের মহিষী ছিলেন মদনদেবী এ থেকে প্রকাশ পায় যে পালরাজগণ অবাঙালী মেয়েদের বিবাহ করতেন। একটা প্রশ্ন যা স্বাভাবিকভাবে এখানে মনে জাগে, তা হচ্ছে এইসব অবাঙালী মেয়েরা বাঙলাদেশে এসে কিভাবে বাংলাভাষা শিখে তাঁদের স্বামীদের সঙ্গে ঘর করতেন। মনে হয় এসব রাজকন্যার বিদুষী হতেন এবং সংস্কৃত ভাষা ভালোরূপেই জানতেন। সংস্কৃত ভাষার মাধ্যমেই তাঁরা বাংলাভাষা লিখা নিতেন। অবশ্য, বাংলাভাষা তখন বিবর্তিত হয়ে সংস্কৃত ভাষা ভিত্তিকই ছিল। এখনকার মতো তখন বাংলাভাষায় আরবী, ফারসী, পর্তুগীজ, ইংরেজ প্রভৃতি ভাষায় শব্দের অনুপ্রবেশ ঘটেনি। তবে বাংলাভাষায় তখন বহু দেশজ শব্দ ছিল। বিশেষ করে মাগধী প্রাকৃত। রাজারাজড়ারা যখন অবাঙালী মেয়ে বিয়ে করতেন, সাধারণ লোক যে বিয়ে করত না, একথা নিশ্চিতরূপে বলা কঠিন। বাঙলার সামাজিক ইতিহাসের এদিকটা আমরা কোনদিন ভেবে দেখিনি।

    উত্তরভারতে সাম্রাজ্যিক অভিযান চালাবার জন্য পালরাজগণ কান্যকুব্জ ও ভীলমলের গুর্জর-প্রতিহার বংশীয় রাজগণের চিরশত্রু হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তারা পালদের বিরুদ্ধে নিরন্তর যুদ্ধ চালিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু মান্যখেতের রাষ্ট্রকূট-বংশীয় রাজারা পালদের সহায় ছিল বলে, গুর্জর-প্রতিহাররা পালদের বিশেষ ক্ষতি করতে পারেনি। কিন্তু কোন কারণে রাষ্ট্রকূটগণের সহিত পালদের বিবাদ ঘটায় পালরা যখন সহায়হীন হয়ে পড়ে, তখন গুজর প্রতিহার রাজা প্রথম ভোজ মগধ পর্যন্ত অধিকার করে নিয়ে পালসাম্রাজ্যকে খর্ব করে। এই সময় রাষ্ট্রকূটরাও পালসাম্রাজ্য আক্রমণ করে। চন্দেল ও কম্বোজরাও পালদের পরাজিত করে। পালরাজ দ্বিতীয় বিগ্রহপাল পরাজিত হয়ে দক্ষিণ বাঙলার কোন অঞ্চলে গিয়ে আশ্রয় নেন। কিন্তু পালদের রাজশক্তি বহুদিন এভাবে অস্তমিত থাকেনি। দ্বিতীয় বিগ্রহপালের পুত্র মহীপাল শীঘ্রই পিতৃরাজ্য উদ্ধার করে দ্বিতীয় পালসাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠা করেন। কিন্তু বহু যুদ্ধবিগ্রহ করে পালরা ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়েছিল। এই দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে পূর্ব বাঙলার বর্মণরা একটি স্বাধীন রাজ্য স্থাপন করে। এদিকে উত্তর বাঙলায় কৈবর্তরা বিদ্রোহ ঘোষণা করে ও তাদের অধিপতি দিব্যোকের নেতৃত্বে গৌড় অধিকার করে নেয়। দিব্যোক্যের পর তার ভাই রূদ্রক গৌড়াধিপতি হয়। রুদ্রকের পুত্র ভীমের নিকট হতে পালরাজ রামপাল তাঁর পিতৃরাজ্য উদ্ধার করে তৃতীয় পালসাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। কিন্তু নানাদিকে যুদ্ধ লিপ্ত হয়ে পালরা দুর্বল হতে থাকে। দ্বাদশ শতাব্দীর তৃতীয় পাদে। পালরাজ মদনপালে রাজত্বকালে সেনবংশের প্রতিষ্ঠাতা বিজয়সেন পালদের কাছ থেকে বাঙলা অধিকার করে নেয়। ‘শেখ সুভোদয়া’ গ্রন্থে বিজয়সেনের রাজ্যপ্রাপ্তির কথা লিখিত আছে।

    তিন

    পালবংশের পতনের পর বাঙলায় সেনবংশ রাজত্ব করে। সেনবংশের বংশতালিকা হচ্ছে—বিজয়সেন (১০৯৪-১১৬০) বল্লালসেন (১১৫৯-১১৭৯); লক্ষ্মণসেন (১১৭৯-১২০৩)। সেনরাজগণ প্রতাপশালী রাজা ছিলেন। তাঁরা ব্রাহ্মণ্যধর্মের পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। দ্বিতীয় রাজা বল্লালসেন কৌলীন্যপ্রথা প্রবর্তনের কিংবদন্তীর সহিত সংশ্লিষ্ট। ১৯৮২-৮৩ সালে ভারতের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ নদীয়া জেলার ১২ কিলোমিটার পশ্চিমে বল্লালঢিবি (পূর্বনাম বামনপুকুর দুর্গ) উৎখনন করে এক বিশাল (বাঙলার বৃহত্তম) মন্দির Complex আবিষ্কার করেছে। অনুমান করা হয়েছে যে, এখানে পাল যুগের এক বৌদ্ধ বিহার বা স্তূপের ওপর রাজা বল্লালসেন এক প্রাসাদ ও ওই মন্দির Complex তৈরি করেছিলেন। সেনবংশের তৃতীয় রাজা লক্ষ্মণসেনের আমলেই গৌড় মুসলমানদের হাতে চলে যায়। ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে বখতিয়ার খিলজি অকস্মাৎ নদীয়া আক্রমণ করে গৌড় দখল করে নেয় এবং গৌড় মুসলমান রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে। তবে অধিকারচুত্য হয়েও সেনরাজারা কিছুকাল মধ্য এবং পূর্ববঙ্গে স্বাধিকার রাখতে পেরেছিলেন। এছাড়া, পশ্চিম ও দক্ষিণ বঙ্গের অনেক স্থানে আঞ্চলিক শাসকরা সেনবংশের নামে অথবা স্বাধীনভাবে বেশ কিছুদিন হিন্দুশাসন অব্যাহত রেখেছিলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাঙালির নৃতাত্ত্বিক পরিচয় – অতুল সুর
    Next Article প্রমীলা প্রসঙ্গ – অতুল সুর

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }