Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বাঙলা ও বাঙালীর বিবর্তন – অতুল সুর

    লেখক এক পাতা গল্প428 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বাঙলা ভূতাত্ত্বিক চঞ্চলতা ও নদনদী

    প্রায় ৪৫০ কোটি বৎসর পূর্বে ভারত ছিল উত্তপ্ত মৌলিক ভূতাত্ত্বিক স্তরে আবৃত। এই স্তর ক্রমশ শীতল হয়ে যে শিলায় রূপান্তরিত হয়েছিল, তাকে বলা হয় ‘আর্কিয়ান’ শিলাবিন্যাস। এই স্তরেরই বিবর্তনের কোনও এক যুগে ভারতের মধ্য-অঞ্চলকে আলোড়িত করে বিন্ধ্যপর্বত মাথা তুলে দাঁড়িয়েছিল। দাক্ষিণাত্যের মালভূমি অঞ্চলই ভারতের প্রাচীনতম অংশ। এর পরে সৃষ্ট হয়েছিল হিমালয়ের পর্বতমালা। হিমালয় ও বিন্ধ্য——এই দুই পর্বতের অন্তর্বর্তী অঞ্চলে আবির্ভূত উপত্যকা দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল গঙ্গানদী।

    সরাসরি পূর্বদিকে প্রবাহিত হয়ে গঙ্গা বাঙলার উত্তর-পশ্চিমাংশে অবস্থিত রাজমহল-শৈলে প্রতিহত হয়ে দক্ষিণপথে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে প্রবেশ করেছে। কিন্তু এসব কথা যত সহজভাবে বলা হচ্ছে, তা তত সহজে ঘটেনি। কোটি কোটি বৎসর ধরে চলেছিল ভূতাত্ত্বিক আলোড়ন ও রূপান্তর। লক্ষ লক্ষ বৎসর ধরে বাঙলাদেশ প্লাবিত হয়েছিল সমুদ্রের জলরাশিদ্বারা। আবার জলরাশি যখন অপসৃত হয়েছিল তখন রেখে গিয়েছিল স্তরে স্তরে পলিমাটি। সমুদ্রের জলের এই বিস্তারের পরিসমাপ্তি ঘটে ভূতত্ত্ববিদ্‌গণ যাকে বলেন প্লাওসিন যুগ (প্রায় দশ থেকে পঁচিশ লক্ষ বৎসর পূর্বে)। কিন্তু এই পরিসমাপ্তির পূর্বেই গঠিত হয়েছিল রাজমহল থেকে শুরু করে গারো ও নাগা-পর্বতমালা পর্যন্ত বিস্তৃত শিলাস্তর-বিন্যাস। এগুলি হিমালয়েরই কতকগুলি শিলাশাখা দক্ষিণাভিমুখী হয়ে প্রসৃত হয়েছে। উত্তরের হিমালয়ের অন্তর্ভুক্ত দার্জিলিং-এর শৈলশৃঙ্গ ও পশ্চিমে বিন্ধ্য পর্বতের শাখা হিসাবে সাঁওতাল পরগনার পর্বতমালা বাঙলাকে বেষ্টন করে রেখেছে। এ ছাড়া, বাঙলার অভ্যন্তরে আর বিশেষ কোন পাহাড় পর্বত নেই। যা আছে তা হচ্ছে বাঁকুড়া জেলার শুশুনিয়া, মশক ও বিহারীনাথ এবং পুরুলিয়া জেলায় অযোধ্যা ও বাগমুণ্ডি পাহাড়।

    বাঙলার এই ভূতাত্ত্বিক গঠন সম্বন্ধে আমি আমার ‘হিস্ট্রী অ্যাণ্ড কালার অভ্ বেঙ্গল’ (১৯৬৩) বইয়ে কিছু বিশদ বিবরণ দিয়েছি। তা এখানে উদ্ধৃত করছি:

    Bengal, as we know it today, is the product of a long process of geological formation. Widespread marine transgressions followed by regressions with consequent uplifts featured its geologic history down to Pleistoncene time it is believed that the latest of such regressions and uplifts are responsible for the development of the tertiary folded belt of Tripura, the propnounced uplift of the Shillong massif, and the less conspicuous uplift if the Garo-Rajmahal basement ridge. In spite of a long history of transgressions and uplifts, the beds constituting the western half of the Bengal delta have very low dips and the predominant structural deformation affecting the sediments are faults that were presumably developed at a number of different stages in the geologic history of the basin. The large alluvial basin is floored with Quaternary sediments deposited by the Ganges and Brahmaputra rivers and their numberous associated streams and distributaries. The Rajmahal Hills, which border the basin on the North-West and west are composed of traps and are considered to be lower Jurassic of the Upper Gondwana system. The hills and trap plateaus range from 500 to 800 feet above sea level, although some individual hills exceed 1500 feet in elevation. Physiographically the hill section is sharply differentiated from the lower, flat Quaternary alluvial and deltaic surfaces to the east. The Bengal basin is bounded on the north-east by the Shillong or Assam Plateau, locally known from west to east, as the Garo, Khasi, and Jaintia hills. The elevations of plateau summits range between 4500 and 6000 feet. The basement rocks are overlain by horizontal sandstone and nummulatic limestone. On the eastern side the Bengal basin is bounded by the Tipperah hills to the north and the

    Chittagong hills to the south. (Dr. A.K. Sur,” History & Culture of Bengal”, 1963, page 17).

    দুই

    যুগযুগ ধরে বাঙলার চেহারার পরিবর্তন ঘটিয়েছে বাঙলার নদনদীসমূহ। একদিকে যেমন নদীর ক্ষয়কার্যের ফলে তীরবর্তী অংশসমূহ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গিয়েছে, অপরদিকে তেমনই নদীগর্ভে অধিক পলিমাটি অবক্ষেপণের ফলে নদীর তীরবর্তী অঞ্চলসমূহ নদী থেকে অনেক দূরে সরে গিয়েছে। কোনও কোনও স্থলে আবার নদীর গতির পরিবর্তন ঘটার ফলে ছোট-বড় নদীতে বিভক্ত হয়ে অঞ্চল বিশেষে জটাজালের সৃষ্টি করেছে। আবার কোনও কোনও স্থলে নদীর গতির পরিবর্তনের ফলে ঐশ্বর্যশালী গ্রামসমূহ তাদের প্রাচীন সমৃদ্ধি হারিয়ে ফেলেছে।

    বাঙলার ভূসংস্থানগত চঞ্চলতা যে এখনও শেষ হয়নি, তা বাঙলার নদীসমূহের স্রোতোধারা থেকে বুঝতে পারা যায়। ষোড়শ শতাব্দীর আগে পর্যন্ত গঙ্গানদীর স্রোত রাজমহলের পাহাড় অতিক্রম করবার পর বর্তমান মালদহের অনতিদূরে প্রাচীনকালে অবস্থিত প্রসিদ্ধ গৌড়নগরের উত্তর দিয়ে এসে পরে দক্ষিণমুখে প্রবাহিত হত। এখন গঙ্গা ২৫ মাইল দক্ষিণে সরে এসে সূতীর কাছে দুভাগে বিভক্ত হয়েছে, ভাগীরথী ও পদ্মা নদীদ্বয়ে। আগে ভাগীরথীই প্রধান স্রোতোধারা ছিল। অপেক্ষাকৃত পরবর্তীকালে পদ্মাই প্রধান স্রোতস্বতীতে পরিণত হয়েছে। এছাড়া গঙ্গা আগে ত্রিবেণীর কাছে ভাগীরথী সরস্বতী ও যমুনা—এই ত্রিধারায় বিভক্ত হয়ে সাগরে প্রবেশ করত। এককালে এদের মধ্যে সরস্বতীই ছিল বড় নাব্য নদী এবং রূপনারায়ণ, দামোদর প্রভৃতির সঙ্গে মিলিত হয়ে বিশাল নদীতে পরিণত হয়েছিল। এই নদী ক্ষীণ হওয়ার ফলে এর তীরস্থিত প্রাচীনকালের প্রসিদ্ধ বন্দর তাম্রলিপ্ত ও পরবর্তীকালের সপ্তগ্রাম বিনষ্ট হয় এবং ভাগীরথীর কলেবর বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রথমে হুগলী ও পরে কলকাতা বন্দর হিসাবে প্রাধান্যলাভ করে। গত কয়েক শতাব্দীর মধ্যে ভাগীরথীরও স্রোতোপথের পরিবর্তন ঘটেছে। পূর্বে ভাগীরথী কলকাতা অতিক্রম করবার পর পশ্চিমে শিবপুর অভিমুখে না গিয়ে সোজা দক্ষিণে কালীঘাট, বারুইপুর, মগরা প্রভৃতির ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হত। বর্তমানে আদিগঙ্গার শুষ্ক খাতই ভাগীরথীর পূর্বখাতের চিহ্ন বহন করছে।

    পূর্বদিকে ব্রহ্মণপুত্রনদেরও অনেক পরিবর্তন ঘটেছে এবং নাঙ্গলবন্দের শুষ্কপ্রায় খাত এখন তার চিহ্নস্বরূপ বিদ্যমান রয়েছে। বর্তমানকালের মেঘনানদী অপেক্ষা- কৃত পরবর্তীকালের সৃষ্টি। স্থলভাগে দক্ষিণবঙ্গেরও অনেক পরিবর্তন ঘটেছে। ফরিদপুর জেলার অন্তর্গত কোটালিপাড়ার বিল-অঞ্চলে খ্রিস্টীয় ষষ্ঠ শতাব্দীতে একটি প্রসিদ্ধ বন্দর ছিল। গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও পদ্মনদী উচ্চতর প্রদেশ থেকে মাটি বহন করে এনে দক্ষিণ ও পূর্ববঙ্গের যে বিস্তৃতি সাধন করেছে তাতে কোন সন্দেহ নেই। মোগলযুগও সুন্দরবন সুসমৃদ্ধ জনপদ ছিল। কিন্তু প্রাকৃতিক কারণেও মগ দস্যুদের উৎপীড়নের সুন্দরবন তার সমৃদ্ধি হারায়।

    দামোদর পালামৌ জেলার টোরির নিকট উচ্চগিরিশৃঙ্গ থেকে উদ্ভূত হয়ে সর্পিলগতিতে বিহার ও পশ্চিমবঙ্গের ভিতর দিয়ে কলকাতার ৩০ মাইল দক্ষিণে হুগলী নদীতে গিয়ে পড়েছে।

    বাঙলা নদীবহুল দেশ। অসংখ্য তাদের নাম। তাদের মধ্যে একটি অজয়। সাঁওতাল-পরগনার দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে উদ্ভূত হয়ে বীরভূম ও বধর্মান জেলার সীমান্ত কিছুদূর পর্যন্ত নির্দেশ করে দিয়ে অজয় কাটোয়ার নিকট ভাগীরথীতে প্রবেশ করেছে। বর্ষার জলে পুষ্ট এই নদীটি ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধেও নাব্য ছিল। এর উত্তরে ছিল উত্তর-রাঢ় বা কঙ্কগ্রামভুক্তি, দক্ষিণে দক্ষিণ-রাঢ় বা বর্ধমানভুক্তি। কংসাবতী ও রূপনারায়ণ অঞ্চলে ছিল সুহ্মদেশ ও তার দক্ষিণে ছিল দণ্ডভুক্তি। ওদিকে ব্রহ্মপুত্র ও পদ্মার অন্তবর্তী ভূভাগে ছিল পুণ্ড্রবর্ধনভুক্তি। এর রাজধানী ছিল পুন্ড্রনগর বা বাণগড়। এর দক্ষিণে ছিল বঙ্গদেশ এবং তার দক্ষিণে ছিল হরিকেল ও বঙ্গালদেশ।

    তিন

    গঙ্গাই বাঙলার প্রধান নদী। হিমালয়ের গাড়বাল পার্বত্য অঞ্চলে গঙ্গোত্রী থেকে উৎপন্ন হয়ে সারা উত্তরভারতের ওপর দিয়ে এসে গঙ্গা রাজমহল পাহাড়ের উত্তর-পশ্চিমে তেলিয়াগড় ও সকরিগলির সংকীর্ণ খাত অতিক্রম করে গিরিয়ার নিকট বাঙলাদেশে প্রবেশ করেছে। এখান থেকে গঙ্গার একটা ধারা দক্ষিণদিকে ও অপর ধারা দক্ষিণ-পূর্বদিকে প্রবাহিত হয়েছে। দক্ষিণ ধারাটি মালদহের গৌড়শহরের ধ্বংসাবশেষের ধার দিয়ে প্রবাহিত। এখানে হিমালয় থেকে আগত মহানন্দা এসে গঙ্গার সঙ্গে মিলিত হয়েছে। একসময় গঙ্গানদী গৌড়নগরের আরও উত্তর-পূর্বদিক দিয়ে প্রবাহিত হত এবং গৌড়নগর বোধ হয় এর দক্ষিণ তীরে অবস্থিত ছিল।

    গঙ্গার এই ধারাটি আরও দক্ষিণে বহরমপুর, নবদ্বীপ, কালনা, চুঁচুড়া চন্দননগর, কলকাতা প্রভৃতি শহরের পাশ দিয়ে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পড়েছে। এই অংশ ভাগীরথী নামে পরিচিত। কেননা ভগীরথের শাপগ্রস্ত মৃত পূর্ব-পুরুষদের আত্মার উদ্ধারকল্পে গঙ্গার মর্তে আগমন বৃত্তান্তের সঙ্গে এ অংশ জড়িত। চুঁচুড়ার অদূরে ত্রিবেণীতে ভাগীরথীর শাখানদী সরস্বতী ও যমুনার সঙ্গমস্থল। ত্রিবেণীর মাহাত্ম প্লিনির যুগেও (খ্রিস্টীয় প্রথম শতাব্দী) খ্যাত ছিল। কলকাতার দক্ষিণে ভাগীরথীর প্রাচীন প্রবাহপথ আদিগঙ্গা নামে পরিচিত। এরই তটে কালীঘাটের মন্দির। এই পথেই আসত গ্রীক ও রোমান জগতের বণিকেরা বাঙলার সঙ্গে বাণিজ্য করতে। মধ্যযুগে বিপ্রদাসের মনসামঙ্গল’-এ (১৪৯৫) এ নদীপথে বাণিজ্যতরীর যাতায়াতের উল্লেখ পাওয়া যায়। পর্তুগীজরাও এই জলপথ ব্যবহার করত। চৈতন্যদেবও (১৪৮৫-১৫৩৩) এই নদীপথের ওপর অবস্থিত ছত্ৰভোগ দর্শন করে তমলুক হয়ে, সেখান থেকে পুরী গিয়েছিলেন। এই প্রাচীন প্রবাহপথ ১৭৮৫ খ্রিস্টাব্দের পূর্বে লুপ্ত হয়েছিল, কেননা ওই বৎসর কর্নেল টলি খিদিরপুর থেকে গড়িয়া পর্যন্ত এই কয়েক মাইল আংশিক পুনরুদ্ধার করেছিলেন। ওলন্দাজ ফান ডেন ব্রুকের (১৬৬০) মানচিত্রে সাগরদ্বীপের উত্তর-পূর্বে বর্তমান কাকদ্বীপ পর্যন্ত চিহ্নিত দেখা যায়। কিন্তু একশত বৎসর পরে রেনেলের মানচিত্রে এই স্রোতোধারা আর অঙ্কিত দেখা যায় না। জয়নগর থানার দক্ষিণ পর্যন্ত নানা পুরানো মন্দির, ঘাট, পুষ্করিণী এই লুপ্ত নদী-পথের স্বাক্ষর বহন করছে।

    গঙ্গার দক্ষিণ-পূর্ব ধারা পদ্মা নামে পরিচিত। গোয়ালন্দের কাছে পদ্মা ব্রহ্মপুত্রের প্রধান শাখা যমুনার সঙ্গে মিলিত হয়ে বরিশাল ও নোয়াখালি জেলার ভিতর দিয়ে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পড়েছে। কৃত্তিবাস ও রেনেল একেই গঙ্গা বলেছেন। অনেকে মনে করেন যে, খ্রিস্টীয় ষোড়শ শতাব্দী থেকেই পদ্মার সূত্রপাত। আবুল ফজল বলে গেছেন যে, কাজিহাটার কাছে গঙ্গা দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে পদ্মবতী নামে পূর্বদিকে প্রবাহিত হয়েছে। পদ্মা ও ব্রহ্মপুত্রের মিলিত প্রবাহ পূর্বাপেক্ষা আরও দক্ষিণ-পূর্বে সরে গিয়ে চাঁদপুরের কাছে মেঘনার সঙ্গে মিলিত হয়েছে।

    গত চার শতকে পদ্মার গতির বহু পরিবর্তন ঘটেছে। বোধ হয় পদ্মা পূর্বে রামপুর-বোয়ালিয়ার গা ঘেঁষে চলনবিলের ভিতর দিয়ে ধলেশ্বরী ও বুড়িগঙ্গাকে অবলম্বন করে ঢাকা শহরের পাশ দিয়ে মেঘনায় দিয়ে মোহনায় পড়ত। অষ্টাদশ শতাব্দীতে পদ্মার নিম্নস্রোত আরও দক্ষিণে ছিল এবং ফরিদপুর ও বাখরগঞ্জের ভিতর দিয়ে চাঁদপুরের পঁচিশ মাইল দক্ষিণে শাহবাজপুরের দ্বীপের উত্তরদিকে মেঘনার মোহনায় প্রবেশ করত। কালীগঙ্গা মেঘনাকে পদ্মার সাথে সংযুক্ত করত। উনবিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে পদ্মার প্রধান স্রোত কীর্তিনাশার ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হত। পরে পদ্মা তার বর্তমান গতিপথ অবলম্বন করে।

    গঙ্গার দক্ষিণধারার নিম্নপ্রবাহে গঙ্গাসাগর অবস্থিত। এখানে এক দ্বীপের ওপর কপিলমুনির আশ্রম। এই দ্বীপের নাম সাগরদ্বীপ। অনেকের মতে সাগরদ্বীপে প্রতাপাদিত্যের (১৫৬৪-১৬১২) রাজধানী ছিল। এককালে এই অঞ্চল যে সমৃদ্ধিশালী ছিল, তার প্রমাণ উত্তরের জঙ্গলের মধ্যে অবস্থিত ধ্বংসপ্রাপ্ত ইটের বাড়ি ও মন্দিরগুলি থেকে পাওয়া যায়। ১৬৮৮ খ্রিস্টাব্দে এক ভীষণ জলপ্লাবনে এই দ্বীপ জনহীন ও শ্রীভ্রষ্ট হয়ে পড়ে।

    পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য নদীসমূহ, যথা— ব্রাহ্মণী, ময়ূরাক্ষী, অজয়, দামোদর দ্বারকেশ্বর রূপনারায়ণ, সুবর্ণরেখা, ও কাঁসাই প্ৰভৃতি ছোটনাগপুরের উচ্চভূমি থেকে নির্গত হয়ে ভাগীরথীতে এসে পড়েছে। এ নদীগুলি বৃষ্টির জলের ওপর নির্ভরশীল। খাঁড়ি, বাঁকা ও বেহুলা নদী দামোদরের প্রাচীন খাত বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। কিন্তু আজ এ নদীগুলির সঙ্গে দামোদরের কোন যোগ নেই।

    উত্তরবঙ্গের উল্লেখযোগ্য নদীগুলি হচ্ছে তিস্তা, জলঢাকা, তোরসা, পুনর্ভবা আত্রেয়ী, মহানন্দা প্রভৃতি। বর্ষার জলে এসকল নদীর দু’কূল ছাপিয়ে ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি করে। তিস্তার জল বিশেষ করে জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারকে প্লাবিত করে।

    দক্ষিণে সুন্দরবন অঞ্চলের ভিতর দিয়ে মুড়িগঙ্গা, সপ্তমুখী, ঠাকুরান, মাতলা ইছামতী, পিয়ালী, বিদ্যাধরী, গোসাবা, হাড়িগঙ্গা প্রভৃতি নদী প্রবাহিত। এগুলি বেশ চওড়া এবং অনেকে মনে করেন এগুলি একসময় গঙ্গার মোহানা ছিল। এগুলির জল লোনা। সেজন্য এ জল পানীয় হিসাবে বা সেচের জন্য ব্যবহৃত হয় না।

    সরস্বতী পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলায় অবস্থিত ত্রিবেণীর নিকট ভাগীরথী থেকে নির্গত হয়ে হুগলি ও হাওড়ার ভিতর দিয়ে পুনরায় ভাগীরথীর নিম্নস্রোতে মিলিত হয়েছে। পূর্বে এটাই ছিল ভাগীরথীর প্রধান খাত এবং বাঙালী বণিকেরা এই পথেই বিদেশের সঙ্গে বাণিজ্য করতে যেত। প্রাচীন বন্দর ও শহর সপ্তগ্রাম এরই তীরে অবস্থিত ছিল। এই সপ্তগ্রামই ছিল পূর্বভারতের অন্যতম প্রধান বন্দর ও শহর। একাদশ থেকে ষোড়শ শতাব্দী পর্যন্ত এর গৌরব অব্যাহত ছিল। পঞ্চদশ শতাব্দী পর্যন্ত সরস্বতী সপ্তগ্রামের গা ঘেঁষে প্রবাহিত হত। কিন্তু ষোড়শ শতাব্দীর পর সপ্তগ্রাম সরস্বতী থেকে অনেক দূরে সরে গিয়েছিল। পরে সরস্বতীর খাত শুষ্ক হবার পর সপ্তগ্রামের তথা প্রাচীন বাঙলার গৌরব-রবি অস্তমিত হয়। পরে হুগলি নদী ও কলকাতা শহরের অভ্যুত্থান ঘটে।

    চার

    নদীই বাঙলার ইতিহাসের স্রষ্টা। নদীই বাঙালীর চরিত্রকে গঠন করেছে ও তার সমাজ ও ইতিহাসকে বৈচিত্র্যময় করেছে। নদীই বাঙলার ভাগ্যবিধাতা। নদী বহুল দেশে বসে করে বলে বাঙালী মেয়েরা হাতে শাঁখা পরে ও মাছ খায়। উত্তর-ভারতের লোক মাছ খায় না। নদীই বাঙলাকে শস্যশ্যামল করে তুলেছে। নদীই বাঙালীকে প্রাচীন জগতের শ্রেষ্ঠ নাবিকে পরিণত করেছিল ও বাঙালী বণিককে ‘সাতসমুদ্দুর, তের নদী’ পার হয়ে বিদেশের সঙ্গে বাণিজ্য করতে সক্ষম করেছিল। আবার এই নদীই বাঙলার বুকে ডেকে এনেছিল বিদেশী বণিককে, যে বণিক তার মুখের গ্রাস কেড়ে নিয়ে তাকে নিঃস্ব করেছিল। নদী যেমন একদিকে বাঙলাকে ঐশ্বর্যশালী করেছিল, আবার অপরদিকে তাকে দীনহীন করেও ছেড়ে দিয়েছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাঙালির নৃতাত্ত্বিক পরিচয় – অতুল সুর
    Next Article প্রমীলা প্রসঙ্গ – অতুল সুর

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }