Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বাঙলা ও বাঙালীর বিবর্তন – অতুল সুর

    লেখক এক পাতা গল্প428 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    যুগসন্ধিকালের সমাজ ও সংস্কৃতি

    আগেকার সমাজে যে সকল কুপ্রথা ও অপপ্রথা ছিল, সেগুলো সবই যুগসন্ধিকালের সমাজেও বর্তমান ছিল। যথা, কৌলিন্যপ্রথা, বাল্যবিবাহ, শিশুহত্যা, সাগরমেলায় শিশু বিসর্জন, সতীদাহ, দেবদাসী প্রথা, দাসদাসীর কেনাবেচা ইত্যাদি। সমাজ সংগঠন ও জাতিবিন্যাসও আগেকার মতোই ছিল। কৌলিক বৃত্তি থাকা সত্ত্বেও বৎসরের তিনমাস সকল জাতির লোকই চাষাবাসে নিযুক্ত থাকত।

    শস্যশ্যামলা এই পলিমাটির দেশ বাঙলায় ছিল ঋদ্ধির আকর। এখানেই উৎপন্ন হত, ধান্য, তুলা, রেশম, ইক্ষু, সরিষা প্রভৃতি তৈলবীজ। অষ্টাদশ শতাব্দীতে এসব কৃষিপণ্য বাঙলাদেশের প্রচুর পরিমাণে উৎপন্ন হত। এসব পণ্যই বাঙলার কৃষকের সমৃদ্ধির কারণ ছিল। পরে বাঙালীরা এই কৃষি বনিয়াদের আমূল পরিবর্তন ঘটেছিল, যার পরিণামে আজ আমাদের ইক্ষু ও সরিষার জন্য বিহার ও উত্তর-প্রদেশের মুখাপেক্ষী হতে হয়েছে। তুলার চাষের পরিবর্তে এখন পাটের চাষ হয়, যার ন্যায্য মূল্য বাঙালী কৃষক পায় না; কিন্তু যার মুনাফার সিংহভাগ অবাঙালীর উদর স্ফীত করে।

    কৃষি ব্যতীত অষ্টাদশ শতাব্দীতে গ্রাম বাঙলার সমৃদ্ধির উৎস ছিল, নানারূপ শিল্প। অর্থনীতির দিক দিয়ে গ্রামগুলি ছিল স্বয়ম্ভর। গ্রামের লোকের দৈনন্দিন ব্যবহারের সামগ্রীসমূহ ও পালপার্বণে প্রয়োজনীয় দ্রব্যসমূহ গ্রামের শিল্পীরাই তৈরি করত। তারাই ছিল আমাদের দেশের technologists. অর্থনীতির সঙ্গে সমাজের সম্পর্ক একেবারে অঙ্গাঙ্গিভাবে গাঁটছড়া বাঁধা ছিল। সমাজ গঠিত হত যৌথ-পরিবারভিত্তিক ভিন্ন ভিন্ন জাতিসমূহকে নিয়ে। প্রতি জাতির একটা করে কৌলিক বৃত্তি ছিল। অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ পর্যন্ত এই সকল কৌলিক বৃত্তি অনুসৃত হত। তারপর উনবিংশ শতাব্দীর গোড়া থেকেই বাঙালী তার কৌলিক বৃত্তিসমূহ হারিয়ে ফেলে।

    অষ্টাদশ শতাব্দীর কৌলিক বৃত্তিধারী জাতিসমূহের বিবরণ আমরা সমসাময়িক বাংলা সাহিত্য থেকে পাই। মোটামুটি যে সকল জাতি বাঙলাদেশে বিদ্যমান ছিল, তা সমসাময়িককালে অনুলিখিত এক মঙ্গলকাব্য যেভাবে বর্ণিত হয়েছে তা এখানে উদ্ধৃত করছি—”সদ্‌গোপ কৈবত আর গোয়ালা তাম্বুলি। উগ্রক্ষেত্রী কুম্ভকার একাদশ তিলি ॥ যোগী ও আশ্বিন তাঁতি মালী মালাকার। নাপিত রজক দুলে আর শঙ্খধর ॥ হাড়ি মুচি ডোম কলু চণ্ডাল প্রভৃতি। মাজি ও বাগদী মেটে নাহি ভেদজাতি ॥ স্বর্ণকার সুবর্ণবণিক কর্মকার। সূত্রধর গন্ধবেনে ধীবর পোদ্দার ॥ ক্ষত্রিয় বারুই বৈদ্য পোদ পাকমারা। পড়িল তাম্রের বালা কায়স্থ কেওরা ॥” এছাড়া, সকলের শীর্ষে ছিল ব্ৰাহ্মণ। এ থেকে অষ্টাদশ শতাব্দীর পরিচয় পাওয়া যায়। তবে ভিন্ন ভিন্ন অঞ্চলসমূহে ভিন্ন ভিন্ন জাতির প্রাধান্য ছিল। পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি প্রধান জেলায় কোন কোন জাতির কিরূপ প্রাধান্য ছিল, তা নীচের ছকে দেখানো হচ্ছে-

    স্থান মেদিনীপুর হুগলী বর্ধমান বাঁকুড়া বীরভূম ২৪ পরগনা নদীয়া
    প্ৰথম কৈবর্ত কৈবর্ত বাগদি বাউরি সদ্‌গোপ পোদ কৈবর্ত
    দ্বিতীয় সদ্‌গোপ বাগদি সদ্‌গোপ ব্রাহ্মণ বাগদি কৈবর্ত গোয়ালা
    তৃতীয় ব্রাহ্মণ ব্রাহ্মণ ব্রাহ্মণ তিলি ব্রাহ্মণ ব্রাহ্মণ ব্রাহ্মণ
    চতুর্থ তাঁতী গোয়ালা গোয়ালা গোয়ালা ডোম বাগদি চামার
    পঞ্চম বাগদি সদ্‌গোপ তিলি চামার বাউরি গোয়ালা চণ্ডাল

    লক্ষণীয় যে পশ্চিম বাঙলার এই সমস্ত জেলাসমূহে সংখ্যাধিক্যের দিক দিয়ে কায়স্থদের প্রথম পাঁচের মধ্যে কোন জেলায় প্রাধান্য ছিল না। সমগ্ৰ পশ্চিম বাঙলার মোট জনসংখ্যার পরিপ্রেক্ষিতে তাদের স্থান ছিল ছয়। প্রথম পাঁচ ছিল যথাক্রমে কৈবর্ত, বাগদি, ব্রাহ্মণ, সদ্‌গোপ ও গোয়ালা। আজ কিন্তু পরিস্থিতি অন্য রকম। তার কারণ, অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষপাদে মহারাজ নবকৃষ্ণ দেব বাহাদুর ‘জাত কাছারী’ স্থাপন করে জাতি নির্বিশেষে অনেক জাতির লোককেই ‘কায়স্থ’ স্বীকৃতি দিয়েছিলেন। পরে অনেক জাতের লোকই সামাজিক মর্যাদা লাভের জন্য নিজেদের ‘কায়স্থ’ বলে পরিচয় দিতে আরম্ভ করে। এটা নাগরিক জীবনের পরিণাম মাত্র। কেননা, নগরবাসীরা আগন্তুকের কুলশীল সম্বন্ধে কেউই কিছু জানত না। সুতরাং আগন্তুকের জাত যাচাই করবার কোন উপায় ছিল না। গ্রামের লোকরা সকলেই সকলকে চিনত। সেজন্য সেখানে জাত ভাঁড়াবার কোন উপায় ছিল না। গ্রামের লোকরা হয় নিজের গ্রামে, আর তা নয় তো নিকটের গ্রামেই বিবাহ করত। এই বৈবাহিক সূত্রে এক গ্রামের লোক নিকটস্থ অপর গ্রামের লোকেরও জাত জানত।

    অষ্টাদশ শতাব্দীর গ্রামবাঙলায় এই সকল হিন্দুজাতি ছাড়া, ছিল, আদিবাসীরা। মেদিনীপুরের আদিবাসীদের মধ্যে প্রধান আদিবাসী ছিল সাঁওতাল, লোধা ও হো। বাঁকুড়ায় আদিবাসীদের মধ্যে ছিল কোরা, ভূমিজ, মাহালি, মেচ, মুণ্ডা, সাঁওতাল ও ওরাওঁ। সকলের চেয়ে বেশি আদিবাসী ছিল বীরভূমে, প্রায় সবাই সাঁওতাল। রাজশাহীর আদিবাসীদের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে ছিল কম। এখানকার প্রধান আদিবাসী ছিল মুণ্ডা, সাঁওতাল, ওরাওঁ প্রভৃতি। সাঁওতালদের ৭৩.৭৩ শতাংশ বাস করত মেদিনীপুর পুরুলিয়া, বর্ধমান বাঁকুড়া, বীরভূম ও হুগলি জেলায়। বাকী অংশ বাস করত পশ্চিম দিনাজপুর, মালদহ ও জলপাইগুড়ি জেলায়। মুণ্ডারা অধিক সংখ্যায় (৬০.১৮ শতাংশ) বাস করত জলপাইগুড়ি ও চব্বিশ পরগনা জেলায়। বাকী ৩৯.৮২ শতাংশ বাস করত অন্য জেলাসমূহে। ওঁরাওদের ৮৯.০৪ শতাংশ বাস করত জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, পশ্চিম দিনাজপুর ও চব্বিশ পরগনায়। সমষ্টিগতভাবে পশ্চিমবাঙলার আদিবাসীদের মধ্যে ৯০.১৫ শতাংশ ছিল সাঁওতাল, ওরাওঁ, মুণ্ডা, ভূমিজ, কোরা ও লোধা। তবে সাঁওতালরাই ছিল বাঙলার আদিম অধিবাসী। কিংবদন্তী অনুযায়ী তাদের জন্মস্থান মেদিনীপুরের সাঁওতা পরগনায়।

    দুই

    কিন্তু এই সময় থেকেই বাঙালীর গ্রামীণ জীবনচর্যার ওপর আঘাত হানতে শুরু করেছিল নাগরিক সমাজ। এই নাগরিক সমাজের সূচনা হয়েছিল, অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষের দিকে কলকাতা শহরে এক অভিজাত শ্রেণির অভ্যুত্থানে। এদের উদ্ভব ঘটেছিল ইংরেজের বেনিয়ানী, দাওয়ানী ও দালালী করে। প্রথম প্রথম যাঁরা কলকাতা শহরে এসে বসবাস শুরু করেছিলেন তাঁরা গ্রামীণ আচার-বিচার ও শাস্ত্রের বিধানসমূহ মেনে চলতেন। কিন্তু শতাব্দীর মধ্যাহ্নের পর যখন রাজা নবকৃষ্ণ দেব রাসপল্লীতে (পরেরকার নাম শোভাবাজার) এসে বসতি স্থাপন করলেন তখন বাঙালীর সমাজজীবন এক নতুন রূপ ধারণ করল। হিন্দুর পালপার্বণে যেখানে ব্রাহ্মণ এবং আত্মীয় ও স্বজনবর্গ নিমন্ত্রিত হত, মহারাজ নবকৃষ্ণ দেব সাহেবদের অনুগ্রহলাভের জন্য তাদের সঙ্গে যোগ করে দিলেন সাহেব মেমদের। পূজাবাড়িতে তখন প্রবেশ করল বিদেশী সুরা ও নিষিদ্ধখানা। সঙ্গে সঙ্গে আরও প্রবেশ করল যবনী নর্তকীর দল। সাহেবদের অনুগ্রহলাভের জন্যও আরও পাঁচজন বড়লোক নবকৃষ্ণকে অনুসরণ করল। শহরে এক নতুন অভিজাত সম্প্রদায়ের সৃষ্টি হল। অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষের দিকে যখন জমিদার সমূহ নিলাম হতে লাগল, তখন এঁরাই কিনলেন সেসব জমিদারী। এঁদের বংশধররা রাত্রিতে নিজ গৃহে থাকা আভিজাত্যের হানিকর মনে করল। রাত্রিটা রক্ষিতার গৃহেই কাটাতে লাগল। এদের জীবনযাত্রা প্রণালী গ্রামীণ সমাজ খুব কুটিল দৃষ্টিতে দেখল, যা উনবিংশ শতাব্দীর বিশের দশকে ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর ‘কলিকাতা কমলালয়’ ও অন্যান্য গ্রন্থে চিত্রিত করলেন। শহরের অভিজাত শ্রেণির এই জীবনযাত্রা প্রণালী কিন্তু সাধারণ লোককে প্রভাবান্বিত করল না। সাধারণ লোক ও অভিজাত সম্প্রদায়ের অন্দরমহল নিষ্ঠাবান ও গ্রামীণ সংস্কৃতিরই ধারক হয়ে রইল। এটা আমরা সমসাময়িক ইউরোপীয় শিল্পীদের আঁকা ছবি থেকে জানতে পারি। এঁরা হচ্ছেন টমাস ড্যানিয়েল, উইলিয়াম ড্যানিয়েল, সলভিনস ও সিম্পসন। এইসব শিল্পরা অর্থোপার্জনের উদ্দেশ্যে এদেশে এলেও গভীর নিষ্ঠার সঙ্গে তুলে ধরেছেন আমাদের সামাজিক জীবন, ধর্মীয় উৎসব ও রীতিনীতির প্রতিচ্ছবি।

    তিন

    এবার আমরা সন্ধিক্ষণের সমাজে গ্রামীণ শিক্ষাদীক্ষা ও সাহিত্যসাধনা সম্বন্ধে কিছু বলব। সর্বজনীন স্তরে অষ্টাদশ শতাব্দীর সমাজে শিক্ষাবিস্তারের মাধ্যমে ছিল হিন্দুদের পাঠশালা ও মুসলমানদের মক্তাব। এছাড়া ছিল কথকতা, গান, যাত্রাভিনয় ও পাঁচালী গান, যার মাধ্যমে হিন্দুরা পৌরাণিক কাহিনীসমূহের সহিত পরিচিত হত। হিন্দুদের ক্ষেত্রে উচ্চশিক্ষার মাধ্যম ছিল চতুষ্পাঠীসমূহ। চতুষ্পাঠীসমূহ পরিচালনা করতেন ব্রাহ্মণ পণ্ডিতগণ। চতুষ্পাঠীসমূহে নানা শাস্ত্রের শিক্ষা দেওয়া হত। নব্যন্যায়ের ও স্মৃতিশাস্ত্রের অধ্যাপনা বাঙলার চতুষ্পাঠীসমূহের একটা বৈশিষ্ট্য ছিল। তবে যে মাত্র নব্যন্যায় ও স্মৃতিশাস্ত্রেরই অনুশীলন হত, তা নয়। জ্যোতিষ, আয়ুর্বেদ, কোষ, নাটক, গণিত, ব্যাকরণ, ছন্দোসূত্র প্রভৃতি ও দণ্ডী ভারবি, মাঘ, কালিদাস প্রমুখদের কাব্যসমূহ এবং মহাভারত, কামন্দকী-দীপিকা, হিতোপদেশ প্রভৃতি পড়ানো হত। এছাড়া, তাঁরা সমাজকে দিতেন পাঁতি। পঞ্জিকার তথ্যও চতুষ্পাঠীতে পাওয়া যেত।

    চতুষ্পাঠীসমূহের শ্রেষ্ঠ কেন্দ্র ছিল নবদ্বীপ। শাস্ত্র অনুশীলন, অধ্যয়ন ও অধ্যাপনার জন্য নবদ্বীপের বিশেষ প্রসিদ্ধি ছিল। এই প্রসিদ্ধির জন্যই নবদ্বীপকে বাঙলার ‘অকস্ফোর্ড’ বলে অভিহিত করা হত। তবে নবদ্বীপ ছাড়া আরও যে সব কেন্দ্র ছিল, তা হচেছ পশ্চিমবঙ্গে ত্রিবেণী, ভট্টপল্লী, বর্ধমান, নদীয়া, গুপ্তিপাড়া, কুমারহট্ট, গোন্দলপাড়া, জয়নগর- মজিলপুর, খাটুয়া, হুগলি, বালী ও আন্দুল এবং পূর্ববঙ্গে কোটালিপাড়া, ফরিদপুর, বাকলা ও ত্রিপুরা। এ সব জায়গায় পণ্ডিতগণ স্বনামধন্য ছিলেন। তাঁদের মধ্যে বিশেষ করে নাম করা যেতে পারে নবদ্বীপের শঙ্কর তর্কবাগীশ, গোকুলানন্দ, বিদ্যামণি ও শ্রীকৃষ্ণ তর্কালঙ্কার, ত্রিবেণীয় জগন্নাথ, তর্কপঞ্চানন, বর্ধমানের দুলাল তর্কবাগীশ, গুপ্তিপাড়ার, বাণেশ্বর বিদ্যালঙ্কার, খাটুয়ার, অনন্তরাম বিদ্যাবাগীশ, নদীয়ার, জয়গোপাল তর্কালঙ্কার ও রামভদ্র সার্বভৌম, জয়রাম ন্যায়পঞ্চানন ও কৃষ্ণরাম ভট্টাচার্য ও হুগলীর কুলাবধূত হরিহরানন্দ তীর্থস্বামী প্রমুখদেব। পূর্ববঙ্গের কোটালিপাড়ার প্রখ্যাত পণ্ডিত ছিলেন কৃষ্ণনাথ সার্বভৌম, ফরিদপুরের চন্দ্রনারায়ণ ন্যায়পঞ্চানন, ত্রিপুরার কালীকচ্ছের দয়ারাম ন্যায়ালঙ্কার ও বরিশালের বাকলার জগন্নাথ পঞ্চানন ও কৃষ্ণানন্দ সার্বভৌম। কৃষ্ণানন্দ সার্বভৌম বিচিত্র বিধান দিতেন। তিনিই শারদীয়া পূজার নবমীর দিনই দুর্গা প্রতিমার বিসর্জনের বিধান দিয়েছিলেন। তা থেকেই ‘কৃষ্ণানন্দী দশহরা’ প্রবাদবাক্য দাঁড়িয়েছে।

    পণ্ডিতদের মধ্যে অনেকেই ইংরেজদের পৃষ্ঠপোষকতা পেতেন। তার কারণ ইংরেজ যখন দেশের শাসক হল, তখন দেওয়ানী আদালতে এদেশের বিধান সম্বন্ধে পরামর্শ দেবার জন্য বিচারকরা পণ্ডিতদের আহ্বান করতেন। সেজন্য, কার্যোপযোগী একখানা ব্যবস্থাপুস্তক সংকলন করবার প্রথম আয়োজন করেন ওয়ারেন হেষ্টিংস। এগার জন পণ্ডিতকে দিয়ে এরূপ একখানা ব্যবস্থাপুস্তক তৈরি করে, সেখানা প্ৰথম ফারসীতে ও পরে হ্যালহেডকে দিয়ে ইংরেজিতে অনুবাদ করিয়ে নাম দেন, ‘জেন্টু, কোড’। কিন্তু দু’বার অনুবাদ হওয়ার ফলে বইখানা কোন কাজের বই হল না। তখন মিথিলার পণ্ডিত সর্বরী ত্রিবেদীকে দিয়ে ‘বিবাদ সারার্ণব’ নামে একখানা বই সংকলন করান। কিন্তু সেটাও মনঃপূত না হওয়ায় ত্রিবেণীয় প্রখ্যাত পণ্ডিত তর্কপঞ্চাননকে দিয়ে ‘বিবাদ ভঙ্গার্ণব’ নামে একখানা বই সংকলন করান। এখানাই গৃহীত হয় এবং কোল ক সাহেব এখানার তর্জমা করে নাম দেন ‘A Digest of Hindu Law’. জগন্নাথ তর্কপঞ্চাননই সে যুগের শ্রেষ্ঠ পণ্ডিত ছিলেন। ১১৪ বছর পর্যন্ত (১৬৯৪- ১৮০৭) জীবিত থেকে তিনি তাঁর অনন্য সাধারণ পাণ্ডিত্যের খ্যাতি জীবনের শেষদিন পর্যন্ত অম্লান রেখেছিলেন। (এই সময়ের পণ্ডিত সমাজের বিস্তৃত বিবরণের জন্য লেখকের ‘আঠারো শতকের বাঙলা ও বাঙালী” পৃ. ১০০-১০৩, ১০৪-১১৭ ও ‘কলকাতা : এক পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস’ পৃষ্ঠ ১৭৭- ১৯৩ দ্রষ্টব্য)।

    চার

    পণ্ডিতগণ কর্তৃক শাস্ত্র অনুশীলন ও সংস্কৃত ভাষায় প্রামাণিক টীকা-টিপ্পনী রচনা ছাড়া অষ্টাদশ শতাব্দী উদ্ভাসিত হয়ে আছে বাংলা সাহিত্যচর্চার আলোকে। সুধীজন নতুন নতুন কাব্য রচনা করেছিলেন, এবং এ বিষয়ে শতাব্দীর মধ্যাহ্ন পর্যন্ত অনেকেই সমসাময়িক রাজারাজড়াদের পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেছিলেন। কর্ণগড়ের রাজার পৃষ্ঠপোষকতায় রামেশ্বর ভট্টাচার্য রচনা করেছিলেন ‘শিবায়ন’ বিষ্ণুপুররাজ’ গোপাল সিংহের পৃষ্ঠপোষকতায় শঙ্কর কবিচন্দ্র রচনা করেছিলেন। ‘রামায়ণ’ ‘মহাভারত’ ‘গোবিন্দমঙ্গল’ ও ‘কৃষ্ণমঙ্গল’ বর্ধমানরাজ কীর্তিচন্দ্রের পৃষ্ঠপোষকতায় ঘনরাম চক্রবর্তী রচনা করেছিলেন ‘ধর্মমঙ্গল’, মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের পৃষ্ঠপোষকতার ভারতচন্দ্র রচনা করেছিলেন ‘অন্নদামঙ্গল’ পঞ্চকুটাধিপতি রঘুনাথ সিংহের আদেশে জগদ্রাম রায় রচনা করেছিলেন ‘অদ্ভূত রামায়ণ’ ও মেদিনীপুরের কাশীজোড়াধিপতি রাজনারায়ণের পৃষ্ঠপোষকতায় নিত্যানন্দ (মিশ্র) চক্রবর্তী রচনা করেছিলেন ‘শীতলামঙ্গল’ ‘লক্ষ্মীমঙ্গল’ ইত্যাদি।

    শতাব্দীর শেষের দিক পর্যন্ত মঙ্গলকাব্য ও অনুবাদকাব্যের ধারা অব্যাহত দেখি। মাণিক গাঙ্গুলি, রামকান্ত ও গোবিন্দরাম রচনা করেছিলেন তিনখানা ‘ধর্মমঙ্গল’ কাব্য ও রামপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায় রচনা করেছিলেন, ‘রামায়ণ; নিধিরাম কবিচন্দ্র রচনা করেছিলেন সংক্ষিপ্ত ‘রামায়ণ’ ও ‘মহাভারত’, শচীনন্দন ‘উজ্জ্বল নীলমণি’ জয়নারায়ণ ঘোষাল পদ্মপুরাণের কাশ্মীখন্ড ও গোলকনাথ দাস ইংরেজি Disguise নাটকের বাংলা অনুবাদ।

    এ ছাড়া বৈষ্ণব ও শাক্ত পদাবলী সাহিত্য রচনার জন্যও অষ্টাদশ শতাব্দী বিশেষভাবে চিহ্নিত হয়ে আছে। আরও এ শতাব্দীর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে পালাগান রচনার প্রাচুর্য। পালাগান রচয়িতাদের মধ্যে প্রসিদ্ধ ছিলেন শ্রীকৃষ্ণকিঙ্কর। তাঁর রচিত মনসামঙ্গল, শীতলামঙ্গল, শীতলার জাগরণপালা প্রভৃতি পালাগানগুলি এক সময় মেদিনীপুর ও হাওড়া জেলার গ্রামাঞ্চলে খুব জনপ্রিয় ছিল।

    অষ্টাদশ শতাব্দীর সাহিত্যধারার পাশে আর এক সাহিত্যধারার সৃষ্টি হয়েছিল। এটা হচ্ছে কবিওয়ালাদের গান। প্রসিদ্ধ কবিওয়ালদের মধ্যে ছিলেন রঘুনাথ দাস, রাসুনৃসিংহ, নীলমণি ঠাকুর, গোঁজলা, গুঁই নিত্যানন্দ বৈরাগী, নৃসিংহ রায়, বলাই বৈষ্ণব, ভবানী বণিক, ভোলা ময়রা, এন্টনী ফিরিঙ্গি ও হরুঠাকুর।

    সঙ্গীতের ক্ষেত্রে অষ্টাদশ শতাব্দীর বিশেষ অবদান ছিল বিষ্ণুপুর ঘরানার উদ্ভব। এটা ধ্রুপদেরই একটা বিশেষ ঘরানা। আঠারো শতকের শেষের দিকে রামশঙ্কর ভট্টাচার্য ছিলেন এই ঘরানার বিখ্যাত গায়ক।

    অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষের দিকে টপ্পাগানের গায়ক হিসেবে প্রসিদ্ধি লাভ করেছিলেন নিধুবাবু বা রামনিধি গুপ্ত। শ্যামাসঙ্গীত অদ্বিতীয় ছিলেন হালি শহরের শক্তিসাধক ও কবি রামপ্রসাদ সেন। তাঁর গীতভঙ্গি ‘রামপ্রসাদী সুর’ নামে পরিচিত। রামপ্রসাদী গান একসময় বাঙলার লোককে মাতিয়ে রেখেছিল।

    এছাড়া, অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষের দিকে বাংলা গদ্য লেখবার একটা রীতিও ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছিল। বিশেষ করে আইন পুস্তকের তর্জমায়। ১৭৮৪-৮৫ সালে জোনাথান ডানকান চারখানা বই প্রকাশ করেন, ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে জর্জ চার্লস মেয়ার আরও চারখানা, ১৭৮৯ খ্রিস্টাব্দে জর্জ ফ্রেডেরিক চেরী একখানা, ১৭৯০-৯২ খ্রিস্টাব্দে এডমনস্টোন দু’খানা আর ১৭৯৫ থেকে ১৮০৯ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে হেনরি পিটস্ ফরস্টার ১৪ খানা। এটা বিশেষ উৎকর্ষ লাভ করেছিল উনবিংশ শতাব্দীর প্রারম্ভে। আমরা পরে দেখব যে উনবিংশ শতাব্দীর নবজাগৃতির সার্থক রূপায়ণে গদ্যসাহিত্যই সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হয়ে দাঁড়িয়েছিল (আঠারো শতকের রচিত বাংলা গদ্যগ্রন্থসমূহের জন্য লেখকের ‘আঠারো শতকের বাঙলা ও বাঙালী’ পৃষ্ঠা- ১৩২-১৩৩ দেখুন)।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাঙালির নৃতাত্ত্বিক পরিচয় – অতুল সুর
    Next Article প্রমীলা প্রসঙ্গ – অতুল সুর

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }