Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বাঙলা ও বাঙালীর বিবর্তন – অতুল সুর

    লেখক এক পাতা গল্প428 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ধর্মীয় পরিস্থিতি ও রামকৃষ্ণ

    ঊনবিংশ শতাব্দীর ধর্মীয় পরিস্থিতির মধ্যে আমরা প্রথম দেখি কর্তাভজা সম্প্রদায়ের অভ্যুদয়, খ্রিস্টান মিশনারীদের ধর্মান্তরিতকরণ ও ব্রাহ্মধর্মের উত্থান ও বিকাশ। সকলের শেষে আমরা শুনি দক্ষিণেশ্বরের ঠাকুর রামকৃষ্ণ পরমহংস দেবের মুখে সর্বধর্ম সমন্বয়ের বাণী।

    দুই

    অষ্টাদশ শতাব্দীতে বাঙলার দলিত পতিত অন্ত্যজ জাতিসমূহের মুক্তির জন্য হরিচাঁদ ঠাকুর মতুয়া ধর্ম নামে এক ধর্ম প্রবর্তন করেছিলেন। আবার কর্তাভজা সম্প্রদায়ের অভ্যুদয়ও হয় অষ্টাদশ শতাব্দীতে। ১৬৯৪ খ্রিস্টাব্দে একদিন নদীয়ার উলা গ্রামের (এখন কল্যাণী) বাসিন্দা মহাদেব বারুই নিজ পানের বরোজের মধ্যে এক পরিত্যক্ত শিশুকে কুড়িয়ে পান। তিনি তাকে এনে পালন করেন। তিনি তার নাম রাখেন পূর্ণচাঁদ। একটু বড় হয়ে পূর্ণচাঁদ উদাসীন হয়ে চব্বিশ পরগনা ও সুন্দরবনের নানাস্থানে ঘুরে বেড়ায়। নানা জাতির লোক তাঁর অনুরাগী হয়। তখন তাঁর নাম হয় আউলচাঁদ। সাতাশ বছর বয়সে বেজরা গ্রামে তিনি ধর্মগুরু হিসাবে প্রকট হন। এখানেই তাঁরা বাইশ জন শিষ্য জুটে যায়। আউলচাঁদকে তাঁর ভক্তরা শ্রীচৈতন্যদেবের অবতার বলে মনে করেন। তাঁরা বলেন—শ্রীচৈতন্যদেব যবনপ্রীতি ও হরিজনসেবায় মনোমত পথ পাননি তাঁর নিজের সম্প্রদায়ের মধ্যে, তাই নতুন পথ প্রবর্তনের জন্য তিনি ঘোষপাড়ায় আউলচাঁদরূপে আবির্ভূত হন।’ এদের মতে কর্তা বা ঈশ্বরই জগতের স্রষ্টা এবং গুরুই ঈশ্বরের প্রতিনিধি। আরও এঁদের মতে সাধনা ও উপাসনার ক্ষেত্রে জাতি বা সম্প্রদায়-বিচার নেই, স্ত্রী-পুরুষ ভেদ নেই।

    ১৭৬৯-৭০ খ্রিস্টাব্দে আউলচাঁদের মৃত্যু হয়। তখন রামশরণ পাল কর্তা হন। রামশরণের মৃত্যুর পর প্রথমে তাঁর স্ত্রী সতীমা ও তাঁর পরে রামদুলাল ও ঈশ্বরচন্দ্র বংশানুক্রমে কর্তাভজাদলের গদির অধিকারী হন।

    শ্রীরামপুরের মিশনারীদ্বয় মার্শম্যান ও কেরী প্রায়ই ঘোষপাড়ায় রামদুলালের কাছে যেতেন ও তাঁর সঙ্গে pantheism সম্বন্ধে বিশদ আলোচনা করতেন (‘Calcutta Review’, Sixth Part, 1846, Page 407)।

    ১৮২৯-৩০ খ্রিস্টাব্দে আলেকজাণ্ডার ডাফ ভারতে আসার পর, তিনিও ঘোষপাড়ায় যেতেন এবং কর্তাভজাগণের সঙ্গে ধর্মালোচনা করতেন। পঞ্চানন অধিকারী কৃত এক পুরানো হস্তলিখিত পুঁথিতে এর বিবরণ আছে। তাতে লেখা আছে—রাজা রামমোহন রায় যেতেন তাঁর পাশ/অমৃত রস পান করি মিটাইতে আশ/ অনেক সাহেব তিনি সাথে লয়ে যান/অনেকেই লন আশ্রয় করি প্রণিধান॥/ডাফ সাহেব পাদরী যেতেন তাঁর পাশে। লইতেন শিক্ষা যেয়ে ঘোষপাড়া আবাসে।’ (শ্রীরামাশ্রয় বন্দ্যোপাধ্যায় কর্তৃক এই পুঁথিখানি প্রকাশিত হয়েছিল)।

    শুধু রাজা রাহমোহন রায় কেন, কলকাতার বহু সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি ঘোষপাড়ায় যেতেন ও কর্তাভজাবলম্বী ছিলেন। তাঁদের অন্যতম ছিলেন ভূকৈলাসের মহারাজা জয়নারায়ণ ঘোষাল। (সুকুমার সেন, ভারতকোষ, ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ১৯৭)। ভূকৈলাসের ঘোষাল পরিবারের সকলের নামকরণে ‘সত্য’ শব্দ সংযুক্ত হওয়া ওই পরিবারের ওপর কর্তাভজা দলের প্রভাব সূচিত করে। প্রসিদ্ধ গণিতজ্ঞ ও জেনারেল এসেমব্লিজ ইনস্টিটিউশনের (স্কটিশ চার্চেস কলেজের) অধ্যাপক গৌরীশঙ্কর দে কর্তাভজা সম্প্রদায়ভুক্ত ছিলেন (সংসদ বাঙালী চরিতাভিধান, পৃষ্ঠা ১৪১)। কলকাতার বহু সম্ভ্রান্ত পরিবারে এখনও সতীমার ঘট সংরক্ষিত আছে ও নিত্যপূজাদি হয়ে থাকে।

    বাঙলাদেশের অনেক গ্রামের অধিকাংশ মুসলমানই সতীমায়ের ভক্ত। মূর্শিদাবাদের কুমিরদহ এরূপ একটি গ্রাম। এ-সম্বন্ধে ভারত সরকার কর্তৃক প্রকাশিত শ্রীঅশোক মিত্র, আই. সি. এস. সম্পাদিত ‘পশ্চিমবঙ্গের পূজা- পার্বণ ও মেলা’ গ্রন্থের দ্বিতীয় খণ্ডে লিখিত হয়েছে—’এই গ্রামের অধিকাংশ অধিবাসী মুসলমান সম্প্রদায়-ভুক্ত। কিন্তু ইহারা ঘোষপাড়ার সতীমায়ের সত্যধর্মে দীক্ষিত হইয়া তাঁহাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা নির্বাহ করেন। ডিম, মাংস, মদ্য কেহ গ্রহণ করেন না। কেহ সত্যধর্মবহির্ভূত কার্য করিলে বা প্রকাশ পাইলে তাহাকে সমাজে দণ্ড পাইতে হয়।’

    ভক্তরা বলে, ‘যার কেউ নেই, তার সতীমা আছেন।’ মানিক সরকার লিখেছেন—’মধ্যযুগের বাঙলায় সামন্ততান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় ‘যার কেউ নেই – দের সংখ্যাই ছিল বেশি। আর্থিক অনটন ও সামাজিক নিষ্পেষণে জর্জরিত কৃষকসমাজের দরিদ্র অংশের অগণিত নর-নারীর মধ্যে একটি অংশ কর্তাভজা ধর্মমতের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিল। তাই দেখা যায় ভক্তদের অধিকাংশই দরিদ্র ও নিঃস্ব কৃষিসমাজের মানুষ। তারা সমাজজীবনে অন্ত্যজ, অর্থনীতিতে নিঃস্ব। সম্ভবত বাঁচার আশাতেই সতীমার উপর নির্ভর করে। (‘পশ্চিমবঙ্গ’, ২৯ জুন ১৯৭২, পৃষ্ঠা ১২৪৭)। বিশেষ করে সতীমা অন্ত Jজসমাজের অবহেলিত-বঞ্চিত নারীসমাজকে কর্তাভজা মতের প্রতি আকৃষ্ট করেছিলেন।

    ঊনবিংশ শতাব্দীর মধ্যাহ্নের পূর্বেই কর্তাভজা-সম্প্রদায়ের ‘সত্যধর্ম’ এমন জনপ্রিয়তা লাভ করে যে, নবপ্রসূত ব্রাহ্মধর্মের প্রচারকরা তাতে বিচলিত হয়ে ওঠেন, এবং কর্তাভজাবলম্বীদের বিপক্ষে তির্যক মন্তব্য করতে থাকেন। কিন্তু দায়িত্বশীল প্রাজ্ঞ প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে আমরা কর্তাভজা-সম্প্রদায় সম্বন্ধে সঠিক বিবরণ পাই। এরূপ একজন প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন কবি নবীনচন্দ্র সেন। তিনি যখন নদীয়ার ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ও ডেপুটি কালেক্টর ছিলেন তখন তাঁকে ঘোষপাড়ার মেলার সুবন্দোবস্তের জন্য, এক সপ্তাহ পূর্ব থেকেই মেলা-প্রাঙ্গণের এক পাশে তাঁবু ফেলে অবস্থান করতে হয়। তিনি তাঁর ‘আমার জীবন’ গ্রন্থের তৃতীয় খণ্ডে লিখেছেন :

    ‘এখন যে ‘harmony of scriptures’ বা ধর্মের সামঞ্জস্য বলিয়া একটা কথা শুনিতেছি, দেখা যাইতেছে এই রামশরণ পালই তাহা সর্বপ্রথম অনুভব করিয়াছিলেন। সকল ধর্ম, সকল আচার সত্য—এমন উদার মত এক ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ভিন্ন অন্য কোন ধর্মসংস্থাপক প্রচার করেন নাই। অতএব রামশরণ পাল আমি তোমাকে নমস্কার করি।’ ক্রীশ্চান ধর্মের ‘দশ আদেশ’-এর মত কর্তাভজা ধর্মেও দশটি কর্ম নিষিদ্ধ। এই সকল নিষিদ্ধ কর্মের মধ্যে তিনটি হচ্ছে কায়কর্ম – পরস্ত্রী-গমন, পরদ্রব্যহরণ ও পরহত্যাকরণ। তিনটি মনঃকর্ম হচ্ছে—পরস্ত্রী-গমনের ইচ্ছা, পরদ্রব্যহরণের ইচ্ছা ও পরহত্যাকরণের ইচ্ছা। চারটি বাক্যকর্ম হচ্ছে— মিথ্যাকথন, কটুকথন, অনর্থকবচন ও প্রলাপভাষণ। এই দশটি নিষিদ্ধ কর্ম পরিহার করাই হচ্ছে কর্তাভজা সম্প্রদায়ের ‘সত্যধর্ম’।

    তিন

    বাণিজ্য উপলক্ষে পর্তুগীজদের আসার সঙ্গে সঙ্গেই বাঙলাদেশে রোমান ক্যাথলিক খ্রিস্টধর্মের প্রচার শুরু হয়েছিল। পর্তুগীজরা জোর করে এদেশের লোকদের খ্রিস্টান করত। এ সম্বন্ধে মুঘল সম্রাট আকবরের অনুমোদন ছিল। খ্রিস্টান ধর্ম প্রচারের জন্য পর্তুগীজরা বাংলা গ্রন্থও রচনা করত। এরূপ এক গ্রন্থ হচ্ছে ডোম এন্টনিও রোজারিও রচিত ‘ব্রাহ্মণ রোমান ক্যাথলিক সংবাদ’। ডোম এন্টনিও আগে হিন্দু ছিল। ধর্মান্তরিত হবার পর ডোম এন্টনিও শুধু এই গ্রন্থখানিই রচনা করেনি, ঢাকা অঞ্চলে ২০,০০০ নিম্ন শ্রেণীর হিন্দুকে খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত করেছিল। তাছাড়া, পর্তুগীজরা এদেশের মেয়েদের বিবাহ করা ও রক্ষিতা হিসাবে রাখার ফলে এদেশে বেশ এক সংখ্যাগরিষ্ঠ খ্রিস্টান সমাজ গড়ে উঠেছিল।

    ইংরেজরা গোড়ার দিকে ধর্মপ্রচারের বিরোধী ছিল। সেজন্যই মার্শম্যান, কেরী প্রমুখ ধর্মপ্রচারকদের দিনেমার সরকার শাসিত শ্রীরামপুরে আশ্রয় নিতে হয়েছিল। তার ফলে, শ্রীরামপুরে প্রটেস্টান্ট খ্রিস্টান মিশনারীদের একটা কেন্দ্র গঠিত হয়ে উঠেছিল। প্রথম যে বাঙালীকে তারা খ্রিস্টান করে, সে একজন ছুতোর মিস্ত্রি, নাম কৃষ্ণচন্দ্র পাল। তার ভাঙা হাত চিকিৎসা করে তারা ঠিক করে দিয়েছিল। সাহেবদের দয়া দেখে সে খ্রিস্টান হয়েছিল।

    ১৮১৩ খ্রিস্টাব্দের সনদের বলে খ্রিস্টান মিশনারীরা এদেশে ধর্মপ্রচারের সম্পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করে। তার ফলে দলে দলে খ্রিস্টান মিশনারীরা এদেশে আসতে থাকে। বিশ বছরের মধ্যে তারা বহু হিন্দুকে খ্রিস্টান ধর্মে দীক্ষিত করে। শুধু তাই নয়। তারা হিন্দুধর্মের নিন্দা ও কুৎসা এবং হিন্দু দেবদেবী ও মহাপুরুষদের সম্বন্ধে ব্যাঙ্গোক্তি করতে থাকি। নিম্ন-শ্রেণীর লোকদের তারা জীবিকা অর্জনের সুযোগ দিয়ে অপর পাঁচজনকেও খ্রিস্টধর্ম অবলম্বন করতে উৎসাহ দেয়। মিশনারী বালিকা বিদ্যালয়সমূহে তারা প্রকাশ্যে খ্রিস্টধর্ম সম্বন্ধে শিক্ষা দিতে শুরু করে।

    ১৮৩০ খ্রিস্টাব্দে আলেকজাণ্ডার ডাফ এদেশে আসবার পর খ্রিস্টান মিশনারীদের ধর্মান্তরিতকরণের অভিযান আরও জোরদার হয়। এতদিন নিম্ন-শ্রেণীর লোকরাই খ্রিস্টান হত। এখন হিন্দুসমাজের উচ্চশ্রেণীর লোকরা খ্রীস্টধর্মের প্রতি আগ্রহী ও অনুরক্ত হতে থাকে। কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায় (১৮১৩-১৮৮৫), মধুসূদন দত্ত (১৮২৪-১৮৭৩), প্রসন্নকুমার ঠাকুরের (১৮০১-১৮৬৮) একমাত্র পুত্র জ্ঞানেন্দ্রমোহনের খ্রিস্টান হওয়া তার দৃষ্টান্ত। খ্রিস্টান মিশনারীদের এই অভিযানকে অনেক পরিমাণে দমিত করেছিল ব্রাহ্মধর্ম।

    চার

    রামমোহন রায়কে (১৭৭২-১৮৩৩) ব্রাহ্মধর্মের প্রবর্তক বলা হয়। ব্ৰাহ্মধর্ম বলতে তিনি বেদান্ত-প্রতিপাদ্য ‘সত্যধর্ম’ বুঝতেন। ‘সত্যধর্ম’ অনুযায়ী প্রতিমাদিতে পরমেশ্বরের আরাধনা নিষিদ্ধ ছিল। সেজন্য ব্রাহ্মরা ছিলেন ‘একমেবাদ্বিতীয়ম’-এর উপাসক। তবে তিনি প্রাচীন হিন্দুধর্মের বিরোধী ছিলেন না। এটা বুঝা যায় ব্রাহ্মধর্মের সঙ্গে রামানুজাচার্য প্রবর্তিত বিশিষ্ট দ্বৈতবাদের সাদৃশ্য থেকে। মোটকথা, রামমোহন হিন্দুধর্ম থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করতে চাননি। এটা প্রকাশ পায় তাঁর জীবনের শেষদিন পর্যন্ত উপবীত ধারণ করা ও ব্রাহ্মণেতার জাতির সঙ্গে এক পংক্তিতে আহার না করা থেকে।

    ১৮২৮ খ্রিস্টাব্দের ২০ আগস্ট তারিখে রামমোহন ব্রাহ্মদের উপাসনার জন্য আপার চিৎপুর রোডে (বর্তমান রবীন্দ্র সরণী) ব্রাহ্মদের এক নিজস্ব উপাসনা গৃহ স্থাপন করেন। এটাই পরবর্তীকালে ‘আদি ব্রাহ্মসমাজ’ নামে পরিচিত হয়।

    ১৮৪৩ খ্রিস্টাব্দের ২৬ ডিসেম্বর তারিখে দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮১৭- ১৯০৫), অক্ষয়কুমার দত্ত (১৮২৫-১৮৮৬) প্রমুখ উনিশজন রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশের (১৭৮৬-১৮৪৫) কাছে ব্রাহ্মধর্মে দীক্ষিত হন। এরপর ব্রাহ্মধর্ম প্রচারের জন্য সংগঠনও তৈরী করা হয়। প্রথম ব্রাহ্ম প্রচারক হাজারীলাল, দেবেন্দ্রনাথের প্রেরণায় অল্প সময়ের মধ্যে বহুসংখ্যক লোককে ব্রাহ্মধর্মে দীক্ষিত করেন। ঢাকা, মেদিনীপুর, রংপুর, কুমিল্লা, বাঁশবেড়িয়া, সুখসাগর, প্রভৃতি স্থানে ব্রাহ্মসমাজ স্থাপিত হয় দেবেন্দ্রনাথের একজন বিশিষ্ট সহযোগী ছিলেন রাজনারায়ণ বসু (১৮২৬- ১৮৯৯)। তিনিও দেওঘরে ব্রাহ্মসমাজের এক উপাসনা গৃহ স্থাপন করেন, যদিও আজ তা ভগ্নস্তূপ ও জঙ্গলে পরিণত হয়েছে।

    কেশবচন্দ্র সেনের (১৮৩৮-১৮৮৪) ব্রাহ্মধর্ম বাঙলার যুবসমাজে এক নতুন প্রাণচাঞ্চল্য ও আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং সুদূর মাদ্রাজ ও বোম্বাই প্রভৃতি স্থানে ব্রাহ্মসমাজ স্থাপিত হয়। তিনি ব্রাহ্মধর্মকে সর্বধর্মসমন্বয়কারী ধর্ম বলে ঘোষণা করেন এবং এর ‘নববিধান’ নাম দেন। মেছুয়াবাজার স্ট্রীটে নববিধান সম্প্রদায়ের নতুন উপাসনা মন্দির স্থাপিত হয়। এর নাম দেওয়া হয় ‘নববিধান ব্রাহ্মসমাজ’। কিন্তু কেশবচন্দ্রের সঙ্গে তরুণ ব্রাহ্মদের (যথা শিবনাথ শাস্ত্রী, আনন্দমোহন বসু প্রমুখ) গুরুতর মতভেদ হওয়ায়, তারা ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে কর্নওয়ালিস স্ট্রীটে (বর্তমান বিধান সরণী ‘সাধারণ ব্রাহ্মসমাজ’ প্রতিষ্ঠা করে।

    ব্রাহ্মসমাজের সঙ্গে যুব আন্দোলন, শিক্ষা বিস্তার, নারীসমাজ উন্নয়ন, অস্পৃশ্যতা নিবারণ, স্বাধীনতা আন্দোলন ইত্যাদি বিশেষভাবে জড়িত ছিল।

    আজ ব্রাহ্মরা দাবী করছে, তারা এক নতুন ধর্মসম্প্রদায়। এটা ঠিক নয়। ব্রাহ্মরা হিন্দুসমাজেরই এক প্রগতিশীল সম্প্রদায় বিশেষ। তারা যে হিন্দুই এটা প্ৰকাশ পায় রামমোহনের উপবীত ধারণ ও ব্রাহ্মণেতর জাতির সঙ্গে এক পংক্তিতে আহার না করা, কেশবচন্দ্রের হিন্দুশাস্ত্রানুযায়ী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নিজ কন্যার বিবাহ দেওয়া ও দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুর দিন পর্যন্ত (১৯০৫) নিজ পরিবারের ছেলেদের উপনয়ন দেওয়া ও অসবর্ণে মেয়েদের বিবাহ না দেওয়া থেকে। রবীন্দ্রনাথ ব্রাহ্মধর্ম সম্বন্ধে বলেছেন—”জ্ঞান ও প্রেম-সমেত আত্মাকে ব্রহ্মে সমর্পণ করার সাধনাই ব্রাহ্মধর্মের সাধনা—তদ্ভাবগতেন চেতনা এই সাধনা করতে হবে। ইহা নীরস তত্ত্বজ্ঞান নহে। ইহা ভক্তি প্রতিষ্ঠিত ধৰ্ম।

    পাঁচ

    সনাতনী হিন্দুসমাজ গোড়া থেকেই খ্রিস্টান ও ব্রাহ্মধর্মের বিরুদ্ধে তাঁদের প্রতিক্রিয়ামূলক মানসিকতার পরিচয় দিয়েছিল। এটা প্রশমিত হয়, যখন দক্ষিণেশ্বরের ঠাকুর রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব ‘সর্বধর্ম এক’, এই বাণী প্রচার করেন।

    রামকৃষ্ণদেবের (১৮৩৬-১৮৮৬) জন্ম হয় উনবিংশ শতাব্দীর ত্রিশের দশকের শেষে হুগলি জেলার কামারপুকুর গ্রামে। পিতা ক্ষুদিরাম চট্টোপাধ্যায় ধর্মপরায়ণ ব্যক্তি ছিলেন, মাতা চন্দ্রমণি সরলতা ও দয়ার প্রতীক ছিলেন। রামকৃষ্ণের ছেলেবেলার নাম ছিল গদাধর। পড়াশোনায় মন ছিল না, কিন্তু নিবিষ্টমনে শুনতেন কথকঠাকুরদের মুখে রামায়ণ, মহাভারত, পুরাণ, শ্রীমদ্‌ভাগবতের কথা ও কাহিনীসমূহ। বাল্যকাল থেকেই ধর্মভাবাপন্ন ছিলেন ও নিজের মনের আবেগে গৃহে রঘুবীরের বিগ্রহের সেবা করতেন।

    ষোল-সতেরো বৎসর বয়সে জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা রামকুমারের সঙ্গে কলকাতায় আসেন। রামকুমার রানী রাসমণি (১৭৯৩-১৮৬১) প্রতিষ্ঠিত দক্ষিণেশ্বরের কালী- বাড়ির পূজারী নিযুক্ত হন। রামকুমারের মৃত্যুর পর রামকৃষ্ণ ওই পদে অধিষ্ঠিত হন। পূজারী হয়ে তিনি মৃন্ময়ী দেবীমূর্তিতে চিন্ময়ীর দর্শন পান। পূজা করতে বসেন, পূজা হয় না। মায়ের মাথায় ফুল না দিয়ে নিজের মাথায় ফুল দেন। মাকে ভোগ দেবার আগে নিজেই ভোগ এঁটো করে ফেলেন। দিনরাত মা, মা করে কাঁদেন। শেষকালে আর পূজা করতে পারলেন না। উন্মাদের ন্যায় ঘোরাফেরা করতে থাকেন। রাসমণির জামাই মথুরবাবু মহাপুরুষ বোধে তাঁর সেবা করতে থাকেন। অতঃপর বিভিন্ন ধর্মমার্গের সাধনায় রামকৃষ্ণ সিদ্ধিলাভ করেন। সব ধর্মের সঙ্গে তাঁর পরিচয় ঘটে। ফলে, ধর্মের গূঢ়তত্ত্ব তিনি হৃদয়ঙ্গম করেন। তখন তিনি প্রচার করেন : ‘সব ধর্মই সত্য, যত মত তত পথ’।

    তেইশ বছর বয়সে, ছ’বছরের মেয়ে সারদামণির সঙ্গে বিবাহ হয়। কখনও দৈহিক সম্পর্ক হয়নি। উনিশ বছর বয়সে সারদামণি যখন দক্ষিণেশ্বরে এলেন, রামকৃষ্ণ তাঁকে সাক্ষাৎ জগদম্বা জ্ঞানে পূজা করেন ও মা বলে সম্বোধন করেন।

    শীঘ্রই কলকাতার শিক্ষিত সমাজ তাঁর সাধনালব্ধ জ্ঞান, কামিনী-কাঞ্চন বিমুক্ত জীবন, সংগীত ও সরল দৃষ্টান্ত দিয়ে ধর্মের কঠিন তত্ত্বসমূহ বোঝানোর শক্তিতে আকৃষ্ট হয়ে দক্ষিণেশ্বরে যাতায়াত শুরু করে ও তাঁকে যুগাবতার পরমহংস বলে ঘোষণা করে। দক্ষিণেশ্বর তীর্থস্থানে পরিণত হয়। শিবনাথ শাস্ত্রী, বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী, কেবশচন্দ্র সেন, গিরিশচন্দ্ৰ ঘোষ, ড. মহেন্দ্রলাল সরকার, মহেন্দ্রনাথ গুপ্ত (শ্রীম) প্রমুখ বহু ব্যক্তি তাঁর সংস্পর্শে আসেন। এছাড়া, ছিল তাঁর অন্তরঙ্গ ভক্তমণ্ডলী। তাদের মধ্যে তার প্রিয় শিষ্য ছিলেন নরেন্দ্রনাথ দত্ত, পরবর্তীকালের স্বামী বিবেকানন্দ।

    রামকৃষ্ণই বঙ্গীয় যুবকসমাজকে পাশ্চাত্ত্য শিক্ষার প্রভাবে সাহেবিয়ানার অনুকরণ থেকে মুক্ত করেন। তাঁর মতে সমাজের মঙ্গল ও সেবার মধ্যে বাঁচার আদর্শ ঈশ্বরলাভের প্রকৃষ্ট পথ। তাঁর প্রচারিত শক্তি উপাসনাই বিংশ শতাব্দীতে বিপ্লবীদের অস্ত্রধারণ করার মনোবল যোগায়।

    ছয়

    তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর প্রিয় শিষ্য বিবেকানন্দ বরাহনগরে শ্রীরামকৃষ্ণ মঠ প্রতিষ্ঠা করেন। তারপর পরিব্রাজক হয়ে ভারতের নানা স্থান ঘুরে, বিদেশে গিয়ে বক্তৃতা করে ভারতের ধর্মমত ও সংস্কৃতি সম্বন্ধে বিদেশীদের ভ্রান্ত ধারণা দূর করে বিদেশীদের শ্রদ্ধা বহুগুণে বর্ধিত করেন। ভারতকে তিনি এক নবজাগরণের বাণী শোনান ও যুবসমাজকে নতুন কর্মপন্থার নির্দেশ দেন। নিজে প্রত্যক্ষভাবে রাজনীতি না করলেও তিনি ভারতীয় যুবসমাজের প্রাণে ও রাষ্ট্রজীবনে এক অভূতপূর্ব অনুভূতি ও উদ্বোধন এনে দেন, যার ফলে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম এক নতুন কর্মশক্তি পায়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাঙালির নৃতাত্ত্বিক পরিচয় – অতুল সুর
    Next Article প্রমীলা প্রসঙ্গ – অতুল সুর

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }