Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বাঙালির নৃতাত্ত্বিক পরিচয় – অতুল সুর

    লেখক এক পাতা গল্প72 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩. বাঙলার জাতিবিন্যাস ও নৃতাত্ত্বিক জ্ঞাতিত্ব

    আগের অধ্যায়ে দেখান হয়েছে যে উপজাতি ও তফশীলভুক্ত জাতিসমূহ পশ্চিমবঙ্গের মোট হিন্দু জনসংখ্যার ৩২.৪৯ শতাংশ। এরাই হচ্ছে বাঙলার আদিম অধিবাসী, এবং এরাই রচনা করেছে বাঙলার নৃতাত্ত্বিক বনিয়াদ। পশ্চিমবঙ্গের মোট হিন্দু জনসংখ্যার বাকি ৬৭.৫১ শতাংশ তফশীল-বহির্ভুত জাতিসমূহ। মোটামুটিভাবে আমরা তাদের বাঙলার উচ্চজাতি বলে বর্ণনা করি।

    বাঙলার উচ্চজাতিসমূহ প্রায় সকলেরই বিস্তৃত-শিরস্কতার ছাপ বহন করছে। এই বিস্তৃত-শিরস্কতার বিস্তৃতি কিছু পরিমাণে উপজাতি ও তফশীলভুক্ত জাতিসমূহের মধ্যেও ঘটেছে। বাঙলার উচ্চজাতিসমূহের মধ্যে বিস্তৃত-শিরস্কতার লক্ষণ দেখে রীজলি কিরূপ ভ্রমে পড়েছিলেন, সে সম্বন্ধে আমরা আগেই আলোচনা করেছি। আমরা দেখেছি যে, বাঙালি তার বিস্তৃত-শিরস্কতা আলপীয় নরগোষ্ঠী থেকে পেয়েছে। মনে হয় এই আলপীয় গোষ্ঠীর লোকেরা সমূদ্রপথে এশিয়া-মাইনর বা বালুচিস্তান থেকে পশ্চিম উপসাগরের উপকুল ধরে অগ্রসর হয়ে, ক্রমশ সিন্ধু, কাথিয়াবাড়, গুজরাট, মহারাষ্ট্র, কুর্গ, কন্নাদ ও তামিলনাড়ু প্রদেশে পৌঁছায়। তাদেরই একটা বড় দল পূর্ব উপকূল ধরে বাঙলায় ও ওড়িশায় এসে বসবাস শুরু করেছিল। এরাই উচ্চশ্রেণির বাঙালাদের পূর্ব-পুরুষ। তবে এরাও রক্তের বিশুদ্ধতা রক্ষা করতে সমর্থ হয়নি। এদের সংমিশ্রণ ঘটেছিল কিছু পরিমাণে অস্ট্রিক ও দ্রাবিড় ভাষাভাষী লোকেদের সঙ্গে।

    যদিও আলপীয়রা আর্য-ভাষাভাষী ছিল, তবুও তাদের ভাষার সঙ্গে পঞ্চনদের উপত্যকায় আগত ‘নর্ডিক’ পর্যায়ভুক্ত বৈদিক আর্যদের ভাষার কিছু পার্থক্য ছিল। গ্রিয়ার্সন এই পার্থক্য লক্ষ্য করেছিলেন। ‘মুঞ্জুশ্রীমূলকল্প’ নামক একখানি প্রাচীন গ্রন্থে বলা হয়েছে যে, বাঙলাদেশের আর্য-ভাষাভাষী লোকেরা ‘অসুর’ জাতিভুক্ত। এটা মহাভারতের এক উক্তি থেকেও সমর্থিত হয়। সেখানে বলা হয়েছে যে অঙ্গ, বঙ্গ, কলিঙ্গ পুণ্ড ও সুহ্মদেশের লোকেরা দীর্ঘতমা ঋষির ঔরসে, মহিষী সুদেষ্ণার গর্ভে অসুর-রাজ বলির ক্ষেত্রজ সন্তান। মনে হয় এই উক্তির পিছনে আছে দীর্ঘতর কোনো জাতির সহিত রক্ত সংমিশ্রণের কাহিনি।

    এখন কথা হচ্ছে এই অসুর জাতির লোকেরা কারা, এবং তারা কোথা থেকেই বা বাঙলাদেশে এসেছিল। বৈদিক ও বেদোত্তর সংস্কৃত সাহিত্যে ‘অসুর’ শব্দটির খুব ব্যাপক ব্যবহার দেখা যায় দেবগণের বিরোধী হিসাবে। ঋগ্বেদে শব্দটির বহু উল্লেখ আছে। ঋগ্বেদের বিভিন্ন মণ্ডলের যে সকল সূক্ত ও ঋকে ‘অসুর’ শব্দটির উল্লেখ আছে সেগুলো যথাক্রমে ১।২৪।১৪, ১৫৪।৩, ২।১।৬, ৩।৩।৪, ৪।২।৫, ৫।১২।১, ৬।২২।২, ৭।২।৩, ৭। ৬।২, ৭।৬।২, ৭।১৩।১, ৭।১৩।১, ৭।৩০।৩, ৭।৩৬ ২, ৭।৫৬।২৪, ৭।৬৫।২৪, ৬০।৬৫।২, ৭।৯৯।৫, ৮।৯।২৩, ৯।৭৩।১ ও ১০/১০/২। সিন্ধুর অসুর-রাজ ও অন্যান্য অসুর-রাজগণের উল্লেখও ঋগ্বেদে আছে। আমরা অনুমান করেছি যে, অসুররা বিস্তৃত-শিরস্ক জাতি ছিল। প্রথম অধ্যায়ে আমরা প্রাচীন নরকঙ্কাল সম্বন্ধে যে আলোচনা করেছি তা থেকেও, জানতে পারি যে, হরপ্পা যুগে গুজরাট ও সিন্ধুপ্রদেশে বিস্তৃত- শিরস্ক জাতি বিদ্যমান ছিল। ভারতের মেগালিথ নির্মাণকারীরাও বিস্তৃত- শিরস্ক জাতি ছিল। মেগালিথে অনুরূপ প্রোথিত শিরাখণ্ড বাঙলার মেদিনীপুর ও বাঁকুড়া জেলায় পাওয়া গিয়েছে।

    অনেকে মনে করেন যে ‘অসুর’ বলতে আর্যপূর্ব-যুগের ভারতের এক দেশজ জাতি বুঝাত। যদি অসুররা বৈদিক আর্যগণের আগমনের পূর্বেই ভারতে এসে থাকে, তা হলে তারা যে দেশজ এই মতবাদ গ্রহণ করতে কোনো আপত্তি নেই। বৈদিক সাহিত্যে আমরা ‘দাস’, ‘দস্যু’, ‘নিষাদ’ প্রভৃতি আরও অনেক দেশজ জাতির নাম পাই। সুতরাং বৈদিক আর্যগণের ভারতে আগমনের পূর্বে এদেশে যে একাধিক জাতি বাস করত, সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। এদের অনেককেই অনার্য-ভাষাভাষী বলা হয়েছে। কিন্তু সকলেই যে অনার্য-ভাষাভাষী ছিল, তার সপক্ষে কোনো প্রমাণ নেই। বরং বৈদিক আর্যগণের ভারতে আগমনের পূর্বে আগত আলপীয় নরগোষ্ঠীর লোকেরা যে আর্য-ভাষাভাষী ছিল, তার সপক্ষে অনেক প্ৰমাণ আছে। যদি আর্য ও অসুররা উভয়েই আর্য ভাষাভাষী হয়, তা হলে সহজেই অনুমান করা যেতে পারে যে ভারতে আগমনের পূর্বে উভয়েই একই সাধারণ বাসস্থানে বাস করত। এই স্থানে বাসকালে অসুরদের মধ্যে একটা বিশেষ ধরনের জীবনচর্যা ও ধর্ম গড়ে উঠেছিল। এই জীবনচর্যা ও ধর্ম বৈদিক আর্যগণের জীবনচর্যা ও ধর্ম থেকে বহুলাংশে পৃথক ছিল। বৈদিক আর্যগণ ভারতে আগমনের পূর্বে অনেকগুলো নতুন দেবতার আরাধনার পত্তন করেছিল। এই নতুন দেবতাগণকে তারা ‘দেইবো’ (প্রাচীন ইন্দো-ইউরোপীয়), বা ‘দইব’ (ইন্দো-ইরানিয়) বা দেব (সংস্কৃত) নামে অভিহিত করত। আর আর্য-ভাষাভাষী অপর গোষ্ঠী তাদের আরাধ্যমণ্ডলীকে ‘অসুর’ নামে অভিহিত করত। এই পরম্পরা থাকার দরুন প্রাচীন পারসীকরা ও বৈদিক আর্যগণও তাদের অনেক দেবতাকে কখনো কখনো ‘অসুর’ নামে অভিহিত করত। বস্তুত: প্রাচীন বৈদিক সাহিত্যে অসুরগণের যেমন নিন্দাবাদ ও কটাক্ষ করা হয়েছে, তেমনই আবার দেব-উপাসকগণের প্রধান আরাধ্য দেবতা ইন্দ্র ও অন্যান্য দেবতাগণকে ‘অসুর’ বলে অভিহিত করা হয়েছে। এ থেকেই প্রমাণিত হয় যে, দেব-উপাসকগণ ও অসুর-উপাসকগণ উভয়েই কোনো সময় এক সাধারণ অঞ্চলে বাস করত। উত্তরকালে এই অসুরপন্থারা এশিয়া মাইনর, ইরান ও ভারতে বসতি স্থাপন করে। এরাই যে উচ্চবর্ণ বাঙালির পূর্বপূরুষ সে কথা আগেই বলা হয়েছে। (লেখকের ‘বাঙলার সামাজিক ইতিহাস’, প্রকাশক: জিজ্ঞাসা, দ্রষ্টব্য)।

    দুই.

    তবে আগেই বলা হয়েছে যে বাঙলায় আগত আলপীয়রা তাদের রক্তের বিশুদ্ধতা রক্ষা করতে সমর্থ হয়নি। তারা বাঙলার আদি-অস্ত্রাল ও তাদের পূর্বে আগত দ্রাবিড় ভাষাভাষীদের সঙ্গে ক্ষেত্রবিশেষে খানিকটা সংমিশ্রিত হয়ে গিয়েছিল। বাঙলার বিভিন্ন জাতিসমূহের মধ্যে কি পরিমাণ এই সকল নৃতাত্ত্বিক উপাদান আছে, সে সম্বন্ধে আমরা একটু পরেই আলোচনা করব। কিন্তু তার আগে আমরা বাঙলার আদি ও পরবর্তীকালের সমাজবিন্যাস সম্বন্ধে কিছু বলে নিতে চাই। বাঙলায় ব্রাহ্মণ্য সমাজের অনুপ্রবেশ অনেক পরে ঘটেছিল। আদিতে বাঙলার সামাজিক সংগঠন কৌমভিত্তিক ছিল। এই সকল কৌমজাতির অন্যতম ছিল পুণ্ড ও কর্কট। মনে হয় পুণ্ডদের বংশধর হচ্ছে বর্তমান পোদ জাতি, ও কর্বটদের বংশধর হচ্ছে কৈবর্ত। এছাড়া, প্রাচীন বাঙলায় আরও কৌমভিত্তিক জাতি ছিল, যথা বাগ্দী, হাড়ি, ডোম, বাউরী ইত্যাদি। বাগ্দীরাই যে একসময় বাঙলার সংখ্যাগরিষ্ঠ জাতি ছিল, তা আমরা প্রাচীন গ্রিস দেশীয় লেখকদের রচনাবলী থেকে জানতে পারি। এরা ঋগ্বেদে উল্লিখিত ‘বঙ্গদৃ’ জাতির বংশ কি না তাও বিবেচ্য

    যদিও খ্রিষ্টপূর্ব যুগ থেকেই বাঙলাদেশে ব্রাহ্মণ্যধর্মের অনুপ্রবেশ ঘটেছিল, তথাপি গুপ্তযুগের পূর্বে ব্রাহ্মণ্যধর্ম বাঙলাদেশে বিশেষ প্রতিষ্ঠালাভ করতে পারেনি। কিন্তু গুপ্তযুগের পরে পালরাজগণের সময় বৌদ্ধধর্ম দ্বারা বাঙলাদেশ প্লাবিত হয়ে গিয়েছিল। সুতরাং সে যুগে জাতিভেদের যে বিশেষ কড়াকাড়ি নিয়ম ছিল না, তা সহজেই অনুমেয়। পালরাজগণের পরে সেনরাজগণ বাঙলায় আবার ব্রাহ্মণ্য-ধর্মের পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। সুতরাং নতুন করে আবার একটা জাতিবিন্যাসের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয়। কিন্তু পালরাজগণের চার শত বৎসরের রাজত্বকালে সবই একাকার হয়ে গিয়েছিল। এর ফলে বহু সংকর জাতি সৃষ্টি হয়েছিল। বৃহদ্ধর্মপুরাণ (যা সেনরাজগণের রাজত্বকালের অব্যবহিত পরেই রচিত হয়েছিল) থেকে আমরা জানতে পারি যে এক ব্রাহ্মণ ছাড়া বাঙলার আর সব জাতিই সংকর জাতি। তবে এইসকল সংকর জাতিসমূহকে তিন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছিল—১. উত্তম সংকর, ২. মধ্যম সংকর, ও ৩. অন্ত্যজ। সে যাই হোক, বাঙলার জাতিসমূহ যে সংকর জাতি তা বৃহদ্ধর্মপুরাণ ও ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণে স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে। বাঙলার জাতিসমূহের নৃতাত্ত্বিক পরিমাপ থেকেও তা প্রমাণিত হয়। তবে এই সংমিশ্রণ যে কার সঙ্গে কার ঘটেছিল, তার প্রকৃত হদিশ পাওয়া যায় না, কেন না বিভিন্ন পুরাণ ও ধর্মশাস্ত্রসমূহে এদের বিভিন্ন রকম উৎপত্তির কথা বলা হয়েছে। কোথাও বা কোনো জাতি অনুলোম-বিবাহের ফসল, আবার কোথাও বা তারা প্রতিলোম-বিবাহের ফসল। এটা নিচের তালিকা থেকে পরিষ্কার বোঝা যাবে-

    জাতি পিতা মাতা প্রমাণসূত্র(৩)
    ১. অন্বষ্ঠ ১. ব্রাহ্মণ
    ২. ক্ষত্রিয়
    বৈশ্য
    বৈশ্য
    ৫, ৭, ১, ১২
    ৪
    ২. আগুরি করণ রাজপুত্র ৮
    ৩. উগ্ৰ ১. ক্ষত্রিয়
    ২. ব্রাহ্মণ
    ৩. বৈশ্য
    শূদ্র
    শূদ্র
    শূদ্র
    ১, ৫, ১২, ৬
    ৯
    ৪
    ৪. কর্মকার ১. বিশ্বকর্মা
    ২. শূদ্র
    ৩. শূদ্র
    ঘৃতাচি
    বৈশ্য
    ক্ষত্রিয়
    ৩
    ২
    ২
    ৫. করণ ক্ষত্রিয় বৈশ্য ৬
    ৬. চর্মকার ১. শূদ্র
    ২. বৈদেহক
    ৩. বৈদেহক
    ৪. অয়োগব
    ৫. তিবর
    ৬. তক্ষণ
    ক্ষত্রিয়
    ব্রাহ্মণ
    নিষাদ
    ব্ৰাহ্মণ
    চণ্ডাল
    বৈশ্য
    ৯
    ৯
    ৬
    ৮
    ৩
    ২
    ৭. তিলি গোপ বৈশ্য ২
    ৮. তেলি বৈশ্য ব্রাহ্মণ ২
    ৯. তামলি বৈশ্য ব্ৰাহ্মণ ২
    ১০. কংসবণিক ব্ৰাহ্মণ বৈশ্য ২
    ১১. চণ্ডাল শূদ্র ব্ৰাহ্মণ ৬
    ১২. নাপিত ১. ব্রাহ্মণ
    ২. ক্ষত্রিয়
    ৩. ব্রাহ্মণ
    ৪. ক্ষত্রিয়
    শূদ্র
    শূদ্র
    বৈশ্য
    নিষাদ
    ৭
    ২
    ৯
    ৮
    ১৩. বাগ্দী ক্ষত্রিয় বৈশ্য ৩
    ১৪. হাড়ি লেট চণ্ডাল ৩
    ১৫. সুবর্ণবণিক ১. অন্বষ্ঠ
    ২. বিশ্বকর্মা
    বৈশ্য
    ঘৃতাচি
    ২
    ৩
    ১৬. গন্ধবণিক ১. ব্রাহ্মণ
    ২. অন্বষ্ঠ
    বৈশ্য
    রাজপুত্র
    ২
    ৭
    ১৭. কায়স্থ ব্ৰাহ্মণ বৈশ্য ৯
    ১৮. কৈবর্ত ১. নিষাদ
    ২. শূদ্র
    ৩. ব্ৰাহ্মণ
    ৪. নিষাদ
    অয়োগব
    ক্ষত্রিয়
    শূদ্র
    মগধ
    ৫
    ২
    ৭
    ৯
    ১৯. গোপ ১. বৈশ্য
    ২. ক্ষত্রিয়
    ক্ষত্রিয়
    শূদ্র
    ২
    ৭
    ২০. ডোম লেট চণ্ডাল ৩
    ২১. তন্তবায় ১. শূদ্র
    ২. বিশ্বকর্মা
    ক্ষত্রিয়
    ঘৃতাচি
    ২
    ৩
    ২২. ধীবর ১. গোপ
    ২. বৈশ্য
    শূদ্র
    ক্ষত্রিয়
    ২
    ৪
    ২৩. নিষাদ ১. ব্রাহ্মণ
    ২. ব্ৰাহ্মণ
    ৩. ক্ষত্রিয়
    শূদ্র
    বৈশ্য
    শূদ্র
    কৌটিল্য
    ৬
    ৩
    ২৪. পোদ বৈশ্য শূদ্র ৩
    ২৫. মালাকার ১. বিশ্বকর্মা
    ২. ক্ষত্রিয়
    ঘৃতাচি
    ব্ৰাহ্মণ
    ৩
    ২
    ২৬. মাহিষ্য ক্ষত্রিয় বৈশ্য ৪, ১২
    ২৭. মোদক ক্ষত্রিয় শূদ্র ২
    ২৮. রজক ১. বৈদেহক
    ২. ধীবর
    ৩. করণ
    ব্রাহ্মণ
    তিবর
    বৈশ্য
    ৮
    ৩
    ২
    ২৯. বারুজীবী ১. ব্রাহ্মণ
    ২. গোপ
    শূদ্র
    তন্তুবায়
    ২
    ১৩
    ৩০. বৈশ্য ১. ব্রাহ্মণ
    ২. শূদ্র
    বৈশ্য
    বৈশ্য
    ৫
    ৬
    ৩১. শুঁড়ি ১. বৈশ্য তিবর ৩
    (৩) ১. বৌধায়ন ধর্মসূত্র, ২. বৃহদ্ধর্মপুরাণ, ৩. ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণ, ৪. গৌতম ধর্মসূত্র, ৫. মনুসংহিতা, ৬. মহাভারত, ৭. পরাশয়, ৮. সূত্র সংহিতা, ৯. উপাশন সংহিতা, ১০. বিষ্ণু ধর্মসূত্র, ১২. যাজ্ঞবল্ক্য, ১৩. জাতিমালা।

    পুরাণ ও ধর্মশাস্ত্রসমূহে বর্ণিত জাতিসমূহের উৎপত্তি-কাহিনি যে একেবারে কল্পনাপ্রসূত, সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। কেন না, প্রথমত পরস্পর- বিরোধী মতবাদ, ও দ্বিতীয়ত উত্তর ভারতের বর্ণবাচক জাতি হিসাবে ‘ক্ষত্রিয়’ ও ‘বৈশ্য’ জাতি কোনোদিনই বাঙলায় ছিল না। গুপ্তযুগের বহু লিপিতে ব্রাহ্মণ ব্যতীত বহু লোকের উল্লেখ আছে, কিন্তু এই সকল লিপিতে কেহ নিজেকে ক্ষত্রিয় বা বৈশ্য বলে দাবি করেননি। তবে পুরাণ ও ধর্মশাস্ত্রসমূহের বর্ণনা থেকে পরিষ্কার বুঝতে পারা যাচ্ছে যে, বাঙলার জাতিসমূহ যে মাত্ৰ নানাজাতির রক্তের মিশ্রণের ফসল তা নয়, পুনর্মিশ্রণেরও ফল।

    পরবর্তীকালে বাঙলায় যে সমাজবিন্যাস রচিত হয়েছিল, তা হচ্ছে ১. ব্রাহ্মণ, ২. বৈদ্য, ৩. কারস্থ, ৪. নবশাখ, ৫. অন্যান্য জাতি। যেসব জাতির হাতে ব্রাহ্মণরা জলগ্রহণ করে তারাই সবশাখ। তাদের অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে তিলি, তাঁতী, মালাকার, সদেগাপ, নাপিত, বারুই কামার, কুম্ভকার, গন্ধবণিক, মোদক। অন্যান্য জাতিসমূহ ছিল জল-অনাচরণীয়। সুবর্ণবণিকদের জল- আচরণীয় জাতির তালিকা থেকে বাদ দেবার কারণ সম্বন্ধে বলা হয় যে, বল্লভানন্দ নামে প্রসিদ্ধ সুবর্ণবণিক রাজা বল্লাল সেনকে অর্থ সরবরাহ করতে অসম্মত হওয়ায় বল্লাল সেন তাদের অবনমিত করেন।

    তিন.

    এবার আমরা বাঙলার জাতি, উপজাতি ও তফশীলভুক্ত জাতিসমূহের নৃতাত্ত্বিক জ্ঞাতিত্ব সম্বন্ধে আলোচনা করব। প্রথমেই এদের নৃতাত্ত্বিক পরিমাপ দেওয়া যাক।

    জাতি শিরাকার-জ্ঞাপক সূচক-সংখ্যা নাসিকাকার- জ্ঞাপক সূচক- সংখ্যা দেহ-দৈর্ঘ্য মিঃ মিঃ
    ব্রাহ্মণ (৪) ৭৮.৮ ৭০.৮ ১৬৭৬
    কায়স্থ ৭৮.৪ ৭০.৭ ১৬৩৬
    সদেগাপ ৭৮.৬ ৭৪.২ ১৬৩৩
    গোয়ালা ৭৭.৩ ৭৪.৬ ১৬৪৬
    কৈবর্ত ৭৭.৫ ৭৬.৬ ১৬২৯
    পোদ ৭৭.৮ ৭৬.৪ ১৬২৫
    রাজবংশী ৭৫.৪ ৭৬.৯ ১৬০৭
    বাগ্‌দী ৭৬.৪ ৮০.৮ ১৬০৩
    বাউবী ৭৫.১ ৮৪.৩ ১৫৮৫
    চণ্ডাল ৭৮.১ ৭৪.২ ১৬১৯
    মুসলমান ৭৭.৯ ৭৭.৫ ১৬৩৪
    সাঁওতাল ৭৬.১ ৮৮.৮ ১৬১৪
    মুণ্ডা ৭৪.৫ ৮৯.৯ ১৫৮৯
    ওরাঁও ৭৫.৪ ৮৬.১ ১৬২১
    মালপাহাড়িয়া ৭৫.৮ ৯৩.৬ ১৫৭৭
    (৪) ড. বিরজাশঙ্কর গুহ ক গৃহীত পরিমাপ হচ্ছে-
    ব্রাহ্মণ – ৭৮.৯ – ৬৭.৭ – ১৬৮০
    কায়স্থ – ৮০.৮ – ৬৮.৯ – ১৬৯০

    আপাতদৃষ্টিতে এটা মনে হবে যে, এরা কেউই বিস্তৃত-শিরস্ক নয়, সবাই নাতি-দীর্ঘশিরস্ক বা মাঝারি আকারের মাথার লোক। আগেই বলা হয়েছে যে, বাঙলায় আসবার পর আলপীয়রা বাঙলার দেশজ জাতিসমূহের সঙ্গে মিশে গিয়েছিল। দেশজ জাতিসমূহ দীর্ঘশিরস্ক নরগোষ্ঠীর লোক ছিল। সুতরাং এই সংমিশ্রণের প্রতিক্রিয়া গড়-পরিমাপের উপর প্রতিফলিত হয়েছে। সুতরাং বিভিন্ন জাতির অন্তর্ভুক্ত যে সকল ব্যক্তির পরিমাপ গ্রহণ করা হয়েছে, তাদের শিরাকার-জ্ঞাপক সূচক- সংখ্যার বিস্তৃতির (Range) দিকে নজর দিলে আমরা অন্য দৃশ্য দেখতে পাব। যেমন, যদিও ব্রাহ্মণদের গড় শিরাকার-জ্ঞাপক সংখ্যা ৭৮.৮, তথাপি যে সকল ব্রাহ্মণের পরিমাপ গ্রহণ করা হয়েছে, তাদের শিরাকার- জ্ঞাপক সূচক-সংখ্যার বিস্তৃতি হচ্ছে ৭২ থেকে ৮৭। অনুরূপভাবে কায়স্থদের শিরাকার-জ্ঞাপক সূচক-সংখ্যার বিস্তৃতি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮৮, এবং সদোপদের ঠিক ব্রাহ্মণদের মত ৭২ থেকে ৮৭। লক্ষ্য করা যাবে যে, যদিও ব্রাহ্মণ ও কায়স্থদের শিরাকার জ্ঞাপক সূচক-সংখ্যার গড় প্রায় একই, এবং বিস্তৃতির দিক থেকে যদিও ব্রাহ্মণ ও সদোপদের বিস্তৃতি এক, তথাপি এদের গড়ের মধ্যে মিল নেই। গড়ের পার্থক্য নির্ভর করেছে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে বিস্তৃত-শিরস্ক ব্যক্তির অনুপাতের কম বেশির উপর। বস্তুতঃ উপরে যেসকল জাতি ও উপজাতির পরিমাপ দেওয়া হয়েছে, তাদের সকলেরই মধ্যে বিস্তৃত-শিরস্কতা (তার মানে ৮০র উপর শিরাকার-জ্ঞাপক সূচকসংখ্যা) বর্তমান আছে। গড় যত নিচের দিকে গিয়েছে, সেই জাতির মধ্যে বিস্তৃত-শিরস্ক ব্যক্তির সংখ্যা তত কম। সেটা ঊর্ধ্বতম বিস্তৃত-শিরস্কের শিরাকার-জ্ঞাপক সূচক-সংখ্যা থেকেও প্রকাশ পায়। যথা, কৈবর্তদের মধ্যে ৮৭, পোদের ৮৫, চণ্ডালদের ৮৯, বাগদীদের ৮৩, বাউরীদের ৮১, ভূমিজদের ৮৪, সাঁওতালদের ৮৮, মুণ্ডাদের ৮১ ও ওঁরাওদের ৮৭। অনুরূপভাবে সবচেয়ে নিম্নতম দীর্ঘ- শিরস্ক ব্যক্তিদের শিরাকার-জ্ঞাপক সূচক-সংখ্যা-ও তাদের সংখ্যা পরিমাণ গড়কে প্রভাবান্বিত করেছে। যথা ব্রাহ্মণদের ৭১, সদেগাপদের ৭২, বাউরীদের ৭১, কায়স্থ, কৈবর্ত, পোদ ও চণ্ডালদের ৭০, বাগ্দীদের ৬৮, ভূমিজদের ৬৭, সাঁওতালদের ও মুণ্ডাদের ৬৯ ও ওরাঁওদের ৬৭। বস্তুতঃ বাঙলাদেশে নৃতাত্ত্বিক পর্যায়ের সংমিশ্রণ এমনভাবে ঘটেছে যে, পরবর্তীকালে পুরাণ-কারগণ বাঙলার জাতিসমূহকে সঙ্কর’ জাতি বলে অভিহিত করে অন্যায় কিছু করেননি।

    তবে একথা এখানে মনে রাখতে হবে যে, মাত্র শিরাকার-জ্ঞাপক সূচক-সংখ্যার উপর নির্ভর করে নৃতাত্ত্বিক জ্ঞাতিত্ব নিরূপণ করা যায় না। এর সঙ্গে নাসিকাকার-জ্ঞাপক সূচক-সংখ্যা ও দেহ-দৈর্ঘ্যের পরিমাপ ও বিচার করতে হয়। সেদিক থেকে দেখা যাবে যে, আমরা উপরে প্রদর্শিত জাতিসমূহের যে তালিকা দিয়েছি তাতে আমরা যত উচ্চশ্রেণি থেকে নিম্নশ্রেণির দিকে যাব, তত বেশি চওড়া নাক ও খাটো দেহ-দৈর্ঘ্য (উভয়ই আদি-অস্ত্রাল জাতির লক্ষণ) দেখতে পাব। নিচে আমরা বিভিন্ন জাতির শির ও নাসিকাকার-জ্ঞাপক সুচক-সংখ্যাসমূহের পরিসীমা দেখালাম—

    জাতি শির-সূচক সংখ্যা নাসিকা-সূচক সংখ্যা দেহ-দৈর্ঘ্য মিঃ মিঃ
    ব্রাহ্মণ ৭২-৮৭ ৫৮-১০০ ১৫৫০-১৭৩৪
    কায়স্থ ৭০-৮৮ ৫৬-৮৯ ১৫৪৪-১৮১০
    সদেগাপ ৭২-৮৭ ৫৫-৯৮ ১৫১০-১৭৮০
    কৈবর্ত ৭০-৮৭ ৬৩-১০৩ ১৪৯০-১৭৭৬
    পোদ ৭০-৮৫ ৬৩-৯১ ১৪৯০-১৮৫০
    চণ্ডাল ৭০-৮৯ ৬২-৮৯ ১৪৭২-১৭৩৪
    বাগদী ৬৮-৮৩ ৬২-১০০ ১৪৩৪-১৭২২
    ভূমিজ ৬৭-৮৪ ৭২-১১৩ ১৪৬০-১৭৮২
    সাঁওতাল ৬৯-৮৮ ৭৪-১১০ ১৫১০-১৭৭০
    মুণ্ডা ৬৯-৮১ ৭৪-১১২ ১৪৪৬-১৭১৮
    ওঁরাও ৬৭-৮৭ ৭০-১১৩ ১৪৮০-১৭৪8

    যাক, আমরা এবার গড়ের দিকে একটু বিচার করি। কায়স্থদের শিরাকার-জ্ঞাপক সূচক-সংখ্যা ও নাসিকাকার-জ্ঞাপক সূচক-সংখ্যা প্রায় ব্রাহ্মণদের সঙ্গে সমান। কিন্তু কায়স্থদের দেহ-দৈর্ঘ্য ব্রাহ্মণদের চেয়ে কম। সদোপদেরও শিরাকার-জ্ঞাপক সূচক-সংখ্যা ব্রাহ্মণ ও কায়স্থদের সঙ্গে প্রায় সমান, কিন্তু তাদের নাক কিছু বেশি প্রসারিত ও দেহ-দৈর্ঘ্য ব্রাহ্মণদের চেয়ে অনেক কম। গোয়ালা, কৈবর্ত ও পোদদের বিস্তৃত শিরস্কতা অনেক কম, কিন্তু নাক বেশি প্রসারিত, এবং দেহ-দৈর্ঘ্য গোয়ালাদের অপেক্ষা কৈবর্তদের কম, ও তাদের চেয়েও কম পোদদের। যদিও রাজবংশীদের নাক কৈবর্তদের সঙ্গে সমানভাবে প্রসারিত, তথাপি তারা নাতিদীর্ঘ-শিরস্ক ও কৈবতদের চেয়ে দেহ-দৈর্ঘ্যে অনেক খাটো। তবে রাজবংশীদের সঙ্গে যে মঙ্গোলীয় পর্যায়ের সংমিশ্রণ ঘটেছে, তা দৈহিক উচ্চতায় অনেক কম। সাঁওতাল ও মুণ্ডাদের নৃতাত্ত্বিক পরিমাপ দেখলে পরিষ্কার বুঝতে পারা যাবে যে, বাগ্দী ও বাউরীদের উপর আদি- অস্ত্রাল প্রভাব খুব বেশি পরিমাণে রয়েছে। পোদদের সঙ্গে বাঙলার মুসলমানদের বিশেষ নৃতাত্ত্বিক প্রভেদ নেই।

    আরও বলা দরকার, বাঙলার বিভিন্ন শ্রেণির ব্রাহ্মণদের মধ্যে নৃতাত্ত্বিক প্রভেদ বিশেষ কিছু নেই। নিচের তালিকায় প্রদত্ত পরিমাপ দেখলে এটা বুঝতে পারা যাবে।

    ব্ৰাহ্মণ শ্রেণি শিরাকার-জ্ঞাপক সূচক-সংখ্যা নাসিকাকার-জ্ঞাপন সংখ্যা দেহ-দৈর্ঘ্য মিঃ মিঃ
    রাঢ়ী ৭৯.৫ ৬৫.৮ ১৬৬১
    বারেন্দ্র ৮০.১ ৬৫.৩ ১৬৫৮
    পাশ্চাত্ত্য ৭৮.৯ ৬৪.১ ১৬৫৮
    বৈদিক দাক্ষিণাত্য ৭৯.৯ ৬৭.৫ ১৬৭৫

    বাঙলার বৈদ্যদের পরিমাপও অনেকটা এরূপ।

    অঞ্চল-ওয়ারী সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে যে রাঢ়, সমতট ও বঙ্গের উচ্চ জাতি-সমূহের মধ্যে গোল মাথা ও লম্বা দেহ, অন্যান্য জাতি ও মুসলমানদের চেয়ে বেশি পরিমাণে দৃষ্ট হয়। উচ্চ জাতিসমূহের মধ্যে যে আলপীয় উপাদান সবচেয়ে বেশি, তা এ থেকেই প্রমাণ হয়।

    তবে সংমিশ্রণ যে সব জাতেরই মধ্যে ঘটেছে, এবং এক জাতির মধ্যেও বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন রকমের সংমিশ্রণ ঘটেছে, তা নিচে প্রদত্ত রাজবংশীদের নৃতাত্ত্বিক পরিমাপ থেকে বুঝতে পারা যায়।

    শিরাকার-জ্ঞাপক
    সূচক-সংখ্যা
    নাসিকাকার-জ্ঞাপক
    সূচক-সংখ্যা
    দেহ-দৈর্ঘ্য
    মিঃ মিঃ
    ক. ক্ষত্রির রাজবংশী (জলপাইগুড়ি) ৭৬.২ ৭২.৮ ১৬০৮
    খ. দেশী রাজবংশী (পঃ দিনাজপুর) ৭৮.৩ ৭১.৫ ১৬০০
    গ. পলিয় রাজবংশী (মালদহ) ৭৬.৮ ৭৪.০ ১৫৯২
    ঘ. রাজবংশী (মুর্শিদাবাদ) ৭৭.৭ ৭৪.০ ১৬১০
    ঙ. রাজবংশী (চব্বিশপরগনা) ৭৫.৪ ৭৬.৯ ১৬১৭

    তবে একথা এখানে বলা প্রয়োজন যে, জলপাইগুড়ির রাজবংশীদের মধ্যে বৈশিষ্ট্যমূলক মঙ্গোলীয় চোখের খাঁজ (Epicanthic fold) লক্ষিত হয়। কিন্তু পশ্চিমদিনাজপুরে দেশি রাজবংশীদের মধ্যে উহার অভাব দেখা যায়। তা থেকে বুঝতে পারা যায় যে জলপাই-গুড়ির রাজবংশীদের সঙ্গে মঙ্গোলীয় রক্তের সংমিশ্রণ ঘটেছে, আর দেশি রাজবংশীদের সঙ্গে ঘটেছে দ্রাবিড় রক্তের সংমিশ্ৰণ।

    তবে নৃতাত্ত্বিক পরিমাপের সামান্য হেরফের থাকলেও আমরা কয়েকটি বিশেষ জাতির মধ্যে একটা নৃতাত্ত্বিক ঐক্য লক্ষ্য করি। ব্রাহ্মণ, বৈদ্য, কায়স্থ ও সদেগাপরা একই পর্যায়ের মধ্যে পড়ে। অনুরূপভাবে গোয়ালা, কৈবর্ত ও পোদরা একই শ্রেণিভুক্ত। চণ্ডালরা কেবল ব্যতিক্রম। আর সাঁওতাল, মুণ্ডা, ওঁরাও, মালপাহাড়িযা প্রভৃতি উপজাতিসমূহ একই পর্যায়ভুক্ত।

    আমরা উপরে যে, আলোচনা করেছি, তা থেকে আমরা যে সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি, তা হচ্ছে-

    ১. বাঙলার ব্রাহ্মণ, বৈদ্য, কায়স্থ, সদোপ প্রভৃতি উচ্চ জাতিসমূহের মধ্যে আলপীয় (আর্মেনয়ড সহ) উপাদানই প্রধান। তবে মিশ্রণও যথেষ্ট ঘটেছে। কুলজী গ্রন্থসমূহ অনুসারে বাঙলার রাঢ়ী শ্রেণির ব্রাহ্মণরা যে দাবি করেন, তাঁরা আদিশূর কর্তৃক কান্যকুব্জ থেকে আনীত পঞ্চব্রাহ্মণের বংশধর, তার পিছনে কোনোরূপ নৃতাত্ত্বিক সমর্থন নেই। উত্তর প্রদেশের ব্রাহ্মণরা দীর্ঘ-শিরস্ক। বাঙালি ব্রাহ্মণরা বাঙলার অন্যান্য জাতির নায় বিস্তৃত-শিরস্ক।

    ২. অন্যান্য জাতিসমূহের মধ্যে আলপীয় উপাদান আপেক্ষিকভাবে কম।

    ৩. তফশীলভুক্ত জাতিসমূহের মধ্যে দেশজ উপাদানই (আদি-অস্ত্রাল ও দ্রাবিড়) বেশি।

    ৪. উপজাতিসমূহ দুই পর্যায়ে বিভক্ত—

    ক. সাঁওতাল, মুণ্ডা ওঁরাও প্রভৃতি আদি-অস্ত্রাল।

    খ. উত্তরপূর্ব সীমান্তের উপজাতিসমূহ; যথা; লেপচা, ভুটিয়া প্রভৃতি মঙ্গোলীয় পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমহাভারত ও সিন্ধুসভ্যতা – অতুল সুর
    Next Article বাঙলা ও বাঙালীর বিবর্তন – অতুল সুর

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }