Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বাঙালী-টোলা – নিমাই ভট্টাচার্য

    নিমাই ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প47 Mins Read0
    ⤶

    ৫. মানুষ সুখে-দুঃখে যে ভাবেই থাক

    মানুষ সুখে-দুঃখে যে ভাবেই থাক, সময় কখনও দাঁড়িয়ে থাকে না। মানুষ অলস কর্মহীন থাকলেও ঘড়ির কাঁটা টিক টিক করে প্রায় অলক্ষ্যেই এগিয়ে চলে। পচা ভাদ্দরের মেঘে সারা আকাশ ছেয়ে থাকলেও সূর্য ঠিক সময়েই উদয় হয়, অস্ত যায়। শত সহয় মানুষের তর্জন-গর্জন বা চোখের জলে ফুল ফোঁটা মুহূর্তের জন্যও বিলম্বিত হয় না। সর্বত্যাগী উদার সন্ন্যাসীর মত সময় ও প্রকৃতি তাদের আপন সাধনায়, লীলাখেলায় মত্ত।

    হঠাৎ একদিন অবলাকান্তের খেয়াল হল, প্রয়াগ ত্যাগ করে আসার পর এই শহরে অনেকগুলি বছর কাটিয়ে দিয়েছেন। মন-মেজাজ ইদানীং ভাল যাচ্ছে না। সব সময় ঐ এক চিন্তা, যে খবর পর স্ত্রী বা ছেলেমেয়েরা পর্যন্ত জানতে পারেনি এবং ড্রাইভার বা দারোয়ান চাকর-বাকরদের পক্ষেও জানা অসম্ভব, সে খবর বাঙালীটোলায় ছড়িয়ে গেল কী করে? সর্বোপরি এ খবর কালেক্টর সাহেবের কাছে কে বা কারা পৌঁছে দিলেন?

    কালেক্টর সাহেব অনুরোধ করলে উনি হাসতে হাসতে স্কুলের জন্য দশ হাজার কেন, বিশ হাজারও দিতে পারতেন কিন্তু এই কেলেঙ্কারী চাপা দেবার জন্য টাকা দিয়েছেন বলেই অবলাকান্তের দুঃখ। মনে বেদনা।

    একবার তো উনি ভেবেছিলেন, সবার সামনেই বলবেন, যা করেছি, বেশ করেছি। আমি পুরুষ মানুষ তার উপর জমিদার। এবং স্বাস্থ্যবান ও অত্যন্ত সুদর্শন। সুতরাং যদি কোন সম্ভ্রান্ত ঘরের সুন্দরী স্বাস্থ্যবতী মহিলা স্বেচ্ছায় তাকে আনন্দদান করেন, তাহলে উনি কেন প্রত্যাখান করবেন?

    যাকগে। এসব নিয়ে অনেক মাথা ঘামিয়েছেন এবং স্কুলের জন্য দশ হাজার টাকা দান করার পর বাঙালীটোলার বাসিন্দাদের ধারণা হয়েছে, সুধাদেবী ও তার হতচ্ছাড়া ডেপুটি স্বামী অবলাকান্তর কাছ থেকে বেশ কিছু টাকা আত্মসাৎ করার জন্যই এই ধরনের একটা নোংরা গুজব ছড়িয়ে ছিলেন। যাইহোক কালেক্টর সাহেবের অশেষ কৃপায় সব ভাল ভালয় মিটে গেছে। শেষ পর্যন্ত উনি ডেপুটিকেও সাঁওতাল পরগণায় বদলী করে দিয়েছেন। তবুও আর এখানে ভাল লাগছিল না।

    কামিনীরঞ্জন মৃত্যুর কয়েক বছর আগে কাশীর বাঙালীটোলায় একটা বিরাট বাড়ি কেনেন এবং এই বাড়িটি কারুরই বিক্রির অধিকার নেই। শুধু বসবাস করার অধিকার আছে সব ছেলেমেয়ে ও তাদের বংশধরদের। তীর্থে গেলে দূর সম্পর্কের আত্মীয়-স্বজনরাও এখানে থাকতে পারবেন বলে কামিনীরঞ্জন উইল করে যান। বোধহয় কাশীর এই বাড়ির কথা ভেবেই অবলাকান্তের স্ত্রী বিন্দুবাসিনী দেবী বহুকাল ধরেই বলছিলেন, হ্যাঁগো, মোটরগাড়ি কেনার পর মাঝে মাঝে কয়েক দিনের জন্য দেওঘর-বৈদ্যনাথধাম যাওয়া ছাড়া আর তো কোথাও যাই না। চলো না, কিছুদিনের জন্য কোন তীর্থে ঘুরে আসি।

    উনি একটু থেমেই আবার বলেন, এই ছোট্ট শহরে থাকতে থাকতে সত্যি হাঁপিয়ে উঠেছি।

    অবলাকান্ত একটু হাসেন।

    হাসছ যে? সত্যি, এই ছোট্ট শহরে কী করে যে এক নাগাড়ে এতগুলো বছর কাটিয়ে দিলাম, তা ভাবলেও অবাক হতে হয়।

    সত্যি, অনেক বছর আমরা কোথাও যাই না।

    বিন্দুবাসিনীদেবী বলেন, হতচ্ছাড়া শহরে না আছে একটা মন্দির, আছে একটা ভাল রাস্তা বা বেড়াবার জায়গা। তাছাড়া অন্নপ্রাশন থেকে বিয়ে-পৈতে-শ্রাদ্ধ যে কোন অনুষ্ঠানেই যাই না কেন, সেই বাঙালীটোলার কয়েকটা পরিচিত মুখ ছাড়া একজন নতুন মানুষের মুখও এখানে দেখতে পাই না।

    অবলাকান্ত একটু হেসে বলেন, তুমি ঠিকই বলেছ। এখানে সব উৎসব-অনুষ্ঠানেই একই মানুষগুলোকে সব সময় দেখতে পাওয়া যায়।

    এবার বিন্দুবাসিনীদেবী একটা চাপা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলেন, সব চাইতে বড় কথা ছেলেমেয়েদের ঝামেলা আর সহ্য হচ্ছে না। খুব দূরে কোথাও একলা থাকতে পারলেই বোধহয় একটু শান্তিতে থাকতে পারতাম।

    অবলাকান্তও দীর্ঘনিঃশ্বাস না ফেলে পারেন না। বলেন, দুটো মেয়েকে বিয়ে দেবার পরও যে এত ঝামেলা সহ্য করতে হবে, তা আমি স্বপ্নেও ভাবিনি।

    তা ঠিক কিন্তু তোমার ছেলেরা যে এক একটি রত্ন তৈরি হয়েছে।

    অবলাকান্ত মুখ নিচু করে মাথা নাড়েন, মুখে কিছু বলেন না।

    সত্যি, ছেলেমেয়েদের নিয়ে ওদের দুশ্চিন্তার শেষ নেই। এখানে আসার পরই ওঁরা ছেলেমেয়েদের পাদ্রীদের স্কুলে ভর্তি করেন। প্রত্যেক ছেলেমেয়ের জন্যই আলাদা আলাদা গৃহ-শিক্ষক নিয়োগ করলেন কিন্তু কোন ছেলেমেয়েই না নিয়মিত স্কুলে যাবে বা বাড়িতে পড়বে। বড় পাদ্রী নিজে কতবার অবলাকান্তকে বলেছেন, রাজাবাবু, আপনার চিলড্রেনরা বহুত কামাই করে। আই আণ্ডারস্ট্যাণ্ড ওরা জমিদার বাড়ির ছেলেমেয়ে এবং আমরা ওদের স্পেশালী ট্রিট করি কিন্তু স্কুলের তো কিছু রুলস আছে।

    হা ফাদার, আমি তা বুঝি।

    আপনি প্লীজ ওদের বলবেন রেগুলারলি স্কুলে যেতে।

    নিশ্চয়ই বলব।

    থ্যাঙ্ক ইউ রাজাবাবু।

    ওরা স্বামী-স্ত্রী বার বার বলেও কোন ফল হয় না। ছেলেমেয়েরা দুদিন স্কুলে গেলে তিনদিন যায় না। ভাগ্যক্রমে স্কুলে গেলেও মাথা ধরা, পেট কামড়ানোর অজুহাতে অনেকেই অনেক দিন পুরোস্কুল করবে না। গৃহ-শিক্ষকরাও সকাল-সন্ধেয় নিয়মিত আসাযাওয়া করেন, চা-জল খাবার খান কিন্তু তারা অধিকাংশ দিনই ছাত্র-ছাত্রীদের দর্শন পান না।

    এইভাবেই বছরের পর বছর কেটেছে। অবলাকান্ত গোপনে গোপনে পাদ্রীদের স্কুলে প্রতি বছর কিছু দানধ্যান করে ছেলেমেয়েদের প্রমোসন ব্যবস্থা করেছেন। কী করবেন? সব ছেলেমেয়ে ফেল করলে ওর সম্মান থাকে কোথায়?

    মোহনবাগানের শীল্ড জয়ের খবর ছড়িয়ে পড়তেই বড় ছেলে সূর্যকান্ত অবলাকান্তকে বলল, বাবা, বাঙালীদেব ক্লাব মোহনবাগান সাহেবদের হারিয়ে শীল্ড জয় করেছে, সে খবর জানেন?

    শুনেছিলাম বটে।

    আমি কলকাতা যাব।

    তার সঙ্গে মোহনবাগানের শীল্ড জয়ের কী সম্পর্ক?

    ঠিক করেছি আমিও মোহনবাগানে খেলে সাহেবদের হারাব।

    জ্যেষ্ঠপুত্রের কথাবার্তার ধরন দেখেই ওঁর মেজাজ খারাপ হয়ে যায়। বলেন, সাহেবদের হারানো কী খুব মহৎ কাজ? নাকি জমিদারবাড়ির ছেলে হয়ে সাহেবদের বিরুদ্ধে খেলা খুব সম্মানজনক?

    মিনিটখানেক চুপ করে থাকার পর সূর্যকান্ত বলে, কিন্তু আমি ফাইনালি ঠিক করেছি মোহনবাগানে খেলব।

    অবলাকান্ত পুত্রের দিকে সোজাসুজি তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, আমাকে কী সেই খেলা দেখার নেমন্তন্ন করছ? নাকি আমাকেও খেলতে হবে?

    না মানে…

    কী বলতে চাও, চটপট বল। আমার অনেক কাজ আছে।

    আমাকে টাকা দিতে হবে।

    কেন?

    টাকা না দিলে ওরা আমাকে খেলতে দেবে কেন?

    অবলাকান্ত ভুরু কুঞ্চিত করে বড় কুমারকে জিজ্ঞেস করেন, ফুটবল গোল না চৌকো, তা তুমি জানো?

    কী যে বলেন আপনি? ফাদার বারোজকে জিজ্ঞেস করবেন, আমি কী দারুণ ফুটবল খেলি।

    আচ্ছা?

    সূর্যকান্ত বেশ গর্বের সঙ্গেই বলে, হ্যাঁ, উনিই তো আমাকে বলেছেন, আমি মোহনবাগানে চান্স পাবই।

    অবলাকান্ত একটু মৃদু হেসে বলেন, বাঃ! বড়ই আনন্দের কথা। এবার উনি নিজেকে দেখিয়ে বলেন, তাহলে এই বাঙালী ফাদারকে বিরক্ত না করে তোমার ঐ সাহেব ফাদারকেই বল টাকাকড়ি দিতে। প্রায় এক নিঃশ্বাসেই উনি বলেন, যাও, বিরক্ত কর না।

    হাজার হোক কামিনীরঞ্জনের নাতি। যাও বললেই কী চলে যায়? কত ঝগড়া-বিবাদ চিৎকার-চেঁচামেচি জিনিসপত্র ভাঙাচুরো করে শেষ পর্যন্ত সূর্যকান্ত সত্যি সত্যি হাজার হাজার টাকা নিয়ে কলকাতা গেল। কলকাতায় যাবার পরও শান্তি কী আছে? শেষ পর্যন্ত কেচ্ছা কেলেঙ্কারী!

    দ্বিতীয় পুত্র চন্দ্রকান্ত বেশ ভদ্র-সভ্য থাকলেও হঠাৎ একদিন তার মাথায় ভূত চাপল, উনি কবি হবেন। কার কাছ থেকে শুনেছিল, রবিবাবু পদ্মার উপর সুন্দর বাহারী নৌকায় বসে কাব্য রচনা করেন। ব্যস! সঙ্গে সঙ্গে তিনি পিতৃদেবের কাছে আবেদন পেশ করলে, বাবা, আমিও গঙ্গায় চাঁদনী রাতে বোটে বসে কাব্য রচনা করব।

    অবলাকান্ত না হেসে পারলেন না। বললেন, অতি সাধু প্রস্তাব কিন্তু বাবা, চাঁদের আলো তো আমাদের বারান্দায়, বাগানেও ছড়িয়ে পড়ে। সে সব জায়গায় বসে কাব্য রচনা হয় না?

    তাহলে আর রবিবাবু জোড়াসাঁকোর প্রাসাদ ছেড়ে পদ্মার বুকে ভেসে বেড়াতেন না।

    অকাট্য যুক্তি! লুকিয়ে একটা চাপা দীর্ঘশ্বাস ফেলে জিজ্ঞেস করলেন, তা বাবা কতদিন তুমি গঙ্গার বুকে ভেসে বেড়াবে?

    যতদিন ভাল লাগে।

    বাঃ! কিন্তু বাবা, আকাশে তো সব সময় চাঁদ থাকে না। চাঁদমামা পনেরো দিন ডিউটি দিয়ে পনেরো দিন ছুটিতে থাকেন। তখন তুমি কী করবে?

    অত ভাবিনি।

    অত না ভাবলে তো তোমাকে আমি রবিবাবু তৈরি করতে পারব না।

    এবার ভাবী কবিও ফোঁস করে ওঠে। বলে, এই জমিদারীতে আমারও অংশ আছে।…

    না, অবলাকান্ত আর সহ্য করতে পারেন না। দপ করে জ্বলে ওঠেন। বলেন, বেরিয়ে যাও আমার বাড়ি থেকে। গলা টিপলে দুধ বেরুবে আর এরই মধ্যে উনি জমিদারীর অংশ নিয়ে কথা বলছেন।

    ভাবী কবি মুহূর্তের মধ্যে অবলাকান্তের প্রাসাদ থেকে বেরিয়ে গেলেও কয়েক ঘণ্টা পর স্বয়ং কালেক্টর সাহেবকে নিয়ে ফিরে এল।

    ছি, ছি, সে কী কেলেঙ্কারী! বিচক্ষণ কালেক্টর সাহেব পিতা পুত্র দুজনকেই অনেক বোঝাবার চেষ্টা করলেন কিন্তু কোন ফল হল না। শেষ পর্যন্ত নগদ বিশ হাজার টাকা, বেশ কিছু জমিজমার দলিল ও যথেষ্ট গহনাপত্র নিয়েই হবু কবি চন্দ্রকান্ত গৃহত্যাগ করলেন।

    এখানেই নাটক শেষ হল না। পরদিন ভোরেই সারা বাঙালীটোলার ঘরে ঘরে আগুনের মত খবর ছড়িয়ে পড়ল, রাজবাড়ির গৃহ শিক্ষক আশু লাহিড়ীর মেয়ে লতাকে নিয়ে দ্বিতীয় কুমার সাহেব শহর ছেড়ে উধাও হয়েছে। এ দুঃসংবাদ অবলাকান্তর কানে পৌঁছতেই উনি আশুবাবুকে ডেকে পাঠালেন। বললেন, যা শুনছি তা কি সত্যি?

    আজ্ঞে, আপনার কথা ঠিক বুঝতে পারছি না।

    ন্যাকামী না করে সোজাসুজি বলুন, আপনার মেয়ে আমার ছেলেকে নিয়ে পালিয়েছে কিনা।

    আজ্ঞে না।

    আজ্ঞে না মানে? সারা বাঙালীটোলার মানুষ যে কথা জানে আর আপনি…

    আশুবাবু নিজে শিক্ষকতা করলেও ওঁদের বংশের সবাই ওকালতি করেন। জমিদার না হলেও প্রচুর ভূসম্পত্তির মালিক ওঁরা। ছোট খাট যুদ্ধ-বিগ্রহ করার অভ্যাস ভালই আছে। তাই উনি অবলাকান্তকে কথাটা শেষ করতে না দিয়েই বললেন, আজ্ঞে বাঙালীটোলায় যে খবর রটেছে, তা ঠিকই কিন্তু আমার মেয়ে আপনার ছেলেকে নিয়ে উধাও হয়নি…

    এবার অবলাকান্তর মুখ দিয়ে ইংরাজি গালাগালি বেরোয়, ননসেন্স।

    আজ্ঞে আমাকে কথাটা শেষ করতে দিন। আসলে আপনার ছেলেই আমার মেয়েকে নিয়ে উধাও হয়েছে।

    অবলাকান্ত অনেক তর্জন-গর্জন করলেও আশুবাবু বিন্দুমাত্র উত্তেজিত হলেন না। অত্যন্ত ধীর-স্থিরভাবে জমিদারবাবুকে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, ওসব বারেন্দ্র-রাঢ়ী নিয়ে তর্ক-বিতর্ক করে লাভ নেই।

    কেন? কেন?

    ওরা আর হিন্দু নেই। ব্রাহ্ম হয়েই ওরা বিয়ে করেছে।

    কথাটা শুনেই শান্তকাল বৈশাখীর মত অবলাকান্ত ফেটে পড়লেন কিন্তু হাতের পাখী বনে উড়ে গেলে কী আর ফিরে আসে?

    শুধু সূর্যকান্ত ও চন্দ্রকান্তকে নিয়েই অশান্তি না। অন্য তিন পুত্র ইন্দ্ৰকান্ত, নিশিকান্ত ও শ্রীকান্তকে নিয়েও ওদের স্বামী-স্ত্রীর কম ঝামেলা বা অশান্তি সহ্য করতে হয়নি বা হয় না। এক একটি এক এক অবতার।

    সৌখীন ইন্দ্ৰকান্ত যখন প্রথম সঙ্গীত চর্চায় আত্মমগ্ন হল, তখন বিন্দুবাসিনীই স্বামীকে বললেন, ম্যানেজারবাবু বলছিলেন, ওস্তাদজী বলেছেন, তোমার এই ছেলে গান-বাজনায় খুব নাম করবে।

    আগে নাম করুক, তারপর বল। অনেক দুঃখে অবলাকান্ত একটু ম্লান হেসে বললেন, তুমি সত্যি রত্নগর্ভা!

    এখন যত দোষ, নন্দ ঘোষ। তাই না? তোমার বাপ-ঠাকুর্দারা কী মহাপুরুষ ছিলেন, তা কী ভুলে গেছ? যে বাড়িতে বসে কথা বলছ, সে বাড়িটাও তো তোমার বাপের মেমসাহেব রক্ষিতার।

    আঃ! চুপ কর।

    দিন এগিয়ে চলে। বছরের পর বছর ঘুরে যায়। প্রিয় শিষ্যের সঙ্গীত বিদ্যায় অভূতপূর্ব উৎসাহ ও নিষ্ঠায় মুগ্ধ হয়ে ওস্তাদজী পাত তাড়ি গুটিয়ে রামপুর ফিরে গেছেন। কুমার ইন্দ্ৰকান্ত এখন নিজেই ওস্তাদ। বাঙালীটোলার কিছু রসিক ছোকরা তার একান্ত ভক্ত শিষ্য। রোজ সন্ধ্যেয় আসর বসে, চলে মধ্যরাত্রি পর্যন্ত। তবে খেয়াল-ঠুংরীর চর্চার চাইতে খামখেয়ালী করেই সময় কাটে। ওস্তাদজীর অনুপ্রেরণায় ও সক্রিয় সাহায্যে শিষ্যরাও একটু-আধটু পান করেন। উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত চর্চা করতে হলে ওটা নাকি অত্যন্ত জরুরী। বাঙালীটোলায় শিষ্যদের বাড়িতে বাড়িতে চাপা গুঞ্জন, মৃদু প্রতিবাদ, মাঝে মাঝে অশান্তি কিন্তু কোন ফল হয় না। ওস্তাদজীর চাইতে শিষ্যদেরই বেশি উৎসাহ, উদ্দীপনা। কখনও কখনও ওস্তাদজীও শিষ্যদের বাড়িতে হাজির হয়ে নানা রাগ-রাগিণী নিয়ে আলাপ আলোচনা করেন। শিষ্যদের বাড়ির লোকজনও তাতে খুশি হন। না হবার কোন কারণ নেই। ইন্দ্ৰকান্ত যে কখনই খালি হাতে শিষ্যদের বাড়ি যান না। কিছু না হলেও এক ঝুড়ি ল্যাংড়া আর দুআড়াই সের রাজভোগ নিশ্চয়ই নিয়ে যাবেন। সম্ভব হলে আরও অনেক কিছু কিন্তু সেদিন ইন্দ্ৰকান্ত বৃন্দাবন মুখুজ্যের স্ত্রীর হাতে একখানি সুন্দর গরদের শাড়ি তুলে দিতেই উনি অবাক–একি বাবা? হঠাৎ আমাকে গরদের শাড়ি দিচ্ছ কেন? আপনি তো দিনের অর্ধেক সময় পূজার ঘরেই কাটান। তা..ইন্দ্ৰকান্ত অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে নিবেদন করে।

    কিন্তু তাই বলে এত দামী গরদ?

    না, না মাসিমা, এসব কথা বলে লজ্জা দেবেন না। সুধাময়ের মত আমিও তো আপনার এক ছেলে!

    আহা হা! কি কথা! বৃন্দাবন-পত্নী আনন্দে গর্বে প্রায় কেঁদে ফেলেন আর কী! বলেন, সে তো একশ বার বাবা। তোমার মত ছেলে পেটে ধরতে পারলে তো ধন্য হয়ে যেতাম।

    শুধু সুধাময়ের মা না, সব শিষ্যের মা-রাই এখন ইন্দ্রনাথের শ্রদ্ধাভক্তি ও ব্যবহারে মুগ্ধ। ওদের সবার বাড়িতেই ইন্দ্রনাথের অবাধ গতি।

    …এই যে শোভা, মুকুন্দ আছে?

    এমন অপ্রত্যাশিত সৌভাগ্যে শোভা চমকে ওঠে। কোনমতে নিজেকে সামলে নিয়ে মুহূর্তের জন্য ইন্দ্ৰকান্তর দিকে তাকিয়ে বলে,

    না, দাদা তো নেই।

    ইন্দ্ৰকান্ত একটু গম্ভীর হয়ে কি যেন চিন্তা করে বলে, একটু দরকার ছিল। আচ্ছা

    আপনি চলে যাচ্ছেন?

    হ্যাঁ।

    দাঁড়ান, দাঁড়ান, মাকে ডাক দিই।

    আবার ওঁকে কষ্ট দেবার কী দরকার? তাছাড়া উনি নিশ্চয়ই কাজকর্মে ব্যস্ত আছেন।

    না, না, আপনি বসুন। আমি মাকে ডাকছি। শোভা প্রায় দৌড়ে ভিতরে যায়।

    এক মিনেটের মধ্যেই মুকুন্দর মা এসে বলেন, তুমি দাঁড়িয়ে কেন বাবা? আগে বসো।

    মুকুন্দ যখন নেই…

    সে নেই বলেই তুমি চলে যাবে? আমরা কী কেউ না?

    সেই শ্রদ্ধা, বিনয়ের সঙ্গে ইন্দ্ৰকান্ত বলে, আমি তো তা বলিনি মাসিমা।

    একটু মিষ্টিমুখ না করেই তুমি চলে যাবে, তাই কী হয়?

    আবার মিষ্টিমুখ…

    না, তুমি বাবা বসো। এবার উনি মেয়েকে বলেন, শোভা, ইন্দ্রকান্তকে বাতাস কর।

    উনি সঙ্গে সঙ্গেই ভিতরে চলে যান। শোভা ভিতর থেকে ঝালর দেওয়া একখানা হাতপাখা এনে বাস করতেই ইন্দ্ৰকান্ত একটু হেসে বলে, না না, হাওয়া করতে হবে না। তুমি বসো।

    শোভা মৃদু প্রতিবাদ করে, না না, শুধু শুধু বসে থাকব কেন?

    হ্যাঁ, তুমি শুধু শুধুই বসে থাকবে। আমি তোমাকে দেখব।

    আনত নয়নে শোভা বলে, আমাকে আবার কী দেখবেন?

    কী দেখব মানে? তোমার মত সুন্দরী মেয়ে এশহরে আর কে আছে?

    শুনে আনন্দে গর্বে শোভার বুক ভরে উঠে কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে লজ্জায় সারা মুখ লাল হয়ে যায়। ওর মুখ দিয়ে আর কথা বেরোয় না।

    ইন্দ্ৰকান্তই আবার কথা বলে, তোমাকে আমার খুব ভাল লাগে। ইচ্ছে করে তোমার সঙ্গে গল্প করি, তোমাকে গান শেখাই…

    আমারও গান খুব ভাল লাগে।

    তাই নাকি?

    হ্যাঁ।

    বেশ তো, আমি তোমাকে শেখাব।

    কিন্তু বাঙালীটোলার কোন মেয়ে তো গান শেখে না। আমি গান শিখলে যদি কিছু বলে?

    ইন্দ্ৰকান্ত অত্যন্ত বিচক্ষণ ব্যক্তির মত বেশ আত্মপ্রত্যয়ের সঙ্গে বলে, কী আর বলবে? তুমি তো চুরি করছ না?

    না, তা না কিন্তু…

    রবিবাবু যদি তার বীরভূমের আশ্রমে মেয়েদের গান শেখাতে পারেন, তাহলে তুমি আমার কাছে গান শিখলে দোষ কী?

    অকাট্য যুক্তি।

    এক থালা ফল-মিষ্টি নিয়ে মুকুন্দর মা ঘরে ঢুকতেই ইন্দ্ৰকান্ত বলল, মাসিমা, আমি শোভাকে গান শেখালে আপনাদের কোন আপত্তি নেই তো?

    প্রস্তাব শুনেই উনি বিস্মিত হন। মুহূর্তের মধ্যে বাঙালীটোলায় বিরূপ প্রতিক্রিয়ার কথা ভেবে নেন কিন্তু সরাসরি প্রত্যাখ্যান, নাকচ করতে সাহস হয় না। বলেন, সে তো সৌভাগ্যের কথা কিন্তু বাবা, বাঙালীটোলার মানুষদের তো তুমি চেনো…

    গান শেখা তো কোন অন্যায় না মাসিমা? তাছাড়া আমি তো কোন পেশাদারী গাইয়ে না।

    সে কী আর আমি বুঝি না বাবা! তবু একবার ওর বাবার সঙ্গে কথা বলে নেব।

    মেসোমশায়ের মতামত তো নিতেই হবে। তিনি অনুমতি না দিলে তো আমিও শেখাব না।

    শোভাই প্রথম, কিন্তু বছর খানেক ঘুরতে না ঘুরতেই বাঙালীটোলার পাঁচ-ছটি ঘর থেকে হারমোনিয়ামের আওয়াজ সারা পাড়ায় ছড়িয়ে পড়তে শুরু করল। শিষ্যরা মাঝে মাঝে অনুযোগ করে, ওস্তাদ! তুমি আজকাল আমাদের দিকে নজর দিচ্ছ না।

    আমাকে পছন্দ না হলে তোমরা অন্য কোন ভাল ওস্তাদের কাছে শিখতে পারো।

    ওরা সবাই এক সঙ্গে প্রতিবাদ করে, না না, ওস্তাদ, তোমার কাছে ছাড়া আর কারুর কাছে আমরা গান শিখব না।

    ইন্দ্ৰকান্ত ওদের বিনোদন ব্যবস্থা আরও একটু উন্নত করতেই সব শিষ্যরা চুপ। তাছাড়া ইতিমধ্যে ইন্দ্ৰকান্ত শিষ্যদের নিয়ে মুঙ্গেরের বাঈজীর কাছে গিয়ে সারারাত ধরে ঠুংরী শোনার পর তো শিষ্যরা ওর গোলাম হয়ে গেল।

    মেয়েদের গান শেখা নিয়ে বাঙালীটোলায় গুঞ্জন উঠলেও তা বাইরে আত্মপ্রকাশ করল না। তার একমাত্র কারণ ইন্দ্ৰকান্ত। সারা পাড়ার সব বাড়িতেই ওর যাতায়াত, সবার সঙ্গেই ওর ভাব। তাছাড়া গুরুজনদের প্রতি ও সব সময় শ্রদ্ধাশীল ও কথাবার্তায় অত্যন্ত বিনয়ী।

    ইন্দ্ৰকান্ত অত্যন্ত বুদ্ধিমান বলেই সব মেয়েকেই দু-একটা কীর্তন বা শ্যামাসঙ্গীত শিখিয়েছিল। ওরা মাঝে মাঝে বুড়ো-বুড়ীদের সেসব গান শোনাত বলে সারা পাড়ায় ইন্দ্ৰকান্তর জনপ্রিয়তা আরও বেড়ে গেল।

    একদিন মলিনা কথায় কথায় বলল, জানেন ইন্দ্ৰকান্তদাদা, সবাই আপনার প্রশংসা করে।

    তাই নাকি?

    হ্যাঁ। মলিনা একটু থেমে বলে, আপনার প্রশংসা শুনতে আমার খুব ভাল লাগে।

    কেন?

    ও মুখ নিচু করে বলে, তা বলতে পারব না কিন্তু সত্যি আমার ভাল লাগে।

    কিন্তু তুমি তো আমার প্রশংসা কর না।

    মলিনা মুহূর্তের জন্য ওর দিকে তাকিয়েই দৃষ্টি গুটিয়ে নিয়ে বলে, আমি প্রশংসা করলে যে লোকে নানা কথা বলবে!

    ন্যাকামি করে ইন্দ্রকান্ত জিজ্ঞেস করে, লোকে আবার কী বলবে?

    বলবে মানে সন্দেহ করবে।

    কী আবার সন্দেহ করবে?

    মলিনা প্রথমে বলতে চায় না কিন্তু ইন্দ্ৰকান্ত কয়েকবার অনুরোধ করার পর অত্যন্ত দ্বিধা ও কুণ্ঠার সঙ্গে বলে, সবাই সন্দেহ করবে আমি আপনাকে ভালবাসি।

    এবার ইন্দ্ৰকান্ত একটু ঘনিষ্ঠ হয়ে ওর মুখের কাছে মুখ নিয়ে খুব চাপা গলায় জিজ্ঞেস করে, কেন, তুমি আমাকে ভালবাসো না?

    মলিনা শুধু মাথা নেড়ে জানায়, হ্যাঁ।

    ইন্দ্ৰকান্ত সঙ্গে সঙ্গে ডানহাত দিয়ে ওর মুখখানি আলতো করে একটু তুলে ধরে বলে, তোমাকেও আমার খুব ভাল লাগে।

    আনন্দে গর্বে কৃতজ্ঞতায় মলিনা প্রায় আত্মহারা হয়ে যায়। মনে মনে একটু ভয়ও হয়, দ্বিধা করে। বলে, আমার মত সামান্য মেয়েকে আপনার কখনও ভাল লাগতে পারে না।

    হঠাৎ ইন্দ্ৰকান্ত দুহাত দিয়ে ওকে বুকের মধ্যে টেনে নিয়ে বলে, সত্যি মলিনা, তোমাকে আমার খুব ভাল লাগে।

    সে রাত্রে মলিনা দুচোখের পাতা এক করতে পারে না। স্বপ্ন দেখে, সানাই বাজছে, রাজবাড়ি আলোয় আলো, কত শত-সহস্র অতিথির আগমন হচ্ছে, অসংখ্য দাস-দাসীর দৌড়াদৌড়ি, স্বয়ং অবলা কান্ত ওকে আশীর্বাদ করছেন, বিন্দুবাসিনী স্নেহচুম্বন দিয়ে কোলে তুলে নিয়েছেন।

    আরও কত কি ভাবে। রাত কাটতে না কাটতেই সেই পরম আকাঙ্ক্ষিত তিথি, সেই অনুপম মাধুরী রাত। মদির দৃষ্টিপাতেই কী রোমাঞ্চ! স্পর্শে? আশ্চর্য শিহরণের ঢেউ বয়ে যাবে শরীর দিয়ে।

    তারপর?

    ধীরে ধীরে, তিলে তিলে মহানন্দে আত্মসমর্পণ। যৌবন-মানস সরোবরে দ্বৈত অবগাহন।

    তোমার কী শরীর খারাপ?

    মলিনা মাথা নেড়ে বলে, না।

    ইন্দ্ৰকান্ত প্রশ্ন করে, তবে তোমাকে দেখে ক্লান্ত লাগছে কেন?

    মলিনা মুখ নিচু করে একটু হেসে বলে, কাল সারারাত শুধু আপনার কথাই ভেবেছি। এক মিনিটের জন্যও দুটো চোখের পাতা এক করতে পারিনি।

    এবার ইন্দ্ৰকান্ত একটু হেসে বলে, তুমি তো শুধু কাল সারারাত আমার কথা ভেবেছ কিন্তু আমি যে বহু রাত জেগেই তোমার কথা ভাবছি।

    সত্যি?

    আমার কথা বিশ্বাস হচ্ছে না?

    না, না, তা কেন বিশ্বাস করব না? কিন্তু

    কিন্তু কী?

    আমার মত সামান্য মেয়েকে নিয়ে আপনার এত ভাবনা-চিন্তা করা কী ঠিক হচ্ছে?

    ইন্দ্ৰকান্ত আবার একটু হেসে বলে, মলিনা, ভালবাসার এই তো বিপদ!

    শুধু শ্রবণে বা গন্ধে-স্পর্শে কী কামিনীরঞ্জনের নাতির মন ভরে?

    ঘরে ঘরে ইন্দ্ৰকান্তর সঙ্গীত শিক্ষার আসর সত্যি বড় বেশী জমে উঠেছিল কিন্তু হঠাৎ বনবিহারী মুখুজ্যের নাতনী যোগমায়ার সঙ্গে তার সঙ্গীত শিক্ষক ইন্দ্ৰকান্তর বিয়েতে সবাই চমকে উঠলেন। তাছাড়া বিয়ের দুদিনের মধ্যে নবদম্পতি সুদূর রাজপুতানায় চলে যাওয়ায় সারা বাঙালীটোলায় গুঞ্জন উঠল। কেউ কেউ সরাসরি বনবিহারীবাবুকেও জিজ্ঞেস করলেন, কী ব্যাপার হে বনবিহার, হঠাৎ ওদের বিয়ে, হঠাৎ ওদের উধাও হয়ে যাওয়া কেমন যেন অস্বাভাবিক মনে হচ্ছে।

    বনবিহারী গড়গড়া টানতে টানতে বলেন, ওরে বাপু, নাতনীকে দেখে হঠাৎ অবলাকান্তর পছন্দ হল বলেই হঠাৎ বিয়ে হল। এতে আর অবাক হবার কী আছে?

    কিন্তু বিয়ের পর পরই ওরা এমন করে শহর ছেড়ে গেল বলেই নানাজনে নানা কথা বলছে।

    বনবিহারীবাবু বেশ গম্ভীর হয়েই বলেন, যারা নানা কথা বলাবলি করছে তারা তো জানেন যে রাজপুতানাতেও ওদের অনেক সম্পত্তি আছে। তাছাড়া ওখানে এক ওস্তাদের কাছে নাতজামাই গান শিখবে।

    পাড়ার লোকজন এই কৈফিয়ত শুনে ঠিক খুশি হয় না।

    বনবিহারীবাবু বলেন, ওরে বাপু, ইন্দ্ৰকান্ত তো আমার নাতনীকে নিয়ে পালিয়ে যায়নি। রীতিমত বৈদিক মন্ত্র পাঠ করে সাতপাক ঘুরে বিয়ে করেছে।

    উনি একটু দম নিয়ে বলেন, আসলে নাতজামাইয়ের প্রতি অনেকেরই লোভ ছিল। আমার নাতনীর সঙ্গে বিয়ে হয়েছে বলে অনেকেই তাই হিংসায় জ্বলে-পুড়ে মরছেন।

    বনবিহারীবাবু যাই বলুন না কেন, বাঙালীটোলার সবাই বুঝলেন, কান কেলেঙ্কারী ধামাচাপার জন্যই এমন তাড়াহুড়ো করে বিয়ে হবার পরই ওরা রাজপুতানা চলে গেছে।

    নিশিকান্ত ও শ্রীকান্তকে নিয়েও অবলাকান্ত ও তার স্ত্রী বিন্দু বাসিনীর অশান্তির শেষ নেই। তাই তো কিছুদিনের জন্য নিশ্চিন্তে থাকার আশায় ওরা দুজনে একদিন কাশী যাত্রা করলেন।

    ⤶
    1 2 3 4 5
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleব্যাচেলার – নিমাই ভট্টাচার্য
    Next Article প্রেয়সী – নিমাই ভট্টাচার্য

    Related Articles

    নিমাই ভট্টাচার্য

    মেমসাহেব – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    এ-ডি-সি – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    আকাশ-ভরা সূর্য-তারা – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    ডিপ্লোম্যাট – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    প্রিয়বরেষু – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    প্রেমের গল্প – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }