Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বাণী চিরন্তন – সম্পাদনা : ভবেশ রায় / মিলন নাথ

    মিলন নাথ এক পাতা গল্প529 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২৮. কাজ ও অবসর

    কাজ ও অবসর

    ১. সৎ কাজে তোমরা একে অন্যের প্রতিযোগিতা কর।

    –আল-কোরআন

    ২. তিনটি জিনিস মৃত ব্যক্তির পাছে পাছে যায়, তাহার আত্মীয়স্বজন, ধনদৌলত ও কর্ম। উহাদের দুইটি অর্থাৎ আত্মীয়স্বজন ও ধনদৌলত ফিরিয়া আসে এবং একটি অর্থাৎ শুধু কর্মই সঙ্গে সঙ্গে থাকে।

    –আল-হাদিস

    ৩. জীবনভর কাজ করে গেলাম বলে গৌরব করা উচিত নয়, কটা কাজ সুন্দর ও সুচারুভাবে নির্বাহ করলাম তার উপরই কৃতিত্বের দাবি করা উচিত।

    রিচার্ড হাডসন

    ৪. এক মুহূর্ত বিশ্রাম নাও আবার দীর্ঘ এক মাইল দৌড়াও।

    –বেনহাম

    ৫. যুক্তি দ্বারা হয়তো কোনো মানুষেরা মনে বিশ্বাস সৃষ্টি করা যায়, কিন্তু ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাজ করে কেউ কোনোদিন সুখী হতে পারে না।

    জনসন

    ৬. পরিশ্রম এবং বিশ্রাম যমজ ভাই।

    –এরিখ সেগাল

    ৭. যারা কাজ করতে চায় না, তারা কাজ করার পথও খুঁজে পায় না।

    অ্যালবার্ট হার্বার্ট

    ৮. মানুষের কল্যাণের জন্য কৃত প্রতিটি কাজ সম্মানজনক। উইলিয়াম ওয়াটসন ৯. সারা দিনের কাজের শেষে করণীয় বিষয়গুলো হল :

    (ক) আজ নতুন কী কাজটি করলেন। (খ) আজ নতুন কী শিখলেন। (গ) আজ কাকে সাহায্য করলেন। (ঘ) আজকের দিনের জন্য বিশেষ মূল্যবান কী কাজটি করলেন।

    হারবার্ট ক্যাশন

    ১০. মানুষ সাতটি লক্ষ্য সামনে রেখে কাজে উৎসাহ লাভ করে, সেগুলো হল :

    (ক) লাভের লক্ষ্য। (খ) প্রতিযোগিতার লক্ষ্য (গ) খ্যাতির লক্ষ্য। (ঘ) দেশসেবার লক্ষ্য (ঙ) কর্মে যোগ্যতা প্রদর্শনের লক্ষ্য (চ) স্ত্রী ও সাংসারিক লক্ষ্য (ছ) বিশেষ চরিত্রাধিকারীদের লক্ষ্য

    হারবার্ট ক্যাশন

    ১১. আমাদের জীবন একটি মুহূর্ত আর একটি মুহূর্তেরও কম, কিন্তু এই তুচ্ছ প্রকৃতিরও আছে দীর্ঘতর প্রকাশভঙ্গির তামাশা।

    –সেনেকা

    ১২. আমি পরিশ্রম দিতে জানি, আমার ভয় নেই। আমি জানি, কোন শ্রমিক কোটিপতি হয়েছিল। আমি জানি, পার্সেল বাঁধিয়ে ছেলেটা কী করে ধনী হল। জানি তাদের কথা যারা মাঠের রাখাল থেকে দার্শনিক হল, পঙ্গু হয়েও সম্রাট হল, পদাতিক থেকে সম্রাট হল।

    –হারবার্ট ক্যাশন

    ১৩. পৃথিবীতে অপরকে দিয়ে কাজ করানোর একটিমাত্র উপায় আছে। তা হল, কাজটি সম্পর্কে অপরের আগ্রহ জাগিয়ে তোলা, যাতে সে নিজেই কাজটি করতে চায়।

    –ডেল কার্নেগি

    ১৪. সদিচ্ছা নিয়ে যারা কাজে নামেন তাদের কাছে কেনো কাজই অসম্ভব বলে মনে হয় না।

    –জন. হে উড

    ১৫. ঘুম পরিশ্রমী মানুষকে সৌন্দর্য প্রদান করে।

    –টমাস ডেক্কার

    ১৬. বিশ্রমকে পরিশ্রমের মিষ্টি চাটনি বলা যায়।

    –প্লুটার্ক

    ১৭. যে পরিশ্রম করে, বিশ্রাম তারই জন্য আরামদায়ক।

    –বাটলার

    ১৮. কর্মহীন বার্ধক্য সবচেয়ে বেদনাদায়ক।

    –ফিল

    ১৮. কর্মদক্ষতাই সর্বপেক্ষা বড়গুণ।

    দাওয়ানি

    ২০. আমি শয্যাশায়ী অবস্থাতেও কিছু-না-কিছু কাজ করে যাব।

    –ডরোথিয়া ডিকস

    ২১. চেষ্টা ও কর্মের উপর মানুষের ভবিষ্যৎ গড়ে ওঠে।

    –বায়রন

    ২২. কর্মনিষ্ঠা মানুষকে সুপরিচিত করে।

    মিস্তি

    ২৩. একটা কাজ করতে গিয়ে যে দশটা কাজ জুড়ে দেয়, সে আসলে কাজ করার পদ্ধতি জানে না।

    ডব্লিউ. জি. উইলস

    ২৪. মানসিক প্রস্তুতি না নিয়ে কাজে নামলে সে-কাজ কখনো সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করা যাবে না।

    ইয়ং

    ২৫. যে-কাজ করে তৃপ্তি পাওয়া যায়, সে-কাজে আলস্য আসে না।

    কুপার

    ২৬. এই পৃথিবীতে কম বোঝা এবং বেশি কাজ করা ভালো।

    স্যামুয়েন্স

    ২৭. চালাকির দ্বারা কোনো মহৎ কর্ম হয় না।

    স্বামী বিবেকানন্দ

    ২৮. প্রচারণায় যে বিশ্বাসী নয়, নিঃসন্দেহে সে কাজে বিশ্বাসী।

    পিথাগোরাস

    ২৯. দুনিয়ার সকল চমৎকার ভাবপ্রবণতার চাইতে একটিমাত্র সুন্দর কাজের ওজন বেশি।

    জেমস্ রাসেল লেভেল

    ৩০. কাজের মধ্য দিয়ে সঙ্গী সৃষ্টি হয়।

    –গ্যেটে

    ৩১. তোমার কর্মই তোমাকে মহিমান্বিত করবে।

    লুইস মরিস ৩২. কাজে যে নিষ্ঠ, ব্যবহারে যে মার্জিত জীবনে তার উন্নতি হবেই। শিলার ৩৩. কর্মবিমুখ ও কল্পনাবিলাসী লোকেরা সংসারে দুঃখ পায় বেশি।

    টমাস ফুলার

    ৩৪. সেই কাজকেই ভালো বলা উচিত যার পরিণতি ভালো।

    –এ. ডব্লিউ. হেয়ার

    ৩৫. পরিকল্পনাবিহীন কাজে সাফল্য অনিশ্চিত।

    ইমারসন

    ৩৬. যার করার কিছুই নেই, তারই ব্যস্ততার ভান বেশি।

    এলিস ফ্রিম্যান

    ৩৭. কর্মহীন জীবন হতাশার কাফন জড়ানো একটি জীবন্ত লাশ।

    –ডেল কার্নেগি

    ৩৮. নেশার সঙ্গে পেশা কৃচিৎ মেলে। না মেলাই ভালো। নিত্য কর্মে নতুনত্বের স্বাদ নেই।

    আবদুর রহমান শাদাব

    ৩৯. কাজ জীবনকে দেয় উপভোগ্যতা।

    –আমিয়েল

    ৪০. কর্ম দুই রকমের হয়–এক অভাবের থেকে হয়, আর প্রাচুর্য থেকে হয়। অর্থাৎ প্রয়োজন থেকে হয় বা আনন্দ থেকে হয়। প্রয়োজন থেকে, অভাব থেকে আমরা যে কর্ম করি, সেই কর্মই আমাদের বন্ধন, আনন্দে যা করি সে তো বন্ধন নয়, বস্তুত সেই কর্মই মুক্তি।

    –রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    ৪১. উদ্দেশ্যহীন কাজে শ্রেষ্ঠ ক্ষমতার বিকাশ হয় না। লক্ষ্য স্থির হলে লক্ষ্যভেদের কৌশল আয়ত্ত করতে করতে সুপ্ত শক্তি জেগে ওঠে। আব্দুর রহমান শাদাব

    ৪২. কাজ না থাকলে মানুষের জীবন নিরানন্দ ও অর্থহীন হয়ে উঠত।

    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    ৪৩. মানুষ যতই কর্ম করছে ততই সে আপনার ভিতরকার অদৃশ্যকে দৃশ্য করে তুলছে, ততই সে আপনার সুদূরবর্তী অনাগতকে এগিয়ে নিয়ে আসছে।

    –রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    ৪৪. কাজ না করিয়া অনেকে সময় নষ্ট করে সন্দেহ নাই, কিন্তু কাজ করিয়া যাহারা সময় নষ্ট করে তাহারা কাজ নষ্ট করে, সময়ও নষ্ট করে।

    –রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    ৪৫. একজন সত্যিকারের কর্মী ব্যক্তিকে যদি সমুদ্রে ফেলে দেওয়া হয়, তা হলে দেখা যাবে, সে তার মুখে একটা মাছ নিয়ে উঠে এসেছে।

    আরবদেশীয় প্রবাদ

    ৪৬. কাজ না করার চেয়ে কাজ করে ক্ষতি স্বীকার করাও ভালো।

    –এলটিয়াস

    ৪৭. পরিশ্রমী মানুষের সুখ সবচেয়ে বেশি মাধুর্যমণ্ডিত।

    ওল্ড টেস্টামেন্ট

    ৪৮. দিন ছোট, কিন্তু মানুষের কর্ম ছোট নয়।

    স্যামুয়েল রাওল্যাণ্ড

    ৪৯. যার জীবনে শ্রমের যন্ত্রণা নেই, তার কিছু আশা করা উচিত নয়।

    কার্ভেণ্টিস

    ৫০. আগে কাজ করো, তারপর বিশ্রাম নাও।

    রাসকিন

    ৫১. ভালো কাজের চারটি অভ্যেস? (ক) জরুরি কাজের ফাঁইল ছাড়া অন্যসব ফাঁইল টেবিল থেকে সরিয়ে ফেলুন (খ) গুরুত্ব অনুযায়ী কাজে হাত দিন (গ) সমস্যা এলেই সমাধান করে ফেলুন, সাথে সাথে যদি সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ থাকে, সিদ্ধান্ত কখনো ফেলে রাখবেন না। (ঘ) সংগঠনের ক্ষমতা থাকতে হবে, কাজ করিয়ে নেয়া ও তার দেখাশোনা করতে হবে।

    —ডেল কার্নেগি

    ৫২. সাধ্যমতো ভালো কাজ করুন। নিজের মতো কাজ করে যান। সমালোচনার পাথর আপনাকে আঘাত দিতে পারবে না। সমালোচকরাই মুখ থুবড়ে পড়ে যাবে।

    –ডেল কার্নেগি

    ৫৩. দক্ষতা অর্জনের পথ হল : (ক) অপরের অভিজ্ঞতা স্মরণ করুন (খ) নিজের উদ্দেশ্য সামনে রাখুন (গ) সাফল্যের জন্য মনকে তৈরি করুন (ঘ) যতটা সম্ভব অভ্যেস করুন।

    —ডেল কার্নেগি

    ৫৪. যে কাজগুলো করা সবসময় সহজ হয় না–

    ক্ষমা চেয়ে নেয়া
    চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া
    পুনঃ আরম্ভ করা
    ভেবেচিন্তে সব কাজ করা
    নিজের ত্রুটি মেনে নেয়া
    সুবিবেচক হওয়া
    নিঃস্বার্থ হওয়া
    ভুল করেও লাভবান হওয়া
    উপদেশ নেয়া
    ক্ষমা নেয়া ও ক্ষমা করে দেয়া
    ভদ্রতা বজায় রাখা
    প্রাপ্য নিন্দা মাথায় তুলে নেয়া।

    হারবার্ট ক্যাশন

    ৫৫. আমরা যত কাজ করি তারচেয়ে আরও বেশি করে কাজ আমরা করতে পারি এবং আমরা যত বেশি কাজে ব্যস্ত থাকব, অবসর বিনোদনের সময় আমাদের তত বেশি বেড়ে যাবে।

    –হেজেল্টা

    ৫৬. মস্তিস্ক আমাদের সত্তরবছরে ঘড়ি। জীবন-দেবতা তাতে দম দিয়ে আটকে দেন, ডালা আর চাবিটা তুলে দেন পুনরুত্থানের দেবতার হাতে।

    ওলিভার ওয়েন্ডেল হোমস

    ৫৭. অলস লোকেরা অবসরের আনন্দ পায় না।

    –এমিলি ডিকেনসন

    ৫৮. যে কোনো কাজ করে না–শুধু যে সে-ই অলস তাই নয়, যে ছোটো কাজে আটকে আছে এবং বৃহত্তর ও মহত্তর কাজে যাকে ব্যবহার করা যেত সেও অলস।

    –সক্রেটিস

    ৫৯. অলস হয়ো না;
    দুঃখ কোরো না;
    তোমারই হবে আলো
    রহিবে সবার ঊর্ধ্বে;
    হও যদি মুমেনিন।

    –আল-কোরআন

    ৬০. উদ্যোগী হয়ে কোনো কাজ না করলে সে-কাজের সুফল পাওয়া যায় না।

    –মার্ক টোয়েন

    ৬১. বিশ্রাম করলেই আমি অকর্মণ্য হয়ে পড়ি।

    –মুসোলিনি

    ৬২. মহৎ কাজে ব্রতী যারা, তাঁদের আত্মত্যাগী হতে হয়।

    ফ্রেডারিক ভন

    ৬৩. যে শ্রমকে ভালোবাসে, শ্রমের সাধনা সে-ই করতে পারে।

    –জে. জি. হল্যান্ড

    ৬৪. যে-কোনো শ্রমেরই মূল্য আছে।

    –লুকাজ

    ৬৫. শ্রমিকদের উপর ঐ পরিমাণ কাজের দায়িত্ব চাপাবে, যা তারা সুচারুরূপে সম্পন্ন করতে পারে এবং তাদের শক্তি অনুসারে কাজ করতে দেবে, যাতে তাদের ঐরূপ কাজ করতে না হয়–যা তাদের স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর হতে পারে।

    –আল-হাদিস

    ৬৬. ভিক্ষা করার চেয়ে যে-কোনো সামান্য পেশাও শ্রেয়।

    –হযরত ওমর ফারুক (রা.)

    ৬৭. যে জাতির মানুষ শ্রমশীল, যাহারা জ্ঞান-সাধনায় আনন্দ অনুভব করে, তাহারাই জগতে শ্রেষ্ঠ স্থান অধিকার করে। কর্তব্যজ্ঞানহীন নীতিজ্ঞানশূন্য আলসে মানুষের স্থান জগতে সকলের নীচে থাকে। তাহারা জগতে অবজ্ঞার ভার, অসম্মানের অগৌরব নিয়ে বেঁচে থাকে। জগতের ধনসম্পদ জয় করতে হলে, জীবনের কল্যাণ লাভ করতে হলে পরিশ্রম ও সাধনা চাই।

    –ডা. লুৎফর রহমান

    ৬৮. মজুরের ঘাম শুকাইবার পূর্বে তাহার মজুরি দিয়া দাও।

    –আল-হাদিস

    ৬৯. শ্রম বিনা শ্রী হয় না।

    উপনিষদ

    ৭০. কেউ কেউ পরিশ্রম দ্বারা ভাগ্যকে এমনভাবে ঘোরাতে পারে যা অন্যের নিকট অলৌকিক মনে হবে।

    –টি. এইচ. বেইলি

    ৭১. ওরে বি. এ. এম. এ. পাশ করে
    নোকরী যদি নাহি মিলে।
    ভাবনা কেন কিসের ভয়
    মিশে যাওনা চাষার দলে

    মুকুন্দচন্দ্র দাস

    ৭২. চাকরি বাঙালিকে কায়িকশ্রমে বিমুখ, ব্যবসা-বাণিজ্যে অনুৎসাহী ও দুঃসাহসিকতায় পশ্চাৎপদ করেছে–এ অভিযোগ অতি পুরাতন ও বহুশ্রুত। সবচেয়ে শোকাবহ এই যে, নিশ্চিত আয়ের নিরাপদ ছত্রচ্ছায়ার মোহ দিয়ে চাকরি তাকে করেছে রিক্ততেজ, হতোদ্যম, ঐক্যহীন ও বাক্যসার।

    যাযাবর

    ৭৩. কর্মিষ্ঠ লোকের দোষ এই, অন্য লোকের কর্মপটুতার উপরে তাহাদের বড়ো একটা বিশ্বাস থাকে না। তাহাদের ভয় হয়, যে কাজ তাহারা নিজে না করিবে সেই কাজ অন্যে করিলেই পাছে সমস্ত নষ্ট করিয়া দেয়।

    –রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    ৭৪. কাজকে ভালোবাসলে কাজের মধ্যে আনন্দ খুঁজে পাওয়া যায়। –মার্শাল ৭৫. খুব ভাবিয়া-চিন্তিয়া কাজ করাকেই খোদাতা’আলা ভালোবাসেন।

    –আল-হাদিস

    ৭৬. এ ধরণী কর্মক্ষেত্র। কর্মের বর্ম পরি’
    তোমায় এগুতে হবে, বিধাতায় স্মরি’
    আপনার লক্ষ্য পানে! ওরে অন্ধ নর
    জীবন ব্যয়িত কর কর্মে নিরন্তর।

    সদরউদ্দিন

    ৭৭. তুমি কোথাও কোনো ভালো কাজ করো, উপকার করো, তবেই লোকে তোমার বদনাম করিবে। আমগাছে ফল ধরে বলিয়াই লোকে ঢিল মারে। ফজলি আম গাছে আরও বেশি মারে। শেওড়া গাছে কেউ ঢিল মারে না।

    –শেরে বাংলা

    ৭৮. হাতের কাছে যা পাও, তা-ই করো। বসে থাকার চাইতে ভোঁতা কাজও ভালো।

    –চার্লস কিংসলে

    ৭৯. কাজের মধ্যেই মানুষের মনুষ্যত্বের বিকাশ ঘটে।

    –টমাস ফুলার

    ৮০. বিনা কষ্টে ও শ্রমে কেনা যায় এমন কিছুই নেই সত্যিকার দামি।

    এডিসন

    ৮১. কর্ম থেকে কর্তৃত্বকে যতই দূরে পাঠানো যাবে, কর্ম ততই মজুরির বোঝা হয়ে মানুষকে চেপে মারবে।

    –রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    ৮২. কর্ম মানবজীবনের অনিবার্য পরিবেশ, মানবকল্যাণের প্রকৃত উৎস।

    টলস্টয়

    ৮৩. কর্মই বিরক্তি, পাপ ও দারিদ্র–এ তিনটি অমঙ্গল দূরীভূত করে।

    –ভলতেয়ার

    ৮৪. আমি আমার কর্তব্য করতে করতে ক্লান্ত, সেজন্য আমি সুখী এবং বিধাতাকে ধন্যবাদ জানাই।

    –জোসেফ হুফার

    ৮৫. হে মানুষ! হে মানুষ!
    কঠোর কর্তবব্রত বয়ে নিতে জীবনে তোমার
    কখনো কোরো না অস্বীকার
    কেননা এ পথে আছে বেহেশতের আস্বাদ অক্ষয়
    এ পথে স্রষ্টার চির সান্নিধ্য নৈকট্য মধুময়।

    ইকবাল

    ৮৬. যা-কিছু করা হয় ভালোবাসার প্রেরণায়, সেসব ঘটে শুভ আর অশুভের বাইরে।

    –নিৎসে

    ৮৭. মহৎ কর্ম তখনই সক্ষম যখন তা গোপন।

    –পাস্কাল

    ৮৮. ভালো জেনে লাভ নেই, যদি ভালো কর্মকে অবহেলা করা হয়।

    –পাবলিলিয়াস সাইরাস

    ৮৯. যা তোমার কর্মে আছে সেইটুকু তোমার অস্তিত্ব। তোমার কর্ম তোমার সত্তা, অন্য কোনো সত্তা তোমার নেই।

    –যা এক্সপারি

    ৯০. বুড়োরা যা বলে তুমি তা করতে পার না, নিজে যা পার সেটি খুঁজে বের করো। বুড়োর কর্ম বুড়োদের, নতুন কর্ম নতুনদের।

    –থরু

    ৯১. বিধাতার নিকট সবচেয়ে পছন্দনীয় কাজ হচ্ছে মানুষ হিসেবে মানুষের জন্য কিছু

    বেঞ্জামিন ফ্রাংকলিন

    ৯২. কাজে যে নিষ্ঠ, ব্যবহারে যে মার্জিত–জীবনে উন্নতি তার হবেই।

    –শিলার

    ৯৩. কর্মঠ লোক রাজা হবে, কিন্তু অলস চিরদিনই প্রজা থাকবে।

    হযরত সোলায়মান (আ.)

    ৯৪. তোমার বন্ধুজনকে দাও সময়, দয়িতাকে দাও অবসর, মনকে দাও আরাম, আর কে বিশ্রাম–যাতে তোমার অভ্যস্ত কর্মগুলো আরও ভালোভাবে সম্পাদন করতে পার।

    –ফাত্রদাসা

    ৯৫. অবকাশকে বুদ্ধিমত্তার সাথে ভরিয়ে তুলতে পারাই হচ্ছে সভ্যতার শেষ অবদান।

    বার্ট্রান্ড রাসেল

    ৯৬. অবসরময় জীবন আর অলসতাময় জীবন দুটো পৃথক জিনিস।

    –বেঞ্জামিন ফ্রাংকলিন

    ৯৭. আমাদের কর্ম নিশ্চিত করে আমাদের, যতটা না আমরা নিশ্চিত করি আমাদের কর্ম।

    –জর্জ এলিয়ট

    ৯৮. নিজেদের মহৎ কর্ম নিয়ে মানুষ ঘোষণা করে তাদের অহং, যদিও ওগুলোর বেশিরভাগই কোনো পরম নকশার নয়, আপতনের ফল।

    লা রাশফুকো

    ৯৯. বলা এক ব্যাপার, করা আরেক। আমাদের বোঝা উচিত শ্লোক আর ব্রাহ্মণের মধ্যে পার্থক্য কোথায়।

    –মতেইন

    ১০০. কাজের মধ্যে মধ্যে অবকাশ মেলে, কিন্তু পুরো অবকাশের মধ্যে অবকাশ বড় দুর্লভ।

    –রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    ১০১. অবসর হচ্ছে এমন একটা সময় যে-সময়ে প্রয়োজনীয় কিছু করে রাখা যায়।

    টমাস হুড

    ১০২. শক্তিসম্পন্ন ও কার্যে সক্ষম হইয়াও যে নিজের জন্য পরিশ্রম বা অপরের কোনো কার্য সম্পাদন করে না, আল্লাহ্ তাহার উপর প্রসন্ন নহেন।

    –আল-হাদিস

    ১০৩. একজন অলস মানুষ স্বভাবতই একজন খারাপ মানুষ।

    –এস. টি. কোলরিজ

    ১০৪. নিদ্রা, তন্দ্রা, ভয়, অলসতা আর রোষ,
    কার্যে বৃথা কাল ব্যয়–এই ছয় দোষ
    অবশ্যই পরিত্যাগ করিবে সে জন,
    এভাবে লভিতে লক্ষ্মী আছে যার মন।

    –তারাকুমার

    ১০৫. নির্দয় হবে না; কিন্তু কর্তব্যের বেলা নির্মম হতে হবে।

    –রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    ১০৬. সর্বদা তা-ই করো, যা করতে তুমি ভয় পাও।

    ইমারসন

    ১০৭. কর্মব্যস্ত লোকের জীবনে স্বপ্ন বলে কিছু থাকে না।

    ডব্লিউ. বি. রাটস

    ১০৮. যাদের কাজেকর্মে কোনো উৎসাহ নেই, তাদের সুন্দর স্বাস্থ্য সমাজ ও সংসারের কোনো কাজে আসে না।

    –এডমন্ড বার্ক

    ১০৯. কর্তব্য কী? যা একজন অন্যের নিকট আশা করে।

    –অস্কার ওয়াইল্ড

    ১১০. জনসাধারণের কর্তব্য করার সময় ব্যক্তিগত কোনো প্রয়োজনীয়তায় পথরোধ করে দাঁড়াবে না।

    ইউলিসেস এস. গ্রান্ট

    ১১১. কর্তব্য মনে করে অপরাধমুক্ত হও, ভয় দ্বারা নয়।

    ডেমোক্রিটাস

    ১১২. নিদ্রায় দেখি এক মধুর স্বপন
    কি সুন্দর মেলিনু আঁখি চমকিনু পুনঃ দেখি
    কঠোর কর্তব্য ব্রত জীবন যাপন।

    –এলেন এস. হুপার

    ১১৩. কর্মসাধনা পুণ্য মানুষকে বড় করে, শুধু প্রার্থনার আঁখি জলে নহে। খোদা শুধু আঁখিজলে ভোলেন না।

    –ডা. লুৎফর রহমান

    ১১৪. একটিমাত্র কাজ দিয়ে কাউকে ভালো বা খারাপ বলা যায় না।

    –টমাস ফুলার

    ১১৫. কিছু করার জন্য তোমার হাত যা-ই খুঁজে পাক না কেন, তা করো নিজের বলে।

    –বাইবেল

    ১১৬. আমি আমার ভাগ্যকে বিশ্বাস করি, কর্মকে বিশ্বাস করি। মানুষকে শুধু মানুষ হিসেবে বিবেচনা কোরো না, তার কর্ম দ্বারা বিচার করো।

    স্যার টমাস ব্রাউনি

    ১১৭. কর্মদক্ষতাই মানুষের সর্বাপেক্ষা বড় বন্ধু।

    –দাওয়ানি

    ১১৮. কর্মফল প্রত্যেককেই ভোগ করতে হবে।

    স্যামুয়েল দানিয়েল

    ১১৯. দুনিয়ার কাজে এমনভাবে মশগুল হও যেন তুমি চিরকালই বাঁচিয়া থাকিবে এবং আখেরাতের জন্য এমনভাবে কাজ করিয়া যাও যেন আগামীকালই তোমার মৃত্যু হইবে।

    –আল-হাদিস

    ১২০. অলসতার প্রতি আত্মসমর্পণ করার অর্থ নিজের অধিকার হতে স্বেচ্ছায় বঞ্চিত হওয়া।

    –হযরত আলি (রা.)

    ১২১. একটি কর্তব্য শেষ করার পুরস্কারই হল কর্তব্য সম্পন্ন করার জন্য শক্তি অর্জন

    –জর্জ এস. হুপার

    ১২২. কর্ম ও উপাসনার মধ্যে কোনো সম্পর্ক নাই–এই কথা যাহারা বলে তাহারা মানব-সমাজকে অধঃপতিত করে। কর্মকে উপাসনার মতো শুদ্ধ করিবার জন্য যে জীবন ব্যাপিয়া মানুষের ভিতর বাহিরে সংগ্রাম চলিবে, তাহাই মনুষ্যত্ব ও ধর্ম।

    –ডা. লুৎফর রহমান

    ১২৩. অনেকক্ষেত্রে মানুষ ভাবে এক, হয় আর এক। এরজন্য তার ভাগ্য দায়ী নয়, দায়ী তার কর্মফল।

    –কার্লাইল

    ১২৪. কর্মী যে, সে কাজ করেই তৃপ্ত হয়; কাজ করে সে কতটুকু লাভবান হল সেটা তার কাছে বড় নয়।

    –জেমস টমসন

    ১২৫. আমরা আমাদের কর্মকে যতটা নির্ধারণ করি, আমাদের কর্মও ঠিক ততটাই আমাদের নির্ধারণ করে।

    জর্জ ইলিয়ন

    ১২৬. স্বর্গের সুখ বা পার্থিব কোনো পুরস্কারের আশায় তুমি কার্য করিও না। যাহা কর্তব্য, ন্যায্য, তাহা তুমি অবশ্যই সম্পাদন করিবে, কেননা যাহা তোমার পক্ষে ‘কর্তব্য’ ও ‘সঙ্গত’ তাহা না করাই তোমার অধর্ম।

    –ইবনে রুশদ

    ১২৭. ধৈর্য ধর, ধৈর্য ধর, বাঁধ বাঁধ বুক
    শত দিকে শত দুঃখ আসুক, আসুক
    এ সংসার কর্মশালা
    জ্বলন্ত কালান্ত জ্বালা
    পুড়িতে হইবে খাদ থাকে যতটুক।

    –গোবিন্দ দাস

    ১২৮. যেমন চিবিয়ে না খেলে খাদ্যটাকে খাদ্য বলেই মনে হয় না, তেমনি হুড়মুড় করে কাজ করাকে কর্তব্য বলে উপলব্ধি করা যায় না।

    –রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    ১২৯. একটা দিনের খাটুনি হচ্ছে একদিনের খাটুনি, বেশিও না, কমও না। আর যে মানুষটি এই খাটুনি খাটে তার দরকার একটা দিনের খাদ্য, একটা রাতের বিশ্রাম এবং যথোচিত অবকাশ–সে চিত্রকরই হোক বা হলধরই হোক।

    –জর্জ বার্নার্ড শ

    ১৩০. কর্মফল ত্যাজি যুক্ত বৈরাগ্য সাধন।
    নৈষ্ঠকী শাস্তি সে, নহে সংসার বন্ধন।।।
    ফল্গু বৈরাগ্য যে কামকারী ফল।
    ফলকার্যে নিবন্ধন তাই সে দুর্বল।।
    বাহ্যে সর্বকার্য করে অন্তরে সন্ন্যাস
    সর্বকার্যে সুষ্ঠু করি সুখেতে নিবাস।।

    শ্রীমদ্ভগবদগীতা

    ১৩১. প্রয়োজন থেকে, অভাব থেকে আমরা যে কর্ম করি সেই কর্মই আমাদের বন্ধন, আনন্দ থেকে যা করি সে তো বন্ধন নয়–বস্তুত সেই কর্মই মুক্তি।………কর্মের মুক্তি আনন্দের মধ্যে এবং আনন্দের মুক্তি কর্মে।

    –রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    ১৩২. কোথাকার জন্মভূমি কোথাকার দেশ? কল্যাণ কর্মীর পৃথী, খোদার নির্দেশ।

    –আল-হাদিস

    ১৩৩. তাহারাই সকর্মী, যাহারা স্বীয় ক্রোধকে দমন করতে পারে এবং অপরকে ক্ষমা করতে পারে, যখন ক্ষমা করা বিধেয়।

    –আল-কোরআন

    ১৩৪. মানুষের আয়ু কম, কাজ বেশি। বুদ্ধিমান লোক জরুরি কাজেই তার জীবন ব্যয় করে।

    প্লেটো

    ১৩৫. সত্যের জন্য সংগ্রাম করা, দুঃস্থের সেবা করা–দুটিই সর্বোৎকৃষ্ট কাজ।

    টেনিসন

    ১৩৬. তুমি যে কাজই কর না–লজ্জা নাই। লজ্জা হয় অসৎ উপায়ে অর্থ উপার্জন করায়, ভিক্ষা করায় কিংবা মূর্খ হয়ে থাকায়।

    –ডাঃ লুৎফর রহমান

    ১৩৭. যার ঘুম নেই, তার মতো দুখি কেউ নেই।

    অস্কার হ্যারল্ড

    ১৩৮. যার রাত্রে ঘুম হয় না, সে নিঃসন্দেহে সুন্দরী নয়।

    –ক্রিস্টিনা রসেটি

    ১৩৯. ঘুম হচ্ছে মৃত্যুর সহোদর ভাই।

    ফ্রামিস কারলিন

    ১৪০. পরিশ্রমী লোকের নিকট সবচেয়ে সুখপ্রদ জিনিস হচ্ছে ঘুম।

    –জন বুলিয়ানা

    ১৪১. চাকুরিতে যশ, মান ও অর্থ আছে সত্য, কিন্তু অপমান ও লাঞ্ছনাও কম নয়।

    –শেখ সাদি

    ১৪২. হর্স পাওয়ার দিয়ে ইঞ্জিনের দাম বাড়ে, সিলিন্ডার দিয়ে মোটরগাড়ির। হীরার মূল্য দ্যুতিতে, চাপরাশীর তার তকমায়। সাবালক বাঙালির দাম নিরূপিত হয় চাকরির ওজনে। তার পক্ষে পদবির চাইতে পদের বিবরণটা গুরুতর। সাব-ইনস্পেক্টরের চাইতে ইন্সস্পেক্টর, ডিরেক্টরের চাইতে ডিরেকটর জেনারেল। শুধু শব্দে নয়, অর্থেও। যাযাবর

    ১৪৩. যে ছুটি নিয়মিত, তাকে ভোগ করা, আর বাধা পশুকে শিকার করা একই কথা। ওতে ছুটির রস ফিকে হয়ে যায়।

    –রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    ১৪৪. বিধাতা যেন আমাকে কাজের মধ্যেই ছুটি প্রদান করেন।

    –জন গে

    ১৪৫. অলস মস্তিস্ক শয়তানের কারখানা।

    অজ্ঞাত

    ১৪৬. স্নেহান্ধ হয়ে দায়িত্বকে এড়ানো অবিবেচকের কাজ।

    –পল রিচটার

    ১৪৭. যে-ভূমি কাহারও নহে, তাহার মালিক ঐ ব্যক্তি যে স্বীয় পরিশ্রম দ্বারা তাহা আবাদ করিয়া দখল করে।

    –আল-হাদিস

    ১৪৮. উত্তম উপার্জন হল শ্রমিকের উপার্জন, যদি সে মালিকের কল্যাণকামনার সাথে কাজ করে।

    –আল-হাদিস

    ১৪৯. পরিশ্রম তা যে-ধরনের হোক, তার একটা মূল্য আছে।

    –টমাস মিডলটন

    ১৫০. যে-জীবনে পরিশ্রম নেই, সে-জীবন যেন একটা গুরুতর অপরাধ এবং যে পরিশ্রম করায় আনন্দ নেই তা পশুত্ব।

    –রাসকিন

    ১৫১. বিনা পরিশ্রমে যা অর্জন করা যায়, তা দীর্ঘস্থায়ী হয় না।

    ইমারসন

    ১৫২. যে পরিশ্রমী সে অন্যের সহানুভূতির প্রত্যাশী নয়।

    –এডমন্ড বার্ক

    ১৫৩. পরিশ্রম হেদকে স্বাস্থ্যবান, মনকে স্বচ্ছ, হৃদয়কে পূর্ণ রাখে এবং আর্থিক সচ্ছলতা আনয়ন করে।

    –সি. সিমসন

    ১৫৪. বিধাতা প্রত্যক পাখিরই খাদ্যের সংস্থান করেন; কিন্তু খাদ্যদ্রব্যাদি পাখির বাসায় পৌঁছে দেন না।

    –জে. জি. হল্যান্ড

    ১৫৫. ঘুমন্ত সিংহের মুখে কখনো হরিণ প্রবেশ করে না। তাকে ছুটে গিয়ে শিকার করতে হয়।

    বি. সি. রায়

    ১৫৬. অতিমাত্রায় বিশ্রাম আপনা থেকেই বেদনাদায়ক হয়ে ওঠে।

    –হোমার

    ১৫৭. কোনো কাজ না করে সারাদিন শুয়ে-বসে সময় কাটানোকে বিশ্রাম বলে না।

    –টমাস লাভ পিকক

    ১৫৮. আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে, ফুল বিবর্ণ হয়ে যেতে পারে, কিন্তু মনীষীরা তাঁদের মহৎ কর্মের জন্য মানুষের হৃদয়ে অম্লান হয়ে থাকবেন।

    –আলফ্রেড অস্টিন

    ১৫৯. অতীতে করা একটি মহৎ কাজের স্মৃতি আজীবন তৃপ্তিদান করে।

    রবার্ট বার্টন

    ১৬০. শ্রমিকের শ্রম মানব সভ্যতার জনক। শ্রমকে তাই ভালবাসে শ্রমিক। আজকের দিনে যে ভয় তাদের সে ভয় শ্রমের নয়, সে ভয় তাদের নতুন “স্লেভ-ট্রেড” এর। যার ইভল্মশানে জন্ম নিয়েছে ধনিকের নতুন শোষণ। শ্বেতাঙ্গ ধনিক ও তাদের অনুচরেরা আজ আস্ত মানুষ চুরি করে বেচে না, আজ তারা কেনাবেচা করে তাদের শ্রম, চুরি করে তাদের মেহনত।

    খন্দকার মোঃ ইলিয়াস

    ১৬১. ঈশ্বরের বিশ্বাসের পরেই আসে শ্রমে বিশ্বাস।

    –ব্রোভো

    ১৬২. ব্যক্তি হিসেবে শ্রমিকদের কাজ বা চিন্তাধারা বিশেষ কিছু নয়, শ্ৰেণী হিসেবে শ্রমিকদের যে ঐতিহাসিক কর্তব্য সম্পাদন করতে হবে তার উপর তাদের বিশিষ্টতা নির্ভর করছে।

    –কার্ল মার্কস

    ১৬৩. বিনা পরিশ্রমে অর্জিত সম্পদ দুঃখজনক পরিণতি ডেকে আনে।

    মহিউদ্দিন

    ১৬৪. শ্রম ব্যতীত কিছুই লাভ করা সম্ভব নয়।

    –মঈনুদ্দিন চিশতি (রহ.)

    ১৬৫. সকার্য উহাই, যার বিনিময়ে মানুষের নিকট কোনোকিছুর প্রত্যাশা করা হয়

    –বাইবেল।

    ১৬৬. যে-জীবন সকার্যে ব্যয়িত নয়, সে-জীবন বিধাতার পছন্দ নয়।

    –মার্গারেট জে. প্রিসটন

    ১৬৭. মানুষের সর্বোকৃষ্ট বন্ধু হল তার হাতের দশটি আঙুল।

    রবার্ট কলিয়ার

    ১৬৮. যার জীবনে শ্রমের যন্ত্রণা নেই, তার কিছু প্রত্যাশা করা উচিত নয়।

    –কাভেন্টিস

    ১৬৯. বিরাম কাজেরই অঙ্গ একসাথে গাঁথা,

    নয়নের অংশ যেন নয়নের পাতা।

    –রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    ১৭০. আলস্য সংক্রামক।

    –রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    ১৭১. পরিশ্রমের পরে যেটুকু বিশ্রাম পাওয়া যায় সেটুকুই পরিশ্রমের পুরস্কারস্বরূপ।

    –জন রে

    ১৭২. যে পরিশ্রম করে, বিশ্রাম তারই জন্য আরামদায়ক।

    বাটলার

    ১৭৩. যে-ব্যক্তি নিজের জন্য কিংবা পরের জন্য পরিশ্রম করিতে পরামুখ, সে খোদার পুরস্কার হইতে বঞ্চিত।

    –আল-হাদিস

    ১৭৪. অতিরিক্ত পরিশ্রম জীবনে প্রতিষ্ঠা দেয় ঠিকই, কিন্তু আয়ুকে খর্ব করে।

    –কট গ্রেভ

    ১৭৫. সব ধনসম্পদের মূল উৎপত্তি হয়েছে প্ররিশ্রম থেকে।

    –জন লক

    ১৭৬. জ্ঞানীদের পরিশ্রমের কথা স্মরণ রাখতে হবে এবং তোমাদেরও তাঁদের মতো পরিশ্রম করতে হবে।

    –চার্লস কিংসলে

    ১৭৭. জীবনে কাজ করতে হলে সহিষ্ণুতা চাই, খোদার উপর বিশ্বাস করে সহিষ্ণু হয়ে পরিশ্রম করো, দুঃখের মেঘ তোমার মাথার উপর হতে সরে যাবে।

    –ডা. লুৎফর রহমান

    ১৭৮. যেখানে পরিশ্রম নেই, সেখানে সাফল্যও নেই।

    উইলিয়াম ল্যাংলেড

    ১৭৯. শরীরের পরিশ্রম অপেক্ষা মাথার পরিশ্রমের মূল্য বেশি। হাত-পাগুলি মাথার আদেশ অনুযায়ী পরিচালিত হয়। বুদ্ধিহীন মাথার আদেশ পালন করতে গিয়ে হাত-পাগুলির পদে পদে দুঃখ আর বিড়ম্বনা ভোগ করতে হয়।

    –ডা. লুৎফর রহমান

    ১৮০. পরিশ্রমী মানুষের মুখ সবচেয়ে মিষ্টি।

    –বাইবেল

    ১৮১. আমাদের একথা কখনোই ভুললে চলবে না যে, ভূমিকৰ্ষণই হচ্ছে মানুষের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ শ্রম।

    ডানিয়েল ওয়েবস্টার

    ১৮২. প্রাণিজগতে সবচেয়ে সম্মানিত হল মৌমাছি, সে পরিশ্রম করে শুধু এজন্য নয়, কারণ সে অন্যের জন্য পরিশ্রম করে–সেইজন্য।

    –সেন্ট ক্রাইশোসটম

    ১৮৩. ক্ষুধিত ও কর্মহীন ব্যক্তিরা ঈশ্বরের একমাত্র নির্দেশ মানিতে পারে যে, কর্মের বিনিময়ে খাদ্য পাওয়ার প্রতিশ্রুতি। ঈশ্বর মানুষকে শ্রম করিয়া খাদ্যসংগ্রহের জন্য সৃষ্টি করিয়াছেন এবং বলিয়াছেন, যে কর্ম ব্যতীত আহার করে, সে চোর।

    মহাত্মা গান্ধী

    ১৮৪. অবসর বিনোদন উন্নত ধরনের আনন্দ সম্ভোগ নয়, বরঞ্চ উপযুক্ত সময় ও স্থান-বিশেষে এটা প্রার্থনার সমতুল্য।

    –এম, আই. প্রাইম

    ১৮৫. আমাদের অলসতাই আমাদেরকে যুগ যুগ ধরে অপরের দাস করে রাখে।

    –হেনরি ফোর্ড

    ১৮৬. অলসদের পক্ষে পিপীলিকার জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা উচিত। কঠোর পরিশ্রম করে এরা জীবিকা সংগ্রহ করে এবং দুর্দিনের জন্য সঞ্চয়ও করে রাখে পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে।

    হযরত সোলায়মান (আ.)

    ১৮৭. অলসতা হল ভিক্ষাবৃত্তির চাবি ও অনিষ্টের মূলস্বরূপ।

    সুরজিওন

    ১৮৮. উন্নতি বলতে বর্তমান কাজ এবং ভবিষ্যতের দৃঢ় প্রত্যয় বোঝায়।

    –ইমারসন

    ১৮৯. হাজারো সমালোচকের মধ্যে যে সুষ্ঠুভাবে কাজ করে যায়, সে-ই যথার্থ কর্মী।

    –এ. ডব্লিউ. হ্যারি

    ১৯০. যাহার জীবন দীর্ঘ ও সকল কর্মই পুণ্যময় হয়, সে-ই সর্বাপেক্ষা ভালো এবং যাহার জীবন দীর্ঘ এবং যাহার কর্ম অসৎ সে-ই সর্বনিকৃষ্ট ব্যক্তি।

    –আল-হাদিস

    ১৯১. যে-কার্যে তোমার হৃদয় অটলতা ও সমতা লাভ করে, তাহাই সকার্য এবং মনুষ্য হইতে নিষ্কৃতি পাইয়াও যে-কার্যে তুমি সংশয়ে নিপতিত হও, তাহাই অসকার্য।

    –আল-হাদিস

    ১৯২. যে নিজের বা পরের জন্য কাজ করে না, সে আল্লাহর কোনো পুরস্কার পাবে

    –আল-হাদিস

    ১৯৩. এ জগতে শুভ কাজের অন্তরায় অনেক। শুভের পশ্চাতে অশুভ, আলোরে পশ্চাতে অন্ধকারের ন্যায় প্রতিনিয়তই পরিভ্রমণ করিতেছে।

    –মোজাম্মেল হক

    ১৯৪. কর্ম-উজ্জ্বল দিনগুলো প্রকৃতপক্ষে সোনালি দিন।

    –মিলটন

    ১৯৫. নহে সমাপ্ত কর্ম তোমার,
    অবসর কোথা বিশ্রামের?
    উজ্জ্বল হয়ে ফুটে নাই আজও
    সুবিমল জ্যোতি তৌহিদের।

    –আল্লামা ইকবাল

    ১৯৬. ধর্ম রাগে রাগিয়া যদি
    মানুষ কর্ম করে,
    উদার প্রাণে বাধিতে পারে
    নিখিল প্রেম ডোরে,
    কীর্তি তাহার বিশ্বজোড়া
    হবে না কভু লয়,
    কোথায় লাগে দেবতা সখা?
    কিসে করো ভয়।

    –শেখ ফজলল করিম

    ১৯৭. এ জগতে যারা বড় হয়েছেন, যাদের নাম করে মানুষ ধন্য হয়–যাঁরা সংসারকে বহু কল্যাণসম্পদ দিয়ে গিয়েছেন, তাঁরা জীবনে অনবরত কাজ করেছেন।

    –ডা. লুৎফর রহমান

    ১৯৮. তুমি যেদিন এ-পৃথিবীতে জন্মেছিলে তখন সবাই হেসেছিল, আর তুমি কেঁদেছিলে। তোমার কাজের দ্বারা এমন করো যাতে তুমি জগৎ হতে চলে যাওয়ার সময় কেউ হাসতে না পারে।

    –ভক্ত কবির

    ১৯৯. কোনো বিষয়ে সাফল্যের চাচিকাঠি হল কাজ। কাজই বহন করে আনে তার সাফল্য।

    হিটলার

    ২০০. বহু কিছু করার সংক্ষিপ্ত পথ হচ্ছে তৎক্ষণাৎ একটি কাজ শুরু করে দেওয়া।

    –এস, স্কাইলস

    ২০১. পাপ, তাপ, শোক, দুঃখ, অভাব, দীনতা,
    নর হয়ে নরে ঘৃণা, মোহ, অজ্ঞানতা,
    জড়তা, ভীরুতা, হিংসা, নীচতা, মাৎসর্য
    বদলিবে বিনাশিবে এই তব কার্য।

    –ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ

    ২০২. শরীর তো যাবেই, কুঁড়েমিতে কেন যায়? মরচে পড়ে পড়ে মরার চেয়ে ক্ষয়ে মরা ভাল। মরে গেলেও হাড়ে হাড়ে ভেলকি খেলবে, তার ভাবনা কি?

    –স্বামী বিবেকানন্দ

    ২০৩. কঠিন পরিশ্রমে মানুষ কখনো মরে না।

    –অজ্ঞাত

    ২০৪. করো নয়তো মরো।

    বার্নস

    ২০৫. প্রতিকূল অবস্থার মধ্যে কাজের চিন্তা করাই বড় জিনিস।

    ডেমোক্রিটাস

    ২০৬. দেখি এই চরাচরে
    যে যেমন কর্ম করে।
    তেমন সে ফল তার পায়।
    যে চাষা আলস্য ভরে
    বীজ না বপন করে
    পক্ক শস্য পাবে সে কোথায়?
    যদি তুমি ওহে ধীর
    ব্যথিতের অশ্রুনীর
    নিজ করে না কর মোচন,
    তব অশ্রু নিরখিয়া
    দুঃখী হবে কার হিয়া
    কে করিবে তাহা নিবারণ।

    –কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার

    ২০৭. যে কাজ করে না, তার খাওয়া অন্যায়।

    –সেন্ট পল

    ২০৮. অনেক কাজ একসঙ্গে করার সবচেয়ে সহজ উপায় হল, এক একটা কাজ এক একবার করা।

    সিসিলি

    ২০৯. যে রূপ করিবে কাজ কার্যেতে দেখাও
    বৃথা গর্বে কেন তাহা বলিয়া বেড়াও?
    পার করিতে যদি কর যাহা গান,
    কোথা পাইবে লজ্জা রাখিবার স্থান?

    –কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার

    ২১০. যদি কাজ নিতে হয়, কত কাজ আছে
    একা কি পারিব করিতে।
    কাঁদে শিশির বিন্দু জগতের তৃষ্ণা হরিতে
    কোন্ অকূল সাগরে জীবন সঁপিব
    একেলা জীর্ণ তরীতে।

    –রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    ২১১. যে-কোনো কাজ করার সময় এই মনে করে তা ভালোভাবে শেষ করো যে, এটাই হয়তো তোমার জীবনের শেষ কাজ।

    –জায়েজ

    ২১২. মানুষের শ্রেষ্ঠ কাজ হচ্ছে ভালো কাজ করা।

    –সোফোক্লেস

    ২১৩. যে-কাজ আরম্ভ করিয়াছ তাহা শেষ করিতে প্রাণপণ চেষ্টা করো, ক্লান্তি আসিলেও দ্বিগুণ উদ্যমে আবার চেষ্টা করো, এইরূপে ভাগ্যলক্ষ্মী তোমার প্রতি সুপ্রসন্ন হইবে।

    –মনুসংহীতা

    ২১৪. কাজের মতো সৎ সঙ্গী আর নেই। এই সঙ্গীই তোমার জীবনে প্রতিষ্ঠা আনতে সবচেয়ে সাহায্য করবে।

    –উইলিয়াম ফুলউড

    ২১৫. বিনে মাইনের কাজ কাজও নয়, ছুটিও নয়, বারো আনা ফাঁকি।

    –রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    ২১৬. টাকা নিয়ে যারা কাজ করে তারা সেই টাকার পরিমাণেই কাজ করে।………. কাজেই তাদের ছুটি নেই।

    –রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    ২১৭, তরুণদের দেবার মতো আমার তিনটি উপদেশ আছে–সে হচ্ছে, কাজ, কাজ আর কাজ করা।

    –বিসমার্ক

    ২১৮. কাজ কর্মীর স্বভাবের প্রতিচ্ছবি।

    স্যামুয়েল বাটলার

    ২১৯. জনসাধারণের জন্য সবচেয়ে উৎকৃষ্ট ও মূল্যবান কাজগুলো নিঃসন্তান ও অবিবাহিত লোকদের কাছ থেকেই সবচেয়ে বেশি এসেছে।

    বেকন

    ২২০. তুমি যে-কাজে নিযুক্ত হবে সে-কাজ মন দিয়ে ভালো করে করবে। কাজ যত সামান্যই হোক না কেন, সৎ, পরিশ্রমী ও বুদ্ধিমান লোক সেই কাজের দ্বারাই উন্নতি লাভ করবে। কোনো কাজেই নিজের আত্মসম্মান ছোট হয়েছে মনে করা মহা অপরাধ।

    বুকার টি, ওয়াশিংটন

    ২২১. ভগবান অতি উত্তমরূপে আপনাকে লুকিয়ে রেখেছেন, তাই তাঁর কাজ সর্বোত্তম। এইরূপ যিনি আপনাকে লুকিয়ে রাখতে পারেন, তিনিই সবচেয়ে বেশি কাজ করতে পারেন। নিজেকে জয় করো, তা হলেই সমুদয় তোমার পদতলে আসবে।

    স্বামী বিবেকানন্দ

    ২২২. গরম থাকতে লোহার উপর ঘা মারো–কুঁড়েমির কাজ নয়। ঈর্ষা, অহমিকাভাব গঙ্গাজলে জন্মের মতো বিসর্জন দাও। মহাশক্তিতে কার্যক্ষেত্রে অবতরণ করো ও মহাবলে কাজে লেগে যাও। কাজ, কাজ, কাজ–এই হল মূলমন্ত্র।

    –স্বামী বিবেকানন্দ

    ২২৩. যে বেশি ঘুমায়, ভাগ্য তাকে দূর থেকে বিদ্রূপ করে।

    –জন ভ্যান্স

    ২২৪. সুন্দর ঘুম সবরকমের যন্ত্রনার মহৌষধ।

    –শেলি

    ২২৫. সমস্ত বছরটাই যদি ছুটির দিন হত তা হলে খেলাধুলার কাজটাই কঠিন কাজের ব্যাপার হয়ে দেখ দিত।

    –শেক্সপীয়ার

    ২২৬. অবসরটা হল একটি সুন্দর পোশাকের মতো এবং সবসময় পরিধান করার জন্য নয়।

    –অজ্ঞাত

    ২২৭. একটি মেশিনের দ্বারা ৫০টি সাধারণ লোকের কাজ করা যেতে পারে। কিন্তু কোনো মেশিনের সাহায্যে একটি অসাধারণ লোকের কাজ করা যেতে পারে না।

    অ্যালবার্ট হার্বার্ট

    ২২৮. আল্লাহর চোখে ছোটবড় সবাই সমান। তিনি লোকের পদমর্যাদা দেখে বিচার করেন না, তাদের কাজ দেখে বিচার করেন।

    –হযরত আলি (রা.)

    ২২৯. স্বাস্থ্য আর আনন্দ একজন আরেকজনের পরম বন্ধু।

    –এডিসন

    ২৩০. তিনি গেছেন যেথায় মাটি ভেঙে
    করছে চাষা চাষ,
    পাথর ভেঙে কাটছে যেথায় পথ
    খাটছে বারো মাস।
    রোদ্রে জলে আছেন সবার সাথে
    ধুলা তাহার লেগেছে দুই হাতে
    তারি মতন শুচি বসন ছাড়ি
    আয়রে ধুলার পারে।

    –রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    ২৩১. তোমার হাতকে খারাপ কাজে ব্যবহার না করে অন্যকে সাহায্যের কাজে ব্যবহার করো, তোমার ঠোঁটকে অন্যের কুৎসা রটনার কাজে ব্যবহার না করে প্রার্থনার কাজে ব্যবহার করো।

    –অলিভার গোল্ডস্মিথ

    ২৩২. তুমি শার্টের প্রথম বোতামটি লাগাতে যদি ভুল কর তবে সঠিকভাবে বোতাম লাগানো আর সম্ভব হবে না।

    –জন এ শো

    ২৩৩. নিজের হাত ও পায়ের ওপর যে ভরসা করে, সে কোনোদিন ঠকে না।

    জন রে

    ২৩৪. কাজ-পাগল লোক কাজের মধ্যে যত আনন্দ পায় তত আর কিছুতেই পায়

    বেকন

    ২৩৫. যথেষ্ট নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও পরিশ্রম থাকা সত্ত্বেও আমি আমার জীবনটাকে সুন্দরভাবে সাজাতে পারলাম না।

    –অলিভার গোল্ডস্মিথ

    ২৩৬. আমাকে বুঝতে দাও আমার ভেতরে ক্ষমতা কতখানি, তা হলেই পায়ে জোর ফিরে পাব।

    –জন ম্যান্সফিল্ড

    ২৩৭. সবশ্রেণীর মানুষের জন্য কাজ করতে পারাটাই যথার্থ পারা।

    এডমন্ড স্পেনসার

    ২৩৮. যার বশ্যতার মধ্যে তোমার স্বার্থ নিহিত তার সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়ো না।

    অ্যারিস্টটল

    ২৩৯. আত্মত্যাগের মনোভাব যাদের নেই মহৎ কাজ তারা করতে পারবে না।

    –ফ্রেডারিক ভন

    ২৪০. দেহের বার্ধক্য তাকে দূর থেকে কুর্নিশ করে যার মনের বার্ধক্য আসেনি।

    জর্জ গ্রানভিল

    ২৪১. কর্মফল খোঁড়া হলেও সে একদিন আসবেই।

    ড্যানিয়েল ডিফো

    ২৪২. সুকর্মের সুগন্ধ স্থায়ী, তাই সহজেই হারিয়ে যায় না।

    –বেসিল

    ২৪৩. তুমি কোনোকিছু শেষ করতে চাইলে তার শুরুটা যথার্থভাবে করতে হবে।

    এমিল

    ২৪৪. সামান্য বিশ্রাম নাও, এবং মাইলের পর মাইল অতিক্রম করো।

    ডব্লিউ জি. বেনহাম

    ২৪৫. বিজ্ঞ ব্যক্তিরা কখনো অস্বাভাবিক কিছু করার উদ্যোগ নেন না।

    –মেসিংগার রেনে গ্যাডো

    ২৪৬. অলসতা হল মনের নিদ্রা।

    বাল ভেনারগাস

    ২৪৭. একজন মহৎ ব্যক্তির কাজ হল ঈশ্বরেরই মহৎ কাজ।

    পোপ

    ২৪৮. মহৎ কাজ কখনো হারিয়ে যায় না।

    ব্যাসিল

    ২৪৯. আমাদের প্রথমে অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। পরে অভ্যাসই আমাদেরকে গড়ে তুলবে।

    ড্রাইডেন

    ২৫০. ভালো কাজ করা হল মানুষের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।

    –সোফোক্লেস

    ২৫১. কল্পনায় বড় না হয়ে কাজে বড় হও।

    –শেক্সপীয়ার

    ২৫২. যে যা বলে বলুক, তুমি তোমার নিজের পথে চলো।

    দান্তে

    ২৫৩. চন্দ্র কহে বিশ্বে আলো দিয়াছি ছড়ায়ে,
    কলঙ্ক যা আছে তাহা আছে মোর গায়ে।

    –রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    ২৫৪. কে লইবে মোর কার্য, কহে সন্ধ্যা রবি–
    শুনিয়া জগৎ রহে নিরুত্তর ছবি।
    মাটির প্রদীপ ছিল; সে কহিল, স্বামী;
    আমার যেটুকু সাধ্য করিব তা আমি।

    –রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    ২৫৫. আজকের কাজ কালকের জন্য রেখে দিও না। কালকের কাজ আরও গুরুতর হয়ে দেখা দিতে পারে।

    সক্রেটিস

    ২৫৬. কোনো কাজ আরম্ভ করলে শেষ করতে দেরি হয় না।

    ক্যানিং

    ২৫৭. পরিশ্রম তা সে যে-ধরনেরই হোক না কেন, তার একটা মূল্য আছে।

    –টমাস মিডলটন

    ২৫৮. বিনা পরিশ্রমে যা অর্জন করা যায়, তা দীর্ঘস্থায়ী হয় না। ইমারসন

    ২৫৯. হে বৎস! এই দুনিয়ায় প্রথম যে পদক্ষেপ নেওয়া হয় তার উপরেই আমাদের পরবর্তী দিনগুলো নির্ভর করে।

    –ভলতেয়ার

    ২৬০. সামান্য বিষ মুহূর্তে মানুষের জীবনাবসান ঘটাতে পারে। অথচ বেঁচে থাকার জন্য জীবনব্যাপী মানুষকে কী সংগ্রামই না করতে হয়!

    –হেনরি হ্যারিসন

    ২৬১. আত্মাকে পরিপুষ্ট করার ক্ষমতা যার আছে, সে-ই যথার্থ অবসর ভোগ করে।

    স্যামুয়েল স্মালই

    ২৬২. অবসরকে বুদ্ধিমত্তার সাথে ভরিয়ে তুলতে পারাই হচ্ছে সভ্যতার শেষ অবদান।

    বার্ট্রান্ড রাসেল

    ২৬৩. অবসর হচ্ছে মূল্যবান কিছু চিন্তা করার উৎকৃষ্ট সময়।

    ক্রিস্টোফার

    ২৬৪. কর্মব্যস্ত সমাজে অবসর দান বা গ্রহণ প্রচলিত রীতি। কিন্তু যার নির্দিষ্ট কাজ নেই তার কর্ম-সমাপ্তির প্রশ্ন ওঠে না। দায় থাকলে দায়িত্বপালনের সমস্যা, দায়মুক্ত হলে কিংকর্তব্য হয় চিন্তার বিষয়।

    আবদুর রহমান শাদাব

    ২৬৫. অবসর মানে যথাকর্তব্য সমাপনের পর মনোভার মুক্তি।

    –আবদুর রহমান শাদাব

    ২৬৬. বিকৃত ক্ষুধার তাড়নায় ছুটোছুটি করার পর আত্মস্থ হওয়া কর্মক্লান্ত মানুষের নন্দিত অবসর।

    আবদুর রহমান শাদাব

    ২৬৭. কর্মব্যস্ত জীবনের মধ্যে অবসরের জন্যে একটু ঠাঁই করে রাখা ভালো। কারণ, মানুষ না দিলেও, সময় হলে প্রকৃতি অবসর দেবেই।

    আবদুর রহমান শাদাব

    ২৬৮. ছুটিকে যারা উপভোগ করতে পারে না, তাদের ছুটি ভোগ না করাই উচিত।

    –হ্যারি হগম্যান

    ২৬৯. সাপ্তাহিক ছুটি মানুষের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে। অবসর না মিললে গতি বাড়ে। পরিশ্রমের পর বিশ্রাম একান্ত জরুরি।

    –হুইটিয়ার

    ২৭০. দীর্ঘদিনের ছুটি মানুষকে অলস ও কর্মবিমুখ করে তোলে।

    বুদ্ধদেব গুহ

    ২৭১. আমি বড় ব্যস্ত, দুশ্চিন্তা করবার মতো সময় নেই।

    উইনস্টন চার্চিল

    ২৭২. দুশ্চিন্তা দূর করার এক নম্বর উপায় হল–ব্যস্ত থাকুন।

    –ডেল কার্নেগি

    ২৭৩. অবসর হচ্ছে মূল্যবান কিছু করার উৎকৃষ্ট সময়।

    ক্রিস্টোফার

    ২৭৪. উদ্বিগ্ন চিত্তের মানুষেরা কাজের চেয়ে অসলংগ চিন্তাই বেশি করে।

    জে. এন. ব্যারি

    ২৭৫. তুমি অন্য কিছু চিন্তা না করে শুধুমাত্র তোমার কর্তব্যসমূহ যথাযথভাবে পালন করে যাও, পুরস্কৃত হবেই।

    নরমান ডগলাস

    ২৭৬. সকালে চিন্তা করো, দুপুরে কাজ করো, সন্ধ্যায় খাও এবং রাত্রে ঘুমাও।

    উইলিয়াম ব্লেক

    ২৭৭. প্রয়োজনীয় কিছু চিন্তা করার জন্য অবসরই হচ্ছে উপযুক্ত মুহূর্ত।

    স্যামুয়েল স্কাইল

    ২৭৮. বিশ্বাস হইতেছে আত্মার খাদ্য। বিশ্বাস হইতে চিন্তা এবং চিন্তা হইতে কার্যের উৎপত্তি। প্রত্যেক মানবের কার্যই তাহার বিশ্বাসের অনুরূপ হইবে।

    ইসমাইল হোসেন সিরাজী

    ২৭৯. এমন মানুষ পৃথিবীতে কেউ জন্মায়নি, যার কাজ তার সঙ্গে সঙ্গে জন্মায়নি।

    –জেমস রাসেল লোওয়েল

    ২৮০. আমরা খাঁটি হতে পারি যদি আমাদের কর্ম হয় খাঁটি, বিনয়ী হতে পারি যদি আমাদের কর্ম হয় বিনয়ী, সাহসী হতে পারি যদি আমাদের কর্ম হয় সাহসী।

    –অ্যারিস্টটল

    ২৮১. আলস্য আর অকর্মণ্য জীবন এক কথা নয়, কিন্তু যাহাকে অকর্মণ্য জীবন বল তাহারই অপর অর্থ আত্মদ্রোহ, সমাজদ্রোহ ও বিশ্বদ্রোহ। অতএব যে অলস, সে ত্রিবিধ অপরাধেই সর্বপ্রকার দণ্ডাৰ্হ ও নিগ্রহভাজন।

    –কালীপ্রসন্ন ঘোষ

    ২৮২. হাতে মুখে কাজে যেন থাকে এক যোগ
    সহসা না হয় যেন কটুভাষী রোগ
    মন দিয়া লেখাপড়া করিও যতনে
    তৎপর থাকিও মাতা-পিতার বচনে
    আদরে তুমিও তব প্রিয় বন্ধু জনে
    লিখিত বচনগুলি রেখ সদা মনে।

    –আরজ আলী মাতুব্বর

    ২৮৩. আমরা যত কাজ করি তার চেয়ে আরো বেশি করে কাজ আমরা করতে পারি, এবং কাজে যত বেশি ব্যস্ত আমরা থাকবো, অবসর বিনোদনের সময় আমাদের তত বেশি বেড়ে যাবে।

    –হেজেল্ট

    ২৮৪. সকাজে তোমরা একে অন্যের প্রতিযোগিতা কর।

    –আল-কোরআন

    ২৮৫. কাজ যত সামান্যই হোক না কেন, পরিশ্রমী আর বুদ্ধিমান লোক তা দিয়ে জীবনে উন্নতি লাভ করবে।

    বুকার ওয়াশিংটন

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনাঙ্গা তলোয়ার – এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    Next Article মতি নন্দী কিশোর সাহিত্য সমগ্র ২য় খণ্ড
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }