Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বাণী চিরন্তন – সম্পাদনা : ভবেশ রায় / মিলন নাথ

    মিলন নাথ এক পাতা গল্প529 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩৩. আবহমানকালের বাণী

    আবহমানকালের বাণী

    ১. অনাবৃষ্টে রাজ্য মজে, পাপে মজে ধর্ম।
    কোটালে গৃহস্থ মজে, আলস্যে মজে কর্ম।

    ২। অতি বড় ঘরণী না পায় ঘর,
    অতি বড় সুন্দরী না পায় বর।

    ৩। অজ্ঞানে করে পাপ, জ্ঞান হলে সরে,
    সজ্ঞানে করে পাপ, সঙ্গে সঙ্গে ফেরে।

    ৪। অনভ্যস্তা বিষং বিদ্যা বৃদ্ধস্য তরুণী বিষম।
    আরোগে তু বিষং বৈদ্যা হৃজীর্ণে ভোজনং বিষম।

    (অনুবাদ ও অনভ্যস্ত বিদ্যা বিষের তুল্য, যুবতী নারী বৃদ্ধের কাছে বিষবৎ, নীরোগ ব্যক্তির পক্ষে বৈদ্য বিষবৎ, কারণ তিনি দুষ্টবুদ্ধিসম্পন্ন হলে রোগসৃষ্টি করতে পারেন, এবং ভুক্তদ্রব্য হজম হওয়ার আগে পুনরায় ভোজন করলে বিষবৎ ক্রিয়া করে।)

    ৫। অকাল গেল, সুকাল গেল, পাকল কাঁঠাল কোষ
    আজ বন্ধু ছেড়ে যাও দিয়ে আমার দোষ।

    ৬. অকাজে বউড়ি দড়,
    লাউ কুটতে খরতর।

    ৭। অকালে খেয়েছে কচু,
    মনে রেখো কিছু কিছু।
    অকালে না নোয় বাঁশ,
    বাঁশ করে ব্ল্যাশ ব্ল্যাশ।

    ৯। অকেজোর তিন কাজ বড়
    ভোজন নিদ্রা ক্রোধ দড়।

    ১০। অগ্নি ব্যাধি ঋণ,
    তিনের রেখো না চিন।

    (ব্যাখ্যা ও আগুন নিবিয়ে ফেলা, রোগ সারিয়ে ফেলা ও ঋণ শোধ করে ফেলা কর্তব্য।)।

    ১১। অঘটির (বা আদেখলের) ঘটি হল,
    জল খেতে খেতে প্রাণটা গেল।

    ১২। অজাযুদ্ধে ঋষি শ্রাদ্ধে প্রভাতে মেঘ ডম্বরে।
    দাম্পত্যোঃ কলহে চৈব বহ্বারম্ভে লঘুক্রিয়া।

    (অনুবাদ : ছাগলের লড়াইয়ে, মুনিদের শ্রাদ্ধে, প্রভাতে মেঘগর্জনে এবং স্বামী-স্ত্রীর কলহে প্রথমে কিছুটা বাড়াবাড়ি হলেও ফল সামান্যই হয়।)

    ১৩। অতি চালাকের গলায় গড়ি
    অতি বোকার পায়ে বেড়ি।

    ১৪। অজ্ঞানের কালে জানে না,
    অমানুষের কালে মানে না।

    (ব্যাখ্যা : শিশু বুঝতে পারে না বলেই দোষ করে, কিন্তু মনুষ্যত্বহীন লোক দোষকে দোষ বলে জেনেও তা গ্রাহ্য করে না।)

    ১৫। অতি প্রণয় যেখানে;
    নিত্য যাবে না সেখানে;
    যদি যাবে নিত্য
    ঘটবে একটা কীর্তি।

    ১৬। অতি বড় সোদর,
    তিন দিন করবে আদর।

    ১৭। অতি বাড় বেড়ো নাকো ঝড়ে ভেঙে যাবে।
    অতি ছোট হয়ো নাকো ছাগলে মুড়াবে।

    ১৮। অনেক কালের ছিল পাপ,
    ছেলে হল সতীনের বাপ।

    ১৯। অনেক খাবে তো অল্প খাও,
    অল্প খাবে তো অনেক খাও।

    ২০। অল্প দেখে দেবে ঘি,
    পাত্র দেখে দেবে ঝি।

    ২১। অন্ন নাই যার ঘরে,
    তার মানে কিবা করে।

    ২২। অন্ন বিনা চর্ম গড়ি,
    তৈল বিনা গায়ে খড়ি।

    ২৩। অন্নের জ্বালা বড় জ্বালা,
    একদিনে লাগে তালা।

    ২৪। অবাক কল্লে না নাকের নথে,
    কাজ কি আমার কানবালাতে।

    ২৫। অবুঝে বুঝাব কত বুঝ নাহি মানে,
    পেঁকিরে বুঝাব কত নিত্য ধান ভানে।

    ২৬। অবোধারে মারে বোধায়,
    বোধারে মারে খোদায়।

    ২৭। অভদ্রা বরষা কাল, হরিণী চাটে বাঘের গাল,
    শোনরে হরিণী তোরে কই, সময় গুণে সবই সই।

    ২৮। অভাগা চোর যে বাড়ি যায়।
    হয় কুকুর ডাকে নয় রাত পোহায়।

    ২৯। অভাগার ঘোড়া মরে।
    ভাগ্যবানের মাগ (স্ত্রী) মরে।

    ৩০। অভাগিনীর দুটো পুত,
    একটা কানা, একটা ভূত।

    ৩১। অরাধুনির হাতে পড়ে রুই মাছ কাঁদে,
    জানি রাঁধুনি মোর কেমন করে রাধে।

    ৩২। অলক্ষ্মীর নিদ্রা বেশি কাঙালের ক্ষুধা বেশি।

    ৩৩। অল্প বৃষ্টিতে কাদা হয়,
    বেশি বৃষ্টিতে সাদা হয়।

    ৩৪। অশ্বথের ছায়াই ছায়া,
    মায়ের মায়াই মায়া।

    ৩৫। আগে আপন সামাল কর,
    শেষে পরকে গিয়ে ধর।

    ৩৬। আগে না বুঝলে বাছা যৌবনের ভরে,
    পশ্চাতে কাঁদিতে হবে নয়নের ঝোরে।

    ৩৭। আগে ভাল ছিল জেলে জাল দড়া বুনে,
    কী কাজ করিল জেলে এঁড়ে গরু কিনে।

    ৩৮। আগে হাতে দিয়ে খোলা,
    এখন হলে মনভোলা।

    ৩৯। অপদার্থে ধনং রক্ষেৎ দারান রক্ষেদ্ধনৈরপি।
    আত্মানং সততং রক্ষেৎ দারৈরপি ধনৈরপি।

    (অনুবাদ : বোকা লোকেরা আগে নিজের ধনসম্পদ রক্ষায় ও পরে স্ত্রীরক্ষায় সচেষ্ট হয়, কিন্তু বুদ্ধিমানেরা আগে নিজেকে রক্ষা করে, তা হলে ধন ও স্ত্রী দুটো আপনা থেকেই রক্ষা পায়।)

    ৪০। অতি লোভে তাঁতি নষ্ট।

    ৪১। অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট।

    ৪২। আনসতীনে নাড়েচড়ে,
    বোন সতীনে পুড়িয়ে মারে।

    (বোন যদি সতীন হয় তা হলে যন্ত্রণার শেষ থাকে না।)

    ৪৩। নিম তিত, নিশিন্দে তিত, তিত মাকাল ফল,
    তার চেয়ে তিত কন্যে বোন সতীনের ঘর।

    ৪৪। আপন কোটে পাই, চিড়ে কুটে খাই।

    (হাতের নাগালে পেলে শাস্তি দেওয়া সহজ।)

    ৪৫। আপনার চেয়ে পর ভাল,
    পরের চেয়ে জঙ্গল ভাল।

    ৪৬। আপন বুদ্ধিতে ফকির হই,
    পর বুদ্ধিতে বাদশা নই।

    ৪৭। আপন বেলা চাপন চোপন,
    পরের বেলা ঝুরঝুরে মাপন।

    ৪৮। আপনার মান আপনি রাখ,
    কাটা কান চুল দিয়ে ঢাক।

    ৪৯। আপনার হাত জগন্নাথ,
    পরের হাত এঁটো পাত।

    ৫০। আপনার ছেলেটি খায় এতটি, বেড়ায় যেন ঠাকুরটি,
    পরের ছেলেটা খায় এতটা, বেড়ায় যেন বাঁদরটি।

    ৫১। আপন ধন পরকে দিয়ে,
    দৈবকী মরে মাথায় হাত দিয়ে।

    ৫২। আবর তাঁতি গোবর খায়,
    স্ত্রীর বাক্যে মরতে যায়।

    ৫৩। আম শুকোলে আমসি,
    বয়স গেলে কাঁদতে বসি।

    ৫৪। আমি করি ভাই ভাই,
    দাদার কিন্তু মনে নাই।

    ৫৫। আমি কি নাচতে জানিনে,
    মাজার ব্যথায় পারিনে।

    ৫৬। আর গাব খাব না,
    গাবতলা দিয়ে যাব না,
    গাব খাব না খাব কি,
    গাবের তুল্য আছে কি?

    ৫৭। আশা আর বাসা,
    ছোট করে মরে চাষা।

    ৫৮। আশার চেয়ে নিরাশা ভাল,
    হয়ে গেল তো, হয়ে গেল।

    ৫৯। আষাঢ়ে না হলে সূত; হা সূত যো সূত,
    মোলতে না হলে পুত হা পুত যো পুত।

    ৬০। আষাঢ়ে পান চাষাড়ে খায়,
    গুয়াবনে পান গড়াগড়ি যায়।

    ৬১। ইঁদুর গর্ত খুঁড়ে মরে,
    সাপ এসে দখল করে।

    ৬২। বাহিরে কোচার পত্তন,
    ভিতরে ছুঁচোর কেত্তন।

    ৬৩। উই, ইঁদুর, কুজন, ডাল ভাঙে তিনজন,
    সুচ, সোহাগা, সুজন, ভাল করে তিনজন।

    ৬৪। উচিত কথায় দেবতা তুষ্ট,
    উচিত কথায় মানুষ রুষ্ট।

    ৬৫। উদ্যমেন হি সিধ্যন্তি কার্যানিন মনোরথৈঃ।
    নহি সুপ্তস্য সিংহস্য প্রবিশন্তি মুখে মৃগাঃ।

    (অনুবাদ : কেবল সংকল্পের দ্বারা কার্য সিদ্ধ হয় না, কার্যের জন্য চেষ্টা থাকাও দরকার। সিংহ নিদ্রিত থাকলে শিকার কখনো তার মুখে আপনা থেকে প্রবেশ করে না।)

    ৬৬। উপোস করলে যাবে দিন,
    ধার করলে হবে ঋণ।

    ৬৭। যাবজ্জীবেৎ সুখং জীবেৎ ঋণং কৃত্বা ঘৃতং পিবেৎ।
    ভস্মীভূতস্য দেহস্য পুনরাগমনং কুতঃ।।

    (অনুবাদ : যতদিন জীবিত থাকবে, ঋণ করে হলেও ঘি খাবে। কারণ এই দেহ মৃত্যুর পর ভস্মীভূত করে ফেললে আর কখনো ফিরে আসবে না।)

    ৬৮। ঋণ কর্তা পিতা শক্ৰমাতা চ ব্যাভিচারিণী।
    ভাৰ্য্য রূপবতী শত্রু পুত্র শত্রুরপণ্ডিতঃ।

    (অনুবাদ : ঋণকারী পিতা, কুলটা মাতা, রূপবতী স্ত্রী এবং মূর্খ পুত্র–এরা পরমাত্মীয় হলেও মানুষের সবচেয়ে বড় শত্রু।)

    ৬৯। এই বেলা নাও ঘর ছেয়ে,
    আকাশে দেখ মেঘ চেয়ে।

    ৭০। এঁটে ধরলে চিচি করে,
    ছেড়ে দিলে লম্ফ মারে।

    ৭১। এক কলসি জল তুলে কাকালে দিলে হাত,
    এই মুখে খাবে তুমি বাগদিনীর ভাত।

    ৭২। এক কাটে ভারে, আর কাটে ধারে।

    ৭৩। এক কান কাটা শহরের বার দে যায়,
    দু’কান কাটা গায়ের ভিতর দে যায়।

    ৭৪। এককাল ঠেকেছে, তিনকাল গিয়ে,
    তবু আবার করবে বিয়ে।

    ৭৫। এক গাঁয়ের কুকুর, আর গাঁয়ের ঠাকুর।

    ৭৬। একচোখো মাসি, কারে ভালোবাসি।

    ৭৭। এক ছেলে যার, বাপের ঠাকুর তার।

    ৭৮। এক ছেলের মা, ভয়ে কাঁপে গা।

    ৭৯। এক ঝিকরে মাছ বেঁধে সে-ই বা কেমন বড়শি
    এক ডাকেতে সাড়া দেয় না, সে-ই বা কেমন পড়শি।

    ৮০। এক পয়সা নাই থলিতে
    লাফিয়ে বেড়ায় গলিতে।

    ৮১। এক পাগলে রক্ষা নেই, সাত পাগলের মেলা।

    ৮২। এক পুতের আশ, নদীর কুলে বাস;
    ভাবনা বারো মাস।

    ৮৩। এক বুড়ির নাসা দোষ,
    নাকের উপর হল খোস।

    ৮৪। এক মায়ের এক পুত,
    খায় দায় যত দূত।

    ৮৫। এক লাউ-এর বিচি
    কেউবা করে কচর কচর, কেউবা বলে কচি।

    ৮৬। একলা ঘরের গিন্নি হব,
    চাবিকাঠি ঝুলিয়ে যাব।

    ৮৭। এক হেঁসেলে তিন রাধুনি,
    পুড়ে মরে তার ফেন গালুনি।

    ৮৮। এক ঘরের একা ভাই (বউ) খেতে বড় সুখ,
    মারতে (মরতে)এলে ধরতে নাই, তাই বড় দুখ।

    ৮৯। এ কী বিধির লীলাখেলা,
    কাকের গলায় তুলসীমালা।

    ৯০। এ কী মোর জ্বালা মেয়ে চামকাটা ডালা,
    কানে দুটো ঘুরঘুরে লায় মতির মালা।

    ৯১। একুশ কেঁড়া গুনে খান,
    ফুলের ঘায়ে মূৰ্ছা যান।

    ৯২। একে তো হনুমান,
    তায় আবার রামের বাণ।

    ৯৩। একে গুন্ গুন্ দুয়ে পাঠ,
    তিনে গোলমাল, চারে হাট।

    ৯৪। এত যদি সুখ কপালে,
    তবে কেন তোর কথা বগলে।

    ৯৫। ঔষধার্থে সুরাপান
    পান না বাড়ালেই থাকে মান।

    ৯৬। কইতে কইতে মুখ বাড়ে,
    খাইতে খাইতে পেট বাড়ে।

    ৯৭। কইতে জানলে ঠকি না।
    বলতে জানলে উঠি না।

    ৯৮। পয়সা দিয়ে কিনব দই,
    গোয়ালিনী মোর কিসের সই?

    ৯৯। কড়ি লবে গুনে, পথ চলবে জেনে।

    ১০০। কতই-বা দেখব আর, ছুঁচোর গলায় চন্দ্রহার।

    ১০১। কতই সাধ হায়রে চিতে, ফোকলা দাঁতে মিশি দিতে।

    ১০২। কত ব্রত করলি যশী,
    বাকি ভূমি-একাদশী।

    ১০৩। কত সাধ যায়রে চিতে
    বেগুন গাছে আঁকশি দিতে।

    ১০৪। কপট প্রেমে লুকোচুরি,
    মুখে মধু প্রাণে ছুরি।

    ১০৫। কপালে নেই ঘি, ঠকঠকালে হবে কী?

    ১০৬। কপালের লিখন, না যায় খণ্ডন।

    ১০৭। কর যদি তাড়াতাড়ি,
    ভুলের হবে বাড়াবাড়ি।

    ১০৮। কর্ম না বাধ্যতে বুদ্ধি বুদ্ধ্যা বাধ্যতে
    সুবুদ্ধিরপি যদ্ৰামো হৈমং হরিণমালগাৎ।

    (অনুবাদ ও বুদ্ধি কর্মের বশ হয়, কিন্তু কর্ম বুদ্ধির বশ হয় না, যেমন–রামচন্দ্র বুদ্ধিমান হয়েও সোনার হরিণের অনুসরণ করেছিলেন।)।

    ১০৯। কাঁটা বিনা কমল নাই,
    কলঙ্ক বিনা চাঁদ নাই।

    ১১০। কাকের ডিমও সাদা হয়,
    বিদ্বানের ছেলেও গাধা হয়।

    ১১১। কাকের বাসায় কোকিলের ছা’
    জাত স্বভাবে করে রা’।

    ১১২। কাকের মাংস কাকে খায় না,
    জোকের গায়ে জোক বসে না।

    ১১৩। কাছা দিতে কেঁচা আঁটে না,
    কোঁচা দিতে কাছা আঁটে না।

    ১১৪। কাজ নেই কাজ করে,
    ধানেচালে এক করে।

    ১১৫। কাজে কুঁড়ে ভোজনে দেড়ে,
    বচনে মারে তেড়ে ফুড়ে।

    ১১৬। কাজের বেলা কাজি, কাজ ফুরুলে পাজি।

    ১১৭। কাজের বেলা ভাগে, খাবার বেলায় আগে।

    ১১৮। কাজের মধ্যে চাষ, রোগের মধ্যে কাশ।

    ১১৯। কাজের মধ্যে দুই, ভাত খাই আর শুই।

    ১২০। কাপড়ের দাগ যায় ধুলে,
    মনের দাগ যায় মলে।

    ১২১। কার শ্রাদ্ধ কেবা করে, খোলা কেটে বামুন মরে।

    ১২২। কালো কাড়র রুক্ষু মাথা,
    লক্ষ্মী বলেন থাকব কোথা!

    ১২৩। কালা বলে গায় ভালো
    কানা বলে নাচে ভালো।

    ১২৪। কালি কলম পাত, তবে অক্ষরের জাত।

    ১২৫। কারে কত দেখব আর,
    ছুঁচোর গলায় চন্দ্রহার।

    ১২৬। কালে কালে কতই হল,
    পুলিপিঠের লেজ গজাল।

    ১২৭। কী দেব কী দেব খোঁটা।
    গয়ায় মরছে বাপ বেটা।

    ১২৮। কিবা জ্যেষ্ঠ, কি কনিষ্ঠ
    যেই বুঝে সেই শ্রেষ্ঠ।

    ১২৯। চলচ্চিত্তং জলদ্বিত্তং চলজ্জীবনযৌবন
    চলাচলমিদং সর্বং কীর্ত্যিস্য সংজীবতি।

    (অনুবাদ ও চিত্ত, বিত্ত, জীবন ও যৌবন সমস্তই চঞ্চল ও অস্থায়ী, কিন্তু যার কীর্তি আছে তিনিই অমর।)

    ১৩০। কুঁড়েঘরে বাস, খাট পালঙ্কের আশ।

    ১৩১। কুপুত্র যদ্যাপি, কু-মাতা কখনো নয়।

    ১৩২। কৃপণের ধন বর্বরে খায়,
    কৃপণ করে হায় হায়।

    ১৩৩। কোনো কালে নাইক গাই,
    চালুনি নিয়ে দুইতে যাই।

    ১৩৪। ক্ষমার বড় গুণ নাই, দানের বড় পুণ্য নাই।

    ১৩৫। বনানী দহতে! বহ্নেঃ সভা ভবতি মারুতঃ।
    সব দীপনাশায় ক্ষীণে কস্যাস্তি গৌরবম।

    (অনুবাদ ও অগ্নি যখন বন দগ্ধ করে, তখন বায়ু তার সহায় হয়, কিন্তু সেই অগ্নি যখন ক্ষীণ হয়ে প্রদীপের ন্যায় হয়, তখন বায়ু শত্রু হয়ে তাকে নিভিয়ে দেয়।)

    ১৩৬। খাওয়াবে হাতির ভোগে,
    দেখবে বাঘের চোখে।

    ১৩৭। খাটে খাটায় লাভের গতি
    তার অর্ধেক মাথায় ছাতি ঘরে বসে পুছে বাত।
    তার কপালে হা-ভাত।

    ১৩৮। খাব না খাব না অনিচ্ছে,
    তিনি রেক চলে এক উচ্ছে।

    ১৩৯। খাবার আছে চাবার নেই,
    দেবার আছে নেবার নেই।

    ১৪০। খাবার বেলায় মা, ছেলে ধরতে কেউ না।

    ১৪১। খাবার বেলায় মস্ত,
    উলু দেবার বেলায় মুখে ঘা।

    ১৪২। খায়দায় পাখিটি, বনের দিকে আঁখিটি।

    ১৪৩। গুরু নিন্দা বনে যায়।
    বনের বাঘে ধইর্যা খায়।

    ১৪৪। খায় না খায় সকালে নায়
    হয় না হয় দুবার যায়
    তার কড়ি কি বৈদ্যে খায়?

    ১৪৫। খেতে পায় না পচা পুঁটি
    হাতে পরে হীরের আংটি।

    ১৪৬। খোঁয়াড়ে পড়লে হাতি
    চামচিকেতেও মারে লাথি।

    ১৪৭। গঙ্গার জল গঙ্গায় বলল,
    পিতৃ পুরুষ উদ্ধার হল।

    ১৪৮। আগচ্ছতি যদা লক্ষ্মীনারিকেল ফলাধুবৎ।
    নির্গেচ্ছতি যদা লক্ষ্মী গর্জভুক্ত কপিণ্ডবৎ।

    (অনুবাদ ও লক্ষ্মী যখন আসেন, তখন নারিকেলের জলের মতো কোথা হতে আসে তা বোঝা যায় না। সেইরূপ সম্পদ যখন চলে যায়, তখন গজকীট কর্তৃক ভক্ষিত অন্তঃসারশূন্য কয়েতবেলের মতো মানুষকে কীভাবে নিঃস্ব করে, তা লক্ষ করা যায় না। ‘গজ’ শব্দের অর্থ এখানে হাতি নয়, একপ্রকার কীট।)

    ১৪৯। গতর নেই চোপায় দড়,
    মেঙ্গে খায় তার পালি বড়।

    ১৫০। গব্য থাকলে আগে পাছে,
    কী করবে তার শাকেমাছে।

    ১৫১। গরু, জরু (স্ত্রী), ধান রাখ বিদ্যমান।

    ১৫২। গা বড়, তার মাঝের পাড়া,
    নাক নেই তার নথ নাড়া।

    ১৫৩। গাইতে গাইতে গায়েন, বাজাতে বাজাতে বায়েন।

    ১৫৪। গাঙ্গে গাঙ্গে দেখা হয়, বোনে বোনে দেখা নয়।

    ১৫৫। গাছ থেকে পড়ে গেল জন পাঁচশত,
    যার যেখানে ব্যথা তার সেখানে হাত।

    ১৫৬। গাছে ওঠে পড়তে, জামিন হয় মরতে।

    ১৫৭। গাজনের নেই ঠিক-ঠিকানা,
    ডেকে বলে ঢাক বাজনা।

    ১৫৮। গাধা সকল বইতে পারে,
    ভাতের কাঠি বইতে নারে।

    ১৫৯। গিন্নির ওপর গিন্নিপনা
    ভাঙা পিড়েয় আলপনা।

    ১৬০। গুটিপোকা গুট করে, নিজের ফাঁদে নিজে পড়ে।

    ১৬১। গৃহ স্থির আগে করে,
    গৃহিণী স্থির তার পরে।

    ১৬২। গোঁফ নেইকো কোনো কালে,
    দাড়ি রেখেছেন তোবড়া গালে।

    ১৬৩। ঘটির তলায় দিয়ে আঠা,
    যোগেযাগে কাল কাটা।

    ১৬৪। ঘন দুধের ফোঁটা, বড় মাছের কাঁটা।

    ১৬৫। ঘরজামায়ের পোড়া মুখ
    মরা-বাঁচা সমান সুখ।

    ১৬৬। ঘরদোর নেই যার, আগুনে কী ভয় তার?

    ১৬৭। ঘরে নেই ভাত, কেঁচা তিন হাত।

    ১৬৮। ঘরে থাকতে নানা বিধি,
    খেতে দেয় না দারুণ বিধি।

    ১৬৯। গরে নেই ঘটিবাটি, কোমরে মেলাই চাবিকাঠি।

    ১৭০। ঘরে বসিয়ে মাইনে দেয়
    এমন মনিব কোথায় পায়।

    ১৭১। ঘরে বাইরে এক মন, তবে হয় কৃষ্ণ ভজন।

    ১৭২। ঘরের ভাত দিয়ে শুকনি পোষে,
    গোয়ালের গরু টেকে বসে।

    ১৭৩। ঘি দিয়ে ভাজ নিমের পাতা,
    তবু যায় না জাতের জাতা।

    ১৭৪। ঘুঁটে পোড়ে গোবর হাসে; তোমার একদিন আছে শেষে।

    ১৭৫। চক্ষে দেখলে শুনতে চায়,
    এমন বোকা আছে কোথায়?

    ১৭৬। চন্দ্র-সূর্য অস্ত গেল, জোনাকি ধরে বাতি।
    মুঘল পাঠান হদ্দ হল ফারসি পড়ে তাঁতি।

    ১৭৭। আকাশে মেঘের ছায়া,
    মিছে কর তার মায়া।

    ১৭৮। চাল নেই ধুচুনি নাড়া
    নাক নেই তার নথ নাড়া।

    ১৭৯। চালে খড় নেই, ঘরে বাতি,
    বিছানা নেই, পোহায় রাতি।

    ১৮০। চাষার চাষ দেখে চাষ করলে গোয়াল,
    ধানের সঙ্গে খোঁজ নেই, বোঝা বোঝা পোয়াল।

    ১৮১। চুরি বিদ্যে বড় বিদ্যে, যদি না পড়ে ধরা,
    যদি পড়ে ধরা, তবে হাতে-পায়ে কড়া।

    ১৮২। চোর হেঁচড় চোপায় দড়,
    আগে দৌড়ায় ঠাকুর ঘর।

    ১৮৩। চোর-ডাকাতের ভয়, পেটে পুরলে রয়।

    ১৮৪। ছাঁচের ঘরে খাবি খায়।
    সমুদ্র পার হতে চায়।

    ১৮৫। ঘূদন দড়ি, গোদা বাড়ি
    যে আমার আমি তারি।

    ১৮৬। ছাগলে বলে আলুনি খেলাম
    গেরস্ত বলে পরানে মলাম।

    ১৮৭। ছিঁড়ে ছিঁড়ে কাটুনি, পুড়ে পুড়ে রাঁধুনি।

    ১৮৮। ছিল না কথা, দিল গাল,
    আজ না হয়, হবে কাল।

    ১৮৯। ছুঁচোয় যদি আতর মাখে,
    তবু কি তার গন্ধ ঢাকে?

    ১৯০। ছুঁচোর গোলাম চামচিকে,
    তার মাইনে চৌদ্দ সিকে।

    ১৯১। হেঁদো কথা মাথার জটা,
    খুলতে গেলেই বিষম ল্যাঠা।

    ১৯২। ছোট কাঁটাটি ফুটে পায়,
    তুলে ফেল নইলে দায়।

    ১৯৩। ছোট শরাটি ভেঙে গেছে, বড় শরাটি আছে,
    নাচ কোদ কেন বউ আমার হাতে আন্দাজ আছে।

    ১৯৪। জন, জামাই, ভাগনা–তিন নয় আপনা।

    ১৯৫। জন্ম, মৃত্যু, বিয়ে–তিন বিধাতা নিয়ে।

    ১৯৬। জপ তপ কর কি, মরতে জানলে ডর কী?

    ১৯৭। জল জল বৃষ্টির জল, বল বল বাহুর বল।

    ১৯৮। জলের শক্র পানা, আর মানুষের শত্রু কানা।

    ১৯৯। জামায়ের জন্য মারে হংস,
    গুষ্টিসুদ্ধ খায় মাংস।

    ২০০। জিব পুড়ল আপন দোষে
    কী করবে মোর হরিহর দাসে।

    ২০১। জেলের পরনে তেনা, নিকারির কানে সোনা।

    ২০২। জোছনাতে ফটিক ফোটে,
    চোরের মায়ের বুক ফাটে।

    ২০৩। জ্বালা দিতে নেই ঠাঁই,
    জ্বালা দেয় সতীনের ভাই।

    ২০৪। ঝাঁটা দিয়ে বিষ (ভূত) ঝাড়ানো
    ঝিকে মেরে বউকে শেখানো।

    ২০৫। ঝি জব্দ কিলে, বউ জব্দ শিলে,
    পাড়া-পড়শি জব্দ হয় চোখে আঙুল দিলে।

    ২০৬। ঝোলে ঝালে অম্বলে
    বেগুন সব ঠাঁই চলে।

    ২০৭। টক টেশো আঁটি সারা
    শাসশূন্য আঁশ ভরা
    এই আম বিলাবার ধারা।

    ২০৮। টকের জ্বালায় দেশ ছাড়লাম,
    তেঁতুল তলায় বাঁশ গাড়লাম।

    ২০৯। টাকা তুমি যাচ্ছ কোথা? পিরিতি যথা,
    আসিবে কবে? বিচ্ছেদ যবে।

    ২১০। ঠাকুরকে দেখিয়ে কলা,
    নৈবিদ্যি নে’ ছুটে পালা।

    ২১১। ঠেটা লোকের মুখে আট,
    বাইরে থেকে কাটে গাঁট।

    ২১২। ডাকলে ডাক, বসলে ক্রোশ,
    পথ বলে মোর কিসের দোষ?

    ২১৩. ডুব দিয়ে খাই পানি,
    আল্লাহ জানে আর আমি জানি।

    ২১৪। ঢেঁকিশালে যদি মানিক পাই
    তবে কেন পর্বতে যাই।

    ২১৫। ঢের দেখেছি চুরি করতে,
    এমন দেখিনি ধুকড়ি পরতে।

    ২১৬. তাঁতি রাগে কাপড় ছেড়ে
    আপনার ক্ষতি আপনি করে।

    ২১৭। তাল, তেঁতুল, মাদার,
    তিনে দেখায় আঁধার।

    ২১৮। তাল বাড়ে ঝোপে,
    আর খেজুর বাড়ে কোপে।

    ২১৯। তিন মাথা যার, বুদ্ধি নেবে তার। ২

    ২০। তুক তাক ছয় মাস, কপালে যা বারো মাস।

    ২২১। তুফানে যে হাল ধরে না, সেই বা কেমন নেয়ে,
    কথা পাড়লে বুঝতে পারে না, সে-ই কেমন মেয়ে।

    ২২২। মূলে নেই লক্ষ্মীপূজা একেবারে দশভুজা।

    ২২৩। অবংশো পতিততা রাজা মূর্খ পুত্ৰশ্চ পণ্ডিতঃ
    অধনশ্চ ধনং প্রাপ্য তৃণবন্নন্যতে জগৎ।

    (অনুবাদ : নীচ বংশজাত ব্যক্তি যদি রাজা হয়, মূর্খ ব্যক্তির পুত্র যদি পণ্ডিত হয়, দরিদ্র যদি হঠাৎ প্রচুর ধনলাভ করে, তবে তারা জগৎকে তৃণের ন্যায় অগ্রাহ্য করে।)।

    ২২৪। তেলা মাথায় ঢাল তেল,
    রুখু মাথায় ভাঙ বেল।

    ২২৫। তোমারে বধিবে যে,
    গোকুলে বাড়িছে সে।

    ২২৬। তোর পায় গড় না,
    তোর কাজের পায়ে গড়।

    ২২৭। তোর শিল, তোর নোড়া
    তোরই ভাঙি দাঁতের গোড়া।

    ২২৮। থাকরে কুকুর আমার পাশে,
    ভাত দেব সেই পৌষ মাসে।

    ২২৯। থাকে যদি চুড়ো বাঁশি
    মিলবে রাধা হেন কত দাসী।

    ২৩০। দক্ষিণদ্বারী ঘরের রাজা, পূর্বারী তার প্রজা,
    পশ্চিমদ্বারীর মুখে ছাই, উত্তরদ্বারীর খাজনা নাই।

    ২৩১। দয়া আছে মায়া আছে গলা ধরে কাঁদি,
    আধ পয়সার আটটি কলা পরান গেলে না দি।

    ২৩২. দয়া করে দেয় নুন, ভাত মারে তিনগুণ।

    ২৩৩। দল ভাঙলে যে, কৈ খাবে সে।

    ২৩৪। দশে মিলি করি কাজ, হারি জিতি নাহি লাজ।

    ২৩৫। দশে যারে বলে ছি, তারে বাঁচায় কাজ কী?

    ২৩৬। দশের মুখে জয়, দশের মুখে ক্ষয়।

    ২৩৭। দাড়িকে মাঝি করা, মরা গাঙ্গে ডুবে মরা।

    ২৩৮। দাওয়া মারা যতদিন, বাপ খুড়ো ততদিন।

    ২৩৯। দায়ে বালি, কুড়লে খিল,
    ভাল মানুষকে ভাল কথা বজ্জাতকে কিল।

    ২৪০। দিন গেল আলে ডালে,
    রাত হলে চেরাগ জ্বলে।

    ২৪১। দিন থাকতে বাঁধে আল,
    তবে খাবে নানা শাল।

    ২৪২। দিনে বাতি যার ঘরে, তার ভিটায় ঘুঘু চরে।

    ২৪৩। দিল্লিকা লাডডু, যো খায় সো পাস্তায়া,
    যো নেহি খায় সো ভি পস্তায়া।

    ২৪৪। দুই সতীনের ঘরকন্না,
    ঘরের গিন্নি ভাত পান না।

    ২৪৫। দুই স্ত্রী যার, বড় দুঃখ তার।

    ২৪৬। দুধ কলা দাও যত,
    সাপের বিষ বাড়ে তত।

    ২৪৭। ধর্ম হয় না করলেই উপাস,
    কোদাল পাড়লেই হয় না চাষ।

    ২৪৮। ধর্মের কল বাতাসে (আপনি) নড়ে
    পাপ করলে ধরা পড়ে।

    ২৪৯। ধীর জাল ঘন কাটি, তবে বলি দুধ আউটি।

    ২৫০। ধীরে রাধে ধীরে খায়, তবে খাওয়ার মজা পায়।

    ২৫১। নখে কাটে কচি কালে, ঝুনো হলে দাঁত না চলে।

    ২৫২। ন চ বিদ্যাসমো বন্ধুৰ্নচ ব্যাধিসম্যে রিপুঃ।
    ন চাপত্যসমঃ স্নেহোন চ দৈবাৎ পরং বলম।

    (অনুবাদ ও বিদ্যার তুল্য বন্ধু নেই। ব্যাধির ন্যায় শত্রু নেই। অপত্য স্নেহের মতো কোনো স্নেহ হতে পারে না। দৈব বল সকল বলের শ্রেষ্ঠ।)

    ২৫৩। নদী, নারী, শৃঙ্গধারী–এ তিনে না বিশ্বাস করি।

    ২৫৪। নয় মণ তেলও,পুড়বে না,
    রাধাও নাচবে না।

    ২৫৫। আচারো বিনয়ো বিদ্যা প্রতিষ্ঠা তীর্থ দর্শন।
    নিষ্ঠা বৃত্তিস্থূপপা দানং, নবধা কুললক্ষণম্।।

    (অনুবাদ ও সদাচার, বিনয়, বিদ্যা, খ্যাতি, তীর্থদর্শন, শাস্ত্রানুমোদিত ধর্মে আসক্তি, ব্রাহ্মণোচিত বৃত্তি (অর্থাৎ বেদ অধ্যয়ন প্রভৃতি), তপস্যা এবং দান–এই নয়টি সদ্বংশীয় ব্যক্তির লক্ষণ।)।

    ২৫৬। পিতা রক্ষতি কৌমারে, ভর্তা রক্ষতি যৌবনে।
    পুত্রশ্চ স্থবিরে ভাবে, ন স্ত্রী স্বতন্ত্রমহতি।

    (অনুবাদ : নারী বাল্যে পিতার, যৌবনে স্বামীর এবং বার্ধক্যে পুত্রের অধীন থাকবে। স্ত্রীগণের পক্ষে স্বাধীন হওয়া উচিত নয়। এখানে স্বাধীন বলতে যথেচ্ছাচারী বোঝানো হয়েছে।)

    ২৫৭। না দেওয়ার চাল, আজ না কাল।

    ২৫৮। না দেখে চলে যায়, পায় পায় হোঁচট খায়।

    ২৫৯। নাপিতের আসি, ধোপার বাসী।

    ২৬০। না বুঝে ছিলাম ভালো, অর্ধেক বুঝে পরান গেল।

    ২৬১। নামে ডাকে গুরুমশাই,
    লেজা মুডোর জ্ঞান নাই।

    ২৬২। নারীর বল, চোখের জল।

    ২৬৩। নিতে পারি, খেতে পারি, দিতে পারি নে,
    বলতে পারি, কইতে পারি, সইতে পারি নে।

    ২৬৪। নিত্য চাষার ঝি,
    বেগুন ক্ষেত দেখে বলে, এ আবার কী?

    ২৬৫। মাতলো যস্য গোবিন্দঃ পিতা যস্য ধনঞ্জয়ঃ।
    সোহভিমন্যঃ রণে শেতে, নিয়তিঃ কেন বাধ্যতে।

    (অনুবাদ : যার মামা স্বায়ং শ্রীকৃঞ্চ, পিতা অর্জুন, সেই অভিমন্যুও যুদ্ধে নিহত হয়েছিলেন, সুতরাং নিয়তিকে কেউ অতিক্রম করতে পারে না।)

    ২৬৬। নণ পুরুষের তিনগুণ ঝাল,
    পরনে গামছা, গায়ে ঠাকুরদাদার শাল।

    ২৬৭। নীরোগ শরীর যার, বৈদ্যে করবে কী।
    পরের ভাতে বেগুন পোড়া, পান্তাভাতে ঘি।

    ২৬৮। নেকা, বোকা, ঢিলে (ঢলঢল) কাছা,
    তিনে প্রত্যয় না করো বাছা।

    ২৬৯। নেবার বেলা পরিপাটি, দেবার বেলা ফাটাফাটি।

    ২৭০। লেবু কচলাবে যত, তেতো হবে তত।

    ২৭১। নেভবার আগে ক্ষণেক তরে,
    দীপ জ্বলে ধপ করে।

    ২৭২। নেশাতে বুক ফাটে, কুকুরে মুখ চাটে।

    ২৭৩। পড়ল কথা সভার মাঝে,
    যার কথা তার গায়ে বাজে।

    ২৭৪। পড়ক না পড়ক পো, সভার মাঝে নে থো।

    ২৭৫। পড়েছি তাফালে, যা থাকে কপালে।

    ২৭৬। পড়েছি মোগলের হাতে,
    খানা খেতে হবে সাথে।

    ২৭৭। পতির পায়ে থাকে মতি,
    তবে তারে বলে সতী।

    ২৭৮। পথে পেলাম কামার, দা গড়ে দে আমার।

    ২৭৯। লেখনী পুস্তিকা জায়া পরহস্তং গতাগত।
    যদি মা পুনরায়তি ভ্ৰষ্টা চ মর্দিত।

    (অনুবাদ : কলম, বই এবং পত্নী একবার হাতছাড়া হলে আর তাদেরকে ফিরে পাওয়ার আশা করা যায় না। যদিবা কখনো ফিরে পাওয়া যায়, তবে তা আগের অবস্থায় থাকে না–এরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ফিরে আসে।)।

    ২৮০। পুস্তকস্থা চ যা বিদ্যা পরহস্তগতং ধনম্।
    কার্যকালে সমুৎপন্নে ন সা বিদ্যান,তদ্ধন।

    (অনুবাদ : যে-বিদ্যা কার্যকালে মনে পড়ে না ও যে-ধন কার্যকালে পাওয়া যায় না সে বিদ্যা বা ধনের প্রয়োজন নেই।).

    ২৮১। পরে তসর খায় ঘি, তার আবার ভাবনা কী?

    ২৮২। পরের কথায় লাথি চাপড়,
    নিজের কথায় ভাত কাপড়।

    ২৮৩। পরের ঘরে খায় আয়,
    আঠারো মাসে বছর যায়।

    ২৮৪। পরের চাল পরের ডাল, নদে করে বিয়ে।

    ২৮৫। পরের ছেলে (বা বিড়াল) খায়,
    আর বনের পানে (পথ পানে) চায়।

    ২৮৬। পরের জন্য গর্ত খোড়ে, আপনি তাতে পড়ে মরে।

    ২৮৭। পরের জন্য ফাঁদ পাতে,
    আপনি পড়ে মরে তাতে।

    ২৮৮। পরের দুধে দিয়ে ফুঁ, পুড়িয়ে এলেন আপন মু’।

    ২৮৯। পরের দেখে তোলে হাই, যা আছে তাও নাই।

    ২৯০। পরের ধনে পোদ্দারি, লোকে বলে লক্ষ্মীশ্বরী।

    ২৯১। পরের পিঠে, বড় মিঠে।

    ২৯২। পরের মাথায় দিয়ে হাত, কিরা করে নির্ঘাত।

    ২৯৩। পরের লেজে পড়লে পা তুলোপানা ঠেকে,
    নিজের লেজে পড়লে পা কেঁক করে ডাকে।

    ২৯৪। পরের সোনা দিও না কানে,
    কেড়ে নেবে হঁচকা টানে।

    ২৯৫। পরের হাতে ধন, পেতে কতক্ষণ।

    ২৯৬। পচ পাগলের ঘর,
    খোদায় রক্ষা কর।

    ২৯৭। পাগল কি গাছে ফলে,
    আক্কেলেতে পাগল বলে।

    ২৯৮। পিঠা খায় মিঠার জোরে,
    হাত নেড়ে বেড়ায় নানির জোরে।

    ২৯৯। মার আর ধর আমি পিঠে বেঁধেছি কুলো।
    বকো আর ঝকো, আমি কানে দিয়েছি তুলো।

    ৩০০। পিসি বল, মাসি বল, মার বাড়া নাই,
    পিঠে বল, মিঠে বল, ভাতের বাড়া নাই।

    ৩০১। পুঁটি মাছের প্রাণ, দেখতে দেখতে যান।

    ৩০২। পুতুল যেমন পুতুল কাঁচে,
    যেমন নাচায় তেমনি নাচে।

    ৩০৩। পুরান বসন ভাতি, অবলাজনের জাতি।

    ৩০৪। পুরুষের দশ দশা, কখনো হাতি কখনো মশা।

    ৩০৫। পূর্বে হাঁস, পশ্চিমে বাঁশ,
    উত্তরে কলা, দক্ষিণে মেলা।

    ৩০৬। পেট জ্বলে ভাতের তরে,
    সোনার আংটি হাতে পরে।

    ৩০৭। পেটের বাছা আর বাড়ির গাছা।

    ৩০৮। পোড়া কপালে সুখ নাই,
    বিয়ে বাড়িতে ভাত নাই।

    ৩০৯। ফকিরে ফকিরে ভাই ভাই,
    ফকিরের রাজত্ব সব ঠাঁই।

    ৩১০। ফাল্গুনে আগুন, চৈতে মাটি,
    বাঁশ রেখে বাঁশের ঠাকুরদাকে কাটি।

    ৩১১। ফুটনির মামা, ভিতরে কপিল উপরে জামা।

    ৩১২। ফুরাল বাগানের আম, কী খাবিরে হনুমান।

    ৩১৩। ফুলের নাই গন্ধ, চোখ থাকতে অন্ধ।

    ৩১৪। ফুলে শোভা ভোমরা
    গাই-এর শোভা চামড়া।

    ৩১৫। বউ-এর রাগ বিড়ালের উপর,
    বিড়ালের রাগ বেড়ার উপর।

    ৩১৬। বউ ভাঙলে সরা, গেল পাড়া পাড়া,
    গিন্নি ভাঙলে নাদা, ও কিছু নয় দাদা।

    ৩১৭। ফেন দিয়ে ভাত খায়; গল্পে মারে দই,
    মেটে হুঁকোয় তামাক খায় গুড়গুড়িটা কই?

    ৩১৮। বজ্ৰাদপি কঠোরাণি মৃদুনি কুসুমাদপি।
    লোকোত্তরাণাং চেতাংসি কোহি বিজ্ঞাতুমীশ্বরঃ।

    ( অনুবাদ : অসামান্য ব্যক্তিগণের মন অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বজ্রের মতো কঠোর এবং অবস্থাবিশেষে ফুলের মতো কোমল হয়। সাধারণ মানুষ তাদের স্বরূপ বুঝতে পারে না।)

    ৩১৯। বড় ঘরের বড় কথা, গরিবের ছেঁড়া কাঁথা,
    বড় ঘরের বড় কথা, বললে কাটা যায় মাথা।

    ৩২০। বড় বড় বানরের বড় বড় পেট,
    লংকা ডিঙাতে সব মাথা করে হেঁট।

    ৩২১। বড়র পিরিতি বালির বাঁধ,
    ক্ষণে হাতে দড়ি ক্ষণেকে চাঁদ।

    ৩২২। বন পোড়ে সবাই দেখে, মন পোড়ে কেউ না দেখে।

    ৩২৩। বল বুদ্ধি ভরসা, তিন তিরিশে ফরসা।

    ৩২৪। বসতে জায়গা পেলে, শোবার জায়গা মেলে।

    ৩২৫। বসে খেলে কুলোয় না,
    করে খেলে ফুরোয় না।

    ৩২৬। বাইরে হাসিখুশি ভেতরে গরল বাঁশি।

    ৩২৭। বাঘ ভালুকের রাজ্যে থাকি,
    মনের কথা মনেই রাখি।

    ৩২৮। বাঘে মহিষে যুদ্ধ হয়, নল খাগড়ার প্রাণ যায়।

    ৩২৯। বাছার আমার এত বাড়,
    ছ’ আনার কাপড়ে ন’ আনার পাড়।

    ৩৩০। বড় গাছের তলায় রাস,
    ডাল ভাঙলেই সর্বনাশ।

    ৩৩১। বাড়িতে পায় না শাক সজিনা,
    ডাক দিয়ে বলে ঘি আন না।

    ৩৩২। বাণিজ্যে বসতে লক্ষ্মীস্তদর্ধং কৃষি কর্মনি।
    দতধং রাজসেবায়াৎ ভিক্ষায়াৎ নৈব নৈব চ।

    (অনুবাদ : বাণিজ্যে সবচেয়ে বেশি লাভ হয়। কৃষিকার্যে তার অর্ধেক লাভ হয়। রাজকার্যে [সরকারি চাকরিতে] তার অর্ধেক। ভিক্ষায় কখনো সম্পদ লাভ করা যায় না।)

    ৩৩৩। বাপকা বেটা সেপাইকা ঘোড়া,
    কুচ নেহি তো থোড়া থোড়া।

    ৩৩৪। বাপের জন্মে নেই কো চাষ,
    ধানকে বলে দূর্বাঘাস।

    ৩৩৫। বামুন গেল ঘর, তো লাঙ্গল তুলে ধর।

    ৩৩৬। বারো কাঁদি নারিকেল, তের কাঁদি কলা,
    আজ আমাদের ছোট রানির উপবাসের পালা।

    ৩৩৭। বারোটা ঝাড়লুম তেরোটা মল,
    তুই না মরে অপযশ হল।

    ৩৩৮। বার বার ঘুঘু তুমি খেয়ে যাও ধান,
    এইবার তোমার আমি বধিব পরান।

    ৩৩৯। বারো রাজপুত্রের তেরো হাঁড়ি,
    কেউ খায় না কারো বাড়ি।

    ৩৪০। জ্ঞাতিভিৰ্বণ্টতে নৈব, চৌরেণাপি ন নীয়তে।
    দানেন ন ক্ষয়ং যাতি বিদ্যারত্নং মহাধনম্।

    (অনুবাদ : বিদ্যা শ্রেষ্ঠ রত্ন, কারণ এটা জ্ঞাতিগণ ভাগ করে নিতে পারে না, চোরে চুরি করে নিতে পারে না, অথবা দান করলে [বৃদ্ধি ছাড়া] ক্ষয়প্রাপ্ত হয় না!)

    ৩৪১। বিদ্বত্তঞ্চ নৈব তুল্যং কদাচন।
    স্বদেশে পূজ্যতে রাজা বিদ্বান সর্বত্র পূজ্যতে।

    (অনুবাদ : বিদ্বান ব্যক্তি রাজা অপেক্ষাও শ্রেষ্ঠ, যেহেতু রাজা কেবল নিজের দেশে। পূজা পান; কিন্তু বিদ্বান সর্বত্র সমাদর লাভ করেন)।

    ৩৪২। বিধি যদি বিপরীত, কেবা করে কার হিত।
    বিধির লিখন, না যায় খণ্ডন।

    ৩৪৩। বিন্দু বিন্দু বৃষ্টি, পুকুরের সৃষ্টি।

    ৩৪৪। বিপদে শিবের গোঁড়া, সম্পদে শিবত নোড়া।

    ৩৪৫। বিয়ে ফুরোলে বাজনা, কিস্তি ফুরোলে খাজনা।

    ৩৪৬। পরোক্ষে কার্য-হন্তারং প্রত্যক্ষে প্রিয়বাদিন।
    বর্জয়েৎ তাদৃশং বন্ধুং বিষকুম্ভং পয়োমুখনম্।।

    (অনুবাদ : যিনি সামনে প্রিয় বাক্য বলেন, কিন্তু পরোক্ষে ক্ষতি করেন, তিনি বন্ধু হলেও উপরে দুধ দেওয়া ও ভিতরে বিষ-ভরা দুধের কলসির ন্যায়। সুতরাং তাদেরকে সযত্নে বর্জন করবে।)

    ৩৪৭। বুঝতে নারি সেকরার ঠার, বলে এক করে আর।

    ৩৪৮। বুদ্ধিগুণে হা-ভাত, বুদ্ধিগুণে খা ভাত।

    ৩৪৯। বুনলাম ধান হল তিল,

    ফলল রুদ্রাক্ষ খেলাম কিল।

    ৩৫০। বেদে কি জানে কর্পূরের গুণ,
    এঁকে এঁকে বলে সৈন্ধব নুন।

    ৩৫১। বেহায়ার নাহি লাজ, নাহি অপমান,
    সুজনকে এক কথা মরণ সমান।

    ৩৫২। বৈষ্ণব হইতে বড় হয়েছিল সাধ,
    তৃণাদপি শুনে মনে লেগে গেছে তাক।

    ৩৫৩। ভক্তিহীন ভজন, আর লবণহীন ব্যঞ্জন।

    ৩৫৪। ভগবানের মার দুনিয়ার বার।

    ৩৫৫। ভাঁড়ে নেই ঘি, ঠকঠকালে হবে কী?

    ৩৫৬। ভাগাড়ে মড়া পড়ে, শকুনের টাক নড়ে।

    ৩৫৭। ভাগের ভাগ পেলে, না খেয়েও চিবিয়ে ফেলে।

    ৩৫৮। ভাগ্যবানের দুটি পুত,
    একটি বাঁদর, একটি ভূত।

    ৩৫৯। ভাঙা ঘরে জোছনার আলো,
    যেদিন যায় সেদিন ভালো।

    ৩৬০। ভাত পায় না কুঁড়ের নাগর,
    আমানি খেয়ে পেটটা ডাগর।

    ৩৬১। ভাত রোচে না রোচে মোয়া
    মণ্ডা রোচে না পোয়া পোয়া।

    ৩৬২। ভাবে ডগমগ তেলাকুচো,
    হেসে মল কালো ছুঁচো।

    ৩৬৩। ভীষ্ম, দ্রোণ, কর্ণ গেল শল্য হল রথী,
    চন্দ্র, সূর্য, অস্ত গেল জোনাকির পাছায় বাতি।

    ৩৬৪। চারৈ; পশ্যন্তি রাজান; শাস্ত্রৈ; পশ্যন্তি পণ্ডিতা;
    গাব; পশ্যন্তি ঘ্রাণেন ভুতে পশ্যন্তি বর্বরা।

    (অনুবাদ : রাজারা গুপ্তচরের সাহায্যে অপ্রত্যক্ষ ব্যাপার প্রত্যক্ষ করেন। পণ্ডিতগণ শাস্ত্রের সাহায্যে বস্তুর জ্ঞানলাভ করেন। গরু ঘ্রাণের সাহায্যে বুঝতে পারে। কিন্তু মূর্খ। ব্যক্তি শুধু অতীত ব্যাপারে জানে, ভবিষ্যৎ সম্পর্কে তার কোনো জ্ঞান নেই।)

    ৩৬৫। মন চায় বাদশা হতে, খোদা দেয় না মেগে খেতে।

    ৩৬৬। মনটি শখের বটে, হাতে কিন্তু পয়সা নাই।
    জোনাকি পোকার আলো দেখে গ্যাসবাতির শখ মিটাই।

    ৩৬৭। মরা মালঞ্চে ফুটল ফুল,
    টেকো মাথায় উঠল চুল।

    ৩৬৮। মা ডাকলে খেলাম না,
    বাবা ডাকলে গেলাম না,
    সাত পুরুষের বেঁকি বলে, পান্তা খা, পান্তা খা।

    ৩৬৯। মা পায় না কাঁথা সেলাই করবার সুতা,
    ব্যাটার পায়ে দ্যাখো চৌদ্দ সিকের জুতা।

    ৩৭০। মাতৃবৎ পরদারেষু পরদ্রব্যে লেষ্ট্রিবৎ।
    আত্মবৎ সর্বভূতেষু য; পশ্যতি সে পণ্ডিতঃ।

    (অনুবাদ পরস্ত্রীকে মায়ের মতো, পরের জিনিসকে মাটির ঢেলার মতো এবং সমস্ত প্রাণীকে নিজের ন্যায় জ্ঞান করাই প্রকৃত পণ্ডিতের লক্ষণ।)

    ৩৭১। মায়ের গলায় দিয়ে গড়ি,
    বউকে পরাই ঢাকাই শাড়ি।

    ৩৭২। মায়ের পোড়ে না, মাসির পোড়ে,
    পাড়া-পড়শির ধবলা ওড়ে।

    ৩৭৩। মুচি হয়ে শুচি হয় যদি হরি ভজে,
    শুচি হয়ে মুচি হয় যদি হরি ত্যাজে।

    ৩৭৪। মূর্খ লোকে কেনে বই জ্ঞানবানে পড়ে,
    ধনবানে কেনে ঘোড়া, বুদ্ধিমানে চড়ে।

    ৩৭৫। মেগে এনে বিলিয়ে খায়, হাতে হাতে স্বর্গ পায়।

    ৩৭৬। মেজে ঘষে হল ক্ষয়
    মালা তবু ধনো নয়।

    ৩৭৭। যখন আদর জুটে, ফুটকলাই নিয়ে ফুটে,
    যখন আদর টুটে, উেঁকি দিয়ে কুটে।।

    ৩৭৮। যখন বিধি মাপায়।
    তখন উপরি উপরি চাপায়।

    ৩৭৯। যখন যার কপাল খোলে,
    শুকনো ডাঙায় ডিঙি চলে।

    ৩৮০। যখন যার পড়তা হয়,
    ধুলো মুঠা ধরে সোনা মুঠা হয়।

    ৩৮১। সকল পথ দৌড়াদৌড়ি, খেয়া ঘাটে গড়াগড়ি।

    ৩৮২। মাতা যস্য গৃহে পাস্তি, ভার্যা চ ব্যাভিচারিণী।
    অরণ্যং তেন গন্তব্যং যথারণ্যং তথা গৃহম্।

    (অনুবাদ : যার গৃহে মা নেই, স্ত্রী দুশ্চরিত্রা, তার পক্ষে বনগমন করা কর্তব্য। কারণ তার পক্ষে গৃহ অরণ্যতুল্য।)

    ৩৮৩। যদি থাকে আগে পিছে, কী করে শাকে মাছে।

    ৩৮৪। যদি দেখে আঁট আঁটি,
    কাঁদিয়া ভিজায় মাটি।

    ৩৮৫। যদি হয় সুজন, তেঁতুল গাছে ন’জন।

    ৩৮৬। যদি হয় সোনার ভাগারি, তবু ধরে লোহার কাটারি।

    ৩৮৭। যদু ধোপা, মধু ধোপা, সব ধোপারই এক চোপা।

    ৩৮৮। যার দৌলতে চুয়া চন্দন,
    তারি পাতে খোলার ব্যঞ্জন।

    ৩৮৯। যার নুন খাই তার গুণ গাই।

    ৩৯০। যারে না বামুন বলি, তার গায় নামাবলী।

    ৩৯১। যেখানে আঁটাআঁটি
    সেখানেই লাঠালাঠি।

    ৩৯২। যেমন সরা তেমনি হাঁড়ি, গড়ে রেখেছে কুমার বাড়ি।

    ৩৯৩। রাজার রাজ্যপাট, গরিবের শাকভাত।

    ৩৯৪। রাম লক্ষ্মণ দুটি ভাই, রথে চড়ে স্বর্গে যাই।

    ৩৯৫। রূপে ঢলঢল গুণে পশরা,
    কেঁদে মলো যত কালো ছেচরা।

    ৩৯৬। লঙ্কার রাবণ ম’ল
    বেহুলা কেঁদে রাড়ি হল।

    ৩৯৭। লাউ শাকের বালি আর অন্তরের কালি।

    ৩৯৮। লাজের মাথায় পড়ক বাজ
    সাঘো গিয়ে আপন কাজ।

    ৩৯৯। লাভ-লোকসান জেনে,
    চাষ করে না বেনে।

    ৪০০। লিখিব পড়িব মরিব দুঃখে,
    মৎস্য মারিব খাইব সুখে।

    ৪০১। সজনে শাক বলে আমি সকল শাকের হেলা,
    আমার খোঁজ করে কেবল টানাটানির বেলা।

    ৪০২। শঠের মায়া, তালের ছায়া।

    ৪০৩। শসা বেচুনি বেচে শসা, তার হয়েছে সুখের দশা।

    ৪০৪। অন্নং জীর্ণং হি প্রশংসেৎ, ভার্যা বিগত যৌবনাম।
    রণাৎ প্রত্যাগতং শূরম, শস্যষ্ণ গৃহমাগতম।

    (অনুবাদ : অন্ন জীর্ণ হলে তার প্রশংসা করা চলে, ভার্যা যৌবন অতিক্রান্ত হলে প্রশংসনীয়। শস্য গৃহে আসলে তবেই তার মূল্য। কার্য সমাধার পূর্বে প্রশংসার বিশেষ মূল্য নেই।

    ৪০৫। শাক অম্বল পান্তা–তিন ওষুধের হন্তা।

    ৪০৬। শুয়ে শুয়ে লেজ নাড়ে, সেই বাঘে মানুষ মারে।

    ৪০৭। সখা যার সুদর্শন, তার সঙ্গে কি সাজে রণ?

    ৪০৮। সঙ্গ দোষে কী না হয়,
    ছুঁচো ছুঁলে গন্ধ হয়।

    ৪০৯। সতী হল কবে? সে মরেছে যবে।

    ৪১০। সব কাজে যার হুঁশ, তারেই কয় মানুষ।

    ৪১১। সন্নাসীর অল্প ছিদ্র গায় সর্বজন,
    শুভ্রবস্ত্রে মসীবিন্দু দেখায় যেমন।

    ৪১২। সময়ে সব হয়, বোন ভাগনা ভাই,
    ঘরের স্ত্রী আপন নয়, যখন গাঁটে পয়সা নাই।

    ৪১৩। মিত্রদ্রোহী কৃতঘাশ্চ যশ্চ বিশ্বাসঘাতকঃ।
    কে ত্রয়ো নরকং যাস্তি যাবচ্চন্ত্র দিবাকরো।

    (অনুবাদ : যে-সকল লোক মিত্রদ্রোহী, কৃতঘ্ন এবং বিশ্বাসঘাতক, তারা যতদিন পর্যন্ত চন্দ্র সূর্য উঠবে, ততদিন নরকগামী হবে।)

    ৪১৪। সাত ভাই তাঁত বোনে, আপন কোলে সবাই টানে।

    ৪১৫। সাত সতীনে নড়ি চড়ি, বেরা আগুনে পুড়ে মরি।

    ৪১৬। সারাদিন থাকব নায়, কখন দিব খরম পায়?

    ৪১৭। সারাদিন বড়শি হাতে, সন্ধেবেলা আমড়া ভাতে।

    ৪১৮। সারাদিন যায় হেসে খেলে,
    সন্ধেবেলা বৌ কপাল ডলে।

    ৪১৯। সুজন-পিরিত সোনা, ভেঙে গড়া যায়।
    কুজন-পিরিত কাঁচ ভাঙিলে ফুরায়।

    ৪২০। সুদিনের বারো ভাই, দুর্দিনের কেউ নাই।

    ৪২১। সেই মন খসালি, তবে কেন লোক হাসালি।

    ৪২২। সেই ধানে সেই চাল, গিন্নি বিনে আল থাল।

    ৪২৩। স্বামী নাই, পুত্র নাই, কপাল ভরা সিঁদুর
    চাল নাই, ধান নাই, গোলা ভরা ইঁদুর।

    ৪২৪। স্বামীর মা শাশুড়ি, তারে বর মানি
    কোথা হতে এলেন আমার খুড় শাশ ঠাকুরানি।

    ৪২৫। হক কথা বলব, বন্ধু বিগড়ায় বিগড়াবে,
    পেট ভরে খাব, লক্ষ্মী ছাড়ে ছাড়বে।

    ৪২৬। হয় না হয় বিয়ে, ঢাক বাজাও গিয়ে।

    ৪২৭। হাতি চড়ে ভিক্ষা মাঙি,
    ইচ্ছেয় না দাও ঘড় ভাঙি।

    ৪২৮। হাতে কড়ি পায় বল, তবে যাই নীলাচল।

    ৪২৯। হাল যদি ধরে ঠেসে, যায় কি তরী তুফানে ভেসে?

    ৪৩০। হেলায় কার্য নষ্ট বুদ্ধি নষ্ট নির্ধনে,
    যাচনে মান নষ্ট, ভোজন নষ্ট দুই বিনে।

    ৪৩১। হরি বাচান প্রাণ, বৈদ্যের বাড়ে মান।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনাঙ্গা তলোয়ার – এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    Next Article মতি নন্দী কিশোর সাহিত্য সমগ্র ২য় খণ্ড
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }