Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বাতাসবাড়ি জ্যোৎস্নাবাড়ি – অমর মিত্র

    লেখক এক পাতা গল্প146 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বাতাসবাড়ি জ্যোৎস্নাবাড়ি – ১৬

    ষোলো

    রাখালবাবু চোখ তুলে দেখলেন। তারপর মাথা নামিয়ে নিলেন। দাঁড়ানোর কোনও উপায় নেই। পিছনের মোটর সাইকেলওয়ালা তাড়া দিচ্ছে। খুব জোরে তার হর্ন বেজে উঠল। রাখালবাবু। একেবারেই সেই বুড়ো লোকটি। সেই পপলিন কাপড়ের ময়লা সাদা শার্ট। ধুতি। ঘামে মুখখানি ভিজে ভিজে। অনুপম ঘাড় ঘুরিয়ে তাকালেন পেছনে। তিনি সামনে সাইকেল ঠেলতে ঠেলতে এক মুহূর্তের জন্য পেছনে ফিরলেন। কী বিস্ময় তাঁর চোখে। টোটো এগিয়ে গেল। ধীরে ধীরে জট কাটল। তাঁকে নিয়ে টোটো ছুটতে লাগল। টোটোর ভিতরে গান বাজছে, ঠান্ডি হাওয়াঁয়ে লেহরাতি আয়ে…, কত কাল আগের গান। কী সিনেমা? নও জওয়ান, লতা মুঙ্গেশকরের গান, খুব গাইত সুমি। সুমি। বেলা পড়ে আসছে। রেখে যাচ্ছে সেই গান। সুমি ওই গান পেল কী করে? গানটি ১৯৫০-৫১-র। ইউটিউবে শুনেছেন অনুপম। সুমি তাঁর চেয়ে বছর ছয়-সাত ছোট ছিল। এই গানের কথা কবি শাহির লুধিয়ানির, শচীন দেববর্মণের সুর। কোমর নামানো লম্বা ঝুলের ফ্রক, মাথা ভর্তি চুল, চুল খুলে দিলে পায়ের গোড়ালি ছুঁয়ে যেত। সুমি বলেছিল রেডিওয় শুনেছে। তখন রেডিও কোথায় ছিল? সুমি বলেছিল তাদের তালা গ্রামে পাশের বাড়ির মান্নান সাহেবের বাড়িতে ছিল মস্ত রেডিও। রেডিওতে ইন্ডিয়া শোনা যেত খুব ভালো। মান্নান স্যার ইউনিয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান ছিল। তার ছেলে মহসিন ঢাকায় গিয়েছিল সিনেমা করতে। সুমিকে সিনেমায় নামাবে বলেছিল। মহসিন তার দিকে নজর দিয়েছে, সেই ভয়ে তাকে এপারে পাঠিয়ে দিল। মহসিন এতদিনে হয়তো হিরো হয়ে গেছে। অবাক হয়ে সুমির কথা শুনত অনুপম। সুমি বলত, পাকিস্তানে থাকলে সে হিরোইন হয়ে যেতই। মহসিন বলেছিল করাচি নিয়ে গিয়ে উর্দু সিনেমায় নামিয়ে দেবে সুমিকে। খুব দাম হবে হিন্দু হিরোইনের।

    এই গান কি সিডিতে বাজছে? জিজ্ঞেস করলেন অনুপম।

    ইয়েস স্যার, বন্ধ করে দেব? বেস্ট অফ লতা মুঙ্গেশকর। টোটো ড্রাইভার বলল।

    না না, বন্ধ করবে কেন? অনুপম বললেন।

    কেউ কেউ স্যার শুনতে চায় না। টোটো ড্রাইভার বলল, তখন বন্ধ করে দিতে হয়।

    আস্তে বাজাবে, তাহলে ভালো লাগে, এইটা ১৯৫১ সালের গান।

    জানি স্যার, সবই আগের জন্মের, রহে না রহে না হাম…….এই গানটা, সুচিত্রা সেন অশোককুমার, ধর্মেন্দ্র, আমার দারুণ লাগছে, শুধু শুনছি।

    কথা বলছিল তরুণ টোটো ড্রাইভার গাড়ির গতিবেগ কমিয়ে দিয়ে। ধীরে ধীরে চলছিল গাড়ি। সে বলছিল গতকাল একটা প্যাসেঞ্জার নিয়ে সে বর্ডার থেকে কাটিয়াহাট গিয়েছিল, একটা মেয়ে, একুশ-বাইশ, সিডিটা দিয়ে বলল, — এইটা চালাও, তুমি শুনো, কেউ শুনতে চাইলে শুনিও, স্যার আমাকে এমনি দিয়ে নেমে গেল কেটে ( কাটিয়াহাট ) বাজারে।

    কেমন দেখতে? অনুপম মুগ্ধ হয়ে জিজ্ঞেস করলেন।

    মাজা মাজা গায়ের রং, দেখলে মনে হয় খুব ঠান্ডা ওই মেয়ে, কী সুন্দর, হিরোইনের মতো, মাথায় অনেক চুল।

    কত চুল? জিজ্ঞেস করলেন অনুপম।

    বলল পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত।

    তুমি জিজ্ঞেস করলে?

    না স্যার, তিনিই বললেন,তাঁর চুল দেখতে কতজন আসে, সাতক্ষীরেয় অমন চুল কাউর নেই, মনটা কত ভালো বলেন।

    হুঁ। চুপ করে থাকলেন অনুপম। গা শিরশির করছে। কাটিয়াহাট গঞ্জ এসে গেল। বেলা এখন নেই-ই প্রায় আর এখান থেকে দাঁড়ের মাঠ তিনি হেঁটে যাবেন। মিনিট কুড়ি লাগবে। সন্ধের আগে বাড়ি

    গঞ্জ এখন চেনা যায় না। মঙ্গল শনি, হাটের দু’দিন জমজম করত কেটে। এখন সব দিন, সমস্ত দিনই সেই অবস্থা। এই হাটে নাকি পার্টিশনের আগে সাতক্ষীরে থেকেও লোক আসত। তাঁর বাবাও এসেছেন পুজোর বাজার করতে। সাতক্ষীরে বসিরহাটের চেয়ে একটু সস্তা ছিল নাকি। পার্টিশনের পরেও আসত ওপারের লোক। বাবা কতদিন বাড়ি ফিরে বলেছে, অমুকের সঙ্গে দেখা হল। জিজ্ঞেস করলাম, গ্রামের কথা, কেডা কেমন আছে। অদ্ভুত লাগত। তাহলে তারা চলে এল কেন? কিন্তু আস্তে আস্তে সেই আসাও বন্ধ হয়ে গেল। তিনি হাঁটতে লাগলেন। কোথা থেকে এক খণ্ড মেঘ এসেছে, বড় একখানি ছায়া তাঁর মাথায়। আহা! যেন তাঁর বাবা জীবনকুমার সেন, ঠাকুরদা সুধীরকুমার সেন ছায়া মেলে আছেন মাথার উপর। ঠাকুরদা বুড়ো হয়েছিলেন। কেটের কাছে দাঁড়ের মাঠ তিনি চিনতেন, এখানে পার্টিশনের আগে কয়েকবার এসেছেন সাইকেলে। দাঁড়ের মাঠ সাতক্ষীরে থেকে আর কতটা! তাঁদের ধারণা ছিল এই পার্টিশন থাকবে না। কিন্তু থেকে গেল। কী সুন্দর ঠান্ডা বাতাস আসছে। জুড়িয়ে যাচ্ছে শরীর। সেই প্রান্তর এখন ভরেই গিয়েছে প্রায়, তবু খালি জায়গা অনেক। তিনি দেখলেন সেই বট। কতকালের সেই বট। নিশিদিশি দাঁড়ায়ে আছ মাথায় লয়ে জট। বটের পেছন দিকে হাজরা ঠাকুরের থান। অনুপমের ছোটভাই বিশ্বনাথ জন্মের পর মরেই যাচ্ছিল। হাজরা ঠাকুরের কাছে মানত করে নাকি বাঁচানো হয়েছিল। হাজরা ঠাকুর শিবের অনুচর। হাজরা ঠাকুর বাঁচিয়েছিল বলে, ওর নাম বিশ্বনাথ। আর ডাকনাম বিশু ছাড়াও আর একটি ছিল, হাজু। বিশু বেঁচে থাকতে পারল না। আকাশ থেকে এক দুই ফোঁটা জল পড়ল। অনুপম দূরে, সেই ছায়াময় বটের দিকে তাকিয়ে থাকলেন। বিশুও তাঁকে ছায়া দিয়েছে। দু’ফোঁটা জল। তিনি আকাশে তাকালেন। দুচোখ ভরে এল জলে। বৃষ্টি আসবে নাকি? আসুক। এই মেঘ ছিল না। কোন পার থেকে যে এল বটের ছায়া নিয়ে!

    চৈত্র সংক্রান্তিতে হাজরা ঠাকুরের থানে বড় পুজো পাঠ হয়। কোথা থেকে এক রক্তবস্ত্র পরিহিত পুরোহিত এসে পড়ত যে তা কেউ জানত না। নানা রকম অনুমান করত। যশোর জেলার ঝিনাইদহর কাছে বেগবতী নদীর ধারে কালীগঞ্জের হাজরা ঠাকুরের মন্দিরের সাত পুরোহিত-তান্ত্রিকের একজন সে, তাকে ঠাকুরই ডেকে আনত এপারে। ঠাকুর-দেবতার কি বর্ডার আছে? দিন তিনেক আগে থেকে ধুনি জ্বলত। তিনি দাঁড়িয়ে পড়েছেন। পেঁচোয় ধরেছিল বিশুকে। হাজরা ঠাকুর রক্ষা করেছিল। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। তিনি চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকলেন। ওই যে বটের ছায়া আর অন্ধকারে কেউ একজন দাঁড়িয়ে। বিশু, বিশ্বনাথ! বালক দাঁড়িয়ে ওই দূরের ছায়ায়। অনেকদিন বাদে গ্রামে এলেন। বিশুই দেখেছিল বাগানে সুমি আর অনুপমকে ঘনিষ্ঠ অবস্থায়। তখন সে বছর আট-নয়। তাকে বুলু ময়রার দোকানের চিট- কদমা কিনে দিয়ে তবে রক্ষে। আবার এক ফোঁটা জল। আনন্দের না কান্নার! তিনি হাঁটতে হাঁটতে বাড়ি এলেন। ভেরেন্ডা গাছের বেড়া দিয়ে ঘেরা বাড়ি। কত লোক ছিল এক সময়। পরে দুই কাকা চলে গেল কদম্বগাছি আর বারাসত। এখন আর তেমন যোগাযোগ নেই খুড়তুতো ভাইদের সঙ্গে। সেই কলকল শুনতে পেলেন অনুপম। ঝাঁপিয়ে এল যেন সুমি আর বিশু। নিরুপম তেমন ছায়া রেখে যায়নি। বাল্যকাল থেকেই সে আলাদা আলাদা। তিনি স্পষ্ট দেখলেন চুল খুলে উঠনে দাঁড়িয়ে আছে সুমি। ছায়া নেমেছে তাকে ঘিরে। আর ছায়া ঘিরে আছে সবাই। এ কি সত্য, সত্য সকলি সত্য! অনুপম ডেকে উঠলেন, মা।

    মা তো বারান্দায় বসে আছে মাদুরে। কে? ডাক দিয়ে যেন মাজা ভাঙা অথর্ব বনতরু মাথা তুলে তাকাল। তাকাল সেই সুমি। বাবলুদা, আরে তুমি, আমি সুমি। বাবলুদা! ঝকঝকে চোখে তাকিয়ে আছে তার দিকে। আহা! মোর নয়নের বিজলী উজল আলো! যেন ঈশান কোণের ঝটিকার মতো কালো। এ কি সত্য! সাতক্ষীরে থেকে রবীন্দ্রনাথের গান শিখে এসেছিলি তুই। তাদের বাড়িতে রবীন্দ্রনাথের গানের চিহ্ন ছিল না। সুমিই নিয়ে এসেছিল। মা অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে, বাবলু তুই?

    হ্যাঁ, মা, আমি বাবলু।

    বড়দা আপনি? ভিতর থেকে বেরিয়ে এসেছে তপতী। বিশ্বনাথের বিধবা। দুই ছেলে দুই মেয়ে। এক মেয়ের পর দুই ছেলে, তারপর আর এক মেয়ে। বড় মেয়ে বিয়ে হয়ে বনগাঁ। মেয়ে মায়ের আঁচল ধরে আছে সব সময়। জেঠাকে ভালো চেনে না।

    হ্যাঁ, চলে এলাম। অনুপম বসলেন চেয়ারে। কোমর ভারী। মাটিতে বসতে কষ্ট হয়। বললেন, চলে এলাম তপতী, মন টানল, মা।

    মা সাড়া দিল, তুইও কি আমেরিকায় চলে যাবি বলে দেখা করতে এইচিস বাবলু, যা তোরা সবাই চলে যা।

    কী যে বলো মা! অনুপম মাকে জাপটে ধরলেন আমি ইন্ডিয়া ছেড়ে যাব না।

    বিশুর এক ছেলে কাটিয়াহাট বাজারে কাপড়ের দোকান চালায়। দোকান তার বাবার রেখে যাওয়া। বছর চব্বিশ। তার বিয়ে দেবে তপতী। তপতী এখন বছর পঁয়তাল্লিশ। বেশিও হতে পারে। কালো পাড় শাড়ি পরে। সাদা ব্লাউজ। মাথা থেকে কাপড় নামায় না। তপতী বলল, আমার ছোটটার খুব মাথা, ইস্কুলের স্যাররা বলেছিল সায়েন্স নিতে, ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াতাম, কিন্তু আর্টস পড়ছে, আপনি একটু বলবেন দাদা, যেন ইঞ্জিনিয়ার করতে পারি।

    ইলেভেন তো?

    হ্যাঁ, টিউশন দিতাম ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার জন্য, কিন্তু সে জোর করে আর্টসে ঢুকল, ইঞ্জিনিয়ারিং পড়লে সেও আমেরিকা চলি যেতি পারত। তপতী বলল লো ভোল্টেজের আলোর ভিতরে দাঁড়িয়ে।

    মা বলল, তুই একটু বুঝা, তোর কাছে থেকে না হয় পড়বে।

    ছেলেটির নাম অভ্রনীল। অভ্রনীল সেন। তার দাদার নাম অদ্রিনীল সেন। নাম তাঁর দেওয়া। বিশু বলেছিল, দাদা, তুমি ভালো নাম দাও মিলিয়ে মিলিয়ে। বিশু বেশিদূর পড়েনি। ব্যবসায় মন হল। অদ্রিনীল দুপুরে ফেরে না। সারাদিন কেনা বেচা। ফিরতে রাত হয়। অভ্র কৃষ্ণকায়। বিস্ময়ে আবিষ্ট হয়ে জেঠাকে দেখছিল। বছর সতেরো হবে। তাঁর তখন এই বয়স। সুমি গুনগুন করছে, মোর মধুর অধর বধূরও নবীন অনুরাগ সম সত্য। চ বাবলুদা পেয়ারা পেড়ে দিবি।

    অনুপম জিজ্ঞেস করলেন, বিজ্ঞান পড়লে না কেন, বিজ্ঞান এক সমুদ্র, তার কিছু পেতে।

    আঠেরো বছরের সদ্য যুবক বলল, আমি কবিতা লিখব জ্যাঠামশায়, কবি হব।

    কবিতা লিখো, কিন্তু কবিতার সঙ্গে বিজ্ঞানের তো বিরোধ নেই।

    অভ্র চুপ করে থাকে।

    মোবাইল বাজল, শোভন ডাকল, মামা, ও মামা, আমি ফিরছি।

    তিনি ভাবলেন খুব ভালো সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চলে এসে। তিনি বললেন, ব্যস্ত।

    মামা তোমার জন্য বর্ধমানের সীতাভোগ নিয়ে যাচ্ছি, তুমি নাকি খেতে ভালোবাসো?

    তিনি চুপ করে থাকলেন।

    মা বলল, তাই নিয়ে যাচ্ছি, ল্যাংচাও নিয়েছি।

    ব্যস্ত আছি, বলে তিনি ফোন কেটে দিলেন।

    অদ্রিনীল ফিরতে রাত আটটা। তখন চাঁদ উঠে গেছে। তিনি উঠোনে বসে ছিলেন। জ্যোৎস্নায় উঠোন ভেসে যাচ্ছে। কতদূর দেখা যাচ্ছে। অনুপম জিজ্ঞেস করলেন, আজ কি পূর্ণিমা?

    মা বনতরু বললেন, কাল পুন্নিমে, তুই এলি, কাল কি সত্যনারায়ণ দেব?

    কেন?

    মা বনতরু বললেন, তোদের সকলের জন্য, তোরা দুই ভাই, তোদের ছেলে মেয়ে নাতি, বিশুর ছেলে মেয়ে, সকলের জন্য।

    কী মনে হল অনুপমের, বললেন, দাও, ঠাকুরমশায় আছেন কেউ, আগে যে ভটচায্যি মশায় করতেন, তাঁর ছেলেরা কি করে?

    সে ব্যবস্থা অদ্রি করবে, বিশু চলে গেল, এক বছর কাল অশৌচ গেল, তারপর মনে হয়নি। বিনবিন করে মা বললেন।

    অদ্রি বলল, বলল, ভালো হবে, অনেকদিন সত্যনারান হয়নি।

    রাতে ভাত খেয়েছেন অনুপম। শুক্তো, মুগের ডাল, বেগুন ভাজা, চুনো মাছের চচ্চড়ি, পারশে মাছের মাখো মাখো ব্যঞ্জন। তপতীর রান্নার হাত ভালো। তপতীরা পানিতর গ্রামের। পানিতর বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে, বহু প্রাচীন গ্রাম। পানিতরেই বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম বিবাহ। প্রথম পক্ষ গৌরী ওলাওঠা হয়ে মারা গিয়েছিলেন। তপতী দেখেছে সেই শ্বশুরবাড়ি। পানিতরের মুখুজ্জেরা সুখ্যাত পরিবার। অনুপম অনেকবার ভেবেছেন যাবেন একবার পানিতর। যাওয়া হয়নি। দেখা হয়নি, একটি ধানের শিষে এক বিন্দু শিশির। তিনি বিভূতিভূষণ পড়তে ভালোবাসেন। সীমান্তের ওপারে তাঁদের পূর্বপুরুষের দেশ। খাওয়ার পর বারান্দায় গিয়ে বসলেন অনুপম। মা বসে আছে বারান্দার অন্ধকারে। বাইরে উঠোনে চাঁদের অফুরন্ত আলো। তপতী এসে বসল শাশুড়ি মায়ের পাশে। অভ্রনীল পড়ছিল ভিতরে। বেরিয়ে এসে আচমকা জিজ্ঞেস করেছে, তুমি কাল পানিতর যাবে, বিভূতিভূষণের বাড়ি?

    নিয়ে যাবি? তিনি অভ্রর মাথায় হাত রাখলেন।

    তখন তপতী জিজ্ঞেস করল, টুটুল কি ওদেশেই থেকে যাবে?

    অনুপম দায়সারা উত্তর দিলেন, কিছু বলেনি।

    মা অন্ধকার থেকে আবার জিজ্ঞেস করল, তুই কি ওদেশে যাবিনে ওদের দেখতি?

    হাসলেন অনুপম। মা এই রাগ করছে সে ওদেশে যাবে বলে। আবার বলছে, সে একবার গিয়ে দেখে আসুক ওরা ওদেশে কেমন আছে। বিদেশ-বিভূঁই তো। কতই বা বয়স তাঁর নাতিটার। সেদেশে নাকি খুব শীত পড়ে। আহা, মা একটা কাঁথা বুনতে পারত যদি, নাতিকে দিত। কিন্তু এখন আর পারে না। তবে আছে একটা, একজনের ওমের মতো, বাবলুর নাতি গায়ে দিয়ে শোবে। সারা বছর শীত। সে দেশে মানুষ থাকে কী করে?

    যান দাদা, ঘুরে আসুন, দেখে আসুন, ছেলে বলে বিরাট দেশ, দেখার মতো। তপতী বলল, সকলেই ধনী।

    মা তা শুনে উলটো কথা বলল এবার, গেলি তো আর ফেরবে না।

    অনুপম বললেন, না বলেননি, কথাটা নিয়ে মনের ভিতরে খেললেন, কে বলেছে তোমাকে এ কথা?

    তপতী বলল, কেন ফেরবে না মা।?

    মা বলল, কেডা ফিরেছে বলো, আমার নাতি নাত বউ ফিরল?

    তপতী চুপ করে থাকে। কী বলবে ঠিক করে উঠতে পারে না।

    মা বলে, আমি তো দেখতিছি যে যায় সে ফেরে না, সে নাকি এমন দেশ, ফিরবে কেউ তা ভাবতিই পারে না, জাদুর দেশ, গাছে গাছে হিরে মোতির ফল, সেই যে গল্প আছে না, সেই জাদুতে মজেছে মানুষ।

    তুমি যে কত দেখবে মা? মনে মনে বললেন অনুপম, তিনি মায়ের কথায় খুব খুশি হচ্ছিলেন না।

    কিছু বলতিছিস? মা জিজ্ঞেস করল।

    কিছু না মা। অনুপম বললেন।

    সত্যি আমার কত দেখতি হবে, কবে আমি নিজি যাব। মা বিড়বিড় করল।

    অনুপমের কী খেয়াল হল, জিজ্ঞেস করলেন, মা, তোমার সইয়ের মেয়ে সুমি ফোন করেছিল।

    কার কথা বলতিছিস?

    যে সুমি এখেনে ছিল, তার মা তোমার সই ছিল ওর মা, তৃপ্তিমাসি।

    সেই মেয়েডা, সেই নচ্ছারডা। মা ঘাড় ঘুরিয়ে তাকাল। চোখে রাগ ফুটে উঠল। প্রাচীন এবং পুঞ্জীভূত ক্রোধ, সে তোরে ছাড়েনি এখনও, বুঝতি পারতিছি, বউমা ওই জন্যি অকালে চলে গেছে, টুটুলও তাই মনের দুঃখে আমেরিকা চলে গেল, তুই যা, তুই টুটুলের কাছে গে থাক, ও যেন আর খোঁজ না পায় তোর। শয়তানি

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅশ্বচরিত – অমর মিত্র
    Next Article সতত তোমার কথা ভাবি এ বিরলে – অমর মিত্র

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }