Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বাতাসবাড়ি জ্যোৎস্নাবাড়ি – অমর মিত্র

    লেখক এক পাতা গল্প146 Mins Read0
    ⤶

    বাতাসবাড়ি জ্যোৎস্নাবাড়ি – ১৭

    সতেরো

    তপতী উঠে গেছে। তার মানে তপতী জানে। মা গল্প করেছে। আবার এমনও হতে পারে বিশুই বলেছিল মায়ের সইয়ের মেয়ে সুমিত্রার সঙ্গে সেই পনেরো ষোলোর বড়দার গল্প। সাক্ষী ছিল সে। সুমি নিরুপমের বয়সি। তখন চোদ্দো। নিরুপম ছিল না বাগানে। অন্ধকারে বসে মা চাপা গলায় গর্জন করল যেন, বলল, বউমারে খেইছে ও, বউমা সারাজীবন কষ্ট পেয়েছে, সুমি সব্বোনাশী, তুই এখনও বুজিসনি, তুই আমেরিকা চলে যা, আমার কিছু হবে না, নিজে বাঁচ।

    বিরক্ত হলেন অনুপম, বললেন, কী যে তুমি বলো, সে আমার খোঁজই রাখত না, যোগাযোগ ছিলই না, নর্থ বেঙ্গলে থাকে।

    হিংসেয় বাণ মেরেছে দূর থেকে, ওসব মেয়ে অমনি হয়, আমি সব বুজতাম, তারে সাবধানও করিছিলাম, ওইটুকুনি বয়েস, ওর ভিতরেই পুরুষ চিনেছিল, কিছু কিছু মেয়ে এমনি হয়, দেহ না, কয়লার উনুন, গনগন করে জ্বলতেছে সব সময়।

    অনুপম চুপ করে থাকলেন। মায়ের রাগ এখনও পড়েনি। সইয়ের মেয়ে। সইয়ের খুব ভয় হয়েছিল। সই তার কাছে মেয়েটাকে পাঠিয়ে দিয়েছে। না পাঠালে মেয়ে অতদিনে সিনেমা করতে ঢাকায় চলে যেত মহসিন না কার সঙ্গে। মুসলমান হয়ে যেত। কিন্তু এখানে এসে যা করছে, সামলানো মুশকিল। পাকিস্তানে আবার পাঠিয়ে দিতে না হয়। মা বলল, রাগ পড়বে কেন, ভয় তো দেখতিছি যায়নি, সে কেন তোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখে?

    অনুপমের মনে হল বলে, বুড়ো হয়ে গেছি মা, এখন সে আর কী ক্ষতি করতে পারে, ছেলেটা মানুষ হয়নি, কষ্টে আছে।

    মা বলল, তোরে নষ্ট করতি এইছিল।

    অনুপম বলতে চাইলেন, থাক মা, আমাদের কাছে আশ্রয় নিয়েছিল সে।

    মা যেন অনুচ্চারিত কথার জবাব দিল, আছরয় নিয়ে যা করতে গেল, ছিহ! যা আমেরিকা চলে যা, আমার কষ্ট হবে না, বিশু চলে গেল, তুইও যাবি, আমেরিকা থেকে যেন না ফিরিস আর।

    অনুপম চেয়ার থেকে উঠে মায়ের পাশে গিয়ে বসেন, দুহাতে জড়িয়ে ধরেন, বলেন, কী যে বলো মা, তোমার বউমার যে অসুখ হয়েছিল, তা ধরা যখন পড়ল, কিছু করার ছিল না, আমি একা তাঁকে নিয়ে ছুটোছুটি করেছি।

    মা বলল, সে কি আমি জানিনে, বিশুর যাবার উপায় ছিল না, তারেও তো তখন ভিতরে ভিতরে রোগে ধরিছে, সব ওই সব্বোনাশীর জন্যি।

    ছি মা, অন্যের মেয়েকে এখনও দোষ দাও কেন, আমারও কি দোষ ছিল না?

    আমি তারে বলেছিলাম এ তুই কী করিস সুমি, ফের পাকিস্তানে পাঠায় দেব। সে বলেছিল, তাই দাও, গিয়ে নাকি করাচি চলে যাবে, সিনেমায় নামবে।

    অল্প বয়স ছিল, এখন সে অন্যের ঘরের বউ, বয়স হয়ে গেছে, আমার সঙ্গে আর তো দেখা হয়নি।

    মা বলল, আমি তারে বললাম, বাবলু তোর দাদার মতন, তার সঙ্গে কী করিস, সে বলল, কিছুই করিনে, বাবলুদারে আমি ভালোবাসি।

    আহ মা, ভিতরে ওরা শুনবে।

    আমার সই চিনত নিজির মেয়েরে, তারে কম ভুগয়ছে? মা চাপা গলায় বলল, ফোন ধরবিনে, আমার বউমা কেন অকালে সুখের দিনে চলে গেল তা আমি বুজতি পেরিছি এতদিন পরে।

    থাক মা, তোমার কোনও ভয় নেই, সে এখন আর কিছু করতে পারবে না।

    পারবে পারবে, শুনিছি যেমন মেয়ে, স্বামীও তেমন পেয়েছিল, মার খেত, তারপর তার স্বামীর কথায় তার উপরওয়ালার ঘরে যেতে হতো, ভুটান বেড়াতে গিয়ে স্বামী তাঁকে উপরওয়ালার কাছে রেখে চলে এসেছিল, এসব জানিস তুই?

    এসব কথা তোমাকে বলল কে? অনুপম কষ্ট পেলেন শুনতে শুনতে।

    সই চিঠি লিখত, দুঃখের কথা লিখত। মা বলল, তার স্বামী খুব ঘুষ খেত, নিজের বউকে সাহেবের বাংলোয় পাঠাত, তাতে তার খুব উন্নতি হয় চাকরিতে, মেয়ে দুঃখের কথা তার মাকে বলেছিল। মা বলল, যেমন চরিত্র তেমন হয়েছে, হয়তো সে নিজেই যেত উপরওয়ালার কাছে, মিথ্যে করে লিখেছিল সই, তাই-ই হবে, তুই যোগাযোগ রাখবিনে

    মা বলল, দেখ বাবলু, খারাপ কথা বাতাস বয়ে আনে, ও সেই উত্তরবঙ্গে থাকুক আর বসিরহাট থাকুক, মুখে মুখে চলে আসে, ছি ছি ছি, এসডিও না কি অফিসার, তার সঙ্গে ভুটান ঘুরতে চলে গেল, ফিরে আবার স্বামীর কাছে, অফিসার নামিয়ে দিয়ে গেল।

    সে তো ওর স্বামী রেখে এসেছিল বললে।

    ও তো সই লিখেছিল তার মেয়েকে নির্দোষ প্রমাণ করতে, আসল এইটা কিনা জানতে চেয়ে আমি চিঠি দিয়েছিলাম, জবাব পাইনি, সই আর চিঠি দিত না।

    অনুপম বললেন, তুমি লিখে ভুল করেছিলে, এমন হয়, লোভী পুরুষ নিজের ওয়াইফকে বসের কাছে পাঠিয়ে দেয়।

    তুই সরে আসতি পেরেছিলি, বেঁচি গিইছিস, ওর স্বামী বউয়ের জন্যই রোগে পড়ল আগে মরে গেল, লোকটার কী কষ্টের জীবন!

    অনুপম বলল, থাক মা, ভালো লাগছে না।

    লাগবে কী করে, ওই মেয়ের পাল্লায় যে পড়েছে, তার জীবন শেষ, অফিসারকে বিয়েই করতে দেয়নি, টাকা নিত তার কাছ থেকে, বাড়ির উপরতলা তার টাকায় করা।

    এসব কথা তোমাকে কে বলেছে? অনুপম ক্ষুব্ধ স্বরে জিজ্ঞেস করলেন।

    এরকম তো ঘটে, বসিরহাটে ঘটেছিল, আমি শুনেছিলাম।

    তাই তুমি ভেবে নিলে…।

    তৃপ্তি তো তার মেয়ের পক্ষে কথা বলত।

    থাক মা, কাল সত্যনারায়ণ হবে, এখন ওসব কথা না বললেই ভালো, কী সুন্দর জ্যোৎস্না, জ্যোৎস্নায় দাগ লাগছে কালো।

    মা চুপ করে গেল। অনুপমের মনে পড়ছিল বাবার কথা। বিকেলে ভটচায্যি মশায় পুজো করলেন। সন্ধেয় আকাশ জুড়ে কাঁসার বগি থালার মতো চাঁদ। বাড়িতে সেদিন রাখালবাবুও এসেছেন। বাবা বললেন, আয় সকলে মিলে লুকোচুরি খেলি, জ্যোৎস্নায় সব নেমে যা উঠোনে।

    রাখালবাবু বললেন, জীবন, আমি তো লুকুতি পারব না।

    বাবা বললেন, আপনি কি বসে থাকবেন?

    জীবন, মেয়েডার কথা খুব মনে পড়ে, থাকলিই পারতাম ওপারে, মেয়ে মুসলমান হয়েছে সেই অপমানে চলি আলাম, এখন ভাবি, হয়েছে হয়েছে, সুখেই তো আছে, ভালোবেসে বিয়ে করেছে ওরা, জামাই বলেছিল ও হিন্দুই থাকবে, পুজো-আচ্চা সব করবে, কিন্তু তা কি হয়, কিন্তু না হলিই বা কী, ভালোভাবে বাঁচাটাই তো আসল কথা।

    বাবা বললেন, আসুন জ্যোৎস্নায় নামি, এই তোরা যে যার পারিস লুকো, আমি আর মাস্টারমশায় খুঁজে বের করি।

    অনুপম ডুবে গিয়েছিলেন নিজের ভিতরে। তখন তাঁর মোবাইল বাজল। শোভন ডাকছে, মামা, তুমি কোথায় আছ?

    কী দরকার?

    এখন দশটা বাজে, তুমি ফ্ল্যাটে নেই কেন? শোভন রাগত গলায় জিজ্ঞেস করল।

    জানিনে কেন? তিনি সংক্ষিপ্ত জবাব দিলেন।

    আমি এখন কোথায় যাব? শোভনের গলায় ঝাঁজ।

    বাড়ি চলে যাও, রাতে অনেক ট্রেন নর্থ বেঙ্গলের, কতদিন কলকাতায় থাকবে?

    কী সব ফালতু কথা বলছ, কলকাতায় আমার অনেক কাজ, তুমি আমাকে না বলে ফ্ল্যাটে চাবি দিয়ে কোথায় বসে আছ? শোভন গরগর করে উঠল।

    ফোন কেটে দিলেন অনুপম। শোভন আবার ফোন করল, তুমি এটা ঠিক করছ না, অতবড় ফ্ল্যাট, একা থাকো, আমি একটা ঘরে থাকতে পারব না, আমি হোটেলে যাচ্ছি, কাল সকালে যেন খোলা থাকে ফ্ল্যাট।

    তিনি চুপ করে থাকলেন।

    আমি টুটুলদাকে হোয়াটস আপ করেছি, মামা তুমি একা থাকবে অতবড় ফ্ল্যাটে, আর আমি রাস্তায় ঘুরব, তা হবে না।

    তিনি বললেন, তুমি কেন নিজের শহরে ফিরতে চাও না, কী করে এসেছ?

    কে বলেছে এসব কথা, মা?

    তিনি বললেন, আমি ব্যস্ত। ফোন কেটে দিলেন আবার।

    বিরক্ত অনুপম দেখলেন জ্যোৎস্নায় মেঘের ছায়া পড়ল। বসে থাকলেন চুপচাপ। তখন অদ্রি আর অভ্র, দুই ভাই আর তাদের মা তপতী উঠোনে জ্যোৎস্নার ভিতরে তালপাতার পাটি পেতে বসল, তিনি নেমে এলেন উঠনে। মা বনতরু নেমে এলেন টুরটুর করে, বসলেন নাতি আর ছেলের বিধবা বউয়ের পাশে। অনুপম ঘুরছিলেন উঠোনে, বললেন, আমরা ভাই বোনেরা এখানে বড় হয়েছিলাম, জানো অদ্রি?

    অদ্রি বলল, জানি, ঠাকমা সব বলেছে, আমার ভাইয়ের মাথা খুব, ও বড় হবে, দুকান করবে না আমার মতো, কিন্তু কবিতা লিখে কি জীবন চলবে?

    দোকান করা খারাপ?

    না জ্যাঠাবাবু, কিন্তু জগতের তো কিছুই জানা হয় না, দেখা হয় না, তেল-মশলার হিসেবের বাইরে জগৎ কত বড়!

    তপতী বলল, ওর বাবা চলে যাওয়ার পর, এক রাত্তিরেই ও বড় হয়ে গেল, ছেলে আর মেয়েডারে আমি ভালো করে মানুষ করতে চাই দাদা।

    মেয়ের বয়স দশ। ক্লাস ফোরে পড়ে। মাকে জড়িয়ে বসে আছে। সারাদিন ড্যাবড্যাবে চোখে দূর থেকে জ্যাঠামশায়কে দেখছে। কথাই বলে না প্রায়। তিনি হাতছানি দিলেন। সে হাসল। এল না। অদ্রি বলল, জেঠাবাবু, আর বছরে, এখেনে খুব গোলমাল হল।

    জানি, ফোন করতে চেষ্টা করলাম, বন্ধ ছিল।

    অদ্রি বলল, হ্যাঁ, মোবাইল, ইন্টারনেট, সব বন্ধ ছিল।

    কিন্তু সে তো হয়েছিল বাদুড়িয়া, বেড়াচাঁপার দিকে।

    বসিরহাট বাদ যায়নি। অদ্রিনীল বলল, সে সময় খুব টেনশন গেছে, বসিরহাটে খুব গোলমাল হয়েছিল, বাস বন্ধ ছিল কতদিন।

    আবার ফোন করল শোভন, তিনি ফোন তুলেই বললেন, আমি একটা কাজে এসেছি, ফোন করবে না।

    গরগর করে উঠেও সামলে নিল শোভন, বলল, তুমি তন্দ্ৰিমা বউদির কাছে চাবি রেখে গেছ?

    না, কে বলল? অনুপম অবাক।

    আমি তন্দ্রিমার কাছে যাচ্ছি মামা, তুমি কাল সকালেই ফিরে এসো, আমি ওকে বলছি তুমি বলেছ চাবি ওর কাছে, ওদের ফ্ল্যাটে না হয় এক রাত্তির থাকতে দিক।

    তুমি হোটেলে যাও, ওখানে কেন তোমাকে থাকতে দেবে?

    দেখি দেয় কি না, আমি তো তোমার কথায় যাচ্ছি। শোভন বলল।

    কথা হচ্ছিল, কথা চলছিল। তিনি রাগে কাঁপছিলেন। ফোন কেটে দিয়ে তন্দ্রিমাকে ফোন করে সাবধান করলেন। তারপর সিকিউরিটির ছেলেটিকে বললেন, ঢুকতে না দিতে।

    সিকিউরিটি বলল, সে ঢুকতে দেয়নি। ভাগ্নে রাস্তায় পায়চারি করছে ভবতোষ আর দুজনকে নিয়ে। ওই দুজন নাকি ভাগ্নের সঙ্গে বর্ধমান থেকেই এসেছে। কথাবার্তার ভিতরে ভাগ্নে তাই বলেছে।

    কী হয়েছে? অদ্রি জিজ্ঞেস করল তিনি কথা বন্ধ করতে। তিনি মাথা নাড়লেন, কিছু না। কিন্তু কিছু। তখন শোভন আর ভবতোষ যাচ্ছে বেলগাছিয়া মোড়ের এক হোটেলের দিকে। রিকশয় তারা দুজন। শোভন বলছে, আমার বাবাটা হারামি ছিল, এই বুড়ো আরও হারামি, হারামি আর ক্যারেক্টারলেস, মা সব বলেছে, মা ছোটবেলায় ওদের বাড়ি থেকেছিল, তখন মাকে… মা বলত আর কাঁদত, মাকে নষ্ট করে বিয়ে করেনি, করলে আমি আজ আমেরিকায় থাকতাম।

    ভবতোষ বলল, ক্যারেক্টারলেস যে তা সে জানে, একা থাকে কেন, চারতলার বউটা নিশ্চয়ই ওর কাছে আসে, তার স্বামী বাইরে থাকে।

    যা বলেছ মাইরি, আমি বাড়াভাতে ছাই দিয়েছি, বুড়ো ঝামেলায় পড়বে।

    ভবতোষ বলল, শালা আমাদের থাকার জায়গা নেই, উনি তিনটে ঘর নিয়ে অতবড় ফ্ল্যাটে একা থাকবে।

    বুড়ো ঢেঁসে গেলে ওই ফ্ল্যাটের মালপত্তর সব ঝেড়ে দেব, তন্দিমা আর বুড়োর অভিসারে আমি কাঁটা হয়ে গিয়েছি, মা বলল, আমার ডিউটি মামাকে দেখা, ওর ছেলে মেয়েরে বলে দেব তন্দ্রিমার কথা, শালা লাগুক ক্যাঁচাল।

    তখন দাঁড়ের মাঠে সেই জ্যোৎস্নাময়ী রাতে অনুপম শুনছিলেন আগের বছরের দাঙ্গার কথা। তার ক’মাস আগে বিশু মারা গেছে। কাল অশৌচ যায়নি, কিন্তু তারা দুই ভাই প্রতিরোধ কমিটির সঙ্গে মিলে গ্রাম পাহারা দিয়েছিল। দিনের বেলা মাইক নিয়ে প্রচার করেছিল। রাতের অন্ধকারে অদ্রির দোকানে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল বাইরের লোক। কিন্তু তারা কারা বলতে পারো জ্যাঠাবাবু? গুন্ডার দল এসেছিল জামতলা ঘাট পেরিয়ে। তারা বাংলা বোঝে না, বাংলায় কথা বলে না। একজনকে ধরে ফেলেছিল তারা। তার নাম শ্যামলাল আহির। বিহারের লোক। তাকে পুলিসের হাতে তুলে দিয়েছিল। দোকানের তেমন ক্ষতি করতে পারেনি। বোঝো জ্যাঠাবাবু, কেমন রায়েট, আগুন লাগিয়ে দিয়ে বলত মুসলমানে করেছে। আবার মুসলমানের দোকানে আগুন মুসলমানে দিয়ে বলত হিন্দু করেছে। সে একটা দিন গেছে দু-পক্ষকে ঠেকাতে হয়েছিল জ্যাঠাবাবু। তিনি অবাক হয়ে শুনতে লাগলেন। কী সুন্দর করে বলছে তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্র অদ্রিনীল সেন। তাতে যোগ দিচ্ছে তপতী, অভ্র আর মা বনতরু। তিনি উঠোন থেকে তাকিয়ে দেখলেন কারা যেন বারান্দায় বসে আছেন। তিনি স্পষ্ট দেখলেন বাবা জীবন সেন আর মাস্টার দাদু রাখাল ভট্টাচার্য। তিনি চেয়ার সরিয়ে উঠে দাঁড়ালেন, বললেন, এমন সুন্দর চাঁদের আলো, আমি আমার ছোটবেলায় রেখে গিয়েছিলাম এখানে, ফিরে পেয়েছি।

    মা বনতরু বললেন, বাবলু তুই কি সত্যনারায়ণের পর চলে যাবি?

    কী করব বুঝতে পারছি না, অনুপম-বাবলু বলল, আয় অদ্রি, সকলকে নিয়ে লুকোচুরি খেলি।

    অদ্রিনীল উঠে দাঁড়াল। অভ্রনীল, তপতী, বনতরু, রিমঝিম। উঠোনের নিমগাছটির আড়াল থেকে তখন একজন বেরিয়ে এল যে তা স্পষ্ট দেখতে পেলেন অনুপম। কে? বিশু। বিশ্বনাথ। কে নেমে এল বারান্দা থেকে? রাখালবাবু। তাঁর সঙ্গে কে? জীবন সেন। এখানে সেই মেয়েটা, সুমিত্রা নেই। জ্যোৎস্না রাতে সে চুল খুলে দাঁড়িয়েছিল বাড়ির পিছনের আমবাগানে। বিশু তাঁকে ডাকল, দাদা।

    তিনি বললেন, তোরা লুকিয়ে পড়, আমি খুঁজে বের করি।

    অদ্রিনীল বলল, জ্যাঠা আমার ভাই যেন বড় হয়।

    হবে হবে।

    বিশু বলল, দাদা আমি তোমার কাছে রেখে গেছি এদের, তুমি দেখো।

    অভ্রনীল বলল, আমি কবিতা ভালোবাসি, কবিতার জন্য জন্মেছি মনে হয় জ্যাঠাবাবু, মনে হওয়াটা কি ভুল?

    না, না, কাল আমি তোকে নিয়ে পানিতর যাব, বিভূতিভূষণের বাড়ি।

    ওদিকে একটা বিল আছে, কত পাখি সেখানে। অভ্রনীল বলল।

    তোরা সব লুকো, এমন চাঁদের আলো, আমি তোদের খুঁজে বের করব…। তিনি দেখলেন নিম গাছের আড়ালে চলে গেল বিশু। বাবা আর রাখালবাবু কথা বলতে বলতে বাগানের দিকে চলে যাচ্ছেন। তপতী তার মেয়ের হাত ধরে ভিটের কোণের আমগাছটির আড়ালে গিয়ে হারিয়ে গেল। একে একে অদ্রি, বনতরু, অভ্র। উঠোন ফাঁকা হয়ে গেল। তখন হাওয়া উঠল। হু হু করা বাতাস উড়ে এল কোন সুদূর থেকে। সেই টুটুলের ব্লু রিজ মাউন্টেনের হাই উইন্ড এলাকা, বাতাসবাড়ি থেকে। জ্যোৎস্না ঢেউ হয়ে বয়ে যেতে লাগল। এখন ওদের খুঁজে বের করতে হবে এই চাঁদের আলোর ভিতরে। বাবা এই জ্যোৎস্না দিয়ে গেছেন। বাবা পেয়েছিলেন ঠাকুরদার কাছ থেকে। এই চাঁদের আলো আর এই সংসার সব নির্মাণ করেছিলেন তাঁরা। তিনি ঘুরতে ঘুরতে সংসারটিকে খুঁজতে খুঁজতে ঠিক করে নিতে লাগলেন কী করবেন। ফিরে যাবেন না থেকে যাবেন এই দাঁড়ের মাঠে?

    থেকেই যাবেন। থেকে গেলেন। চতুর্দশী, পৌর্ণমাসী গেল। কৃষ্ণপক্ষের প্রতিপদ গেল। দ্বিতীয়ায় চাঁদ উঠল দুই প্রহর বাদে। সেই জ্যোৎস্না সেই বাতাস। আবার লুকোচুরি খেলা শুরু হল। এই তো বাবার রেখে যাওয়া ঘরবাড়ি জ্যোৎস্নাবাড়ি বাতাসবাড়ি, আনন্দবাড়ি। অভ্রনীল, অদ্রিনীল, রিমঝিম, তপতী, মা বনতরু সকলে জ্যোৎস্নার ভিতরে লুকিয়ে গেল। অনুপম একা। ঠিক তখনই সেই নির্মল বাতাস আর জ্যোৎস্নার ভিতরে কুয়াশা আর মেঘের মতো নেমে এল কে? মস্ত এক ছায়া। অন্ধকার। বড় বড় পায়ে এগিয়ে আসতে লাগল সে। কিংকং আসছে, গডজিলা আসছে। দানব আসছে। সে খ্যানখ্যানে গলায় বলল সে, মামা এসে গেছি, বহুত চালাক ভাব নিজেকে, ভেবেছ আমি একটা গাধা, রাস্তায় রাস্তায় ঘুরব আর তুমি মস্তি মারবে চাঁদের আলোয়, এখন কী করবে, পেটে চাকু ঢুকে যাবে, সব তো লুকিয়ে গেছে জোছনার ভিতরে, শালা ফ্ল্যাটের চাবিটা দিয়ে তুমি এখানে থেকে যাও, আমি আমার মা-কি আউলাদ, তোমার উপর আমার রাইট আছে, চাবি না নিয়ে যাবই না, শালা এর নাম ধ্যাড়ধেড়ে গোবিন্দপুর, আসা কম ঝক্কি, মা ডিরেকশন দিল তো আসতে পারলাম।

    অনুপম বুঝলেন তাঁর পরিত্রাণ নেই। তিনি ডেকে উঠলেন, আয় তো আমার অদ্রিনীল অভ্রনীল, রিমঝিম, আয়রে আমার লালকমল নীলকমল। আমি তোদের খুঁজে পাচ্ছি না, এই দেখে যা কে এসেছে আবার, সেই আগের বছর যেমন এসেছিল ঘর পুড়াতে অন্ধকারে।

    অন্ধকার ফেটে জ্যোৎস্না ফুটে উঠতে লাগল আবার। বাতাসবাড়ির জ্যোৎস্নায় ঢেউ উঠল, ঢেউ।

    সমাপ্ত

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅশ্বচরিত – অমর মিত্র
    Next Article সতত তোমার কথা ভাবি এ বিরলে – অমর মিত্র

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }