Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বাতাসবাড়ি জ্যোৎস্নাবাড়ি – অমর মিত্র

    লেখক এক পাতা গল্প146 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বাতাসবাড়ি জ্যোৎস্নাবাড়ি – ৫

    পাঁচ

    সুমি আবার ফোন করেছে। শোভনও। দুদিন বাদে শোভন না, সুমি একা। সুমি বলছে, বাবলুদা, তোমাকে আমার ছেলে এখানে নিয়ে আসবে। অনেক দিনের সাধ, তোমাকে যত্ন করে রেঁধে খাওয়াই। আসবে তো বাবলুদা? কোচবিহার খুব সুন্দর শহর। রাসমেলায় এসো।

    সুমির ফোন আসছে যখন তখন। ক’দিন বাদে মনে হল ফ্ল্যাট ছেড়ে বেরবেন। মেদিনীপুর শহরে যাবেন। কেন মনে হল? মনে হচ্ছিল, সুমির ছেলের আসার দেরি নেই খুব। সে তাড়াতাড়ি এসে পড়বে। সুমি নিজেই ফোন করে, শোভন করেনি দুদিন। হয়তো আজ রাতেই ট্রেনে চেপে আগামীকাল ভোরে নেমে পড়বে শিয়ালদা। তিনি অস্বস্তি বোধ করছেন। টুটুল এইটা ঠিক করেনি। টুটুল না জিজ্ঞেস করে ঠিকানা, ফোন নম্বর দিল কেন? এর ভিতরে ওরা ফোন করবে, কিন্তু পাবে না। টুটুল কি তখন তাঁর মোবাইল নম্বর ওদের দেবে? তিনি অচেনা নম্বর ধরবেন না। অনুপমের মনে হল একবার দেখে আসেন। সেই মিশন কম্পাউন্ড, অমল সেনগুপ্তর বাড়ি, তিনি সংসার পেতেছিলেন সেখানে। জীবনের সেই সময়টুকু গিয়েছিল অপূর্ব। তিনি তিরিশ, কুন্তলা বাইশ। কুন্তলার বাপের বাড়ি মগরা। আদি সপ্তগ্রাম পেরিয়ে কুন্তি নদীর ধারে। অনেক পুরনো জনপদ। কুন্তলাদেরও অনেক বড় পরিবার। প্রাচীন দালান কোঠা রয়েছে সেখানে। চুন সুড়কির সেই বুড়ো অট্টালিকা, তার কিছুটা ভেঙেও গেছে। কুন্তলার ঠাকুরদা ছিলেন বড় ভূম্যধিকারী। এদেশি। জমিদার। জমি-জমা ছিল। ভাগ ভাগ হয়ে সব এখন ফুরিয়ে গেছে। এখনও কেউ কেউ থাকে সেখানে। যারা থাকে তাদের না থেকে উপায় নেই। বেরতে পারেনি। ইস্কুলের মাস্টারি, ছোট ব্যবসা এই সব করে কুন্তলার খুড়তুতো, জেঠতুতো ভাইরা। শুধু তার এক দাদা, অমলেন্দু থাকেন সেখানে। তিনি সরকারি চাকরি করতেন, সমস্ত জীবন বাইরে বাইরে কাটিয়েছেন। অবসরের পর ফিরে এসেছেন নিজের বাড়িতে। কুন্তলার অসুখের সময় তিনি কয়েকবার এসেছিলেন, মৃত্যুর পর যোগাযোগ প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। কুন্তলার আর এক ভাই কমলেন্দু দিল্লিতে সেটলড। মাঝে মাঝে ফোন করে। ইদানীং অনেকদিন কোনও ফোন আসেনি। ছেলের কাছে ম্যানিলা-ফিলিপিনস-এ গিয়েছে হয়তো। অমলেন্দুর এক মেয়ে, বিয়ে হয়ে ভোপালে থাকে। অর্পিতা মেয়েটি ভালো। মাঝে মাঝে তাঁকে ফোন করে। বলে ভোপাল এসো পিসে। পাঁচমারি, ভীম বৈঠকা, সাঁচি স্তূপ, বিদিশা দেখে যাও। তিনি কুন্তলাকে নিয়ে ঘুরেছেন ওদিকে একবার। কুন্তলার এক মাসি থাকে উজ্জয়িনী। গিয়েছিলেন। তখন হোটেল খরচা করে ঘোরাঘুরি তাঁর পক্ষে সম্ভব ছিল না। যখন জীবনটাকে ভোগ করার সময় ছিল, তখন দিন গেছে কঠোর যাপনে। যখন হাতে পয়সা এল, তখন কুন্তলা চলেই গেল। অনুপম তাই যাবেন যাবেন করে কোথাও তেমন যান না। যেতে পছন্দ করেন সেখানেই, যেখানে তিনি কুন্তলাকে নিয়ে গেছেন। দুই সমুদ্র, দীঘা এবং পুরী। উজ্জয়িনী। একবার দিল্লি। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং। আরও কত জায়গা আছে এই ভারতে। তাঁরা শুধু পরিকল্পনাই করতেন। শেষ অবধি যাওয়া হতো না। গেলেও সাঁইথিয়ায় বন্ধুর বাড়ি কিংবা শান্তিনিকেতন। অনুপম ঠিক করলেন বেরতে হবে। অমল সেনগুপ্তর বাড়িতে যাবেন মেদিনীপুরে। গভীর রাতে তাঁর মনে হল, কুন্তলা সেখানে গিয়ে যেন বসে আছে। কিন্তু সেই যে উল্টোদিকের বাড়ির মেয়েটি! তপোমায়া বসু। ইস্কুল টিচার। সেও কি আছে? তাকে সহ্য করতে পারত না কুন্তলা। কেমন গায়ে পড়া ভাব। দাদা দাদা করত। সাহিত্য নিয়ে আলাপ করতে চাইত। সেই তপোমায়া কবিতা লিখত। তাতে কুন্তলা আরও ক্রুদ্ধ হতো যেন। মনে হতো মেয়েটি যেন অনুপমকে অধিকার করতে আসছে। অনুপম বাংলায় এমএ। অনুপম গল্প লিখত কলেজে পড়ার সময়। কিন্তু তা একবার ব্যতীত দু’বার ছাপা হয়নি। ক’বছর প্রত্যাখ্যাত হয়ে নিজেকে বুঝে বন্ধ করেছিল লেখা। সেই অপূর্ণ সাধ উস্কে দিতে এসেছিল তপোমায়া। মেয়েটি বিয়ে করেনি। করতে পারেনি। অনুপমের মনে পড়ল সেই গৌরী কন্যাটিকে। কুন্তলা সেই সময় খুব সতর্ক হয়ে থাকত। তখন তার পেটে টুটুল এসেছে। অনুপমের মনে হয়েছিল আবার লিখতে আরম্ভ করে। তপোমায়া স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশ করবে। সে নিজেও একটা ম্যাগাজিন বের করবে ঠিক করেছে। সেই পত্রিকায় অনুপম লিখুক না কেন? না। কুন্তলা না বলায় ইচ্ছে থাকলেও অনুপম লেখেননি। সেই ডায়েরি কি আছে? অনেক বছর বাদে কুন্তলা খুঁজে পেয়েছিল, তখন তিনি সপরিবারে বাঁকুড়ার ন’পাহাড়ি ব্লকে। কুন্তলা তাঁর লেখা গল্প বের করে বলেছিল, “তোমার লেখা, লিখেছিলে তা বলোনি তো।”

    ডায়েরিতে লিখেছিলেন তিনি। সেই ডায়েরি কি নেই এই ফ্ল্যাটের কোথাও? খুঁজে দেখবেন নাকি? কুন্তলা তা বয়ে নিয়ে গিয়েছিল ন’পাহাড়িতে। কিন্তু নিয়ে আসেনি কি ন’পাহাড়ি থেকে? ন’পাহাড়ি থেকে উত্তরের আলিপুরদুয়ার, সেখান থেকে হলদিয়া, হলদিয়া থেকে বারাসত, বসিরহাট, আলিপুর। আলিপুর থেকে অবসর। ডায়েরির লেখাগুলির প্রতি তাঁর কোনও মায়া ছিল না। কুন্তলার কথায় তিনি মনে মনে দুঃখিত হয়েছিলেন। বিদ্রুপের মতো মনে হয়েছিল। সেই মিশন কম্পাউন্ডে যখন সন্তান এল কুন্তলার গর্ভে, কে যেন তাঁকে বুঝিয়েছিল গর্ভবতী মায়ের মনের যত্নও নিতে হয়। তিনি বুঝতে পারছিলেন তপোমায়ার দাক্ষিণ্যে তার গল্পের প্রকাশ কুন্তলাকে দুঃখ দেবে। কুন্তলার মনে সন্দেহের বাতাবরণ সৃষ্টি করবে। যা ক্ষতি করতে পারে মাতৃগর্ভে আশ্রয় নেওয়া ভ্রূণের। তপোমায়া অবশ্য কুন্তলার চেয়ে অনেক বড় ছিল। তিনি তখন বত্রিশ পার। তপোমায়া তিরিশ-একতিরিশ। তপোমায়া মা বাবার প্রথম সন্তান। সংসার ঠেলতে হতো। বাবার তেমন আয় ছিল না। দুটি ভাই বড় হচ্ছিল। তারা যখন বড় হয়ে উঠবে, তপোমায়ার বয়স চল্লিশ হয়ে যাবে। এসব তিনি জানতেন। ফলে মেয়েটির প্রতি তাঁর মমতা তৈরি হয়েছিল। তার একটা অবলম্বন চাই। অবলম্বন হল কবিতা। পত্রিকা।

    সেই তপোমায়া কি কবি হয়ে উঠেছে? নাকি তিনি চলে আসার পর তার কবিতা চর্চা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তিনি কয়েকটি সাহিত্য সাময়িকী নেন নিয়মিত। দেখেছেন কি না বলতে পারবেন না। অনুপম পরদিন সকালে হাত ব্যাগে পায়জামা, পাঞ্জাবি, শার্ট আর দুদিনের ভ্রমণের উপযোগী টুকিটাকি জিনিস নিয়ে দুপুরে বেরিয়ে পড়েন। ধর্মতলা থেকে মেদিনীপুরের অনেক বাস। ৬নম্বর জাতীয় মহাসড়ক এখন আর সেই আমলের ‘বম্বে রোড’ নেই। ১৯৭৮-এর বন্যায় রাস্তা ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। সেই বন্যা হল সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে, তিনি চাকরিতে ঢুকেছিলেন এপ্রিলে। তখন বিয়ে করেননি। লোয়াদা নামে এক গঞ্জে থাকতেন। কংসাবতী নদী সেই গঞ্জের ধারে। সব মনে পড়ে যাচ্ছে। এখন ৬নম্বর জাতীয় মহাসড়ক বিদেশের রাস্তার মতো। মনে হচ্ছে টুটুল যেন এই রাস্তা ধরে সাউথ ক্যারোলাইনা থেকে ওয়াশিংটন সিটি গিয়েছিল, ব্লু রিজ পর্বতমালার পাশ দিয়ে, বাতাসবাড়ি (হাই উইন্ড এরিয়া) আর কুয়াশাবাড়ি (ফগি এরিয়া) ছুঁয়ে। পাহাড় পাহাড় আর পাহাড়, আর উপত্যকা, বরফে ছেয়ে আছে বনভূমি আর পাহাড়ের গা। সেই কথা বলেছে সে টেলিফোনে। অনলাইন ভিডিও কলিং-এ। বাসের জানলার ধারে তাঁর সিট। বাসটি এসি। জানালার কাঁচ দিয়ে হাইওয়ের ধারের জনপদ দেখা যাচ্ছে। সন্ধে ছটা নাগাদ মেদিনীপুরে পৌঁছনোর কথা। এই রাস্তার ধারেই আষাঢ়ির মোড়। আষাঢ়িদহ। আষাঢ়িদহের মোড় থেকে বাস ঘুরে যেত লোয়াদার দিকে। হল্কা ক্যাম্প অফিস। জমি জরিপ সেই অফিসের কাজ। ভবানী মাইতি পেশকার আর নিখিল প্রধান গ্রুপ-ডি। আষাঢ়ির মোড় ডান দিকে রেখে অনেকটা গিয়ে ডেবরায় দাঁড়াল গাড়ি। দুজন নামার ছিল। কেউ উঠল না। মেদিনীপুর আর খুব দূর নয়। তিনি কি ডেবরায় নেমে যাবেন? এখান থেকে একটা গাড়ি ভাড়া করে আষাঢ়ির মোড় দিয়ে কংসাবতীর তীরে লোয়াদা। আমিনবাবু সুদাম মণ্ডলের বাড়ি ছিল কংসাবতী পেরিয়ে অনেকটা ভিতরে ত্রিলোচনপুর গ্রামে। তিনি লোয়াদায় জমি কিনেছিলেন বাড়ি করবেন বলে। ১৯৭৮-এর বন্যায় লোয়াদাও ভেসেছিল। কংসাবতীর কী রোষ! ডিসেম্বরের আরম্ভেই ২২ অঘ্রান ভবানী মাইতি আবার একটি বিয়ে করল। আগের পক্ষকে ফেলে এসেছিল পুরুলিয়া। কী সব মানুষ! কী তাদের সাহস! তখন সে চল্লিশ পার। মনে পড়ে যাচ্ছিল অনুপমের। ভবানী খুব ধার করত। শেষ অবধি ধার রেখে পালিয়েছিল শেষ রাতে বউ আর আগের পক্ষের মেয়ে নিয়ে। বদলির আদেশ করিয়েছিল হেড অফিস থেকে। সুদাম লোয়াদাতেই বাড়ি করেছিল। তাকে খুঁজে পাবেন না তিনি? এখন যদি যান, সুদাম কি তাঁকে চিনতে পারবে না? তাঁরই বয়সি ছিল। শুনেছেন কংসাবতীর ওপারে ব্রিজ হয়ে গেছে। একবার সুদাম তাঁকে তার বাড়ি নিয়ে গিয়েছিল। সাত মাইল রাস্তা মাটির। কোথাও খোয়া পড়েনি পর্যন্ত। বর্ষাকালে এক হাঁটু কাদা। পিছল। অগম্য হয়ে যায়। তিনি গিয়েছিলেন সুদামের সাইকেলের পিছনে বসে। বড় গৃহস্থ। অনেক জমি। মাটির দোতলা। ইট পুড়বে শীতের সময়। তার বাবা বললেন, দালান করবেন। আরও কী কী বলেছিলেন, সব মনে নেই। তবে বিয়ে করেছে কি না অফিসার সাহেব তার খোঁজ নিয়েছিল। সুদাম পরদিন ভোরে তাঁকে নিয়ে রওনা হয়েছিল পাঁশকুড়ার দিকে। সোজা ঘাটাল দাসপুরের দিকে কংসাবতীর আর এক শাখার বাঁধের রাস্তা ধরে গ্রাম আর গাছ- গাছালির ছায়া আর রৌদ্রের ভিতর দিয়ে কী অসামান্য ছিল সেই যাত্রা। সুদাম তাঁকে পৌঁছে দিয়েছিল স্টেশনে। তিনি কলকাতা এসেছিলেন। এই কথাটি বললে কি সুদাম তাঁকে চিনবে না?

    বাস ছুটছিল। চোখ জুড়িয়ে আসছিল। সুদামের কি মনে আছে, পথে তাঁরা দেখেছিলেন একটি স্বর্ণগোধিকা। হলুদ। কাঁচা সোনার মতো তার রং। সুদাম বলেছিল, স্বর্ণগোধিকা দেখা মানে সৌভাগ্যের সূচনা, কালকেতু একে বেঁধে নিয়ে গিয়েছিল বাড়িতে।

    মা লক্ষ্মী।

    তাঁরা দাঁড়িয়েছিলেন। বাঁধের রাস্তার নীচে একটি জলাশয়। তার পাড়েই শুয়েছিল সে। তখন শরৎকাল। কাঁচা সোনার মতো উজ্জ্বল হলুদ ছিল তার সর্বাঙ্গ। তার উপরে পড়েছিল আশ্বিনের রোদ। নিস্পন্দ ঘুমের ভিতরে ছিল বুঝি সে। অনুপম দেখেছিলেন অতুল ঐশ্বর্য স্তব্ধ হয়ে আছে। মনে পড়ল। সুদাম বলল, স্যার, আপনিই তো দেখেছিলেন প্রথম।

    হ্যাঁ, কিন্তু তেমন সৌভাগ্য কিছু হয়নি, সমস্ত জীবন খুব কষ্ট করেছি।

    কেন আপনার পুত্র বিদেশে, মেয়ের ভালো বিয়ে হয়েছে।

    কুন্তলা যখন সুখের মুখ দেখবে, তখন অসুখে পড়ল, চলেও গেল।

    স্যার, আপনাকে আমি চিনেছি দেখা মাত্র।

    সুদাম তুমি খুব বুড়ো হয়ে গেছ।

    নানা অসুখ আমাকে খেয়ে ফেলেছে, বুকে মেশিন বসেছে, পেস মেকার।

    ছেলে মেয়ে?

    মেয়ের বিয়ে দিয়েছি ঘাটালে, জামাই পি ডব্লু ডি-তে সরকারি চাকরি করে, খুব ঘুষ খায়, সাসপেন্ড হয়ে গিয়েছিল, বারণ করলে শোনে না।

    ছেলে? অনুপম জিজ্ঞেস করলেন।

    সুদাম চুপ করে থাকে। অন্ধকারের সঙ্গে কথা বলছিলেন তিনি। ছেলে রাজনীতি করে। দল বদল করেছে ন’মাস আগে। অনেক পয়সা করেছে। মেদিনীপুরে বাড়ি, গাড়ি। খুব মোটা হয়েছে। গায়ে সাদা পাঞ্জাবি এঁটে থাকে। ছেলে টাকা দিতে চায়। সুদাম নেয় না। তার পেনশন আছে। বউ খুব ভালো। তাঁকে খুব যত্ন করে বাঁচিয়ে রেখেছে। শুনতে শুনতে তিনি বললেন, আমি পারিনি, সুদাম এখন কাঁসাইয়ে জল নেই?

    না স্যার, জলের শব্দ শুনতে পেতেন তাহলে।

    অন্ধকারের নদীর দিকে তাকিয়ে তাঁর সব মনে পড়ে যাচ্ছিল। স্বর্ণগোধিকা টের পেয়েছিল তাঁদের উপস্থিতি। সরসর করে নেমে গিয়েছিল জলে। এখন মনে হয় আর কিছু সময় শুয়ে থাকলে সে হয়তো মা লক্ষ্মীর রূপ ধারণ করত। স্বর্ণকমল হাতে পদ্মাসীনা দেবী। মা কমলা। সুদাম বলল, কোনও মানুষের জীবনেই সব ভালো হয় না স্যার, সুখ দুঃখ নিয়েই তো জীবন।

    সেই ভবানী মাইতি, পেশকারবাবু? জিজ্ঞেস করলেন অনুপম।

    শুনেছিলাম তার দ্বিতীয় পক্ষ তাঁকে ছেড়ে পালিয়েছিল, শেষ জীবন খুব কষ্টে গেছে।, পরে আর একটা বিয়ে করেছিল তমলুকে। সুদাম বলে।

    লোকটা যেখানে যেত বিয়ে করত, যেন নিয়তি-তাড়িত মানুষ, হাতের লেখা সুন্দর ছিল, কথা বলত ভালো। অনুপম বললেন।

    ওর পাশে কেউ ছিল না শেষজীবনে, ভিখিরি হয়ে মরেছিল নাকি। সুদাম বলে।

    নিখিল প্রধান? জিজ্ঞেস করতে করতে সেই ভাঙাচোরা মানুষটির মুখ মনে পড়ল অনুপমের। খুব অভাবী ছিল। রাতে মুড়ি খেয়ে থাকত অনেকদিন। জীবনের আরম্ভে একসঙ্গে মেস করে থাকা হতো সেই গঞ্জে। জরিপের কানুনগো, আমিন, মোহরার, পেশকার, পিয়ন…সবাই। নিখিল প্রধান সকলের নীচে। ডি-গ্রুপ কর্মচারী, বয়স তখন পঞ্চাশ। কাঁথির দিকে গ্রামে মস্ত সংসার। সারামাস গ্রামের বাবুবাড়ি থেকে চাল ডাল, নারকেল, এটা ওটা সংগ্রহ করে বাড়ি নিয়ে যেত। ঘুমের ঘোরে কাঁদত। অনুপমকে ‘বাবু’ বলত। যেন অনুপমবাবু আর সে ছিল তার বাঁধা মুনিষ।

    কাঁথিতে চলে গেল বদলি হয়ে, আর জানি না স্যার। সুদাম বলল।

    নিখিল প্রধান রাত্তিরে কাঁদত, তুমি জানো?

    জানি না স্যার, মেসে তো আমি ছিলাম না, খুব অভাবী মানুষ ছিল জানি, হেঁটে ত্রিলোচনপুর গিয়ে আমার বাবার কাছ থেকে নারকেল, আম নিয়ে এসেছিল একবার, তা বাড়ি নিয়ে গিয়েছিল, মুড়ি আনত মায়ের কাছ থেকে।

    এখন কি বেঁচে আছে?

    জবাব পেলেন না তিনি। অন্ধকারের নদী পার হয়ে বাতাস আসছিল। সেই গোলগ্রাম, করা, ত্রিলোচনপুর, সোনামুই, কাঁটাগেড়্যা, বগলাশুনি…। এই জীবনের এক এক বিন্দু সেখানে ফেলে এসেছেন যেন। বাস যখন মেদিনীপুর পৌঁছল, সন্ধে হয়ে এসেছে। স্টেশনের কাছে একটা বোর্ডিং হাউস ছিল। আর ছিল আবাসিক হোটেল। তিনি বাস টারমিনাসে নেমে অবাক হয়ে তাকিয়ে দেখছিলেন চারদিকে। এ যেন অন্য শহর। এত আলো, এত হাঁকডাক এই শহরে এই গ্রীষ্মের সন্ধ্যায়, তা অভাবিত। সেই শান্ত, নির্জন শহর, বিদ্যাসাগর লাইব্রেরি, ডিস্ট্রিক্ট লাইব্রেরির পথ, রিকশর টিং টিং শব্দ…, লোহার একট দণ্ড রিকশর হ্যাঁন্ডেলে বাজিয়ে বাজিয়ে সে শহর ভেদ করতে লাগল। মনে হচ্ছিল নতুন কোনও শহরে এসেছেন। রিকশয় উঠে বললেন মিশন কম্পাউন্ড চেন? বার্জ টাউন?

    চিনি। রিকশওয়ালা বলল।

    তিনি বললেন, আগে হোটেল, ভালো হোটেল, কাল ভোরে যাব।

    আচ্ছা স্যার।

    রিকশ চলল। তাঁর মনে হল পথে তপোমিতাকে দেখতে পাবেন। তপোমিতা আর কুন্তলা হাসতে হাসতে ডিস্ট্রিক্ট লাইব্রেরির দিকে হাঁটছে। কী বই? পার লাগেরকভিস্টের বারাবাস। দুজনেই বারাব্বাস পড়বে। আচ্ছা হেড না টেল? এমন কি হয়েছিল কোনওদিন? হয়েছিল প্রথমে। নাকি হয়ইনি। তিনি হাসলেন নিজের মনে। শহরে অনেক মানুষ। এই শহরে কি তাঁর কোনও বন্ধু আছে? একটা লোক, দেবেন মল্লিক, তার বাড়ি এই শহরেই। দেখা হয়েছিল বাঁকুড়ায়। দেবেন খুব রাজনীতি করত। শাসক ঘনিষ্ঠ। সে তাঁকে খুব বিপদে ফেলেছিল। শাসক দলের সমর্থক ইউনিয়নে মাথা মুড়োতে বলেছিল। তিনি চুপ করে থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ তৈরি করে মেরুদণ্ডহীন উপরওয়ালাকে দিয়ে কারণ দর্শানোর চিঠি দিয়েছিল, কেন তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করা হবে না। সেই দেবেন মল্লিক এই শহরে মস্ত দালান করেছে গ্রাম থেকে উঠে এসে। দেবেনের মুখেই তা শুনেছিলেন তিনি। তিনি জিজ্ঞেস করলেন রিকশওয়ালাকে, দেবেন মল্লিকের বাড়ি চেন?

    কোন দিকে?

    তিনি বললেন, মহুয়া সিনেমার দিকে হবে হয়তো।

    দেখলে চিনতে পারব, ফোন করেন, জিজ্ঞাসা করেন কোন বাড়ি, কত নম্বর, বাড়ির রং কী?

    তিনি বললেন, তা তো বলতে পারব না ভাই।

    কাল সকালে হুইসল ফুকে দেব ছার, এখন খুঁজি লাভ নেই। রিকশওয়ালা হাসতে হাসতে বলল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅশ্বচরিত – অমর মিত্র
    Next Article সতত তোমার কথা ভাবি এ বিরলে – অমর মিত্র

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }