Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বাবলি – বুদ্ধদেব গুহ

    বুদ্ধদেব গুহ এক পাতা গল্প172 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২. কুলো সিং চা এনে

    অন্ধকার থাকতে কুলো সিং চা এনে অভীর ঘুম ভাঙালো। রাতে বেশ বৃষ্টি হয়েছিল। এ সময়টা প্রতি রাতেই বৃষ্টি হয় ইম্ফলে। চাঁদর জড়িয়ে শুতে হয় রাতে। বেশ একটা হিমেল আমেজ।

    চান-টান করে তৈরি হয়ে নিল ও। ফাইল-পত্ৰ কুলো সিং সব গাড়িতে তুলে দিলো। কাল বিকেলেই তেল-টেল ভরে গাড়ি ঠিকঠাক করে রেখেছিল। টায়ারগুলোর অবস্থা ভালো নয়।

    পথে পটাং করে ফেটে না যায়। দশ বছরের পুরোনো সেকেন্ডহ্যান্ড গাড়ি সস্তায় পেয়ে কিনেছিল। একজন অল্পবয়সি ব্যাচেলারের পক্ষে এ গাড়ি যথেষ্ট ভালো। অন্তত খারাপ মনে হয় নি কখনও।

    কিন্তু গাড়ি যখন কেনে, তখন একবারও ভাবে নি যে একজন যুবতী মেয়েকে নিয়ে নাগা-হিল্‌সের মধ্য দিয়ে এতখানি পথ এ গাড়িতে যেতে হবে। ভেবেই বেশ নার্ভাস লাগতে লাগল ওর।

    বড় সাহেবের গাড়ি নিয়েই যেতে পারত। কিন্তু তার গাড়ির ইঞ্জিন নামান হয়েছে কালই সকালে। জীপে করে ঝড়ে-জলে এতখানি রাস্তা এই পাহাড়ে, মেয়েদের পক্ষে যাওয়া সত্যিই অসুবিধে।

    বড় সাহেবের বাড়ি ঢুকে পড়ল অভী। তখনো সূর্য ওঠে নি। তবে চারপাশ আলো হয়েছে। ঝিরঝির করে হাওয়া দিচ্ছে দেবদারু গাছের পাতায় পাতায়। ওরা সকলে বারান্দাতেই বসেছিলেন। চা খাচ্ছিলেন।

    বাবলিকে (যার ভালো নাম দময়ন্তী) অভী একদিন মাত্র দেখেছিল। বড় সাহেবের ছোট ছেলের জন্মদিনে। অনেকের মধ্যে দেখা। হাত জোড় করে নমস্কার করেছিল।

    চেহারা এমন নয় যে চোখে পড়ে। বেশ একটু মোটার দিকে, মুখ চোখও যে ভীষণ সুন্দর তা নয়। তবে সব মিলিয়ে বেশ মিষ্টি। অন্যান্য অবাঙালি অতিথিদের সঙ্গে অনর্গল এবং সপ্রতিভ ইংরেজিতে কথা বললেও অভীকে বাংলায় বলেছিল, আপনার কথা অনেক শুনেছি। মাসীমা মেসোমশায়ের কাছে। এই ভিড়ে আলাপ হয় না। পরে একদিন আসবেন। গল্প করা যাবে, কেমন?

    বড় সাহেবের এমন সর্বগুণসম্পন্না মোটা এবং মোটামুটি মিষ্টি শালী মেয়ের সঙ্গে বেশি গল্প করে চাকরির সর্বনাশ করে এমন মূর্খ রোমান্টিক অভী কখনোই ছিল না। তাই ওর চেয়ে বেশি আলাপ হয় নি সেদিন।

    পোর্টিকোতে গাড়ি ঢুকতেই ওরা সকলে উঠে দাঁড়ালেন। গাড়ির বুট খুলে দিল অভী। স্যুটকেসটা ওঠানো হল। সঙ্গে বিছানা-টিছানা নেই। আসবার সময় প্লেনে এসেছিলেন। তাই বিছানা আনেন নি।

    ঘোষ সাহেব বললেন, কোহিমার লাইন খারাপ। ফোনে পাইনি। সকালেও চেষ্টা করব। আশা করি এম, এল, এস হোস্টেলে জায়গা পেয়ে যাবে তোমরা রাত কাটাবার মতো। তাই আর বিছানাপত্রর লটবহর দিলাম না।

    মিসেস্ ঘোষ বললেন, অভী দেখে বাবা, সাবধানে নিয়ে যেও। মা-মরা মেয়ে।

    তারপর বাবলির দিকে ফিরে বললেন, দেখিস তুই আবার পথে ঝগড়া করিস না, যা ঝগড়াটে মেয়ে তুই।

    যাকে একথা বলা হল, সে জবাব দিল না। ওদের প্রণাম করে বাবলি নিজেই সামনের দরজা খুলে বসল।

    অভী দরজা বন্ধ করে ঘুরে এসে স্টিয়ারিং-এ বসল। তারপর বাড়ির গেট ছাড়িয়ে ওরা খোলা রাস্তায় এসে পড়ল।

    বর্ষার ভোরের মণিপুরের যা নয়ন-ভোলানো দৃশ্য এমন একটা বড় দেখা যায় না। হু হু করে হাওয়া লাগছে চোখে-মুখে। অভী আড়চোখে দেখতে পাচ্ছে ওর সঙ্গিনীর চুল এলোমেলো হচ্ছে। গাল ও কপালময় অনেক ওড়াউড়ি করছে। কিন্তু সে তন্ময় হয়ে পথের দিকে চেয়ে আছে। ওর চোখ দেখে মনে হচ্ছিল পথকে ও নিশ্চয়ই ভালোবাসে।

    দেখতে দেখতে ইম্ফল শহর পিছনে ফেলে কাকোকির দিকে এগিয়ে চলল। এ পথে অভীকে কোহিমা অবধি প্রায়ই যাওয়া আসা করতে হয়। আগে বৈরী নাগারা প্রায়ই অতর্কিতে আক্রমণ করত।

    অবশ্য ও আসার পর কোনোদিনও দেখে নি, তখন নাকি বাস ও গাড়ির কনভয় যেতো একসঙ্গে সামনে ও পেছনে অনেক আর্মি ট্রাকের এসকর্ট নিয়ে। এখন সেসবও উঠে গেছে।

    তবে নানা জায়গায় ভীষণরকম চেকিং হয়। বিশেষ করে নাগাল্যান্ডে ঢোকার মুখে খুজ্‌মাতে। এবং বেরোবার সময়ও।

    এ পথের দু’দিকে যা দৃশ্য তা কাশ্মীরের উপত্যকার দৃশ্যকেও ম্লান করে দেয়। আর বর্ষাকালের তো তুলনা নেই। যেদিকে চোখ যায় সবুজ, শুধু সবুজ। মালভূমি থেকে ধীরে ধীরে উঁচু হয়ে ওঠা প্রাচীন অথচ প্রসন্ন সব পাহাড়।

    ইম্ফল থেকে বেশ কয়েক মাইল চলে এসেছে ওরা।

    ইতিমধ্যে অভীর সঙ্গিনী কেবল একটি মাত্র কথা বলেছেন, আমার জন্যে আপনার মিছিমিছি এত কষ্ট করতে হল।

    জবাবে অভী বলেছিল, কষ্ট যে হ’লই, এখনো সে সম্বন্ধে নিশ্চিত হই নি।

    কষ্ট হলে নিশ্চয়ই জানতে পারবেন।

    উত্তর শুনে অবাক মুখ করে অভীর দিকে চেয়ে, মুখ নামিয়ে সঙ্গিনী চুপচাপ হয়ে গেছিলেন। তারপর আর কোনো কথা হয় নি।

    পাহাড়ি পথে একটা বাঁক ঘুরতেই ওপাশ থেকে একটা জীপ এমনভাবে এলো যে একটু হলে অ্যাক্সিডেন্ট হয়ে যেত।

    অভী কোনোক্রমে সামলে নিয়ে জানালা দিয়ে মুখ বার করে অপসৃয়মান জীপের ড্রাইভারের উদ্দেশ্যে বলল, শালা।

    বলেই, লজ্জা পেয়ে বাবলির দিকে চেয়ে বলল, সরি, ভেরি সরি। একা একা গাড়ি চালাই তো। সঙ্গে ভদ্রমহিলা কেউ থাকেন না। অভ্যেস খারাপ হয়ে গেছে।

    বাবলি চোখ তুলে একবার অভীর দিকে তাকালো। তারপর একটা বড় নিঃশ্বাস ফেলল ও, ও খুব ভয়ে পেয়ে গেছিল। তারপর বলল, আমার খুব চা তেষ্টা পেয়েছে।

    অভী হাসল। বলল, আমারও; চলুন, সামনেই কাকোকি। সেখানে গরম চা ও সিঙাড়া খাব।

    বাবলির মুখে এবার কথা ফুটল। বলল, এখনো আমরা মণিপুরে আছি নাগাল্যান্ডে পৌঁছে গেছি?

    অভী বলল, নাগাল্যান্ড এখন কোথায়! পৌঁছতে দেরি আছে। কোহিমা পৌঁছতে পৌঁছতে তো বিকেল হয়ে যাবে।

    –পথে কী কী জায়গা পড়বে?

    –এই রে। আমি কী আর মুখস্থ করে রেখেছি। দাঁড়ান মনে করে দেখি–।

    তারপরই বলল, মোটামুটি মনে আছে। এই ধরুন কানকোপকির পর কারোং তারপর মারাম। মারামের পর তাদূবী। তাদূবীর পর মাও। মাওতে এসে আমরা নাগাল্যান্ডে ঢুকব। মাও-এর পর খুজ্‌মা। খুজ্‌মার পর জাখ্‌মা। জাখ্‌মাতে এ অঞ্চলের আর্মি হেডকোয়ার্টার্স। জাখ্‌মার পর কোহিমা।

    বাবলি বলল, নাগাল্যান্ডের সব জায়গার নামই কি মা দিয়ে?

    –কেন?

    একহাতে স্টিয়ারিং ধরে অন্য হাত নাড়িয়ে অভী বলল, কেন তা জানি। হয়তো ওরা খুব মা ভক্ত বলে।

    বাবলি অভীর বলার ধরন দেখে হেসে ফেলল।

    দেখতে দেখতে কানকোপকিতে এসে গেল ওরা। চায়ের দোকানের সামনে গাড়ি থামিয়ে অভী গিয়ে বাবলির দরজা খুলল। বাবলি নামল।

    দোকানটা অনেক উপরে পাহাড়ের গায়ে। তারপর অভীর সঙ্গে সিঁড়ি বেয়ে বাবলি চায়ের দোকানটায় পৌঁছলো।

    এখানে বেশ ঠাণ্ডা। ইম্ফলেও বেশ ঠাণ্ডাই এখন।

    তবে এদিকে ঠাণ্ডাটা বেশি। একটা হাওয়া দিয়েছে কনকনে। দোকানের বেঞ্চে বসতে বসতে অভী বলল, কোহিমাতে বেশ ঠাণ্ডা হবে।

    মনে হচ্ছে, বলল বাবলি, বলে চাঁদরটা ভালো করে টেনেটুনে বসল।

    সিঙাড়া ও চা খেতে খেতে বাবলি হঠাৎ বলল, আমার সিঙাড়া খাওয়া উচিত নয়। না?

    অভী অবাক হয়ে বলল, কেন?

    না, আমাকে সকলে বলে স্লিমিং করা উচিত।

    অভী বলল। না না, আপনি তো মোটা নন।

    বাবলি চায়ের প্লেটটা নামাল। নামিয়ে বলল, নই, না? আমার জাস্ট স্বাস্থ্য। ভালো, তাই না? তারপর চা দিয়ে সিঙাড়া গিলে ফেলে বলল, বিনা কারণে মিথ্যা কথা বলেন কেন?

    অভী রীতিমত অপ্রতিভ হয়ে পড়ল। এমন যুবতী সে জীবনে দেখে নি যে নিজেকে মোটা বলে প্রচার করে আনন্দ পায়। জবাবে কিছু বলল না ও।

    এমন সময় একটা বাস এসে কাকোকির পুলিশ স্টেশনের সামনে দাঁড়াল। .

    বাস থেকে পায়জামা-পাঞ্জাবি ও শাল জড়ানো এক বাঙালি ভদ্রলোক নামলেন। বয়স বেশি না।

    ভদ্রলোককে দেখেই অভী উঠে দাঁড়াল। চেঁচিয়ে বলল, আরে রাজীববাবু যে, কোথায় চললেন?

    ভদ্রলোক দূর থেকেই চেঁচিয়ে বললেন, কোহিমা। আপনি? আমিও তাই। অল রোডস, লিড টু রোম। বাবলি জিজ্ঞেস করল, ভদ্রলোক কে বলুন তো? কোথায় যেন দেখেছি মনে হচ্ছে।

    অভী বেশ কৃতিত্বের সঙ্গে বলল, একে নিশ্চয়ই দেখেছেন। কলকাতাতেই থাকেন। ইনি ইয়াং জেনারেশানের একজন বেশ নামকরা সাহিত্যিক। এঁর নাম রাজীবলোচন! এঁর বিখ্যাত উপন্যাস “আশ্চর্যপতন” পড়েন নি?

    বাবলি উত্তরে কিছু বলল না। কিছুক্ষণ পর নিচের দিকে চেয়ে খুব আতঙ্কিত গলায় বলল, ওমা, ওই দেখুন আপনার রাজীবলোচন ফুল্ললোচনে এদিকেই আসছেন। আপনি নিশ্চয়ই ওঁকে বলবেন, চলুন না, একসঙ্গে গাড়িতেই যাই। বাসে কেন কষ্ট করে যাবেন? তাই না?

    অভী হাসল, বলল, হয়তো বলবো। আমি নিজে না বললেও উনিই হয়তো বলবেন, ওই জন্যই বোধহয় উঠে আসছেন।

    বাবলি ফিফিস্ করে আদেশের সুরে বলল, না’ করে দেবেন।

    –কেন? অবাক হয়ে অভী শুধালো। একজন তরুণ সাহিত্যিকের সঙ্গে এতখানি পথ যাবেন। আপনার ভালো লাগবে না?

    –না, আমি সাহিত্যিকদের মোটেই পছন্দ করি না।

    –কেন? অভী অবাক হয়ে শুধালো।

    –পরে বলব। বাবলি বলল। ইতিমধ্যে রাজীবলোচন সিঁড়ি বেয়ে ওদের কাছে এসে পৌঁছলেন তাপর সোজা অভীর কাছে এসে বললেন–এখানে কঁচা লঙ্কা পাওয়া যাবে?

    কাঁচালঙ্কা?

    হ্যাঁ। নিচের দোকানে মিষ্টি খেয়ে মুখ একেবারে মরে গেছে।

    দোকানী একটা কালো কালো পুরুষ্ট তেল কুচকুচে কঁচালঙ্কা এনে দিল। রাজীবলোচন কাঁচালঙ্কাটা নিয়ে, লোকে যেমন করে গন্ধরাজ ফুলের বোঁটা ধরে গন্ধ শুঁকতে শুঁকতে পথ হাঁটেন, তেমন করে আঙুলে ধরে চিবোতে চিবোতে সিঁড়ি বেয়ে নামতে লাগলেন।

    সিঁড়ির আধাআধি নামতে-না-নামতেই হঠাৎ একটা আলোড়নের শব্দ শোনা গেল। এবং হাতে কঁচালঙ্কা ধরা অবস্থাতেই দোকানদারের খোঁটায় বাঁধা একটা সাদা পাঁঠার গলার দড়িতে হোঁচট খেয়ে অবোধ পাঁঠাটার সঙ্গে, গায়ের শালের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়ে রাজীবলোচন ও পাঁঠা (বাবলি তার নাম জানে না) দুজনেই সিঁড়িতে পড়ে হুড়োহুড়ি করতে লাগলেন।

    অভী দৌড়ে গিয়ে রাজীবলোচনকে তুলে ধরে বাসের কাছে পৌঁছে দিয়ে এল।

    তারপর ফিরে এসে বাবলিকে বলল, এবার নেমে আসুন, চলুন যাওয়া যাক।

    বাবলি আস্তে আস্তে নেমে এল, পাঁঠাটার পাশ দিয়ে আসার সময় বাঁ হাত দিয়ে পাঁঠাটার গায়ে একটু আদর করে দিল।

    অভী স্টার্ট করল গাড়ি। গাড়িটা দাঁড়িয়ে থাকা বাসটাকে অতিক্রম করে যেতেই বাবলি বলল, “আশ্চর্যপতন”।

    অভী প্রথমে বুঝতে পারল না, পরক্ষণেই হো হো করে হেসে উঠল, অনেকক্ষণ ধরে হাসল, বলল, না, আপনি তো সাংঘাতিক মেয়ে।

    বাবলি উত্তর না দিয়ে জানালা দিয়ে বাইরে চেয়ে রইল। হাসি থামলে অভী বলল, আপনি সাহিত্যিকদের পছন্দ করেন না কেন?

    –এমনিই। ব্যক্তিগত কারণে।

    –ওঃ! মানে আমাকে নিশ্চয়ই বলা যায় না।

    এবার বাবলি মুখ ঘুরিয়ে বলল, নাঃ, তেমন নয়; তেমন ব্যক্তিগত নয়, মানে আমার, আমার ওদের সকলের ওপর দারুণ অভিমান আছে। রাগও বলতে পারেন।

    –কেন? কেন?

    –ওঁরা জার্নালিজম করেন, যা দেখেন তারই ছবি আঁকেন। ওঁরা নতুন কিছু সৃষ্টি করেন না। আজকালকার এই আপনাদের মতো তরুণ লেখকরা, ওঁদের কারোরই কোনো গভীর বিশ্বাস নেই–ওঁদের কেবল এক-একটি ক্ষণস্থায়ী ভঙ্গী আছে, জুলপীর পরিবর্তনশীল দৈর্ঘ্যের মতো, তাই এঁদের সম্পর্কে কোনো ইন্টারেস্ট নেই।

    অভী বলল, বাবা, আপনি যেমন বাংলা বলছেন, ভয় হচ্ছে আপনিও লেখেন-টেখেন।

    বাবলি বলল, লিখি না, তবে হয়তো লিখব কোনোদিন।

    –কী নিয়ে লিখবেন?

    –ঢোলা প্যান্ট ঢিলে-ঢালা উপর-চালাকিতে বিশ্বাস করে না এমন ছেলেদের নিয়ে। যাদের নিয়ে কেউ লেখে না। ওরকম রিয়্যাল স্মার্ট ছেলেদের নিয়ে লিখব।

    বাবলি যখন এসব কথা বলছিল, তখন অভী আড়চোখে অ্যাক্সিলেটারের ওপর চাপিয়ে রাখা পায়ের দিকে চেয়ে নিজের প্যান্টের ঘেরটা দেখে নিল। মাঝামাঝি। আশ্বস্ত হল।

    অভী গাড়িটাকে আস্তে করল। একটা সিগারেট ধরালো।

    ওরা কারোং পেরিয়ে গেল। পথের পাশে হাট। নাগারা পাহাড় থেকে হরিণ আর শুয়োর মেরে এনে হাটে বসেছে। গাছতলায় পাতা পেতে হরিণ আর শুয়োরের মাংস নিয়ে।

    লম্বা লম্বা বাঁশের পাইপ খাচ্ছে। বলিরেখাভরা তামাটে কপালে হাত বোলাচ্ছে।

    নাগা ছেলেমেয়েদের পায়ের দিকে চেয়ে থাকতে হয়, কী সুন্দর তামাটে শক্ত সুঠাম পা ওদের। পায়ের যতটুকু দেখা যায়, শুধু বার বার দেখতে ইচ্ছে করে।

    –আপনি কিন্তু আসল কথাটা এড়িয়ে গেলেন। অভী বলল। ব্যক্তিগত কারণটা বললেন না। কেন সাহিত্যিকদের অপছন্দ করেন?

    –বলতে পারি, যদি আপনি দশজনকে বলে না বেড়ান।

    –আমার দশজন নেইই-তো বলব কাকে?

    –অপছন্দ করি, এই কারণে যে, কোনো সাহিত্যিকই আমার মতো মোটাসোটা মেয়েদের নায়িকা করে কখনো কোনো গল্প লেখেননি। ওঁদের ভাবটা এমন যে, যত বুদ্ধি আর মেধা সব যেন ফিগার-সর্বস্ব সুন্দরী মেয়েদেরই একচেটে। এতেই মনে হয়, যাদের নিয়ে এঁরা লেখেন, বা যা নিয়ে লেখেন তা তারা নিজেরা দেখেন নি বা জানেন না।

    এবার অভী হাসল। বলল, আপনার একটা অবসেশান আছে আপনার মোটাত্ব সম্বন্ধে। আসলে কিন্তু আপনি তেমন মোটা নন। আপনি দেখতে অসুন্দরীও নন।

    বাবলি মুখ ঘুরিয়ে বলল, আপনি কি আমার কাছে কিছু চান? এত তোষামোদ করছেন কেন? এই বলে বাবলি অনেকক্ষণ অভীর দিকে চেয়ে থাকল।

    অভীও মুখ ঘুরিয়ে বাবলির দিকে তাকাল।

    অভীর হঠাৎ মনে হল, হঠাৎ-ই মনে হল যে, এই মোটা-সোটা বেশি। কথা বলা মেয়েটির মতো বুদ্ধিদীপ্ত ও মিষ্টি মুখ ও দেখে নি আর আগে। অথবা এমন মনোযোগ সহকারেও এর আগে আর কারো মুখের দিকে তাকায়নি।

    বাবলিও হয়তো উত্তরের প্রত্যাশা করল না।

    অভী পথের দিকে চেয়ে গাড়ি চালাতে লাগল। বাবলি জানালা দিয়ে বাইরে চেয়ে রইল।

    অনেকক্ষণ, বহুক্ষণ, দুজনের কেউই কোনো কথা বলল না। একেবারে চুপ করে রইল। ক্লান্তিতে নয়, বিরক্তিতে নয়, সেই হিম হিম পার্বত্য আবহাওয়ার প্রসন্ন পরজ ভোরে নিছক এক অর্থহীন ভালোলাগায় দুজনে নিঃশব্দে ঝুঁদ হয়ে রইল।

    দেখতে দেখতে ওরা মাও-এ পোঁছল। এখানে মণিপুরের সীমানা শেষ। নাগাল্যান্ড আরম্ভ। ঠাণ্ডা আস্তে আস্তে বাড়ছে। রোদ উঠছে। কিন্তু রোদে দাঁড়ালে ভালো লাগে।

    খুজ্‌মা পোঁছতেই গম্ভীরদর্শন নাগা গার্ডরা তন্ন তন্ন করে গাড়ি তল্লাশী করল। ড্যাশ বোর্ডে রাখা বাবলির ক্যামেরাটা আর একটু হলে ওরা বাজেয়াপ্ত করেই ফেলেছিল। অনেক করে তাদের বুঝিয়ে সেটা ফেরত পাওয়া গেল। নাগা গার্ডগুলোর মুখের দিকে চেয়ে মনে হয় জন্ম থেকে এরা কখনো হাসে নি। বাবলি ওদের তল্লাশীর পদ্ধতি দেখে বেশ ঘাবড়ে গেল। ওর মুখ-চোখে ভয়ের ছায়া পড়ল।

    খুজ্‌মা থেকে বেরিয়ে কোহিমার আগে অবধি পথের বাঁ দিকে ইন্ডিয়ান আর্মির ক্যাম্প। প্রচুর জোয়ান আছে এ অঞ্চলে। পথে একজন অফিসারের জীপ গেলে আগে পিছনে দুটি করে আর্মি ট্রাকের এসকর্ট। কখন যে কোথা থেকে কে ‘কড়াক পিঙ’ করে দেবে কে জানে?

    ওরা কেউই আশা করে নি যে অত সকাল সকাল ওরা কোহিমা পৌঁছে। যাবে। কোহিমার কাছাকাছি আসতেই বাবলি উঃ আঃ করে নানারকম অভিব্যক্তি প্রকাশ করতে লাগল। এখনো দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের চিহ্নস্বরূপ জাপানী ট্যাঙ্ক পড়ে আছে পথের পাশে মূকচিহ্ন গায়ে নিয়ে।

    অভী বলল, চলুন, এম-এল-এ’স হস্টেলে মুখ হাত ধুয়ে নিয়ে আমরা সিমেট্রিতে আসব। কোহিমার কবরখানা দেখবার মতো, কত অল্পবয়সী ছেলে যে এখানে শুয়ে আছে তা বলার নয়। আর প্রত্যেকের কবরের উপরে পাথরে কী যে সব লাইন লেখা তা না দেখলে বিশ্বাস হবে না। পড়তে পড়তে চোখ ভিজে ওঠে।

    বাবলি বলল, আপনি লোকটা পেসিমিস্ট!

    কবরখানা কোনো সুস্থ লোকে দেখে নাকি? যতই সুন্দর হোক না কেন তা, শেষের দিনে তো কবরখানা সকলেরই দেখতে হবে। আমি ওর মধ্যে নেই। তার চেয়ে হাত মুখ ধুয়ে চলুন কোথাও টিপিকাল নাগা খানা খাই।

    আমার খিদে পেয়ে গেছে। আমার ভীষণ তাড়াতাড়ি খিদে পায়। সেই কখন চারটে সিঙাড়া খেয়েছি। আপনার পাল্লায় পড়ে দেখছি আমার সযত্নে লালিত মোটাসোটা শরীরটা খারাপ হয়ে যাবে।

    নাগাল্যান্ড অ্যাসেমিব্লীর উল্টোদিকে এম-এল-এস হস্টেলে গাড়ি রেখে ওরা হাত মুখ ধুয়ে নিল, অভী বাইরে এসে রোদে দাঁড়িয়ে আরাম করে একটা সিগারেট ধরালো। ততক্ষণে বাবলি শাড়ি পাটে নিল।

    বাবলি যখন নতুন শাড়িতে বাইরে বেরোল (বেগুনী আর গোলাপি জংলা কাজের একটা টেরিট শাড়ি পরেছিল) তখন রোদের মধ্যে হঠাৎ ওকে নতুন কোনো মেয়ে বলে মনে হল অভীর।

    যেন ওর সঙ্গে এতখানি পথ ও গাড়িতে আসে নি। একটা বেগুনী খদ্দরের স্টোল জড়িয়েছিল বাবলি–মধ্যে কাঁচের চুমকি বসানো। বাইরে এসেই বাগানের একটি বেগুনী ফুল ছিঁড়ে নিয়ে খোঁপায় গুজলো ও, আর সঙ্গে সঙ্গে হাঁ হাঁ করে মালি দৌড়ে এল। বলল, কা কিয়া?

    বাবলি ষণ্ডা-গণ্ডা নাগা মালির দিকে ঘুরে দাঁড়িয়ে শর্মিলা ঠাকুরের মতো হাসল। হাসলে, বাবলির গালে টোল পড়ে। তারপরে বলল, যো কিয়া; সো কিয়া।

    মালি বলল, আবার, হায় হায়, কা কিয়া?

    তারপর বাবলি ওর খোঁপায় হাত ছুঁইয়ে মালিকে দেখিয়ে বাংলায় বলল, তোমার ফুলের এর চেয়ে বেশি ইজ্জত আর কি হতে পারতো? দ্যাখো না, কেমন মানিয়েছে।

    মালি মেমসাহেবের কাণ্ড দেখে হতবাক, এমন মেয়েছেলে সে এর আগে দেখে নি বলেই তার কপাল কুঁচকানো দেখে মনে হল। অভীও দেখে নি।

    বাবলি অভীর কাছে এসে বলল, চলুন এবার; খিদেয় পেট চুই চুই করছে।

    অভী বলল, আপনি একটি পাগলী। রিয়েল পাগলী। বাবলি ওর দিকে একবার তাকালো, আঙুল দিয়ে ফুলটা ঠিক আছে কি না দেখে নিল, তারপর অভীর পাশে হেঁটে চলল।

    বাবলি বলল, কোনো ভালো জায়গায় যেতে চাই না। বুঝেছেন স্যার? আমি একেবারে আসল নাগা খাবার খেতে চাই।

    –বাজারের মধ্যে যাবেন? ওসব জায়গায় সাধারণতঃ ভদ্রলোকের মেয়েরা যেতে ভয় পান, যাওয়া উচিতও নয়।

    বাবলি বলল, আমি ভদ্রলোকের মেয়ে আপনাকে কে বলল? তাছাড়া আমি যথেষ্ট বড় হয়েছি। কি করা উচিত না উচিত আমি বুঝি। মেলোমশায়ের এক্তিয়ার ছেড়ে এসে আর এক পিসেমশায়ের খপ্পরে পড়লাম দেখছি।

    যে জায়গাটায় ওরা পৌঁছলো, সেটা সত্যিই নোংরা, দোকানটাও নোংরা। অদ্ভুত পোশাকে অদ্ভুতদর্শন সব নাগারা বড় বড় দা নিয়ে ঘোরাফেরা করছে।

    অভী বলল, ব্যাঙ খাবেন? না সাপ খাবেন?

    কথাটা অভী ভয় পাওয়াবার জন্যই বলল।

    বাবলি উত্তরে খুব উৎসাহের সঙ্গে বলল, ব্যাঙ আগে খেয়েছি; সাপ খাবো, কেমন?

    অভী একেবারে নিভে গেল।

    অভীর কপাল ভালো, সাপ অথবা ব্যাঙ কিছুই পাওয়া গেল না।

    শুয়োরের ডালনা দিয়ে ওরা ভাত খেল, প্রচণ্ড ঝাল। খেতে খেতে দুজনের চোখ দিয়েই জল বেরোতে লাগল–দুজনেই জিভ দিয়ে ফুঃ ফুঃ আওয়াজ করতে লাগল।

    খাওয়া-দাওয়ার পর বাবলি বলল, চলুন আমরা বেরিয়ে পড়ি ডিমাপুরের দিকে। এই পচা হস্টেলে থাকবে না। কেমন সঁতসেঁতে ঘরগুলো সব সময় মেঝের কার্পেট থেকে তেলাপোকার গন্ধ বেরোচ্ছে। পৌঁছনো যাবে না ডিমাপুরে আজ?

    অভী বলল, এক্ষুণি বেরিয়ে পড়তে পারলে পৌঁছনো যাবে। তবে খুব রিস্কী হবে।

    যদি কোনো কারণে গাড়ি খারাপ হয়ে যায় তো সারা রাত পথেই কাটাতে হবে। পথের একপাশে ডিফু নদী, অন্যদিকে খাড়া পাহাড়, সারা রাস্তাই গভীর জঙ্গল।

    –দারুণ হবে, বাবলি বলল–ভাবতেই আমার ভালো লাগছে।

    অভী অবাক হয়ে বলল, আপনি আশ্চর্য লোক তো।

    –আশ্চর্য কেন? অ্যাডভেঞ্চার আপনার ভালো লাগে না?

    –তার মানে? আপনি কি চান যে গাড়িটা খারাপ হয়ে যাক রাস্তায়?

    বাবলি অধৈর্য গলায় বলল, আহা, কী মুশকিল! আমি কেন বলব? আমার ইচ্ছায় কি আর কিছু হবে? গাড়ির যা ইচ্ছা তাই হবে।

    –আমার কিন্তু ইচ্ছা নয় যে, এমন ঝুঁকি নিয়ে এ রাস্তায় এই রকম গাড়ি নিয়ে আমরা যাই।

    বাবলি বলল, সকাল থেকেই আমার সন্দেহ হচ্ছে আপনি পুরুষ মানুষ কিনা।

    অভীর গলায় রাগ ঝরে পড়ল। বলল, প্রমাণ দিতে পারতাম, কিন্তু দুঃখের বিষয় সবাইকে সব প্রমাণ দেওয়া যায় না।

    এবার বাবলি লজ্জা পেয়ে গেল, বলল, আপনি বেশ অসভ্য। মেয়েদের সঙ্গে এভাবে কথা বলে?

    অভী বলল, ছেলেদের সঙ্গেও কি কোনো ভদ্রমহিলা এভাবে কথা বলে? বাবলি না দমে বলল, আমি তো বলেছি, আমি ভদ্রমহিলা নই। আমি একজন মেয়ে, জাস্ট একজন মেয়ে।

    –তাহলে কি ঠিক হল? যাওয়া হবে?

    –চলুন। ডিমাপুরে থাকার কি ব্যবস্থা হবে? দুটো ঘর পাওয়া যাবে তো? না আপনার সঙ্গে একঘরে থাকতে হবে?

    বাবলি বলল।

    অভী ওর প্রশ্নের দ্বিতীয়াংশকে উপেক্ষা করে বলল, ওখানে সুন্দর বাংলো আছে ফরেস্ট ডিপার্টমেন্টের। একজন বাবুর্চি আছে, লম্বা সাদা দাড়িওয়ালা বদরপুরী মুসলমান। দারুণ রাঁধে। নাম রসিদ আলি। ঘরগুলোও ভালো। আশা করি অসুবিধা হবে না। একটি ঘর পাওয়া গেলে আপনি ঘরে শোবেন–আমি বারান্দায় শোব। ওখানে তো আর এই পাহাড়ের মতো ঠাণ্ডা নয়।

    বাবলি বলল, চলুন তাহলে তাড়াতাড়ি। আর দেরি করা ঠিক হবে না। আমার ভাবতেই ভালো লাগছে। রাতে রসিদ আলির হাতের রান্না খাব। এখানে সাপই খাওয়াতে পারলেন না আপনি। কোহিমাতে এলাম, সাপ খেলাম না; আপনি কোনো কর্মের নয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঋজুদা সমগ্ৰ ১ – বুদ্ধদেব গুহ
    Next Article কড়ি দিয়ে কিনলাম ২ – বিমল মিত্র

    Related Articles

    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্ৰ ১ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ২ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৩ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৪ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    অবেলায় – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ২. ভালোবাসার শালিখ

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }