Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বাহ্ টুনটুনি বাহ্ বাহ্ ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প131 Mins Read0
    ⤷

    ছোটাচ্চুর অফিস যাত্রা…

    ছোটাচ্চু ফুটপাথে দাঁড়িয়ে তার অফিসের দিকে তাকাল। সাইনবোর্ডে বড় বড় করে লেখা, দি আলটিমেট ডিটেকটিভ এজেন্সি। ওপরে বাংলায় নিচে ছোট করে ইংরেজিতে। তার নিচে ঠিকানা। কতদিন পর আজ ছোটাচ্চু তার অফিসে আসছে। তার নিজের হাতে তৈরি করা অফিস অথচ সরফরাজ কাফী সেটা দখল করে নিয়েছিল। বাসার বাচ্চাদের নানা কাজকর্মে ছোটাচ্চু মাঝে মাঝেই অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে কিন্তু তাকে স্বীকার করতেই হবে তাদের জন্য শেষ পর্যন্ত ছোটাচ্চু তার অফিসটা ফেরত পেয়েছে। আবার সে এখানে কাজ শুরু করবে। ছোটাচ্চু একটুখানি আবেগপ্রবণ হয়ে গেল।

    ছোটাচ্চু পকেট থেকে চাবি বের করে দরজাতে লাগাতে গিয়ে একটু অবাক হয়ে আবিষ্কার করল দরজাটা ভেতর থেকে বন্ধ। শুধু যে বন্ধ তা-ই না, মনে হলো ভেতরে মানুষজনের গলার আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে। কী আশ্চর্য!

    ছোটাচ্চু দরজায় শব্দ করল, তখন শুনল একজন এসে দরজার ছিটকিনি খুলে একটুখানি দরজা ফাঁক করে উঁকি দিয়ে জিজ্ঞেস করল, “কে?”

    ছোটাচ্চু গলার স্বর চিনতে পারল এবং মানুষটিকেও চিনতে পারল, তার ভাগনি টুম্পা। টুম্পা এখানে কী করছে জিজ্ঞেস করার আগেই টুম্পা তাকে জিজ্ঞেস করল, “ছোটাচ্চু? তুমি? তুমি এখানে কী করছো?”

    ছোটাচ্চু চোখ কপালে তুলে বলল, “আমি কী করছি মানে! আমার অফিসে আমি আসব না?”

    টুম্পা বলল, “কিন্তু পাসওয়ার্ড না জানলে অফিসে ঢোকা যাবে না। বলো পাসওয়ার্ড কী?

    “পাসওয়ার্ড?” ছোটাচ্চু রেগে বলল, “ঢং পেয়েছিস?”

    টুম্পা বলল, “উঁহু, হয় নাই। ‘ঢং পেয়েছিস’ পাসওয়ার্ড না।”

    বলে কিছু বোঝার আগেই টুম্পা দড়াম করে তার মুখের ওপর দরজা বন্ধ করে দিলো। ছোটাচ্চু কয়েক সেকেন্ড কী করবে বুঝতে না পেরে দাঁড়িয়ে রইল, তারপর আবার দরজা ধাক্কা দিলো। এবার আগের থেকে জোরে।

    এবারে ছোটাচ্চু দরজার অন্য পাশে একটু ফিসফিস কথা শুনতে পেল, তারপর আবার দরজা খুলে গেল, এবার দরজার ফাঁক দিয়ে ছোটাচ্চু পুরো বাহিনীকে দেখতে পেল, মুনিয়া, টুম্পা, টুনি, প্রমি, শান্ত এবং অন্য যারা আছে। শান্ত গলা উঁচিয়ে জিজ্ঞেস করল, “ছোটাচ্চু তুমি কী চাও?”

    ছোটাচ্চু এবারে সত্যি সত্যি রেগে উঠল, “আমি কী চাই? আমি কী চাই মানে? তোরা এখানে কী করে এসেছিস? তোরা কী চাস?”

    টুনি শান্ত গলায় বলল, “তোমার যোগাযোগ না করে আসা উচিত হয় নাই ছোটাচ্চু। যোগাযোগ করে আসা উচিত ছিল।”

    ছোটাচ্চু এবারে প্রায় চিৎকার করে বলল, “আমার নিজের অফিসে আসার আগে তোদের সাথে যোগাযোগ করে আসা উচিত ছিল?”

    এবারে শান্ত বলল, “এটা এখনও তোমার নিজের অফিস হয় নাই ছোটাচ্চু। আমরা এটা উদ্ধার করেছি, সেই জন্য এখন এইটা আমাদের অফিস। আমরা যখন তোমাকে বুঝিয়ে দেবো তখন থেকে এইটা হবে তোমার অফিস।”

    টুম্পা বলল, “তার মানে যখন তোমাকে হস্তান্তর করব—”

    ছোটাচ্চু প্রায় খেঁকিয়ে উঠে বলল, “হস্তান্তর? তুই হস্তান্তর বানান জানিস?”

    টুম্পা শান্তভাবে বলল, “জানব না কেন? শুধু দন্ত্য-স না মূর্ধন্য-ষ সেটা মাঝে মাঝে একটু প্যাঁচ লেগে যায়—”

    দরজায় সবচেয়ে নিচে মুনিয়ার মাথাটা দেখা গেল। সে রিনরিনে গলায় বলল, “কিন্তু ছোটাচ্চু, পাসওয়ার্ড ছাড়া তুমি ঢুকতে পারবে না। পাসওয়ার্ডটা শুরু হয়েছে চ দিয়ে–-”

    ছোটাচ্চু হুংকার দিলো, “চোপ—”

    “হয় নাই।”

    মুনিয়ার কথা শুনে সবাই হি হি করে হেসে উঠল, সেটা শুনে ছোটাচ্চু আরো রেগে গিয়ে কিছু বলতে যাচ্ছিল, কিন্তু শেষ মুহূর্তে থেমে গেল। চোখের কোনা দিয়ে দেখতে পেল আশেপাশে মজা দেখার জন্য বেশ কিছু মানুষ দাঁড়িয়ে গেছে। ছোটাচ্চু এবারে গলা নামিয়ে নরম গলায় বলল, “এই তোরা কী পাগলামো করছিস? দরজা খোল–চারপাশে মানুষ জমে যাচ্ছে—”

    বাচ্চারা নিজেদের মাঝে ফিসফিস করে কিছুক্ষণ কথা বলল তারপর টুনি বলল, “ঠিক আছে তোমাকে ঢুকতে দিচ্ছি কিন্তু ঠিক দশ মিনিটের জন্য। তারপর তুমি চলে যাবে।”

    “সেটা দেখা যাবে।”

    টুম্পা বলল, “কিন্তু আগে পাসওয়ার্ডটা বলো। পাসওয়ার্ড হচ্ছে ‘ইলিশ মাছ’।”

    ছোটাচ্চু দাঁতে দাঁত ঘষে বলল, “ইলিশ মাছ মোটেও চ দিয়ে শুরু না।”

    বাচ্চারা ছোটাচ্চুর কথায় উত্তর না দিয়ে দরজা খুলে দিলো। ভিতরে ঢুকে দেখে অফিসে সবাই আসর জমিয়ে বসেছে। কাগজপত্র ছড়ানো- ছিটানো, এদিক-সেদিক চিপসের খালি প্যাকেট এবং কোল্ড ড্রিঙ্কসের খালি বোতল। সরফরাজ কাফী টাকা-পয়সা উপার্জন করার জন্য নানা ধরনের স্যুভেনির বিক্রি করত। তার মাঝে একটা হচ্ছে মগ। মগগুলো একটার ওপর একটা রেখে পিরামিডের মতো একটা টাওয়ার বানানোর প্রতিযোগিতা চলছে, যেকোনো সময়ে সেগুলো পড়ে ভেঙে টুকরা টুকরা হয়ে যেতে পারে। বাইরের ঘরের মাঝামাঝি সিলিং ফ্যানের একটা খালি হুক থেকে একটা দোলনা ঝোলানো হয়েছে। তার দামি চেয়ারটা এক পাশে পড়ে আছে, মনে হচ্ছে একজন সেখানে বসে অন্যরা সেটা ঠেলে নিয়ে ঘরের ভেতরে ঘুরে বেড়ায়। পিছন দিকে তার নিজের অফিসটার দরজা খোলা, দেখা যাচ্ছে সেক্রেটারিয়েট টেবিলের ওপর একটা বিছানা পাতা আছে।

    ছোটাচ্চু এক নজর দেখে মুখ কালো করে বলল, “এখানে কী হচ্ছে?” শান্ত প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে বলল, “মনে আছে তো, দশ মিনিট?”

    ছোটাচ্চু বলল, “আমার কোনো ক্লায়েন্ট যদি কেস নিয়ে আসে, তারা দেখে কী বলবে?”

    টুম্পা বলল, “আসছে তো।”

    ছোটাচ্চু গলা উঁচিয়ে বলল, “আসছে?”

    “হ্যাঁ।”

    “ভিতরে ঢুকছে?”

    “হ্যাঁ।”

    “এই অবস্থা দেখছে?”

    “না। তখন আমরা গুছিয়ে ফেলি। তারা টের পায় না।”

    ছোটাচ্চু মুখ শক্ত করে বলে, “তোদের দেখে অবাক হয় না?”

    “নাহ্! আমরা বলি তুমি এখন অফিসের বাইরে, আমরা তাই অফিস পাহারা দিচ্ছি।”

    “তারা বিশ্বাস করে?”

    “করবে না কেন?” টুনি বলল, “আমরা তাদেরকে বসতে বলি, চা খেতে বলি। কেউ অবশ্যি চা খেতে রাজি হয় না।”

    শান্ত যোগ করল, “এমনভাবে বলি যেন তারা রাজি না হয়।”

    “কীভাবে বলিস?”

    “একজন আরেকজনকে জিজ্ঞেস করি এক কাপ চায়ে কয় চামচ চা পাতা দিতে হয়। কতটুকু লবণ দিতে হয়। শুনে কেউ আর চা খেতে রাজি হয় না।”

    ছোটাচ্চু একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। টুনি তখন ছোটাচ্চুকে সান্ত্বনা দিলো, বলল, “ছোটাচ্চু, তোমার চিন্তার কোনো কারণ নাই। তোমার একটা কেসও মিস হয় নাই।”

    টুম্পা মাথা নাড়ল, “সবগুলি কেস আমরা নিয়ে রেখেছি।”

    ছোটাচ্চু চোখে বড় বড় করে বলল, “সবগুলো কেস তোরা নিয়ে রেখেছিস?”

    “হ্যাঁ।”

    “কীভাবে?”

    “আমরা তাকে একটা ফরম দিয়েছি। সেই ফরমে তারা সবকিছু লিখে দিয়েছে।”

    ছোটাচ্চু চোখ আরো বড় বড় করে বলল, “ফরম? ফরম তোরা কোথায় পেলি?”

    শান্ত বলল, “ড্রয়ারের ভিতর ছিল। মনে হয় সরফরাজ কাফী তৈরি করেছিল।”

    ছোটাচ্চু কঠিন মুখে বলল, “আছে তোদের কাছে সেই ফরম? দেখি কীভাবে ফরমে লিখেছে?”

    টুনি তখন টুম্পাকে বলল, “টুম্পা ফরমগুলি নিয়ে আয় দেখি।”

    টুম্পা তখন খুব গম্ভীর মুখে ফরম আনতে গেল এবং একটু পরে একটা ফাইল নিয়ে হাজির হলো। ছোটাচ্চু সেই ফাইল হাতে নিয়ে ভেতর থেকে একটা ফরম বের করল। ফরমের ওপর কিছু ইংরেজি অক্ষর আর সংখ্যা লেখা। ছোটাচ্চু সেটা দেখিয়ে বলল, “এগুলো কী লেখা?”

    মুনিয়া বলল, “এটাকে বলে স্মারক নম্বর। সবসময় ফরম ফিলআপ করলে স্মারক নম্বর দিতে হয়। তাই না টুনি আপু?”

    টুনি মাথা নাড়ল।

    ছোটাচ্চুও মাথা নাড়ল কিন্তু ছোটাচ্চু মাথা নাড়ল একটু হতাশভাবে। তারপর জিজ্ঞেস করল, “এই স্মারক নম্বরগুলোর মানে কী?”

    মুনিয়া বলল, “জানি না।”

    “তাহলে কে জানে?”

    টুনি বলল, “আমরাও জানি না। শুধু টুম্পা জানে।”

    ছোটাচ্চু তখন টুম্পাকে জিজ্ঞেস করল, “এই স্মারক নম্বর কীভাবে দিয়েছিস? এই যে লেখা এম কে ডি ডি, তার মানে কী?”

    টুম্পা বলল, “এই সহজ জিনিসটাও বুঝতে পারছো না? এম কে ডি ডি মানে হচ্ছে ‘মুখে খোঁচা খোঁচা দাড়ি’।”

    ছোটাচ্চু হাসবে না কাঁদবে বুঝতে পারল না, হাসি চেপে জিজ্ঞেস করল, “আর এই তেইশ স্ল্যাশ সাত স্ল্যাশ তিনশ বাহান্ন মানে কী?

    “তেইশ হচ্ছে আমার বার্থডে, সাত হচ্ছে আমার প্রিয় সংখ্যা।”

    “আর তিনশ বাহান্ন?”

    “তিনশ বাহান্নর কোনো মানে নাই। এমনি একটা সংখ্যা। শুনতে ভালো লাগে।”

    ছোটাচ্চু আরেকটা ফরম নিল। সেটার স্মারক সংখ্যাটা দেখে বলল, “এই ফরমের স্মারক সংখ্যাটার মানে কী? এন এন এম?”

    “নাদুসনুদুস মহিলা।”

    “আর ডি এম এইচ পি বি?”

    “দেখে মনে হয় পেটে ব্যথা।”

    ছোটাচ্চু ফরমগুলো দেখতে দেখতে হঠাৎ থেমে গেল। একটা ফরমের ওপর লাল কালিতে লেখা ‘কেস সলভড’। ছোটাচ্চু বলল, “এইটা সলভ হয়ে গেছে?”

    সবাই মাথা নাড়ল। ছোটাচ্চু ভুরু কুঁচকে জিজ্ঞেস করল, “কে সলভ করেছে?”

    টুনি বলল, “তুমি।”

    “আমি কখন সলভ করছি?”

    “আমি তোমাকে ফোনে জিজ্ঞেস করেছি, তুমি ফোনে বলে দিয়েছো।”

    ছোটাচ্চু একেবারে আকাশ থেকে পড়ল, “তুই কখন আমাকে ফোন করলি, আমি কখন তোকে বললাম?”

    শান্ত বলল, “আসলে তুমি কিছু করো নাই কিন্তু আমরা এই মহিলাকে সেটা বুঝিয়েছি। তা না হলে পেমেন্টের জন্য বিল পাঠাতে পারব না।

    “পেমেন্টের জন্য বিল পর্যন্ত পাঠানো হয়ে গেছে?”

    শান্ত মাথা নাড়ল।

    ছোটাচ্চু হঠাৎ মুখ গম্ভীর করে বলল, “দেখ, সবকিছুরই একটা সীমা থাকা দরকার। আমার নাম ব্যবহার করে কী করা হচ্ছে আমার সেটা জানতে হবে। কী হয়েছে বল।”

    টুনি বলল, “অবশ্যই তুমি জানতে পারো ছোটাচ্চু। ব্যাপারটা হচ্ছে এ রকম–” বলে টুনি স্মারক নম্বর এম এম আর আর সি (মোটা মহিলা রাগী রাগী চেহারা) ২১/১৩/২৪২ কেসটা ছোটাচ্চুকে বলতে লাগল।

    .

    সকালবেলা দরজায় শব্দ শুনে একজন উঁকি দিয়ে বাইরে তাকিয়ে ফিরে এসে ফিসফিস করে বলল, একজন রাগী রাগী চেহারার মহিলা এসেছে। সাথে সাথে সবাই কাজে লেগে গেল। শান্ত টেবিলের ওপর চেয়ার রেখে সেখানে দাঁড়িয়ে ফ্যানের হুক থেকে দোলনাটা খুলে ফেলল। মুনিয়া ঝটপট চিপসের প্যাকেট আর কোল্ড ড্রিঙ্কসের খালি বোতল সরিয়ে ফেলল। টুম্পা ছোটাচ্চুর চেয়ারটা ঠেলে ছোটাচ্চুর ঘরে নিয়ে গেল। প্রমি ঝটপট কয়েকটা বই খুলে এখানে- সেখানে রেখে দিলো এবং সবাই সেগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়ার ভান করতে লাগল। টুনি সবার দিকে এক নজর তাকিয়ে সব ঠিকঠাক আছে সেটা নিশ্চিত করে এক হাতে একটা খোলা মোটা বই নিয়ে দরজা খুলে দিলো।

    রাগী রাগী চেহারার মহিলা মুখ শক্ত করে ভিতরে ঢুকে এদিক-সেদিক তাকালেন। ডিটেকটিভ এজেন্সির বদলে কিছু বাচ্চাকাচ্চাকে বিভিন্ন জায়গায় বসে লেখাপড়া করতে দেখে বেশ অবাক হলো। মহিলা টুনিকে জিজ্ঞেস করল, “এইটা ডিটেকটিভ এজেন্সি না?”

    “জি।”

    “তাহলে, তোমরা বাচ্চাকাচ্চারা এইখানে কী করছো? বড় মানুষ কই?”

    “আমার চাচা হচ্ছেন ডিটেকটিভ শাহরিয়ার। চাচা ইমার্জেন্সি একটা কাজে বাইরে গেছেন। তাই আমরা পাহারা দিচ্ছি।”

    “অন্য বড় মানুষ?”

    “এখনও তারা কাজ শুরু করে নাই, তাই আমরা এসেছি।”

    দূর থেকে শান্ত বলল, “নিরিবিলি লেখাপড়া করার জন্য। টুনি বলল, “আপনি কি কোনো কাজে এসেছেন?”

    “হ্যাঁ, কিন্তু যেহেতু তোমার চাচা নাই আমি আরেক দিন আসব।”

    “আপনি বসতে পারেন। আমার চাচা বলেছেন কেউ যদি আসে তাহলে যেন আমরা বসতে বলি। একটু চা-নাস্তা দিই।”

    চা-নাস্তার কথা শুনে মহিলা মনে হয় একটু দুর্বল হলেন, আরো কয়েক পা অগ্রসর হলেন। টুনি তখন একটা চেয়ার এগিয়ে দিলো। মহিলা সেখানে বসলেন।

    টুম্পা এসে বলল, “টুনি আপু, আমি কি চা বানিয়ে আনব?”

    “তুই কি পারবি?”

    “শুধু বলে দাও এক কাপ চা বানাতে কয় চামচ চা, কয় চামচ চিনি আর কতটুকু লবণ দিতে হবে।”

    মহিলা প্রায় আর্তনাদ করে বলল, “না, না, চা বানাতে হবে না।”

    টুনি স্বস্তির নিশ্বাস ফেলল। মহিলার দিকে তাকিয়ে একটু হাসি হাসি মুখে বলল, “ম্যাডাম, আমার চাচা বলেছেন কেউ যদি কোনো সমস্যা নিয়ে আসে তাহলে আমরা যেন তার সমস্যাটার কথা জেনে রাখি। আমার চাচা পরে আপনার সাথে যোগাযোগ করবেন।”

    মহিলা ভুরু কুঁচকে বললেন, “তোমরা কেমন করে সমস্যার কথা জেনে রাখবে? তোমরা এত ছোট মানুষ?”

    টুনি জোরে জোরে মাথা নাড়ল, বলল, “না, না আমরা নিজেরা জেনে রাখব না। আমরা আপনাকে একটা ফরম দিবো, আপনি সেই ফরমে সবকিছু লিখে দেবেন।”

    মহিলা বললেন, “ও।” মনে হলো ফরমের কথা শুনে একটু ঘাবড়ে গেলেন। পৃথিবীর সব মানুষ ফরম ফিলআপ করার কথা শুনলে একটু ঘাবড়ে যায়।

    টুনি জিজ্ঞেস করল, “দিবো একটা ফরম?”

    মহিলা দুর্বলভাবে বললেন, “দাও একটা ফরম। দেখি।”

    টুনি গলা উঁচিয়ে বলল, “টুম্পা, একটা ফরম নিয়ে আয় দেখি।”

    টুম্পা তার ফাইল থেকে একটা ফরম নিয়ে দ্রুত ওপরে স্মারক নম্বর দিয়ে দিলো এম এম আর আর সি (মোটা মহিলা রাগী রাগী চেহারা) ২১/১৩/২৪২ তারপর ফরমটা মহিলার হাতে তুলে দিলো। মহিলাটা ফরমটা নিয়ে ভুরু কুঁচকে তাকালেন, মনে হলো তার মুখটা আরো বেজার হয়ে গেল। তারপর ফোঁস করে একটা নিশ্বাস ফেলে বললেন, “চশমাটা আনতে ভুলে গেছি।”

    টুনি বুঝতে পারল চশমা আনতে ভুলে যাওয়ার কথাটি আসলে ভুয়া! মহিলার হাতের লেখা নিশ্চয়ই খুবই খারাপ, একেবারে কাকের ঠ্যাং বকের ঠ্যাং আর নিশ্চয়ই কিছু লিখতে গেলেই বানান ভুল করবে! টুনি তখন মহিলাকে উদ্ধার করার চেষ্টা করল, বলল, “ম্যাডাম, আপনি যদি চান তাহলে আপনি মুখে বলতে পারেন, আমি লিখে দিবো।”

    মহিলার মুখের বেজায় ভাবটা একটু দূর হলো। বললেন, “হ্যাঁ। সেইটাই ভালো।”

    টুনি তখন ফরম থেকে পড়ে শোনাতে লাগল এবং মহিলা মুখে বলতে লাগলেন এবং টুনি তার ঝকঝকে হাতের লেখায় সেটা লিখে দিতে লাগল। নাম, ঠিকানা, টেলিফোন নম্বর, ই-মেইল—এগুলো শেষ হওয়ার পর ফরমে সমস্যার বর্ণনা লেখার কথা। মহিলা বলতে লাগলেন এবং টুনি কম কথায় গুছিয়ে লিখতে লাগল। মহিলার সমস্যাটা একদিক দিয়ে খুব গুরুতর না আবার অন্যদিক দিয়ে দেখলে বেশ গুরুতর।

    সমস্যাটা হচ্ছে, গত কিছুদিন থেকে মহিলা হঠাৎ করে দেখছেন তার ব্যাগ থেকে কেউ যেন খুচরা টাকা সরিয়ে নিচ্ছে। খুচরা টাকা তো আর কেউ হিসাব করে ব্যাগে রাখে না, তাই সেখান থেকে কিছু খুচরা টাকা কেউ সরিয়ে নিলে সেটা কেউ সহজে ধরতে পারে না। একদিন রিকশা ভাড়া দেওয়ার জন্য একটা বিশ টাকার নোট দিতে গিয়ে দেখেন সেই নোটটা নাই। ঘটনাক্রমে এই বিশ টাকার নোটটার কথা তার মনে ছিল কারণ ব্যাগে রাখার সময় আলাদা করে তার চোখে পড়েছিল। নোটের ওপর কেউ কলম দিয়ে লিখে রেখেছিল ‘দিন যায় কথা থাকে’।

    যখন তার সন্দেহ হতে থাকে যে তার ব্যাগ থেকে কেউ খুচরা টাকা সরিয়ে নিচ্ছে তখন স্বাভাবিকভাবেই তার বাসায় যে মহিলা কাজ করে তার ওপর সন্দেহ হয়েছিল। সেই মহিলাকে জিজ্ঞেস করার পর মহিলা একেবারে কিরা-কসম কেটে বলল সে তার ব্যাগ থেকে টাকা নেয় নাই। যখন খুব রাগ করলেন তখন হঠাৎ করে বালিশের নিচে সেই টাকা পাওয়া গেল। মহিলা তখন একটু লজ্জাই পেয়েছেন।

    মহিলা যখন এই অংশটা বর্ণনা করছিলেন তখন টুনি জিজ্ঞেস করল, “বালিশের নিচে টাকাটা কীভাবে পেয়েছিলেন? মহিলা বললেন, “আসলে আমি নিজে খুঁজে পাই নাই। আমার ছেলে খুঁজে বের করেছে।”

    টুনি সাথে সাথে বুঝে গেল মহিলার ব্যাগ থেকে খুচরা টাকা কে সরিয়ে নিচ্ছে কিন্তু তার পরেও নিঃসন্দেহ হওয়ার জন্য জিজ্ঞেস করল, “আপনার ছেলের বয়স কত?”

    “তেরো বৎসর।”

    টুনি ছেলের বয়সটা ফরমে লিখে নিয়ে জিজ্ঞেস করল, “আপনি বালিশের নিচে কেন টাকা রেখেছিলেন!”

    মহিলা মাথা চুলকালেন, বললেন, “সেইটা তো মনে করতে পারছি না। আজকাল প্রায়ই অনেক কিছু ভুলে যাই। ডেঙ্গু হয়েছিল, মনে হয় সেই জন্য।”

    ডেঙ্গু হলে মানুষ ভুলে যায় টুনি সেটা জন্মেও শুনে নাই, কিন্তু তারপরেও সেটা ফরমে লিখে নিল। তারপর বলল, “ম্যাডাম, আমার চাচা থাকলে আপনাকে আরো অনেক প্রশ্ন করতেন আমি তো সেইগুলো জানি না। কিন্তু তারপরেও যেটা প্রশ্ন করতে পারতেন সেটা কি আপনাকে জিজ্ঞেস করতে পারি?”

    মহিলা ভুরু কুঁচকে টুনির দিকে তাকালেন তারপর একটু অনিশ্চিতের মতো বললেন, “করো।”

    “আপনি কাউকে সন্দেহ করেন?”

    “বাসায় তো সবই নিজের মানুষ। আমি, আমার ছেলে আর ছেলের বাবা। বাইরের মানুষ হচ্ছে কাজের মেয়েটা। সন্দেহ করলে তো তাকেই করতে হবে। কিন্তু —”

    “কিন্তু কী?”

    “মেয়েটা অনেক দিন থেকে আছে। এই টাকা সরানোর অভ্যাস হওয়ার আগে তো ভালোই ছিল। বিদায়ও করে দিতে পারছি না। আজকাল কাজের মানুষ পাওয়া খুব মুশকিল।”

    টুনি এবারে মোক্ষম প্রশ্নটা করল, “আগেও কি এ রকম হয়েছে যে আপনি টাকা কোথাও রেখে ভুলে গেছেন? পরে খুঁজে পেয়েছেন।”

    মহিলা মাথা নাড়লেন, “হ্যাঁ, মাঝে মাঝেই হয়। টাকা খুঁজে পাই না। চিৎকার করার পর একটু খোঁজাখুঁজি করে খুঁজে পাই।”

    “কে খুঁজে পায়?”

    “আমার ছেলেই খুঁজে পায়।”

    “কোথায় খুঁজে পায়?”

    “কখনো বালিশের নিচে। কখনো বইয়ের ভেতরে। কখনো ড্রেসিং টেবিলের ড্রয়ারে। নিশ্চয়ই মনের ভুলে রেখে দিই, মনে থাকে না।”

    টুনি মাথা নাড়ল তারপর বলল, “আমার মনে হয় আপনার পুরো সমস্যাটি আমি লিখে ফেলেছি। আমি কি একবার পড়ে শোনাব?”

    টুনি পড়ে শোনাল এবং মহিলা এখানে-সেখানে এক-দুইটা শব্দ ঠিক করে দিলেন। টুনি তখন জিজ্ঞেস করল, “আপনি যদি চান আমি তাহলে ফোনে আমার ডিটেকটিভ চাচার সাথে কথা বলতে পারি। পাব কি না জানি না—”

    “ঠিক আছে দেখো।”

    টুনি তখন ছোটাচ্চুর অফিসে গিয়ে দরজা বন্ধ করল। ভেতর থেকে সে ছোটাচ্চুর সাথে কথা বলার অভিনয় করল। একটু পরে মুখ গম্ভীর করে বের হয়ে এলো। মহিলা জিজ্ঞেস করল, “পেয়েছো তোমার ডিটেকটিভ চাচাকে?”

    “জি পেয়েছি। কথাও বলেছি।”

    “কী বলেছেন?”

    “বলেছেন আপনার ছেলে টাকা সরাচ্ছে। টাকা সরানোর অনেক পুরোনো টেকনিক হচ্ছে ব্যাগ থেকে কিছু টাকা বের করে অন্য জায়গায় লুকিয়ে রাখা। যদি সেটা নিয়ে হইচই হয় তাহলে খুঁজে বের করে দেওয়া হয়। যদি হইচই না হয় তাহলে কয়েক দিন পর টাকাটা মেরে দেওয়া হয়।”

    মহিলার মুখটা কালো হয়ে গেল। নাকটা কেমন যেন ফুলে উঠে তারপর সেই নাক দিয়ে ফোঁস করে একটা নিশ্বাস বের হয়ে আসে। তাকে দেখে কেমন যেন ভয় হতে থাকে। মহিলা হঠাৎ উঠে দাঁড়ালেন, তারপর দাঁতে দাঁত ঘষে বললেন, “পাজি বদমাইশ বান্দরের বাচ্চা—আজকে যদি আমি খুন করে না ফেলি। পিটিয়ে লাশ ফেলে দিবো। আমার সাথে মাস্তানি?”

    মুনিয়া রিনরিনে গলায় বলল, “ম্যাডাম—”

    মহিলা ঘুরে মুনিয়ার দিকে তাকালেন। জিজ্ঞেস করলেন, “কী?”

    মুনিয়া বলল, “শারীরিক শাস্তি দেওয়া ঠিক না। সেটা শিশুদের চারিত্রিক গঠনের অন্তরাল—”

    টুম্পা ঠিক করে দিলো, “অন্তরাল না, অন্তরায়।”

    মহিলা বিষ দৃষ্টিতে একবার মুনিয়ার দিকে আরেকবার টুম্পার দিকে তাকালেন, তারপর দুপদাপ করে দরজার দিকে হেঁটে গেলেন। একেবারে শেষ মুহূর্তে শান্ত দৌড়ে এসে তার হাতে একটা কাগজ ধরিয়ে দিলো।

    মহিলা জিজ্ঞেস করলেন, “এটা কী?”

    “এই ডিটেকটিভ এজেন্সির ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর।”

    মহিলা কাগজটা হাতে নিয়ে দুপদাপ করে বের হয়ে গেলেন।

    .

    পুরো কাহিনিটা শুনে ছোটাচ্চু কিছুক্ষণ থ মেরে বসে রইল। তারপর ফোঁস করে একটা নিশ্বাস ফেলে বলল, “তোরা কী ডেঞ্জারাস! সর্বনাশ”

    টুম্পা মনে করিয়ে দিলো, “দশ মিনিট হয়ে গেছে ছোটাচ্চু!”

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleওগো টুনটুনি কীগো ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article আমি পরামানব – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }