Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বাহ্ টুনটুনি বাহ্ বাহ্ ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প131 Mins Read0
    ⤶

    দাঁত

    ছোটাচ্চুর অফিসের দরজায় দাঁড়িয়ে ফারিহাপু জিজ্ঞেস করল, “ব্যস্ত?”

    ছোটাচ্চু মাথা তুলে ফারিহাপুকে দেখে হাসি হাসি মুখে বলল, “হ্যাঁ, ব্যস্ত। কিন্তু তাতে তোমার কী আসে-যায়? এসো।”

    ফারিহাপু বলল, “না তোমার কাজের ক্ষতি করতে চাই না। এদিক দিয়ে যাচ্ছিলাম, ভাবলাম তোমার সাথে দেখা করে যাই!”

    “আমার কাজের কোনো ক্ষতি হবে না—আমার কোনো কাজ নাই যেটা সময়ের ওপর নির্ভর করে!”

    “তাহলে ভালো।” বলে ফারিহাপু ছোটাচ্চুর টেবিলের সামনে একটা চেয়ারে বসে বলল, “তোমাকে তাহলে একটা খবর দিয়ে যাই।”

    ছোটাচ্চু মুখের হাসিটা আরো একটু চওড়া করে বলল, “কী খবর?”

    “আমাকে দেখতে আসছে।”

    ছোটাচ্চু ঠিক বুঝতে পারল না, জিজ্ঞেস করল, “কে তোমাকে দেখতে আসছে?”

    ফারিহাপু বলল, “মেয়েদের বিয়ের প্রস্তাব দেওয়ার আগে ছেলে পার্টি মেয়েদের দেখতে আসে জানো না?”

    ছোটাচ্চু তখনও বুঝতে পারল না, জিজ্ঞেস করল, “কোন ছেলে পার্টি কোন মেয়েকে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়ার জন্য দেখতে আসছে?”

    ফারিহাপু এবারে খোলাসা করে বলল, “গুগলে চাকরি করে একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার আমাকে বিয়ে করতে চায়, সেই জন্য আমাকে দেখতে আসছে।“

    ছোটাচ্চু এবারে বুঝতে পারল, তখন তার মুখ হাঁ হয়ে গেল এবং তোতলাতে তোতলাতে বলল, “গু-গু-গু-”

    ফারিহাপু হি হি করে হেসে বলল, “গুগল।”

    ছোটাচ্চু মাথা নাড়ল, “হ্যাঁ, গুগল—গুগলে চাকির করে?”

    “হ্যাঁ।“

    “তো-তো-তোমাকে বিয়ে করতে চায়?”

    “হ্যাঁ।”

    “তাই তোমাকে দেখতে চায়?”

    “হ্যাঁ।”

    “তাই তো-তো-তোমাকে দেখবে?”

    “হ্যাঁ।”

    ছোটাচ্চু কী বলবে বুঝতে পারল না। খানিকক্ষণ হাঁ করে তাকিয়ে রইল। তারপর বলল, “তুমি রাজি হয়েছো?”

    “একজন মানুষ আমাকে দেখতে চাইলে আমি রাজি হব না? লুকিয়ে থাকব?”

    ছোটাচ্চু বলল, “না—মানে—ইয়ে—

    ফারিহাপু জিজ্ঞেস করল, “কিয়ে?”

    “মানে বলছিলাম— “কী বলছিলে?”

    “মানে, তোমাকে কোনখানে দেখবে?”

    “একটা কাফেতে। কাফে কিশলয়।”

    “তোমাকে দেখতে চাইল আর তুমি রাজি হয়ে গেলে?”

    “সমস্যা আছে?”

    “না মানে ইয়ে—” ছোটাচ্চু শুকনো মুখে ঢোক গিলল। খানিকক্ষণ পর জিজ্ঞেস করল, “কখন দেখবে?”

    “বলেছে পাঁচটার সময়।”

    ছোটাচ্চু ঘড়ি দেখল, এখন দুপুর দুইটা। আরো তিন ঘণ্টা পর। ছোটাচ্চু এবারে একটু ভালো করে ফারিহাপুকে দেখল। আগে লক্ষ করেনি এখন লক্ষ করে দেখল ফারিহাপু একটু সেজে এসেছে। ছোটাচ্চু তখন একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল, তারপর বলল, “যদি গুগলের ইঞ্জিনিয়ার তোমাকে পছন্দ করে তখন কী হবে?”

    ফারিহাপু বলল, “জানি না। পছন্দ করলে তখন সেটা নিয়ে মাথা ঘামাব।” ছোটাচ্চু কী বলবে বুঝতে পারল না। কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বলল, পাঁচটা বাজতে তো দেরি আছে, এখন কী করবে?”

    ফারিহাপু বলল, “আমার আসলে একটা ডেন্টিস্টের অ্যাপয়ন্টমেন্ট আছে।”

    “ডেনটিস্টের অ্যাপয়ন্টমেন্ট? মানে তোমার দাঁত ব্যথা?”

    ফারিহাপু মাথা নাড়ল, “না, দাঁত ব্যথা নাই। দাঁতের কাজ আছে।”

    “দাঁতের কাজ? কী কাজ?”

    “এই তো—” বলে ফারিহাপু উঠে দাঁড়াল। বলল, “যাই, দেরি না হয়ে যায।”

    ফারিহাপু বের হয়ে যাওয়ার পর ছোটাচ্চু কেমন জানি ফাঁকা দৃষ্টিতে দরজার দিকে তাকিয়ে রইল।

    * * *

    ডেনটিস্ট মেয়েটি ফারিহার ঘনিষ্ঠ বন্ধু, দুইজন সেই স্কুল থেকে একসাথে লেখাপড়া করেছে। ফারিহাকে দেখে খুশি হয়ে বলল, “এসেছিস?”

    “আসব না কেন? তোর সাথে রীতিমতো অ্যাপয়নমেন্ট করেছি, আর আমি আসব না?”

    ডেন্টিস্ট মেয়েটি বলল, “তুই সত্যিই এই পাগলামি করবি?”

    “পাগলামি কেন হবে?”

    ডেনটিস্ট মেয়েটি বলল, “আমি জন্মেও শুনি নাই কেউ শখ করে তার ক্যানাইন টুথকে ড্রাকুলার মতো করে ফেলে!”

    ফারিহা বলল, “আমি তো সারা জীবনের জন্য করছি না, কিছুক্ষণের জন্য করছি। তুই আমার দুইটা ড্রাকুলার দাঁত বানিয়ে দিবি, আমি গুগলের ইঞ্জিনিয়ারের সাথে কফি খেয়ে আসার পর তুই দাঁত দুইটা খুলে নরমাল করে দিবি!”

    “কেন তুই একটা হাবাগোবা ইঞ্জিনিয়ারকে নিয়ে তামাশা করছিস?”

    “কেন করব না? এই ইঞ্জিনিয়ার খুব ভালো করে শাহরিয়ারের কথা জানে—তার পরেও আমার পিছনে লেগে আছে। এদের ধারণা তার আমেরিকান পাসপোর্ট, গুগলের চাকরি—এই সব দেখে আমি শাহরিয়ারকে ছেড়ে তার গলায় ঝুলে পড়ব। এদের একটা শিক্ষা হওয়া দরকার।”

    ডেনটিস্ট মেয়েটা বলল, “সোজাসুজি না করে দিলেই পারিস! তোর মুখে ড্রাকুলার দাঁত বানাতে চাইছিস কেন?”

    ফারিহা বলল, “তুই করে দিবি কি না বল?”

    ডেনটিস্ট মেয়েটা হি হি করে হাসল, বলল, “তোকে না করে দিয়ে উপায় আছে? সারা জীবন তোর যন্ত্রণায় আমাদের জীবন শেষ— ভবেছিলাম বড় হওয়ার পর তোর মাথা ঠান্ডা হবে! এখন মনে হচ্ছে পাগলামি আরো বেড়েছে। আয়—চেয়ারে বস।”

    ফারিহা ভয়ে ভয়ে বলল, “ব্যথা দিবি না তো?”

    “না। ইচ্ছা করে ব্যথা দিবো না।” ডেন্টিস্ট মেয়েটি হাতে গ্লাভস পরতে পরতে বলল, “নে, হাঁ কর।”

    ফারিহা মুখ হাঁ করল।

    * * *

    ঘণ্টাখানেক পর ফারিহা আয়নায় নিজেকে দেখে নিজেই ভয় পেয়ে গেল। এমনিতে বোঝা যায় না, যদি মুখ খুলে একটুখানি হাসে তাহলে দুই পাশ থেকে দুইটা ভয়ংকর ড্রাকুলার দাঁত বের হয়ে আসে। তাকে তখন দেখতে মোটেই মানুষের মতো দেখায় না—ভয়ংকর প্রেতের মতো দেখায়।

    ফারিহা ভয়ে ভয়ে তার ডেন্টিস্ট বন্ধুকে বলল, “আমার এই দাঁত আবার খুলে দিতে পারবি তো?”

    ডেন্টিস্ট বন্ধুর হাসতে হাসতে চোখে পানি এসে যায়, বলল, “হ্যাঁ, পারব।”

    “দাঁত খোলার জন্য তুই তোর চেম্বারে থাকবি তো?”

    “হ্যাঁ থাকব। তোর দাঁত ঠিক না করে আমি বাসায় যাব না।”

    “আমাকে ছুঁয়ে কথা দে তুই যাবি না।”

    ডেন্টিস্ট বন্ধু ফারিহাকে ছুঁয়ে বলল, “এই যে তোকে ছুঁয়ে কথা দিচ্ছি তোর ড্রাকুলার দাঁত খুলে তোকে স্বাভাবিক না বানিয়ে আমি বাসায় যাব না। তা ছাড়া কফি হাউসে হাবাগোবা ইঞ্জিনিয়ার তোকে দেখে কী করল আমার সেইটা শুনতে হবে না?”

    ফারিহা তখন ডেন্টিস্টের চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়াল। তারপর বলল, “দেখি এখন ইঞ্জিনিয়ারের আমাকে পছন্দ হয় কি না।”

    * * *

    ফারিহা কাফে কিশলয়ের একটা ফাঁকা টেবিলে দেওয়ালের দিকে মুখ করে বসল। কাফের অন্যরা যেন তাকে দেখতে না পারে সেই জন্য এইভাবে বসেছে। ওয়েটার আসার পর সে নিজের জন্য একটা কফির অর্ডার দিলো, তারপর কী ভেবে গুগল ইঞ্জিনিয়ারের জন্য আরেকটা কফিও অর্ডার দিলো। সে চেষ্টা করল নিজের মুখ ঢেকে কথাবার্তা বলতে, কেউ যেন তার ড্রাকুলার দাঁত দেখতে না পারে।

    ফারিহা তার কফিতে কয়েকটা চুমুক দেওয়ার পর হঠাৎ লক্ষ করল চকচকে চেহারার নাদুসনুদুস একজন মানুষ এদিক-সেদিক তাকাচ্ছে। ফারিহাকে দেখে চিকচিকে মানুষটা লম্বা লম্বা পা ফেলে তার দিকে এগিয়ে এলো। জিজ্ঞেস করল, “আপনি কি ফারিহা?”

    ফারিহা মুখ বন্ধ রেখেই মাথা নাড়াল। মানুষটা তখন তেলতেলে একটা হাসি দিয়ে সামনে বসে গেল। ফারিহার সাথে হ্যান্ডশেক করার জন্য হাত বাড়িয়ে দিয়ে বলল, “আমি নাইমুল। সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। গুগল।”

    ফারিহা মুখ বন্ধ রেখেই মুখটা হাসি হাসি করে মাথা নাড়ল, কোনো কথা বলল না। কথা বললেই মুখ খুলতে হবে, সে এখনই মুখটা খুলতে চাইছে না। ফারিহা গুগল ইঞ্জিনিয়ারের কফির মগটা তার দিকে ঠেলে দিলো। মানুষটা খুশি খুশি মুখে কফির মগটা হাতে নেয়, একটু ঘ্রাণ নিয়ে বলল, “ফ্যান্টাস্টিক! এই দেশে কফি পাওয়া যায় আমি জানতাম না। আমাদের গুগল অফিসে চা, কফি, স্ন্যাক—সব ফ্রি!”

    ফারিহা মুখ না খুলেই ফ্রি চা-কফি নিয়ে যতটুকু সম্ভব মুগ্ধ হওয়া যায় ততটুকু মুগ্ধ হওয়ার ভান করল।

    মানুষটা কফির মগে চুমুক দিয়ে বলল, “গুড কফি।”

    তারপর ফারিহার দিকে তাকিয়ে বলল, “আমার সাথে দেখা করতে রাজি হয়েছেন, সে জন্য অনেক ধন্যবাদ।”

    ফারিহা মাথা নাড়ল। গুগল ইঞ্জিনিয়ার বলল, “আমি ভেবেছিলাম তুমি আমার সাথে দেখা করতে রাজি হবে না”—তারপর সব দাঁত বের করে খ্যাকখ্যাক করে হাসতে লাগল। ফারিহা লক্ষ করল এতক্ষণ আপনি করে কথা বলছিল, এখন হঠাৎ করে মানুষটা তুমি করে কথা বলতে শুরু করেছে। ভাবখানা দুইজন যেন কতদিনের পরিচিত। ফারিহার একটু মেজাজ গরম হলো, বুঝতে পারল তার ড্রাকুলার দাঁত বের করার সময় হয়েছে।

    গুগল ইঞ্জিনিয়ার বলল, “আমি একাই কথা বলে যাচ্ছি। তুমি এখনও কোনো কথা বলো নাই। তোমার গলার স্বরটাও শুনতে পাই নাই।”

    ফারিহা প্রথমবার মুখ খুলল, সবগুলো দাঁত বের করে হিসহিস শব্দ করে বলল, “আমার গলার স্বর যত কম শুনবে তত ভালো।”

    ফারিহা তার ড্রাকুলার দাঁত বের করে হি হি করে হাসল আর সেটা দেখে গুগল ইঞ্জিনিয়ার একটা আর্তচিৎকার করে উঠল। তার হাতের গরম কফির কাপ ছলকে সেখান থেকে কফি তার শার্টের বুকে এবং কোলের ওপর পড়ল। সেটার জন্য সে আরো একবার চিৎকার করল। গুগল ইঞ্জিনিয়ার চোখ বিস্ফারিত করে ফারিহার দিকে তাকিয়ে থাকে। হাচড়পাচড় করে সে উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করতে থাকে।

    অবস্থাটা আয়ত্তের বাইরে চলে যাচ্ছে দেখে ফারিহা তার জিভ বের করে ঠোঁট চেটে মুখটা বন্ধ করে মিষ্টি করে হাসল। সেটা দেখে গুগল ইঞ্জিনিয়ার মনে হয় আরো ভয় পেয়ে গেল। হাতের কফিটা টেবিলে রেখে বড় বড় নিশ্বাস ফেলে মুখ হাঁ করে ফারিহার দিকে তাকিয়ে থাকে। তোতলাতে তোতলাতে বলল, “আ-আ-আ-আপনার দাঁ-দাঁ-দাঁ—“

    ফারিহা হাসল, বলল, “কী হয়েছে আমার দাঁতের?”

    “না—না—মানে ইয়ে—” মানুষটা উঠে দাঁড়াল, বলল, “ঠিক আছে, ঠিক আছে, আমি যাই। থ্যাঙ্কু আসার জন্য, থ্যাঙ্কু- ফারিহা বলল, “কফিটা শেষ করে যান।”

    মানুষটা তড়াক করে লাফ দিয়ে দাঁড়াল। তারপর বলল, “না না—কফি খেতে হবে না—” তারপর কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে প্রায় লাফিয়ে বের হয়ে গেল।

    আশেপাশের টেবিলের অনেকেই একটু অবাক হয়ে তাদের দিকে তাকিয়েছিল। তারা কেউই ফারিহার দাঁত দেখতে পায়নি, তাই ঠিক বুঝতে পারছিল না কী হয়েছে। কিছুই হয়নি এ রকম ভাব করে ফারিহা তার কফি মগে চুমুক দেয়। সে মনে মনে যে রকম হবে ভেবেছিল, তার থেকে অনেক বেশি মজা হয়েছে।

    * * *

    টুনি ছোটাচ্চুর সামনের চেয়ারে বসে আছে। যে ঘটনা আগে কোনোদিন ঘটে নাই আজকে সেটাই ঘটেছে। ছোটাচ্চু নিজে টুনিকে ডেকে পাঠিয়েছে খুবই জরুরি একটা বিষয় আলোচনা করার জন্য। টুনি খুবই অবাক হয়েছে- তার সাথে ছোটাচ্চুর কী নিয়ে আলাপ থাকতে পারে?

    টুনি বেশ খানিকটা দুশ্চিন্তা নিয়ে ছোটাচ্চুর সামনে বসে আছে। ছোটাচ্চু এখনও কিছু বলা শুরু করে নাই—টুনি অনুমান করতে পারছে ছোটাচ্চু কীভাবে শুরু করবে সেটা বুঝতে পারছে না। টুনি কোনো কিছু জিজ্ঞেস না করে ধৈর্য ধরে বসে আছে।

    ছোটাচ্চু কিছুক্ষণ তার মাথা চুলকাল, তারপর ঘাড় চুলকাল, তারপর বগলের নিচে দিয়ে হাত ঢুকিয়ে পিঠের দিকে কোনো একটা জায়গা চুলকানোর চেষ্টা করে শেষ পর্যন্ত হাল ছেড়ে দিয়ে ফোঁস করে একটা নিশ্বাস ফেলে বলল, “তোকে ডেকে আনা মনে হয় ঠিক হয় নাই।”

    টুনি ভুরু কুঁচকে বলল, “কেন ঠিক হয় নাই?”

    ছোটাচ্চু বলল, “আমি যেটা নিয়ে কথা বলতে চাচ্ছি সেটা আসলে বাচ্চা মেয়েদের বিষয় না। সেটা বড় মেয়েদের না-হয় মহিলাদের বিষয়।”

    টুনি বলল, “কিন্তু যখন আমাকে ডেকে এনেছো এখন বলে ফেলো— দেখি কী বিষয়।“

    “বিষয়টা তোদের ফারিহাপুকে নিয়ে—”

    টুনি চোখ বড় বড় করে বলল, “ফারিহাপুকে নিয়ে? কী করেছে ফারিহাপু?” ছোটাচ্চু গাল চুলকাতে চুলকাতে বলল, “তুই তো জানিস তোর ফারিহাপু আর আমি মানে ইয়ে—”

    টুনি মাথা নাড়াল, বলল, “জানি। তুমি আর ফারিহাপু ইয়ে— “কিন্তু আজকে তাকে একটা ছেলে পার্টি দেখতে আসছে।”

    টুনি এবারে চোখ বড় বড় করে বলল, “সত্যি?”

    “হ্যাঁ।”

    ছোটাচ্চু বলল, “ছেলে পার্টি তো ফারিহাকে দেখতে চাইতেই পারে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে—”

    “কী সমস্যা?”

    “ফারিহা কেন ছেলে পার্টির সাথে দেখা করতে রাজি হয়ে গেল। ছেলে গুগলের ইঞ্জিনিয়ার হলেই ফারিহার তার সাথে দেখা করতে হবে? হ্যাঁ?” ছোটাচ্চু কেমন জানি রেগে উঠল

    টুনি চেয়ারে হেলান দিয়ে বলল, “ছোটাচ্চু, তোমার দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নাই—”

    ছোটাচ্চু আরো রেগে উঠে বলল, “কে বলল আমি দুশ্চিন্তা করছি?”

    টুনি বলল, “ছোটাচ্চু তুমি ফারিহাপুর ওপর ভরসা রাখো—”

    টুনি কথা শেষ করার আগেই হঠাৎ করে ছোটাচ্চুর চোয়াল ঝুলে পড়ল, তার অফিসের দরজায় ফারিহাপু দাঁড়িয়ে আছে।

    ছোটাচ্চু দাঁড়িয়ে গেল, বলল, “ফারিহা, তুমি?”

    ফারিহাপু কোনো কথা না বলে মাথা নাড়ল। ছোটাচ্চু বলল, “দরজায় দাঁড়িয়ে আছো কেন? ভিতরে আসো।”

    ফারিহাপু ভিতরে ঢুকল।

    ছোটাচ্চু বলল, “বসো।”

    ফারিহাপু মাথা নেড়ে জানাল, সে বসবে না।

    ছোটাচ্চু জিজ্ঞেস করল, “গুগলের ইঞ্জিনিয়ার তোমাকে দেখেছে?”

    ফারিহাপু মাথা নেড়ে জানাল, সে দেখেছে।

    ছোটাচ্চু জিজ্ঞেস করল, “তোমাকে পছন্দ করেছে?”

    ফারিহাপু মাথা নেড়ে জানাল তাকে পছন্দ করে নাই। টুনি এতক্ষণ ছোটাচ্চুর কথা আর ফারিহাপুর মাথা নাড়ানাড়ি দেখছিল। এবারে ফারিহাপুর দিকে তাকিয়ে বলল, “ফারিহাপু, তুমি কোনো কথা না বলে খালি মাথা নাড়ছো কেন?”

    ফারিহাপু এবারে তার ভয়ংকর ড্রাকুলার দাঁত বের করে হাসার ভান করে বলল, “তার কারণ আমি কথা বললে তোমার ছোটাচ্চু আমাকে দেখে পালিয়ে যেতে পারে—গুগল ইঞ্জিনিয়ার যেভাবে পালিয়েছে!”

    ফারিহাপুর দাঁত দেখে ছোটাচ্চু চিৎকার করে বলল, “সর্বনাশ! তোমার দাঁতের এই অবস্থা কেন? এ রকম হয়েছে কীভাবে?”

    ফারিহাপু বলল, “আমার ডেন্টিস্ট বন্ধু করে দিয়েছে।”

    “কী সর্বনাশ!”

    “আমার ডেন্টিস্ট বন্ধু অপেক্ষা করছে, যাই ঠিক করিয়ে আনি!”

    টুনি আনন্দে হাততালি দিয়ে বলল, “কয়েক দিন থাকুক ফারিহাপু–প্লিজ!”

    “উঁহু।” ফারিহাপু বলল, “এইভাবে বাসায় গেলে আম্মু আমাকে খুন করে ফেলবে।”

    ফারিহাপু তার দাঁত বের করে ছোটাচ্চুকে শেষবার ভয় দেখিয়ে বের হয়ে গেল। ছোটাচ্চু কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বলল, “তুই দেখেছিস? ফারিহার কাণ্ডটা দেখেছিস? কারো মাথা খারাপ না হলে কেউ এ রকম করে?”

    টুনি বলল, “ফারিহাপু হচ্ছে বেস্ট! আর কেউ ফারিহাপুর মতো নাই!”

    ছোটাচ্চু দাঁত বের করে আনন্দে হাসতে হাসতে বলল, “বুঝেছিস? ফারিহাকে দেখতে এসেছে সে জন্য কেমন শিক্ষা দিলো দেখেছিস? দেখেছিস?”

    টুনি মাথা নাড়ল, বলল, “হ্যাঁ, দেখেছি। কিন্তু তার মানে বুঝেছো?”

    “কী? তার মানে কী?”

    “তার মানে হচ্ছে এখন অন্য কোনো ইঞ্জিনিয়ার-ডাক্তার-বিজনেসম্যান ফারিহাপুকে দেখতে আসার আগে—তোমার দেখতে যেতে হবে। আমাদের সবাইকে নিয়ে। বুঝেছো?”

    ছোটাচ্চুর বুঝতে একটু সময় লাগল। যখন বুঝতে পারল তখন বোকার মতো একটু মাথা নাড়ল।

    টুনি বলল, “আমরা সবাই কিন্তু শাড়ি পরে যাব। বুঝেছো?”

    ছোটাচ্চু আবার মাথা নাড়ল।

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleওগো টুনটুনি কীগো ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article আমি পরামানব – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }