Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিজয়া – শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    উপন্যাস শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প144 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিজয়া

    তৃতীয় দৃশ্য

    সরস্বতী নদীতীর

    [শরৎ অন্তে শীর্ণ সঙ্কীর্ণ সরস্বতী নদী। এ-তটে বিস্তীর্ণ মাঠ, ও-তটে লতাগুল্ম-পরিব্যাপ্ত ঘন বন। বনান্তরালে দিঘ্‌ড়া গ্রাম। নদীর উভয় তীর ক্ষুদ্র বাঁশের সেতু দিয়া সংযুক্ত। একটা পায়ে-হাঁটা সঙ্কীর্ণ পথ বনের মধ্য দিয়া দিঘ্‌ড়া গ্রামে গিয়া প্রবেশ করিয়াছে। এই সকলের অন্তরালে নরেনের বৃহৎ অট্টালিকার কিছু কিছু দেখা যায় মাত্র। নদীর তীরে বসিয়া নরেন ছিপে মাছ ধরিতেছিল। বিজয়া ও কানাই সিং প্রবেশ করিল।]

    বিজয়া। এই নদীর পারেই দিঘ্‌ড়া, না কানাই সিং?

    কানাই। হাঁ মা-জী।

    বিজয়া। এই গাঁয়েই জগদীশবাবুর বাড়ি, না?

    কানাই। হাঁ মা-জী, বহুৎ বড়া বাড়ি।

    বিজয়া। এই পুল পেরিয়ে বুঝি ঐ গাঁয়ে যেতে হয়?

    [বিজয়া পুলের কাছে অগ্রসর হইতে নরেন্দ্র তাহাকে দেখিয়া]

    নরেন। এই যে—নমস্কার! বিকেলবেলা একটুখানি বেড়াবার পক্ষে নদীর ধারটি মন্দ জায়গা নয় বটে, কিন্তু এ সময় ম্যালেরিয়ার ভয়ও ত বড় কম নয়। এ বুঝি আপনাকে কেউ সাবধান করে দেয়নি?

    বিজয়া। না, কিন্তু ম্যালেরিয়া ত লোক চিনে ধরে না। আমি ত বরং না জেনে এসেছি, আপনি যে জেনেশুনে জলের ধারে বসে আছেন? কৈ দেখি কি মাছ ধরলেন?

    নরেন। (পুলের অপর প্রান্ত হইতে) পুঁটি মাছ। কিন্তু দু ঘণ্টায় মাত্র দুটি পেয়েছি, মজুরি পোষায় নি। সময়টা ত কোনমতে কাটাতে হবে?

    বিজয়া। কিন্তু মামার পূজোবাড়িতে এসে তাঁকে সাহায্য না করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন যে বড়ো? গুটি-দুই পুঁটি মাছ দিয়ে ত তাঁর সাহায্য হবে না!

    নরেন। (হাসিয়া) না, কিন্তু প্রথমতঃ, মামার বাড়িতে আমি আসিনি, দ্বিতীয়তঃ, তাঁকে সাহায্য করবার বহুলোক আছে। আমার প্রয়োজন নেই।

    বিজয়া। মামার বাড়ি আসেন নি? এখানে তবে আছেন কোথায়?

    নরেন। বাড়ি আমার ঐ দিঘ্‌ড়া গ্রামে। এই বাঁশের সাঁকো দিয়ে যেতে হয়।

    বিজয়া। দিঘ্‌ড়ায়? তা হলে নরেনবাবুকে তো আপনি চেনেন? তিনি কি রকম লোক বলতে পারেন?

    নরেন। ও—নরেন? তার বাড়িটা ত আপনি দেনার দায়ে কিনে নিয়েছেন? এখন তার সম্বন্ধে অনুসন্ধানে আর ফল কি? যে উদ্দেশ্যে নিলেন সে কথাও এ অঞ্চলের সবাই শুনেছে।

    বিজয়া। একেবারে নেওয়া হয়ে গেছে এই বুঝি এদিকে রাষ্ট্র হয়েছে?

    নরেন। হবারই কথা। জগদীশবাবুর সর্বস্ব আপনার বাবার কাছে বিক্রি-কবলায় বাঁধা ছিলো, তাঁর ছেলের সাধ্য নেই তত টাকা শোধ করে। মেয়াদও শেষ হয়েছে—এ খবর সবাই জানে কিনা!

    বিজয়া। আপনি নিজেই যখন গ্রামের লোক তখন খবর জানবেন বৈ কি। আচ্ছা, শুনেছি নরেনবাবু বিলেত থেকে ভাল করেই ডাক্তারি পাস করে এসেছেন। কোন ভাল জায়গায় practice আরম্ভ করে আরও কিছুদিন সময় নিয়ে কি বাপের ঋণটা শোধ করতে পারেন না?

    নরেন। সম্ভব নয়। শুনেছি practice করাই নাকি তার সঙ্কল্প নয়।

    বিজয়া। তবে তাঁর সঙ্কল্পটাই বা কি? এত খরচপত্র করে বিলেত গিয়ে কষ্ট করে ডাক্তারি শেখবার ফলটাই বা কি হতে পারে? একেবারে অপদার্থ।

    নরেন। অপদার্থ? (হাসিয়া) ঠিক ধরেছেন। এইটেই বোধ হয় তার আসল রোগ। তবে শুনতে পাই নাকি সে নিজে চিকিৎসা করার চেয়ে এমন একটা-কিছু বার করে যেতে চায়, যাতে বহুলোকের উপকার হবে। খবর পাই এ নিয়ে সে পরিশ্রমও খুব করে।

    বিজয়া। সত্যি হলে ত এ খুব বড় কথা। কিন্তু বাড়িঘর গেলে কি করে এ-সব করবেন? তখন ত রোজগার করা চাই। আচ্ছা আপনি ত নিশ্চয়ই বলতে পারেন বিলেত যাবার জন্যে এখানকার লোক তাঁকে একঘরে করে রেখেছে কিনা।

    নরেন। সে ত নিশ্চয়ই। আমার মামা পূর্ণবাবু তারও একপ্রকার আত্মীয়, তবুও পূজোর কদিন বাড়িতে ডাকতে সাহস করেন নি। কিন্তু তাতে তার ক্ষতি হয়নি। নিজের কাজকর্ম নিয়ে থাকে, সময় পেলে ছবি আঁকে। বাড়ি থেকে বড় বারই হয় না।

    কানাই। মা-জী, সন্‌ঝা হয়ে আসলে; বাড়ি ফিরতে রাত হবে।

    নরেন। হাঁ, কথায় কথায় সন্ধ্যা হয়ে এলো।

    বিজয়া। তা হলে বাড়িটা গেলে কোনও আত্মীয়-কুটুম্বের ঘরেও তাঁর আশ্রয় পাবার ভরসা নেই বলুন?

    নরেন। একেবারেই না।

    বিজয়া। (মুহূর্তকাল নীরব থাকিয়া) তিনি যে কারও কাছেই যেতে চান না—নইলে এই মাসের শেষেই ত তাঁকে বাড়ি ছেড়ে দেবার নোটিশ দেওয়া হয়েছে—আর কেউ হলে অন্ততঃ আমাদের সঙ্গেও একবার দেখা করবার চেষ্টা করতেন।

    নরেন। হয়ত তার দরকার নেই, নয়, ভাবে লাভ কি? আপনি ত সত্যিই তাকে বাড়িতে থাকতে দিতে পারেন না।

    বিজয়া। চিরকাল না পারলেও আর কিছুকাল থাকতে দেওয়া ত যায়। কিন্তু মনে হচ্ছে আপনার সঙ্গে তাঁর বিশেষ পরিচয় আছে। কি বলেন সত্যি না?

    নরেন। কিন্তু এদিকে সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসছে যে।

    বিজয়া। আসুক।

    নরেন। আসুক? অর্থাৎ, দেশের প্রতি আপনার সত্যিকার টান আছে।

    বিজয়া। (গম্ভীর হইয়া) তার মানে?

    নরেন। মানে এই যে সন্ধ্যাবেলায় এখানে দাঁড়িয়ে থেকে দেশের ম্যালেরিয়াটা পর্যন্ত না নিলে আপনার চলছে না।

    বিজয়া। (হাসিয়া) ওঃ, এই কথা! কিন্তু দেশ ত আপনারও। ওটা আপনারও নেওয়া হয়ে গেছে বোধ হয়? কিন্তু মুখ দেখে ত মনে হয় না।

    নরেন। ডাক্তারদের একটু সবুর করে নিতে হয়।

    বিজয়া। আপনিও কি ডাক্তার নাকি?

    নরেন। হাঁ ডাক্তার বটে কিন্তু খুব ছোট্ট ডাক্তার।

    বিজয়া। তা হলে আপনি শুধু প্রতিবেশী নন,—তাঁর বন্ধু। তাঁর সম্বন্ধে যে-সব কথা আমি বলেচি, হয়ত গিয়ে তাঁকেই গল্প করবেন—না?

    নরেন। (হাসিয়া) কি গল্প করব, বলেছেন একটা অপদার্থ হতভাগা লোক, এই ত? আপনার চিন্তা নেই, এ অত্যন্ত পুরোনো কথা, এ তাকে সবাই বলে। নতুন করে বলবার দরকার নেই। তবে, বললে হয়ত সে কোনদিন আপনার সঙ্গে দেখা করতে যেতে পারে।

    বিজয়া। আমার সঙ্গে দেখা করে তাঁর লাভ কি? কিন্তু তাঁর সম্বন্ধে ত ঠিক ও-রকম কথা আপনাকে আমি বলিনি।

    নরেন। না বলে থাকলেও বলা উচিত ছিল।

    বিজয়া। উচিত ছিল? কেন?

    নরেন। ঋণের দায়ে যার বাস করবার গৃহ, যার সর্বস্ব বিক্রি হয়ে যায়, তাকে সবাই হতভাগ্য বলে। আমরাও বলি। সুমুখে না পারলেও আড়ালে বলতে বাধা কি?

    বিজয়া। (হাসিয়া) আপনি ত তাঁর চমৎকার বন্ধু!

    নরেন। (ঘাড় নাড়িয়া) হ্যাঁ, অভেদ্য বললেও চলে। এমন কি তার হয়ে আমি নিজে গিয়েই আপনাকে ধরতুম, যদি না জানতুম সৎ উদ্দেশ্যেই তার বাড়িখানি আপনি গ্রহণ করছেন।

    বিজয়া। আচ্ছা, আপনার বন্ধুকে একবার রাসবিহারীবাবুর কাছে যেতে বলতে পারেন না?

    নরেন। কিন্তু তাঁর কাছে কেন?

    বিজয়া। তিনি বাবার বিষয়-সম্পত্তি দেখেন কিনা।

    নরেন। সে আমি জানি; কিন্তু তাঁর কাছে গিয়ে লাভ নেই। সন্ধ্যা হয়—আসি তবে,—নমস্কার।

    [নরেন পুল পার হইয়া বনের ভিতর অদৃশ্য হইয়া গেল। বিজয়া সেইদিকে চাহিয়া রহিল।]

    কানাই। এ বাবুটি কে মা-জী?

    বিজয়া। (চমকিয়া আপন মনে কহিল) কে তা ত জানিনে। ঐ যাঁদের বাড়িতে পূজো হচ্ছে তাঁদের ভাগনে।

    [রাসবিহারীর প্রবেশ]

    রাস। তোমাকে খুঁজছিলাম মা। খবর পেলুম তুমি নদীর দিকে একটু বেড়াতে এসেছ। ভাল কথা—তাকে আমরা নোটিশ দিয়েছি, আবার আমরা যদি রদ করতে যাই, আর পাঁচজন প্রজার কাছে সেটা কি-রকম দেখাবে ভেবে দেখ দিকি।

    বিজয়া। একখানা চিঠি লিখে তাঁর কাছে পাঠিয়ে দিন না। আমার নিশ্চয়ই বোধ হচ্ছে তিনি শুধু অপমানের ভয়েই এখানে আসতে সাহস করেন না।

    রাস। (বিদ্রূপের ভাবে) মহামানী লোক দেখছি! তাই অপমানটা ঘাড়ে নিয়ে আমাদেরই উপযাচক হয়ে তাঁকে থাকবার জন্যে চিঠি লিখতে হবে?

    বিজয়া। (কাতর হইয়া) তাতে দোষ নেই কাকাবাবু—অযাচিত দয়া করার মধ্যে লজ্জা নেই।

    রাস।(ঈষৎ হাসিয়া) মা, তোমার জিনিস তুমি দান করবে, আমি বাদ সাধব কেন? আমি শুধু এইটুকুই দেখাতে চেয়েছিলুম যে, বিলাস যা করতে চেয়েছিল, তা স্বার্থের জন্যও নয়, রাগের জন্যেও নয়—শুধু কর্তব্য বলেই করতে চেয়েছিল। একদিন আমার বিষয় তোমার বাবার বিষয় সব এক হয়েই তোমাদের দুজনের হাতে পড়বে। সেদিন বুদ্ধি দেবার জন্যে এ বুড়োটাকে খুঁজে পাবে না মা।

    [বিলাসের প্রবেশ—পরনে বিলাতী পোশাক, হাতে ছোট ব্যাগ, অত্যন্ত ব্যস্তভাবে]

    বিলাস। এই যে তোমরা। বাবা, এখনো বাড়ি যাবার সময় পাইনি, কলকাতা থেকে ফিরেই শুনলুম তোমরা এসেছ নদীর তীরে বেড়াতে। বেড়ানো! বিরাট কার্যভার মাথায় নিয়ে কি করে যে মানুষ আলস্যে সময় কাটাতে পারে আমি তাই শুধু ভাবি। বাবা, একরকম সমস্ত কাজই প্রায় শেষ করে এলুম। কাদের আহ্বান করতে হবে, কাদের ওপর সেদিনের ভার দিতে হবে, কি কি করতে হবে,—সমস্ত।

    রাস। সমস্ত? বল কি? এর মধ্যে করলে কি করে?

    বিলাস। হ্যাঁ, সমস্ত। আমার কি আর নাওয়া-খাওয়া ছিল! বিজয়া, তুমি নিশ্চয়ই ভাবচ এই ক’টা দিন আমি রাগ করে আসিনি। যদিও রাগ আমি করিনি, কিন্তু করলেও সেটা কিছুমাএ অন্যায় হতো না।

    রাস। কানাই সিং, চলো ত বাবা একটু এগিয়ে দু পা ঘুরে আসি গে। অনেকদিন নদীর এ দিকটায় আসতে পারিনি।

    কানাই সিং। চলিয়ে হুজুর।

    [রাসবিহারী ও কানাই সিং-এর প্রস্থান

    বিলাস। তুমি স্বচ্ছন্দে চুপ করে থাকতে পার, কিন্তু আমি পারিনে। আমার দায়িত্ববোধ আছে। একটা বিরাট কার্যভার ঘাড়ে নিয়ে আমি কিছুতেই থাকতে পারিনে। আমাদের মন্দির-প্রতিষ্ঠা এই বড়দিনের ছুটিতেই হবে। সমস্ত স্থির হয়ে গেল। এমন কি নিমন্ত্রণ করা পর্যন্ত বাকী রেখে আসিনি। উঃ—কাল সকাল থেকে কি ঘোরাটাই না আমাকে ঘুরতে হয়েছে। যাক, ওদিকের সম্বন্ধে একরকম নিশ্চিন্ত হওয়া গেল, কারা কারা আসবেন তাও নোট করে এনেছি, পড়ে দ্যাখো অনেককেই চিনতে পারবে।
    [সে ব্যাগ খুলিয়া হাতড়াইয়া, কাগজখানা বাহির করিয়া ধরিল। বিজয়া গ্রহণ করিল বটে, কিন্তু তার মুখ দেখিয়া মনে হইল বিতৃষ্ণার সীমা নাই]

    বিলাস। ব্যাপার কি? এমন চুপচাপ যে?

    বিজয়া। আমি ভাবছি, আপনি যে তাঁদের নিমন্ত্রণ করে এলেন এখন তাঁদের কি বলা যায়?

    বিলাস। তার মানে?

    বিজয়া। মন্দির-প্রতিষ্ঠা সম্বন্ধে আমি এখনও কিছু স্থির করে উঠতে পারিনি।

    বিলাস। (সুতীব্র বিস্ময়ে ও ততোধিক ক্রোধে বিলাসের মুখ ভীষণ হইয়া উঠিল। কিন্তু কণ্ঠস্বর তাহার পক্ষে যতটা সম্ভব সংযত করিয়া কহিল) তার মানে কি? তুমি কি ভেবেচ আসছে ছুটির মধ্যে না করতে পারলে আর কখনো করা যাবে? তারা ত কেউ তোমার—ইয়ে নন যে তোমার যখন সুবিধে হবে তখনই তাঁরা ছুটে এসে হাজির হবেন। মন স্থির হয়নি তার অর্থ কি শুনি?

    বিজয়া। (মৃদুকণ্ঠে) এখানে ব্রহ্মমন্দির-প্রতিষ্ঠার কোন সার্থকতা নেই। সে হবে না।

    বিলাস। (কিছুক্ষণ স্তম্ভিত থাকিয়া) আমি জানতে চাই তুমি যথার্থই ব্রাহ্মমহিলা কিনা।

    বিজয়া। (তাহার মুখের দিকে নিঃশব্দে চাহিয়া থাকিয়া) আপনি বাড়ি থেকে শান্ত হয়ে ফিরে না এলে আপনার সঙ্গে আলোচনা হতে পারবে না। এ কথা এখন থাক।

    বিলাস। আমরা তোমার সংস্রব পরিত্যাগ করতে পারি জানো?

    বিজয়া। সে আলোচনা আমি কাকাবাবুর সঙ্গে করব, আপনার সঙ্গে নয়।

    বিলাস। আমরা তোমার সংস্পর্শ ত্যাগ করলে কি হয় জানো?

    বিজয়া। না, কিন্তু আপনার দায়িত্ববোধ যখন এত বেশি তখন আমার অনিচ্ছায় যাঁদের নিমন্ত্রণ করে অপদস্থ করার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, তাঁদের ভার নিজেই বহন করুন। আমাকে অংশ নিতে অনুরোধ করবেন না।

    বিলাস। আমি কাজের লোক, কাজই ভালবাসি, খেলা ভালবাসি নে তা মনে রেখো বিজয়া।

    বিজয়া। (শান্তস্বরে) আচ্ছা আমি ভুলবো না।

    বিলাস। (প্রায় চীৎকার করিয়া) হাঁ—যাতে না ভোলো সে আমি দেখব।

    [বিজয়া কোন কথা না বলিয়া যাইবার উদ্যোগ করিল]

    বিলাস। আচ্ছা, এত বড় বাড়ি তবে কি কাজে লাগবে শুনি? এ ত আর শুধু শুধু ফেলে রাখা যেতে পারবে না?

    বিজয়া। (মুখ তুলিয়া দৃঢ়ভাবে) কিন্তু এ বাড়ি যে নিতেই হবে সে ত এখনও স্থির হয়নি!

    বিলাস। (রাগিয়া সজোরে মাটিতে পা ঠুকিয়া) হয়েছে একশো বার স্থির হয়েছে। আমি সমাজের মান্য ব্যক্তিদের আহ্বান করে এনে অপমান করতে পারব না। এ বাড়ি আমাদের চাই-ই, এ আমি করে তবে ছাড়ব। এই তোমাকে আমি জানিয়ে দিলুম।

    [রাসবিহারী ফিরিয়া আসিলেন।]

    বিলাস। শুনছো বাবা, বিজয়া বলছেন, এ এখন হবে না—এ অপমান—

    রাস। হবে না? কি হবে না? কে বলেচে হবে না?

    বিলাস। (আঙুল দিয়া দেখাইয়া) উনি বলচেন মন্দির-প্রতিষ্ঠা এখন হতে পারবে না।

    রাস। বিজয়া বলচেন হবে না? বল কি? আচ্ছা স্থির হও বাবা, স্থির হও। কোন অবস্থাতেই উতলা হতে নেই। আগে শুনি সব। নিমন্ত্রণ হয়ে গেছে? হয়েছে। বেশ, সে ত আর প্রত্যাহার করা যায় না—অসম্ভব। এদিকে দিনও বেশি নেই, করতে হলে এর মধ্যেই সমস্ত আয়োজন সম্পূর্ণ করা চাই। এতে ত সন্দেহ নেই মা।

    বিজয়া। কিন্তু তিনি স্বেচ্ছায় বাড়ি ছেড়ে না গেলে ত কিছুতেই হতে পারে না কাকাবাবু!

    রাস। কার স্বেচ্ছায় বাড়ি ছাড়ার কথা বলছ মা, জগদীশের ছেলের? সে ত বাড়ি ছেড়ে দিয়েছে—শোননি?

    [বিজয়া বিলাসের দিক হইতে ফিরিয়া দাঁড়াইল। তাহার ঠোঁট কাঁপিতে লাগিল। নিজেকে সংযত করিয়া]

    বিজয়া। না শুনিনি। কিন্তু তাঁর জিনিসপত্র কি হলো? সমস্ত নিয়ে গেছেন?

    বিলাস। (হাসির ভঙ্গীতে) শুনেচি থাকবার মধ্যে ছিল নাকি একটা ভাঙ্গা খাট—তার ওপরই বোধ করি তাঁর শয়ন চলত। আমি সেটা বাইরে গাছতলায় টেনে ফেলে দেবার হুকুম দিয়ে কলকাতায় গিয়েছিলুম। আজ স্টেশনে নেবেই দরোয়ানের মুখে খবর পেলুম সেগুলো নেবার জন্যে আজ সকালে নাকি সে আবার এসেছে। যা কিছু তার আছে নিয়ে যাক, আমার কোন আপত্তি নেই।

    রাস। তোমার দোষ বিলাস। মানুষ যেমন অপরাধীই হোক, ভগবান তাকে যত দণ্ডই দিন, তার দুঃখে আমাদের দুঃখিত হওয়া, সমবেদনা প্রকাশ করা উচিত। আমি বলছি নে যে অন্তরে তুমি তার জন্যে কষ্ট পাও না, কিন্তু বাইরেও সেটা প্রকাশ করা কর্তব্য। তাকে একবার আমার সঙ্গে দেখা করতে বললে না কেন? দেখতুম—যদি কিছু—

    বিলাস। তাঁর সঙ্গে দেখা করে নিমন্ত্রণ করা ছাড়া আমার ত আর কাজ ছিল না বাবা! তুমি কি যে বল তার ঠিক নেই। তা ছাড়া আমার পৌঁছুবার আগেই ত ডাক্তারসাহেব তাঁর তোরঙ্গ-পেটরা যন্ত্রপাতি গুটিয়ে নিয়ে সরে পড়েছেন। বিলাতের ডাক্তার! একটা অপদার্থ humbug কোথাকার!

    রাস। না বিলাস, তোমার এরকম কথাবার্তা আমি মার্জনা করতে পারিনে। নিজের ব্যবহারে তোমার লজ্জিত হওয়া উচিত—অনুতাপ করা উচিত।

    বিলাস। কি জন্যে শুনি? পরের দুঃখে দুঃখিত হওয়া, পরের ক্লেশ নিবারণ করার শিক্ষা আমার আছে, কিন্তু যে দাম্ভিক বাড়ি বয়ে অপমান করে যায়—তাকে আমি মাপ করিনে। অত ভণ্ডামি আমার নেই।

    রাস। কে আবার তোমাকে বাড়ি বয়ে অপমান করে গেল? কার কথা তুমি বলছ?

    বিলাস। জগদীশবাবুর সুপুত্র নরেনবাবুর কথাই বলছি বাবা। তিনি একদিন ওঁর ঘরে বসেই আমাকে অপমান করে গিয়েছিলেন। তখন তাকে চিনতুম না তাই—(বিজয়াকে দেখাইয়া) নইলে ওঁকেও অপমান করে যেতে সে বাকী রাখেনি। তোমরা জান সে কথা? (বিজয়ার প্রতি) পূর্ণবাবুর ভাগনে বলে নিজের পরিচয় দিয়ে যে তোমাকে পর্যন্ত সেদিন অপমান করে গিয়েছিল সে কে? তখন যে তাকে ভারী প্রশ্রয় দিলে! সেই নরেন। তখন নিজের যথার্থ পরিচয় দিতে যদি সে পারত—তবেই বলতে পারতুম সে পুরুষমানুষ। ভণ্ড কোথাকার!

    বিজয়া। তিনিই নরেনবাবু! দরোয়ান পাঠিয়ে তাঁকেই বাড়ি থেকে বার করে দিয়েছেন? আমারই নাম করে?
    আমারই দেনার দায়ে?

    [ক্রোধ ও ক্ষোভে সে যেন ছুটিয়া চলিয়া গেল]

    রাস। (হতবুদ্ধিভাবে) এ আবার কি?

    বিলাস। আমি তার কি জানি!

    রাস। যদি জানো না ত অত কথা দম্ভ করে বলতেই বা গেলে কেন? গোড়া থেকে শুনচ জগদীশের ছেলের ওপর ও জোর-জবরদস্তি চায় না, তবুও—

    বিলাস। অত ভণ্ডামি আমি পারিনে। আমি সোজা পথে চলতে ভালবাসি।

    রাস। তাই বেসো। সোজা পথ ও-ই একদিন তোমাকে আশ মিটিয়ে দেখিয়ে দেবে’খন। সোজা পথ! সোজা পথ!

    [বলিতে বলিতে তিনি দ্রুতপদে নিষ্ক্রান্ত হইয়া গেলেন]

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপুস্তকাকারে অপ্রকাশিত (শরৎ)
    Next Article রমা – শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    উপন্যাস বুদ্ধদেব গুহ

    নগ্ন নির্জন – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    উপন্যাস বুদ্ধদেব গুহ

    কোয়েলের কাছে – বুদ্ধদেব গুহ

    May 23, 2025
    চলিত ভাষার শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    দর্পচূর্ণ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    May 6, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    রবার্টসনের রুবি – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    বোম্বাইয়ের বোম্বেটে – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    রয়েল বেঙ্গল রহস্য – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }