Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিদুর – মিহির সেনগুপ্ত

    মিহির সেনগুপ্ত এক পাতা গল্প296 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিদুর – ৩

    ৩

    সংহিতা বিষয়ক এই দীর্ঘ স্মৃতিচারণা এ কারণে যে এতৎসত্ত্বেও সেই অনাকাঙ্খিত মহাপ্লবকে অতিক্রম করা গেল না। দ্বৈপায়নকৃষ্ণ এবং বাসুদেব-কৃষ্ণের অনুজ্ঞায় যে সংহিতা আমি নিরলস প্রচেষ্টায় রচনা করেছিলাম, তার গূঢ় উদ্দেশ্য ছিল, যদি এই সংহিতায় দীক্ষিত রাজন্যবর্গ পরস্পরের প্রতি বিদ্বেষ, ঈর্ষা পরিত্যাগ করে আর্যাবর্তের সমগ্র মানুষের কল্যাণকর্মে ব্রতী হয়। কিন্তু তা হল না। মহাপ্লব সংঘটিত হল। অত্যাচারী এবং অত্যাচারিত উভয়েই ভস্মীভূত হল এক উন্মাদ তাণ্ডবে।

    সংহিতা রচনাকালে জনৈক নারদীয় ঋষি বলেছিলেন-

    ব্যাধিভির্মর্থ্যমানং ত্যাজতাং বিপুলং ধনম্।
    বেদনাং নাপকর্ষন্তিষতমানাশ্চিকিৎসকাঃ।।
    তে চাতি নিপুণা বৈদ্যাঃ কুশলাঃ সম্ভূতৌষধাঃ।
    ব্যাধিভিঃ পরিকৃষ্যন্তে মৃগা ব্যাধৈরিবার্দিতাঃ।।
    কে বা ভূবি চিকিৎসন্তে রোগার্তান্ মৃগপক্ষিণঃ।
    শ্বাপদানি দরিদ্রাংশ্চ প্রয়ো নার্তা ভবন্তি তে।।
    ঘোরানপি দূরাধর্ষান্ নৃপতিনুগ্রতেজসঃ।
    আক্রম্যাদদতে রোগাঃ পশূন্ পশুগণনা ইব।।

    ব্যাধিতে ক্লিষ্ট হয়ে যাদের বিপুল ধন ত্যাগ করতে হয়, বৈদ্যরা যত্ন করেও কি তাদের মনস্তাপ দূর করতে পারেন? অতি কুশলী প্রাজ্ঞ বৈদ্যরাও, যাঁরা ঔষধ সংগ্রহে যত্নশীল, ব্যাধ যেমন মৃগদের নিপীড়ন করে, তেমনি ব্যাধি দ্বারা আক্রান্ত হন। এ ধরাধামে রোগগ্রস্ত মৃগ, পক্ষী, শ্বাপদ আর দরিদ্রদের কে চিকিৎসা করে? এরা প্রায়ই পীড়িত হয় না। পশু যেমন প্রবলতর পশু কর্তৃক আক্রান্ত হয়, অতি দুর্ধর্ষ উগ্রতেজা নৃপতিরাও সেইরূপ রোগের কবলে পড়েন।

    প্রকৃতই, যখন কোনো ব্যক্তি, সমাজ বা জাতি কালরূপ মহারোগের শিকার হয়, তখন কোনো ঔষধেই তার নিরাময় হয় না। সে হিসাবে আমার সংহিতা তো ছার। কৌরব এবং যাদবকুল তথা সমুদায় আর্যাবর্তীয় রাজন্যকুলই যেন মহাকালের মহারোগে আপতিত হয়েছিল। লোভ অসূয়াদি এই মহাকাল রোগেরই উপসর্গ। জ্ঞান এবং প্রজ্ঞারূপ ঔষধেই এর নিরাময় সম্ভব। তাঁরা তা অর্জন করেননি।

    উদ্ধব যখন আমাকে যদুকুল ধ্বংস এবং অচ্যুতের প্রয়াণ বিষয়ে সবিস্তারে বললেন, তখন এভাবেই আমি নিজেকে সান্ত্বনা দেবার চেষ্টা করলাম। কুরুকুল যে ধ্বংস হবে, এ আমার অনুসিদ্ধান্ত ছিলই। কিন্তু অচ্যুত জীবিত থাকতেই সাধারণতন্ত্রী যাদবেরাও পরস্পরের বিদ্বেষী হয়ে ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে এ চিন্তা কদাপি করিনি। এতকাল জেনেছি সবাই এবং সবই কালের অধীন। কিন্তু তার প্রকোপ যে এতই দ্রুত তা তো অনুভব করিনি। এখন এই অনুভবে শীলিত আমার স্মরণে আসে মহাত্মা সনৎ কুমারের উক্তি,

    ন হিংস্যাৎ সর্বভূতানি মৈত্রেয়ণগতশ্চরেৎ।
    নেদং জন্ম সমাসাদ্য বৈরং কুর্বীত কেনোচিৎ।।
    মৃতং বা যদি বা নষ্টং যোঙ্কতীতমনুশোচতি।
    দুঃখেন লভতে দুঃখং স্বাবনর্থৌ প্রপদ্যতে।
    ভৈষজ্যমেতদ দুঃখস্য যদেত দানুচিন্তয়েৎ।
    চিন্ত্যমানং হি ন ব্যেতি ভূয়শ্চাপি প্রবর্ধতে।।

    কিন্তু তবুও কি চিন্তাকে পরিত্যাগ করা যায়? তবুও কি অতীতকে ভোলা যায়? হস্তিনাপুর আমার তাবৎ লীলার ক্ষেত্র। হস্তিনাপুর এবং দ্বারকা এই দুই নগরীর ধ্বংস, কুরু এবং যাদবকুল, এদের নিধন, শুধু কি তত্ত্ব শ্লোকের গাম্ভীর্যে মুছে ফেলা সম্ভব? উদ্ধব জানালেন, হে প্রিয় বিদুর, অচ্যুত প্রয়াণ করার পূর্বে আমাকে বলে গেছেন, উদ্ধব, তুমি এখন প্রব্রজ্যা নাও, তীর্থে যাও। পরিভ্রমণ করো। হিমালয়ের ঊর্ধ্বে বদরিকাশ্রম একটি সুরম্য স্থান। সেখানে গিয়ে আত্মস্থ হও এবং শান্তি লাভ করো। সব ক্ষয়, ক্ষতি গ্রহণ করো। কেননা, কালই গড়ে, কালই ক্ষয় করে। মানুষ কালের সৃজন গ্রহণ করে থাকে, বিনাশকেও তার গ্রহণ করতেই হবে। তাকে তো বর্জন করা সম্ভব নয়।

    এমত বলেছেন অচ্যুত। আরও বলেছেন তিনি, সম্ভবমতো, প্রকৃতিপুঞ্জের কাছে আমার মর্মগত ইচ্ছা এবং উপদেশ বিবৃত কোরো। আমার অবর্তমানে, লোকহিতৈষণার কর্ম তুমিই কোরো। তীর্থের কোনো প্রান্তে যদি ব্যথিত চিত্ত, অভিমানী, মহাভাগ বিদুরের সাক্ষাৎ পাও, তাঁকে বোলো, তিনি যেন অতঃপর মহাত্মা মৈত্রেয়র উপদেশ মতো চলেন। এইকথা জানিয়ে উদ্ধব বদরিকার উদ্দেশ্যে চলে গেলেন। আমিও মহর্ষি মৈত্রেয়ের সন্ধানে একের পর এক তীর্থ অতিক্রম করে, হরিদ্বারে এসে তাঁর দর্শন পেলাম।

    প্রভাসের যমুনাতীর থেকে পদব্রজে নানান স্থান ও তীর্থপদ ভ্রমণ করে হরিদ্বারে এসে জানলাম অগাধ জ্ঞান-সমুদ্র মহামুনি মৈত্রেয় এখানে সশিষ্য অবস্থান করছেন। আমি সশ্রদ্ধ প্রণতি সহকারে তাঁর পাদবন্দনা করে বললাম, মহাত্মন্, আমি বিদুর। আমি একদা কুরুবংশের মহামন্ত্রী ছিলাম। শুনলাম, সেই মহাবংশ অধুনা ধ্বংসপ্রাপ্ত। ভ্রাতৃকলহের ভীষণ অনলে কৌরবেরা সব ভস্মীভূত হয়েছেন। যাদবগণও একই প্রকার ভ্রাতৃবৈরিতায় নিঃশেষিত। অচ্যুতকৃষ্ণ তাঁর নশ্বর দেহ পরিত্যাগ করেছেন। মহাকাল-তনয়া জরা তাঁর অলৌকিকপ্রায় ব্যক্তিত্বকেও অব্যাহতি দেয়নি। এখন শুধুমাত্র পাণ্ডবগণ জীবিত আছে, আর আমার অগ্রজ মহারাজ ধৃতরাষ্ট্র, তৎপত্নী গান্ধারী এবং পাণ্ডব-জননী কুন্তী শোক, জরা আর নৈরাশ্য অবলম্বন করে হস্তিনাপুরে আছেন। ভগবন, যুদ্ধ আরম্ভ হবার প্রাক্কালে, যুদ্ধরোধে বিফলমনোরথ আমি, সাতিশয় গ্লানি এবং অভিমান নিয়ে রাজধানী পরিত্যাগ করে প্রব্রজ্যা নিয়েছিলাম। এক্ষণে আপনার চরণসমীপে এসে উপস্থিত হয়েছি। আমি মহাত্মা দ্বৈপায়নপুত্র, তাঁর নিকট শিক্ষাপ্রাপ্ত। বর্তমানে জ্ঞানতৃষ্ণা ছাড়া আমার অন্য কোনোরূপ তৃষ্ণা বা আসক্তি নেই। আপনি সর্বশাস্ত্রবিৎ, বহুদ্রষ্টা। আপনি আমাকে জ্ঞানবিষয়ে উপদেশ করুন।

    আমি একথা বললে, মৈত্রেয় স্মিত হাস্যে আমাকে জানালেন যে, তিনিও জ্ঞানমার্গী এবং আমার পরিচয়, কীর্তি তথা আমার বর্তমান প্রব্রজ্যা বিষয়ে তিনি সম্যক অবহিত। তিনি প্রথমে সৃষ্টি সম্পর্কে পুরুষ-প্রকৃতি বিষয়ক সাংখ্য-তত্ত্ব উপদেশ করলেন। আমি দ্বৈপায়নের নিকট সাংখ্যসূত্রের মূল তত্ত্ব জেনেছিলাম। এক্ষণে কুশারু পুত্র মৈত্রেয় তা সবিস্তারে ব্যাখ্যা করলেন। কিন্তু দীর্ঘকাল বৌদ্ধিক চর্চায় অতিবাহিত আমার নাগরিক চেতনায় মৈত্রেয়র ভক্তিবাদী তত্ত্বার্থ কোনো উৎসাহের সঞ্চার করল না। আমি প্রশ্নের পর প্রশ্নে তাঁকে উদ্ব্যস্ত করে তুলতে তিনি বললেন, বিদুর আমি ভেবেছিলাম, স্বজন শোকসন্তপ্ত হয়ে আপনি, যে জ্ঞান ভক্তিমার্গে বিলীন হয়েছে, সেই পথকে অবলম্বন করতেই যত্নশীল হবেন। সাংখ্যোক্ত সেই বিরাট পুরুষের প্রতি নিজের অহংকারসমূহ অঞ্জলি দিয়ে শুধুমাত্র ভক্তিরসে প্লুত হয়ে বাকি দিনগুলো অতিবাহিত করবেন। কিন্তু অনুমান হচ্ছে, আপনার অন্তরে এখনও কিছু আকাঙ্খা বর্তমান। আপনি অবশ্যই জ্ঞানী। কিন্তু সেই জ্ঞান আপনাকে বৈরাগ্য দিতে পারেনি। মৈত্রেয়র কথার প্রত্যুত্তরে বিনীতভাবে জানালাম, ভগবন, বৈরাগ্য তো আমি এখনও যাচ্ঞা করি না। আমি সর্বস্বান্ত, স্বজন-বন্ধুহারা বটে, তবু যে জ্ঞান কাঙ্খা করি তা লোকহিতৈষণায় প্রয়োগের নিমিত্তই করি। সাংখ্যোক্ত বিরাট পুরুষের প্রতি আমার কৌতূহল আছে, তাঁর স্বরূপও আমি জানতে বাঞ্ছা করি, কিন্তু এই মুহূর্তে তার থেকেও বেশি আকাঙ্খিত হচ্ছে সেই জ্ঞান, যা লোকহিতৈষণায় আমি প্রয়োগ করতে পারি।

    আমার স্পষ্ট বক্তব্যে প্রীত হয়ে ঋষি লোকহিতৈষণা বিষয়ে আমাকে প্রভূত উপদেশ প্রদান করলেন। মৈত্রেয়র পারমার্থিক তত্ত্বাদির প্রতি যদ্যপি আমার বিশেষ কোনো আকর্ষণ ছিল না। তবু, তাঁর সাংখ্যতত্ত্বের ভাষ্যে যে বিরাটত্বের এক ধারণা আমার অন্তরে প্রবেশ করল, তার সাহায্যে আমার সমস্ত শোক, স্বজন-হারানোর সন্তাপ এবং বিপুল নৈরাশ্যকে আমি যেন অনেকটাই প্রশমিত করতে পারলাম। উদ্ধবের নিকট সেই মহাবিনাশের সংবাদ পাবার পর থেকে যে বেপথুর সৃষ্টি হয়েছিল, আজ যেন তার অনেকটা ভারই লাঘব হল। আমি জন্ম এবং কর্ম সূত্রে নিতান্তই বিষয়ী লোক। রাজনীতি আমার পেশা। মানুষ নিয়ে আমার যাবতীয় কর্মকাণ্ড। মানুষের সবকিছু নিয়েই আমার জ্ঞান এবং কর্ম প্রবাহিত হয়েছে এতকাল। আজ স্বজনবিয়োগের সন্তাপে কাতর হয়ে যে বেপথু প্রাপ্ত হয়েছি, তার নিরসনকল্পে বৈরাগ্য বা উদাসীনতা চাই না। আমার শরীর এখনও সক্ষম। মন সজীব। যতদিন যাচ্ছে, স্বজন-বান্ধব বিয়োগের সন্তাপ ক্রমশ ক্ষীণ হচ্ছে। কালই যেমন সব কিছুর সংহারক, কালই সেই সংহারজনিত বিয়োগ ব্যথার প্রশমক। মৈত্রেয় এই কাল সম্পর্কে গূঢ় সব তত্ত্ব আলোচনা করলে, সে বিষয়ে আমার সন্ধিৎসা তীব্র হল। আমি জানতে চাইলাম, হে ব্রহ্মণ, আপনি বলেছেন যে বহুরূপ অদ্ভুতকর্মা হরির কাল নামে এক রূপ আছে, তার কল্পনা কেমন? তার স্থূল বা সূক্ষ্মরূপ বর্ণনা করুন।

    মৈত্রেয় বললেন, কালের আকার মহৎ ইত্যাদির পরিণামের দ্বারা স্থির হয়। কাল নির্বিশেষ, মূর্তিরহিত এবং আদি-অন্তহীন। হরি এই কালকে নিমিত্ত হিসেবে অবলম্বন করে লীলা দ্বারা নিজেকে বিশ্বরূপে সৃজন করে থাকেন। আমি জানতে চাইলাম-ভগবন, লীলাদ্বারা বিশ্বরূপ নিজেকে সৃজন করলে, সৃজনের পূর্বে লীলাকারের কি এক কায়িক সত্তার প্রয়োজন হয় না? বিশ্ব সৃজনের আগে কায়িক সত্তার অবস্থান বা অবয়ব কেমন? লীলার উপাদানই বা কী আর লীলাই বা কী নিয়ে? যাঁর লীলা, তিনি সৃজনের পূর্বে কি কালে স্থিত না অ-কালে? কালের সৃজন কে করেছেন? যদি স্বয়ং লীলাকারই কালকে সৃজন করে থাকেন, তবে তাকে নিমিত্ত হিসেবে অবলম্বনের হেতু কী? কাল যদি নির্বিশেষ হয়, তবে তাকে নিমিত্তরূপে অবলম্বনকারী সেই লীলাকার কি বিশেষ? তিনি যদি বিশেষ হন তবে তাঁর স্বরূপ কী?

    এইসব প্রশ্নের উত্তরে মৈত্রেয় যেসব কথা বললেন, আমি বৌদ্ধিকভাবে সেইসব বক্তব্যের সঙ্গে একমত হতে পারলাম না। তিনি দেহ বা চৈতন্য নিয়ে নানা তত্ত্বের অবতারণা করলেন। তাঁর বক্তব্য এতই উপমা দ্বারা বিধৃত যে সেই কুয়াশা সরিয়ে প্রকৃত তত্ত্বে বা বিষয়ে পৌঁছোনো বড়োই কষ্টকর।

    যদিও অচ্যুত উদ্ধবের কাছে মৈত্রেয়র প্রাজ্ঞতা বিষয়ে উত্তম প্রস্তাবই করে গেছেন, আমি কিন্তু সব বিষয়ে তাঁর মতকে গ্রহণ করতে পারছি না। অবশ্য এর কারণ বৌদ্ধিক চর্চার ভিন্নতাও হতে পারে। মৈত্রেয় যে তত্ত্বাশ্রয়ী, আমি সে তত্ত্ব নিয়ে কদাপি ভাবিত ছিলাম না। তাই মৈত্রেয়র তত্ত্ব এখনও আমার কাছে গ্রাহ্য হতে পারছে না। সে কারণে তাঁর কাছে অন্য ভাবে কিছু প্রশ্ন উত্থাপন করলাম। কালতত্ত্বই অবশ্য আমার বিষয়। কালতত্ত্ব নিরূপণে আমার আগ্রহ চিরকালের।

    আমি প্রশ্ন করলাম, ভগবন, আপনার নিকট জ্ঞাত হলাম যে ক্ষিতি প্রভৃতি উৎপন্ন বস্তুর নাম কার্য। ওই কার্যের চরম অংশকে, অর্থাৎ যাকে আর বিভাগ করা যায় না, বা যা কার্যাবস্থা প্রাপ্ত হয়নি, কিংবা অন্যের সঙ্গে মিলিতও হয়নি, যা কার্যাবস্থা বা মিলনাবস্থা ব্যতিরেকেও বিদ্যমান থাকে, তাকে আপনি পরমাণু আখ্যা দিয়েছেন। আপনি বলেছেন, এই পরমাণুর অস্তিত্ব অনুমানসিদ্ধ, তা কখনো দৃষ্টিগোচর নয়। একটি বস্তু বহু পরমাণুর সমষ্টিরূপে গঠিত হলেও তাকে একটি একক বলেই মানুষ ভ্রম করে থাকে। পরমাণুর অস্তিত্বের এটাই প্রমাণ বলে আপনি মনে করেন। পরমাণু সম্পর্কে আপনি আরও যা যা বললেন-অর্থাৎ আপনি যাকে পরম মহান এবং পরম মহৎ পরিমাণ ইত্যাদি আখ্যা দিলেন, বস্তু সম্পর্কে সেই চূড়ান্ত সূক্ষ্ম ও স্থূল জ্ঞান আমি লাভ করলাম। এখন আমার জ্ঞাতব্য, কালও এইরূপ সূক্ষ্ম ও স্থূল রূপে অনুমিত হয় কিনা। এ বিষয়ে যদি বিশদ করে কিছু জানান তাহলে কৃতার্থ হই।

    মৈত্রেয় বললেন, বিদুর, আপনার প্রশ্ন আপনারই সঙ্গত বটে। কাল, পরম পুরুষের শক্তি বিশেষ। কাল পরমাণু প্রভৃতি অবস্থা ভোগ দ্বারা ব্যক্ত পদার্থে ব্যাপ্ত হয়ে অবস্থান করেন। সূর্য যে পরিমাণ সময়ে পরমাণু পরিমিত দেশ অতিক্রম করেন তাকে পরমাণুকাল বলে, আর যে সময়ে পরমাণু সমষ্টিরূপ ভুবনকোষ অতিক্রম করেন তাকে পরমমহান কাল বলে। দুটি পরমাণু দ্ব্যণুক এবং তিনটির সম্মিলনকে ত্রসরেণু বলা হয়। যে কাল তিনটি ত্রসরেণু ভোগ করে তাকে ত্রুটি বলে। শত ত্রুটিতে এক বেধ, তিন বেধে এক লব, তিন লবে এক নিমেষ ও তিন নিমেষে এক ক্ষণ হয়ে থাকে। এভাবে পাঁচ ক্ষণে এক কাষ্ঠা, পঞ্চদশ কাষ্ঠায় এক লঘু, পঞ্চদশ লঘুতে এক জাড়িকা অর্থাৎ দণ্ড, দুই দণ্ডে এক মুহূর্ত এবং ছয় বা সাত দণ্ডে এক যাম গণনা করা হয়। এভাবেই ক্রমশ প্রহর দিবামান, রাত্রিমান, পক্ষ, মাস, বৎসর, ঋতু ইত্যাদি গণিত হয়ে থাকে।

    মহাত্মা মৈত্রেয় এইভাবে নানান তত্ত্ব ও কাহিনি বর্ণনদ্বারা আমার চিত্তকে প্রভূত প্রশান্তি দান করলেন। কিছুদিন হরিদ্বারে তাঁর সাহচর্য লাভ করে স্থির করলাম, হস্তিনাপুরে প্রত্যাবর্তন করব। মৈত্রেয় বললেন, বিদুর, আমি পূর্বেও বলেছি, আপনার এখনও বানপ্রস্থ অবলম্বনের সময় হয়নি। আপনার পক্ষে হস্তিনাপুরে প্রত্যাবর্তনই উত্তম। হয়তো আপনাকে লাভ করে, সন্তপ্ত রাজা ধৃতরাষ্ট্র, গান্ধারী এবং কুন্তী তথা সাম্রাজ্য লাভ করেও যাঁরা দুঃখী, সেই পাণ্ডবেরা কথঞ্চিৎ সান্ত্বনা লাভ করবেন! মৈত্রেয়র নিকট স্বজনদের নাম শ্রবণে আমার মন অত্যন্ত চঞ্চল হল। হায় কী সন্তাপ! আমি একের অন্যায়ে সবাইকে পরিত্যাগ করে এই সুদীর্ঘ কাল কিনা প্রব্রজ্যায় কাটিয়েছি। যে দুঃখের দিনে নিকটে থাকে না সে কি স্বজন? আমার মনে হল, আমি অত্যন্ত গর্হিত কাজ করেছি। এইরূপ গ্লানিতে দগ্ধ হয়ে, আমি হস্তিনাপুর যাত্রা করলাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমহাদেবী – অভীক সরকার
    Next Article দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    Related Articles

    মিহির সেনগুপ্ত

    বিষাদবৃক্ষ – মিহির সেনগুপ্ত

    November 12, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }