Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিদুর – মিহির সেনগুপ্ত

    মিহির সেনগুপ্ত এক পাতা গল্প296 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিদুর – ৫

    ৫

    আর দু-প্রহর রাস্তা অতিক্রম করলে, আমরা কুরুক্ষেত্রে পৌঁছোব। সেই কুরুক্ষেত্র, মহারাজ কুরু যে ভূমি আবাদ করেছিলেন। যিনি এই বংশের নামপুরুষ। তাঁর পূর্বে এই বংশের নাম ছিল পৌরব বংশ। মহারাজ পুরু ছিলেন নহুষাত্মজ যযাতির কনিষ্ঠ পুত্র। যযাতি অধিক মাত্রায় কামাচারী ছিলেন এবং তিনি সম্ভবত পুরুর দয়িতার প্রতি কামপরায়ণ হয়ে তাঁকে বলেছিলেন, পুত্র আমার সম্ভোগবাসনা এখনও চরিতার্থ হয়নি। আমি এখন প্রৌঢ়াবস্থা প্রাপ্ত। স্বাভাবিকভাবে কোনো যুবতী আমাতে আকৃষ্ট হবে না। আমি তোমার দয়িতা শর্মিষ্ঠাকে যাচ্ঞা করি। প্রতিদানে যদু, দ্রুহু, অনু ইত্যাদি পুত্রদের অতিক্রম করে, আমি তোমাকে রাজপদ প্রদান করব। তারা কেউই তাদের দয়িতাদের প্রদানে আগ্রহী নয়। বৎস আমি হয়তো আর দশ বৎসর সকাম জীবনে সক্ষম থাকব। তুমি কি শর্মিষ্ঠাকে আমার অঙ্কশায়িনী করবে? পরিণামদর্শী পুরু তাই স্ব-যৌবনভোগ পিতাকে অর্পণ করেছিলেন। ফলত তিনিই পরবর্তীকালে রাজ্য লাভ করলেন এবং তাঁর বংশ পুরুবংশ বা পৌরব নামধেয় হল। কুরু বংশীয় প্রাককথার কিংবদন্তি শুনে আমার এরকমই এক বাস্তব ছবি মনে হয়েছে। একারণেই এবং রাজাবরোধের খবর যেহেতু প্রকৃতিপুঞ্জ কমই রাখে, তাই একসময় কিংবদন্তি সৃষ্ট হল যে পুরু তাঁর পিতার জরা গ্রহণ করে, তাঁকে তাঁর যৌবন প্রদান করেছেন এবং তিনি জ্যেষ্ঠদের অতিক্রম করে পিতৃরাজ্য লাভ করেছেন। আরও সব কাহিনি এর অনুষঙ্গ হিসেবে রচিত হল। যেমন দৈত্যগুরু শুক্রাচার্যের অভিশাপেই নাকি যযাতি অকালবার্ধক্য প্রাপ্ত হয়েছিলেন। প্রকৃত বিষয় হচ্ছে এই দেবযানীকে বিবাহ করার সময়ই যযাতি প্রৌঢ় ছিলেন। দেবযানীও নিতান্ত নাবালিকা ছিলেন না। শর্মিষ্ঠা কোনোদিনই যযাতির প্রতি অনুরক্ত হননি, বা তাঁর গর্ভে যযাতির কোনো পুত্র জন্মায়নি। শর্মিষ্ঠা বস্তুত পুরুর প্রতিই আকৃষ্টা ছিলেন। কুরুবংশীয় প্রাচীনদের কাহিনি শুনে আমার এরকমই মনে হয়েছে। পিতা বাদরায়ণিও বলেছেন যে যযাতি, দেবযানী, শর্মিষ্ঠার ত্রিকোণাত্মক প্রণয়, পুরুর জরা গ্রহণ এবং যযাতির যৌবনাবস্থা প্রাপ্তি ইত্যাদি কাহিনিসমূহ বড়োই অনৈসর্গিক। আমি যে ব্যাখ্যা বিবৃত করলাম, তা আমার অনুমিত সিদ্ধান্ত। প্রকৃত সত্য যে কী তা জানার কোনো উপায় নেই।

    এখন সূর্য অস্তাচলগামী। সার্থবাহদের সকলেই এই কুরুক্ষেত্রের প্রান্তরে তাদের নৈশ বিশ্রামশিবির লাঞ্ছিত করতে ব্যস্ত। এখানে কোনো গ্রাম বা জনপদ নেই। কিন্তু সন্ধ্যা নেমে এসেছে। তাই আর পথচলা সম্ভব নয়। শস্ত্রধারী রক্ষীরা দল উপদলে বিভক্ত হয়ে প্রহরায় রত হলে, আমরা সকলেই বিশ্রম্ভালাপে মগ্ন হলাম। নিকটেই সমস্তপঞ্চক হ্রদ। সেই হ্রদ থেকে হাহাকারের মতো হাওয়া এসে আমাকে যেন এক বিষণ্ণ মগ্নচৈতন্যে প্রোথিত করে। আমি যেন এই মহাসমরের অব্যবহিত পরবর্তী তাবৎ দৃশ্য প্রত্যক্ষ করতে থাকি।

    যে সার্থবাহটি আমায় বিবিধ খবরাখবর জানাচ্ছেন, তাঁর নাম যজ্ঞদত্ত। যজ্ঞদত্ত অহিছত্রের মানুষ। ভারত যুদ্ধের সময় তিনি কুরু পাণ্ডব উভয়পক্ষকেই খাদ্যাদি সরবরাহ করতেন। সে কারণে, ওই সময়কার নানাবিধ সংবাদ তাঁর জানা। যজ্ঞদত্ত বলছিলেন, ভদ্র, অন্ধরাজা ধৃতরাষ্ট্রকে অনেকেই দোষারোপ করে থাকেন এই বিপুল লোকক্ষয়ের জন্য। তাঁরা বলেন, তিনি যথাকালে দুর্যোধনকে পরিত্যাগ করে পাণ্ডবদের প্রাপ্য অধিকার দিলে, এই মহাপ্লব সংঘটিত হত না। কিন্তু আমার মনে হয় তাঁরা ভুল বলেন। যজ্ঞদত্তের কথায় মনে হল, তাঁর এ বিষয়ে কিছু ভিন্ন বিচার আছে। সে বিচার জানতে আগ্রহী হলেও আমি তাঁকে ধৃতরাষ্ট্র বা কুরুকুল সম্পর্কে বিশেষ কিছু আলোচনা করতে দিতে চাই না। এই মহাপ্লব সম্পর্কে বাইরের থেকে যতটুকু জানা বা বোঝা যায় তাই সব নয়। তাছাড়া এসব আলোচনা সাধারণ্যে হওয়ার কিছু বিপদও অবশ্য আছে। ধৃতরাষ্ট্রকে আমি যতটা জানি বা বুঝি, অন্য কারওর পক্ষেই ততটা জানা বা বোঝা সম্ভব নয়। রাজা ধৃতরাষ্ট্র পুত্রস্নেহে নিতান্তই একদেশদর্শী ছিলেন এবং তাঁরও রাজ্যকামুকতা কিছুমাত্র কম ছিল না। আমার মন্ত্রিত্বের সময় থেকেই আমি তাঁকে পরামর্শ দিয়ে এসেছি তিনি যেন দুর্যোধনকে পরিত্যাগ করেন। দুর্যোধন আমার অগ্রজের জ্যেষ্ঠ পুত্র। সে গান্ধারীর গর্ভজাত। গান্ধারীর গর্ভে তিনটি সন্তানের জন্ম হয়-দুর্যোধন, দুঃশাসন এবং দুঃশলা। বাকি সন্তানেরা গান্ধারীর গর্ভজাত নয়। ধৃতরাষ্ট্র যেমন, অন্ধত্ব হেতু রাজপদ লাভ করেননি, তাঁকে সন্তুষ্ট রাখার জন্য, এর পরিবর্তে নানান উপঢৌকনে তাকে সন্তুষ্ট রাখার প্রয়োজন ছিল। সে কারণে প্রধান যে উপকরণ তাঁকে প্রদান করা হল, তা হল বিপুল সংখ্যক সুদৃশ্যা, সুগায়িকা পত্নী এবং দাসী। ধৃতরাষ্ট্র বহুকাল এই অপরিমেয় পত্নী এবং দাসীদের নিয়ে সন্তুষ্ট ছিলেন। এদের গর্ভে অগ্রজ বহু পুত্রের জন্ম দিয়েছিলেন। প্রকৃতিপুঞ্জ জানত, গান্ধারীই এই সমুদায় পুত্রের, যাদের সংখ্যা শত অতিক্রম করেছে, জননী। কিন্তু বস্তুত তা নয়। গান্ধারতনয়া প্রধানা মহিষী ছিলেন বলে, দুর্যোধন, দুঃশাসন বিষয়ে এত প্রাধান্য।

    এই মহিষী যে ধৃতরাষ্ট্রকে সর্বদা সেবা করার সুযোগ পেতেন তা নয়। গান্ধারীর একটি বৈশ্যা দাসী ছিল। সে ছিল তাঁর সর্বক্ষণের সহচরী। অগ্রজ অবরোধে প্রবেশ করলে, তাঁকে নির্দিষ্ট স্থানে হাত ধরে পৌঁছোনোর প্রয়োজন হত। এ কাজটি বরাবর সাধারণত গান্ধারীই করতেন। অন্তর্বর্তী থাকাকালে এই দায়িত্বটা তিনি ন্যস্ত করতেন তাঁর প্রিয় সহচরী এক বৈশ্যার উপর। সেই বৈশ্যা শুধু যে অন্ধরাজাকে হস্তধারণ করে গান্ধারী সকাশে নিয়ে যেত তাই নয়। পতিসেবার্থ গান্ধারী যে যে কর্ম করতেন, তার উপর সেই সমুদায় কর্মভারই অর্পিত হয়েছিল। সেই বৈশ্যার বয়ঃক্রম তখন বিংশ অতিক্রান্ত। এই সব ক্ষেত্রে যেমন হয় তার বিবাহাদির কোনো প্রশ্নই ছিল না। রাজাবরোধে সৈরিন্ধ্রী প্রভৃতিদের ঋতুরক্ষা সাধারণত রাজকুলান্তর্গত পুরুষপ্রবরদেরই অধিকার ছিল। ফলস্বরূপ সূতদের জন্ম হত। আমার জন্ম যে সেভাবেই হয়েছিল, তা পূর্বেই বলেছি।

    বৈশ্যা জানত, তার কোনোদিনই বিবাহাদি হবার নয়। হস্তিনাপুর প্রাসাদে মধুলোভী পুরুষের অভাব ছিল না। বৈশ্যা আমার শূদ্রা মাতার ইতিহাস জানত। তার রুচি নিম্নগামী ছিল না। এ দেহকে যদি ভোগের সামগ্রী করতেই হয়, তবে শ্রেষ্ঠ রাজপুরুষটিই কেন সেই ব্যক্তি হবে না, অন্তত সেক্ষেত্রে সন্তান হলে যখন তার সূতবৃত্তি অবলম্বন করার অধিকারটা থাকবে, বৈশ্যা এমত ভেবেছিল। তাছাড়া ধৃতরাষ্ট্র শুধুমাত্র অন্ধই ছিলেন, দর্শনধারী হিসেবে তাঁর শালপ্রাংশুভুজ কদলীকাণ্ডের ন্যায় উরুস্থল, কবাটবক্ষ আর অপূর্ব সুন্দর কুঞ্চিত কেশ ও শ্মশ্রুগুম্ফ ইত্যাদি নয়নাভিরামই শুধু নয়, যেকোনো যুবতীকে অনঙ্গ পীড়িতা করার জন্যও অব্যর্থ ছিল।

    প্রাকৃতিক নির্বন্ধে গান্ধারীর প্রথম গর্ভধারণ খুবই দীর্ঘস্থায়ী হয়েছিল। বৈশ্যার মন এই সময় খুব স্বাভাবিক কারণে মহারাজের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিল। নিরন্তর সান্নিধ্য অবশ্যই এ জন্য দায়ী ছিল। তাই একদা মহারাজকে হস্তধারণ করে গান্ধারীর কক্ষে আনয়ন কালে সে পথ পরিবর্তন করে। রাজা অনুভবে তা বুঝতে পেরে জানতে চেয়েছিলেন, সৈরিন্ধ্রী এ পথ তো গান্ধারীর কক্ষে যাবার পথ নয়। তুমি আমায় কোথায় নিয়ে যাচ্ছ? বৈশ্যা বলেছিল, মহারাজ দেবী কুশলেই আছেন, আপনার চিন্তিত হবার কারণ নেই। আপনি আজ দাসীর কুটিরে খানিক বিশ্রাম করুন। ধৃতরাষ্ট্র বলেছিলেন, সুভগে আতপতপ্ত কায়াকে ছায়া প্রদান পরম ধর্ম। কিন্তু সেই কায়া যদি ছায়াকে অধিকার করে তবে ছায়া কি তাকে যথার্থ অনুগৃহীত করবে? বৈশ্যা বলেছিল, মহারাজ এ ছায়া সর্বদাই কায়ার অনুসারী। রাজ্ঞী গান্ধারী এখন প্রসূতিকাগৃহে আপনার প্রথম সন্তানের আবির্ভাবের জন্য অপেক্ষমাণা। সেখানে আপনার গমনের অধিকার নেই। আপনি আজ এই দাসীর কুটিরে আতিথ্য গ্রহণ করুন। আমি আপনার ভোজনের আয়োজন করছি। আর্যা, গান্ধারীর এ বিষয়ে সুস্পষ্ট স্বীকৃতি আছে জানবেন।

    তারপর পরম প্রযত্নে বৈশ্যা সেই কন্দর্পকান্তি পুরুষকে স্নান শৌচাদি দ্বারা স্নিগ্ধ করলে। নানা গন্ধ দ্রব্য, ধূপ, অগুরু, চন্দনাদির সংস্কারে গৃহ আমোদিত করে, নানাবিধ স্বাদু পক্ব এবং অপক্ব খাদ্য মিষ্টান্ন মদ্যাদির দ্বারা তাঁকে পরিতৃপ্ত করল। এইভাবে সৎকৃত হলে রাজা তাকে বললেন, ভামিনি, আমি তোমার সৎকারে নিবিড় আনন্দলাভ করেছি। তুমি যদি আমার নিকট কিছু যাচ্ঞা কর আমি সাগ্রহে তা তোমাকে প্রদান করব। বৈশ্যা বলেছিল, মহারাজ, আপনার তৃপ্তিই আমার পুরস্কার। তবে আপনার মহিষীরা প্রায় সকলেই এখন অন্তর্বর্তী। আপনি যদি অনুকম্পা করেন, তবে প্রার্থনা এই যে আপনি আমার বর্তমান ঋতুরক্ষা করুন। আমি একটি সন্তানলাভে মানসী। আমি বর্তমানে বিংশোত্তীর্ণা, কিন্তু অদ্যাবধি কোনো উপযুক্ত ষণ্ডপুরুষ প্রত্যক্ষ করিনি-যে আমাকে উপযুক্ত অপত্য প্রদান করতে সমর্থ। মহারাজ, আপনার মহিষীরা আপনাকে যেমনই বিচার করুন, আমি আপনার প্রতি তদগতপ্রাণা। আমি আপনার রমণপ্রত্যাশী।

    বৈশ্যা একথা বললে, ধৃতরাষ্ট্র অতি হৃষ্টমনে তার সঙ্গে বিবিধ প্রকারে রমণ করলেন, বৈশ্যা যথাকালে একটি অপত্য লাভ করল। সেই পুত্রেরই নাম যুযুৎসু।

    অগ্রজের রাজ্যকামুকতা বিষয়ে আলোচনা করতে গিয়ে যে এত সব কাহিনি বলতে হল তার কারণ হচ্ছে এই যে তিনি শুধু সিংহাসনেই বসতে পারেননি। নচেৎ একজন রাজা যা কিছু প্রত্যাশা করতে পারেন, তার সবই তিনি প্রভূত ভোগ করেছেন। তবু তাঁর রাজ-ক্ষমতার প্রতি লোভ এবং আকাঙ্খা কোনোদিনই যায়নি।

    অগ্রজের একশত পুত্র এবং দুঃশলা নাম্নী এক কন্যাও ছিল। কিন্তু তাঁর জ্যেষ্ঠপুত্র দুর্যোধনই তাঁর প্রিয়তম। তিনি অন্ধত্বের জন্য সিংহাসন বঞ্চিত হয়েছেন, তাই তাঁর আকাঙ্খা ছিল, দুর্যোধন নিরঙ্কুশ ক্ষমতা ভোগ করুন। এ কারণে, দুর্যোধনের কোনো ত্রুটিই তিনি দেখতে পেতেন না। স্নেহ তাঁকে যেন মানসিকভাবেও অন্ধ করে রেখেছিল।

    গান্ধারী আমাকে অত্যন্ত প্রীতির ভাবে দেখতেন। আমার ধীর, স্থির, নম্র স্বভাব, সংকটকালে আমার যুক্তিগ্রাহ্য পরামর্শাদি তাঁর রুচিসম্মত ছিল। তিনি প্রায়শই আমাকে বলতেন, ক্ষত্তা, দুর্যোধন দুঃশাসন পাণ্ডবদের বিষয়ে অত্যন্ত অসহিষ্ণু। সেকারণে, যাঁরা তাদের মঙ্গলাকাঙ্খী তাঁদের প্রতি তারা শ্রদ্ধাশীল নয়। আমি জানি, আপনিও তাঁদের দুর্বিনীত আচরণে ক্ষুব্ধ এবং বিরক্ত। তথাপি আমার অনুরোধ, আমার এই জীবনযাপনের দুর্দৈবের বিষয় চিন্তা করে আপনি যেন তাদের প্রতি সদয় থাকেন, তাদের হিতার্থে উপযুক্ত মন্ত্রণাদি প্রদান করেন, এই কামনা। গান্ধারতনয়ার আন্তরিক দুঃখের বিষয় আমার অজ্ঞাত ছিল না। কিন্তু সেকথা প্রসঙ্গান্তরে আলোচনা করব। শুধু এইটুকুই বলি, তিনি যদি কুন্তীর ন্যায় স্বতন্ত্রা প্রকৃতির হতেন তবে বৈশ্যাকে অগ্রজের নিকট প্রেরণ করে, স্বয়ং আমার দ্বারা পুত্রলাভে কাঙ্খিণী হতেন। যুধিষ্ঠিরকে আমার স্বভাব প্রযুক্ত দেখে তিনি তার পিতৃবিষয়ে কিছু অনুমান অবশ্য করে থাকবেন। কিন্তু তিনি গান্ধার কন্যা এবং প্রকৃত আর্যবর্ণীয়া। এই সময় প্রকৃত আর্যবর্ণীয়রা তাঁদের একদার স্বতন্ত্র সংস্কৃতির সত্তা প্রায় পরিত্যাগ করে একপতি পরতন্ত্রতার সংস্কৃতি অবলম্বন করেছিলেন। প্রাচীন সংস্কৃতিগত ধারণা যেমন স্ত্রী গবী ইত্যাদিরা স্বাধীনা, স্বতন্ত্রা, এই মূল্যবোধ ক্রমশ তখন আর্য সমাজে পরিবর্তিত হচ্ছিল। কিন্তু মিশ্রবর্ণ বা অনার্য সমাজে তখনও এ প্রথা প্রচলিত।

    গান্ধারী আমার বা যুধিষ্ঠিরের অনুরূপ একটি পুত্রলাভে ইচ্ছুক ছিলেন। কিন্তু এসব অভ্যন্তরীণ তথ্য তো যজ্ঞদত্তকে বলার নয়, তাই ধৃতরাষ্ট্র সম্পর্কীয় আলোচনায় আমি আর অধিক হলাম না। পরন্তু যজ্ঞদত্তের কাছ থেকে তাঁদের বর্তমান অবস্থার কথা এবং যুদ্ধশেষের ঘটনাবলি সম্পর্কে সংবাদাদি শ্রবণে ব্রতী হলাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমহাদেবী – অভীক সরকার
    Next Article দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    Related Articles

    মিহির সেনগুপ্ত

    বিষাদবৃক্ষ – মিহির সেনগুপ্ত

    November 12, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }