Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিদ্রোহী ডিরোজিও – বিনয় ঘোষ

    বিনয় ঘোষ এক পাতা গল্প166 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    চিন্তাবিপ্লব

    চিঠির তারিখ ২৫ এপ্রিল, ১৮৩১, আর ডিরোজিওর মৃত্যুর দিন ২৩ ডিসেম্বর, ১৮৩১। মাত্র আট মাসের ব্যবধান।

    উইলসনকে ডিরোজিও লিখেছিলেন, শিক্ষকের কাজই যে ভবিষ্যতে করব, তার কোন নিশ্চয়তা নেই। বিচিত্র কর্মস্রোতে ভাসতে ভাসতে জীবনতরি কোথায় কোন অজানা বন্দরে ভিড়বে তা—ও তিনি জানেন না। মনে হয়, শিক্ষকের কাজ করার আর তাঁর ইচ্ছা ছিল না। প্রথম যৌবনে, শিক্ষকতার সাধনার ফলে, অমৃতের বদলে যে গরল ঠেলে উঠবে সমাজের বুকে তা তিনি কল্পনাও করতে পারেননি। তা ছাড়া এই অপমান, এ আঘাত সহ্য করার পর কোথায় বা তিনি শিক্ষকের কাজ করতে যাবেন? করতে গেলেও, মাথা তুলে কাজ করবেন কী করে? আর হিন্দু কলেজ ছাড়া তেমন বিদ্যালয়ই বা কোথায় তখন যেখানে তিনি তাঁর মনের মতো ছাত্র পাবেন এবং স্বাধীনভাবে তাদের শিক্ষা দিতে পারবেন? কবি ও সাংবাদিকের স্বাধীন জীবনযাপন করাই তাঁর ইচ্ছা ছিল। তাঁর পরবর্তী কাজকর্ম দেখে এই কথাই মনে হয়। বয়সের চেয়েও মনের তারুণ্য তাঁর এত বেশি উদ্দাম ছিল যে, চাকরির চিন্তা তাঁর মনে বিশেষ জাগেনি। স্বাধীন সাহিত্যিকবৃত্তির যে বাসনা দীপশিখার মতো তাঁর মনে জ্বলে উঠেছিল তা যে নিয়তির ফুৎকারে এত দ্রুত দৈবাৎ নিভে যাবে, তা—ও তাঁর জানবার কথা নয়।

    My sceptre from my hand is riven,
    Save Honour, all is lost!

    কলেজ থেকে পদত্যাগের চার বছর আগে ১৮২৭ সালে রচিত তাঁরই কবিতায় এই দুটি লাইনে হয়তো তখন তিনি তাঁর মনোভাব ব্যক্ত করতে পারতেন। তাঁর হাত থেকে যে রাজদণ্ড কেড়ে নেওয়া হয়েছিল তা কেবল একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষকের রাজদণ্ড নয়, বাংলা দেশের নবযুগের শিক্ষাগুরুর রাজদণ্ড।

    কিন্তু এক্ষেত্রে কি তিনি তাঁর সম্মানটুকু রক্ষা করতে পেরেছিলেন? তা—ও পারেননি। তাঁর মতো আত্মাভিমানী তরুণের আত্মসম্মানই বড়ো সম্পদ, সামাজিক সম্মানও কম কাম্য নয়। আত্মসম্মানের ঔজ্জ্বল্য অভিমানের উত্তাপে হয়তো আরও তীব্র রূপ ধারণ করেছিল, কিন্তু সেই সামাজিক সম্মান সাময়িকভাবে অন্তত ধুলোয় লুণ্ঠিত হয়েছিল। তাঁর স্বল্পায়ুর দিক থেকে এই সাময়িক ক্ষতিটাই চূড়ান্ত ক্ষতি বলে আদ্যোপান্ত সমস্ত ঘটনাটা এত বেশি মর্মান্তিক। কীসের জন্য তাঁকে এই দুঃসহ অপমান ও কলঙ্কের বোঝা যে বহন করতে হল তা কে বলবে? দৈত্যাকার মিথ্যার তাণ্ডবনৃত্যের দাপটে একজন তরুণ শিক্ষকের জীবন ছিন্নভিন্ন হয়ে গেল। ইতিহাসের পাতায় শুধু এটুকুই কি লেখা থাকবে?

     

    আরও দেখুন
    বৈজ্ঞানিক
    বিজ্ঞান
    বিজ্ঞানে
    শিক্ষা
    বিজ্ঞানের
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    গল্প, কবিতা
    বাংলা কৌতুক বই
    বাংলা অডিওবুক

     

    অতীত যদি কথা বলতে পারত তাহলে সমাজকেই দায়ী করত এই নিষ্ঠুরতার জন্য। বহুকাল ধরে এই নিষ্ঠুরতার নাটক অভিনীত হচ্ছে সমাজের রঙ্গমঞ্চে, স্থিতস্বার্থের চক্রান্তে। কেবল রাজনীতির স্বার্থ নয়, অর্থের স্বার্থ নয়, তার চেয়েও বৃহত্তর স্বার্থ ধর্মের স্বার্থ, শাস্ত্রের স্বার্থ, প্রথা ও সংস্কারের স্বার্থ। সাধারণ মানুষকে অজ্ঞতার গহন অন্ধকারে নির্বাসিত করে মুষ্টিমেয় একদল স্বার্থান্ধ মানুষ চিরকাল ঈশ্বরের পৌরোহিত্য, পরকালের দৌত্য এবং সমাজের নেতৃত্বের একচ্ছত্র অধিকার ভোগ করে এসেছে। এই সহজ অথচ সাংঘাতিক সত্য কথাটার সঙ্গে যখন কেউ সরল সাধারণ মানুষের মুখোমুখি পরিচয় করে দিতে চেয়েছে, তখনই ঘোর বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে তার জীবনে ও বাইরের সমাজে। বিজ্ঞানের অগ্রদূতকে পিশাচ বলে অগ্নিদগ্ধ করা হয়েছে, স্বাধীনতার শহিদকে বলা হয়েছে স্বেচ্ছাচারী দানব, সত্যের পূজারিকে বলা হয়েছে পাষণ্ড প্রতারক, জ্ঞানের সাধককে বলা হয়েছে ভণ্ড বিড়ালতপস্বী। এই কারণে আমাদের দেশে নবযুগপ্রবর্তক রামমোহন লাঞ্ছিত ও অপমানিত হয়েছেন, বিদ্যাসাগর উপেক্ষিত হয়েছেন, সমাজজীবনে নির্বাসনদণ্ড ভোগ করেছেন এবং আজও পর্যন্ত লোকচিত্তকে কৃতজ্ঞতায় উদবুদ্ধ করতে পারেননি। ডিরোজিও একই কারণে কলঙ্কিত হয়েছেন এবং আজও বিস্মৃতির অন্ধকারে লুপ্ত হয়ে রয়েছেন। তাঁর সান্ত্বনা এই যে, তিনি জাতিতে বাঙালি হিন্দু নন, মুসলমান নন, একজন ফিরিঙ্গি।

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞান
    বিজ্ঞানে
    বিজ্ঞানের
    শিক্ষা
    বৈজ্ঞানিক
    Library
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বাংলা বই
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি

     

    হঠাৎ যে ঝড় উঠে তাঁর প্রকাশোম্মুখ জীবনকে ছিন্নভিন্ন করে দিল, তার উৎস কোথায়? বাংলার তরুণ ছাত্রদের কেবল কলেজের ছাত্র মনে না করে, নবযুগের রূপকার মনে করে তিনি গড়তে চেয়েছিলেন, এই কি তাঁর অপরাধ, এবং এই কি ঝড়ের কারণ? অগণিত চাকরের মতো তিনি নিশ্চিন্তে চাকরি করতে পারেননি, এবং চক্রবৎ রুটিনের চাকায় ঘুরতে ঘুরতে জীবনটাকে আরও দশজনের মতো বিকৃত বিজৃম্ভণে কাটিয়ে দিতে পারেননি, এইটাই কি তাঁর অপরাধ এবং ঝড়ের কারণ? নবীন বাংলার তরুণ ছাত্রদের তিনি নবযুগের নির্মল যুক্তি ও শানিতবুদ্ধির বলে বলীয়ান নির্ভীক সমাজসেনা তৈরি করতে চেয়েছিলেন, এই তাঁর অপরাধ, এবং এইটাই তাঁকে ঘিরে ঝড় ওঠার কারণ।

    ডিরোজিও নিজেই বা কোথা থেকে ঝড়ের এই উৎসটিকে খুঁজে পেয়েছিলেন? কী সেই জীবনমন্ত্র, কী সেই অমূল্য জ্ঞানের রত্ন, কী—ই বা সেই বিদ্যা, যার জাদুস্পর্শে এ দেশের অচল—অটল সমাজের বড়ো—বড়ো পাথুরে স্তম্ভগুলি পর্যন্ত পড়ে উঠল?

    যে যুক্তি ও বুদ্ধির জ্যোতিতে ডিরোজিও বাংলার তরুণদের জীবনের পথ আলোকিত করতে চেয়েছিলেন, তার বিকাশ হয় আঠারো শতকে। এই সময় মানবসমাজে এক অত্যাশ্চর্য বুদ্ধিবিপ্লব ঘটে এবং তমসার সমুদ্রগর্ভ থেকে আলোকোজ্জ্বল যুক্তির উদ্ভব হয়। সতেরো শতকে বেকন (Bacon) ও লক (Locke) সংস্কার—শৃঙ্খল থেকে মোহাচ্ছন্ন মানববুদ্ধির মুক্তির বাণী ঘোষণা করেন। আরিস্ততলের অনুমান—ন্যায়ের পথ ছেড়ে বেকন অনুসন্ধান পরীক্ষার দ্বারা কার্যকারণসম্বন্ধ নির্ণয়ের ও সত্যানুসন্ধানের নতুন পথ নির্দেশ করেন। জনশ্রুতি, কুসংস্কার, আপ্তবাক্য প্রভৃতি নানা রকমের ভূতেরা দৌরাত্ম্য করে এই সত্যের পথে। তাদের সাহস করে বিদায় করতে না পারলে সত্যের আলোকসন্ধান অবশেষে আলেয়ার পশ্চাদ্ধাবনে পরিণত হয়। লক বলেন যে, প্রাচীন দার্শনিকদের মতামত অধিকাংশই অর্থহীন বাক্যের পসরা ছাড়া কিছু নয়। মানসপ্রত্যক্ষ ও ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য বিষয়ের অতীত যা কিছু তা আমাদের জানবার কোনো উপায় নেই।

     

    আরও দেখুন
    শিক্ষা
    বিজ্ঞান
    বিজ্ঞানের
    বিজ্ঞানে
    বৈজ্ঞানিক
    বই
    বইয়ের
    বুক শেল্ফ
    বই পড়ুন
    উপন্যাস সংগ্রহ

     

    আঠারো শতকে বেকন ও লক প্রদর্শিত এই যুক্তিবাদ ও মুক্তচিন্তা আরও কয়েকজন মনীষী ধর্মের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করেন, তাঁদের একেশ্বরবাদী বা ডিয়িস্ট (Deist) বলা হয়। তাঁরা ছাড়াও ফ্রান্সের এনসাইক্লোপিডিস্টরা যুক্তিবাদের পথে দুর্দান্ত অভিযান শুরু করেন। তাঁদের প্রধান সমালোচনার পাত্র হলেন রোমান ক্যাথলিক ধর্মযাজকরা। স্বনামধন্য হলেন ভলটেয়ার, দিদেরো, হেলভিটিয়াস, দা’লেমবের, হলব্যাথ, কন্ডের্সে, রুশো ও ভলনি। কেউ ছিলেন নাস্তিক জড়বাদী, কেউ ঘোর সংশয়বাদী এবং কেউ—বা অদ্বৈতবাদী! ভলটেয়ার, রুশো ও ভলনি একেশ্বরবাদী। হলব্যার্থ, হেলভিটিয়াস, লা মেত্রি ও দিদেরো ছিলেন নাস্তিক। এঁরা ঈশ্বরের অস্তিত্ব, আত্মার অমরত্ব এবং পাপপুণ্যের পারলৌকিক দণ্ড—পুরস্কারে বিশ্বাস করতেন না। দার্শনিক ডেভিড হিউম ছিলেন সংশয়বাদী, অলৌকিক ক্রিয়ায় (miracles) তাঁর আস্থা ছিল না। স্বাভাবিক ও বৈজ্ঞানিক প্রণালিতে তিনি ধর্মের উৎপত্তি ও ইতিহাস ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেন। ধর্মের বাহ্য অনুষ্ঠান ও নানা মতকে হিউম চতুর যাজক—পুরোহিতদের স্বার্থজনিত সৃষ্টি বলে প্রচার করেন। প্রায় দুই শতাব্দী ধরে পাশ্চাত্য সমাজে এই বৈপ্লবিক চিন্তালোড়ন চলতে থাকে। নবযুগের বাংলার নতুন বিদ্যামন্দিরে, বিশেষ করে কলকাতা শহরে হিন্দু কলেজে, এই নব্যচিন্তার বার্তা স্বাভাবিকভাবেই পৌঁছোয়। প্রতিষ্ঠাতাদের মতে হিন্দু কলেজ ছিল : ‘The main channel by which real knowledge may be transferred from its European sources into the intellect of Hindusthan.’ কলেজ প্রতিষ্ঠার এই উদ্দেশ্যের কথা মনে রাখলে পাশ্চাত্য ভাবধারার ঘাতপ্রতিঘাতে আশ্চর্য হবার কিছু থাকে না। কলেজের শিক্ষকদের মধ্যে ড. টাইটলার ও ক্যাপ্টেন ডি. এল. রিচার্ডসন প্রমুখ দু’চারজন সাহিত্যদর্শন—বিজ্ঞানে পণ্ডিত ইংরেজও ছিলেন। পাশ্চাত্য জীবনাদর্শের ভগীরথ হয়তো তাঁদেরই হওয়া উচিত ছিল। তাঁরা যে একেবারেই তা হননি তা নয়। কিন্তু ডিরোজিওর মতো বিষাণ বাজিয়ে ঘুমন্ত সমাজকে কেউ এমনভাবে জাগিয়ে তুলতে পারেননি। ডিরোজিওকে কোনোমতেই বিদেশি ইংরেজ বলা যায় না, এবং জাতিতে পোর্তুগিজ ফিরিঙ্গি হলেও ভারতীয়ই তাঁকে বলতে হয়। এ কথাও স্বীকার করতে হয় যে, ভারতীয় ডিরোজিও, তাঁর পূর্বসূরি রামমোহনের মতো নবযুগের পাশ্চাত্য আদর্শের প্রবাহকে বাংলার তথা ভারতের জীবনগঙ্গার সঙ্গে মিলিত করার চেষ্টা করেছিলেন। এরকম সক্রিয় ও দুঃসাহসিক চেষ্টা তাঁর আগে আর কেউ করেননি।

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞানের
    বিজ্ঞানে
    শিক্ষা
    বৈজ্ঞানিক
    বিজ্ঞান
    অনলাইনে বই
    লেখকের বই
    বই পড়ুন
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই

     

    হিন্দু কলেজের আগে ড্রামন্ডের ধর্মতলা অ্যাকাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং সেখানে এ দেশি ও বিদেশি ছাত্ররা একসঙ্গে বিদ্যাশিক্ষা করত। প্রাচ্য—পাশ্চাত্য ভাবধারার তীর্থসংগম স্কচ শিক্ষক ড্রামন্ড আগেই ধর্মতলাতে রচনা করেছিলেন। হিন্দু কলেজের মতো তার খ্যাতি ও প্রতিপত্তি ছিল না বটে, কিন্তু এ দেশের ইয়োরোপীয় জ্ঞানবিদ্যার ‘channel’ হিসেবে তার গুরুত্বও কম ছিল না। কলকাতা শহরে ধর্মতলায় পূর্ব—পশ্চিমের এই মিলনতীর্থে ডিরোজিও শিক্ষালাভ করেছিলেন। শিক্ষক ড্রামন্ড শুধু যে স্কটল্যান্ডের একজন বিদ্বান ব্যক্তি ছিলেন তা নয়, ঘোর সংশয়বাদী ও যুক্তিবাদী স্কচ দার্শনিক ডেভিড হিউমের গোঁড়া ভক্ত ও শিষ্য ছিলেন। কুসংস্কার ও ধোঁয়াটে আধ্যাত্মিকতাকে তিনি ঘৃণা করতেন এবং জীবনটাকে মনে করতেন জ্যামিতির মতো প্রমাণসাপেক্ষ ব্যাপার। সম্যক বিষয়জ্ঞানকে তিনি ঈশ্বরজ্ঞান মনে করতেন এবং বন্ধনহীন বুদ্ধিদীপ্ত যুক্তিকে বলতেন নবযুগের যাজক। জ্ঞানাতীত যুক্তি বহির্ভূত যেসব বিষয়, তাঁর মতে তা মানুষের বিবেচ্য নয়। অ্যাকাডেমিতে এই যুগচিন্তার বীজ ড্রামন্ড তাঁর ছাত্র ডিরোজিওর মনে বপন করেছিলেন। ডিরোজিওর মানসভূমিতে সেই বীজ অল্পদিনের মধ্যে সোনা ফলিয়েছিল। সেই সোনার ফসলের বীজ ডিরোজিও নিজে আবার হিন্দু কলেজে তাঁর ছাত্রদের মানসক্ষেত্রে আবাদ করেছিলেন। মাত্র দশ—বারো বছর পরের কথা। তাঁর ফসলের ঐশ্বর্য দেখে স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিল বাঙালি—সমাজ। নব্যবঙ্গের তরুণদের ক্ষুরধার বৃদ্ধি ও শানিত যুক্তির তরবারি যখন ধর্ম, আচার—অনুষ্ঠান, কুসংস্কার ও অজ্ঞানতার আবরণ ছিন্ন করে জ্ঞানের আলোকে বিচ্ছুরণের জন্য উদ্যত হয়ে উঠল, তখন শোরগোল পড়ে গেল রক্ষণশীল সমাজে। তাঁরা শিউরে উঠলেন, রাষ্ট্রবিপ্লবের ভয়ে নয়, চিন্তাবিপ্লবের আতঙ্কে।

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞানে
    শিক্ষা
    বিজ্ঞান
    বৈজ্ঞানিক
    বিজ্ঞানের
    PDF
    পিডিএফ
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাইশে শ্রাবণ
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই

     

    সমাজে যত রকমের বিপ্লব আছে, তার মধ্যে চিন্তাবিপ্লবই সবচেয়ে ভয়ংকর। সেই বিপ্লবের মারাত্মক লক্ষণ দেখে প্রবীণেরা সন্ত্রস্ত হলেন। ত্রাস থেকে ক্রোধের উৎপত্তি হল এবং সমস্ত ধূমায়িত আক্রোশ বজ্রের মতো কীভাবে তরুণ শিক্ষক ডিরোজিওর মাথার উপর ফেটে পড়ল তা আমরা দেখেছি।

    স্বভাবতই সকলে বলবেন যে কলকাতার হিন্দুসমাজের ‘বর্তমান মানসিক উত্তেজনার কাছে’ একজন যুবকের জীবন এইভাবে নিঃসংকোচে উৎসর্গ করা যুক্তিহীন ও হৃদয়হীন। কিন্তু যুক্তি ও হৃদয়ের দু’পায়ে ভর দিয়ে মানুষের সমাজ সবসময় সোজা হয়ে এগিয়ে চলে না। তা যদি চলত তাহলে সামাজিক জীবনে যুগে—যুগে সংকটের প্রলয়মেঘ ঘনিয়ে উঠত না। যুক্তি ও হৃদয়ের শক্তি ক্ষয় হয়ে—হয়ে যখন নিঃশেষ হয়ে যায়, তখনই সমাজ পক্ষাঘাতগ্রস্ত রোগীর মতো ভেঙে পড়ে, তার আর চলার শক্তি থাকে না। বাংলার সমাজের এরকম এক সংকটকালে ডিরোজিওর জীবন জনশ্রুতির পূজায় নিবেদন করেছিলেন হৃদয়হীনেরা, কারণ পঙ্গু সমাজের দেহে চলচ্ছক্তি সঞ্চারের স্বপ্ন দেখেছিলেন ডিরোজিও।

    জনতার উত্তেজনা নয় শুধু, স্মৃতিশক্তি অস্থায়ী। হিন্দু কলেজ ও ডিরোজিওমুখী প্রবল উত্তেজনার স্রোত দীর্ঘকাল স্থায়ী হয়নি বটে, কিন্তু তারই আবর্তে ডিরোজিওর জীবন বিপর্যস্ত হয়ে গেল, আর তা আত্মপ্রতিষ্ঠা পেল না। ঝড়ের পর নতুন সূর্যোদয় দেখার জন্য ডিরোজিও জীবিত ছিলেন না। তাঁর ‘Morning after a Storm’ কবিতাটি মনে হয় যেন তাঁর জীবনের এই ভাঙনেরই প্রতিধ্বনি।

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞানে
    বিজ্ঞানের
    শিক্ষা
    বৈজ্ঞানিক
    বিজ্ঞান
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বাইশে শ্রাবণ
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বই
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি

     

    I wandered forth, and saw the great nature’s power.
    The Hamlet was in desolation laid
    By the strong spirits of the storm; there lay
    Around me many a branch of giant trees
    Scattered as leaves are by the southern breeze,
    Upon a brook, on an autumnal day;
    Cloud piled on cloud was there, and they did seem
    Like the fantastic figures of a dream,
    Till morning brighter grow, and then they rolled away.

    ‘অবাক হয়ে আমি দেখেছিলাম প্রকৃতির বিচিত্র লীলা, উন্মত্ত ঝড়ের দাপটে কেমন করে ধূলিসাৎ হয়ে গেল কুঁড়েঘরটি। আমার চারিদিকে বড়ো বড়ো মহিরুহের ডালপালা ছড়ানো, নদীতটে দক্ষিণে হাওয়া হেমন্তে যেমন পাতা ছড়ায় তেমনি। মেঘের উপরে মেঘ জমে আছে, দেখে মনে হয় যেন স্বপ্নঘোরের ভয়ংকর প্রেতমূর্তি সব। ভোরের আলো যখন উজ্জ্বলতর হল, তখন আলোয় মিলিয়ে গেল সেইসব দৈত্যাকার মেঘ।’

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞানের
    বিজ্ঞান
    বৈজ্ঞানিক
    বিজ্ঞানে
    শিক্ষা
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    Library
    ই-বই পড়ুন
    লাইব্রেরি

     

    ঝড়ের পরে সমাজের আকাশে এই দৈত্যাকার মেঘপুঞ্জকে ডিরোজিও উদার আলোর বুকে বিলীন হতে দেখেননি।

    To India–My native land

    My country in the day of glory past
    A beauteous halo circled round thy borw,
    And worshipped as a deity thou wast,
    Where is that glory, where that reverence now,
    Thy eagle pinion is chaired down at last,
    And grovelling in the lowly dust art thou :
    Thy minstrel hath no wreath to weave for thee
    Save the sad story thy misery!
    Well––let me dive into the depths of time,
    And bring from out the ages that have rolled
    A few small fragments of those wrecks sublime,
    Which human eye may never more behold :
    And let the guerdon of my labour be
    My fallen country! one kind wish from thee!

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞান
    বৈজ্ঞানিক
    বিজ্ঞানের
    শিক্ষা
    বিজ্ঞানে
    PDF
    কৌতুক সংগ্রহ
    বইয়ের
    ডিকশনারি
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি

     

    1827

    ডিরোজিওর কবিতা

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমেট্রোপলিটন মন মধ্যবিত্ত বিদ্রোহ – বিনয় ঘোষ
    Next Article বাংলার নবজাগৃতি – বিনয় ঘোষ

    Related Articles

    বিনয় ঘোষ

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ২ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    জনসভার সাহিত্য – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার বিদ্বৎসমাজ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার সামাজিক ইতিহাসের ধারা – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ১ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাদশাহী আমল – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }