Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিধিবদ্ধ ইসলামী আইন – গাজী শামছুর রহমান

    গাজী শামছুর রহমান এক পাতা গল্প1924 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২৭. কাফালা (যামিন) ও হাওয়ালা (দায় সমর্পণ)

    অধ্যায় : ২৭ কাফালা (যামিন) ও হাওয়ালা (দায় সমর্পণ)

    ধারা-৬৭৩

    সংজ্ঞা (ক) কোন দাবির ক্ষেত্রে এক ব্যক্তির দায়বদ্ধতার সহিত অপর ব্যক্তির দায়বদ্ধতা সংযুক্ত করাকে কাফালা” বলে।

    (খ) যে ব্যক্তি দায়িত্ব গ্রহণ করে তাহাকে কাফিল (Li) বা যামিনদার ( L.)বলে।

    (গ) যে ব্যক্তির পক্ষে দায়িত্ব গ্রহণ করা হয় তাহাকে মাকফুল আনহু (4c JiKo) বা মাদমূন আনহু ( 4__) বলে।

    (ঘ) যে ব্যক্তির জন্য দায়িত্ব গ্রহণ করা হয় তাহাকে মাকফুল লাহু (4 JiK০)বা মাদমূন লাহু (U 54 ০ বলে।

    (ঙ) যে জিনিসের দায়িত্ব গ্রহণ করা হয় তাহাকে মাকফুল বিহ (4_ J45Ko বা মাদমূন বিহ (4— ৬৭-৭০) বলে।

    বিশ্লেষণ

    কাফালা (

    as) শব্দের আভিধানিক অর্থ “মিলাননা” বা “সংযুক্ত করা”। কুরআন মজীদে বলা হইয়াছে ও ২; 13 <3 “যাকারিয়া তাহাকে নিজের সহিত মিলাইল বা যোগ করিল” (সূরা আল ইমরান : ৩৭)। পারিভাষিক

    অর্থে কোন বিষয়ের দায়িত্ব গ্রহণ বা জামিন হওয়া (to become surety)

    ৩৯২

    বুঝায়। অর্থাৎ এক ব্যক্তির বাধ্যতামূলক দায়িত্বের সহিত অপর ব্যক্তির যুক্ত হওয়া। যেমন যায়েদ আমরের পক্ষ হইতে খালিদের জন্য এক হাজার টাকার যামিন হইল।

    ধারা-৬৭৪

    কাফালার শ্রেণীবিভাগ (ক) কোন ব্যক্তির সত্তার অনুকূলে যামিন হওয়াকে “কাফালা বিন” নাফস বা ব্যক্তির যামিন (wiJL < ) বলে।

    (খ) কোন জিনিস পরিশোধের যামিন হওয়াকে “কাফালা বিল-মাল” বা মালের যামিন (JUL AJS বলে।

    (গ) কোন মাল সমর্পণের জন্য যামিন হওয়াকে “কাফালা বিত-তাসলীম” বা সমর্পণের যামিন (LL < বলে।

    (ঘ) বিক্রেতার সত্তার অনুকুলে অথবা বিক্রীত মাল অর্পণের এবং উহার মূল্য পরিশোধের জন্য যামিন হওয়াকে ‘কাফালা বিদ-দিরক”

    (4,JL < বলে।

    (ঙ) যামিন হওয়ার বিষয়টি কোন শর্তাধীন বা ভবিষ্যত নির্ভর না হইলে তাহাকে “কাফালা আল-মুনজিয়া” (১১ <IT)।

    বিশ্লেষণ

    ‘কাফালা বিন-নাফস অর্থাৎ কোন ব্যক্তি অপর ব্যক্তির জামিন হইলে যে যাহাং যামিন হইয়াছে তাহাকে হাযির করা তাহার বাধ্যতামূলক কর্তব্য হইয়া দাঁড়ায়। এভাবে এক ব্যক্তির অপর ব্যক্তির অনুকূলে যামিন হওয়া বৈধ। মহানবী (স) বলেন,,, * “যামিনদার (সেই জিনিসের) যিম্মাদার (যাহার (যাহার যিম্মাদারি সে গ্রহণ করিয়াছে)”।

    কাফীল যে ব্যক্তির যামিন হইয়াছে (অর্থাৎ মাকফুল আনহ) তাহার নাম-ঠিকানা মাকফুল লাহকে জানাইয়া দেওয়া কাফীলের কর্তব্য। মাকফুল আনহু আদালতে হাযির হইতে অথবা পাওনা পরিশোধ করিতে অস্বীকার করিলে কাফীল তাহার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশ বিভাগের বা বিচারকের শরণাপন্ন হইবে।

    ৩৯৩

    ধারা—৬৭৫

    কাফালার রুকন (উপাদান) (ক) কাফীলের প্রস্তাব প্রদানের দ্বারা কাফালা চুক্তি সম্পন্ন হয় এবং তাহা আইনত বলবৎযোগ্য হয়;

    (খ) মাকফুল লাহু কাফীলের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করিতে পারে, প্রত্যাখ্যান না করিলে চুক্তি বলবৎ থাকিবে;

    (গ) কাফীল মাকফুল লাহুর অনুপস্থিতিতে প্রস্তাব প্রদান করিলে এবং মাকফুল লাহু প্রস্তাব সম্পর্কে অবহিত হওয়ার পূর্বে মারা গেলে কাফীলের যিম্মাদারী বহাল থাকিবে;

    (ঘ) সাধারণ অথবা প্রচলিত প্রথা অনুযায়ী যিম্মাদারী গ্রহণের ভাব প্রকাশক যে কোন বাক্য দ্বারা প্রস্তাব প্রদান করা যায়;

    (ঙ) শর্তযুক্ত প্রতিজ্ঞা দ্বারাও প্রস্তাব প্রদান করা যায়; ‘ (চ) নির্দিষ্ট কালের জন্যও যামিন হওয়ার প্রস্তাব করিলে তাহা উদ্ধৃত সময়কাল পর্যন্ত বহাল থাকিবে;

    (ছ) তাৎক্ষণিক অথবা বিলম্বে মূল্য পরিশোেধ বা মাল হস্তান্তর করার জন্যও যামিন হওয়া যায়;

    (জ) কাফীলের জন্যও কাফীল হওয়া বৈধ; (ঝ) একই বিষয়ের জন্য একাধিক জনের কাফীল হওয়াও বৈধ।

    বিশ্লেষণ

    কাফালা চুক্তি অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য কাফীল অর্থাৎ দায়িত্ব গ্রহণকারী ব্যক্তির প্রস্তাব প্রদানই যথেষ্ট, মাকফুল লাহুর সম্মতি প্রদান জরুরী নহে, যদিও সে সম্মতি প্রদান করিতে বা কাফীলের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করিতে পারে। অবশ্য ইমাম আবু হানীফা ও মুহাম্মাদ (র)-এর মতে চুক্তি অনুষ্ঠানের জন্য মাকফুল লাহর সম্মতি প্রদানও জরুরী, তাহা মানবসত্তার যামিন হউক অথবা মালের যামিন। ইমাম আবু ইউসুফ (র)-ও প্রথমে এই মত পোষণ করিতেন। (আল-মুহীত)। তাহার মতে মাকফুল লাহুর সম্মতি প্রকাশ করা শর্ত নহে এবং ইহাই গ্রহণযোগ্য মত (আল-কাফী)। তবে কোন কোন ফকীহ বলিয়াছেন যে,

    ৩৯৪

    আবু ইউসুফের বক্তব্যের অর্থ এই যে, কাফীলের প্রস্তাব মাকফুল লাহুর সম্মতির উপর মওকুফ থাকিবে।

    যদি কোন ব্যক্তি বলে, ‘আমি যামিন হইলাম’, ‘আমি যিম্মাদারী গ্রহণ করিলাম’, ‘আমি প্রদান করিতে বাধ্য থাকিব’, তবে এইরূপ শব্দের দ্বারা যামিন হওয়া বুঝাইবে। প্রতিজ্ঞা করিয়াও যামিন হওয়া যায়। যেমন কোন ব্যক্তি বলিল, ‘অমুক ব্যক্তির নিকট তুমি যাহা পাইবে তাহা সে তোমাকে প্রদান না করিলে আমি তাহা আদায় করিয়া তোমাকে প্রদান করার প্রতিজ্ঞা করিতেছি। এই অবস্থায় পাওনাদার যামিনদারের নিকট তাহার পাওনা দাবি করিতে পারিবে। একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বা সাময়িক কালের জন্যও যামিন হওয়া যায়। যেমন কোন ব্যক্তি বলিল, “আমি আজ হইতে তিন মাসের জন্য যামিন হইলাম।” এই ক্ষেত্রে সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ার পর চুক্তির পরিসমাপ্তি ঘটিবে। অনির্দিষ্ট সময়সীমার জন্যও যামিন হওয়া যায়।

    ধারা-৬৭৬

    কাফালার শর্তাবলী: (ক) কাফালার শর্তাবলী চারি শ্রেণীতে বিভক্ত—(১) কাফীলের সহিত সংশ্লিষ্ট শর্তাবলী;

    (২) মাকফুল আনহুর (আসীল) সহিত সংশ্লিষ্ট শর্তাবলী; (৩) মাকফুল লাহুর সহিত সংশ্লিষ্ট শর্তাবলী এবং (৪) মাকফুল বিহির সহিত সংশ্লিষ্ট শর্তাবলী।

    (খ) কাফীলের সহিত সংশ্লিষ্ট শর্তাবলী নিম্নরূপ —(১) কাফীলকে বালেগ হইতে হইবে;

    (২) কাফীলকে বুদ্ধিমান হইতে হইবে; (৩) কাফীলের মাকফুল বিহি সোপর্দ করার ক্ষমতা থাকিতে হইবে।

    (গ) মাকফুল আনহুর সহিত সংশ্লিষ্ট শর্তাবলী নিম্নরূপ—(১) মাকফুল আনহুকে স্বয়ং অথবা তাহার প্রতিনিধিকে মাকফুল বিহি কাফীলের নিকট সোপর্দ করিতে সক্ষম হইতে হইবে;

    (২) মাকফুশ আনহুকে সুপরিচিত হইতে হইবে।

    !jl•• হলামী আইন

    (গ) মাকফুল লাহুর সহিত সংশ্লিষ্ট শর্তাবলী নিম্নরূপ—(১) মাকফুল লাকে সুনির্দিষ্ট হইতে হইবে;

    (২) মাকফুল লাহুকে বুদ্ধিমান হইতে হইবে। (৩) মাকফুল বিহির সহিত সংশ্লিষ্ট শর্তাবলী নিম্নরূপ —(১) মাকফুল শাহ মানবসত্তা হইলে তাহাকে সুনির্দিষ্ট হইতে হইবে;

    (২) মাকফুল বিহি কাফীলের যিম্মায় যামানত হিসাবে থাকিতে হইবে; (৩) মাকফুল বিহি ঋণ হইলে তাহা সঠিক ঋণ হইতে হইবে।

    বিশ্লেষণ

    কাফালা চুক্তি যথার্থ হওয়ার জন্য কাফীল অর্থাৎ যে ব্যক্তি যামিন হয় তাহাকে বালেগ ও জ্ঞানবুদ্ধি সম্পন্ন হইতে হইবে। অতএব নাবালেগ ও পাগল কাফীল হইতে পারে না (বাহরুর রাইক)। কোন ব্যক্তি বালেগ হওয়ার পর যদি বলে যে, সে নাবালেগ অবস্থায় কাফীল হইয়াছিল তবে তাহাকে এজন্য দায়ী করা যাইবে না। কারণ সে বাতিল কাফালার স্বীকারোক্তি করিয়াছে অর্থাৎ সে নাবালেগ

    অবস্থায় কাফীল হইয়া থাকিলে তাহা ছিল আইনত বাতিল।

    মাকফুল আনহু (আসীল) অর্থাৎ যাহার দায়দায়িত্ব গ্রহণ করা হইয়াছে তাহার বা তাহার প্রতিনিধির কাফীলের নিকট দায়বদ্ধ জিনিস সোপর্দ করার সামর্থ্য থাকিতে হইবে। আদালত কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষিত হইয়াছে এমন ব্যক্তির মৃত্যুর পর কেহ তাহার দেনার কাফীল হইলে তাহা ইমাম আবু ইউসুফ ও মুহাম্মাদ (র)-এর মতে শুদ্ধ হইবে, কিন্তু ইমাম আবু হানীফা (র)-র মতে শুদ্ধ হইবে না (বাদাইউস সানাই)। এই শেষোক্ত মত যথার্থ বলিয়া গ্রহণ করা হইয়াছে। তবে দেউলিয়া ব্যক্তির কিছু পরিত্যক্ত সম্পদ থাকিলে সেই পরিমাণের উপর কাফীল, হওয়া বৈধ হইবে (মুহীত)

    মাকফুল আনহুকে সুনির্দিষ্ট ব্যক্তি হইতে হইবে। এক ব্যক্তি যদি অপর ব্যক্তিকে বলে, তুমি কোন ব্যক্তির নিকট যাহা বিক্রয় করিবে আমি তোমার জন্য তাহার পক্ষে কাফীল, তবে ইহা বৈধ হইবে না। কিন্তু সে যদি এভাবে বলে যে, তুমি অমুক ব্যক্তির (নাম-ঠিকানা উল্লেখপূর্বক) নিকট যাহা বিক্রয় করিবে আমি তোমার জন্য তাহার পক্ষে কাফীল, তবে ইহা বৈধ হইবে (মুহীত, যাখীরা)।

    ৩৯৬

    মাকফুল আনহুর বালেগ ও বােধশক্তি সম্পন্ন হওয়া শর্ত নহে (বাহরুর রাইক)। অতএব কোন ব্যক্তি যদি নাবালেগ অথবা পাগলের নিকট কিছু পাইবে বলিয়া দাবি করে এবং অপর ব্যক্তি ঐ নাবালেগ বা পাগলের অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই তাহাদের সত্তার বা তাহাদের ঋণের কাফীল হয়, তবে তাহা বৈধ হইবে (মুহীত)।

    মাকফুল লাহু অর্থাৎ পাওনাদার বা দাবিদারকেও সুনির্দিষ্ট ব্যক্তি হইতে হইবে (বাদাই)। অতএব কোন ব্যক্তি যদি বলে যে, অমুক ব্যক্তির নিকট এই দুই ব্যক্তির যে পাওনা রহিয়াছে আমি তাহাদের একজনের পাওনার কাফীল হইলাম, তবে ইহা বাতিল গণ্য হইবে। কারণ সে ঐ দুই ব্যক্তির মধ্যে কাহার পাওনার কাফীল হইয়াছে তাহা সুনির্দিষ্ট নহে (যাখীরা)। অবশ্য নির্দিষ্ট কয়েক ব্যক্তিকে দেখাইয়া কোন ব্যক্তি যদি অপর ব্যক্তিকে বলে যে, তাহাদের মধ্যে যাহার নিকটই তুমি মাল বিক্রয় করিবে আমি তাহার কাফীল হইব, তবে ইহা বৈধ হইবে ( খিনাতুল মুফতিঈন)।

    ইমাম আবু ইউসুফ ও মুহাম্মাদ (র)-এর মতে, মাকফুল লাহুকে বালেগ ও বােধশক্তি সম্পন্ন হইতে হইবে। অতএব নাবালেগ অথবা পাগল ব্যক্তি কাফীলের প্রস্তাবে সম্মতি প্রকাশ করিলে তাহা শুদ্ধ হইবে না।

    মাকফুল বিহি অর্থাৎ ‘মাল’ মাকফুল আনহুর (আসীলের দায়িত্বে যামানত হিসাবে গণ্য হইবে এবং তাহা কাফীলের নিকট সোপর্দ করিতে তাহাকে আইনত বাধ্য করা যাইবে (যাখীরা)। অতএব বিক্রীত মাল, ঋণ, যামানতী জিনিস, যেমন অপহরণকৃত জিনিসের বিনিময়, মোহর বাবদ প্রাপ্য, খােলার বিনিয়ম, কাতলে আম্‌দ-এর দিয়াত, ফাসিদ ক্রয়-বিক্রয়ের মাধ্যমে হস্তান্তরিত মালের কাফীল হওয়া বৈধ। পছন্দ হইলে ক্রয় করিবে এই শর্তে বিক্রেতার নিকট হইতে মাল গ্রহণ করিলে এবং তাহার মূল্য নির্ধারণ করা হইয়া থাকিলে তাহার কাফীল হওয়া বৈধ্য, মূল্য নির্ধারণ করা না হইলে উহা আমানত হিসাবে গণ্য হইবে এবং তাহার কাফীল হওয়া বৈধ নহে (নাহরুল ফাইক)। আমানত যেমন ওদীআ ( 51), মুদারাবার মাল ইত্যাদির কাফীল হওয়া বৈধ নহে। কারণ উহা যামানত হিসাবে গণ্য নহে (যাখীরা)। অনুরূপভাবে বন্ধক (A), আরিয়া। (, ), ইজারা (১২) ইত্যাদির কাফীল হওয়া বৈধ নহে কাফী)।

    ‘:14 হলামী আইন

    ৩৯৭

    ধারা—৬৭৭

    ব্যক্তির কাফীল হওয়া (ক) যামিনদার (কাফীল) বিবাদী (মাকফুল বিহি)-কে চুক্তির শর্ত মাবেক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বাদীর (মাকফুল লাহুর) নিকট উপস্থিত করতে বাধ্য, অন্যথায় তাহাকে হাযির করিতে যামিনদারের উপর চাপ সৃষ্টি

    করা যাইবে।

    (খ) বিবাদী স্বেচ্ছায় হাযির না হইলে যামিনদার তাহাকে জোরপূর্বক oারি করিবে এবং প্রয়োজনবােধে আদালতের সহায়তা গ্রহণ করিবে।

    (গ) যামিনদার বিবাদীকে হাযির করিতে অস্বীকার করিলে আদালত ‘তাহাকে কয়েদ করিতে পারে।

    (ঘ) বিবাদী আত্মগোপন করিলে আদালত যামিনদারকে অবকাশ দান করিবে; অবকাশ কালের মধ্যে বিবাদীকে হাযির করিতে না পারিলে গামিনদার কয়েদযোগ্য হইবে।

    (ঙ) বিবাদী মারা গেলে যামিনদার দায়মুক্ত হইয়া যাইবে।

    ধারা-৬৭৮

    মালের যামিন (ক) যামিনদার যে মালের যামিন হইয়াছে সে তাহা প্রদান করিতে বাধ্য। (খ) দেনাদার ও যামিনদার উভয়ের নিকট মাল দাবি করিবার পাওনাদারের এখতিয়ার রহিয়াছে এবং তাহাদের একজনের নিকট দাবি করার কারণে অপরজনের নিকট তাহার দাবি করার এখতিয়ার বাতিল হইবে না।

    (গ) একজন যামিনদারের অনুকূলে অপরজন যামিন হইলে পাওনাদার তাহাদের মধ্যে যাহার নিকট ইচ্ছা মালের দাবি করিতে পারিবে।

    (ঘ) একই ঋণের দেনাদারের সংখ্যা একাধিক হইলে এবং তাহাদের একে অপরের যামিন হইলে তাহাদের প্রত্যেকে পাওনার পূর্ণ অংশ পরিশোধের জন্য দায়ী থাকিবে।

    (ঙ) একই পাওনার জন্য একাধিক ব্যক্তি একের পর এক যামিন হইলে প্রত্যেক ব্যক্তি সম্পূর্ণ পাওনার জন্য দায়ী থাকিবে।

    ৩৯৮

    (চ) একই পাওনার জন্য একাধিক ব্যক্তি একত্রে যামিন হইলে তাহারা তাহাদের সংখ্যানুপাতে আংশিক পাওনার জন্য দায়ী হইবে।

    (ছ) একই পাওনার জন্য একাধিক ব্যক্তি পরস্পরের যামিন হইলে তাহাদের প্রত্যেকে সম্পূর্ণ পাওনার জন্য দায়ী হইবে।

    (জ) ঋণগ্রস্তকে ঋণ হইতে মুক্ত করিয়া দেওয়ার শর্ত থাকিলে ঐ যামিনদারের দায় হাওয়ালা বলিয়া গণ্য হইবে।

    (ঝ) ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি ঋণ হাওয়ালা করিয়াও দায়বদ্ধ থাকিলে উক্ত হাওয়ালা কাফালা হিসাবে গণ্য হইবে। ( () কোন আমানতদার আমানতের মাল দ্বারা আমানতকারীর ঋণ পরিশোধের যামিন হইলে সে তাহা দ্বারা ঋণ পরিশোধ করিতে বাধ্য, আমানত ধ্বংস বা লুপ্ত হইয়া গেলে সে দায়মুক্ত হইয়া যাইবে; কিন্তু আমানত আমানতকারীর নিকট ফেরত দিলে দায়মুক্ত হইবে না।

    (ট) কোন ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট সময়ে হাযির করার এবং তাহার ঋণের যামিন হইলে এই অবস্থায়-(১) সে তাহাকে নির্দিষ্ট সময়ে হাযির করিতে না পারিলে উক্ত ঋণ পরিশোধের জন্য বাধ্য থাকিবে;

    (২) যামিনদার মারা গেলে এবং তাহার ওয়ারিসগণ ঋণগ্রস্ত ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হাযির করিলে বা সে নিজে হাযির হইলে ঋণের জন্য যামিনদারের উপর কিছু বর্তাইবে না;

    (৩) যামিনদারের ওয়ারিসগণ তাহাকে নির্দিষ্ট সময়ে হাযির না করিলে বা সে নিজে হাযির না হইলে উক্ত ঋণ যামিনদারের পরিত্যক্ত সম্পত্তি দ্বারা পরিশোধ বাধ্যকর হইবে;

    (৪) যামিনদার তাহাকে নির্দিষ্ট সময়ে হাযির করিলে এবং ঋণদাতা আত্মগোপন করিলে বা অনুপস্থিত থাকিলে সে (যামিনদার) আদালতে তাহার পরিবর্তে একজন প্রতিনিধি নিয়োগের আবেদন করিবে এবং তাহাকে প্রতিনিধির নিকট সমর্পণ করিবে।

    (ঠ) শর্তহীন কাফালার ক্ষেত্রে ঋণগ্রহীতা তৎক্ষণাৎ ) অথবা বিলম্বে (১৯৫০) ঋণ পরিশোধে বাধ্য থাকিলে যামিনদারও পর্যায়ক্রমে তাহা তৎক্ষণাৎ অথবা বিলম্বে পরিশোধের জন্য দায়ী থাকিবে।

    (ড) শর্তযুক্ত কাফালার ক্ষেত্রে যামিনদার তদনুযায়ী দায়ী হইবে।

    ৩৯৯

    (ঢ) পাওনাদার দেনাদারকে বিলম্বে ঋণ পরিশোধের অবকাশ দিলে তাহা যামিনদার অথবা যামিনদারের যামিনদারের বেলায়ও প্রযোজ্য হইবে; প্রথম যামিনদারকে বিলম্বে ঋণ পরিশোধের অবকাশ দিলে তাহা দ্বিতীয় যামিনদারের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হইবে; কিন্তু তাহা দেনাদারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না।

    (ণ) দেনাদার ব্যক্তি ঋণ পরিশোধের নির্ধারিত সময় আসার পূর্বে বিদেশে যাইতে চাহিলে এবং পাওনাদার আদালতের নিকট যামিনদার নিয়োগের আবেদন করিলে দেনাদার তাহার অনুকূলে যামিন দিতে বাধ্য।

    ধারা-৬৭৯

    মালের যামিনদারের দায়মুক্তি (ক) পাওনাদারের মৃত্যুর পর দেনাদার তাহার একমাত্র ওয়ারিস হইলে যামিনদার দায়মুক্ত হইয়া যাইবে; কিন্তু দেনাদার ছাড়াও পাওনাদারের আরও ওয়ারিস থাকিলে যামিনদার কেবল দেনাদারের অংশের পরিমাণ দায়মুক্ত হইবে এবং অন্যদের কাছে দায়বদ্ধ থাকিবে।

    (খ) দেনাদার অথবা যামিনদার পাওনাদারের সহিত আংশিক ঋণ পরিশোধের সমঝোতা (সুলহ) করিলে এবং তাহাতে তাহাদের উভয়ের অথবা দেনাদারের দায়মুক্ত হওয়ার শর্ত করিলে অথবা অনুরূপ কোন শর্ত না করিলেও উভয়ে দায়মুক্ত হইয়া যাইবে; কিন্তু শুধু যামিনদারের দায়মুক্তির শর্ত থাকিলে সে-ই দায়মুক্ত হইবে এবং পাওনাদার ইচ্ছা করিলে দেনাদারের নিকট হইতে সম্পূর্ণ পাওনা আদায় করিতে পারে, অথবা সমঝোতার পরিমাণ অর্থ যামিনদারের নিকট হইতে এবং অবশিষ্ট পাওনা দেনাদারের নিকট হইতে আদায় করিতে পারে।

    (গ) যামিনদার পাওনাদারকে তাহার পাওনা নির্দিষ্ট কোন ব্যক্তির নিকট হইতে বুঝিয়া লইতে বলিলে এবং তাহাতে উভয়ে (পাওনাদার ও তৃতীয় ব্যক্তি) সম্মত হইলে দেনাদার ও যামিনদার উভয়ে দায়মুক্ত হইয়া যাইবে।

    (ঘ) কোন ব্যক্তি কোন মাল সমর্পণের জন্য যামিন হওয়ার পর মারা গেলে উক্ত মাল তাহার পরিত্যক্ত সম্পত্তি হইতে পরিশোধযোগ্য হইবে।

    ৪০০

    (ঙ) কোন ব্যক্তি বিক্রীত মালের মূল্য পরিশোধের যামিন হইলে এবং ক্রয়-বিক্রয় চুক্তি রদ (ফাসখ) হইয়া গেলে, অথবা কোন ব্যক্তি ক্রীত মাল বৈধ সূত্রে দখল করিয়া নিলে, অথবা ত্রুটির কারণে মাল ফেরত দেওয়া হইলে যামিনদার দায়মুক্ত হইয়া যাইবে।

    (চ) কোন ব্যক্তি অপর ব্যক্তির নিকট নির্দিষ্ট মেয়াদে কোন মাল ভাড়া দিলে এবং অন্য কোন ব্যক্তি ভাড়ার জন্য যামিন হইলে মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার সংগে সংগে সে দায়মুক্ত হইয়া যাইবে; পরে ভাড়ার বিষয়টি নবায়ন করা হইলে তাহার জন্য যামিনদার দায়বদ্ধ হইবে না।

    (ছ) কোন ব্যক্তি মালের ক্রয় মূল্য অথবা বিক্রীত মাল বুঝাইয়া দেওয়ার জন্য যামিন হইলে এবং দায়বদ্ধ ব্যক্তি অথবা যামিনদার তাহা পাওনাদারের নিকট বুঝাইয়া দিলে যামিনদার দায়মুক্ত হইয়া যাইবে।

    (জ) পাওনাদার যদি বলে, “আমি যামিনদারকে মুক্ত করিলাম”, অথবা “মিনদারের উপর আমার কোন অধিকার নাই”, তাহা হইলে যামিনদার দায়মুক্ত হইয়া যাইবে।

    ধারা—৬৮০ মানুষের যামিনদারের দায়মুক্তি

    ( البراءة من الكفالة بالنفس)

    (ক) কোন ব্যক্তি বিবাদীর যামিন হইলে সে তাহাকে আদালতের সীমার মধ্যে বাদীর নিকট উপস্থিত করিলে সে (যামিনদার) দায়মুক্ত হইয়া যাইবে, বাদী তাহাকে (বিবাদীকে) গ্রহণ করুক বা না করুক।

    (খ) কোন ব্যক্তি বিবাদীকে নির্দিষ্ট কোন শহরে বাদীর নিকট উপস্থিত করিবার জন্য যামিন হইলে সে (যামিনদার) তাহাকে (বিবাদীকে) উল্লেখিত শহরে বাদীর নিকট উপস্থিত না করা পর্যন্ত দায়মুক্ত হইবে না।

    (গ) কোন ব্যক্তি বিবাদীকে আদালতে হাযির করিবার জন্য যামিন হইলে সে তাহাকে আদালতে অথবা পুলিশে সোপর্দ না করা পর্যন্ত দায়মুক্ত হইবে না।

    (ঘ) বাদীর দাবির প্রেক্ষিতে যামিনদার বিবাদীকে হাযির করিলে দায়মুক্ত হইয়া যাইবে; কিন্তু বাদীর দাবি ব্যতীতই যামিনদার বিবাদীকে হাযির করিলে দায়মুক্ত হইবে না যতক্ষণ না সে (যামিনদার) বলিবে, “আমি আমার যামিন

    ৪০১

    মোতাবেক তাহাকে হাযির করিলাম”।

    (ঙ) কোন ব্যক্তি কোন নির্দিষ্ট দিবসে বিবাদীকে বাদীর নিকট হাযির করার জন্য যামিন হইলে উক্ত দিবসের পূর্বে তাহাকে হাযির করিলেও যামিনদার দায়মুক্ত হইয়া যাইবে, বাদী তাহাকে (বিবাদীকে) গ্রহণ করুক বা

    করুক।

    (চ) বিবাদী মারা গেলে যামিনদার এবং যামিনদারের যামিনদার উভয়ে দায়মুক্ত হইয়া যাইবে।

    (ছ) যামিনদার মারা গেলে সে নিজে এবং তাহার যামিনদার উভয়ে দায়মুক্ত হইয়া যাইবে।

    (জ) বাদী মারা গেলে যামিনদার দায়মুক্ত হইবে না, বাদীর ওয়ারিসগণ বিবাদীকে হাযির করার জন্য যামিনদারের নিকট দাবি করিতে পারিবে।

    ধারা-৬৮১

    হাওয়ালার সংজ্ঞা (ক) ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির ঋণের দায়কে অপর কাহারও দায়ে সমর্পণ করাকে হাওয়ালা (দায় সমর্পণ) বলে।

    (খ) যিনি দায় সমর্পণ করেন তাহাকে দায় সমর্পণকারী (মুহীল) বলে। (গ) ঋণ প্রদানকারী ব্যক্তিকে দায়ের অধিকারী (মুহাল লাহু) বলে। . (ঘ) দায় সমর্পণ গ্রহণকারী ব্যক্তিকে দায়বদ্ধ (মুহাল আলাইহি) বলে।

    (ঙ) যে বস্তু বা মালের জন্য দায় সমর্পণ (হাওয়ালা) করা হয় তাহাকে দায়ের মাল (মুহাল বিহ) বলে।

    (চ) দায়বদ্ধ ব্যক্তির (মুহাল আলাইহি) কাছে বা তাহার তত্ত্বাবধানে দায় সমর্পণকারী ব্যক্তির (মুহীল) যে মাল আছে তাহা হইতে দায়ের অর্থ পরিশোধ করিবার শর্ত করা হইলে তাহাকে শর্তযুক্ত দায় সমর্পণ (হাওয়ালা মুকায়্যিদাহ) বলে।

    (ছ) দায়বদ্ধ ব্যক্তির কাছে দায় সমর্পণকারী ব্যক্তির যে মাল আছে দায়ের ঋণের অর্থ তাহা হইতে পরিশোেধ করিবার শর্ত যুক্ত না হইলে তাহাকে নিঃশর্ত দায় সমর্পণ (হাওয়ালা মুতলাকাহ) বলে।

    ৪০২।

    ধারা-৬৮২ দায় সমর্পণের (হাওয়ালার) উপাদান। দায় সমর্পণকারী দায় সমর্পণের প্রস্তাব দিলে এবং দায়ের অধিকারী তাহা গ্রহণ করিলে দায় সমর্পণ সম্পাদিত হয়।

    বিশ্লেষণ

    দায় সমর্পণকারী যদি দায়ের অধিকারীকে বলে, দায় ওয়াসিল করিবার জন্য আমি তোমাকে অমুকের দায়ে সমর্পণ করিলাম অর্থাৎ আমি তোমার নিকট হইতে যে ঋণ গ্রহণ করিয়াছি আমার পক্ষ হইতে অমুকে তাহা পরিশোধ করিবে, ঋণদাতা এই প্রস্তাব গ্রহণ করিলে দায় সমর্পণ সম্পাদিত হইবে।

    ধারা—৬৮৩ যাহাদের মধ্যে দায় সমর্পণ চুক্তি সম্পাদিত হইতে পারে কেবলমাত্র দায়ের অধিকারী ও দায়বদ্ধ ব্যক্তির মধ্যে দায় সমর্পণ সম্পাদিত হইতে পারে।

    বিশ্লেষণ

    ক যদি খ-কে বলে, আমার কাছে তোমার যে প্রাপ্য রহিয়াছে তাহা তুমি গ-এর নিকট আমার প্রাপ্য হইতে গ্রহণ কর, খ যদি তাহা মানিয়া লয় তাহা হইলে দায় সমর্পণ (হাওয়ালা) সম্পাদিত হইবে।

    ধারা—৬৮৪ দায় সমর্পণকারী ও দায়ের অধিকারীর মধ্যে সম্পাদিত দায় সমর্পণ (হাওয়ালা)

    (ক) শুধুমাত্র দায় সমর্পণকারী ও দায়ের অধিকারী ব্যক্তির মধ্যে সম্পাদিত দায় সমর্পণ দায় গ্রহণকারীকে অবগত করিবার পর তিনি যদি তাহা মানিয়া লন তবে উক্ত দায় সমর্পণ সম্পাদিত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।

    (খ) দায় সমর্পণকারী ও দায় গ্রহণকারী ব্যক্তির মধ্যে সম্পাদিত দায়

    ৪০৩

    সমর্পণ দায়ের অধিকারী ব্যক্তির অনুমোদন সাপেক্ষে গ্রহণযোগ্য হইবে।

    (গ) দায় সমর্পণের শর্তাবলী চারি প্রকারের (১) দায় সমর্পণের যোগ্যতা সম্পর্কিত শর্তাবলী;

    (২) দায়ের অধিকারীর যোগ্যতা সম্পর্কিত শর্তাবলী; (৩) দায় গ্রহণকারীর যোগ্যতা সম্পর্কিত শর্তাবলী; এবং (৪) দায়ের মালের সহিত সম্পর্কিত শর্তাবলী। (ঘ) দায় সমর্পণকারীর যোগ্যতা সম্পর্কিত শর্তাবলী এই যে, দায় সমর্পণকারীকে বুদ্ধিমান, বালেগ ও সুস্থমস্তিষ্ক হইতে হইবে।

    (ঙ) দায়ের অধিকারীর যোগ্যতা সম্পর্কিত শর্তাবলী এই যে, তাহাকে বুদ্ধিমান, দায় সমর্পণের ব্যাপারে সম্মত ও দায় সমর্পণের মজলিসে উপস্থিত থাকিতে হইবে।

    (চ) দায়গ্রহণকারীর যোগ্যতা সম্পর্কিত শর্তাবলী এই যে, তাহাকে বুদ্ধিমান, বালেগ ও দায়গ্রহণে সম্মত হইতে হইবে।

    (ছ) দায়ের মালের সহিত সম্পর্কিত শর্তাবলী এই যে, দায় গ্রহণকারীর নিকট দায় সমর্পণকারী মাল পাওনা থাকিতে হইবে এবং সুনির্দিষ্ট হইতে হইবে।

    বিশ্লেষণ

    দায় গ্রহণকারী যদি পাগল কিংবা শিশু হয় তাহা হইলে দায় গ্রহণ বৈধ হইবে না। দায় গ্রহণ যথাযথ ও কার্যকর হইতে হইলে দায় গ্রহণকারীকে বালেগ হইতে হইবে। সগীর মুমায়্যিযের দায় গ্রহণ বৈধ ও গ্রহণযোগ্য হইবে। সে দায় গ্রহণ করিলে এবং তাহার ওয়ালী তাহাতে অনুমতি দান করিলে তাহা বৈধ – হইবে। তাহা ছাড়া তাহাকে সন্তুষ্ট চিত্তে দায় গ্রহণে সম্মত হইতে হইবে, অনিচ্ছা সত্ত্বেও দায় গ্রহণে বাধ্য করা হইলে তাহা বৈধ হইবে না।

    ধারা—৬৮৫ দায় গ্রহণকারীর দায় সমর্পণকারীর নিকট ঋণ থাকা শর্ত নহে। (ক) দায় গ্রহণকারীর নিকট দায় সমর্পণকারীর ঋণের অর্থ পাওনা না থাকিলে তাহা উত্তম দায় সমর্পণ হিসাবে পরিগণিত হইবে।

    ৪০৪

    (খ) দায় সমর্পিত হইবার পর দায় সমর্পণকারীর ও তাহার জামিনদার, যদি কেহ থাকে, দায় হইতে অব্যাহতি লাভ করিবে এবং দায়ের অধিকারী দায় গ্রহণকারীর কাছে দায়ের মাল দাবি করিবার অধিকার লাভ করিবে।

    (গ) দায় সমর্পণকারী দায় সমৰ্পণ করিলে এবং দায় গ্রহণকারী দায় গ্রহণে সম্মত হইলে এবং দায় গ্রহণকারীর নিকট দায় সমর্পণকারীর কোন পাওনা না থাকিলে দায় গ্রহণকারী দায় পরিশোধের পর দায় সমর্পণকারীর নিকট তাহা দাবি করিতে পারিবে।

    (ঘ) যে দায় সমর্পণের ক্ষেত্রে দায় গ্রহণকারীর নিকট দায় সমর্পণকারীর মাল পাওনা আছে এবং সেই মাল বিনষ্ট হইয়া গেলে যদি দায় গ্রহণকারীকে

    ক্ষতিপূরণ দিতে না হয় তবে উক্ত দায় সমর্পণ বাতিল হইয়া যাইবে এবং দায় পুনরায় দায় সমর্পণকারীর উপর বর্তাইবে, কিন্তু যদি ক্ষতিপূরণ দিতে হয়। তাহা হইলে দায় সমর্পণ বাতিল হইবে না।

    বিশ্লেষণ

    দায় সমর্পণকারী ক দায়ের অধিকারী খ-কে বলিল, গ-এর নিকট আমার যে প্রাপ্য মাল বা আমানতের মাল আছে তাহা হইতে সে তোমার দায় পরিশোধ করিবে। কিন্তু গ তাহা পরিশোধ করিবার পূর্বেই তাহার কাছে ক-এর প্রাপ্য বা আমানতের মাল যদি নষ্ট হইয়া যায় এবং সেজন্য গ কর্তৃক ক-কে কোন ক্ষতিপূরণ দিতে না হয় তাহা হইলে এই দায় সমর্পণ বাতিল হইয়া যাইবে এবং দায় সমর্পণকারী ক-এর উপর দায়ের অধিকারী খ-এর দাবি পুনরায় বর্তাইবে। কিন্তু উক্ত মাল নষ্ট হইবার কারণে খ যদি ক-কে ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য থাকে তাহা হইলে দায় সমর্পণ বাতিল হইবে না।

    ধারা—৬৮৬

    দায়ের অধিকারীর দায়কে সমর্পণ (ক) কেহ যদি তাহার দায়ের অধিকারীর দায়কে অপর কোন ব্যক্তির কাছে এই মর্মে সমর্পণ করে যে, সে (দায় গ্রহণকারী) দায় সমর্পণকারীর নির্দিষ্ট সম্পদ বিক্রয় করিয়া তাহার মূল্য হইতে দায় পরিশোধ করিবে এবং দায়ের অধিকারী যদি তাহা মানিয়া লয় তবে দায় সমর্পণ সম্পাদিত হইবে। দায় গ্রহণকারীকে উক্ত মাল বিক্রয় করিয়া তাহার মূল্য হইতে দায় পরিশোধে বাধ্য করা যাইবে।

    ৪০৫

    (খ) দায় সমর্পণকালে দায় পরিশোধের সময়সীমা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা

    হইয়া থাকিলে, দায় সমর্পণকারী যে দায় তাৎক্ষণিকভাবে পরিশোধ করিতে বাধ্য, দায় গ্রহণকারীও তাহা তাৎক্ষণিকভাবে পরিশোধ করিতে বাধ্য থাকিবে এবং দায় সমর্পণকারী যে দায় বিলম্বে পরিশোধ করিতে পারে, দায় গ্রহণকারীও তাহা বিলম্বে পরিশোধ করিতে পারিবে।

    (গ) দায় গ্রহণকারী দায় পরিশোধের পূর্বে তাহা দায় সমর্পণকারীর নিকট দাবি করিতে পারিবে না এবং কেবলমাত্র পরিশোধিত বস্তুই দাবি করিতে পারিবে অর্থাৎ তাহাকে যে বস্তুর দায় সমর্পণ করা হইয়াছে তাহাই সে দাবি করিতে পারিবে।

    বিশ্লেষণ

    তাহাকে যদি রৌপ্য পরিশোধের দায় সমর্পণ করা হইয়া থাকে তাহা হইলে সে দায় সমর্পণকারীর নিকট হইতে রৌপ্যই দাবি করিতে পারিবে। রৌপ্যের দায় সমর্পণ করা হইয়া থাকিলে যদি সে স্বর্ণ পরিশোধ করিয়া থাকে সেই ক্ষেত্রে স্বর্ণ দাবি করিতে পারিবে না।

    ধারা—৬৮৭

    দায় গ্রহণকারীর দায়মুক্তি (ক) দায় গ্রহণকারী দায় হইতে মুক্ত হইবে যদি সে তাহা পরিশোধ করে অথবা দায়ের অধিকারীর সম্মতিক্রমে তাহা কোন ব্যক্তিকে সমর্পণ করে অথবা দায়ের অধিকারী ব্যক্তি তাহাকে দায়মুক্ত করিয়া দেয়—দায়ের বন্ধু হে ৰা সাদাকা হিসাবে তাহাকে দান করার মাধ্যমে।

    (খ) দায়ের অধিকারী যদি মৃত্যুবরণ করে এবং দায় গ্রহণকারী তাহার উত্তরাধিকারী হয় তাহা হইলে দায় সমর্পণ কার্যকর থাকিবে না।

    ৪ ০৬

    তথ্য নির্দেশিকা ১. হিদায়া, কিতাবুল কাফালা, ৩খ, পৃ. ৯৫ ৬ ৭JAUT, AL। দাবির প্রেম

    ‘দায়িত্বের সহিত দায়িত্বের সংযুক্তিকে কাফালা বলে। আলামগীরীতেও হিদায়ার সংজ্ঞা গ্রহণ করা হইয়াছে” (কিতাবুল কাফালা, আল-বাবুল আওয়াল, ৩থ, পৃ. ২৫২)। তুর্কী মাজাল্লা, পৃ. ১৩৬, ধারা নং ৬১২ : দাম্মু যিম্মাতিন ইলা যিম্মাতিন ফী মুতালিবাতি শায়ইন (Kefalet is to add obligation to obligation in respect of a demand for

    some thing)। ২. হিদায়া, কিতাবুল কাফালা, ৩খ, পৃ. ৯৫। ৩. তিরমিযী, আবওয়াবুল ওয়াসায়া, বাব মা জাআ লা ওয়াসিয়্যাতা লি-ওয়ারিছিন। ৪. হিদায়া, ৩খ, পৃ. ৯৫। ৫. হিদায়া, ৩থ, পৃ. ৯৫; আলামগীরী, কিতাবুল কাফালা, ৩খ, পৃ..২৫২। ৬. তুর্কী মাজাল্লা, পৃ. ১৩৮; আলামগীরী, কাফালা, আল-বাবুস সানী, ৩২, পৃ. ২৫৫। ৭. সম্পূর্ণ আলোচনাটি আলামগীরী হইতে গৃহীত, কিতাবুল কাফালা, আল-বাবুল আওয়াল, ৩২, পৃ:

    ২৫৩-২৫৫ ১. কিতাবুল ফিকহ আলাল মাযাহিবিল আরবাআ, ৩য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ২১২; ফাতাওয়া আল-হিন্দিয়া, ৩য়

    খণ্ড, পৃষ্ঠা ২৯৫।

    রাহন (বন্ধক)

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশেষ অশুভ সংকেত – কাজী মাহবুব হোসেন
    Next Article প্রেম ও কলেরা – গেব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }