Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিবাহ ও নৈতিকতা – বার্ট্রান্ড রাসেল

    বার্ট্রান্ড রাসেল এক পাতা গল্প221 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৯. মানবিক মূল্যবোধে যৌনতার অবস্থান

    যে লেখক যৌন বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করে তার মনের মধ্যে সর্বদা এই ভয় থাকে যে, সে তার লেখনি দ্বারা এবং সমালোচক দ্বারা সমালোচিত হবে। তারা মনে করে এই বিষয়টিকে সর্বসাধারণে মধ্যে প্রকাশ করা উচিত নয়। এমনকি তথাকথিত তার্কিক বুদ্ধিজীবীরাও তার এই প্রয়াসকে কালিমালিপ্ত করতে পারে এই অভিমত পোষন করে যে, তার লেখনি দ্বারা সমাজের বৃহৎ অংশের কোনো উপকার সাধিত হবে না। একমাত্র যারা প্রাচীনপন্থি নৈতিকতার খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসতে আগ্রহী তারাই কেলমাত্র এই লেখককে সাধুবাদ জানাবে।

    আমরা সেইসব মানুষকে যৌনবিষাদের পথিক হিসেবে মনে করতে পারি যারা কোনো চঞ্চলা বারবধূর ভ্রুকুটিতে উত্তেজিত হয়, এই আদিম ব্যবসাকে আইনের আশ্রয়ে আনতে চায়, অবাধ ও সুন্দর বহিবৈবাহিক সম্পর্কে জয়গান করে, মিনিস্কার্ট পরা এবং রঞ্জনীতে লালিমাদীপ্ত ওষ্ঠের অধিকারিণী রমণিদের অনুরাগী হয়, আর সমুদ্রের সৈকতে বিশ্রামরতা রৌদ্রস্নাতা অসংযমী নারীদের সংক্ষিপ্ত স্নান-পোশাকের অন্তরালে জেগে থাকা ত্রিভঙ্গ শরীরের সুষমা দর্শনে মেলে ধরে তাদের গোয়েন্দা চোখ। এইভাবে তারা যৌন স্বাধীনতার স্বপক্ষে যুক্তি আনয়নকারী লেখকদের চেয়ে আরও বেশি মাত্রায় কষ্টভোগ করে। নির্মম নৈতিকতা হলো কামুক প্রক্ষোভের বিপরীতধর্মী উপাখ্যান এবং যে মানুষ নিজেকে এর মধ্যে সমর্পিত করে সাধারণত তার মন কুচিন্তায় ভরপুর হয়। এই চিন্তার অন্তরাল শুধু যে যৌনতার প্রচ্ছন্ন মহিমা থাকে তা নয় কিন্তু নৈতিকতার কুয়াশায় আবৃত বলে সেই মানুষ জীবন ও যৌনতা সম্পর্কে কোনো স্বচ্ছ, সুন্দর, সার্বিক মনোভঙ্গির পরিচয় দিতে পারে না। এ বিষয়ে চার্চের সঙ্গে আমার কোনো দ্বিমত নেই যে, যৌন বিষয়ের তাড়না পাপের উদ্রেক করে। কিন্তু আমি চার্চের সঙ্গে একমত হয়ে বলতে পারি না যে, একে উপক্ষো করার মধ্যেই সার্থকতার বীজ নিহিত আছে। একথা সহজেই বলা যেতে পারে যৌনতা সম্পর্কে সেইন্ট এনটনীর মধ্যেও এক ধরনের বিষাদময়তা কাজ করতো। এ সম্পর্কে আমি আরও সমকালীন উদাহরণ দিতে পারি। কিন্তু ভদ্রতাবোধে তা থেকে বিরত থাকলাম।

    ক্ষুধা ও তৃষ্ণা মতো যৌনতাও মানবজীবনের এক প্রাকৃতিক চাহিদা। যদি আমরা খাদ্য-পানীয় গ্রহণে উন্মুখ নিন্দা না করি তাহলে কেন যৌনজীবনের অভিলাসী মানুষের অকারণে নিন্দা করবো? সুজনশিল্প আমাদের এই শিক্ষা দিচ্ছে যে, মানুষ তার বেঁচে থাকার স্বাভাবিক উপাদানগুলিকে লালন করবে। আবার নীতিবাগীশরা যৌন অনুভুতি থেকে মানুষকে বিমুক্ত রাখার অপচেষ্টায় স্ব-আরোপিত মতবাদের প্রবর্তন করেছে। সতের শতকের এক নীতিবাগীশ সমালোচনা এই মন্তব্য করেছেন

    Would you enjoy gay nights and pleasant dinners?
    Then must you board with saints and bed with sinners.

    এর থেকে মনে করা যেতে পারে যে, অতি ভক্ষণকে নীতিবাগীশরা নরকের পথ হিসেবে ধরে নিয়েছিল। ক্যাথলিক চার্চের ধারণা অনুসারে অতি-ভক্ষণ হলো সেই সাতটি ভয়ঙ্কর পাপের একটি যা দান্তে বর্ণিত নরকের অন্ধকারের অভিসারী। কিন্তু যার থেকে স্বাস্থ্যের উদ্দীপনা হতে পারে তার সবকিছুই কি আমরা গ্রহন করতে পারি না? তাহলে কেন ঔদারিকদের এভাবে অভিযুক্ত করা হবে?

    খাদ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে দেখা যায় মানুষ এবার তার আহার গ্রহণের পর পরবর্তী আহারের মধ্যে অন্যান্য বিষয়ের চিন্তা করে। কিন্তু যারা নান্দনিক দর্শনকে জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য হিসেবে গ্রহণ করেছে, ন্যূনতম খাদ্যগ্রহণ ছাড়া জীবনের আর কোনো চাহিদাকে মেটায় নি, তারাও মাঝে মধ্যে লোভনীয় নৈশকালীন আহার এবং দৈত্যকর্তৃক প্রদর্শিত, রসালো ফলের আকাঙ্ক্ষায় বিসাদগ্রস্ত হয়। এবং যে সমস্ত অভিযাত্রীরা সুমেরু অঞ্চলে অভিযান করে তারাও তিমি মাছের লিভার খেতে খেতে সেই স্বপ্নে বিভোর হয় কখন তারা স্বদেশে ফিরে সুস্বাদু খাবারের স্বাদ পাবে।

    এর থেকে আমরা সহজেই বুঝতে পারি যে, যৌনতাকে একটি অবদমিত ইচ্ছা হিসেবে চিহ্নিত না করা হয় থাহলে একে খাদ্যের মতোই জীবনধারণের সহযোগী হিসেবে চিন্তা করা উচিত। যে খাদ্য আমরা সাধারণভাবে ভক্ষণ করে থাকি, যা থেবিড় অরণ্যের সন্ন্যাসীদের খাদ্য নয়। খাদ্য ও পানীয়ের মতো যৌনতা এক স্বাভাবিক মানবিক চাহিদা। যদি এর অবর্তমানে মানুষ বাঁচতে পারে কিন্তু খাদ্য বা পানীয়ের বেলায় এমন কথা প্রযোজ্য নয়। কিন্তু মনস্তাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গীতে বিচার করলে এই সত্যকে স্বীকার করতে হবে যে, খাদ্য ও পানীয়ের আকাক্ষার মতো যৌনতাও একটি স্বাভাবিক চাহিদা, যা অপ্রযুক্তিতে অসম্ভব বৃদ্ধি প্রাপ্ত হয় এবং প্রশ্ন মনে সাময়িকভাবে হ্রাস প্রাপ্ত হয়ে থাকে। যখন এর চাহিদা প্রবল হয় তখন রুদ্ধ হয় চেতনার সবকটি বাতায়ন। সমগ্র ব্যক্তিসত্তা কেন্দ্রিভূত হয় মুহূর্তের উত্তেজনার সফল রূপায়ণে। তখন আমরা এমন সব প্রবৃত্তি দ্বারা তাড়িত হই যা পরবর্তীকালে পরিচায়ক হিসেবে মনে হতে পারে। খাদ্য ও পানীয়ের মতো নিষেধাজ্ঞা এই ইচ্ছাকে শতগুণে বাড়িয়ে দেয়। আমি এমন অনেক শিশুর কথা জানি যারা প্রাতঃরাশের টেবিলে আপেল খেতে চায় না কিন্তু বাগান থেকে চুরি করা আপেল খেতে আগ্রহী। যদিও প্রাতঃরাশের আপেলগুলি চুরি করা আপেলের তুলনায় অনেক বেশি রসালো ও সুস্বাদু।

    কুড়ি বছর আগে একজন আমেরিকান মাদকদ্রব্যের প্রতি যত মাত্রায় আসক্ত ছিল এখন সেই আসক্তির পরিমাণ অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। একইভাবে খ্রিস্টীয় শিক্ষণ ও প্রশাসন যৌনবিষয়ক কৌতূহলের পরিধিকে অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে। বর্তমান প্রজন্ম ধীরে ধীরে প্রথাগত দিকগুলিকে অস্বীকার করে এমন এক যৌন স্বাধীন সম্পর্কের অনুসন্ধানী হচ্ছে যা তাদের পূর্বপুরুষদের মনোভঙ্গি থেকে সম্পূর্ণ পৃথক। অবশ্য এই পৃথকীকরণের ধনাত্মক ও ধনাত্মক দুটি দিকই আছে। স্বাধীনতাই একমাত্র যৌন আচ্ছন্নতার বিরুদ্ধে ক্রিয়াশীল হতে পারে। এই স্বাধীনতাকে প্রাত্যহিক জীবনের অঙ্গীভূত করতে হবে এবং যৌন সম্পর্কিত বিশেষ সুষ্ঠ মনোভাবের পরিচয় রাখতে হবে।

    আমি আবার তাদের সঙ্গে একথা বলতে চাই যে, নিষেধাজ্ঞার পরিমাণ যত বাড়বে ততই যৌন-যন্ত্রণার সীমানা বেড়ে যাবে। বিশেষ করে আমেরিকার ক্ষেত্রে এই উক্তির সারবত্তা প্রমাণিত হয়েছে। কঠিন নীতিবাগীশরা মিথ্যা চিন্তা ধারার প্রতি তাৎক্ষণিক আত্মনিবেদনের মাধ্যমে এই সমস্যাকে আরও জটিল করে তুলেছে। ঔদরিক, স্বেচাছাচারী এমন ব্যক্তি যারা স্ব-সৃষ্ট পৃথিবীর মধ্যে থাকতে ভালোবাসে এবং সম্পৃক্তি অথবা বিমোচনের মাধ্যমে নিজেদের চেতনাকে বিশ্লিষ্ট করে। যে মানুষ মননে ও শরীরে সুখি সে কখনই তার চিন্তা ধারাকে তার নিজের মধ্যে আবৃত্ত রাখবে না, পক্ষান্তরে সে পৃথিবীব্যাপী অম্বেষণার মাধ্যমে খুঁজে নেবে তার কাঙ্ক্ষিত কৌতূহলের উৎসকে। নিমজ্জন হলো সুখি মানুষের সাধারণ শর্ত যার মধ্যে প্রাকৃতিক প্রক্ষোভের অনুসরণ ধ্বনিত হতে পারে। খামখেয়ালীপূর্ণ মানুষের কাছে যৌন পরিতৃপ্তি হলো এমন একটি তাড়না যা দুর্ভিক্ষ প্রপীড়িত মানুষের সামনে খাদ্যের সম্ভার দ্বারা উদ্ভূত। সুখিসমৃদ্ধ মানব মানবীর অন্তরাল স্বাভাবিক প্রক্ষোভে ক্রিয়াশীলতা বজায় থাকে না, এর অন্তরাল কাজ করে সুখি জীবনের পক্ষে অপরিহার্য চেতনাসমূহের সুচারু বিকাশ।

    আমি একথা বলতে চাইছি না যে, যৌনবিষয়ে নৈতিকতা অথবা নিষেধাজ্ঞা একেবারে থাকবে না কিন্তু খাদ্যের ক্ষেত্রে যেমন তিনটি নিষেধাজ্ঞা আছে, যৌনতার ক্ষেত্রেও ঠিক তেমনটি থাকা উচিত। এই তিনটি হলো- আইন দ্বারা, প্রথা দ্বারা এবং স্বাস্থ্যের জন্যে। খাদ্য চুরি করাকে আমরা অন্যায় বলে মনে করি, পঙক্তিভোজনে অতিরিক্ত খাওয়াকে বিসাদৃশ বলে মনে করা হয়, এবং যে আহার আমাদের অসুস্থ করে তোলে তাকে বর্জন করা হয়ে থাকে। যৌনতার ক্ষেত্রেও একই ধরনের নিষেধাজ্ঞা বজায় থাকা প্রয়োজন যদিও তা হবে অনেক বেশ জটিল এবং তাতে আরও অধিকতর মাত্রায় আরোপ করতে হবে স্ব-প্রশমনের উপায়। যেহেতু একজন মানুষ অন্যায়ভাকে অন্যের জিনিসে ভাগ বসাতে পারে না, তাই চুরি করে খাদ্য গ্রহণ করাকে নিন্দিত করা হয়েছে। একইভাবে ধর্ষণকে আইন দ্বারা নিষিদ্ধ করতে হবে। স্বাস্থ্যের আলোচনায় যৌন-রোগের সম্ভাবনার কথা মাথায় রাখা প্রয়োজন। ইতি পূর্বে আমরা বীরাঙ্গনা শীর্ষক অধ্যায়ে আলোচনা করেছি, পেশাদারী গণিকাবৃত্তির হ্রাসকরণ উপযুক্ত ঔষুধের ব্যবহার দ্বারাই এর প্রতিকার করা সম্ভব। তরুণ-তরুণীদের মধ্যে গড়ে উঠা যৌন স্বাধীনতার ব্যাপক প্রসারতার মাধ্যমেই পেশাদারী বেশ্যাবৃত্তির অবশেষ হতে পারে।

    সুসংযত যৌন-তত্ত্ব যৌনতাকে শুধুমাত্র প্রাকৃতিক ক্ষুধা কিংবা বিপদের সম্ভাব্য উৎস হিসেবে মনে করে না। এই দুটি দিক ছাড়াও যৌনতার সঙ্গে সংযুক্ত আছে মানব জীবনের কয়েকটি পরমকাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্য। এর মধ্যে প্রধান হলো–কাব্যিক ভালোবাসাতে বিবাহোত্তর সুখিজীবন এবং শিল্প কলা। কাব্যিক ভালোবাসা এবং বিবাহ সম্পর্কে আমরা আগেই আলোচনা করেছি। অনেকে মনে করেন শিল্প হলো যৌনতার সঙ্গে সম্পর্কহীন। কিন্তু বর্তমানে এই মতবাদে বিশ্বাসীদের সংখ্যা ক্রমশই কমে আসছে। একথা মানতেই হবে যে, যেকোনো নান্দনিক সৃষ্টি মনস্তাত্ত্বিকভাবে সংযুক্ত আছে ভালোবাসার সঙ্গে প্রত্যক্ষ কিংবা অপ্রত্যক্ষভাবে। যখন যৌন প্রক্ষোভ থেকে শৈল্পিক ব্যঞ্জনার সূচনা হয় তখন তার মধ্যে নিহিত থাকে কয়েকটি সম্ভাবনা। শৈল্পিক প্রতিভার বিকাশ দ্বারা এটি সম্ভব নয়। কিন্তু প্রতিভা সকলের মধ্যে সমভাবে বিরাজমান থাকে না, তাই একথা মনে করা যেতে পারে যে, স্বীয় প্রতিভার পরিপন্থি পারিপার্শিকতাই এক্ষেত্রে শৈল্পিক চেতনার বিবর্তনে অধিকতর শক্তিশালী ভূমিকা নিয়েছে। এর সঙ্গে কিছু পরিমাণ স্বাধীনতা থাকা প্রয়োজন। অথচ এই স্বাধীনতা শিল্পীকে পুরস্কৃত করার সোপান হবে না। এই স্বাধীনতা তাকে কোনো একটি নির্দিষ্ট শিল্পকর্মে আবৃত থাকতে নিয়োজিত করবে না। যখন জুলীয়াস টু মাইকেল এঞ্জেলকে কারারুদ্ধ করেছিলেন তখন তিনি ঐ শিল্পীর স্বাধীনতা হরণ করেন নি, যেহেতু তিনি ঐ শিল্পীকে এক বিশিষ্ট ব্যক্তিরূপে চিহ্নিত করেছিল। তাই তিনি চাইতেন না যে, কোনো সাধারণ মানুষ ঐ শিল্পীর প্রতি সামান্যতম অপরাধ করুক। যখন এক শিল্পী কোনো ধনী পৃষ্ঠপোষকের অথবা নাগরিক শুভানুধ্যায়ী দ্বারা পরিচালিত হয়ে তাদের মনোজ্ঞ নন্দন শিল্পে প্রবৃত্ত হয় তখন তার শৈল্পিক স্বাধীনতার মৃত্যু ঘটে। আবার যখন সে বিবাহ দ্বারা আহৃত সামাজিক ও অর্থনৈতিক মৃত্যু ঘটে যায়। যে সমস্ত সমাজ ঐতিহ্য অনুসারে পুণ্য সঞ্চারে আগ্রহী সেখানে মহৎ শিল্পকর্মের মৃত্যু ঘটে থাকে।

    বর্তমান যুগে আমেরিকা তার শৈল্পিক চাহিদা মেটাতে ইউরোপ থেকে আমদানি করতে বাধ্য হচ্ছে যেখানে এখনো পর্যন্ত স্বাধীনতা বিদ্যমান। কিন্তু ইউরোপের আমেরিকীকরণের ফলে অদুর ভবিষ্যতে নিগ্রোদের থেকে শিল্পীর জন্ম হবে। শিল্পের সর্বশেষ আশ্রয়স্থল হবে আপার কঙ্গো অথবা তিব্বতের উত্তরাঞ্চল। কিন্তু এর সর্বশেষ পরিণতির আর বেশি দেরি নেই। আমেরিকা যেভাবে বিদেশি শিল্পীদের অর্থ দ্বারা পুরস্কৃত করছে তাতে তাদের সৃজনশীলতা ক্রমে ক্রমে শূণ্য বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

    আগে আমরা মনে করতাম যে, শিল্পের উৎস হলো জীবনের আনন্দ। এবং জীবনের আনন্দ অনেকখানি নির্ভর করে স্বতঃস্ফূর্ত যৌন অভিজ্ঞতার ওপর। যেখানে যৌনতাকে অবদমিত করা হয় সেখানে সৃজনশীল কোনো শিল্প সৃষ্টি হতে পারে না, যা হয় তাকে আমরা শ্রমিকের কাজ বলতে পারি। আমেরিকাতে প্রতি দিনে-রাতে ঘটে যাওয়া যৌনতার ঘটনা পৃথিবীর যেকোনো দেশের চেয়ে বেশি। নীতিবাগীশ শিক্ষাগুরুদের মতবাদের আর একটি ত্রুটিপূর্ণ অভীক্ষা হলো, তারা যৌন ঘটনার মধ্যে যৌনতার পরিমাণকে কম করতে চায় কিন্তু কোনো সুসভ্য মানুষ অথবা বন্য মানুষ শুধুমাত্র যৌনক্ষুধার নিবৃত্তি চায় না। যে চেতনা তাকে যৌন আকাঙ্ক্ষা তৃপ্তির পথে চালিত করে তা শুধু যৌনতা নয়, তার মধ্যে আছে ভালোবাসা, প্রণয় ও পারস্পরিক নৈকট্যবোধ। এগুলি ব্যতিরেকে দৈহিক ক্ষুধার জাগরণ হলে মানবিক আকুতিগুলি নির্বাসিত হয়ে যায় এবং পরিতৃপ্তি লাভ করা সম্ভব হয় না। একজন শিল্পী যে যৌন-স্বাধীনতা আকাঙ্ক্ষা করে তা হলো ভালোবাসার স্বাধীনতা, এমন নয় যে, সে কোনো অপরিচিতা রমণিকে সম্ভোগ করার যেনতেন সুযোগ পাবে, আর ভালোবাসার স্বাধীনতা প্রতি সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন। আশাকরি আমার নীতিনিষ্ঠা বন্ধুরা এ বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করবেন না।

    যদি সারা পৃথিবীব্যাপী আমেরিকীকরণের পরেও শিল্পকে বেঁচে থাকতে হয় তাহলে আমেরিকার নীতিবাগিশদের আর একটু কম ন্যায়নিষ্ঠ হতে হবে আর অনৈতিক বাদীদের আরও কম উদ্ধত। উভয় গোষ্ঠীকে এই মতবাদে বিশ্বাসী হতে হবে যে, যৌনতার মধ্যে উচ্চতর মূল্যবোধে লুকিয়ে আছে এবং আমাদের অভিব্যক্তি ব্যাস্ক-অ্যাকাউন্টের চেয়ে কম কাম্য নয়। একজন পর্যটকের কাছে আমেরিকার সবচেয়ে দুঃখজনক ঘটনা হরো আনন্দের অপ্রাচুর্য। এখানে আনন্দ নিহিত আছে ক্ষুব্ধ হৃদয়ের অন্তরালে, এর থেকে স্বতোৎসারিত হচ্ছে আবেগসঙ্কুল স্মৃতি, কিন্তু এই আবেগ কোনো চিরস্থায়ী সম্পদের জন্ম দিতে পারছে না।

    যে সমস্ত মানুষের পিতামহরা বাল্যকালের সুর-মূর্ঘনাতে ক্ষুব্ধ হতেন তারাই এখন তাদের জীবন ও যৌবনের উজ্জ্বল মুহূর্তগুলিকে নিয়ন্ত্রিত করছে যন্ত্রলেখন ও দুরভাষের ক্লান্তিকর ব্যবহার। সন্ধ্যায় পানশালার অন্ধকার আরো চিৎকারের মধ্যে তারা নতুন করে অর্থ উপার্জনের উপায় খুঁজতে ব্যস্ত থেকে সুখরূপী দৈত্যের কাছে নিজেদের হৃদয় ও আত্মাকে উৎসর্গ করেই চলেছে। তাদের স্বপ্নখিত চেতনার মধ্যে এই আর্থিক আকাক্ষার নীরব পদচারণা ধ্বনিত হচ্ছে যারা তাদের আত্মাকে বিক্রি করেছে ক্রীতদাসের কাছে।

    এমন কথা মনে করার কোনো কারণ নেই যে, জীবনের যা কিছু শ্ৰেয় তার সঙ্গে যৌনতার সম্পর্কে আছে। এমনকি এই অনুভুতির সঙ্গে তাত্ত্বিক অথবা ব্যবহারিক বিজ্ঞানের ফলপ্রসু যোগাযোগ নেই, নেই কোনো রাজনৈতিক বা সামাজিক সাযুজ্যের ইতিহাস। আমার কাছে যে তিনটি প্রাথমিক আবেগ উল্লেখযোগ্য, তা হলো– ক্ষমতা, যৌনতা ও সন্তান উৎপাদন–এই তিনটি সত্তার উদগৈরণে প্রাপ্তবয়স্ক মানসিকতা তার ঐচ্ছিক অভিব্যক্তিকে জটিল প্রক্ষোভের দ্বারা উদ্বুদ্ধ করে। এমনকি স্ব-নিয়ন্ত্রণ ছাড়া মানব জীবনের অন্যান্য ইচ্ছার সঙ্গে এই তিনটি বোধ প্রচ্ছন্ন আছে। এই তিনটি মধ্যে ক্ষমতার আকাঙ্ক্ষা সবচেয়ে আগে উৎসারিত হয় এবং সর্বশেষ অন্তর্হিত হয়। যেহেতু একজন শিশুর ক্ষমতা খুবই কম, তাই আরো অধিক আগ্রাসন দ্বারা একে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত করার চেষ্টা করা হয়। বস্তুতপক্ষে তার সমগ্র কামের অধিকাংশই এর প্রভাবে আচ্ছাদিত। তার আর একটি প্রভাবশালী চেতনা হলো অহংকার–যা জন্ম দেয় প্রশংসিত হবার দুর্বল আকাঙ্ক্ষাকে এবং ভয় দেখায় নিন্দিত অথবা পরিত্যাজ্য হওয়াকে। এই অহংকারই তাকে সামাজিক জীব হিসেবে গড়ে তোলে এক গোষ্ঠীবদ্ধ জীবনযাপনের উপযোগী করে যদিও তত্ত্বগতভাবে এদের মধ্যে সাদৃশ্য অপরিলক্ষিত, তবু অহংকার বোধের সঙ্গে যৌনতার প্রত্যক্ষ সংযোগ আছে। কিন্তু ক্ষমতার সঙ্গে যৌনতার সম্পর্কে অত্যন্ত ক্ষীণ। ক্ষমতার প্রতি আকর্ষণ ও অহংকারের প্রতি আকাক্ষা–এই দুটি বোধ থেকে একটি শিশু শারীরিক ও মানসিকভাবে পরিপূর্ণ হয়ে উঠার চেষ্টা করে। উৎসুক্য ও জ্ঞান অন্বেষণাকে ক্ষমতা লিপ্সার শাখা বলা যেতে পারে। এই কারণে জীববিদ্যা ও প্রাণীবিজ্ঞানের গঠন ব্যতিরেকে বিজ্ঞানকে যৌনতার অনুভূতির সঙ্গে সম্পর্কহীন হিসেবে গণ্য করা উচিত। যেহেতু মহামান্য সম্রাট দ্বিতীয় ফ্রেডরিক এখন আর জীবিত নন, তাই এই চিন্তাধারাকে অসংবদ্ধ মনে হতে পারে। তিনি যদি আজ জীবিত থাকতেন তাহলে এক বিখ্যাত অঙ্কবিশারদ ও এক বিশিষ্ট গীতিকারের অঙ্গচ্ছেদের মাধ্যম তাদের আরম্ভ কাজের ওপরে ঐ ঘটনার প্রভাব বিশ্লেষণ করতে চাইতেন। এখানে প্রথম ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রভাব হতো পূর্ণ ও দ্বিতীয়র ক্ষেত্রে সামান্য। যেহেতু মানব ধর্মের অন্যতম চেতনার উদ্রেক হলো জ্ঞানের অম্বেষণা তাই মানব জীবনের বৃহৎ অংশের প্রক্ষোভের সঙ্গে যৌনতার কোনো সম্পর্ক নেই।

    ক্ষমতাকে যদি আমরা তার বৃহত্তম অর্থে ব্যবহার করি তাহলে দেখতে পাবো যে, এটি হলো অধিকাংশ রাজনৈতিক কার্যধারার প্রধান উৎস। এর দ্বারা আমি একথা বোঝাতে চাইছি না যে, এখন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদের মনে দেশের সার্বিক উন্নয়নের কোনো চিন্তা নিহিত থাকে না। এর দ্বারা আমি এই সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছি যে, একজন রাজনীতিবিদ হলেন এমন এক ব্যক্তি যার চেতনার মধ্যে বিক্ষুব্ধ পিতৃত্বের চিহ্ন রয়ে গেছে। কিন্তু তার মধ্যে ক্ষমতার আকাঙ্ক্ষা না থাকলে তিনি কখনোই। রাজনৈতিকভাবে সফল হবার ভ্রমসঙ্কুল পথের পথিক হতে পারবেন না। আমি এমন অনেক রাজনৈতিক নেতাকে চিনি যারা দেশ শাসনের অভীপ্সার সঙ্গে ব্যক্তিগত উচ্চাশার পরিতৃপ্তিকে নিখুঁত সাযুজ্যে জারিত করে সফলতার শিখরে উঠে গেছেন।

    একবার এক বিশিষ্ট আমেরিকার রাষ্ট্রপতি আব্রাহাম লিঙ্কন তার সিনেটরদের সামনে ভাষণ দিতে গিয়ে এই মন্তব্য করেছিলেন–আমি হলাম ইউনাটেড স্টেটসের প্রেসিডেন্ট, এক অনন্ত ক্ষমতার অধিকারী। এই ঘোষণার মাধ্যমে তিনি স্বীয় ক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ জনিত আনন্দ লাভ করেন। সুপ্রযুক্ত বা কুপ্রযুক্ত রাজনীতির ক্ষেত্রে যে দুটি চেতনা সর্বাংশে ক্রিয়াশীল থাকে তার একটি হলো অর্থনৈতিক উদ্দেশ্য এবং অন্যটি ক্ষমতার ইচ্ছা। এর মধ্যে ফ্রয়েডীয় মনোভাবের কোনো প্রতিফলন নেই।

    তাহলে এ কথা স্বীকার করতে বাধা নেই যে, শিল্পীদের বাদ দিলে পৃথিবীর অন্যান্য ব্যক্তিরা তাদের গুরুত্বপূর্ণ কার্যপ্রণালীর মধ্যে যৌনতার প্রতিচ্ছায়া দেখতে পান না। এর থেকে এই সত্য প্রতিভাত হয় যে, একজন মানুষের আবেগ তাড়িত ঐচ্ছিক অনুভূতির উপস্থাপনাতে যৌনতার অপচ্ছায়া যেন দিগন্ত বিস্তৃত না হয়। পৃথিবীকে জানার ইচ্ছা এবং সেই পৃথিবীকে পরিবর্তন করার আকাঙ্ক্ষা–এ দুটি হলো মানবসভ্যতার অন্যতম দুটি চালিকাশক্তি, যাদের অবর্তমানে সভ্যতার ক্রমোন্নতি কোনোভাবেই সম্ভব নয়। এমনকি সার্বিক সুখের মধ্যেও এই আকাক্ষা সতত ক্রিয়াশীল থাকে।

    যখন কোবডেন জন ব্রাইটকে মুক্ত বাণিজ্যের প্রতিভূরূপে চিহ্নিত করতে চাইলেন তখন তিনি ব্রাইটের স্ত্রী-বিয়োগ জনিত ব্যথার ওপরে জোর দিয়েছিলেন এই চিন্তা করে যে, ব্রাইট যেন অন্যদের দুঃখ-দুর্দশাকে সম্যকভাবে উপলব্ধি অর্থাৎ নিজস্ব দু:খানুভূতি না থাকলে একজন মানুষ অন্যের দুঃখকষ্ঠগুলিকে সাম্যকভাবে উপলব্ধি করতে পারবে না। তাই চিরন্তন দু:খের মধ্যেই অন্তর্নিহিত আছে অশেষ সুখের অন্বেষণা। যথেষ্ট শক্তিশালী মানুষের কাছে দু:খ হলো এক সৃষ্টিশীল অনুপ্রেরণা। যদি আমরা সর্বাংশে সুখি হতাম তাহলে আমাদের জীবনকে আরও সুখি করার স্বপ্নে বিভোর থাকতাম। কিন্তু সফল ফলশ্রুতি আছে বলে দু:খগুলো বিলাসের অঙ্গীকার গ্রাহ্য হতে পারে না। কেননা শতকরা নিরানব্বইটি ক্ষেত্রে এই যন্ত্রণার ফল সুদূর প্রসারী; যার থেকে আরো হতাশা উদ্রেক হয়। শতকরা একটিমাত্র ক্ষেত্রে এই অনুভূতি থেকে অব্যক্ত আনন্দের জন্ম হয়। তাই দু:খ-বেদনাকে দীর্ঘায়িত করার কোনো সফল যুক্তি নেই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসাহিত্যিকদের ছদ্মনাম
    Next Article শিক্ষা প্রসঙ্গ – বার্ট্রান্ড রাসেল

    Related Articles

    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কেন আমি ধর্মবিশ্বাসী নই – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    সুখের সন্ধানে – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    অপেক্ষবাদের অ, আ, ক, খ – বারট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কর্তৃত্ব ও ব্যক্তিসত্তা – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    ধর্ম ও বিজ্ঞান – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    দর্শনের সমস্যাবলি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }