Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিবাহ ও নৈতিকতা – বার্ট্রান্ড রাসেল

    বার্ট্রান্ড রাসেল এক পাতা গল্প221 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৫. বিচিত্র ভালোবাসা

    বর্বর সমাজের ওপর খ্রিস্টানদের বিজয়ের পর নর-নারীর সম্পর্কের মধ্যে নিষ্ঠুরতার অনুপ্রবেশ ঘটে। প্রাচীন পৃথিবীতে এই অনুভবটি বহু শতাব্দী ধরে ছিল। অজ্ঞাত। প্রাচীন পৃথিবী পাপিষ্ঠ ছিল কিন্তু নিষ্ঠুর ছিল না। অন্ধকারাচ্ছন্ন যুগে ধর্মও বর্বরতার সমন্বয়ে জীবনের যৌন সংক্রান্ত দিকটি অবমূল্যায়িত হতে থাকে। বিবাহের ক্ষেত্রে স্ত্রীর কোনো অধিকার ছিল না। বিবাহ ব্যতিরেকে সবই ছিল পাপপূর্ণ। তাই অসভ্য পুরুষজাতির প্রাকৃতিক জান্তব্যতাকে খর্ব করার জন্যে কোনো প্রচেষ্টা করা হয় নি। মধ্য যুগের দুর্নীতিপরায়ণতা যথেষ্ট প্রসারিত হয়। বিশপরা প্রকাশ্যে তাদের কন্যাদের সঙ্গে পাপকার্যেও লিপ্ত হতেন এবং আর্চ বিশপরা প্রিয় পুরুষ পাত্রদের বেআইনি কাজ অনুমোদন করতে। পুরোহিত শ্রেণির পবিত্রতা সম্পর্কে ক্রমবর্ধমান বিশ্বাসের জন্ম হয় অথচ প্রকৃতপক্ষে অবস্থাটা ছিল অন্যরকম। পোপ গ্রেগরী ৭-এর প্রচেষ্টায় পুরোহিতরা উপপত্নী রাখা থেকে বিরত হন কিন্তু আবিলারডের সময় আমরা দেখেছি কলঙ্কজনকভাবে তিনি জেলোসিকে বিবাহ করেন।

    ত্রয়োদশ শতাব্দীর শেষার্ধে পুরোহিতদের শারীরিক পবিত্রতা রক্ষার ব্যবস্থা দৃঢ়ভাবে প্রযুক্ত হলো। এরপরের পুরোহিতরা রমণিদের সঙ্গে বেআইনি সম্পর্ক বজায় রাখে কিন্তু তারা এই সম্পর্কের প্রতি কোনোরকম সম্মান অথবা সৌন্দর্য আরোপ করা থেকে বিরত হয়। কেননা তারা নিজেরা জানত যে, এই সম্পর্ক নৈতিকতাহীন ও অপবিত্র। চার্চের প্রচেষ্টায় যৌন সম্পর্কের পবিত্র দিকটি উন্মোচিত করার চেষ্টা করা হয় এবং ভালোবাসার ধারণাকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করা হলো। এ ব্যপারে হীনম্মন্যতার ভূমিকা উল্লেখ্যযোগ্য।

    পুরোহিতরা তাদের শপথ ভেঙ্গেছে ও ধারাবাহিক পাপকার্যে পতিত হয়েছে। তারপর তারা পবিত্রতাপূর্ণ জীবনে সহজে ফিরে আসতে পারে না।

    এ সম্পর্কে আমরা কয়েকটি বিক্ষিপ্ত ঘটনার কথা উল্লেখ করতে পারি। যেমন পোপ জন এয়োবিংশতাঁকে অন্যান্য অনেক অপরাধের সঙ্গে চারিত্রিক ত্রুটির জন্যে অভিযুক্ত করা হয়। ক্যানটারবেরির মঠাধ্যক্ষ সেইন্ট আগস্টিনের ওপর ১১৭১ সালে অনুসন্ধান চালিয়ে জানা গেল যে, একটি মাত্র গ্রামে তার ১৭ জন বেআইনি সন্তান আছে। অথবা স্পেনের সেইন্ট পিলার নাম করা যায়। ১১৩০ সালে প্রমাণিত হয় যে, তিনি ৭০ জন রমণিকে রক্ষিতা হিসেবে রেখেছেন। লীগের বিশপ হেনরী তৃতীয় সম্পর্কে ১২৭৩ সালে একটি তথ্য প্রকাশিত হয়। তাঁর ৬৫ জন বেআইনি সন্তান ছিল। কিন্তু পুরোহিতদের সম্পর্কে যে দীর্ঘ বিবরণ পাওয়া গেছে এবং ধর্মগ্রস্থ প্রণেতাদের ধারাবাহিক লেখনি থেকে যে তথ্য আবিস্কৃত হয়েছে তা থেকে প্রমাণিত হয় যে, পুরোহিতরা রক্ষিত রাখার চেয়েও অনেক বেশি পাপকার্যে লিপ্ত ছিলেন।

    আরও দেখুন
    কখনো আসেনি
    অনলাইন বুক
    বাংলা বই প্রিন্ট
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    Books
    বই ডাউনলোড
    নতুন উপন্যাস
    বই পড়ুন
    বাইশে শ্রাবণ
    বইয়ের

    দেখা গেছে যে, পুরোহিতরা যখন প্রকৃত স্ত্রীকে আনতেন তখন সেই বেআইনি ও নিজের পক্ষে ক্ষতিকারক সম্পর্কের কথা তারা প্রকাশ করতেন না। এই অতিরিক্ত নারী সম্ভোগ এবং আকর্ষণজনিত চরম অপমানবতার ব্যাপারটি তাঁদের ক্ষেত্রে ছিল সাধারণ ঘটনা। মধ্যযুগে লেখকদের রচনা থেকে আমরা গণিকালয়ের সমগোত্রীয় একাধিক পাপকেন্দ্রের বিবরণ পাই। যেখানে নিয়মিতভাবে শিশুহত্যা হতো এবং পুরোহিতরা অসৎ জীবন কাটাতেন।

    এই ঘটনা থেকে প্রতিভাত হয় যে, পুরোহিতদের সম্পর্কে সুকঠিন বিধিনিষেধ নিয়মনীতি প্রবর্তন করা উচিত যাতে তারা তাদের মা-বোনেদের সঙ্গে একত্রে বসবাস করতে না পারেন। বিচিত্র ভালোবাসা, খ্রিস্টান ধর্মের মহান সেবাপরায়তা যাকে পৃথিবী থেকে প্রায় বিলুপ্ত করে দিয়েছিল সেটি আবার ফিরে আসে এবং পুনর্গঠনের পূর্বে আত্মশুদ্ধির জন্যে স্বীকারোক্তি করার প্রবণতা ক্রমশ বৃদ্ধি পায়।

    মধ্যযুগব্যাপী চার্চের গ্রিক-রোমান ঐতিহ্য ও অভিজাততন্ত্রের টিউটোনিক, ঐতিহ্যের মধ্যে বিচিত্র পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। সভ্যতার পুনর্গঠনে উভয়ের অবদান ছিল কিন্তু সেই আত্মত্যাগের মধ্যে বৈসাদৃশ্য দেখা গেছে। ভূমধ্যসাগর অঞ্চলের রাজকীয় ঐশ্বর্য থেকে চার্চ বহন করেছে দর্শন শিক্ষা, আইন পাঠ এবং খ্রিস্টান সমাজের মধ্যে একীকরণের ভূমিকা। সাধারণ আইন থেকে জন্ম নিয়েছে ধর্মনিরপেক্ষ সরকার, নারীজাতির প্রতি বীরত্বপূর্ণ ব্যবহার, কাব্যগাঁথা ও উপন্যাস। আমরা যে অবদান সম্পর্কে বিশেষভাবে উৎসাহিত, তা হলো বিচিত্র ভালোবাসা।

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা ভাষা শিক্ষা
    ট্রেন টু পাকিস্তান
    উপন্যাস পড়ুন
    বই
    লেখকের বই
    বই পড়ুন
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক ভ্রমণ

    যদি বলা হয় মধ্যযুগের আগে বিচিত্র ভালোবাসা ছিল সম্পূর্ণ অজানা তাহলে মিথ্যে বলা হয়। তবে একথা ঠিক যে মধ্যযুগে এই অনুভূতিকে বাসানার স্বীকৃত আবেগ হিসেবে স্থাপিত করা হলো। বিচিত্র ভালোবাসা মূল মন্ত্র হলো এটি প্রিয়তম বস্তুকে সহজে স্পর্শ করে না। তাকে অমূল্য মনে করে। তাই প্রিয়তমের হৃদয় হরণের জন্যে নানা প্রচেষ্টা দেখা যায় কবিতায়, গানে, শক্তিতে অথবা অন্য যেকোনো উপায়ে রমণির মন লাভের চেষ্টা করা হয়। নারীন মূল্য সম্পর্কে এই চিন্তা এসেছে তাকে অর্জন করার অসুবিধা থেকে সৃষ্ট মনস্তাত্ত্বিক কারণে।

    আমার মনে হয়, যখন একটি পুরুষ অতি সহজে একজন রমণিকে অধিকার করতে পারে, তখন সেই নারীর প্রতি তার মনোভাব বিচিত্র ভালোবাসায় রূপান্তরিত হয় না। মধ্যযুগ থেকে দেখা যাবে যে, প্রথমে বিচিত্র ভালোবাসার অনুভূতি শুধুমাত্র সেই রমণিবৃন্দের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিল যাদের সাথে প্রেমিকের আইনগ্রাহ্য অথবা আইন বহির্ভূত যৌন সম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে। এটি সুউচ্চ সম্মানীয়া নারীদের সঙ্গে যুক্ত ছিল, যারা নৈতিকতা ও ঐতিহ্যের দুর্লঙ্ প্রাচীন দ্বারা তাদের প্রেমিকদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছে। এইভাবে চার্চ পুরুষকে যৌন সম্পর্কে অশুভ চিন্তার হাত থেকে উদ্ধার করে। কেননা একটি নারীকে অধিকার না করলে তবেই কাব্যিক অনুভূতির প্রকাশ ঘটে ফলে প্রেম হয় অপার্থিব, অবশ্য যদি এর কোনো সৌন্দর্য থাকে।

    আরও দেখুন
    পিডিএফ বই
    পিডিএফ
    বাংলা বইয়ের সংগ্রহশালা
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা ই-বই
    বাংলা বইয়ের কুইজ
    বাংলা ইবুক রিডার
    বাইশে শ্রাবণ
    নতুন বই
    বাংলা সাহিত্য কোর্স

    বর্তমান যুগের কোনো মানুষের পক্ষে মধ্যযুগের প্রেমিক-কবির মনস্তত্বকে কল্পনার চোখে অবলোকন করা দুরুহ কাজ। ঘনিষ্ঠতার আকুল আকাঙ্ক্ষা ছাড়াও তারা শ্রদ্ধাপূর্ণ ভালোবাসার স্বপক্ষে সওয়াল করে গেছে। আধুনিক যুগের পাঠক অবাক হয়ে ভাবে যে, তারা কিভাবে সাহিত্যিক মূল্যবোধের বাইরে ভালোবাসাকে শ্রদ্ধা করত। এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই যে, সাহিত্যগত প্রকাশভঙ্গিকে আক্রান্ত করেছিল প্রথাগত ঐতিহ্য।

    কিন্তু ভাইটা নুয়োভা (Vita Nouva) তে দান্তে বর্ণিত বিয়াচিত্রের প্রতি ভালোবাসার ঐতিহ্যের আত্মপ্রকাশ ঘটেনি। কিন্তু আমি বলবো সেই আবেগের মধ্যে আধুনিক যুগের মানুষদের কাছে অজানা কামনার্ত বাসনার প্রকাশ ঘটেছে। মধ্যযুগের পবিত্র শক্তি পার্থিব জীবনকে নশ্বর বলে মনে করত। মানুষের সহজাত প্রবৃত্তিকে তারা ভাবত দুর্নীতি ও আদিম পাপের ফল। শরীর ও তার চাহিদাকে তারা ঘৃণা করত। পরিপূর্ণ আনন্দ বলতে বোঝাতো, যৌনকেন্দ্রিক আকর্ষণ থেকে আহত সম্পূর্ণ অবচিীন স্বর্গীয় সুখতন্দ্রা।

    আরও দেখুন
    ট্রেন টু পাকিস্তান
    বাংলা ই-বই
    Books
    বাংলা বইয়ের রিভিউ
    বইয়ের ধরণ
    গ্রন্থাগার
    পিডিএফ
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা অডিওবুক

    দান্তের বর্ণনায় আমরা কিন্তু প্রেম সম্পর্কে এই মনোভাবের প্রতিফলন দেখতে পাইনি। কোনো পুরুষ যদি একজন নারীকে যথাযথভাবে ভলোবাসে এবং সম্মান করে তাহলে সে তার সঙ্গে যৌন সঙ্গমের কথা চিন্তা করতে পারবে না। কেননা সে জানে সমস্ত যৌন সহবাস কিছু না কিছু পরিমাণে অপবিত্র।

    সেক্ষেত্রে তার ভালোবাসা পরিণত হবে কাব্যিক কাল্পনিক অবস্থায়, ও স্বভাবতই সেটি প্রতীক চিহ্নে ভরে যাবে। সংস্কৃতির ওপর এর প্রভাব ছিল শ্রদ্ধাযোগ্য। যার ফলে সম্রাট ফ্রেডিরিকের দ্বিতীয় রাজসভায় সূচিত হলো প্রেমের কবিতায় জয়যাত্রা এবং নবজাগরণ অবধি তার ধারাবাহিক উন্নতি চলতে থাকে।

    মধ্যযুগের শেষভাগের ভালোবাসা সংক্রান্ত মনোভঙ্গির সর্বশ্রেষ্ঠ বিবরণ পাওয়া যায় গ্রন্থে–মধ্যযুগের ক্ষয়প্রাপ্ততা The Waring of Middle ages by Hurizinga। তিনি বলেছেন, দ্বাদশ শতাব্দীতে অতৃপ্ত কামনার বিফলতা হিসেবে ভালোবাসার কাব্যিক বাসনা জন্ম নেয়, যার কেন্দ্র ছিল ঈশ্বরের আশীর্বাদ। এর দ্বারা সভ্যতার ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য ব্যতিক্রম চিহ্নিত হলো। পুরাণকথার মধ্যে যন্ত্রণাময় ভালোবাসার সঙ্গীত শোনা যায় কিন্তু আনন্দ অম্বেষণের তীব্র ইচ্ছা অথবা তার দুঃখজনক হতাশার যে করুণ ছবি আঁকা হলো, তেমনি আর কখনো হয়নি। পাইরামাস এবং থিপসে, সেফালাস অথবা প্রোকরিসের ভাগ্য সমাপ্তি ঘটেছে বিপদঘন পরিণতিতে। তার ফললব্ধ আনন্দে হৃদয় বিদীর্ণকারী ত্যাগস্বীকার দেখা যায়।

    অন্যদিকে অভিজাত কবিতায় বাসনা তার অপরিহার্যতা নিয়ে উপস্থিত হলো এবং সৃষ্টি করল ভালোবাসা সংক্রান্ত নিরাশ ভঙ্গি। বাসনামণ্ডিত প্রেমের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন না করে, নতুন কাব্যিক আদর্শ সকল প্রকার নৈতিক ইচ্ছাবোধকে আলিঙ্গন করতে সমর্থ হলো।

    প্রেমকে অভিষিক্ত করা হলো নৈতিক ও সাংস্কৃতিব আনন্দের আদর্শ ক্ষেত্র হিসেবে। কেননা মানুষের ভালোবাসার মহান প্রেমিক নিষ্পাপ ও পুণ্যবান হয়ে উঠে। ত্রয়োদশ শতাব্দীর শেষ থেকে আত্মিক উপাদান ক্রমশ প্রভাব বিস্তার করতে থাকে। দান্তে এবং তাঁর বন্ধুমণ্ডলীর কামনা বোধ শেষ হলো প্রেমকে পবিত্র মহান অনুরাগ চিহ্নিত করার মধ্য দিয়ে। এখানে চরম উৎকর্ষতা পরিলক্ষিত হয়। ইতালীয়ান কবিতা ধীরে ধীরে তার উদগ্র বাসনা আগুনকে বিসর্জন দিতে সক্ষম হলো। পেত্রার্ককে দ্বিধা বিভক্ত করা হলো আর্থিক উদ্ভূত ভালোবাসা ও অভিজাত প্রকৃতির সামাজিক সৌন্দর্যের মধ্যে। অনতিবিলম্বে আরোপিত ভালোবাসায় কৃত্রিম পদ্ধতির মৃত্যু ঘটে। যখন নবজাগরণ যুগের স্বর্গীয় ভালোবাসার জন্ম হয় এবং ইতিমধ্যে যা ছিল সুপ্ত, সেই রাজকীয় আবেগ থেকে আত্মিক সম্বন্ধভুক্ত কামনাময় কবিতার আন্দোলনের সূত্রপাত হয়।

    আরও দেখুন
    বই
    PDF
    অনলাইন বুক
    বই ডাউনলোড
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    উপন্যাস সংগ্রহ
    নতুন বই
    বাংলা বইয়ের সংগ্রহশালা
    কখনো আসেনি
    বাংলা সাহিত্য আলোচনা

    ফ্রান্স ও বুরগানডিতে ইতালির মতো ধারাবাহিকতা বজায় থাকে নি। কেননা ফ্রান্সের আভিজাতপূর্ণ মনেভঙ্গির মধ্যে ভালোবাসা ছিল গোলাপের গন্ধের মতো। যা সাহসে ভরা প্রেমেকে শ্রদ্ধা করত কিন্তু তার অতৃপ্ত সমাপ্তি সম্পর্কে আক্ষেপ করত না। প্রকৃতপক্ষে এ হচ্ছে চার্চের শিক্ষার বিরুদ্ধে প্রেমের সুপ্রযুক্ত পৌত্তলিত অনুমোদন।

    সমাজের উচ্চ বংশের মধ্যে এবং নৈতিক আদর্শ যে বোধ কারণ উদ্ভূত ছিল তাকে ইতিহাসের বিশিষ্ট ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। আদর্শ সভ্যতার অন্য কোনো ক্ষেত্রে মানুষ এত বেশি সংশ্লিষ্ট ছিল না, যতদিন সে যুক্ত ছিল ভালোবাসার সম্পর্কে। যেমন ভাবে ছাত্রসম্পর্কিত বিদ্যা চেষ্টা করেছে মধ্যযুগের সমস্ত শক্তিকে একত্রিত করে এক কেন্দ্রের মধ্যে আবর্তিত দার্শনিক চিন্তা বৃত্ত সৃষ্টি করা, তেমনভাবে অভিজাত ভালোবাসার তথ্য অপেক্ষাকৃত কম প্রসারিত প্রাঙ্গণে, সহজ জীবনের সকল পরিণতিকে স্পর্শ করতে চেয়েছে। ফরাসিদের মতবাদ এই পদ্ধতিকে বিনষ্ট করেনি, শুধুমাত্র প্রকাশভঙ্গিতে রূপান্তরিত করে, অন্তর্নিহিত সংজ্ঞায় ঐশ্বর্য বাড়িয়েছে।

    ঐ যুগের শুধুমাত্র অস্বাভাবিক কর্কশতার যুগ বলা যায় না। কেননা ভালোবাসার স্বপক্ষে ফরাসিরা যে সওয়াল করেছে, যাকে পুরোহিতদের মত অনুসারে পবিত্র বলা যাবে না। কিন্তু তা হলো পরিশুদ্ধ বীরত্বব্যঞ্জক ও কোমল।

    অবশ্য এই মনোভাব সীমাবদ্ধ ছিল শুধু মাত্র অভিজাত শ্রেণির মধ্যে। তারা অবসর থেকে চিন্তা করতেন, অপার্থিব ত্রাস থেকে কিছু পরিমাণ আবেগ সঞ্চয় করতেন। তখনো জীবনের নানা স্থানে চার্চের প্রবল প্রতাপ পরিলক্ষিত হতো না এবং রাজকীয় ভালোবাসার ধারাকে অবহেলা করার মতো সাহস চার্চের ছিল না। আমাদের গণতান্ত্রিক যুগে আমরা প্রায়ই এই সত্য ভুলে যাই যে, পূর্বে পৃথিবীতে অভিজাততন্ত্রের প্রতিপত্তি ছিল। এখানে মনে রাখা প্রয়োজন যে, যদি বীরত্বপূর্ণ ভালোবাসার মধুর রোমাঞ্চ দ্বারা পরিবেশ সৃষ্টি না হতো তাহলে নবজাগরণের পক্ষে ভালোবাসার পুনরুত্থানের কার্যটি সহজসাধ্য হতো না।

    পৌত্তলিকতার প্রতি সহজাত আকর্ষণের প্রভাবে নবজাগরণের যুগে ভালোবাসা তার স্বর্গীয় অপার্থিবতা হারিয়ে ফেলে। যদিও সেটি তখনো ছিল কাব্যময়। মধ্যযুগের চিন্তাভাবনা সম্পর্কে নবজাগরণের প্রতিফলন ঘটেছে ডনকুইকসেট এবং তার ডালসিনিয়ার মধ্যে। অবশ্য মধ্যযুগের মধ্যে প্রভাববিহীন অবস্থাকে অবশিষ্ট রাখা হয়। সিডনির অ্যাসস্টোফেল ও স্টেলা এবং সেক্সপীয়রের সন্টে মিস্টার ডবলিউ এইচ-এর মধ্যে এবং মিস্টার ডবলিউ এইচকে লেখা সেক্সপীয়রের সনেটের মধ্যে ঐ ভাবনার প্রতিফলন পড়েছে। সবদিক থেকে বিচার করলে নবজাগরণ যুগের বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত প্রেমের কবিতাকে আনন্দ সঞ্চারি ও কৃত্রিমতাবিহীন বলে অভিহিত করা যায়।

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য আলোচনা
    বাংলা ই-বই
    Library
    PDF
    বাংলা বইয়ের সংগ্রহশালা
    বাঁশি
    উপন্যাস পড়ুন
    ই-বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি সরঞ্জাম
    বাংলা অডিওবুক

    শয্যায় ছেনালীপনা ভালো না লাগে, যখন শরীরে তোমার উত্তাপ না জাগে। কলেছেন এলিজাবেথ যুগের এক কবি। এই উক্তির মধ্যে প্রকাশ্য আবেগ ও পার্থিব অনুভূতির স্পন্দন পাওয়া যাবে। মধ্যযুগের অপার্থিব প্রেমের কাছ থেকে নবজাগরণ শিক্ষা পেয়েছিল যে, কিভাবে ভালোবাসার মাধ্যম হিসেবে কবিতাকে কাজে লাগানো যায়। সিমবিলাইনে Cymbeine ক্লোটেনকে হাস্যপ্রদ করা হয়েছে কেননা সে নিজে প্রেমের কবিতা লিখতে পারত না এবং এক লাইনের জন্যে এক পেনি দেওয়া হবে এইভাবে একজনকে ভাড়া করতো। সে হায়, কি জ্বালা, মরণ প্রভৃতি শব্দগুলিকে কবিতায় পরিণত করতো।

    এখানে একটা বিষয় আমাদের অবাক করে দেয় তা হলো মধ্যযুগের আগেও ভালোবাসার কবিতা লেখা হয়েছে কিন্তু তাকে প্রেমের প্রত্যক্ষ অংশীদার করা হয়নি। এক চীনা কবিতায় জনৈক মহিলার মর্মবেদনা প্রকাশিত হয়েছে, সে তার প্রেমাস্পদের অনুপস্থিতিতে বিলাপ করছে। ভারতীয় কাব্যে রহস্যময়তার প্রকাশ দেখা যায়। যেখানে আত্মা হলো নারী, যে ঈশ্বর স্বরূপ পুরুষের উপস্থিতির জন্যে কাতর। কিন্তু সে যুগে নারীরা এতই সহজলভ্যা ছিল যে, সঙ্গীত অথবা কবিতায় আশ্রয় নেওয়ার কোনো প্রয়োজনই পড়ত না।

    শিল্পগত দিক থেকে বিচার করলে বলা উচিত যে, নারীরা সহজপ্রাপ্য হলে তাদের শৈল্পিক উৎকর্ষ কমে যায়। এবং হৃদয়ের পরম আকাঙ্ক্ষিত বস্তুটি লাভ না করলে জন্ম নেয় না মহান কবিতা। নবজাগরণ যুগে থেকে এই ধারাটি মোটামুটিভাবে প্রবর্তিত হয়েছে। ক্ষতিকারক দিকগুলিকে আংশিকভাবে অন্তঃস্থ এবং আংশিকভাবে বহিঃস্থ বলা যায়। শেষোক্ত বিষয়টি এসেছে প্রথাগত নৈতিক শিক্ষা থেকে।

    বিচিত্র ভালোবাসা তার চরম শিখরে আরোহণ করে রোমান্টিক আন্দোলনের যুগে। শেলীকে এই ধারার প্রধান প্রবর্তক হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। শেলী যখন অপূর্ব আবেগ ও কাল্পনিক চিন্তাযুক্ত ভালোবাসায় নিমজ্জিত হন তখন তিনি মনের ভাবকে প্রকাশ করার জন্যে কবিতার আশ্রয় নিলেন। তার মতে আবেগ থেকে সর্বসুন্দর শ্রীমণ্ডিত ভাবনার আত্মপ্রকাশ ঘটতে পারে এবং প্রেম সম্পর্কে নিয়ন্ত্রিত থাকার কোনো কারণ নেই। যাহোক তারা বিচার বুদ্ধি মন্দ মনস্তত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত ছিল।

    বাসনার পথে একাধিক বাধা তাকে কবিতা লিখতে উজ্জীবিত করে। যদি মহতি দুর্ভাগ্যবতি মহিলা, এমিলিয়া ভিভিয়ানিকে তিনি গ্রহন করতে পারতেন তাহলে এলিপসেডিয়ন রচনা করার কোনো প্রয়োজন হতো না। যদি জানতেন আয়ারের ইউলিয়ামসের মতো রূপসী গুণবতি জীবন সঙ্গিনী না থাকত তাহলে তিনি কখনো দি রিকারেকসান রচনা করতেন না। যে সমস্ত সামাজিক বাধা তাঁকে প্রতারিত করে তার মধ্যে সুপ্ত ছিল তাঁর শ্রেষ্ঠতম সৃজনি সত্তার অপরিহার্য উন্মাদনা।

    শেলী কর্তৃক বিবৃত বিচিত্র ভালোবাসার অনুভূতির মধ্যে অস্থির মানসিকতার প্রকাশ দেখা যায়। সেখানে চিরন্তন বাধাবিপত্তিগুলি আছে কিন্তু তার কার্যক্ষমতা অনেকাংশে কমে গেছে। যদি বাধাগুলি সুসংবদ্ধ হতো অথবা তারা প্রযুক্ত না হতো তাহলে বিচিত্র ভালোবাসার উন্মেষ ঘটত না। যেমনভাবে চীনা সমাজে চরম অবস্থার কথা ধরা যায়। সেই অবস্থায় একজন পুরুষ তার স্ত্রী ব্যতিত অন্য কোনো সম্মানিয়া মহিলার সংস্পর্শে আসতে পারতো না এবং যখন সে মনে করত যে, তার স্ত্রীর কাছ থেকে সে সবটুকু তৃপ্তি পাচ্ছে না, তখন গনিকালয়ে যেত। তার স্ত্রীকে নির্বাচিত করা হতো এবং সম্ভবত বিবাহের আগের দিন অবধি মেয়েটি সম্পূর্ণ থাকত অচেনা।

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের ফ্যান ক্লাব
    পোর্টেবল স্পিকার
    অনলাইন বই
    বাংলা বইয়ের রিভিউ
    বাংলা ফন্ট সফ্টওয়্যার
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি সরঞ্জাম
    বাংলা সাহিত্য আলোচনা
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক ভ্রমণ
    Library

    এর পরিণতিতে সেই পুরুষদের সমগ্র যৌন সম্পর্কের মধ্যে ভালোবাসার বিচিত্র বহিঃপ্রকাশ পরিলক্ষিত হতো না। সেই পুরুষ হৃদয় অনুভূতির এমন কোনো পর্যায়ে উপনীত হতে পারত না, যার ফলে সে প্রেমের কবিতায় জন্ম দেবে। সম্পূর্ণ স্বাধীন অবস্থায় কোনো মানুষ প্রেমের কবিতা রচনা করতে পারে কিন্তু প্রবল প্রতিযোগিতামূলক যুদ্ধে জয়লাভের জন্যে পরিহার্য কাল্পনিক শক্তির প্রকাশভঙ্গির সার্বিক প্রয়োজন আছে। অর্থাৎ ভালোবাসার কবিতা নির্ভর করে চিরন্তন ও স্বাধীনতার মধ্যে অবস্থিত নির্দিষ্ট কোমল পরিণতির ওপরে। যেকোনো দিকে ঐ সমতা বিঘ্নিত হলে কবিতার উৎকৃষ্টতম বহিঃপ্রকাশ দেখা যাবে না।

    যদিও প্রেমের কবিতাই ভালোবাসার একমাত্র উদ্দেশ্য নয় এবং শৈল্পিক প্রকাশ ছাড়াও বিচিত্র ভালোবাসার অন্যান্য দিক আছে। ব্যক্তিগতভাবে আমি বিশ্বাস করি যে, জীবন থেকে সংগৃহিত যাবতীয় সুখানুভূতির মধ্যে বিচিত্র ভালোবাসাই হলো শ্রেষ্ঠতম উৎস। যে নারী-পুরুষের সম্পর্কের মধ্যে কামনা-কল্পনা-কোমলতা ভরা ভালোবাসা আছে, তারা সৃষ্টি করে অনন্ত মূল্যসম্পন্ন বোধের। যাকে অস্বীকার করলে মানব সত্তার সর্বাধিক দুর্ভাগ্যকে আমন্ত্রণ করা হবে। আমার মনে যেকোনো সমাজ ব্যবস্থায় উচিত, এই সামাজিক আনন্দের উৎসকে সম্মান করা। যদিও এটি হলো জীবনের এক কণা মাত্র, তার প্রধান উদ্দেশ্য নয়।

    অপেক্ষাকৃত আধুনিকালে ফরাসি বিদ্রোহের সময়ে এই চিন্তা বজায় ছিল যে, বিবাহকে বিচিত্র ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে গণ্য করতে হবে। যে সমস্ত দেশের অধিবাসীরা ইংরেজি ভাষাতে কথা বলে তারা এই ব্যবস্থাকে বিনা প্রতিবাদে গৃহীত সত্য বলে স্বীকার করেছিল এবং এটিকে বৈপ্লবিক মনোভঙ্গি হিসেবে মানতে বাধ্য হয়নি।

    একশো বছর আগের উপন্যাস ও নাটক সাধারণভাবে তরুণতর প্রজাতি কর্তৃক স্থাপিত বিবাহের নতুন ভিত্তির সঙ্গে পিতামাতা কর্তৃক নির্বাচিত ঐতিহ্যমণ্ডিত বিবাহ মতবাদের সংঘাতের কাহিনী লিপিবদ্ধ করেছে। এর প্রকাশভঙ্গি ক্ষতিকারক অথবা আশাব্যঞ্জক কিনা, সে সম্পর্কে যথেষ্ট মতবিরোধ আছে।

    মিমেস ম্যালাপ্রপের বিচার সম্পর্কে কিছু বলা প্রয়োজন। তিনি মনে করতেন যে, ভালোবাসা ও পারস্পরিক ঘনিষ্ঠতা মাতৃতন্ত্র তাকে বিনষ্ট করে। তাই কিছু পরিমাণ বিতর্কের মনোভাব থাকা উচিত। একটা ব্যাপারে নিঃসন্দেহ হওয়া যায় যে, নারী পুরুষ যখন পরস্পর সম্পর্কে পূর্ববর্তী যৌন অভিজ্ঞতা ব্যতিত বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয় বিচিত্র ভালোবাসার প্রভাবে, তখন প্রত্যেকে কল্পনা করে যে, অন্যের মধ্যে নিহিত আছে নৈতিক ত্রুটিহীনতা অপেক্ষা শ্রেয় সত্তা এবং ধারণা করে যে, বিবাহ হলো আশীর্বাদের দীর্ঘ স্বপ্নের পথ। বিশেষ করে এই ঘটনাটি মহিলাদের ক্ষেত্রে ঘটে যদি সে অজ্ঞাত ও পবিত্রতার মধ্যে যৌবনপ্রাপ্তা হয়। তখন তার পক্ষে যৌনযুদ্ধ ও আবেগময় ভালোবাসার মধ্যে পার্থক্য নিরুপণ করার কাজটা দুরুহ হয়ে যায়।

    আমেরিকাতে বিবাহ সম্পর্কে বিচিত্র ভালোবাসার স্বীকৃতি যেখানে সর্বাধিক গুরুত্ব সহকারে বিবেচিত হয়, এবং যেখানে আইন ও প্রথা সমবেতভাবে কুমারীদের স্বপ্নের ওপর নির্ভরশীল, সেখানে বিবাহ বিচ্ছেদকে সুখ প্রদানকারী বিবাহের চরম বিফলতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পরস্পরের সান্নিধ্যলব্ধ আনন্দ অপেক্ষা আরো গম্ভীর হলো বিবাহের উদ্দেশ্য। এই প্রথার মাধ্যমে সন্তানদের আগমন ঘটে এবং এটি সমাজের ঘনিষ্ঠতম অংশে অনুপ্রবেশ করেছে। স্বামী ও স্ত্রীর ব্যক্তিগত আবেগের বাইরে সেই অস্তিত্ব প্রসারিত হয়েছে সুদূরে।

    আরও দেখুন
    Books
    Library
    পিডিএফ বই
    বই ডাউনলোড
    গ্রন্থাগার
    বাংলা বই প্রিন্ট
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বাংলা ইবুক রিডার
    উপন্যাস পড়ুন
    বাংলা সাহিত্য

    এটি সম্ভবত সুখি চিহ্ন, আমার মনে হয়, এটি থেকে যে বিবাহের ধারণা আসবে, তার উৎস বিচিত্র ভালোবাসা। কিন্তু একটা বিষয়ে অবহিত হবে যে, এ ধরনের ভালোবাসা থাকলে বিবাহ বন্ধনকে সুখি করা যায় এবং তার সামাজিক দায়িত্ব পালন করা যায়। সেই ভালোবাসা বিচিত্র নয়। তা হলো ঘনিষ্ঠতা অপেক্ষা অন্তরঙ্গ, স্নেহ সঞ্চারী ও বাস্তববাদী।

    রোমান্টিক ভালোবাসার ক্ষেত্রে প্রিয়বস্তুকে সঠিকভাবে দেখা যায় না। তাকে দেখা যায় বর্ণনার তন্ময়তার মধ্যে। অস্বীকার করার উপায় নেই যে, কয়েক ধরনের মহিলা বিবাহের পরেও এই রহস্য তন্ময়তার জগতেও বাস করে। কিন্তু এক্ষেত্রে তার সমগোত্রীয় স্বামী লাভ করার ব্যাপারটা অত্যন্ত অন্তরঙ্গতাকে অস্বীকার করে ফিনিকস পাখির মতো নিজের একান্ত অনুগত ভাবনা ও অনুভূতির জগতে বাস করে। এর মধ্যে কিছু পরিমাণে শারীরিক গোপনীয়তার প্রশ্ন জড়িত আছে। অবশ্য এই জাতীয় অনুভূতি বিবাহকে তার সর্বোত্তম সম্ভাবনাবলি থেকে বিরত করে যা নির্ভর করে কল্পনা দ্বারা অপ্রাপ্তব্য স্নেহার্দ্র অন্তরঙ্গতার মধ্যে।

    সর্বোপরি, বিবাহ সম্পর্কে বিচিত্র ভালোবাসার অপরিহার্যতাকে যথেষ্ট শক্তি সঞ্চারী বলে মনে হয়। এবং সেইন্ট পলের ধারণা অনুসারে বিপরীত বক্তব্য রাখা যায় যে, এটি এই সত্যকে অস্বীকার করে সন্তান উৎপাদক বিবাহ ব্যবস্থাকে গুরুত্বপূর্ণ করেছে। কিন্তু সন্তানদের জন্য, সে কারণে কোনো যৌন সংক্রান্ত মতবাদের প্রয়োজন নেই। স্ত্রী ও স্বামী পরস্পর সম্পর্কে বাস্তববাদী দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় দেবে। এ যাবত যে ধারণাকে তারা সর্বাপেক্ষা গুরুত্ব হিসেবে মেনে এসেছে তার প্রতি মনোনিবেশ করবে না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসাহিত্যিকদের ছদ্মনাম
    Next Article শিক্ষা প্রসঙ্গ – বার্ট্রান্ড রাসেল

    Related Articles

    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কেন আমি ধর্মবিশ্বাসী নই – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    সুখের সন্ধানে – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    অপেক্ষবাদের অ, আ, ক, খ – বারট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কর্তৃত্ব ও ব্যক্তিসত্তা – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    ধর্ম ও বিজ্ঞান – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    দর্শনের সমস্যাবলি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }